এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ৮ মার্চ, ২০২৪

নারী ---কাজী নজরুল ইসলাম,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 নারী

---কাজী নজরুল ইসলাম


সাম্যের গান গাই-

আমার চক্ষে পুরুষ-রমণী কোনো ভেদাভেদ নাই!

বিশ্বে যা-কিছু মহান সৃষ্টি চির-কল্যাণকর,

অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।

বিশ্বে যা-কিছু এল পাপ-তাপ বেদনা অশ্রুবারি,

অর্ধেক তার আনিয়াছে নর, অর্ধেক তার নারী।

নরককুন্ড বলিয়া কে তোমা’ করে নারী হেয়-জ্ঞান?

তারে বলো, আদি পাপ নারী নহে, সে যে নর-শয়তান।

অথবা পাপ যে-শয়তান যে-নর নহে নারী নহে,

ক্লীব সে, তাই সে নর ও নারীতে সমান মিশিয়া রহে।

এ-বিশ্বে যত ফুটিয়াছে ফুল, ফলিয়াছে যত ফল,

নারী দিল তাহে রূপ-রস-মধু-গন্ধ সুনির্মল।

তাজমহলের পাথর দেখেছ, দেখিয়াছে যত ফল,

অন্তরে তার মোমতাজ নারী, বাহিরেতে শা-জাহান।

জ্ঞানের লক্ষ্মী, গানের লক্ষ্মী, শস্য লক্ষ্মী নারী,

সুষমা-লক্ষ্মী নারীই ফিরিছে রূপে রূপে সঞ্চারি’।

পুরুষ এনেছে যামিনী-শানি-, সমীরণ, বারিবাহ!

দিবসে দিয়াছে শক্তি সাহস, নিশীতে হ’য়েছে বধূ,

পুরুষ এসেছে মরুতৃষা ল’য়ে, নারী যোগায়েছে মধু।

শস্যক্ষেত্র উর্বর হ’ল, পুরুষ চালাল হল,

নারী সেই মাঠে শস্য রোপিয়া করিল সুশ্যামল।

নর বাহে হল, নারী বহে জল, সেই জল-মাটি মিশে

ফসল হইয়া ফলিয়া উঠিল সোনালী ধানের শীষে।

স্বর্ণ-রৌপ্যভার,

নারীর অঙ্গ-পরশ লভিয়া হ’য়েছে অলঙ্কার।

নারীর বিরহে, নারীর মিলনে, নর পেল কবি-প্রাণ,

যত কথা তার হইল কবিতা, শব্দ হইল গান।

নর দিল ক্ষুধা, নারী দিল সুধা, সুধায় ক্ষুধায় মিলে,

জন্ম লভিছে মহামানবের মহাশিশু তিলে তিলে!

জগতের যত বড় বড় জয় বড় বড় অভিযান,

মাতা ভগ্নী ও বধূদের ত্যাগে হইয়াছে মহীয়ান।

কোন রণে কত খুন দিল নর লেখা আছে ইতিহাসে,

কত নারী দিল সিঁথির সিঁদুর, লেখা নাই তার পাশে।

কত মাতা দিল হৃদয় উপড়ি’ কত বোন দিল সেবা,

বীরের স্মৃতি-স্তম্ভের গায়ে লিখিয়া রেখেছে কেবা?

কোনো কালে একা হয়নি ক’ জয়ী পুরুষের তরবারী,

প্রেরণা দিয়াছে, শক্তি দিয়াছে বিজয় লক্ষ্মী নারী।

রাজা করিতেছে রাজ্য-শাসন, রাজারে শাসিছে রাণী,

রাণীর দরদে ধুইয়া গিয়াছে রাজ্যের যত গ্লানি।

পুরুষ হৃদয়-হীন,

মানুষ করিতে নারী দিল তারে আধেক হৃদয় ঋণ।

ধরায় যাঁদের যশ ধরে না’ক অমর মহামানব,

বরষে বরষে যাঁদের স্মরণে করি মোরা উৎসব,

খেয়ালের বশে তাঁদের জন্ম দিয়াছে বিলাসী পিতা,-

লব-কুশে বনে ত্যজিয়াছে রাম, পালন ক’রেছে সীতা।

নারী সে শিখা’ল শিশু-পুরুষেরে স্নেহ প্রেম দয়া মায়া,

দীপ্ত নয়নে পরা’ল কাজল বেদনার ঘন ছায়া।

অদ্ভুতরূপে পুরুষ পুরুষ করিল সে ঋণ শোধ,

বুকে ক’রে তারে চুমিল যে, তারে করিল সে অবরোধ!

তিনি নর-অবতার-

পিতার আদেশে জননীরে যিনি কাটেন হানি’ কুঠার।

পার্শ্ব ফিরিয়া শুয়েছেন আজ অর্ধনারীশ্বর-

নারী চাপা ছিল এতদিন, আজ চাপা পড়িয়াছে নর।

সে যুগ হয়েছে বাসি,

যে যুগে পুরুষ দাস ছিল না ক’, নারীরা আছিল দাসী!

বেদনার যুগ, মানুষের যুগ, সাম্যের যুগ আজি,

কেহ রহিবে না বন্দী কাহারও , উঠিছে ডঙ্কা বাজি’।

নর যদি রাখে নারীরে বন্দী, তবে এর পর যুগে

আপনারি রচা ঐ কারাগারে পুরুষ মরিবে ভুগে!

যুগের ধর্ম এই-

পীড়ন করিলে সে পীড়ন এসে পীড়া দেবে তোমাকেই।

শোনো মর্ত্যের জীব!

অন্যেরে যত করিবে পীড়ন, নিজে হবে তত ক্লীব!

স্বর্ণ-রৌপ্য অলঙ্কারের যক্ষপুরীতে নারী

করিল তোমায় বন্দিনী, বল, কোন্ সে অত্যাচারী?

আপনারে আজ প্রকাশের তব নাই সেই ব্যাকুলতা,

আজ তুমি ভীরু আড়ালে থাকিয়া নেপথ্যে কও কথা!

চোখে চোখে আজ চাহিতে পার না; হাতে রুলি, পায় মল,

মাথার ঘোমটা ছিঁড়ে ফেল নারী, ভেঙে ফেল ও-শিকল!

যে ঘোমটা তোমা’ করিয়াছে ভীরু, ওড়াও সে আবরণ,

দূর ক’রে দাও দাসীর চিহ্ন, যেথা যত আভরণ!

ধরার দুলালী মেয়ে,

ফির না তো আর গিরিদরীবনে পাখী-সনে গান গেয়ে।

কখন আসিল ‘প্নুটো’ যমরাজা নিশীথ-পাখায় উড়ে,

ধরিয়া তোমায় পুরিল তাহার আঁধার বিবর-পুরে!

সেই সে আদিম বন্ধন তব, সেই হ’তে আছ মরি’

মরণের পুরে; নামিল ধরায় সেইদিন বিভাবরী।

ভেঙে যমপুরী নাগিনীর মতো আয় মা পাতাল ফুঁড়ি’!

আঁধারে তোমায় পথ দেখাবে মা তোমারি ভগ্ন চুড়ি!

পুরুষ-যমের ক্ষুধার কুকুর মুক্ত ও পদাঘাতে

লুটায়ে পড়িবে ও চরণ-তলে দলিত যমের সাথে!

এতদিন শুধু বিলালে অমৃত, আজ প্রয়োজন যবে,

যে-হাতে পিয়ালে অমৃত, সে-হাতে কূট বিষ দিতে হবে।

সেদিন সুদূর নয়-

যেদিন ধরণী পুরুষের সাথে গাহিবে নারীরও জয়!

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

রবীন্দ্রনাথের কয়েকটি বিখ্যাত ছোটগল্প রচনার পেছনের ঘটনা!,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 রবীন্দ্রনাথের কয়েকটি বিখ্যাত ছোটগল্প রচনার পেছনের ঘটনা!


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ছোটগল্পকার। বাংলা ভাষায় ছোটগল্প তিনিই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর দেখানো পথেই পরবর্তী লেখকগণ হেঁটেছেন বা চেষ্টা করেছেন। এখানে রবীন্দ্রনাথের কয়েকটি বিখ্যাত ছোটগল্প রচনার পেছনের ঘটনা তুলে ধরা হলো-


১. পোস্টমাস্টার

রবি ঠাকুরের অতি জনপ্রিয় একটি ছোটগল্প ‘পোস্টমাস্টার’। আপনারা অনেকেই জানেন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে তাঁর একটি কাচারি বাড়ি ছিল। এই কাচারি বাড়ির একতলাতে একটা পোস্ট অফিস ছিল। সেখানকার পোস্টমাস্টার মহাশয়ের সাথে রবি ঠাকুরের প্রায় প্রতিদিন দেখা হতো এবং তাদের মধ্যে অনেক কথাবার্তা, গল্প-গুজব হতো। কবিগুরু প্রায় প্রতিদিন দিনের বা রাতের কোনো একটা সময় পোস্টমাস্টার সাহেবের সাথে কাটাতেন। মূলত এই পোস্টমাস্টার মহাশয়ের জীবনের নানা কাহিনি অবলম্বনেই তিনি এই গল্পটি লেখেন। 


২. কংকাল

ছোটবেলায় কবি যে ঘরে শুতেন সেখানে একটা মেয়ে মানুষের skeleton ঝুলানো ছিল। সে সময় তাঁর তেমন একটা ভয়-টয় করত না। পরিণত বয়সে একদিন বাড়িতে অতিথি সমাগম হওয়াতে তাকে বাইরে শোবার দরকার পড়েছিল। অনেকদিন পরে সেই ঘরে তিনি আবার শুয়েছেন। শুয়ে তাঁর মনে হতে লাগল, সেজের আলোটা ক্রমে কাঁপতে কাঁপতে নিভে গেল। তাঁর আরও মনে হতে লাগল, কে যেন মশারির চারদিকে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর বলছে ‘আমার কংকালটা কোথায় গেল’, ‘আমার কংকালটা কোথায় গেল’? ক্রমে মনে হতে লাগল সে দেয়াল হাতড়ে বন বন করে ঘুরতে আরম্ভ করেছে। এভাবেই তাঁর মাথায় এসে গেল এই ‘কংকাল’ গল্পটা।


৩. জীবিত ও মৃত

কবিগুরুর ভোররাতে উঠে অন্ধকার ছাদে ঘুরে বেড়ানোর অভ্যাস ছিল। তেমনি একদিন রাত্রে ঘুম ভেঙ্গে যেতেই তিনি উঠে পড়লেন, ভেবেছিলেন উঠার সময় হয়েছে, আসলে তখন গভীর রাত। অভ্যাশবসত তিনি হাঁটতে লাগলেন। সব ঘরের দরজা বন্ধ। সব একেবারে নিরব, নিঝুম। খানিক পড়েই ঢং ঢং করে দুটো বাজার ঘণ্টা পড়ল। তিনি থমকে দাঁড়ালেন, ভাবলেন- তাই তো, এই গভীররাত্রে আমি সারা বাড়িময় এমন করে ঘুরে বেড়াচ্ছি। হঠাত তাঁর মনে হল তিনি যেন প্রেতাত্বা, এ বাড়ি হান্ট করে বেড়াচ্ছেন। তিনি যেন মোটেই তিনি নন, তাঁর রুপ ধরে বেড়াচ্ছেন মাত্র। এই আইডিটাই তাকে পেয়ে বসল, যেন একজন জীবিত মানুষ সত্যসত্যই নিজেকে মৃত বলে মনে করছে। এভাবেই ’জীবিত ও মৃত’ গল্পের সৃষ্টি।


৪. ক্ষুধিত পাষাণ

কবির মতে, ‘ক্ষুধিত পাষাণের কল্পনা কল্পলোক থেকে আমদানি’। তবে তাঁর এই কল্পনার পেছনেও একটি কাহিনি আছে। কবি বিলেত যাওয়ার আগে তাঁর মেঝদাদার কর্মস্থল আহমেদাবাদ গিয়েছিলেন। তাঁর বড় ভাই জজিয়তি করতেন। আহমেদাবাদের জজের বাসা ছিল শাহিবাগে, বাদশাহী আমলের রাজবাড়িতে। দিনের বেলায় তাঁর মেঝদাদা চলে যেতেন কাজে, তখন তাঁর মনে হতো, বড়ো বড়ো ফাঁকা ঘর হাঁ হাঁ করছে, সমস্ত দিন ভূতে পাওয়ার মতো ঘুরে বেড়াতেন তিনি। বাড়ির সামনে প্রকাণ্ড চাতাল, সেখান থেকে দেখা যেত সাবরমতি নদী (গল্পের ‘শুস্তা’ নদী)। তাঁর মতে, কোলকাতার মানুষ হিসেবে ইতিহাসের মাথা তোলা চেহারা কোথাও তিনি দেখেননি। আহমেদাবাদ এসে তিনি প্রথম দেখলেন চলতি ইতিহাস থেমে গিয়েছে, দেখা যাচ্ছে তার পিছন-ফেরা বড়োঘরোআনা। তাঁর সাবেক দিনগুলো যেন যক্ষের ধনের মতো মাটির নিচে পোঁতা। তাঁর মনের মধ্যে প্রথম আভাস দিয়েছিল ক্ষুধিত পাষাণের গল্প।


৫. ছুটি

এটাও শাহজাদপুরে কাচারিবাড়ি বসে লেখা রবীন্দ্রনাথের আরো একটি অনবদ্য ছোটগল্প। তখনকার যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম বাহন ছিল নৌকা। তিনিও নৌকাযোগেই তাঁর কাচারি বাড়িতে তাঁর জমিদারী দেখাশোনা করতে আসতেন। এমনি একদিন ওই রকম নৌকা ঘাটে ভিড়িয়েছেন। নদীর তীরে গ্রামের অনেক ছেলে খেলা করতে এসেছে। তার মধ্যে সর্দার গোছের একটি ছেলে ছিল। অনেক ডানপিটে স্বভাবের ছিল সে। তার কাজই হলো, এ-নৌকা ও-নৌকা করে বেড়ানো, মাঝিদের কাজ দেখা, মাস্তলের পাল গোটানো দেখা ইত্যাদি। তীরে অনেকগুলো গুড়িকাঠ গাদা-করা অবস্থায় ছিল। মাঝে ছেলেটি তড়াক করে নৌকা থেকে এই কাঠগুলি গড়িয়ে গড়িয়ে নদীতে ফেলতে আরম্ভ করলে। কিন্তু তার আমোদের পথে একটা বিঘ্ন এসে উপস্থিত হল। একটি ছোট মেয়ে এসে গুড়ি চেপে বসল। ছেলেটি তাকে উঠাবার চেস্টা করলে, কিন্তু মেয়েটি তা গ্রাহ্যও করলে না। তখন ছেলেটি তাকে সুদ্দই গুড়িটি উলটে দিলে। মেয়েটি পড়ে গিয়ে বিকট কান্না জুড়ে দিলে, এবং কাঁদতে কাঁদতে উঠেই ছেলেটিকে কষে এক চড় লাগালো। এই ঘটনা থেকেই ‘ছুটি’-র শুরু। সৃষ্টি হলো অন্যতম সেরা একটি গল্পের। এই গল্পে ফটিকের ‘ছুটি’ হয়েছিল চিরতরে।


তথ্যসংগ্রহ: ইন্টারনেট


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


ফেইসবুক থেকে নেওয়া হয়েছে

 আমি তখন কুড়ি বছরের তরুণী। পরিবার থেকে আমার বিয়ে ঠিক করা হলো পঞ্চাশ বছরের এক বয়স্ক লোকের সাথে। আমার বয়সের তিনগুন বয়স তার। আবার তিনি ছিলেন বিপত্নীক। আর আমি সদ্য প্রস্ফুটিত ফুল। কুমারীত্বের গন্ধ সবে তীব্র হতে শুরু করেছে।


নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে আমার জন্ম। বাবার সামান্য আয়ে আমাদের সংসার চলত। আমার মা কখনো অভিযোগ করেন নি। দুবেলা দু'মুঠো খেয়ে স্বামীর সাথে থাকতে পারাটাই তার কাছে ছিল সুখের সংজ্ঞা। শুনেছি একবার নাকি বাবার বিলেত যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল।

 মা নাছোড়বান্দা। তিনি দুবেলা পান্তা খাবেন। তবুও স্বামীকে দূরে পাঠাবেন না! এতে আয় কম হলে হোক। পেটে কিছু পড়লেই হলো। 

আমিও মার মতোই স্বপ্ন দেখতাম। অল্প রোজগারে সাজানো সংসার। অভাব থাকলে থাকবে। তবে ভালোবাসা থাকতে হবে অফুরন্ত। 

আমার বেলায় তাদের মত পাল্টে গেল। বিত্তশালী এক লোকের সাথে তারা আমার বিয়ে দিয়ে দিল। ওনার আগের বৌয়ের দুটো বাচ্চাও আছে। 

বাসর রাতে লোকটি শান্ত মেজাজে আমার পাশে এসে বসে। নাক সিটকিয়ে চোখ ফিরিয়ে নিই। মনে মনে "বুড়ো" বলে গালিও দিই। বিষয়টা বুঝতে পেরে উনি বলেন:-  আমি জানি, আমাকে তোমার পচ্ছন্দ নয়। আমার রঞ্জনের জন্য আমি বিয়েটা করি নি। বাচ্চা দুটো খুব মা কাতুরে জানো? কমলা মরে যাওয়ার পর সবসময় ওরা মাকে খুঁজে বেড়ায়। মায়ের জন্য কাঁদে। আমি তোমার কাছে স্বামীর অধিকার চাইতে আসি নি। তবে অনুরোধ করে বলছি বাচ্চা দুটোকে আগলিয়ে রেখো। 

কঠিন স্বরে তাঁকে বলি:- আপনার বাচ্চাদের আমি খেয়াল রাখবো তবে আমি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাই। আর আমি বাচ্চাদের নিয়ে আলাদা ঘরে থাকবো। সেই ঘরে আপনি যেতে পারবেন না। 

উনি হেসে বললেন:- বেশ। তুমি যা চাইবে তাই হবে। এখানে তুমি নিরাপদেই থাকবে। 

শুধু এটুকু বলেই লোকটি ঘর থেকে বেরিয়ে যান। আমি অবাক হয়ে চেয়ে দেখি তার প্রস্থানের পথ।


বুড়োকে আমার সহ্য হতো না ঠিক, তবে তার বাচ্চা দুটো খুব দ্রুত আমার মনে বিশালাকারে জায়গা করে নেয়। গর্ভে ধারন না করেও যে মা হওয়া যায় তার বাস্তব প্রমাণ ছিল তারা। কলেজ থেকে যখন বাড়ি ফিরতাম, দীর্ঘ তিন ঘন্টা পর আমায় দেখতে পেয়ে তারা কি যে খুশি হতো! "মা" ডাকের স্বমসুরে তারা আমার তৃষ্ণার্ত প্রাণ ভিজিয়ে দিত। 


একবার প্রচন্ড জ্বরে কাতরাচ্ছিলাম। বুড়ো খুব উসখুস করছিল। অস্থিরতা নিয়ে আমার ঘরের দরজার সামনে অনবরত পায়চারি করছিল। 

তার ভেতরে ঢোকা বারণ। বাচ্চা দুটোর একজনের হাতে ওষুধ আরেকজনের হাতে জল ভর্তি বাটি দিয়ে ফিসফিস করে বলেছিল:-  মার জ্বর হয়েছে। মাকে ওষুধ খাইয়ে জলপট্টি দিয়ে দাও। যাও। 

বাধ্য ছেলেমেয়ের মতো তারা আমার মাথায় জলপট্টি দিয়ে দিয়েছিল। গুটি গুটি হাত জোড়ায় ভাত মেখে আমায় খাইয়ে দিয়েছিল!

আর বুড়ো? দরজার সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিল। হয়তো ভাবছিল, কখন ওপর মহল থেকে অনুমতি প্রদান করা হবে,

" ভেতরে আসতে পারেন!! "

বুড়োর ঘর পেরিয়ে আমাকে রান্নাঘরে যেতে হতো। প্রায় সময়ই দেখতাম তিনি তার প্রথম স্ত্রীর ছবির সামনে পাথরের মতো দাঁড়িয়ে আছেন। হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখছেন। প্রথম দিকে বিষয়টা ভালো লাগলেও পরেরদিকে খুব রাগ হতো। কেনো হতো বুঝতে পারতাম না।


পুজোর আগের দিন আমি রান্না ঘরে পায়েস রান্না করছিলাম। বাচ্চা দুটো বায়না করেছে তারা গুড়ের পায়েস খাবে। আমিও উৎফুল্ল মনে আমার বাচ্চাদের জন্য রাঁধছি। এমন সময়, মানুষটা রান্নাঘরের সামনে এসে দাঁড়ালো। হাতে বেশ বড়সড় বাদামী রঙের একটা প্যাকেট। উনি সামান্য ঝেড়ে কেশে বললেন:- এটা তোমার জন্য। 

আমি বললাম:- কি আছে এতে ?

_ কাজ শেষ করে খুলে দেখো। আশাকরি তোমার পছন্দ হবে। এই টেবিলের ওপর প্যাকেটটা রেখে গেলাম। 

উনি চলে গেলেন। আমি রান্না শেষ করে প্যাকেট হাতে নিজের ঘরে চলে এলাম। খুলে দেখি খুব দামী একখানা শাড়ি। সাথে একখানা চিরকুট ও আছে। তাতে লেখা, " তোমায় নীল আর সাদায় বেশ মানাবে। জানি আমার জোর করার অধিকার নেই। তবুও আগামীকাল শাড়িটা পরলে খুব খুশি হবো। "

শাড়িটা আমার পছন্দ হয়নি। কিন্তু চিরকুটের কথাগুলো আমায় বাধ্য করেছিল পূজোর দিন শাড়িটা পরতে। বুড়ো সেদিন গভীর চোখে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল। অনেকবার চোখে চোখ পড়েছে। লজ্জায় সে অন্যদিকে চোখ ফিরিয়ে নিয়েছে ঠিকই কিন্তু পুনরায় তাকানোর লোভ উপেক্ষা করতে পারে নি।


প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত লোকটির চিলেকোঠার ঘরের টেবিল ল্যাম্প জ্বলতো। ধূসর রঙের এক ডায়রির ওপর সে মুখ থুবড়ে পরে থাকত। বিরামহীনভাবে কিছু না কিছু লিখে যেত। আর লেখা শেষে, চশমা খুলে চোখ জোড়া কচলিয়ে যত্ন করে ডায়রি তুলে রাখত। যেন কোনো মূল্যাতীত বার্তা রাখা আছে সেখানে।


বুড়োর চায়ের নেশা ছিল। একদিন বিকেলে অসাবধান বশত চায়ের সসপেন ফসকে গরম জল আমার হাতের কিছু অংশে পড়ে। যন্ত্রণায় চেঁচিয়ে উঠি। তিনি আমার চিৎকার শুনতে পান। উন্মাদের মতো ছুটে আসেন। 

_ কি হয়েছে ?

_ হাতে গরম জল পড়েছে। 

_ কই দেখি ?

তিনি উদ্বিগ্ন মুখে এগিয়ে আসেন। আমার হাত ধরেন। সেই স্পর্শে কোনো চাহিদা ছিল না। 

কোনো আকাঙ্ক্ষা ছিল না। তবে মিশে ছিল অনুরাগ। না বলা অনেক অনুরক্তি। সেদিন তিনি আমার হাতে বার্নল লাগিয়ে দিয়েছেন। আমি কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করি নি। মানুষ বেঁচে থাকলে বদলায়। আমিও মানুষ। এ নিয়ম অবজ্ঞা করার সাধ্যি কি আমার আছে ?


Blessings are not valued till they are gone. প্রচলিত সত্যি। দাঁত থাকতে মানুষ দাঁতের মর্যাদা বোঝে না। মানুষ সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে কখনো কখনো এতটাই দেরী করে ফেলে, ফলাফল হয় শূন্য। 

বেশ কয়েকদিন ধরেই বুড়ো তীব্র মাথা ব্যাথার যন্ত্রণায় ভুগছিলেন। রাতে ঘুমোতে পারেন না। অবস্থা বেগতিক দেখে তাকে বললাম ডাক্তার দেখাতে। উনি আমার দিকে তাকিয়ে বললেন,

_ তুমি যাবে আমার সাথে ?

_ যাবো।

বুড়ো খুশি হয়ে গেলেন। আমি ওনার সাথে ডাক্তারের কাছে গেলাম। সিটিস্ক্যান করা হলো। এম আর আই করা হলো। ডাক্তার আমায় আলাদা করে ডেকে বললেন:- রোগীর ব্রেইন টিউমার হয়েছে। টিউমারের অবস্থা ভালো নয়। চিকিৎসা করিয়ে বিশেষ কোনো লাভ হবে না। 

_ চেষ্টা করতে তো কোনো দোষ নেই। আপনি ব্যবস্থা করুন। প্রয়োজনে রোগীকে আজই ভর্তি করা হোক। 

ডাক্তারের সাথে কথা বলে বাইরে বেরিয়ে আসি। বুড়ো আমায় দেখে ফ্যাকাসে হাসলো। আমি ধীর পায়ে টলতে টলতে তার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। আমার বিবাহিত জীবনে সেদিনই প্রথম তাকে জড়িয়ে ধরি। দুই বাহু প্রসার করে জড়িয়ে ধরি। আমার চোখ দিয়ে অজস্র ধারা সেদিন টপ টপ করে ঝরে পড়ছিল।

ডাক্তারের সকল চেষ্টা আর আমার প্রার্থনা দুটোই বিফলে যায়। শাস্তিস্বরূপ উপরওয়ালা বুড়োকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নেয়।


সেদিন আকাশে শ্রাবণের মেঘ ছিল। শঙ্খচিল ডানা ঝাপটে উড়ে বেড়াচ্ছিল নীল আকাশে। মেঘের ফাঁকে উঁকি দেওয়া রোদের তীব্রতা ছিল না। বুড়োর চিলেকোঠার ঘরের জানালা খোলা ছিল। বাতাসের তীব্রতায় খুলে গেছিল ডায়রির পাতা। সেটি হাতে নিয়ে আমি পড়তে শুরু করি। পড়তে পড়তে আমার চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। ডায়রির শেষ পাতায় শুকিয়ে যাওয়া চোখের জলের ওপর লিখা ছিল..

_" মানুষ প্রেমে পড়ে। 


বারবার প্রেমে পড়ে। 


আমায় দেখে তরূণীর নাক সিটকানোর স্বভাব 


আমায় বাধ্য করে তাকে ভালোবাসতে। 


রান্নাঘরে কর্মরত তরূণীর কপালে জমে থাকা বিন্দু বিন্দু ঘাম, 


আমায় বাধ্য করে প্রেমে পড়তে। 


নীল-সাদা শাড়িতে তার স্নিগ্ধ মুখখানি 


যেন আমার চোখের মনি। 


হয়তো একদিন ফুরিয়ে যাবে আয়ূ। 


তার হাত ধরে জোৎস্না দেখার ইচ্ছেটা ইচ্ছেই থেকে যাবে। 


তার দীঘল কালো চুলের ঘ্রাণ নেওয়া আর হবে না। 


লুকিয়ে তার রোদে ভেজা 


সেই মুখ আর দেখা হবে না। 


আমার বাচ্চাদুটোর সাথে তার খুনসুটি, 


সেই মূল্যবান মুহূর্ত গুলো আর উপভোগ করা হবে না। 


জানি, তার চোখে আমি অপরাধী। 


তবু সে ভালো থাকুক! 


নতুন করে বেঁচে উঠুক তার স্বপ্নেরা। 


শুধু আফসোস থেকে যাবে, 


ভালোবাসি - কথাটা হলো না বলা।"


আকাশ কাঁপিয়ে সেদিন আরো একবার কেঁদেছিলাম। চিৎকার করে বলেছিলাম,

আর বুড়ো বলবো না, তোমায়। 

শুধু একবার ফিরে এসো! 

একবার সুযোগ দাও ভালোবাসার। 

সে আর ফিরে আসে নি। 

মৃত মানুষ কখনো ফিরে আসে না

সংগৃহীত পোষ্ট❤️❤️❤️❤️❤️❤️ ( রিপোষ্ট)❤️


সেদিনের এক সিদ্ধান্তে আমার জীবনে শুরু হলো টাকা জমানো,,,, ইসলাম ও জীবন ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সেদিনের এক সিদ্ধান্তে আমার জীবনে শুরু হলো টাকা জমানো


বিয়ের ৪ বছর পেরিয়ে গেছে। তানহাকে খুব সাধারণভাবে বিয়ে করে বাড়িতে এনেছিলাম। এতোদিন পেরিয়ে গেলেও তাকে এখনও কোন দামী উপহার দিতে পারিনি। কিন্তু গতকাল রাতে বদলে গেছে পুরো দৃশ্যপট। ২ বছর আগে নেয়া এক সিদ্ধান্তে আজ একটি বড় উপহার দিতে পেরেছি আমার স্ত্রী’কে।


শুক্রবারের সন্ধ্যা। পুরো শহরে ছুটির আমেজ। নিতান্ত মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে তানহাকে সেদিন রঙিন ঢাকা শহর ঘুরিয়ে দেখালাম। বড় বড় শপিংমলে ঘুরলাম, মুখরোচক খাবার খেলাম দুজন। শেষে বাসায় ফেরার আগে তাকে নিয়ে ঢুকলাম একটি জুয়েলারির দোকানে। তানহা তো অবাক! আমাকে জিজ্ঞেস করলো, “এখানে কেন?”


তানহাঃ এখানে এনেছ কেন?

আমিঃ আজ আমার খুশির দিন, তাই।

তানহাঃ খুশির দিন বলে তো অনেক ঘুরলাম, খেলাম। এখানে কী কাজ?

আমিঃ তোমার জন্য একটা উপহার আছে।

তানহাঃ আমার আবার উপহার! ইনকাম তো বাড়েনি তোমার। তাহলে কীভাবে?

আমিঃ আরে সে গল্প যেতে যেতে বলবো। এখন কি নিবে সেটা বলো। 

তানহাঃ তোমার চোখে যেটা আমাকে মানায় সেটা কিনে দাও।


সব দেখেশুনে একটা ‘নাকফুল’ কিনে দিলাম তানহাকে। খুব অবাক হল সে। রিকশায় করে দুজন ফিরছি। তানহা জিজ্ঞেস করলো টাকা কোথায় পেয়েছি। আমি বললাম পুরো কাহিনীটা।


আমার অনলাইন ব্যবসায় বেশিরভাগ পেমেন্টই আসে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে। দীর্ঘদিন ধরে আমি আমার আগের একাউন্ট থেকে ক্যাশআউট করলে প্রতি হাজারে ১৮.৫০ টাকা কাটতো। আমার এই খরচ দেখে শৈশবের বন্ধু জোবায়ের আমাকে বেকুব বলেছিল। আর চিনিয়েছিলো নগদকে। যে নগদে ক্যাশ আউট চার্জ হাজারে মাত্র ১২.৫০ টাকা। যেখানে প্রতি হাজার লেনদেনে আমার সেভ হয় ৬.৫০ টাকা। এভাবে দুই বছর ধরে আমার ব্যবসার বাড়তি লাভের টাকা দিয়ে আজ তানহাকে নাকফুলটি কিনে দিয়েছি। এই গল্প যখন ওকে বলছি, ও আমার কাঁধে মাথা রেখে বাহুটা শক্ত করে ধরে আছে। এখন খুব বোধদয় হচ্ছে, যদি আরও আগে থেকে নগদে লেনদেন করতাম, তাহলে আজ ওকে আরও দামি কোন উপহার দিতে পারতাম। তবে আফসোস নেই আর। বরং ২ বছরের মধ্যে যে উপহার দিয়েছি তাতেই আমি নগদের প্রতি কৃতজ্ঞ। ধন্যবাদ নগদ, তোমার কম ক্যাশআউট চার্জের কারনেই, আমি টাকা বাঁচিয়ে তানহাকে আজ একটি দামী উপহার দিতে পেরেছি।



চল্লিশ বছর পর জীবনের প্রথম প্রেম আবার ঝড় তুলল মৈত্রেয়ীর জীবনে,,,,,,,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া ।

 চল্লিশ বছর পর জীবনের প্রথম প্রেম আবার ঝড় তুলল মৈত্রেয়ীর জীবনে।


××××××××××××××××××××××××××××××


"মির্চা, মির্চা আই হ্যাভ টোল্ড মাই মাদার দ্যাট ইউ হ্যাভ কিসড মাই ফোরহেড'"

নহন্যতে উপন্যাসে মৈত্রেয়ী দেবীর এই উক্তি টি অবশ্যই পাঠকদের মনে আছে? মির্চা এলিয়াদ আর মৈত্রেয়ী দেবীর প্রেম কি শুধুই প্রেম ছিল নাকি সেই সাথে কিছু শরীরের ভালবাসাও ছিল।"লা নুই ব্যাঙ্গলী" তে মির্চা এলিয়াদ কি  মৈত্রেয়ী দেবী ও তার সাথে ভালবাসার কথা লিখতে যেয়ে কি কোন কল্পনার আশ্রয় নিয়েছিলেন?"লা নুই ব্যাঙ্গলী"প্রকাশের বহু বছর পর মৈত্রেয়ী দেবী তাদের ভালবাসার গল্প নিয়ে লিখেছিলেন ন হন্যতে।


মৈত্রেয়ী দেবীর জন্ম ১৯১৪ সালের ১লা সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম জেলায়।তার বাবা সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত একজন দার্শনিক এবং তৎকালীন বাংলার অন্যতম শিক্ষাবিদ, গবেষক। সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত ছিলেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টরেট।আর মৈত্রেয়ী দেবীর মায়ের নাম ছিল হিমানী মাধুরী রায়। যদিও তার শৈশব কাটে বরিশালে, পরে পিতার কর্মক্ষেত্রের সুবাদে কৈশোরেই সপরিবারে চলে আসেন কলকাতার ভবানীপুরে।

চয় ভাই বোনের মধ্যে সবার বড় মৈত্রেয়ী দেবী ছিল মায়ের  সবচেয়ে কাছের।

 

মৈত্রেয়ী এক দিকে ছিলেন ভীষণ সুন্দরী অন্যদিকে বয়সের তুলনায় তার বুদ্ধি, স্বভাব, গাম্ভীর্য ও বিদ্যানুরাগ তাকে তার সমসাময়িক অন্য কিশোরীদের চেয়ে আলাদা করে তুলেছিল। জীবনের এই ব্রাহ্মমুহূর্তে সংস্পর্শে আসেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের। সারাজীবন তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে গুরুর মতো শ্রদ্ধা করেছেন  ভালবেসেছেন। কবি গুরুর কাছেও মৈত্রেয়ী দেবী ছিলেন স্নেহধন্যা। 


জীবন চলছিল জীবনের নিয়মে কিন্তু ১৯২৮ সালের একটা ঘটনা তার সারা জীবন কে উথাল পাতাল করে দিয়েছিল। এই বছরে ভারতে  সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্তের অধীনে ভারতীয় দর্শন সম্পর্কে গবেষণা করার উদ্দেশে কলকাতায় আসে ২১ বছরের রোমানিয়ান শ্বেতাঙ্গ যুবক মির্চা এলিয়াদ। মূলত সে এসেছিল (১৯২৮-৩২) 'নোয়েল এন্ড নোয়েল' কোম্পানির প্রতিনিধি হয়ে ২৫০ টাকা মাসিক বেতনে সে ভারতে চাকুরী করতে। সাথে উদ্দেশ্য ভারতীয় দর্শন নিয়ে গবেষণা করা। তার থাকার ব্যবস্থা হয়েছিল মৈত্রেয়ী দেবীদের ভবানীপুরের বাড়িতেই। মৈত্রেয়ী দেবী তখন ১৪ বছরের কিশোরী। 


মির্চা এলিয়াদ অনেক আগে থেকেই ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতি অনুরক্ত ছিলেন। কলকাতায় এসে সেই অনুরাগ এক অব্যক্ত ভালোবাসায় পরিণত হলো। মির্চা ভারতবর্ষ সম্পর্কে বিশেষ করে বাংলাকে এক কথায় ভালোবেসে ফেললো। এবং বুঝেছিল বাংলাকে আরও গভীর ভাবে জানতে হলে বাংলা ভাষা শেখা প্রয়োজন। এই ভাবনা থেকেই তার আর  মৈত্রেয়ী দেবীর বন্ধুত্বের সূত্রপাত। সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত ছিলেন প্রগতিশীল এবং উদারমনা। তার নিজের ইচ্ছা ছিল মির্চার সঙ্গে বন্ধুত্ব হলে মৈত্রেয়ী দেবী শিখবেন রোমানিয়ান জানবেন সেদেশের সাহিত্য ও দর্শন সম্পর্কে।


মির্চা ও মৈত্রেয়ীর ভাষা, ধর্ম, জাতি, সংস্কৃতি সবই আলাদা। তারা দুজন কথা বলতেন ইংরেজিতে। প্রায়ই শব্দ খুঁজে না পেয়ে মৈত্রেয়ী দেবীকে ডিকশনারি ঘাঁটতে হতো। তবুও এই সমস্ত বাধাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে মির্চা এলিয়াদ ও মৈত্রেয়ী দেবী পরস্পরের কাছে এলেন। কবিতা, দর্শন, গানের আদান-প্রদানের ভেতর অনেকটা অজান্তেই, তারা করে ফেললেন হৃদয়ের দেয়া নেয়া।


একদিন হঠাৎ মৈত্রেয়ী দেবীদের বাড়ির লাইব্রেরির ঘরে বসে মির্চা এলিয়াদ মৈত্রেয়ী দেবীকে জানিয়ে দিলেন তার প্রতি তার ভালোবাসার কথা, সাথে এও জানালেন - “আমাকে বিয়ে করবে?’’


সহজ সরল মির্চা এলিয়াদ ধরে নিয়েছিল,  তার অধ্যাপক সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্তের কাছে মৈত্রেয়ী দেবীকে প্রার্থনা করলেই তিনি পেয়ে যাবেন, কারণ ছাত্র হিসেবে মির্চা এলিয়াদকে নিয়ে গর্ব ছিল মৈত্রেয়ী দেবীর বাবার। কিন্তু রক্ষণশীল হিন্দু পরিবারের গোঁড়ামি সম্পর্কে কোনো ধারণাই ছিল না মির্চার।


এর মধ্যেই মৈত্রেয়ী দেবীর বোন চিত্রিতা দেবী অসুস্থ হয়ে পড়লেন। মৈত্রেয়ী দেবী প্রায় প্রতিদিন চিত্রিতাকে নিয়ে বিকেলবেলা ঘুরতে বেরোন। সাথে থাকে মির্চা। কিন্তু সদ্য কিশোরী চিত্রিতার চোখে মৈত্রেয়ী দেবী আর মির্চা এলিয়াদের সম্পর্ক যেন অদ্ভুত ঠেকল । বাড়ি ফিরে তার মাকে বলে দিল সমস্ত ঘটনা। 


মৈত্রেয়ী দেবীর ব্যক্তিত্বময়ী মা চিৎকার চেঁচামেচির রাস্তায় গেলেন না। রাত্রে মৈত্রেয়ী দেবীর কাছে জানতে চাইলেন, -  “তুমি কি মির্চাকে বিয়ে করতে চাও?”

মৈত্রেয়ী কান্না জর্জরিত কণ্ঠে তার মাকে বলেছিল, “হ্যাঁ, চাই, আমি ওকে ভালোবাসি।” 


কিন্তু নিয়তি যেন অন্যকথা লিখে রেখেছিল। 

পরদিন সকালেই সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত যে ভালোবাসা আর সম্মান নিয়ে মির্চাকে এ বাড়িতে এনেছিলেন, ঠিক ততটাই অসম্মান আর ঘৃণা নিয়ে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিলেন।


যাওয়ার সময় বাড়ির উঠোনে দাঁড়িয়ে মির্চা একবার শেষ দেখা পেয়েছিল মৈত্রেয়ীর। মৈত্রেয়ীর দিকে তাকিয়ে দু'হাত জোর করে ‘নমস্কার’ জানিয়েছিল সে। মৈত্রেয়ীর দু'চোখ ভেঙে তখন জল গড়িয়ে পড়ছে। সেটাই ছিল মির্চা ও মৈত্রেয়ীর এক প্রকার শেষ দেখা।সেটা ছিল ১৯৩০ সালের এক সকাল। 


সেই সময় মৈত্রেয়ী দেবী  আবার শরণাপন্ন হলেন রবীন্দ্রনাথের। আবার পড়াশুনায় মন বসল। সঙ্গে যুক্ত হল ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের উদ্দীপনা।একি সাথে

আশ্রয় নিলেন রবীন্দ্রনাথের কবিতা আর অতুল প্রসাদের গানে। ১৯৩২ সালে অতুলপ্রসাদের কথায় ও সুরে "মধুকালে এল হোলি" গান মৈত্রেয়ী দেবির গলায় এইচ এম ভি থেকে রেকর্ড হয়ে বেরলো। 


 ১৯৩৪ সালে বাবার পছন্দের পাত্রের সাথে বিয়ে হয়ে গেল কালিম্পংয়ে কাছে মংপুর বিখ্যাত সিঙ্কোনা প্যান্টের চিফ কেমিস্ট ডাঃ মনমোহন সেনের সাথে। তখন ডাঃ মনমোহন চৌত্রিশ আর মৈত্রেয়ী দেবী কুড়িতে। 

১৯৩৬ সালে মৈত্রেয়ী দেবী দর্শনশাস্ত্রে স্নাতক হলেন যোগমায়া দেবী কলেজ থেকে।


তারপর পাকাপাকি ভাবে মংপুতে। স্বামী ছিলেন বয়সে অনেক বড় তবুও ভালোবাসা কোনও বাঁধা হল না। মানুষ হিসেবে মৈত্রেয়ীর স্বামী এত সহজ সরল ও বন্ধুত্বপূর্ণ ছিলেন যে, মৈত্রেয়ী জীবনকে আবার ভালোবাসতে শিখে গেলেন। মৈত্রেয়ী দেবী জীবনকে নতুন ভাবে আবিষ্কার করলেন। 


মৈত্রেয়ী দেবী ততদিনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে আরও নতুন ভাবে চিনেছেন। তার আর তার স্বামীর আমন্ত্রণে ১৯৩৮ থেকে ১৯৪০ এই দুই বছরে কবি চারবার মংপু থেকে ঘুরে গেছেন। যার স্মৃতি থেকে তিনি পরবর্তীকালে লিখেছে “মংপুতে রবীন্দ্রনাথ” (১৯৪২)। 


ওদিকে মির্চা এলিয়াদ সেই ঘটনার কিছুদিন পর ভারতবর্ষ ত্যাগ করে ফিরে গেলেন দেশে। এবং আরও বেশী করে গবেষণা, লেখাপড়ার মধ্যেই নিজেকে সঁপে দিলেন। কিন্তু মৈত্রেয়ীর সাথে সম্পর্কের যে দুঃখজনক পরিণতি মির্চার হয়েছিল, সেই গভীর বেদনা আর ক্ষতকে একা বয়ে নিতে পারছিলেন না বলেই হয়তো, ১৯৩৩ সালে কলকাতা থেকে যাওয়ার তিন বছর পর  রোমান ভাষায় লিখে ফেললেন কালজয়ী উপন্যাস “লা নুই বেঙ্গলি” যা বাংলা করলে দাঁড়ায় “বাংলার রাত”।


এই একটি উপন্যাস মির্চা এলিয়াদকে তার দেশে ঔপন্যাসিক হিসেবে রাতারাতি বিখ্যাত করে দিল। এটি ছিল সেই সময়ের রোমানিয়ান ভাষায় লেখা বেস্ট সেলার। “লা নুই বেঙ্গলী” কখনই আত্মজীবনী ছিল না। মির্চা এলিয়াদ তাতে মিশিয়েছিলেন কল্পনার আবেশ। আর সেই কল্পনার অনেকটা জুড়েই ছিল দুজনের শারীরিক ভালোবাসাা। সে দেশের সংস্কৃতিতে সেটা হয়তো কিছুই নয় কিন্তু ভারতবর্ষের চোখে সেটা অশ্লীল ছাড়া আর কিছু নয়।


মজার ব্যপার হল হলো, মির্চা এলিয়াদ যে মৈত্রেয়ী দেবীকে তার উপন্যাসে স্বপ্নের নায়িকা বানিয়েছে, সেই খবর মৈত্রেয়ী দেবী জানতেন না। যখন জানলেন তখন তার বয়স প্রায় ষাটের কোটায়। তিনি তখন বাংলাদেশের মুক্তি যুদ্ধ নিয়ে দিকে দিকে বক্তৃতা দিয়ে বেড়াচ্ছেন। তখন তার  ছেলে ও মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে ও তাদের নিজেদের সন্তান আছে।

 

মৈত্রেয়ী পড়লেন “না লুই বেঙ্গলী” আবিস্কার করলেন কিভাবে তার পবিত্র প্রেমকে উপন্যাসে নায়িকা হিসেবে তার নাম রেখে দুজনের সম্পর্ককে যেভাবে উপস্থাপিত করা হয়েছে সেটা অশ্লীলতার এক চরম নিদর্শন। 


চল্লিশ বছর পর জীবনের প্রথম প্রেম আবার ঝড় তুলল মৈত্রেয়ীর জীবনে। পুরনো প্রেম নিয়ে এলো নতুন করে কষ্ট নিয়ে। এরই মধ্যে মৈত্রেয়ী দেবীর সুযোগ এলো শিকাগো সফরের। শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হল রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে বক্তৃতা দেওয়ার জন্য। মির্চা এলিয়াদ তখন শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনের অধ্যাপক।


 মৈত্রেয়ী দেবী তার স্বামীকে জানালেন সেকথা।তিনি সাহস জোগালেন মির্চার সাথে দেখা করার। লোকলজ্জার ভয় তুচ্ছ করে মৈত্রেয়ী তার স্বামীর অনুমতি নিয়েই দেখা করতে গেলেন জীবনের প্রথম ভালোবাসার সাথে। শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল লাইব্রেরির এক কোনে দীর্ঘ চল্লিশ বছর পর আবার দেখা হল মির্চা আর মৈত্রেয়ীর।


শিকাগো থেকে ফিরে “লা নুই বেঙ্গলি”র সমস্ত অসত্য ঘটনার উত্তরে ও একইসাথে নিজের মনের গভীরে এত বছর ধরে গোপন করে রাখা এই ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে মৈত্রেয়ী লিখে ফেললেন বাংলা ভাষার সর্বকালের শ্রেষ্ট এক উপন্যাস “ন হন্যতে”।


১৯৭৪ সালে প্রকাশিত হল “ন হন্যতে”। আবার জীবনে ঝড় উঠল মৈত্রেয়ী দেবীর এতদিনের সাজানো গোছানো জীবনে তীব্র বিতর্ক ও সমালোচনার সঞ্চার হল। সেসময়ের রক্ষণশীল সমাজে একজন বিবাহিত বৃদ্ধ নারীর তার অল্প বয়েসের প্রেমের পুঙ্খানুপুঙ্খ ঘটনা লেখাকে কোনোভাবেই ভালো চোখে দেখা হতো না। কিন্তু মৈত্রেয়ী দেবী তার ইচ্ছে ও সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। ‘ন হন্যতে’ এর অর্থ, যার মৃত্যু নেই। প্রেম ও আত্মার অবিনশ্বরতাকে এক করে মৈত্রেয়ী তার ও মির্চার ভালোবাসার সত্যকে নির্ভীকভাবে মানুষের সামনে তুলে আনেন। এই সত্যভাষণ তাঁকে এনে দেয় সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৭৬)। বলা হল আকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত একালের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। ১৯৭৭ সালে পেলেন পদ্মশ্রী।


শিকাগোতে মির্চা এলিয়াদের সাথে দেখা হওয়ার পর মৈত্রেয়ী দেবী তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন, কেন ওরকম মিথ্যে লিখেছিলেন তার ব্যাপারে। উত্তরে মির্চা বলেছিলেন, ভেতর ভেতর নিদারুণ কষ্টে গুমরে মরছিলেন তিনি; কল্পনার কাছে আশ্রয় নেওয়া ছাড়া আর কোনো পথ-ই অবশিষ্ট ছিল না তার।  

তিনি মৈত্রেয়ী দেবীকে কথাও দিয়েছিলেন, মৈত্রেয়ী দেবীর জীবনকালে এই বই কোনোদিন ইংরেজিতে প্রকাশ করা হবে না। ১৯৯০ সালের  ৪ ফেব্রুয়ারী মৈত্রেয়ী দেবী মারা যান তার ৪ বছর পর ১৯৯৪ সালে “ন হন্যতে” ও “লা নুই বেঙ্গলি” দুটো বই ই একসাথে শিকাগো প্রেস থেকে ইংরেজিতে প্রকাশ করা হয় “ন হন্যতের” ইংরেজী অনুবাদের নাম ছিল “ইট ডাজ নট ডাই”।


মৈত্রেয়ী দেবী আর মির্চা এলিয়াদের ভালবাসার ভালোবাসা  আজ সাহিত্যের ভান্ডারে স্থায়ী ভাবে জায়গা করে নিয়েছে।


সূত্র: দিনা নার্গিস।❤️❤️❤️❤️❤️



বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০২৪

হিউম্যান সাইকোলজি'র একটা পরীক্ষা নিই:-,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আসুন-হিউম্যান সাইকোলজি'র একটা পরীক্ষা নিই:-


এখানে থামুন..!!


আপনাকে কিছু অনুমান করতে বলবো..!!


অনুমানগুলো মনে মনে রেখে আমার অনুমানের সাথে মিলিয়ে নিবেন। পোস্টের নিচের দিকে যাবেন না। এটা একটা গেইম-ধারাবাহিকভাবে পোস্টটা পড়ুন..!!


আপনাকে বলছি..


 ১। খুব দ্রুত যেকোন একটা ফার্নিচারের নাম ভাবুন যেকোন, যা মনে আসে তাই..!!


২। খুব দ্রুত যেকোন একটা ফুলের নাম ভাবুন..!!


৩। খুব দ্রুত যেকোন একটা রঙের নাম ভাবুন..!!


৪। খুব দ্রুত ১ থেকে ১০ পর্যন্ত যেকোন একটা সংখ্যা ভাবুন..!!

.

.

.

.

.**

.

.........

......

.......

......

....

..

....

.

.

এই জিজ্ঞাসাগুলোতে মানুষ যা অনুমান করে...


১। ৯০% মানুষ ফার্নিচার হিসেবে আগে চেয়ার/সোফা বা যেখানে বসা যায়  টাইপ কিছু ভাবে-যেখানে বসা যায়..!!


২। ৯০% মানুষ ফুলের প্রসঙ্গ আসলেই গোলাপ চিন্তা

করে।


৩। রঙের প্রসঙ্গ আসলে ৯০% মানুষ লাল রঙ চিন্তা

করে।


৪।(১-১০) পর্যন্ত কোন নাম্বার মনে করতে বললে ৯০% মানুষ ৭ (সাত) চিন্তা করে। এটাই হিউম্যান সাইকোল্যজি..!!


কয়টা মিলছে জানাবেন!!!🙂


(আমার ১ আর ৪ মিলেনি)

সংগৃহীতঃ রুমানা চৌধুরী❤️❤️❤️

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

সমুদ্র বা নদী ভাঙ্গন  রোধ করার জন্য  যেই জিও কাপড় ব্যবহার করা হয় সেই জিও কাপড় দিয়েই আমরা তৈরি করেছি এই AIR-pot বা জিও ব্যাগ গুলো।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সমুদ্র বা নদী ভাঙ্গন  রোধ করার জন্য  যেই জিও কাপড় ব্যবহার করা হয় সেই জিও কাপড় দিয়েই আমরা তৈরি করেছি এই AIR-pot বা জিও ব্যাগ গুলো।

বাজারে নিম্নমানের যেই টব অথবা ড্রাম গুলো পাওয়া যায় সেগুলোর তুলনায় এগুলো ২ গুন বেশি টেকসই এবং ২০-২৫ বছর আনায়েসে ব্যাবহার করতে পারবেন।

মাটি যেহেতু সব সময় ভেজা থাকে তাই বাজারে সাধারন যেই জিও ব্যাগ গুলো পাওয়া যায় এগুলো ব্যাবহারের ফলে আপনার ছাদ ড্যামেজ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাই আমাদের তৈরি  AIR-POT বা জিও ব্যাগ গুলোর তলা উন্নত মানের প্লাস্টিক ব্যাবহার করে water proof করে দেয়া হয় এবং পানি নিস্কাশনের জন্য ফুটো করে স্টিলের আইলট লাগিয়ে দেওয়া হয় যার ফলে পানি নির্দিষ্ট যায়গা দিয়ে বের হয়ে যায় এবং আপনার ছাদও ডেমেজ হয় না।

☘️ আমাদের তৈরি AIR-POT গুলো গ্রে কালার হয়ে থাকে তাই অতিরিক্ত তাপেও ব্যাগ গরম হয় না, যার ফলে মাটির ময়েশ্চার ঠিক থাকে এবং মাটিতে দেয়া সার নষ্ট  হয়ে যায় না।

☘️কাপড়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র দিয়ে অক্সিজেন সরবারহ হয় এবং অতিরিক্ত পানিটাও ব্যালেন্স হয়ে বের হয়ে যায়।।যার কারণে উৎপাদন ক্ষমতা দ্বিগুণ হয় এবং মশা জন্মানোর কোন ভয় থাকে না।

☘️ব্যাগের দুই পাশে সরাসরি মোটা ফেব্রিক্স হাতল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে,যা টেনে ছেঁড়া একেবারেই অসম্ভব। শুধুমাত্র কাটা ছাড়া এর হাতল ছিঁড়বে না।

জিও ব্যাগের দাম 


উচ্চতা  ১০  ইঞ্চি রাউন্ড  ৩০ ইঞ্চি ৩ গ্যালন ৯০ টাকা


উচ্চতা  ১২ ইঞ্চি রাউন্ড  ৩৬ ইঞ্চি ৫ গ্যালন ১৩০  টাকা


উচ্চতা ১৫  ইঞ্চি রাউন্ড  ৫২ ইঞ্চি ১৫ গ্যালন ২০০  টাকা


উচ্চতা  ২০  ইঞ্চি রাউন্ড  ৬০ ইঞ্চি ৩০ গ্যালন ২৮০ টাকা


উচ্চতা  ২০  ইঞ্চি রাউন্ড ৭২ ইঞ্চি ৪০ গ্যালন ৩৫০ টাকা


তো দেরি না করে এখুনি অর্ডার করুন

 আমরা ঢাকা সহো পুরো বাংলাদেশে হোমডেলিভারি দিয়ে থাকি

ঢাকাতে ডেলিভারি চার্জ ৬০ টাকা ঢাকার বাইরে ১৫০ টাকা যেটা বিকাশে অগ্রিম পে করতে হবে। 

জিও ব্যাগ কিনতে কল করুন 01706941427


গঙ্গার নীচে সুড়ঙ্গ তৈরি করে ট্রেন চালানোর ভাবনা তা কিন্তু হয়েছিল অনেক আগেই। সেই ১৯২১ সালে ব্রিটিশ আমলে।,,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 গঙ্গার নীচে সুড়ঙ্গ তৈরি করে ট্রেন চালানোর ভাবনা তা কিন্তু হয়েছিল অনেক আগেই। সেই ১৯২১ সালে ব্রিটিশ আমলে।

লন্ডনের টেমসের মতো গঙ্গার নীচে কলকাতা-হাওড়াকে জুড়বেন ভেবেছিলেন ব্রিটিশ ইঞ্জিনিয়ার লন্ডনের থেমস টানেল।


 ১৯৮৪ সালের ২৪ অক্টোবর। ভারতে প্রথম পাতালরেল গড়গড় করে চাকা গড়িয়েছিল। প্রথম গন্তব্যটা ছিল কলকাতার এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন থেকে ভবানীপুর (অধুনা নেতাজি ভবন স্টেশন) পর্যন্ত। তার আগে ট্রায়াল হয়েছিল জুন মাসে। আম বাঙালি তখন মেট্রোকে বলত পাতালরেল। মাটির নীচে পাতালপথে হু হু করে ছুটছে ট্রেন, তা ছিল বেশ শিহরণ জাগানো ব্যাপার। ৪০ বছর কেটে গেছে। মেট্রো এখন অনেক প্রসারিত। উত্তর-দক্ষিণের পরে পূর্ব-পশ্চিমকে জোড়ার কাজও শুরু হয়ে গেছে। হাওড়া ময়দান থেকে কলকাতার এসপ্ল্যানেড অবধি গঙ্গার নীচ দিয়ে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো চালু হয়ে গেছে হইহই করে। এই যে গঙ্গার নীচে সুড়ঙ্গ তৈরি করে ট্রেন চালানোর ভাবনা তা কিন্তু হয়েছিল অনেক আগেই। সেই ১৯২১ সালে ব্রিটিশ আমলে। যে ব্রিটিশ ইঞ্জিনিয়ার প্রথম তা ভেবেছিলেন তাঁর জন্ম আবার বাংলার বুকেই, খাস বীরভূমে।


ভারতে তখন ব্রিটিশ শাসন। গঙ্গার নীচে সুড়ঙ্গ বানিয়ে মেট্রো চালুর ভাবনা ছিল ব্রিটিশদেরই। কলকাতা আর হাওড়াকে গঙ্গার নীচে দিয়ে জুড়বেন ভেবেছিলেন তৎকালীন এক ব্রিটিশ ইঞ্জিনিয়ার। গঙ্গার এপার আর ওপারকে একই সূত্রে গাঁথতে চেয়েছিলেন তিনি। সেই ব্রিটিশ ইঞ্জিনিয়ারের নাম ছিল স্যার হার্লে ডালরিম্পল-হে। তাঁর নাম বেশি কেউ জানে না। স্যার হার্লে ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত হলেও জন্ম বাংলার বীরভূমে। সেই ১৯২১ সালেই প্রথম গঙ্গার নীচে দিয়ে টিউব রেল চালানোর ভাবনা এসেছিল তাঁর মাথায়। ১৯৮৪ সালের ২৪ অক্টোবর প্রথম মেট্রো রেল চলে কলকাতায়।


লন্ডনে টেমস নদীর নীচ দিয়ে তখন দিব্যি ট্রেন চলে। নদীর নীচ দিয়ে টানেল বানানোর কৌশল তখন আয়ত্ত করে ফেলেছে ব্রিটিশরা। সেই কৌশলেই গঙ্গার নীচে দিয়ে কলকাতা আর হাওড়াকে জুড়ে ফেলার কথা ভাবেন স্যার হার্লে। ডিজাইনও এঁকে ফেলেন হার্লে। হুগলি নদীর নীচে দিয়ে ১০.৫ কিলোমিটার (৬.৫ মাইল) পাতালপথে মেট্রো চালানোর নকশা করেন স্যার


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 
হার্লে। ১০টা স্টেশন বানানোর ভাবনা ছিল তাঁর। কলকাতার সঙ্গে জুড়ত যমজ শহর হাওড়া। যেমন ভাবা তেমনি কাজ। শুরু হয় মাটি পরীক্ষা।


১৯২৮ সাল। গঙ্গার নীচে দিয়ে মেট্রো চালানোর প্রকল্প বন্ধ করে দেন স্যার হার্লে। পরবর্তীতে তাঁর বই ‘ক্যালকাটা টিউব রেলওয়েজ’-এ তিনি লিখেছিলেন, লন্ডনের টেমস নদীর নীচে মেট্রোর সুড়ঙ্গ তৈরিতে যা খরচ পড়েছিল, হুগলি নদীর নীচে টানেল বানাতে হলে তার খরচ পড়ত প্রায় ৬ গুণ। পলিমাটি পরীক্ষা করে তিনি দেখেছিলেন সেখানে টানেল বানানো বেশ কঠিন। নরম কাদামাটিতে টানেল বানাতে গেলে তার খরচও হত বিস্তর। পয়সাকড়ির অভাবে টানেল বানানোর কাজ বন্ধ করে দেন তিনি।


কিন্তু ওই যে কথায় বলে না, মন থেকে কিছু চাইলে এবং পরিশ্রম করলে সে ফল একদিন ঠিকই পাওয়া যায়। তাই হয়েছিল স্যার হার্লের ক্ষেত্রেও। টিউব রেল বানানোর প্রকল্প বন্ধ হওয়ার পর পরই সিইএসসি (সিটি ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি) স্যার হার্লেকে হুগলি নদীর নীচে টানেল বানানোর প্রস্তাব দেয়। কলকাতা ও হাওড়ার মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু রাখার জন্য টানেল বানানো খুব জরুরি হয়ে পড়ে সেই সময়। মোটা মোটা কেবিলের তার গঙ্গার নীচের টানেল পথেই নিয়ে যাওয়ার কথা ভেবেছিল সিইএসসি। সেই জন্যই সুড়ঙ্গ খুঁড়তে হত। সিইএসসি প্রস্তাবে রাজি হয়ে টানেল তৈরির কাজ শুরু করেন স্যার হার্লে। সে কাজ শেষ হয় ১৯৩১ সালে। সেই প্রথম কলকাতায় গঙ্গার নীচ দিয়ে টানেল তৈরি হয়। মেট্রো রেলের জন্য না হলেও গঙ্গার নীচের টানেল জুড়ে দেয় দুই যমজ শহরকে।

Copy from fb


প্লাস্টিক বা টবের চেয়ে কম দামে কোন অগ্রিম পেমেন্ট ছাড়া অর্ডার করতে পারবেন এবং প্রডাক্ট খুলে চেক করে টাকা দিতে পারবেন।,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌴প্লাস্টিক বা টবের চেয়ে কম দামে কোন অগ্রিম পেমেন্ট ছাড়া অর্ডার করতে পারবেন এবং প্রডাক্ট খুলে চেক করে টাকা দিতে পারবেন।🌴


অর্ডার করতে মেসেজ করুনঃ m.me/GeoTreePlant

বা WhatsApp: 01753-884207


🌿 জিও ব্যাগ আনুমানিক ১৫-২০ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়ে থাকে। কারণ এটি নদীর ও সমুদ্র পাড়ে বাধ দেয়ার কাজে ব্যবহার করা হয় যা পানি নিস্কাশন ও ভাল ও অধিক চাপ সহনশীল।


🌴জিও গার্ডেনিং ব্যাগ এর দাম:

২ গ্যালন ৭.৭ কেজি মাটি ধারণ করে  দাম ৬৫ টাকা

৩ গ্যালন ১২ কেজি মাটি ধারণ করে দাম ৯৫ টাকা

৫ গ্যালন ২০ কেজি মাটি ধারণ করে দাম ১১৫ টাকা

১০ গ্যালন ৪০ কেজি মাটি ধারণ করে দাম ১৫০ টাকা 

১৫ গ্যালন ৬০ কেজি মাটি ধারণ করে দাম ১৭০ টাকা

২৫ গ্যালন ১০৫ কেজি মাটি ধারণ করে দাম ২৫০ টাকা


🌴গ্যালন =  (ব্যাস × লম্বা মাপ)  গাছের ধরণ       

         ২               ৮  × ৭        ফুল গাছ                      

         ৩            ১০  × ৮       মরিচ, টমেটো, ক্যাপসিকাম, বেগুন                                                                                  

         ৫             ১২  × ১০      মরিচ, টমেটো, ক্যাপসিকাম, বেগুন 

        ১০            ১৬  × ১২       ড্রাগন ফল, লেবু 

        ১৫            ১৮  × ১৪       ড্রাগন ফল, লেবু 

        ২৫            ২১ × ১৬  (বড় ড্রাম সাইজ) - আম, কমলা, মাল্টা, বড় ধরণের গাছ।


🌿 সমুদ্র ও নদীর পাড়ে ভাঙ্গন রোধ করার জন্য যে ফেব্রিকের বড় বড় বস্তা বানিয়ে তাতে বালিভর্তি করে বাধ দেওয়া হয় সেই ফেব্রিক দিয়ে জিও ব্যাগ বানানো হয়। এই ফেব্রিক হাজার টন বালি ধরে রাখতে সক্ষম এবং এটি পচে না।


🍁-এতে গাছ প্লাস্টিকের টব বা ড্রাম এর তুলনাই অনেক দ্রুত বাড়ে আর প্লাস্টিকের টব বা ড্রাম এর তুলনাই অনেক টেকসই-🍁


জিও ব্যাগের কিছু উপকারিতা :

১. এতে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা খুবই ভালো হয়।  ড্রামে ছিদ্র করতে হয় তার উপর টবের টুকরা দিতে হয়, তার উপর বালি দিতে হয়। তারপরেও অনেক সময় পানি বেশি হয়ে গেলে ড্রামের গাছের শিকড় পচে যায়। জিও ব্যাগে এগুলোর কোন ঝামেলা নেই। সরাসরি মাটি দিয়ে গাছ লাগিয়ে ফেলুন। পানি বেশি হলেও শিকড় পচে যাওয়ার সম্ভাবনা নাই।


২. জিও ব্যাগের ভেতর দিয়ে বাতাস চলাচল করে। ড্রামের ভেতর দিয়ে বাতাস চলাচল করতে পারে না।


৩. ব্যবহার করার পরেও জিও ব্যাগ ভাঁজ করে রেখে দেওয়া যায়। দশটি জিও ব্যাগ ভাঁজ করে রাখলে খুব অল্প জায়গা নিবে। কিন্তু ড্রাম ভাঁজ করা যাবে না।

অর্ডার করতে আপনার ঠিকানা আর ফোন নাম্বার মেসেজ এ দিয়ে সাহায্য করুন 


আমাদের সাথে যোগাযোগ নাম্বার

01753884207


হামলা-মামলা, জবর-দখল আর মারপিট কিনবেন নাকি  জমি কিনবেন?"" ০ফৈইসবুক থেকে নেওয়া

 "" হামলা-মামলা, জবর-দখল আর মারপিট কিনবেন নাকি  জমি কিনবেন?""

তাই-

জমি কেনার আগে অবশ্যই আপনাকে কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষ করে বিক্রেতার মালিকানা এবং জমির বিভিন্ন দলিল ভালোভাবে যাচাই বাছাই করতে হবে; তা না হলে পড়তে পারেন বিপদে, এমনকি প্রতারিতও হতে পারেন। জমির দলিলপত্র যাচাই না করে জমি কেনা উচিত নয়।


কী কী যাচাই করতে হবে:

✅যার কাছ থেকে জমি কিনবেন তার কাছ থেকে ঐ জমি সংক্রান্ত সকল কাগজপত্রের ফটোকপি চেয়ে নিন, যেমন- সি.এস খতিয়ান, আর.এস খতিয়ান, বি.এস/ঢাকা সিটি জরীপের খতিয়ানসহ সর্বশেষ পর্যন্ত যে সকল বেচাকেনা হয়েছে সেগুলোর বায়া দলিল, নামজরী খতিয়ান এবং হাল সনের খাজনার দাখিলাসহ সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র।

✅এ কাগজগুলো দিয়ে মালিকানা স্বত্ত্ব পরিক্ষা করে দেখতে হবে। যেমন- সি.এস খতিয়ান, এস.এ খতিয়ান, আর.এস/বি.এস খতিয়ান ও ঢাকা সিটি জরীপের খতিয়ান পাশাপাশি মিলিয়ে দেখতে হবে জেলা, মৌজা, থানা, দাগ নম্বর ইত্যাদি মিলে কিনা। যদি না মিলে তবে ঐ মৌজার সি.এস নকশা,আর.এস./বি.এস ও ঢাকা সিটি জরীপের নকশা জোগাড় করে তাদের তুলনা করে দেখতে হবে সি.এস দাগ ভেঙে কয়টি আর.এস. দাগ বা সিটি জরীপের দাগ সৃষ্টি হয়েছে এবং সেগুলো কি কি। এরপর ভূমি রেকর্ড রুম হতে ঐ খতিয়ানগুলোর সই মুহুরী নকল নিয়ে মালিকের নাম নিশ্চিত করতে হবে। যদি সি.এস খতিয়ানে মালিকের নামের সহিত এস.এ বা আর.এস খতিয়ানের মিল না পাওয়া যায় তবে দেখতে হবে সি.এস এর মালিক জমিটি কি করলেন। তিনি যদি বিক্রি, দান, হেবা, এওয়াজ বা কোনরূপ হস্তান্তর করে থাকেন তবে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে তল্লাশি দিতে হবে এবং হস্তান্তর দলিলের সই মুহুরী নকল বের করতে হবে। একইভাবে পরবর্তী সকল খতিয়ানের মালিকানার ক্ষেত্রে তা পরিক্ষা করতে হবে। কিভাবে হস্তান্তরিত হয়ে রেকর্ড প্রস্তুত হয়েছে।

✅ জরিপের মাধ্যমে প্রণীত রেকর্ড অর্থাৎ খতিয়ান ও নকশা যাচাই করতে হবে।

✅ জমির তফসিল অর্থাৎ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ জানতে হবে।

✅ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সিএস; এসএ; আরএস পর্চা দেখাতে হবে।

✅ বিক্রেতা ক্রয়সূত্রে ভূমির মালিক হয়ে থাকলে তার ক্রয় দলিল বা বায়া দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে বিক্রেতার মালিকানা নিশ্চিত হতে হবে।

✅ বিক্রেতা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হলে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান বিক্রেতা বা তিনি যার মাধ্যমে প্রাপ্ত তার নামে অস্তিত্ব (যোগসূত্র) মিলিয়ে দেখতে হবে। ওয়ারিশি জমি কিনতে চাইলে, ঐ সম্পত্তিতে মোট কতজন ওয়ারিশ আছে তা খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।

প্রয়োজন হলে জমি ক্রয়ের পূর্বই জমির  মধ্যে আপনি ক্রয় সূত্রে এই জমির মালিক এমন সাইনবোর্ড লাগালেও জমির প্রকৃত অবস্থা বুঝতে পারবেন।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...