এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২২
সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২২
এস.এস.সি তে জিপিএ-৫ ২০০১-২০২২ সাল পর্যন্ত,,,,,,,,,
এস.এস.সি তে জিপিএ-৫ ২০০১-২০২২ সাল পর্যন্ত।
...
♦২০০১ সালে ৭৬ জন,
♦২০০২ সালে ৩২৭ জন,
♦২০০৩ সালে ১ হাজার ৩৮৯ জন,
♦২০০৪ সালে ৮ হাজার ৫৯৭ জন,
♦২০০৫ সালে ১৫ হাজার ৬৩১ জন,
♦২০০৬ সালে ২৪ হাজার ৩৮৪ জন,
♦২০০৭ সালে ২৫ হাজার ৭৩২ জন,
♦২০০৮ সালে ৪১ হাজার ৯১৭ জন,
♦২০০৯ সালে ৪৫ হাজার ৯৩৪ জন,
♦২০১০ সালে ৬২ হাজার ১৩৪ জন,
♦২০১১ সালে ৬২ হাজার ২৮৮ জন,
♦২০১২ সালে ৮২ হাজার ২১২ জন,
♦২০১৩ সালে ৯১ হাজার ২৬৬ জন,
♦২০১৪ সালে ১ লক্ষ ৪২ হাজার ২৭৬ জন,
♦২০১৫ সালে ১ লক্ষ ১১ হাজার ৯০১ জন,
♦২০১৬ সালে ১ লক্ষ ০৯ হাজার ৭৬৮ জন,
♦২০১৭ সালে ১ লক্ষ ০৪ হাজার ৭৬১ জন,
♦২০১৮ সালে ১ লক্ষ ১০ হাজার ৬২৯ জন,
♦২০১৯ সালে ১ লক্ষ ০৫ হাজার ৫৯৪ জন,
♦২০২০ সালে ১ লক্ষ ৩৫ হাজার ৮৯৮ জন,
♦২০২১ সালে ১ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৪০ জন,
♦২০২২ সালে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬০২ জন।
কপি
পেস্ট
ফেইসবুক থেকে নেওয়া তিন টি জিনিস
☘️তিনটি কাজে বিলম্ব করিও না🍀
🔳১. নামাজের ওয়াক্ত হলে।
🔳২. মেয়ে-ছেলে বিয়ের উপযুক্ত হলে।
🔳৩. লাশ এর জানাযা হয়ে গেলে।
🍀 তিনটি জিনিস একবার আসে🍀
🔳১. মাতা-পিতা।
🔳২. সৌন্দর্য্য।
🔳৩. যৌবন।
🍀 তিনটি জিনিস ফিরে আনা যায় না🍀
🔳১. বন্দুকের গুলি।
🔳২. মুখের কথা।
🔳৩. শরীরের রূহ।
🍀 তিনটি জিনিস মৃত্যুর পর উপকারে আসে🍀
🔳১. সু-সন্তান।
🔳২. সদকা।
🔳৩. ইসলাম।
🍀 তিনটি জিনিস সম্মান নষ্ট করে🍀
🔳১. চুরি করা।
🔳২. মিথ্যা কথা বলা।
🔳৩. চোগোলখুরি করা।
🍀 তিনটি জিনিস চিন্তায় রাখে🍀
🔳১. হিংসা।
🔳২. অভাব।
🔳৩. সন্দেহ।
🍀 তিনটি জিনিসকে সব সময় মনে রেখো🍀
🔳১. উপদেশ।
🔳২. উপকার।
🔳৩. মৃত্যু।
🍀 তিনটি জিনিসকে আয়ত্তে রেখো🍀
🔳১. রাগ।
🔳২. জিহবা।
🔳৩. অন্তর।
🍀 তিনটি জিনিস অভ্যাস করো🍀
🔳১. নামাজ পড়া।
🔳২. সত্য বলা।
🔳৩. হালাল রিযিক।
🍀 তিনটি জিনিস থেকে দূরে থাকো🍀
🔳১. মিথ্যা।
🔳২. অহংকার।
🔳৩. আভিশাপ।
🍀 তিনটি জিনিসের জন্য যুদ্ধ করো🍀
🔳১. দেশ।
🔳২. জাতি।
🔳৩. সত্য।
🍀 তিনটি জিনিসকে চিন্তা করে ব্যবহার করো🍀
🔳১. কলম।
🔳২. কসম।
🔳৩. কদম।
🍀 তিনটি জিনিসে ধ্বংস হয়ে যায়🍀
🔳১. লোভ।
🔳২. হিংসা।
🔳৩. অহংকার।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে এগুলোর উপর আমল করার তাওফীক দান করুন...🤲🤲🤲,,
মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ ( বাহার)❤️❤️❤️
কপি
পেস্ট
এক মুঠো কাঁচের চুড়ি,,,, অপ্রেম অধ্যায় ফেইসবুকে থেকে
এক মুঠো কাঁচের চুরি
পর্ব_১৬
লেখিকা_Fabiha_bushra_nimu
মাঝরাতে থেকে পেটের অসহ্য যন্ত্রনায় ছটফট করছে তানহা।দাঁতের ওপরে দাঁত চেপে সকাল হবার অপেক্ষা করছে'।সময়ের সাথে পেটের ব্যথা দ্রুত গতিতে বাড়ছে।একবার এই কাত হচ্ছে,তো' আরেকবার ওই কাত।এপাশ-ওপাশ করতে করতে ফজরে'র আজান দিয়ে দিল।তানহা দেওয়ালের সাথে নিজের হাত বারি মারলো'।চোখ বন্ধ করে জোরে জোরে শ্বাস নিচ্ছে,আর আল্লার কাছে ধৈর্য চাচ্ছে।
তানহা'র ছটফটানি দেখে আজানের একটু আগে জাগা পেয়ে যায় ইফাদ।তানহা'র কি' হয়েছে।তা' বোঝার চেষ্টা করছে।মেয়েটা এমন কেনো?কি' সমস্যা হচ্ছে আমাকে ডেকে বলতে পারলো না'।তখন-ই ইফাদের মাথায় আসলো।আজান হয়ে গেছে।তানহা এখনো নামাজ পড়তে উঠলো না।ইফাদের আর বুঝতে বাকি রইলো না।আল্লাহ তায়ালা তানহা'কে সাময়িক সময়ের জন্য ছুটি দিয়েছে।ইফাদ তড়িঘড়ি করে উঠে বসলো।দ্রুত রুম থেকে বেড়িয়ে গেলো'।
পেটের ওপরে গরম কিছু অনুভব করতে-ই চোখ মেলে তাকালো তানহা।ইফাদ'কে দেখে একটু অবাক হলো'।তার থেকে বেশি অবাক হলো'।ইফাদ তার পাশে শুইয়ে ছিল।উঠে গেলো কি' করে?
--আপনি কখন উঠলেন।
--যখন বউ ডেকে তুলে না।তখন নিজেকেই উঠতে হয়।
তানহা অসহায় দৃষ্টিতে ইফাদের দিকে তাকালো।
--তোমার সমস্যা হচ্ছে,আমাকে ডেকে দিলেই তো' পারতে।এভাবে কষ্ট করছো কেনো?
--আপনি ঘুমিয়ে ছিলেন।তাই আপনাকে বিরক্ত করি নাই।আমার সহ্য করার অভ্যাস আছে।
--কেমন আছে দেখতেই পাচ্ছি।কেমন গলা কাটা মুরগীর মতো ছটফট করছো।
--গরম পানি পেটে ধরে রাখো একটু হলে-ও আরাম পাবে।আমি নামাজ পড়ে আসি।বলেই ইফাদ চলে গেলো'।ইফাদের ব্যবহার দেখে তানহা খুব খুশি হলো'।ইফাদ তানহার দিকে নজর দিয়েছে।তার খেয়াল রাখছে।তার কষ্টটা অনুভব করেছে।ভেবেই মনে প্রশান্তি বইয়ে গেলো।ইফাদ অজু করে এসে বাসায় নামাজ পড়ে নিল।
--আপনি আজকে মসজিদে গেলেন না।
--তোমার ব্যথার ঔষধ নেই।
--না।
--আমাকে বলো নাই কেনো?
--আপনি মনে হয় ছিলেন।আসছেন তো' কয়দিন হলো।
--আচ্ছা আমি সকালে কিনে এনে দিব।একটু বসো আমি আসছি।বলেই ইফাদ চলে গেলো'।তানহা কপালে হাত দিয়ে দু-চোখ বন্ধ করে নিল'।বেশ কিছুক্ষণ পরে হাতে একটা বাটি নিয়ে রুমে প্রবেশ করলো ইফাদ।বাটিটা বিছানায় রেখে তানহাকে বলল।
--তানহা উঠে বসো তো'।
--উঠতে ভালো লাগছে না।একটু পরে উঠে রান্না করবো।এত সকালে তো' আপনারা খান না।
--আমি তোমাকে রান্না করতে বলছি।আমি রেগে যাওয়া'র আগে উঠে বসো'।
ইফাদের কথা শুনে তানহা চোখ মেলে তাকালো'।ইফাদ তানহাকে তুলে আধশোয়া করে বসালো।তানহার পিঠের নিচে বালিশ রেখে দিল।তানহা বালিশে পিঠ ঠেকিয়ে বসলো।ইফাদ কি করতে চাইছে।তা' বোঝার চেষ্টা করছে।খাবারের গন্ধ পেয়ে তানহা নিজের ডান পাশে ডাকলো।ধোঁয়া ওঠা গরম নুডুলসের বাটির দিকে তাকিয়ে আছে।অবাক হয়ে বলল।
--কে রান্না করেছে?
--আমি রান্না করেছি।কথা কম বলো চুপচাপ খাও।
--আমি খাব না।আমার কিছু খেতে ইচ্ছে করছে না।
--এই সময় এমন একটু হবেই।খালি পেটে একদম থাকা যাবে না।সব সময় পেট ভরা রাখবে।তাহলে ব্যথা কম করবে।খালি পেট পেলেই ব্যথা করবে।চুপচাপ খাও কথা কম।বলেই ইফাদ তানহাকে খাইয়ে দিল।ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও খেয়ে নিল তানহা।ইফাদ তানহাকে খাইয়ে দিয়ে।আবার ঘুমোতে বলল।
--এখন ঘুমালে রান্না করবো কখন?
--এখনো অনেক সময় আছে।পরে রান্না করবে।
--সত্যি একটু ব্যথা কমেছে।
--আমি কি নিজের ভালোর জন্য খেতে বললাম।তোমার ভালোর জন্যই বলেছি।কথা না বলে,দু-চোখ বন্ধ করো।একটু ঘুমিয়ে নাও।শান্তিতে থাকতে পারবে।ইফাদ তানহা'কে শুইয়ে দিয়ে।গায়ে কম্বল টেনে দিল।তারপরে তানহার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগলো।এক পর্যায়ে তানহা ঘুমিয়ে যায়।
রোকেয়া বেগম রুম থেকে বেড়িয়ে রান্না ঘরে তানহা'র কাছে আসছিল।রান্না ঘরে এসে অবাক হয়ে গেলো।
--ইফাদ তুই এত সকালে রান্না ঘরে কি করছিস।
--আম্মু আমি একটা নতুন রেসিপি শিখেছি।সারাদিন বাসায় থাকতে পারি না।আজকে ছুটির দিন।তাই ভাবলাম আজকে তোমাদের রান্না করে খাওয়াই।
রোকেয়া বেগম সন্দেহের দৃষ্টিতে ছেলের দিকে তাকালেন।ছেলে কি সুন্দর করে মিথ্যা কথা বলছে।তিনি মুহূর্তেই বুঝে ফেললেন।ইফাদের একটা অভ্যাস আছে।ইফাদ মিথ্যা কথা বলতে পারে না।প্রয়োজনে যদি দুই একটা বলে-ও থাকে।তাহলে চোখের দিকে তাকিয়ে বলতে পারে না।মিথ্যা বলার সময় ইফাদের দৃষ্টি সব সময় নত থাকে।
--মায়ের কাছে মিথ্যা কথা বলছিস।
ইফাদ অসহায় দৃষ্টিতে মায়ের দিকে তাকালো।
--আম্মু আসলে তানহা অসুস্থ।তাই ভাবলাম আমি আজকের রান্নাটা করি।তুমি যদি তানহা'কে ভুল বুঝো।আজকালর সবাই না কিছু কিছু শাশুড়ী আছে।স্বামী যদি বউদের কোনো কাজ করে দেই।তখন শাশুড়ীরা বউদের অনেক কথা শুনায়।তুমি যদি তানহাকে ভুল বুঝো।তাই মিথ্যা কথা বলেছি।আম্মু তানহা তো' প্রতিদিন রান্না করে।তানহা-ও তো' একটা মানুষ তানহা'র-ও শরীর আছে।মানুষের মাত্রই শরীর খারাপ হতে পারে।এখন তার কাজ যদি অন্য কেউ করে দেয়,তাহলে সমস্যা কোথায়।
--আমাকে তুই এতটা খারাপ ভাবিস ইফাদ।আমাকে তোর এতটা খারাপ মা মনে হয়।তুই যখন ছিলি না।তখন তানহা অসুস্থ থাকলে আমি নিজেই রান্না করেছি।চৈতালি সাহায্য করেছে।আমি এতটা খারাপ মানুষ নই রে ইফাদ।এতিম মেয়েটার ওপরে অত্যাচার করবো।
ইফাদ নিজের মায়ের ব্যবহারে মুগ্ধ হলো।পৃথিবীতে সব মানুষ খারাপ হয় না।ভালো মানুষ আছে বলেই পৃথিবী এখানো টিকে আছে।
--আমি খুব গর্বিত জানো আম্মু।আমি তোমার মতো মা পেয়েছি।তুৃমি আর তানহা আমাকে রান্না করে খাইয়েছো।আজকে আমি তোমাদের রান্না করে খাওয়াবো।
--রান্না করতে পারবি তো'।হাত পুড়িয়ে ফেলিস না আবার।না পারলে আমাকে বল।আমি রান্না করে দিচ্ছি।
--লাগবে না তোমার বয়স হয়েছে।এখন তুমি বসে বসে খাবে।যখন দেখবে তানহা অসুস্থ তখন চৈতালি রান্না করবে।আর চৈতালি না পারলে তুমি করবে।চৈতালি বড় হয়েছে।এখন ওকে বাসার কাজ শিখতে হবে।
--বড় হতেই পারলাম না।বাড়ির বোঝা হয়ে গেলাম।বলল চৈতালি।
--দু'টো থাপ্পড় বসিয়ে দিব।বড়দের মুখে মুখে কথা বলিস।সবাই মা-ভাই ভাবি না।তুই কাজ করবি না।তোকে বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াবে।মেয়ে হয়েছিস।একদিন পরের ঘরে যেতে হবে।তোকে দু’কথা শোনালে আমাদের বুকে এসে আঘাত লাগবে।তাই তোকে এমন ভাবে তৈরি করতে চাই।যেনো লোকে তোকে দু’কথা শোনানোর রাস্তা খুঁজে না পায়।তুই পারিস শুধু কথার মানে না বুঝে ভুল বুঝতে।
--রাগ করছো কেনো ভাইয়া।আমি মজা করলাম।আমি জানি তোমরা আমার ভালো চাও।তবু্ও এমন কথা বললে,আমার মন খারাপ হয়ে যায়।আমি এখনই বিয়ে করবো না।আমি আগে চাকরি করবো।নিজের পায়ে দাঁড়াবো।তারপরে বিয়ে করবো।আমি অন্যের ওপরে নির্ভরশীল হয়ে হতে চাই না।
--তুই চাকরি করবি।আমাদের কোনো আপত্তি নেই।নিজেকে সংযত রেখে যা করার করবি।তোর যতদূর ইচ্ছে তুই পড়াশোনা করবি।তোকে কেউ বিয়ের জন্য চাপ দিতে পারবে না।আমি যতদিন আছি।তুই নিশ্চিন্তে থাকতে পারিস।
--আমি ভালো ছেলে পেলে চৈতালিকে বিয়ে দিয়ে দিব।
--দেখছো ভাইয়া আম্মু কি বলে।
--আম্মু চৈতালির মাথার মধ্যে এসব দিবে না।পড়াশোনা করছে।আপাতত পড়াশোনায় মন দিক।বিয়ের সময় আসলে,তখন দেখা যাবে।
তিনজন বসে বসে জমিয়ে আড্ডা দিল।ইফাদ রান্না শেষ করে সবাইকে খেতে দিল।নিজেও খেয়ে নিল।বাসার সামনের দোকান থেকে ব্যথার ঔষধ কিনে নিয়ে আসলো।ঘড়িতে দশটা বাজতে যায়।তানহা এখনো ঘুমাচ্ছে।ইফাদের কথা মতো কেউ তানহাকে ডাকে নাই।চৈতালি আজকে বাসায়।মায়ের সাথে হাতে হাতে কাজ করছে।বিশটা এতিম বাচ্চাকে খাওয়াবেন রোকেয়া বেগম।ইফাদ কালকেই মাদ্রাসায় বলে আসছিলো।তারা বিকেলে আসবে বলেছে।ইফাদ সকালে গিয়ে বাজার করে নিয়ে এসেছে।
তানহা ছোট ছোট করে দু-চোখ মেলে তাকালো।ঘড়ির দিকে চোখ পড়তেই ধড়ফড়িয়ে উঠে বসলো।
--আমি এত ঘুমালাম কি করে।সকালের রান্না হয়েছে কি' না।সবাই কি' খেয়েছে।তার শাশুড়ীর সকালে ঔষধ খেতে হয়।তানহা দ্রুত বিছানা ছেড়ে উঠে দাঁড়াল।তখনই ইফাদ খাবার নিয়ে রুমে প্রবেশ করলো।
--আমার ম্যাডামের ঘুম ভেঙেছে তাহলে।
--এত বেলা হয়ে গেছে।আপনি আমাকে ডাকেন নাই কেনো?সবাই কি' না খেয়ে আছেন।আম্মার সকালে ঔষধ খেতে হয়।আম্মা কি রাগ করেছে।
--আমার আম্মুকে তোমার এতটা খারাপ মনে হয়।
--এমা ছিঃ না একদম না।ওনার তো' বয়স হয়েছে।ওনার-ও তো ইচ্ছে করে এখন বসে বসে খাবে।ছেলের বউ হয়েছে।ছেলের বউ যেনো মেয়ের মতো আচরণ করে।প্রতিটা শাশুড়ী_ই এমনটা চায়।আমার জন্য উনি কষ্ট পাক তা' আমি চাই না।
--দেখো মেয়ের কথা।তুমি আমাকে মা' ভাবতে পারলে।আমি কেনো তোমাকে মেয়ে ভাবতে পারবো না।তুমি অসুস্থ জেনে-ও তোমাকে দিয়ে অমানুষের মতো কাজ করাবো।
--আম্মা সত্যি আমি অনেক ভাগ্যবান।আমি আপনার মতো শাশুড়ী পেয়েছি।
--আমি'ও অনেক ভাগ্যবান তোমার মতো মেয়ে পেয়েছি।আজকে বাসায় অনেক মানুষ আসবে।সব সময় মাথায় কাপড় দিয়ে রেখো আচ্ছা মা।খেয়ে রান্না ঘরে আসো।হাতে হাতে সাহায্য করবে।আজকের রান্না আমি করবো।তুমি অসুস্থ ভারি কাজ করাবো না।
--আচ্ছা আম্মা।রোকেয়া বেগম চলে গেলেন।তানহা ফ্রেশ হতে চলে গেলো।ফ্রেশ হয়ে এসে বিছানায় বসলো।
--তানহা খেয়ে নাও।না খেয়ে রুমের বাহিরে এক-পা রাখবে না।
--আমার খেতে ইচ্ছে করছে না।
--পিঠে মার পড়লেই খেতে ইচ্ছে করবে।
--আমি কি' ছোট বাচ্চা আমাকে মারবেন।
--তুমি কি' ছোট বাচ্চা তোমাকে খাওয়ার জন্য এত করে বলতে হবে।
--পারলে খাইয়ে দিন।না হলে খাব না।
--বললেই পারতে আমার হাতে খাবে।এত ঢং করার কি ছিল।
--বললেই পারতেন আমাকে খাইয়ে দেওয়ার জন্য বসে আসেন।এত নাটক করার কি আছে।
তানহার কথা শুনে ইফাদ হেসে দিল।তারপরে তানহাকে খাইয়ে দিয়ে,ঔষধ খাইয়ে দিল।দু'জন মিলে রান্না ঘরের দিকে গেলো।চৈতালি মায়ের কাজে সাহায্য করছে।ইফাদ আর তানহা তাদের সাথে যোগ দিল।
--চৈতালি ডালটা দেখিস মা।আমি রুম থেকে আসি।
--আম্মা আমি দেখছি।বলল তানহা।রোকেয়া বেগম রুমে চলে গেলো।
--এই ভাইয়া দাঁড়িয়ে আছো কেনো?ভদ্রলোকের মতো পেঁয়াজ ছিলো।আমাকে আবার চাল ধুইতে হবে।
--তোমাকে চাল ধুইতে হবে না।আমি ধুইয়ে দিব।
--তানহা আমি চাল ধুইয়ে দেই।বলল ইফাদ।
--আপনি ছেলে মানুষ আপনার মেয়েদের কাজ করতে হবে না।
--তুমি অসুস্থ তোমাকে-ও ভারি কাজ করতে হবে না।এই সময়ে ভারি কাজ করতে হয় না।
ইফাদের কথা শুনে চৈতালি মুচকি মুচকি হাসছে।তানহা লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করে ফেললো।ইফাদ বলল।
--আমি চাল ধুইয়ে দেই।
--ধুইয়ে দিবেন দেন।
--আজকে যদি আমার একটা বর থাকতো।তাহলে আমাকে এভাবে কাজে সাহায্য করতো।
ইফাদ রাগী দৃষ্টিতে চৈতালির দিকে তাকালো।চৈতালি লজ্জা পেয়ে জিভে কামড় দিয়ে।মাথা নিচু করে ফেললো।রোকেয়া বেগম এসে তানহাকে সরিয়ে দিল।তানহা চৈতালিকে সাহায্য করছে।ইফাদ মাকে সাহায্য করতে।সবাই মিলেমিশে কাজ করছে।রোকেয়া বেগমের মনে হচ্ছে পৃথিবীতে তার পরিবার সবচেয়ে সুখী পরিবার।আল্লাহ যেনো সারাজীবন তার পরিবারকে এমন হাসিখুশি রাখে।কোনো দুঃখ তার পরিবারকে ছুঁইতে না পারে।ভেবেই অস্থির নিঃশ্বাস ছাড়লো।আদৌ কি তার পরিবার সুখী থাকবে।নাকি কোনো কালো অধ্যায় এসে সবকিছু তছনছ করে দিয়ে যাবে।
চলবে.....,,,,,,
,,,,,,,
.........
কপি
পেস্ট
সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২৮ সোমবার
সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ২৮-১১-২০২২ খ্রি:।
আজকের শিরোনাম :
* চলমান প্রকল্পগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাছাই করে দ্রুত সম্পন্ন করতে সচিবদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ।
* এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ আজ।
* ঢাকা মহানগরীতে বিএনপি’র ১০-ই ডিসেম্বরের সমাবেশে বাধা দেবে না সরকার - বললেন আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক।
* ব্যস্ত সড়ক বন্ধ করে বিএনপি জনজীবনে বিঘ্ন সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার - তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর হুঁশিয়ারি।
* সিলেটের বিয়ানীবাজারের পরিত্যক্ত কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু হচ্ছে আজ।
* চীনে কঠোর কোভিড নীতির বিরুদ্ধে বড় বড় শহরে বিক্ষোভ।
* এবং বিশ্বকাপ ফুটবলে স্পেনের সাথে ড্র করে লড়াইয়ে টিকে রইল জার্মানী- ক্রোয়েশিয়ার কাছে ৪-১ গোলে হেরে কানাডার বিদায় ।
৮৮ সূরা আল গাশিয়াহ্,,,, বিহ্বলকর ঘটনা,,,,,
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ১
هَلْ أَتَىٰكَ حَدِيثُ ٱلْغَٰشِيَةِ
উচ্চারণঃ হাল আতা-কা হাদীছুল গা-শিয়াহ।
অর্থঃ আপনার কাছে আচ্ছন্নকারী কেয়ামতের বৃত্তান্ত পৌঁছেছে কি?
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ২
وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ خَٰشِعَةٌ
উচ্চারণঃ উজূহুইঁ ইয়াওমাইযিন খা-শি‘আহ।
অর্থঃ অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে লাঞ্ছিত,
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ৩
عَامِلَةٌ نَّاصِبَةٌ
উচ্চারণঃ ‘আ-মিলাতুন না-সিবাহ।
অর্থঃ ক্লিষ্ট, ক্লান্ত।
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ৪
تَصْلَىٰ نَارًا حَامِيَةً
উচ্চারণঃ তাসলা-না-রান হা-মিয়াহ।
অর্থঃ তারা জ্বলন্ত আগুনে পতিত হবে।
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ৫
تُسْقَىٰ مِنْ عَيْنٍ ءَانِيَةٍ
উচ্চারণঃ তুছকা-মিন ‘আইনিন আ-নিয়াহ।
অর্থঃ তাদেরকে ফুটন্ত নহর থেকে পান করানো হবে।
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ৬
لَّيْسَ لَهُمْ طَعَامٌ إِلَّا مِن ضَرِيعٍ
উচ্চারণঃ লাইছা লাহুম তা‘আ-মুন ইল্লা-মিন দারী‘ই।
অর্থঃ কন্টকপূর্ণ ঝাড় ব্যতীত তাদের জন্যে কোন খাদ্য নেই।
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ৭
لَّا يُسْمِنُ وَلَا يُغْنِى مِن جُوعٍ
উচ্চারণঃ লা-ইউছমিনুওয়ালা-ইউগনী মিন জু‘ই।
অর্থঃ এটা তাদেরকে পুষ্ট করবে না এবং ক্ষুধায়ও উপকার করবে না।
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ৮
وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَّاعِمَةٌ
উচ্চারণঃ উজূহুইঁ ইয়াওমাইযিন না-‘ইমাহ।
অর্থঃ অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে, সজীব,
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ৯
لِّسَعْيِهَا رَاضِيَةٌ
উচ্চারণঃ লিছা‘ইহা-রা-দিয়াহ।
অর্থঃ তাদের কর্মের কারণে সন্তুষ্ট।
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ১০
فِى جَنَّةٍ عَالِيَةٍ
উচ্চারণঃ ফী জান্নাতিন ‘আ-লিয়াহ।
অর্থঃ তারা থাকবে, সুউচ্চ জান্নাতে।
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ১১
لَّا تَسْمَعُ فِيهَا لَٰغِيَةً
উচ্চারণঃ লা-তাছমা‘উ ফীহা-লা-গিয়াহ।
অর্থঃ তথায় শুনবে না কোন অসার কথাবার্তা।
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ১২
فِيهَا عَيْنٌ جَارِيَةٌ
উচ্চারণঃ ফীহা-‘আইনুন জা-রিয়াহ।
অর্থঃ তথায় থাকবে প্রবাহিত ঝরণা।
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ১৩
فِيهَا سُرُرٌ مَّرْفُوعَةٌ
উচ্চারণঃ ফীহা-ছুরুরুমমারফূ‘আহ।
অর্থঃ তথায় থাকবে উন্নত সুসজ্জিত আসন।
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ১৪
وَأَكْوَابٌ مَّوْضُوعَةٌ
উচ্চারণঃ ওয়া আকওয়া-বুম মাওদূ‘আহ।
অর্থঃ এবং সংরক্ষিত পানপাত্র
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ১৫
وَنَمَارِقُ مَصْفُوفَةٌ
উচ্চারণঃ ওয়া নামা-রিকুমাসফূফাহ।
অর্থঃ এবং সারি সারি গালিচা
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ১৬
وَزَرَابِىُّ مَبْثُوثَةٌ
উচ্চারণঃ ওয়া ঝারা-বিইয়ুমাবছূছাহ।
অর্থঃ এবং বিস্তৃত বিছানো কার্পেট।
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ১৭
أَفَلَا يَنظُرُونَ إِلَى ٱلْإِبِلِ كَيْفَ خُلِقَتْ
উচ্চারণঃ আফালা-ইয়ানজু রুনা ইলাল ইবিলি কাইফা খুলিকাত।
অর্থঃ তারা কি উষ্ট্রের প্রতি লক্ষ্য করে না যে, তা কিভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে?
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ১৮
وَإِلَى ٱلسَّمَآءِ كَيْفَ رُفِعَتْ
উচ্চারণঃ ওয়া ইলাছ ছামাই কাইফা রুফি‘আত।
অর্থঃ এবং আকাশের প্রতি লক্ষ্য করে না যে, তা কিভাবে উচ্চ করা হয়েছে?
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ১৯
وَإِلَى ٱلْجِبَالِ كَيْفَ نُصِبَتْ
উচ্চারণঃ ওয়া ইলাল জিবা-লি কাইফা নুসিবাত।
অর্থঃ এবং পাহাড়ের দিকে যে, তা কিভাবে স্থাপন করা হয়েছে?
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ২০
وَإِلَى ٱلْأَرْضِ كَيْفَ سُطِحَتْ
উচ্চারণঃ ওয়া ইলাল আরদি কাইফা ছুতিহাত।
অর্থঃ এবং পৃথিবীর দিকে যে, তা কিভাবে সমতল বিছানো হয়েছে?
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ২১
فَذَكِّرْ إِنَّمَآ أَنتَ مُذَكِّرٌ
উচ্চারণঃ ফাযাক্কির ইন্নামাআনতা মুযাক্কির।
অর্থঃ অতএব, আপনি উপদেশ দিন, আপনি তো কেবল একজন উপদেশদাতা,
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ২২
لَّسْتَ عَلَيْهِم بِمُصَيْطِرٍ
উচ্চারণঃ লাছাতা ‘আলইহিম বিমুসাইতির।
অর্থঃ আপনি তাদের শাসক নন,
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ২৩
إِلَّا مَن تَوَلَّىٰ وَكَفَرَ
উচ্চারণঃ ইল্লা-মান তাওয়াল্লা-ওয়া কাফার।
অর্থঃ কিন্তু যে মুখ ফিরিয়ে নেয় ও কাফের হয়ে যায়,
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ২৪
فَيُعَذِّبُهُ ٱللَّهُ ٱلْعَذَابَ ٱلْأَكْبَرَ
উচ্চারণঃ ফাইউ‘আযযিবুহুল্লা-হুল ‘আযা-বাল আকবার।
অর্থঃ আল্লাহ তাকে মহা আযাব দেবেন।
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ২৫
إِنَّ إِلَيْنَآ إِيَابَهُمْ
উচ্চারণঃ ইন্না ইলাইনাইয়া-বাহুম।
অর্থঃ নিশ্চয় তাদের প্রত্যাবর্তন আমারই নিকট,
সূরা আল গাশিয়াহ্ (الغاشية), আয়াত: ২৬
ثُمَّ إِنَّ عَلَيْنَا حِسَابَهُم
উচ্চারণঃ ছু ম্মা ইন্না ‘আলাইনা-হিছা-বাহুম।
অর্থঃ অতঃপর তাদের হিসাব-নিকাশ আমারই দায়িত্ব।
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
৮৯ সূরা আল ফাজ্র,,,, ভোরবেলা
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ১
وَٱلْفَجْرِ
উচ্চারণঃ ওয়াল ফাজর।
অর্থঃ শপথ ফজরের,
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ২
وَلَيَالٍ عَشْرٍ
উচ্চারণঃ ওয়া লায়া-লিন ‘আশর
অর্থঃ শপথ দশ রাত্রির, শপথ তার,
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ৩
وَٱلشَّفْعِ وَٱلْوَتْرِ
উচ্চারণঃ ওয়াশশাফা‘ই ওয়াল ওয়াতর ।
অর্থঃ যা জোড় ও যা বিজোড়
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ৪
وَٱلَّيْلِ إِذَا يَسْرِ
উচ্চারণঃ ওয়াল্লাইলি ইযা-ইয়াছর।
অর্থঃ এবং শপথ রাত্রির যখন তা গত হতে থাকে
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ৫
هَلْ فِى ذَٰلِكَ قَسَمٌ لِّذِى حِجْرٍ
উচ্চারণঃ হাল ফী যা-লিকা কাছামুল লিযী হিজর।
অর্থঃ এর মধ্যে আছে শপথ জ্ঞানী ব্যক্তির জন্যে।
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ৬
أَلَمْ تَرَ كَيْفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِعَادٍ
উচ্চারণঃ আলাম তারা কাইফা ফা‘আলা রাব্বুকা বি‘আ-দ।
অর্থঃ আপনি কি লক্ষ্য করেননি, আপনার পালনকর্তা আদ বংশের ইরাম গোত্রের সাথে কি আচরণ করেছিলেন,
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ৭
إِرَمَ ذَاتِ ٱلْعِمَادِ
উচ্চারণঃ ইরামা যা-তিল ‘ইমা-দ
অর্থঃ যাদের দৈহিক গঠন স্তম্ভ ও খুঁটির ন্যায় দীর্ঘ ছিল এবং
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ৮
ٱلَّتِى لَمْ يُخْلَقْ مِثْلُهَا فِى ٱلْبِلَٰدِ
উচ্চারণঃ আল্লাতী লাম ইউখলাকমিছলুহা-ফিল বিলা-দ।
অর্থঃ যাদের সমান শক্তি ও বলবীর্যে সারা বিশ্বের শহরসমূহে কোন লোক সৃজিত হয়নি
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ৯
وَثَمُودَ ٱلَّذِينَ جَابُوا۟ ٱلصَّخْرَ بِٱلْوَادِ
উচ্চারণঃ ওয়া ছামূদাল্লাযীনা জা-বুসসাখরা বিল ওয়া-দ।
অর্থঃ এবং সামুদ গোত্রের সাথে, যারা উপত্যকায় পাথর কেটে গৃহ নির্মাণ করেছিল।
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ১০
وَفِرْعَوْنَ ذِى ٱلْأَوْتَادِ
উচ্চারণঃ ওয়া ফির‘আউনা যীল আওতা-দ।
অর্থঃ এবং বহু কীলকের অধিপতি ফেরাউনের সাথে
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ১১
ٱلَّذِينَ طَغَوْا۟ فِى ٱلْبِلَٰدِ
উচ্চারণঃ আল্লাযীনা তাগাও ফিল বিলা-দ।
অর্থঃ যারা দেশে সীমালঙ্ঘন করেছিল।
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ১২
فَأَكْثَرُوا۟ فِيهَا ٱلْفَسَادَ
উচ্চারণঃ ফাআকছারূ ফীহাল ফাছা-দ।
অর্থঃ অতঃপর সেখানে বিস্তর অশান্তি সৃষ্টি করেছিল।
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ১৩
فَصَبَّ عَلَيْهِمْ رَبُّكَ سَوْطَ عَذَابٍ
উচ্চারণঃ ফাসাব্বা ‘আলাইহিম রাব্বুকা ছাওতা ‘আযা-ব।
অর্থঃ অতঃপর আপনার পালনকর্তা তাদেরকে শাস্তির কশাঘাত করলেন।
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ১৪
إِنَّ رَبَّكَ لَبِٱلْمِرْصَادِ
উচ্চারণঃ ইন্না রাব্বাকা লাবিলমিরসা-দ।
অর্থঃ নিশ্চয় আপনার পালকর্তা সতর্ক দৃষ্টি রাখেন।
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ১৫
فَأَمَّا ٱلْإِنسَٰنُ إِذَا مَا ٱبْتَلَىٰهُ رَبُّهُۥ فَأَكْرَمَهُۥ وَنَعَّمَهُۥ فَيَقُولُ رَبِّىٓ أَكْرَمَنِ
উচ্চারণঃ ফাআম্মাল ইনছা-নুইযা-মাবতালা-হু রাব্বুহু ফাআকরামাহূওয়া না‘‘আমাহূ ফাইয়াকূলু রাববীআকরামান।
অর্থঃ মানুষ এরূপ যে, যখন তার পালনকর্তা তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর সম্মান ও অনুগ্রহ দান করেন, তখন বলে, আমার পালনকর্তা আমাকে সম্মান দান করেছেন।
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ১৬
وَأَمَّآ إِذَا مَا ٱبْتَلَىٰهُ فَقَدَرَ عَلَيْهِ رِزْقَهُۥ فَيَقُولُ رَبِّىٓ أَهَٰنَنِ
উচ্চারণঃ ওয়া আম্মাইযা-মাবতালা-হু ফাকাদারা ‘আলাইহি রিঝকাহূ ফাইয়াকূলুরাববী আহা-নান।
অর্থঃ এবং যখন তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর রিযিক সংকুচিত করে দেন, তখন বলেঃ আমার পালনকর্তা আমাকে হেয় করেছেন।
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ১৭
كَلَّا بَل لَّا تُكْرِمُونَ ٱلْيَتِيمَ
উচ্চারণঃ কাল্লা-বাল্লা-তুকরিমূনাল ইয়াতীম।
অর্থঃ এটা অমূলক, বরং তোমরা এতীমকে সম্মান কর না।
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ১৮
وَلَا تَحَٰٓضُّونَ عَلَىٰ طَعَامِ ٱلْمِسْكِينِ
উচ্চারণঃ ওয়া লা-তাহাদ্দূ না ‘আলা-তা‘আ-মিল মিছকীন।
অর্থঃ এবং মিসকীনকে অন্নদানে পরস্পরকে উৎসাহিত কর না।
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ১৯
وَتَأْكُلُونَ ٱلتُّرَاثَ أَكْلًا لَّمًّا
উচ্চারণঃ ওয়া তা’কুলূনাত তুরা-ছা আকলাল্লাম্মা-।
অর্থঃ এবং তোমরা মৃতের ত্যাজ্য সম্পত্তি সম্পূর্ণরূপে কুক্ষিগত করে ফেল
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ২০
وَتُحِبُّونَ ٱلْمَالَ حُبًّا جَمًّا
উচ্চারণঃ ওয়া তুহিব্বুনাল মা-লা হুব্বান জাম্মা-।
অর্থঃ এবং তোমরা ধন-সম্পদকে প্রাণভরে ভালবাস।
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ২১
كَلَّآ إِذَا دُكَّتِ ٱلْأَرْضُ دَكًّا دَكًّا
উচ্চারণঃ কাল্লাইযা-দুক্কাতিল আরদুদাক্কান দাক্কা-।
অর্থঃ এটা অনুচিত। যখন পৃথিবী চুর্ণ-বিচুর্ণ হবে
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ২২
وَجَآءَ رَبُّكَ وَٱلْمَلَكُ صَفًّا صَفًّا
উচ্চারণঃ ওয়া জাআ রাব্বুকা ওয়াল মালাকুসাফফান সাফফা-।
অর্থঃ এবং আপনার পালনকর্তা ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে উপস্থিত হবেন,
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ২৩
وَجِا۟ىٓءَ يَوْمَئِذٍۭ بِجَهَنَّمَ يَوْمَئِذٍ يَتَذَكَّرُ ٱلْإِنسَٰنُ وَأَنَّىٰ لَهُ ٱلذِّكْرَىٰ
উচ্চারণঃ ওয়া জীআ ইয়াওমাইযিম বিজাহান্নামা ইয়াওমাইযিইঁ ইয়াতাযাক্কারুল ইনছা-নুওয়া আন্না-লাহুযযিকরা-।
অর্থঃ এবং সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে, সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে?
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ২৪
يَقُولُ يَٰلَيْتَنِى قَدَّمْتُ لِحَيَاتِى
উচ্চারণঃ ইয়াকূ লুইয়া-লাইতানী কাদ্দামতুলিহায়া-তী।
অর্থঃ সে বলবেঃ হায়, এ জীবনের জন্যে আমি যদি কিছু অগ্রে প্রেরণ করতাম!
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ২৫
فَيَوْمَئِذٍ لَّا يُعَذِّبُ عَذَابَهُۥٓ أَحَدٌ
উচ্চারণঃ ফাইয়াওমাইযিল লা-ইউ‘আযযি বু‘আযা-বাহূআহাদ।
অর্থঃ সেদিন তার শাস্তির মত শাস্তি কেউ দিবে না।
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ২৬
وَلَا يُوثِقُ وَثَاقَهُۥٓ أَحَدٌ
উচ্চারণঃ ওয়ালা-ইঊছিকুওয়াছা-কাহূআহাদ।
অর্থঃ এবং তার বন্ধনের মত বন্ধন কেউ দিবে না।
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ২৭
يَٰٓأَيَّتُهَا ٱلنَّفْسُ ٱلْمُطْمَئِنَّةُ
উচ্চারণঃ ইয়াআইয়াতুহান্নাফছুল মুতমাইন্নাহ
অর্থঃ হে প্রশান্ত মন,
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ২৮
ٱرْجِعِىٓ إِلَىٰ رَبِّكِ رَاضِيَةً مَّرْضِيَّةً
উচ্চারণঃ ইরজি‘ঈইলা-রাব্বিকি রা-দিয়াতাম মারদিইয়াহ।
অর্থঃ তুমি তোমার পালনকর্তার নিকট ফিরে যাও সন্তুষ্ট ও সন্তোষভাজন হয়ে।
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ২৯
فَٱدْخُلِى فِى عِبَٰدِى
উচ্চারণঃ ফাদখুলী ফী ‘ইবা-দী।
অর্থঃ অতঃপর আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও।
সূরা আল ফাজ্র (الفجر), আয়াত: ৩০
وَٱدْخُلِى جَنَّتِى
উচ্চারণঃ ওয়াদখুলী জান্নাতী।
অর্থঃ এবং আমার জান্নাতে প্রবেশ কর।
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
আকবরের বিশ্বাসঘাতকতা ও কাশ্মীরের পরাধীনতা,,,,,,ইন্ত বাংল ফেইসবুক থেকে নেওয়া
‘আকবরের বিশ্বাসঘাতকতা ও কাশ্মীরের পরাধীনতা’
সেটা ছিল ১৫৮৫ সালের ডিসেম্বর মাস। সেই সময়ে তুষারাবৃত কাশ্মীরের সীমানায় দাঁড়িয়ে ছিল বিরাট এক সৈন্যবাহিনী। ওই বাহিনীর সার সার অশ্বারোহী, পদাতিক সৈন্যরা তাঁদের তিন সেনাপতির আদেশের অপেক্ষা করছিলেন। বাহিনীর শিবিরের সামনে যে পতাকা উড়ছিল, তাতে ছিল তৎকালীন মোঘল সম্রাট ‘জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর’-এর প্রতীক। খোদ মোঘল সম্রাটের আদেশ ছিল যে, সেবার মোঘল বাহিনীকে কাশ্মীর জয় করতেই হবে, এবং সেখানকার স্বাধীন শাসক ‘ইউসুফ শাহ চাক’কে যেভাবে হোক বন্দী করতে হবে। ইউসুফ শাহ চাক আবার যে সে শাসক ছিলেন না। তিনি ছিলেন কাশ্মীরের বিখ্যাত ‘চাক’ রাজবংশের শাসক, যে চাক বংশ বিগত ত্রিশ বছর ধরে কাশ্মীর শাসন করেছিল।
তাঁদের আগে ‘সুলতান জয়নুল আবেদিন’ ও ‘শাহমিরি’ রাজবংশ কাশ্মীরের শাসক ছিলেন। জয়নুল আবেদিন ধর্মে মুসলিম হয়েও কাশ্মীরের হিন্দুদের ওপর থেকে ‘জিজিয়া কর’ লোপ করেছিলেন, তিনি হিন্দুজের পুজোআচ্চা ও উৎসবেও যোগ দিতেন। ঝিলাম নদীর ওপর প্রথম কাঠের সেতুটি তাঁর আমলেই তৈরী করা হয়েছিল। কাশ্মীরে কারিগর এনে কার্পেট তৈরি, কাগজের মণ্ডের শিল্প, রেশমশিল্প তাঁরই ঐতিহাসিক অবদান। এর অনেক আগে, শাহেনশাহ আকবরের ঠাকুরদা ‘বাবর’ যখন মধ্য এশিয়া থেকে যখন ভারতে এসেছিলেন, তখন তিনি ও তাঁর সঙ্গীরাও কাশ্মীরের শিল্পীদের দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন। এই প্রসঙ্গে বাবরের ভাই ‘মির্জা হায়দার দৌলগত’ তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছিলেন, “সমরখন্দ, বোখারার কিছু জায়গায় চমৎকার কারিগর দেখা যায়। কিন্তু কাশ্মীরে তাঁরা ঘরে ঘরে রয়েছে।” তবে বাবর বা ‘হুমায়ুন’ - কেউই কাশ্মীর অধিকার করতে চাননি। কিন্তু ‘পীরপঞ্জাল’ পর্বতের নীচে অবস্থিত সেই রাজ্যকে আকবর যেভাবে হোক নিজের হস্তগত করতে চেয়েছিলেন। আকবর কাশ্মীরের শিল্পের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ওই স্বাধীন রাজ্যকে নিজের অধিকারে নিতে চাননি। তাঁর কাশ্মীর জয়ের জেদের পিছনে থাকা আসল কারণ অন্যত্র ছিল। আসলে সুলতান ইউসুফ শাহ চাক খোদ মোঘল সম্রাটকে অপমান করেছিলেন। আকবর চেয়েছিলেন যে, কাবুল থেকে দক্ষিণে সমুদ্র অবধি শুধুমাত্র মোঘল জয়পতাকা উড়বে, কাশ্মীরও সেই পতাকার আওতা থেকে বাদ যাবে না। সেই কারণে তিনি দু’-দু’বার ইউসুফকে নিজের দরবারে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু ইউসুফ এমনই বদতমিজ ছিলেন যে তিনি খোদ সম্রাটের তলব পেয়েও তাঁর সামনে হাজির হননি! তাঁর বেয়াদবির উচিত শিক্ষা দিতেই ১৫৮৫ সালের শেষদিকে কাশ্মীরের দোরগোড়ায় মুঘল সৈন্য উপস্থিত হয়েছিল।
তবে ইউসুফ শাহ চাক, কাশ্মীরের প্রকৃত শেষ স্বাধীন শাসক, সেবার বীরের মতো মুঘল সেনাকে প্রতিহত করতে পেরেছিলেন। ডিসেম্বরের কাশ্মীরে হাড়-কাঁপানো ঠান্ডা আর বরফের জন্য মোঘল সেনারা সেবার খুব একটা সুবিধে করতে পারেনি। তবে ইউসুফ শাহ চাক সেবারের মতো কাশ্মীরকে বাঁচাতে পারলেও, তৎকালীন মোঘল সেনাপতি ‘মানসিংহ’ তাঁকে একটি হুমকি-চিঠিতে জানিয়েছিলেন যে, হয় তাঁকে দিল্লীতে গিয়ে সম্রাটের সামনে আত্মসমর্পণ করতেই হবে, নয়তো পরের বার কাশ্মীরকে আর কোন ছাড় দেওয়া হবে না। সত্যিই আর ছাড় মেলেনি। স্বাধীন রাজ্য কাশ্মীর পরাধীন হয়েছিল, দিল্লীর সম্রাটের সামনে কাশ্মীরকে নতিস্বীকার করতে হয়েছিল। কিন্তু মুঘলদের জন্য সেই ইতিহাস যত না গর্বের, তার থেকেও বেশি প্রতারণার ও বিশ্বাসঘাতকতার।
ইউসুফ শাহ চাক অতি উদার ও সংস্কৃতিমনা ছিলেন। কিন্তু একই সাথে তিনি দুর্বল ও সিদ্ধান্ত নিতে-না-পারা এক শাসকও ছিলেন। একদিন তিনি ঘোড়ায় চড়ে বেরিয়ে দেখেছিলেন যে, আখরোটের বাগানে একজন সুন্দরী নারী আপনমনে গান গাইছেন। সেই সুন্দরী ছিলেন এক চাষিঘরের বউ, কিন্তু একই সাথে তিনি কবিও ছিলেন। এরপরে প্রেমের কী আর বাকি থাকে? যথাসময়ে তিনি সুলতানের বেগম হয়েছিলেন। সেই নারী হলেন কাশ্মীরের অন্যতম মহিলা কবি - ‘হাব্বা খাতুন’। সুন্দরী বউ পেয়ে ও শিল্পসাধনায় মগ্ন থাকবার ফলে ইউসুফ ভুলেই গিয়েছিলেন যে তাঁর কিছু প্রশাসনিক কর্তব্যও রয়েছে। ফলে তিনি প্রশাসনের কাজে ঢিলেমি দিতে শুরু করেছিলেন। এর ফলে প্রজারা তাঁর উপরে নাখোশ হয়েছিলেন। সুযোগ বুঝে শত্রু রাজারা কাশ্মীর আক্রমণ করতে শুরু করেছিলেন। শেষমেশ ইউসুফ শাহ চাক তাঁর ভাই ‘লোহার চাক’-এর হাতে কাশ্মীরের সিংহাসন ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। লোহার চাক টেনেটুনে তেরো মাস কাশ্মীরের মসনদে ছিলেন।
তারপরেই ইউসুফ তাঁর হৃত রাজ্য ফিরে পাওয়ার জন্য ফের ময়দানে নেমেছিলেন। নিজের কার্যসিদ্ধির জন্য তিনি ‘লাহৌরের’ তৎকালীন শাসক ও আকবরের প্রধান সেনাপতি মানসিংহের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। মানসিংহ তাঁকে আগ্রায় খোদ সম্রাট আকবরের সঙ্গে দেখা করে তাঁর সাহায্য প্রার্থনা করবার উপদেশ দিয়েছিলেন। এরপরে ইউসুফ সেটাই করেছিলেন, তিনি ‘ফতেপুর সিক্রি’তে আকবরের দরবারে গিয়ে হাজির হয়েছিলেন। আকবরও তখন কাশ্মীরকে হস্তগত করবার একটা সুযোগ খুঁজছিলেন, তাই তিনি তৎক্ষণাৎ রাজা মানসিংহকে প্রচুর সৈন্যসামন্ত নিয়ে ইউসুফের সঙ্গে কাশ্মীর অভিযান করবার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু আগ্রা থেকে কাশ্মীর ফেরত যাওয়ার পথেই ইউসুফ চাক বুঝতে পেরেছিলেন যে তিনি মস্ত ভুল করে ফেলেছেন। তিনি বুঝেছিলেন যে আকবর সেই সুযোগে নিজেই কাশ্মীরের দখল নেবেন। তাই তখন তিনি বুদ্ধি করে মানসিংহকে বলেছিলেন, আমার সেনার সঙ্গে এখনই আপনার কাশ্মীর ঢোকার দরকার নেই, আমি বরং একাই দেশের মানুষের কাছে পৌঁছতে পারা যায় কি না দেখি!
তিনি পেরেছিলেন। মোঘল সাহায্য ছাড়াই লোহার চাক-এর মন্ত্রী ‘আবদাল ভাট’কে ইউসুফ চাকের বাহিনী যুদ্ধে পরাজিত করেছিল। ইউসুফ ফের কাশ্মীরে তখতে আসীন হয়েছিলেন। কিন্তু মোঘল সম্রাটের সামনে ইউসুফ কথা দিয়েছিলেন যে, তাঁর সাহায্যের কৃতজ্ঞতা স্বরূপ তিনি মানসিংহকে কাশ্মীরে আমন্ত্রণ জানাবেন। ইউসুফ কাশ্মীরের তখতে বসলেও মানসিংহকে আর কাশ্মীরে আমন্ত্রণ জানান নি। এতে মানসিংহ বুঝে গিয়েছিলেন যে, ইউসুফ শাহ চাক মোঘল সম্রাটের বশ্যতা স্বীকার করতে চান না। ওদিকে সম্রাট আকবর চেয়েছিলেন যে একটাই ভারত, একটাই মোঘল সাম্রাজ্য থাকবে। সেখানে অন্য শাসকেরা থাকবেন বটে, কিন্তু তাঁরা কেবলমাত্র মোঘল শাসনের প্রতিনিধি হিসেবেই নিজেদের দায়িত্ব সামাল দেবেন। তাই ইউসুফের স্বাধীনচেতা মনোভাবকে তিনি ভাল চোখে দেখেন নি। তবুও তৎক্ষণাৎ কোন বাবদ না বাঁধিয়ে তিনি কাশ্মীররাজকে সন্ধিপ্রস্তাব দিয়ে নিজের দরবারে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। ইউসুফ তাঁর সেই তলব প্রায় প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। প্রায় কেন? কারণ, তিনি নিজে না গিয়ে তাঁর ছোট ছেলে ‘ইয়াকুব চাক’কে আকবরের কাছে পাঠিয়েছিলেন। তাতে মোঘল সম্রাট তাঁর উপরে আরো খেপে উঠেছিলেন। ১৫৮৫ সালের আগস্ট মাসে তিনি কাবুলে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে অক্টোবর মাসে পাঞ্জাবে ফিরে তিনি তাঁর দু’জন প্রতিনিধিকে ইউসুফের কাছে পাঠিয়ে জানিয়েছিলেন যে, তিনি যেন পত্রপাঠ তাঁর কাছে হাজিরা দেন। সেবার ইউসুফের মন্ত্রী-সেনাপতিরাই তাঁকে আকবরের আমন্ত্রণে সারা দিতে নিষেধ করেছিলেন। ফলে ইউসুফ মোঘল সম্রাটের সামনে উপস্থিত হননি।
তারপরেই ডিসেম্বর মাসে আকবরের বিশাল সৈন্যবাহিনী কাশ্মীরের দরজায় উপস্থিত হয়েছিল। বিরাট সেই মোঘল সৈন্যবাহিনীর দায়িত্বে তিন সেনাপতি ছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন ইতিহাস বিখ্যাত ‘বীরবল’। আকবরের ‘নবরত্ন সভা’র কবি, পরামর্শদাতা ও গায়ক বীরবল। আকবরের আশা করেছিলেন যে, আট হাজার সেনা পাঠিয়ে ইউসুফের মন গলানো সম্ভব না হলেও, বীরবল নিশ্চয়ই সেকাজ করতে পারবেন। কিন্তু সম্রাটের প্রিয় সভাসদও সেবারে কিছু করতে পারেননি।
শেষেমেষে অনেক কাঠখড় পোড়ানোর পরে, আকবরের আরেক সেনাপতি, ‘রাজা ভগবানদাস’ ইউসুফ চাককে তাঁর সামনে উপস্থিত করতে পেরেছিলেন। কিন্তু মোঘল দরবারে আসার আগে ভগবানদাস আর ইউসুফ চাক-এর মধ্যে যে চুক্তি হয়েছিল, আকবর সেসব মানেন নি। কোথায় তিনি মোঘল সম্রাট, কোথায় কাশ্মীরের শাসক ইউসুফ! তাই তিনি নিয়ম ভেঙে ইউসুফকে বন্দী করেছিলেন। মোঘল সম্রাটের এহেন বিশ্বাসঘাতকতায় বিরক্ত ও বিষণ্ণ ভগবানদাস আত্মহত্যা করেছিলেন। ইউসুফ শাহ চাকও আর কোনদিন নিজের প্রিয় রাজ্যে ফিরে যেতে পারেননি। আকবর তাঁকে ‘টোডরমলের’ অধীনে বন্দী রেখেছিলেন। প্রথমে তিনি গৃহবন্দী দশায় বঙ্গদেশে ছিলেন, পরে তাঁকে মনসবদার করে বিহারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেখানেই তাঁর মৃত্যু ঘটেছিল। আজও ‘নালন্দা’ জেলার ‘বিসওয়াক’-এ তাঁর সমাধি রয়েছে।
ওদিকে আকবরের হাতে ইউসুফের বন্দিদশার খবর পেয়ে কাশ্মীরের মানুষ তাঁর ছেলে ‘ইয়াকুব শাহ চাক’কে কাশ্মীরের সিংহাসনে বসিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি। ইয়াকুব দক্ষ শাসক ছিলেন না, এর ফলে রাজ্যে অরাজকতা দেখা দিয়েছিল। সেই সুযোগেই মোঘলরা আবার কাশ্মীরে ঢুকে পড়েছিল। তবে এমনও শোনা যায় যে, কাশ্মীরে যখন ওই অরাজকতা চলছিল, তখন সেখানকার দু’জন সুন্নি ধর্মগুরু নাকি আকবরের ‘সাহায্য’ প্রার্থনা করে তাঁকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। যাই হোক, এরপরে আকবরের আদেশে ১৫৮৬ সালের ২৮শে জুন তারিখে ‘কাশিম খান’ ৪০ হাজার অশ্বারোহী আর ২০ হাজার পদাতিক সৈন্য নিয়ে কাশ্মীর আক্রমণের জন্য যাত্রা শুরু করেছিলেন। তারপরে মোঘল বাহিনী প্রথমে ‘রাজৌরি’, পরে ‘শ্রীনগর’ অধিকার করে নিয়েছিল। সেই সঙ্গেই কাশ্মীর নিজের স্বাধীনতা হারিয়েছিল। একই সাথে ভবিষ্যতের অগুনতি বিদেশি আক্রমণের জন্য কাশ্মীরের দরজা খুলে গিয়েছিল। ইউসুফের ছেলের দশাও পরে তাঁর পিতার মতোই হয়েছিল। পরে বিহারে পিতা পুত্রের দেখা হয়েছিল, তাঁদের দু’জনেই তখন বন্দি। কোথায় ভূস্বর্গ কাশ্মীর আর কোথায় গনগনে গরমের বিহার! ওদিকে প্রাক্তন রাজরানি হাব্বা খাতুন কাশ্মীরেই থেকে গিয়েছিলেন। তিনি ইউসুফ চাক-এর বিরহে গান লিখে একাকী নিজের মনে গাইতেন; তাঁর শেষ পরিণতি কি হয়েছিল, সে খবর ইতিহাস রাখেনি।
ঐতিহাসিকেরা মনে করেন যে, নিজেদের সাম্রাজ্যের সীমানা আরও বাড়াতেই মুঘলরা কাশ্মীর দখল করেছিলেন। সমতলের ঝাঁ-ঝাঁ গরম থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য তাঁরা কাশ্মীরে গিয়ে শরীর জুড়োতেন। পরবর্তীকালে আফগান আর শিখরাও কাশ্মীরের দখল নিয়েছিলেন। ‘ডোগরা’র শাসক ‘গুলাব সিং’ তো ৮৫ লক্ষ ‘নানকশাহি’ শিখদের বসবাসের জন্য কাশ্মীরকে আক্ষরিক অর্থে কিনেই নিয়েছিলেন। তিনি কাশ্মীরের সীমানা প্রসারিত করেছিলেন এবং সেখানে নিজের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। তারপরে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত এভাবেই চলেছিল। গুলাব সিংয়ের উত্তরসূরিরা কাশ্মীরি মুসলিম প্রজাদের উপরে কম অত্যাচার করেন নি। কাশ্মীরি মুসলিমরা তো সেই ১৫৮৬ সালেই নিজেদের স্বাধীনতা হারিয়েছিলেন।
তাই ১৯৩১ সালে যখন তাঁরা ডোগরা রাজাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন, তখন সেটা তাঁদের আরেক স্বাধীনতার লড়াই হয়ে উঠেছিল। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে সেই লড়াইয়ের প্রত্যক্ষ কোন যোগ ছিল না। কিন্তু রাজনীতির খেলায় যেমনটা হয়ে থাকে - কাশ্মীর যথারীতি ভারত-পাকিস্তান দেশভাগের মধ্যে জড়িয়ে গিয়েছিল। আজও কাশ্মীরকে নিয়ে ভারত, পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে দড়ি টানাটানি অব্যাহত রয়েছে।
আকবরের সঙ্গে ইউসুফের লড়াইয়ের কাহিনীতেও কিন্তু চমকের কোন অভাব নেই। অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন যে, ইউসুফের নিজেরও দোষ ছিল, নিজের পতনের পথ তিনি নিজেই তৈরি করেছিলেন। কিন্তু আসল কথা হল যে, যুদ্ধে আকবরের বাহিনী ইউসুফ শাহ চাকের সৈন্যদের হাতে দুরমুশ হয়েছিল, আর যদি ইউসুফ আকবরের ফন্দিতে বন্দী না হতেন, তাহলে আকবরের কাশ্মীর বিজয়ও কখনো সম্ভব হত না। আকবর সেদিন প্রতারণা না করলে, কাশ্মীরের ইতিহাস হয়তো অন্য রকমের হতে পারত।
লেখা- রানা চক্রবর্তী
(তথ্যসূত্র:
১- আকবর, রাহুল সাংকৃত্যায়ন, আবরার পাবলিকেশন্স (২০১৭)।
২- HISTORY OF KASHMIR BY HAIDAR MALIK CHADURAH (Haidar Malik’s Tarikh-i-Kashmir {completed in 1620-21}), Dr. Raja Bano, Jay Kay Books, Srinagar (২০১৬)।
৩- Akbar: The Great Mogul (1542-1605), Vincent Arthur Smith, Alpha Edition (২০১৯)।)
কপি
পেস্ট
রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২২
৯০ সুরা আল বালাদ নগতথ
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির জড়।
অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১
لَآ أُقْسِمُ بِهَٰذَا ٱلْبَلَدِ
উচ্চারণঃ লাউকছিমুবিহা-যাল বালাদ।
অর্থঃ আমি এই নগরীর শপথ করি
সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ২
وَأَنتَ حِلٌّۢ بِهَٰذَا ٱلْبَلَدِ
উচ্চারণঃ ওয়া আনতা হিল্লুম বিহা-যাল বালাদ।
অর্থঃ এবং এই নগরীতে আপনার উপর কোন প্রতিবন্ধকতা নেই।
সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ৩
وَوَالِدٍ وَمَا وَلَدَ
উচ্চারণঃ ওয়া ওয়া-লিদিওঁ ওয়ামা-ওয়ালাদ।
অর্থঃ শপথ জনকের ও যা জন্ম দেয়।
সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ৪
لَقَدْ خَلَقْنَا ٱلْإِنسَٰنَ فِى كَبَدٍ
উচ্চারণঃ লাকাদ খালাকনাল ইনছা-না ফী কাবাদ।
অর্থঃ নিশ্চয় আমি মানুষকে শ্রমনির্ভররূপে সৃষ্টি করেছি।
সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ৫
أَيَحْسَبُ أَن لَّن يَقْدِرَ عَلَيْهِ أَحَدٌ
উচ্চারণঃ ওয়া ইয়াহছাবুআল্লাইঁ ইয়াকদিরা ‘আলাইহি আহাদ।
অর্থঃ সে কি মনে করে যে, তার উপর কেউ ক্ষমতাবান হবে না ?
সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ৬
يَقُولُ أَهْلَكْتُ مَالًا لُّبَدًا
উচ্চারণঃ ইয়াকূ লুআহলাকতুমা-লাল লুবাদা-।
অর্থঃ সে বলেঃ আমি প্রচুর ধন-সম্পদ ব্যয় করেছি।
সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ৭
أَيَحْسَبُ أَن لَّمْ يَرَهُۥٓ أَحَدٌ
উচ্চারণঃ আইয়াহছাবুআল্লাম ইয়ারাহূআহাদ।
অর্থঃ সে কি মনে করে যে, তাকে কেউ দেখেনি?
সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ৮
أَلَمْ نَجْعَل لَّهُۥ عَيْنَيْنِ
উচ্চারণঃ আলাম নাজ‘আল্লাহূ‘আইনাইন।
অর্থঃ আমি কি তাকে দেইনি চক্ষুদ্বয়,
সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ৯
وَلِسَانًا وَشَفَتَيْنِ
উচ্চারণঃ ওয়া লিছা-নাওঁ ওয়া শাফাতাইন।
অর্থঃ জিহবা ও ওষ্ঠদ্বয় ?
সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১০
وَهَدَيْنَٰهُ ٱلنَّجْدَيْنِ
উচ্চারণঃ ওয়া হাদাইনা-হুন্নাজদাঈন।
অর্থঃ বস্তুতঃ আমি তাকে দু’টি পথ প্রদর্শন করেছি।
সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১১
فَلَا ٱقْتَحَمَ ٱلْعَقَبَةَ
উচ্চারণঃ ফালাকতাহামাল ‘আকাবাহ।
অর্থঃ অতঃপর সে ধর্মের ঘাঁটিতে প্রবেশ করেনি।
সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১২
وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا ٱلْعَقَبَةُ
উচ্চারণঃ ওয়ামাআদরা-কা মাল ‘আকাবাহ।
অর্থঃ আপনি জানেন, সে ঘাঁটি কি?
সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১৩
فَكُّ رَقَبَةٍ
উচ্চারণঃ ফাক্কুরাকাবাহ ।
অর্থঃ তা হচ্ছে দাসমুক্তি
সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১৪
أَوْ إِطْعَٰمٌ فِى يَوْمٍ ذِى مَسْغَبَةٍ
উচ্চারণঃ আও ইত‘আ-মুন ফী ইয়াওমিন যী মাছগাবাহ ।
অর্থঃ অথবা দুর্ভিক্ষের দিনে অন্নদান।
সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১৫
يَتِيمًا ذَا مَقْرَبَةٍ
উচ্চারণঃ ইয়াতীমান যা-মাকরাবাহ।
অর্থঃ এতীম আত্বীয়কে
সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১৬
أَوْ مِسْكِينًا ذَا مَتْرَبَةٍ
উচ্চারণঃ আও মিছকীনান যা-মাতরাবাহ।
অর্থঃ অথবা ধুলি-ধুসরিত মিসকীনকে
সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১৭
ثُمَّ كَانَ مِنَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَتَوَاصَوْا۟ بِٱلصَّبْرِ وَتَوَاصَوْا۟ بِٱلْمَرْحَمَةِ
উচ্চারণঃ ছু ম্মা কা-না মিনাল্লাযীনা আ-মানূওয়াতাওয়া-সাও বিসসাবরি ওয়াতাওয়া-সাও বিল মারহামাহ।
অর্থঃ অতঃপর তাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া, যারা ঈমান আনে এবং পরস্পরকে উপদেশ দেয় সবরের ও উপদেশ দেয় দয়ার।
সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১৮
أُو۟لَٰٓئِكَ أَصْحَٰبُ ٱلْمَيْمَنَةِ
উচ্চারণঃ উলাইকা আসহা-বুল মাইমানাহ।
অর্থঃ তারাই সৌভাগ্যশালী।
সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ১৯
وَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَا هُمْ أَصْحَٰبُ ٱلْمَشْـَٔمَةِ
উচ্চারণঃ ওয়াল্লাযীনা কাফারূবিআ-য়া-তিনা-হুম আসহা-বুল মাশআমাহ।
অর্থঃ আর যারা আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করে তারাই হতভাগা।
সূরা আল বালাদ (البلد), আয়াত: ২০
عَلَيْهِمْ نَارٌ مُّؤْصَدَةٌۢ
উচ্চারণঃ ‘আলাইহিম না-রুম মু’সাদাহ।
অর্থঃ তারা অগ্নিপরিবেষ্টিত অবস্থায় বন্দী থাকবে।
,,,,,,,,,,
রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২৭ রবিবার
রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।
(২৭-১১-২০২২)
আজকের শিরোনাম-
* চলমান প্রকল্পগুলো থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্প বাছাই করে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে সচিবদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ।
* ঢাকা মহানগরীতে বিএনপি’র ১০-ই ডিসেম্বরের সমাবেশে বাধা দেবে না সরকার - বললেন আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক।
* ব্যস্ত সড়ক বন্ধ করে বিএনপি জনজীবনে বিঘ্ন সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার - তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর হুঁশিয়ারি।
* চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আগামীকাল।
* উত্তর কোরিয়ার নেতা বললেন, বিশে^র সবচেয়ে ক্ষমতাধর পারমাণবিক শক্তির অধিকারী হওয়াই তার মূল লক্ষ্য।
* এবং আজ কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলে জাপানকে হারিয়েছে কোস্টারিকা - রাতে এক উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে পরস্পরের মুখোমুখি হবে স্পেন ও জার্মানি।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া
আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...
-
🧪 বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) টেস্ট ফি তালিকা (২০২৫) 🩸 রক্ত ও হেমাটোলজি টেস্ট: ✅ CBC (OPD): ৩০০ টাকা ✅ CBC (IPD): ২০...
-
#কোমর থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা: আসল কারণ কোথায়? স্নায়ুর লাইনে ব্যথা: Holistic approach কেন জরুরি- পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা কেন হয়?...
-
✅ কাজের বুয়ার কাহিনীঃ আমাদের বাসার কাজের বুয়া (৫৪) মাসে ১৭ হাজার টাকা আয় করেন। উনি আমাদের বাসায় সকাল ৯ টায় আসার আগে একটা মেসে রুটি বানা...