এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪

যেসব কারনে রোজা ভেঙে ্যায় :শেষ পর্ব,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 যেসব কারণে রোজা ভেঙ্গে যায়: শেষ পর্ব


১২.রোযা অবস্থায় পান তামাক চাবানো ও গুল ব্যবহার করা যাবে না, এর দ্বারা রোযা ভেঙ্গে যাবে। কেননা পান চাবানোর পর তার কিছু অংশ এবং থুথুর সাথে তার রস গলায় চলে যাওয়ার প্রবল আশংকা রয়েছে এবং সেই উদ্দেশ্যেই পান তামাক চাবানো ও গুল ব্যবহার করা হয়। সুতারাং পান-তামাক ও গুল ব্যবহার করলে রোযা ভেঙ্গে যাবে। 


১৩.কুলি করার সময় বা নাকে পানি দেওয়ার সময় যদি আকস্মাৎ গলায় পানি চলে যায় আর রোযার কথা স্মরণ থাকে তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে এবং শুধু কাযা ওয়াজিব হবে।


১৪.রোযা অবস্থায় পাথরের টুকরা,মাটি ইত্যাদি অখাদ্য বস্তু খেয়ে ফেললে রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে এবং শুধু কাযা ওয়াজিব হবে, কাফ্ফারা নয়।


১৫.স্বামী -স্ত্রী উভয়ের ইচ্ছায় রোযা অবস্থায় যদি সহবাস করে তাহলে উভয় জনের রোযা ভেঙ্গে যাবে। এবং উভয়ের উপর কাযা ও কাফ্ফারা উভয়টি ওয়াজিব হবে। আর যদি স্ত্রীর অনিচ্ছায় স্বামী জোর পূর্বক সঙ্গম করে তাহলে স্বামীর উপর কাযা কাফফারা উভয়টি আবশ্যক হবে। আর স্ত্রীর উপর শুধু কাযা ও ওয়াজিব হবে, কাফ্ফারা নয়। আর যদি স্বামীর অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও স্ত্রী পক্ষ থেকে বাধ্য হয়ে সঙ্গম করে তাহলে স্ত্রীর উপর কাযা ও কাফ্ফারা উভয়টি ওয়াজিব হবে আর স্বামীর উপর শুধু কাযা ওয়াজিব হবে।


১৬.রোযা অবস্থায় স্ত্রীকে চুম্বন করা, আলিঙ্গন করা, আদর সোহাগ করা বা একের যৌনাঙ্গ অপরের যৌনাঙ্গকে সম্পর্শ করার ফলে যদি বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে। তবে এর দ্বারা কাফফারা ওয়াজিব হবে না, শুধু কাযা ওয়াজিব হবে।


১৭.ইনহিলার এর মাধ্যমে পেটে ঔষধ পৌছানো হয় তার পরিমান একে বারে অল্প হওয়া সত্বেও ইচ্ছাকৃত ভাবে তা ব্যবহারের কারণে রোযা ভেঙ্গে যাবে, এটাই সাভাবিক মাসয়ালা। কিন্তু এই ঔষধ ভেতরে গিয়ে গ্যাসে পরিনত হয় না খাওয়ার আগে গ্যাসে পরিণত হয় এব্যাপারে ডাক্তারদের দ্বিমত রয়েছে। বিধায় সর্তকতা ও উত্তম হলো এমন রোগী রোযা রাখবে এবং নিজ সামর্থ হিসাবে প্রত্যেক রোযার ফিদিয়াও দিয়ে দিবে, যাতে রোযা না হলে ফেদিয়া দ্বারা তার দ্বায়িত্ব আদায় হয়ে যায়। আর যদি সম্ভব হয় তাহলে দিনের বেলায় তা ব্যবহার না করে শুধু রাতে ব্যবহার করা আরো ভাল।


(ফাতাওয়ায়ে শামী ৩য় খণ্ড, ৩৭৬ পৃষ্টা)


যেসব কারনে রোজা ভেঙে যায় শেষ পর্ব,,,   থেকে নেওয়া 


সকল মাজরা পোকা তাড়াতে এলো  "বায়ো-চমক+বায়ো-বিটিকে" জুটি,,,ইস্পাহানি এ্যাগ্রো ফেইসবুক থেকে নেওয়া


 ফসল রক্ষায় দুশ্চিন্তা এবার পাবে ছুটি,

সকল মাজরা পোকা তাড়াতে এলো 

"বায়ো-চমক+বায়ো-বিটিকে" জুটি! 📢 📢


ইস্পাহানি এগ্রোর পরিবেশবান্ধব, আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনার যুগান্তকারী ও তাক লাগানো সমাধান "বায়ো-চমক ও বায়ো-বিটিকে" এর যৌথ ব্যবহারে সকল ধরনের মাজরা পোকা থেকে আপনার ফসল থাকবে নিরাপদ এবং নিশ্চিত হবে বাম্পার ফলন।

🌱ব্যবহার বিধি🌱

** আক্রমণের প্রাথমিক পর্যায়ে অর্থাৎ ১ম ও ২য় কীড়া দশায় জমিতে প্রয়োগ করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

** ৭-১০ দিন অন্তর দুইবার প্রয়োগে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

☎ তবে আর দেরি কেন? আপনার জেলায় পণ্য পেতে নিজ জেলার নাম লিখে কমেন্ট করুন, অথবা নিকটস্থ ডিলার পয়েন্টে আজই যোগাযোগ করুন।,,,,,,,,

আমাদের সকল পণ্য পেতে ও পণ্যের দাম জানতে এবং আপনার এলাকার ডিলার পয়েন্ট সম্পর্কে জানতে নিচের তালিকা থেকে আমাদের জেলা প্রতিনিধিদের

সাথে যোগাযোগ করুন অথবা ছবি থেকে নিজ জেলার ডিলার পয়েন্ট জেনে নিন:

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3037021756522539&id=1508818882676175&mibextid=Nif5oz


শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪

স্যারের মেসেজ ১৬/০৩/২৪

 ঢাকা সহ বিভিন্ন জেলা শহরে আমাদের পেস্টিংয়ের নিয়োগ করা হবে আপনাদের পরিচিত কোন লোক থাকলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন আগামী ২০ তারিখে আমাদের লোক নিয়োগ পরীক্ষা আছে।

ক্লাস এইট পাশ ভোটার আইডি কার্ড আছে স্মার্ট ফোন চালাইতে পারে বাংলা ইংরেজি মোটামুটি বুঝে এরকম লোক হইলেও নেওয়া যাবে।

একটা বিষয় সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে আমাদের ওয়ার্ক অর্ডারে একটি নতুন বিষয় অনেকেই হয়তো বুঝতেছেন না সেটা হচ্ছে প্রিন্ট হাউস তাদের সুবিধার জন্য ওয়ার্ক অর্ডারের পতিতহা ঘরকে কাউন্ট করতেছে অর্থাৎ 1 থেকে শুরু করে যতগুলো ঘরে মেজারমেন্ট লেখা আছে সব ঘরকে ১.২.৩.৪ এইভাবে তারা কাউন্ট করে

যদি কেউ এই বিষয়টা না বুঝে থাকেন তাহলে সে আমার কাছে ফোন দিবেন পরবর্তীতে কোনভাবেই বলবেন না যে আমি বিষয়টা বুঝতেছিনা


বিষয়টা একই একেবারে সিম্পল একটি দোকানে যদি চারটা স্টিকার থাকে তাহলে দোকান একটা কিন্তু এই পাশে সিরিয়াল থাকবে চারটা আপনি মেজারমেন্ট এবং সিরিয়াল দুইটা ক্রস ম্যাচ করে তারপর স্টিকার মিলাবেন।

এক্ষেত্রে স্টিকার ভুল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম

দুই সুপারভাইজার ভাইকে বলছি যে সব লোক কোন প্রকার সেল করতে পারতেছে না sales  2 হাজার 5000 করে বন্ধ রাখতেছে তাদের এরিয়া চেঞ্জ করার ব্যবস্থা করে এবং তাদের এরিয়ায় নতুন লোকদের ব্যবস্থা করেন আমাদের লোক নিয়োগ হবে আগামী ২০ তারিখ।বিষয়টা একই একেবারে সিম্পল একটি দোকানে যদি চারটা স্টিকার থাকে তাহলে দোকান একটা কিন্তু এই পাশে সিরিয়াল থাকবে চারটা আপনি মেজারমেন্ট এবং সিরিয়াল দুইটা ক্রস ম্যাচ করে তারপর স্টিকার মিলাবেন।বিষয়টা একই একেবারে সিম্পল একটি দোকানে যদি চারটা স্টিকার থাকে তাহলে দোকান একটা কিন্তু এই পাশে সিরিয়াল থাকবে চারটা আপনি মেজারমেন্ট এবং সিরিয়াল দুইটা ক্রস ম্যাচ করে তারপর স্টিকার মিলাবেন।

দুই সুপারভাইজার ভাইকে বলছি যে সব লোক কোন প্রকার সেল করতে পারতেছে না sales  2 হাজার 5000 করে বন্ধ রাখতেছে তাদের এরিয়া চেঞ্জ করার ব্যবস্থা করে এবং তাদের এরিয়ায় নতুন লোকদের ব্যবস্থা করেন আমাদের লোক নিয়োগ হবে আগামী ২০ তারিখ।,,


১ মিনিট ধৈর্য ধরে পড়ুন..ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১ মিনিট ধৈর্য ধরে পড়ুন...

জিবরাঈল (আঃ)কে আল্লাহ তায়ালা তৈরী করলেন।

জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালাকে জিজ্ঞাসা করলেন আল্লাহ আপনি কিসে খুশি হন??

আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিলেন আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হই আমার বান্দা যখন আমাকে সিজদা করে। অত:পর জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা কে সিজদা করলেন ৩০ হাজার বছর ধরে।

জিবরাঈল (আঃ) মনে মনে খেয়াল করলেন আমার থেকে এত বড় দামি, এত বড় লম্বা সিজদা দুনিয়ার আর কেউ করতে পারবে না।

আল্লাহ তায়ালা নিশ্চয় আমার প্রতি খুশি হবেন।

জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালার দিকে মুতাহজ্জির হয়ে রইলেন কিন্তু আল্লা তায়ালার পক্ষ থেকে কোন খুশির বাণী জানান হল না, জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা কে জিজ্ঞাসা করলেন আল্লাহ আমি যে এত লম্বা সিজদা করলাম আপনি কি আমার সিজদার প্রতি কোন খুশি হন নাই? আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিলেন - জিবরাঈল তোমার জবাব আমি দেব তার আগে তুমি একটু আরশে আজিমের দিকে তাকাও, জিবরাঈল (আঃ) তাকিয়ে দেখলেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আরশে আল্লাহর কুদরতী নূর দ্বারা লিখা রয়েছে- ''লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ''

জিবরাইল (আঃ) জিজ্ঞাসা করলেন- হে আল্লাহ্!! আমার সিজদার সংগে এই কালিমার কি মিল?? আল্লাহ তায়ালা বললেন, ও জিবরাইল শোন আমি আল্লাহ এ দুনিয়া তৈরী করব ওই দুনিয়ার মানব জাতি ও জিন জাতির হিদায়াতের জন্য লক্ষাধিক নবি-রাসূলগনকে পাঠাব সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ কে পাঠাব

এই নবীর উম্মতের উপরে আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরয করব আর প্রতি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে সতেরটা করে রাকাত আমার জন্য ফরয করব প্রত্যেকটা রাকাতের মধ্যে দুটি করে সিজদা হবে আর প্রত্যেকটা সিজদার মধ্যে ওই নবির উম্মত তিনবার করে "সুবহা-না রাব্বিয়াল আলা-" পাঠ করবে। জিবরাইল তুমি জেনে রাখ আমার ওই মাহবুব নবীর উম্মত যখন সিজদায় গিয়ে "সুবহা-না রাব্বিয়াল আলা-" বলে আমাকে ডাক দিবে, জিবরাইল তুমি ৩০ হাজার বছর সিজদা করে যে নেকি পেয়েছ, আমি আল্লাহ্ আমার বান্দার আমল নামায় এর থেকেও ৪০ হাজার গুন বেশি নেকি লিখে দিব, সুবহানাল্লাহ...!!

এই জন্য মুসা (আঃ) কাঁদছেন, আল্লাহ!! আমাকে ওই নবীর উম্মত বানাইয়া দাও, যে নবীর উম্মত এক সিজদায় জিবরাঈল (আঃ) এর সারা জীবনের ৩০ হাজার বছরের সিজদার নেকি নিয়ে গেল।।

আমরা সেই নবীর উম্মত আমাদের কি করা উচিত আর আমরা কি করছি...?

আল্লাহ আমাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার তৌফিক দিন


আমিন 🤲🤲



রহস্যময় গ্রীক ফায়ার,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 রহস্যময় গ্রীক ফায়ার

********************


ইতিহাসে এমন অনেক অস্ত্রের খোঁজ পাওয়া যায় যা ছিল অত্যন্ত বিধ্বংসী , কিন্তু মধ্যযুগে এমন একটি রহস্যময় অস্ত্র ছিল যার কোনো জবাব শত্রুপক্ষের কাছে ছিলোনা। যা মুহূর্তে শত্রুকে ধংস করতে পারতো।

বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য ছিল ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম ও সমৃদ্ধ একটি সাম্রাজ্য, যে সাম্রাজ্যটি ৩৩০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত, প্রায় ১১০০ বছর টিকে ছিল। এই বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যকে অন্য যে কোনো সাম্রাজ্যের মতোই বারবার বিদেশিদের আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছিল , কিন্তু তা সত্ত্বেও প্রায় ১১০০ বছর ধরে এই সাম্রাজ্যের টিকে থাকার পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ বলে যাকে মনে করা হয়, তা ছিল তাদের রহস্যময় ও বিধ্বংসী অস্ত্র , যা গ্রিক ফায়ার নামে বিখ্যাত।

মনে করা হয় ৬৭২ সালে সম্রাট কনস্টান্টিন পোগনেটাস এর আমলে আরবদের আক্রমণ ঠেকাতে বাইজান্টাইনএর নৌবাহিনী প্রথমবার এই রহস্যময় গ্রিক ফায়ার ব্যবহার করেছিল। যে অস্ত্র আক্রমণকারীদের মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করেছিল। এই গ্রিক ফায়ার ছিল একপ্রকারের তরল আগুন , যা একজাতীয় যন্ত্রের মাধ্যমে শত্রুপক্ষের নৌকা বা জাহাজের উদ্দেশে ছুড়ে দেওয়া হতো। সেই যন্ত্রটির মধ্যে একটি বিশেষ পাত্রের মধ্যে গ্রিক ফায়ারএর তরল মিশ্রণটি রাখা থাকতো , আর কোনোভাবে সেই মিশ্রণটি থেকে তরল আগুন উৎপন্ন করে নলের মাধ্যমে তা শত্রুপক্ষের দিকে ছুড়ে দেওয়া হতো। এই তরল আগুন মুহূর্তে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুকে জ্বালিয়ে ধংস করে দিতো। এই গ্রিক ফায়ার এতটাই ভয়ঙ্কর ছিল যে তা জল দিয়েও নেভানো যেতোনা , এমনকি মনে করা হয় যে এই গ্রিক ফায়ার জলের সংস্পর্শে আরো বেশি জ্বলে উঠতো।

মনে করা হয় কালিনিকস নামের একজন বাইজান্টাইন আর্কিটেক্ট প্রথম এই মারাত্মক অস্ত্রটি তৈরী করেন এবং তা বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের হাতে তুলে দেন। কিন্তু এই তরল আগুনটি কি উপায়ে তৈরী করা হয়েছিল তার রহস্য এতটাই গোপনে সুরক্ষিত রাখা হয়েছিল যে , গ্রিক ফায়ার তৈরী করার ফর্মুলা আজও অজানা। মনে করা হয় যে ন্যাপথা বা পেট্রোলিয়াম এর সাথে সালফার ও আরো অন্য কিছু সামগ্রী মিশিয়ে গ্রিক ফায়ার তৈরী করা হতো। কিন্তু এর আসল রহস্য এখনো কেউ সঠিক জানতে পারেনি।


তথ্য সম্রাট জাহাঙ্গীর  ফটো ক্রেডি জানি না 😌



টাটাক্সন ২০ এস এল (প্যারাকোয়াট ২০% এস এল,,,

 টাটাক্সন ২০ এস এল (প্যারাকোয়াট ২০% এস এল)


টাটাক্সন ২০ এস এল একটি অনির্বাচিত আগাছানাশক, যা ফল, চা, রাবার বাগানে আগাছার মাটির উপরের সবুজ অংশ মেরে ফেলে


ব্যবহারের সুবিধাঃ

অ-নির্বাচিত এবং স্পর্শক আগাছানাশক, যা সুপারঅক্সাইড তৈরি করে গাছের কোষের পাতলা আবরন ভেঙ্গে দিয়ে কোষের পানি বের করে দিয়ে পাতাকে শুকিয়ে গাছের সবুজ অংশ ধ্বংস করে।

প্রয়োগের ১ ঘন্টার মাঝে আগাছা নেতিয়ে পরে এবং ২-৩ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ আগাছা মারা যায়। 

টাটাক্সন ২০ এস এল আগাছার মাটির উপরের অংশ ধ্বংস করে এবং শিকড়ের বৃদ্ধিতে বাধা দেয় না, ফলে পাহাড়ি এলাকায় মাটির ক্ষয় রোধ করে । 

ইহা গাছ দ্বারা দ্রুত শোষিত হয় ফলে প্রয়োগের আধ ঘন্টা পর বৃষ্টি হলেও কার্যকারীতা ঠিক থাকে ।  

আগাছাঃ অনির্বাচিত সকল আগাছা 

প্রয়োগের সময়ঃ জমি তৈরির আগে ব্যাবহার করুন। চা, রাবার ও ফলের বাগানে আগাছাযুক্ত মাটিতে ব্যবহার করুন এবং খেয়াল রাখুন যেন গাছে না পড়ে।(পরিষ্কার পানির সাথে ব্যবহার করলে অধিক ফলাফল পাওয়া যায়)

প্রয়োগ মাত্রাঃ একরে ১.২ – ১.৫ লিটার



১৮৮০ সালের ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়ের সময়সূচি। ভাষাটা খেয়াল করুন।

 ১৮৮০ সালের ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়ের সময়সূচি। ভাষাটা খেয়াল করুন। তৎকালীন ভারতের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষের মাতৃভাষা - বাংলা। আজকের বাংলায় দাঁড়িয়ে আমরা এরকম একটা রেলওয়ের সময়সূচি কী সত্যিই কল্পনা করতে পারি? আবর্জনা ছাড়া শুধুমাত্র আমাদের ভাষায় ছাপানো একটা চিরকুটও রেল আমাদের দেয় না। আজ প্রায় ১৫০ বছর পর সমগ্র বঙ্গীয় ভূখণ্ড টুকরো টুকরো হয়ে গেলেও আমরা যেন ভুলে না যাই এই বর্তমান ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম ভাষিক গোষ্ঠীর নাম বাঙালি। এছাড়াও সবচেয়ে বেশি মানুষের মাতৃভাষার তালিকাতেও বাংলা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।



নক্ষত্রের রাতে রঞ্জু ও মনিষা,,,,,লেখক কবি হুমায়ুন আহমেদ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 "আমাদের মায়ের কোন যমজ সন্তান হয় নি। একজনের জন্ম দিয়েছিলেন,আরেকজন কে হাসপাতাল থেকে নিয়ে এসেছিলেন"


নক্ষত্রের রাতে রঞ্জু ও মনিষা ❤️


দুই ভাই বোন,একই দিনে যাদের জন্ম। তবে তারা যমজ ভাই বোন নয়। যাদের জন্মরহস্য নিয়ে নাটকে তৈরি হয়েছিল জটিলতা। এতকাল তারা জেনে এসেছিল তারা যমজ ভাই বোন। কিন্তু রঞ্জু কিভাবে জেনে যায়,যে তাদের একজন কুড়িয়ে পাওয়া,এই বাবা- মায়ের সন্তান নয়। রঞ্জু ভাবে সেইই কুড়িয়ে পাওয়া ছেলে,কিন্তু মনিষা বুঝায় সে পরিবারের সন্তান নয়। কারন এই পরিবারের সবাই ভীষণ বোকা কিন্তু সে বুদ্ধিমান! 


এক সময় জন্ম রহস্য উন্মোচিত হয়, এতে রঞ্জু বেশ আঘাত পান। নানা ঘটনায় সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ে। আর মনিষা এই সংসারে থেকে একের পর এক দুঃখজনক ঘটনার মধ্য দিয়ে যেতে হয়, মা,বাবা দুইজন ই মারা যান,বিয়ে ভেঙ্গে যায়। তবে  সে ভেঙ্গে পড়ে না, নিজেকে আরো শক্ত করে তোলে। যেন দুঃখের মত আর পরশ পাথর আর নেই। 


প্যাকেজের যুগ যাত্রা করলে হুমায়ূন আহমেদ নিজেও নির্মানে আসেন। উনার নির্মিত প্রথম ধারাবাহিক নাটক হচ্ছে 'নক্ষত্রের রাত'। তবে উপন্যাস নক্ষত্রের রাত থেকে এই ধারাবাহিকের গল্প পুরোই আলাদা। পুরো ধারাবাহিকের গল্প সঙ্গে সবগুলো চরিত্রযেন আপনপয়। অভিনয়শিল্পীরাও নিজেরা উজাড় করে দিয়েছিলেন,অনেক জনপ্রিয় তারকা অভিনয় করছিলেন। তাদের মধ্যে রঞ্জু ও মনিষার চরিত্রে অভিনয় করেন আজিজুল হাকিম ও শমী কায়সার। পুরো নাটকেই যখন এই দুইজন একত্রিত হয়েছেন,চিত্রনাট্য যেন আরো মহিমান্বিত হয়ে গিয়েছিল। পুরো ধারাবাহিকের বাঁক ঘুরে যাওয়ার প্রভাবক ছিল রঞ্জু ও মনিষা।  ইউটিউবের পাশাপাশি এই ধারাবাহিকটি এখন চরকি প্লাটফর্মেও দেখা যাচ্ছে এই 'নক্ষত্রের রাত'।


নামাজে বসে যে আত্তাহিয়াতু দু'আ পড়ি তার পিছ‌নে এত সুন্দর এক‌টি গল্প তা জানা ছিল না,,,,,, সোহেল রাজ্জাক ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 নামাজে বসে যে আত্তাহিয়াতু দু'আ পড়ি তার পিছ‌নে এত সুন্দর এক‌টি গল্প তা জানা ছিল না, আমার বিশ্বাস সবার ভাল লাগ‌বে এবং নামাজ পড়ায় ম‌নো‌যোগ ও বাড়‌বে। ঈমানও তাজা হবে।


আত্তাহিয়াতু আসলেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি দোয়া। এই দোয়াটার পিছনের গল্পটা জানার পর সত্যি আমার হৃদয়টা অনেক কোমল হয়ে গেছে!


আত্তাহিয়াতু আসলে, আল্লাহর সাথে আমাদের মহানবী (সঃ) কথোপকথন একটা অংশ। যা আমাদের মহানবী (সঃ) মিরাজ যাত্রার সময় হয়েছে মহান আল্লাহর সাথে! মহানবী (সঃ) যখন আল্লাহর সাথে কথোপকথন শুরু করে তখন আল্লাহকে আসসালামু আলাইকুম বলেননি!


তাহলে কি বলেছিল...?


কারন; আমরা মহান আল্লাহকে বলতে পারব না, আল্লাহ আপনার উপর শান্তি নাজিল হউক! কারন; আল্লাহ নিজেই একমাত্র পৃথিবীর সকল শান্তির এবং রহমতের উৎপত্তিস্থল!


মহানবী (সঃ) আল্লাহকে উদেশ্য করে বলেছিলেন:-


▪আত্তাহিইয়া-তু লিল্লা-হি ওয়াছ ছালাওয়া - তু ওয়াত্ ত্বাইয়িবা -তু


অর্থঃ- যাবতীয় সম্মান, যাবতীয় উপাসনা ও যাবতীয় পবিত্র বিষয় আল্লাহর জন্য।


উওরে মহান আল্লাহ বলেন:-


▪আসসালা-মু'আলায়কা আইয়ুহান্নাবিয়ু ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া-বারাকাতুহু।


অর্থঃ- হে নবী; আপনার উপরে শান্তি বর্ষিত হউক এবং আল্লাহর অনুগ্রহ ও সমৃদ্ধি সমূহ নাযিল হউক।


এতে মহানবী (সঃ) বলেন:-


▪আসসালা-মু-আলায়না ওয়া আলা ইবাদিল্লা-হিছছালেহীন।


অর্থ:- আল্লাহর সমৃদ্ধি শান্তি বর্ষিত হউক আমাদের উপরে ও আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাগণের উপরে।


মহান আল্লাহ এবং মহানবী (সঃ) এই কথোপকথন শুনে ফেরেস্তারা বলেন:-


▪আশহাদু আল লা-ইলাহা ইলল্লালাহু ওয়া আশহাদুআন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু।


অর্থ:- আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সঃ) তার বান্দা ও রাসূল।

"সুবহানাল্লাহ"।


এখন আমি এবং আপনি আত্তাহিয়াতু গুরুত্ব এবং পিছনের ইতিহাস জানতে পারলাম, এবার একটু চিন্তা করুন তো, এই লেখাটি যদি আপনার মাধ্যমে অন্যান্য মানুষেরাও জানে তাহলে তারাও এই দোয়ার গুরুত্ব বুজতে পারবে! ইনশাআল্লাহ।


গাছে ফসফরাস এর গুরুত্ব।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 গাছে ফসফরাস এর গুরুত্ব।

 

উদ্ভিদে ফসফরাসের গুরুত্ব অনেক। এটি গাছের অন্যন্য পুষ্টিগুলোকে গাছের জন্য উপযোগী করতে সহায়তা করে এতে গাছের বৃদ্ধি হয়। এটি NPK সারের P নির্দেশ করে। এটি গাছের বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য তবে মাটিতে ফসফরাসের পরিমাণ বেশি বা কমে গেলে গাছে এর প্রভাব সম্পর্কে জানতে পড়তে থাকুন…


মাটিতে ফসফরাসের ঘাটতি:


আপনার বাগানে ফসফরাসের ঘাটতি আছে কিনা তা কিভাবে বুঝবেন? শুধু আপনার গাছের দিকে তাকান। যদি আপনার গাছটি ছোট হয়, ছোট ফুল-ফল হয় বা না হয়, দুর্বল শিকর এবং গাছের পাতাগুলো হালকা বা উজ্জল সবুজ হয় তবে বুঝে নিতে হবে আপনার গাছের মাটিতে ফসফরাসে ঘাটতি হয়েছ।


এমন অনেক রাসায়নিক সার রয়েছে যা আপনার মাটির ফসফরাসের অভাব কমিয়ে গাছে পুষ্টির ভারসাম্য বাজায় রাখতে সহায়তা করে। অর্থাৎ রাসায়নিক সার ব্যবহার করার সময় আপনি যেসব সারে উচ্চ ফসফরাস(P বা NPK সারের সংখ্যায় ২য় নম্বর) থাকে এমন সার ব্যবহার করুন।


আপনি যদি জৈবসার ব্যবহার করে আপনার গাছের ফসফরাসের ঘাটতি পূরণ করতে চান তবে হাড়ের গুড়া বা রক ফসফেট ব্যবহার করুন। এরা উভয়ে মাটিতে ফসফরাসের ঘাটতি পূরণ করেতে সহায়তা করে। কখনো কখনো মাটিতে কিছু কম্পোস্ট সার ব্যবহার করলেও মাটিতে ইতোমধ্যে থাকা ফসফরাস পূনঃরায় গ্রহণ করতে পারে। তাই অন্যকিছু যুক্ত করার আগে এটি ব্যবহার করে দেখুন।


মাটিতে ফসফরাস আপনি যেভাবে করেন না কেন, খেয়াল রাখতে হবে যেন বেশি হয়ে না যায়। এতে পানি নিষ্কাশনের মাধ্যমে তা চলে যাবে এবং মাটি দূষণ হতে পারে।


ফসফরাসের উপস্থিতি বেশি হলে:


মাটিতে অতিরিক্ত ফসফরাস হলে গাছ ফসফরাস ব্যবহার করতে পারে না। তাই গাছে পরিমিত পরিমাণে ফসফরাস ব্যবহার করতে হবে। তা গাছে প্রকৃতিভেদে ভিন্ন হতে পারে।


উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে ফসফরাসের গুরুত্বকে কোনভাবে ছোট করে দেখা যায় না। এটি ছাড়া, একটি উদ্ভিদ কোনভাবে স্বাস্থ্যকর হতে পারে না। ফসফরাসের কারণে আমাদের বাগানে সুন্দর এবং প্রচুর গাছপালা বাড়তে সহয়তা করে।


অরন্য সীডস-১ ফ্যামিলি



কোলেস্টেরল কমাতে প্রকৃতির এই ৮টি অসাধারণ ভেষজ! ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

 কোলেস্টেরল কমাতে প্রকৃতির এই ৮টি অসাধারণ ভেষজ! 🌿💚 কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ওষুধের পাশাপাশি প্রতিদিনের খাবারে এই ভেষজগুলো যোগ করুন। প্রাকৃতিক...