এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ৫ জুন, ২০২৪

জেনে রাখা ভালোহাত দিয়েই বেলা মাপো,,,,,,,

 জেনে রাখা ভালোহাত দিয়েই বেলা মাপো


31/05/2024 

‘দিনের আলো নিবে এল,

সুয্যি ডোবে-ডোবে।

আকাশ ঘিরে মেঘ জুটেছে

চাঁদের লোভে লোভে।’

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর’ কবিতার এই পঙ্‌ক্তিগুলো নিশ্চয়ই পড়েছ। ধরো, এমন এক জায়গায় তুমি আছ, যেখানে কোনো ঘড়ি নেই, বাতি বা আগুন নেই। আর তখন দিনের আলো নিভে আসছে, কী করবে তুমি? নিশ্চয়ই তড়িঘড়ি করে একটা নিরাপদ জায়গা খুঁজে বের করবে? কিংবা খাবার খুঁজবে? তবে সবার আগে জানতে হবে, সূর্যটা আর কতক্ষণ আলো দেবে। চারদিক অন্ধকার হয়ে আসার আগেই যে সব ব্যবস্থা করে ফেলতে হবে। অর্থাৎ সূর্যাস্ত ঠিক কতক্ষণ পরে হবে, তা জানা তখন জরুরি। কিন্তু ঘড়ি না দেখে তা বুঝবে কী করে? খুব সহজ একটা পদ্ধতি আছে। আর এ জন্য কোনো সরঞ্জামেরও দরকার পড়বে না; তোমার দুটি হাতই যথেষ্ট। দিনের শেষ বেলার আলো মাপার এই পদ্ধতিটা বেশ প্রাচীন। যখন ঘড়ি ছিল না, মানুষ তখন এই উপায় কাজে লাগিয়ে সূর্যাস্তের সময় বের করত। তাহলে চলো, ধাপে ধাপে উপায়টি জেনে নিই।

মনে রেখো

এই পদ্ধতি তোমার ভৌগোলিক অবস্থানের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে। অর্থাৎ তুমি পৃথিবীর কোথায় দাঁড়িয়ে আছ, সেটার ওপরও নির্ভর করবে। যেমন প্রতিবছর ২২ ডিসেম্বর সূর্য মকরক্রান্তি রেখা বরাবর অবস্থান করে। সহজ করে বললে, সূর্য সে সময় পৃথিবীর ঠিক পেট বরাবর অবস্থান করে। ফলে পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ সূর্য থেকে কিছুটা দূরে হেলে পড়ে। এ কারণে উত্তর গোলার্ধে তখন রাত হয় সবচেয়ে বড় আর দিন সবচেয়ে ছোট। উল্টো ঘটনা ঘটে দক্ষিণ গোলার্ধে। ফলে তুমি যদি তেমন কোনো সময়ে উত্তর বা দক্ষিণ গোলার্ধে থাকো, তখন এই পদ্ধতি কাজে লাগানোর আগে আরও কিছু হিসাব করে নিতে হবে।

যাহোক, আমরা আপাতত বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান মাথায় রেখেই হিসাবটা করি। বাংলাদেশের অবস্থান গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে। অর্থাৎ এখানে সূর্য মোটামুটি সারা বছরই অবস্থান করে ঠিক মাথার ওপর। তাই সকালে সূর্য উঠে ধীরে ধীরে ঠিক মাথার ওপর দিয়ে যেতে যেতে ডুবে যায়। ফলে এখানে পদ্ধতিটা ভালো মতোই খাটবে। তবে এখানেও ‘কিন্তু’ আছে।

আর কেবল বাংলাদেশেই না, দুনিয়ার যে জায়গায়ই থাকো না কেন, স্থানীয় পরিবেশের কথাটাও মাথায় রাখতে হবে। তুমি যদি বান্দরবানের মতো পাহাড়ি এলাকায় যাও এবং যদি দাঁড়িয়ে থাকো প্রশস্ত সমতলে, তাহলে সূর্যের আলো একটু আগেভাগেই নিভে আসবে। কারণ, সূর্য যে আড়াল হবে পাহাড়ে। আবার সুন্দরবনের মতো বনাঞ্চলে যদি যাও, সেখানেও সূর্যের আলো হারিয়ে যাবে দ্রুত। কারণ, গাছপালা যে সূর্যকে আড়াল করে ফেলবে।

আরেকটি বিষয়, তোমার হাতের আকার। বয়সে যারা ছোট, স্বাভাবিকভাবেই তাদের হাতের আকারও ছোট। কিন্তু এই পদ্ধতি আদতে বড়দের হাত দিয়ে মাপার জন্য সবচেয়ে জুতসই। তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। তুমি একদিন সূর্যের নিচে হাত রেখে ঘড়ি দেখে যাচাই করে নাও তোমার একেকটি আঙুল সমান কত মিনিট। আর তা বের করতে পারলেই অবশিষ্ট দিনের আলো মাপা তোমার কাছে এক কি খুব বড়জোর দুই হাতের মামলা!


01708-411997

(10am-6pm, Phone & WhatsApp)


epaper@prothomalo.com


© স্বত্ব প্রথম আলো 2024 | সম্পাদক ও প্রকাশক: মতিউর রহমানপ্রগতি ইনস্যুরেন্স ভবন, ২০-২১ কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫



সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ০৫-০৬-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ০৫-০৬-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


আজ বসছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন - বাজেট পেশ করা হবে আগামীকাল। 


আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস -রাজধানীতে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।


চা শ্রমিকরা আর ভাসমান থাকবে না, তাদের কল্যাণে কাজ করছে সরকার — জাতীয় চা দিবসের অনুষ্ঠানে বললেন শেখ হাসিনা।


বেনজির ও আজিজ আওয়ামী লীগের কেউ না উল্লেখ করে দলের সাধারণ সম্পাদক বললেন, দুর্নীতির বিচার করার সৎসাহস শেখ হাসিনা সরকারের আছে।


দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের প্রতীক তারেক রহমানই বিএনপির দুঃশাসনের মুখ — মন্তব্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।


উপজেলা নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে  ভোটগ্রহণ আজ।


ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে ক্ষমতাসীন বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ।


ডালাসে টি—টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গতরাতের ম্যাচে নেপালকে ৬ উইকেটে পরাজিত করেছে নেদারল্যান্ডস - আজ নিউইয়র্কে ভারতের মোকাবেলা করবে আয়ারল্যান্ড।


বয়স ধরে রাখার দুটি সূত্রঃ,,, বনি আমিন ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বয়স ধরে রাখার দুটি সূত্রঃ 

-      -      -      -      -

সিডনীতে দরিদ্র লোকদের তালিকা তৈরিতে মেয়েটি দুয়ারে দুয়ারে টোকা মারছে। বয়েস মাত্র ২০ বছর, নাম এলিসা, খাঁটি অস্ট্রেলিয়ান, বিশ্বাবিদ্যালয়ের ছাত্রী। শেষাব্দি আমার দুয়ারেও এসে পৌঁছায় আমাকে দরিদ্র তালিকা ভুক্ত করার জন্যে। কারণ বনি আমিন সিডনীর ১টি দরিদ্রতম এলাকায় থাকে। দরজা খুলতেই হয়ে গেল এক ইতিহাস, তার 'বিশেষ বালক বন্ধু' ১জন বাংলাভাষা দক্ষ নেপালী ইউনি ছাত্র। আমার 'মহা ভক্ত' যার কারণে এলিসাও আমাকে চিনে ফেলে, ছবি তোলার জন্যে আবদার করলো। অতঃপর কেন জানি আমাকে এলিসা তার 'দরিদ্র তালিকা'তে নামভুক্ত করতে আর 'সাহস' করেনি। আমাকে বারবার জড়িয়ে ধরে তার বালকবন্ধুকে আমার দুয়ারের সামনে থেকে ভিডিও কল মারে। তার চোখে যে 'ইউরেকা' উচ্ছলতা দেখেছি তা ভাষায় প্রকাশ করার মত নই। ওর ছোঁয়া আমাকে শিহরিত করেছে। আমার বয়সের দিনপঞ্জিকা যেন হঠাৎ থমকে দাঁড়ালো কিছুক্ষনের জন্যে। 


উল্লেখ্যঃ স্বল্প বয়স্ক মেয়েদের সান্নিধ্য আমার বয়সকে 'ব্রেক মেরে' দেয়, অর্থাৎ বাড়তে দেয় না। চেহারা ও শরীরে বয়স ধরে রাখার জন্যে আমি কখনোই অবসরপ্রাপ্ত লোকদের সাথে আড্ডা বা কথা বলতে স্বাচ্ছন্দবোধ করি না। বিনয়ের সাথে তাদের এড়িয়ে যাই। সে চাকুরীরত অবস্থায় ছিল মহাব্যস্ত, কথা বলার ফুরসত ছিলো না তখন। এখন অবসরগ্রহন করার পর হারিকেন দিয়ে খুঁজে খুঁজে অতঃপর গায়ে পড়ে 'আউট অব ডা ব্লু' আমাকে ফোন করে বসে, 'অরে দোস্ত কেমন আছিস?' ওর 'অবসরপ্রাপ্ত ভালোবাসা'য় আমি মনে মনে হাসি। ওর নাম ও পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর অতি বিনয়ের সাথে আমি ফোনটা কেটে দেই। এমনকি সে যদি আমার শৈশবের বন্ধু বা ক্লাসমেটও হয়ে থাকে তবুও আমি সেই অবসরপ্রাপ্তদের সাথে কথা বলি না। কারণ সে অবসরে এখন লোক খুঁজে বেড়াচ্ছে কথা বলার জন্যে। সাবধান 'যে ব্যাক্তি তার কর্মজীবনে আপনাকে সময় দেয়নি তাকে তার অবসরে আপনি সময় দেবেন না।' সারমর্মঃ বনি আমিন অবসরপ্রাপ্তদের সাথে কথা বলে না। 


মনকে সতেজ ও বয়সকে সবুজ করে ধরে রাখার জন্যে আমি গত ৩৩ বছর অতি যত্নের সাথে দুটি সূত্র মেনে চলছি, (১) আমার বয়সেরও অ-নে-ক ছোট কিন্তু সুন্দর ও সুশ্রী নারীর সান্নিধ্য আমি উপভোগ করি, এবং (২) অবসরপ্রাপ্ত ব্যাক্তিদের বিনয়ের সাথে এড়িয়ে চলি।  [উল্লেখ্যঃ শেখবঙ্গের এমপি শামীম ওসমান বয়সে আমার দু বছরের ছোট, প্রাক্তন সামরিক প্রধান আজিজ আমার দুই বছরের ছোট, বর্তমান আইজিপি মামুন আমার তিন বছরের ছোট, ঢাকার ডিবি হারুন নামে পরিচিত লোকটি আমার ১৬ বছরের ছোট]  ধন্যবাদ


মঙ্গলবার, ৪ জুন, ২০২৪

মনিরুল ইসলাম স্যারের মেসেজ ০৬/০৬/২০২৪

 আসসালামু আলাইকুম 

সকল ভাইয়ের দৃষ্টি বিশেষভাবে আকর্ষণ করছি, 

আমার কথাগুলো অতি মনোযোগ সহকারে দেখার এবং পড়ার জন্য বিশেষভাবে আপনাদেরকে জানাচ্ছি। 


আমাদের মধ্যে যে সকল ভাই নিজ জেলায় কর্মরত অবস্থায় আছেন আপনাদেরকে বিশেষভাবে জানানো যাচ্ছে যে প্রাণ-আরএফএল কোম্পানির মধ্যে এমন কোন নিয়ম নেই যে নিজ জেলায় নিজ বাড়িতে থেকে অথবা আত্মীয়র বাড়িতে থেকে কাজ করতে পারবেন এমন কোন নিয়ম আমাদের কোম্পানিতে নেই।,,,,,,,,,,

,,,,,,,,,,,,

আমাকে আপনাকে এবং যে সকল ভাই এই সকল সুবিধা গ্রহণ করছেন তাদেরকে বিশেষভাবে জানাচ্ছি কোম্পানি আপনাদেরকে যেহেতু এ সকল সুযোগ সুবিধা দিয়েছে এক কথায় আপনাদের প্রতি মায়া এবং সহানুভূতি দেখিয়ে আপনাদেরকে এই সুযোগটা দেওয়া হয়েছে। 

আপনাদেরও উচিত এই সুবিধাটা নিয়ে ভালোমতো কাজ করা এবং কোম্পানির নিয়ম মেনে চলা। 

আমাদের স্যারেরা আমাদের প্রতি ভালোবাসা এবং দয়া দেখিয়ে চেষ্টা করেছে আমাদেরকে কিভাবে ভালো রাখা যায় সেজন্য নিজ জেলায় কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে কিছু পেস্টিং মেন ভাইদের কে।,,,,,,,

,,,,,,,,,

যারা নিজ জেলায় আছেন আপনাদেরকে বিশেষভাবে সতর্ক করে দিচ্ছি কোম্পানি যেভাবে কাজ করতে বলবে সেভাবে কাজ করবেন সুপারভাইজার যেভাবে কাজ করতে বলবে সেভাবে কাজ করবেন যদি না পারেন রাসেল স্যারকে জানাবেন জানিয়ে স্যার যে জায়গায় দিবে সেই জায়গায় গিয়ে কাজ করবেন। 

কোন ধরনের বেয়াদবি কথাবাত্রা বা একে অপরের সাথে কথা বলে কোন ধরনের অন্যায় মূলক কথা বলা যাবে না এসব থেকে বিরত থাকুন বিশেষভাবে সতর্ক করে দেওয়া হলো।,,,,,,,

,,,,,,,

কোম্পানি এত বড় সুযোগ দিয়েছে এই সুযোগ নেয়ার পরেও যারা মেনে নিতে পারছেন না শুকরিয়া আদায় করছেন না তাদের উদ্দেশ্যে বলছি বেয়াদবি করবেন ট্রান্সফার নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন। 

এবং যারা নিজ জেলায় কাজ করছেন যদি বিশেষ সুবিধা কোম্পানিকে দিতে না পারেন তাহলে আপনাদেরকে রেখে কোম্পানির কোন লাভ নেই। 

এমন অনেক পেস্টিং ম্যান ভাই আছে যাদের বাসা অনেক দূরে তারা নিজ জেলায় কাজ করার সুযোগ পায় না। 

যারা নিজ বাড়িতে থেকে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন তারা আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন এবং নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন। 

আমি নিজেও নিজ জেলায় থেকে কাজ করি আমি নিজেকে অতি ভাগ্যবান মনে করি এবং আমাদের স্যারদের সব রকম কথা মেনে চলি যে সকল কাজ করতে বলে সব কাজ করি।,,,,,,,

,,,,,,,

আমরা সবাই মানুষ সুতরাং মানবতা দৃষ্টিতে সবকিছু দেখার চেষ্টা করেন। 

খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে একজন পেস্টিং ম্যান আরেকজন uটেস্টিংu ম্যানের সাথে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন। 

আমাদের অনেক নতুন এরিয়াতে লোক প্রয়োজন যারা এসব চালাকি করবেন তাদেরকে সেইসব এরিয়ায় দিয়ে দেওয়া হবে। 

কারণ একটাই আপনাদের বেতন বেশি বেশি বেতনে নিজ জেলায় কাজ করছেন এটি শুধুমাত্র আমাদের স্যারদের সুদৃষ্টির কারণেই করতে পারছেন।,,,,,,

,,,,,,,,

আশা করি কথাগুলো মনে নিয়ে কাজ করবেন যেভাবে কাজ করতে বলা হবে সেভাবেই করতে হবে পারলে কাজ করেন না পারলে নতুন জেলায় যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেন।,,,,,,

,,,,,,,


সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ০৪-০৬-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ০৪-০৬-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


ঈদুল আযহার ছুটির পর সকল সরকারি, আধা—সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা—স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস সময়সূচি ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত পুন:নির্ধারণ — মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত। 


জনগণের অর্থের সঠিক ব্যয় নিশ্চিত করতে সিএজিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির। 


জামায়াতসহ সাম্প্রদায়িক অপশক্তির সঙ্গে গভীর বন্ধন রয়েছে বিএনপির — মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের। 


বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের প্রশংসা বিশ্বময়, ডয়েচে ভেলের প্রতিবেদন অন্ত:সারশূণ্য ও দেশবিরোধী — বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। 


ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ — প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম ঢাকায় ৫৫ থেকে ৬০, ঢাকার বাইরে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। 


৩০ টাকা কমিয়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক হাজার তিনশ ৬৩ টাকা নির্ধারণ করলো বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। 


ভারতে সাত ধাপে অনুষ্ঠিত লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা আজ।


নিউইয়র্কে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গতরাতের ম্যাচে শ্রীলংকাকে ৬ উইকেটে পরাজিত করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা - প্রভিডেন্সে উগান্ডার বিরুদ্ধে এখন ব্যাট করছে আফগানিস্তান ।

মাধব মাধবীলতা নাকি মানুষ  শাহ সাবরিনা মোয়াজ্জেম 

 মাধব মাধবীলতা নাকি মানুষ 

শাহ সাবরিনা মোয়াজ্জেম 


রাস্তা ধরে হাঁটছি —

ঘন বৃষ্টি উপেক্ষা করছিনা।

ভেবেছি—বে-পথু কাকের মতো 

আমিও ভিজবো—! 


সন্ধ্যা মালতির মতো বীজবর্তী

অংকুর জাগিয়ে বন্ধুজনের মতো 

পা ফেলি—চৌ-পথের ভিটেমাটি ছুঁয়ে!

স্থিতিজড়তা মূখর করে যাপনের 

আতিথিয়েতায় গূঢ় —

রহস্য উপেক্ষা করে—মুগ্ধতার পরিধিব্যাপ্ত 

হতে থাকলো—দু-চোখ! 


সীমিত শব্দের অভিধানে 

জমে উঠলো কাব্য—!

বিহ্বল বৃষ্টি নুপুর ছাপিয়ে সুনসান পথে

মনের রঙ মহল নাড়িয়ে গেলো কেউ!

আবছা ছায়া—

আবারও লুকোচুরি—

প্রবল বর্ষনের কথকতা 

নির্ভেজাল ভাবে উঁকি দেয় —

আমি ধীরে পথ হাতড়ে চলি—

ঠিক—কম্পাসের কিনারায়—!

আজ শ্রাবণঘন দিনটি 

বড্ড বিবস্ত্র —! 


কিছুক্ষণ পর সে মিঠে রোদের মতো

আমার সামনে—!

তাকে কি নাম দেবো—?

মাধব মাধবীলতা নাকি মানুষ!? 

আসলে লিঙ্গের বৈশিষ্ট্য ধারণ করে

আমি নারী —!

সে দুটো-ই—!


আজ তার দুষ্টমি নেই

নেই মানুষকে ত্যাক্ত বিরক্ত করার অভিপ্রায়! 

সেও বৃষ্টি বিলাসি—!

বলি চলো—দুজন হাত ধরে ভিজি স্ত্রোত্রপাঠে।

সে মুচকি হেসে মাথা নাড়ে।

বেলাবেলির আঁধার পেরিয়ে যাই

সন্ধ্যা নামুক —

দেখেছো—বাতাসের সংলাপে 

স্খলিত মনোবৃত্তির অন্যায্য স্তবগীতে ভরে যায়

পিপাসিত মন মাধুরি—!

আজ তুমি— আমার প্রার্থনার মুখ!

বয়সের খাকি অন্ধকার দূরে তাড়িয়ে দাও

যর্থাথ স্তব্দ ঢলে ভাসি—

বর্ষা সংক্রান্ত —অমর সংবিধানে! 


ভোটারলিস্টে তোমার নাম নেই 

আমার বুকের ভেতর তোমার নাম লিখবো।

কি নাম তোমার—?

আশ্চর্য চোখের পলক পড়েনা

ইশারায় বুঝিয়ে দেয় কিছু।

ও তুমি বলতে পারোনা—?

তাতে সমস্যা নেই—

জীবনের গিরিপাতে কে করেছে ওজর আপত্তি

বরং শুনতে বলতে না পারাটাই ভালো! 

এঁড়েতর্ক থেকে তুমি মুক্ত। 

বরং প্রাণের আলোয় প্রাণ ছড়িয়ে যাক 


—"আজ ঝর ঝর মুখর বাদলও দিনে"— 


যুক্তিচালিত জীবন পথে সে নিস্প্রভ! 

তবে প্রাণের জোর আছে—!

মনে রোমাঞ্চ আছে—!

তাইতো—বাদলাদিনে 

তাথৈ তাথৈ করে নেচে মাঠ ঘাট প্রান্তর

কাঁপিয়ে দেয়!

এই ভেজা বরষা তাকে উদ্দোমতা দিয়েছে

তাইতো— আজ সে ভোকাট্টা ঘুড়ি!

এই বৃষ্টি ক্ষণে মন ভেজাতে দোসর থাকার 

দরকার লেগেছে  না লাগবে —কোন পাগলে বলে!?

সোমবার, ৩ জুন, ২০২৪

ছোটবেলায় থাকতেন শান্তিপুরে। পরিবারে ব্যাপক অর্থক

 ছোটবেলায় থাকতেন শান্তিপুরে। পরিবারে ব্যাপক অর্থকষ্ট | ছোট ছেলেটি বুঝল কাজে না ঢুকলে পরিবারের হাল ফেরানো অসম্ভব | পড়াশোনা ছেড়ে পাড়ি দিলেন কলকাতা | উঠলেন হ্যারিসন রোডের একটি মেসে। ওই মেসে ছেলেটির সঙ্গে থাকতেন শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। রোজগারের জন্য তখন যা পেতেন তাই করতেন। চায়ের দোকানের কাজ। রেল কোম্পানির হয়ে সার্ভে। অর্থকষ্ট এতটাই ভয়াবহ ছিল। তবে সৃষ্টিশীল মনটা তাতেও হারিয়ে যায়নি | সারাদিন হাড়ভাঙ্গা খাটুনি খেটে রাতে এসে ঘন্টার পর ঘন্টা কবিতা লিখেছেন | 


তিনি শিল্পী দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায় | ১৯৬০ সাল | সুধীন দাশগুপ্তই দেবদুলালবাবুকে আকাশবাণীর ‘অনুষ্ঠান ঘোষক’-এর পদে চাকরির কথা বলেন। পরীক্ষা দিয়ে ঢুকেছিলেন। তারপর একটানা বত্রিশ বছর আকাশবাণীর সংসারে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছিলেন দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়।


খবর পড়ায় একটা আলাদা ঘরাণা তৈরি করেছিলেন দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়। ' কলকাতার আকাশবাণীতে '‘আকাশবাণী কলকাতা, খবর পড়ছি দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়’'—ভরাট কণ্ঠের এই সম্ভাষণ আজও বাঙালির হৃদয়ে | সংবাদ পাঠকে তিনি এমন একটা জায়গায় নিয়ে গিয়েছিলেন যে, ঘরে ঘরে সংবাদ পরিক্রমা শোনার জন্য রেডিও খোলা হতো।


দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের রেডিয়ো-জীবনে সবচেয়ে বড় ঘটনা সম্ভবত বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের সময় সম্প্রচারটি। ১৯৬৬ সাল থেকেই বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা চলে আসতেন কলকাতায়। তাঁরা সোজা গিয়ে দেখা করতেন আকাশবাণীর কলকাতা কেন্দ্রের সংবাদ বিভাগে। শোনাতেন নিজেদের অসহায় জীবনের নানা কাহিনী | 


আকাশবাণীর ‘সংবাদ পরিক্রমা’-র লেখক প্রণবেশ সেন আর সংবাদ পাঠক দেবদুলালকে সেই সব কাহিনী অসম্ভব বিচলিত করেছিল।


প্রতিদিন রাত দশটা থেকে দশটা পাঁচ মিনিট দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায় পড়তে লাগলেন যুদ্ধের কথা। যন্ত্রণার ইতিহাস। যাঁরা রেডিয়োর সঙ্গে যুক্ত ছিলাম, তাঁরা তো বটেই শ্রোতারাও জানেন কী প্রচণ্ড জনপ্রিয় হয়েছিল সে অনুষ্ঠান।


১৯৭২ সালে এই সংবাদ পাঠের জন্যই পদ্মশ্রী উপাধি পান দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়।


এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন -

আকাশবাণীর খবর পড়তে গিয়ে মাঝেমধ্যে নিজেকে আর সংবরণ করতে পারিনি। মনে হতো, আমিও একজন মুক্তিযোদ্ধা। সেদিন আমার বুকের ভেতরের সব লুকানো আবেগ আর উত্তেজনা ঢেলে দিয়েছিলাম আকাশবাণীর সংবাদ, সংবাদ-পরিক্রমা বা সংবাদ-সমীক্ষা পড়তে গিয়ে। রণাঙ্গনের খবর যখন পড়তাম, তখন মনে করতাম, আমিও সেই রণাঙ্গনের সৈনিক, যখন মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের কথা পড়তাম, তখন আমার মনের সমস্ত উল্লাস উচ্ছ্বাস নেমে আসতো আমার কণ্ঠজুড়ে। যখন করুণ হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা পড়তাম, তখন কান্নায় জড়িয়ে আসত গলা। মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকটায় যেন নেশায় পেয়ে বসেছিল আমাকে। উত্তেজনা আর প্রবল আগ্রহে অপেক্ষা করতাম, কখন পড়বো বাঙলাদেশের খবর। এই খবর পড়ার জন্য কখনো কখনো রাতে বাড়িও ফিরিনি। রাত কাটিয়েছি আকাশবাণী ভবনে। ভোরের খবর পড়তে হবে যে!


বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাংলাদেশ সরকার তাদের দেশে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানায়।

১৯৭২ সালে ১০ জানুয়ারি  একটি অনুষ্ঠানে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর অসামান্য সংবাদপাঠের জন্যে  বুকে জুড়িয়ে ধরেন। 


বাংলাদেশের মুক্তিসেনারা তাঁর নাম দিয়েছিলেন,  " বাংলার দুলাল" |


সারা ভারতে এখনও পর্যন্ত যে তিনজন ব্রডকাস্টার পদ্মশ্রী পেয়েছেন, তাঁদের মধ্যে একজন দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্য দু’জন- AIR-এর মেলভিন ডি মেলো (Melville de Mellow) এবং ঊষা মেহতা, যিনি স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় গোপন বেতার কেন্দ্র চালাতেন।


আজ দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায় বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়ের প্রয়াণদিবসে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি |


© অহর্নিশ

তথ্য : আকাশবাণী কলকাতা খবর পড়ছি... (আনন্দবাজার পত্রিকা), উইকিপিডিয়া



প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি

 প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি

১। একজন কয়েদীর কথা জানি। কয়েদী নাম্বার ৪৬৬৬৪, ২৭ বছর জেলে থাকার পরেও তিনি নোবেল শান্তি পুরষ্কার জিতেছেন।

- তিনি নেলসন মেন্ডেলা


২। আরেক পিতৃপরিচয়হীন যুবকের কথা জানি। তার থাকার কোনো রুম ছিল না, বন্ধুদের রুমের মেঝেতে ঘুমাতেন। ব্যবহৃত কোকের বোতল ফেরত দিয়ে পাঁচ সেন্ট করে কামাই করতেন, যেটা দিয়ে খাবার কিনতেন। প্রতি রোববার রাতে তিনি সাত মাইল হেঁটে হরেকৃষ্ণ মন্দিরে যেতেন শুধু একবেলা ভালো খাবার খাওয়ার জন্য।

- তিনি অ্যাপল এবং পিক্সার অ্যানিমেশন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও স্টিভ জবস


৩। আরেক যুবকের নাম জানি, মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম। তাঁকে বলা হয় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে সফল ড্রপ আউট। স্যাট পরীক্ষায় ১৬০০ নম্বরে ১৫৯০ পান তিনি। কিন্তু কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরির নেশায় তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাম কাটান। ড্রপ আউট হওয়ার ৩২ বছর পরে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন তিনি।

- তিনি বিল গেটস


৪। আরেক এতিমের কথা জানি। ১১ বছর বয়সে এতিম হন। ১২ বছর বয়সে ঘর থেকে পালিয়ে যান। হতাশ হয়ে ১৯ বছর বয়সে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

অনেক বিখ্যাত বইয়ের লেখন তিনি তার মধ্যে “আমার বিশ্ববিদ্যালয়” একটি, যদিও তিনি কোনদিন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করা সুযোগ পান নাই।

- তিনি বিখ্যাত লেখক, নাট্যকার আর রাজনীতিবিদ

-মাক্সিম গোর্কি


৫। আরেকজন, বাবার সাথে মুদি দোকান করতো। পরিবারে এতই অভাব ছিলো যে, স্কুল নাগাদ পড়েই তাকে থেমে যেতে হয়েছিলো। সেই ব্যক্তিই একসময় হয়ে উঠে বিরাট বিপ্লবী নেতা।

- তিনি চীনের প্রতিষ্ঠাতা মাও সেতুং


৬। এমন একজনকে জানি যিনি অভাবের তাড়নায় কুলিগিরি করতো। একদিন বাসের কন্ডাক্টরের

কাজের জন্য গেলে তাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। যে যুবকটি অংকে পারদর্শী নয় বলে বাসের কন্ডাক্টর হতে পারেনি, পরবর্তীতে সে-ই হন ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী। নাম

- জন মেজর


৭। আরেক ছেলের বাবা-মা এতটাই গরিব ছিলো যে, তার জন্মের পর নাম রেজিস্ট্রি করতেই দু’দিন দেরি হয়। কে জানেন? সে-ই আজকের ফুটবল কিংবদন্তী! নাম

- রোনাল্ডো


৮। বাবা ছিলো জেলে। ছেলেকে সাথে করে বাবা মাছ ধরতো কারন অন্য স্বাভাবিক আর ১০ জন থেকে তিনি পানির নিচে মাছকে খুব ভালোভাবে দেখতে পেতেন। সেই জেলের ছেলে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট সুপারস্টার। নাম

-জয়সুরিয়া


৯। পড়ালেখায় মারাত্মক দুর্বল ছিলেন তিনি। কোনো কিছু মনে থাকত না। ক্লাসের শেষ বেঞ্চে বসে থাকতেন। ফেল করেছেন বারবার। ক্লার্ক এর চাকরিও করেছেন তিনি। পুরো পৃথিবীকে অবাক করেছেন তিনি তার থিউরি অফ রিলিটিভিটি দিয়ে। নোবেলও পেয়েছেন তিনি। তার নাম

- আলবার্ট আইনস্টাইন


১০। ক্লাসের সবচেয়ে দুর্বল ছাত্র ছিলেন তিনি। স্কুল থেকে বহিস্কারও করা হয়েছিলো তাকে। তিনি পৃথিবী আলোকিত করেছেন তাঁর আবিষ্কার দিয়ে। তাঁর নাম

-টমাস আলভা এডিসন


১১। শব্দগুলোকে তিনি উল্টা লিখতেন। পড়ালেখায় একদম শুন্য। উড়োজাহাজ আবিস্কারের ৪০০ বছর আগে তিনি উড়োজাহাজের মডেল এঁকে গেছেন। তিনি

- লিওনার্ড ডা ভিঞ্চি


১২। পরীক্ষায় তিনি সবসময় ফেল। ২২টা একাডেমিক পুরষ্কার জিতেছেন জীবদ্দশায়। তিনি মিকি মাউস, ডোনাল্ড ডাক এর জন্মদাতা। মিকি মউসের গলার স্বর তার নিজের দেওয়া। তিনি

-ওয়াল্ট ডিসনি


১৩। শব্দের খেলা তিনি বুজতেন না। 7 নাম্বারকে তিনি বলতেন উল্টা নাক!! এই স্প্যানিশ ভদ্রলোক একজন কবি, লেখক, পেইন্টার, কেমিস্ট, স্টেজ ডিজাইনার, ভাস্কর। তিনি

- পাবলো পিকাসো।


পৃথিবীর প্রত্যেকটা মানুষই ইউনিক, তার ভাবনাগুলি তার মতই। সবাই যা পারে, আমাকেও তা-ই পারতে হবে, এমন কিছুতো নয়! শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করতে হবে কেন? আমাদের সমস্যাটা ওইখানেই।


আমাদের প্রত্যেক ঘরে ঘরে Toppers আর Rankers চাই। জিপিএ ৫, গোল্ডেন পেতে হবে! সবাইকেই ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যারিস্টার, ম্যাজিস্ট্রেট.... হতেই হবে!! আঙ্গুলকে টেনে লম্বা করতেই হবে, যেভাবেই হোক...! দরকার হলে আঙ্গুল ভেঙ্গে যাক!!


একটা কথা মনে রাখতে হবে, "পৃথিবীতে সবাই

জিনিয়াস, কিন্তু আপনি যদি একটি মাছকে তালগাছ বেয়ে ওঠার ক্ষমতা দিয়ে বিচার করেন, তবে সে সারাজীবন নিজেকে অপদার্থই ভেবে যাবে"

.... আলবার্ট আইনস্টাইন।

Copied from one of my friend'd timeline.

নূরজাহান : ইতিহাসের অলিখিত এক সম্রাজ্ঞী!

 নূরজাহান :

ইতিহাসের অলিখিত এক সম্রাজ্ঞী!


সম্রাটদের সবাই চেনেন। তবে, সম্রাটদের পেছনে রাজ্যপরিচালনায় যুগে যুগে এমন অনেক সম্রাজ্ঞী কাজ করেছেন, যাদের নাম মানুষ জানে না। আর যদি জেনেও থাকে, সেটাও শুধু একজন রানি বা সম্রাটের প্রেমিকা হিসেবে। কিন্তু শুধু নামে সম্রাজ্ঞী ছিলেন না ইতিহাসের সমস্ত সম্রাটের রানিরা। আর তেমনই এক সম্রাজ্ঞীর কথাই আজ বলব আপনাদের। বলছিলাম নূরজাহানের কথা।


নূরজাহান নিয়ে গান আছে, বই আছে। মানুষ নূরজাহান নামের একজন নারীর কথা জানে। নিশ্চয় আপনিও শুনেছেন এই নাম। কিন্তু কে ছিলেন নূরজাহান? একজন কাঠপুতুলের মতো সম্রাজ্ঞী? একদম নয়! নূরজাহান ছিলেন সম্রাট জাহাঙ্গীরের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি মানুষ। সম্রাট অন্য কাউকে দেখে এতো বেশি খুশি হননি, যতটা নূরজাহানকে দেখে হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব হতে সময় লেগেছিল যদিও।


নূরজাহান শব্দের অর্থ জগতের আলো। এই নারী জন্ম নেন ১৫৭৭ সালে। মেহেরের বাবা ছিলেন গিয়াস বেগ। তার বাবা গিয়াস বেগ ও মা যখন তেহেরান থেকে ভাগ্যের সন্ধানে হিন্দুস্তান আসছিলেন তখন পথের মধ্যেই নির্জন মরু প্রান্তে এক বাবলা গাছের তলায় জন্ম হয় মেহের উন নিসার।


গল্প শোনা যায় যে, এই সময় গিয়াস বেগ ও তার পত্নী এমন দুর্দশায় পড়েছিলেন যে মেয়েকে বাঁচাবার কোনো উপায় না পেয়ে তারা পথের মাঝেই মেয়েকে শুইয়ে রেখে রওনা হন। আশা ছিল কোনো সহৃদয় ব্যক্তি যদি তাকে পায় নিয়ে আশ্রয় দেবে। কিন্তু কিছুদূর যাবার পরই শিশু কন্যার কান্না শুনে তারা আর থাকতে পারলেন না। ফিরে এসে মেয়েকে বুকে চেপে নিঃসহায়, নিঃসম্বল গিয়াস বেগ এসে পৌঁছালেন লাহোরে। এবার তার ভাগ্য পরিবর্তন হল। আকবর বাদশার সুনজরে পড়েন তিনি, আর ছোট মেয়ে মেহেরের স্থান হলো মুঘল হেরেমে।


জাহাঙ্গীর তখনও সম্রাট হননি। তিনি খুব পছন্দ করে ফেলেন মেহের উন নিসাকে। কিন্তু মেহের উন নিসার বিয়ে হয়ে যায় শের আফগানের সাথে। জাহাঙ্গীর প্রচণ্ড চেষ্টা করেন শের আফগানকে মেরে ফেলার। কয়েকবার চেষ্টা করেও অবশ্য সফল হননি তিনি। শের আফগান ছিলেন অসম্ভব শক্তিশালী। ফলে শের আফগানের কাছের মানুষদের সাহায্য নেন জাহাঙ্গীর এ সময়। আর এভাবে তিনি সফলও হন।


পরবর্তী সময়ে শের মারা গেলে জাহাঙ্গীরের সাথে বিয়ে হয় নূরজাহানের। মেহেরের নাম এ সময় বদলে ফেলেন সম্রাট। নূরজাহান ঘরে বসে থাকার পাত্রী ছিলেন না। জানা যায়, অন্যান্য সম্রাজ্ঞীদের চাইতে অনেক বেশি শক্তিশালী ছিলেন তিনি। প্রায়ই সম্রাটের সাথে বাঘ শিকারে যেতেন নূরজাহান। শক্তিশালী বাঘ শিকারি হিসেবে তার খ্যতি ছিল। কথিত আছে তিনি ৬টি গুলি দিয়ে ৪টি বাঘ শিকার করেছিলেন। তার বীরত্বের কবিতাও লিখেছেন অনেক কবি। একসময় সম্রাটের বন্ধু হয়ে গিয়েছিলেন এই নারী।


ইংরেজ দূত টমাস রো সে সময় খুব কাছ থেকে দেখেন নূরজাহান ও সম্রাট জাহাঙ্গীরকে। তিনি লিখে গেছেন যে, সে সময় নূরজাহানই আসলে দেশ শাসন করতেন। জাহাঙ্গীর ছিলেন নামকে ওয়াস্তে সম্রাট। সেই সময়কার মুদ্রাতে জাহাঙ্গীর এর সঙ্গে নূরজাহানের ছবিও ছাপা হতো।


নূরজাহান নিজে ছিলেন কবি। তার কবরের গাঁয়ে তার রচিত দুটি লাইন দেখতে পাওয়া যায়। ফরাসিতে লেখা। কবি সত্ত্যন্দ্রনাথ দত্ত বাংলায় অনুবাদ করেন লাইনগুলো :


“গরিব গোরে দ্বীপ জেলো না,


ফুল দিও না কেউ ভুলে,


শ্যামা পোকার না পোড়ে পাখ,


দাগা না পায় বুলবুলে।"


নূরজাহান শেষ জীবনে খুব একটা ভালো ছিলেন না। সিংহাসন দখল আর এই সংক্রান্ত চক্রান্তই ছিল এর পেছনের মূল কারণ। নূরজাহান নিজের প্রথম পক্ষের মেয়ের স্বামীকে সিংহাসনে দেখতে চেয়েছিলেন। জাহাঙ্গীরের সন্তান শাহজাহান এতে করে ক্ষেপে যান। তিনি জাহাঙ্গীরকে বন্দি করেন। সেখান থেকে সম্রাটকে বের করে আনেন নুরজাহান। পালিয়ে যান দূরে। ১৬৪৫ সালে ১৭ ই ডিসেম্বর ৬৮ বছর বয়সে মারা যান এই নারী।

কলমে Utpal Kanti Dhar 

সূত্র : ডন, হিস্টোরিফররয়ালউইম্যান ; Odhikar news

ি

ভাটিয়ালি """"""""""""""" "কে যাস রে ঐ ভাটির গাঙ বাইয়া..."

 ভাটিয়ালি

"""""""""""""""

"কে যাস রে ঐ ভাটির গাঙ বাইয়া..."


   মাটির সুরে বাংলার লোকায়ত গানের কথা বলতে গেলে যে গানের কথা সর্বাগ্রে মাথায় আসে তা হল 'ভাটিয়ালি' গান। নদীমাতৃক বাংলাদেশের ভাটি অঞ্চলের একটি  অন্যতম জনপ্রিয় সঙ্গীত ধারা। ভাটি অঞ্চল মূলত মেঘনা নদীর অববাহিকা এবং ব্রহ্মপুত্র নদের উত্তর-পূর্ব দিকের হাওড়, বাওড়, খাল বেষ্টিত এক বিশাল ভূভাগ।বাংলাদেশের নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, সিলেট, হবিবগঞ্জ, ব্রাহ্মণবেড়িয়াসহ এদেশের আসামের শিলচর, করিমগঞ্জ মিলিয়ে সাতটি জেলার প্রায় আড়াই কোটি মানুষ এই ভাটি অঞ্চলের অন্তর্গত। এই বিস্তীর্ণ জনপদ ঘিরেই ভাটিয়ালি গানের সৃষ্টি, চর্চা ও প্রসার। আনুমানিক ১৩৫০ খ্রীষ্টাব্দে বাংলা সাহিত্যর অন্ধকার যুগ শেষ হয়ে মধ্যযুগ শুরু হওয়ার সাথে সাথে পূর্ববঙ্গে বাংলার আদি লোকসঙ্গীতে ভাটিয়ালি গানের বিকাশ ঘটতে থাকে।


     ভাটি অঞ্চলের ঋতু দুটি - বর্ষা আর হেমন্ত। হেমন্তে নতুন ধান উঠলে গ্রামের মেয়ে বউরা দল বেঁধে মেতে উঠতো "ধামাইল" গানে। তাই বর্ষাতেই ভাটিয়ালি বেশি গাওয়া হতো। সাধারনত বৈশাখের শেষে বা জৈষ্ঠ্যের শুরুতেই ভাটি অঞ্চলে বর্ষা শুরু হয়, উজানের জলে নদ, নদী, খাল, বাওড় প্লাবিত হয়।ভাটির জনপদ কর্মহীন হয়ে পড়ে। জল একটু নামতেই ভাটির টানে  ফিরে আসে উৎসবের মেজাজ, ঘর থেকে বের হয় নৌকা। মাঝি মল্লার ভাটি গাঙে নাও ভাসিয়ে  আপন মনে গাইতে থাকে ভাটির সেই মন কাড়া সুরে,-

   মন মাঝি তোর বৈঠা নে রে,

  আমি আর বাইতে পারলামনা।

আবার কখনও 

তুমি কার বা বুকের মানিক ওগো, কার বা ঝিয়ারী।                                                                                                             কাঁন্দো কেন নদীর ঘাটে, তোমার নেই কি ঘরবাড়ি।


    ভাটির দিকে পাল তোলা নৌকার ক্ষেত্রে যেহেতু শুধু হাল ধরলেই নৌকা চলে, তাই দীর্ঘ নদীপথের অলসতা কাটাতে সবাই নৌকার ছইয়ের উপরে বসে একজন হাল ধরে বাকীরা মজে যেত ভাটিয়ালি গানে।মাসের পর মাস বাড়ি ছাড়া মাঝিদের আকূল পরানের কষ্ট দূর হতো নানা বিরহ বিচ্ছেদের ভাটি সুরে। নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে শোনা গ্রাম্য যুবক যবতীদের প্রাণে তুলতো প্রেমের ঢেউ।কেউবা স্বজন বিয়োগের অতীত রোমন্থনে একাত্ম হতো মাঝির সুরের সাথে। তাই বোধহয় গবেষক নির্মলেন্দু ভৌমিক যথার্থ বলেছেন,"ভাটিয়ালি গান যত না নদী-প্রান্তরের গান, ঢের বেশি কোনো একটি বিশেষ অঞ্চলের(পূর্ববঙ্গের ভাটি অঞ্চল) গান।" আবার কতিপয় গবেষকগন ভাটিয়ালি গানের উদ্ভাবক হিসেবে দূর পথের বাণিজ্য নৌকায় সওয়ার হওয়া মাঝি মল্লারদেরকেই মনে করেন। ফিরতি বাণিজ্য পথে নদীর দু'ধারের অনেক দৃশ্য মাঝিদের মনে গানের জন্ম দিত। নৌকার পালের সঙ্গে মন পালকেও ভাসিয়ে দিয়ে তারা গাইতো -

কলসী কাঁখে যায়গো কইন্যা

নদীর প্রান্ত দিয়া।                                                                           ফিইরা ফিইরা চায় কেন সে

কাঁইপে যে মোর হিয়া রে..।।


     বাউল সাধকরা মনে করেন, ভাটিয়ালী কখনই দেহতত্ত্বের গান নয়, এ গানে প্রকৃতি তত্ত্বই প্রাধান্য পায়। অনেকে বলেন - এ গান মূলত গ্রামীন মানুষের প্রেম বিরহ হতাশা নৈরাশ্য নিয়ে তৈরী হলেও পরবর্তীকালে এর সাথে ধীরে ধীরে বাউল দর্শন ও আধ্যাত্মিক রস মিশেছে। ভাটিয়ালি গান মূলত রচনা হয় - মাঝি, নৌকা, দাঁড়, পাল, গুন এগুলিকে নিয়ে। তবে এর মধ্যদিয়ে নদী পাড়ের গ্রামীণ জনজীবন, নর-নারীর প্রেম, বিরহ, ভালোবাসা, নৈরাশ্য, আকূলতা ব্যক্ত হয়। মাঝি নৌকার সাথে সম্পর্কিত হওয়ায় এ গানকে অনেক সারি গানের কাছাকাছি ভাবেন। সুরের প্রাধান্য ভাটিয়ালি গানের একটি বিশেষ গুণ।


     আসলে ভাটিয়ালি কোনো কাব্য বা ছন্দ নয়, এটা একটা সুর। উদ্ভবকালে এ সুর নৌকা মাঝির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও কালক্রমে তা সাধারন মানুষ, রাখাল, কৃষক, বাড়ির গৃহিনীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, এমন কি বাউল, মুর্শিদি গানেও এ সুর প্রভাব বিস্তার করে। বিশিষ্ট গবেষক আশুতোষ ভট্টাচার্য বাংলার লোকসাহিত্য গ্রন্থে যথার্থ বলেছেন,-"অন্তরের সুগভীর ভাব ও সুক্ষ্মতম অনুভূতি প্রকাশ করিবার ভাটিয়ালির যে শক্তি, তাহা বাংলার আর কোনো সঙ্গীতে নাই।"


     ভাটিয়ালি গানের লয় বিলম্বিত,সুর করুন, উদাসীন ও বিবাগী। রচনার দিক থেকে নিতান্ত সহজ সরল হলেও এর মাহাত্ম্য এটাই যে মুহূর্তের মধ্যে এ গানের গভীর বেদনার্ত ও অতলাশ্রয়ী সুর মনকে আন্দোলিত করে মধুর আবেদন তৈরী করে দেয়। হৃদয় বিগলিত হয় গায়কীর সকরুণ আবেশে। কিন্তু যান্ত্রিকতার গ্রাসে বাংলার নদী, খাল, বাওড় কমছে। এখন আর সেই পালতোলা সওদাগরী নৌকার দেখা মেলেনা, ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে বাংলার জনপ্রিয় লোকধারার এই ভাটিয়ালি গান।


--- নির্মল সরকার।  বৈঠা, বগুলা নদীয়া,,,,



মুখের দুর্গন্ধে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ হোমিও ঔষধ সমূহ 

 🌿 মুখের দুর্গন্ধে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ হোমিও ঔষধ সমূহ 🌿 ━━━━━━━━━━━━━━━ 🌿 ১️⃣ Mercurius Solubilis 👉 মুখে অতিরিক্ত লালা 👉 মাড়ি ফোলা ও ...