এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

মাতৃভাষার নামে অতিরঞ্জন,,,,,,,,, salsabil ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মাতৃভাষার নামে অতিরঞ্জন


জন্মের পর মানুষ যে ভাষায় প্রথম কথা বলে সেটা তার মায়ের ভাষা। সে ভাষার প্রতি তার ভালোবাসা ও ভালোলাগাটা অতি স্বাভাবিক। তবে প্রতিটি ভালোবাসা প্রকাশের নির্দিষ্ট সীমানা বেধে দিয়েছে প্রতিটি ভাষাভাষী মানুষের স্রষ্টা আল্লাহ রব্বুল আলামীন। সে সীমানা অতিক্রম করলে ধ্বংস অনিবার্য।


ভাষা নিয়ে আমরা অনেকেই গর্ব করি, এই ভাষা শ্রেষ্ঠ ভাষা আর আমরা শ্রেষ্ঠ জাতি। আজ আরব, অনারব, ইংরেজ সবাই নিজ ভাষাকে সর্বোত্তম ও নিজেদের সর্বশ্রেষ্ঠ মনে করে। আসলে কোন জাতি কি ভাষার কারণে শ্রেষ্ঠ হতে পারে!? মানুষ শ্রেষ্ঠ হয় তার কর্মে। বিদায় হজ্বে রাসুল (সা:) বলেছেন- আরব অনারবের উপর প্রাধান্য নেই তাকওয়া ছাড়া (ইবনে হিশাম, বুখারী, মুসলিম)।


সকল ভাষাভাষী মানুষ আল্লাহর সৃষ্টি। আর রাসুলপাক (সা:)- আরবিকে ভালোবাসতেন, কারণ এ ভাষায় কুরআন নাযিল হয়েছে, জান্নাতের ভাষা, এই ভাষায় কথা বলতেন ও দ্বীন প্রচার করতেন (বুখারী,বায়হাকী))।

 কিন্তু রাসুল (সা:) আসার আগে লাত, মানত, উযজা সহ সকল দেবদেবীর পূজা করা হত আরবের ভাষাতে। এখন এসব পূজাতে তারা যেসব শব্দ ব্যবহার করত তা কি শ্রেষ্ঠ নাকি নিৎকৃষ্ট?


আসলে ভাষার শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করে এর সঠিক প্রয়োগে, শুধু জন্মসূত্রে এ ভাষা অর্জন করাতে নয়। আজও আরবে মদের বোতলে আরবি লেখা হয় আর এদেশে অশ্লীল গালি, গান, কবিতা বাংলাতে লেখা হয় চাইনিজে নয়। আসলে কুরআন আল্লাহর বাণী হওয়াতে তা শ্রেষ্ঠত্ব পায় যা দ্বারা আল্লাহর ইবাদাত করা হয় ঠিক তেমনি আরবি ভাষাতে যেসব দেবদেবীর পূজা করা হত তা নিৎকৃষ্ট। আর জন্মসূত্রে পাওয়া ভাষা নিয়ে শ্রেষ্ঠত্ব দাবী করা বোকামী কারণ আমাদের জন্ম ও সৃষ্টি হয়েছে আল্লাহর ইচ্ছায় আমাদের নিজ ইচ্ছায় নয়। প্রত্যেক ভাষাভাষী ব্যক্তিই মহান আল্লাহর সৃষ্টি। আল্লাহ তাআলা বলেন- “এবং তার নির্দেশবলীর মধ্যে রয়েছে আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা, বর্ণের বৈচিত্র্য। অবশ্যই জ্ঞানীদের জন্য রয়েছে নিদর্শন (সুরা রুম -২২)।


আল্লাহ বলেন- “আমি প্রত্যেক জাতির কাছে রাসুলকে স্বজাতির ভাষাভাষী করে প্রেরণ করেছি, যেন তারা তাদের সম্প্রদায়ের কাছে সুস্পষ্টভাবে ব্যাখা করতে পারে (সুরা ইব্রাহীম -৪)। আল্লাহর আসমানী কিতাবসমূহ বিভিন্ন নবীর কাছে বিভিন্ন ভাষায় নাযিল হয়েছে আর আল্লাহর ব্যবহৃত ভাষার চেয়ে শ্রেষ্ঠ কি হতে পারে!? প্রকৃতপক্ষে যারা ক্ষমতায় ছিল তারা তাদের ভাষাকে রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছে আর এসব ভাষার সাল, মাস, দিনের সাথে ধর্মীয় ইবাদাতগুলো জড়িত। যেমন- মুসলিমরা যখন ক্ষমতায় ছিল তখন হিজরি সাল ও আরবি মাস গণনা হত যা আমাদের ইবাদাতের সাথে জড়িত। ইংরেজরা এসে এই উপমহাদেশে খ্রিষ্টীয় সাল চালু করে যা তাদের ইবাদাতের সাথে জড়িত। January হতে শুরু করে June পর্যন্ত নামগুলি দেবদেবীর নাম আর Staruday হতে Friday সবই দেবদেবীর নাম।


আর বাংলা সাল ও বারের জন্মদাতা সমাট্র আকবর দ্বীনি ইলাহী নামক ধর্ম প্রচার করেন। আর ধর্মের পালন, আনন্দ উৎসব পালনের জন্য বিভিন্ন নামে মাস ও সপ্তাহের নাম রাখেন। যেমন- বিশাখা (বৈশাখ), জষ্ঠী (জৈষ্ঠ), শনি, রবি, সোম, মঙ্গল, বুধ, বৃহঃ, শুক্র সবই দেবতার নাম। আকবরের রাজদরবারে হিন্দুদের সংখ্যা ছিল বেশি আর তিনি ওদের সন্তুষ্টির জন্য সম্মানপ্রদর্শন হিসেবে দেবদেবীর নামে নামকরন করেন।


মুসলিমদের আন্তর্জাতিক ভাষা ছিল আরবি কিন্তু তারা ক্ষমতা হারিয়েছে তাই আরবির বদলে তারা ইংরেজিকে মেনে নিচ্ছে। আজও চাকরির জন্য এদেশে বাংলা ভাষার দক্ষতা খুজে না, ইংরেজির দক্ষতা খুজে। জালেম পাকিস্তানি শাসকরা যদি নিজস্ব সংবিধান বাদ দিয়ে ইসলামী সংবিধান কুরআন দ্বারা শাসন করতো যার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্র হয়েছিল।


তাহলে পূর্ব পাকিস্তান, পশ্চিম পাকিস্তান সবাই নিজ নিজ ভাষায় কথা বলতে পারতো, আর যেহেতু কুরআন দ্বারা শাসিত হতো তাই দুদেশের দাপ্তরিক বা কমন ভাষা হতো আরবি। আর কুরআন দ্বারা শাসিত দুদেশের মুসলিমরা দ্বীনদারিতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদ, চাকরি, সম্মান ও মর্যাদা পেত। তাদের অতিরঞ্জিত জাতীয়তাবাদের ফলে যুদ্ধ হয়। রসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন- “যখনই তারা আল্লাহ ও তার রসুলের সাথে অঙ্গীকার ভঙ্গ করবে, তখনই তাদের বিজাতীয় শত্রুকে (আল্লাহ) তাদের উপর বিজয় করে দিবেন, ফলে তারা মালিকানাধীন অনেককিছু দখল করে দিবে। যতক্ষণ শাসক আল্লাহর বিধান অনুযায়ী শাসন করবে না, আল্লাহর নাযিলকৃত বিষয় কার্যকরী করবে না, ততক্ষন আল্লাহ অভ্যন্তরীন সংঘাত লাগিয়ে রাখবেন।” (আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ৫ম খন্ড পৃ-৩৬৩, ইবনু মাজাহ ৪০১৯)।


পাকিস্তান গঠনের সময় অঙ্গীকার করেছিল এটা শরীয়াভিত্তিক রাষ্ট্র হবে। আর মুসলিমরা কালেমা পড়ে সাক্ষ্য দেয় তাদের জীবন আল্লাহর বিধানমতে চালাবে। কিন্তু তৎকালীন শাসকগণ কুরআনের সংবিধান বাদ দিলে সে অঙ্গীকার ভঙ্গ হয়। ফলে পরস্পর সংঘাত, যুদ্ধ ফলশ্রুতিতে পাকরাষ্ট্র শত্রুপক্ষের নিকট পরাজিত হয়। এরপর কারগিল যুদ্ধেও ভারত তাদের কিছু ভূখণ্ড দখল করে নেয় এবং ভারতের ক্ষতির ভয়ে চীনের সাথে বন্ধুত্ব করতে গিয়ে কাশ্মীরের কিছু অংশ উপহার দেয়।


আমরা আজ সে পথে হাটছি, ভাষার শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ করতে গিয়ে শহীদ মিনারে গিয়ে শিরক করছি আর শিরকি মাস ও সপ্তাহের নাম, বৈশাখী নববর্ষ, বর্ষা ও বসন্ত বরণ পালন করতে গিয়ে শিরকে লিপ্ত হচ্ছি। কিন্তু এই ভাষাতেই এসব কুফর ও শিরকের বিরোধীতা করলে কেউ বলবে দেশদ্রোহী ও কেউ বলবে পাকিস্তানের দালাল। এসব নিয়ে দেশে অভ্যন্তরীন সংঘর্ষ চলছেই।


আসলে ভাষা ও দেশকে ভালোবাসা মানে কি এই শিরকী অনুষ্ঠান ও হারাম গানবাজনায় অর্থ অপচয় করা? অথচ যে রমনা, গুলশানসহ বহুস্হানে এসন উৎসব পালন করা হয় তার চারপাশে বহু ফুটপাতের শিশু, অসহায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধা কষ্টে জীবনযাপন করে। তারা তো এদেশের মানুষ ও বাংলা ভাষায় কথা বলে তখন তথাকথিত দেশপ্রেমের চেতনা কোথায় থাকে!?


এই ভাষাকে ভালবাসি, এই ভাষাতেই আল্লাহ ও রাসুলের প্রশাংসা ছড়াবো কিন্তু এ ভাষার ব্যবহৃত অশ্লীল, শিরকীয় শব্দ ও আচার অনুষ্ঠান এড়িয়ে চলব। কারণ মুমিনদের ভালোবাসা কখনও আল্লাহর দ্বীনের উপর প্রাধান্য পায় না।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

যারা সহীহ শুদ্ধভাবে আরবি পড়তে পারেন না,,,,,, কিংবা ভাঙ্গা ভাঙ্গা আরবি পড়তে পারেন,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 যারা সহীহ শুদ্ধভাবে আরবি পড়তে পারেন না‌❗

কিংবা ভাঙ্গা ভাঙ্গা আরবি পড়তে পারেন❗

রেইনবো কালার কোডেড বাংলা (কারিয়ানা) উচ্চারণ সহজ কুরআনটি তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

 বাংলা অনুবাদ ও টীকা শানে নুযূল ব্যাখ্যা সহকারে সবচেয়ে বড় অক্ষরের কালার কোডেড সহজ কুরআন।


পাঠকদের অনুরোধে এবং কুরআন মাজিদটা সুরক্ষিত রাখতে আমাদের কুরআনের সাথে আর্টিফিশিয়াল লেদারের একটি ব্যাগ আমরা নতুন সংযোজন করেছি, আপনি ও চাইলে নিতে পারেন:-

🫰ব্যাগ ছাড়া হাদিয়া: ১৩৫০ টাকা 

🫰ব্যাগসহ হাদিয়া: ১৫০০ টাকা

🔥ডেলিভারি চার্জ ফ্রি!!!

ব্যাগসহ লিংকঃ https://fb.watch/pkF9cjrzpP/?mibextid=Nif5oz

🚛সারাদেশে ক্যাশঅন হোম ডেলিভারি দেওয়া হবে।

[কুরআন হাতে পেয়ে পেমেন্ট করবেন ইনশাআল্লাহ]


✓নিজে পড়ুন ও অন্যকে উপহার দিয়ে আখিরাতে বিনিয়োগ করুন।

✓বয়স্কদের জন্য এবং যাদের ছোট অক্ষর তেলাওয়াত করতে অসুবিধা হয় তাদের জন্য কুরআন তেলাওয়াতের সর্বোত্তম সমাধান।

✓সব বয়সের পাঠকদের কথা স্বরণে রেখেই ১টি খন্ডে সম্পুর্ণ ৩০ পারা ছাপানো হয়েছে।


🙅সহজ কুরআনটির বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট হলোঃ-

#কুরআনটিতে আরবির বাংলা (কারিয়ানা) উচ্চারণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। যার কারনে কোথায় এক আলিফ টান, কোথায় তিন আলিফ টান, কোথায় চার আলিফ টান এভাবে সুন্দরভাবে চিহ্ন সহকারে দেওয়া হয়েছে।

#ছফিরহ্ [অর্থ্যাৎ কোথায় শীষ দিয়ে পড়তে হবে তা সুন্দরভাবে কালার দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

#আরবী ফন্ট: কলিকাতা বড় বড় নুরানি অক্ষরে ছাপানো, যাতে সব বয়সের পাঠকদের পড়তে সুবিধা হয়।

#প্রতিটি আয়াতের নিচে বাংলা (কারিয়ানা) উচ্চারণ ও সরল অনুবাদ রয়েছে।

#৭রঙের তাজওয়ীদ কালার কোডেডের নিয়মাবলি উল্লেখ করা আছে ।

#পৃষ্ঠার নিচে বিশেষ বিশেষ আয়াত এ- সূরা নাজিলের সময়কাল, নামকরণ, টীকা, শানে নুযুল, ফজিলত ও আমলের ব্যাখাসহ সংক্ষিপ্ত তাফসীর রয়েছে।

#কুরআনটির শেষের দিকে সূরার নাম, সূরার নামের অর্থ, পৃষ্ঠা নং, আয়াত সংখ্যা দেওয়া হয়েছে।

#কুরআনের অলৌকিক গাণিতিক সৌন্দর্য দেওয়া হয়েছে। অর্থ্যাৎ কোন বিষয়টি কুরআনে কতবার উল্লেখ করা আছে তা গাণিতিকভাবে দেওয়া হয়েছে।

#বিষয়ভিত্তিক আয়াতসমূহ সাথে দেওয়া আছে যেমনঃ পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাষ্ট্রীয় দন্ডবিধি, জান্নাত জাহান্নাম, হালাল হারাম সহ বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক আয়াতসমূহ সূচিপত্র আকারে দেওয়া আছে।


√বাইন্ডিংঃ হার্ডবোর্ড দিয়ে উন্নত বাধাই

√কভার: ৩৫০ গ্রামস আর্টাকার্ড দেওয়া হয়েছে এবং দুইপাশেই লেমিনেশন (ভিতরের কভারটিতে আর্টিফিশিয়াল লেদার দেওয়া হয়েছে।

√পেপারঃ ৮০ জি-এস-এম জার্মানি নিভিয়া গ্লোসি আর্ট পেপার

√সাইজঃ ১১ ইঞ্চি লম্বা X ৯ ইঞ্ছি চওড়া।

√ওজনঃ ২.৩ কেজি (প্রায়)


✅কুরআনটি অর্ডার করতে আপনার নাম সম্পূর্ণ ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার দিন অথবা-

01974-944907, 01927-926393 এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন।


https://boikenakata.com/step/checkout-woo/


https://boikenakata.com/

আল কুরআনে পদার্থ বিজ্ঞান,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 পদার্থবিজ্ঞানঃ

আল কুরআনে পদার্থ বিজ্ঞান সংক্রান্ত বেশ কিছু  আয়াত থেকে দুইটি আয়াতের(সূরা ইয়াসীন,৩৮-৪০)সামান্য বিশ্লেষণ। 


A.সূর্য নাগাল পেতে পারে না চন্দ্রের এবং রাত্রি অগ্রে চলে না দিনের প্রত্যেকেই আপন আপন কক্ষপথে সন্তরণ করে

(সূরা ইয়াসীন আয়াত-৪০)


আয়াতের সংক্ষিপ্ত আলোচনাঃ


১. সূর্যের জন্য সম্ভব নয় যে, সে চাঁদের কাছাকাছি হবে এবং তার ফলে তার আলো শেষ হয়ে যাবে। বরং উভয়ের নিজ নিজ কক্ষপথ ও আলাদা আলাদা গন্ডিসীমা আছে। 


২ সূর্য দিনে ও চাঁদ রাতেই উদিত হয়,মানে ভৌগোলিক অবস্থান  ভেদে এক অঞ্চলে এক এক সময় দৃশ্যমান হয়,আবার কোথাও, কোথাও একাধারে ছয় মাস রাত বা দিন থাকে (মেরু অঞ্চল) কখনও এর ব্যতিক্রম না ঘটা এ কথারই প্রমাণ যে, এ সবের নিয়ন্তা ও পরিচালক একজন আছেন।


৩. বরং এরাও এক নিয়ম-সূত্রে আবদ্ধ হয়ে আছে এবং এক অপরের পরে আসতে থাকে।


৪.كُلٌّ(কুল্লু) বলতে সূর্য, চন্দ্র, অথবা তার সাথে অন্য নক্ষত্রকেও বুঝানো হয়েছে। সব কিছু নিজ নিজ কক্ষপথে পরিক্রমণ করে, তাদের কারো একে অপরের সাথে সংঘর্ষ হয় না।


B.সূর্য তার নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে চলমান। এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ, আল্লাহর নিয়ন্ত্রণ।" 

(সুরা ইয়াসিন: ৩৮)

 

সংক্ষিপ্ত আলোচনাঃ


১.অতীতে মানুষ ভাবতো পৃথিবী স্থির সূর্য তার চারিদিকে ঘুরছে। পরবর্তীতে কোপার্নিকাস, গ্যালেলিও প্রমুখ বিজ্ঞানীগণ বর্ণনা করেন যে, সূর্য স্থির পৃথিবী তার চারিদিকে ঘুরছে। তার পর আবিস্কৃত হল অত্যাধুণিক দূরবীণ; মানুষ আকাশের দিকে তাকিয়ে অবাক বিষ্ময়ে হতবাক হয়ে গেল, আবিস্কৃত হল মহাবিশ্বের সৃষ্টি সংক্রান্ত নানা তত্ত্ব। 


২.দেখা গেল যে সূর্যকে এতদিন স্থির ভাবা হত তা স্থির না; আপন অক্ষের উপর ঘুরছে। এক অস্বাভাবিক দ্রুতিতে ঘুরছে, হিসেব করে দেখা গেল মাত্র ২৫ দিনে এতবড় দেহটাকে একবার ঘুরিয়ে নিয়ে আসছে। 


৩.আবার পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর ঘুরতে ঘুরতে প্রচণ্ড গতিতে সূর্যকে প্রদক্ষিন করছে। আপাত দৃষ্টিতে সূর্যের কোন পরিক্রমন গতি না থাকলেও দেখা গেছে যে, সে এক বিশাল কক্ষপথে মহাজাগতিক বস্তু নিলয়ের সাথে আমাদের ছায়াপথের কেন্দ্রকে প্রদক্ষিন করছে। অসীম গতিতে এই কেন্দ্রকে একবার ঘুরে আসতে তার সময় লাগে প্রায় ২৫ কোটি বছর। 


৪.সুর্যের এই নানাবিধ গতি আবিস্কৃত হয়েছে বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে। 


৫.অথচ পবিত্র কোরআন কি অদ্ভুত গাম্ভীর্যের সাথেই না বর্ণনা করেছে সুর্যের এই গতিশীল প্রক্রিয়া। যেখানে বলা হয়েছে ‘সূর্য তার নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে চলমান’।


৬. ১৪০০ বছর আগে অবতীর্ণ এই বাণী, কি করে বলবেন মানব রচিত? যদি বলেন এ তথ্য নবী মোহান্মদ (সাঃ) এর রচিত (যিনি তা কখনো নিজের বলে দাবী করেন নি), তবে অবশ্যই আজকের এই পরিপক্ক বিজ্ঞানকে অবনত হয়ে বলতে হবে, 'সেই বেদুইন মরুচারী কোন মানব শিশু নয়, নিশ্চয়ই কোন অলৌকিক দূত'।


৭."আফালা ইয়া তাদাব্বারুনাল কুরাআনা আম আলা কুলুবিন আকফালুহা।

(৪৭,নং সূরা মুহাম্মদ আয়াত ২৪) অর্থাৎ তারা কি কোরআন সম্পর্কে গভীর চিন্তা করে না? না তাদের অন্তর তালাবদ্ধ?


উপসংহারঃ

আল্লাহর এ সকল নিদর্শন থেকে ঈমানকে মজবুত করি, করার চেষ্টা করি,নাস্তিকতার ভীড়ে হতাশ না হই। 

হে আল্লাহ! হে আমাদের রব ! আমাদেরকে সত্য অনুধাবণ করার তাওফিক দান করুন।আমিন।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

২০২৪ সলে একুশে পদক প্রাপ্ত একজনের গল্প,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ভদ্রলোক পেলেন একুশে পদক। তাকে দেখতে অনেকে তার বাড়িতে যাচ্ছে। কিন্তু সকাল থেকে তিনি বাড়িতে নেই। ঘরে চাল কেনার টাকা না থাকায় দই ও ক্ষীর বিক্রি করতে বের হয়েছেন। ৯০ বছরের বৃদ্ধ সাধারণ মানুষটার একুশে পদক পাওয়ার কারণ কী?


ভদ্রলোক নিজের নামে একটা পাঠাগার গড়েছেন ১৯৬৯ সালে। সময়ের পরিক্রমায় তার পাঠাগারে এখন বইয়ের সংখ্যা ১৪০০০! পাঠাগারে পাঠ্যবই বাদেও অনেক গল্প, উপন্যাস, বিভিন্ন প্রবন্ধের বই রয়েছে। তিনি বলেছেন, “শুধু পাঠ্যবই পড়ে ছাত্রদের জ্ঞান অর্জন হবে না মনে করেই আমি নিজের নামে সাধারণ পাঠাগার স্থাপন করেছি।“ কী সুন্দর চিন্তাভাবনা! অথচ কত শিক্ষিত পরিবারেও পাঠ্যবইয়ের বাইরে অন্য বই হাতে নিলে মারপিট খাওয়ারও সম্ভাবনা থাকে। ১৯৫৫ সালে পঞ্চম শ্রেণি পাস করার পর টাকার অভাবে পড়ালেখা বন্ধ হয়ে যায় তার। পরবর্তীতে তার হাতে টাকা জমলেই তিনি গরীব ছাত্রছাত্রীদের বই কেনার ব্যবস্থা করে দিতেন। এভাবে অসংখ্য মানুষ তার নিকট থেকে উপকৃত হয়েছে। তার দেওয়া বই পেয়ে অনেক অনার্স মাস্টার্স পর্যন্ত করেছে। নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। অনেক অসহায় নারীকে তিনি বাড়ি পর্যন্ত করে দিয়েছেন। অথচ এই ৯০ বছর বয়সেও তাকে কাজ করে খেতে হয়। এমন মানুষ দুনিয়ায় আছে ভাবা যায়!


ভদ্রলোকের নাম জিয়াউল হক। এরকম মানুষ শত বছরে হাতে গোণা দু'চারজন জন্মগ্রহণ করে। ইনারা দেশের গর্ব, দেশের সম্পদ। একুশে পদক এমন একজন পাওয়ায় ভীষণ আনন্দ লাগলো। কিছু পদক এখনো যারা যোগ্য তারাই পায় ভেবে মন ভালো হয়ে গেল। জিয়াউল হকের প্রতি রইলো অকুন্ঠ শ্রদ্ধা।


কলমে - আসাদ স্যার



ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

গল্প খেয়াল,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কাজের বুয়াকে সন্দেহজনক লাগছে।খেয়াল করলাম উনি ঠিকমতো কাজ করছে না।মাথায় হাত! 


কাছে গিয়ে জিগ্যেস করলাম " কি হয়েছে টুকুর মা? "


বুয়া হাসির ভান করে বললো " কিচু হয়নাই গো মা"জান "


" সকাল থেকে দেখছি মাথায় হাত রেখে এখানে ওখানে বসে আছো,শরীর খারাপ? "


" না গো মা।শরীল তো ঠিকি আছে "


" ওহহ আচ্ছা "


তারপর চলে আসলাম।নজর রাখছি,উনি অনেক সময় নিয়ে চুলা পরিষ্কার করলেন।ওনার ব্যাপারটা এতক্ষণে আমি ধরতে পারলাম।


বুঝতে পেরে অনলাইনে এক প্যাকেট বিরিয়ানি অর্ডার করলাম।ডেলিভারি হলে প্লেটে বিরিয়ানি সাজিয়ে ডাকলাম


" টুকুর মা,একটু শুনে যাও তো "


টুকুর মা হেলেদুলে এলো।বললাম " খিদে পে'টে কাজ করলে হবে?আগে খেয়ে নাও "


টুকুর মায়ের চোখে জল টলমল করে উঠলো।খেতে বসে বললো 


" মা"জান,অর্ধেকটা টুকুর জন্য নিয়া যাই?কাল রাত থেকে ওর পেটে ভাত ঢুকেনাই "


" পুরোটা তুমি খাও।টুকুর জন্য আরেকটা প্যাকেট আছে,নিয়ে যেও "


খাওয়ার পর টুকুর মা হেসেখেলে কাজ করতে লাগলো।চুলা পরিষ্কার করতে যার এতোক্ষন সময় লেগেছে সে এইটুকু সময়েই এতো এতো বাসন,কাপড় ধুয়ে ফেললো।এই মানুষগুলিকে খিদে দমিয়ে রাখে! 


রাতে স্বামীকে বললাম " টুকুর মাকে এখন থেকে বেতনের সাথে পাঁচশ টাকা করে বেশি দিও তো।মাস শেষে ওদের খাবারের খুব কষ্ট হয় "


গল্প  খেয়াল

লেখক 


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 
জয়ন্ত_কুমার_জয়


সামাজিক গল্প পেতে পেজটা ফলো করে রাখতে পারেন।এইটা লেখকের নিজস্ব পেজ 🤍


নিম গাছে মিস্টি রস,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বিগত কয়েকদিনে নিম গাছ থেকে দুধের মতো দেখতে ও মিষ্ট স্বাদের রস নির্গত হওয়া নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল । অনেক খোঁজাখুঁজি করে এই সমস্যার সমাধান পাওয়া গেছে ‌-


একে Slime flux বা Bacterial Wetwood বলে । এটা গাছের ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ । নিম গাছ ৫০ বছর বয়সে উন্নীত হলে গাছের বিভিন্ন কলা অতিরিক্ত পানি শোষণ করে ফলে গাছে প্রচুর তরুক্ষীর (Sap বা আঠা) তৈরি হয় । গাছে বিশেষ কিছু ব্যাকটেরিয়ার (যেমন Agrobacterium tumefaciens) সংক্রমণ ঘটলে তরুক্ষীরে ব্যাকটেরিয়া গাঁজন ঘটায় । ফলে এমন দুধের মতো মিষ্ট স্বাদের পদার্থে পরিণত হয় । শুকনো অবস্থায়  গাছের বিভিন্ন ফাটল দিয়ে এই পদার্থ বের হতে থাকে । বেশ কয়েকদিন ধরে নির্গত হয় ।


অনেক পোকামাকড় আকৃষ্ট হয়ে খাদ্য সংগ্রহে আসে, সাথে গাছে ফুল থাকলে পরাগায়নও ঘটায় ।


- রাশিক আজমাইন 

- Science Bee - বিজ্ঞান ও গবেষণা


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


এখানে কিছু পড়লেই পাথর হয়ে যায়,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 এখানে কিছু পড়লেই পাথর হয়ে যায় !! 


ন্যাট্রন হ্রদ (যেখানে কোনো প্রাণী পড়লেই পাথর হয়ে যায়) 🥶🥶🥶

______________________________________

তানজানিয়ার লেক ন্যাট্রন আফ্রিকার সবচেয়ে নির্মল হ্রদগুলির মধ্যে একটি। এর পানির সংস্পর্শে আসলে যেকোনো প্রাণীর চামড়া পুড়ে যায় এবং তারা সেখান থেকে পালিয়ে যেতে পারে না। এভাবে দীর্ঘকাল ধরে তাদের দেহ  সেখানে থাকার কারণে তা পাথরে পরিণত হয়। এর সৌন্দর্যের কারণে প্রতিবছর অনেক অতিথি পাখি এখানে আসে দুর্ঘটনাবসত এদের অনেকেই মারা যায়। 

 

 Natron লেকের ক্ষারীয় জলের pH 10.5 এর মতো এবং এটি এতই ক্ষারীয় যে এটি প্রাণীদের ত্বক এবং চোখ পুড়িয়ে ফেলতে পারে। জলের ক্ষারত্ব আসে সোডিয়াম কার্বনেট এবং অন্যান্য খনিজ থেকে যা পার্শ্ববর্তী পাহাড় থেকে হ্রদে প্রবাহিত হয়।পানিতে সোডিয়াম কার্বনেট থাকার কারণে মৃতদেহ গুলো পচে না। 


পূর্ব আফ্রিকার ওই এলাকার দুটি ক্ষারীয় হ্রদের মধ্যে একটি হ্রদ ন্যাট্রন;  অন্যটি হ্রদ বাহি।  উভয়  হ্রদ যা কোনো নদী বা সাগরে পানি নিষ্কাশন করে না।


source : Wikipedia



ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


ফ্রিজে খাবার সতেজ রাখার কিছু টিপসঃ—👇👇

 #ফ্রিজে খাবার সতেজ রাখার কিছু টিপসঃ—👇👇


🌹সবজি পলিথিনের ব্যাগে রাখবেন না। সবজি রাখুন কাগজের প্যাকেটে কিংবা খবরের কাগজ দিয়ে মুড়ে। অনেকদিন সতেজ থাকবে।


🌹মরিচের বোঁটা ফেলে রাখবেন, শাক কেটে না ধুয়ে রাখবেন, ধনে পাতা রাখবেন গোড়া ফেলে। শাকের পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ রাখার উপায় হচ্ছ একটু ভাপিয়ে রাখা। বেগুনের গায়ে মেখে রাখতে পারেন সামান্য একটু তেল।


🌹ফ্রিজের গায়ের সাথে লাগিয়ে কোন খাবার রাখবেন না। বিশেষ করে কোন রকমের তাজা ফলমূল বা সবজি তো একেবারেই না।


🌹মাখন তো ফ্রিজে রাখতেই হয়, ঘি-কেও ফ্রিজে রাখতে পারেন অনেকদিন ভালো রাখার জন্য। তবে দুটিই রাখবেন একদম এয়ার টাইট পাত্রে।


🌹গুঁড়ো দুধ কিংবা চানাচুর, বিস্কিটের মত খাবার ফ্রিজে একদম সতেজ ও মুচমুচে থাকে। এক্ষেত্রে সবচাইতে ভালো হবে প্লাস্টিকের পাত্রে সংরক্ষণ করলে।


🌹ফ্রিজে যাই রাখুন না কেন, প্লাস্টিকের এয়ার টাইট বাক্সে সংরক্ষন করুন। এবং ফ্রিজে সর্বদা এক টুকরো কাটা লেবু রাখুন। মাঝে মাঝে বেকিং সোডা মেশানো পানি দিয়ে ফ্রিজ মুছে নিন। এতে এক খাবারের গন্ধ অন্য খাবারে প্রবেশ করবে না। ফ্রিজেও দুর্গন্ধ হবে না।


🌹ফ্রিজে যেমন মাংসই রাখুন না কেন, সেগুলো অবশ্যই ভালো করে ধুয়ে একদম পরিষ্কার করে রাখুন। এতে  মাংসে বাজে গন্ধ হবে না, অনেকদিন পর্যন্ত সতেজ থাকবে, স্বাদ থাকবে অক্ষুণ্ণ।


🌹মাছ ফ্রিজে রাখার আগে ভালো করে কেটে বেছে, লবণ পানি দিয়ে ধুয়ে তবেই রাখুন। এতে স্বাদে কোন হেরফের হবে না। আঁশটে গন্ধ ওয়ালা মাছে সামান্য একটু ভিনেগার মাখিয়ে রাখুন।


🌹ফ্রিজে কাটা পেঁয়াজ রাখতে চাইলে পেঁয়াজ একটি এয়ার টাইট বাক্সে রেখে সামান্য লবণ ছিটিয়ে দিন। তারপর বাক্সটি মুখ বন্ধ করে প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে নিন। ব্যাগটি সিল করে ফ্রিজে রাখুন।


🌹ফ্রিজে ডিম রাখার সময় মোটা অংশটি নিচের দিকে ও সরু অংশটি ওপরে রাখুন। ডিম হাতলে না রেখে বাটিতে করে ফ্রিজের ভেতরে রাখুন। অনেকদিন ভালো থাকবে।


🌹ফ্রিজের ভিতরের আঁশটে গন্ধ দূর করতে ফ্রিজে এক টুকরো কাঠ কয়লা রেখে দিন। 


🌹মাছ কেটে ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে তাতে লবন লেবুর রস এবং হলুদ গুড়ো মাখিয়ে প্যাকেট করে ফ্রিজে রাখলে মাছে একদম গন্ধ হবে না।


আমার দেওয়া পোস্ট গুলো যদি আপনাদের একটু ও উপকারে আশে তবে শেয়ার করে সবাই কে দেখার সুযোগ করে দিন সবার আগে আমার পোস্ট পেতে পোস্টে কমেন্ট করে সাথেই থাকুন ইনশাআল্লাহ আরও সুন্দর সুন্দর টিপস নিয়ে আসবো আপনাদের জন্য। সবার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা 💕💕💕


 


গ্রীন এগ্রো নিয়ে এসেছে আপনাদের জন্য আমন ধানের লাল চাল  ও  দেশি গমের  লাল আটা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🔰গ্রীন এগ্রো নিয়ে এসেছে আপনাদের জন্য আমন ধানের লাল চাল  ও  দেশি গমের  লাল আটা


✋ উপকারিতা ঃ

উচ্চ ডায়াবেটিস কমাতে লাল চাল 

ওজন কমাতে লাল চাল 

হাটের সুস্থতায় লাল চাল 

হাড় মজবুত করতে লাল চাল 

বয়সের ছাপ রোধ করতে লাল চাল 

ক্যান্সারের আশঙ্কা কমায় 

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধ করে।


✅ প্রতিদিন ১ কাপ লাল চালের ভাত খেলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ৬০ ভাগ পর্যন্ত কমে। লাল চালের ভাতে ক্ষুধা কম লাগে। লাল চালের ভাত খেলে আমাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ফাইবারের ১০ ভাগ পূরণ হয়।


✋ লাল আটা কেন খাবেনঃ

১. লাল আটার অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

২. ডায়াবেটিস রোগী ও স্থুল রোগীর রক্তে চিনি ও শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।

৩. লাল আটা আঁশ রক্তে ক্ষতিকারক ফ্যাট কমায় ও উপকারি ফ্যাট বাড়ায়।

৪. লাল আটা ক্ষুধা প্রশমিত করে ও অতিরিক্ত ওজন কমায়।

৫. লাল আটায় রয়েছে থায়ামিন যা স্নায়ুতন্ত্রের সুস্থতা রক্ষা করে। (হাত ও পায়ের নার্ভ সচল রাখে)।

৬. পরির্পূণ পুষ্টি সমৃদ্ধ আঁশযুক্ত গমের আটা সুস্বাস্থের জন্য অপরির্হায।

৭. লাল আটায় লিগনান নামক এক ধরনের উপাদান রয়েছে, যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

৮. লাল আটা হৃদযন্ত্রের জন্যও উপকারি।

৯.  লাল আটা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

১০. লাল আটায় প্রচুর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট থাকায় দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।


আইটেম সমূহ ঃ 

১) লাল চাল ( আমন)

২) লাল চাল ( বিরই)

৩) লাল বোরো ( টেপা বোরো)

৪)লাল বিন্নি

৫)সাদা বিন্নি

৬)কালো বিন্নি

৭)ব্ল্যাক রাইস 

৮)কাউন চাল

৯)লাল বাসমতি 

১০)বাংলা মতি ফুল ফাইবার 

১১) লাল আটা


🔰 সুগন্ধি চাল : 

১২) বাশফুল 

১৩)জামাই আদুরি " তুলসী মালা সুগন্ধি চাল "

১৪) বাশফুল

১৫) বাদশাভোগ


🔰 ডাল :

১৬) ফেলন ডাল 

১৭) মাসকলাই ডাল

১৮) রাজমা

১৯ ) কাবলি বুট 

২০) সবুজ মুগ ডাল


🔰 অন্নান্য :

যবের ছাতু 

যবের আটা 

লাল চিড়া 

আখের লাল চিনি  

চিয়া সিডস 


🔰 গ্রিন এগ্রো 

" আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক "


আমরা পাইকারী ও খুচরা বিক্রি করে থাকি প্রয়োজনে

০১৮৪১-১৭২৭৭০ ( WhatsApp)

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

খলিফা হারুন আর রশিদের গল্প,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 খলিফা হারুন অর রশিদ পানি পান করতে যাবেন, গ্লাস ঠিক ঠোঁটের কাছে নিয়েছেন, এমন সময় হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "আমিরুল মুমিনীন! একটু থামুন। পানি পান করার আগে আমার একটি প্রশ্নের উত্তর দিন।"


খলিফা বললেন, "বলো কি জানতে চাও?"


বহলুল (রহঃ) বললেন, "মনে করুন আপনি প্রচন্ড তৃষ্ণার্ত হয়ে এমন মাঠে আছেন যেখানে পানি নাই। পিপাসায় আপনার প্রাণ ওষ্ঠাগত। এমন অবস্থায় আপনি এক গ্লাস পানির জন্য কতটা মূল্য ব্যয়  করবেন?"


খলিফা বললেন, "যেহেতু পানি না পেলে আমার মৃত্যু হবে তাই আমার পুরো সম্পত্তিও ব্যয় করে দিতে পারবো।"


হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "ঠিক আছে এবার বিসমিল্লাহ বলে পানি পান করেন।"


খলিফা পানি পান করলেন। এবার হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "আমার আর একটি প্রশ্ন আছে।"


খলিফা বললেন, "বলো।"


বহলুল (রহঃ) বললেন, "এই পানি যদি আপনার শরীর থেকে না বের হয়, পেটেই জমা থাকে। প্রসাব বন্ধ হয়ে যায়, সেই পানি বের করবার জন্য কত টাকা ব্যয় করবেন?" 


-প্রসাব বন্ধ হলে তো আমি সহ্য করতে পারবো না। মারা যাবো। জীবন বাঁচাতে একজন ডাক্তার যতটা চায় ততটাই দিবো। আমার পুরো রাজত্ব চাইলেও দিয়ে দিবো।"


হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, তাহলে বোঝা গেল আপনার পুরো রাজত্ব এক গ্লাস পানির দামের সমানও নয়। মাত্র এক গ্লাস পানি পান করতে বা বের করতে আপনি পুরো রাজত্বও দিয়ে দিতে চান। তাহলে কত গ্লাস পানি নিয়মিত পান করেন আর বের করেন, এটা একটু ভাবেন আর এই নেয়ামত যিনি দিয়েছেন তার শুকরিয়া আদায় করেন।"


শরীর থেকে পানি বের করার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় যে অঙ্গ তাহলো কিডনি। করাচির এক  ডাক্তারকে (কিডনি বিশেষজ্ঞ) একবার একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন, "বিজ্ঞান এখন এতো উন্নত, আপনারা একজনের কিডনি অন্যের শরীরে প্রতিস্থাপন করেন তাহলে কৃত্রিম কিডনি তৈরি করতে পারছেন না কেন?"


ডাক্তারের উত্তরটি ছিলো খুবই আশ্চর্যজনক। 


তিনি বলেছিলেন, "সায়েন্সের এই উন্নতি সত্ত্বেও কৃত্রিম কিডনি তৈরি করা খুব কঠিন। কারণ আল্লাহ তায়ালা কিডনির ভেতরে যে চালনি যুক্ত করেছেন তা খুব সুক্ষ্ম এবং পাতলা। এখনো পর্যন্ত এমন যন্ত্র আবিষ্কার হয়নি যা এমন সুক্ষ্ম ও পাতলা চালনি তৈরি করতে পারে। আর যদি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে চালনি তৈরি করাও হয় তবুও কিডনির ভেতর এমন একটি জিনিস আছে যা তৈরি করা আমাদের ক্ষমতার বাইরে। জিনিসটি হলো একটি মস্তিষ্ক (sensor)। এই মস্তিষ্ক ফায়সালা করে যে, এই মানুষের শরীরে কতটুকু পানি রাখা চাই আর কতটুকু ফেলে দেওয়া চাই। তার ফায়সালা শতভাগ সঠিক হয়। 

ফলে আমরা যদি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে কৃত্রিম কিডনি তৈরি করেও ফেলি, তবুও আমরা এতে মস্তিষ্ক তৈরি করতে পারবো না, যা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন প্রতিটি মানুষের কিডনিতে সৃষ্টি করেছেন।"


পানি পান এবং নিষ্কাশনের প্রক্রিয়াটি খুব করে মনে পড়ে যখন সূরা যারিয়াতের ২১ নং আয়াত পড়ি। সেখানে মহান রব বলেছেন-


"তোমরা কী নিজেদের সত্ত্বা নিয়ে কখনো চিন্তা করে দেখেছো?"

---



গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z

 #গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z  গ্রীষ্মকালেও লাউ চাষ করে ভালো ফলন ও লাভ পাওয়া সম্ভব। তবে এজন্য দরকার উপযুক্ত জাত, সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ, মাচ...