এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪

বেশির ভাগ বাবা মা আদরের সন্তানের খাবারে যে ভুলটা করে....ফেইসবুক থেকে নেওয়া .

 বেশির ভাগ বাবা মা আদরের সন্তানের খাবারে যে ভুলটা করে......


আপনার আদরের সন্তান

👉কেন বছরে ৩ বার এর বেশি অসুস্থ হয় ? কারণ, তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম।

👉কেন অল্প বয়সে বিভিন্ন হাড়জনিত সমস্যায় ভুগে ? যেমন এখন আপনি ভুগছেন ! কারণ, ছোট বেলা থেকে ক্যালসিয়াম এর ঘাটতি থাকে।

👉কেন আপনার সন্তান মেধাবী হয় না ? কারণ, ছোটবেলা থেকে ব্রেইনের সঠিক বিকাশ হয় না।

👉কেন খেতে চায় না ? কারণটা হলো খাওয়ার অরুচি।

কেন জেদ বা খিটখিটে অচরণ করে ? কারণটা হলো গ্যাস এর সমস্যা, হজমে সমস্যা, মাথা ঘোরা, শারীরিক দুর্বলতা।


আপনার আদরের সন্তান, যাকে নিয়ে বাবা মা হিসেবে কত ভবিষ্যৎ চিন্তা !!, সেই আদরের সন্তান কেন এরকম সমস্যায় ভুগছে বা ভুগতে পারে 


যেমন

👉বছরে ৩ বার এর বেশি অসুস্থ হওয়া।

👉হরমোন জনিত সমস্যা।

👉অসুস্থ হলে সুস্থ হতে বেশি সময় লাগা।

👉বয়স অনুযায়ী উচ্চতা বা ওজনের সামঞ্জস্য না  হওয়া।

👉রক্তশূন্যতা।

👉শারীরিক দুর্বলতা।

👉কোষ্ঠ কাঠিন্য।

👉দৃষ্টি শক্তি কমে যাওয়া।

👉পড়াশোনায় অমনোযোগিতা।


একজন বাবা মা হিসেবে আদরের সন্তানের এরকম সমস্যা গুলি নিয়ে কি কখনো চিন্তা করেছেন ?


কারণ টি হলো “পরিপূর্ন পুষ্টি” যার অভাবে এই সকল সমস্যা দেখা দেয়।


আমরা ছোট বেলা থেকে পুষ্টির জন্য সন্তান কে অনেক কিছু খাওয়াই কিন্তু তা কি পরিপূর্ণ পুষ্টি সমৃদ্ধ ?

👉আমিষ পায় তো ক্যালসিয়াম কম পায় ।

👉ক্যালসিয়াম পায় তো আয়রন কম পায় ।

👉আয়রন পায় তো ফ্যাটি অ্যাসিড কম পায় ।

👉ফ্যাটি অ্যাসিড পায়  তো কার্বোহাইড্রেড কম পায়।

ফলে আপনার আদরের সন্তান,

👉লম্বা হয় তো হাড়জনিত সমস্যা থাকে।

👉ঠিকমতো খায় কিন্তু হজমে সমস্যা হয়।

👉ত্বক সুন্দর থাকে কিন্তু চোখের সমস্যা থাকে।

👉অনেক কিছু খায় কিন্তু ওজন কম থাকে।

👉এরকম আরো অনেক সমস্যা থাকে।


আশাকরি বুজতে পেরেছেন যে আপনার আদরের সন্তানের মূল সমস্যা কোথায় ? এই রকম সমস্যা থেকে আপনার সন্তানকে মুক্ত রাখতে ও আপনার সন্তান এর সুন্দর ও সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য এখন থেকেই দিতে হবে পরিপূর্ণ পুষ্টি যুক্ত খাবার।


কিন্তু আমি জানি, আমরা বেশির ভাগ বাবা মা এক সাথে প্রতিদিন সব ধরণের পুষ্টির বেবস্থা করতে পারি না। বা পারলেও, সময় ও প্রাপ্যতার অভাবে সব এক সাথে জোগাড় করা সম্ভব হয় না।


তাই আপনার আদরের সন্তানের জন্য আমি এমন একটা খাবারের কথা বলছি যাতে একসাথে সব ধরণের পুষ্টির উপাদান রয়েছে।


যে খাবারে,

👉ক্যালোরি সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে।     

👉ফাইবার সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে।

👉আয়রন,  প্রোটিন সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে।

👉শর্করা,  ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে।

👉ভিটামিন, অ্যামিনো অ্যাসিড  সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে।

👉মিলেট সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে।

👉এছাড়া জিঙ্ক, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম এর মতো প্রয়োজনীয় খনিজ সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে।


কিন্তু চিনির মতো ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহার করা হয় নাই। কোনো ধরণের কেমিকাল বা প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয় নাই। চিনির পরিবর্তে খেজুর ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে  কোনো চিনি মিশানোর প্রয়োজন একেবারেই নাই। খাবার টি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ভাবে সম্পূর্ণ ঘরোয়া পরিবেশে তৈরী।


এমন পরিপূর্ণ খাবারের বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে বা অর্ডার করতে নিচের ওয়েবসাইট এ ভিজিট করুন।

https://pustirghor.com/pustimix/


আহারে প্রবাস জীবন,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 "মা ৬ বছর হলো বিদেশ এসেছি। এখন দেশে ফিরে যেতে চাই আমি।

-দেশে এসে কি করবি শুনি। এর চেয়ে আরো কয়েক বছর বিদেশে থাক পরবর্তীতে আসিস।

-প্লিজজজ মা আর থাকতে চাইনা। 

-আশ্চর্য তুই দেশে এসে কি করবি সেইটা বুঝতেছি না।

-কি করবো মানে' তোমাদের প্রতিমাসে ৭০ হাজার টাকা করে পাঠাই এই ছয় বছরে অনেক টাকা হয়েছ। এখন গিয়ে ব‍্যবসা করবো।

-তোর কোন টাকা নেই।

-মানে।

-মানুষের কাছে থেকে টাকা ধার নিয়ে তোকে বিদশ পাঠাইছি তাদেরকে দিতেই সব শেষ। আবার তোর ভাইটারে নতুন গাড়ি কিনে দিয়েছি। ছোট্ট বোনটাকে বিয়ে দিয়েছি।

-কি বলো মা। ছোট্ট বোনটার বিয়ে দিয়ে আমি জানিনা।

-তোকে বলিনাই মন খারাপ করবি বলে। এখন ফোন রাখতেছি তুই কাজ কর।

-তোমার সঙ্গে কথা বলতে খুব ইচ্ছে করতেছে একটু বলিনা কথা মা।

-কথা বললে কাজ হবেনা তার। মন দিয়ে কাজ কর এই মাসে অনেক টাকার দরকার।

-মা তোমাকে দেখতে খুব ইচ্ছে করতেছে।

-নাটক বন্ধ কর।

-সত‍্যি মা নাটক করতেছি না। সেই ৬ বছর আগে তোমার মুখটা দেখেছিলাম। 

-তাতে কি হয়েছে।

-দেশে ফিরে যাই সবার সঙ্গে দেখাশুনা করে আবার নাহয় ফিরে আসবো আমি।

-এই ফোন রাখলাম তোর এইসব ফাউল কথা শুনার সময় আমার কাছে নাই।

'কথাটি বলেই মা ফোনটি কেটে দেয়' যা দেখে ছেলেটি অঝরে কান্না করতে থাকে'

'এর পরে ছেলেটি দুঃখো ভরাকান্ত মন নিয়ে রাস্তার পাশে দিয়ে হেটে হেটে কাজে যাচ্ছিলো। এমন সময় একটি মাল বাহি ট্রাক এসে তার উপর দিয়ে চলে যায়। এবং সেখানেই ছেলেটি মারা যায়।

'কিছু লোক তার ফোনটি বের করে সেই মায়ের নাম্বারে কল দেয়, ফোনটি রিসিভ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওপাশ থেকে আওয়াজ আসে।

-এই কু'ত্তা'র বাচ্ছা তোকে বলছিনা এখন দেশে আসা হবেনা। আরো অনেক টাকার দরকার আমাদের। ফোন কেটে দিয়ে কাজ কর। 

'এই সব শুনে লোকটি বলে'

-চাচি আপনার এই কু'ত্তা'র বাচ্ছাটি আর এই পৃথিবীতে নেই। একটি ট্রাক তার উপর দিয়ে চলে গিয়েছে। আপনার টাকার মেশিনটা চিরতরের জন্যে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। 

-কি বল্লেন।

-হ‍্যাঁ আপনার সন্তান মারা গিয়েছে। আমরা তার লাশটি দেশে পাঠাই দিতেছি। যদি পারেন রিসিভ করিয়েন আল্লাহ্ হাফেজ।

"লোকটির কথা শুনেই মা চিৎকার করে কান্না করতে থাকে। আর বলে আল্লাহ্ আমার সন্তান কে ফিরাই দাও।

"আহারে প্রবাস জীবন। পরিবারের মানুষ শুধুমাত্র টাকাই খোজে' এটা জানতে চায়না সে কেমন আছে। কেমন যাচ্ছে তার দিন।

"আর যাই হোক তাদের একটু মানসিক শান্তি দিয়েন?


শিকড় ছাঁটাই,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 শিকড় ছাঁটাই


টবের বহুবর্ষজীবী গাছের শিকড়ে টব ভরে যেতে পারে। টবের মাটির আয়তনের এক চতুর্থাংশের বেশি শিকড়ের আয়তন হলেই তা ছেঁটে কমিয়ে দেওয়া দরকার। অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বলা 

যায়, টবের মাটির গঠন হালকা হলে দুই তিন বছর অন্তর শিকড় ছাঁটাইয়ের প্রয়োজন হয়। পক্ষান্তরে, গঠন ভারী হলে শিকড় ছাঁটার প্রয়োজন হয় কম। শিকড় প্রধানত দুই ধরণের হয় মোটা 

ও ঝুরি। পর পর দুই তিনবার ঝুরি শিকড় ছাঁটার পর একবার মোটা শিকড় ছাঁটার প্রয়োজন হতে পারে। মোটা শিকড় ছাঁটা কিন্তু অপেক্ষাকৃত কঠিন।কারণ একটির বেশি মোটা শিকড় কাটা 

যাবে না। তাই কোনটি ও তার কতটুকু ছাঁটা হবে তা ঠিক করা সহজ নয়। কাজেই মোটা শিকড় ছাঁটার কাজটি বাদ দিতে পারলেই ভালো।শিকড় ছাঁটার জন্য আস্ত মাটির বলসহ গাছটিকে 

সাবধানে টব থেকে বের করে নিতে হবে। তারপর লম্বা ধারালো ছুরি বা কাঁচির সাহায্যে শিকড় ছেঁটে দিয়ে গাছটিকে পুনরায় সারমাটি দিয়ে যথারীতি টবে লাগাতে হবে। মোটা শিকড় কাঁটার 

প্রয়োজন হলে প্রথমে কাঁচি দিয়ে অল্প পরিমাণে ঝুরি শিকড় ছেঁটে দিতে হবে তারপর পেন্সিলের সাহায্যে খোঁচা দিয়ে বলের প্রায় অর্ধেক মাটি বের করে দিতে হবে। এখন মোটা শিকড়গুলির 

একটি বেছে নিয়ে কাণ্ড থেকে ১৫ সে.মি দূরে সিকেচার বা করাত দিয়ে কেটে বাদ দিতে হবে। কাটা স্থানে বোর্দো পেস্ট লাগানো উচিত যা ছত্রাক রোগ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করবে। 

এখন যথারীতি সারমাটি দিয়ে পুনরায় টবে গাছটিকে লাগাতে হবে।শিকড় ছাঁটার সঠিক সময় সম্বন্ধে সচেতন হতে হবে। পর্ণমোচী গাছের বেলায় পত্রমোচন ঘটার পর যখন পত্রমুকুল বের 

হতে শুরু করবে তখনই শিকড় ছাঁটা যাবে। অন্যান্য (চিরহরিৎ) গাছের ক্ষেত্রে তা বর্ষাঋতুর শুরুতে করা উচিত এবং শিকড় ছাঁটার সময় গাছের পাতার পরিমাণ যেন কম থাকে। এজন্য 

প্রয়োজন হলে শিকড় ছাঁটার আগে গাছের ডাল বা পাতা ছেঁটে দেওয়া উচিত। গাছের ডাল ছাঁটার মৌসুমেও ডাল ও শিকড় একই সময়ে ছাঁটা যায়।


ঝরা ফুলের ডাঁটি ছাঁটাই: 


ফুল ফুটে পাপড়ি ঝরে যাওয়ার পরই ফুলের ডাঁটি(মঞ্জুরী দণ্ড বা বোঁটা)-সহ ডালের ডগার কিছুটা ছেঁটে দিতে হয়। তবে যেটুকু কাটতে হবে তাতে দুই তিনটির বেশি পর্ব থাকা উচিত নয়। 

কাটার স্থান হবে একটি পাতার ১ সে.মি উপরে। এতে গাছের নতুন শাখা গজিয়ে পুনরায় শিগগির কুঁড়ি দেখা দেবে। তবে বীজের জন্য ফল পাওয়ার আশা করলে এ ধরনের ডগা কাটা বাদ 

দিতে হবে। এক্ষেত্রে ফল না ধরে যদি ফুলের বোঁটা শুকাতে থাকে তখনই ডগা ছেঁটে দেওয়া উচিত। এ ছাড়া রোগ-পোকার আক্রমণে কোনও ডাল যদি শুকিয়ে যায় বা স্বাভাবিক ডাল ছাড়ার 

ক্ষমতা হারায় তা কেটে বাদ দেওয়া উচিত।শুধু ফুলের বেলায় নয়, ফলের গাছের বেলায়ও তাই। ফল তুলে নেওয়ার পর ফলের বোঁটাসহ শাখার কিছুটা কেটে বাদ দিতে হয়।



তারাবি - জসীম উদ্‌দীন,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 তারাবি

- জসীম উদ্‌দীন

তারাবি নামাজ পড়িতে যাইব মোল্লাবাড়িতে আজ,

মেনাজদ্দীন, কলিমদ্দীন, আয় তোরা করি সাজ।

চালের বাতায় গোঁজা ছিল সেই পুরাতন জুতা জোড়া,

ধুলাবালু আর রোদ লেগে তাহা হইয়াছে পাঁচ মোড়া।

তাহারি মধ্যে অবাধ্য এই চরণ দুখানি ঠেলে,

চল দেখি ভাই খলিলদ্দীন, লুন্ঠন-বাতি জ্বেলে।

ঢৈলারে ডাক, লস্কর কোথা, কিনুরে খবর দাও।

মোল্লাবাড়িতে একত্র হব মিলি আজ সার গাঁও।


গইজদ্দীন গরু ছেড়ে দিয়ে খাওয়ায়েছে মোর ধান,

ইচ্ছা করিছে থাপপড় মারি, ধরি তার দুটো কান।

তবু তার পাশে বসিয়া নামাজ পড়িতে আজিকে হবে,

আল্লার ঘরে ছোটোখাটো কথা কেবা মনে রাখে কবে!

মৈজদ্দীন মামলায় মোরে করিয়াছে ছারেখার,

টুটি টিপে তারে মারিতাম পেলে পথে কভু দেখা তার।

আজকে জামাতে নির্ভয়ে সে যে বসিবে আমার পাশে,

তাহারো ভালর তরে মোনাজাত করিব যে উচ্ছাসে।

মাহে রমজান আসিয়াছে বাঁকা রোজার চাঁদের ন্যায়,

কাইজা ফেসাদ সব ভুলে যাব আজি তার মহিমায়।

ভুমুরদি কোথা, কাছা ছাল্লাম আম্বিয়া পুঁথি খুলে,

মোর রসুলের কাহিনী তাহার কন্ঠে উঠুক দুলে।

মেরহাজে সেই চলেছেন নবী, জুমজুমে করি স্নান,

অঙ্গে পরেছে জোছনা নিছনি আদমের পিরহান।

নুহু আলায়হুছালামের টুপী পরেছেন নবী শিরে,

ইবরাহিমের জরির পাগরী রহিয়াছে তাহা ঘিরে।

হাতে বাঁধা তার কোরান-তাবিজ জৈতুন হার গলে,

শত রবিশশী একত্র হয়ে উঠিয়াছে যেন জ্বলে।

বুরহাকে চড়ে চলেছেন নবী কন্ঠে কলেমা পড়ি,

দুগ্ধধবল দূর আকাশের ছায়াপথ রেখা ধরি।

আদম ছুরাত বামধারে ফেলি চলে নবী দূরপানে,

গ্রহ-তারকার লেখারেখাহীন ছায়া মায়া আসমানে।


তারপর সেই চৌঠা আকাশ, সেইখানে খাড়া হয়ে,

মোনাজাত করে আখেরী নবীজী দুহাত উর্ধ্বে লয়ে।

এই যে কাহিনী শুনিতে শুনিতে মোল্লা বাড়ির ঘরে,

মহিমায় ঘেরা অতীত দিনেরে টানিয়া আনিব ধরে।

"

মোর রসুলের ওফাত কাহিনী দিক সে বয়ান করি।

বিমারের ঘোরে অস্থির নবী, তাঁহার বুকের পরে,

আজরাল এসে আসন লভিল জান কবজের তরে।

আধ অচেতন হজরত কহে, এসেছ দোস্ত মোর,

বুঝিলাম আজ মোর জীবনের নিশি হয়ে গেছে ভোর

একটুখানিক তবুও বিমল করিবারে হবে ভাই!

এ জীবনে কোন ঋণ যদি থাকে শোধ করে তাহা যাই।

***

***

মাটির ধরায় লুটায় নবীজী, ঘিরিয়া তাহার লাশ,

মদিনার লোক থাপড়িয়া বুক করে সবে হাহুতাশ।

আব্বাগো বলি, কাঁদে মা ফাতিমা লুটায়ে মাটির পরে,

আকাশ ধরনী গলাগলি তার সঙ্গে রোদন করে।

এক ক্রন্দন দেখেছি আমরা বেহেস্ত হতে হায়,

হাওয়া ও আদম নির্বাসিত যে হয়েছিল ধরাছায়;

যিশু-জননীর কাঁদন দেখেছি ভেসে-র পায়া ধরে,

ক্রুশ বিদ্ধ সে ক্ষতবিক্ষত বেটার বেদন স্মরে।

আরেক কাঁদন দেখেছি আমরা নির্বাসী হাজেরার,

জমিনের পরে শেওলা জমেছে অশ্রু ধারায় তার;

সবার কাঁদন একত্রে কেউ পারে যদি মিশাবার,

ফাতিমা মায়ের কাঁদনের সাথে তুলনা মেলে না তার।


আসমান যেন ভাঙ্গিয়া পড়িল তাহার মাথায় হায়,

আব্বা বলিতে আদরিয়া কেবা ডাকিয়া লইবে তায়।

গলেতে সোনার হারটি দেখিয়া কে বলিবে ডেকে আর,

নবীর কনের কন্ঠে মাতাগো এটি নহে শোভাদার।

সেই বাপজান জনমের মত গিয়াছে তাহার ছাড়ি।

কোন সে সুদূর গহন আঁধার মরণ নদীর পাড়ি।

জজিরাতুল সে আরবের রাজা, কিসের অভাব তার,

তবু ভুখা আছে চার পাঁচদিন, মুছাফির এলো দ্বার।

কি তাহারে দিবে খাইবারে নবী, ফাতেমার দ্বারে এসে;

চারিটি খোরমা ধার দিবে মাগো কহে এসে দীন বেশে।

সে মাহভিখারী জনমের মত ছাড়িয়া গিয়াছে তায়,

আব্বাগো বলি এত ডাক ডাকে উত্তর নাহি হায়।

এলাইয়া বেশ লুটাইয়া কেশ মরুর ধূলোর পরে,

কাঁদে মা ফাতেমা, কাঁদনে তাহার খোদার আরশ নড়ে।

কাঁদনে তাহার ছদন সেখের বয়ান ভিজিয়া যায়,

গৈজদ্দীন পিতৃ-বিয়োগ পুন যেন উথলায়!

খৈমুদ্দীন মামলায় যারে করে ছিল ছারেখার,

সে কাঁদিছে আজ ফাতিমার শোকে গলাটি ধরিয়া তার।

মোল্লাবাড়ির দলিজায় আজি সুরা ইয়াসিন পড়ি,

কোন দরবেশ সুদূর আরবে এনেছে হেথায় ধরি।

হনু তনু ছমু কমুরে আজিকে লাগিছে নূতন হেন,

আবুবক্কর ওমর তারেখ ওরাই এসেছে যেন।

সকলে আসিয়া জামাতে দাঁড়াল, কন্ঠে কালাম পড়ি,

হয়ত নবীজী দাঁড়াল পিছনে ওদেরি কাতার ধরি।

ওদের মাথার শত তালী দেওয়া ময়লা টুপীর পরে,

দাঁড়াইল খোদা আরশ কুরছি ক্ষনেক ত্যাজ্য করে।


***


মোল্লাবাড়িতে তারাবি নামাজ হয় না এখন আর,

বুড়ো মোল্লাজি কবে মারা গেছে, সকলই অন্ধকার।

ছেলেরা তাহার সুদূর শহরে বড় বড় কাজ করে,

বড় বড় কাজে বড় বড় নাম খেতাবে পকেট ভরে।

সুদূর গাঁয়ের কি বা ধারে ধার, তারাবি জামাতে হায়,

মোমের বাতিটি জ্বলিত, তাহা যে নিবেছে অবহেলায়।

বচন মোল্লা যক্ষ্মা রোগেতে যুঝিয়া বছর চার,

বিনা ঔষধে চিকিৎসাহীন নিবেছে জীবন তার।

গভীর রাত্রে ঝাউবনে নাকি কন্ঠে রাখিয়া হায়,

হোসেন শহিদ পুঁথিখানি সে যে সুর করে গেয়ে যায়।

ভুমুরদি সেই অনাহারে থেকে লভিল শূলের ব্যথা,

চীৎকার করি আছাড়ি পিছাড়ি ঘুরিতে যে যথা তথা।

তারপর সেই অসহ্য জ্বালা সহিতে না পেরে হায়,

গলে দড়ি দিয়ে পেয়েছে শানি- আম্রগাছের ছায়।

কাছা ছাল্লাম পুঁথিখানি আজো রয়েছে রেহেল পরে,

ইদুরে তাহার পাতাগুলি হায় কেটেছে আধেক করে।

লঙ্কর আজ বৃদ্ধ হয়েছে, চলে লাঠিভর দিয়ে,

হনু তনু তারা ঘুমায়েছে গায়ে গোরের কাফন নিয়ে।


সারা গ্রামখানি থম থম করে স্তব্ধ নিরালা রাতে;

বনের পাখিরা আছাড়িয়া কাঁদে উতলা বায়ুর সাথে।

কিসে কি হইল, কি পাইয়া হায় কি আমরা হারালাম,

তারি আফসোস শিহরি শিহরি কাঁপিতেছে সারা গ্রাম।

ঝিঁঝিরা ডাকিছে সহস্র সুরে, এ মূক মাটির ব্যথা,

জোনাকী আলোয় ছড়ায়ে চলিছে বন-পথে যথা তথা।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ০৫-০৩-২০২৪,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ০৫-০৩-২০২৪ 


আজকের শিরোনাম:

সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবিকে আধুনিক ও স্মার্ট বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে - বিজিবি দিবস উপলক্ষে পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী।


রাজধানীতে মেট্রোরেল চালুর পর গত বছরের জুন পর্যন্ত মোট আয় প্রায় ১৮ কোটি ২৮ লাখ টাকা - জাতীয় সংসদে তথ্য প্রকাশ।


রমজানে রাজধানীতে ন্যায্য মূল্যে মাংস ও ডিম বিক্রি এবং ৫০ লাখ পরিবারকে সাশ্রয়ী মূল্যে চাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।


চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান বরাদ্দের ক্ষেত্রে আরও স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা হবে - জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।


রাজধানীর বেইলি রোডের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় স্বরাষ্ট্র সচিবের নেতৃত্বে কমিটি গঠনে হাইকোর্টের নির্দেশ।


হাইতির একটি বড় কারাগারে সশস্ত্র অপরাধী চক্রের তাণ্ডবের পর ৭২ ঘণ্টার জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার।


সিলেটে প্রথম টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে বাংলাদেশকে তিন রানে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা ।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

গল্প  মনুষ্যত্ব  লেখক  জয়ন্ত_কুমার_জ

 অফিস কলিগ ৫ হাজার টাকা ধার নিলো।দেওয়ার নাম নেই।লজ্জায় চাইতেও পারিনা।উনি আমার সামনে দিব্যি ঘুরে বেড়ান।


হা হুতাশ করতে লাগলাম।টাকা যে বড্ড প্রয়োজন।মুখ ফুটে বলাও যাচ্ছে না লজ্জায়।চিন্তিত হয়ে বিছানায় শুয়ে আছি।রোজ অফিসে যে রিক্সায় যাই তিনি কল দিলেন।বললেন 


" স্যার,রিক্সার টায়ার ফেটে গ্যাছে।রিং ও বেঁকে গেছে।কাল সকালে আমি আসতে পারবো না।আপনি কষ্ট করে অন্য রিক্সায় যাইয়েন "


" আচ্ছা "


কল কে'টে দিলাম।রিক্সাওয়ালা কিছুক্ষণ পর আবার কল করলো।


" স্যার আপনারে খুব মুশকিলে ফেলে দিলাম!ছুডো ছেলেটা রিক্সা গর্তে ফেলে দিয়ে এই অবস্থা করছে "


" সমস্যা নাই।রিক্সা ঠিক করুন,আমি অন্য রিক্সায় যাবোনি এই কয়েকদিন "


" জি স্যার "


কল কাটার কিছুক্ষণ পর আবারো কল।বিরক্ত হয়ে বললাম " কিছু বলতে চাইলে সরাসরি বলো "


" স্যার আমার এক হাজার টাকার প্রয়োজন।দিন মজুর,রিক্সা ঠিক করার টাকা নাই।ঘরে ভাত পানি বন্ধ হয়ে গেছে "


" বাড়ি এসে নিয়ে যাও "


রিক্সাওয়ালা টাকা নিতে আসলো।টাকা দিলাম।মনে মনে ভাবলাম,অফিসের ভদ্রলোক কলিগ যখন টাকা ফেরত দেয়নি এই রিক্সাওয়ালাও দিবে না।টাকা নিয়ে রিক্সাওয়ালা বললো


" স্যার এক সপ্তাহের মধ্যে ফেরত দিবো "


চারদিনের দিন রিক্সাওয়ালা টাকা ফেরত দিলো।সাথে একটা পেঁয়ারা।হেসে বললো " স্যার,আপনে যে এই গরীবের কি যে উপকার করছেন!আপ্নে টাকাটা না দিলে রাস্তায় নামতে হইতো।আমার গাছের পেঁয়ারা স্যার,খান,খুব মিষ্টি "।পেঁয়ারা খাচ্ছি আর ভাবছি মনুষ্যত্ব জিনিসটা অন্যরকম।


আরো ছয় মাস কে'টে গেলো।কলিগ এখনো টাকা ফেরত দেয়নি।বুঝলাম দামী কাপড়,দামী পরিবেশে থেকেও অনেকে মনুষ্যত্বের অধিকারী হতে পারে না।


গল্প  মনুষ্যত্ব 

লেখক  জয়ন্ত_কুমার_জয় 


সামাজিক রোমান্টিক গল্প পেতে পেজটা ফলো করে রাখতে পারেন। Nita Sha

সোমবার, ৪ মার্চ, ২০২৪

দাওয়াত ও হিকমাহ,,,,,,, salsabil,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 দাওয়াত ও হিকমাহ


হিকমাহ শব্দের অর্থ প্রজ্ঞা। বস্তুত: যাবতীয় বিষয় বস্তুকে সঠিক জ্ঞান দ্বারা জানাকে হিকমাত বলে।


হিকমাহ হল সঠিকভাবে ইসলাম বা রসুলের সুন্নাহ মেনে চলা। হিকমাহ একেক ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে। দাওয়াতের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট সত্য বলা যেমন হিকমাহ তেমনি জেহাদের ক্ষেত্রে কৌশল হিসেবে মিথ্যা বলাও হিকমাহ। অনেকে হিকমাহর ভুল ব্যাখা করে সত্যকে পাশ কাটিয়ে যায় বা আড়াল রেখে, সুস্পষ্ট তুলে ধরে না।


আসুন দেখি! এ ব্যাপারে কুরআন কী বলে?


“আর অবশ্যই আমি কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য, তাই উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?”


সূরা আল-ক্বামার, আয়াত: ১৭, ২২, ৩২, ৪০


“(হে নবী) আসলে আমি তোমার ভাষায় একে (কুরআনকে) সহজ করে দিয়েছি, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।”


সূরা আদ-দুখান, আয়াত: ৫৮


“(হে নবী) আসলে আমি তোমার ভাষায় একে (কুরআনকে) সহজ করে দিয়েছি, যেন তুমি এর দ্বারা মুত্তাকীদেরকে সুসংবাদ দিতে পার আর এর দ্বারা বিবাদকারী ঝগড়াটে লোকদেরকে সতর্ক করতে পার।”


সূরা মারইয়াম, আয়াত: ৯৭


“এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্য আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা চিন্তা-ভাবনা কর।”


সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২১৯, ২৬৬


“এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা সঠিক পথ প্রাপ্ত হও।”


সূরা আলে-ইমরান, আয়াত: ১০৩


“এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা শোকর আদায় কর।”


সূরা আল-মায়িদাহ, আয়াত: ৮৯


“এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্য আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করছেন এবং আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।”


সূরা আন-নূর, আয়াত: ৫৮, ৫৯


“আর আল্লাহ তোমাদের জন্য আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করছেন এবং আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।”


সূরা আন-নূর, আয়াত: ১৮


“আর মানুষের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ স্পষ্টরূপে বর্ণনা করেন, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।”


সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২২১


“অবশ্যই আমি আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছি সেই লোকদের জন্য যারা দৃঢ় বিশ্বাস রাখে।”


সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ১১৮


“নিশ্চয়ই তোমাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ হতে একটি আলোকবর্তিকা ও একটি স্পষ্ট কিতাব এসেছে।”


সূরা আল-মায়িদাহ, আয়াত: ১৫


“এটি হচ্ছে মানুষের জন্য সুস্পষ্ট বর্ণনা এবং মুত্তাকীদের জন্য হেদায়াত ও উপদেশ।”


সূরা আলে-ইমরান, আয়াত: ১৩৮




হিকমাহ উদাহরণ দিয়ে গেছেন রসুলগন। 

মুসলিম জাহানের পিতা ইব্রাহিম (আ:) শিরকে লিপ্ত জাতির ভুল ভাঙ্গতে, বিবেক জাগ্রত করতে হিকমাহ ও সাহসিকতার  সহিত দাওয়াত দেন।


কুরআনে বর্নিত -

আর, আমি ইতিপূর্বে ইব্রাহীমকে তার সৎপন্থা দান করেছিলাম এবং আমি তার সম্পর্কে সম্যক পরিজ্ঞাত ও ছিলাম।যখন তিনি তাঁর পিতা ও তাঁর সম্প্রদায়কে বললেন, এই মূর্তিগুলো কী, যাদের তোমরা পূজারী হয়ে বসে আছ।

তারা বললঃ আমরা আমাদের বাপ-দাদাকে এদের পুজা করতে দেখেছি।তিনি বললেন, তোমরা প্রকাশ্য গোমরাহীতে আছ এবং তোমাদের বাপ-দাদারাও (সুরা আম্বিয়া -৫১ -৫৪)


আল্লাহ বলেন- 

আর সেই সময়টুকু  স্মরণীয় যখন ইবরাহীম স্বীয় পিতা আযরকে বলিলেন, তুমি কি মূতিগুলিকে মা‘বুদ সাব্যস্ত করছো? নিশ্চয় আমি তোমাকে ও তোমার গোটা সম্প্রদায়কে স্পষ্ট ভ্রান্তির মধ্যে দেখছি। আর আমি এইরূপেই ইব্রাহীমকে আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টিসমূহ প্রদও নির্দেশন দেখায় যাতে তিনি বিশ্বাসীদের অন্তর্ভুক্ত হয়।


অত:পর যখন রাত্রির অন্ধকার তাকে আচ্ছন্ন করল , তখন তিনি একটি তারকা দেখলে  বললেন, ( তোমাদের মতে) এটা আমার রব !?(তার জাতির ভুল ভাঙ্গতে  কৌশল করেছিলেন)


অতপর যখন তা ডুবে গেলো, তখন তিনি বললেন, যে ডুবে যায় আমি তাকে ভালবাসি না।


অত:পর যখন দেখলেন চাঁদকে উদিত হতে, তখন বললেন, (তোমাদের মতে)এটা  আমার রব!?  অতপর যখন সেটিও ডুবে গেলো, তখন তিনি বললেন, যদি আমাকে আমার প্রতিপালক পথপ্রদর্শন না করতেন। 

 তাহলে আমিও পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবো।


অত:পর যখন সূর্যকে দেখলেন উজ্জ্বলরূপে উদিত অবস্থায় , বললেন , (তোমাদের মতে)এটা আমার রব?


  এটাতো সর্বাপেক্ষা বৃহৎ , অতপর যখন তাও ডুবে গেলো,তিনি বললেন, হে আমার সম্প্রদায় ! নিশ্চয় আমি তোমাদের অংশীবাদের প্রতি অসন্তুষ্ট।


إ


 আমি একাগ্রতার সহিত স্বীয় মুখমন্ডল তারই দিকে ফিরছি  যিনি আসমানসমূহ ও যমীনকে সৃষ্টি করেছেন, এবং আমি মুশরিকদিকের অন্তর্ভুক্ত নই।

(সুরা আল আনআম:৭৪ -৭৯)


আজ ও দেখুন আল্লাহ ব্যতীত যাদের বিধানদাতা  মানা হয়,কুরআনের বিপরীত যেসব বিধান মানা হচ্ছে - সময়ের সাথে সাথে সেসব বিধানদাতা, বিধান হারিয়ে যায়!?

ক্ষমতা থাকা/. শেষ হবার পরই তাদেরই  উপর আযাব নেমে আসে, তাদের বিধানগুলো তাদের আইন-সভায় সংশোধনের প্রয়োজন হয়।

অথচ আমাদের রব কুরআনের বিধান সবযুগেই চিরন্তন অপরিবর্তনীয় ইনসাফ ও আদলে পরিপূর্ণ  


আজও অধিকাংশ মানুষ  যুগ যুগ ধরে বাপ দাদার নীতি অনুসরণ করে শিরক,কুফর,বিদআতে লিপ্ত। 


ইব্রাহিম আ  তার পিতা ও নিজ জাতিকে হিকমাহর সহিত দাওয়াত দিয়েছিলেন।


ইব্রাহিম আ  মূর্তি ভেঙ্গেছিলেন তার জাতির ভুল ভাঙ্গাতে - 

যেন তারা শিরক ছেড়ে দিয়ে এক আল্লাহর ইবাদত করে জাহান্নামের আগুন  হতে রক্ষা পায় কিন্তু অথচ তার জাতি এতটা জাহেলিয়াতে অটল ছিল উল্টো তাকেই আগুনে ফেলে দেয়।

-

কুরআনে বর্নিত -

পরে তিনি চুপিচুপি তাদের দেবতাগুলোর কাছে গেলেন এবং বললেন, তোমরা খাদ্য গ্রহণ করছ না কেন?


তোমাদের কি হয়েছে যে, তোমরা কথা বল না?


অতঃপর তিনি তাদের উপর সবলে আঘাত হানলেন।


তখন ঐ লোকগুলো তার দিকে ছুটে আসল।

তিনি বললেন, তোমরা নিজেরা যাদেরকে খোদাই করে নির্মাণ করা তোমরা কি তাদেরই ইবাদাত কর?


অথচ, আল্লাহই সৃষ্টি করেছেন তোমাদেরকে এবং তোমরা যা তৈরি করো তাও।( সুরা আস- সাফফাত ৯১-৯৭)


একটু ভাবুন আমরা নিজেদের মিল্লাতে ইব্রাহিম দাবি করি - অথচ আল্লাহর পরিবর্তে যাদের বিধানদাতা ও কুরআনের পরিবর্তে যাদের বিধান মানা হয়,মূর্তির কারিগর মতো ওদের বিধান দেওয়ার  ক্ষমতা আমরাই দি অথবা আমাদের অক্ষমতাই ওরা আমাদের উপর চেপে বসে।

এখন কোন মুমিন যদি ইব্রাহিম( আ) 

মত ভুল ভাঙ্গাতে এসব বিধানদাতার মূর্তি ভাঙ্গে  বা যুগ যুগ ধরে চলে আসা  শিরকী  সংস্কৃতি বিরোধিতা করে -

(যে বিধানদাতার মরে যায়,মরলে পচে যায়, সময়ের সাথে সাথে তাদের সমর্থকরাই তাদের বিধানের সমালোচনা করে পরিবর্তন করে তাদেরকে আর্দশ মেনে নেওয়া মূর্তিপূজারীদের মত নয় কি!!)

তখন আপনারা কার পক্ষে থাকবেন ইব্রাহিম( আ)  আর্দশ অনুসারী মুমিনের নাকি নমরুদের অনুসারীর মতো তার শাস্তির দাবি জানাবেন!?

সুখসাগর জাতের অরিজিনাল পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন পদ্ধতি দেখুন আর আমাদের সাথেই থাকুন,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সুখসাগর জাতের অরিজিনাল পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন পদ্ধতি দেখুন আর আমাদের সাথেই থাকুন।

অবিশ্বাস্য বেশি ফলনশীল জাতের পেঁয়াজ সুখসাগর।যা বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ফলনশীল জাতের পেঁয়াজ।যা সারা বছর ধরে ঘরে সংরক্ষন করা যায়।

আমরাই দিচ্ছি সাশ্রয়ী মুল্যে অরিজিনাল সুখসাগর জাতের পেঁয়াজ এর দানা বীজ এর নিশ্চয়তা।

এ বছর ইতোমধ্যে সুখসাগর জাতের পেঁয়াজ এর দানা বীজ দাম বেশি হতে চলছে। সুতরাং বীজ ক্রয় করতে আপনারা অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করবেন। কারন বীজের দাম বেশি হলে কিছু অসাধু বীজ ব্যাবসায়ীরা বীজের মধ্যে ভেজাল জাতের বীজ মিশিয়ে ব্যাবসা করে থাকে যার ফলে কৃষক ক্ষতির সম্মুখীন হয়।

আল্লাহর রহমতে আপনাদের দোয়ায় আমরা সফলতার সহিত এগিয়ে চলেছি সুখসাগর জাতের পেঁয়াজ এর চাষ  সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিতে।

সারা বাংলাদেশ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়ার পর এবং চার বছরের অভিজ্ঞতা ও সফলতার আলোকে আমাদের  কোম্পানির নিজস্ব তত্ত্বাবধানে জমিতে উৎপাদনকৃত পেঁয়াজ এর দানা বীজ জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসের লাইসেন্স এর মাধ্যমে দানা বীজ পরীক্ষা করে প্যাকেটজাত করে বীজ বিক্রয় করে থাকি।

"সুখসাগর" জাতের পেঁয়াজ ছিটানো বা বপন পদ্ধতিতে এক বিঘাতে (৩৩শতকে) ১৪০ - ১৮০মন এবং রোপন বা চারা লাগানো পদ্ধতিতে ১২০ - ১৫০ মন ফলন পেতে এবং

নির্ভেজাল সুখসাগর জাতের পেঁয়াজ এর প্যাকেটজাত দানা বীজ ক্রয় করতে আমাদের নিকট যোগাযোগ করুন। 

আশা করছি অরিজিনাল সুখসাগর জাতের পেঁয়াজ এর দানা বীজ প্যাকেটজাত করে পাইকারি ও খুচরা দানা বীজ আপনাদের দিতে পারব ইনশাআল্লাহ।

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুনঃ-

মোঃ হাসানুর জামান। 

মোবাইলঃ- ০১৯১৪৬৫৩৩১২.০১৭৭৭৬৩৮৩৮১.

গ্রামঃ- দারিয়াপুর।

উপজেলাঃ- মুজিব নগর। 

জেলাঃ- মেহেরপুর। 

আরো বিস্তারিত জানতে" সুখসাগর লাল পেঁয়াজ "নামে ফেসবুক ও ইউটিউব গিয়ে ঘুরে আসুন।

একদিন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) হযরত আলী (রাঃ) কে বলেছিলেন "ঘুমাতে যাওয়ার আগে ৫টি কাজ প্রতিরাতে করবে

 --একদিন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) হযরত আলী (রাঃ) কে বলেছিলেন "ঘুমাতে যাওয়ার আগে ৫টি কাজ প্রতিরাতে করবে"

১..৪ হাজার দিনার সদকা করবে।

২..একটি কুরআন খতম করবে।

৩..জান্নাতের মূল্য পরিশোধ করবে।

৪..দুজন ব্যক্তি যদি দুজনের উপর রাগ করে থাকে তাইলে সেই রাগ ভাঙ্গিয়ে তাদেরকে খুশি করে তুলবে।

৫..একবার হজ্জ করবে, তারপর ঘুমাতে যাবে।

---হযরত আলী (রাঃ) তখন বললেন "হে রাসূলুল্লাহ! এটা তো মনে হচ্ছে অসম্ভব,আমি এই পাঁচটি কাজ কিভাবে করতে পারবো?


--তখন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বললেন:


১.. "সূরা ফাতিহা ৪বার পড়লেই চার হাজার দিনার সদকা করার সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে"


২.. "সূরা ইখলাস ৩বার পড়লে একটি কুরআন খতমের সাওয়াব পাবে"


৩.. "তিনবার যেকোনো একটি দরুদ শরীফ পড়বে, তাহলে জান্নাতের মুল্য পরিশোধ করার সমপরিমাণ সাওয়াব পাওয়া যাবে। যেমন সবচেয়ে ছোট দরুদ শরীফ হচ্ছে "সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম"


৪.."যেকোনো ইস্তাগফার বা আস্তাগফিরুল্লাহ ১০বার পাঠ করলে দুজন অখুশি মানুষকে খুশি করার সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে"


৫.."সর্বশেষ কালেমা শাহাদত চারবার পাঠ করলে একটি হজ্জ সমপরিমাণ সাওয়াব পাওয়া যাবে"


সুবাহানাল্লাহ 🌺🌿 আমরা যদি সারাদিন এর ব্যস্ততা সরিয়ে আল্লাহ্ তায়ালা কে দুই ঘণ্টা সময় দেই মন থেকে  আমাদের আল্লাহ্ বেশি কিছু চাই না আমাদের থেকে ,,,

আমাদের আল্লাহর একটাই চাওয়া তোমরা তোমাদের কিছু টা সময় আমাকে দাও আমি তোমাদের আমার সব টা দিয়ে দিবো হে আমার বান্দারা।।

 

আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের সবাইকে বোঝার জন্য উত্তম তৌফিক দান করুন আমীন 🤲🥀🌺


আপনি যদি মনে করে থাকেন লেখাটা সেয়ার কারলে কোন মুসলমান ভাইয়ের উপকার হতে পারে তাহলে সেয়ার করুন, আল্লাহ্ র ইচ্ছায় আপনারও উপকৃত হতে পারেন!

৬  দিনের চেষ্টায় ভারতের কর্ণাটকের জঙ্গলে তোলা হয়েছে ব্ল্যাক প্যান্থার এবং চিতাবাঘের অবিশ্বাস্য এই ছবিটি!,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ৬ দিনের চেষ্টায় ভারতের কর্ণাটকের জঙ্গলে তোলা হয়েছে ব্ল্যাক প্যান্থার এবং চিতাবাঘের অবিশ্বাস্য এই ছবিটি!

ছবিটি দেখে মনে হচ্ছে একটি চিতাবাঘ দাঁড়িয়ে আছে এবং পিছনে তার ছায়া পড়েছে৷ অবশ্য এটি আদতে এমন কিছু নয়। বরং এটি একটি চিতাবাঘ এবং ব্ল্যাক প্যান্থারের দুর্লভ ছবি। 


=>মিথুন নামের এক ফটোগ্রাফার ছয় দিনের প্রচেষ্টায় ভারতের কর্ণাটকের কাবিনি সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ছায়া নামের দুর্লভ ব্ল্যাক প্যান্থার এবং ক্লিওপেট্রা নামক চিতাবাঘের ছবিটি তোলেন৷ 


অবশ্য এখন নয় বরং ২০২০ সালের ছবি এটি। ফটোগ্রাফারের তথ্য অনুযায়ী ছবিটি তোলার সময় এই দম্পতির এক সাথে থাকার ৪ বছর পূর্ণ হয়েছিল৷


আসাধারণ  একটি ছবি 🤩



নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...