এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪

উইলবার রাইটঃ উড়োজাহাজের অন্যতম উদ্ভাবক,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 উইলবার রাইটঃ

উড়োজাহাজের অন্যতম উদ্ভাবক

উড়োজাহাজের অন্যতম উদ্ভাবক উইলবার রাইট ১৮৬৭ সালের ১৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানার মিলভিলে জন্মগ্রহণ করেন।উইলবার রাইট একজন মার্কিন প্রকৌশলী। তিনি সবার কাছে পরিচিত উড়োজাহাজ তৈরির জনক হিসেবে। 


উইলবার রাইটের সহযোগিতা করেন তার ভাই অরভিল রাইট। মানুষের পাখি হয়ে আকাশে ওড়ার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিয়েছিলেন তারা দুজন।


ভাই অরভিল রাইটের সঙ্গে মিলে তিনি ১৯০৩ সালে ১৭ ডিসেম্বর প্রথম নিয়ন্ত্রিত, শক্তিসম্পন্ন, বাতাসের চেয়ে ভারী, সুস্থিত মানুষ-বহনযোগ্য উড়োজাহাজ তৈরি করেন।


 পরবর্তী দু’বছর তারা এ যন্ত্রটিকে অনড়-পাখাবিশিষ্ট উড়োজাহাজে রূপান্তরিত করেন। তাদের আবিষ্কৃত উড়োজাহজ নিয়ন্ত্রকের সাহায্যেই প্রথম অনড়-পাখাবিশিষ্ট উড়োজাহাজ নির্মাণ সম্ভবপর হয়।


উইলবার রাইটের পিতা মিল্টন রাইট ছিলেন যাজক। ভাই অরভিলের মতো উইলবারও ছিলেন অবিবাহিত। হাই স্কুলে পড়লেও কোনো ডিপ্লোমা নেওয়া সম্ভব হয়নি উইলবারের। আইস স্ক্যাটিং খেলতে গিয়ে মারাত্মক আহত হয়ে তিনি তার সামনের দুটো দাঁত হারিয়েছিলেন।


যে উড়োজাহাজ আবিষ্কারের জন্য দুই ভাইয়ের এতো খ্যাতি, প্রকৃতপক্ষে তার চিন্তাভাবনা শুরু হয় ১৮৯৬ সাল থেকে। একজন জার্মান ইঞ্জিনিয়ার অটো লিলিয়েনথাল কয়েক বছর ধরে উড়ন্ত যান নিয়ে গবেষণা করেন। তার তৈরি যান আকাশে উড়লেও তাতে নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়।


১৮৯৬ সালে লিলিয়েনথালের আকস্মিক মৃত্যুতে গবেষণার কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এদিকে লিলিয়েনথালের তৈরি উড়ন্ত যানের নকশা ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রাইট ভ্রাতৃদ্বয় দেখলেন একদিকে যেমন তা অসম্পূর্ণ এবং ভুলক্রটিতে ভরা।


 প্রতিটি নকশার বিবরণ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে তারা বুঝতে পারলেন শুধু বাতাসের গতিবেগে একে বেশিদূর চালনা করা যাবে না, প্রয়োজন শক্তিচালিত ইঞ্জিনের যা একমাত্র পারবে উড়ন্ত যানকে গতি দিতে।


 কিন্তু কেমন হবে সেই ইঞ্জিন, তার প্রকৃতি কিছুতেই নির্ধারণ করতে পারেন না দুই ভাই। চলছে ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষা। প্রতিবারেই সব প্রচেষ্টা ব্যর্থতায় পরিণত হয়। এক এক সময় হতাশায় ভেঙে পড়েন দুজনে। আবার নতুন উদ্যমে ঝাঁপিয়ে পড়েন।


 যে কোনো মূল্যেই হোক সাফল্য তাদের অর্জন করতেই হবে। কিছুদিন পর তারা বুঝতে পারলেন এভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রকৃত সাফল্য অর্জন করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন আরও জ্ঞানার্জন ও অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করা। আর পরিপূর্ণ জ্ঞান না হলে সম্পূর্ণ সাফল্য অর্জন অসম্ভব।


 শুরু হলো ব্যাপক অধ্যয়ন আর অধ্যবসায়। দুই ভাইয়ের মনের মধ্যে জেগে উঠেছিল স্বপ্ন, এমন যন্ত্র তৈরি করতে হবে যাতে মানুষ শূন্য আকাশে ভেসে যাবে। আর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে দুই ভাই ছোট একটি কারখানা তৈরি করলেন।


 দীর্ঘ এক বছরের সাধনায় তৈরি হলো এক বিশাল গ্লাইডার বা উড়ন্ত যান। এতদিন যে ধরনের গ্লাইডার তৈরি হতো এটি তার চেয়ে একেবারে স্বতন্ত্র।এই গ্লাইডার বাতাসে ভারসাম্য রেখে সহজেই উড়তে সক্ষম হবে। গ্লাইডারের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে দুই ভাই তৈরি করলেন দুই পাখাবিশিষ্ট ছোট বিমান। 


এ বিমানের সামনে ও পেছনের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি ছোট যন্ত্র সংযোজন করা হলো। এর নাম এলিভেটর। মূলত এই এলিভেটরের সাহায্যে পাইলট কোনো বিমানকে নিয়ন্ত্রিত করতে পারবে। তারা আবার শুরু করলেন তাদের কর্মতৎপরতা।


 এবার তাদের মূল লক্ষ্য কীভাবে গ্লাইডারকে শক্তিচালিত করা যায়। বিভিন্ন ইঞ্জিন দিয়ে পরীক্ষা করার পর দেখা যায় একমাত্র পেট্রোলচালিত ছোট ইঞ্জিনই বিমান চালানোর ক্ষেত্রে সহায়তা করতে পারে।

প্রতি তিন পাউন্ড ওজনের জন্য এক অশ্বশক্তিসম্পন্ন ইঞ্জিন প্রয়োজন।


 এজন্য অরভিল এবং উইলবার রাইট ইঞ্জিন তৈরির কাজে হাত দিলেন। কয়েক মাসের চেষ্টায় তৈরি হলো বিমানে ব্যবহারের উপযুক্ত ইঞ্জিন। প্রত্যাশিত সেই দিনটি এলো, ১৭ ডিসেম্বর ১৯০৩ সাল। তারপর সব শক্তি দিয়ে উড়ন্ত যানকে ঠেলতে শুরু করলেন। অবাক হয়ে গেল তাদের ঘিরে থাকা লোকজন।


তাদের অবাক দৃষ্টির সামনে দিয়েই সামান্য দূর গিয়েই বাতাসের বুক চিরে শূন্যে উড়ে চলল প্রথম বিমান। কিছুদূর গিয়ে একবার পাক খেল। তারপর ধীরে ধীরে মাটিতে নেমে এলো। প্রায় ১২ সেকেন্ড আকাশে ভেসেছিল রাইট ভ্রাতৃদ্বয়ের প্রথম অ্যারোপ্লেন।


 তবে মানুষবাহী পূর্ণাঙ্গ প্লেন তৈরি করেছিলেন ১৯১০-১১ সালের দিকে। সেই বিমানে একটি পরিবার আকাশে উড়েছিল। এই বিমান যাত্রাই নতুন যুগের সূচনা করেছিল।


১৯১২ সালের ৩০ মে ওহাইয়োর ডেটনে পরলোকগমন করেন উইলবার রাইট।



ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসঃ,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসঃ


ভারতের ইতিহাস বলতে মূলত খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় সহস্রাব্দ থেকে খ্রিষ্টীয় বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগ পর্যন্ত, ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীন -মধ্যযুগীয় ও প্রাক-আধুনিক কালের ইতিহাসকেই বোঝানো হয়। খ্রিষ্টের জন্মের প্রায় দশ লক্ষ(?) বছর আগে উক্ত ভূখণ্ডে প্রথম মানববসতি গড়ে উঠতে দেখা যায়।


তবে ভারতের জ্ঞাত ইতিহাসের সূচনা হয় ৩৩০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে ১৩০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সিন্ধু সভ্যতার উন্মেষ ও প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে। পরবর্তী হরপ্পা যুগের সময়কাল ২৬০০ – ১৯০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ। খ্রিষ্টপূর্ব দ্বিতীয় সহস্রাব্দের সূচনায় এই ব্রোঞ্জযুগীয় সভ্যতার পতন ঘটে। সূচনা হয় লৌহ-নির্ভর বৈদিক যুগের।

এই যুগেই সমগ্র গাঙ্গেয় সমভূমি অঞ্চলে মহাজনপদ নামে পরিচিত ১৬টি প্রধান প্রধান রাজ্য-তথা-জনবসতির উত্থান ঘটে। এই জনপদগুলির অধিকাংশই রাজতান্ত্রিক হলেও এদের মধ্যে "লিচ্ছিবি" ছিল গণতান্ত্রিক। এই জনপদের মধ্যে অন্যতম ছিল মগধ।

খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতে মগধে জন্মগ্রহণ করেন মহাবীর ও গৌতম বুদ্ধ; পরবর্তীকালে যাঁরা ভারতের জনসাধারণের মধ্যে শ্রমণ ধর্মদর্শন প্রচার করেন।


ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসঃ


দক্ষিণ এশিয়া

• প্রস্তর যুগ ৭০,০০০-৩৩০০ খ্রীষ্টপূর্ব

• মেহেরগড় ৭০০০-৩৩০০ খ্রীষ্টপূর্ব

• হরপ্পা ও মহেঞ্জদর সভ্যতা ৩৩০০-১৭০০খ্রীষ্টপূর্ব

• হরপ্পা সংস্কৃতি ১৭০০-১৩০০ খ্রীষ্টপূর্ব

. বৈদিক যুগ ১৫০০-৫০০ খ্রীষ্টপূর্ব

. লৌহ যুগ ১২০০-৩০০ খ্রীষ্টপূর্ব

• ষোড়শ মহাজনপদ ৭০০-৩০০ খ্রীষ্টপূর্ব

• মগধ সাম্রাজ্য ৫৪৫খ্রীষ্টপূর্ব

• মৌর্য সাম্রাজ্য ৩২১-১৮৪খ্রীষ্টপূর্ব

• মধ্যকালীন রাজ্যসমূহ ২৫০ খ্রীষ্টপূর্ব

• চোল সাম্রাজ্য ২৫০খ্রীষ্টপূর্ব

• সাতবাহন সাম্রাজ্য  ২৩০খ্রীষ্টপূর্ব

• কুষাণ সাম্রাজ্য৬০-২৪০ খ্রীষ্টাব্দ

• বাকাটক সাম্রাজ্য ২৫০-৫০০ খ্রীষ্টাব্দ

• গুপ্ত সাম্রাজ্য ২৮০-৫৫০ খ্রীষ্টাব্দ

• পাল সাম্রাজ্য ৭৫০-১১৭৪ খ্রীষ্টাব্দ

• রাষ্ট্রকুট ৭৫৩-৯৮২

• ইসলামের ভারত বিজয় ৭১২

• সুলতানী আমল ১২০৬-১৫৯৬

• দিল্লি সালতানাত ১২০৬-১৫২৬

• দক্ষিণাত্য সালতানাত ১৪৯০-১৫৯৬

• হৈসল সাম্রাজ্য ১০৪০-১৩৪৬

• কাকতীয় সাম্রাজ্য ১০৮৩-১৩২৩

• আহমন সাম্রাজ্য ১২২৮-১৮২৬

. বিজয়নগর সাম্রাজ্য ১৩৩৬-১৬৪৬

. মুঘল সাম্রাজ্য ১৫২৬-১৮৫৮

. মারাঠা সাম্রাজ্য ১৬৭৪-১৮১৮

. শিখ রাষ্ট্র ১৭১৬-১৮৪৯

. শিখ সাম্রাজ্য ১৭৯৯-১৮৪৯

. ব্রিটিশ ভারত ১৮৫৮–১৯৪৭

. ভারত ভাগ ১৯৪৭

. স্বাধীন ভারত ১৯৪৭–বর্তমান 

. জাতীয় ইতিহাসঃ

. বাংলাদেশ • ভুটান • ভারত

. মালদ্বীপ • নেপাল • পাকিস্তান • শ্রীলঙ্কা

. আঞ্চলিক ইতিহাস

. আসাম • বেলুচিস্তান • বঙ্গ

. হিমাচল প্রদেশ • উড়িষ্যা • পাকিস্তানের অঞ্চল সমূহ

. পাঞ্জাব • দক্ষিণ ভারত • তিব্বত

. বিশেষায়িত ইতিহাস

. টঙ্কন • রাজবংশ • অর্থনীতি ভারততত্ত্ব

• ভাষাবিজ্ঞানের ইতিহাস • সাহিত্য • নৌসেনা

• সেনা • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি • সময়রেখা


এই বাক্সটি: দেখুনসম্পাদনা

এই নিবন্ধটি ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পূর্ববর্তী ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাস-সম্পর্কিত। ১৯৪৭-পরবর্তী ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের ইতিহাস জানতে হলে দেখুন ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের ইতিহাস নিবন্ধটি।

এছাড়া পাকিস্তান বা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ইতিহাস জানতে হলে দেখুন যথাক্রমে পাকিস্তানের ইতিহাস ও বাংলাদেশের ইতিহাস। দক্ষিণ ভারত, অবিভক্ত বাংলা ও পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস জানতে হলে দেখুন যথাক্রমে দক্ষিণ ভারতের ইতিহাস, বাংলার ইতিহাস ও পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস।


অব্যবহিত পরবর্তীতেই একাধিক বৈদেশিক শাসনে আওতায় চলে আসে উত্তর-পূর্বের এই অঞ্চল। এগুলির মধ্যে ৫৪৩ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ নাগাদ প্রতিষ্ঠিত হখামনি পারসিক সাম্রাজ্য ৩২৬ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ নাগাদ মহামতি আলেকজান্ডারের রাজত্বকাল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

এছাড়া পাঞ্জাব ও গান্ধার অঞ্চলে ব্যাকট্রিয়ার প্রথম ডিমেট্রিয়াস কর্তৃক ১৮৪ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে স্থাপন করেন ইন্দো-গ্রিক রাজ্য। প্রথম মিনান্ডারের আমলে গ্রিকো-বৌদ্ধ যুগে এই রাজ্য বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধির চরমে পৌঁছায়।


খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় ও চতুর্থ শতাব্দীতে মৌর্য সাম্রাজ্যের অধীনে উপমহাদেশে রাজনৈতিক ঐক্য সাধিত হয়। পরবর্তী দশ শতাব্দীকালে একাধিক ক্ষুদ্রকায় রাজ্য ভারতের বিভিন্ন অংশ শাসন করে। চতুর্থ খ্রিষ্টাব্দে উত্তর ভারত পুনরায় ঐক্যবদ্ধ হয় এবং পরবর্তী প্রায় দুই শতাব্দীকাল গুপ্ত সাম্রাজ্যের যাবৎ এই ঐক্য বজায় থাকে। এই যুগটি ছিল হিন্দুধর্মসংস্কৃতির পুনর্জাগরণের কাল।

ভারতের ইতিহাসে এই যুগ "ভারতের সুবর্ণ যুগ" নামে অভিহিত । এই সময় ও পরবর্তী কয়েক শতাব্দীতে দক্ষিণ ভারতে রাজত্ব করেন চালুক্য, চোল, পল্লব ও পাণ্ড্য রাজন্যবর্গ। তাদের রাজত্বকাল দক্ষিণ ভারতের নিজস্ব এক সুবর্ণ যুগের জন্ম দেয়।

এই সময়ই ভারতীয় সভ্যতা, প্রশাসন, সংস্কৃতি তথা হিন্দু ও বৌদ্ধধর্ম এশিয়ার অধিকাংশ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। ৭৭ খ্রিষ্টাব্দ নাগাদ কেরলের সঙ্গে রোমান সাম্রাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্যের কথাও জানা যায়।


৭১২ খ্রিষ্টাব্দে আরব সেনানায়ক মুহাম্মদ বিন কাশিম দক্ষিণ পাঞ্জাবের সিন্ধ ও উত্তর পাঞ্জাবের মুলতান অধিকার করে নিলে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমান শাসনের সূচনা ঘটে।এই অভিযানের ফলে দশম থেকে পঞ্চদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে মধ্য এশিয়া থেকে সংগঠিত একাধিক অভিযানের ভিত্তিভূমি সজ্জিত করে।

এরই ফলস্রুতিতে ভারতীয় উপমহাদেশে দিল্লি সুলতানি ও মুঘল সাম্রাজ্যের মতো মুসলমানি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়। মুঘল শাসনে উপমহাদেশের প্রায় সমগ্র উত্তরাঞ্চলটি ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল।

মুঘল শাসকরা ভারতে মধ্যপ্রাচ্যের শিল্প ও স্থাপত্যকলার প্রবর্তন ঘটান। মুঘলদের সমকালেই দক্ষিণ ও উত্তর-পূর্ব পশ্চিম ভারতে বিজয়নগর সাম্রাজ্য, অহোম রাজ্য এবং বাংলা, মারাঠা সাম্রাজ্য ও একাধিক রাজপুত রাজ্যের মতো বেশ কিছু স্বাধীন রাজ্যের উন্মেষ ঘটে। অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ধীরে ধীরে মুঘলদের পতন শুরু হয়।

এর ফলে আফগান, বালুচ ও শিখরা উপমহাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে সক্ষম হয়।অবশেষে ব্রিটিশরা সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার উপরে নিজেদের শাসন কায়েম করে।


অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে ও পরবর্তী শতাব্দীতে ধীরে ধীরে ভারত ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনাধীনে চলে যায়। ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধের নামে অভিহিত সিপাহী বিদ্রোহেরপ্রেক্ষিতে কোম্পানির শাসনে অসন্তুষ্ট ব্রিটিশ সরকার সরাসরি ভারতকে ব্রিটিশ রাজের প্রত্যক্ষ শাসনে নিয়ে আসেন।

এই সময়টি ছিল ভারতের পরিকাঠামো উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অবনমনের এক অধ্যায়। যদিও পাশ্চাত্য আধুনিক শিক্ষার প্রসার এই যুগেই বাংলার মাটিতে নবজাগরণের জন্ম দেয়।


বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস দেশব্যাপী এক স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেয়। অবশেষে, ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ গ্রেট ব্রিটেনের অধীনতাপাশ ছিন্ন করে ধর্মের ভিত্তিতে ভারত বিভক্ত হয়।

উপমহাদেশের পূর্ব ও পশ্চিমাংশের মুসলমান অধ্যুষিত অঞ্চলগুলি নিয়ে পাকিস্তান ও অবশিষ্ট অঞ্চল ভারতীয় প্রজাতন্ত্র নামে পরিচিত হয়। পূর্ব পাকিস্তান নামে পরিচিত পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চল ১৯৭১ সালে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে আত্ম-প্রতিষ্ঠা করে।


প্রাগৈতিহাসিক যুগ

বৈদিক ও বেদোত্তর যুগঃ


লিচ্ছবি রাজ্যের রাজধানী বৈশালী। লিচ্ছবি ছিল অরোয়াদের পর পৃথিবীর দ্বিতীয় গণতান্ত্রিক রাজ্য।

বৈদিক সংস্কৃতে মৌখিকভাবে রচিত হিন্দুদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ বেদকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আর্য সভ্যতাই ছিল বৈদিক যুগের ভিত্তি।

বেদ বিশ্বের প্রাচীনতম প্রাপ্ত গ্রন্থগুলির অন্যতম। এই গ্রন্থ মেসোপটেমিয়া ও প্রাচীন মিশরের ধর্মগ্রন্থগুলির সমসাময়িক।

বৈদিক যুগের সময়কাল ১৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে ৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ। এই সময়েই হিন্দুধর্ম ও প্রাচীন ভারতীয় সমাজের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উপাদানের মূল ভিত্তিগুলি স্থাপিত হয়। গাঙ্গেয় সমভূমি অঞ্চলকে কেন্দ্র করে সমগ্র উত্তর ভারতে বৈদিক সভ্যতাকে ছড়িয়ে দেয় আর্যরা।

ভারতীয় উপমহাদেশে ইন্দো-আর্যভাষী উপজাতিগুলির অনুপ্রবেশের ফলে প্রাগৈতিহাসিক পরবর্তী হরপ্পা সভ্যতার পতন ঘটে এবং বিদ্যমান স্থানীয় সভ্যতার উপরেই স্থাপিত হয় বৈদিক সভ্যতা। স্থানীয় বাসিন্দারা আর্যদের কাছে দস্যু নামে পরিচিত হয়।


আদি বৈদিক সমাজ ছিল গ্রামকেন্দ্রিক। ফলত এই যুগে পরবর্তী হরপ্পা সভ্যতার নগরায়ণের ধারণাটি পরিত্যক্ত হয়।ঋগ্বেদোত্তর যুগে, আর্য সমাজ অধিকতর কৃষিভিত্তিক হয়ে পড়ে এবং এই সময়েই সমাজে বর্ণাশ্রম প্রথার উদ্ভব ঘটে।

মনে করা হয়, হিন্দুদের আদি ধর্মগ্রন্থ বেদ ছাড়াও সংস্কৃত মহাকাব্য রামায়ণ ও মহাভারতের আদি সূত্রগুলি এই যুগেই নিহিত ছিল।

বিভিন্ন পুরাতাত্ত্বিক খননের ফলে প্রাপ্ত মৃৎপাত্রগুলিতে আদি ইন্দো-আর্য সভ্যতার কিছু নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া যায়। 

প্রাচীন ভারতের কুরু রাজ্যে,  কৃষ্ণ ও রক্ত ধাতব ও চিত্রিত ধূসর ধাতব সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া যায়। ১০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে উত্তর-পশ্চিম ভারতে লৌহ যুগের সুচনা হয়।


এই সময়ে রচিত অথর্ববেদে প্রথম লৌহের উল্লেখ মেলে। উক্ত গ্রন্থে লৌহকে "শ্যাম অয়স" বা কালো ধাতু বলে চিহ্নিত করা হয়। চিত্রিত ধূসর ধাতব সভ্যতা উত্তর ভারতে ১১০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে ৬০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত স্থায়ী হয়।

বৈদিক যুগেই ভারতে বৈশালীর মতো একাধিক গণরাজ্য স্থাপিত হয়। এগুলি খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দী এমনকি কোনো কোনো অঞ্চলে চতুর্থ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্তও স্থায়ী হয়েছিল।


এই যুগের পরবর্তী পর্যায়ে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে রাজ্যস্থাপন ও রাজ্যবিস্তারের সংগ্রাম শুরু হয়। এই রাজ্যগুলিই পরিচিত হয় মহাজনপদ নামে।

( সংগৃহীত )

আকিনজি" বর্তমান আধুনিক তুরস্কের সেনাবাহিনীর পরীক্ষিত সবচেয়ে শক্তিশালী মানববিহীন আকাশযান (ড্রোন)

 "আকিনজি" বর্তমান আধুনিক তুরস্কের সেনাবাহিনীর পরীক্ষিত সবচেয়ে শক্তিশালী মানববিহীন আকাশযান (ড্রোন)। আকিনজি এখন পর্যন্ত পৃথিবীর ইতিহাসের একমাত্র পাইলটবিহীন আকাশযান যা আকাশ থেকে আকাশে, আকাশ থেকে ভূমিতে এবং আকাশ থেকে সাগরে (এন্টি শীপ মিসাইল বহনকারী ড্রোন) হামলা চালাতে সক্ষম। বিভিন্ন যুদ্ধে পারদর্শিতা দেখিয়েছেন পাইলটবিহীন এই আকাশযান। তুরস্কের টেক জায়ান্ট বায়কার টেকনোলজিস তৈরি করছে শক্তিশালী এই টেকটিক্যাল পাইলটবিহীন আকাশযান (ড্রোন)।  কিন্তু কথা হচ্ছে কেন শক্তিশালী ড্রোনের নাম আকিনজি হলো? কে বা কারা ছিল এই আকিনজি? কি ছিল তার বা তাদের পরিচয়? 


আমরা আজকে আকিনজি সম্পর্কে খুব অল্প সময়ের মধ্যে সংক্ষিপ্ত ইতিহাস জানতে চেষ্টা করব।


আকিনজি একটি তুর্কি শব্দ, যার অর্থ হচ্ছে - আক্রমণকারী। আকিনজি বাহিনী ছিলো উসমানী খেলাফতের এক নির্ভীক বাহিনীর নাম। তুর্কি সাহিত্যে যাদের বীরত্ব আর সাহসিকতা নিয়ে লেখা হয়েছে অসংখ্য কবিতা আর গল্প। বিভিন্ন তুর্কি গোষ্ঠির সমন্বয়ে গঠিত এই বাহিনী উসমানীয় সেনাবাহিনীর নিয়মিত অংশ ছিলো না। এরা ছিল উসমানীয় সেনাবাহিনীর অনিয়মিত লাইট ক্যাভালরি বা ঘোড় সওয়ারী যোদ্ধা। হালকা অস্ত্রে সজ্জিত এই অশ্বারোহী বাহিনীর ছিলো ক্রুসেডার টেমপ্লার আর নাইটদের জন্য যমদূতের মতো। উসমানীয় খিলাফতে কখনোই যোদ্ধার অভাব ছিল না, সামর্থ্যবানরা সবসময় সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে আমীরের নেতৃত্বে যুদ্ধ করার সুযোগ খুঁজতো। তাই এই বিপুল সংখ্যক মানুষগুলোকে রাষ্ট্রের উপকারের কাজে লাগাতে গঠন করা হয় আকিনজি বাহিনী।


আকিনজি বাহিনী উসমানীয় খিলাফতের নিয়মিত বাহিনী ছিল না। তারা ছিল উসমানীয় খিলাফতের "সীমান্তের আক্রমণকারী" বাহিনী। এরা শত্রুপক্ষকে আক্রমণ করে গণিমতের অংশ লাভ করতো। আকিনজি বাহিনীকে তুলনা করা হতো "গমভর্তি মাঠে কাস্তের মত"। অর্থাৎ যুদ্ধের ময়দানে এরা এতটাই দুর্ধর্ষ হয়ে যেত যে "শত্রুরা এদের ভয়ে মাঠভর্তি গম হয়ে যেত, আর আকিনজি বাহিনী হয় যেত সেই গম কাটার ধারালো কাস্তে"। 


আকিনজি বাহিনী মিলি এট্যাক (হাড্ডাহাড্ডি লড়াই) ও তীরন্দাজীতে সিদ্ধহস্ত ছিল। যুদ্ধের ময়দানে যখন শত্রুরা এদের পিছু করত, তখন এরা চলন্ত ঘোড়া থেকে পিছন ফিরে তীর ছুঁড়তে পারতো। যুদ্ধক্ষেত্রে আকিনজি বাহিনী লাইট ক্যাভালরি হলেও প্রায়ই দেখা যেত তারা ক্ষিপ্রতায় ও ধ্বংসাত্মক আক্রমণে হেভি ক্যাভালরিকে ছাড়িয়ে গেছে। অনেক যুদ্ধে হেভি ক্যাভালরিকে আক্রমণে আসতেই হতো না। 


আকিনজি বাহিনীর ঘোড়াগুলোকে আলাদা করে ট্রেনিং ও ব্রিডিং করানো হতো। যার ফলে তাদের ঘোড়াগুলো ছিল অন্যান্য ঘোড়া থেকে আলাদা। আকিনজিদের ঘোড়াগুলোর ক্ষিপ্রতা হতো অনেক বেশি। আকিনজিরা যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতো কুড়াল, বল্লম, ঢাল, তলোয়ার, তীর ও ধনুক। এত অস্ত্র ব্যবহার করার কারণ হলো আকিনজিরা যুদ্ধক্ষেত্রে সবার আগে মিলি এট্যাক (হাড্ডাহাড্ডি লড়াই) করতো। উসমানীয় সাম্রাজ্যে কোন কোন যুদ্ধে হেভি ক্যাভালরি প্রয়োগই হতো না, কারণ আকিনজিরাই যথেষ্ট ছিল। উদাহরণ স্বরূপ ১৪৯৩ সালের "কারবাভার যুদ্ধ" এর কথা উল্লেখ করা যায়। 


" কারবাভার যুদ্ধ -

উসমানীয় খলিফা দ্বিতীয় বায়েজিদের আমলে ৯ সেপ্টেম্বর ১৪৯৩ সালে ক্রোয়েশিয়া সাম্রাজ্যের সেনাবাহিনীর সাথে এই যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিলো যখন ক্রোয়েশিয়া স্বেচ্ছায় হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের সাথে একীভূত হয়। প্রাচীন ইতিহাসবিদরা এই যুদ্ধকে ক্রোয়েশীয় রাজ্যের প্রথম বিলুপ্তি হিসাবে বর্ণনা করেছেন। কারভাবার এই মাঠটি ক্রোয়েশিয়ার লিকা অঞ্চলের একটি অংশ। উসমানী বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন বসনিয়ার সানজাক-বে (স্থানীয় গভর্নর ও সেনানায়ক) হাদিম ইয়াকুব পাশা। এবং ক্রোয়েশিয়ান সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন ক্রোয়েশিয়ার উচ্চপদস্থ সামরিক প্রশাসক এমেরিক ডেরেনচিন- যিনি রাজা ভ্লাদিসলাস দ্বিতীয় জাগিলোর অধীনে ছিলেন। ১৪৯৩ সালের গ্রীষ্মের শুরুতে, উসমানীয় সেনাবাহিনী ক্রোয়েশিয়ার মধ্য দিয়ে কার্নিওলা এবং স্টাইরিয়াতে অভিযান চালায়। উসমানীয় সেনাবাহিনী গোরিকার সংকীর্ণ পর্বতের গিরিপথ দিয়ে কারভাবার মাঠে প্রবেশ করেছিল। সেনাপতিদের সাথে একটি বৈঠকের পর, হাদিম ইয়াকুব পাশা প্রায় ৩ হাজার আকিনজি অশ্বারোহী সৈন্যকে কারভাবার মাঠের কাছে একটি জঙ্গলে শত্রুকে গোপনে আক্রমণের জন্য অ্যামবুশ স্থাপন করতে পাঠান। যদিও এটি ছিলো উন্মুক্ত সমভূমির যুদ্ধ। 


ওদিকে ক্রোয়েশিয়ান সেনাবাহিনীকে প্রাথমিকভাবে কারভাবার মাঠের পূর্ব অংশের ঢালে মোতায়েন করা হয়েছিল। ক্রোয়েশিয়ান সেনাবাহিনী তিনটি দলে বিভক্ত ছিল। প্রথমটি ফ্রাঞ্জো বেরিসলাভিচের নেতৃত্বে স্লাভোনিয়ার সৈন্যদের নিয়ে গঠিত, দ্বিতীয়টি ইভান ফ্রাঙ্কোপান সেটিনস্কির অধীনে ছিল, এবং তৃতীয়টি নিকোলা ষষ্ঠ ফ্রাঙ্কোপ্যান এবং বার্নার্ডিন ফ্রাঙ্কোপ্যানের নেতৃত্বে ছিল। ক্রোয়েশিয়ান পদাতিক এবং অশ্বারোহী বাহিনী তিনটি বিভাগেই সমানভাবে বিভক্ত করা হয়েছিল। সেনাবাহিনীর প্রধান কমান্ডার ছিলেন ব্যান এমেরিক ডেরেনচিন। উসমানীয় সেনাবাহিনীকেও তিনটি দলে বিন্যস্ত করা হয়েছিল। প্রথমটির পরিচালনায় ছিলেন বেক্রুশেভাকের গভর্নর ইসমাইল বে, দ্বিতীয়টি ছিলো উসকুপের সানজাক মেহমেদ বে’র নেতৃত্বে, আর মাঝখানের দলটি হাদিম ইয়াকুপ পাশার অধীনে ছিল। বসনিয়ার রাজা স্টিফেন থমাসের পুত্র ইশাক বে ক্রালোগলুও উসমানীয় খেলাফতের পক্ষে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। উসমানীয় সেনাপতির পরিকল্পনা ছিল ক্রোয়েশিয়ান বাহিনীকে আরও পশ্চিমে বনের পাশে নিয়ে যাওয়া যেখানে তারা একটি অ্যামবুশ স্থাপন করেছিল। ইসমাইলের ডান পাশের বাহিনী প্রথম আক্রমণ চালালে ক্রোয়েশিয়ান বাহিনী বাম দিকে এগিয়ে যায়। ক্রোয়েশিয়ান সেনাবাহিনী এরপর ঢাল ছেড়ে উসমানীয় সেনাদের দিকে ছুটে গেলে খোলা মাঠে যুদ্ধ শুরু হয়। 


যুদ্ধটি তলোয়ার দিয়ে হাতাহাতির পর্যায়ে হয়েছিল, তীর-ধনুক ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। উসমানীয় বাহিনী প্রথমে পিছু হঠে, এবং একটি পরিকল্পিত পশ্চাদপসরণ শুরু করে। যা ক্রোয়েশিয়ান সেনাবাহিনীকে তাড়া করার জন্য প্রলুব্ধ করে নিশ্চিত ধ্বংসের দিকে টেনে নিয়ে যায়। কারভাবার মাঠের জঙ্গল এলাকায় অবস্থিত ৩,০০০ অশ্বারোহী আকিনজি কারভাবার নদী অতিক্রম করে এবং ক্রোয়েশিয়ান পেছন দিকে আক্রমণ চালায়। তারপরে হাদিম ইয়াকুপ পাশার মূল সেনাবাহিনী সম্মুখ আক্রমণ শুরু করে। একইভাবে ক্রোয়েশিয়ান সেনাবাহিনীকে সামনে, পেছন এবং ডান দিক থেকে আক্রমণ করা হয়েছিল। বার্নার্ডিন ফ্রাঙ্কোপানের ক্রোয়েশিয়ান বাহিনীর বাম অংশ তুর্কি হালকা অশ্বারোহী আকিনজি বাহিনীর আক্রমণ প্রতিহত করতে পারেনি এবং পিছু হটতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত ক্রোয়েশিয়ান পদাতিক বাহিনীর অধিকাংশই ঘেরাও হয়ে যায় এবং পিছু হটার সুযোগও পায়নি। ক্রোয়েশিয়ান সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ পরাজয়ের সম্মুখীন হয় এবং শুধুমাত্র অল্প সংখ্যক পুরুষই নিকটবর্তী দুর্গে ঘেরা শহর উদবিনায় নিরাপদে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। সকাল প্রায় ৯ টার দিকে যুদ্ধ শুরু হয়ে বিকেলে শেষ হয়। ইতিহাসবিদ এইচ ই এফেন্দির মতে, যুদ্ধের একটি আশ্চর্য ঘটনা হচ্ছে ক্রোয়েশিয়ান সেনাপতি ডেরেনচিন একজন আকিনজি সেনার সাথে মল্লযুদ্ধে নামেন, যিনি তাকে তার ঘোড়া থেকে ফেলে দিয়েছিলেন। কিন্তু দুঃসাহসী আকিনজি গেরিলা ডেরেনচিনের হাত ও গলায় দড়ি বেঁধে পাশার কাছে টেনে নিয়ে গিয়েছিলেন। পাশা তখন ডেরেনচিনকে বেঁধে নিহত ও বন্দী ক্রোয়েশিয়ান সৈন্যদের পাশে হাটিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। ডেরেনচিন বন্দী অবস্থায় মারা যান। তার ভাই এবং তার পুত্র পাভাও এই যুদ্ধে নিহত হন। নিকোলা ষষ্ঠ ফ্রাঙ্কোপান ট্রাজাকিকেও বন্দী করা হয়েছিল, কিন্তু মুক্তিপণ দিয়ে তিনি ছাড়া পেয়েছিলেন। "


কোন এলাকায় যুদ্ধ শুরু হলে সেই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন পড়তো। আর এই কাজে আকিনজিরা ছিল সিদ্ধহস্ত। কারণ আকিনজিরা‌ ছিল খুবই সতর্ক ও সচল। 


আকিনজিরা শত্রুর এলাকায় ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় হামলা করে দুর্বল জায়গাগুলো চিহ্নিত করতে পারঙম ছিল। অনেক সময় শত্রু বাহিনীর সরবরাহ ব্যবস্থা ধ্বংস করার জন্য আকিনজিদের ব্যবহার করা হতো। আকিনজিরা হঠাৎ করে আক্রমণ করে শত্র বাহিনীর সরবরাহ ব্যবস্থা, অস্ত্র ও গোলাবারুদ, ঔষধ ও চিকিৎসা ব্যবস্থা ও খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা মাটির সাথে মিশিয়ে দিত। শত্রুর বাণিজ্যিক পথে আক্রমণ পরিচালনা করতেও দক্ষ ছিল আকিনজি বাহিনী। 


কিছু তুর্কি বংশোদ্ভূত যারা আকিনজি বাহিনীতে কাজ করেছিল তারা হলো - "মালকোশোগলু, তুরহানলি, ওমেরলি, এভ্রেনোসওগলু ও মিহালি "। 


বায়কার টেকনোলজিস মূলত উসমানীয় খিলাফত সমকালীন সময়ে তুর্কিদের শৌর্য বীর্যের পরিচয় সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য তার সমরাস্ত্রের নাম ইতিহাস থেকে তুলে এনেছে। এই সকল নামের মাধ্যমে ফিরিয়ে আনতে চায় উসমানীয় খিলাফতের ঐতিহ্য। এটি নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় উদ্যোগ বটে।

শুক্রবার, ৭ জুন, ২০২৪

বেরইলের শাকিলের ছাগলের সম্পর্ক কথা

 আজ ফজরের নামাজ পড়ে যশোরে আমার কোম্পানির মিটিং ছিল খুব সকালে রওনা দেই।ওদের দুজনের সাথে আর দেখা হয় না ।মিটিং শেষ করে বিকেল বেলা খুব তাড়াহুড়া করে ঈছাখাদার বাজার থেকে ওদের জন্য খাবার কিনি।যেহেতু সকালে ওদেরকে আমি খেতে দিতে পারি নাই তাই অন্যান্য কাজ রেখে দ্রুত বাসায় চলে আসি।আসার পরে ওরা আমার কাছে ছুটে আসে তারপর ব্যাগ থেকে বের করে ওদেরকে খাবার দেই তারপর আমি গোসল করার জন্য পুকুরে যাই ওরা দুইজনে পিছন পিছন আমার সাথে ঘাটে যায়। এবং নিচের সিঁড়িতে দুজন দাঁড়িয়ে থাকে আমি গোসল করে ওঠার পরে আমার সাথে চলে আসে বাড়ির ভেতর তারপর আমি হাজীপুর বাজারে চলে যাই ।একটু পরেই আমার ফোনে বারবার ফোন আসে টাইগার অসুস্থ আমি দ্রুত হাজীপুর বাজারে আরাফাতের কাছে চলে যাই ওর পরামর্শে আমি ওদের ওষুধ নিয়ে আসি তারপরে আবার বাজারে চলে যায় আবার বাড়ি থেকে ফোন করে এরপরে আমি শিবরামপুরের পারভেজকে ফোন দেই সে কিছু ওষুধের কথা বলল হাজীপুর এবং ইছাখাদা দৌড়াদৌড়ি করে ওষুধ ম্যানেজ করে এর মধ্যে খুব ছটফট করছিল তার সুজিত দাদার কাছে চলে যায় রাত সেই সময় প্রায় বারোটা বাজে দাদা বলল হিট স্ট্রোকের পাশাপাশি প্যারালাইজড হয়ে গেছে ।মনের অজান্তে বুক ফেটে কান্না চলে আসলাম চোখ দিয়ে টলমল করে পানি বের হতে শুরু হল ।সুজিত দাদা ফোন দিল হাজিপুর বাজারে র কেমিস্ট কে আমি জুয়েলকে বললাম দ্রুত গাড়ি চালা ও আমার বুকের উপরে ছিল দোকানের সামনে এসে ওকে ওষুধ খাওয়ালাম শুধু চোখ দিয়ে দুই ফুট পানি বের হল তারপর দেহটা নিথর হয়ে গেল। অল্প সময়ের মধ্যে অনেক মায়া ভালোবাসা জড়িয়ে চলে গেল দুনিয়া ছেড়ে। মনকে বোঝাতে পারছি না আমি ওর জন্য কোন কিছু করতে পারলাম কিনা আমি বলছিলাম আমার জীবনের প্রথম কোন পশু প্রাণী লালন পালনের গল্প, গল্পটা সুন্দর ছিল কিন্তু সেই সময়টা ছিল অল্প এ এক  অন্যরকম অনুভূতি অন্যরকম ভালোবাসা অন্যরকম কষ্ট।




একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের মিনিমাম মাসিক খরচের তালিকা...

 একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের মিনিমাম মাসিক খরচের তালিকা...



১। চাউল ১ বস্তা = ৩,০০০/-


২। তৈল ৪ লিটার = ৮০০/-


৩। বাসা ভাড়া = ৪,০০০/-


৪। সবজি = ৪,০০০/-


৫। মাছ = ৪,০০০/-


৬। গ্যাস সিলিন্ডার = ১,৫০০/-


৭। শ্যাম্পু,সাবান৷ = ৫০০/-


৮। মুদি বাজার = ২,০০০/-


৮। বিদ্যুৎ বিল = ৭০০/-


৯।মোবাইল খরচ। = ৫০০/-


১০।বাবা মায়ের হাতে নিম্নে৫০০০/-


-------------------------------------------------


সর্বমোট = ২৬০০০/-


সাথে বাচ্চাদের পড়াশুনা, চিকিৎসা খরচ, যাতায়াত, পিতা মাতার জন্য নির্দিষ্ট একটা খরচ সহ আরও অন্যান্য খরচ।


কিন্তু,


যাদের বেতন ৮,০০০/-


যাদের বেতন ১০,০০০/-


যাদের বেতন ১৫,০০০/-


যাদের বেতন ২০,০০০/-


কি করবে তারা ???


হাত খরচ, যাতায়াত খরচ বাদ দিলাম।। 🥲


দাবি আমাদের একটাই,


""নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম কমান""


দেশ বাচাঁন,,, দেশের মানুষ বাচাঁন....!!"" এ দেশের মানুষ এখন আর মেট্রোরেল, পদ্ধা সেতু, টানেল , ফ্লাইওভার চায় না। তারা দুই বেলা ডাল ভাত খেয়ে বাচতে চায়।


মধ্যবিত্ত এবং নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সকল পণ্যের দাম কমানো উচিত। এটাই বর্তমান সময়ে মধ্যবিত্ত পরিবারের আশা।(রাজনৈতিক গন্ধ খুজবেন না প্লিজ কেউ)

সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ০৭-০৬-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ০৭-০৬-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য সাত লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপন - জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছয় দশমিক সাত-পাঁচ শতাংশ।


প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পাঁচ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা - ব্যক্তি পর্যায়ে করমুক্ত আয়ের সীমা অপরিবর্তিত।


আগামী অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আকার মোট দুই লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা - সর্বোচ্চ বরাদ্দ পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে।


প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট বাস্তবসম্মত ও গণমুখী, মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের - বৈশ্বিক বাস্তবতার প্রভাব মাথায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে, বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী। 


দেশে আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস।


মধ্য গাজার একটি স্কুলে বিমান হামলায় ৩৫ জন নিহত হওয়ার বিষয়ে ইসরাইলকে পুরোপুরি স্বচ্ছ হতে বলল যুক্তরাষ্ট্র।


৩৫-তম জাতীয় নারী হ্যান্ডবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে আজ বাংলাদেশ আনসার ভিডিপি মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ পুলিশের।

রাত  ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৬-০৬-২০২৪ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৬-০৬-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য সাত লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপন - জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছয় দশমিক সাত-পাঁচ শতাংশ।


প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পাঁচ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা 

- ব্যক্তি পর্যায়ে করমুক্ত আয়ের সীমা অপরিবর্তিত। 


আগামী অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আকার মোট দুই লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা - সর্বোচ্চ বরাদ্দ পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে। 


প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট বাস্তবসম্মত ও গণমুখী, মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের - বৈশ্বিক বাস্তবতার প্রভাব মাথায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে, বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী। 


দেশে আগামীকাল যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস।


ভারতে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ রবিবার - অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শনিবার নতুন দিল্লি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


গাজার মধ্যাঞ্চলে জাতিসংঘ-সহায়তাপুষ্ট একটি স্কুলে ইসরাইলি হামলায় নিহত অন্তত ৩৫।


আজ ডালাসে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে যুক্তরাষ্ট্রের মোকাবেলা করবে পাকিস্তান।

বৃহস্পতিবার, ৬ জুন, ২০২৪

ইংরেজি শিক্ষা ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 As - কারন, যেহেতু

Say- ধরা যাক

So - অতএব , সুতরাং

Who - কে, যে, কাকে

And - এবং ,ও

But - কিন্তু, তথাপি

That - যে , যা, যাতে, ফলে

Even - এমনকি

At first - প্রথমত

Often - প্রায়ই , মাঝে মাঝে

More - আরো , অধিকতর

Which - যেটি , যা

As if - যেন

Although - যদিও, যাতে , সত্বেও

While - যখন

Similarly - অনুরূপভাবে, একইভাবে

Therefore - অতএব , সুতরাং

So that - যাতে , যেন

First of all - প্রথমত

Rather - বরং, চেয়ে

Such as - তেমনই

However – যাইহোক

Indeed – প্রকৃতপক্ষে

Whereas – যেহেতু

Usually - সাধারনত

Only – শুধু, কেবল, একমাত্র

Firstly - প্রথমত

Finally - পরিশেষে

Moreover - তাছাড়া, অধিকন্তু, উপরন্তু

But also - এমনি , এটিও

As well as – এবং, ও, পাশাপাশি

Furthermore - অধিকন্তু

Regrettably - দুঃখজনকভাবে ।

in fact – আসলে

Hence - অত:পর/সুতরাং

Such as - যথা/যেমন

Notably – লক্ষণীয়ভাবে

Consequently – অতএব

On the whole – মোটামুটি

Either - দুয়ের যে কোন একটি

Neither - দুয়ের কোনটি নয়

In any event - যাহাই ঘটুক না কেন

Additionally - অতিরিক্ত আরো

In this regard – এ বিষয়ে

As a matter of fact -বাস্তবিকপক্ষে/

প্রকৃতপক্ষে

Including - সেই সঙ্গে

Nonetheless - তবু

Nevertheless - তথাপি , তবুও , তারপরও

Lest - পাছে ভয় হয়

Whether - কি ...না , যদি

Comparatively - অপেক্ষাকৃত

To be honest - সত্যি বলতে

Come what may - যাই ঘটুক না কেন

If you do care - যদি আপনি চান

Next to nothing - না বললেও চলে

As far as it goes - এ ব্যাপারে যতটুকু বলা যায় ।As far as I’m concerned - আমার জানা মতে ।

Why on earth - (বিরক্তি প্রকাশার্থে)- কেন যে?

On the other hand - অন্যদিকে ।

In this connection - এ বিষয়ে ।

In addition - অধিকন্তু, মোটের উপর

Infact - প্রকৃতপক্ষে

To be frank - খোলাখুলি ভাবে বলা যায় ।

Sincerely speaking - সত্যিকার ব্যাপার হলো ।

To sum up - সংক্ষেপে বলতে গেলে

Though - যদিও, সত্বেও

Incidentally - ঘটনাক্রমে

Then - তারপর ,তখন

Than - চেয়ে , থেকে

For a while - কিছুক্ষণের জন্য

In order to - উদ্দেশ্যে, জন্যে



যশোর,,,,,,,

 🇧🇩বাড়ি কোথায় ভাই? যশোর.!!

ও আইচ্ছা যশোইরাহ্..!!!

যশোইরাদের চাল চলন আর বচন ভঙ্গী

দেখলে মনে হয় হেব্বি স্টাইলিস,

অনেক অহঙ্কারী আর দেমাগি, যেন এক

একজন এক একটা বড় সড়ো লাটসাহেবের

বেটা..!

ভাই থামেন আর কথা বাড়ায়েন না।

এবার কান খাড়া রেখে শুুনুন আসলেই এই

যশোইরারা কেন এমন হয়।


বিষয় হচ্ছে.....

আমরা যশোইরারা কিন্তুু

🇧🇩অবিভক্ত বাংলার প্রথম জেলার মানুষ,

অর্থাৎ এই যশোরই অবিভক্ত বাংলার

প্রথম ও একমাত্র জেলা ছিল। তখন বৃহত্তর

বরিশাল, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, খুলনা ও

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী

কোলকাতা আর চব্বিশপর্গনা বর্তমান

জেলাসহ তৎকালিন আরো অনেক

অঞ্চলই ছিল এই যশোর জেলারই অন্তর্গত

ছোট ছোট মহকুমা।


🇧🇩শুধুকি তাই এক সময়কার বাংলার

#রাজধানীও ছিল এই যশোর।

আরো জেনে রাখুন শুধু অবিভক্ত

বাংলার প্রথম জেলা নয়, মহান

মুক্তিযুদ্ধের সময়

প্রথম শত্রুমুক্ত স্বাধীন জেলাও কিন্তুু

আমাদের এই যশোর।


🇧🇩আবার বাংলাদেশের প্রথম

ডিজিটাল জেলা সেটাও কিন্তুু এই

যশোর।

বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল

মডেল থানা যেটা সেটাও কিন্তুু

আমাদের যশোরের-ই সদর মডেল থানা।

আসেন, এসে স্বচোখে দেখে যান

আমাদের যশোহর। সাজানো

গোছানো, ফিটফাট, পরিষ্কার পরিছন্ন,

পরিপাটি জন বহুল এবং খুবই ব্যাস্ততম

নগরী ও পুরাতন জনপদ হলো এই যশোহর।

[ যশোহর]


🇧🇩নাম শুনেন নাই,এমন লোক

বাংলাদেশে একজনও আছে নাকি

আমার জানা নাই। তারপরও অনেকেই

বলেন যশোর ও..ও..ও যশোরটাতো খুলনা

বিভাগে তাইন্য.?

বেচারা জ্ঞ্যান পাপি, গাল

ভ্যাসকাইয়া বলে:- বেগ্গুনে কয় হুইন্চি

ঢাহা থেইক্কা নাকি যশোর যায়তে

বেগ্গুন হথ হারিদিওন যায়তে অই, বেগ্গুন

টাইমও লাগে হুইচি.? হুইন্চি আরিচা ঐ

হরিদপুরদি, আর যমুনা ঐ খুষ্টিয়াদি

নদীহথ হারওই যায়তে অওন লাগে এইডা

হাচানি.?


🇧🇩তাই তাদের উদ্দেশ্যে বলছি..........।

ভাই বাংলাদেশে বাস করেন অথচ

হাজী মোঃ মহসীনের নাম শোনেন

নাই.? জী আমি দানবীর

হাজী_মোঃ_মহসীনের কথায় বলছি।

যার জীবন আদর্শের শিক্ষা নিতে

বইয়ের পাতায় চোখ বুলাননি এমন মানুষ

মেলা বড় ভার।

আমি বলছি বীরশ্রেষ্ঠ_হামিদুর_রহমান

ও  নূর_মোঃ_শেখের কথা।

জী বাংলার ৭-জন বীরশ্রেষ্ঠের মধ্যে

ওই ২-জন বীরশ্রেষ্ঠ আমাদের বৃহত্তর

যশোরেরি কৃতি সন্তান তথা ঝিনাইদহ

ও নড়াইল।


🇧🇩বাংলাদেশের একমাত্র সনেট কবি

বাংলা সর্বর্ন ব্যান্জন বর্ন ও বাংলা

নাটকের জনক মহাকবি_মাইকেল_ম

ধুসুদন_দত্ত আমাদের যশোরের সন্তান।

বাংলা ভাষার সুদ্ধ শব্দভাণ্ডার

প্রমথ_চৌধুরীর জন্মস্থান ও কিন্তুু এই

যশোরেই।

কবি মুনির চৌধুরী, ডঃ লুৎফর রহমান,

কবি ফররুখ আহম্মেদ, কবি মোস্তফা

কামাল, বিশিষ্ট মিউজিসিয়ান রবী

শংকর ও বিশ্ববিখ্যাত চিত্রশিল্পী

এসএম সুলতানের জন্মভিটা সেও কিন্তুু

এই আমাদের যশোরের মাটিতে।


🇧🇩রাজা প্রতাপাদিত্যে রায় বাহাদুর

রঘুনাথ ও যদুনাথ মজুমদার এই যশোরের

সন্তান।

আরো শুনুন...চলচিত্র মাধ্যেম কল্পনা

করা যায়না যাদের ছাড়া সেই

কালজয়ী অভিনেত্রী বাংলা

চলচ্চিত্রের একমাত্র আন্তর্জাতিক

খ্যাতিসম্পন্ন অভিনেত্রী ববিতা ,

বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের সর্বচ্চো ও

সর্বাধীক জাতীয় চলচিত্র পুরষ্কার

প্রাপ্ত একমাত্র অভিনেত্রী শাবনূর,

সুচন্দা, চম্পা, চিত্রনায়ক রিয়াজ,

তিশা, কেয়া, রত্না, শাহানুর, শশী,

নাট্যকার সমু চৌধুরী, সাচ্চু, সুমাইয়া

শিমু, এরা সবাই আমাদের যশোরেরই

সন্তান।


🇧🇩উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ সুরকার সঙ্গীতজ্ঞ

প্রয়াত প্রনব ঘোষ, প্রখ্যাত সুরকার

কমলদাস গুপ্ত, ইত্যাদি খ্যাত প্রখ্যাত

গিতিকার মোঃ রফিকুজ্জামান,

সঙ্গীতশিল্পী বিজয় সরকার, আগবর,

মনির খান, পাগলাকনাই এনারাও এই

আমাদের যশোরেরি সন্তান।

আরো আছেন এই প্রাচীন সভ্য ও আল্ট্রা

মডার্ন ডিজিটাল জনপদ মিষ্টভাষী

যশোরে যারা আত্ত্বীয়তা করেছেন

হয়েছেন যশোর অঞ্চলের আদরের

জামাই বাবু। কবিগুরু_বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ_ঠাকুর থেকে শুরুকরে সেই

মহা ভারতের মহামান্য মাননীয়

রাষ্ট্রপতি জনাব_প্রনব_মূখার্জী ।

আছেন জামায় বাবু চিত্রনায়ক

কুমিল্লার ফেরদৌস, নাট্যকার

মোস্তফা সারোয়ার ফারুকি।

শ্রেষ্ঠ চলচিত্রকার ও উপন্যাসিক জহির

রায়হান।

যশোরের আরেক জামাই বাংলাদেশ

ক্রিকেটের প্রথম টেস্ট সেন্চুরীয়ান ও

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের

সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল।


🇧🇩যশোরের গৃহবধু জিবন্ত কিংবদন্তি

চিত্রনায়কা শাবানা।


যশোরের সাবেক জামাই আন্তর্জাতিক

ব্যান্ড তারকা নগর বাউল জেমস্।

যশোরেরি আদরের ভাগ্নে ব্যান্ড

তারকা হাসান সহ আরো কতো কে।


🇧🇩তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রথম ও সাবেক

মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি

লতিফুর রহমান, মহান স্বাধীনতা

আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব

দানকারী শহিদ মশিয়ুর রহমান,

বাংলার কমরেড অমল সেন, কমরেড

সুবাশ বোস, কমরেড ইলামিত্র।


🇧🇩আছে পদ্মার এপাড়ে এতদা অঞ্চলের

তুমুল জনপ্রিয় জননেতা ও সাবেক সফল

মন্ত্রীদয় জননেতা খালেদুর_রহমান_টিটো, তরিকুল ইসলাম, বাংলার সাবেক

সফল শিক্ষামন্ত্রী এ_এইছ_এস_কে_সাদেক, খান টিপু সুলতান, রবিউল আলোম,

আব্দুল হাই, বাবু নিতায় রায় চৌধুরী

এনারা সবাই আমাদের বৃহত্তর যশোরেরই

সন্তান।


🇧🇩বাংলার চার খলিফার এক খলিফা

স্বাধীন বাংলা ছাত্রসংগ্রাম

পরিষদের সভাপতি নূরে_আলম_সিদ্দি

কী সেও কিন্তু আমাদের যশোরের

সন্তান।

এদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের দৃষ্টান্ত

স্থাপন করে যশোর।


🇧🇩যেমন আমাদের দেশের রাষ্ট্রিয়

অনুষ্ঠান, আপনার স্বপ্নের বাশর ঘর আর

জাতীয় উৎসব পহেলা বৈশাখ ও

ভালোবাসা দিবস কল্পনায় করা যায়

না যে অঞ্চলের ফুল ছাড়া সেটাও

কিন্তুু এই আমাদের যশোরেরই

ঝিকরগাছার গদখালীর রুচিবান

পরিশ্রমী কৃষকের ক্ষেতে খুবই যত্নে

উৎপাদিত ফুল।


🇧🇩বাংলাদেশের বিখ্যাত আকিজ

গ্রুপের অন্তত একটি পন্য পাওয়া যায়না

এমন বাড়ি বাংলার কোথাও নাই,

এটাও কিন্তুু আমাদের এই যশোরের।


🇧🇩যে বাজার থেকে বাজার না করলে

বড়লোকের বাজার করায় মন ভরেনা

সেই মিনা বাজারও কিন্তুু আমাদের এই

যশোরের।


🇧🇩আপনারা রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়া

সেই স্বপ্ন বিলাসী বিনোদনের রং

খুজে পান যেখানে গেলে

বাংলাশেদের সেই সর্বাধুনিক

প্রযুক্তি সম্পন্ন বিনোদন কেন্দ্র

ফ্যান্টাসিক কিংডমও কিন্তুু এই

যশোইরার।


🇧🇩যে বিদ্যুৎ এর প্লার ছাড়া আপনার

বাসায় বিদ্যুৎ সংযোগ পৌছায় না

ওটাও কিন্তুু এই যশোরের।


🇧🇩আমার, আপনার শিক্ষার অস্ত্রো

সময়ের তুমুল জনপ্রিয় বলপেন ইকোনো

বলপেন সেটাও কিন্তুু আমাদের এই

যশোরেই তৈরি।


🇧🇩যেই সার ছাড়া আপনার ক্ষেতে

উন্নতমানের শবজি চাষ হয়না সেই

পানপাতা ও নোয়াপাড়া

মিস্রসারটাও কিন্তুু আমাদের এই

যশোরের শিল্পনগরী নোয়াপাড়ার

তৈরি।


🇧🇩যেই মাছের পোনা ছাড়া আপনারা

বড় মাছের স্বাদই নিতে পারেননা,

মাছও চাষ করতে পারেননা, সেই

মাছের পোনাও কিন্তুু উৎপাদন হয়

আমাদের যশোরেরই মৎস হ্যাচারিতে।


🇧🇩এখনো যশোরের বিল বাওড়ে পাওয়া

যায় আমাদের সেই যশোরের বিখ্যাত

মাছ কৈ।

🇧🇩যেই নামিদামি সবজি আর সুস্বাদু চাল

ছাড়া মুখে যায়না ভাত, সেই চাল আর

সবজি আমাদের বিখ্যাত যশোইরা

বেগুন এবং বিশ্ববিখ্যাত হাইব্রিড

পেঁপে এক একটা ৫/১০ কেজি ওজনেরও

বেশি যার নাম যশোহরি পেঁপে

সেটাও কিন্তুু আমাদের এই যশোরের।


🇧🇩কি আর বলবো ভাই আপনার বাসার

জামায় আদর আর মিষ্টি মিঠায় খাওয়া

এসবতো আমাদের যশোরের খেজুরের রস

আর চিটাগুড় ছাড়া চলেইনা।

# অর্থ_মেধা , প্রজ্ঞা, সৃষ্টিশীলতা,

মননশীলতা, শিক্ষা, সংস্কৃতি

সবকিছুতেই আমরা অগ্রগামী।

★আমাদের আছে মাইকেল মধুসুদন

বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ যার নাম যশোর

MM কলেজ।

★আমাদের আছে যশোর বিঞ্জ্যান ও

প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

★আমাদের রয়েছে বাংলাদেশ উন্মুক্ত

বিশ্ববিদ্যালয়।

★আমাদের রয়েছে টিচার্স ট্রেনিং

কলেজ।

★আমাদের রয়েছে দেশের প্রাচীন বৃহৎ

ও স্বনামধন্য যশোর সরকারি

পলিটেকনিক কলেজ।

★আমাদের রয়েছে যশোর মেডিকেল

কলেজ ও হাসপাতাল।

★আমাদের রয়েছে দেশের একমাত্র

করোনারী কেয়ার ইউনিট।

★আমাদের রয়েছে হোমিওপ্যাথিক

মেডিকেল কলেজ।

★আমাদের রয়েছে আন্তর্জাতিক মান

সম্পন্ন বিমান বন্দর।

★আমাদের রয়েছে জাতীয় মানসম্পন্ন

যশোর শামসুলহুদা স্টেডিয়াম।

★আমাদের রয়েছে আন্তর্জাতিক

মানসম্পন্ন সুইমিংপুল।

★আমাদের রয়েছে যশোর

শিক্ষাবোর্ড।

★আমাদের রয়েছে খুলানা বিভাগের

একমাত্র ও ববিভাগীয় বাংলাদেশ

স্কাউট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।

★আমাদের রয়েছে বাংলাদেশের

দ্বিতীয় বৃহত্তম কেন্দ্রীয় কারাগার।

★আমাদের রয়েছে বাংলার একমাত্র

শিশু কিশোর কারাগার বাংলাদেশ

শিশু জেলখানা।

★আমাদের রয়েছে দেশের দ্বিতীয়

বৃহত্তম সেনানিবাস যশোর

ক্যান্টনমেন্ট।

★আমাদের যশোরে রয়েছে দেশের

দ্বিতীয় বৃহত্তম বিজিবি ও আনসার

ক্যাম্প।

★আমাদের রয়েছে বাংলাদেশের

একমাত্র বিমান বাহিনী প্রশিক্ষন

কেন্দ্র।

★আমাদের রয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ

স্থলবন্দর বেনাপোল বন্দর।

★আমাদের যশোরে রয়েছে রেলওয়ে

স্টেশন।

★আমাদের রয়েছে যশোর নোয়াপাড়া

নৌবন্দর।

★বাংলাদেশের মধ্যে ঢাকা,

চট্টোগ্রামের বাইরে একমাত্র

আমাদেরই রয়েছে আকাশপথ, রেলপথ,

সড়কপথ ও নদীপথ।

★আমাদের বিনদনের জন্য রয়েছে

এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং দক্ষিণ

এশিয়ার সর্ববৃহৎ সর্বাধুনিক বিলাসবহুল

সিনেমাহল মনিহার সিনেমা হল।

★আমাদেরই হচ্ছে দেশের প্রথম ৩৪-তলা

নির্মানাধীন বিশাল ভবন দেশের

একমাত্র ও সর্ববৃহৎ আইটি পার্ক এবং

আইটি সেন্টার।

★আমাদের যশোরেই হতে যাচ্ছে

দেশের একমাত্র সাংস্কৃতিক

বিশ্ববিদ্যালয়।

★আমাদের বৃহত্তর যশোরের ঝিনাইদহে

রয়েছে বাংলার বৃহৎ ক্যাডেট কলেজ।

★একমাত্র আমাদেরই আছে দেশের

সবচেয়ে পুরাতন ও প্রাচীন পুস্তক সমৃদ্ধ

সর্ববৃহৎ লাইব্রেরী যশোর লাইব্রেরী।

★আমাদের আছে দেশের সবচেয়ে

বৃহত্তম ও প্রাচীন উকিলবার।

★একমাত্র আমাদেরই আছে প্রাচীন

ব্রিটিশ দারা নির্মিত দেশের সর্ববৃহৎ

প্রশাসনিক ভবন যশোর ডিসি অফিস

অর্থাৎ সুদীর্ঘ জেলা প্রশাসন

কার্যালয়।

★আর এই আমাদেরই ছিল দেশের সর্ববৃহৎ

সর্বচ্চো মহামান্য আদালত হাইকোর্ট।

★আমাদের যশোরেই রয়েছে

সৃষ্টিকর্তা প্ররদত্ত্ব দান দেশের

একমাত্র খাবার উপযোগী মিঠাপানি।

★আমাদের রয়েছে দেশের সবথেকে

প্রাচীন পৌরসভার মধ্য একটি যশোর

পৌর কার্যালয়।

★আমাদের রয়েছে দেশের ১১টি সুগার

মিলে মধ্য একটি। ঝিনাইদহ,

কালিগন্জ্ঞের মোবারক গন্জ্ঞ সুগার

মিল।

★আমাদের রয়েছে এশিয়া মহাদেশের

সর্ববৃহৎ বটবৃক্ষ। বৃহত্তর যশোরের ঝিনাইদহ

জেলার কালিগন্জ্ঞ উপজেলার

অন্তর্গত।

★আমরাই হচ্ছি দেশের একমাত্র

প্রাকৃতিক দূর্যোগ মুক্ত বন্যা ভূকম্পন

সহনীয় ও উঁচুভূমি সমৃদ্ধ জেলার মানুষ।

★একমাত্র আমাদের নামেই রয়েছে

ভারতের পেট্রোপোল হয়ে

কোলকাতা ভায়া সরাসরি দিল্লী টু

মুম্বাই আন্তর্জাতিক ইন্ডিয়ান হাইওয়ে

রোড, যার নাম ঐতিহাসিক যশোর

রোড।

★একমাত্র আমাদের জেলার নামেই

রয়েছে দেশের বাইরে বিখ্যাত

সংগীত, পশ্চিমবঙ্গের বিখ্যাত সংগীত

শিল্পী মৌসুমি ভৌমিকের গাওয়া

সেই যশোর রোডে।

★বাংলাদেশের মধ্যে আমাদের

যশোরের কেশবপুরেই রয়েছে বিরল

প্রজাতির কালো মুখো হনুমানের

একমাত্র বিচরণভূমি।

★বাংলাদেশের ফুলের রাজধানী

বলা হয় যশোরের ঝিকরগাছার গদখালী

বাজার। দেশের মোট ৮০% ফুলের

চাহিদা পুরন করি এই আমরা

যশোইরারা।

★বাংলাদেশের মিঠাপানির

মাছের পোনার বাজার ও রাজধানী

আমাদের যশোরের চাচড়া। দেশের

মোট প্রায় ৪৫% মাছের পোনার

চাহিদা পুরন করে দেয় এই আমাদের

যশোইরারা।

★বাংলাদেশের কাচামাল ও সাক

সবজীর রাজধানী আমাদের যশোরের

সাতমাইলের বারীনগর বাজার।

দেশের মোট প্রায় ৬০% কাঁচা

বাজারের চাহিদা পুরন করে এই

যশোইরারা।

★বাংলাদেশের চাউলের রাজধানী

আমাদের বৃহত্তর যশোর অঞ্চল, দেশের

মোট প্রায় ৬০% চাউলের চাহিদা পুরন

করে সেটাও কিন্তুু এই যশোইরারা।

★বাংলাদেশের চামড়ার বাজারের

রাজধানী আমাদের যশোরের

রাজারহাট বাজার। দেশের মোট ৬০%

চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ করে থাকে

শুধু এই যশোইরা চামড়ার ব্যাবসায়ীরাই।

★বাংলাদের মোটরপার্সের

রাজধানীও যশোর শহরের আরএন রোড।

দেশের মোট মটরপার্সের প্রায় ৭০%

চাহিদা পুরন করে থাকে এই যশোরের

স্বনামধন্য মটরপার্স ব্যাবসায়ীরা।

★বাংলাদেশের খেজুরের রস ও চিটা

গুড়ের রাজধানীও বলা হয় যশোরকেই।

খেজুরের গুড়ের মোট ৮৫%, এবং চিনি ও

মিষ্টি মিঠায়ের প্রায় ৩০% চাহিদা

পুরন করে থাকে আমাদের এই বৃহত্তর

যশোইরা অঞ্চইলারাই।

# খেলাধূলা_ক্রিকেট : শেটাও কি

বলতে হবেরে ভাই.?

তাহলে শুনুন পিছিয়ে নেই বরং সবার

আগে যশোর।

বৃহত্তর যশোরের কৃতি সন্তান বাংলার

সোনার ছেলে বাংলাদেশ জাতীয়

ক্রিকেট দলের গর্বিত অধীনায়ক

# মাশরাফী_বিন_মুর্তজা , বিশ্বের

সেরা বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার

বাংলার গর্ব # সাকিব_আল_হাসান ।

আরো আছেন জাতীয় দলের সাবেক

ক্রিকেটার ★সৈয়দ রাশেল, তুষার

ইমরান, ডলার মাহামুদ,আল-আমিন, ইমরুল

কায়েস, সানোয়ার, এবং বর্তমান

লিজেন্ড যশোর সংলগ্ন সাতক্ষিরার

সন্তান, বিশ্বকাটার মাষ্টার

# মুস্তাফিজুর_রহমান_ফিজ , আরেক

তারকা বাংলার ব্যাটিং তান্ডব

★সৌম্যো সরকার।

★ফুটবল: শুনলে অবাক হবেন একটু গর্বের

সাথেই বলতে হয় বাংলাদেশের প্রথম

জাতীয় প্রমিলা অর্থাৎ মহিলা ফুটবল

দলের ১৩-জন সদস্যা সহ্ পূর্নাঙ্গ

বাংলাদেশ জাতীয় প্রমিলা ফুটবল

টিমটায় ছিল একমাত্র আমাদের যশোর

জেলা প্রমিলা ফুটবল টিম।

★আর বর্তমানেও মালদ্বীপসহ,

শ্রীলংকা ও নেপালের মতো দেশের

বিভিন্ন ক্লাবে আন্তর্জাতিক

পর্যায়েও দেশের হয়ে গর্বের সাথে

প্রতিনিধিত্ব করে খেলে আসছে যে

কজন নারী ফুটবলার তার মধ্য ৫/৭ জন

ফুটবলারই আছে যারা একমাত্র আমাদের

এই যশোরেরই মেয়ে সন্তানেরা।

★হাডুডু: অর্থাৎ কাবাডি খেলা

বাংলাদেশের জাতীয় খেলা, আর এই

জাতীয় খেলা হাডুডু জগতের জাতীয়

বীর টাইগার কবিরকে কেনা চেনে.?

যেখানেই চলে টুর্নামেন্ট সেখানেই

বাংলাদেশের আন্ঞ্চলিক বাঘা

খেলোয়াড়দের অগ্রিম প্রস্তাব থাকে

টুর্নামেন্টে টাইগার থাকলে আমরা

খেলব না। সেই সাথে বাংলাদেশের

শ্রেষ্ঠ কাবাডি টিমও কিন্তুু এই

যশোইরা টিম। আর আন্তর্জাতিক

কাবাডির আলোড়ন সৃষ্টিকরা জীবন্ত

কিংবদন্তি খেলোয়াড় জাতীয় বীর

কবির টাইগার সেওতো এই যশোইরা

সন্তানরে ভাই।

★আমাদেরও রয়েছে বাংলাদেশের

সবছেয়ে বড় অর্থনৈতিক খাত

বৈদেশিক রেমিটেন্স খাত। সেই

খাতেও আমরা গর্বিত অংশীদার।

বিশ্বের সবদেশেই রয়েছে আমাদের

অবস্থান, তাই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ

রেমিটেন্সেও সগৌরবে অংশীদার

আমাদের যশোর অঞ্চলের

বাংলামায়ের প্রবাসী সোনার

সন্তানেরা।

★অর্থাৎ এশিয়ামহাদেশের ভারতীয়

উপমহাদেশে যশোহর কোন সাধারন জনপদ

নয় ★★★যশোর একটি ★★★ব্র্যান্ড।

আর তাই বাংলাদেশের সর্বপ্রথম

বিভাগের দাবীদার একমাত্র এই

যশোর-ই। এবং সেই আঙ্গিকে যদি

বাংলাদেশে আর একটিও বিভাগ হয়

তবে ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, পাবনা, বগুড়া

কিংবা কুমিল্লা, নোয়াখাইল্লাদের

মতো সাধারন এলাকা নয় একমাত্র সেই

বিভাগের দাবীদার আমরা

যশোইরা_রাই।

না রাজনীতি না অর্থনীতি, না শিল্প

সাহিত্য এবং সংস্কৃতি।


সংগ্রহীত

বুধবার, ৫ জুন, ২০২৪

রিকশা কাহিনীঃ তিন চাকার এই বাহনটি ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশে অত্যন্ত প্রচলিত ও জনপ্রিয় হলেও এটি আমাদের নিজস্ব উদ্ভাবন নয়। বেশিরভাগ গবেষকের মতে, রিকশার উদ্ভাবন হয়েছে জাপানে। জাপানি শব্দ 'জিনরিকিশা' থেকে এসেছে রিকশা। জাপানি ভাষায় 'জিন' শব্দের অর্থ 'মানুষ', 'রিকি' অর্থ 'শক্তি' আর 'শা' অর্থ 'বাহন'। ফলে 'জিনরিকিশা'র অর্থ দাঁড়ায়- মানুষের শক্তিতে চালিত বাহন। ইতিহাসবিদ ও অধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুন তার 'ঢাকা: স্মৃতি-বিস্মৃতির নগরী' বইয়ে উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশে প্রচলিত প্যাডেল দেওয়া সাইকেল রিকশা এসেছে সিঙ্গাপুর থেকে। শুরুর দিকে কোনো রিকশাই তিন চাকায় চালিত ছিল না। সামনে থাকতো লম্বা হাতল, চাকা থাকতো দুটি। হাতল ধরে হেঁটে বা দৌড়ে এই রিকশা টেনে নেওয়া হতো। গবেষক এম উইলিয়াম স্টিলির 'রিকশা ইন সাউথ এশিয়া, ইন্ট্রোডাকশন টু স্পেশাল সেকশন' গবেষণা থেকে জানা যায়, ১৮৬৯ সালে জাপানে কাহার-টানা পালকির বদলে রিকশা চালু হয়। তখন দেশটিতে মেজি সাম্রাজ্যের শাসন চলছে। এরপর সেখান থেকে চীন, হংকং ও সিঙ্গাপুরে ছড়িয়ে যায় রিকশা। উৎপত্তি জাপানে হলেও এর নকশা করেছিলেন জোনাথন স্কোবি নামে মার্কিন এক খ্রিষ্টান মিশনারি। পঙ্গু স্ত্রীকে ইয়োকোহামা শহর ঘুরিয়ে দেখাবেন বলে ১৮৬৯ সালে 'জিনরিকিশা' বাহনটি তৈরি করেন তিনি। তবে বিভিন্ন গবেষণায় ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিদের এই রিকশা আবিষ্কারের কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছে। যাই হোক, সেসব দেশে কিন্তু এখন আর রিকশার প্রচলন নেই। জাপানি ভাষায় এর আরেক নাম ছিল 'নিনতাকু'। তবে গত শতকের পঞ্চাশ দশকের ভেতরই জাপান থেকে রিকশার প্রচলন উঠে যায়। ১৮৮০ সালে মিশনারি রেভারেন্ট জোর ফরডাইস রিকশা নিয়ে আসেন ভারতে। ১৯০০ সালে সেই রিকশা আসে কলকাতায়। তবে তখন সাধারণ যাত্রী নয়, বরং মালামাল টানার জন্যই এর ব্যবহার ছিল। পূর্ববঙ্গ বা আজকের বাংলাদেশে সর্বপ্রথম রিকশা এসেছিল চট্টগ্রামে। সেটি আনা হয়েছিল মিয়ানমারের রেঙ্গুন থেকে। ঢাকায় প্রথম রিকশা আসে ত্রিশের দশকে ভারতের কলকাতা থেকে। তবে মুনতাসীর মামুনের মতে, এই রিকশা হাতে টানা নয়, বরং সিঙ্গাপুরে উদ্ভাবিত প্যাডেল রিকশা। ঐতিহাসিক মোমিনুল হক তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছেন, ১৯৪০ সালের জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে নারায়ণগঞ্জের পাট কোম্পানি রেলি ব্রাদার্সের এক কেরানি কলকাতা থেকে নারায়ণগঞ্জে একটি রিকশা নিয়ে আসেন। এর মালিক ছিলেন যদু গোপাল দত্ত। প্রথম রিকশাচালকের নাম ছিল নরেশ। ১৯৪১ সালে ঢাকায় রিকশা ছিল মাত্র ৩৭টি। ১৯৪৭ সালে ঢাকায় রিকশার সংখ্যা ছিল ১৮১টি। তথ্যমতে, ১৯৯৮ সালে এই সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ১২ হাজার ৫৭২-টিতে। তথ্য সূত্র: দৈনিক ডেইলি স্টার,,,,,,,

 রিকশা কাহিনীঃ তিন চাকার এই বাহনটি ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশে অত্যন্ত প্রচলিত ও জনপ্রিয় হলেও এটি আমাদের নিজস্ব উদ্ভাবন নয়। বেশিরভাগ গবেষকের মতে, রিকশার উদ্ভাবন হয়েছে জাপানে। জাপানি শব্দ 'জিনরিকিশা' থেকে এসেছে রিকশা। জাপানি ভাষায় 'জিন' শব্দের অর্থ 'মানুষ', 'রিকি' অর্থ 'শক্তি' আর 'শা' অর্থ 'বাহন'। ফলে 'জিনরিকিশা'র অর্থ দাঁড়ায়- মানুষের শক্তিতে চালিত বাহন।


ইতিহাসবিদ ও অধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুন তার 'ঢাকা: স্মৃতি-বিস্মৃতির নগরী' বইয়ে উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশে প্রচলিত প্যাডেল দেওয়া সাইকেল রিকশা এসেছে সিঙ্গাপুর থেকে। 


শুরুর দিকে কোনো রিকশাই তিন চাকায় চালিত ছিল না। সামনে থাকতো লম্বা হাতল, চাকা থাকতো দুটি। হাতল ধরে হেঁটে বা দৌড়ে এই রিকশা টেনে নেওয়া হতো। 


গবেষক এম উইলিয়াম স্টিলির 'রিকশা ইন সাউথ এশিয়া, ইন্ট্রোডাকশন টু স্পেশাল সেকশন' গবেষণা থেকে জানা যায়, ১৮৬৯ সালে জাপানে কাহার-টানা পালকির বদলে রিকশা চালু হয়। তখন দেশটিতে মেজি সাম্রাজ্যের শাসন চলছে। এরপর সেখান থেকে চীন, হংকং ও সিঙ্গাপুরে ছড়িয়ে যায় রিকশা। 


উৎপত্তি জাপানে হলেও এর নকশা করেছিলেন জোনাথন স্কোবি নামে মার্কিন এক খ্রিষ্টান মিশনারি। পঙ্গু স্ত্রীকে ইয়োকোহামা শহর ঘুরিয়ে দেখাবেন বলে ১৮৬৯ সালে 'জিনরিকিশা' বাহনটি তৈরি করেন তিনি। তবে বিভিন্ন গবেষণায় ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিদের এই রিকশা আবিষ্কারের কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছে।


যাই হোক, সেসব দেশে কিন্তু এখন আর রিকশার প্রচলন নেই। জাপানি ভাষায় এর আরেক নাম ছিল 'নিনতাকু'। তবে গত শতকের পঞ্চাশ দশকের ভেতরই জাপান থেকে রিকশার প্রচলন উঠে যায়। ১৮৮০ সালে মিশনারি রেভারেন্ট জোর ফরডাইস রিকশা নিয়ে আসেন ভারতে। ১৯০০ সালে সেই রিকশা আসে কলকাতায়। তবে তখন সাধারণ যাত্রী নয়, বরং মালামাল টানার জন্যই এর ব্যবহার ছিল। 


পূর্ববঙ্গ বা আজকের বাংলাদেশে সর্বপ্রথম রিকশা এসেছিল চট্টগ্রামে। সেটি আনা হয়েছিল মিয়ানমারের রেঙ্গুন থেকে। ঢাকায় প্রথম রিকশা আসে ত্রিশের দশকে ভারতের কলকাতা থেকে। তবে মুনতাসীর মামুনের মতে, এই রিকশা হাতে টানা নয়, বরং সিঙ্গাপুরে উদ্ভাবিত প্যাডেল রিকশা। 


ঐতিহাসিক মোমিনুল হক তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছেন, ১৯৪০ সালের জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে নারায়ণগঞ্জের পাট কোম্পানি রেলি ব্রাদার্সের এক কেরানি কলকাতা থেকে নারায়ণগঞ্জে একটি রিকশা নিয়ে আসেন। এর মালিক ছিলেন যদু গোপাল দত্ত। প্রথম রিকশাচালকের নাম ছিল নরেশ। ১৯৪১ সালে ঢাকায় রিকশা ছিল মাত্র ৩৭টি। ১৯৪৭ সালে ঢাকায় রিকশার সংখ্যা ছিল ১৮১টি। তথ্যমতে, ১৯৯৮ সালে এই সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ১২ হাজার ৫৭২-টিতে। 


তথ্য সূত্র: দৈনিক ডেইলি স্টার

মুখের দুর্গন্ধে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ হোমিও ঔষধ সমূহ 

 🌿 মুখের দুর্গন্ধে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ হোমিও ঔষধ সমূহ 🌿 ━━━━━━━━━━━━━━━ 🌿 ১️⃣ Mercurius Solubilis 👉 মুখে অতিরিক্ত লালা 👉 মাড়ি ফোলা ও ...