এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ২২ মে, ২০২৪

সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ২২-০৫-২০২৪ খ্রি

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ২২-০৫-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা আজ — বৌদ্ধ সম্প্রদায়সহ সকলকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা।


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ — কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে দেশটির সহযোগিতা চাইলেন শেখ হাসিনা।


উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আওয়ামী লীগ সমর্থকদের জয় লাভ। 


দ্বিতীয় ধাপেও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ছিল শান্তিপূর্ণ — মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।


নেতিবাচক রাজনীতি ও সংঘাত না থাকলে  আরও এগিয়ে যেত বাংলাদেশ —বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুতে আগামীকাল দেশে পালিত হবে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক। 


আজ তেহরানে প্রেসিডেন্ট রাইসির স্মরণে মূল শোক র‌্যালী অনুষ্ঠিত হবে - যোগ দেবেন অন্যান্য দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। 


গতকাল টেক্সাসে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি পর্বে তিন ম্যাচ টি—টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে বাংলাদেশকে ৫ উইকেটে হারালো স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র।


মঙ্গলবার, ২১ মে, ২০২৪

১০০ টি কালজয়ী ভারতীয় বাংলা ছবি, শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দেখতে পারেন

 ♦️( ১০০ টি কালজয়ী ভারতীয় বাংলা ছবি, শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দেখতে পারেন)

অন্যতম সেরা একশত ভারতীয় বাংলা সিনেমা: আমার দেখা ভারতীয় উওমহাদেশে সবচেয়ে সমৃদ্ধ সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি। সেইখান থেকে একশত সিনেমা তালিকা করা ককষ্টসাধ্য ব্যাপার(নিচের সিরিয়াল মান অনুযায়ী নয়) 


১.পথের পাঁচালী(১৯৫৫)- সত্যজিৎ রায়

২.মেঘে ঢাকা তারা(১৯৬০)- ঋত্বিক ঘটক

৩.অপুর সংসার(১৯৫৯)- সত্যজিৎ রায়

৪.দেবী(১৯৬০)- সত্যজিৎ রায়

৫.নায়ক(১৯৬৬)- সত্যজিৎ রায়

৬.ইন্টারভিউ(১৯৭১)- মৃনাল সেন

৭.অযান্ত্রিক(১৯৫৮)- ঋত্বিক ঘটক

৮.বাঞ্চারামের বাগান(১৯৮০)- তপন সিনহা

৯.অশনী সংকেত(১৯৭৩)- সত্যজিৎ রায়

১০.আকালের সন্ধানে(১৯৮০)- মৃনাল সেন

১১.সাত পাকে বাঁধা(১৯৬৩)-অজয় কর 

১২.গনদেবতা(১৯৭৮)- তরুন মজুমদার

১৩.গল্প হলেও সত্যি(১৯৬৬)- তপন সিনহা

১৪.মহানগর(১৯৬৩)-সত্যজিৎ রায়

১৫.সোনার কেল্লা(১৯৭৪)- সত্যজিৎ রায়

১৬.পরশ পাথর(১৯৫৮)- সত্যজিৎ রায়

১৭.গোপী ঘাইন বাঘা বাইন(১৯৬৯)- সত্যজিৎ রায়

১৮.পদাতিক(১৯৭৩)- মৃনাল সেন 

১৯.যুক্তি তক্কো আর গপ্পো(১৯৭৪)- ঋত্বিক ঘটক

২০.হীরক রাজার দেশে(১৯৮০)- সত্যজিৎ রায়

২১.পারমিতার একদিন(১৯৯৯)- অপর্ণা সেন

২২.বাড়িওয়ালী(১৯৯৯)- ঋতুপর্ণ ঘোষ

২৩.উৎসব(২০০০)- ঋতুপর্ণ ঘোষ

২৪.পদ্মা নদীর মাঝি(১৯৯৩)- গৌতম ঘোষ

২৫.অরন্যের দিনরাত্রি(১৯৭০)- সত্যজিৎ রায়

২৬.একদিন প্রতিদিন(১৯৭৯)- মৃনাল সেন

২৭.সতী(১৯৮৯)- অপর্ণা সেন

২৮.আবহমান(২০১০)-  ঋতুপর্ণ ঘোষ

২৯.লাল দরজা(১৯৯৭)- বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত

৩০.শব্দ(২০১৩)- কৌশিক গাঙ্গুলী

৩১.কাঞ্চনজঙ্ঘা(১৯৬২)- সত্যজিৎ রায়

৩২.সাড়ে ৭৪(১৯৫৩)- অগ্রদূত

৩৩.উত্তর ফাল্গুনী(১৯৬৩)- অসিত সেন 

৩৪.আগুন্তক(১৯৯১)- সত্যজিৎ রায়

৩৫.পরমা(১৯৮৫)- অপর্ণা সেন

৩৬.চোখের বালি(২০০৩)- ঋতুপর্ণ ঘোষ

৩৭.সুবর্ণ রেখা(১৯৬৫)- ঋত্বিক ঘটক

৩৮.চারুলতা(১৯৬৪)- সত্যজিৎ রায়

৩৯.হাঁসুলি বাঁকের উপকথা(১৯৬২)- তপন সিনহা

৪০.ঊনিশে এপ্রিল(১৯৯৫)- ঋতুপর্ণ ঘোষ

৪১.কলকাতা ৭১(১৯৭২)- মৃণাল সেন

৪২.দহন(১৯৯৭)- ঋতুপর্ণ ঘোষ

৪৩.বসন্ত বিলাপ(১৯৭৩)- দিনেন গুপ্ত

৪৪.জলসাঘর(১৯৫৮)- সত্যজিৎ রায়

৪৫.অপুর পাঁচালী(২০১৪)- কৌশিক গাঙ্গুলী

৪৬.এন্টনি ফিরিঙ্গি(১৯৬৭)-  সুনীল বন্দ্যোপাধ্যায় 

৪৭.জতুগৃহ(১৯৬৪)- তপন সিনহা

৪৮.অপরাজিত(১৯৫৬)- সত্যজিৎ রায়

৪৯.জন অরন্য(১৯৭৬)- সত্যজিৎ রায় 

৫০.বেলাশেষে(২০১৫)- নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় 

৫১.ইচ্ছে(২০১১)- নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় 

৫২.আমার ভুবন(২০০২)- মৃণাল সেন 

৫৩.সহজ পাঠের গপ্পো(২০১৭)- মানস মুকুল পাল

৫৪.দাদার কীর্তি(১৯৮০)-  তরুন মজুমদার 

৫৫.মুক্তধারা(২০১৩)- নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় 

৫৬.জাতিস্মর(২০১৪)- সৃজিত মুখোপাধ্যায়

৫৭.আসা যাওয়ার মাঝে(২০১৫) আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত

৫৮.দ্য জাপানিজ ওয়াইফ(২০১৪)- অপর্ণা সেন 

৫৯.আলো(২০০৩)- তরুন মজুমদার

৬০.কোমল গান্ধার(১৯৬১)- ঋত্বিক ঘটক

৬১.সোনার পাহাড়(২০১৮)- পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়

৬২.চতুষ্কোন(২০১৪)- সৃজিত মুখোপাধ্যায়

৬৩.অন্তহীন(২০০৯)-অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী

৬৪.প্রাক্তন

৬৫.শুভ মহরত

৬৬.বালিকা বধূ

৬৭.হারানো সুর(১৯৫৭)- অজয় কর

৬৮.আকাশ কুসুম(১৯৬৫)-  মৃনাল সেন

৬৯.কাবুলিওয়ালা(১৯৫৭)- তপন সিনহা 

৭০.ঝিন্দের বন্দী(১৯৬১)- তপন সিনহা

৭১.ঘরে বাইরে(১৯৮৪)- সত্যজিৎ রায়

৭২.গয়নার বাক্স(২০১৩)- অপর্ণা সেন

৭৩.যুগান্ত(১৯৯৫)- অপর্ণা সেন

৭৪.গনশত্রু(১৯৮৯)- সত্যজিৎ রায়

৭৫.আরেকটি প্রেমের গল্প(২০১০)- কৌশিক গাঙ্গুলী

৭৬.চিত্রাঙ্গদা(২০১২)- ঋতুপর্ণ ঘোষ

৭৭.লাঠি(১৯৯৬)- প্রভাত রায়

৭৮.কালপুরুষ(২০০৫)- বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত

৭৯.পরশুরামের কুঠার(১৯৮৯)- নবেন্দু চট্টোপাধ্যায় 

৮০.উত্তরা(২০০০)-বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত 

৮১.সবার উপরে(১৯৫৫)-  অগ্রদূত

৮২.সপ্তপদী(১৯৬১)- অজয় কর 

৮৩.নৌকাডুবি

৮৪.হঠাৎ বৃষ্টি

৮৫.তাহাদের কথা(১৯৯২)- বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত 

৮৬- অর্ন্তঞ্জলি যাত্রা(১৯৮৭)- গৌতম ঘোষ 

৮৭.যমালয়ে জীবন্ত মানুষ(১৯৫৮)- প্রফুল্ল চক্রবর্তী

৮৮.হসপিটাল(১৯৬০)- সুশীল মজুমদার

৮৯.ভানু গোয়েন্দা জহর এসিট্যান্ট(১৯৭১)- পুর্নেন্দু রায় চৌধুরী

৯০.বিদ্যাসাগর(১৯৫০)- কালী প্রসাদ ঘোষ 

৯১.ভানু পেল লটারি(১৯৫৮)- 

৯২.চৌরঙ্গী(১৯৬৮)- পিনাকি ভূষণ 

৯৩.দ্বীপ জ্বেলে যাই(১৯৫৯)- অসিত সেন 

৯৪.জ্যেষ্টপুত্র(২০১৯)- কৌশিক গাঙ্গুলী 

৯৫.হামি(২০১৮)- নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় 

৯৬.নিমন্ত্রন(১৯৭১)- তরুন মজুমদার 

৯৭.আদালত ও একটি মেয়ে(১৯৮২)- তপন সিনহা

৯৮.মনের মানুষ(২০১০)- গৌতম ঘোষ 

৯৯.সবুজ দ্বীপের রাজা(১৯৭৩)- তপন সিনহা

১০০.বাইশে শ্রাবণ(২০১১)- সৃজিত মুখোপাধ্যায়

©হৃদয় সাহা


কোন ছবি গুলো বাদ পরেছে যা এ লিস্টে আসার মত তা কমেন্টে জানিয়ে দিন ❤️

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজের অটোগ্রাফ দেওয়ার জন্য এক টাকা নিতেন ।

 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজের অটোগ্রাফ দেওয়ার জন্য এক টাকা নিতেন ।

       আর সেই অটোগ্রাফের টাকা তোলা নিয়ে হয়ে গেল এক ধুন্ধুমার কাণ্ড!

         নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর ভক্তদের কাছে কবির জনপ্রিয়তা  এমন জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছিল, বলার নয়। 

নিজের অটোগ্রাফ দেওয়ার জন্য প্রতিদিন অসংখ্য ভক্ত কবির  অটোগ্রাফ নিতে আসতে শুরু করল।

 

প্রতিদিন অসংখ্য অটোগ্রাফের  খাতা আসত  কবির কাছে।

শুধু নাম সই করলে চলবে না, সঙ্গে দু'এক লাইন কবিতাও চাই।

প্রতিদিন কবিকে প্রচুর অটোগ্রাফের খাতায় সই করতে হত।

এছাড়া আরো অনেক আবদার মাখানো চিঠি আসত প্রতিদিন।

যেমন, 

আমার  ছেলে বা মেয়ের একটা নাম দিন দয়া করে।


সামনে মেয়ের বিয়ে, একটু আশীর্বাণী লিখে  দিন।

ছেলের অন্নপ্রাশন, দু'এক লাইন লিখে দিন আশীর্বাণী।

কার্ডে ছাপা হবে।


 অদ্ভুত সব চিঠি আসত। 

কেউ একটা কবিতার বই ছাপিয়েছে।

সেই কবি আবদার করে  লিখছে, 

আপনি নোবেল কমিটির কাছে  সুপারিশ করে একটা চিঠি  লিখে দিন যাতে  এ বছরের নোবেল প্রাইজটা আমি পেতে পারি। 

কবি এইসব পড়ে কাঁদবেন না হাসবেন, ভেবে পেতেন না।


একটা সময়  ব্যাপারগুলো কবির কাছে  অসহ্য হয়ে  গেল।

কবি ঠিক করলেন এবার থেকে আমি এক টাকা করে নেব  অটোগ্রাফের জন্যে।

এতে ভিড় কিছুটা কমবে।

আর এই টাকা শান্তিনিকেতনের দরিদ্র ভান্ডারের জন্য জমা হবে।

দরিদ্র ভান্ডারের উপকারও হবে।


রবীন্দ্রনাথ এ কাজের দায়িত্ব দিলেন আশ্রমের একজন আলু নামের কর্মীকে।

ভিড় তো কমলোই না উল্টে 

এই আলুর জন্যে কবিকে কত বিড়ম্বনায় যে পড়তে হল, তা বলার নয়।

আলুকে অটোগ্রাফের জন্য টাকা তোলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

আলু টাকা তুলতে লাগল। 

কিন্তু মুশকিল হল আলু একটু বাড়াবাড়ি শুরু করে  দিল।

আলু শেষে আশ্রমের ছেলেমেয়েরা অটোগ্রাফের জন্যে এলেও, তাদের কাছ থেকেও  টাকা নিত।

এমনকি কবির পরিচিত মানুষদের  কাছ থেকে অটোগ্রাফের জন্য টাকা নিত।

কবি বললেন,

 আরে আলু  করছো  কি? 

ওদের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছো কেন? 

আলু বলে,

 আপনিই তো নিয়ম করেছেন, আমি কি করবো?


শেষে কবি বললেন,

 থাক অনেক হয়েছে বাবা, আর তোমাকে টাকা তুলতে হবে না।

এবার থেকে অটোগ্রাফের জন্যে কাউকে টাকা দিতে হবে না।


কবি হয়'ত মনে মনে বলেছিলেন কেন যে মরতে নোবেল প্রাইজটা পেলাম!

এজন্য কবি কি মনের দুঃখে গান লিখেছিলেন? 

" এ মণিহার আমায় নাহি সাজে। "


কে জানে?  


তথ্য সূত্রঃ

কবির স্নেহধন্যা  রাণী চন্দের বই,  "গুরুদেব " থেকে নেওয়া ।

( সংগৃহীত  )

জাতীয় সংগীতের সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নন!

 জাতীয় সংগীতের সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নন!


১৮৯০ থেকে ১৯০০ সাল। এই দশবছর টানা রবীন্দ্রনাথ কুষ্টিয়ার শিলাইদহে কাটিয়েছেন। এখানে বসে লেখা কবিতা ও গল্পগুলোই রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ঠ কীর্তি বলে মনে করা হয়। রবিঠাকুর তখন শিলাইদহের জমিদার।

স্ত্রী-ছেলেমেয়ে নিয়ে থাকেন কুঠি বাড়িতে। একদিন গভীর রাত। রবীন্দ্রনাথ জেগে আছেন। হয়তো লিখছিলেন, কিংবা ভাবনার জগতে ছিলেন নিমগ্ন।

হঠাৎ কে যে গান গেয়ে যায়। রবিন্দ্রনাথ ঝুল বারান্দায় আসেন। কুঠিবাড়ির সামনে চওড়া গেঁয়োপথ। সেই পথে কে যেনে গান গেয়ে যাচ্ছে।

লোকটার হাতে লন্ঠন। দূর থেকে ম্লান আলোয় পুরো চেহারা বোঝা যায় না। রবীন্দ্রনাথের মনে ধরে গানটা। যেমন কথা, তেমনি মিঠে সুর। গায়কীও চমৎকার।

পরদিন  রবীন্দ্রনাথ জানতে পারেন, রাতে যিঁনি গান গাইতে গাইতে এই পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তিনি শিলাইদহ পোস্ট অফিসের ডাক হরকরা। অর্থাৎ রানার। রাতে ডাক নিয়ে ফেরার পথে উচ্চস্বরে গান গাইতে ভালোবাসেন তিনি। লোকটার নাম গগন। গগন হরকরা।

রবিঠাকুর একদিন ডেকে পাঠান গগনকে। দারিদ্রপীড়িত মানুষ গগন। বয়সেও রবীন্দ্রনাথের চেয়ে বেশ বড়। গান তিনি গান, তবে অন্যের লেখা গান নয়। নিজের লেখা নিজেরই সুর। রবীন্দ্রনাথ  আবার শোনেন সেই গান। বড় ভালো লাগে।

বেশ কয়েক বছর, এদেশের রাজনীতি তখন উত্তাল। বৃটিশ সরকার শাসন আর শোষণের সুবিদার্থে বাংলাকে ভেঙ্গে দুভাগ করতে চাইছেন। কিন্তু রবিন্দ্রনাথসহ দেশের বহু মানুষ তখন এই বাংলা ভাগের বিপক্ষে অবস্থান নেয়, আন্দোলন করে। সেই আন্দলনের সময় রবীন্দ্রনাথ একটা গান লেখেন। সেটাই এখন আমাদের জাতীয় সঙ্গীত। কিন্তু গানটা রবীন্দ্রনাথ লিখলেও, সুরটা তাঁর নিজের নয়, শিলাইদহের সেই ডাক হরকরা সেই রাতে যে গান গাইতে গাইতে ডাকের বস্তা বয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। সেই গানটার সুর বসিয়ে দিলেন আমার সোনার বাংলা গানের গায়ে। পেয়ে গেলাম নম নরম করে দেয়া আমাদের জাতীয় সঙ্গিতটা। আর গগন হরকারা সেই গানের কথা ছিল: ''আমি কোথায় পাব তারে

আমার মনের মানুষ যেরে…


রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে তার বিশেষ অন্তরঙ্গতা ছিল এবং প্রায়ই দুজনে রসালাপ ও সঙ্গীত চর্চা করতেন।রবীন্দ্রনাথ তার গুণমুগ্ধ ছিলেন। রবীন্দ্রনাথের "যে তোমায় ছাড়ে ছাড়ুক" ও "আমার সোনার বাংলা" গান দুটি, গগন হরকরার যথাক্রমে "ও মন অসাড় মায়ায় ভুলে রবে" ও "আমি কোথায় পাব তারে" গান দুটির সুর ভেঙে রচিত হয়।


গগন কার কাছ থেকে গানের দীক্ষা নিয়েছিলেন তা জানা সম্ভব হয়নি, তবে গগন লালনের গানের খুব ভক্ত ছিলেন। লালনও গগনের গান এবং গগনের সান্নিধ্য খুব পছন্দ করতেন। গগনের গানের খুব ভক্ত ছিলেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, তিনি গগনের কাছে গগন ও লালনের গান শুনতেন। গগনের গান আমি কোথায় পাব তারের সুরে প্রভাবিত হয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলাদেশ এর জাতীয় সংগীত লিখেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ডাকঘর নাটকটি গগন হরকরার জীবন থেকে প্রভাবিত হয়ে লিখেছিলেন নাটকের গগেন্দ্রনাথ ঠাকুর চরিত্রটি তা প্রমাণ করে।




সবাই গল্প টা পরবেন 

 👇👇 সবাই গল্প টা পরবেন ♣️😢


√√•••আমি না থাক নামটা না হয় আমি না ই বললাম--আমি একজন নারী ওই যে কবিতাটা আছে না--আমি সেই মেয়ে বাসে ট্রেনে ট্রামে রাস্তায় আপনি যাকে রোজ দেখেন--যার শাড়ি কপালের টিপ কানের দুল আর পায়ের গোড়ালি আপনি রোজ দেখেন--হ্যাঁ এমনই একটা নিতান্তই সাধারণ নারী আমি--একটা ছোট মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম আমার--ধীরে ধীরে বড় হতে হতেই বুঝে ছিলাম নারী হয়ে জন্মে ভীষণ বড় ভুল করে ফেলেছি আমি--প্রথম বুঝে ছিলাম যেদিন 08 বছরের অবুঝ আমিকে আমার নিজের নাম বলবো না একজন খারাপ ভাবে ছুঁয়ে ছিল--খুব কষ্ট হয়ে ছিল আমার কেঁদে ছিলাম খুব--মাকে জড়িয়ে ধরে বলে ছিলাম সবটা মা সব শুনে আমার মুখ চেপে বলে ছিলো উনি না তোর গুরুজন হয় গুরুজনের সম্পর্কে অমন কথা বলতে নেই মা--আমি অবাক হয়ে শুনেছিলাম কষ্টটা নিজের মনে চেপে নিজেই গুমরে মরে ছিলাম--আরেকটু বড় হলাম বুঝতে শিখে ছিলাম নারী শরীর সবাই খারাপভাবে ছুঁতে চাই বারংবার--বাসে পাশে বসা যাত্রী টিউশনের স্যার সবাই বারবার ছুঁতে চেয়েছে আমার স্তনযুগল নিম্নাঙ্গ--কেউ একবারের জন্যও তাকায়নি আমার মুখের দিকে--আমার চোখে সে কি ভীতি জমেছে ধীরে ধীরে তাঁরা কেউই লক্ষ্য করেনি--কলেজ জীবনে পা দিয়ে যখন প্রথম প্রেমে পড়লাম ভাসলাম আবেগের সাগরে--তখনও দেখলাম আমার প্রেমিক পুরুষটি কখনোই ভালোবাসেনি আমাকে--আমার চোখের গভীর ভাষা বুঝে ওঠার আগেই সিনেমা হলের গোপন অন্ধকারে সে আবিষ্কার করতে চেয়ে ছিল আমার নগ্ন শরীর--প্রত্যাখ্যান করলে বলে ছিল আমি নাকি ভালোবাসিনা তাঁকে--সত্যিই কি আমি ভালোবাসিনি নাকি সে আমাকে কে জানে--সেই যে প্রেমের সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এলাম আর কাউকে কোনো দিন ভালোবাসতে পারিনি--নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে কিনা তাই কলেজ শেষ  হতে না হতেই সম্পূর্ণ অপরিচিত এক মানুষের হাতের সিঁদুর উঠলো আমার সিঁথিতে--এই যে আজ হ্যাঁ আজ আজ আমার ফুলসজ্জা--যেই দিন নিয়ে সব মেয়েদের জীবনে কিছু সুখস্মৃতি থাকে--আমি তো চেয়ে ছিলাম আমার স্বামীকে চিনতে--কিন্তু সে সে যে এসেই আমার শরীরটা ছিঁড়ে খেতে শুরু করলো--আমার নগ্ন শরীর সে দুচোখ ভোরে দেখলো--আজও একটি বারের জন্য তাকালোনা আমার চোখের দিকে--যে চোখ তাঁকে ভরসা করতে চেয়ে ছিল সে চোখে আজ পাহাড় সমান ঘৃণা--আমি ক্লান্ত নারী শরীর বহণ করতে করতে আমি ক্লান্ত--নারী শরীর মানে শুধুই কি তাঁর স্তনযুগল আর নিম্নাঙ্গ--কখনো কি তাঁর চোখের দিকে তাকিয়ে তাঁর মনের কষ্টটা কেউ বুঝবেনা--স্তনের নীচে চাপা পড়ে থাকা মনের খোঁজ কি কেউ কোনো দিন নেবে না--যুগে যুগে নারী ধ'র্ষি'তা নারী শরীর ভোগ্য বস্তু হয়েছে সবার কাছে--নারী মনের খোঁজ কজনই বা রাখে--আমি চাইনা এ শরীর চাইনা এ দেহের গঠন--আমার স্তনযুগল নিম্নাঙ্গ কেউ কেটে বাদ দিয়ে দিক আমার শরীর থেকে--থেকে যাক আমার অশ্রুভরা দুই নয়ন কাউকে ভরসা করে আঁকড়ে ধরতে চাওয়া দুটো হাত আমার ভীত কম্পিত অধরোষ্ঠ--সসম্মানে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাওয়া দুটো পা থেকে যাক!••••❤️‍🩹💔 😔🥹কেউ বাজে কমেন্ট করবেন না জার পছন্দ হবে সে এরিয়ে জাবেন🙏🙏🙏


😢😢🥹💔 সত্যি কি নারী হওয়া অনেক বড় পাপ 😓😔😔😔 কালেক্ট👇👇 

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 



এনা ট্রান্সপোর্ট,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ⭕ এনা ট্রান্সপোর্ট ⭕

বরিশাল; রুপাতলী কাউন্টার থেকে নথুল্লাবাদ হয়ে ঢাকার সকল রুটের ট্রিপ সিডিউলঃ 


✳️সকাল ৫.০০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্থান 


✳️সকাল ৫.৩০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্থান 


✳️সকাল ৬.০০

🎴রুপাতলী - পদ্মা সেতু - গাজীপুর 


✳️সকাল ৬.৩০ 

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্থান 


✳️সকাল ৭.০০ 

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - আব্দুল্লাহপুর


✳️সকাল ৭.৩০ 

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - মিরপুর 

 

✳️সকাল ৮.০০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️সকাল ৮.৩০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️সকাল ৯.০০ 

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গাজীপুর 


✳️সকাল ১০.০০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️সকাল ১০.৩০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️সকাল ১১.০০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️সকাল ১১.৩০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️দুপুর ১২.৩০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️দুপুর ১.০০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️দুপুর ২.০০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️দুপুর ২.৩০ 

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - মিরপুর


✳️দুপুর ৩.০০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️বিকাল ৪.০০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️বিকাল ৪.৩০ 

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গাজীপুর 

 

✳️বিকাল ৫.০০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️সন্ধ্যা  ৬.১৫ 

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - মিরপুর


✳️রাত ৭.১৫ 

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গাবতলী 


✳️রাত ৮.০০

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গুলিস্তান 


✳️রাত ৮.৪৫ 

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - আব্দুল্লাহপুর 


✳️রাত ১০.৩০ 

🎴রূপাতলী - পদ্মা সেতু - গাজীপুর 


🧧ভাড়া

বরিশাল - গুলিস্তান =৫০০৳

বরিশাল - মিরপুর/আব্দুল্লাহপুর = ৬০০৳

বরিশাল - গাজীপুর = ৬৫০৳


🔳এনা পরিবহনের কাউন্টার সমূহের ফোন নাম্বার ☎️

রুপাতলী -  ০১৯৫৮-১৩৫৩২০

আমতলা- ০১৯১১-১০০১১২

বরিশাল টার্মিনাল- ০১৯৫৮-১৩৫২৯৯

বরিশাল বাসস্ট্যান্ড- ০১৯৫৮-১৩৫২৯৮

রহমতপুর- ০১৭৪৯-৩০৬২৫৪

ইচলাদি- ০১৭১৯-৮৬২৪৯৩

টরকি- ০১৮৮২-২০৩২০০

গৌরনদী- ০১৩২৭-৭৪৭৭৭৪

ভূরঘাটা- ০১৮৭৮-৪৪৩২০৩

শানুহার- ০১৭২১-১৬২২৫২

মোস্তফাপুর- ০১৯৫৮-১৩৫২৯৭

টেকেরহাট- ০১৯৮২-০৮০১৭৪


কুয়াকাটা- ০১৯৫৮-১৩৫৩২৩

কুয়াকাটা টার্মিনাল- ০১৯৫৮-১৩৫৩২২

পটুয়াখালী - ০১৯৫৮-১৩৫৩২৪

কলাপারা- ০১৭৫২-৭২৬৩১২

আমতলী- ০১৭১৮-১৫৮২১৬

শাখারিয়া- ০১৭২৯-৬৪৭৪৯৯

পাগলামোড়- ০১৭৯৭-৭২৮২২৯


সায়েদাবাদ- ০১৯৫৮-১৩৫১৩৮

যাত্রাবাড়ী- ০১৯৫৮-১৩৫১৩৭

ধোলাইপার- ০১৯৫৮-১৩৫২৫৩

মানিকনগর- ০১৯৫৮-১৩৫১৩৬

নর্দ্দা- ০১৯৫৮-১৩৫১৪৮


গুলিস্তান (১) - ০১৯৫৮-১৩৫২৫১

গুলিস্তান (২) - ০১৯৫৮- ১৩৫২৫৬

বিষবৃক্ষ

 বিষবৃক্ষ


> বিষবৃক্ষ বঙ্কিমচন্দ্রের চতুর্থ বাংলা উপন্যাস। ১৮৭২ সাল থেকে ১৮৭৩ সাল পর্যন্ত বঙ্গদর্শন পত্রিকায় মোট বারোটি পর্যায়ে বিষবৃক্ষ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৭৩ সালে। 

> এই উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল সামসময়িক বাঙালি হিন্দু সমাজের দুটি প্রধান সমস্যা – বিধবাবিবাহ ও বহুবিবাহ প্রথা। এই উপন্যাসের নায়িকা বিধবা কুন্দনন্দিনীর চরিত্রটি বঙ্কিমচন্দ্রের কনিষ্ঠা কন্যার ছায়া অবলম্বনে রচিত বলে ধারণা করা যায়। 

> ১৮৯১ সালে থেকে উপন্যাসটির হিন্দুস্তানি অনুবাদ প্রকাশিত হয়। ১৮৮৪ সালে মিরিয়ম এস. নাইট The Poison Tree নামে এর ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করেন। ১৮৯৪ সালে বিষবৃক্ষ উপন্যাসের সুইডিশ অনুবাদ প্রকাশিত হয়। অমৃতলাল বসু এই উপন্যাসের নাট্যরূপ দিয়েছিলেন।

## কাহিনি সংক্ষেপ:

* গোবিন্দপুরের জমিদার নগেন্দ্রনাথ দত্ত কলকাতা যাত্রার পথে অনাথা বালিকা কুন্দনন্দিনীর সন্ধান পান। কুন্দকে তিনি কলকাতায় তাঁর ভগিনী কমলমণির কাছে রেখে এসেছিলেন। কিন্তু পরে স্ত্রী সূর্যমুখীর একান্ত অনুরোধে তাঁকে গোবিন্দপুরে নিয়ে আসেন। সূর্যমুখীর দূরসম্পর্কীয় ভাই তারাচরণের সঙ্গে কুন্দের বিবাহ হয়। 

* কিন্তু বিবাহের কিছুকাল পরেই তারাচরণের মৃত্যু হলে কুন্দ বিধবা হয়। এরপর নগেন্দ্রনাথ কুন্দের রূপলাবণ্য দর্শনে তার প্রতি আকৃষ্ট হন, কুন্দও নগেন্দ্রের প্রতি অনুরক্তা হয়ে পড়েন। সূর্যমুখী বিষয়টি অনুধাবন করেন। 

* অন্যদিকে দেবীপুরের দুশ্চরিত্র জমিদার দেবেন্দ্রও তারাচরণের গৃহে কুন্দকে দেখে তার প্রতি আকৃষ্ট হন। হরিদাসী বৈষ্ণবীর ভেক ধরে নগেন্দ্রর বাড়িতে এসে তিনি কুন্দকে কুপ্রস্তাব দিয়ে যান। হীরা দাসী এই ব্যাপারে অনুসন্ধান করে সূর্যমুখীকে হরিদাসীর প্রকৃত স্বরূপ সম্পর্কে অবহিত করে। 

* এদিকে সূর্যমুখী কমলমণিকে চিঠিতে নগেন্দ্রনাথের কুন্দর প্রতি অনুরাগের কথা জানালে, কমলমণি কুন্দকে কলকাতায় নিয়ে আসতে চায়। কুন্দ আত্মহত্যা করতে গিয়েও ব্যর্থ হয়। হরিদাসী বৈষ্ণবীর ঘটনায় সূর্যমুখী কর্তৃক অপমানিতা হয়ে কুন্দ গৃহত্যাগ করেন। তার অদর্শনে নগেন্দ্র অস্থির এবং সূর্যমুখীর প্রতি রুষ্ট হন। 

* তিনি গৃহত্যাগের সংকল্প করেন। এমতাবস্থায় কুন্দ ফিরে এলে সূর্যমুখী নিজের উদ্যোগে স্বামীর সঙ্গে কুন্দের বিবাহ দেন। তারপর নিজে গৃহত্যাগ করেন। নগেন্দ্রনাথ তাঁকে খুঁজতে সব জায়গায় লোক পাঠান, তিনি নিজেও বেরিয়ে পড়েন। এদিকে ঘুরতে ঘুরতে সূর্যমুখী রোগাক্রান্ত হন। শেষে এক ব্রহ্মচারীর শুশ্রুষায় সুস্থ হয়ে ওঠেন। 

* ব্রহ্মচারীই নগেন্দ্রনাথকে সংবাদ পাঠান। পরে উভয়ের পুনর্মিলন ঘটে। নগেন্দ্রনাথ গৃহে ফিরে কুন্দর সঙ্গে দেখা না করায় কুন্দ বিষপান করে। পরদিন সকালে সূর্যমুখী যখন কুন্দকে দেখতে আসেন, তখন তার অন্তিম সময় আসন্ন। শেষে নগেন্দ্রনাথের পায়ে মাথা রেখে কুন্দ ইহলোক ত্যাগ করে।



বুর্জ খলিফায় একটি ফ্ল্যাটের দাম প্রায় ২০০ কোটি! কী আছে পৃথিবীর উচ্চতম বহুতলের অন্দরে?

 বুর্জ খলিফায় একটি ফ্ল্যাটের দাম প্রায় ২০০ কোটি! কী আছে পৃথিবীর উচ্চতম বহুতলের অন্দরে?


পৃথিবীর উচ্চতম বহুতল। যেন বিস্ময়ের প্রতীক হয়ে মাথা তুলে আছে দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অন্যতম আকর্ষণ গগনচুম্বী এই বহুতলকে নিয়ে পর্যটকদের উৎসাহের শেষ নেই।


বুর্জ খলিফার উচ্চতা ৮২৮ মিটার। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এখানে অ্যাপার্টমেন্ট এবং স্টুডিয়ো মিলিয়ে মোট বাসস্থানের সংখ্যা ৯০০। তাতে ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ থাকেন।


এই বহুতলের নামকরণ করা হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট খলিফা বিন জ়ায়েদ আল নাহ্ইয়ানের নামে। প্রথমে এর নাম ছিল বুর্জ দুবাই। পরে প্রেসিডেন্টের সম্মানার্থে নাম পরিবর্তন করা হয়।


২০০৪ সালের ৬ জানুয়ারি বুর্জ খলিফা তৈরির কাজ শুরু হয়। পৃথিবীর উচ্চতম বহুতল তৈরি হতে সময় লেগেছিল ৫ বছর।


২০০৯ সালের ১ অক্টোবর বুর্জ খলিফার নির্মাণকার্য সম্পন্ন হয়। একে পৃথিবীর উচ্চতম বহুতল হিসাবে ঘোষণা করা হয়। ২০১০ সালের ৪ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক ভাবে এই বহুতলের উদ্বোধন করা হয়।


১৬৩ তলার বুর্জ খলিফা অনেক রেকর্ডের অধিকারী। পৃথিবীর আরও কোনও বহুতলে এতগুলি তল নেই।


কিন্তু, পৃথিবীর উচ্চতম এই বহুতলের ভিতরে কী আছে? কী দিয়ে সাজানো ঝাঁ চকচকে বুর্জ খলিফা? তার অন্দরমহলে উঁকি দিলে বিস্মিত হতে হয়।


বুর্জ খলিফার মধ্যে রয়েছে মোট ৪টি সুইমিং পুল। একটি বহুতলের ৪৩ তলায়, একটি ৭৬ তলায়। বাকি দু’টি সুইমিং পুল রয়েছে ‘দ্য ক্লাব’-এর ছাদ (রুফটপ) এবং এক পাশে। ‘দ্য ক্লাব’ হল বুর্জ খলিফার একটি স্বাস্থ্যচর্চা কেন্দ্র।


বুর্জ খলিফার ১২৩ তলায় রয়েছে একটি লাইব্রেরি। যাঁরা বই পড়তে ভালবাসেন, এখানে বসেই তাঁদের সময় কেটে যায়।


বহুতলের ৪৩, ৭৬ এবং ১২৩ তলায় রয়েছে কাচ দিয়ে মোড়া হল ঘর (স্কাই লবি)। বড়সড় অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য এগুলি ভাড়া নেওয়া হয়।


বুর্জ খলিফার অভ্যন্তরীণ ‘অ্যাটমোসফিয়ার’ পৃথিবীর উচ্চতম রেস্তোরাঁগুলির মধ্যে অন্যতম। ২০২১ সাল পর্যন্ত উচ্চতম রেস্তোরাঁর শিরোপা ছিল এর নামেই। পরে চিনের একটি বহুতলে তৈরি রেস্তোরাঁ মুকুট ছিনিয়ে নেয়।


পৃথিবীর উচ্চতম আউটডোর অবজ়ারভেশন ডেক রয়েছে বুর্জ খলিফার ১৪৮ তলায়। ৫৫৫ মিটার উঁচু এই জায়গাটি পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। দুবাই শহরটিকে ছবির মতো দেখায় এখান থেকেই। বুর্জ খলিফা থেকে ১৫৩ কিলোমিটার দূরে ইরানের সমুদ্র উপকূলও এখান থেকে দেখতে পান পর্যটকরা।


বুর্জ খলিফার ১ থেকে ৮ তলা জুড়ে রয়েছে আরমানি হোটেল। এতে ১৬০টি ঘর রয়েছে। বুর্জ খলিফার বাসিন্দা ছাড়াও বাইরে থেকে মানুষ এসে এই হোটেলে থাকতে পারেন। হোটেলের নিজস্ব স্পা, সুইমিং পুল, লাইব্রেরি এবং জিম রয়েছে।


বুর্জ খলিফায় রয়েছে নিজস্ব দোকান, বাজার, শপিং মল। এখানকার বাসিন্দাদের কিছু কিনতে বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না।


পৃথিবীর উচ্চতম বহুতলে থাকার খরচ কম নয়। এখানে ৪ ‌থেকে ৫ বেডরুমের কোনও অ্যাপার্টমেন্টের মূল্য ২ কোটি ৭ লক্ষ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ২০০ কোটি টাকার বেশি)।


বুর্জ খলিফায় এক একটি স্টুডিয়ো অ্যাপার্টমেন্টের দাম ২০ লক্ষ আরবীয় মুদ্রা (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা)।


বহুতলের বাসিন্দাদের রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ (সার্ভিস চার্জ) বাড়তি টাকাও দিতে হয়। অ্যাপার্টমেন্টের আকারের উপর নির্ভর করে সেই খরচ। কখনও কখনও তা হতে পারে বছরে ৫ লক্ষ আরবীয় মুদ্রা (১ কোটি টাকার বেশি)।


Source: এই সময়


মাটি খুঁড়তেই মিলল কয়েকশ বছরের পুরোনো নৌকা

 মাটি খুঁড়তেই মিলল কয়েকশ বছরের পুরোনো নৌকা


ঝিনাইদহের মহেশপুরে মাটি খুঁড়তে গিয়ে কয়েকশ বছরের পুরোনো নৌকার সন্ধান পাওয়া গেছে। বিরল এ দৃশ্য দেখতে আশপাশের এলাকা থেকে উৎসুক জনতা ভিড় করছেন।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খ্রিষ্টীয় ঊনবিংশ শতাব্দীতে ভারতবর্ষে ইউরোপীয় এবং স্থানীয় ধনাঢ্য ব্যক্তিরা নৌবিহারের জন্য এ ধরনের নৌকা ব্যবহার করত। সেই তথ্য অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে, নৌকাটি কয়েকশ বছরের পুরোনো।


বুধবার (৮ মে) উপজেলার এসবিকে ইউনিয়নের বজরাপুর গ্রামে এমন দৃশ্য দেখা যায়। মাটির চার ফুট নিচে খনন কাজ চালানোর সময় নৌকাটি সবার নজরে পড়ে।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বজরাপুর গ্রামের নজের আলীর ছেলে মনছের আলী তিন দিন আগে বজরাপুর বাঁওড় থেকে ধানক্ষেতে পানি দেওয়ার জন্য সেচ খাল খনন করছিলেন। খাল খুড়তে খুড়তে তার কোদালের মাথায় নৌকার কিছু অংশ ওঠে আসে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে গ্রামবাসী নৌকার সন্ধানে খনন করতে থাকে। তিন দিন ধরে খননের পর বধুবার পুরো নৌকার আকৃতি খুঁজে পাওয়া যায়।


চুরি ঠেকাতে রাত জেগে পাহারা, সড়কে চেকপোস্ট

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য পূর্ণিমা রানী বলেন, নৌকার প্রতিশব্দ হচ্ছে ‘বজরা’। এ গ্রামের নামও বজরাপুর। একটা সময় এখানে মানুষের চলাচলের একমাত্র সম্বল ছিল নৌকা। সেই নাম অনুসারে গ্রামটির নামকরণ করা হয়েছে ‘বজরাপুর’।


তিনি বলেন, খবর পেয়ে তিনিও বজরাপুর বাঁওড় এলাকার হালদার পাড়ায় গিয়ে নৌকাটি দেখে এসেছেন। এটি সংরক্ষণের দাবি করেন তিনি।


খননকাজে যুক্ত বজরাপুর গ্রামের ইসমাইল মল্লিক জানান, নৌকাটি লম্বায় প্রায় একশ ফুট লম্বা ও চওড়া ২০ ফুট হবে। নৌকার বেশির ভাগ অংশ বাঁওড়ের মধ্যে ঢুকে আছে। হয়তো নৌকাটি শাল কাঠ দিয়ে তৈরি করা।


বজরাপুর গ্রামের আমজাদ হোসেন বলেন, গ্রামের কৃষক মনছের আলীর জমিতে পাওয়া নৌকাটি বহুকালের পুরোনো। কাঠগুলো পচে নষ্ট হয়ে গেছে। লম্বা কাঠগুলো কিছুটা ভালো আছে। মাটির চার ফুট নিচে এই নৌকাটি পাওয়া গেছে।


তিনি বলেন, নৌকাটি দেখতে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভিড় জমাচ্ছে। তবে এখনো প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে আসেননি।


তথ্য নিয়ে জানা গেছে, বজরা অধিক ওজন বহনকারী বড় ধরনের একটি নৌকা হিসেবে পরিচিত। খ্রিষ্টীয় ঊনবিংশ শতাব্দীতে ব্যবহার করা এ নৌকার দুই-তৃতীয়াংশ জায়গাজুড়ে থাকত ঘুমানো বা বিশ্রামের কক্ষ। ঘরবাড়ির মতো এসব কক্ষে থাকত জানালা। সাধারণভাবে যাত্রীর ধারণক্ষমতা ১০ থেকে ১২ জন। ভেতরে চারজন মাঝির সঙ্গে রান্না ও অন্যান্য কাজের জন্য দুজন সহযোগী থাকতেন।


স্থানীয় পূজা রানী বলেন, বজরাপুর গ্রাম একটি প্রাচীন জনপদ। এই গ্রামটি কপোতাক্ষ নদের সংযোগস্থলে গড়ে ওঠে। গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ জমিদার ও আধুনিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিল। ফলে এ নৌকাটি বজরাপুর গ্রামের নামকরণ ও গ্রামের মানুষের জীবনযাপনের সাক্ষ্য বহন করে। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া পূজা রানী নৌকাটি সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে গবেষণা কাজে লাগানো যায় কিনা সে সরকারের ব্যাপারে সুদৃষ্টি কামনা করেন।


বিষয়টি নিয়ে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনুপ দাস জানান, পুরোনো নৌকা পাওয়ার বিষয়টি তিনি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরকে জানাবেন, যাতে তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করে।


সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ২১-০৫-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ২১-০৫-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে আজ ১৫৬টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ।


জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে শান্তি পুরস্কার চালু করছে সরকার।


দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোরভাবে বাজার মনিটরিংয়ের নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী।


স্বল্প আয়ের মানুষের কষ্ট বিবেচনায় শুধু রাজধানীতে ব্যাটারি চালিত রিকশা চলাচলের অনুমতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী — জানালেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।


আগামী ৫ই জুন শুরু হচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় ও বাজেট অধিবেশন।


প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুতে ইরানে পাঁচ দিনের শোক।


আজ ফেডারেশন কাপ ফুটবলের ফাইনালে মুখোমুখি হবে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ও বসুন্ধরা কিংস।

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...