এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১০ মার্চ, ২০২৪

কীভাবে বুঝবেন শরীরে টক্সিন আছে,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 😲 কীভাবে বুঝবেন শরীরে টক্সিন আছে! 🦠


🫵 আসুন জেনে নিই:


১) কোষ্ঠকাঠিন্য

২) ওজন বেড়ে যাওয়া

৩) একটুতেই ক্লান্ত লাগা

৪) চর্ম রোগ

৫) মাথা ব্যথা

৬) মুড সুইং

৭) পেশিতে ব্যথা

৮) শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া

৯) প্রচুর ঘামা

১০) অনিদ্রা

১১) নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ

১২) হজমে সমস্যা

.

🦠 নীরব ঘাতক টক্সিন 🦠

.

টক্সিন হচ্ছে এক ধরণের জৈব বিষ যা দীর্ঘ সময় নিয়ে শরীরে প্রবেশ করে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অর্গানগুলোকে আক্রান্ত করে ফেলে। শরীর থেকে টক্সিন বের হতে না পারলে তা আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষকে আক্রমণ করে বসে যা পরবর্তীতে বিভিন্ন জটিল রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

.

🧑‍ ⚕️ শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য এইসব টক্সিন শরীর থেকে দূর করা খুবই প্রয়োজন। অর্থাৎ, শরীরকে ডিটক্স (Detox) করা প্রয়োজন। তাই সহজ উপায়ে শরীর থেকে টক্সিন বের করার জন্য আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি ডিটক্স ফুট প্যাড। ডিটক্স ফুট প্যাড, ডিটক্সিফিকেশন ফুট প্যাচ নামেও পরিচিত, যা সাধারণত পায়ের তলায় ব্যবহার করা হয়।

.

✨ আমাদের ডিটক্স ফুট প্যাচ গুলো আমরা সরাসরি চায়না থেকে আমদানি করে থাকি। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদের ডিটক্স ফুট প্যাচ গুলো উৎপাদন করা হয়ে থাকে বিধায় বাজারের অন্যান্য ডিটক্স ফুট প্যাচ থেকে আমাদের ডিটক্স ফুট প্যাচ গুলো স্বাস্থ্যকর ও মানসম্মত। আমাদের ডিটক্স ফুট প্যাচ গুলো আঠা দিয়ে সংযুক্ত থাকায় আপনি ঝামেলাহীনভাবে খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন।

.

🌮 🍕 🍺 🏭 প্রতিদিনই খাদ্য, পানীয় ও দূষণ নানা উপায়ে আমাদের শরীরে প্রবেশ করছে টক্সিন। এটি শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক। ☠️

.

🦠 টক্সিনের মাত্রা বেড়ে গেলে স্বাস্থ্যহানি হতে পারে। 🛌 💊 🩺

.

🛍️ বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ 👇


https://etcshopbd.com/


"Detox Foot Patch ব্যবহার করে শরীর থেকে Toxin দূর করুন, শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকুন।"


ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১.যে স্বামী সকালে ঘুম থেকে উঠে স্ত্রীকে কমপক্ষে পাঁচ মিনিট জড়িয়ে ধরে রাখে তাঁর কর্মক্ষেত্রে বিপদের আশঙ্কা কম থাকে।

... রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


২.বউয়েরা ঘরের লক্ষী। এদেরকে যত বেশি ভালোবাসা দেয়া হয়, তত বেশি সংসার এ শান্তি আসে।

...হুমায়ুন আহমেদ।


৩.স্ত্রীকে যথেষ্ঠ পরিমাণ সময় দিন, না হয় যথেষ্ঠ পরিমাণ বিশ্বাস করুন। সংসার আর যুদ্ধক্ষেত্র মনে হবে না।

...সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।


৪.সেই পুরুষই কাপুরুষ, যে স্ত্রীর কাছে প্রেমিক হতে পারেনি।

...কাজী নজরুল ইসলাম।


৫.প্রতিদিন একবার স্ত্রীকে " আমি তোমাকে ভালোবাসি" বললে মাথার সব দুশ্চিন্তা দূর হয় যায়।

...সত্যজিৎ রায়।


৬.মন ভালো রাখতে বউকে ফেসবুক, ফোনবুক, নোটবুক সহ সব ধরনের এ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড দিয়ে দিন।

...মার্ক জুকারবার্গ।


৭. মেয়েদের মন এ ভালোবাসা এবং অভিমান দুটোই থাকে বেশি। তাই অভিমানটাকে ভালোবাসার চেয়ে বড় করে দেখা যাবেনা। তাই স্বামীদের উচিত স্ত্রীর সব অভিমান ভালোবেসে ভাঙানো।

... ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।


৮.একটা শিশুকে দুনিয়ার মুখ দেখাতে মা যে কষ্ট সহ্য করে তা বাবা সারা জীবন ভালোবেসেও শোধ করতে পারেনা। তাই প্রত্যেকটা স্বামীর উচিৎ তার সন্তানের মাকে কোন রকম কষ্ট না দেয়।

.......জীবনানন্দ দাশ।


কবিদের দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রেম কত সুন্দর! তাই না?আবার দেখুন,কবিদের নিজেরি প্রেয়সী থাকে না🌸


বাংলা‌দে‌শের সব‌চে‌য়ে ব‌্যবসাসফল ছ‌বিগু‌লোর প‌রিচালকরা কিন্তু খুব বিখ‌্যাত নন।,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বাংলা‌দে‌শের সব‌চে‌য়ে ব‌্যবসাসফল ছ‌বিগু‌লোর প‌রিচালকরা কিন্তু খুব বিখ‌্যাত নন। 


তোজা‌ম্মেল হক বকু‌লের চে‌য়ে সুনামী 

অ‌নেক প‌রিচালক ছি‌লেন, অথচ 

ব‌্যবসায় রেকর্ড করল তার ছ‌বি 

'‌বে‌দের মে‌য়ে জোসনা'। 

এই ছ‌বি‌টির পরপরই ব‌্যবসা‌র দিক থে‌কে নেয়া হয় 'স্ব‌প্নের ঠিকানা'র নাম। 

এর প‌রিচালক শুধু যে বিখ‌্যাত তাই নয়, 

এম এ খা‌লেক ছব‌ি‌টি প‌রিচালনাও ক‌রেন‌নি। 'স্ব‌প্নের ঠিকানা' বা‌নি‌য়ে‌ছি‌লেন শিল্পী চক্রবর্তী, কিন্তু নাম যায় এম এ খা‌লে‌কের। 

এমন একটা ছ‌বি ১৯৯৫ সা‌লে মু‌ক্তি পে‌য়ে জন‌প্রিয়তার তু‌ঙ্গে চ‌লে যায়। 

আমা‌দের দে‌শে‌র দর্শকরা্ এখনও 'ছ‌বি' বল‌তে বো‌ঝেন 'স্ব‌প্নের ঠিকানা'র ম‌তো মন জুড়ানো নাটকীয়তা, শ্রু‌তিমধুর গান আর একা‌ধিক গরমাগরম সংলাপ। 

যে কার‌ণে এই ধর‌নের ছ‌বির জন‌্য নষ্টাল‌জিয়ায় ভো‌গেন দর্শকরা। 

দর্শকরা আফ‌সোস ক‌রেন, 'স্ব‌প্নের ঠিকানা'র ম‌তো ছ‌বি কেন আর হয় না! 

এসব ছ‌বি যারা বা‌নি‌য়ে‌ছেন, বাংলা ছ‌বির চ‌রিত্র যারা দাঁড় ক‌রি‌য়ে‌ছেন, খোদ তারাই তো তেমন ছ‌বি বানা‌তে পার‌ছেন না বহু বছর চেষ্টার পরও। তাই এমন আফ‌সো‌সের কো‌নো ফল নেই। আজ তো না ফেরার দে‌শে চ‌লে গে‌লেন শিল্পী চক্রবর্তী, 'স্ব‌প্নের ঠিকানা'র ফর্মুলাটাও চ‌লে গেল তার স‌ঙ্গে স‌ঙ্গে। দেখা যাক, নতুন প্রজ‌ন্মের কেউ তেমন আ‌বে‌গে ভরপুর ছ‌বি আগামী‌তে বানা‌তে পা‌রেন কি না।


স্বপ্নের ঠিকানা, রঙিন উজান ভাটি, রঙিন বিনি সুতার মালা, সবার অজান্তে, তোমার জন্য পাগল - তিনি একজন পছন্দের নির্মাতা নিঃসন্দেহে। উনার মৃত্যুতে তাই ব্যথিত হচ্ছি।



একটি আত্মবিধ্বংসী জাতির ধ্বংসের উপাখ্যানঃ,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 একটি আত্মবিধ্বংসী জাতির ধ্বংসের উপাখ্যানঃ


◑ দুধে: ফরমালিন।


◑ গরুর দুধ বৃদ্ধিতে: পিটুইটারী গ্ল্যান্ড ইনজেকশন। 


◑ মাছে: ফরমালিন।


◑ শাকসবজি টাটকা রাখতে: কপার সালফেট।


◑ আম, লিচু জাম পাকাতে: কারবাইড।


◑ আম, লিচু, জাম সংরক্ষণে: ফরমালিন।


◑ ফল গাছে থাকতেই: হরমোন ও কীটনাশক। 


◑ তরমুজে সিরিন্জ দিয়ে দেয়: পটাশিয়াম পার ম্যাঙ্গানেট।


◑ কলা পাকানো হয়: ক্যালসিয়াম কারবাইড। 


◑ কফি পাউডারে: তেঁতুলের বিচির গুড়া।


◑ মসলায়: ইটের গুড়া।


◑ হলুদে: লেড ক্রোমেট/ লেড আয়োডাইড।


◑ মুড়িকে ধবধবে সাদা ও বড় করতে: হাইড্রোজ ও ইউরিয়া।


◑  দীর্ঘক্ষন মচমচে রাখার জন্য জিলিপি, চানাচুরে: পোড়া মবিল।


◑ আকর্ষণীয় করতে আইসক্রিম, বিস্কুট, সেমাই, নুডলস ও মিষ্টিতে: কাপড় ও চামড়ায় ব্যবহৃত রং।


◑ ফলের রস তৈরী: ক্যামিকেলস দিয়ে।


◑ বিদেশী মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য/ঔষধ/ক্যামিকেলস: নতুন মেয়াদের স্টিকার লাগিয়ে।


◑ চাল চকচক করতে: ইউরিয়া।


◑ পিয়াজু, জিলাপিতে: এমোনিয়া। 


(সূত্র: ইত্তেফাক, পৃষ্ঠা: 2, তারিখ: 26/05/2018)


আরও আছে...

◑ পানি-২০ লিটার (২ টাকা গ্লাস) অধিকাংশই অটোমেশিনে নয় হাতে ঢালা হয়। পারক্সাইড দিয়ে নয় নাম মাত্র পানিতে ধুয়া হয়।


◑ ফলে হরমোন প্রয়োগ করা হয়।


◑ সবুজ ফল ও শাকশব্জিতে কাপড়ের সবুজ রঙ ব্যাবহার হয়, সসেও তাই।


◑ খামারের মুরগিতে বিশাক্ত ক্রোমিয়াম, লেড আর এন্টিবায়োটিক তো আছেই, চাষের মাছেও তাই।


◑ জুস, লাচ্ছি তো উচ্চ মাত্রার প্রিজারভেটিভ।


◑ রুহ আফজাহ আর হরলিক্স তো প্রমানে অপারগ যে এতে আসলে কল্যাণকর কিছু আছে।


◑ মসল্লায় আলাদা রঙ (মেটালিক অক্সাইড)।


◑ সরিষার তেলে ঝাঁজালো ক্যামিকেল।


◑ সয়াবিনে পামওয়েল।


◑ শুটকিতে কিটনাশক।


◑ কসমেটিক্সে ক্যান্সারের উপাদান লেড, মারকারি ও ডাই।


কি খাবেন? কিভাবে খাবেন? একটু ভাবেন! অন্যকেও ভাবতে দিন। বাঙালির আরো অনেক আবিষ্কার আছে যা আমরা হয়তো জানি না। আমরা এক রাতে ধনী হতে চাই এই জাতিকে ধ্বংস করার বিনিময়ে। আসুন আমরা সবাই মিলে এই চক্রকে প্রতিহত করি। জাতিকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাই...


-   সংগৃহীত



মরিচের জাবপোকা থ্রিপস কিভাবে দমন করবেন,,,,, গবাদিপশু ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মরিচের জাবপোকা থ্রিপস কিভাবে দমন করবেন

------------------------------------------------------------------

ক্ষতির ধরনঃ

কচি পাতার ও ডগার রস চুসে খেয়ে গাছকে দূর্বল করে ফেলে। 

করণীয়ঃ

গাছের আক্রান্ত অংশ অপসারণ করা।

প্রাথমিক অবস্থায় শুকনো ছাই প্রয়োগ করা।

পরিস্কার পানি জোরে স্প্রে করা।

ক্ষেত পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা।

হলুদ রঙের ফাঁদ ব্যবহার করা।


জৈব বালাইনাশক দিয়ে দমনঃ

👉বায়োট্রিন ১.৫০ মিলি/লিটারে

👉বায়ো ভেরিয়া ৫ গ্রাম/লিটারে হারে মিশিয়ে ৬ দিন পরপর স্প্রে করতে পারেন। 


রাসায়নিক দমনঃ

ক্লোরোপাইরিফস+সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক

👉নাইট্রো৫৫ইসি

👉সেতারা৫৫ইসি

👉এসিমিক্স৫৫ইসি

👉ক্লোরোসাইরিন৫৫ইসি

👉সাবসাইড৫৫ইসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১.৫ মিলি হারে সাথে


ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক 


ইমিটাফ২০এসএল

ইমপেল২০এসএল

জাদিদ২০এসএল

এডমায়ার২০এসএল

গেইন২০এসএল

টিডো২০এসএল যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন 

এছাড়াও 

👉মোভেন্টো১৫০ওডি ১ মিলি/লিটারে

👉এসিমিডা৫১.৮এসপি ১.৫০ গ্রাম/লিটারে 

👉অটোমিডা৭০ডাব্লিডিজি ১.৫০ গ্রাম/লিটারে

👉কারেন্ট৭০ডাব্লডিজি ১.৫০ গ্রাম/লিটারে

👉লাহিব/এবামিড/ফ্লের৩৮ডাব্লিডিজি ০.৫০ গ্রাম/লিটারে

👉প্রলয়৩২এসসি ১ মিলি/লিটারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


👉গাছ ভালো করে স্প্রে করেত হবে যাতে পাতার উপরে, নিচে, ডাল সহ ভিজে যায়।


শেয়ার করে রেখে দিন অনেকের উপকারে আসবে  ।


মোঃ ফরিদুল ইসলাম

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা 

কালিগঞ্জ, লালমনিরহাট



গবাদিপশু, মিথেন গ্যাস এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের হুমকি: সজিনা পাতায় আছে আমাদের জন্য সমাধান! গ্রিনহাউস এফেক্টের,,,,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 গবাদিপশু, মিথেন গ্যাস এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের হুমকি: সজিনা পাতায় আছে আমাদের জন্য সমাধান!

গ্রিনহাউস এফেক্টের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী কার্বন-ডাই অক্সাইড গ্যাস, তারপরেই আছে মিথেন। বিজ্ঞানীরা বলছে, প্রতিদিন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে যে পরিমাণ মিথেন মিশছে, তার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ আসছে গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, হরিণ প্রভৃতি প্রাণীর পাকস্থলী থেকে নির্গত বায়ু থেকে। কাঁচা ঘাস, খড় ও লতাপাতার ওপর নির্ভরশীল এসব প্রাণীর পাকস্থলিতে যখন খাদ্যের পরিপাক ক্রিয়া চলে সে সময়েই উৎপাদন ও নির্গত হয় মিথেন।

গবাদিপশুর মাধ্যমে প্রতিবছর বিপুল মিথেন গ্যাস নিঃসৃত হয়, যা বার্ষিক গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণের ১৫ শতাংশ বলে জানা গেছে জাতিসংঘের প্রাক্কলন অনুসারে। 

আমাদের দেশের অর্থনীতিতে গবাদি পশুর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আবার উষ্ণায়ন এবং পরিবেশ দূষণও বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা দেশজ প্রক্রিয়ায় দুয়ের মধ্যে ভারসাম্য আনার চেষ্টায় গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে সজিনার ব্যবহার নিয়ে কাজ করছি। গবাদিপশুর খাদ্যে সজিনা পাতা যুক্ত করলে গবাদিপশুর পাকস্থলিতে মিথেন উৎপাদন কমবে, এপর্যন্ত পরিচালিত কয়েকটি গবেষণায় যার সত্যতা মিলেছে।

এবার মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস বিনিয়োগ করেছেন গরু ও অন্যান্য গবাদিপশু থেকে নির্গত মিথেন গ্যাস রোধ সম্পর্কিত একটি প্রকল্পে। ‘গবাদি পশুর জন্য বিকল্প খাদ্য প্রস্তুতের এই প্রকল্পে আমাজনের মালিক জেফ বেজোস, চীনা ই কমার্স প্রতিষ্ঠান আলিবাবার সহপ্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা-ও অর্থ বিনিয়োগ করেছেন । আপনি করছেন তো?  

*ছবি সজিনা সাইলেজ তৈরির।



ছাগলের ভাত কেন খাওয়ানো উচিত নয়,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ছাগলের ভাত কেন খাওয়ানো উচিত নয়

আমি কখনো ভাত খেতে দেই না কারণ অতিরিক্ত ভাত খাওয়ানো হলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।


আল্লাহ পাক গবাদিপশুকে ঘাস খাওয়ার জন্যই সৃষ্টি করেছেন, ভাত খাওয়ার জন্য নয়। আর ভাত খাওয়ার মতো ব্যবস্থাও তাদের শারীরিক গঠন প্রক্রিয়ার মধ্যে আল্লাহপাক রাখেন নাই।

তারপরও আপনি চাইলে আপনার গরুকে ভাত কেন যা মন চায় তাই খাওয়াবেন। কিন্তু আপনি টিকে থাকতে পারবেন কিনা সেটা ভবিতব্যই বলতে পারবে

ডাঃ মোঃ নূরুল আমীন স্যার।


গবাদিপ্রাণির খাদ্য সবুজ ঘাস, লতাপাতা খড় এগুলো হলো গবাদিপ্রাণির স্বাভাবিক খাদ্য। গবাদিপ্রাণির খাদ্যের শতকরা ৮০ ভাগ হবে আঁশ জাতীয় খাদ্য এবং ২০ ভাগ হবে দানা জাতীয় খাদ্য। তা না হলে খাদ্য পরিপাক, পরিশোষণ,সর্বপরি গরুর দৈহিক পরিবৃদ্ধি ইত্যাদি ভালো হবে না। 


গবাদিপশুর খাদ্যে আঁশ জাতীয় উপাদান রুমেন অণুজীবের নিরবচ্ছিন্ন কার্বোহাইড্রেড প্রাপ্তি ঠিক রাখে, ফলে খাদ্যের সদ্ব্যবহার হয়। ভুট্টা ভাংগা,গম ভাংগা,চালের ক্ষুদ, আটা,ময়দা ইত্যাদি দানাদার খাদ্য উপাদানে স্টার্চ বেশি থাকে। খড়, ঘাস, লতাপাতা ইত্যাদি আঁশ জাতীয় খাদ্যে থাকে সেলুলোজ,হেমিসেলুলোজ।


গবাদি পশুকে আঁশ জাতীয় খাদ্য খড়,ঘাস লতাপাতা ইত্যাদি খাওয়ানো হচ্ছে এমন অবস্থায় যদি হঠাৎ খাদ্য পরিবর্তন করে দানা জাতীয় খাদ্য সরবরাহ করা হয় বা আশঁ জাতীয় খাদ্যের চেয়ে বেশি পরিমান দানা জাতীয় খাদ্য খাওয়ানো হয সেক্ষেত্রে পরিপাকজনিত সমস্যা সৃষ্টি হয়। 


দানা জাতীয় খাদ্যে স্টার্চ বেশি থাকে, যাকে বলা হয় readily fermentable carbohydrate, এই স্টার্চ খুব দ্রুত পরিপাক হয়। দ্রুত ফ্যাটি এসিড উৎপন্ন হওয়ার কারণে রুমেনের এসিডিটি বেড়ে যায়। আশঁজাতীয় খাদ্যের পরিবর্তে হঠাৎ দানা জাতীয় খাদ্য সরবরাহ করলে স্টার্চ পরিপাক করে এমন ব্যাকটেরিয়ার দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এই ব্যাকটেরিয়া যে এসিড তৈরি করে তার ৮০ -৮৫ ভাগ হলো ল্যাকটিক এসিড। একই সময়ে রুমেনের পিএইচ কমে ৫ এ নেমে আসে। ল্যাকটিক এসিডের  পরিমান যদি খুব বেশি হয় তাহলে তা রুমেনে পুঞ্জিভুত হয় এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে তা রুমেন প্রাচীরের মাধ্যমে শোষিত হযে রক্ত প্রবাহে মিশে। রক্তে উচ্চ মাত্রার ল্যাকটিক এসিডের উপস্থিতির কারনে গবাদিপ্রাণি নিচের যে কোন একটি বা একাধিক  সমস্যায় ভুগতে পারে।


১ – রুমেন নিশ্চল হয়ে যায় অর্থাৎ রুমেন কোন কাজ করবে না।

২ – খাদ্য গ্রহন কমে যায়।

৩ – এসিটিক এসিড উৎপাদনকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা কমে যায়। এই ব্যাকটেরিয়া দুধে ফ্যাট উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা কমে গেলে দুধের ফ্যাটের মাত্রাও কমে যায়।

৪ – রুমেনের প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

৫ – গবাদিপশুর পেটে গ্যাস উৎপন্ন হয় অর্থাৎ এসিডোসিস হয়।

৬ – এমনকি পেট ফুলে,শ্বাস কষ্টে মারা যেতে পারে।


ভাত, খুদের ভাত, আটাঘাটি, আটাগুলা পানি, আলুসেদ্ধ সবগুলোই কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য। এগুলো খাওয়ানো হলে তা কোন চর্বণ সরাসরি ছাড়াই গবাদিপশুর পেটে চলে যায় এবং বদ হজম ও পেটে গ্যাস তৈরি করে। এগুলো দানাদার খাদ্য হতে পারে না

সুতরাং এগুলো খাওয়ানো উচিত নয়।


তথ্যসূত্র ইন্টারনেট 

Shahin Goatfarm We Love Goat Farming.


সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ১০-০৩-২০২৪ ।,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ১০-০৩-২০২৪ ।


আজকের শিরোনাম:


কুমিল্লা ও ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে তাহসীন বাহার এবং ইকরামুল হক টিটু বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।


বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের বৈঠকে চলমান প্রকল্পগুলোর কার্যক্রম দ্রুত শেষ করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ।


প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য নবীন চিকিৎসকদের প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আহ্বান।


আবুধাবিতে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত - বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে অংশীদারিত্বে রূপান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ।


বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলনে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে যৌথ টহল জোরদারে ঐকমত্য।


পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে সুদানে অস্ত্রবিরতির আহ্বান জাতিসংঘের।


কাঠমান্ডুতে চারজাতি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে আজ ভারতের মুখোমুখী হবে বাংলাদেশ।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

শনিবার, ৯ মার্চ, ২০২৪

রূপালি পর্দার রোজী ভাবি                স্মরণীয়-বরণীয়,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 স্মরণ-


        রূপালি পর্দার রোজী ভাবি

               স্মরণীয়-বরণীয়

----------------------------------------------------

রোজী আফসারী। যিনি রোজী সামাদ নামেও পরিচিত। পুরো নাম শামীমা আক্তার রোজী। পিতা ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ।


যিনি পর্দায় বড় ভাবি অথবা করুণাময়ী মায়ের চরিত্রেই সকলের হৃদয়ের আসনে অধিষ্ঠিত।


তিনি ১৯৬৪ সালে অভিনয় শুরু করেন এবং ২০০৫ সালে তাঁর সর্বশেষ চলচ্চিত্র মুক্তি পায়। 


জন্ম ১৯৪৯ সালের ৯ মার্চ লক্ষ্মীপুর জেলায়।


বাংলাদেশি সিনেমার 'সুবর্ণ যুগ'খ্যাত সময় থেকে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত জনপ্রিয় ও বলিষ্ঠ অভিনেত্রি হিসেবে তিনি ছিলেন সকলের শ্রদ্ধার পাত্রি।


তাঁর শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো - সূর্য গ্রহন, সূর্য সংগ্রাম, জীবন থেকে নেয়া, তিতাস একটি নদীর নাম, লাঠিয়াল প্রভৃতি। 


তাঁর অভিনয় ব্যাপক দর্শক নন্দিত হয়। পর্দায় তাঁর অনন্য উপস্থিতি প্রায়ই ছায়াছবির প্রধান আগ্রহের বিষয় ছিল।


১৯৬২ সালে আব্দুল জব্বার খান পরিচালিত 'জোয়ার এলো' চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে পথ চলা শুরু হয় তাঁর।  


প্রায় ৪ দশক ধরে তিনি প্রায় ৩৫০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এর মধ্যে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে নির্মিত 'জাগো হুয়া সাভেরা', 'সঙ্গম', 'পুনম কি রাত'সহ প্রায় ২৫টি উর্দু ছবি রয়েছে।


তাঁর অন্যান্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে, ওরা ১১ জন, এতটুকু আশা, নীল আকাশের নিচে, অশিক্ষিত, দেবর, প্রতিকার ইত্যাদি।


তাঁর সর্বশেষ অভিনীত ছবি 'পরম প্রিয়' ২০০৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল। 


গুনী এই অভিনেত্রি ২০০৭ সালের ২৩ এপ্রিল চলে যান না ফেরার দেশে। শ্রদ্ধাঞ্জলি রোজী ভাবি।


-- মেসবা খান

ঢাকা, বাংলাদেশ



ফুটবল খেলে কী দেশ স্বাধীন করা সম্ভব?হ্যা অবশ্যই সম্ভব।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ফুটবল খেলে কী দেশ স্বাধীন করা সম্ভব?হ্যা অবশ্যই সম্ভব।


দেশে যখন যুদ্ধ চলছিলো একদল যুবক তখন চিন্তা করেছিলো যে কীভাবে ফুটবল খেলে দেশকে সহযোগিতা করা যায় আর সে উদ্দেশ্যেই তৈরি হয় স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল।


১৯৭১ সালের ২৫ জুলাই কৃষ্ণনগর স্টেডিয়ামে নদিয়া একাদশের বিপক্ষে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল প্রথমবারের মতো খেলতে নামে।সেদিন মেহেরপুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি ম্যাচ উপভোগ করতে স্টেডিয়ামে আসে।ম্যাচ শুরুর পূর্বে ততকালীন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টুই ছিলেন প্রথম ব্যাক্তি যিনি আঞ্চলিক বাংলাদেশের বাহিরে দেশের পতাকা উত্তোলন করেন।

নাদিয়া একাদশের বিপক্ষে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল সে ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র করে।


স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল সমগ্র ভারতে ১৬টি স্বীকৃত ম্যাচ খেলেছে। যার মধ্যে ১২ টি জিতেছে, ৩ টি ড্র করেছে এবং একটিতে হেরেছে।স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল নিজেদের ১৬তম ম্যাচে শেষে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের কাছে ১৬.৩৩ লাখ টাকা হস্তান্তর করেছিলো।


স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্যদের নামগুলো একটু স্মৃতিচারণ করে নেয়া যাক:-


জাকারিয়া পিন্টু(অধিনায়ক)

প্রতাপ শংকর হাজরা(সহ-অধিনায়ক)

কাজি সালাউদ্দিন 

এনায়েতুর রহমান খান 

একেএম নওশেরুজ্জামান

খন্দকার নুরুন্নবী 

আলি ইমাম

মো.শেখ তাসলিম উদ্দিন

আইনুল হক

ফজলে সাদাইন খোকন

লুতফর রহমান

শেখ আশরাফ আলী

আমালেশ সেন

আবদুল হাকিম

আমিনুল ইসলাম 

বিমল কর

সুভাস চন্দ্র সাহা

মুজিবুর রহমান

মো.কাইকোবাদ

সিরাজুদ্দিন সিরু

আব্দুস সাত্তার

সঞ্জিত কুমার দে

আবদুল মোমেন

মুনিরুজ্জামান পিয়ারা

শাহজাহান আলম

অনিরুদ্ধ চ্যাটার্জি 

নিহার রঞ্জন দাস

গোভিন্দ কুন্ডু

মাহমুদ রশিদ

শেখ মনসুর আলী


স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অনুপ্রেরণায় খিজির হায়াত খানের পরিচালনায় ২০১০ সালে তৈরি করা হয়েছিলো জাগো নামক সিনেমা।স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলকে নিয়ে ২০২২ সালে পরিচালক রায়হান রাফী নির্মাণ করেন দামাল।


মার্চ মাস হলো স্বাধীনতার মাস আর স্বাধীনতার মাসে দেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই মানুষদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।হয়তো এই প্রজন্ম তাদের এখনো মনে রেখেছে কিন্তু পরবর্তী প্রজন্মকে মনে রাখানোর দায়িত্ব টা আমাদের কাছেই।


তারা আমাদের শিখিয়েছে,"যদি দেশের জন্য কিছু করার সৎ উদ্দেশ্য থাকে তাহলে অন্যদের কাছে যেটা শুধু একটা খেলা বা বিনোদন মাত্র সেটা দিয়েও অনেক কিছু করা সম্ভব"


Hamza Bin Halim




নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...