এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২২
গ্রেট ইন্ডিয়ান পেনিসুলার রেলওয়ে ম্যাপ ১৯১১
যেই ছবিটা দেখতেসেন সেইটা গ্রেট ইন্ডিয়ান পেনিনসুলার রেলওয়ের ১৯১১ সালের ম্যাপ।
লাল দাগ দেয়া যে লাইনগুলা আছে, সেগুলা ওপেন ডাবল লাইন, অর্থাৎ মেইন রেললাইন। ট্রান্সপোর্টেশন নিয়া আপনার যদি খুব বেসিক আইডিয়াও থাকে, তাইলেও আপনি বুঝবেন যে এই রেলওয়ে ম্যাপ কোনো সেন্স মেইক করেনা। এই লাইনগুলা ভারতের এক অংশের সাথে অন্য অংশকে এফেক্টিভলি কানেক্ট করেনা। যেমন ধরেন উত্তর পশ্চিম ভারতের সাথে ভারতের অন্য কোনো অংশেরই কোনো সংযোগ নাই।
একটু লক্ষ্য করলে আপনি আরেকটা জিনিসও খেয়াল করবেন, এই লাল লাইনগুলা বেসিকালি ভারতের প্রত্যেকটা মেজর পোর্টঃ কোলকাতা, বোম্বে এবং মাদ্রাসের সাথে কানেক্টেড। কেন?
ভারতে উপনিবেশবাদের পক্ষে কেউ কথা বললে সবার আগেই রেলওয়েকে টাইনা আনতে পছন্দ করেন। ব্রিটিশরা নাকি আমাদের রেললাইন দিয়ে গেছেন, নাইলে এই উপমহাদেশে রেললাইনই নাকি হইত না। কিন্তু ব্রিটিশরা এত ইনকম্পেটেন্টলি কেন রেললাইন বানাইলো?
কারণ এই রেললাইন ভারতবর্ষের কোনো মানুষের সুবিধার জন্য বানানো হয় নাই, এই রেলওয়ে বানানো হইসে এই সাবকন্টিনেন্ট থেকে সম্পদ চুরি করার জন্য।
যেই মাইনর লাইনগুলা কালো লাইন দিয়ে রিপ্রেজেন্ট করা হচ্ছে, সেইগুলাও কিন্তু ভারতের ইন্টারকানেক্টিভিটি বাড়াচ্ছে না, বরং বিভিন্ন জায়গাকে মেইন লাইনের সাথে যুক্ত করছে মাত্র। এই পুরা জিনিসটা বানানো হয়েছিলো যাতে ভারতবর্ষের প্রতিটা কোণা থেকে সম্পদ আহরণ করে পোর্টের মাধ্যমে জাহাজে তুলে ব্রিটেনে পাঠানো যায়।
কোহিনূর হীরা বা অন্য কোনো রত্নের চুরির চাইতেও ব্রিটিশদের সবচেয়ে বড় অবদান হচ্ছে একটা আস্ত উপমহাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামোকে শুধুমাত্র শোষণের জন্য অ্যাপ্রোপ্রিয়েট করা। ভারতবর্ষকে বিশ্ব অর্থনীতির পাওয়ারহাউজ থেকে একটা দারিদ্র্য জর্জরিত ভূমিতে পরিণত করা কোনো কম কথা না। আমাদের এখনকার ঋণের লিগেসি, পরনির্ভরতার লিগেসি, অর্থনৈতিক দুর্বলতার লিগেসি, সবই সেই ব্রিটিশদের থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া।
কলোনিয়ালিজম প্রত্যেকটা উপনিবেশের আর্থ-সামাজিক এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে মৌলিকভাবে পরিবর্তন করে। এবং আপনি যখন একটা সিস্টেম বানান শুধুমাত্র সম্পদ আহরণ করার জন্য, সেই সিস্টেমটাকে পুরাপুরি না পরিবর্তন করলে তাকে মানুষের কল্যাণের জন্য ব্যবহার করা যায় না।
ব্রিটেনের প্রত্যেকটা উপনিবেশে স্বাধীনতার পর যারাই ক্ষমতায় আসছে, তারা মূলত এই শোষণের সিস্টেমকেই ব্যবহার করে গেছেন। এই কারণে এই সব দেশের ডেমোক্রেসি নড়বড়ে, প্রচুর মানুষ না খেয়ে থাকা সত্ত্বেও একটা ক্রমবর্ধমান অতিধনী মাইনরিটি এক্সিস্ট করে।
উইলিয়াম ফকনার একটা কথা কইসিলেন, "অতীত কখনো মইরা যায় না, অতীত আসলে অতীত-ই না"। ব্রিটিশ উপনিবেশবাদ এই সাবকন্টিনেন্টে অন্তত কখনোই অতীত হইতে পারেনা। আমাদের শোষণের স্ট্রাকচার একই আছে, হাত বদল হইসে মাত্র।
@Jawad
মূল পোস্ট - তুহিন ঘোষ
দীর্ঘ ১০ মাস বেকার থেকে কোনো সেলিব্রিটিকে ফোন করিনি,,,,,,,, ফেইসবুকের হানিফ সংকেত থেকে কপি করে
দীর্ঘ ১০ মাসের বেকার জীবনে আমি কোনো সেলিব্রিটিকে [ so called] ফোন করিনি..।
তারাও অনেকেই করেননি। স্বার্থের সম্পর্ক ফুরালে যা হয়! তবে এক অর্থে ভালো হয়েছে। অনেক মুােশধারীদের চিনে নিয়েছি সহজে, খুব অল্প দিনে।
সংকেত দা আমার বড় ভাই। তিনি গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব.. বিখ্যাতজন। আমার কাছে তিনি অভিভাবক। প্রাণের বড় ভাই। এই বেকার জীবনে তিনি ফোন করে খবর নিয়েছেন, আমার গুটিকতক ভালোবাসার মানুষদের সাথে তিনি সর্বাগ্রে।
সেই বেকারত্বের বিষন্ন বিকেলে দাদার ফোন
- কিরে , কী কাজ কর্ম করছিস?
- কিছু না, গান বাঁধি আর কাজের খোঁজ করি।
এরপর হঠাৎ ফোন করে বললেন, এটিএন বাংলায় যাবি.. একটি সাপ্তাহিক প্রোগ্রাম উপস্থাপনা করবি। সব বলে এসেছি। [ আমি কিন্তু তাকে কিছুই বলিনি ! ].. বললাম ,
- আমি তো উপস্থাপনার কিছুই বুঝি না..।
তুই পারবি, শুরু কর। টাকা পয়সা ভালো দেবে।
এরপর বিকল্প আয়ের সংযোগ। এটিএন বাংলায় ‘টক চার্ট’ নামের অনুষ্ঠানটিতে আমি উপস্থাপনা শুরু করি, মূলত আমার বেকারত্ব ঘোঁচানোর তাগিদে। তখন আমি মিরপুর সাড়ে দশে থাকি।
কম দামে ভালো বাসা। আমার বিবাহ বিচ্ছেদের পর, কঠিন টানাপোড়েনের জীবন। মামলা মোকদ্দমা... আমার দিগ্বিদিক অবস্থা ! অসহনীয় দিন-রাত। তার ক’দিন বাদেই বাবার আকষ্মিক মৃত্যু। আমি প্রায় অথৈ সাগরে ! এসব আমার একান্ত ব্যক্তিগত বেদনা। যে বেদনার অনেকখানি জানেন আমার বড় ভাই ‘হানিফ সংকেত’।
প্রায় প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে..মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামের পেছনে সংকেত দা’র অফিসে যাই। তার কাছে যেতাম মূলত জীবনের শক্তি নিতে। কোনো কোনো বেলা দুপুরের খাবার খেয়ে বের হতাম। ..এরকম অনেক স্মৃতি । এখনও কোনো কোনো বিষয়ে মেজাজ মর্জি খারাপ থাকলে বড় ভাইকে ফোন দিই। হুদাই। কোনো কারণ নাই..সেই সব ফোনের। কোণো অফিসিয়াল প্রয়োজনে না..
এরকম একাধিক বিশেষ কিছু কারণে এই লোকটির প্রতি আমি মোহনষ্ট করতে পারি না।
এছাড়া ইদানিং কালের বাঘা বাঘা মিডিয়া ব্যক্তিত্বগণ নিজেদের জন্মদিন উৎসবের অতি বাড়াবাড়ি এমন এক বেহায়া পর্যায়ে নিয়ে যান, যেন এই দিনটি ছাড়া নিজেকে বিজ্ঞাপিত করার কোনো সময় তিনি জীবদ্দশায় পাবেন না!
অথচ জন্মদিন আল্লাহ প্রদত্ত একটি পূণ্যের দিন- এই দিনটির প্রতি সেই ব্যক্তির কোনো কৃতিত্ব নেই- কোনো অর্জন নেই! তাই এদিন নিয়ে বাড়াবাড়ির প্রয়োজনীয়তা আমার কাছে হাস্যকর লাগে [ একান্ত ব্যক্তিগত মত ]
অথচ দেখি কোনো কোনো বাঘাব্যক্তিত্ব নিজের জন্মদিনের ঢোল পেটাতে পেটাতে অন্যদের অস্থির করে ফেলেন।
হানিফ সংকেত - এখানেও ব্যতিক্রম। কোনো বাড়াবাড়ি নাই। চুপচাপ। এইজন্য এই মানুষটার প্রতি আমি মোহবিষ্ট হয়ে থাকি। আশেপাশের অনেক মেকী হাসি দেবার মানুষ আমাদের সমাজে ঘুরে বেড়াচ্ছে.. সংকেত দার সাথে আমার সম্পর্কে কোনো মুখোশের ঢাকনা নেই ।
নিরেট-স্বচ্ছ-স্বার্থহীন-নির্ভেজাল।
কোনোদিন জীবনে আমি অনৈতিক অপরচুনিটি খুঁজিনি। এই মানুষটির কাছেও না।
প্রাণের বড় ভাইটির সাথে আমার আড্ডার তুলনায় ছবি কম। এই ছবিটি বছর কয়েক আগে একটি ফটোশুটে তুলেছিলাম। ছবি তুলতে তুলতে বলেছিলেন সংকেত দা-
হ’ তুইলা রাখ। আমি মরলে.. এই ছবিটার সাথে বড় বড় স্মৃতিকথা লিখবি।
মরার পর কেন লিখবো ..দাদা।
কৃতজ্ঞতার উচ্চারণ সবসময় সমস্বরেই করি, করতে হয়।
আপনি বেঁচে থাকুন বড় ভাই। অনেকবছর। অনেক ব-ছ-র।
যত বছর বাঁচলে এই সমাজের ভন্ডামির নোংরা আবর্জনা গুলো পরিস্কার করা যায়।
আপনাকে দরকার। খু উ উ উ ব ..দরকার।
জন্মদিনের শুভকামনা বড়ভাই।
Hanif Sanket
জান্নাতে সর্ব প্রথম গান শোনাবেন হুরেরা কেটেযাবে ৭০ বছর,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া
জান্নাতে সর্ব প্রথম গান শোনাবেন হুরেরা, তাতে কেটে যাবে ৭০ বছর,
জান্নাতি বাতাসে গাছের পাতার সাথে মিলিয়ে অপূর্ব এক বাজনা সৃষ্টি করবে,
আর জান্নাতের হুরদের সাথে সুর মিলাবে সুরের মুর্ছনায় গোটা জান্নাত মুখরিত হয়ে যাবে,
আল্লাহ্ তখন জান্নাতবাসীদের কাছে জানতে চাইবেন,,
----"কেমন লাগলো?
----"সকলেই জবাব দিবে, খুব ভালো,
----"আল্লাহ্ বলবেন," এর চেয়েও ভালো শোনো।
জান্নাতবাসী বলবে
"হে আল্লাহ্ এর চেয়ে ভালো কি,
তখন আল্লাহ্ হযরত দাউদ (আঃ) কে ডাক দিয়ে বলবেন,
---- "হে দাউদ এবার তুমি শুনাও"
দাউদ (আঃ) বলবেন,
----"হে আল্লাহ্ আমার কন্ঠ তো দুনিয়াতে ছিল যবুর শরীফে,
আল্লাহ্ বলবেন,
----তোমার কন্ঠ ফিরিয়ে দিলাম কোরআন মাজিদ শোনাও।
❣️হযরত দাউদ (আঃ) কোরআনের " একটি সুরা শোনাবেন! জান্নাতবাসী মুগ্ধ হয়ে যাবে।
আল্লাহ্ আবার বলবেন,---"কেমন লাগলো?
"জান্নাতিরা বলবে,--- মারহাবা, খুব ভালো লাগলো।
আল্লাহ্ বলবেন, এর চেয়ে ভালো শোনো,
জান্নাত বাসীরা, বলবে "হে আল্লাহ্ এর চেয়ে ভালো কি হতে পারে, আল্লাহ্ পাক রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) কে বলবেন,
----হে আমার প্রিয় হাবিব এবার আপনি ওদের শোনান!
💚রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) কোরআনের হৃদয় "সুরা ইয়াসিন" তেলাওয়াত করবেন। পুরো জান্নাত আনন্দে মুখরিত হয়ে যাবে আর ধ্বনি তুলবে,"
আল্লাহু আকবার "
আল্লাহ্ আবারও জানতে চাইবেন, কেমন লাগলো?জান্নাতবাসীরা বলবেন, আল্লাহ্ সবকিছু থেকে এটাই বেশি ভালো লাগলো!
❤️আল্লাহ্ বলবেন,"এর চেয়েও ভালো আছে, "জান্নাতবাসী অবাক হয়ে বলবে, আল্লাহ্ এর চেয়ে ভালো কিছু আছে,
আল্লাহ্ জবাব দিবেন,
"এর চেয়ে ভালো যা তা হলো তোমাদের রব! আল্লাহ্ বলবেন, "রিজওয়ান (একজন ফেরেস্তা) পর্দা সরিয়ে দাও, আজ আমার বান্দা আমার দীদার করবে, আমাকে দেখবে,
"আল্লাহু আকবার"! পর্দা সরে যাবে ও সবাই আল্লাহর দীদার লাভ করবে আল্লাহকে দেখার পরে বান্দা অস্থীর হয়ে যাবে তখন ----শেষে আল্লাহ পাক সুরা আর রহমান পাঠ করবেন তখন মানুষের অবস্থা কি যে হবে আল্লাহ ভাল জানেন।
জান্নাতের হুর কি,
শরাব কি,
নহর কি,
ফল কি,
সব কিছুকে মূল্যহীন মনে হবে
বান্দা বলবে, "আল্লাহ্ কিছুই চাইনা,
শুধু তোমার দীদার চাই!তোমাকে দেখতে চাই,
--ফ্রেন্ড রিকোয়স্ট দিয়ে সাথে থাকুন,ইনশাআল্লাহ আপনার লচ" হবে না বরং আপনার লাভ হবে,কারণ আমার আইডিতে ইসলামিক পোস্ট করা হয়'অনেক কিছু জানতে পারবেন।
আল্লাহ্ আমাদের কে জান্নাতে কবুল করুন
আমিন
সৌদি প্রবাসী রুবিনার গল্প ফেইসবুকে থেকে নেওয়া
সৌদি প্রবাসী রুবিনা। দেশে রেখে যাওয়া অসুস্থ বাচ্চার অপারেশন করাতে বৃহস্পতিবার সকাল ঢাকায় পৌঁছান। এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে পার্কিং এরিয়ায় ঢুকতেই..
- বইন কই যাবা?
- জয়পুর হাট
- আরে কও কি বইন! আমার বাড়ি দিনাজপুরের হিলি! আমিও ঐ দিক যামু
- এয়ারপোর্টে কেনো আসছেন?
- একমাত্র বইনকে এট্টু আগে দুবাইতে পাঠাইয়া দিলাম। পরানডা ছিঁড়া যাইতাছে বইন :(
কাছাকাছি এলাকার অপরিচিত তাজুলকে পেয়ে রুবিনা মনে জোর পেলেন। একসাথে বাসে উঠে গাবতলীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন। পথিমধ্যে ভাই-বোন অনেক সুখ-দুঃখের গল্পও করলেন। স্বামীর সাথে ডিভোর্স, একমাত্র বাচ্চার মায়া ছেড়ে বাচ্চার ভবিষ্যত গড়তেই বিদেশ গমন, আরও কতকি!
ফার্মগেটে বাস পরিবর্তন। রুবিনার ক্ষুধা পেয়েছে। ভাই তাজুল চট করে পাউরুটি আর পানি কিনে নিয়ে আসলেন। রুবিনা টাকা দিতে চাইলে তাজুল দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন, "তুমি সত্যই আমার বোন হলে আজ এমন করে টাকা দিতে চাইতে না। আসলে পর কখনো আপন হয় না :("
বাস গাবতলীর পথে। রুবিনা পাউরুটি খেয়ে বোতলের মুখে পানি খেতে গিয়ে একটু পানি মুখ বেয়ে পড়ছিলো। ভাই তাজুল নিজের রুমাল বের করে সযত্নে পানি মুছে দিলেন।
রুবিনা বুঝতে পারছে, রুমালের ছোঁয়ায় তার সেন্স কমে আসছে, চোখ বন্ধ হয়ে আসছে। ভাই সাহেব রুবিনার ভ্যানিটি ব্যাগ খুলে সবগুলো টাকা পকেটে ঢুকাচ্ছেন। রুবিনা চেয়ে চেয়ে দেখছেন, কিন্তু কিছুই বলতে পারছেন না। রুমালের জাদুতে হ্যাং হয়ে স্ট্যাচু বনে গেছেন।
তাজুল টাকা মোবাইলসহ দামী জিনিষপত্র নিয়ে ভাইয়ের আদরে রুবিনার মাথায় হাত বুলিয়ে নেমে পড়লেন। মিনিট পাঁচেক পর রুবিনার হাতমুখ সচল হলেও কান্না ছাড়া কোনও গতি নেই।
বাচ্চার হার্নিয়ার অপারেশন করতে আনা সবগুলো টাকা উধাও। বাস ভাড়া দেয়ার টাকাও নেই। পাশের এক ভদ্রলোক এক'শ টাকা দিয়ে সাহায্য করলেন।
রুবিনা ঘুরে দাঁড়ালেন। বাস থেকে নেমে ভ্যানিটি ব্যাগ ঘেটে ঢাকায় শম্পার বাসার ঠিকানা লেখা কাগজটা বের করলেন। শম্পা তার সাথে সৌদিতে কাজ করে। সাত আট দিন আগে দেশে আসছে।
শম্পার বাসা থেকে রুবিনা পরপর তিনদিন এয়ারপোর্ট এলাকায় চিরুনি অভিযানে আসেন। আজ চতুর্থ দিন তিনি সফল, ভাই তাজুল তার চোখ এড়াতে পারেননি।
ঠিক একই জায়গায় আজ তাজুল আরেক বিদেশ ফেরত পুরুষ যাত্রিকে বলছিলেন, "একটু আগে ছোট ভাইটারে বিদেশ পাঠাইলাম :( পরানডা.."
'পরানডা ছিঁড়ার' আগেই বাঘিনীর মত ক্ষীপ্র বেগে রুবিনা তার কলার ধরে উত্তম মধ্যম দেয়া শুরু করেন। এরপর...
কপি
পেস্ট
রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২৩/১০/২০২২
রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।
(২৩-১০-২০২২)
আজকের শিরোনাম-
* চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং পুনরায় কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
* নিত্য পণ্যের মূল্য, মজুদ ও সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাজার মনিটরিংয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
* ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় ছয়টি এমআরটি লাইন নির্মাণ করা হবে - জানালেন সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রী ।
* ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ মোকাবেলার সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে - বললেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী।
* আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যেই ভোলা গ্যাস ক্ষেত্র থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে প্রায় আট কোটি ঘনফুট গ্যাস।
* রক্ষণশীল দলের পরবর্তী নেতা ও প্রধানমন্ত্রী পদের প্রার্থীতা নিশ্চিত করেছেন সাবেক ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক।
* এবং আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ^কাপে ভারত ও শ্রীলংকার নিজ নিজ ম্যাচে জয়লাভ।
রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২২
অষ্টম শ্রেণির পড়াশোনা,, বিষয়ে বাংলা প্রথম পত্র,,, গল্পঃ পড়ে পাওয়া,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং তৎসংলগ্ন প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ।
গৃহকর্মী হাবুর মায়ের আর্তচিৎকারে ঘুম ভেঙ্গে যায় আসিফের। আধো ঘুমে দৌড়ে এসে মায়ের পাশে দাঁড়ালো। হাবুর মা বলছে গতকাল মেয়ের বিয়ের বাজার সদাই করে ফেরার পথে সিএনজিতে বাজারের ব্যাগ রেখে নেমে পড়ে।
বাজারের ব্যাগে সোনার গহনার বাক্স ও টাকার থলে ছিল। সেদিন বিকেলে হাবুর মা এসে খবর দেয় টেক্সি ড্রাইভার নিজে এসে সব ফেরত দিয়ে গেছে।
ক. হারানো বিজ্ঞপ্তি বাদল লিখেছিল কেন?
খ. ‘ও বড় হলে উকিল হবে’ - বিধু সম্পর্কে সকলের এমন ভাবনার কারণ বুঝিয়ে লিখ।
গ. উদ্দীপকে হাবুর মায়ের সাথে ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য লক্ষ্যণীয় ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকের টেক্সি ড্রাইভার ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোররা যেন একই সূত্রে গাঁথা - মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
উত্তর:
ক. ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের ছয় কিশোর বন্ধুদের মাঝে বাদলের হাতের লিখা সুন্দর ছিল। তাই হারানো বিজ্ঞপ্তি বাদল লিখেছিল।
খ. বিধুর উপস্থিত বুদ্ধি, দুরদর্শীতা ও বিচার ক্ষমতা দেখে সবাই ভাবত বিধু বড় হলে উকিল হবে।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে ছয় বন্ধুদের একটি কিশোর দলের অন্যতম প্রধান চরিত্র বিধু ও সমবয়সী বন্ধুদের তুলনায় একটু বেশি পরিপক্ক, তবে দূরদৃষ্টি ও বিবেচনাবোধ সবাইকে বিস্মিত করে। দুপুরেরর বিকট গরমে ক্ষীণ গুড় গুড় মেঘের ডাক শুনে ও বলে দিতে পারে কালবৈশাখী ঝড় হবে। অন্য সবাই বিশ্বাস করেনি কিছুক্ষণের মধ্যেই এর সত্যতা প্রমাণিত হল।
এছাড়া পড়ে পাওয়া বাক্সের প্রকৃত মালিক খুঁজে পেতে কাগজে লিখে তা গাছে লাগিয়ে দেয়া, বাক্সটির মিথ্যা মালিক সেজে লোক এলে তাদের যাচাই বাছাই করে ফিরিয়ে দেয়া সর্বোপরি প্রকৃত মালিককে বাক্স ফিরিয়ে দেয়ার সময় প্রাপ্তি রসিদ লিখে রাখা ইত্যাদি বিষয় দেখে সবাই বুঝতে পারে সে বড় হয়ে উকিল হবে।
বিঃদ্রঃ [গ এবং ঘ নং প্রশ্নের উত্তর শিক্ষার্থীরা উদ্দীপক ও বইয়ের সাথে মিলিয়ে নিজের মত করে উপস্থাপন করবে যেখানে তার সৃজনশীলতার পরিচয় মিলবে। এখানে একটি নমুনা উত্তর দেয়া হল]
গ. উদ্দীপকের হাবুর মায়ের সাথে ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স হারানো কাপালি চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।
জস্টিমাসে নির্বিষখোলার হাট থেকে পটল বেঁচে ফিরছিল কাপালি। ছোট মেয়ের বিয়ে দিবে বলে গয়না গড়িয়ে আনছিলেন। প্রায় আড়াই শ’ টাকার গয়না আর পটল বেচার পঞ্চাশ টাকা একটি ডবল টিনের ক্যাশ বাক্সে ভরে ফিরছিলেন গরুর গাড়ি করে। কখন কোথায় যে বাক্সটি পড়ে গেল কাপালি টের করতে পারেনি। সেই টাকা হারিয়ে কাপালি কষ্টে পড়ে গেল।
উদ্দীপকে গৃহকর্মী হাবুর মা মেয়ের বিয়ের বাজার সদাই করতে গিয়ে টেক্সিতে রেখে নেমে পড়ে। বাজারের ব্যাগে সোনার গহনার বাক্স এবং টাকার থলে ছিল। মেয়ের বিয়ে বন্ধ হয়ে যাবে ভেবে সে গৃহকর্ত্রীর বাড়ি এসে চীৎকার করে কাঁদতে লাগল।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কাপালি ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায়। উদ্দীপকে হাবুর মা তার মেয়ের বিয়ের গহনা, বাজার সদাই, নগদ টাকা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায়। এই দিক দিয়ে উভয়ের সাদৃশ্য লক্ষণীয়।
ঘ. উদ্দীপকের টেক্সি ড্রাইভার ও ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোররা সততা, নৈতিকতা, দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে। সুতরাং তারা উভয়ই চারিত্রিকভাবে একই সূত্রে গাঁথা।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের লেখক ও তার বন্ধু বাদল ঝড় বৃষ্টির সন্ধ্যায় নদীর ধার দিয়ে বাড়ি ফিরছিল। বাদল হোঁচট খেয়ে পড়ে যায়। কিসের সাথে হোঁচট খেল তা দেখতে গিয়ে ওরা দেখল একটি ডবল টিনের ক্যাশ বাক্স। প্রথমে ভেবেছিল ওটাতে যে টাকা আছে তা দিয়ে ওরা সন্দেশ খাবে।
এটা কাউকে জানানো যাবে না। জানালে ভাগ দিতে হবে। যখন ওরা তালা ভাঙতে চাইল তখন তাদের মনে হল এটির মালিকের মনের অবস্থা। টাকা হারিয়ে মালিক কতই না কষ্টে আছে। তাই তারা সিদ্ধান্ত নিল তালা ভাঙবে না এবং এর মালিককে ফেরত দিবে। ওরা ছিল ছয় বন্ধু। এই ছয় বন্ধু মিলে বাদলদের নাটমন্দিরের কোণে একটি গুপ্ত মিটিং করলো। এই ছয় কিশোরদের মাঝে সবচেয়ে বুদ্ধিমান ছিল বিধু।
বিধুর মাথায় বুদ্ধি এল কি করে এর প্রকৃত মালিক খুঁজে বের করা যায়। ওরা ঘুড়ির মাপের কিছু কাগজ কেটে তাতে হারানো বিজ্ঞপ্তি লিখে নদীর ধারের গাছগুলোতে বেলের আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিল। লোভে পড়ে দুজন বাক্স নিতে এসেছিল কিন্তু উপযুক্ত প্রমাণ দিতে পারেনি বলে কিশোর দল তাদের তাড়িয়ে দিল। যখন প্রকৃত মালিক খুর্ঁজে পেল তখন তার হাতে বাক্সটি তুলে দিল।
উদ্দীপকের টেক্সি ড্রাইভার বাজারের ব্যাগের মালিকের কথা ভেবেই গতদিন যেখানে নামিয়ে দিয়েছিল সেখানে গিয়ে পৌঁছে দেয়। ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোরদের কৌশল অবলম্বন করতে হয়েছিল প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করতে। উদ্দীপকের টেক্সি ড্রাইভারের সততা ও নৈতিকতার কারণে হাবুর মায়ের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। উপরের আলোচনা থেকে আমরা সহজেই বলতে পারি ওরা উভয়ই সততা ও নৈতিকতার সূত্রে গাঁথা।
বিমান পথে সোনা চোরাচালানের গল্প,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া
আলী আকবর,রফিকুল ইসলাম ও মো রুবেল ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দুবাই থেকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসেছেন। ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে তাদের সাথে থাকা সোনার শুল্ক দিতে রেড চ্যানেলে প্রবেশ করেন।
যাত্রী আলী আকবর দুটি সোনার বার (২৩২ গ্রাম) এবং৯৮ গ্রাম সোনার অলংকার এনেছেন। কাস্টমস ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী ২টি সোনার বারের জন্য শুল্ক দিলেন তিনি । আর ১০০ গ্রাম অলংকারের জন্য শুল্ক দেবার প্রয়োজন নেই।
অন্যদিকে যাত্রী রফিকুল ইসলাম ও মো রুবেল ইসলামও ২টি সোনার বারের শুল্ক দিলেন। আর তাদের দুজনের সাথে রয়েছে ১৯৬ গ্রাম অলংকার।
শুল্ক দেয়া শেষে ৩ জন গ্রীন চ্যানেল দিয়ে কাস্টমস জোন পার হয়ে যাবেন, এমন সময় তাদের আটকালো কাস্টমস কর্মকর্তারা। জানতে চায় কোন সোনার বার বা অলংকার আছে কিনা। ৩জনই খুব বিরক্ত হলেন। শুল্ক দিয়ে বের হবার পরও এই অবান্তর প্রশ্নের কোন মানে হয়।
তারা কাস্টমস কর্মকর্তাকে দেখলেন বারের জন্য শুল্ক দিয়েছেন। আবারও কাস্টমস কর্মকর্তার প্রশ্ন, আর কোন পণ্য কিংবা স্বর্ণবার আছে কিনা।
দুবাই থেকে লম্বা পথ পাড়ি দিয়ে দেশে এসেছেন। লাইন দাড়িয়ে সোনার বারের জন্য শুল্ক দিয়েছেন। তারপরও বারবার প্রশ্ন, প্রবাসীদের জন্য এই আয়োজন কাস্টমসের? বিরক্ত হয়ে তারা আবারও বললেন, তাদের কাছে থাকা ২টি করে স্বর্ণবার এবং ১০০ গ্রামের মধ্যে স্বর্ণালংকার ছাড়া আর কোন শুল্কযুক্ত পণ্য নেই।
কাস্টমস কর্মকর্তা তাদের তল্লাশির জন্য ডাকলেন। তারা মনে মনে ভাবছেন, রেমিটেন্স যোদ্ধাদের সাথে এ কি আচরণ? শুল্ক দেবার পরও এ কেমন আচরণ কাস্টমসের। বিমানবন্দরে এই হয়রানি কবে বন্ধ হবে !
যাত্রী আলী আকবরের শরীর তল্লাশী করা হলে শর্ট প্যান্টে অভিনব কায়দায় আটকানো পেস্ট আকারের স্বর্ণ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে বিমানবন্দরে শর্টপ্যান্ট আগুনে পুড়িয়ে এবং এসিডে ধুয়ে আলী আকবর এর কাছ থেকে ৪৬৪ গ্রাম পেস্ট আকারের স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। অভিনব কায়দায় স্বর্ণ চোরাচালানের অপচেষ্টা করায় তার সাথে আনা সোনার বার, অলংকারও জব্দ করা হয়।
অপরদিকে যাত্রী রফিকুল ইসলাম ও মো রুবেল ইসলামের শর্টপ্যান্ট খুলে আগুনে পুড়িয়ে এবং এসিডে ধুয়ে পেস্ট আকারের ৯২৮ গ্রাম সোনা উদ্ধার করা হয়। অভিনব কায়দায় স্বর্ণ চোরাচালানের অপচেষ্টা করায় তাদের সাথে সর্বমোট ১৫৮৮গ্রাম সোনা জব্দ করা হয়|
তাদের ৩ জনের কাছ থেকে সোনার বার ও অলংকারসহ ২ কেজি ৩৮২ গ্রাম সোনা জব্দ করেছে ঢাকা কাস্টম হাউস।
তাদের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইনে বিমানবন্দর থানায় ফৌজদারী মামলা দায়ের করা হয়েছে ।
কপি
চোরাচালান সম্পর্কে তথ্য দিন +880 1612-218989
#BanglaAviation #বাংলা_এভিয়েশন
#Bangla_Aviation #বাংলা_প্রবাস #Bangla_Probash
সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২৩/১০/২০২২ রবিবার
বাংলাদেশ বেতারের সকাল ৭টার সংবাদ
(২৩-১০-২০২২)
আজকের শিরোনাম -
* সুনামগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর উপর নির্মিত রানীগঞ্জ সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে এ মাসের ২৯ তারিখে - উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
* নারীর ক্ষমতায়ন ও দেশে এসএমই খাতের বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার - বললেন জাতীয় সংসদের স্পিকার।
* সড়কে শৃঙ্খলার অভাব সরকারের অর্জন ¤øান করে দিতে পারে - আশঙ্কা সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীর।
* ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহ সম্পর্কে বিশ^ গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সঠিক প্রচার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।
* ইউক্রেনের বিদ্যুৎ গ্রিড লক্ষ্য করে রাশিয়ার ব্যাপক হামলা কিয়েভের সামরিক বাহিনীর অগ্রাভিযান বন্ধ করতে পারবে না - বলেছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
* এবং অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ^কাপ ক্রিকেটে আজ আয়ারল্যান্ড- শ্রীলংকার এবং ভারত-পাকিস্তানের মোকাবেলা করবে।
শনিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২২
৪০ দিনে জীবন পরিবর্তনের ২০ চ্যালেন্জ
৪০ দিনে জীবন পরিবর্তনের ২০টি চ্যালেঞ্জ-
১. ঘুমানোর আগে তাহাজ্জুদ পড়ার নিয়ত করা।
২. ঘুম থেকে উঠার পর দোয়া পড়া, মেসওয়াক করা।
৩. ওযুর করার পড়ে কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করা।
৪. রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া।
৫.ফযরের আগে গোসল করা।
৬. আযান শোনা ও আযানের উত্তর দেওয়া।
৭.ফযরের সুন্নত ও ফরজ আদায় করা।
৮. সূর্যোদ্বয়ের আগে কোরআন তিলাওয়াত করা।
৯. সূর্যোদ্বয়ের পরে ইশরাকের নামাজ আদায় করা।
১০. প্রতিদিন ১২ রাকাত সুন্নাত নামাজ আদায় করা।
১১. সালাতুল দোহা আদায় করা।
১২. সময়মতো ফযর, যোহর, আছর,
মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করা।
১৩. প্রতি ফরয নামাজের পর আয়াতুল কুরসি, ৩ কুল পাঠ করা।
১৪.প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার সুন্নত রোজা রাখা।
১৫. প্রতিমাসে আইয়ামে বীজের রোজা রাখা।
১৬. প্রতি শুক্রবার সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করা।
১৭. প্রতিদিন সূরা ওয়াকিয়াহ ও সূরা ইয়াসিন তিলাওয়াত করা।
১৮. প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে সূরা মূলক ও
সূরা বাক্কারার শেষ ২ আয়াত তিলাওয়াত করা।
১৯.প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে আল্লাহর কাছে
ক্ষমা চাওয়া। আর সবাইকে ক্ষমা করে দেওয়া।
২০. দিনে অন্তত ৭০ বার ইস্তেগফার করা।
আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুন এবং সবাইকে
বেশি বেশি আমল করার তৌফিক দান করুন। আ-মীন।
নড়াইল জেলার লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---
নড়াইল জেলার লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...
-
🧪 বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) টেস্ট ফি তালিকা (২০২৫) 🩸 রক্ত ও হেমাটোলজি টেস্ট: ✅ CBC (OPD): ৩০০ টাকা ✅ CBC (IPD): ২০...
-
#কোমর থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা: আসল কারণ কোথায়? স্নায়ুর লাইনে ব্যথা: Holistic approach কেন জরুরি- পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা কেন হয়?...
-
✅ কাজের বুয়ার কাহিনীঃ আমাদের বাসার কাজের বুয়া (৫৪) মাসে ১৭ হাজার টাকা আয় করেন। উনি আমাদের বাসায় সকাল ৯ টায় আসার আগে একটা মেসে রুটি বানা...