এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ৫ অক্টোবর, ২০২২

বাংলাদেশ বেতার সকাল সাতটার সংবাদ 05/10/2022

 বাংলাদেশ বেতারের সকাল ৭টার সংবাদ

(০৫-১০-২০২২)

আজকের শিরোনাম -


* কেউ অন্য কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে কথা বলতে পারবে না - দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হুঁশিয়ারী। 


* আজ বিজয়া দশমী - প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গাপূজা। 


* জোরালো নেতৃত্ব এবং বাংলাদেশের অভুতপূর্ব অগ্রগতির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেছে বিখ্যাত মার্কিন দৈনিক দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। 


* ফার্মেসিগুলোতে প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ বিক্রি বন্ধে নতুন আইন প্রণয়ন করা হবে - জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। 


* জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের পর দেশের বেশিরভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু। 


* কোয়ান্টাম মেকানিক্সে কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়ার পদার্থবিজ্ঞানী পেলেন এ বছরের নোবেল পুরস্কার। 


* এবং আজ কমলাপুরে এএফসি অনুর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপ ফুটবলের বাছাইপর্বে সিঙ্গাপুরের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর, ২০২২

বি আর টি তখন কোনো গাড়ি কে অনুমোদন দেয়

 বিআরটিএ যখন কোন গাড়িকে অনুমোদন দিয়ে থাকে, তখন গাড়ির ধরণ অনুসারে গাড়িকে একটি ক্যাটাগরিতে স্থান দেয়া হয়ে। কোন গাড়ি কোন ক্যাটাগরিতে পড়ছে, সেই ক্যাটাগরি অনুসারে গাড়ির জন্য একটি বর্ণ নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। নাম্বারপ্লেট প্রদানের ক্ষেত্রে বিআরটিএ’র নিয়ম অনুসারে মোট ১৯টি ক্যাটাগরি রয়েছে। এর মধ্যে একটি ক্যাটাগরি হচ্ছে- প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের গাড়ি, বাকি ১৮টি ক্যাটাগরিই জনসাধারণের গাড়ির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।


তাহলে জেনে নেয়া যাক ১৯টি ক্যাটাগরি সম্বন্ধে-


ক –

প্রাইভেটকার, ৮০০ সিসি’র প্রাইভেট কারের নাম্বারপ্লেটে ব্যবহার করা হয়ে থাকে বাংলা ব্যাঞ্জন বর্ণের প্রথম বর্ণটি।


খ –

প্রাইভেটকার, ১০০০-১৩০০ সিসি’র প্রাইভেট কার বুঝাতে নাম্বারপ্লেটে ‘খ’ লেখা থাকে।


গ –

প্রাইভেটকার, ১৫০০-১৮০০ সিসি’র যেসব প্রাইভেটকার রয়েছে সেগুলোর নাম্বারপ্লেটে খেয়াল করলে দেখা যাবে ‘গ’ বর্ণ দেয়া আছে।


ঘ –

জীপগাড়ি, জীপগাড়ির ক্যাটাগরি নির্ধারণের জন্য ‘ঘ’ বর্ণটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।


চ –

মাইক্রোবাস, মাইক্রোবাসের নাম্বার প্লেটে ব্যবহার করা হয় বাংলা বর্ণমালার ৫ম বর্ণ ‘চ’।


ছ –   

আবার ভাড়ায় চালিত মাইক্রোবাস যেগুলো, সেগুলোর নাম্বার প্লেটে থাকে ‘ছ’। লেগুনার জন্যও এই বর্ণটি নির্ধারিত।


জ –

মিনিবাসের ক্যাটাগরি বুঝানোর জন্য নাম্বার প্লেটে ‘জ’ বর্ণটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।


ঝ –

বড় বাস বা কোস্টার বাসের ক্যাটাগরি বুঝাতে ব্যবহার করা হয় ‘ঝ’ বর্ণটি।


ট –

কোন গাড়ির নাম্বার প্লেটে যদি ‘ট’ বর্ণটি লেখা থাকে তাহলে বুঝতে হবে, এটা বড় ট্রাকের নাম্বার প্লেট।


ঠ –

নাম্বার প্লেটে ‘ঠ’ থাকলে বুঝতে হবে, নাম্বার প্লেটটি কোন ডাবল কেবিন পিক-আপ এর নাম্বার প্লেট।।


ড –

মাঝারি ট্রাকের নাম্বার প্লেটের দিকে খেয়াল করলে দেখবেন সেখানে ব্যবহার করা হয়েছে ‘ড’ বর্ণটি।


ন –

কোন গাড়ি যদি ছোট পিক আপ ক্যাটাগরির হয়ে থাকে তাহলে নাম্বার প্লেটে ‘ন’ বর্ণ ব্যবহার করে ক্যাটাগরি নির্দিষ্ট করা হয়ে থাকে।


প –

ট্যাক্সি ক্যাবের জন্য নির্ধারিত ক্যাটাগরি। সাধারণত ট্যাক্সি ক্যাবের নাম্বার প্লেটে ‘প’ বর্ণটি থাকে।


ভ –

২০০০+ সিসি প্রাইভেটকার বুঝাতে গাড়ির নাম্বার প্লেটে শহরের নামের পর ‘ভ’ বর্ণ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।


ম –

পণ্য পরিবহন এবং ডেলিভারির জন্য ব্যবহৃত পিক-আপ বুঝানোর জন্য বাংলা বর্ণমালার ‘ম’ বর্ণটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।


দ –

প্রাইভেট বা নিজস্ব পরিবহনের জন্য যেসব প্রাইভেট সিএনজি চলাচল করে থাকে সেগুলোর নাম্বার প্লেটে ‘দ’ বর্ণটি ব্যবহার করা হয়। 


থ –

ভাড়ায় চলিত সিএনজির ক্ষেত্রে ‘থ’ বর্ণ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।


হ –

৮০-১২৫ সিসি’র মোটরবাইক হয়ে থাকলে সেই বাইকের নাম্বারপ্লেটে ‘হ’ বর্ণ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে।


ল –

যদি কোন মোটরবাইক ১৩৫-২০০ সিসি’র হয়ে থাকে তাহলে সেই বাইকের নাম্বারপ্লেটে ‘ল’ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে।


ই –

ভটভটি টাইপের ট্রাকের নাম্বারপ্লেট অনুমোদন দেয়ার সময় তাতে ‘ই’ বর্ণটি দিয়ে ক্যাটাগরি ঠিক করে দেয়া হয়।


য-

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের গাড়িগুলো চিহ্নিত করতে নাম্বার প্লেটে ‘য’ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।


এখন, কোন বর্ণ দিয়ে কোন ধরণের গাড়ি বুঝানো হয় তা জানা থাকলে শুধু নাম্বার প্লেট দেখেই ধারণা পাওয়া যায় গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, শহর, ইঞ্জিন প্রকৃতি সম্পর্কে। অনেক সময় গাড়ি ট্রেস করার জন্যও গাড়ির নাম্বার ব্যবহার করা হয়। 


কিন্তু গাড়ি ট্রেস করার সবচেয়ে সহজ এবং নিখুত উপায় হচ্ছে ভেহিকল ট্র্যাকিং সার্ভিস ব্যবহার করা। ভেহিকল ট্রাকিং সার্ভিস প্রহরীর মাধ্যমে খুব সহজেই ঘরে কিংবা অফিসে বসে গাড়ি ট্র্যাক এবং ট্রেস করা যায় দিনরাত চব্বিশ ঘন্টা। যাতে গাড়ি থাকে সুরক্ষিত, যাত্রী থাকে নিরাপদে।

পুরুষের পর্দা

পুরুষের পর্দাঃ


আমরা এমন পুরুষ জাতি সারাদিন নারীদের নিয়ে ভাবতে ভাবতে আমরা ক্লান্ত কিন্তু নিজেদের দিকে একবারও খেয়াল করি না। পুরুষদের পর্দা নিয়ে যেন কোনো মাথা ব্যাথাই নেই! অথচ


আল্লাহ তা’আলা কুরআনে পুরুষদের পর্দার কথা বলেছেন আগে তারপর এসেছে নারীদের কথা | আলহামদুলিল্লাহ ।


 আল্লাহ বলেছেন পুরুষরা যেনো তাদের চোখ নিচু করে চলে আর লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। অর্থাৎ নিজেদের সংযত করে। তার মানে নজরের হেফাজত করে দৃষ্টি অবনত করে চলা। এটাই পুরুষের বড় পর্দা| আর নাভী থেকে টাখনুর উপরে হাটুর নিচে পর্যন্ত ঢাকা থাকতেই হবে এটা মূল সতর |সাথে মূল বডিটাও ঢাকবেন।


 প্রিয় ভাই আমার, চোখ আমাদের সকল পরীক্ষার মূল প্রশ্নপত্র। চোখের উত্তরটা ঠিক ঠাক লিখলে ভুরি ভুরি নাম্বার অর্জন করা সম্ভব ইনশাল্লাহ। তাই একে সংযত করতে হবে, নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।


মনে রাখবেন ভাই চোখ সঙ্গযত তো মস্তিষ্ক সংযত আর মস্তিষ্ক সংযত তো অন্তর সংযত আর অন্তর সংযত তো লজ্জাস্থান সঙ্গযত ফলে জীবন সংযত ইনশাআল্লাহএকটার সাথের আরেকটার সম্পর্ক বেশ গভীর ভাবুন চিন্তা করুন কতইনা সুন্দর ব্যবস্থা সুবহানাল্লহ।


প্রিয় ভাই,


 নারী যে অবস্থাতেই থাকুক না কেন তাদের দিকে তাকানো যাবেনা কারন আপনাকে জান্নাতে যেতে হবে। আপনার আল্লাহভীতির উপর নির্ভর করে সেই নারীর কর্ম আপনার ঝুলিতে উঠবেনা| তাই নিজের দিকে আঙুল তুলতে হবে।


 ভুলবশত নজর গেলেও বা অনিচ্ছাকৃত ভাবে সামনে পরে গেলেও নিজেকে সংযত করে চোখ তুলে নিতে হবে,এটাই একবার চোখ পরার বিধান। তখন চোখ অবনত করতে হবে, দৃষ্টিকে স্থানান্তর করতে হবে।কারন এটাই আল্লাহর আদেশ।


বিনা তর্কে দ্বীনমেনে নেওয়াই মুমিন বান্দার উত্তম পরিচয়| 


ও ভাই, কোন নারীর পাপের বোঝা আপনি বা আমি বইবো কি? অবশ্যই না, আমাদের নিজের কর্মের ফল নিজেদের ভোগ করতে হবে | বিচারের মাঠে কেউ সাথী হবেনা, আপনি বলতে পারবেন না যে মেয়ে খোলা মেলা ছিলো তাই আমি তাকিয়েছি! কেননা সর্বাবস্থায় আপনাকে দৃষ্টি সংযত করতে হবে ,এটা আল্লাহর আদেশ, ফরজ বিধান।


 প্রিয় ভাই আমাদের এই পরিক্ষায় পাশ করলে হুর ঈন আইন দিবেন আল্লাহ। তাদের বর্ননা কুরআনে সুন্দর করে দেওয়া আছে বিশেষ করে সূরা আর রহমান দেখুন। আমি লিখছি না কারন আমি চাই আপনি নিজেই আল্লাহর তরফ হতে বরাদ্দকৃত রমনীর বিবরন পড়ে নিবেন| আহা! কতই না সুন্দর হবে ভাবলেই হারিয়ে যাই অজানা ভাবনায়! হুর নিয়ে ভাবুন নিজেকে সংযত করুন প্রিয় ভাই। 

সোমবার, ৩ অক্টোবর, ২০২২

মাটির নিচে মসজিদ

মসজিদ

ভারতের বিহার রাজ্যের নওয়াদা জেলায় খরার প্রভাবে নদী শুকিয়ে যাওয়ায় নদীর তলদেশে একটি প্রচীন মসজিদ জেগে উঠেছে। মসজিদটি ১২০ বছর আগে নির্মিত বলে ধারনা করা হচ্ছে। 

কয়েক যুগ আগে বিহারে ফুলওয়ারিয়া বাঁধের কাজ শুরু হলে তা পানিতে নিমজ্জিত হয়। এবং চার দশক পানির নীচে থাকার পরেও মসজিদটি অক্ষত রয়েছে। 


সেখানে অনেকেই মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করলেও ভবনটি সম্পূর্ণ অক্ষত দেখে অবাক হয়ে যান। এটি ছিল মসজিদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ যে কয়েক দশক ধরে নিমজ্জিত থাকার পরেও কাঠামোর সামান্যতম ক্ষতিও হয়নি। মাটি থেকে মসজিদের উচ্চতা ৩০ ফুট। 


ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছেন, ১৯৭৯ সালে বিহারের নওয়াদায় ফুলওয়ারিয়া বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার আগে থেকেই মসজিটি বিদ্যমান ছিল। এই জায়গাটিতে একটি বিশাল মুসলিম জনবসতি ছিল যাদের বাঁধ নির্মাণের জন্য উচ্ছেদ করা হয়েছিল। পুরো এলাকাটি সরকার অধিগ্রহণ করে। এ সময় বাঁধের পানিতে মসজিটি নিমজ্জিত হয়ে পড়ে।


 এ বছর তীব্র খরার কারনে ফুলওয়ারিয়া বাঁধ জলাধারের দক্ষিণ প্রান্তে পানি শুকিয়ে যাওয়ার পরে বিহারের নওয়াদা জেলার রাজৌলি ব্লকের চিরাইলা গ্রামের একটি নিমজ্জিত মসজিদ টি জেগে উঠে। 


বাঁধের তীব্রস্রোতে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হলেও মসজিটি অক্ষত থাকে।।


সূত্র: The saisat daily 

চোখ উঠা কি

 ➤এবার গ্রামে এসে কনজাংটিভাইটিস বা চোখ উঠা রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা অনেক দেখতেছি।


 ⚠️কনজাংটিভাইটিস বা চোখ উঠা⚠️

ইদানিং দেখা যাচ্ছে কনজাংটিভাইটিস বেড়েই চলছে (Viral conjunctivitis) কনজাংটিভাইটিস কি এক কথায় আমরা গ্রামের ভাষায় যাকে বলে চোখ উঠা।

🟢 কি কি লক্ষণ দেখা যাবে:
১) প্রথম দিন চোখে ময়লা আসতে পারে।
২) চোখ লাল হয়ে যাবে।
৩) চোখ দিয়ে পানি পড়বে।
৪) জ্বর আসতে পারে।
৫) ব্যাথা থাকবে না ও থাকতে পারে।
৬) চোখের পাতা ফুলে যাবে।
৭) চোখ চুলকানো বা জ্বালাপোড়া করবে।

🟢 এটা কিভাবে ছড়ায়:
১) মনে রাখতে হবে এটা ছোঁয়াচে রোগ ।
২) আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসলে।
৩) আক্রান্ত ব্যক্তির রুমাল বা কাপড় ইত্যাদি ব্যবহার করলে।

🟠 উপদেশ:
১) আক্রান্ত ব্যক্তির ১৪ দিন ঘরের বাইরে কম বের হবেন।
২ চোখে কালো চশমা ব্যবহার করবেন।
৩) চোখ হাত দিয়ে ডলবেন না
৪) সর্বদা পরিষ্কার পানিতে গোসল করবেন
৫) এ সমস্যা দেখা দিলে কোন কবিরাজের কথা শুনে অন্য কিছু করবেন না।
৬) নিয়মিত ওষুধ এবং ড্রপ ব্যবহার করবেন।
৭) পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বেন আল্লাহর কাছে ভাইরাস থেকে মুক্তি চাইবেন।😊🧡

শিশুর প্রথম দাঁত ও তার যত্ন

শিশুর প্রথম দাঁত ও তার যত্ন 


শিশুর প্রথম দাঁত উঠা, এটি যেনো বাবা-মায়ের জন্য অন্যতম একটি আনন্দঘন মুহূর্ত। কিন্তু এ আনন্দের সাথে দুশ্চিন্তার ছাপও দেখা যায়- 


• কিভাবে দাঁতের যত্ন নিতে হবে?

• কি করলে দাঁতের গঠন ভালো হবে?

• কিভাবে দাঁতের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা যাবে?

• কিভাবে দাঁতের রক্ষনাবেক্ষন করলে দন্তক্ষয় থেকে রেহাই পাওয়া যাবে?


আর নয় দুশ্চিন্তা, শিশুর দাঁত ওঠার সাথে সাথেই শুরু হয়ে যাবে শিশুর দাঁতের যত্ন নেয়া:


• শিশুদের প্রথম দাঁত সাধারণত ৬-৮ মাস বয়সে উঠে থাকে 

• অনেকের ক্ষেত্রে ১০ মাস বয়সেও দাঁত উঠে থাকে

• দাঁত উঠার সাথে সাথে দাঁতের যত্ন করা প্রয়োজন 

• খাবার পরে নরম ভেজা কাপড় দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করিয়ে দিতে হবে 

• প্রতিদিন দিনে ২ বার ফিঙ্গার টুথব্রাশ দিয়ে দাঁত ব্রাশ করিয়ে দিতে হবে 

• ১ বৎসর বয়স পর্যন্ত কোনো টুথপেস্ট ব্যবহার করা লাগবে না

• ১ বছর বয়সের পর থেকে সঠিক পরিমান টুথপেস্ট ব্যবহার করতে হবে

• দাঁতে কোনো অবাঞ্চিত দাগ অথবা গর্ত দেখা দিলে শিশু দন্ত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন 

ফেইসবুক থেকে কপি ঊ

কোম্পান্নীর চাকরি

 এক কোম্পানীতে ছিলো এক পিঁপড়া। সে প্রতিদিন ৯টায় অফিসে ঢুকতো। তারপর কারো সঙ্গে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেত।


সে যে পরিমাণ কাজ করত, তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করত।


ওই অফিসের সিইও সিংহ অবাক হয়ে দেখত, এই পিঁপড়াটি কোনো ধরনের সুপারভিশন ছাড়াই প্রচুর কাজ করছে। সিংহ ভাবল, পিঁপড়াকে যদি কারও সুপারভিশনে দেওয়া হয়, তাহলে সে আরও বেশি কাজ করতে পারবে।


কয়েক দিনের মধ্যেই সিংহ একটি তেলাপোকাকে পিঁপড়ার সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দিল। সুপারভাইজার হিসেবে এই তেলাপোকাটির ছিল দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, আর সে দুর্দান্ত রিপোর্ট লিখতে পারত।


তেলাপোকাটি প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিল, এই অফিসে একটি অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম থাকা উচিত।


কয়েক দিনের মধ্যেই তেলাপোকার মনে হলো, তার একজন সেক্রেটারি দরকার, যে তাকে রিপোর্ট লিখতে সাহায্য করবে। … সে একটা মাকড়সাকে নিয়োগ দিল এই কাজে যে সব ফোনকল মনিটর করবে, আর নথিপত্র রাখবে।


সিংহ খুব আনন্দ নিয়ে দেখল যে তেলাপোকা তাকে প্রতিদিনের কাজের হিসাব দিচ্ছে আর সেগুলো বিশ্লেষণ করছে গ্রাফের মাধ্যমে। ফলে খুব সহজেই উৎপাদনের ধারা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাচ্ছে এবং সিংহ সেগুলো বোর্ড মিটিংয়ে ‘প্রেজেন্টেশন’ আকারে পেশ করে বাহবা পাচ্ছে।


কিছুদিনের মধ্যেই তেলাপোকার একটি কম্পিউটার ও লেজার প্রিন্টার প্রয়োজন হলো এবং এগুলো দেখভালের জন্য আইটি ডিপার্টমেন্ট গঠন করল। আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ পেল মাছি।


আমাদের কর্মী পিঁপড়া, যে প্রতিদিন অফিসে এসে প্রচুর কাজ করে মনের সুখে গান গাইতে গাইতে বাসায় ফিরত, তাকে এখন প্রচুর পেপার ওয়ার্ক করতে হয়, সপ্তাহের চার দিনই নানা মিটিংয়ে হাজিরা দিতে হয়।


নিত্যদিন এসব ঝামেলার কারণে কাজে ব্যাঘাত ঘটায় উৎপাদন কমতে লাগল, আর সে বিরক্ত হতে লাগল।


সিংহ সিদ্ধান্ত নিল, পিঁপড়া যে বিভাগে কাজ করে, সেটাকে একটা আলাদা ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করে সেটার একজন ডিপার্টমেন্ট প্রধান নিয়োগ দেওয়ার এটাই উপযুক্ত সময়।


সিংহ ঝিঁঝিপোকাকে ওই ডিপার্টমেন্টের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিল। ঝিঁঝিপোকা প্রথম দিন এসেই তার রুমের জন্য একটা আরামদায়ক কার্পেট ও চেয়ারের অর্ডার দিল।


কয়েক দিনের মধ্যেই অফিসের জন্য স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান তৈরি করতে ঝিঁঝি পোকার একটি কম্পিউটার ও ব্যক্তিগত সহকারীর প্রয়োজন হলো। কম্পিউটার নতুন কেনা হলেও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ঝিঁঝিপোকা নিয়োগ দিল তার পুরোনো অফিসের একজনকে।


পিঁপড়া যেখানে কাজ করে, সেখানে আগে ছিল চমৎকার একটা পরিবেশ। এখন সেখানে কেউ কথা বলে না, হাসে না। সবাই খুব মনমরা হয়ে কাজ করে।


ঝিঁঝিপোকা পরিস্থিতি উন্নয়নে সিংহকে বোঝাল, ‘অফিসে কাজের পরিবেশ’ শীর্ষক একটা স্টাডি খুব জরুরি হয়ে পড়েছে।


পর্যালোচনা করে সিংহ দেখতে পেল, পিঁপড়ার বিভাগে উৎপাদন আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।


কাজেই সিংহ কয়েক দিনের মধ্যেই স্বনামখ্যাত কনসালট্যান্ট পেঁচাকে অডিট রিপোর্ট এবং উৎপাদন বাড়ানোর উপায় বাতলে দেওয়ার জন্য নিয়োগ দিল।


পেঁচা তিন মাস পিঁপড়ার ডিপার্টমেন্ট মনিটর করল, সবার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলল। তারপর বেশ মোটাসোটা একটা রিপোর্ট পেশ করল সিংহের কাছে। ওই রিপোর্টের সারমর্ম হলো, এই অফিসে প্রয়োজনের তুলনায় কর্মী বেশি। কর্মী ছাঁটাই করা হোক।


পরের সপ্তাহেই ওই হতভাগ্য পিঁপড়াকে ছাঁটাই করা হলো।

বেশিরভাগ অফিসে হয় 

ইজি কাজে বীজি বীজি কাজে লেজি।

যারা বেশি কাজ করে তাদের বেশি ভুল হয়, তাদের চাকুরী আগে যায়।


কালেক্টেড

সাকুরা পরিবহন সাইদাবাদ টু বরিশাল

#গাজিপুর (মালেকের বাড়ি) থেকে সায়দাবাদ - পদ্মাসেতু হয়ে বরিশাল চলাচল কৃত আমাদের (NON AC) বাসের সময়সূচিঃ


🔸 ০৫:৩০ সকাল || কোচ নং ১০৭ || মালেকেরবাড়ি/গাজিপুর 

গাজিপুর- আব্দুল্লাহপুর -খিলক্ষেত -নদ্দা / রামপুরা -সায়দাবাদ – বরিশাল-বাকেরগঞ্জ - পটুয়াখালী - কলাপাড়া- কুয়াকাটা 💙


** আব্দুল্লাহপুর: ৬:৩০ মিনিট।

** নদ্দা: ৬:৫০ মিনিট।


🔸৬:৩০ সকাল || কোচ নং ১১১ || মালেকেরবাড়ি/গাজিপুর 

গাজিপুর- আব্দুল্লাহপুর -খিলক্ষেত -নদ্দা / রামপুরা -সায়দাবাদ – বরিশাল- ঝালকাঠি - ভান্ডারিয়া - মঠবাড়িয়া💙 


** আব্দুল্লাহপুর: ৭:৩০ মিনিট।

** নদ্দা:


🔸৭:০০ সকাল || কোচ নং ১১৩ || মালেকেরবাড়ি/গাজিপুর 

গাজিপুর- আব্দুল্লাহপুর -খিলক্ষেত -নদ্দা / রামপুরা -সায়দাবাদ – বরিশাল 💙


** আব্দুল্লাহপুর: ৮:০০ মিনিট।

** নদ্দা: ৮:১৫ মিনিট।


🔸৯:৩০ সকাল || কোচ নং ১১৯ || মালেকেরবাড়ি/গাজিপুর 

গাজিপুর- আব্দুল্লাহপুর -খিলক্ষেত -নদ্দা / রামপুরা -সায়দাবাদ – বরিশাল💙


** আব্দুল্লাহপুর: ১০:৪৫ মিনিট।

** নদ্দা: ১১:১৫ মিনিট।


🔸 ৯:০০ রাত || কোচ নং ২০৭ || মালেকেরবাড়ি/গাজিপুর 

গাজিপুর- আব্দুল্লাহপুর -খিলক্ষেত -নদ্দা / রামপুরা -সায়দাবাদ – বরিশাল-বাকেরগঞ্জ - পটুয়াখালী - কলাপাড়া- কুয়াকাটা 💙


** আব্দুল্লাহপুর: ১০:০০ মিনিট।

** নদ্দা: ১০:২০ মিনিট।


🔸৯:৩০ রাত || কোচ নং ২০৮ || মালেকেরবাড়ি/গাজিপুর 

গাজিপুর- আব্দুল্লাহপুর -খিলক্ষেত -নদ্দা / রামপুরা -সায়দাবাদ – বরিশাল- ঝালকাঠি - ভান্ডারিয়া - মঠবাড়িয়া💙 


** আব্দুল্লাহপুর: ১০:৩০মিনিট।

** নদ্দা: 


🔸১০:০১ রাত || কোচ নং ২০৯ || মালেকেরবাড়ি/গাজিপুর 

গাজিপুর- আব্দুল্লাহপুর -খিলক্ষেত -নদ্দা / রামপুরা -সায়দাবাদ – বরিশাল💙


** আব্দুল্লাহপুর: ১১:০১ মিনিট।

** নদ্দা: ১১:১৬ মিনিট।


*** সময়সূচি পরিবর্তন যোগ্য ***

-------------------------------------------------🇧🇩

✅ টিকেট বুকিং এবং অন্যান্য তথ্যের জন্য কল করুন:

 +8801729556677

 +8801844167650 

[ কাউন্টার শুধুমাত্র ইনস্ট্যান্ট টিকেট বিক্রি করে, বুকিংয়ের জন্য অবশ্যই কল সেন্টারে কল করুন সকাল ৬ টা থেকে রাত ১১ টার মধ্যে ]


🌻 আব্দুল্লাহপুর কাউন্টারঃ +880 1844-167641

 https://maps.app.goo.gl/pM72zKiPkHrka1rM9


🌻 মালেকেরবাড়ি কাউন্টারঃ +880 1844-167640

 https://maps.app.goo.gl/vdQdS3KhphWrRCW39


*** আমাদের ওয়েবসাইট:

www.sakuraparibahanbd.com


আমাদের অফিশিয়াল ফেইসবুক গ্রুপ:

Sakura Paribahan (Pvt.) Ltd. ✅ 

‎‏‎‎‎‎‎‏‎‏‏‏‎‎‎‎‎‎‏‎‎‏‎‎‎‎‏‏‏‏‏‏‏

ধন্যবাদ, 

সাকুরা পরিবহন (প্রাঃ) লিঃ 

রহস্যময় ইলিশের জীবন কাল

 


রহস্যময় পুরুষ ইলিশ! যাকে দেখা যায় না, ধরা যায় না!


ফিচার


শিবব্রত বর্মন


02 December, 2021, 11:10 pm


Last modified: 11 December, 2021, 12:49 pm


ইলিশের বিচরণ কেবল মেঘনার অববাহিকাতেই সীমাবদ্ধ নয়। সাগর থেকে তারা মিয়ানমারের ইরাবতী নদী এবং পশ্চিমবঙ্গের ভাগীরথী-হুগলী নদীতে প্রবেশ করে। তা ছাড়া ইলিশের উপস্থিতি রয়েছে আরও সুদূরে। পূর্বের মেকং বদ্বীপ থেকে শুরু করে পশ্চিমের পারস্য উপসাগরেও দেখা মেলে তাদের।





আপনি যখন নিজ শহরের স্থানীয় বাজার থেকে একটি ইলিশ কিনবেন, সম্ভাবনা অত্যন্ত প্রবল যে সেই মাছটি হবে নারী ইলিশ, যার পেটভর্তি ডিম। ইলিশের মৌসুমে আক্ষরিক অর্থেই দেশের কোণে কোণে প্রতিটি বাজার উপচে পড়ে নারী ইলিশে। অথচ পুরুষ ইলিশ যেন অমাবস্যার চাঁদের মতোই দুর্লভ।  

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অক্টোবর মাসে যখন ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম চলে, তখন প্রায় সমপরিমাণ নারী ও পুরুষ ইলিশই নদীর উজান পেরিয়ে আসে মিঠাপানিতে। তাহলে এই পুরুষ ইলিশরা সব যায় কই? কীভাবে তারা লোকচক্ষুর অন্তরালে স্রেফ উধাও হয়ে যায়?

মধ্য-সেপ্টেম্বরে আমি যখন চাঁদপুরে দেশের সর্ববৃহৎ ইলিশের পাইকারি বাজারে হাজির হলাম, আমি এ ব্যাপারটা দেখে খুবই অবাক হলাম যে মাটিতে সারি বেঁধে থাকা সকল ইলিশই নারী ইলিশ। 


যে প্রশ্নটিকে সামনে রেখে আমি আমার যাত্রা শুরু করেছিলাম, সেটিই ছুড়ে দিতে থাকলাম সকল ব্যবসায়ীর সামনে : সব পুরুষ ইলিশ কোথায় গেছে?

কিন্তু এত বড় বাজারের একটি লোকও আমাকে এই রহস্যের মীমাংসা সম্ভব এমন কোনো বিশ্বাসযোগ্য জবাব দিতে পারল না। 

'আমরা পুরুষ ইলিশ নিয়ে মাথা ঘামাই না। আমরা এতেই খুশি যে সবগুলো মাছই নারী ইলিশ, আর তাদের পেটভর্তি ডিম। ক্রেতারাও এমন ইলিশই চায়, তাই এগুলোই বিক্রি হয়,' বলেন মাছ ব্যবসায়ী মিরাজ আহমেদ। হাজী সিরাজ এন্টারপ্রাইজ নামে তার একটি ট্রেডিং হাউজ আছে। 





পরিণত নারী ইলিশ। ছবি: ওয়ার্ল্ড ফিশ


এদিকে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করে ওয়ার্ল্ডফিশ নামের একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। সেখানকার ইলিশ বিশেষজ্ঞ ড. আব্দুল ওয়াহাব বলেন, 'ইকোফিশ প্রকল্প থেকে পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রজনন মৌসুমে একটি ইলিশের ঝাঁকে নারী পুরুষের অনুপাত থাকে ৫৫:৪৫।'

তাহলে আমরা চারদিকে কেবল নারী ইলিশই দেখি কেন? কয়েক বছর আগে একই প্রশ্ন তাড়া করে বেড়ায় আব্দুল কাইয়ুম নামের আরেক সাংবাদিক ও পপুলার সায়েন্সের লেখককেও। তিনি চেষ্টা করেন রহস্যভেদের।

কাইয়ুম বলেন, 'বেশ কয়েকজন জেলে ও বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে আমি জানতে পারি, পুরুষ ইলিশ আসলে আমরা যতটা ভাবি ততটা বিরল নয়। জেলেরা তাদের জালে পুরুষ মাছও ধরে, কিন্তু কোন মাছটি পুরুষ আর কোনটি নারী, তা তারা আলাদা করতে পারে না, কেননা পুরুষ ইলিশের কোনো জননাঙ্গ নেই।'

ড. ওয়াহাব বলেন, 'নারী ইলিশরা যেভাবে পানিতে তাদের ডিম ছাড়ে, পুরুষ ইলিশরা পানি ঠিক সেভাবেই ছাড়ে তাদের বীর্য। আর এই দুটি জিনিস প্রায় একই রকম দেখতে। শুধু এটুকুই ব্যতিক্রম যে, পুরুষ ইলিশদের ভেতরে ডিম থাকে না, কিন্তু সে কথা ডিম ছাড়া নারী ইলিশদের বেলায়ও প্রযোজ্য।'





ইলিশের ডিম। ছবি: ওয়ার্ল্ড ফিশ


তাই কেবল একজন বিশেষজ্ঞের চোখই বলতে পারে কোন ইলিশ পুরুষ। ঠিক তেমনই একজন বিশেষজ্ঞ হলেন ইকোফিশের চাঁদপুরভিত্তিক গবেষণা সহযোগী কিঙ্কর সাহা। 

কিঙ্কর বলেন, 'বেশ কয়েক বছর আগে একটি গবেষণার কাজে আমি ছিলাম চর ভৈরবের একটি মাছধরা নৌকায়। পানি থেকে জাল গোটানোর পর জেলেরা সবাই খুব মর্মাহত হয়ে পড়েন। জালে আটকা পড়া মাছগুলো ছিল আকারে ছোট এবং এরা দেখতেও ছিল তুলনামূলকভাবে দুর্বল, ক্ষীণকায় ও অনাকর্ষণীয়। একটু ভালোভাবে খেয়াল করতেই আমি বুঝলাম, সেখানকার প্রায় ৬২ শতাংশ মাছই ছিল পুরুষ। এটি ছিল প্রধানত একটি পুরুষ ইলিশের ঝাঁক, যা বেশ বিরল একটি ব্যাপার, কেননা একটি মাছের ঝাঁকে সাধারণত ৪০-৪৫ শতাংশ ইলিশ পুরুষ হয়ে থাকে।'

চাঁদপুরের মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ড. আনিসুর রহমান বলেন, 'নারী ইলিশের মাঝে যে দীপ্তি দেখা যায়, পুরুষ ইলিশের ভেতর তা অনুপস্থিত। তারা দেখতে কদাকার না হলেও কিছুটা অনাকর্ষণীয় তো বটেই।'

গতানুগতিক মাছের বাজারে তাই আর এসব পুরুষ ইলিশের ঠাঁই হয় না। জেলেরা সেগুলোকে আলাদা করেন এবং পাঠিয়ে দেন লবণ মাখিয়ে শুকানোর জন্য। স্থানীয় কৌশলে সংরক্ষিত এসব ইলিশকে বলা হয় 'নোনা ইলিশ'। 

ড. ওয়াহাব এভাবে ব্যাখ্যা করেন, স্যামন, স্মেল্ট, হিকরি শ্যাড, ল্যাম্প্রে এবং গালফ স্টার্জনের মতো ইলিশও একটি অ্যানাড্রোমাস মাছ, যারা একটি বিশেষ ধরনের জীবনচক্র অনুসরণ করে থাকে। তাদের জন্ম হয় মিঠাপানিতে। এরপর অভিবাসিত হয়ে আট মাস তারা সমুদ্রে চলে যায় এবং সেখানেই কৈশোর পেরিয়ে পরিণত মাছ হয়ে ওঠে। তারপর তারা আবার মিঠাপানিতে ফিরে আসে প্রজননের উদ্দেশ্যে। 


যে প্রশ্নটিকে সামনে রেখে আমি আমার যাত্রা শুরু করেছিলাম, সেটিই ছুড়ে দিতে থাকলাম সকল ব্যবসায়ীর সামনে : সব পুরুষ ইলিশ কোথায় গেছে?

কিন্তু এত বড় বাজারের একটি লোকও আমাকে এই রহস্যের মীমাংসা সম্ভব এমন কোনো বিশ্বাসযোগ্য জবাব দিতে পারল না। 

'আমরা পুরুষ ইলিশ নিয়ে মাথা ঘামাই না। আমরা এতেই খুশি যে সবগুলো মাছই নারী ইলিশ, আর তাদের পেটভর্তি ডিম। ক্রেতারাও এমন ইলিশই চায়, তাই এগুলোই বিক্রি হয়,' বলেন মাছ ব্যবসায়ী মিরাজ আহমেদ। হাজী সিরাজ এন্টারপ্রাইজ নামে তার একটি ট্রেডিং হাউজ আছে। 

আপনি যখন নিজ শহরের স্থানীয় বাজার থেকে একটি ইলিশ কিনবেন, সম্ভাবনা অত্যন্ত প্রবল যে সেই মাছটি হবে নারী ইলিশ, যার পেটভর্তি ডিম। ইলিশের মৌসুমে আক্ষরিক অর্থেই দেশের কোণে কোণে প্রতিটি বাজার উপচে পড়ে নারী ইলিশে। অথচ পুরুষ ইলিশ যেন অমাবস্যার চাঁদের মতোই দুর্লভ।  

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অক্টোবর মাসে যখন ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম চলে, তখন প্রায় সমপরিমাণ নারী ও পুরুষ ইলিশই নদীর উজান পেরিয়ে আসে মিঠাপানিতে। তাহলে এই পুরুষ ইলিশরা সব যায় কই? কীভাবে তারা লোকচক্ষুর অন্তরালে স্রেফ উধাও হয়ে যায়?

মধ্য-সেপ্টেম্বরে আমি যখন চাঁদপুরে দেশের সর্ববৃহৎ ইলিশের পাইকারি বাজারে হাজির হলাম, আমি এ ব্যাপারটা দেখে খুবই অবাক হলাম যে মাটিতে সারি বেঁধে থাকা সকল ইলিশই নারী ইলিশ। 

এদিকে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করে ওয়ার্ল্ডফিশ নামের একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। সেখানকার ইলিশ বিশেষজ্ঞ ড. আব্দুল ওয়াহাব বলেন, 'ইকোফিশ প্রকল্প থেকে পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রজনন মৌসুমে একটি ইলিশের ঝাঁকে নারী পুরুষের অনুপাত থাকে ৫৫:৪৫।'

তাহলে আমরা চারদিকে কেবল নারী ইলিশই দেখি কেন? কয়েক বছর আগে একই প্রশ্ন তাড়া করে বেড়ায় আব্দুল কাইয়ুম নামের আরেক সাংবাদিক ও পপুলার সায়েন্সের লেখককেও। তিনি চেষ্টা করেন রহস্যভেদের।

কাইয়ুম বলেন, 'বেশ কয়েকজন জেলে ও বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে আমি জানতে পারি, পুরুষ ইলিশ আসলে আমরা যতটা ভাবি ততটা বিরল নয়। জেলেরা তাদের জালে পুরুষ মাছও ধরে, কিন্তু কোন মাছটি পুরুষ আর কোনটি নারী, তা তারা আলাদা করতে পারে না, কেননা পুরুষ ইলিশের কোনো জননাঙ্গ নেই।'

ড. ওয়াহাব বলেন, 'নারী ইলিশরা যেভাবে পানিতে তাদের ডিম ছাড়ে, পুরুষ ইলিশরা পানি ঠিক সেভাবেই ছাড়ে তাদের বীর্য। আর এই দুটি জিনিস প্রায় একই রকম দেখতে। শুধু এটুকুই ব্যতিক্রম যে, পুরুষ ইলিশদের ভেতরে ডিম থাকে না, কিন্তু সে কথা ডিম ছাড়া নারী ইলিশদের বেলায়ও প্রযোজ্য।'

ইলিশের বিচরণ কেবল মেঘনার অববাহিকাতেই সীমাবদ্ধ নয়। সাগর থেকে তারা মিয়ানমারের ইরাবতী নদী এবং পশ্চিমবঙ্গের ভাগীরথী-হুগলী নদীতে প্রবেশ করে। তা ছাড়া ইলিশের উপস্থিতি রয়েছে আরও সুদূরে। পূর্বের মেকং বদ্বীপ থেকে শুরু করে পশ্চিমের পারস্য উপসাগরেও দেখা মেলে তাদের।



অনুপ্রেরণা

 অনুপ্রেরণা.... 

সেই আদি আমল থেকে কচ্ছপ আর খরগোশের গল্প আমরা সবাই জানি। কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা ১ম অধ্যায়টাই বেশি শুনেছি। কিন্তু এই গল্পের আরো ৩ টি অধ্যায় আছে। যা হয়তো আমরা কেউ শুনেছি, কেউ শুনিনি।


১ম অধ্যায়ঃ এই অধ্যায়ে খরগোশ ঘুমিয়ে যায়, আর কচ্ছপ জিতে যায়। প্রথমবার হেরে যাওয়ার পর খরগোশ বিশ্লেষণ করে দেখল তার পরাজয়ের মূল কারণ 'অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস।' তার মানে অতি আত্মবিশ্বাস যে কারো জন্যই ক্ষতিকর। আর কচ্ছপ বুঝল, লেগে থাকলে সাফল্য আসবেই!


২য় অধ্যায়ঃ হেরে যাওয়ার পর এবার খরগোশ আবারো কচ্ছপকে দৌড় প্রতিযোগিতায় চ্যালেঞ্জ করল আর কচ্ছপও রাজী হল। এবার খরগোশ না ঘুমিয়ে দৌড় শেষ করল এবং জয়ী হল। খরগোশ বুঝল, মন দিয়ে নিজের সামর্থের পুরোটা দিয়ে কাজ করলে দ্রুত সফল হওয়া যায়। আর কচ্ছপ বুঝল, ধীর স্থিরভাবে চলা ভালো, তবে কাজে উপযুক্ত গতি না থাকলে প্রতিযোগীতামূলক পরিবেশে জয়ী হওয়া অসম্ভব!


৩য় অধ্যায়ঃ কচ্ছপ এবার খরগোশকে আরেকবার দৌড় প্রতিযোগিতার আমন্ত্রন জানালো। খরগোশও নির্দ্বিধায় রাজী হয়ে গেল। তখন কচ্ছপ বলল, "একই রাস্তায় আমরা ২ বার দৌড়েছি, এবার অন্য রাস্তায় হোক।" খরগোশও রাজী। অতএব নতুন রাস্তায় দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হল। যথারীতি খরগোশ জোরে দৌড় শুরু করে দিল। কচ্ছপও তার পিছন পিছন আসতে শুরু করল। কচ্ছপ যখন খরগোশ এর কাছে পৌঁছাল, দেখল খরগোশ দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু দৌড়ের শেষ সীমানায় যেতে পারেনি। কারন দৌড়ের শেষ সীমানার আগে একটি খাল আছে। কচ্ছপ খরগোশ এর দিকে একবার তাকালো, তারপর তার সামনে দিয়ে পানিতে নেমে খাল পার হয়ে দৌড়ের শেষ সীমানায় পৌছে প্রতিযোগিতা জিতে গেল। খরগোশ বুঝল, শুধু নিজের শক্তির উপর নির্ভর করলেই হবে না, পরিস্থিতি আর বাস্তবতা অনুধাবন করাও ভীষণ প্রয়োজনীয়! আর কচ্ছপ বুঝল, প্রথমে প্রতিযোগীর দূর্বলতা খুজে বের করতে হবে, তারপর সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।


গল্প কিন্তু এখানেই শেষ নয়


চতুর্থ অধ্যায়ঃ এবার খরগোশ কচ্ছপকে আরেকটি দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য আহবান জানালো এই একই রাস্তায়। কচ্ছপ ও রাজী। কিন্তু এবার তারা ঠিক করল, প্রতিযোগী হিসেবে নয়, বরং এবারের দৌড়টা তারা দৌড়াবে সহযোগী হিসেবে!

শুরু হল প্রতিযোগিতা। খরগোশ কচ্ছপকে পিঠে তুলে দৌড়ে খালের সামনে গিয়ে থামলো। এবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠ থেকে নেমে খরগোশকে নিজের পিঠে নিয়ে খাল পার হল। তারপর আবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠে উঠে বাকী দৌড় শেষ করল আর এবার তার দু'জনই একসাথে জয়ী হল।


আমরা শিখলাম, ব্যক্তিগত দক্ষতা থাকা খুবই ভালো। কিন্তু দলবদ্ধ হয়ে একে অপরের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারলেই আসে সত্যিকারের সাফল্য যেখানে সবাই বিজয়ীর হাসি হাসতে পারে।


- Collected

ব্যবসায় সঠিকভাবে ব্যবসার লক্ষ্য নির্ধারণ করা

 ব্যবসায় সঠিকভাবে ব্যবসার লক্ষ্য নির্ধারণ করা ব্যবসা শুরু করার পর শুধু প্রতিদিন বিক্রি করলেই হবে না, ব্যবসাটি কোথায় যেতে চায় সেটাও ঠিক কর...