এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০২৪

ছোটগল্প আদর্শ_নারী  (ছদ্মনাম) ---- ফেইসবুক থেকে নেওয়া

খুব ছোটবেলায় সকালে ঘুম থেকে উঠে চোখ কচঁলাতে কচঁলাতে দেখতাম আব্বু বাথরুমে গেলে আম্মা এদিক ওদিক তাকিয়ে আব্বুর পকেট থেকে টাকা সরিয়ে রাখতো। 


চোখ বড় বড় করে যখন বলতাম,

- 'আম্মা তুমি কি আব্বুর পকেট থাকে টাকা চুরি করো?'


আচমকা আম্মা আঁতকে উঠতেন। তারপর মুখে আঙুল দিয়ে ফিসফিস করে বলতেন,


- 'চুপ চুপ তোর আব্বু শুনতে পাবে।' 


ব্যপারটা আমার কাছে খারাপ লাগতো। ‘তুমি না বলে কেন টাকা নিবা? আব্বু চাইলেই তো টাকা দিবে তোমায়।’ কিন্তু সাহস করে বলতে পারতাম না।  


.


বাজার থেকে চালের বস্তা আনার পর রান্নার সময় মেপে মেপে যখন চাল নিতেন তখন সেখান থেকে এক মুঠ চাল একটা ডিব্বার মধ্যে রাখতেন। চালের বস্তা যখন শেষ হয়ে যেতো বা কোনো কারণে চাল আনতে দেরি হলে আম্মা সেই চাল রান্না করতেন।


মাছ মাংসের ক্ষেত্রেও তা। আব্বু বাজার থেকে মাছ মাংস আনলে এক টুকরো বা দুই টুকরো করে রেখে দিতেন ফ্রিজে। সেগুলো জমে যখন অনেকগুলো হতো সেদিন আম্মা বিরিয়ানি রান্না করতেন। খাবার টেবিলে বসে যখন আব্বু জিজ্ঞেস করতো,


- 'কি ব্যাপার আজ বিরিয়ানি? কিন্তু আমি তো আজ বাজার থেকে মাংস আনিনি।'


আম্মা চোখ রাঙানি দিয়ে বলতেন,

- 'এতো কথা বলো কেন? রান্না করেছি খাও। এতো কিছু জিজ্ঞেস করো কেন?"


তারপর আব্বু কোনো কথা না বলে চুপচাপ খেয়ে উঠে যেতো।


.


ইদের সময় আব্বু যখন আম্মার কাছে টাকা দিতো ইদের শপিং করার জন্য তখন আম্মা তিন ভাগের এক ভাগ টাকা রেখে দিতো নিজের কাছে। আর দুই ভাগ টাকা দিয়ে ইদের শপিং করতো। খুব রাগ হতো তখন। ভাবতাম সব টাকা আম্মা নিজের জন্য রাখে। নিজের জন্য ভালো ভালো কাপড় কিনে।


আমার সকল ধারনা ভুল প্রমাণিত হয় আমি সাবালিকা হওয়ার পর। কোনো এক বোর্ড পরীক্ষায় আমি খুব অসুস্থ হয়ে পড়লাম। ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বললেন অপারেশন করতে হবে। আব্বুরও ব্যবসা লস। টানাটানি চলছে সেই সময় পুরো চিকিৎসার টাকা আম্মা দিলো। আমি তখনো জানতাম না এসব টাকা আম্মার। পরে অবশ্য জেনেছিলাম।


.


তারও কয়েক বছর পরের কথা গ্রাম থেকে খবর এলো আমাদের জমির পাশের জমি বিক্রি হবে। দুই জমির এক লাইল। আব্বু কিনবে না কিনবে না করেও বললেন কিনবো। সব টাকা যোগার করার পর দেখা গেলো আরো আড়াই লক্ষ টাকা সর্ট। হুট করে একসাথে এতোগুলা টাকা কেউ দিতে রাজি হলো না।


সেই সময় আম্মা দিলো আড়াই লক্ষ টাকা। একজন চব্বিশ ঘণ্টা সংসারের পিছনে ছুটে চলা নারীর আড়াই লক্ষ টাকা দেওয়া চাট্টিখানি কথা না। সবাই অবাক হয়েছিল কিন্তু সবার আড়ালে হেসেছিল আব্বু। আমার জহুরির চোখ সেটা ধরে ফেলেছিলো। আব্বু সেই জমি আম্মার নামে কিনলেন।


.


আমার বিয়ের দিন আমাকে সাজানোর পর আম্মা রুমে এলেন এবং সবাইকে বের করে দিলেন সেখান থেকে। দুটো বালা আমার হাতে পড়িয়ে দিতে দিতে বললেন,


- 'তোমার গুণধর বাপ বহু বার ব্যবসায় লস খাইসে। তার খেসারত দিতে হয়েছে আমাকে। প্রথম বার লস হয় তুমি ভূমিষ্ট হবার পর। সে সময় নিজের ধারদেনা দেওয়ার জন্য সে আমার শখের গয়না গুলো বিক্রি করে। আমি তোমাকে বুকে জড়িয়ে কান্না করেছিলাম।


টানা একমাস তোমার গুণধর বাপের সাথে কথা বলি নাই আমি অভিমানে। এরপর ব্যবসায় যখন লাভ হলো তখন তার থেকেও বেশি গয়না আমাকে গড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু সেগুলো?


সেগুলো আর তো পাইনি। ছোটবেলায় বলতে না, ‘আম্মা তুমি কি আব্বুর পকেট থেকে চুরি করো?’ এই চুরির টাকায় তোমার মা অনেক কিছু করেছে। এই বুদ্ধি তোমার নানু আমায় দিয়েছে। সংসারের মেয়েদের টাকা উড়ালে হবে না। বরং সঞ্চয়ী আর হিসেবি হতে হয়। মানুষের অবস্থান কই থেকে কই চলে যায় বলা তো যায় না। সংসার কিন্তু মেয়েরাই ধরে রাখে। সংসারের উন্নতি আর অবনতি একটা মেয়ের হাতে থাকে। আশা করি তুমিও আমার মতো হবে।'


.


এক বর্ষণমুখর সন্ধ্যায় আব্বুর সাথে বারান্দায় বসে শ্বশুরবাড়ির গল্প করছি। আর আম্মা রান্নাঘরে খিচুড়ি রান্না করছে। গল্পের এক ফাঁকে আব্বু তার মোটা ফ্রেমের কালো চশমাটা চোখ থেকে নামালেন। আর বললেন,


- 'আমার দৃষ্টিতে তোমার আম্মা একজন আদর্শ নারী। ব্যবসায়িক খাতে অভিজ্ঞ হওয়ার পরও অসতর্কতার জন্য আমি বহুবার লস খেয়েছি। তোমার আম্মা আমাকে ততবারই সাপোর্ট করেছে। টানাটানির দিনও গেছে আমাদের তখন তুমি খুব ছোট।


অন্য সব নারী হলে অভাব দেখলে দৌড়ে পালাতো কিন্তু সে আমাকে মেন্টালি সাপোর্ট করে গেছে। আমার পকেট থেকে যে তোমার মা রোজ সকালে টাকা রাখে এই ব্যপার টা আমি জানি। আমি যে জানি সেটাও তোমার মা জানে। তাইতো সব সময় আমি আমার পকেটে পঞ্চাশ কিংবা একশো টাকা রাখতাম তোমার মায়ের জন্য। সে আমার পরিপূর্ণতা।


সে না থাকলে কবেই তলিয়ে যেতাম। একজন স্বামীর একজন স্ত্রীর সাপোর্ট পাশে থাকা যে কি বলে বোঝাতে পারবো না। আমি চাইবো তুমিও নিজেকে তোমার মায়ের মতো গড়ে তুলো। যেন তোমার স্বামীও একদিন তোমাকে নিয়ে গর্ব করে। তোমার আম্মাকে আমি মাঝে মাঝে বলি এতো কিছুর পরও আমাকে ছেড়ে কেন গেলে না? তোমার আম্মা কি বলে জানো?'


আমি আব্বুর দিকে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকালাম।

তারপর তিনি বললেন,


- 'বলে তোমাকে বিয়ে করেছি তোমার হাড়মাস জ্বালিয়ে খাওয়া না অব্দি তোমার রেহাই নেই।'


বলেই তিনি হু হু করে হাসতে লাগলেন, তৃপ্তির হাসি! সেই হাসিতে ছিলো মনের মতো জীবনসঙ্গী পাওয়ার উপচে পড়া আনন্দ।


(সমাপ্ত)...


ছোটগল্প

আদর্শ_নারী  (ছদ্মনাম)

----

গল্পটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন। আর কমেন্টে আপনার মূল্যবান মন্তব্য জানাতে ভুলবেন না।🥰

মন ছুঁ'য়ে যেতে নতুন নতুন গল্প পেতে আমার আইডি ফলো করে রাখুন 🥰 👉 তানিয়া আক্তার

মৌখামারে চিনির আবশ্যকতা,,,,ফেইসবুক থফ

 মৌখামারে চিনির আবশ্যকতা

আমরা জানি মধু সংগ্রহের উৎস প্রধানত দুটি। এক- প্রাকৃ‌তিক প‌রিবে‌শে নির্মিত মৌচাক থেকে এবং দ্বিতীয়ত - মৌমাছি প্রতিপালন বা চাষের মাধ্যমে। এছাড়া আর কোনো ভাবেই মধু পাওয়া সম্ভব নয়। 

জীবন ধারণের জন্য অন্যান্য প্রা‌ণীর ন্যায় মৌমাছিদেরও খাদ্যের প্রয়োজন হয়।8 মৌমাছি তাদের শর্করা জাতীয় খাদ্য হিসেবে ফুল থেকে পুষ্পরস বা নেকটার এবং আমিষ জাতীয় খাদ্যের চাহিদা পূরণের জন্য ফুলের পুংকেশর থেকে পরাগরেণু বা পোলেন  গ্রহণ করে। যা একমাত্র বিভিন্ন মৌসুমের প্রস্ফুটিত ফুল, ফল ও বিভিন্ন উদ্ভিদ থেকে মৌমাছি নিজেরাই সংগ্রহ করে।

প্রাকৃ‌তিক প‌রিবে‌শে গড়ে উঠা মৌচাকে অবস্থানরত হাজার হাজার মৌমাছি তাদের নিজেদের সংগৃহীত প্রয়োজনীয় খাদ্য খাওয়ার পর উদ্বৃত্ত খাদ্য মধুতে রূপান্তরিত করে ভবিষ্যতের জন্য মৌচাকে জমা করে রাখে। তবে প্রাকৃ‌তিক প‌রিবে‌শে ফুলের প্রাচুর্যতা কমে গেলে এবং মৌ কলোনিতে খাদ্যাভাব পরিলক্ষিত হলে জীবন ধারণের জন্য নতুন কোনো খাবারের সন্ধান পেলে তারা স্থান পরিবর্তন করে নতুন কোনো স্থানে গিয়ে বসতি স্থাপন করে।

অপর দিকে মৌমা‌ছির খামারে একসাথে শত শত বাক্সে মৌমাছি প্রতিপালন করা হয়। এখা‌নে লক্ষ লক্ষ মৌমাছির বসবাস। প্রাকৃ‌তিক প‌রিবে‌শে ফুলের প্রাচুর্যতা কমে গেলে স্বাভাবিক ভাবেই মৌ কলোনিতে খাদ্যাভাব দেখা দেয়। তখন খামার মালিকদেরকে মৌমাছির জন্য বিকল্প খাদ্যের যোগান দিতে হয়। 

আমাদের দেশে সাধারণত গ্রীষ্মের প্রচন্ড দাবদাহ এবং বর্ষা মৌসুমে মৌমাছির প্রাকৃ‌তিক খাদ্যের যোগান অনেকাংশে কমে যায়। এ সময় মৌমাছির জীবন বাঁচাতে মৌকলোনিতে কৃত্রিম খাদ্য সরবরাহ করা জরুরী হয়ে পড়ে।

মৌমা‌ছির কৃত্রিম খাদ্যের মধ্যে যা সহজলভ্য তা হলো "চিনি"। যা ঘন সিরাপ আকারে মৌমাছিকে খাওয়ানো হয়। এছাড়া অন্যান্য মিষ্টি জাতীয় খাদ্য খাবার হিসেবে মৌমাছিকে অভ্যস্ত করতে পারলে তাদের খাওয়ানো যেতে পারে। যেমন - আখের গুড়, আখের রস, খেজুর গাছের রস, খেজুরের গুড়, তাল গাছের রস, তালের গুড়, গোল পাতার রস ও গুড়, সুগার বিট এর রস, গাজর, তরমুজ এবং বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি ফল মূল ইত্যাদি।

চিনি ছাড়া অন্যান্য যে সকল মিষ্টি জাতীয় খাদ্যদ্র‌ব্য বিকল্প হিসেবে মৌমাছির খাদ্য হিসেবে বিবেচিত সেগুলোর মধ্যে একমাত্র তরমুজ ও তালের রস ছাড়া সবই প্রায় আমাদের দেশে সাধারণত শীত মৌসুমে পাওয়া যায়। কিন্তু শীতকালে প্রকৃ‌তিতে প্রচুর ফুল ফোটে এজন্য সে সময় মৌমাছির খাদ্যের অভাব দেখা যা‌য় না। গ্রীষ্মের শেষে ও বর্ষাকালে যখন খাদ্যাভাব দেখা যায় তখন বিকল্প খাদ্য হিসেবে একমাত্র চিনিই সহজলভ্য।

মৌমা‌ছির বিকল্প খাদ্য হিসেবে চিনির সিরাপ বা সরবত খাওয়ানো হলেও তা শুধুমাত্র মৌমাছির জীবন বাঁচানোর জন্য, মধু উৎপাদনের জন্য নয়। মৌমাছি বিভিন্ন ফু‌ল ও ফল থেকে যে তরল, আঠা‌লো ও মিষ্টি স্বাদযুক্ত পদার্থ সংগ্রহ করে তা মধু পাকস্থলীতে বিভিন্ন ধরণের এনজাইম, জৈব অম্ল, জীবাণু নাশক এবং অন্যান্য উপকারী পুষ্টিগুণ সম্পন্ন পদার্থে সমৃদ্ধ হয়ে অনেক জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘনিভূত হয়ে মধুতে রূপান্তরিত হয়। যা শুধু মাত্র চিনি থেকে সম্ভব নয়।




পালসার ষ্টার হল এমন স্টার যারা প্রতিনিয়ত প্রচন্ড বেগে ঘুরতে ঘুরতে রেডিয়েশন করতে থাকে অর্থাৎএকটি অত্যন্ত চৌম্বক আবর্তিত নিউট্রন তারকা,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 *পালসার ষ্টার হল এমন স্টার যারা প্রতিনিয়ত প্রচন্ড বেগে ঘুরতে ঘুরতে রেডিয়েশন করতে থাকে অর্থাৎএকটি অত্যন্ত চৌম্বক আবর্তিত নিউট্রন তারকা, যা একটি নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কে উচ্চ তীব্রতার তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ নির্দিষ্ট দিকে বিকিরণ করে থাকে। যেহেতু এই তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ পালস্ হিসাবে লক্ষ করা যায় তাই এদের নাম “পালসার”।

*এগুলো প্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৯৬৭ সালে বিজ্ঞানী জোসলিন বেল এর মাধ্যমে।

*কিন্তু বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে এই পালসার টা সম্পর্কে   ১৪০০ বছর আগের গ্রন্থ আল কোরআনে উল্লেখ করা আছে।

আল্লাহ সূরা তারিকের এক থেকে চার আয়াতে বলেন

'শপথ জান্নাত ও তারিকের। তোমরা কি জানো তারিখ কি। এটা হচ্ছে ভেদ কারী তারা।'

*১.তারিক অর্থ হচ্ছে টোকা দেওয়া। দরজায় যখন কেউ টোকা দেয় তখন আরবিতে তাকে তারিক বলা হয়।

এখন আল্লাহতালা শপথ করতেছেন টোকা দানকারী তারার। আপনি জানলে অবাক হবেন পালসার স্টার এর সাউন্ড দরজায় টোকা দেয়ার মতই হয়। চাইলেই শুনতে পারেন https://youtu.be/PDbw3runD_g?si=LaauDd23sv9WzcEL

২. আবার  তৃতীয় আয়াতে বলা হয়েছে ভেদ কারী তারা হিসেবে।great spacing.com এ প্রকাশিত 'pulsar pierced a star disk' নামে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে কিভাবে নাসা এর চন্দ্র এক্সরে অবজারভেটরি ৭৫০০ আলোকবর্ষ দূরে ডাবল star system (b1259) এর সাথে একটি পালসার এর সংঘর্ষে ,পালসার টি সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট প্লেটের (gas cluster) মধ্য দিয়ে ভেদ করে। আমি স্ক্রিনশট দিচ্ছি চাইলে দেখে নিতে পারেন। 

*এখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে কোরআন বলতেছে এমন তারার কথা যেটি একই সাথে ভেদ করে কোন কিছু কে আবার দরজায় টোকা দেওয়ার মত শব্দ ও করে।

এটা স্পষ্টই  pulsar star কারণ একমাত্র পালসার স্টার ই রেডিয়েশন করে এবং টোকা দেয়ার মত শব্দ করে।

*এখন প্রশ্ন হচ্ছে কি করে একজন  ব্যক্তি 1400 বছর আগে pulsar star সম্পর্কে বলতে পারে??




হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর। এটি এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর। এটি এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি। এর আয়তন ১৮,১১৫ হেক্টর, তন্মধ্যে শুধুমাত্র বিলের আয়তন ৪,৪০০ হেক্টর। এটি মৌলভীবাজার জেলার় বড়লেখা (৪০%), কুলাউড়া (৩০%), এবং সিলেট জেলার় ফেঞ্চুগঞ্জ (১৫%), গোলাপগঞ্জ (১০%) এবং বিয়ানীবাজার (৫%) জুড়ে বিস্তৃত। ভূতাত্ত্বিকভাবে এর অবস্থান, উত্তরে ভারতের মেঘালয় পাহাড় এবং পূর্বে ত্রিপুরা পাহাড়ের পাদদেশে। ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের কারণে উজানে প্রচুর পাহাড় থাকায় হাকালুকি হাওরে প্রায় প্রতি বছরই আকস্মিক বন্যা হয়। এই হাওরে ৮০-৯০টি ছোট, বড় ও মাঝারি বিল রয়েছে। শীতকালে এসব বিলকে ঘিরে পরিযায়ী পাখিদের বিচরণে মুখর হয়ে উঠে গোটা এলাকা। অতিথি পাখি দেখতে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস হচ্ছে হাকালুকি হাওর ভ্রমণের আদর্শ সময়। এ সময় হাওরের চারপাশ অতিথি পাখির কোলাহলে মুখর হয়ে থাকে।



টেমস নদীর মুখে কডের জন্য মাছ ধরতে গিয়ে 43 বছর বয়সী ইংরেজ জেলে স্টিভ গোয়ান তার স্ক্রু-অন রাবার স্টপার দিয়ে সবুজ আদা-বিয়ারের বোতলটি পান!,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 টেমস নদীর মুখে কডের জন্য মাছ ধরতে গিয়ে 43 বছর বয়সী ইংরেজ জেলে স্টিভ গোয়ান তার স্ক্রু-অন রাবার স্টপার দিয়ে সবুজ আদা-বিয়ারের বোতলটি পান!


বোতলটি যত্ন সহকারে খোলার পর তিনি খুঁজে পেয়েছিলেন হিউজের একটি কভারিং নোটসহ ফাইন্ডারের চিঠি!


কভারিং চিঠি ছিলো...


 "Sir or madam, youth or maid," read an emotional Crowhurst.


 "Would you kindly forward the enclosed letter and earn the blessing of a poor British soldier on his way to the front this ninth day of September, 1914. Signed Private T. Hughes, Second Durham Light Infantry. Third Army Corp Expeditionary Force."


 The simple love letter to Hughes' wife, Elizabeth, was short.


যার বাংলা অর্থ ছিলো...


 "স্যার বা ম্যাডাম, যুবক বা যুবতী," একটি আবেগময় ক্রোহার্স্ট পড়ুন।


 "আপনি কি অনুগ্রহ করে সংযুক্ত চিঠিটি ফরোয়ার্ড করবেন এবং 1914 সালের সেপ্টেম্বরের এই নবম দিনে ফ্রন্টে যাওয়ার পথে একজন দরিদ্র ব্রিটিশ সৈনিকের আশীর্বাদ অর্জন করবেন। স্বাক্ষরিত প্রাইভেট টি. হিউজ, সেকেন্ড ডারহাম লাইট ইনফ্যান্ট্রি। থার্ড আর্মি কর্প এক্সপিডিশনারি ফোর্স।"


হিউজের স্ত্রী এলিজাবেথের কাছে সহজ প্রেমের চিঠিটি ছোট ছিল!


চিঠিটা ছিলো...


 "Dear Wife, I am writing this note on this boat and dropping it into the sea just to see if it will reach you."


 "If it does, sign this envelope on the right hand bottom corner where it says receipt. Put the date and hour of receipt and your name where it says signature and look after it well."


 "Ta ta sweet, for the present. Your Hubby."


যার বাংলা অর্থ...


 "প্রিয় স্ত্রী, আমি এই নোটটি এই নৌকায় লিখে সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছি শুধু দেখতে যে এটি আপনার কাছে পৌঁছাবে কিনা।"


 "যদি তা হয়, এই খামের ডানদিকের নিচের কোণায় যেখানে রসিদ লেখা আছে সেখানে স্বাক্ষর করুন। প্রাপ্তির তারিখ ও ঘন্টা এবং যেখানে স্বাক্ষর লেখা আছে সেখানে আপনার নাম দিন এবং ভালোভাবে দেখভাল করুন।"


 "টা টা সুইট, এখনের জন্য। 

তোমার স্বামী।"


ক্রাউহার্স্ট বলেছিলেন (ক্রাউহার্স্ট ছিলেন তার মেয়ে আর চিঠিটা তার মেয়ের কাছেই পোঁছানো সম্ভব হয়েছে), তার বাবা চলে যাওয়ার সময় মাত্র 2 বছর বয়সী ছিলেন।


 "আমি মনে করি তিনি খুব গর্বিত হবেন যে এটি পাওয়া গেছে। তিনি একজন খুব যত্নশীল মানুষ ছিলেন।"


Source:- Seattletimes



রমজান স্পেশাল রেসিপি সমাহার- ২৪০ --->>>রসমালাই <<----,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 রমজান স্পেশাল

রেসিপি সমাহার- ২৪০

--->>>রসমালাই <<----


প্রয়োজনীয় উপকরনঃ

১. গুঁড়া দুধ- ১ কাপ ‏

২. তরল দুধ- ৪ কাপ ‏

৩. চিনি- ১/২ কাপ‏

৪. এলাচ গুঁড়া- ১/৪ চা চামচ‏

৫. বেকিং পাউডার- ১/২ চা চামচ‏

৬. ঘি- ১ টেবিল চামচ‏

৭. ডিম- ১ টি।

৮. হালকা হলুদ কালার

-->>থাকলে দিতে পারেন।


প্রস্তুত প্রনালীঃ

★প্রথমে একটি পাত্রে এক কাপ গুঁড়া দুধ নিন। এরপর তার সঙ্গে মেশান বেকিং পাউডার ও ঘি। আলতো হাতে মিশিয়ে নিন। 


★এবার ফেটানো ডিম অল্প অল্প করে মিশিয়ে একটি নরম ডো তৈরি করুন। ডিম যেন স্বাভাবিক তাপমাত্রার হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। 


★ডো হাতের সঙ্গে লেগে এলে বুঝবেন মিষ্টি তৈরি করা যাবে। এরপর মিনিট পাঁচেক অপেক্ষা করুন। তারপর সেই ডো থেকে ছোট ছোট মিষ্টির আকারে গড়ে নিন।


★একটি হাঁড়িতে আড়াই কাপ দুধ, চিনি, এলাচ গুঁড়া দিয়ে জ্বাল করে নিন। দুধ ফুটতে শুরু করলে যদি কালার দিতে চান দিয়ে দিবেন। 


★তারপরে তাতে মিষ্টি দিয়ে দিন। দুধ যেন ঘন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। এভাবে ঢাকনা দিয়ে মাঝারি আঁচে পাঁচ মিনিট জ্বাল দেবেন। মাঝে মাঝে হাঁড়িটি সামান্য দুলিয়ে দিন যেন দুধ উপচে না পড়ে।


★বাকি দুধ আস্তে আস্তে দিতে থাকবেন।এরপর হাঁড়ির ঢাকনা খুলে দুধের মিশ্রণটি দিয়ে দিন।


★ আলতো করে নেড়ে আরও পাঁচ মিনিট জ্বাল দিন। এরপর চুলা বন্ধ করে রেখে দিন ঘণ্টা দুয়েক। ততক্ষণে মিষ্টিগুলো রস ভালোভাবে শুষে নেবে।


★এবার বাটিতে নামিয়ে উপর দিয়ে বাদম কুচি,জাফরান দিয়ে দিবেন(যদি দিতে চান). এরপর পরিবেশন করুন সুস্বাদু রসমালাই।


সবাই আমাকে ভালোবাসবেন সাথে থাকবেন। 

ভুল গুলো ধরিয়ে দিবেন। 




ছাদ বাগানে পুইশাক,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ছাদবাগান আছে কিন্তু পুঁইশাক  নেই এমন টা হয় না কখনো। পুঁইশাক আমাদের সবারই পছন্দের। কিন্তু প্রায়ই পুঁইশাকের পাতায় দাগ দেখা যায়। একটা পাতায় দাগ হলে সব পাতায় ছড়ায়। আজ আমরা জানবো পুঁইশাকের বিশেষ একটি রোগ ও তার প্রতিকার নিয়ে। রোগের নাম পুঁইশাকের পাতায় দাগ পড়া রোগ।  

রোগের কারণ : Cercospora beticola নামক ছত্রাক দ্ধারা সংঘটিত হয়ে থাকে।

রোগের বিস্তারঃ ছত্রাকের সংক্রমণ বা জীবাণুর বিস্তার ঘটে বীজ, বাতাস, বৃষ্টি ও সেচের পানি দ্ধারা।


রোগের লক্ষণ: 

১/ এ রোগ হলে প্রথমে পাতায় ছোট ছোট গোল আকারের দাগ বা স্পট দেখা যায়। 

২/ পরবর্তীতে দাগগুলোর আকার বড় হতে থাকে এবং সব দাগ একত্রিত হয়ে এক সময় পুরো পাতায় ছড়িয়ে পড়ে। তখন পাতার গুনগত মান নষ্ট হয়ে যায়।

৩/ অতিমাত্রায় সংক্রমণে ধীরে ধীরে পুরো গাছ মারা যায়।

প্রতিরোধ ও প্রতিকার:

১/ রোগ সংক্রমণের প্রাথমিক অবস্থায় আক্রান্ত পাতা উঠিয়ে ফেলতে হবে।

২/ তবে রোগাক্রান্ত পাতা খাওয়াতে কোন ভয়ের কিছু নেই বা স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি নেই।

৩/ যদিও এ রোগ দমনের জন্য কোন নির্দিষ্ট ছত্রাকনাশক নেই। তবে , রোগের মাত্রা বেশি হলে Azoxystrobin গ্রুপের ছত্রাকনাশক Amistar Top ( এমিস্টার টপ)  ১ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। স্প্রে করার ১ সপ্তাহ পর খাওয়ার জন্য পাতা সংগ্রহ করা যাবে।

 ৪/ এছাড়া আগাম প্রতিরোধ হিসাবে বীজ বপনের আগে প্রোভেক্স ২০০ (Provax 200 WP) দ্ধারা কমপক্ষে ২ ঘণ্টা বীজ শোধন করতে হবে। প্রতি কেজি বীজের জন্য ২.৫ গ্রাম প্রোভেক্স ২০০ ব্যবহার করতে হবে।

এ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টার মধ্যে 01909110613 নম্বরে ফোন করে অথবা সরাসরি গ্রিন সেভারস এর অফিসে এসে বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ গ্রহন করতে পারবেন। 

আমাদের অফিসঃ ৫৯, মিয়া টাওয়ার, দ্বিতীয় তলা, পশ্চিম আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭।

ওয়েবসাইটঃ www.thegreensavers.org

কৃষিবিদ মীর রুকাইয়া ইসলাম 

গ্রিন সেভার্স, ঢাকা।



১৯৫০ সালে তৎকালীন পাকিস্তান আমলে হঠাৎ জাল নোট বের হতে শুরু করলো বাজারে,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১৯৫০ সালে তৎকালীন পাকিস্তান আমলে হঠাৎ জাল নোট বের হতে শুরু করলো বাজারে। পুরো প্রশাসন তটস্থ। কোনভাবেই সেই জালনোট উৎপাদন বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছেনা। তখন পুলিশের সহকারী পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত এক ভদ্রলোক।


জাল নোট বিষয়েরই বেশ কয়েকটি মামলার তদন্তভার এসে পড়লো তাঁর কাঁধে। সেই মামলার শেষমেশ সুরাহা হলো।

পুলিশের সেই ভদ্রলোক ছিলেন আদতে একজন কথাসাহিত্যিক। এরই মধ্যে লিখে ফেলেছেন তিনি ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ নামের একটি উপন্যাস ও। সেই উপন্যাস লেখা শেষ হয়েছিলো ১৯৪৮ সালের আগস্ট মাসে। কিন্তু চার


বছরেও প্রকাশক না পাওয়ায় স্বভাবতই তিনি হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। তাই ভাবলেন যদি গোয়েন্দা উপন্যাস লেখা হয় তবে হয়তো পাঠক জুটবে। সেই জালনোটের মামলা নিয়ে ১৯৫৪ সালে অবশেষে তিনি শেষ করলেন তাঁর সেই উপন্যাস। উপন্যাসের নাম ‘জাল’। তবে সেই উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছিলো আরো ৩৪ বছর পরে।


লেখকের নাম আবু ইসহাক। কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক। কিন্তু তাঁর চেয়ে কম কি তিনি বাংলা ভাষার অভিধানবিদ ও? তাঁর লেখা ‘সমকালীন বাংলা ভাষার অভিধানে’ কেবল 'অন্ধকার' শব্দটির প্রতিশব্দই আছে ১২৭টি!


বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্পের অন্যতম প্রবাদপুরুষ। গ্রাম্য বাংলার চরম বাস্তবতা ও কঠিন কোমল জীবনকে যে কতোটা নিপুণ ভাবে তুলে ধরা যায় তার প্রমাণ পাওয়া যায় আবু ইসহাকের লেখায়। সূর্য দীঘল বাড়ী চিরকাল বাংলা সাহিত্যে সর্বসেরা উপন্যাসগুলোর একটি হয়ে থাকবে এজন্যই। ভাবতে অবাক লাগে সূর্য দীঘল বাড়ীর মতো উপন্যাস তিনি লিখেছেন মাত্র ২১ বছর বয়সে!


সূর্য দীঘল বাড়ি উপন্যাসের পটভূমি নিয়ে তিনি বলেছিলেন, 'আমি তখন সিভিল সাপ্লাইয়ে কাজ করি, পোস্টিং নারায়ণগঞ্জ। তো মাঝে মাঝে ট্রেনে করে ঢাকায় আসার সময় দেখতাম ওরা ট্রেনের মেঝেতে বসে আছে। প্রত্যেকের হাতে থলি। কোথায় যাচ্ছে? যাচ্ছে ময়মনসিংহে, ওখান থেকে চাল কিনে নারায়নগঞ্জে কিছু বেশি দামে বিক্রি করে ওরা। এই ওদের পেশা। ওদের নাম যে জয়গুন বা এরকম কিছু তা হয়তো নয়...


কিন্তু এদের সঙ্গে সূর্য-দীঘল বাড়ির সম্পর্ক কী?


সেটা আবার আলাদা ব্যাপার। এদেরকে দেখে আমার মাথায় একটা গল্পের প্লট আসে। ভাবতে চেষ্টা করি, এরা কেন এত কষ্ট করে প্রতিদিন নারায়ণগঞ্জ থেকে ময়মসিংহ যাওয়া-আসা করে? তার মানে, নিশ্চয়ই গ্রামে কোনো উপায় খুঁজে পায়নি। ঘর ছেড়ে তাই পথে নেমেছে। ভিক্ষা করছে না, কাজই করছে, কিন্তু তাদের এই নিত্য যাতায়াত, তাও ট্রেনের মেঝেতে বসে, বিনা টিকেটে, টিকেট- চেকারের বকাঝকা শুনতে শুনতে, এসবই বলে দেয়, এরা স্বাভাবিক জীবন পায়নি, উপযুক্ত কাজও পায়নি, এমনকি হয়তো গ্রামে থাকতেও পারেনি। এরা কি তবে বাস্তুত্যাগি নাকি বাস্তুহারা? কেউ তো সহজে তার বাস্তুভিটা ত্যাগ করতে চায় না। তখনই আমার সূর্য-দীঘল বাড়ি নামটা মনে আসে।


সূর্য-দীঘল মানে সূর্যের দিকে লম্বালম্বি। অর্থাৎ গ্রামের যে বাড়িটি পুব-পশ্চিম লম্বালম্বি করে বানানো হয় তাকে সূর্য-দীঘল বাড়ি বলে। তো আমার নানার গ্রামে এ ধরনের একটা বাড়ি ছিল। গ্রামের বাড়িগুলো সাধারণত উত্তর-দক্ষিণে লম্বালম্বি হয়, কারণ মানুষের বিশ্বাস সূর্য-দীর্ঘল বাড়ির লোকজন উজাতে পারে না, মানে এগোতে পারে না, অর্থাৎ টিকতে পারে না এবং জীবনযুদ্ধে হেরে যায়। আমার মনে হলো, এই যে মেয়েগুলো ট্রেনে করে যাওয়া আসা করছে, তাদের ধরে নিয়ে আমার নানার গ্রামের ওই সূর্য-দীঘল বাড়িটিতে বসিয়ে দিলে কেমন হয়?'


আমাদের ছোটবেলাতে তাঁর গল্পের মধ্য দিয়ে ছোটগল্পের জগতের সঙ্গে পরিচয় ঘটেছিলো। 'মহাপতঙ্গ' কিংবা 'জোঁক'। কি দারুণ দুই ছোটগল্পের মাধ্যমে শৈশবেই রেখাপাত ঘটিয়েছিলেন তিনি।


সাহিত্য কিংবা কর্মজীবন দুই জায়গাতেই তিনি ছিলেন সফল। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার খুলনা বিভাগের প্রধান ছিলেন। কলকাতায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ছিলেন ভাইস-কনসাল ও ফার্স্ট সেক্রেটারি। ব্যক্তিজীবনে ছিলেন ভীষণ নিরহংকারী।


জন্মদিনে বাংলা কথাসাহিত্যের এই অবিস্মরণীয় স্রষ্টার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।


ছবিতে আবু ইসহাক ও তাঁর স্ত্রী সালেহা ইসহাক।



জমি রেজিস্ট্রির আগে এই বিষয়গুলো জানা খুব জরুরী,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ★জমি রেজিস্ট্রির আগে এই বিষয়গুলো জানা খুব জরুরী,

সারা জীবনের সঞ্চয় দিয়ে অনেক মানুষ শেষ বয়সে এসে এক খন্ড জমি কিনে যাতে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তার মাথা গুজার একটু জায়গা থাকে। কিন্তু জমি কিনেই ঝামেলায় পড়েছেন অনেকে। কেউ আবার হয়েছেন সর্বশান্ত।


মূলত জমি সংক্রান্ত বিষয়ে স্বল্প জ্ঞান ও অসতর্কতার কারণেই মানুষ এই ঝামেলায় পড়ে। তাই জমি কেনার আগে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক জমি রেজিস্ট্রির আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি-


★অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে খেয়াল রাখতে হবে জরিপের মাধ্যমে প্রণিত রেকর্ড। খতিয়ান ও নকশা যাচাই করে নিতে হবে।


★ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ও উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ দেখে নিতে হবে। 


★ জমি কেনার আগে উক্ত জমির সিএস রেকর্ড, এসএ রেকর্ড, আরএস রেকর্ড এবং মাঠ পর্চাগুলো ভালোভাবে দেখে নিতে হবে।

★ বিক্রেতা যদি জমিটির মালিক ক্রয়সূত্রে হয়ে থাকেন তাহলে তার কেনার দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে যিনি বেচবেন তার মালিকানা সঠিক আছে কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে।


★ জমির বিক্রিকারী উত্তরাধিকারসূত্রে জমিটি পেয়ে থাকলে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ানে তার নাম আছে কিনা তা ভালো ভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। যদি সর্বশেষ খতিয়ানে বিক্রেতার নাম না থাকে, তাহলে তিনি যার কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে জমিটি পেয়েছেন তার মূল মালিকের সংঙ্গে বিক্রেতার নামের যোগসূত্র কিংবা রক্তের সস্পর্ক আছে কিনা বিষয়টি ভালো ভাবে যাচাই করে নিতে হবে। 


 যদি মাঠ পর্চার মন্তব্য কলামে কিছু লেখা থাকে যেমন (AD) তাহলে বুঝতে হবে উক্ত খতিয়ানের বিরুদ্ধে সত্যায়ন বা শুদ্ধতার পর্যায়ে আপত্তি রয়েছে, সেক্ষেত্রে জমি ক্রয়ের আগে জরিপ অফিসে জমিটির সর্বশেষ অবস্থা জেনে নিতে হবে।


★ তবে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রিকারীর শরিকদের সঙ্গে জমি বিক্রিকারীর সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টননামা বা ফারায়েজ দেখে নিতে হবে। 


★ জমি বিক্রিকারীর নিকট থেকে সংগৃহীত দলিল, বায়না দলিল, খতিয়ান, মাঠ পর্চা ইত্যাদি কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে তলবকারী বা স্বত্বলিপি রেজিস্ট্রারের কাছে গিয়ে কাগজপত্রের সঠিকতা যাচাই করে নিতে হবে।


★ জমি কেনার ক্ষেত্রে যিনি জমি কিনবেন তাকে মনে রাখতে হবে যে ১৯১৩ সালের সরকারি পাওনা/দাবি আদায় আইনের ৭ ধারায় বলা আছে সার্টিফিকেট মামলাভুক্ত সম্পত্তি বিক্রয়যোগ্য নয়.



মিলিবাগ পোকা দমনে করণীয়:,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ⭕মিলিবাগ পোকা দমনে করণীয়:


🟢পোকা চেনার উপায় : চুনের মত সাদা বর্ণের এবং মোম জাতীয় পাউডার দ্বারা নরম দেহ আবৃত থাকে।


🟢ক্ষতির ধরণ : এরা কচি ফল, পাতা ও ডালের রস চুষে নেয়, ফলে গাছ দুর্বল হয়। পোকার আক্রমণে পাতা, ফল ও ডালে সাদা সাদা তুলার মত দেখা যায়। অনেক সময় পিঁপড়া দেখা যায়।এর আক্রমণে পাতা ঝরে যেতে থাকে এবং ডাল মরে যায়।এভাবে এক সময় পুরো গাছই মরে যায়।


🟢ব্যবস্থাপনা :

____________


আক্রান্ত গাছ টি, প্রথমেই অন্যান্য গাছ থেকে অনেক দূরে সরিয়ে ফেলতে হবে।


আক্রমণ বেশি হলে ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন: ইমিটাফ বা, এডমায়ার বা, টিডো বা, নাইট্রো ) 

১ লিটার পানিতে ২ মিলি কীটনাশক মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে আক্রান্ত স্থানে। 


ওষুধ স্প্রে করার সঠিক সময়: বিকাল/সন্ধ্যা বেলায়। 

(রোদের ভেতরে কখনো কীটনাশক স্প্রে করা যাবে না।এতে পাতা বার্ন হয়ে যাবে।) 


✅মিলিবাগ হলে ব্যবহৃত জনপ্রিয় ৪ টি ওষুধ: 

____________________________________

১) নাইট্রো

২) সিকো

৩)কিপার

৪) ইমিটাফ 


যে ডাল গুলো বেশি মিলিবাগ আক্রান্ত সেই ডাল গুলো গাছ থেকে কেটে ফেলে দিতে হবে।


🟢পূর্ব-প্রস্তুতি :

_____________


নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন।গাছের ডাল গুলো রেগুলার চেক করুন।সাদা সাদা মতো কিছু দেখলে সেগুলো পরিষ্কার করে ফেলুন।

প্রতি ১০ / ১৫ দিন পর পর নিম তেল স্প্রে করুন সব গাছে।


🟢 মিলিবাগ দমনে ঘরোয়া উপায়:

________________________


সাবানযুক্ত পানি স্প্রে করা যায় (ডিটারজেন্ট বা লিকুইড ভিম বা ভিম বার মেশানো পানি বেশি ভালো হয়)

অথবা আধাভাঙ্গা নিমবীজের পানি (১ লিটার পানিতে ৫০ গ্রাম নিমবীজ ভেঙ্গে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে ছেঁকে নিতে হবে) আক্রান্ত গাছে ১০ দিন পর পর ৩ বার স্প্রে করলে পোকা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 

এছাড়াও তামাকের গুড়া (১০গ্রাম), সাবানের গুঁড়া (৫গ্রাম) ও নিমের পাতার রস  প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। 

আক্রান্ত অংশ পোকাসহ তুলে ধ্বংস করতে হবে।


খুব জোরে পানি স্প্রে করেও প্রাথমিক অবস্থায় এ পোকা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।


বি.দ্রঃ একদম কম আক্রান্ত হলে ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করলেই হয়, কিন্তু আক্রান্ত বেশি হলে গাছ ফেলে দিতে হবে অথবা কীটনাশক দিতে হবে।


মিলিবাগ দমনে ব্যবহৃত কীটনাশক , ইমিটাফ আমাদের পেজ : Plants Hub এ পাবেন।



বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...