এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৪

কিভাবে বুঝবেন আপনার জমির দলিল বৈধ কি  না,,,

 কিভাবে বুঝবেন আপনার জমির দলিল বৈধ কি না?


জমি কেনা বা বিক্রি একটি গুরুত্বপূর্ণ লেনদেন, এবং এর সাথে জড়িত আইনি প্রক্রিয়াগুলি বোঝা জরুরি। জমির দলিল হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি যা মালিকানার অধিকার প্রমাণ করে। তাই, জমি কেনার আগে দলিলটি সঠিকভাবে যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


জমি কেনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ, এবং আইনি জটিলতা এড়াতে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।


১. দলিলের মূল কপি পরীক্ষা করুন:


👉নিশ্চিত করুন যে দলিলটি সঠিকভাবে সাব-রেজিস্ট্রারের দ্বারা স্বাক্ষরিত এবং সিল করা আছে।

👉দলিলের মূল কপিতে থাকা ছবি এবং মালিকের বর্তমান ছবি মিলে যাচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করুন।

👉দলিলের সকল পাতায় সঠিকভাবে স্ট্যাম্প লাগানো আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।


২. দলিলের তথ্য যাচাই করুন:


👉দলিলে উল্লেখিত মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ইত্যাদি তথ্য সঠিক কিনা তা খতিয়ান, দাগ খতিয়ান, এবং সরকারি রেকর্ডের সাথে মিলিয়ে দেখুন।

👉দলিলে উল্লেখিত সাক্ষীদের নাম এবং ঠিকানা সঠিক কিনা তা যাচাই করুন।


৩. আইনি পরামর্শ নিন:


👉একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করার সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।

👉আইনজীবী দলিলের সকল দিক বিশ্লেষণ করে আপনাকে দলিলটি বৈধ কিনা তা জানাতে পারবেন।


৪. অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করুন:

👉সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে জমির দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।

👉কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সার্ভিস প্রদান করে।


৫. সতর্কতা অবলম্বন করুন:


👉দলিলের বৈধতা সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে দলিলটি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন।

অসৎ ব্যক্তিদের প্রতারণার শিকার হতে সাবধান থাকুন।

👉জমি কেনার আগে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপরে উল্লেখিত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করে আপনি একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করতে পারবেন।


জমির দলিল বৈধ কিনা তা বোঝার জন্য কিছু প্রশ্ন ও উত্তর


১) দলিলে কি সকল প্রয়োজনীয় তথ্য আছে?


দলিলে জমির মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, মৌজা, উপজেলা, জেলা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?

,👉দলিলের সাক্ষীদের নাম, ঠিকানা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?

👉দলিলের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?


২) দলিলের স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশন


👉দলিলে সরকার নির্ধারিত স্ট্যাম্প ব্যবহার করা হয়েছে কিনা?

👉দলিলটি সঠিকভাবে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে কিনা?

রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?


৩) দলিলের মালিকানার ধরণ।


👉দলিলের মাধ্যমে মালিকানা কিভাবে অর্জিত হয়েছে (উত্তরাধিকার, ক্রয়, বিনিময়, দান ইত্যাদি)?

👉মালিকানার ধরণ কি (মালিকানা, দখল, ভাগচাষ ইত্যাদি)?

👉মালিকানার কোনো শর্ত বা বাধা আছে কিনা?


৪) জমির অবস্থা


👉জমি কি বাস্তবে বিদ্যমান?

👉জমির মালিকানা বিতর্কমুক্ত কিনা?

👉জমির উপর কোনো ঋণ বা বন্ধক আছে কিনা?


৫) আইনি পরামর্শ

জমির দলিল বৈধ কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।


৬. দলিলের বয়স:

প্রশ্ন: কত বছরের পুরোনো দলিল বৈধ?

উত্তর: দলিলের বয়সের কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই। তবে, 1976 সালের আগের দলিলগুলো "পুরাতন দলিল" হিসেবে বিবেচিত হয় এবং বৈধতা যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত যাচাই-বাছাই প্রয়োজন হতে পারে।


৭. দলিলের ধরন:

প্রশ্ন: কত ধরণের জমির দলিল আছে?

উত্তর: বাংলাদেশে 4 ধরণের জমির দলিল আছে:

°দাগ নম্বর খতিয়ান

°মৌজা খতিয়ান

°সিএস খতিয়ান

°আরএস খতিয়ান


৮. দলিলের মালিকানা:


প্রশ্ন: দলিলে একাধিক মালিকের নাম থাকলে কী করবেন?

উত্তর: সকল মালিকের সম্মতি ছাড়া জমি বিক্রি করা যাবে না। মালিকানা পরিবর্তনের জন্য সকলের স্বাক্ষর এবং সম্মতি প্রয়োজন।


৯. দলিলের মিউটেশন:


প্রশ্ন: মিউটেশন কী?

উত্তর: মিউটেশন হলো জমির মালিকানা পরিবর্তনের নথিভুক্তি প্রক্রিয়া। নতুন মালিকের নাম খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মিউটেশন করা আবশ্যক।


১০. দলিলের জালিয়াতি:

প্রশ্ন: জাল দলিলের বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?

উত্তর: জাল দলিলে ভুল বানান, অস্পষ্ট তথ্য, মিথ্যা স্বাক্ষর, এবং অসঙ্গতিপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে।


১১. দলিল যাচাই:

প্রশ্ন: জমির দলিল যাচাই করার সর্বোত্তম উপায় কী?

উত্তর: সাব-রেজিস্ট্রার অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে দলিলের মূল কপি এবং খতিয়ানের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারেন।


ভূমি অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার ভূমি অফিসে গিয়ে দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।

আইনজীবীর পরামর্শ: একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।


১২. দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা:


প্রশ্ন: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য কী করবেন?

উত্তর: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করা উচিত।


উল্লেখ্য: এই তথ্যগুলো শুধুমাত্র সাধারণ ধারণার জন্য। জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার।


বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৪

কাটরা কী? বড় কাটরা, ছোট কাটরা এবং  হারিয়ে যাওয়া আরও কিছু কাটরা'র গল্প

 কাটরা কী? বড় কাটরা, ছোট কাটরা এবং 

হারিয়ে যাওয়া আরও কিছু কাটরা'র গল্প।

কাটরা সম্ভবত আরবি ‘কাতার’ বা ‘কাতারা’ শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ খিলানযুক্ত ভবন। আরবি ও ফারসি সাহিত্যে এর উল্লেখ ‘ক্যারাভানসরাই’ বা ‘সরাইখানা’ নামে। কাটরা পথচারী ও ব্যবসায়ীদের জন্য নির্মিত, যা একটি অঙ্গনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে। অঙ্গনের চারদিকে থাকে বারান্দা, পরে কক্ষসমূহ। কক্ষসমূহে অতিথিরা রাত্রি যাপন করেন, তাদের বাহনের পশু ও ভ্রমণ সরঞ্জামাদি রাখা হতো অঙ্গনে। অতীতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রসারের ফলে সব দেশের বাণিজ্যপথের পাশেই নির্দিষ্ট দূরত্বে কাটরা নির্মিত হতো। বাণিজ্যের সুবিধার্থে বাংলাদেশেও কাটরা নির্মাণ হতো। এর উদাহরণ ঢাকায় মুঘল আমলে নির্মিত বড় কাটরা ও ছোট কাটরা।

বড় কাটরা: ঢাকার চকবাজারের দক্ষিণে বুড়িগঙ্গার তীরে অবস্থিত বড় কাটরায় ফারসি ভাষায় দুটি শিলালিপি আছে। একটিতে উৎকীর্ণ আছে, এ ভবন আবুল কাসেম কর্তৃক ১০৫৩ হিজরিতে নির্মিত। অন্যটিতে দেখা যায়, ১০৫৫ হিজরিতে শাহ সুজা স্থাপত্যটি কাটরা হিসেবে ব্যবহারের জন্য মীর আবুল কাসেমকে দিয়েছিলেন এই শর্তে যে, এ ওয়াকফ প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীগণ কাটরায় অবস্থানের যোগ্য কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে কোনো ভাড়া নিবে না। কাটরার ব্যয় নির্বাহের জন্য ২২টি দোকান ওয়কফ করে দেওয়া হয়। বড় কাটরা চতুর্ভুজাকৃতির এক অঙ্গনকে বেষ্টন করে নির্মিত হয়েছিল। এর প্রতি পার্শ্বে ২২টি কক্ষ ছিল। বর্তমানে এটি প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত। দক্ষিণাংশের কাঠামো পুরোপুরি বর্তমান থাকলেও উত্তরাংশ সম্পূর্ণ বিলুপ্ত। পূর্ব ও পশ্চিমাংশের সামান্য কিছু রয়েছে। বড় কাটরার সংস্কারে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকবার আদি ভবনের বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ঘটেছে।

ছোট কাটরা: বড় কাটরা হতে ১৮৩ মি. পূর্বে বুড়িগঙ্গা তীরে অবস্থিত যা নওয়াব শায়েস্তা খান ১৬৬৪ সালে নির্মাণ করেন। বড় কাটরা যে উদ্দেশ্যে নির্মাণ করা হয়েছিল, প্রায় সে উদ্দেশ্যেই এটি নির্মিত হয়েছিল। পরিকল্পনা ও নির্মাণ কৌশলে ছোট কাটরা অবিকল বড় কাটরার মতো কিন্তু আকারে ছোট। ছোট কাটরার খিলানসমূহ তিনভাঁজবিশিষ্ট। মিনারগুলো মজবুত ও অন্য মুঘল মিনারের তুলনায় মোটা। প্রাসাদের সিঁড়ি ও মেঝে কাঠের তৈরী। সিঁড়িগুলো বেশ চওড়া। প্রবেশপথ দুটি এখনও চিত্তাকর্ষক। উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ বেষ্টিত চারপাশের ভবনাদি ও আদি ভবন বহুবার নবায়ন, পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন, নবায়ন এবং প্রাঙ্গণে দোকান-পসরার ঘেষাঘেষিতে এর পূর্ব আকৃতি ও সৌন্দর্য বিনষ্ট হয়ে গেছে।

অন্যান্য কাটরা: এ দুটি ছাড়াও ঢাকায় আরও অনেকগুলি কাটরার নাম পাওয়া যায়, যেমন: মুকিম কাটরা, মায়া কাটরা, বকশীবাজার কাটরা, মুঘলটুলি কাটরা, নওয়াব কাটরা, নাজির কাটরা, রহমতগঞ্জ কাটরা, ক্যারাভান ও বাদামতলী কাটরা প্রভৃতি। নাম পাওয়া গেলেও এদের সম্পর্কে খুব একটা জানা যায়নি। তবে, মুকিম কাটরা সম্পর্কে কিছুটা তথ্য পাওয়া যায়। মুকিম কাটরার কিছু অংশ মৌলভী বাজার ও বাকিটা চকবাজারে অবস্থিত।এলাকাটিকে এখনও মুকিম কাটরা বলা হয়। এলাকাটি মির্জা মুকিমের নাম অনুসারে হয়েছিল। যিনি ১৬৬২ সালে মীরজুমলার শাসনকালে এটি তৈরি করেন। এ কাটরার অস্তিত্ব এখন আর নেই।

ছবি: ১৮৭০ সালে তোলা বড় কাটরার ছবি

সৌজন্যেঃ ঋষণা রূপকথা-The First Myth


ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য,জেনে নিন। 

 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য,জেনে নিন। 


🌻নামজারী কাকে বলে? 

ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়। 


🌻জমা খারিজ কাকে বলে? 

যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে। 


🌻খতিয়ান কাকে বলে? 

ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক। আমাদের দেশে CS, RS, SA এবং সিটি জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। এসব জরিপকালে ভূমি মালিকের তথ্য প্রস্তত করা হয়েছে তাকে “খতিয়ান” বলে। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান,BS খতিয়ান.... 


🌻পর্চা কাকে বলে? 

ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হ তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে। 


🌻মৌজা কাকে বলে? 

যখন CS জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা আলাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে। 


🌻তফসিল কাকে বলে? 

জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে। 


🌻দাগ নাম্বার কাকে বলে? 

যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। 


🌻ছুটা দাগ কাকে বলে? 

ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে। 


🌻খানাপুরি কাকে বলে? 

জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে। 


🌻আমিন কাকে বলে? 

ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে। 


🌻কিস্তোয়ার কাকে বলে? 

ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে। 


🌻খাজনা ককে বলে?

সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে। 


🌻দাখিলা কাকে বলে? 

ভূমি কর/খাজনা আদায় করে যে নির্দিষ্ট ফর্মে ( ফর্ম নং১০৭৭) ভূমি কর/খাজনা আদায়ের প্রমান পত্র বা রশিদ দেওয়া হয় তাকে দাখিলা বলা হয়। 


🌻DCR কাকে বলে? 

ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে। 


🌻কবুলিয়ত কাকে বলে? 

সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে। 


🌻নাল জমি কাকে বলে? 

২/৩ ফসলি সমতল ভূমিকে নাল জমি বলা হয়। 


🌻খাস জমি কাকে বলে? 

সরকারের ভূমি মন্ত্রনালয়ের আওতাধিন যে জমি সরকারের পক্ষে কালেক্টর বা ডিসি তত্ত্বাবধান করেন এমন জমিকে খাস জমি বলে। 


🌻চান্দিনা ভিটি কাকে বলে? 

হাট বাজারের স্থায়ী বা অস্থায়ী অকৃষি জমির যে অংশ প্রজার প্রতি বরাদ্ধ দেওয়া হয় তাকে চান্দিনা ভিটি বলে। 


🌻ওয়াকফ কাকে বলে? 

ইসলামি বিধান অনুযায়ী কোন ভূমি তার মালিক কর্তৃক ধর্মীয় ও সমাজ কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের ব্যয় ভার বহন করার উদ্দেশ্যে কোন দান করাকে ওয়াকফ বলে 


🌻মোতয়াল্লী কাকে বলে? 

যিনি ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান করেন তাকে মোতওয়াল্লী বলে। ওয়াকফ প্রশাসকের অনুমতি ব্যতিত মোতওয়াল্লী ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে না। 


🌻দেবোত্তর সম্পত্তি কাকে বলে? 

হিন্দুধর্ম মতে,ধর্মীয় কাজের জন্য উৎসর্গকৃত ভূমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি বলে। 


🌻ফারায়েজ কাকে বলে? 

ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে। 


🌻ওয়ারিশ কাকে বলে? 

ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলে তার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে। 


🌻সিকস্তি কাকে বলে? 

নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন। 


🌻পয়ন্তি কাকে বলে? 

নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে। 


🌻দলিল কাকে বলে?

যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবে তাকে দলিল বলে।


👨‍💼সংগ্রহে 

হাবীব উল্যাহ মিয়াজী 

সাংবাদিক ও আইনের ছাত্র

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

রাজধানী পরিবর্তন করার সময় এসেছে ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মতিঝিলে একটা বিল্ডিং আছে। বিল্ডিংটার নাম, ''জাতীয় চা বোর্ড''। ঢাকা শহরে কোনো চা বাগান নেই, কিন্তু জাতীয় চা বোর্ড নামক সরকারি প্রতিষ্ঠানটি খোদ ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত।

ঢাকায় মাছের চাষ হয় না। কিন্তু ''মৎস্য ভবণ'' দখল করে আছে রমনার একটি এলাকা।

ঢাকার কোথাও ধান, গম, মুলা চাষ হয় না। কিন্তু ''খামার বাড়ি'' নামক বিশাল ভবণটি ফার্মগেটে বসে আছে।

একটা দেশে ৬৪ টি জেলা আছে।

সেই দেশের ৬৩ জেলাকে বাদ দিয়ে সকল গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হয়েছে মাত্র ১টি জেলায়। ঢাকাতে।

যে মৎস্য ভবণ থাকার কথা চাঁদপুরে, সেটি ঢাকায়।

যে খামার বাড়ি থাকার কথা ময়মনসিংহে, সেটিও ঢাকায়।

চা বাগানের শহর সিলেট বাদ দিয়ে, চা বোর্ডটিও আমরা বসিয়ে রেখেছি ঢাকায়।

অনেক দেশ তাদের রাজধানী পরিবর্তন করেছে।আমাদের সময় এসেছে বিকল্প কিছু ভাবার

এরপরও যখন আপনারা যানজট নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেন, তখন আমার খুব হাসি পায়।রিকশা, হকার মুক্ত ফুটপাথ চাই।

কেউ কেউ বলেন, ফ্লাইওভার আর মেট্রোরেলের কথা। ভাই রে, এই ছোট্ট শহরে কয়টা মেট্রোরেল দেবেন? কয়টা ফ্লাইওভার বসাবেন? ফ্লাইওভার আর মেট্রোরেলের পাশাপাশি যদি হেলিকপ্টার সার্ভিসও দেন, ঢাকার আকাশে হেলিকপ্টারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হবে, তবু যানজটের খুব বেশি উন্নতি হবে না।

তার চেয়ে পুরো বাংলাদেশের ৬৪ টা জেলাকেই ঢাকার মতো গুরুত্বপূর্ণ ভাবতে শিখুন। দেশের প্রতিটি ইঞ্চিকে সমানভাবে ভালবাসুন। উন্নয়ণের জোয়ার ভাটার খেলা কেবল এই ছোট্ট শহরে মধ্যে না চালিয়ে, সারা বাংলাদেশে চালান।

তাহলে দুটো জিনিস হবে।

১. পুরো বাংলাদেশে এগিয়ে যাবে।

২. ঢাকায় কোনো যানজট থাকবে না

এত ছোট শহরে এত মানুষ। এত দোকান অল্প জায়গায়। তাইতো  বংগ বাজার পুড়ে গেল।।গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে হবে।আসুন গ্রামে যাই

ঢাকার যানজট নিরসনের এটাই একমাত্র পদ্ধতি।

নেট থেকে ডাউনলোড করা আইডিয়া বাদ দিয়ে, একটু মাথা ঘামান।

মাথা কেবল চুল আচড়ানোর জন্য নয়। মাঝে মাঝে মাথা খাটিয়ে বুদ্ধি বের করতে হয়। ওটাই কিন্তু মাথার আসল কাজ। বুদ্ধি বের করা।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

বুধবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৪

বেশ্যা একটি গালি, দেখেন মিলে কি না??

 বেশ্যা একটি গালি,

দেখেন মিলে কি না??


"অবৈধভাবে জ্ঞাত 

আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে যারা আজ সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত এরাই হলো সমাজের সবচেয়ে নিকৃষ্ট বেশ্যা।"


কিন্তু বেশ্যা চরিত্রটা কি খুব খারাপ ?


✍️অর্থের বিনিময়ে যে নারী দেহ বেচে সে বেশ্যা।

✍️অর্থের বিনিময়ে যে নৈতিকতা বেচে সেও বেশ্যা।

✍️অর্থের বিনিময়ে যে ফাইলে সই করে সেও বেশ্যা।

✍️অর্থের বিনিময়ে যে চাকুরিতে নিয়োগ দেয় সেও বেশ্যা।

✍️অর্থের বিনিময়ে যে আসামীকে জামিন দেয় সেও বেশ্যা।

✍️অর্থের বিনিময়ে যে দলের পদ বেচে সেও বেশ্যা।

✍️অর্থের বিনিময়ে যে নমিনেশন বেচে সেও বেশ্যা।


😥তবে যার বেচার মত অবশিষ্ট আর কিছু থাকেনা

সেই নারী  শুধু দেহ বেচে।

👉কার কাছে বেচে তার নাম কি??? 


কবি লিখেছেন:----------

😇বেশ্যা"😇

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম


সাধুর নগরে বেশ্যা মরেছে

পাপের হয়েছে শেষ,

বেশ্যার লাশ হবে না দাফন

এইটা সাধুর দেশ। 

জীবিত বেশ্যা ভোগে তো আচ্ছা, মরিলেই যত দোস?

দাফন কাফন হবে না এখন

সবে করে ফোস ফোস।

বেশ্যা তো ছিল খাস মাল, তোদের রাতের রানী,

দিনের বেলায় ভুরু কোচ কাও?

মরিলে দেওনা পানি!

সাধু সুনামের ভেক ধরিয়া দেখালি দারুন খেলা,

মুখোশ তোদের খুলবে অচিরে 

আসবে তোদের বেলা।

রাতের আধারে বেশ্যার ঘর স্বর্গ তোদের কাছে, 

দিনের আলোতে চিননা তাহারে? 

তাকাও নাকো লাজে!

চিনি চিনি ভাই সব সাধু রেই হরেক রকম সাজ,

সুযোগ পেলেই দরবেশী ছেরে দেখাও উদ্দাম নাচ!

নারী আমাদের মায়ের জাতি  বেশ্যা বানালো কে? 

ভদ্র সমাজে সতীর ছেলেরা খদ্দের সেজেছে?

গরীবের বৌ সস্তা জিনিস সবাই ডাকো ভাবি,

সুযোগ পেলেই প্রস্তাব দাও আদিম পাপের দাবি। 

স্বামী যখন মরলো ভাবির দুধের শিশু কোলে,

ভদ্র দেবর সুযোগ খোঁজে সহানুভূতির ছলে, 

দিনের মত দিন চলে যায়, 

হয় না তাতে দোষ

মরা লাশের সুযোগ পেয়ে মোল্লার রোষ।

মোল্লা সাহেব নায়েবে রাসুল ফতোয়া ঝারিশা কয়,

পতিতা নারীর জানাজা কবর এই এলাকায় নয়।

শুধাই আমি ওরে মোল্লা জানাযায় যত দোষ,

বেশ্যার দান নিয়াছো ঝোলিয়ে তুমি বেটা নির্দোষ?

বেশ্যার তবু আছে পাপ বোধ নিজেকে সে ভাবে দোষী,

তোমরা তো বেটা দিন বেচে খাও হচ্ছেয় খোদার খাসি।

আল্লাহর ঘর মসজিদে ও আছে বেশ্যার দান -কলেমা পড়েছে সে ওতো তবে নামেতে মোসলমান!

বেশ্যা নারী ব্যবসায় নারী পুরুষরা পুরুষরা সব সৎ?

জানি মোল্লা খুলবে না মুখ চাকরি যাওয়ার পথ!

আর কতকাল থাকবি অমন মুখোশ ধারীর দল,

আসবো এবার মশাল নিয়ে ভাঙতে তোদের কল।

সত্যর আলো জলবে যখন চিনবে তোদের সবে,

লেবাশধারী মুখোশধারী মুখোশ উপরে যাবে।

এই ভাবে আর চালাবি কত ছল চাতুরীর খেলা।

আসবে তিনি, এবার তোদের বিদায় নেবার পালা।।।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ  ১৭-০৪-২০২৪

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ  ১৭-০৪-২০২৪


আজকের সংবাদ শিরোনাম


দেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে আজ পালিত হচ্ছে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস।

 

বিশ্বমানের ও যুগোপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান।

 

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে থাকবে না এমপি-মন্ত্রী ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ --- বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

 

পেশাদার সাংবাদিকদের দাবির প্রেক্ষিতে অনিবন্ধিত ও অবৈধ অনলাইন নিউজ পোর্টাল বন্ধে পদক্ষেপ নেয়া হবে --- জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।


গাজায় দুর্ভিক্ষ রোধের চেষ্টা এখনও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে --- জানিয়েছে জাতিসংঘ।

 

এবং আজ পচেফস্ট্রুমে তৃতীয় ও শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার মোকাবেলা করবে শ্রীলংকা নারী দল ।

মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৪

আসলে সুখ কোথায়?

 আসলে সুখ কোথায়?

আবুল মিয়া ফর্সা মানুষ, বউটা তাহার কালো

এই কারণে বউটা বেশি ,লাগে না তার ভালো।

সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ  ১৭-০৪-২০২৪


আজকের সংবাদ শিরোনাম


দেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান উপলক্

বউটা আবার কালো হইলেও, বড় ঘরের বেটি

বাপের ঘরে খাইছে শুধু ,বড় মাছের পেটি।


ভালো খেয়ে বড় হওয়া ,এই বেচা*রির মুখে

স্বামীর ঘরের ভর্তা ভাজি ,পান্তা কি আর ঢোকে।


বউয়ের জ্বালা জামাই গরিব, স্বামীর বউ তার কালো

দুইজনেই কয় এমন সংসার, ভেঙ্গে দেওয়াই ভালো।


দুইজনেই ভুইলা তাদের, দুই মানিকের কথা

সোনার সংসার ভেঙ্গে দিল, এ দুই মাতা পিতা।


 নিজের ভুলে পথ হারিয়ে, পথভোলা এই নারী

নিজেই নিজের ঘর ভাঙ্গিয়া, গেল বাপের বাড়ি।


ভেবেছিল ভাইয়েরা তার, আগের মতই আছে

আগের মতই বাসবে ভালো টানবে বুকের কাছে।


বাপের বাড়ি গিয়ে দেখে ভাবনাটা তার ভুল

ভাই ভাবিদের হাতে এখন ,বিষ কাঁটা আর হূল।


কথায় কথায় কথার খুটার, হূল কাঁটা দেয় গায়

পাড়াপড়শি ও কাটা গায়ে ,লবণ দিয়ে যায়।


ভাই ভাবীদের কাছ থেকে এই, আঘাত পাওয়ার পর

বুঝতে পারে স্বামীর ঘরেই, নারীর আসল ঘর।


হেলায় হেলায় ঘর ভাঙ্গিয়া ,ঘর হারা এই নারী

চোখের জলে বক্ষ ভাসায় ,বইসা বাপের বাড়ি।


ওইদিকে তার স্বামী আবার, করছে আরেক বিয়ে

বিয়ে করে পড়ছে জ্বালায়, বাচ্চা দুটো নিয়ে।


এমনিতেই এই বাচ্চা দুটোর, মা নাই তাদের কাছে

এখন আবার সৎ মা তাদের, লেগে থাকে পাছে।


খানা খাদ্য খায় না ওরা ,সারাটা দিন ঝিমায়

এদের নিয়ে বাপটা পরছে, ফাটা বাঁশের চিপায়।


চিপায় পইরা বাপটা কান্দে, বাচ্চা বাপের দোষে

মা টা কান্দে ঘর হারাইয়া, ভাইয়ের ঘরে বসে।


এই যে এত কান্নাকাটি, এত চোখের জল

সবটা হইলো হেলায় হেলায় ,ঘর ভাঙ্গিবার ফল।


কারো বুকে ঘর ভাঙ্গিবার ,স্বপ্ন যদি জাগে

এদের একটু দেইখা নিও, ঘর ভাঙ্গিবার আগে।

(সংগৃহীত)

কথা হজম করতে শিখুন,,, কিছু উপদেশ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১. কথা হজম করতে শিখুন, এটা অনেক বড় গুণ- আপনাকে জিততে সহায়তা করবে! কথা না বাড়িয়ে নীরবে কাজ করে যান; আপনার কাজই আপনার হয়ে কথা বলবে। মন খারাপের কারণ অতীত আর টেনশন-এর কারণ ভবিষ্যৎ। তারচেয়ে বরং বর্তমানকে উপভোগ করুন; আনন্দে বাঁচুন!


২. ঠেকতে ঠেকতে সোজা সরল ভালো মানুষটিও বুঝে যায়- কে তাকে সত্যিকারের ভালোবাসে আর কে তাকে নিজ স্বার্থে ব্যবহার করে? আপনার সামনে যিনি আপনার প্রশংসা আর অন্যের সমালোচনা করেন, একটু পরেই তিনি অন্যের কাছে আপনাকে নিয়ে একই কাজ করবেন! 


৩. পরম সমালোচনাকারী হচ্ছে- যিনি প্রতিনিয়ত আপনাকে আর্শীবাদ করেন ‘একজন’ হয়ে উঠার জন্য...! সমালোকেরা নিঃসন্দেহে আপনার ভালো বন্ধু- বিনা পয়সায় ভুল ধরিয়ে দিতে সর্বদা তৎপর থাকেন... তাঁদের কখনোই অবহেলা করবেন না! আপনি বরং বিনয়ী হোন, মানুষকে সম্মান করুন ও গুরুত্ব দিন; সবকিছু বহুগুণ হয়ে আপনার কাছেই ফেরত আসবে!


৪. কেউ যদি আমায় ঈর্ষা করে, আমি খুবই খুশি হই। কারণ আমি বুঝতে পারি যে, আমি সঠিক কাজটাই করছি! আপনার কাজ বা কথা নিয়ে কেউ কোনো মন্তব্য করল না, তার মানে আপনি সঠিক জায়গায় পৌঁছতে পারেননি!! মানুষের জনপ্রিয়তার মাত্রা নির্গত হওয়া উচিত তার শত্রু ও সমালোচকের সংখ্যার ভিত্তিতে!!!


৫. জিততে হলে কখনো কখনো হারতে হয়। আজকের হারই হয়ত ভবিষ্যতে বড় বিজয় এনে দেবে। কখনো বোকার সঙ্গে তর্কে জড়াবেন না- এটা সময়ের অপচয়! সম্ভব হলে আপনি অন্যদেরকে জিতিয়ে দিন, জিতে গেছে ভেবে কেউ যদি খুশি হয়, আপনিও নীরবে একটুখানি হেসে নিন। অন্যের সুখে সুখী হতে পারলে আপনিই মহাসুখী!


৬. চিতা বাঘ কখনো কুকুরের সঙ্গে দৌড় প্রতিযোগিতা করে না। আপনি যে চিতা বাঘ তা বোঝানোর জন্য শুধু সঠিক সময়ের অপেক্ষায় থাকুন। হয়ত অনেক কিছু পারেন; তবে দরকার নেই তা বলে বেড়ানোর। নীরবে কাজ করে যান... যার প্রয়োজন তিনি আপনাকে ঠিকই খুঁজে নেবেন। তবে অযোগ্য কাউকে টেনে উপরে তুললে সে-ই এক সময় উল্টো আপনার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রতিশোধ নেবে!


৭. আপনি  দুনিয়ার কাউকে বদলাতে পারবেন না, শুধু নিজেকে ছাড়া। আপাতত সেটাই করুন-  নিজেকে বদলে ফেলুন; আর অন্তত দুজন অসহায় মানুষকে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে  সাহায্য করুন। সবাই এই নীতিতে বিশ্বাসী হয়ে কাজ করলে চারপাশের দুনিয়া এমনিতেই বদলে যাবে!


৮. আপনার চিন্তা-ভাবনার ওপরে যারা আস্থা রাখতে পারে না, তাদেরকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়ার দরকার নেই। নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখুন- এটাই আপনাকে সবার মাঝে বিশ্বাসী ও আস্থাভাজন করে তুলবে; স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।


৯. জীবনের পরীক্ষায় অনেকেই হেরে যান কারণ তারা অন্যকে copy করার চেষ্টা করেন, কিন্তু তাদের আসলে জানা নেই- প্রত্যেকের প্রশ্নপত্রটাই আলাদা! কোথায় জন্মেছেন- সেটা আপনার নিয়তি; কোথায় পৌঁছাবেন- সেটা আপনার কর্মফল!


১০. আজকে থেকে ঠিক ৯৯৯ দিন পরে আপনার অবস্থান কোথায় হবে- সবকিছুই নির্ভর করছে এখন কাদের সঙ্গে মিশছেন আর কী কী বই পড়ছেন, তার ওপর!


১১. কোনো কথা শোনামাত্রই যাচাই না করে বিশ্বাস করবেন না। কেননা মিথ্যা কথা সব সময়ই সত্যের চাইতেও তীব্রতর। প্রমাণের ঝামেলা নেই বলে মিথ্যে কথা ও গুজব দ্বিগুণ গতিতে ছোটে। কিন্তু সত্যটা প্রমাণ করতে যথেষ্ট সময়ক্ষেপণ ও বেগ পেতে হয়!


১২. জীবনটা বড্ড ক্ষণস্থায়ী, ভালো করারই সময় কম। মন্দ কাজ করার সুযোগ কই? ভালো মানুষ সাজার ভান না করে ভালো মানুষ হয়ে গেলেই তো হয়!


১৩. আপনার স্বপ্ন নিয়ে কেউ যদি হাসা-হাসিই না করে, তবে বুঝে নেবেন- লক্ষ্যটা খুব ছোট হয়ে গেছে! আবার স্বপ্ন পূরণে বেশি কালক্ষেপণ করলে অন্য কেউ সেটা বাস্তবায়ন করে নিজের বলে চালিয়ে দিতে পারে..! তবে যে স্বপ্ন বাস্তবায়নের শুরুতেই অন্যের সহযোগিতা নিতে হয় অর্থাৎ নিজে এগিয়ে নিতে পারেন না- সেই স্বপ্ন দেখবেন না।


১৪. কেউ কেউ ইতিহাস গড়েন, বাকিরা সেই ইতিহাস পড়ে পরীক্ষায় পাস করেন! বিখ্যাত মানুষের সঙ্গে সেলফি তুলে পোস্ট না দিয়ে এমন কাজ করুন, যাতে অন্যেরা আপনার সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক গণমাধ্যমে পোস্ট করে।


১৫. মানুষ মাটি দিয়ে তৈরি, মাটিজাত খাবার খেয়ে বাঁচে, মৃত্যুর পরে আবার মাটিতেই মিশে যাবে; তার কি অহংকার ও রাগ করা সাজে? মানুষের গ্রহণযোগ্যতা কখনো ফেসবুক-এ লাইক-এর সংখ্যা দিয়ে যাচাই করা যায় না; মৃত্যুর পর উনার জানাজায় ক’জন হাজির হলেন- সেটাও দেখার বিষয়!


১৬. সুস্থ দেহ+প্রশান্ত মন = উপভোগ্য জীবন। শরীরের সুস্থতার জন্য চাই পরিমিত খাদ্যাভ্যাস আর মনের প্রশান্তির জন্য চাই রুচিশীল পাঠ্যাভ্যাস।


১৭. জ্ঞানীরা বলেন কেননা তাঁদের কাছে বলার মতো কিছু কথা আছে; আর মূর্খরা বলেন কেননা তাদেরও কিছু বলতে ইচ্ছে করে! কাউকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার আগে অন্তত তাঁর সমান যোগ্যতা অর্জন করে নিতে হয়...!


১৮. যে কাজের জন্য বিবেক প্রশ্নবিদ্ধ করে, সে কাজ থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। যা কিছু পেয়েছেন, তার জন্য শুকরিয়া আদায় করুন, ধৈর্যধারণ করুন… ভবিষ্যতে আরো ভালো দিন আসবে!


১৯. প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মাঝে যে সমন্বয় ঘটাতে পারে, সে-ই প্রকৃত সুখী। হবে না, পারবো না, আমার কপালে নেই কথাগুলো প্রায়ই বলে থাকি। কিন্তু মজার ব্যাপার- নিজেকে জিজ্ঞেস করলে যে উত্তর পাওয়া যাবে, তা কিন্তু একেবারেই উল্টো। আমি পারবো, আমাকে দিয়েই হবে- এই শক্তি অন্তরে লুকিয়ে থাকে, জীবন যুদ্ধে শক্ত হাতে হাল ধরতে পারাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। নেতিবাচক ভাবনার টানুন ইতি, বেড়ে যাবে জীবনের গতি!


২০. মস্তিষ্ক কখনো অলস সময় কাটাতে পারে না, সর্বক্ষণ কিছু না কিছু চিন্তা করবেই। মজার ব্যাপার হলো- আপনি যখনি আগের চিন্তা ডাউনলোড করে ফেলবেন (অর্থাৎ কাগজ-কলম নিয়ে লিখে ফেলবেন এবং কাজে প্রয়োগ করবেন), মস্তিষ্ক কেবলমাত্র তখনি নতুন কিছু ভাববার সুযোগ পায়, নচেৎ আগের চিন্তাটাই মাথার মধ্যে ঘুরপাক খেতে থাকে। কোনো একটা চিন্তা কাজে পরিণত না করে মাথায় নিয়ে বসে থাকলে নতুন চিন্তা মাথায় আসে না (ঢোকার জায়গা পায় না)। কোনো পরিকল্পনাই গ্রহণযোগ্য নয়, যতক্ষণ না সেটি বাস্তবায়িত হচ্ছে…! তাই মাথায় যত বুদ্ধি আসে, যত দ্রুত সম্ভব কাজে লাগান; হয় লাভ হবে নইলে অভিজ্ঞতা হবে! অর্জন হিসেবে কোনোটাই মন্দ নয়।


২১. পৃথিবীতে এমন কোনো কাজ নেই- যা করলে জীবন ব্যর্থ হয়। জীবন এতই বড় ব্যাপার যে একে ব্যর্থ করা খুবই কঠিন! যারা কোনোকালেই কিছু করবে না- তারাই কেবল বলে অসম্ভব। এ জগতে মানুষের কাছে অসম্ভব বলে কিছুই নেই- থাকতে পারে না। এ পৃথিবীতে অসম্ভব বলে যদি কিছু থাকে, সেটা আছে কেবল মূর্খ ও অলসদের অভিধানে! 


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

দিপু বসের মেসেজ ১৬/০৪/২০২৪

 ৯ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত লোকেশন  এবং ডাটা অন রাখবেন Must .. অফ রাখলে SPRO  মাধ্যমে বোঝা যায় আর যদি এমন বোঝা যায় যে কেউ অফ করে রাখছে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে...!


আপনি এটেনডেন্ট কোন এরিয়া থেকে দিচ্ছেন এটা খুব ভালো মতো বোঝা যায়


আপনার এটেন্ডেন্স এবং ইনডয়ার্ক যদি আপনার মার্কেটের বাহিরে পাওয়া যায় আপনাকে ঐদিন Half day absent  করা হবে.. 



রাসেল স্যারের নির্দেশ.


So do  work with your responsibility..!

স্যারের মেসেজ ১৬/০৪/২০২৪

 Our sales is very poor. Some aren't interested to sales pesticide & Fertilizer items. If you aren't interested in selling, then you leave the Company.

গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z

 #গ্রীষ্মকালীন_লাউ_চাষের_A_to_Z  গ্রীষ্মকালেও লাউ চাষ করে ভালো ফলন ও লাভ পাওয়া সম্ভব। তবে এজন্য দরকার উপযুক্ত জাত, সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ, মাচ...