এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১১ মার্চ, ২০২৪

একজন শিক্ষিত "পাঠা"র গল্প শুনুন..,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 একজন শিক্ষিত "পাঠা"র গল্প শুনুন...... 

এক গ্রামে একজন লোক ছিল। তার নাম ছিল রিপ্লেস পাঠান। বিয়ের পর তার  একটা ছেলে হইছে। আদর করে  নাম রাখছে "আবু পাঠান"। 


এ গ্রামের ছেলেরা অনেক দুষ্ট ছিল। শয়তানি করে আবু পাঠানের পুরো নাম বলেনা। পাঠানের শেষে ন অক্ষর বাদ দিয়ে সবাই তাকে "আবু পাঠা" বলে ডাকা শুরু করে। একসময় ফাজিল পোলাপান আরো সংক্ষেপে ডাকার জন্য নামের শুরু থেকে আবু শব্দটিও বাদ দিয়ে শুধু "পাঠা" বলে ডাকতে শুরু করে।  কি আজব রে বা! 


যাইহোক এ "পাঠা"কে তার বাবা মা চেষ্টা করে বাংলাদেশের লেখাপড়া কমপ্লিট করায়। এরপর উচ্চ ডিগ্রী আনার জন্য বাহিরে পাঠায়।   ডিগ্রী নিয়ে দেশে ফেরার পর দেখে যে চোরে দেশটা ভইরা গেছে। তবে চোরদের সাথে চাকরী করার চিন্তাভাবনা না করে সর্বশেষ  বিশাল বড় একটি গাভীর খামার দেয়ার পরিকল্পনা করে খামার দিয়ে দিল।


এলাকার লোকেরা এখামার দেখে অনেক খুশি হয় এবং সেইসাথে তারা  তাদের সন্তানদের জন্য "পাঠা"র ফার্ম থেকে প্রতিদিন দুধও নেয়। 


কিন্ত এ শিক্ষিত পাঠা কিছুদিন পরপর দুধের মধ্যে বিভিন্ন ধরণের ভেজাল করতে থাকে। যেমন ধরেন - 

▪️প্রথমে ১০কেজি দুধে ১কেজি পানি মেশায়

▪️কিছুদিন পর ৮কেজি দুধে ১কেজি পানি মেশায়

▪️তার কিছুদিন পর ৫ কেজি দুধে ১কেজি পানি মেশায় 

▪️এরও কিছুদিন পর ৫ কেজি দুধে ৫কেজি পানি আর ১টা কনডেন্স মিল্কের  মেশায়। 

▪️সর্বশেষ এবার "পাঠা স্যার" গরুর দুধ পাশের এলাকে সাপ্লাই দিয়ে এলাকার মানুষকে শুধু কনডেন্স মিল্কের সাদা পানি খাওয়াতে শুরু করে


এলাকার লোকেরা পাঠার এমন গোঁজামিলের খবর অনেকে বুঝেও কেউ কোনো উদ্যোগ নেয়না বা কিছু বলেনা এবং প্রতিবাদও করেনা। ফলে পাঠার মহা সুযোগ তৈরি হয়।


পাঠার এমন কাণ্ড দেখে  এলাকার ইমাম সাহেব ২টি গাভী কিনে জনগণকে খাঁটি দুধ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেন। এবার ইমাম সাহেবের এমন উদ্যোগকে সকলে স্বাগত জানায় এবং তার কাছ থেকে এলাকার লোকজন  দুধ সংগ্রহ করতে শুরু করে। 


পাশের এলাকার ইমাম সাহেব এ এলাকার ইমামের সাহেবের কার্যক্রম দেখে উৎসাহ পান। তিনিও তার এলাকাতে একটি খাঁটি দুধের খামার গড়ে তুলেন। একটা পর্যায়ে বহু ইমাম ও আলেমরা খাঁটি দুধের খামার করে। জনগণও তাদের সন্তানদের জন্য হুজুরদের কাছ থেকে এ খাঁটি দুধ নেয়ার দৃঢ় সংকল্প করে। 


আর ঠিক তখনই শিক্ষিত স্যার "পাঠা" সাংবাদিকদের বলে যে, "যত্রতত্র খামার গড়ে উঠে কারণে আজ আমার খামারে ক্রেতার কমতি"। শত হলেও তো সে শিক্ষিত। তাই তার এ উক্তি সকল পত্রিকার হেড লাইনে ছাপা হল। 


সর্বশেষ বলি, আমার লিখা এ গল্পটি কাল্পনিক। তবে বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থাকে দুধের সাথে তুলনা করলে অনেক কিছু উপলদ্ধি করতে পারবেন। আজ এ পর্যন্তই থাক। দুআ চাই। মনে চাইলে শেয়ার কইরেন।

আবু মুহাম্মাদ রেজাউল করীম

Abu Muhammad Rejaul Karim 

মত প্রকাশের স্বাধীন নাগরিক, বাংলাদেশ

05.03.2024

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

জানা_অজানা_কিছু_টিপস ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 জানা_অজানা_কিছু_টিপস


🖤লেবু এবং এ জাতীয় ফলকে মাইক্রোওয়েভ ওভেনে দিয়ে ২০-৩০ সেকেন্ড সেদ্ধ করে নিন। এবার চেপে রস বের করুন। দেখবেন আগের চেয়ে অনেক বেশি রস পাবেন এবং কাজটিও সহজ মনে হবে।


🖤 মাত্র বানানো স্যুপ, স্ট্যু বা ক্যাসরোল থেকে অতিরিক্ত ফ্যাট আলাদা করতে তাকে কয়েক টুকরো বরফ ছেড়ে দিন। এতে দেখবেন স্যুপের ওপর ফেনা আকারে অতিরিক্ত ফ্যাট ভেসে রয়েছে।

এগুলো চামচ দিয়ে কাচিয়ে নিয়ে ফেলে দিন।


🖤 চপবোর্ডে পুদিনা পাতা জাতীয় যেকোনো হার্বাল কাটার আগে এক চিমটি লবণ ছড়িয়ে দিন। এতে তা চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যাবে না এবং চাকুতেও আটকে থাকবে না।


🖤 মাংস বা সমুদ্রের যেকোনো জিনিস ফ্রাই প্যানে ভাজার আগে একটি পেপার টাওয়েল দিয়ে এর ওপরের যতো ময়েশ্চার মুছে নিন। কারণ এসব ময়েশ্চার এসব খাদ্যের ভেতরের স্বাদ নষ্ট করে দেয়।


 🖤লেটুসের নিচের দিকটি টেবিল বা চপবোর্ডের ওপর জোরে বাড়ি দিন। দেখবেন এর গোড়াটি অনায়াসে বের হয়ে আসবে। এই গোড়াটি বের হয়ে আসলে লেটুস পাতাগুলো সহজেই ছাড়িয়ে নিতে পারবেন।


🖤ছাঁকনির কাজ করে এমন বড় গামলায় চাল রেখে ঠাণ্ডা পানির নিচে রাখুন যতক্ষণ না এর সব ময়লা দূর হয়ে যায়। এরপর রান্না করুন।


🖤 রান্না করা ভাত অতিরিক্ত রয়ে গেলে তা মাইক্রোওয়েভ ওভেনে দেওয়া যায় এমন একটি পাত্রে করে ফ্রিজে রেখে দিন। পরে আবার যখন খাবেন তখন তা বের করে এর ওপর ২-৩ টেবিল চামচ পানি ছিটিয়ে দিন। এরপর এর ওপরে একটি ভেজা পেপার টাওয়েল দিয়ে তা ওভেনে ১-৩ মিনিট পর্যন্ত দিয়ে রাখুন। ভাত পুরো গরম না হওয়া পর্যন্ত গরম করতে থাকুন।


🖤 ফুটন্ত ভাতের পানি বা দুধ যেনো উথলে না পড়ে এজন্য পাত্রের ওপর  একটি শুকনো কাঠের চামচ দিয়ে রাখুন। এতে পানি ফুটে উথলে পড়বে না। কারণ কাঠের চামচটি ওই কক্ষের তাপমাত্রা ধরে রাখে এবং ভাতের গরম বুদবুদগুলোকে ভেঙে তাকে আবার পাত্রে ফিরিয়ে দেয়।


🖤 আপনার লাল চিনি যদি জমে শক্ত হয়ে যায়, তবে একটি গামলায় এগুলো নিয়ে কিছু পানি ছিটিয়ে দিন। এর ওপর একটি ভেজা পেপার টাওয়েল দিয়ে ৩০ সেকেন্ড মাইক্রোওয়েভ ওভেনে রেখে দিন। চিনি নরম না হওয়া পর্যন্ত ৩০ সেকেন্ড পর পর দেখে নিন।


🖤 ডিম পোচ করতে গেলে যদি ডিমের খোসার টুকরো তাতে থেকে যায় তবে তা তুলে আনাটা কঠিন কাজ হয়ে পড়ে। যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে আঙ্গুলে একটি পানি দিয়ে নিন। এবার খোসা সহজেই তুলে আনুন।


🖤ফ্রিজারে মাংস রাখলে তা বরফের মতো শক্ত হয়ে থাকে। বের করার পর তাকে গলতে দেবেন না। কারণ না গলে পড়ার আগে রান্না করলে মাংসের স্বাদও ভালো হয় আবার এর ময়েশ্চারও দূর হয়ে যায় না।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

দুনিয়াজুড়ে "বয়কট" শব্দটির এলো কি করে,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 দুনিয়াজুড়ে "বয়কট" শব্দটির ব্যবহার হরহামেশাই লক্ষ করা যায়। কিন্তু জনপ্রিয় এই শব্দ এল কী করে?


সর্বজন পরিচিত শব্দটি অভিধানভুক্ত হওয়ার পেছনে রয়েছেন এক ইংরেজ ভদ্রলোক, যাঁর নাম চার্লস কানিংহাম বয়কট। 


তাঁর কীর্তিকলাপের জন্য তাঁকে একঘরে করছিলেন আয়ারল্যান্ডের বর্গাচাষিসহ স্থানীয় লোকজন। বয়কটের এই একঘরে হওয়ার ঘটনা তখন প্রচারমাধ্যমেও আসে, যা কালক্রমে যুক্ত হয় অভিধানেও।


১৮৮০ সালের কথা সেটা। চার্লস কানিংহাম বয়কট ছিলেন  খাজনা আদায়ের দায়িত্বে। সে বছর ফসলের ফলন কম হওয়ায় চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছিলেন। সে আশঙ্কা আমলে নিয়ে ১০ শতাংশ খাজনা মওকুফের ঘোষণা দেয়া হয়। কিন্তু চাষিরা দাবি তোলেন ২৫ শতাংশ মওকুফের। চাষিদের দাবি অগ্রাহ্য করেন লর্ড আর্নে।


এদিকে বয়কট আরও একধাপ এগিয়ে গিয়ে এক কাণ্ড ঘটান। তিনি ১১ জন বর্গাচাষিকে উচ্ছেদের চেষ্টা করেন। সরব হয়ে ওঠে স্থানীয় লোকজন। সরব হওয়ার পেছনে অবশ্য কারণও আছে। 


সে সময়টায় আয়ারল্যান্ডের ভূমি সংস্কারের পক্ষে লড়ে যাচ্ছিলেন আইরিশ রাজনীতিবিদ চার্লস স্টুয়ার্ট পার্নেল (১৮৪৬-১৮৯১)। তিনিই কোনো এক ভাষণে বলেছিলেন, কোনো জমি থেকে বর্গাচাষিকে উচ্ছেদ করা হলে, সে জমি যেন অন্য চাষিরা বর্গা না নেন। মালিকপক্ষ উচ্ছেদের হুমকি দিলে অহিংসভাবে তাঁকে এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছিলেন।


বয়কটের বিরুদ্ধে স্থানীয় লোকজন সেই কৌশল বেছে নিয়েছিলেন। তাঁর গৃহকর্মী থেকে দিনমজুরেরা কাজ বর্জন করেন। ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন করতে থাকেন। এক সময় দেখা যায়, স্থানীয় ডাকঘরের পিয়নও চিঠি সরবরাহ বন্ধ করেছেন।


বয়কট চেষ্টা করেন অন্য এলাকা থেকে লোক এনে চাষবাসের কাজ করানোর। সে উদ্যোগও সফল হয়নি তাঁর। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকেন বয়কট। হালের ‘ভাইরাল’ হওয়ার মতো এই ঘটনা তখন ব্যাপকভাবে জানাজানি হয়, ফলাও করে প্রচার করা হয় গণমাধ্যমে। বর্জন ও একঘরের সমার্থক হয়ে ওঠেন ‘বয়কট’, যা কালক্রমে যুক্ত হয় অভিধানেও। কিন্তু কে এই চার্লস কানিংহাম বয়কট?


বয়কট এক বিচিত্র চরিত্রের মানুষ। তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা ইংল্যান্ডের নরফোকের এক গ্রামে। পড়াশোনা করেছেন দক্ষিণ-পূর্ব লন্ডনের ব্ল্যাকহিথ এলাকার একটি বোর্ডিং স্কুলে। স্কুলজীবন থেকেই বয়কটের ফৌজি জীবনের প্রতি ছিল দুর্নিবার আকর্ষণ। সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি সেই আকর্ষণের টানে ১৮৪৮ সালে দক্ষিণ লন্ডনের উলউইচে অবস্থিত রয়্যাল মিলিটারি একাডেমিতে ভর্তি হন। বছরখানেক পর পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে মিলিটারি একাডেমি ছাড়তেও হয় তাঁকে। কিন্তু হাল ছাড়েন না বয়কট। 


পরিবারের সহায়তায় ১৮৪৯ সালে ৪৫০ পাউন্ডে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর ক্যাপটেন পদ পেয়ে (ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে পদ কেনার সুযোগ ছিল) যান তিনি। পদাতিক বাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন। যোগ দেন ৩৯তম ফুট রেজিমেন্টে। কিছুদিনের মধ্যে রেজিমেন্টের সঙ্গে বদলি হয়ে বয়কট চলে আসেন উত্তর আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্টে। শুরু হয় আয়ারল্যান্ডের জীবন।


১৮৫১ সালের আগস্টে অসুস্থ হয়ে পড়েন বয়কট। প্রায় ছয় মাস রোগে ভোগার পর বয়কট তাঁর সেনাবাহিনীর পদ বিক্রি করে দেন। সে বছরই বিয়ে করেন মেরি অ্যান দুনেকে। টিপেরারি কাউন্টিতে খামার ইজারা নিয়ে আয়ারল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। আয়ারল্যান্ডের উত্তরাধিকার সনদ পাওয়ার হওয়ার পর দেশটির পশ্চিম উপকূলীয় মায়ো কাউন্টির একটি দ্বীপে চলে যান বয়কট।


মায়ো কাউন্টিতে তাঁর জীবনের ইতিহাস তো ‘বয়কট’ শব্দেই মিশে আছে!


সূত্র: হিস্ট্রি আয়ারল্যান্ড, দ্য ফ্যাক্ট সাইট ডটকম, উইকিপিডিয়া, প্রথম আলো



রমজান মাসের প্রয়োজনীয় কিছু টিপস ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 প্রয়োজনীয়_কিছু_টিপস :-


🌹সেহেরির খাবার খাওয়ার পর এক পিস এলাচ চিবিয়ে রস টুকু খেয়ে নিন........ 

দেখবেন রোজা অবস্থায় পানির পিপাসা কম লাগবে


🌹মোমোর ডো/খামিরের ময়দার সাথে সামান্য বাটার ব্যবহার করলে মোমো ভাপিয়ে নেওয়ার পর এর উপরের আবরণ চকচকে হয়। 


🌹ঘরে কোন প্রকারের সস্ না থাকলে টক দইয়ের সাথে সামান্য বিট লবন ও অল্প চিনি দিয়ে মিশিয়ে নিন দেখবেন মজাদার দই সস্ তৈরি হয়ে যাবে

.............. টক দইয়ের পরিবর্তে মিষ্টি দই হলে চিনির পরিবর্তে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিতে হবে 


🌹রান্নায় দই লাগবে ঘরে দই না থকলে এভাবে করতে পারেন........... 

গুড়া দুধের সাথে সামান্য লেবুর রস বা ভিনেগার মিশিয়ে  কিছুক্ষন রেখে দিলেই দইয়ের মতো তৈরি হয়ে যাবে।


🌹রান্নায় ঝাল বেশি হয়ে গেলে রান্নার সাথে পেঁয়াজ বেরেস্তা বেটে রান্নায় ব্যবহার করুন ঝাল কমে যাবে 


🌹বিরিয়ানি রান্নায় শাহী জিরা ব্যবহার করলে বিরিয়ানির সুগন্ধ ছড়ায় বেশি। 


🌹খাসির মাংস রান্নার আগে কুসুম-গরম পানিতে সামান্য লবন মিশিয়ে ৩০ মি: মাংস গুলো ভিজিয়ে রাখুন তারপর ৩০মি:পর মাংস গুলো লবন পানি থেকে তুলে ভালোভাবে ধুয়ে রান্না করলে মাংস থেকে খাসির মাংসে যে গন্ধটা থাকে সেইটা আর আসবে না।


🌹ছোলা বুট তারাতাড়ি নরম করে সিদ্ধ করতে চাইলে বুট সিদ্ধ করার শুরুতে সামান্য বেকিং সোডা মিশিয়ে নিলে তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়ে যাবে


🌹প্রতিদিন ইফতার তৈরির ঝামেলা এড়াতে রোজার আগেই কিছু কাজ গুছিয়ে নিতে পারেন যেমন জিরা,শুকনা মরিচ,টেলে গুড়া করে ঝারে সংরক্ষণ করে রেখে দিলে ইফতার তৈরিতে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারবে। 


টিপস গুলো যদি আপনাদের একটু ও উপকারে আশে তবে আপনার ওয়ালে শেয়ার করে সবাই কে দেখার সুযোগ করে দিন সবার আগে আমার পোস্ট পেতে পোস্টে কমেন্ট করে সাথেই থাকুন ইনশাআল্লাহ আরও সুন্দর সুন্দর টিপস অথবা রেসিপি নিয়ে আসবো আপনাদের জন্য। সবার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা ও শুভ কামনা রইলো। 

ফেইসবুুক থেকে নেওয়া 

যেইভাবে সারা বছর মরিচ খেতে পার,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া




 যেইভাবে সারা বছর মরিচ খেতে পারবেন।


ছাদ বাগানে মরিচ চাষে আমার অভিজ্ঞতাঃ


ছবি দেওয়াঃ জাত বিজলী


আপনি যদি ১০ টা মরিচ গাছ থাকে তাহলে কখনো মরিচ আর বাজার থেকে ক্রয় করতে হবে না।


জাত নির্বাচনঃ

প্রথমে ভালো মানের বিশেষ করে হাইব্রিড জাতের বীজ কিনি। কারণ ছাদে চাষ করার জন্য হাইব্রিড জাত সবচেয়ে উত্তম। সারাবছর মরিচ পাওয়া যায়, গাছ বেশ ঝোপালো হয় আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। 


চারা তৈরিঃ

প্যাকেট খুলে বীজগুলো ১৫/২০ মিনিট রোদে শুকিয়ে নেই।বিকেল বেলায় বীজগুলো বীজতলায় ফেলে উপরে হালকা ঝুরঝুরে মাটি দিয়ে ঢেকে দেই। স্প্রে করে পানি দিয়ে মাটি ভিজিয়ে দেই। ১০/১২ দিন পরে চারা গজাতে শুরু করবে। চারা ৬/৮ পাতা হলেই তুলে টবে লাগিয়ে দেই।


মাটি তৈরিঃ

আমি গ্রামে কোকোপিট, ভার্মিকম্পোস্ট, শিং কুচি, হাড়ের গুরা, নিম খৈল ইত্যাদি ইত্যাদি পাই না। তাই এগুলো ছাড়াই আমি যেভাবে মাটি তৈরি করি- ৪০ ভাগ পুরনো গোবর সার, ৬০ ভাগ মাটির সাথে সামান্য ডিএপি সার, সামান্য পটাশ সার ও কিছু সরিষার খৈল গুড়া মাটিতে ভালোভাবে মিশিয়ে বস্তাবন্দি করে রাখি। এক সপ্তাহ পরে বস্তা হতে খুলে রোদে শুকিয়ে টবে বা ড্রামে ভরে রাখি। প্রতি দিন বিকেলে পানি ছিটিয়ে দেই। ৮/১০ দিন পরে মাটিতে জো এলে চারা লাগিয়ে দেই।


পরিচর্যাঃ

চারার শেকড় মাটিতে এডজাস্ট হলে গাছ দ্রুত বাড়তে থাকে।চারা অবস্থায় টবে বেশি পানি দেই না। গাছ ডাল-পালা মেলা শুরু করলে কিছুটা গোবর সার দিয়ে দেই।১৫/২০ দিন পরপর সরিষার খৈল পচা পানি দেই। প্রায় ১০ দিন পরপর  এবামেকটিন ও ইমিডাক্লোপিড গ্রুপের ঔষধ মিশিয়ে বিকেলে ভালোভাবে গাছে স্প্রে করি।


মোটামুটি আমি এই পদ্ধতিতেই আল্লাহর রহমতে মরিচের ভালো ফলন পেয়ে থাকি। অনেকে জানতে চাওয়ায় পদ্ধতিটি সবার সাথে শেয়ার করলাম। সবাই ভালো থাকবেন। সবার জন্য শুভকামনা।


দিন-রাত চুলোচুলি করা দুই সতীনের মাঝে মা/ রা গেল ছোট সতীন একদিন,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 দিন-রাত চুলোচুলি করা দুই সতীনের মাঝে মা/ রা গেল ছোট সতীন একদিন।

মা/ রা যাবার আগে তার তিন বছরের ছেলেকে বড় সতীনের হাতে তুলে দিয়ে বলল,'আমারে মাফ কইরা দিয়েন। আমার পোলাডারে আপনের হাতে দিয়া গেলাম। আইজ থেইক্কা আপনেই ওর মা।'


বড় সতীনের ঘরে দুই সন্তান। আড়াই বছরের এক ছেলে। পাঁচ বছরের এক মেয়ে।

এখন তার তিন সন্তান হল।

ছোট সতীন মারা যাবার পরে তার কোল থেকে নেমে গেল আড়াই বছরের ছেলে। সেখানে প্রতিস্থাপিত হল সতীনের তিন বছরের সন্তান।

সে এটাকে কোলে কোলে রাখে। মুখে তুলে খাওয়ায়। কোথাও গেলে নিজের ছেলেকে হাঁটিয়ে নিয়ে যায় কিন্তু সতীনের ছেলেকে নেয় কোলে তুলে। 


এভাবেই আস্তে আস্তে বড় হল সে। কিন্তু সৎমা তাকে কোনও কাজ করতে দেয় না। নিজের ছেলেমেয়েদের দিয়ে কাজ করায়। কিন্তু তাকে দেয় মুখে তুলে খাইয়ে। এক গ্লাস পানিও ঢেলে খেতে দেয় না। পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয় -স্বজন সবাই প্রশংসা করে সৎমায়ের।

'তুমি তো অনেক ভালা মানুষ। মা মরা পোলাডারে কত্ত আদর কর। এরেই তুমি আরও বেশি ভালবাস। কে কইব তুমি অরে প্যাডে ধরনাই।'


'ভুল ভাবতাছেন আপনেরা।' মুখ খুলল বড় বউ। 'আমি শোধ নিতাছি। অর মায়ে আমার স্বামী কাইড়া নিছিল। আমারে পাঁচটা বচ্ছর জ্বালাইছে। আমি সেই শোধ নিতাছি এই পোলারে দিয়া। আমার পোলা মাইয়া জীবনে চলতে শিখব। কিন্তু অরে আমি আদর দিয়া পঙ্গু বানাইয়া দিতাছি। অয় জীবনে চলতে গিয়া পদে পদে আছাড় খাইয়া পড়ব। উইঠ্যা দাঁড়াইতে পারব না।' বলে মুচকি হাসে বড় বউ।


যে মা কলেজ পড়ুয়া ছেলের জিন্সের প্যান্ট ধুয়ে দেন, বিছানা তুলে দেন ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়ের। আমার ছেলে/মেয়ে আমাকে ছাড়া চলতেই পারে না বলে গল্প করেন যে মা। আপনি এক বেলা বাসায় না থাকলে আপনার ছেলেমেয়ে এক মুঠো চাল সেদ্ধ করে খেতে জানে না বলে গর্ব করেন যে মা। আপনারা আদতে কিন্তু মা না। 

সৎমা।


আপনি নিজে খুব ক্ষতিকারক আপনার সন্তানের জন্য। 

এটাও ব্যাড প্যারেন্টিং।


Courtesy: মাসুমা মাইমুর

➤➤ মূল লেখকের ফেইসবুকের  কমেন্হাট দেওয়া হলো

➤➤ড্ডি কখনো গোস্ত হয় সত্য মা কখনো মা হয় না 🤣😁

আর হ্যা 🗣️ লেখক গানজা একটু বেশিই খাইছে 😁



মেসোপটেমিয়া: সভ্যতার সূচনা,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মেসোপটেমিয়া: সভ্যতার সূচনা

সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা: ইরাক, ইরান, সিরিয়া, তুরস্ক ও কুয়েতের কিছু অংশ জুড়ে অবস্থিত মেসোপটেমিয়া সভ্যতা, ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে প্রতিষ্ঠিত, বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতাগুলোর মধ্যে অন্যতম।


নামকরণ: "মেসোপটেমিয়া" শব্দটি গ্রীক ভাষা থেকে এসেছে, যার অর্থ "দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি"। এই নামটি টাইগ্রিস (দাজলা) ও ইউফ্রেটিস (ফোরাত) নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের বর্ণনা করে, যেখানে এই সভ্যতা বিকশিত হয়েছিল।


সেচ নির্ভর: টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর পলিমাটিতে উর্বর জমি তৈরি করেছিল, যা কৃষিকাজের জন্য উপযোগী। এই সভ্যতা সেচ ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল ছিল, যা তাদের উন্নত কৃষিক্ষেত্র গড়ে তুলতে সহায়তা করেছিল।


প্রধান পর্যায়: মেসোপটেমিয়া সভ্যতার ইতিহাস ৪ টি প্রধান পর্যায়ে বিভক্ত:


১. সুমেরীয় (খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০০ - ২০০০): সুমেরীয়রা ছিল এই অঞ্চলের প্রথম বাসিন্দা। তারা চিত্রলিপি, সাহিত্য, আইন, স্থাপত্য, জ্যোতির্বিদ্যা ও গণিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করেছিল।


২. ব্যাবিলনীয় (খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ - ৫৩৯): হ্যামুরাবির বিখ্যাত আইনসংহিতা এই যুগের উল্লেখযোগ্য দিক। ব্যাবিলন সভ্যতা ঝুলন্ত উদ্যান, জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত ও সাহিত্যের জন্য বিখ্যাত ছিল।


৩. এসিরিয় (খ্রিস্টপূর্ব ৯১১ - ৬১২): এসিরিয়রা শক্তিশালী সামরিক শক্তি ছিল। তারা ধাতুবিদ্যা, স্থাপত্য ও ভাস্কর্যশিল্পে উন্নতি লাভ করেছিল।


৪. ক্যালডিয় (খ্রিস্টপূর্ব ৬২৬ - ৫৩৯): নববলনীয় সাম্রাজ্যের রাজধানী ব্যাবিলন এই যুগে একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর ছিল। জ্যোতির্বিদ্যা ও গণিতে ক্যালডিয়দের উল্লেখযোগ্য অবদান ছিল।


উত্তরাধিকার: মেসোপটেমিয়া সভ্যতা বিশ্ব সভ্যতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আইন, সাহিত্য, স্থাপত্য, জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত ও কৃষিক্ষেত্রে তাদের অবদান আধুনিক বিশ্বকে সমৃদ্ধ করেছে।


উল্লেখযোগ্য বিষয়:

মেসোপটেমিয়াতে চাকা, লেখন ব্যবস্থা, জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত ও আইনের ধারণার উদ্ভাবন হয়েছিল।

এই সভ্যতায় বিশ্বের প্রথম লাইব্রেরি, স্কুল ও হাসপাতাল স্থাপিত হয়েছিল



মাংসাশী উদ্ভিদ: মল্লিকা ঝাঁঝি,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মাংসাশী উদ্ভিদ: মল্লিকা ঝাঁঝি

.


ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান ও আফ্রিকাতে এ উদ্ভিদটি পাওয়া যায়। আকারে ছোট, শিকড়হীন এ উদ্ভিদটি পুকুর বা জলাশয়ের উপরে ভাসতে দেখা যায়। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মল্লিকা ঝাঁঝি পাওয়া যায় ১৯৭৪ সালে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি বিল থেকে। দূর্লভ বলা চলে।


এ উদ্ভিদটি সম্পূর্ণ ৪-১২ ইঞ্চি (১০-৩০ সে.মি.) লম্বা হয়। বসন্তকালে এতে ছোট্ট সাদা ফুল ফোটে। উদ্ভিদটির শিকার ধরার ফাঁদ জলের নিচে থাকে। প্রত্যেকটি উদ্ভিদের কতগুলো স্বচ্ছ পাতাসহ একটি সরু কান্ড থাকে। কান্ডের চারদিকে ৮টি পাতা চাকা স্পোকের মত সাজানো থাকে বলে উদ্ভিদটিকে ওয়াটারহুইল বলা হয়।


এ উদ্ভিদের পাতাগুলোই ফাঁদ হিসেবে কাজ করে। পাতাগুলো আকারে বেশ ছোট, দৈর্ঘ্যে মাত্র এক ইঞ্চির চার ভাগের এক ভাগ (৬ মিলিমিটার)। আকারে খুব ছোট এদের শিকারগুলোও খুব ছোট হয়ে থাকে। এতে ধরা পড়ে উকুনের মত ছোট্ট এক ধরনের জলজ প্রাণী। প্ল্যাঙ্কটন নামে পরিচিত আণীবীক্ষণিক জলজ প্রাণীকুল আর জলজ প্রাণীদের লার্ভা। ওয়াটার হুইলের পাতাগুলো কাজ করে জলের নিচের ভেনাস ফাইট্র্যাপের মত। এদের পাতা দুটি খন্ডে বিভক্ত। এখানে সারিবদ্ধভাবে শুঙ্গ সাজানো থাকে। আর খন্ডগুলোর মধ্যে থাকে ট্রিগার হেয়ার। একটি পোকা ফাঁদে প্রবেশ করলে পাতার খন্ড দুটি এক সেকেন্ডেরও কম সময়ের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়। ওয়াটারহুইল তখন শিকারকে পরিপাক করে ফেলে এবং পরবর্তী শিকার ধরার জন্য ফাঁদ আবারো প্রস্তুত হয়ে যায়।


তথ্যসূত্র: গুগল এবং Iftiker Mahamud 

ছবি: Bappy Khan  

স্থান: ভাওয়াল বনাঞ্চলের গভীরের এক বিল।



আপনি কি জানেন কার নামঅনুসারে চট্টগ্রামের ও আরনিজাম রোডের নামকরণ করা হয়েছিল,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 চট্টগ্রামের "ও আর নিজাম রোড" আমরা সকলে কম বেশি চিনি তাই তো ??

আপনি কি জানেন- কার নাম অনুসারে এই রোডের নাম "ও আর নিজাম রোড হয়েছিল"?

চলুন জেনে নেয়া যাক-----

ও আর নিজাম রোড ওবায়দুর রহমান নিজামের (১৯০২-১৯৭০) নামে, যিনি "ও আর নিজাম" নামে পরিচিত। তিনি প্রায় ১৫ বছর চট্টগ্রাম সিটির মেয়র ছিলেন। এ সময় এই পদটি নির্বাচিত একটি পদ চট্টগ্রাম পৌরসভার "ভাইস চেয়ারম্যান" হিসাবে ডাকা হত। রাস্তাটি জাকির হোসেন রোড থেকে শুরু হয়ে পাঁচলাইশ থানায় শেষ হয়৷ এটি প্রধানত দোকান, ক্লিনিক এবং আবাসিক ভবন হোস্ট করে৷ এটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ভবন যেমন মসজিদ এবং বিদ্যালয়ের কাছাকাছি যায় |


ও.আর নিজাম ১৯০৩ সালে চট্টগ্রামে জন্ম গ্রহন করেন৷ চট্টগ্রাম পৌর উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম কলেজে পড়ালেখা শেষ করে তিনি উচ্চতর শিক্ষা অর্জনের জন্য যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে গমন করেন। ১ম বিশ্ব যুদ্ধের পর জীবনের তাগিদে ও.আর নিজাম তার পরিবারের সাথে রেঙ্গুন(মায়ানমার)চলে যান সেখান থেকে তিনি সিংঙ্গাপুর যান।

তিনি নিজের কর্মদক্ষতা দিয়ে সারাওয়াক রাজ্যে(বর্তমান মালয়েশিয়ার একটি প্রদেশ) বোর্নিও কোম্পানি লিমিটেড এর পরিচালক হন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি সারাওয়াকের পক্ষে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেন। যুদ্ধের পর জাপান সারাওয়াক দখল করে নিলে ও.আর নিজাম গ্রেফতার হয়ে কারা অন্তরিন থাকেন। জেল থেকে মুক্তি দিয়ে দখলদার জাপানীরা তাকে সারাওয়াকের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়। অন্যের অধীনে না থেকে তিনি নিজ দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন ৷ ৷

১৯৪৮ সালে নিজ দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রামে গ্রাহাম ট্রেডিং

কোম্পানির ম্যানেজার হিসেবে যোগদান করেন। তিনি চট্টগ্রামের উন্নয়নে সেই থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি টার্নার গ্রাহামস, রবিনসন ফুডস এর চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি পাকিস্তান সংবিধান প্রণয়ন কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৯ সালে প্রথম বাঙালি উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক (বর্তমান পূবালী ব্যাংক)। চট্টগ্রামের টেরীবাজার থেকে শুরু করে কিছুদিন পর আগ্রাবাদ সাত্তার চেম্বারে প্রধান কার্যালয় করা হয়। ও.আর নিজাম ১৯৬০ সাল থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত মৃত্যুর আগ পর্যন্ত চট্টগ্রাম পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭২ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তার প্রতিষ্ঠিত ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে আসে নাম দেয়া হয় "পূবালী ব্যাংক" । ১৯৮৩সালে বেসরকারি মালিকানায় ছেড়ে দেয়া হয় এই ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ। সেই থেকে ঐতিহ্যের পথ বেয়ে অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে আজ অবদি পূবালী ব্যাংক মানুষের আস্থায় ১৯৫৯ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত ৬০বছর অতিক্রম করেছে।


তথ্য সূত্র: O.R. Nizam Memorial Trust



বিরিয়ানি রান্নারপ্রয়োজনীয় টিপস

 🍁প্রয়োজনীয় টিপস 🍁


১: আলুর চপ তৈরিতে ময়দার ব্যাটারে আতপ চালের গুঁড়া মিশিয়ে নিলে চপ বেশি মুচমুচে হয়


২: ডিপ ফ্রিজে আদা রসুন বাটা সংরক্ষণ করে রাখতে চাইলে সামান্য লবন ও সয়াবিন তেল মিশিয়ে রাখলে আদা রসুন বাটা শক্ত হয়ে থাকেনা তাই যখন ইচ্ছে সাথে সাথে নিয়ে রান্নায় ব্যবহার করতে পারেন 


৩: লেয়ার মুরগির মাংস রান্নার সময় জয়ফল গুঁড়া মিশিয়ে নিলে  মাংশ তাড়াতাড়ি নরম হয়ে যাবে 


৫: প্রেশার কুকারে মাংস রান্না করলে মাংসের স্বাদ কিছুটা কমে যায় তাই মাংস রান্নার জন্য মশলা  প্রথমে  কষিয়ে নিয়ে তারপর মাংস দেওয়ার পর  কুকারের ঢাকনা দিয়ে  রান্না করুন 

মাংসের স্বাদ অটুট থাকবে 


৬: মাংস নরম করতে কাঁচা পেঁপে বাটা ব্যবহার করলে মাংসে তেল ঝাল বেশি দিতে হয় তাই  পেঁপের পরিবর্তে জয়ফন গুড়া করে দিলে মাংস নরম হওয়ার পাশাপাশি সুঘ্রাণ ও স্বাদও হয় বেশি 


৭: হাঁসের মাংস রান্না করার আগে মাংস গুলো কুসুম গরম পানিতে সামান্য লবন মিশিয়ে ৩০মি: ভিজিয়ে রাখুন 

৩০মি: পর মাংস গুলো লবন পানি থেকে তুলে ভালোভাবে ধুয়ে নিন 

এতে হাঁসের নিজস্ব একটা গন্ধ আছে তা  দূর হবে এই গন্ধটা যারা পছন্দ করেন না তাদের উপকারে আসবে


৮: আমরা স্যান্ডুউইচ তৈরির সময় পাউরুটির চারপাশের ব্রাউন অংশ টুকু কেটে ফেলে দিয়ে থাকি 

এই ব্রাউন অংশ টুকু ফেলে নাদিয়ে রোদে শুকিয়ে গুড়া করে ব্রেডক্রাম তৈরি করে নিতে পারি 


৯:  চড়া দামে বাজার থেকে এলাচ গুড়া কিনে না এনে ঘরেই তৈরি করে নিতে পারেন এলাচ গুড়া

 এলাচ ব্লেন্ডারে গুড়া করে চালনি দিয়ে চেলে গুড়া ঝারে সংরক্ষণ করে রাখুন আর প্রয়োজনে ব্যাবহার করুন 


১০: যে মাছের উগ্র গন্ধ ভালো লাগে না  তা রান্নার সময় লেবুপাতা দিয়ে রান্না করলে সুঘ্রাণ ছড়াবে 


বি: দ্র: মাছ চুলা থেকে নামানোর ৪-৫ মি: আগে লেবুপাতা  দিতে হবে এর বেশি আগে দিলে রান্না তিতা হয়ে যাবে


১১: বিরিয়ানি রান্নায় স্টার মশলা/Star anise ব্যবহার করলে বিরিয়ানি বেশি সুস্বাদু হয়


বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...