এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ৯ মার্চ, ২০২৪

দু’আ-ই মাসুরাহ,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 দু’আ-ই মাসুরাহ 


اَللَّهُمَّ إِنِّيْ ظَلَمْتُ نَفْسِيْ ظُلْمًا كَثِيْرًا وَّلاَ يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلاَّ أَنْتَ، فَاغْفِرْ لِيْ مَغْفِرَةً مِّنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِيْ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ


আল্লাহুম্মা ইন্নী যালামতু নাফ্‌সি যুলমান কাছীরাঁও ওয়ালা ইয়াগ্‌ফিরুয যুনূবা ইল্লা আন্তা ফাগ্‌ফিরলি মাগফিরাতাম মিন ‘ইনদিক, ওয়ারহাম্‌নি ইন্নাকা আন্তাল গাফূরুর রহীম।


হে আল্লাহ! আমি আমার নফসের উপরে অসংখ্য জুলুম করেছি। ঐসব গুনাহ মাফ করার কেউ নেই আপনি ব্যতীত। অতএব আপনি আমাকে আপনার পক্ষ হতে বিশেষভাবে ক্ষমা করুন এবং আমার উপরে অনুগ্রহ করুন। নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল ও দয়াবান।


হযরত আবূ বকর সিদ্দীক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আবেদন করলাম যে, আমাকে এমন একটি দু‘আ শিখিয়ে দিন যা আমি নামাযে পড়ব। তিনি বলেন প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দু’আয়ে মাছুরা পড়ার নির্দেশ দিলেন। 


সূত্র: বুখারী শরীফ হাদীস নং (৮৩৪) মুসলিম শরীফ হাদীস নং (৬৮৬৯) তিরমিযী শরীফ হাদীস নং (৩৫৩১) নাসাঈ শরীফ হাদীস নং (৬৩০৩) ইবনে মাজাহ শরীফ হাদীস নং (৩৮৩৫)



যত  নিকৃষ্ট উপমা শুধু নারীর জন্য কিন্তু কাপুরুষের উপমা কি ?,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 যত নিকৃষ্ট উপমা শুধু নারীর জন্য কিন্তু কাপুরুষের উপমা কি ?


(নারীকে সম্মান দিন কারণ নারী +পুরুষ = মানুষ )


আশ্রাফুল আলম নোবেল পাটোয়ারী ::


(বর্তমান প্রেক্ষাপটে দৃশ্যপটে বাস্তবতার নিরিখে নারীদের প্রতি অবিচার আর অসম্মান কারীদের মুখোশ ও আমার অনুধাবন তুলে ধরলাম ) 


৫০ টাকায় কাপড় খুললে নারী হয় বেশ্যা۔۔! কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


আর ৫০০০০ টাকায় কাপড় খুললে হয় নায়িকা۔۔!, 

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


আবেগে কাপড় খুললে হয় বান্ধবী ۔۔!,

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


আর অভাবে কাপড় খুললে হয় মাগী۔۔۔!,

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


সখিনা,জরিনা খুললে বলে খানকি۔۔!

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


আর সোশ্যাল মিডিয়ায় এঞ্জেল, জেরিনরা ফিগার দেখাইলেই হয় স্মার্ট۔۔۔!

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


বিয়ার আগে খুললে নটি۔۔!

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


আর বিয়ার পর খুললে মেইন্টেনিং সোসাইটি۔!

কিন্তু তা কার জন্য খুলে ? তার উপমা কি ??


আবার বিবাহিতাকে নিয়েই সে পালিয়ে সম্পর্ক/পরকীয়া করতে ইতস্তত বোধ করে না।

কিন্তু সে কে  ? তার উপমা কি ??


কাপড়টা সবাই খোলে, একমাত্র স্বামীর কাছেই পবিত্র ।


নারী লজ্জাবতী কিন্তু তারপরও সেই কাপুরুষ কিছু অর্থ দিয়ে কাপড় খোলায় আর মঝা লুটে ۔۔۔۔!! এই কাপুরুষ নাথাকলে তো পতিতালয় ই হত না ۔۔۔!!

পতিতালয়ের কাস্টমার করা ۔۔۔?? তার উপমা কি ۔۔۔??


আর এই সমাজ কিভাবে দেখছে ۔۔?

কাপড় খুলে কেউ বেশ্যা হয় না ۔۔!

এই কাপুরুষ সমাজই বেশ্যা তৈরি করে ।

কিন্তু ঐ বেশ্যাদের কাছে কারা যায়?

সমাজ তাকে কি নামে ডাকে ۔۔?? 

নারীর দিকে আঙুল তোলার আগে, ও কাপুরুষ আপনি নিজের দিকে ও তাকান۔۔۔??

আপনি আপনার পরিচয়টা দেন ۔۔۔۔?


নারীর প্রতিটা কুকর্মে কাপুরুষ জড়িত কারণ এক হাতে তালি বাঁজে না, অথচ বেশিরভাগ কাপুরুষই অপরাধ করেও লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যায়, কিন্তু জনসম্মুখে পড়তে হয় নারীকেই ।

কিন্তু যে কাপুরুষ এই কাপড় খুললো সে কি ?

তার উপমা কি ??


ধর্ষিতা কখনওই নিজ ইচ্ছায় ধর্ষণ হয় না,

কিন্তু তা জেনেও সবাই তাকে দূরে সরিয়ে দেয়, সমাজ তাকে বাঁকা চোখেই দেখে । নষ্টা ভ্রষ্টা উপাদি দে ।  কিন্তু যে কাপুরুষ এমন অপকর্ম করলো সমাজ তাকে কিছুই বলেন উল্টো সে নিজেকে বীর ভাবে !! কেউ কেউ ধর্ষণে সেঞ্চুরি ও মারে।   এই দেশে ধর্ষণের কোন দৃষ্টান্ত মূলক সাজার উদাহরণ নাই ۔۔।  তাই সেই কাপুরুষদের কোনো ভয় নেই । তারা একের পর এক ধর্ষণ অপকর্ম করেই চলছে । সেই কাপুরুষ জানোয়ারও তো কোন নারীর গর্ভে জন্ম  ۔۔!!  তব হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে সেই নারীকেই করে ধর্ষণ !! 


বিঃদ্রঃ এইরকম ভাষা ব্যবহার করার জন্য দুঃখিত । বাস্তবতা এইরকমই এইভাবে না লিখলে অনেকে বলবে ভাষাগত সমস্যার কারণে বুঝি নাই । 


মনে রাখবেন প্রত্যেক নারীর ভিতর একটি মা এর সত্ত্বা বাস করে, তাকে সম্মান করতে শিখুন। মা ই স্বর্গ ۔۔۔۔!!!

Ashraful Alam Nobel Patowary Amar Bangla Multimedia 


AANP  নির্বাহী সম্পাদক , দৈনিক অর্থনীতির খবর ۔۔۔


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ০৯-০৩-২০২৪ ।,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ০৯-০৩-২০২৪ ।


আজকের শিরোনাম:


পাঁচ নারীকে জাতীয় পর্যায়ে ‘সেরা জয়িতা পুরস্কার-২০২৩’ প্রদান, দেশের সার্বিক উন্নয়নে নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণ প্রয়োজন - আন্তর্জাতিক নারী দিবসের অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী। 


প্রথমবারের মত কেবল নারী ক্রু সদস্যদের দিয়ে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।


অবৈধ ক্লিনিক ও হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে - বলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।


বাংলাদেশী কর্মীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণে সংযুক্ত আরব আমীরাতের প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান। 


পবিত্র রমজান মাসে সারাদেশে একই পদ্ধতিতে খতমে তারাবিহ্ পড়ার আহ্বান ইসলামিক ফাউন্ডেশনের।


গাজায় বিমান থেকে ত্রাণের প্যাকেট ফেলার সময় প্যারাসুট বিভ্রাটে পাঁচজনের প্রাণহানী।


আজ সিলেটে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে শ্রীলংকার মুখোমুখী হবে বাংলাদেশ।


বড়লোক কে,,,, কথায় গাঁথা সুরের মেলা,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 গান শুনে রিহানাকে ৭৪ কোটি দিয়েছেন মুকেশ আম্বানি, ১০০ টাকায় দেশবাসীকে ক্যান্সারের ওষুধ দিতে চলেছেন রতন টাটা


অকৃতদার। তাই সন্তান নেই। সুতরাং, পরিবারে বিয়ের আসর বসে না। তবে মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে প্রায়ই ‘গেট টুগেদার’ হয়। রথী-মহারথীদের উপস্থিতিতে মনোরঞ্জনের ব্যবস্থা রাখতে হয়। কিন্তু কোনওদিন শুনেছেন, বিখ্যাত কোনও শিল্পীর কয়েকটি গান শুনে কোটি কোটি টাকা দিয়েছেন শিল্পপতি রতন টাটা? না, শোনা যায় না। তা হলে কি তিনি কিপটে? আসলে রতন টাটার দর্শন সম্পূর্ণ আলাদা। অন্য কোনও শিল্পপতিদের সঙ্গে তাঁর দর্শন মেলে না। চাইলেই গান শুনতে ডেকে এনে রিহানাদের মতো শিল্পীদের কোটি কোটি টাকা দিতে পারেন। কিন্তু তিনি এমন ‘মোচ্ছব’ করেননি কোনওদিন। এখন দেশের মানুষকে মাত্র ১০০ টাকায় ক্যান্সারের ওষুধ দিতে চলেছেন তিনি। টাটা মেমোরিয়াল আবিষ্কার করে ফেলেছে ক্যান্সারের ওষুধ। এবার বাজারে আসার অপেক্ষা। এখানেই তিনি অন্য শিল্পপতিদের থেকে আলাদা। অনন্য।


শিল্পপতি মুকেশ আম্বানির ছেলের বিয়েতে ‘মহোৎসব’ হচ্ছে গুজরাটের জামনগরে। অতিথিদের মনোরঞ্জনের জন্য হলিউড থেকে গান গাইতে এসেছেন শিল্পী রিহানা। তিনি এক রাতের পারফরম্যান্সের পারিশ্রমিক পেয়েছেন ৭৪ কোটি টাকা। মুকেশ-পুত্রের বিয়ের অন্যান্য খরচের কথা আলোচনা না করাই ভাল। বেশি ভাবলে আমাদের মতো ‘নুন আনতে পান্তা ফুরনো’ অবস্থাপন্নদের মাথা খারাপ হয়ে যাবে। মুকেশ আম্বানি দেশের এক নম্বর শিল্পপতি। তাই তাঁর সবকিছুই এক নম্বর হওয়ার মতো। প্রায়ই সমস্ত ক্ষেত্রের ‘হুজ হু’-দের নিয়ে তাঁকে বিভিন্ন আসর বসাতে দেখা যায়।


নিজের টাকা। সেই টাকা মুকেশ আম্বানি কীভাবে খরচ করবেন সেটা একান্তই তাঁর নিজস্ব ব্যাপার। টাকা পুড়িয়ে যদি তিনি শীতে ওম নেন তাও কিছু বলার নেই। নিজের টাকা থেকে রিহানাকে ৭৭ কোটি টাকা পারিশ্রমিক দিয়েছেন।‘টিপস’ হিসেবে আরও কয়েক কোটি দিতে পারতেন। কারও কিছু বলার নেই। তাও কিছু কথা বলছি। কারণ, মুকেশ আম্বানি যে দেশের মানুষ, সেই দেশে এখনও ৩০ শতাংশ মানুষ একবেলা ভাল করে পেটপুরে খেতে পায় না। কখনও শুনেছেন, দেশের গরিব মানুষের জন্য কিছু করেছেন মুকেশ আম্বানি?


মুকেশ আম্বানির পরিবারের এই ‘মোচ্ছব’ নিয়ে লিখছি বলে অনেকেই হয়তো বলবেন চোখ টাটাচ্ছে। হয়তো বলবেন, নিজের টাকা নিয়ে তিনি কী করবেন, তা নিয়ে আমাদের ভাবার দরকার কী। ঠিক কথা। ভাবার কোনও কারণ নেই। ধনী হওয়ার জন্য মুকেশ আম্বানির হাতে কি আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ আছে? আমার-আপনার মতো গরিবগুরবো-র টাকায় ধনী হচ্ছেন মুকেশ আম্বানি। জিও ফোন ব্যবহার করেন? নির্দিষ্ট টাকা দিলেও যথাযথ পরিষেবা পান? আপনার কাছ থেকে কিন্তু টাকা নেওয়া কম করেন না মুকেশ আম্বানি। তাই এত কিছু বলা। আর কোনও কারণ নেই।

রাজার ধন নিয়ে রাজা কী করবেন প্রজাদের ভেবে লাভ কী!


সংগৃহীত 

কথায় গাঁথা সুরের মেলা




বই এর বিজ্ঞাপন ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 রাসূলে করিম (সাঃ) বলেন, ঐ ব্যাক্তি সারা জীবন নামায পড়েও জাহান্নামে যাবে, যে ব্যাক্তি নামায সম্পর্কে না জেনে-না বুঝে আদায় করে। কারন তার নামায বিশুদ্ধভাবে আদায় হয় নাই ।


তাই প্রিয় মুসলমান ভাই ও বোন এখনো সময় আছে আপনি নামায সম্পর্কে জেনে-বুঝে, সহি-শুদ্ধভাবে আদায় করুন।


সারা জীবন নামায পড়েছেন কিন্তু নামায যদি সঠিক ভাবে আদায় না হয়, তাহলে সারা জীবনের সকল নামায কোন কাজে আসবে না।


তাই নামযকে সহি-শুদ্ধ ভাবে আদায় করার জন্য আমাদের জানতে হবে নামাযের সঠিক নিয়ম-কানুন ও পরিপূর্ণ মাসআলা-মাসাইল ও আহকাম গুলো সম্পর্কে।


নামায নিয়ে আমাদের যত প্রশ্ন আছে সকল প্রশ্নের উত্তর যদি এক বইয়েই পাওয়া যায়? তেমনই একটি বই ‘নামায বিশ্বকোষ’। নামাজ নিয়ে যত বই প্রকাশিত হয়েছে, তার মধ্যে সর্বাধিক আলোচিত ‘নামায বিশ্বকোষ’ বইটি।


বই - নামায বিশ্বকোষ (২ ভলিউম একত্রে)

লেখক - মুফতি মুহাম্মদ ইনআমুল হক কাসেমী


অর্ডার করতে অথবা বিস্তারিত জানতে  নিচের বাটনে ক্লিক করুন!👇

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

রাজা শলোমানের হিতউপদেশ,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 “তাহাতে তোমার গোলাঘর সকল বহু শস্যে পূর্ণ হইবে, 

তোমার কুণ্ডে নূতন দ্রাক্ষারস উথলিয়া পড়িবে।“

হিতোপদেশ 3:10


আর্থিক সমৃদ্ধিলাভ সহজ এবং নিশ্চিত বিষয়। এটি সরল এবং নির্দিষ্ট বিষয়। স্বয়ং ঈশ্বর এবং রাজা শলোমন লিখিতভাবে এটির গ্যারান্টি দিয়েছেন। এই শিক্ষাটি গ্রহণ করুন। 


শস্যাগার প্রচুর পরিমাণে ভরা থাকে, দ্রাক্ষারস তৈরির জন্য আঙ্গুরের সেই কলটি, নতুন দ্রাক্ষারস দিয়ে উথলে উঠে। এখানে আর্থিক আশীর্বাদ এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির বর্ণনামূলক বাক্যাংশ রয়েছে। এই আর্থিক নিয়মটি শেখার জন্য আপনি কি আগ্রহী? 


শুধুমাত্র বাইবেলেই গোপন আর্থিক জ্ঞান আছে। সেরা গ্র্যাজুয়েট বিজনেস স্কুলগুলি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক এবং আর্থিক কারণগুলি জানে না অথচ তারা পুরুষ এবং জাতিকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখে। মনে রাখবেন, তাদের গবেষণা বলছে তারা বানর থেকে এসেছে। তাদের বিশ্লেষণ বলছে যে দীর্ঘ পূর্বাভাসিত বরফ যুগের পরিবর্তে এখন বিশ্ব উষ্ণায়ন হতে চলেছে। 


বাইবেলের যিহোবা ঈশ্বর এই জগৎ সৃষ্টি করেছেন। তিনি আপনাকে জীবন দিয়েছেন। তিনি আপনাকে চাকরি বা ব্যবসা শুরু করার ক্ষমতা দিয়েছেন। তিনি নিজের বিবেচনার ভিত্তিতে রোদ ও বৃষ্টি পাঠান (মথি 5:45)। তিনি রাজাদের হৃদয়কে নদীর জলের মতো সহজে নির্দেশিত করেন (হিতোপদেশ 21:1)। তিনি পরিস্থিতি, প্রভাব, সুযোগ, প্রত্যাবর্তন এবং অন্য বিষয় এত সহজে পরিবর্তন করেন যত সহজে আপনি এই বাক্যটি পড়ছেন। 


প্রচারক, যিনি শলোমন, ঈশ্বরের নির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি তাদের কাছে পেশ করেন যারা ঈশ্বরকে তাদের সম্পদ এবং আয়ের প্রথম অংশ দিয়ে সম্মান করেন (হিতোপদেশ 3:9)। ঈশ্বরের প্রতি সত্যিকারের সম্মান শুধুমাত্র যীশুর প্রতি আপনার ভালবাসার গান গাওয়া নয়; এটা আপনার সম্পত্তি এবং নগদ প্রবাহ তাঁকে প্রদান করা। আগের বাক্যটি দান-দশমাংশ দেওয়ার কর্তব্য সম্পর্কে শিক্ষা দেয়; এই বাক্যটি শেখায় কিভাবে ঈশ্বর দাতাদের পুরস্কৃত করেন। 


হিতোপদেশটি যদি একজন দরিদ্র মানুষ, একজন অসফল মানুষ বা একজন ধর্মীয় নেতা লিখে থাকেন, তাহলে আপনি এই নিয়মের সত্যতা নিয়ে নিশ্চয় সন্দেহ করতে পারেন। আপনি হয়তো ভাবতে পারেন যে এই প্রতিশ্রুতিটিতে শুধুমাত্র দান করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে, যেমনটি আজকাল টেলিভিশন প্রচারক এবং সামাজিক সংস্থাগুলি করে থাকে। এই কথাগুলো রাজা শলোমন লিখেছিলেন, যিনি তার পিতা দায়ূদের সাথে সরাসরি এই বিষয়গুলি অনুভব করেছিলেন। 


একটি কৃষিপ্রধান সমাজে, শস্যাগার হল যেখানে সম্পদ সংরক্ষণ করা হয় তেমনি দ্রাক্ষারস তৈরির জন্য আঙ্গুরের কল হল যেখানে আপনি আঙ্গুরকে মূল্যবান ওয়াইনে রূপান্তরিত করেন। বক্তৃতার এই দুটি পরিসংখ্যান একজন সমৃদ্ধ কৃষককে বর্ণনা করে – সে প্রচুর পরিমাণে সঞ্চয় করেছে, এবং তার প্রচুর নগদ প্রবাহ রয়েছে। এখানে একটি আর্থিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভালো জীবন চিত্রলেখ ছবির ভাষা দ্বারা উপস্থাপিত করা হয়েছে।  


আর্থিক পুরস্কারের এই নিয়ম বিজ্ঞানের মাধ্যাকর্ষণ নিয়মের মতোই সত্য; আপনি যতো আর্থিক পুরস্কারের উপদেশ শুনেছেন তাদের চেয়ে এটি বেশী সত্য। এটি আদিপুস্তক 1:1 বা বাইবেলের অন্য কোনও বাক্যের মতোই সত্য। এটি ঈশ্বরের লিখিত প্রতিশ্রুতি। এটিকে সম্পূর্ণরূপে বিশ্বাস করুন, এবং আজ এটি প্রফুল্লভাবে এবং উদারভাবে মেনে চলুন। ঈশ্বরকে তাঁর অংশ দিয়ে সম্মান করুন - তিনি আপনাকে আর্থিকভাবে আশীর্বাদ করবেন; তিনি এর নিশ্চয়তা দেন।


অবশ্যই, অন্যান্য সমস্ত বাইবেলের প্রতিশ্রুতি এবং সাধারণ নিয়মগুলির মতো, ঈশ্বর বিভিন্ন সময়ে আপনার জীবনে বিভিন্ন নিয়ম প্রয়োগ করার অধিকার ধরে রেখেছেন, সবই তাঁর মহিমা এবং আপনার লাভের জন্য। আপনি যদি মনে করেন যে আপনি আপনার পাপকে লুকিয়ে রাখেন, তাহলে আপনি ঈশ্বরকে আপনার বিচার করার জন্য প্রলুব্ধ করছেন। কিন্তু অন্য সব বিষয় সমান হওয়াতে, যে মানুষ ঈশ্বরকে দান দেয় সেই মানুষটিই উন্নতি লাভ করবে। 


আপনি কি এখনও সন্দেহ করছেন? এই বিষয়টি গ্রহণ না করার কারণটি হচ্ছে আপনার বিশ্বাসের অভাব (ইব্রীয় 11:6; যাকোবে 1:6-7)। বিশ্বাসের দ্বারা সাহসপূর্ণ দানও একটি উপাসনার বিষয় (ফিলিপীয় 4:18), এবং ঈশ্বর এর প্রতিদান দেবেন। একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি একবার ঈশ্বরকে সন্দেহ করেছিলেন, এবং বিশ্বাসীরা তাকে নদীর তীরে যাওয়ার পথে পদদলিত করে হত্যা করেছিল (2 রাজাবলি 7:16-20)। এবং প্রভু অনেক ইস্রায়েলীয়কে নিহত করেছিলেন যারা তাঁর ক্ষমতা নিয়ে সন্দেহ করেছিল (গীতসংহিতা 78:17-31)। 


ঈশ্বর কি ধরনের প্রত্যাবর্তন দিতে পারেন? অব্রাহামের পুত্র ইস্‌হাকের পোর্টফোলিও এক বছরে 10,000% বৃদ্ধি পেয়েছিল (আদিপুস্তক 26:12)। যাকোব 20 বছরের মধ্যে শূন্য থেকে শুরু করে মহান ধনসম্পদ লাভ করেছিলেন (আদিপুস্তক 32:10)। শলোমনের প্রত্যাবর্তন এতটাই দুর্দান্ত ছিল যে ইস্রায়েলে রুপা, সামান্য পাথরের মতো সাধারণ বস্তু ছিল (1 রাজাবলি 10:27)। রূপার পাত্র থেকে পান করতে সে লজ্জা বোধ করতেন, তাই তার রাজ্যে সব জিনিসগুলি সমস্ত খাঁটি সোনার ছিল (1 রাজাবলি 10:21)। 


যদি আপনি বিশ্বাস করতে পারেন তাহলে প্রভু আপনার জন্য স্বর্গের জানালা খুলতে পারেন এবং আর্থিক আশীর্বাদ এবং অনুগ্রহ ঢেলে দিতে পারেন (মালাখি 3:10)। এবং তিনি তাঁকে পরীক্ষা করার জন্য আপনাকে আহ্বান করেন (মালাখি 3:8-12)। তিনি আশীর্বাদের সম্পূর্ণ পরিমাপ জানেন এবং তিনি এটিও জানেন যে কীভাবে আশীর্বাদকে বর্ষণ করতে হয়, এটিকে তুলে রাখতে হয় এবং সেই আশীর্বাদের উপচয় উথলে পড়ে (লুক 6:38)। তিনি আপনার ব্যালেন্স শীট এবং আয় বিবরণী দেখেন। তিনি আপনার হৃদয়ের অভিপ্রায় এবং আপনার দান দেওয়ার মধ্যে আনন্দ ও উদ্যোগের মাত্রা দেখেন। কিন্তু আপনি তাঁকে আপনার আর্থিক বিপদের জন্য প্রতারণা করতে সক্ষম আছেন।  


রবার্ট জি. লেটোর্নিউ Robert G. Letourneau (1888-1969), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর অন্যতম সেরা উদ্ভাবক, তার আয়ের 90% ঈশ্বরকে ফেরত দিয়েছিলেন এবং শেষে তিনি একজন ধনী ব্যক্তি হয়ে মারা যান। তিনি এইভাবে তার দেওয়া সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন, "আমি ঈশ্বরের কাছে আমার অর্থ বেলচা দিয়ে ভরে ভরে দিয়েছি, এবং তিনি তা ঠিক একই ভাবে ফিরিয়ে দিয়েছেন, কিন্তু তার বেলচা বড় আছে!" এই লোকটি মহান বিশ্বাসের সাথে ঈশ্বরকে পরীক্ষা করেছিল, কিন্তু ঈশ্বর তার বিশ্বাসের চেয়েও মহান ছিলেন৷ পাঠকগণ, ঈশ্বরের প্রতি আপনার কতটুকু বিশ্বাস আছে? আপনি কি তাঁর আদেশ মেনে আর্থিক সিদ্ধান্ত নেবেন? 


আপনি যদি আর্থিকভাবে কষ্ট পান, তার মানে আপনার জীবনে পাপ রয়েছে (যিরমিয় 5:25), আপনি উদারভাবে বা আনন্দের সাথে দান দেননি (2 করিন্থীয় 9:7, 2 করিন্থীয় 9:6)। প্রভু আপনার ব্যাগে গর্ত করেছেন, এবং আপনার কঠোর পরিশ্রম এবং মজুরি বাইরে পড়ে যাচ্ছে (হগয় 1:2-11)। এই নিয়মের একমাত্র ব্যতিক্রম হল যখন ঈশ্বর আপনার বৃহত্তর উপকারের জন্য আপনার জীবনে অন্য কিছু করেন, কিন্তু তারপরও আপনার সম্পদ দিয়ে এবং প্রথম ফল দিয়ে ঈশ্বরকে সম্মানিত করার দায়িত্ব আপনার রয়েছে (হিতোপদেশ 3:9)। 


একজন লোক বলতে পারে, "কিন্তু আমি তো দিয়েছি, আর আমার কোন উন্নতি হয়নি।" ঈশ্বর কিন্তু মেশিনে বোতাম টিপে মনোবাঞ্ছিত জিনিস পাওয়ার মত বিষয় নয়। এমন অপবিত্র মনোভাবকে তিনি হাঁসিমুখে বিচার করবেন। তিনি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি চান (আদিপুস্তক 28:22)। তিনি আপনার ত্যাগ দেখতে চান, যা সামান্য উপহারের চেয়ে অনেক বেশি (2 করিন্থীয় 8:1-4)। 


আর একজন বলবে, "আমি দিতে পারব না।" এটা হল মূর্খতার শিখর যে আপনি দিতে পারবেন না। আপনি প্রভুকে প্রতারণা করে একটি আর্থিক গর্ত থেকে নিজেকে খনন করবেন? যতক্ষণ না দান কোন বলিদানে পরিবর্তিত না হয়, তাহলে প্রভুর কাছে ওই দানের কোন মানে নেই। প্রভু বিধবা মহিলাকে পুরস্কৃত করেছিলেন যিনি দুটি সাধ্যমত দান দিয়েছিলেন, কারণ তার কাছে এটিই ছিল (লুক 21:1-4)। 


এই মানুষগুলো অবিশ্বাসী। তারা মনে করে তাদের আয় রক্ষা করাই বুদ্ধিমানের কাজ। সুরক্ষা এবং আশীর্বাদ শুধুমাত্র ঈশ্বরের কাছ থেকে আসে (হিতোপদেশ 21:31; গীতসংহিতা 4:8)। সত্য এবং জীবন্ত ঈশ্বর মরুভূমিতেও একটি টেবিল প্রস্তুত এবং সজ্জিত করতে পারেন, এবং আপনি যদি তাঁকে সন্দেহ করেন তবে আপনি সমস্যায় পড়বেন (গীতসংহিতা 78:10-33)। আপনি যদি আপনার নগদ প্রবাহকে বাঁচানোর করার জন্য টাকা চেপে রাখেন তবে আপনি দারিদ্র্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন; আপনি যা প্রয়োজন মনে করেন তার কিছু অংশ যদি আপনি ঈশ্বরকে দেন তবে তিনি আপনাকে আশীর্বাদিত করবেন (হিতোপদেশ 11:24-25)। 


এই হিতোপদেশটির পুরষ্কার পূর্বের হিতোপদেশটি মেনে চলার মাধ্যমে পাওয়া যায় (হিতোপদেশ 3:9)। নৈবেদ্যর থালায় কয়েক টাকা রাখলে ঈশ্বরকে সম্মান করা যায় না; আপনার খরচের পরে যা অবশিষ্ট থাকে তা দেওয়া প্রথম ফল নয়; যদি ঈশ্বর আপনাকে আশীর্বাদ করেন তবেই আপনি যদি দেন তাহলে এই উদ্দেশ্য ঈশ্বরকে সম্মান করে না; আপনার কর দেওয়ার পর যেটি বেচে যায় তাঁর থেকে ঈশ্বরকে দেওয়া প্রথম ফল হয় নয়। এই বিষয়গুলির সম্পর্কে আপনার হৃদয় পরীক্ষা করুন, পাঠকগণ। 


ঈশ্বর জানেন যখন তিনি তাঁর প্রতিশ্রুতিকে আদেশের সাথে সংযুক্ত করেন যেমন তিনি এখানে করেছেন (হিতোপদেশ 3:9-10)। তিনি আপনাকে মনে করিয়ে দেন তাঁর প্রথম আদেশটি যেখানে দীর্ঘ এবং ভালো জীবনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া রয়েছে এবং সেটি হল পিতামাতাকে সম্মান করা (ইফিষীয় 6:2-3)। কিন্তু আপনার দান দিয়ে তাকে যথাযথভাবে সম্মান করার জন্য এখানে তিনি আর্থিক লাভের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এই ধরনের প্রতিশ্রুতিগুলি এতটাই নিশ্চিত যে তিনি ইস্রায়েলকে তাদের ক্যালেন্ডারগুলি চিহ্নিত করতে বলেছিলেন যখন তারা ঈশ্বরকে দেওয়ার পর তাদের জীবনে মহান পার্থক্য দেখতে শুরু করেছিল (হগয় 2:15-19)।  


সদাপ্রভু ঈশ্বর এক হাজার পাহাড়ের গবাদি পশুর মালিক এবং তিনি আরও সমস্ত কিছুর মালিক (গীতসংহিতা 50:10-12)। তিনি তাঁর মহিমা অনুসারে আপনার সমস্ত প্রয়োজন সরবরাহ করতে সক্ষম (ফিলিপীয় 4:19)। আপনি যদি মনে করেন যে ঈশ্বরকে কিছু টাকা দান দেওয়া কঠিন বিষয়, তাহলে যীশু খ্রীষ্ট পাপীদের জন্য যে বলিদান করেছিলেন সে সম্পর্কে চিন্তা করুন। তিনি কি পুরস্কৃত ছিলেন? তাকে মহান সম্মান, আনন্দের পূর্ণতা এবং চিরকালের জন্য ঈশ্বরের ডান হাতে আনন্দ দেওয়া হয়েছিল (ফিলিপীয় 2:5-11; গীতসংহিতা 16:9-11; ইব্রীয় 12:2)।

রমজান ২০২৪ সম্পর্কিত ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 *_৮ রাকাতের পক্ষে ১০০টি সহীহ হাদিস দিলাম।


তৰ্ক নয় আসুন সহি হাদিস জানি এবং আমল করি:-


ক্বিয়ামূল লায়েল, তাহাজ্জুদ (রমজানে তারাবীহ) বিতর সহ ১১ রাকআত এবং ফজরের দুই রাকআত সুন্নাত সহ ১৩ রাকআত এসম্পর্কে ১০০ টি হাদিসের রেফারেন্স উল্লেখ করা হলো :-


সহীহ বুখারী (শামেলা+তাওহীদ পাবলিকেশন্স) ১০ টি হাদিস ৯৯৪, ১১২৩, ১১৪০, ১১৪৭, ২০১৩, ৩৫৬৯, ৪৫৬৯, ৬৩১০, ৬৩১৬, ৭৪৫২,


>> সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ১৪ টি হাদিস ১৫৯০, ১৫৯১, ১৫৯৩, ১৫৯৫, ১৫৯৬, ১৫৯৭, ১৫৯৯, ১৬০০, ১৬৬১, ১৬৬৪, ১৬৬৫, ১৬৬৭, ১৬৭৬, ১৬৭৭,


সুনানে আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ১০ টি হাদিস ১৩৩৪, ১৩৩৮, ১৩৪১, ১৩৪২, ১৩৪৩, ১৩৫৯, ১৩৬০, ১৩৬৪, ১৩৬৫, ১৩৬৬,


সুনান আত তিরমিযী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ৪ টি হাদিস ৪৩৯, ৪৪২, ৪৫৮, ৪৫৯,সুনান আন নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ১০ টি হাদিস ৬৮৬, ৬৮৭, ১৩৩১, ১৬৯৯, ১৭০০, ১৭১১, ১৭২৯, ১৭৩০, ১৭৫২, ১৭৮৪,


>>সুনানে ইবনে মাজাহ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ৫ টি হাদিস ১১৯১, ১৩৫৮, ১৩৫৯, ১৩৬১, ১৩৬২,


>> সুনান আদ দারেমী (৬টি হাদিস) ১৪৮৪, ১৫১১, ১৫১২, ১৫১৩, ১৬১৯, ১৬২৩,


সুনানে দারু কুতনী ১৫১৫, মুসনাদে আহমাদঃ- (মাকতাবায়ে শামেলা) ২২ টি হাদিস ২৪০৫৭, ২৪০৭০, ২৪০৭৩, ২৪১১৬, ২৪২৩৯, ২৪৪৪৬, ২৪৪৬১, ২৪৫৭৭, ২৪৭৩২, ২৫১০৫, ২৫২৮৬, ২৫৩৪৫, ২৫৪৪৭, ২৫৪৮৬, ২৫৪৯০, ২৫৫৫৯, ২৫৭৮১, ২৫৮৫৭, ২৫৮৫৮, ২৬১০৬, ২৬১২২, ২৬৩৫৮, >> সহীহ ইবনু হাব্বান (৫টি হাদিস) ২৪৩০, ২৪৩৭, ২৬১২, ২৬১৩, ২৬১৯,


মুয়াত্তা মালিক (৬টি হাদিস) ২৪৪, ২৫৫, ২৫৬, ২৫৭, ২৫৮, ২৫৯,


মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক (৭ টি হাদিস) ৩৮৬২, ৩৮৬৮, ৪৭০৫, ৪৭০৭, ৪৭১২, ৪৮০৩, ৭৮৫৯, এখানে মোট ১০০ টি হাদিস উল্লেখ করেছি। ১১ রাকআত এবং ফজরের দুই রাকআত সুন্নাতসহ ১৩ রাকআত>> সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন্স) ১০ টি হাদিস ৯৯৪, ১১২৩, ১১৪০, ১১৪৭, ২০১৩, ৩৫৬৯, ৪৫৬৯, ৬৩১০, ৬৩১৬, ৭৪৫২, সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ১৪ টি হাদিস ১৫৯০, ১৫৯১, ১৫৯৩, ১৫৯৫, ১৫৯৬, ১৫৯৭, ১৫৯৯, ১৬০০, ১৬৬১, ১৬৬৪, ১৬৬৫, ১৬৬৭, ১৬৭৬, ১৬৭৭,


সুনানে আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ১০ টি হাদিস ১৩৩৪, ১৩৩৮, ১৩৪১, ১৩৪২, ১৩৪৩, ১৩৫৯, ১৩৬০, ১৩৬৪, ১৩৬৫, ১৩৬৬,


সুনান আত তিরমিযী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ৪ টি হাদিস ৪৩৯, ৪৪২, ৪৫৮, ৪৫৯,


সুনান আন নাসাঈ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ১০ টি হাদিস ৬৮৬, ৬৮৭, ১৩৩১, ১৬৯৯, ১৭০০, ১৭১১, ১৭২৯, ১৭৩০, ১৭৫২, ১৭৮৪,






শুক্রবার, ৮ মার্চ, ২০২৪

নারী জন্ম,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🍀নারী জন্ম 🍀

মেয়ে/নারী/মহিলা যেটাই বলেন না কেন এই শব্দগুলোর সাথে জন্ম থেকে জুড়ে দেওয়া হয় হাজার প্রতিবন্ধকতা। আমিও সেই মেয়ে/মেয়ে/মহিলা ওই গোত্রের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় আমাকে মেনে নিতে হয়েছে পরিবার ,সমাজের নানা বাধাধরা নিয়ম। 

আমি নিয়ম বিমুখী নই তবে সুস্থ সুন্দর করে মনখুলে বাচার অধিকার শুধু ছেলেদের সেই বিষয়টা মেনে নিতে পারি না। 

ভাগ্যক্রমে আমার সাথে জুড়ে দেওয়া পুরুষগুলো আমাকে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছে ,স্বপ্ন পূরুনের জন্য সাপোর্ট ,,সেক্রিফাইস সব কিছু করে আমাকে এগিয়ে যাওয়ার পথ দেখিয়েছে। 


বর্তমানে ফেমিনিষ্ট বলতে যা বোঝায় আমি তার ধারে কাছেও না।কারন আমি নারী বলে সব পারি এসব আমি মেনে নিতে পারি না। কোন মানুষই একা সব কিছু পারে না। জীবন সুন্দর করে পরিচালনা করতে নারী পুরুষ উভয়ের প্রচেষ্টা ,ভালবাসা,শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হয়। 


নারী বলে সব কাজ পারার ঠেকা পড়েছে এমন ভাবতে আমি নারাজ।তবে সবকিছু পারাটাকে আমি লার্নিং মনে করি।জীবনে সাধ্যমতো সবকিছু শিখে রাখা কখনও বিফলে যায় না।তাই জীবনটাকে সুন্দর করতে যতটুকু সম্ভব কাজগুলো আয়ত্তে রাখা উচিত। সেই ভাবনা থেকে প্রায় সব কাজই শেখার চেষ্টা করি। 

তাই মাঝে মাঝে গর্ব করে বলি, জুতা সেলাই থেকে চন্ডি পাঠ প্রায় সবাই আয়ত্তের মধ্যে।কারন প্রতিটি জিনিস শিখতে অনেক শ্রম,মেধা,চেষ্টা,সাহস যোগাতে হয়েছে। 


আজ নারী দিবসে নারী কি পারে না পারে সেই হিসাবে আমি যেতে চাই না।কারন নারী এমন অনেক কিছু পারে যা পুরুষের পক্ষে সম্ভব হয় না। ঠিক তেমনি পুরুষের ক্ষেত্রেও।


নারী তার যোগ্যতা,ভালবাসা দিয়ে তার পরিবারকে আগলে রাখুন তার পুরুষের হাতে হাত রেখে ,এটাই শুধু কাম্য।  

কারন নারী ছাড়া পুরুষ এবং পুরুষ ছাড়া নারী অসম্পূর্ণ ।

কেউ যদি বলে আমি একাই সয়ংসম্পূর্ন তাহলে বলবো সে জীবনের আসল অর্থাৎ জানে না,আসল সৌন্দর্য কখনো অনুভব করে নি। 


নারী নিজেকে ভালোবাসতে শিখুক, নারী নিজেকে আত্ননির্ভরশীল করে গড়ে তুলুক , নারী তার আদর ভালোবাসা ,মমতায় একটা সুন্দর পরিবার গড়ুক ।

তবেই নারী দিবসে নারীর সাথে সাথে পুরুষরাও সুন্দর করে নারীর অবদানকে প্রকাশ্যে গর্বের সাথে স্বীকার করতে কুষ্ঠিত হবে না।


আমার কাছে বছরের সব কয়টি দিনই নারী দিবস এবং পুরুষ দিবস। 

তবুও বলছি , 

জগতের সকল নারীকে নারী দিবসের শুভেচ্ছা । 


নারীর মনকে কিংবা শরীরকে ক্ষতবিক্ষত না করুন এই কুসংস্কারে ভরা অন্ধ সমাজ। দ্বাসত্ব থেকে মুক্তি পাক নারী।


খাঁটি সরিষার তেল,,,,,, স্বপ্নযাত্রা ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 খাঁটি সরিষার তেলে রান্না করা খাবার খেলে যেমন হৃদরোগের ঝুঁকি কমে, তেমনি দূরে থাকা যায় ছোট-বড় আরও বিভিন্ন রোগ থেকে। এটি স্বাস্থ্যকর ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন।


• বদহজমের সমস্যা থাকলে খাবার রান্নায় নিয়মিত ব্যবহার করুন সরিষার তেল। এটি হজমের গণ্ডগোল দূর করতে সহায়ক।

• সরিষার তেল খেলে ব্লাডার ক্যানসারের ঝুঁকি কমে।

• খারাপ কোলেস্টেরল থেকে দূরে থাকতে খাঁটি সরিষার তেলে রান্না করা খাবারের জুড়ি নেই। এতে রক্ষা পাওয়া যায় হৃদরোগের মতো কঠিন অসুখ থেকে।

• ঝাঁঝালো সরিষার তেল খাবারে যোগ করে বাড়তি স্বাদ।

• সরিষার তেলে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

• শরীরের জন্য উপকারী কোলেস্টেরল সরবরাহ করে ওজন কমাতে সাহায্য করে এই তৈল।


স্বাধীনতা ও দাসত্ব,,,,,, salsabil ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 স্বাধীনতা ও দাসত্ব


মুসলিম অর্থ আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণকারী অর্থাৎ সে নিজ মতবাদ, নফসের অনুসরণ বাদ দিয়ে আল্লাহর কিতাব ও রসুলল্লাহ’র (সা:) অনুসরণ করে চলবে। বিধানদাতা হিসেবে এক আল্লাহকে মানবে, কারো গোলামী করবে না।


ইসলাম এসেছে মানুষকে মানুষের দাসত্ব হতে মুক্ত করে এক আল্লাহর দাসত্ব মেনে নিতে যেন তা ব্যক্তিজীবন হতে রাষ্ট্রীয়জীবনে সর্বত্র মানুষ মুক্তভাবে দ্বীন পালন করতে পারে। দ্বীনের গন্ডির ভেতর যেকোন মতবাদ প্রকাশের অধিকার ছিল। শাসক নির্বাচনে মজলিসে শুরার রায় দিত। খেলাফায়ে রাশেদীনের যেকোন সিদ্ধান্ত পছন্দ না হলে প্রতিবাদ জানাতে পারতো বিনা ভয়ে। হযরত উমরের (রা:) মত কঠোর ব্যক্তির পোষাকেরও জবাবদিহিতা করতে পারতো! আজকে ক্ষমতাসীনদের সবচেয়ে নিম্নপদের লোকের সম্পদের হিসাব চাইলে জুলুম, নির্যাতন শুরু হবে।


ধীরে ধীরে উম্মাহর বুকে রাজতন্ত্র চালু হল, শাসকের বিরোধিতা করলে জুলুমের শিকার হতে হতো।


আহমাদ ইবন মানী’ (রহঃ) ….. সাফীনা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মতের খিলাফত হবে ত্রিশ বছর। এরপর হবে বাদশাহী। সহীহ, সহিহাহ ৪৫৯,


নু’মান বিন বশীর (র) আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর গোপন বিষয়ের জ্ঞানধারণকারী হুযাইফা (র) হতে বর্ণনা করেন, আমি আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শাসকদের সম্পর্কে হাদিস মুখস্থ রেখেছি। তিনি বলেন: “নবুওয়্যাত তোমাদের মাঝে থাকবে, যতদিন মহান আল্লাহ চান, এরপর তিনি তা উঠিয়ে নেবেন যখন তিনি চান। অতপর, নবুওয়্যাতের আদলে খিলাফাহ আসবে এবং তা বিদ্যমান থাকবে যতদিন তিনি চান এবং তিনি উঠিয়ে নেবেন যখন তিনি চান। অত:পর আসবে উত্তরাধিকার সূত্রে রাজতন্ত্র এবং তা থাকবে যতদিন মহান আল্লাহ চান এবং তিনি তা উঠিয়ে নেবেন যখন চান। অতঃপর আসবে চরম জবরদস্তির শাসন, যা থাকবে যতদিন মহান আল্লাহ চান এবং যখন তিনি চান, তা উঠিয়ে নেবেন। অতঃপর আসবে নবুওয়্যাতে আদলে খিলাফাহ। এর পর তিনি চুপ হয়ে গেলেন। মুসনাদে আহমাদ ১৮৪৩০(৪র্থ খন্ড,পৃষ্ঠা-২৭৩)


খেলাফায়ে রাশেদীনের যুগের পর হতে উম্মাহর বুকে চেপে আসে রাজতন্ত্র, তার মধ্যে কিছু ভালো খলিফা ছিল (আবদুল্লাহ ইবনে যুবায়ের রা, উমর ইবনে আবদুল আজিজ রহ)। ইসলামের অনেক অগ্রগতি হয়েছিল – কিন্তু শাসকরা নিজেদের ক্ষমতা বাচাতে মুসলিমদের হত্যা করেছিল।


ইসলামের জন্য উসমানের (রা:) অবদান ছিল সর্বোচ্চ। তার হত্যাকে কেন্দ্র করে ফেতনা উদ্ভব হয় বনু উমাইয়ার অনেকে তার হত্যা ইস্যুকে নিজের ক্ষমতা স্বার্থে ব্যবহার করেন। যে কেউ তাদের বিরোধীতা করলে উসমানের (রা:) হত্যাকারী দলের লোক বলে অপবাদ দিত এমনকি হত্যা করত। যে তালহা (রা:) উসমানের (রা:) রক্ষায় দৃঢ় ছিলেন, উসমান (রা:) হত্যার বিচারের দাবিতে শেষ পর্যন্ত মুনাফেকের ষড়যন্ত্রে যুদ্ধে নেমেছিলেন তাকে হত্যা করা হয়।


খেলাফায়ে রাশেদীনের পর হতে নিজেদের সুবিধার্থে ইসলামের ফেরকার অনুপ্রবেশে বাধা না দিয়ে বরং সহায়তা করেছিল। যেন দরবারী আলেমদের দিয়ে তাদের রাজতন্ত্র টিকিয়ে রাখা যায়। যেমন – উমাইয়াদের সময় জাবারিয়া ফেতনার প্রসার পায় – এর দ্বারা বিরোধিতার হত্যার সর্মথন দেওয়া হতো। তাদের শাসনামলে আহলে বায়াত ও আব্বাসীদের উপর হত্যাকান্ড, নির্যাতন চলে।


আর কারবালা ও আহলে বায়াতের মহব্বতের নামে আব্বাসীরা ক্ষমতায় আসে, এবং বনু উমাইয়াদের নিরীহদের উপরও জুলুৃম চালায় কিন্তু আহলে বায়াত প্রাপ্য সম্মান পায়নি। আব্বাসীদের অনেকে নিজেদের সুবিধার্থে কাদেরিয়া মতবাদের সমর্থন ও প্রসার করে প্রথমে।


অপরদিকে উসমানী রাজতন্ত্রের ছত্রছায়ায় সুফিবাদ প্রসার লাভ করে। উসমান সামাজ্যের পতন হলে মুসলিমদের উপর বিভিন্ন জুলুম নেমে আসে। কুরআনের অনেক আইন যা রাষ্ট্রে চালু ছিল, একে একে রাষ্ট্র ক্ষমতা হতে তুলে নেওয়া হয়।


ইংরেজ, ফ্রান্স, স্পেন বহুদেশ আমাদের জুলুম চালালেও অবশেষে অনেকদেশই ওদের বিতাড়িত করে। বেশিরভাগ মানুষরা আজ গর্বিত তারা স্বাধীন। তারা কারো প্রজা নয়, কেউ তাদের উপর রাজত্ব করতে পারে না।


আসুন একটু সত্যতা যাচাই করি-


আসুন তথাকথিত উন্নত, স্বাধীন দেশ দিয়ে শুরু করি-

ইংরেজদের বিরুদ্ধে আমেরিকার বিদ্রোহের প্রধান কারন ছিল ট্যাক্স। ধীরে ধীরে বিদ্রোহ সশস্ত্র সংগ্রামে রূপ নেয়।বোস্টন, ফিলাডেলফিয়া, আলবেনী সব জায়গায় সশস্ত্র সংগ্রামে ওরা জয়ী হয়। জর্জ ওয়াশিংটন সহ অনেকে নায়ক হয়ে উঠেন, ক্ষমতা পান। পরবর্তীতে তারা জাতির ট্যাক্স কতটা কমিয়েছিল!? আশ্চর্য হলেও সত্যি ওদেরই সমীকরন বর্তমানে তারা আরও বেশি ট্যাক্স দিচ্ছে যা ইংরেজদের দিত।


সে ট্যাক্স এর টাকায় মুসলিম দেশগুলোতে হামলা ও হত্যা চলে। বেশিরভাগ জনগনের অজান্তেই ইসরায়েল নামক দেশে সাহায্য করা হয়, অস্ত্র ও অর্থ দিয়ে।


এতে রাষ্ট্রের ব্যয় হয়, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় লাভবান হয় কিছু নির্দিষ্ট কোম্পানি বিশেষ করে অস্ত্র কোম্পানিগুলো লাভবান হয়, যেভাবে ইংরেজ আমলে লাভবান হতো ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।


এবার আসি ভারত উপমহাদেশে অবস্থা বিশ্লেষন করি!


ইংরেজদের জুলুম, নির্যাতন, করের অত্যাচার হতে অপামর জনতা প্রতিবাদী হয়। ইংরেজরা ছিল অল্পকিছু লোক আর ভারতবর্ষে তাদের বিরোধী অসংখ্য। তারা আমাদের কিছু লোককে শিক্ষিত করে চাকরি দিল। বাবু, সাহেব হল আর কিছু লোককে ওদের সুরক্ষা ও আমাদের আন্দোলন প্রতিরোধে ব্যবহার করতো। ফলে কখনও সংঘর্ষ হলে শুধু ইংরেজদের সাথে হতো তা নয় বরং স্বজাতীর লোকদের সাথে সংঘর্ষে জড়াতে হতো। রক্তাক্ত অনেক সংগ্রাম হতো, এসব কর্মকর্তা, দেহরক্ষী বাহিনী দালাল ও স্বাধীনতার শত্রু বলে অভিহিত করা হতো।


ইংরেজরা বিদায় নিল, এরপর অন্যায়, জুলুম, নির্যাতনের জন্য আবার বিভক্তি। তাদের রেখে যাওয়া বহু আইন আজও ভারতবর্ষে বিদ্যমান। আজ দেখুন- আমাদের দেশে একই ফেতনা বিদ্যমান- আমাদের করের টাকায় যাদের বেতন চলে, সরকারের বিরুদ্ধে কোন বক্তব্য, প্রতিবাদ করলে সেসব প্রশাসনের লোকগুলো ব্যবহার করা হয় আমাদের বিরুদ্ধে।


রসূল (সা) বলেছেন – ‘(হে কা’ব!) তুমি নির্বোধ আমীর (শাসক) থেকে আল্লাহ’র আশ্রয় চেও। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: নির্বোধ আমীর কে?

রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন: (ওরা হল) এমন সব আমীর যারা আমার পরে আসবে। তারা না আমার দেখানো পথে চলবে, আর না আমার আদর্শ মাফিক রীতি-নীতি চালু করবে।


কাজেই যে ব্যাক্তি তাদের মিথ্যাকে সত্ত্বায়ন করবে এবং তাদের জুলুম-অন্যায়-অবিচার -এর সহায়তা করবে, ওরা আমার (কেউ) নয়, আমিও তাদের (কেউ) নই এবং তারা (কেয়ামতের দিন আমার) হাউজ (-ই-কাউসার)-এর নিকটে আসতে পারবে না।

আর যে ব্যাক্তি তাদের মিথ্যাকে সত্ত্বায়ন করবে না এবং তাদের জুলুম-অন্যায়-অবিচার এর সহায়তা করবে না, ওরা আমার, আমিও তার এবং (কেয়ামতের দিন) তারা আমার হাউজ (-ই-কাউসার)-এর নিকটে সহজে আসতে পারবে’ [মুসনাদে আহমদ, ৩/৩২১ ; সহিহ ইবনে হিব্বান– ৫/৯ হাদিস ১৭২৩; মুসনাদে বাযযার- ২/২৪১ হাদিস ১৬০৯; মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক- ১১/৩৪৫; মুসতাদরাকে হাকিম- ৩/৩৭৯; মাজমাউয যাওয়ায়ীদ, হাইছামী- ৫/২৪৭]


আরও বর্ণিত আছে – হযরত আবু হুরায়রাহ (রা.)-এর সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসুলুল্লাহ ﷺ এরশাদ করেন- ‘শেষ জামানায় জালেম ও অন্যায়-অবিচারক শাসকদের আগমন ঘটবে। তাদের মন্ত্রীরা হবে ফাসেক (পাপিষ্ট, পঁচন ধরা), তাদের বিচারকরা হবে খেয়ানতকারী, তাদের (সাথে থাকা) আলেমরা হবে মিথ্যুক। তোমাদের মধ্যে যারা সেই জামানা পাবে, তারা ওদের কর-উসূলকারী, আরেফ এবং সৈন্য হতে যেও না। [মু’জামে আ্উসাত, ত্বাবরানী, হাদিস ৪১৯০; মু’জামে ছাগীর, ত্বাবরানী, হাদিস ৫৬৪; তারীখে বাগদাদ, খতীব-১১/৫৭৭; মাজমাউয যাওয়ায়ীদ, হাইছামী- ৫/২৩৩]


আমাদের করের টাকায় ইংরেজরা মূর্তি তৈরি করতো আজও বহু চেতনা, স্বাধীনতার নামে মূর্তিসহ শিরকের প্রসার আমাদের করের টাকায় হয়। আর প্রতিবাদ করলে আমাদের স্বদেশীয় প্রশাসনের লোককে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবুও আমরা স্বাধীনতার দাবিদার গর্বিত যদিও আমাদের মতবাদের কোন মূল্য তারা দেয় না।


এবার আসি ইসলাম ও কর নিয়ে আলোচনা করি!


ইসলামী রাষ্ট্র কার্যক্রম ও উন্নয়ন চালানোর খাত হল- যাকাত, গনিমত, উসুর, জিজিয়া ও বহিঃবিশ্বের লোকেরা ব্যবসা করতে এলে কর দিত। এগুলো নিয়ে বিস্তারিত পরে আলোচনা হবে। ভোগ্যপন্যের করের নামে নির্যাতন, দাসত্ব ছিল না। যাকাত সার্মথবানরা দিত সবাই নয়। ধরুন- একজন হতদরিদ্র রিকশাওয়ালা, ফকির বাজার হতে ৫০০ টাকার জামা, পন্য কিনতে যে পরিমান কর দেয়। সেই একই পরিমান কর মিলিনিয়ার ব্যবাসায়ী দেয় অথচ সেই বাধ্যতামূলক যাকাত তার হতে নেওয়া হয় না। (ইনকাম tax ভিন্ন হিসাব আর বেশিরভাগ লোকই প্রকৃত ইনকাম tax দেয় না)। একই এলাকায় বস্তিবাসী, ডুপ্লেক্সের বাসিন্দার বিদ্যুৎ, গ্যাস বিলের করের পরিমাণ একই। তাই গরিবের ছেলে অভুক্ত থাকে আর তাদের দেওয়া করের টাকায় আমলা, মন্ত্রীর ছেলে দামী গাড়ি, বাড়ীর বিলাসীতা করে। অথচ খেলাফায়ে রাশেদীনের যুগে- খলিফার পোষাক, আহার সাধারণ জনগণের মত বা অনেকক্ষেত্রে (তাকওয়ার কারনে) আরও নিম্ন পর্যায়ের ছিল। সামান্যই তারা ভাতা নিতেন।


আরবদেশগুলোতে আমাদের স্বদেশীয় লোকদের উপর আকামার বোঝা চাপানো হয়। কিন্তু তাদের দেশে জন্মগ্রহণকারী কাফেরদের হতে জিজিয়া নেওয়া হচ্ছে না, আকামাই যেন একপ্রকার জিজিয়া যা অন্যদেশের মুসলিমরা দিচ্ছে। অথচ মুসলিমরা পরস্পর ভাই। রসুল (সা:) সাহাবীদের মদীনার রাষ্ট্রে ইয়েমেন, শাম, পারস্য বহুদেশের লোকেরা একইরকম অধিকার নিয়ে থাকতো।

কেউ যদি বেড়াতে আসতো তাকে মুসাফির গন্য করে অতিথিয়তা করা হতো। এই কর, আকামার জন্য যেখানে হয়তো সপ্তাহে ৫ দিন ৭ ঘন্টা কাজ করলে একজন ব্যক্তি স্বাচ্ছন্দ্যে চলতে পারতো, তার বদলে আরও বহু ঘন্টা কাজ করতে হচ্ছে। এভাবে দ্বীন চর্চা, পরিবার সংঙ্গ হতে দীর্ঘসময় দূরে থাকতে হচ্ছে। আমাদের সময়গুলো অতিবাহিত হচ্ছে – জালেমদের বিলাসীতা পূরনে।


এরপর সুদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্হা-


দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির অন্যতম কারণ সিন্ডিকেট, লোভ ও সুদ। বছরের পর বছর টকশো আলোচনা হয় অথচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণই বাদ যায়, আলেমরা যেন বলতে ভুলে যাচ্ছে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় কারণ সুদভিত্তিক অর্থনীতি ব্যবস্হা।


উদাহরণস্বরূপ বলা যায়- বেলাল সাহেব একজন বৃহৎ পাইকারী ব্যবসায়ী। তিনি একটি পণ্য কিনলেন যার মোট খরচ হল ১০০ টাকা। এই পণ্য ১০৫ টাকা বিক্রি করলেও তার লাভ থাকতো!! যেহেতু তিনি ব্যাংক হতে সুদে টাকা নিয়ে পণ্য কিনেছেন যে কারণে ব্যাংকে ৬-৭ শতাংশ সুদ পরিশোধ করতে হবে সেজন্য পণ্যের দাম বাড়িয়ে তাকে বিক্রি করতে হবে ১১০-১১২ টাকা। বেলাল সাহেব হতে ১১০ টাকায় কিনলেন ক্ষুদ্র পাইকারী ব্যবসায়ী। সেও ব্যাংক, সমবায় সমিতি হতে সুদে ধার নিয়ে পণ্য কিনলো ফলে যে পণ্য ১১৫ টাকা বিক্রি করলে তার লাভ হতো কিন্তু সুদের টাকা দিতে হবে তাই ১২০ টাকা বিক্রি করতে হবে। ১২০ টাকায় খুচরো বিক্রেতা কিনলো সেও সমবায় সমিতি হতে সুদের টাকা ধার নিল। ফলে তাকেও অধিক দামে বিক্রি করতে হবে। ফলে সমস্ত সুদ ও লাভ বহন করতে হবে সাধারণ ক্রেতাকে। এভাবে ব্যাংকগুলো, সুদের কোম্পানিগুলো বিনা পরিশ্রমে লাভ করতে থাকে আর তার ভার বহন করতে হয় সাধারণ ভোক্তাদের। আর এভাবে প্রকৃত মূল্যের চেয়ে দ্রব্যমূল্য অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়। সুদ সম্পদের বরকত নষ্ট করে দেয়।


আল্লাহ বলেন-


“অতঃপর যদি তোমরা (সুদ বন্ধ) না কর তবে আল্লাহ ও তার রাসুলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা নাও। আর যদি তোমরা তাওবা কর তবে তোমাদের মূলধন তোমাদেরই। তোমরা যুলুম করবে না এবং তোমাদের উপরও যুলুম করা হবে না।”


সুরা বাকারাহ-২৭৮

তারপরও একদল আলেম পাবেন- এই রাষ্ট্রব্যবস্হাকে ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্হা বলে প্রচার করবে। ইংরেজদের পতন শুধু অস্ত্র দ্বারা হয়নি – বরং আলেম, লেখক, বিদ্বানরা মানুষকে তার অধিকার ও দাসত্ব বুঝাতে সক্ষম হয়েছিল। আজও মানুষকে দাসত্ব বুঝাতে হবে। ইনশাআল্লাহ খেলাফত ফিরবে নবুওয়তের আদলে। তার জন্য বহু সংগ্রাম, ইলমের গবেষণা ও প্রচারের প্রয়োজন।

আমাদের ইসলামী অর্থনীতিগুলো জানতে হবে। ইংরেজদের বিরুদ্ধে করের লড়াইকে আমেরিকাসহ অনেকে স্বাধীনতার সংগ্রাম অভিহিত করে। অথচ বর্তমান করের জুলুম নিয়ে আলোচনা করলেই ওরা রাষ্ট্রদ্রোহী, উগ্রবাদী ঘোষণা করবে।


নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...