এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১০ মার্চ, ২০২৪

বাগান করতে গেলে প্রয়োজন বিভিন্ন গাছের প্রয়োজনীয় উপাদান তারই মধ্যে কিছু উপাদান এর লিস্ট দেওয়া হলো:-,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আসসালামু আলাইকুম 


বাগান করতে গেলে প্রয়োজন বিভিন্ন গাছের প্রয়োজনীয় উপাদান তারই মধ্যে কিছু উপাদান এর লিস্ট দেওয়া হলো:-


১/  #সাফ --

    ♈♈২০ গ্রাম-----১০০ টাকা ( ছত্রাকনাশক )

    ✳️✳️ ১০০ গ্রাম--৩৩০ টাকা ( ছত্রাকনাশক ) 


২/  #বুস্টার

    🔰বুস্টার_২ ---------১০ মিলি---২৮০ টাকা

   

৩/কাকা ৫০ মিলি------- ৪৫০ টাকা 


৩/ #বায়োভিটা এক্স ১০০ মিলি--৪৪০ টাকা 


৪/ #মাইকোরাইজা  ----- ( উপকারী অনুজীব তৈরি করে ) 

       

      * ( রি-প্যাক ) ১০০ গ্রাম-১৫০ টাকা

         * ( রি-প্যাক ) ২৫০ গ্রাম-৩৫০ টাকা

         * ( রি-প্যাক ) ৫০০ গ্রাম-৬৫০ টাকা

         * ১ কেজি ইন্টেক প্যাকেট -১,২০০ টাকা 


৫/ #মোবোবিন ১০০ গ্রাম--৪৫০ টাকা (গাছের অনুখাদ্য)


৬/ #কাটিংএইড  ( রুট হরমোন )

         * ১৫ গ্রাম--১৮০ টাকা 

         * ৩০ গ্রাম---২৫০ টাকা

         * ৫০ গ্রাম---৩২০ টাকা। 


৭/ #প্লানোফিক্স ১০০ মিলি---------------৩৫০ টাকা


৮/ সিংগেল সুপার ফসফেট ( SSP)দানাদার  -১০০ গ্রাম--৯০ টাকা 


            

৯/ চিলেটেড আয়রন ১০০ গ্রাম-------৭০০ টাকা


১০/  🔰🔰🔰 সকল #NPK 🔰🔰🔰 


⚜️⚜️ 19:19:19---ইন্ডিয়ান প্রডাক্ট 

* ( রি-প্যাক ) ৫০ গ্রাম--------------------- ১০০ টাকা 

* ( রি-প্যাক ) ১০০ গ্রাম-------------------- ১৮০ টাকা 

* ( রি-প্যাক ) ২৫০ গ্রাম-------------------- ৪০০ টাকা 

* ইন্টেক প্যাকেট ১ কেজি--------------- ১,৪৫০ টাকা 


❇️❇️ NPK 20:20:20---ইন্ডিয়ান প্রডাক্ট 

* ( রি-প্যাক ) ৫০ গ্রাম---------------------- ১১০ টাকা 

* ( রি-প্যাক ) ১০০ গ্রাম-------------------- ২০০ টাকা 

* ( রি-প্যাক ) ২৫০ গ্রাম-------------------- ৪৫০ টাকা 

* ইন্টেক প্যাকেট ১ কেজি---------------- ১,৫৫০ টাকা 


✴️✴️ NPK 00:00:50---ইন্ডিয়ান প্রডাক্ট 

* ( রি-প্যাক ) ৫০ গ্রাম---------------------- ১৩০ টাকা 

* ( রি-প্যাক ) ১০০ গ্রাম-------------------- ২৪০ টাকা 

* ( রি-প্যাক ) ২৫০ গ্রাম-------------------- ৫৫০ টাকা 

* ইন্টেক প্যাকেট ১ কেজি--------------- ১,৬০০ টাকা 


✳️✳️ NPK 12:61:00---ইন্ডিয়ান প্রডাক্ট 

* ( রি-প্যাক ) ৫০ গ্রাম---------------------- ১৪০ টাকা 

* ( রি-প্যাক ) ১০০ গ্রাম-------------------- ২৬০ টাকা 

* ( রি-প্যাক ) ২৫০ গ্রাম-------------------- ৫৯০ টাকা 

* ইন্টেক প্যাকেট ১ কেজি--------------- ১,৯০০ টাকা 


〽️〽️ NPK 00:52:34---ইন্ডিয়ান প্রডাক্ট 

* ( রি-প্যাক ) ৫০ গ্রাম---------------------- ১৪০ টাকা 

* ( রি-প্যাক ) ১০০ গ্রাম-------------------- ২৬০ টাকা 

* ( রি-প্যাক ) ২৫০ গ্রাম-------------------- ৫৯০ টাকা 

* ইন্টেক প্যাকেট ১ কেজি--------------- ১,৯০০ টাকা 


🔰🔰 NPK 13:40:13---ইন্ডিয়ান প্রডাক্ট 

* ( রি-প্যাক ) ৫০ গ্রাম---------------------- ১৪০ টাকা 

* ( রি-প্যাক ) ১০০ গ্রাম-------------------- ২৬০ টাকা 

* ( রি-প্যাক ) ২৫০ গ্রাম-------------------- ৫৯০ টাকা 

* ইন্টেক প্যাকেট ১ কেজি--------------- ১,৯০০ টাকা 


⚕️⚕️ NPK 13:00:45---ইন্ডিয়ান প্রডাক্ট 

* ( রি-প্যাক ) ৫০ গ্রাম---------------------- ১৪০ টাকা 

* ( রি-প্যাক ) ১০০ গ্রাম-------------------- ২৬০ টাকা 

* ( রি-প্যাক ) ২৫০ গ্রাম-------------------- ৫৯০ টাকা 

* ইন্টেক প্যাকেট ১ কেজি--------------- ১,৯০০ টাকা 


✳️✳️ NPK 10:26:26---ইন্ডিয়ান প্রডাক্ট 

* ( রি-প্যাক ) ৫০ গ্রাম---------------------- ১১০ টাকা 

* ( রি-প্যাক ) ১০০ গ্রাম-------------------- ২০০ টাকা 

* ( রি-প্যাক ) ২৫০ গ্রাম-------------------- ৪৮০ টাকা 

* ( রি-প্যাক ) ১ কেজি--------------------- ৯০০ টাকা 


♈♈ ক্যালসিয়াম নাইট্রেট ---ইন্ডিয়ান প্রডাক্ট 

* ( রি-প্যাক ) ৫০ গ্রাম---------------------- ১১০ টাকা 

* ( রি-প্যাক ) ১০০ গ্রাম-------------------- ২০০ টাকা 

* ( রি-প্যাক ) ২৫০ গ্রাম-------------------- ৪৫০ টাকা 

* ইন্টেক প্যাকেট ১ কেজি---------------- ১,৫০০ টাকা 


🛵🛵🛵🛵 ঢাকা সহ  সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন হোম ডেলিভারি দেয়া হয়  ( স্টীডফাস্ট কুরিয়ার চার্জ প্রযোজ্য  ) , এছাড়া সুন্দরবন কুরিয়ার অফিস ডেলিভারিতে দেওয়া হয়।


বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ড: আতিউর রহমান স্যারের বাস্তব জীবনী এটা,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ড: আতিউর রহমান স্যারের বাস্তব জীবনী এটা। লেখাটা আগে আপনার ছেলে মেয়েকে পড়ান,তারপর আপনি নিজে পড়ুন।

টাকা থাকলেই জীবনে অনেক বড় কিছু  হওয়া বা করা যায় না। ইচ্ছা থাকলে সন্মান, টাকা আপনার কাছে নিজে থেকে এসে ধরা দিবে। তাই হতাশ হবেন না।


...............................................................


আমার  জন্ম জামালপুর জেলার এক অজপাড়াগাঁয়ে। ১৪ কিলোমিটার দূরের শহরে যেতে হতো  পায়ে হেঁটে বা সাইকেলে চড়ে। পুরো গ্রামের মধ্যে একমাত্র মেট্রিক পাস  ছিলেন আমার চাচা মফিজউদ্দিন। আমার বাবা একজন অতি দরিদ্র ভূমিহীন কৃষক। আমরা  পাঁচ ভাই, তিন বোন। কোনরকমে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটতো আমাদের।

 

আমার দাদার আর্থিক অবস্থা ছিলো মোটামুটি। কিন্তু তিনি আমার বাবাকে তাঁর বাড়িতে ঠাঁই দেননি। দাদার বাড়ি থেকে খানিকটা দূরে একটা  ছনের ঘরে আমরা এতগুলো ভাই-বোন আর বাবা-মা থাকতাম। মা তাঁর বাবার বাড়ি  থেকে নানার সম্পত্তির সামান্য অংশ পেয়েছিলেন। তাতে তিন বিঘা জমি কেনা হয়।  চাষাবাদের জন্য অনুপযুক্ত ওই জমিতে বহু কষ্টে বাবা যা ফলাতেন, তাতে বছরে  ৫/৬ মাসের খাবার জুটতো। দারিদ্র্য কী জিনিস, তা আমি মর্মে মর্মে উপলব্ধি  করেছি- খাবার নেই, পরনের কাপড় নেই; কী এক অবস্থা !

 

আমার মা  সামান্য লেখাপড়া জানতেন। তাঁর কাছেই আমার পড়াশোনার হাতেখড়ি। তারপর  বাড়ির পাশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হই। কিন্তু আমার পরিবারে এতটাই  অভাব যে, আমি যখন তৃতীয় শ্রেণীতে উঠলাম, তখন আর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার  সুযোগ থাকলো না। বড় ভাই আরো আগে স্কুল ছেড়ে কাজে ঢুকেছেন। আমাকেও  লেখাপড়া ছেড়ে রোজগারের পথে নামতে হলো।

 

আমাদের একটা গাভী আর  কয়েকটা খাসি ছিল। আমি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওগুলো মাঠে চরাতাম। বিকেল  বেলা গাভীর দুধ নিয়ে বাজারে গিয়ে বিক্রি করতাম। এভাবে দুই ভাই মিলে যা  আয় করতাম, তাতে কোনরকমে দিন কাটছিল। কিছুদিন চলার পর দুধ বিক্রির আয় থেকে  সঞ্চিত আট টাকা দিয়ে আমি পান-বিড়ির দোকান দেই। প্রতিদিন সকাল থেকে  সন্ধ্যা পর্যন্ত দোকানে বসতাম। পড়াশোনা তো বন্ধই, আদৌ করবো- সেই স্বপ্নও  ছিল না !

 

এক বিকেলে বড় ভাই বললেন, আজ স্কুল মাঠে নাটক হবে।  স্পষ্ট মনে আছে, তখন আমার গায়ে দেওয়ার মতো কোন জামা নেই। খালি গা আর  লুঙ্গি পরে আমি ভাইয়ের সঙ্গে নাটক দেখতে চলেছি। স্কুলে পৌঁছে আমি তো  বিস্ময়ে হতবাক ! চারদিকে এত আনন্দময় চমৎকার পরিবেশ ! আমার মনে হলো, আমিও  তো আর সবার মতোই হতে পারতাম। সিদ্ধান্ত নিলাম, আমাকে আবার স্কুলে ফিরে আসতে  হবে।

 

নাটক দেখে বাড়ি ফেরার পথে বড় ভাইকে বললাম, আমি কি আবার  স্কুলে ফিরে আসতে পারি না ? আমার বলার ভঙ্গি বা করুণ চাহনি দেখেই হোক কিংবা  অন্য কোন কারণেই হোক কথাটা ভাইয়ের মনে ধরলো। তিনি বললেন, ঠিক আছে কাল  হেডস্যারের সঙ্গে আলাপ করবো।

 

পরদিন দুই ভাই আবার স্কুলে গেলাম।  বড় ভাই আমাকে হেডস্যারের রুমের বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখে ভিতরে গেলেন। আমি  বাইরে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট শুনছি, ভাই বলছেন আমাকে যেন বার্ষিক পরীক্ষায়  অংশগ্রহণের সুযোগটুকু দেওয়া হয়। কিন্তু হেডস্যার অবজ্ঞার ভঙ্গিতে বললেন,  সবাইকে দিয়ে কি লেখাপড়া হয় ! স্যারের কথা শুনে আমার মাথা নিচু হয়ে গেল।  যতখানি আশা নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলাম, স্যারের এক কথাতেই সব ধুলিস্মাৎ হয়ে  গেল। তবু বড় ভাই অনেক পীড়াপীড়ি করে আমার পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি যোগাড়  করলেন। পরীক্ষার তখন আর মাত্র তিন মাস বাকি। বাড়ি ফিরে মাকে বললাম, আমাকে  তিন মাসের ছুটি দিতে হবে। আমি আর এখানে থাকবো না। কারণ ঘরে খাবার নেই,  পরনে কাপড় নেই- আমার কোন বইও নেই, কিন্তু আমাকে পরীক্ষায় পাস করতে হবে।

 

 মা বললেন, কোথায় যাবি ? বললাম, আমার এককালের সহপাঠী এবং এখন ক্লাসের  ফার্স্টবয় মোজাম্মেলের বাড়িতে যাবো। ওর মায়ের সঙ্গে আমার পরিচয় আছে। যে  ক’দিন কথা বলেছি, তাতে করে খুব ভালো মানুষ বলে মনে হয়েছে। আমার বিশ্বাস,  আমাকে উনি ফিরিয়ে দিতে পারবেন না।

 

দুরু দুরু মনে মোজাম্মেলের  বাড়ি গেলাম। সবকিছু খুলে বলতেই খালাম্মা সানন্দে রাজি হলেন। আমার খাবার আর  আশ্রয় জুটলো; শুরু হলো নতুন জীবন। নতুন করে পড়াশোনা শুরু করলাম।  প্রতিক্ষণেই হেডস্যারের সেই অবজ্ঞাসূচক কথা মনে পড়ে যায়, জেদ কাজ করে  মনে; আরো ভালো করে পড়াশোনা করি।

 

যথাসময়ে পরীক্ষা শুরু হলো। আমি  এক-একটি পরীক্ষা শেষ করছি আর ক্রমেই যেন উজ্জীবিত হচ্ছি। আমার আত্মবিশ্বাসও  বেড়ে যাচ্ছে। ফল প্রকাশের দিন আমি স্কুলে গিয়ে প্রথম সারিতে বসলাম।  হেডস্যার ফলাফল নিয়ে এলেন। আমি লক্ষ্য করলাম, পড়তে গিয়ে তিনি কেমন যেন  দ্বিধান্বিত। আড়চোখে আমার দিকে তাকাচ্ছেন। তারপর ফল ঘোষণা করলেন। আমি  প্রথম হয়েছি ! খবর শুনে বড় ভাই আনন্দে কেঁদে ফেললেন। শুধু আমি নির্বিকার-  যেন এটাই হওয়ার কথা ছিল।

 

বাড়ি ফেরার পথে সে এক অভূতপূর্ব  দৃশ্য। আমি আর আমার ভাই গর্বিত ভঙ্গিতে হেঁটে আসছি। আর পিছনে এক দল  ছেলেমেয়ে আমাকে নিয়ে হৈ চৈ করছে, স্লোগান দিচ্ছে। সারা গাঁয়ে সাড়া পড়ে  গেল ! আমার নিরক্ষর বাবা, যাঁর কাছে ফার্স্ট আর লাস্ট একই কথা- তিনিও  আনন্দে আত্মহারা; শুধু এইটুকু বুঝলেন যে, ছেলে বিশেষ কিছু একটা করেছে। যখন  শুনলেন আমি ওপরের কাসে উঠেছি, নতুন বই লাগবে, পরদিনই ঘরের খাসিটা হাটে  নিয়ে গিয়ে ১২ টাকায় বিক্রি করে দিলেন। তারপর আমাকে সঙ্গে নিয়ে জামালপুর  গেলেন। সেখানকার নবনূর লাইব্রেরি থেকে নতুন বই কিনলাম।

 

আমার  জীবনযাত্রা এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। আমি রোজ স্কুলে যাই। অবসরে সংসারের কাজ  করি। ইতোমধ্যে স্যারদের সুনজরে পড়ে গেছি। ফয়েজ মৌলভী স্যার আমাকে তাঁর  সন্তানের মতো দেখাশুনা করতে লাগলেন। সবার আদর, যত্ন, স্নেহে আমি ফার্স্ট  হয়েই পঞ্চম শ্রেণীতে উঠলাম। এতদিনে গ্রামের একমাত্র মেট্রিক পাস  মফিজউদ্দিন চাচা আমার খোঁজ নিলেন। তাঁর বাড়িতে আমার আশ্রয় জুটলো।

 

প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে আমি দিঘপাইত জুনিয়র হাইস্কুলে ভর্তি হই। চাচা ওই  স্কুলের শিক্ষক। অন্য শিক্ষকরাও আমার সংগ্রামের কথা জানতেন। তাই সবার  বাড়তি আদর-ভালোবাসা পেতাম।

 

আমি যখন সপ্তম শ্রেণী পেরিয়ে অষ্টম  শ্রেণীতে উঠবো, তখন চাচা একদিন কোত্থেকে যেন একটা বিজ্ঞাপন কেটে নিয়ে এসে  আমাকে দেখালেন। ওইটা ছিল ক্যাডেট কলেজে ভর্তির বিজ্ঞাপন। যথাসময়ে ফরম পুরণ  করে পাঠালাম। এখানে বলা দরকার, আমার নাম ছিল আতাউর রহমান। কিন্তু ক্যাডেট  কলেজের ভর্তি ফরমে স্কুলের হেডস্যার আমার নাম আতিউর রহমান লিখে চাচাকে  বলেছিলেন, এই ছেলে একদিন অনেক বড় কিছু হবে। দেশে অনেক আতাউর আছে। ওর নামটা  একটু আলাদা হওয়া দরকার; তাই আতিউর করে দিলাম।

 

আমি রাত জেগে  পড়াশোনা করে প্রস্তুতি নিলাম। নির্ধারিত দিনে চাচার সঙ্গে পরীক্ষা দিতে  রওনা হলাম। ওই আমার জীবনে প্রথম ময়মনসিংহ যাওয়া। গিয়ে সবকিছু দেখে তো  চক্ষু চড়কগাছ ! এত এত ছেলের মধ্যে আমিই কেবল পায়জামা আর স্পঞ্জ পরে এসেছি  ! আমার মনে হলো, না আসাটাই ভালো ছিল। অহেতুক কষ্ট করলাম। যাই হোক পরীক্ষা  দিলাম; ভাবলাম হবে না। কিন্তু দুই মাস পর চিঠি পেলাম, আমি নির্বাচিত  হয়েছি। এখন চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে যেতে হবে।

 

সবাই খুব খুশি; কেবল আমিই হতাশ। আমার একটা প্যান্ট নেই, যেটা পরে যাবো।  শেষে স্কুলের কেরানি কানাই লাল বিশ্বাসের ফুলপ্যান্টটা ধার করলাম। আর একটা  শার্ট যোগাড় হলো। আমি আর চাচা অচেনা ঢাকার উদ্দেশে রওনা হলাম। চাচা  শিখিয়ে দিলেন, মৌখিক পরীক্ষা দিতে গিয়ে আমি যেন দরজার কাছে দাঁড়িয়ে  বলি: ম্যা আই কাম ইন স্যার ? ঠিকমতোই বললাম। তবে এত উচ্চস্বরে বললাম যে,  উপস্থিত সবাই হো হো করে হেসে উঠলো।

 

পরীক্ষকদের একজন মির্জাপুর  ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ এম. ডাব্লিউ. পিট আমাকে আপাদমস্তক নিরীক্ষণ করে  সবকিছু আঁচ করে ফেললেন। পরম স্নেহে তিনি আমাকে বসালেন। মুহূর্তের মধ্যে  তিনি আমার খুব আপন হয়ে গেলেন। আমার মনে হলো, তিনি থাকলে আমার কোন ভয় নেই।  পিট স্যার আমার লিখিত পরীক্ষার খাতায় চোখ বুলিয়ে নিলেন। তারপর অন্য  পরীক্ষকদের সঙ্গে ইংরেজিতে কী-সব আলাপ করলেন। আমি সবটা না বুঝলেও আঁচ করতে  পারলাম যে, আমাকে তাঁদের পছন্দ হয়েছে। তবে তাঁরা কিছুই বললেন না। পরদিন  ঢাকা শহর ঘুরে দেখে বাড়ি ফিরে এলাম। যথারীতি পড়াশোনায় মনোনিবেশ করলাম।  কারণ আমি ধরেই নিয়েছি, আমার চান্স হবে না।

 

হঠাৎ তিন মাস পর চিঠি  এলো। আমি চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছি। মাসে ১৫০ টাকা বেতন লাগবে। এর  মধ্যে ১০০ টাকা বৃত্তি দেওয়া হবে, বাকি ৫০ টাকা আমার পরিবারকে যোগান দিতে  হবে। চিঠি পড়ে মন ভেঙে গেল। যেখানে আমার পরিবারের তিনবেলা খাওয়ার  নিশ্চয়তা নেই, আমি চাচার বাড়িতে মানুষ হচ্ছি, সেখানে প্রতিমাসে ৫০ টাকা  বেতন যোগানোর কথা চিন্তাও করা যায় না !

 

এই যখন অবস্থা, তখন  প্রথমবারের মতো আমার দাদা সরব হলেন। এত বছর পর নাতির (আমার) খোঁজ নিলেন।  আমাকে অন্য চাচাদের কাছে নিয়ে গিয়ে বললেন, তোমরা থাকতে নাতি আমার এত ভালো  সুযোগ পেয়েও পড়তে পারবে না ? কিন্তু তাঁদের অবস্থাও খুব বেশি ভালো ছিল  না। তাঁরা বললেন, একবার না হয় ৫০ টাকা যোগাড় করে দেবো, কিন্তু প্রতি মাসে  তো সম্ভব নয়। দাদাও বিষয়টা বুঝলেন।

 

আমি আর কোন আশার আলো দেখতে  না পেয়ে সেই ফয়েজ মৌলভী স্যারের কাছে গেলাম। তিনি বললেন, আমি থাকতে কোন  চিন্তা করবে না। পরদিন আরো দুইজন সহকর্মী আর আমাকে নিয়ে তিনি হাটে গেলেন।  সেখানে গামছা পেতে দোকানে দোকানে ঘুরলেন। সবাইকে বিস্তারিত বলে সাহায্য  চাইলেন। সবাই সাধ্য মতো আট আনা, চার আনা, এক টাকা, দুই টাকা দিলেন। সব  মিলিয়ে ১৫০ টাকা হলো। আর চাচারা দিলেন ৫০ টাকা। এই সামান্য টাকা সম্বল করে  আমি মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হলাম। যাতায়াত খরচ বাদ দিয়ে আমি ১৫০  টাকায় তিন মাসের বেতন পরিশোধ করলাম। শুরু হলো অন্য এক জীবন।

 

প্রথম দিনেই এম. ডাব্লিউ. পিট স্যার আমাকে দেখতে এলেন। আমি সবকিছু খুলে  বললাম। আরো জানালাম যে, যেহেতু আমার আর বেতন দেওয়ার সামর্থ্য নেই, তাই তিন  মাস পর ক্যাডেট কলেজ ছেড়ে চলে যেতে হবে। সব শুনে স্যার আমার বিষয়টা  বোর্ড মিটিঙে তুললেন এবং পুরো ১৫০ টাকাই বৃত্তির ব্যবস্থা করে দিলেন। সেই  থেকে আমাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এস.এস.সি পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডে  পঞ্চম স্থান অধিকার করলাম এবং আরো অনেক সাফল্যের মুকুট যোগ হলো।

 

আমার জীবনটা সাধারণ মানুষের অনুদানে ভরপুর। পরবর্তীকালে আমি আমার এলাকায়  স্কুল করেছি, কলেজ করেছি। যখন যাকে যতটা পারি, সাধ্যমতো সাহায্য সহযোগিতাও  করি। কিন্তু সেই যে হাট থেকে তোলা ১৫০ টাকা; সেই ঋণ আজও শোধ হয়নি। আমার  সমগ্র জীবন উৎসর্গ করলেও সেই ঋণ শোধ হবে না!

 

(অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর রহমানের নিজের ভাষায় তাঁর জীবন কথা)


কীভাবে বুঝবেন শরীরে টক্সিন আছে,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 😲 কীভাবে বুঝবেন শরীরে টক্সিন আছে! 🦠


🫵 আসুন জেনে নিই:


১) কোষ্ঠকাঠিন্য

২) ওজন বেড়ে যাওয়া

৩) একটুতেই ক্লান্ত লাগা

৪) চর্ম রোগ

৫) মাথা ব্যথা

৬) মুড সুইং

৭) পেশিতে ব্যথা

৮) শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া

৯) প্রচুর ঘামা

১০) অনিদ্রা

১১) নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ

১২) হজমে সমস্যা

.

🦠 নীরব ঘাতক টক্সিন 🦠

.

টক্সিন হচ্ছে এক ধরণের জৈব বিষ যা দীর্ঘ সময় নিয়ে শরীরে প্রবেশ করে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অর্গানগুলোকে আক্রান্ত করে ফেলে। শরীর থেকে টক্সিন বের হতে না পারলে তা আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষকে আক্রমণ করে বসে যা পরবর্তীতে বিভিন্ন জটিল রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

.

🧑‍ ⚕️ শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য এইসব টক্সিন শরীর থেকে দূর করা খুবই প্রয়োজন। অর্থাৎ, শরীরকে ডিটক্স (Detox) করা প্রয়োজন। তাই সহজ উপায়ে শরীর থেকে টক্সিন বের করার জন্য আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি ডিটক্স ফুট প্যাড। ডিটক্স ফুট প্যাড, ডিটক্সিফিকেশন ফুট প্যাচ নামেও পরিচিত, যা সাধারণত পায়ের তলায় ব্যবহার করা হয়।

.

✨ আমাদের ডিটক্স ফুট প্যাচ গুলো আমরা সরাসরি চায়না থেকে আমদানি করে থাকি। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদের ডিটক্স ফুট প্যাচ গুলো উৎপাদন করা হয়ে থাকে বিধায় বাজারের অন্যান্য ডিটক্স ফুট প্যাচ থেকে আমাদের ডিটক্স ফুট প্যাচ গুলো স্বাস্থ্যকর ও মানসম্মত। আমাদের ডিটক্স ফুট প্যাচ গুলো আঠা দিয়ে সংযুক্ত থাকায় আপনি ঝামেলাহীনভাবে খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন।

.

🌮 🍕 🍺 🏭 প্রতিদিনই খাদ্য, পানীয় ও দূষণ নানা উপায়ে আমাদের শরীরে প্রবেশ করছে টক্সিন। এটি শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক। ☠️

.

🦠 টক্সিনের মাত্রা বেড়ে গেলে স্বাস্থ্যহানি হতে পারে। 🛌 💊 🩺

.

🛍️ বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ 👇


https://etcshopbd.com/


"Detox Foot Patch ব্যবহার করে শরীর থেকে Toxin দূর করুন, শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকুন।"


ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১.যে স্বামী সকালে ঘুম থেকে উঠে স্ত্রীকে কমপক্ষে পাঁচ মিনিট জড়িয়ে ধরে রাখে তাঁর কর্মক্ষেত্রে বিপদের আশঙ্কা কম থাকে।

... রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


২.বউয়েরা ঘরের লক্ষী। এদেরকে যত বেশি ভালোবাসা দেয়া হয়, তত বেশি সংসার এ শান্তি আসে।

...হুমায়ুন আহমেদ।


৩.স্ত্রীকে যথেষ্ঠ পরিমাণ সময় দিন, না হয় যথেষ্ঠ পরিমাণ বিশ্বাস করুন। সংসার আর যুদ্ধক্ষেত্র মনে হবে না।

...সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।


৪.সেই পুরুষই কাপুরুষ, যে স্ত্রীর কাছে প্রেমিক হতে পারেনি।

...কাজী নজরুল ইসলাম।


৫.প্রতিদিন একবার স্ত্রীকে " আমি তোমাকে ভালোবাসি" বললে মাথার সব দুশ্চিন্তা দূর হয় যায়।

...সত্যজিৎ রায়।


৬.মন ভালো রাখতে বউকে ফেসবুক, ফোনবুক, নোটবুক সহ সব ধরনের এ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড দিয়ে দিন।

...মার্ক জুকারবার্গ।


৭. মেয়েদের মন এ ভালোবাসা এবং অভিমান দুটোই থাকে বেশি। তাই অভিমানটাকে ভালোবাসার চেয়ে বড় করে দেখা যাবেনা। তাই স্বামীদের উচিত স্ত্রীর সব অভিমান ভালোবেসে ভাঙানো।

... ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।


৮.একটা শিশুকে দুনিয়ার মুখ দেখাতে মা যে কষ্ট সহ্য করে তা বাবা সারা জীবন ভালোবেসেও শোধ করতে পারেনা। তাই প্রত্যেকটা স্বামীর উচিৎ তার সন্তানের মাকে কোন রকম কষ্ট না দেয়।

.......জীবনানন্দ দাশ।


কবিদের দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রেম কত সুন্দর! তাই না?আবার দেখুন,কবিদের নিজেরি প্রেয়সী থাকে না🌸


বাংলা‌দে‌শের সব‌চে‌য়ে ব‌্যবসাসফল ছ‌বিগু‌লোর প‌রিচালকরা কিন্তু খুব বিখ‌্যাত নন।,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বাংলা‌দে‌শের সব‌চে‌য়ে ব‌্যবসাসফল ছ‌বিগু‌লোর প‌রিচালকরা কিন্তু খুব বিখ‌্যাত নন। 


তোজা‌ম্মেল হক বকু‌লের চে‌য়ে সুনামী 

অ‌নেক প‌রিচালক ছি‌লেন, অথচ 

ব‌্যবসায় রেকর্ড করল তার ছ‌বি 

'‌বে‌দের মে‌য়ে জোসনা'। 

এই ছ‌বি‌টির পরপরই ব‌্যবসা‌র দিক থে‌কে নেয়া হয় 'স্ব‌প্নের ঠিকানা'র নাম। 

এর প‌রিচালক শুধু যে বিখ‌্যাত তাই নয়, 

এম এ খা‌লেক ছব‌ি‌টি প‌রিচালনাও ক‌রেন‌নি। 'স্ব‌প্নের ঠিকানা' বা‌নি‌য়ে‌ছি‌লেন শিল্পী চক্রবর্তী, কিন্তু নাম যায় এম এ খা‌লে‌কের। 

এমন একটা ছ‌বি ১৯৯৫ সা‌লে মু‌ক্তি পে‌য়ে জন‌প্রিয়তার তু‌ঙ্গে চ‌লে যায়। 

আমা‌দের দে‌শে‌র দর্শকরা্ এখনও 'ছ‌বি' বল‌তে বো‌ঝেন 'স্ব‌প্নের ঠিকানা'র ম‌তো মন জুড়ানো নাটকীয়তা, শ্রু‌তিমধুর গান আর একা‌ধিক গরমাগরম সংলাপ। 

যে কার‌ণে এই ধর‌নের ছ‌বির জন‌্য নষ্টাল‌জিয়ায় ভো‌গেন দর্শকরা। 

দর্শকরা আফ‌সোস ক‌রেন, 'স্ব‌প্নের ঠিকানা'র ম‌তো ছ‌বি কেন আর হয় না! 

এসব ছ‌বি যারা বা‌নি‌য়ে‌ছেন, বাংলা ছ‌বির চ‌রিত্র যারা দাঁড় ক‌রি‌য়ে‌ছেন, খোদ তারাই তো তেমন ছ‌বি বানা‌তে পার‌ছেন না বহু বছর চেষ্টার পরও। তাই এমন আফ‌সো‌সের কো‌নো ফল নেই। আজ তো না ফেরার দে‌শে চ‌লে গে‌লেন শিল্পী চক্রবর্তী, 'স্ব‌প্নের ঠিকানা'র ফর্মুলাটাও চ‌লে গেল তার স‌ঙ্গে স‌ঙ্গে। দেখা যাক, নতুন প্রজ‌ন্মের কেউ তেমন আ‌বে‌গে ভরপুর ছ‌বি আগামী‌তে বানা‌তে পা‌রেন কি না।


স্বপ্নের ঠিকানা, রঙিন উজান ভাটি, রঙিন বিনি সুতার মালা, সবার অজান্তে, তোমার জন্য পাগল - তিনি একজন পছন্দের নির্মাতা নিঃসন্দেহে। উনার মৃত্যুতে তাই ব্যথিত হচ্ছি।



একটি আত্মবিধ্বংসী জাতির ধ্বংসের উপাখ্যানঃ,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 একটি আত্মবিধ্বংসী জাতির ধ্বংসের উপাখ্যানঃ


◑ দুধে: ফরমালিন।


◑ গরুর দুধ বৃদ্ধিতে: পিটুইটারী গ্ল্যান্ড ইনজেকশন। 


◑ মাছে: ফরমালিন।


◑ শাকসবজি টাটকা রাখতে: কপার সালফেট।


◑ আম, লিচু জাম পাকাতে: কারবাইড।


◑ আম, লিচু, জাম সংরক্ষণে: ফরমালিন।


◑ ফল গাছে থাকতেই: হরমোন ও কীটনাশক। 


◑ তরমুজে সিরিন্জ দিয়ে দেয়: পটাশিয়াম পার ম্যাঙ্গানেট।


◑ কলা পাকানো হয়: ক্যালসিয়াম কারবাইড। 


◑ কফি পাউডারে: তেঁতুলের বিচির গুড়া।


◑ মসলায়: ইটের গুড়া।


◑ হলুদে: লেড ক্রোমেট/ লেড আয়োডাইড।


◑ মুড়িকে ধবধবে সাদা ও বড় করতে: হাইড্রোজ ও ইউরিয়া।


◑  দীর্ঘক্ষন মচমচে রাখার জন্য জিলিপি, চানাচুরে: পোড়া মবিল।


◑ আকর্ষণীয় করতে আইসক্রিম, বিস্কুট, সেমাই, নুডলস ও মিষ্টিতে: কাপড় ও চামড়ায় ব্যবহৃত রং।


◑ ফলের রস তৈরী: ক্যামিকেলস দিয়ে।


◑ বিদেশী মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য/ঔষধ/ক্যামিকেলস: নতুন মেয়াদের স্টিকার লাগিয়ে।


◑ চাল চকচক করতে: ইউরিয়া।


◑ পিয়াজু, জিলাপিতে: এমোনিয়া। 


(সূত্র: ইত্তেফাক, পৃষ্ঠা: 2, তারিখ: 26/05/2018)


আরও আছে...

◑ পানি-২০ লিটার (২ টাকা গ্লাস) অধিকাংশই অটোমেশিনে নয় হাতে ঢালা হয়। পারক্সাইড দিয়ে নয় নাম মাত্র পানিতে ধুয়া হয়।


◑ ফলে হরমোন প্রয়োগ করা হয়।


◑ সবুজ ফল ও শাকশব্জিতে কাপড়ের সবুজ রঙ ব্যাবহার হয়, সসেও তাই।


◑ খামারের মুরগিতে বিশাক্ত ক্রোমিয়াম, লেড আর এন্টিবায়োটিক তো আছেই, চাষের মাছেও তাই।


◑ জুস, লাচ্ছি তো উচ্চ মাত্রার প্রিজারভেটিভ।


◑ রুহ আফজাহ আর হরলিক্স তো প্রমানে অপারগ যে এতে আসলে কল্যাণকর কিছু আছে।


◑ মসল্লায় আলাদা রঙ (মেটালিক অক্সাইড)।


◑ সরিষার তেলে ঝাঁজালো ক্যামিকেল।


◑ সয়াবিনে পামওয়েল।


◑ শুটকিতে কিটনাশক।


◑ কসমেটিক্সে ক্যান্সারের উপাদান লেড, মারকারি ও ডাই।


কি খাবেন? কিভাবে খাবেন? একটু ভাবেন! অন্যকেও ভাবতে দিন। বাঙালির আরো অনেক আবিষ্কার আছে যা আমরা হয়তো জানি না। আমরা এক রাতে ধনী হতে চাই এই জাতিকে ধ্বংস করার বিনিময়ে। আসুন আমরা সবাই মিলে এই চক্রকে প্রতিহত করি। জাতিকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাই...


-   সংগৃহীত



মরিচের জাবপোকা থ্রিপস কিভাবে দমন করবেন,,,,, গবাদিপশু ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মরিচের জাবপোকা থ্রিপস কিভাবে দমন করবেন

------------------------------------------------------------------

ক্ষতির ধরনঃ

কচি পাতার ও ডগার রস চুসে খেয়ে গাছকে দূর্বল করে ফেলে। 

করণীয়ঃ

গাছের আক্রান্ত অংশ অপসারণ করা।

প্রাথমিক অবস্থায় শুকনো ছাই প্রয়োগ করা।

পরিস্কার পানি জোরে স্প্রে করা।

ক্ষেত পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা।

হলুদ রঙের ফাঁদ ব্যবহার করা।


জৈব বালাইনাশক দিয়ে দমনঃ

👉বায়োট্রিন ১.৫০ মিলি/লিটারে

👉বায়ো ভেরিয়া ৫ গ্রাম/লিটারে হারে মিশিয়ে ৬ দিন পরপর স্প্রে করতে পারেন। 


রাসায়নিক দমনঃ

ক্লোরোপাইরিফস+সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক

👉নাইট্রো৫৫ইসি

👉সেতারা৫৫ইসি

👉এসিমিক্স৫৫ইসি

👉ক্লোরোসাইরিন৫৫ইসি

👉সাবসাইড৫৫ইসি যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১.৫ মিলি হারে সাথে


ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক 


ইমিটাফ২০এসএল

ইমপেল২০এসএল

জাদিদ২০এসএল

এডমায়ার২০এসএল

গেইন২০এসএল

টিডো২০এসএল যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন 

এছাড়াও 

👉মোভেন্টো১৫০ওডি ১ মিলি/লিটারে

👉এসিমিডা৫১.৮এসপি ১.৫০ গ্রাম/লিটারে 

👉অটোমিডা৭০ডাব্লিডিজি ১.৫০ গ্রাম/লিটারে

👉কারেন্ট৭০ডাব্লডিজি ১.৫০ গ্রাম/লিটারে

👉লাহিব/এবামিড/ফ্লের৩৮ডাব্লিডিজি ০.৫০ গ্রাম/লিটারে

👉প্রলয়৩২এসসি ১ মিলি/লিটারে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। 


👉গাছ ভালো করে স্প্রে করেত হবে যাতে পাতার উপরে, নিচে, ডাল সহ ভিজে যায়।


শেয়ার করে রেখে দিন অনেকের উপকারে আসবে  ।


মোঃ ফরিদুল ইসলাম

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা 

কালিগঞ্জ, লালমনিরহাট



গবাদিপশু, মিথেন গ্যাস এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের হুমকি: সজিনা পাতায় আছে আমাদের জন্য সমাধান! গ্রিনহাউস এফেক্টের,,,,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 গবাদিপশু, মিথেন গ্যাস এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের হুমকি: সজিনা পাতায় আছে আমাদের জন্য সমাধান!

গ্রিনহাউস এফেক্টের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী কার্বন-ডাই অক্সাইড গ্যাস, তারপরেই আছে মিথেন। বিজ্ঞানীরা বলছে, প্রতিদিন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে যে পরিমাণ মিথেন মিশছে, তার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ আসছে গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, হরিণ প্রভৃতি প্রাণীর পাকস্থলী থেকে নির্গত বায়ু থেকে। কাঁচা ঘাস, খড় ও লতাপাতার ওপর নির্ভরশীল এসব প্রাণীর পাকস্থলিতে যখন খাদ্যের পরিপাক ক্রিয়া চলে সে সময়েই উৎপাদন ও নির্গত হয় মিথেন।

গবাদিপশুর মাধ্যমে প্রতিবছর বিপুল মিথেন গ্যাস নিঃসৃত হয়, যা বার্ষিক গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণের ১৫ শতাংশ বলে জানা গেছে জাতিসংঘের প্রাক্কলন অনুসারে। 

আমাদের দেশের অর্থনীতিতে গবাদি পশুর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আবার উষ্ণায়ন এবং পরিবেশ দূষণও বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা দেশজ প্রক্রিয়ায় দুয়ের মধ্যে ভারসাম্য আনার চেষ্টায় গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে সজিনার ব্যবহার নিয়ে কাজ করছি। গবাদিপশুর খাদ্যে সজিনা পাতা যুক্ত করলে গবাদিপশুর পাকস্থলিতে মিথেন উৎপাদন কমবে, এপর্যন্ত পরিচালিত কয়েকটি গবেষণায় যার সত্যতা মিলেছে।

এবার মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস বিনিয়োগ করেছেন গরু ও অন্যান্য গবাদিপশু থেকে নির্গত মিথেন গ্যাস রোধ সম্পর্কিত একটি প্রকল্পে। ‘গবাদি পশুর জন্য বিকল্প খাদ্য প্রস্তুতের এই প্রকল্পে আমাজনের মালিক জেফ বেজোস, চীনা ই কমার্স প্রতিষ্ঠান আলিবাবার সহপ্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা-ও অর্থ বিনিয়োগ করেছেন । আপনি করছেন তো?  

*ছবি সজিনা সাইলেজ তৈরির।



ছাগলের ভাত কেন খাওয়ানো উচিত নয়,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ছাগলের ভাত কেন খাওয়ানো উচিত নয়

আমি কখনো ভাত খেতে দেই না কারণ অতিরিক্ত ভাত খাওয়ানো হলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।


আল্লাহ পাক গবাদিপশুকে ঘাস খাওয়ার জন্যই সৃষ্টি করেছেন, ভাত খাওয়ার জন্য নয়। আর ভাত খাওয়ার মতো ব্যবস্থাও তাদের শারীরিক গঠন প্রক্রিয়ার মধ্যে আল্লাহপাক রাখেন নাই।

তারপরও আপনি চাইলে আপনার গরুকে ভাত কেন যা মন চায় তাই খাওয়াবেন। কিন্তু আপনি টিকে থাকতে পারবেন কিনা সেটা ভবিতব্যই বলতে পারবে

ডাঃ মোঃ নূরুল আমীন স্যার।


গবাদিপ্রাণির খাদ্য সবুজ ঘাস, লতাপাতা খড় এগুলো হলো গবাদিপ্রাণির স্বাভাবিক খাদ্য। গবাদিপ্রাণির খাদ্যের শতকরা ৮০ ভাগ হবে আঁশ জাতীয় খাদ্য এবং ২০ ভাগ হবে দানা জাতীয় খাদ্য। তা না হলে খাদ্য পরিপাক, পরিশোষণ,সর্বপরি গরুর দৈহিক পরিবৃদ্ধি ইত্যাদি ভালো হবে না। 


গবাদিপশুর খাদ্যে আঁশ জাতীয় উপাদান রুমেন অণুজীবের নিরবচ্ছিন্ন কার্বোহাইড্রেড প্রাপ্তি ঠিক রাখে, ফলে খাদ্যের সদ্ব্যবহার হয়। ভুট্টা ভাংগা,গম ভাংগা,চালের ক্ষুদ, আটা,ময়দা ইত্যাদি দানাদার খাদ্য উপাদানে স্টার্চ বেশি থাকে। খড়, ঘাস, লতাপাতা ইত্যাদি আঁশ জাতীয় খাদ্যে থাকে সেলুলোজ,হেমিসেলুলোজ।


গবাদি পশুকে আঁশ জাতীয় খাদ্য খড়,ঘাস লতাপাতা ইত্যাদি খাওয়ানো হচ্ছে এমন অবস্থায় যদি হঠাৎ খাদ্য পরিবর্তন করে দানা জাতীয় খাদ্য সরবরাহ করা হয় বা আশঁ জাতীয় খাদ্যের চেয়ে বেশি পরিমান দানা জাতীয় খাদ্য খাওয়ানো হয সেক্ষেত্রে পরিপাকজনিত সমস্যা সৃষ্টি হয়। 


দানা জাতীয় খাদ্যে স্টার্চ বেশি থাকে, যাকে বলা হয় readily fermentable carbohydrate, এই স্টার্চ খুব দ্রুত পরিপাক হয়। দ্রুত ফ্যাটি এসিড উৎপন্ন হওয়ার কারণে রুমেনের এসিডিটি বেড়ে যায়। আশঁজাতীয় খাদ্যের পরিবর্তে হঠাৎ দানা জাতীয় খাদ্য সরবরাহ করলে স্টার্চ পরিপাক করে এমন ব্যাকটেরিয়ার দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এই ব্যাকটেরিয়া যে এসিড তৈরি করে তার ৮০ -৮৫ ভাগ হলো ল্যাকটিক এসিড। একই সময়ে রুমেনের পিএইচ কমে ৫ এ নেমে আসে। ল্যাকটিক এসিডের  পরিমান যদি খুব বেশি হয় তাহলে তা রুমেনে পুঞ্জিভুত হয় এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে তা রুমেন প্রাচীরের মাধ্যমে শোষিত হযে রক্ত প্রবাহে মিশে। রক্তে উচ্চ মাত্রার ল্যাকটিক এসিডের উপস্থিতির কারনে গবাদিপ্রাণি নিচের যে কোন একটি বা একাধিক  সমস্যায় ভুগতে পারে।


১ – রুমেন নিশ্চল হয়ে যায় অর্থাৎ রুমেন কোন কাজ করবে না।

২ – খাদ্য গ্রহন কমে যায়।

৩ – এসিটিক এসিড উৎপাদনকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা কমে যায়। এই ব্যাকটেরিয়া দুধে ফ্যাট উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা কমে গেলে দুধের ফ্যাটের মাত্রাও কমে যায়।

৪ – রুমেনের প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

৫ – গবাদিপশুর পেটে গ্যাস উৎপন্ন হয় অর্থাৎ এসিডোসিস হয়।

৬ – এমনকি পেট ফুলে,শ্বাস কষ্টে মারা যেতে পারে।


ভাত, খুদের ভাত, আটাঘাটি, আটাগুলা পানি, আলুসেদ্ধ সবগুলোই কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য। এগুলো খাওয়ানো হলে তা কোন চর্বণ সরাসরি ছাড়াই গবাদিপশুর পেটে চলে যায় এবং বদ হজম ও পেটে গ্যাস তৈরি করে। এগুলো দানাদার খাদ্য হতে পারে না

সুতরাং এগুলো খাওয়ানো উচিত নয়।


তথ্যসূত্র ইন্টারনেট 

Shahin Goatfarm We Love Goat Farming.


সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ১০-০৩-২০২৪ ।,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ১০-০৩-২০২৪ ।


আজকের শিরোনাম:


কুমিল্লা ও ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে তাহসীন বাহার এবং ইকরামুল হক টিটু বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।


বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের বৈঠকে চলমান প্রকল্পগুলোর কার্যক্রম দ্রুত শেষ করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ।


প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য নবীন চিকিৎসকদের প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আহ্বান।


আবুধাবিতে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত - বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে অংশীদারিত্বে রূপান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ।


বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলনে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে যৌথ টহল জোরদারে ঐকমত্য।


পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে সুদানে অস্ত্রবিরতির আহ্বান জাতিসংঘের।


কাঠমান্ডুতে চারজাতি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে আজ ভারতের মুখোমুখী হবে বাংলাদেশ।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...