এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২২
যিনা কাকে বলে? কোন কাজ গুলো যিনা
■■ যিনা কাকে বলেছিল আমি আর ইসল আর দদ্ধ কোন কাজ গুলো যিনা? যিনা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন এবং যিনা করার পূর্বে এই হাদীসটিএকবার পড়ে নিন!!
■▪যিনা কী?
■▪শুধুই অবৈধ ভাবে মেলামেশা করাকেই যিনা বলা হয়?
■▪না!!
●● হাদীসের ভাষায় যিনা বহু প্রকারে বিভক্ত। যেমনঃ
●▪০১। কোন বেগানা নারী অথবা পুরুষের প্রতি দৃষ্টি দেওয়া চোখের যিনা!
●▪০২। যৌনতা সম্পর্কিত অশ্লীল কথাবার্তা বলা জিহ্বার যিনা!
●▪০৩। বিবাহ সম্পর্ক ছাড়া অবৈধ ভাবে কাউকে স্পর্শকরা হাতের যিনা!
●▪০৪। ব্যাভি চারের উদ্দেশ্যে হেঁটে যাওয়া পায়ের যিনা!
●▪০৫। সে সম্পর্কিত খারাপ কথা শোনা কানের যিনা।
●▪০৬। যিনার কল্পনা করা ও আকাংখা করা মনের যিনা!
●▪০৭। অতঃপর লজ্জাস্থান একে পূর্ণতা দেয় অথবা অসম্পূর্ণ রেখে দেয়!
-----(বুখারী, মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে আন-নাসাঈ)!
●● অথচঃ আমরা কেবলমাত্র সর্বশেষ ধাপ টিকেই যিনা মনে করে থাকি! এবার ভেবে দেখুন আপনি এসব কাজের কোনো একটির সাথে জড়িত ননতো?
■■ যিনা স্পষ্ট হারামঃ
আল্লাহ তা'আলা যিনাকে হারাম ঘোষণা করে বলেনঃ -------"তোমরা যিনার ধারের কাছেও যাবে না। কেননা তা অত্যন্ত নির্লজ্জ এবং খারাপ কাজ।"
-----(সুরা বনী-ইসরাঈল আয়াতঃ ৩২)
■■ যিনার শাস্তিঃ
যিনার শাস্তি অত্যন্ত ভয়াবহ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
---------"আমি স্বপ্নে একটি চুলা দেখতে পেলাম। যার উপরের অংশ ছিল চাপা আর নিচের অংশ ছিল প্রশস্ত। আর সেখানে আগুন উত্তপ্ত হচ্ছিল এবং ভিতরে নারী পুরুষরা চিল্লাচিল্লি করছিলো! আগুনের শিখা উপরে আসলে তারাও উপরে উঠছে, আবার আগুন স্তিমিত হলে তারা নিচে যাচ্ছিলো! সর্বদা তাদের এঅবস্থা (এমন)চলছিলো! আমি জিবরাঈল(আঃ )কে জিজ্ঞেস করলামঃ এরা কারা???"
●▪জিবরাঈল(আঃ) বললেনঃ
-------"তারা হলো অবৈধ যৌনচারকারী নারী ও পুরুষ!"
-----(বুখারী)
■■ যিনা কারীর লজ্জা স্থানের দূর্গন্ধে জাহান্নাম বাসী অস্থির হয়ে উঠবে!
■▪সেদিন যিনা কারীকে পিপাসা মেটানোর জন্য এই পঁচা পানিই পান করতে দেওয়া হবে!
●● তাই সবারই উচিত প্রেমিক-প্রেমিকা নামের বিবাহ বহির্ভূত এই সব শয়তানি সম্পর্ক বাদ দেওয়া।
আল্লাহ আমাকে সহ সবাইকে সকল ধরনের গুণহা থেকে দুরে থাকার তৌফিক দান করুন,,,,,,,🤲🤲
কল্পনায়_হলেও শুধু আমারি থেকো,,,,,, অতীত ফেইসবুক থেকে,,,,
--তোমায় বিয়েটা করতে হবে। আর শুধু মাত্র আমাকে একটা বাচ্চা দেওয়ার জন্য। ২ বছরের সংসার হবে আমাদের।
২ বছর পর বাচ্চা কে ছেড়ে তোমাকে চলে যেতে হবে।
আমানের কথায় মেঘ ছোটাছুটি বন্ধ করে শীতল দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ,
আমান গিয়ে মেঘের মুখের বাঁধন টা খুলে দেয়,
--কি মনে করেন নিজেকে?খুব বড়ো মানুষ আপনি? যা বলবেন তাই শুনতে হবে আমায়?
--হ্যাঁ শুনতে হবে কারন এখন আর তোমার কাছে কোন উপায় নেই।
আমানের কথায় মেঘ মেঘ অবাক দৃষ্টিতে তাকায় আমানের দিকে,
--মিসেস.আমান খান, আপনার পরিবার আমার কাছে বন্দী আছে।
আপনার বাবা-র হার্ট এটাকের বিষয় টা ত আপনি জানেন।
আপনার বাবার চিকিৎসা বন্ধ আছে।
আপনার ছোট্ট বোনটা আর আপনার মা আমাদের কাছেই আটকা আছে।
ওদের ৩ জনের জীবন আপনার কাছে।
আপনি রাজি হলেই শুধুমাত্র তারা বেঁচে থাকতে পারবে।
না হলে না।
--আমি আমার বাবাকে বাঁচিয়ে নিবো ছাড়ুন আমাকে
পারলে আমায় এই বন্দী দশা থেকে মুক্তি করে দেখান। তার পরে বলুন।
--ও মিসেস.খান OK. I will set you free but only for one day.
I promise you will come back to me exactly one day later. .
আমান বাঁকা হেসে কথাগুলো বললো।
মেঘর আমানের এই বাঁকা হাসি বিন্দু মাত্র সহ্য হচ্ছে না।
ইচ্ছে হচ্ছে এই মুহুর্তে এই মানুষ টাকে মেরে ফেলতে।
আমান মেঘের হাত খুলে দেয়,
মেঘ ছাড়া পেয়ে এক দৌড়ে বেরিয়ে আসে সেখান থেকে।
সাদা থ্রি পিচ পরা চুল এলোমেলো করা মেয়েটার ওড়না টা পুরো সামনে দিয়ে বিছিয়ে গেছে
মেয়েটার দৌড়াচ্ছে যার জন্য পেছনের কোন কথাই তার কানে আসছে না।
মাথার মধ্যে শুধু একটা চিন্তা ব্যাঙ্কে পৌঁছাতে হবে।
বাবার জন্য মায়ের করা ডিফিএজ টা ভেঙে বাবার চিকিৎসার টাকা জোগাড় করতে হবে।
মেঘ দৌড়ে তাদের একাউন্ট করা ব্যাঙ্ক এ আসে।
দৌড়ে আসতে প্রায় ১ ঘন্টা সময় লাগে।
জায়গাটা নির্জন ছিল।
তবে মেঘের চেনা ছিল সেই জন্য ই সে দৌড়ে আসতে পেরেছে।
ব্যাঙ্কে এসে,
-- Excuse me.
--yes mam. may I help you?
--আমার মায়ের নাম মাহিমা রহমান৷
ওনার নামে একটা ডিফিএজ ছিল যার অধিকারি হিসাবে আমার নাম ছিল।
সেটা এই মুহুর্তে ভাঙতে হবে।
প্লিজ।
--ম্যাম নামটা আবার বলুন।
--মাহিমা রহমান।
--ছবি ম্যাম ওনার এই টাকাগুলো আমরা গত ৩ দিনের মধ্যে ওনাকে দিতে পারবো না।
--কেন?
--উপর থেকল ওর্ডার আছে। এটা পারবো না আমি।।
--কিন্তু আমার বাবার জীবন মরন প্রশ্ন।
--হতে পারে কিন্তু ম্যাম পারবো না।
মেঘ অনেক চেষ্টা করেও কাজ টা করতে না পেরে হসপিটালে চলে আসে,
মেঘের বাবার অবস্থা ভিশন খারাপ।
--ম্যাম এই মুহুর্তে টাকা জমা না দিলে আপনার বাবাকে বাঁচানো সম্ভব না।
মেঘ অসহায় হয়ে বসে পরে।
এক দিকে তার মা আর বোন আটক।
অন্য দিকে তার বাবার চিকিৎসা আটকে আছে।
কি করবে কিছুই বুঝতে পারছে না মেঘ।
চারিদিকে ঘুরছে সব কিছু।
হসপিটালের একটা বেঞ্চে বসে পরে মেঘ।
মেঘের সামনে এখন মাত্র একটা রাস্তা খোলা।
চোখের কোনে জমে থাকা বিন্দু পানি কনা মুছে মেঘ আমানের কাছে যাওয়ার জন্য পা বাড়াতে পায়ের ব্যাথা নাড়া দিয়ে ওঠে।
এতো সময় তিরাশে তিরাশে অনেকটা পথ হেঁটেছে আর চলছে ন পা দুটো।
সাথে থাকা ব্যাগ টাও পরে গেছিল রাস্তায়।
মেঘ মাথা নিচু করে কাঁদছে হটাৎ তার সামনে তার চোখের পানির উপর হাত রাখে এক ব্যাক্তি।
মেঘের চোখ থেকে নির্গত পানির ফোঁটা লোকটার হাতে গিয়ে পরে,
মেঘ মাথা তুলে তাকায়,
সামনে আর কেউ না আমান দাঁড়িয়ে আছে,
--পেপার রেডি আছে সাইন করে দেও।
--আগে আমার বাবাকে ফেলে না রেখে চিকিৎসার জন্য পাঠান।
--সাইন করলে তবে সব হবে।
মেঘ চোখ বন্ধ করে সামনে থাকা পেপার টায় সাইন করে দেয়।
অপারেশন থিয়েটার এর আলোটাও জ্বলে ওঠে।
আমান মেঘের হাত ধরে এক পাশে নিয়ে আসে।
সেখানে উপস্থিত হয় মেঘের মা আর ছোট বোন।
ওদের দেখে ওদের কাছে যেতে চায় মেঘ।
আমান মেঘের হাতটা আঁটকে ধরে।
চোখের পানি বাঁধ ভেঙে গড়িয়ে পরতে থাকে।
--আ সরি মা।
পেছন থেকে টান অনুভব হয় মেঘের হাতে।
--শেষ বারের মতো মা বোনকে দেখে নেও.
পরে গিয়ে সুযোগ নাও পেতে পারো।
মেঘ একটা পাথরের মতো সব কথা শুনলো।
কিছুই বললো না।
সামনে একটা কাটা যুক্ত পথ অপেক্ষা করছে তার জন্য যেটা পারি দিতে কেউ তাকে সাহায্য করবে না।
মেঘ চোখ বন্ধ করে নেয়।
আর অতীতের কথা সরনে আসতে থাকে,
(মেঘ পুরো নাম জান্নাতুল মেঘ মা বাবার দুই মাত্র সন্তানের মড়ো জন।
ইন্টার দ্বিতীয় বর্ষে পড়ুয়া মেয়েটা ভিশন চনচল স্বভাবের মা বাবা আর ছোট বোনটা তার পরিবার না জীবন বলতে গেলে।
বাবা এক জন সামান্য সরকারি কর্মকর্তা কিছু দিন হলো রিটার্টমেন্ট এ আসছেন।
মা ও চাকরিজীবী একটা প্রাইমেরি স্কুলে চাকরি করতেন। কিন্তু হটাৎ একটা এক্সিডেন্ট এ মায়ের পায়ে সমস্যা হয় যার জন্য চাকরিটা মাকে ছেড়ে দিতে হয়।
কোন মতে সংসার টা চললেও পরিবারের সবার সাথে ভালোবাসায় ভরা দিন গুলো ভালোই কাটছিলো।
,
সেদিন শুক্রবার সব কিছুই ছুটির দিন।
রিমির (মেঘের ছোট বোন) ইচ্ছে হয়েছে আইসক্রিম খাওয়ার৷
তাই আপুর সাথে বিকালে বেরিয়ে পরে।
দোকান থেকে আইসক্রিম নিয়ে দুই বোন পার্কের পাশের রাস্তা দিয়ে গল্প করতে করতে আসছে।
দু'জন হেঁটে বাসায় আসছিল এমন সময় কিছু লোক তাদের ঘিরে ধরে।
--কি চাই (মেঘ)
--ম্যাম আপনাকে একটু আমাদের সাথে আসতে হবে?
--কোথায়? (ভ্রু কুচকে মেঘ)
--ম্যাম প্লিজ আপনি কথা বাড়াবেন না আমাদের সাথে আসুন না হলে ওর্ডার আছে আপনাকে জোর করে নিয়ে যাওয়ার।
--আরে একে কথা নেই বর্তা নেই আমাকে নিয়ে যেতে চাইছেন আবার ধমক ও দিচ্ছেন।
মাথা তুলে না আছাড় দিবো রাস্তা ছাড়ুন।
--ওকে ম্যাম।
লোক গুলো জোর জবর দোস্তি করে মেঘকে নিয়ে আসে।
আর রিমি অবেক চেষ্টা করেও আটকতে পারে না।
মেঘকে নিয়ে গেলে রিমি দৌড়ে বাসায় চলে আসে মা বাবাকে কথাটা বলার জন্য,
মেঘকে এনে বসানো হয় আমানের সামনে।
আমান খান। খুবই অল্প বয়সে মাফিয়া হয়ে ওঠা এক বিজনেস ম্যান।
দেশ থেকে নাম যার বাইরে পর্যন্ত ছাড়িয়ে আছে।
মেঘ আমান কে সামনে দেখে কিছু সময় তাকিয়ে রয় আমানের দিকে,
--আসসালামু আলাইলুম। (আমান)
--ওয়া আলাইকুম সালাম।
আমাকে এখানে তুলে আনার মানে কি?
--একটা ডিল করতে চাই আপনার সাথে মিস. মেঘ।
--আপনি আমার নাম জানলেন কি করে?
--কেন কুব কঠিন কিছু আপনার নাম জানাটা।
--দেখুন আমাকে এভাবে অসভ্যের মতো তুলে আনার কারন কি?
--আপনাকে সভ্য ভাবে প্রথমে বলা হয়েছিল।
কিন্তু আপনি অসভ্যতার রাস্তা টা বেছে নিয়েছেন।
--মানে কি!
--মানে কিছু না।
ডিলের কথায় আসি।
--কিসের ডিল।
--বেশি কিছু না ২ বছরের জন্য স্ত্রী আর সন্তানের মা হবার দায়িত্ব নিতে হবে আপনাকে
আমানের মুখে এসব কথা শুনে মেঘ আমানের গালে ঠাটিয়ে এক চড় বসিয়ে দেয়,
--ইয়ারকি পেয়েছেন আপনি।
এই বিকালের সময় একা একটা মেয়েকে তুলে এনে আপনি আমায় এগুলো বলছেন।
আমানের চোখ মুহুর্তে লাল বর্ণ ধারন করে,
চলবে,
কল্পনায়_হলেও_শুধু_আমারি_থেকো💖
লেখিকা-লামিয়া রহমান মেঘলা
পর্ব_০১
(গল্পটা প্লিজ ধৈর্য ধরে পড়বেন।গল্প সম্পর্কে মন্তব্য জানাবেন)
কল্পনায়_হলেও_শুধু_আমারি_থেকো💖
লেখিকা-লামিয়া রহমান মেঘলা
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
পর্ব_০২
আমান নিজের বাম হাতে মেঘের মাথার পেছনে ধরে অন্য হাতে মেঘকে খুব কাছে নিয়ে আসে।
মুহুর্তে মেঘের রাগ সব ভয়ে পরিনত হয়।
মেঘের ঠোঁট দুটো আঁকড়ে ধরে আমান।
মেঘ কিছু সময় ছোটাছুটি করার পরেই আমান মেঘকে ছেড়ে দেয়।
মেঘ এবার সমস্ত শক্তি দিয়ে আমান কে চড় বসিয়ে দেয়।
কিন্তু বিপরীতে আমান আবারো মেঘের সাথে একি কাজ করে।
--আর সাহস করো না চড় মারার নাহলে এর পর যা হবে তার জন্য তুমি দায়ি থাকবে।
আমানের কথায় মেঘ ভেজা চোখে তাকিয়ে আছে।
একটা মানুষ হটাৎ এভাবে তার জীবনে কি করে আসতে পারে।
এটা কি আদও সম্ভব।
--তোমার কাছে ভাবার জন্য সময় আছে কিন্তু মাত্র ৩ দিন৷।
যা করবে ৩ দিনে ভাবো।
মনে রেখো তোমার জন্য আমি সব কিছু ধ্বংস করে দিতে পারি।
কথাটা বলে আমান সেখান থেকে চলে আসে।
আর মেঘকে আমানের লোকেরা বাসায় পৌঁছে দিয়ে আসে।
মেঘ বাসায় পৌঁছাতে,
--কিরে মা কোথায় ছিলি রিমি বলল তোকে কারা তুলে নিয়ে গেছে কি হয়েছে মা (মাহিমা রহমান উত্তেজিত হয়ে)
--মা রিমি তোমার সাথে মজা করেছে তুমি চিন্তা করো না আমি ঠিক আছি।
--মানে কি রিমি এটা কোন ধরনের অভদ্রতা। (রেগে)
--কিন্তু মা।
মেঘ রিমিকে ইসারা করে রিমি চুপ হয়ে যায়।
--রিমি একটু চা নিয়ে আয়। (মেঘ)
মেঘ নিজের রুমে চলে আসে।
মেঘ চনচল সভাবের হলেও ভিশন চাপা।
কখনো অতিরিক্ত কষ্ট না হলে তা প্রকাশ করে না।
সবাই তাকে ভালোবাসে ওর কিছু হয়েছে শুনলে সবাই যে কষ্ট পাবে।
রিমি চা নিয়ে আসে মেঘের জন্য।
--আপু চা।
--দে।
--তুমি মিথ্যা বললে কেন।
--বাবা মায়ের উপর এমনি অনেক চাপ প্লিজ তুই আর কিছু বলিস না ওরা সহ্য করতে পারবে না।
--কিন্তু আপু।। ++
--রিমি না।
--ঠিক আছে তোর যা ভালো মনে হয়।
মেঘ চা খেয়ে নেয়,
এভাবে চিন্তার মাঝ দিয়ে ৩ দিন কেটে যায়।
ঠিক ৩ দিন পর।
মেঘ নিজের রুমের বেলকনিতে বসে ছিল হটাৎ কোন অচেনা নাম্বার থেকে ফোন আসে।
--হ্যালো আসসালামু আলাইকুম।
--ওয়া আলাইকুম সালাম মিসেস.খান।
মেঘ কন্ঠ শুনে বুঝতে পারে ওপাশের লোকটা কে।
মেঘের বুকের মাঝে ধকধক শব্দ তিব্র হতে থাকে।
--কি চাই?
--আপাতত শুধু তোমাকে।
--দেখুন আমি আপনার এসব ফালতু প্রস্তাবে রাজি নই।
--ওকে সমস্যা নেই সামনে যা ঘটতে চলেছে তার জন্য তুমি দায়ি।
সেদিন আমান শুধু এই কথাটা বলেই ফোনটা রেখে দিয়েছিল।
মেঘ সেদিন না বুঝতে পারলেও প্রায় ৫ দিন পরে বাবার হটাৎ হার্ট এটাক এ বুঝতে পারে কি হচ্ছে তার সাথে।
হসপিটালে দৌড়ে ও কোন কাজ হচ্ছিল না।
মেঘকে জানান দিতে আবারো তুলে নিজের কাছে নিয়ে যায় আমান।
পরের বার ঠিকি সে তার উদ্দেশ্যে সফলতা লাভ করে,
হটাৎ গাড়ি থামার জন্য মেঘ বন্ধ চোখ দুটো খুলে তাকালো।
পাশে বসে থাকা লোকটা তাকে কোলে তুলে নিলো।
এটা এয়ারপোর্ট।
মেঘ অবাক হয়ে আছে।
পাশে প্রেস এর লোক সমানে ছবি তুলছে।
গার্ড রা সামনে দিয়ে অতিরিক্ত লোক গুলোকে সরিয়ে দিচ্ছে আর আমান কোন গল্পের নায়কের মতো রাস্তা দিয়ে হেঁটে চলেছে।
আমানের মুখে কালো মাস্ক।
মেঘ খেয়াল করলো তার মুখেও একটা সাদা মাস্ক।
কিছু সময় পরে তারা প্লেনে উঠে এলো।
প্লেন টা যে শুধু মাত্র আমানের জন্য তা ভেতরে এসে বুঝতে বাকি রইলো না মেঘের।
প্লেন এর ভেরতে কেউই নেই।
শুধু দু'জন এয়ার হোস্ট।
ব্যাগ গুলো উপরে তুলে রেখেছে।
আমান মেঘকে একটা সিটে বসিয়ে দেয়।
আর মুখ থেকে মাস্ক টাও খুলে দেয়।
--আমরা কোথায় যাচ্ছি?
--যাচ্ছি কোথাও চিন্তা করো না তোমার স্বামীর বাসায় ই যাচ্ছো তুমি।
মেঘ অবাক হয়ে তাকিয়ে রয় ফর্সা বর্ণের এই ছেলেটার দিকে।
চোখ গুলো হালকা কটা।
একটা সাদা সর্ট হাতার গেঞ্জি প্যান্ট এ ইন করা।
মেঘের দিকে ঝুঁকে থাকায় চুল গুলো সামনে এসেছে,
কে বলবে এতো মায়াবী চেহারার লোকটার পেছনে আসল রহস্য টা কি।
--আমি যাবো না কোথাও।
আমায় প্লিজ আমার পরিবার থেকে আলাদা করবেন না।
আমান মেঘের কথায় অট্ট হাসিতে মেতে ওঠে,
--ও মাই গড তুমি কি বললা এগুলা।
আমার ১০ দিনের পরিশ্রম তুমি বুঝেছো।
এতো পরিশ্রম আমি কখনো করি নি কারোর জন্য করি নি।
আমান খান কখনো কিছু পরিশ্রম করে পাই নি সৃষ্টিকর্তার দোহায় সে এমনি পেয়েছে।
কিন্তু তোমার জবাব আমাকে পরিশ্রম করতে হয়েছে।
আমানের কথা গুলো বলার সময় চোখে যে এক রাস ঘৃণা ছিল তা মেঘের চোখ এড়ালো না।
কিন্তু কেন এই ঘৃণা?
আর কে এই লোকটা?
কোথায় যাচ্ছে সে?
আদও কি সুন্দর কিছু অপেক্ষা করছে তার জন্য?
কিছুর উত্তর মেঘের জানা নেই।
আমান মেঘের সামনে থেকে সরে এসে মেঘের মুখোমুখি সিটে বসে পরে।
মেঘ একটা পুতুলের মতো বসে আছে।
সাদা চুরিদারি থ্রি পিচ টাই তার পরনে।
চুল গুলো এতো ঝামেলায় এলোমেলো হয়ে আছে।
কিছুই গোছানো নেই।
আমান ও তার এলোমেলো দৃষ্টি মেঘের দিকে রেখেছে।
মেয়েটার চোখ বাইরের দিকে,
ঘন সাদা মেঘের সাথে তিব্র সূর্যের আলো।
এই দৃশ্য টা যেন অজানা কোন সর্গ।
--(আম্মু, আব্বু, রিমি আমায় কি খুঁজবে তোমরা? নাকি হারিয়ে গেছি বলে ছেড়ে দিবে।)
ভিশন কান্না পাচ্ছে এই মুহুর্তে মেঘের।
সত্যি ভিশন কান্না পাচ্ছে।
কখনো এমনটা কল্পনায় ও আসে নি মেঘের।
যে এটা হতে পারে।
,
,
,
--আম্মু কই তুমি (রিমি)
--কি হয়েছে?
--আম্মু মেঘ আপুকে খুঁজে পাচ্ছি না কোথাও।
--মানে কি। ও তো ব্যাঙ্কে গেছিল।
--হ্যাঁ কিন্তু কাউন্টারে ত টাকা জমা পরেছে তাহলে ওর ত হসপিটালে থাকার কথা।
--হ্যাঁ তুই ফোন দে।
--দিয়েছি বন্ধ পরে গিয়ে দেখি
ওর ফোনটা আর ব্যাগ টা কেউ এক জন নিয়ে এসেছে।
প্রশ্ন করতে বলল,
এটা পরা ছিল রাস্তায়।
উনি পেয়েছেন।
--কিন্তু উনি বুঝতে পারলো কি করে এটা মেঘের আর মেঘ তোর বোন।
--আমি ওতো জানি না মা তুমি আপুকে খুঁজো।
--খুঁজো মানে,
মাহিমা বেগম উত্তেজিত হয়ে পরে।
--তোরা দুই বোন মিলে আমার সাথে মজা করিস না রিমি।
এমনি তোর বাবাকে নিয়ে অনেক চিন্তায় আছি।
--মা বিশ্বাস করো মজা করছি না সত্যি আপুকে পাচ্ছি না।
,
প্রায় ২ ঘন্টা হয়ে গেছে মেঘের কোন খোঁজ নেই।
মাহিমা রহমান কান্নায় ভেঙে পরেছে।
রিমিও সাথে।
কি হচ্ছে তাদের সাথে।
,
প্রায় ৪ ঘন্টা হতে চলল মেঘের কোন খোঁজ নেই।
মাহিমা বেগম দৌড়ে পুলিশ স্টেশন এ জান।
তারা যদি তাকে কোন হেল্প করতে পারে,
কিন্তু পুলিশ ও বলেছে যে ২৪ ঘন্টার আগে তারা কোন রিপোর্ট লিখবে না।
এবার সত্যি অসহায় হয়ে আছে দু'জন।
কিছুই করার নেই,
,
,
রাত ১২ঃ৩০ মিনিট,
প্লেনটি গিয়ে ল্যান্ড করেছে সাউথ কোরিয়ার এয়ারপোর্টে,
মেঘ বুঝতে পারে এটা তার দেশ নয় কিন্তু এটা ঠিক কোন দেশ তা বুঝতে পারছে না।
আমান গিয়ে মেঘকে আবারো পাজকোলে তুলে নেয়।
মেঘ চুপচাপ আমানের কলার্ট ধরে রেখেছে।
ভিশন ক্লান্ত চোখ দুটো।
বাংলাদেশের এয়ারপোর্টে এর মতো এখানের এয়ারপোর্টে এ ও লোকের সমাহার।
মেঘ খেয়াল করে দেখলো টিভিতে আমান আর মেঘের বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট এর ছবি দেখানো হচ্ছে। আর কোরিয়ান ভাষায় সংবাদ পাঠ করা হচ্ছে।
চলবে,
কপি
পেস্ট
প্রতিদান,,, অতীত ফেইসবুক থেকে নেওয়া
নিজের সন্তান ভেবে মেয়েটি শিশুটিকে স্তন পান করাত । কিন্তু এই খবরটি তার গৃহকর্তা বা গৃহকর্ত্রী কেউ জানতো না । মাত্র তিন মাস আগে নিজের সদ্যজাত সন্তান হারিয়ে এই শিশুটিকেই সে যেন নিজের সন্তান ভেবে নিয়েছে । স্বামী, স্ত্রী যখন অফিসে চলে যেত সমস্ত ভালোবাসা উপচে পরত শিশুটির উপর । সমস্ত ধ্যান জ্ঞান যেন শিশুকে ঘিরে । মাঝে মাঝে সে ভুলে যেত শিশুটি তার কেউ নয়, সে এ বাড়ির কাজের মেয়ে মাত্র ।
.
শিশুটি যখন রাত্রে কান্না করতো, যখন তার মা বাবা কান্না থামাতে পারত না তখন ডাক পরতো আছিয়ার । সে কুলে নেওয়ার সাথে সাথে কান্না থেমে যেত । এ যেন যাদুর হাতের পরশ । ছোট্ট শিশুটিও জানে সে কার কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা পায় । এখানে ধর্ম, গোত্র, বর্ণ ভালোবাসার মাপ কাঠি হয়ে দাঁড়ায় না ।
.
মাত্র চার মাস বয়স থেকেই শিশুটির ঘর আলাদা । একটি দোলনাতে তার অবস্থান আর কাজের মেয়ে আছিয়ার অবস্থান সেই ঘরের মেজেতে । যেদিন শিশুটি কে তার মা বাবা পৃথক করে দিল সেদিন আছিয়ার খুব আনন্দ হয়েছিল । দিনের বেলায় শিশুটি সে কাছে পায় কিন্তু রাতে তার বুকটা খা খা করে । কখন বাবুটা কাঁদবে কখন তাকে ডাকবে এই ভেবে অনেক রাত পর্যন্ত ঘুমাত না সে । এখন যদিও বাবুটার মা দোলনা দিয়েছে কিন্তু দোলনাতে সে ঘুমায় না ঘুমায় আছিয়ার বুকে ।
.
শিশুটি আস্তে আস্তে বড় হয় এবং ভালোবাসার প্রতিদান হিসেবে আছিয়াকেই মা ডাকতে শুরু করে কিন্তু কোন মাই তার নিজ সন্তান কাজের মেয়েকে মা ডাকুক এটা চাইবে না । যখন আছিয়া দেখলো এই জিনিসটা নিয়ে মেম সাহেব বড়ই বিচলিত তখন আছিয়া নিজ খেকেই তাকে খালা মনি ডাকতে শেখাল আর শেখাল আমি তোমার মা নই মা তোমার ঐ সুন্দর মহিলা । কিন্তু শিশুটি মা এবং খালা মনির শব্দের অর্থ না বুঝলেও এটা ভালো ভাবেই বুঝেছিল খালা মনি নামের মানুষটার কাছ থেকে সে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা পায় ।
.
আছিয়ার মাঝে গ্রাম্য ভাব থাকলেও, সামান্য পড়া লেখা জানায় তার কথাবার্তায় গ্রাম্য ভাব ছিল না । যার কারনে শিশুটির উপর এর কোন প্রভাব পরেনি ।
.
তার ভাইয়েরা তাকে অনেক বার বলেছে আছিয়া তুই চলে আয় আর কত দিন তুই আর অন্যের বাড়ি পরে থাকবি । তোর বয়স তো আর ফুরিয়ে যায়নি তোকে আবার অন্য জায়গায় বিয়ে দিব । কিন্তু আছিয়া একটি মাত্র শিশুর জন্য নিজের সুখটুকু বিসর্জন দিয়ে যাচ্ছে । একটি বারের জন্যও তার মনে হয়নি শিশুটি তার সন্তান নয় । শিশুটির মা বাবা কেউ না জানলেও সেতো জানে তার বুকের স্তন পান করিয়ে সে শিশুটি কে বড় করেছে । আরেক জন সাক্ষী হয়তো আছে কিন্তু তাকে অনুনয় বিনয় করে কাউকে বলতে বারণ করেছে ।
.
আজ শিশুটির সপ্তম জন্ম বার্ষিকী । সমস্ত আয়োজন শেষে শিশুটি যখন কেক কেটে নিজের মাকে খাইয়ে দিচ্ছিল এমন সময় সে দেখলো দরজার আড়াল থেকে খালা মনি তার দিকে করুণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে । প্রথম কেক টুকু মাকে খাওয়ানোর পরেই আরেক টুকরা কেক নিয়ে দৌড়ে গেল খালা মনির দিকে । সবাই বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখলো কাজের মেয়ের মুখে কেক তুলে দিচ্ছে বিশিষ্ট ব্যবসায়ীর সন্তান । এই জিনিসটা কারো কাছেই ভালো লাগলো না বিশেষ করে ভালো লাগলো না শিশুটির মায়ের ।
.
এই সমাজে যখন ভালোবাসা সম্পর্কের বাইরে চলে যায় সেই ভালোবাসা গুলো কেউ মেনে নিতে পারে না । তেমনি মেনে নিতে পারেনি শিশুটির মা ।
এর শাস্তি স্বরূপ, সমস্ত ভালোবাসা, মায়া মমতা কে তুচ্ছ জ্ঞান করে আছিয়াকে বিদায় দেওয়া হলো ।
.
আছিয়া যেতে চায়নি আছিয়া গেটের বাইরে সারাদিন বসেছিল । আঝোর ধারায় কেঁদেছিল । কিন্তু কেউ কান্নার মর্মার্থ বুঝেনি । শুধু বুঝেছিল শিশুটি ।
সে তার খালা মনির কাছে যাওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছিল, কিন্তু পারেনি কারন সে ছিল চার দেয়ালে বন্দি । সেদিন শিশুটির কান্নার দামও কেউ দেয়নি ।
.
আজ অনেক বছর হয়ে গেছে । ছোট্ট শিশুটি এখন দেশের নামকরা ডাক্তার কিছুদিন আগে তার মা স্ট্রোক করে মারা গেছেন । সে ডাক্তার হয়েও বাঁচাতে পারেনি তার মাকে । মায়ের প্রতি তার ভালোবাসা থাকলেও অন্য একটি কালো মুখ তার বারবার মনে পড়ে ইদানিং। স্বপ্নেরও সেই কালো মুখটা এসে ধরা দেয় ।
.
সে মেয়েটি তাকে নিজের হাতে খাইয়ে দিত, গোসল করাতো, থুতনিতে ধরে মাথা আচঁড়িয়ে দিত । স্কুলে আনা নেওয়া করতো । চুমোতে চুমোতে ভরিয়ে দিত তার ছোট্ট গাল । সেই মধুর স্মৃতি গুলো আজও তার পিছু ছাড়েনি ।
.
বুড়ো দারোয়ান চাচার কাছে আজ সকালে সেই আছিয়া খালা মনির কথা জিজ্ঞেস করতেই বেড়িয়ে আসলো আরো অনেক অজানা তথ্য । জন্ম দিয়ে তার মা কর্ম উদ্ধার করেছে । কিন্তু তিলে তিলে তাকে বড় করে তুলেছিল আছিয়া নামের সেই মেয়েটি । শুধু বড় করাই নয় । তার রক্তে মাংসে মিশে আছে সেই মেয়েটির স্তনের তরল । দারোয়ান চাচার কাছে আরো জেনেছে তার খালা মনির এক লোকের সাথে দ্বিতীয় বিয়ে হয়েছিলো । সেই স্বামীটাও মরে গেছে । তাদের ঘরে কোন সন্তানাদী হয়নি । সে এখন মোটেও ভালো নেই । অসুস্থ হয়ে পড়ে আছে কোন এক নির্জন কুটিরে ।
.............
একটি ছেলে আছিয়ার শিয়রে দাঁড়িয়ে আছে । ছেলেটি কে সে চিনতে পারছে না । কিন্তু ছেলেকে কেমন যেন খুব আপন মনে হচ্ছে । ছেলেটি তার দিকে কেমন যেন বিস্ময়ে তাকিয়ে আছে । ছেলেটি হঠাৎ করে বলে উঠলো ।
.
-- খালা মনি কেমন আছ ?
.
আছিয়া চমকে উঠে। ছেলেটি কে এখন আর চিনতে অসুবিধা হয়না । কারন পুরো পৃথিবীতে একটি মাত্র মানুষ আছে তাকে যে খালা-মনি বলে ডাকে । আছিয়া কোন কথা বলছে না । ইশারায় ছেলেটি কে কাছে ডেকে নেয় । খুব তৃষ্ণায় জড়িয়ে ধরে ছেলেটি কে । অনেক দিনের দুঃখ কষ্ট গুলো অঝোর ধারায় ঝরে পরে আছিয়ার চোখ বেয়ে । এ কান্না প্রাপ্তির এ কান্না আনন্দের । এ কান্না ভালোবাসার ।
এখানে কোন সম্পর্কের বাঁধা নেই, নেই কোন রক্তের ভিন্নতা । আছে মানবতা, আছে ভালোবাসার প্রতিদান ।
.
"প্রতিদান "
,
✍ Azad Abul Kalam
কপি
পেস্ট
৯১ সূরা আশ-শাম্স,,,, সূর্য
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
সূরা আশ-শাম্স (الشّمس), আয়াত: ১
وَٱلشَّمْسِ وَضُحَىٰهَا
উচ্চারণঃ ওয়াশ শামছি ওয়াদু হা-হা-।
অর্থঃ শপথ সূর্যের ও তার কিরণের,
সূরা আশ-শাম্স (الشّمس), আয়াত: ২
وَٱلْقَمَرِ إِذَا تَلَىٰهَا
উচ্চারণঃ ওয়াল কামারি ইযা-তালা-হা-।
অর্থঃ শপথ চন্দ্রের যখন তা সূর্যের পশ্চাতে আসে,
সূরা আশ-শাম্স (الشّمس), আয়াত: ৩
وَٱلنَّهَارِ إِذَا جَلَّىٰهَا
উচ্চারণঃ ওয়ান্নাহা-রি ইযা জাল্লা-হা-।
অর্থঃ শপথ দিবসের যখন সে সূর্যকে প্রখরভাবে প্রকাশ করে,
সূরা আশ-শাম্স (الشّمس), আয়াত: ৪
وَٱلَّيْلِ إِذَا يَغْشَىٰهَا
উচ্চারণঃ ওয়াল্লাইলি ইযা-ইয়াগশা-হা-।
অর্থঃ শপথ রাত্রির যখন সে সূর্যকে আচ্ছাদিত করে,
সূরা আশ-শাম্স (الشّمس), আয়াত: ৫
وَٱلسَّمَآءِ وَمَا بَنَىٰهَا
উচ্চারণঃ ওয়াছ ছামাই ওয়ামা-বানা-হা-।
অর্থঃ শপথ আকাশের এবং যিনি তা নির্মাণ করেছেন, তাঁর।
সূরা আশ-শাম্স (الشّمس), আয়াত: ৬
وَٱلْأَرْضِ وَمَا طَحَىٰهَا
উচ্চারণঃ ওয়াল আরদিওয়ামা-তাহা-হা-।
অর্থঃ শপথ পৃথিবীর এবং যিনি তা বিস্তৃত করেছেন, তাঁর,
সূরা আশ-শাম্স (الشّمس), আয়াত: ৭
وَنَفْسٍ وَمَا سَوَّىٰهَا
উচ্চারণঃ ওয়া নাফছিওঁ ওয়া মা-ছাওওয়া-হা-।
অর্থঃ শপথ প্রাণের এবং যিনি তা সুবিন্যস্ত করেছেন, তাঁর,
সূরা আশ-শাম্স (الشّمس), আয়াত: ৮
فَأَلْهَمَهَا فُجُورَهَا وَتَقْوَىٰهَا
উচ্চারণঃ ফাআলহামাহা-ফুজূরাহা-ওয়া তাকওয়া-হা-।
অর্থঃ অতঃপর তাকে তার অসৎকর্ম ও সৎকর্মের জ্ঞান দান করেছেন,
সূরা আশ-শাম্স (الشّمس), আয়াত: ৯
قَدْ أَفْلَحَ مَن زَكَّىٰهَا
উচ্চারণঃ কাদ আফলাহা মান ঝাক্কা-হা-।
অর্থঃ যে নিজেকে শুদ্ধ করে, সেই সফলকাম হয়।
সূরা আশ-শাম্স (الشّمس), আয়াত: ১০
وَقَدْ خَابَ مَن دَسَّىٰهَا
উচ্চারণঃ ওয়া কাদ খা-বা মান দাছ ছা-হা-।
অর্থঃ এবং যে নিজেকে কলুষিত করে, সে ব্যর্থ মনোরথ হয়।
সূরা আশ-শাম্স (الشّمس), আয়াত: ১১
كَذَّبَتْ ثَمُودُ بِطَغْوَىٰهَآ
উচ্চারণঃ কাযযাবাত ছামূদুবিতাগওয়া-হা।
অর্থঃ সামুদ সম্প্রদায় অবাধ্যতা বশতঃ মিথ্যারোপ করেছিল।
সূরা আশ-শাম্স (الشّمس), আয়াত: ১২
إِذِ ٱنۢبَعَثَ أَشْقَىٰهَا
উচ্চারণঃ ইযিম বা‘আছা আশকা-হা-।
অর্থঃ যখন তাদের সর্বাধিক হতভাগ্য ব্যক্তি তৎপর হয়ে উঠেছিল।
সূরা আশ-শাম্স (الشّمس), আয়াত: ১৩
فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ ٱللَّهِ نَاقَةَ ٱللَّهِ وَسُقْيَٰهَا
উচ্চারণঃ ফাকা-লা লাহুম রাছূলুল্লা-হি না-কাতাল্লা-হি ওয়া ছুকইয়া-হা-।
অর্থঃ অতঃপর আল্লাহর রসূল তাদেরকে বলেছিলেনঃ আল্লাহর উষ্ট্রী ও তাকে পানি পান করানোর ব্যাপারে সতর্ক থাক।
সূরা আশ-শাম্স (الشّمس), আয়াত: ১৪
فَكَذَّبُوهُ فَعَقَرُوهَا فَدَمْدَمَ عَلَيْهِمْ رَبُّهُم بِذَنۢبِهِمْ فَسَوَّىٰهَا
উচ্চারণঃ ফাকাযযাবূহু ফা‘আকারূহা- ফাদামদামা ‘আলাইহিম রাব্বুহুম বিযামবিহিম ফাছাওওয়াহা-।
অর্থঃ অতঃপর ওরা তার প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল এবং উষ্ট্রীর পা কর্তন করেছিল। তাদের পাপের কারণে তাদের পালনকর্তা তাদের উপর ধ্বংস নাযিল করে একাকার করে দিলেন।
সূরা আশ-শাম্স (الشّمس), আয়াত: ১৫
وَلَا يَخَافُ عُقْبَٰهَا
উচ্চারণঃ ওয়ালা-ইয়াখা-ফু‘উকবা-হা-।
অর্থঃ আল্লাহ তা’আলা এই ধ্বংসের কোন বিরূপ পরিণতির আশংকা করেন না।
,,,,,
সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২৪ বৃহস্পতিবার
সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ২৪-১১-২০২২ খ্রি:।
আজকের শিরোনাম :
* বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নিতে দিনব্যাপী সফরে আজ যশোর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।
* বাংলাদেশ সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ চায় না, দেশের উন্নতি চায় - বঙ্গবন্ধু আন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপের পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে বললেন শেখ হাসিনা ।
* অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উন্নয়ন খাতে নারীদের সম্পৃক্ত করতে হবে - ঢাকায় প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক নারী উদ্যোক্তা সম্মেলনে বললেন স্পিকার ডক্টর শিরিন শারমিন চৌধুরী ।
* বিএনপির চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের আহবান।
* ১০ই ডিসেম্বরের সমাবেশ নিয়ে বিএনপি বাড়াবাড়ি করছে - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।
* রাশিয়ার একের পর এক হামলায় ইউক্রেন ও মলদোভা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন।
* এবং কাতারে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলে আজ রাতে লুসাইল স্টেডিয়ামে সার্বিয়ার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল।
৯২ সুরা আল লাইল ,,,, রাত্রি,,
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
সূরা আল লাইল (الليل), আয়াত: ১
وَٱلَّيْلِ إِذَا يَغْشَىٰ
উচ্চারণঃ ওয়াল্লাইলি ইযা-ইয়াগশা-।
অর্থঃ শপথ রাত্রির, যখন সে আচ্ছন্ন করে,
সূরা আল লাইল (الليل), আয়াত: ২
وَٱلنَّهَارِ إِذَا تَجَلَّىٰ
উচ্চারণঃ ওয়ান্নাহা-রি ইযা-তাজাল্লা-।
অর্থঃ শপথ দিনের, যখন সে আলোকিত হয়
সূরা আল লাইল (الليل), আয়াত: ৩
وَمَا خَلَقَ ٱلذَّكَرَ وَٱلْأُنثَىٰٓ
উচ্চারণঃ ওয়ামা-খালাকায যাকারা ওয়াল উনছা।
অর্থঃ এবং তাঁর, যিনি নর ও নারী সৃষ্টি করেছেন,
সূরা আল লাইল (الليل), আয়াত: ৪
إِنَّ سَعْيَكُمْ لَشَتَّىٰ
উচ্চারণঃ ইন্না ছা‘ইয়াকুম লাশাত্তা-।
অর্থঃ নিশ্চয় তোমাদের কর্ম প্রচেষ্টা বিভিন্ন ধরনের।
সূরা আল লাইল (الليل), আয়াত: ৫
فَأَمَّا مَنْ أَعْطَىٰ وَٱتَّقَىٰ
উচ্চারণঃ ফাআম্মা-মান আ‘তা-ওয়াত্তাকা-।
অর্থঃ অতএব, যে দান করে এবং খোদাভীরু হয়,
সূরা আল লাইল (الليل), আয়াত: ৬
وَصَدَّقَ بِٱلْحُسْنَىٰ
উচ্চারণঃ ওয়া সাদ্দাকা বিলহুছনা-।
অর্থঃ এবং উত্তম বিষয়কে সত্য মনে করে,
সূরা আল লাইল (الليل), আয়াত: ৭
فَسَنُيَسِّرُهُۥ لِلْيُسْرَىٰ
উচ্চারণঃ ফাছানুইয়াছছিরুহূলিল ইউছরা-।
অর্থঃ আমি তাকে সুখের বিষয়ের জন্যে সহজ পথ দান করব।
সূরা আল লাইল (الليل),আয়াত: ৮
وَأَمَّا مَنۢ بَخِلَ وَٱسْتَغْنَىٰ
উচ্চারণঃ ওয়া আম্মা-মাম বাখিলা ওয়াছতাগনা-।
অর্থঃ আর যে কৃপণতা করে ও বেপরওয়া হয়
সূরা আল লাইল (الليل), আয়াত: ৯
وَكَذَّبَ بِٱلْحُسْنَىٰ
উচ্চারণঃ ওয়া কাযযাবা বিল হুছনা-।
অর্থঃ এবং উত্তম বিষয়কে মিথ্যা মনে করে,
সূরা আল লাইল (الليل), আয়াত: ১০
فَسَنُيَسِّرُهُۥ لِلْعُسْرَىٰ
উচ্চারণঃ ফাছানুইয়াছছিরুহূলিল‘উছরা-।
অর্থঃ আমি তাকে কষ্টের বিষয়ের জন্যে সহজ পথ দান করব।
সূরা আল লাইল (الليل), আয়াত: ১১
وَمَا يُغْنِى عَنْهُ مَالُهُۥٓ إِذَا تَرَدَّىٰٓ
উচ্চারণঃ ওয়ামা-ইউগনী ‘আনহু মা-লুহূইযা-তারাদ্দা-।
অর্থঃ যখন সে অধঃপতিত হবে, তখন তার সম্পদ তার কোনই কাজে আসবে না।
সূরা আল লাইল (الليل), আয়াত: ১২
إِنَّ عَلَيْنَا لَلْهُدَىٰ
উচ্চারণঃ ইন্না ‘আলাইনা-লালহুদা-।
অর্থঃ আমার দায়িত্ব পথ প্রদর্শন করা।
সূরা আল লাইল (الليل), আয়াত: ১৩
وَإِنَّ لَنَا لَلْءَاخِرَةَ وَٱلْأُولَىٰ
উচ্চারণঃ ওয়া ইন্না লানা-লালআ-খিরাতা ওয়ালঊলা-।
অর্থঃ আর আমি মালিক ইহকালের ও পরকালের।
সূরা আল লাইল (الليل), আয়াত: ১৪
فَأَنذَرْتُكُمْ نَارًا تَلَظَّىٰ
উচ্চারণঃ ফাআনযারতুকুম না-রান তালাজ্জা-।
অর্থঃ অতএব, আমি তোমাদেরকে প্রজ্বলিত অগ্নি সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছি।
সূরা আল লাইল (الليل), আয়াত: ১৫
لَا يَصْلَىٰهَآ إِلَّا ٱلْأَشْقَى
উচ্চারণঃ লা-ইয়াসলা-হাইল্লাল আশকা-
অর্থঃ এতে নিতান্ত হতভাগ্য ব্যক্তিই প্রবেশ করবে,
সূরা আল লাইল (الليل), আয়াত: ১৬
ٱلَّذِى كَذَّبَ وَتَوَلَّىٰ
উচ্চারণঃ আল্লাযী কাযযাবা ওয়া তাওয়াল্লা-।
অর্থঃ যে মিথ্যারোপ করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয়।
সূরা আল লাইল (الليل), আয়াত: ১৭
وَسَيُجَنَّبُهَا ٱلْأَتْقَى
উচ্চারণঃ ওয়া ছাইউজান্নাবুহাল আতকা-।
অর্থঃ এ থেকে দূরে রাখা হবে খোদাভীরু ব্যক্তিকে,
সূরা আল লাইল (الليل), আয়াত: ১৮
ٱلَّذِى يُؤْتِى مَالَهُۥ يَتَزَكَّىٰ
উচ্চারণঃ আল্লাযী ইউ’তী মা-লাহূইয়াতাঝাক্কা-।
অর্থঃ যে আত্নশুদ্ধির জন্যে তার ধন-সম্পদ দান করে।
সূরা আল লাইল (الليل), আয়াত: ১৯
وَمَا لِأَحَدٍ عِندَهُۥ مِن نِّعْمَةٍ تُجْزَىٰٓ
উচ্চারণঃ ওয়ামা-লিআহাদিন ‘ইনদাহূমিন নি‘মাতিন তুজঝা।
অর্থঃ এবং তার উপর কারও কোন প্রতিদানযোগ্য অনুগ্রহ থাকে না।
সূরা আল লাইল (الليل), আয়াত: ২০
إِلَّا ٱبْتِغَآءَ وَجْهِ رَبِّهِ ٱلْأَعْلَىٰ
উচ্চারণঃ ইল্লাবতিগাআ ওয়াজহি রাব্বিহিল আ‘লা-।
অর্থঃ তার মহান পালনকর্তার সন্তুষ্টি অন্বেষণ ব্যতীত।
সূরা আল লাইল (الليل), আয়াত: ২১
وَلَسَوْفَ يَرْضَىٰ
উচ্চারণঃ ওয়া লাছাওফা ইয়ারদ
অর্থঃ সে সত্বরই সন্তুষ্টি লাভ করবে।
,,,,,,,,,
রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২৩ বুধবার
রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।
(২৩-১১-২০২২)
আজকের শিরোনাম-
* বাংলাদেশ সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ চায় না, দেশের উন্নতি চায় - বঙ্গবন্ধু আন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপের পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী ।
* বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নিতে দিনব্যাপী সফরে আগামীকাল যশোর যাচ্ছেন শেখ হাসিনা।
* অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উন্নয়ন খাতে নারীদের সম্পৃক্ত করতে হবে - ঢাকায় প্রথমবারের মতো শুরু আন্তর্জাতিক নারী উদ্যোক্তা সম্মেলনে বললেন স্পিকার ডক্টর শিরিন শারমিন চৌধুরী ।
* বিএনপির চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের আহবান।
* ১০ই ডিসেম্বরের সমাবেশ নিয়ে বিএনপি বাড়াবাড়ি করছে - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর ।
* ঢাকায় প্রথম পাতাল রেল নির্মাণের কাজ শুরু হচ্ছে চলতি অর্থবছরে - ডিপো নির্মাণে আজ চুক্তি স্বাক্ষর।
* যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় সুপারশপে বন্ধুকধারীর গুলিতে অন্তত সাতজন নিহত।
* এবং কাতারে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলে ক্রোয়েশিয়া ও মরক্কোর মধ্যকার ম্যাচ গোল-শূন্য ড্র।
বুধবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২২
প্রাক্তন প্রেমিকের এর ঋণ কিভাবে শোধ করা যায়,,,,,, কবিতা পয়েম ফেইসবুক থেকে
প্রাক্তন প্রেমিকের এর ঋণ কিভাবে শোধ করা যায়?
আমি কিছু দিন ধরে প্রচন্ড আত্নগ্লানিতে ভুগছি। নিজেকে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় বেঈমান নারী বলে মনে হচ্ছে।
আমি রাজশাহী ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করতাম। সে তখন রুয়েটে পড়াশোনা করত। সেই সময় রুয়েট রাজশাহী বিআইটি নামে পরিচিত ছিল। ২০০১ সালে আমাদের প্রথম সম্পর্ক শুরু হয়।
সম্পর্কে যাবার পরে সে আর আমাকে টিউশনি করতে দেয় নাই রেজাল্ট খারাপ হবে বলে। সে নিজে টিউশনি করে একটা ভাল আয় করত। আমাকে সে মাসে ১৫০০-২০০০ টাকা করে দিত । সেই সময়ে ১৫০০ টাকা অনেক মূল্য ছিল। গরুর মাংশের কেজি ছিল ৭০ টাকা সেই সময়ে। তার অর্থতেই আমি অনার্স পড়া শেষ করি।
এরপর আমি বাড়ি চলে যাই। আর সে আমেরিকা যাবে বলে ঢাকায় চলে যায়। গ্রামের একটা হাইস্কুলে আমি শিক্ষিকা হিসাবে নিয়োগ পাবার চেষ্টা করি কিন্ত কমিটি ৫০ হাজার চায়। আমার বাবা ৩৫ হাজার টাকা ম্যানেজ করে দেয়। বাকি ১৫০০০ টাকা সে দিয়েছিল, তার সখের ক্যামেরাটি বিক্রি করে।
আমাদের সম্পর্কটা ছিল স্বামী স্ত্রীর মত অতি ঘনিষ্ঠ অন্তরঙ্গ। কখনো কল্পনা করে নাই যে আমি তাকে ভিন্ন অন্য কাওকে বিয়ে করব। কিন্ত ভাগ্য ছিল অন্যরকম। আমার পরিবার খুবই রাগী এবং এক কথার মানুষ । আমাকে না জানিয়েই আমার বিয়ে ঠিক করে ফেলেন। এরপর হঠাৎ করে একদিন সন্ধ্যায় এসে পাত্রপক্ষ আমাকে আংটি পড়িয়ে যায়। গ্রামের সমাজে বিয়ের দিন তারিখ ঠিক হবার পরে মেয়ে পালিয়ে গেলে পরিবারের সন্মান নষ্ট হয়। আমি যদি সেদিন তার কাছে পালিয়ে যেতাম তবে আমার ছোট বোনদের কেও আর বিয়ে করত না। পরিবারের সন্মান রক্ষায় আমি ভালবাসাকে কবর দিয়ে বাবা মায়ের ইচ্ছায় বিয়ে করে নেই।
সে এই ঘটনা জানতে পেরে সুইসাইড এটেম্পট নিয়েছিল। তবে আল্লাহর ইচ্ছায় সে বেচে যায়। এরপর সে আমেরিকা চলে যায় জিআরই এক্সামে দিয়ে। এরপর লম্বা ১৫ বছর আমি আর তার কোন খোজ রাখে নাই। খোজ রাখার মত মুখ আমার ছিল না।
গত বছর আমার ছোট মেয়ের হার্টে ছিদ্র ধরা পড়ে এবং ভারত নিয়ে যাবার দরকার হয় হার্টে অপরেশন করার জন্য। সেই সময়ে আমি ও আমার স্বামী অর্থনৈতিক ভাবে অনেক টানাপোড়নের মধ্যে পড়ি। এরমধ্যে একদিন দেখি যে কে যেন আমার ডাচ বাংলা ব্যাংকের একাউন্টে আড়াই লক্ষ টাকা পাঠিয়েছে। খোজ নিয়ে জানতে পারি যে তিনি হলেন আমার এক্সের রুমমেট। তার রুয়েটের রুমমেট বাসা আমাদের এলাকায় হওয়ায়, তার মাধ্যমে আমার মেয়ের কথা জানতে পেরে টাকা পাঠিয়েছে ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার যোগাড় করে ।
বহু বছর পরে যখন তার সাথে কথা হল তখন সে শুধু বলল , " এরকম একটা মেয়ের স্বপ্ন তো আমরা দেখতাম। ভাগ্যে নাই , তাই হই নাই। তোমার মেয়ে আমার কাছেও মেয়ের মতই।"
আমি শুধু কেদেছি। একজন মানুষ কিভাবে এত ভাল হয়? কিভাবে এতটা ভালবাসে? কিভাবে এত বড় বেঈমানীর পরেও ক্ষমা করে দেয়? আমি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে তার স্ত্রীর সম্পর্কে। সে শুধু বলল, " আমার স্ত্রী অনেক ভাল মেয়ে কিন্ত আমি তাকে ভালবাসতে পারি নাই। তার সাথে সংসার রুটিন ওয়ার্কের মত। এক মনে দুজনকে ভালবাসা যায় না"
সত্য বলতে আমিও আমার স্বামীকে একটুও ভালবাসতে পারি নাই যদিও আমার স্বামী খুবই ভাল মানুষ। আসলে প্রথম ভালবাসার পরে জীবনে বিয়ের মাধ্যমে অন্য যারা আসে তাদের সাথে সম্পর্কটা রুটিন ওয়ার্কের মতই হয়। আজকে ৪ টা জীবন একটা ভুল সিদ্ধান্তে বলি হচ্ছে।
সে আমার কাছে অর্থ বিচারে হয়ত ৬-৭ লক্ষ টাকা পাবে সব মিলিয়ে। এই টাকা সে কখনো নিবে না। আর এই টাকা ফেরত দিলেও তার ঋণ শোধ হবে না। আমার বিবেক আমাকে প্রতি ক্ষণে হত্যা করছে। মুক্তির উপায় কি?
লেখা:রেসমা হায়াত
কপি
পেস্ট
সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২৩ বুধবার
সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ২৩-১১-২০২২ খ্রি:।
আজকের শিরোনাম :
প্রকৃতির ক্ষতি না করে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ।
জঙ্গিবাদের বিশ্বস্ত পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে বিএনপি - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।
বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই বিএনপি নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে চায় - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।
বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে পয়লা ডিসেম্বর থেকে সপ্তাহব্যাপী পরিচালিত হবে বিশেষ কোভিড টিকাদান অভিযান - জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
আজ ঢাকায় প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে দু’দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক নারী উদ্যোক্তা সম্মেলন।
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬৮ - এখনও বহুলোক নিখোঁজ।
ইরানে গণবিক্ষোভ দমন অভিযান তদন্তের বিষয়ে আগামীকাল জরুরি বৈঠকে বসছে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ।
এবং কাতারে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রথম অঘটনের ম্যাচে ফেবারিট আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোলে হারালো সৌদি আরব - অস্ট্রেলিয়াকে ৪-১ গোলে হারিয়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের শুভ সূচনা।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া
📚 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা 🏡📜 ভূমি কেনাবেচা, নামজারী বা খতিয়ান নিয়ে কাজ করার আগে নিচের বিষয়গুলো জানা খুবই জরুর...
-
🧪 বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) টেস্ট ফি তালিকা (২০২৫) 🩸 রক্ত ও হেমাটোলজি টেস্ট: ✅ CBC (OPD): ৩০০ টাকা ✅ CBC (IPD): ২০...
-
#কোমর থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা: আসল কারণ কোথায়? স্নায়ুর লাইনে ব্যথা: Holistic approach কেন জরুরি- পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা কেন হয়?...
-
✅ কাজের বুয়ার কাহিনীঃ আমাদের বাসার কাজের বুয়া (৫৪) মাসে ১৭ হাজার টাকা আয় করেন। উনি আমাদের বাসায় সকাল ৯ টায় আসার আগে একটা মেসে রুটি বানা...