এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪

স্বামীপেডিয়া, স্বামী কত প্রকার ও কি কি?,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 স্বামীপেডিয়া, স্বামী কত প্রকার ও কি কি? 


১. ব্যাচেলর স্বামী (Bachelor Husband):

এরা কেতাদুরস্ত, মুখে সর্বদা মিষ্টি হাসি থাকে। নিজেকে ব্যাচেলর বলতে ভালোবাসে। বয়স যতই হোক না কেন, কেউ ব্যাচেলর বললে খুশী হয়। স্ত্রীর চেয়ে বন্ধুদের সাথে বেশি আড্ডা দেয়। দাম্পত্য জীবন নিয়ে মোটেও সিরিয়াস নন। এদের অনেক বান্ধবীও থাকে। 


২. তপ্ত স্বামী (Heated Husband):

এরা সবসময় সাপের মতো ফোঁস ফোঁস করে, গরম পানির মতো টগবগ করে, সব সময় রাগান্বিত, হিংস্র মেজাজ, আধিপত্যশীল ও খুব বিপজ্জনক। মধ্যরাত ছাড়া বউয়ের প্রয়োজন অনুভব করে না। গতি প্রকৃতি সাইক্লোনের মতো অনিশ্চিত। 


৩. ক্রীতদাস স্বামী (Slave Husband): শ্বশুর বাড়িতে লজিং থেকে পড়াশোনা, শ্বশুরের টাকায় লেখাপড়া, ছাত্রীর সাথে প্রেম কিংবা “বিবাহের বিনিময়ে চাকুরী” কর্মসূচিসহ কিছু অজ্ঞাত দূর্বলতার কারণে এদের স্বাধীনতার অপমৃত্যু ঘটে। এরপর আর কোন ভাবেই হৃত গৌরব পুনরুদ্ধার করতে পারে না।


৪. সাধারণ স্বামী (Ordinary Husband):

এরা খুবই গতানুগতিক, আর দশটা স্বামীর মতোই সাধারণ নিরবে সব সয়ে যায়। এরা জেনেই গেছে পুরুষ হয়ে জন্মেছি এটুকু জ্বালা সহ্য করতেই হবে। তাই প্রতিবাদের ঝুঁকি নেয় না।


৫. চামড়ামোটা স্বামী (Fat Skinned Husband): নানান কথার বাণে বিদ্ধ হয়ে এদের চামড়া গণ্ডারের ন্যায় পুরু হয়ে যায়। “তোমার ভাগ্য ভালো যে আমার মতো ... পেয়েছো আর কেউ হলে সেই কবেই ফেলে চলে যেতো” জাতীয় বাক্যবাণ এদের চামড়া ভেদ করতে পারে না।


৬. নিপীড়িত স্বামী (Oppressed Husband):

এরা নিজ বাড়ির চাইতে জেলখানা কিংবা নির্জন বনাঞ্চলকে শান্তির জায়গা মনে করে। সয়ে সয়ে উপরওয়ালার কাছে বিচার চাওয়ারও সাহস করে না। তবে পত্রিকায় কারও বউ মরার সংবাদ খুব মন দিয়ে পড়ে, তারপর কি যেনো ভেবে লম্বা একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে আগের মতো চুপচাপ বসে থাকে।


৭. তেজপাতা স্বামী (Dry Husband):

এরা খুব মুডি, কৃপণ, আত্মকেন্দ্রিক। স্ত্রীর ভালোলাগা, ইচ্ছা ও আগ্রহ মোটেও বিবেচনা করে না, রসবোধ নেই। বউ নিয়ে বেড়ানো রেস্টুরেন্টে যাওয়া, শখ করে বউয়ের জন্য কিছু কেনাকাটা করা এদের কাছে খুব কঠিন একটা কাজ। এরা রিলেশনকে আনন্দদায়ক করতে জানে না। 


৮. দাবাড়ু স্বামী (Grand Master Husband):

এরা স্ত্রীকে সমস্যা সমাধানের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে, স্ত্রীকে শুধুমাত্র তখনই ভালোবাসে যখন তার কাছ থেকে কিছু প্রয়োজন হয়। এরা খুব চালাক, স্ত্রীর দুর্বলতাগুলি খুব ভালোভাবে জানে, স্বার্থ উদ্ধারে তা ভালোভাবে কাজে লাগাতে জানে। 


৯. পরজীবী স্বামী (Parasite Husband):

এরা অলস, শুধুমাত্র অর্থের জন্য স্ত্রীকে ভালোবাসে। বউয়ের রোজগারের টাকায় চলে, ফুটানি করে, কেউ কেউ বিভিন্ন নেশার পেছনে বউয়ের টাকা খরচ করে। সংসারের কাজে স্ত্রী'কে মোটেও সাহায্য করে না। এদের একটি প্রজাতি “ঘর জামাই বা গৃহপালিত স্বামী” নামেও পরিচিত।


১০. অপরিপক্ব স্বামী (Immatured Husband): এরা দায়িত্ব কাণ্ডজ্ঞানহীন ও শিশুসুলভ। তারা মা বোন বা আত্মীয়দের জিজ্ঞাসা না করে নিজে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। কিন্তু ভুল কিছু ঘটে গেলে দ্রুত বউয়ের কাছে ছুটে যায়।


১১. অতিথি স্বামী (Guest Husband): 

এরা সব সময় বাড়িতে থাকে না, মাঝে মাঝে ভিজিটর এর মতো আসে। যে ক'দিন ঘরে থাকে বউকে প্রচণ্ড ভালোবাসে। পরিবারের বাজার ঘাট বা দরকারি জিনিসপত্র কিনে দিয়ে বউ অশ্রুজল উপেক্ষা করে বিদেয় নেয়।যেমন: চাকরিজীবী, প্রবাসী স্বামী।


১২. যত্নশীল স্বামী (Caring Husband):

এরা যত্নশীল, প্রেমময়; সকল মানসিক চাহিদা পুরণ করে, পরিবারকে যথেষ্ট সময় দেয়। অত্যন্ত দায়িত্বশীল, স্ত্রীকে অংশীদার বিবেচনা করে, সকল কাজে সাহায্যকারী হিসাবে পাশে থাকে। 


কার কোন টা...??!

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৮-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৮-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার ও পদ্ধতিগত সংস্কারের মাধ্যমে আরও সহজ করা হচ্ছে বিচারিক কার্যক্রম - জানালেন প্রধান বিচারপতি।


আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ইস্যু অন্যায্যভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে - বললেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব - এ সংক্রান্ত মামলা তদন্তের জন্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গঠনগুলোর প্রতি আহ্বান।


আগামী বছর জনগণ দেশে রাজনৈতিক সরকার দেখতে পাবে - বলেছেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা।


বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে অসহযোগিতা করলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ভারতও - বললেন নৌপরিবহণ উপদেষ্টা।


ভারত, বাংলাদেশের ওপর আগ্রাসন চালানোর অপচেষ্টা করছে, যা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি - মন্তব্য জাতীয় ঐক্য ও সংহতি পরিষদের।


দেশে স্বাধীন নির্বাচন চায় বিএনপি, ফলাফল যাই হোক মেনে নেয়া হবে - বললেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


আফগানিস্তান সীমান্তের কাছে একটি সামরিক ঘাঁটিতে বন্দুকধারীদের হামলায় ছয় পাকিস্তানি সৈন্য নিহত।


আজ দুবাইয়ে অনুর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে ভারতের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।


শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৪

আমাদের ছেলেরা কীভাবে পুরুষ হবে? 

 আমাদের ছেলেরা কীভাবে পুরুষ হবে? 


গ্রামের বাড়িতে গেছি বেড়াতে। 

রাতের বেলা শুধু মুরগির বাচ্চার কিচিরমিচির শুনছি। একটু ডিস্টার্বই হচ্ছে। দোতলার বারান্দায় নাকি আম্মু মুরগির বাচ্চা এনে রেখেছেন। জানতে চাইলাম, মুরগির খোপ রেখে এখানে এগুলো কেন রেখেছেন? আম্মু জানালেন যে, মুরগির বাচ্চা মায়ের সাথে যত বেশিদিন থাকে তত দেরিতে ডিম দেয়, আর মা থেকে আলাদা করে রাখলে দ্রুত ডিম দেওয়া শুরু করে। 


চট করে আমার চিন্তাটা মুরগির বাচ্চা থেকে সরে আমাদের বর্তমান সমাজের আধুনিক প্রজন্মের ‘ছেলেবাবুদের’ দিকে সরে গেল, যারা বয়স পচিশ-ত্রিশে এসেও মানসিকভাবে প্রাপ্তবয়স্ক হতে পারে না। 


আমার বন্ধু শরিফ। ওরা দ্বিতীয় প্রজন্মের বাংলাদেশি বৃটিশ। ওর বাবা গিয়েছিলেন ষাটের দশকে। ও ওর নিজের জীবনের দারুণ একটা ঘটনা শুনিয়েছিল আমাকে। ওর বয়স যেদিন ষোলো বছর পূর্ণ হয়ে সতেরোতে পড়ল, সেদিন ওর বাবা ওকে ডেকে বললেন, এখন থেকে তুমি বৃটিশ আইন অনুযায়ী প্রাপ্তবয়স্ক, স্বাধীন ও স্বনির্ভর পুরুষ।


 এখন থেকে তোমার দায়িত্ব তোমাকেই বহন করতে হবে। তোমার লেখাপড়ার খরচা তোমাকেই যোগাতে হবে। আর আমার বাসায় থাকতে হলে বাসা ভাড়া, আর খেতে হলে খাবার খরচ দিতে হবে। যেই কথা সেই কাজ। কোনো ছাড় নেই। শরিফ বাধ্য হয়ে একটা শপে পার্টটাইম কাজ জোগাড় করল। স্কুল শেষে সেখানে কাজ করত। 


সেই টাকা দিয়ে বাসা ভাড়া আর খাবার বিল দিত। লেখাপড়া তো সরকারি স্কুলে, তাই এক বাচা বাঁচল। বৃটিশ কালচারে এটা স্বাভাবিক হলেও বাঙালী হিসেবে বাবার এই আচরণ মেনে নিতে ওর বেশ কষ্ট হয়েছিল। এই সময়টাতে বাবার প্রতি জমেছিল এক রাশ ঘৃণা আর অভিমান। এই ঘৃণা আর অভিমান কিভাবে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় রূপ নিয়েছিল তা আমরা একটু পরে বলছি।   


জীবনের এই প্রথম ধাক্কাই তাকে অনেকটা পরিপক্বতা এনে দিয়েছিল। ১৯ বছর বয়সে বিয়ে করেছিল। এখন মাত্র ৪৫ বছর বয়সে ছেলেমেয়েরা বড় হয়ে গেছে। 


আমি শরিফকে আমার এই বিশ বছরের বন্ধুত্বের জীবনে অসংখ্য ভালো কাজের উদ্যোগ নিতে ও অংশগ্রহণ করতে দেখেছি। অনেক অসহায় মানুষকে, পরিবারকে ও সাহায্য করেছে। 


ঠিক এর বিপরীতে গেলে আমাদের সমাজে অসংখ্য মানুষ দেখতে পাবেন, যারা ত্রিশে এসেও বালকসুলভ জীবন কাটায়, পুরুষ হয় না। কোনো দায়িত্ব নিতে সক্ষম নয়, কোনোকিছুতে স্থির নয়, কোনো লক্ষ্যপানে ধাবিত নয়, কোনো অর্জনের জন্য স্থির নয়। 


আমাদের অধিকাংশ মানুষদের দেখবেন বলতে, ছেলেমেয়েদের জন্যই তারা খেটে মরে, বাড়িগাড়ি বানায়। জিজ্ঞেস করলে বলে, আমরা যে কষ্টের মধ্য দিয়ে গেছি আমার ছেলেমেয়েরা যেন তার মধ্য দিয়ে না যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় এ ধরণের চিন্তার বাবা-মায়ের সন্তানরা খুবই অযোগ্য ও দায়িত্বজ্ঞানহীন হয়। 


যে বাবা-মা তাদের জন্য খেটে মরেছে, তাদের জন্য কিছু করা তো দূরের কথা, তারা নিজেদের দায়িত্বই নিতে সক্ষম হয় না। বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া সম্পদের উপর নির্ভরশীল হয়। সেটা ফুরিয়ে গেলে চরম মানবেতর জীবনযাপন করে। 


আমাদের ভিতরে যারা একটু স্মার্ট এবং বাস্তবসম্মত চিন্তা করেন, তারা ভাবেন—ছেলেমেয়েদের জন্য বাড়িগাড়ি রেখে যাওয়া আমাদের দায়িত্ব নয়, তাদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলাই আমাদের দায়িত্ব।


 তারা দেখা যায় উন্নত লেখাপড়ার জন্য ছেলেমেয়ের পিছনে অঢেল টাকাপয়সা ব্যয় করেন, দুনিয়ার সকল ঝুটঝামেলা ও বাস্তবতা থেকে এমনভাবে দূরে রাখেন, ফলে তারা হয় ‘শিক্ষিত বলদ’। 


সত্যিকারভাবে ছেলেদেরকে পুরুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ খুব কম মানুষই গ্রহণ করতে পারেন। আর এর অবধারিত ফল হলো ব্যক্তি হিসেবে, পরিবার হিসেবে, সমাজ ও জাতি হিসেবে পিছিয়ে পড়া। 


একটা মানুষ যদি পৃথিবীর জন্য পনেরো-ষোলো বছর থেকে অবদান রাখা শুরু করতে পারে, তাহলে তার অবদানের মাত্রা ও মান দুটোই অনেক বৃদ্ধি পায়। পক্ষান্তরে কথিত মাস্টার্স শেষ করে কর্পোরেট স্লেইভ হতে হতে যে সময় ব্যয় হয়ে যায়, তাতে অবদান রাখার সময় যেমন হারিয়ে যায়, তেমনই অবদানের মানও আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভালো হয়ে ওঠে না। 


আমি ড্রাইভিং শিখেছিলাম ৩৩ বছর বয়সের দিকে। আমার এক বন্ধু তখন বলেছিল—তুমি এখন আর ফার্স্ট ক্লাস এফিশিয়েন্ট ড্রাইভার হতে পারবা না, তুমি হবা ‘আংকেল ড্রাইভার’। সামনের আরেকটা গাড়ির পেছনে পেছনে স্টিয়ারিং ধরে গাড়ি চালিয়ে তোমার জীবন যাবে। 


আমি খুব গভীরভাবে লক্ষ্য করলাম যে, কথা খুবই সত্য। আমার পাশ দিয়ে বহু গাড়ি কাটিয়ে চলে যায়, আর আমার কাছে সামনের গাড়ির পিছনে ধরে রাখাকেই নিরাপদ ও আরামদায়ক মনে হয়। তাই দেরি করে দায়িত্ব নেওয়ার ব্যাপারটা শুধু দায়িত্বজ্ঞানহীন করে তা-ই নয়, দায়িত্ববোধের মান ও দায়িত্ব পালনের যোগ্যতাও হ্রাস করে ফেলে।  


বাবার প্রতি শরিফের ঘৃণা আর অভিমানের কথা মনে আছে? এবার বলি সেই ঘৃণা আর অভিমান কিভাবে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় রূপ নিয়েছিল। বিয়ের দু’বছর পর যখন একটা ব্যবসা দাড় করানোর জন্য ভালো অংকের একটা নগদ অর্থ দরকার হলো তখন সেই কঠোর বাবা তার হাতে পাউন্ডের একটা বান্ডিল দিয়ে বলেছিলেন, ‘এটা বাসা ভাড়া আর খাওয়ার খরচ হিসেবে দেওয়া তোমার সেই অর্থ। 


এমন কোনো প্রয়োজনের সময় দেওয়ার জন্য জমা করে রেখেছিলাম’। জীবনে কোনো এক সময় যদিও বাবার প্রতি শরিফের ঘৃণা জন্মেছিল, কিন্তু এখন বাবার সেই কঠোরতাটুকুকে সে তার জীবনের অমুল্য সম্বল মনে করে এবং বাবাকে নিয়ে সে আজ সত্যিকারে গর্ব অনুভব করে।   


সেই মুরগির গল্পে ফিরে আসুন। ফিরে আসুন ইসলামের বাতলানো সমাজ চিন্তায়। মুরগির বাচ্চা যেমন মায়ের ডানার তলে থাকলে ডিম দেবে না, তেমনি আপনার ছেলেকে যতদিন ডানার নিচে রাখবেন সে দায়িত্বশীল হবে না। এটা সৃষ্টির প্রকৃতির মধ্যে দেওয়া স্রষ্টার অমোঘ নিয়ম। ইসলাম বলে একটা ছেলে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার তিনটা সাইন:


১. স্বপ্ন*দো-ষ হওয়া

২. নাভির নিচে লো+ম গজানো, কিংবা

৩. বয়স পনেরো বছরে উপনীত হওয়া


এরপর ইসলামি আইনমতে সে একজন পূর্ণ প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ। তার উপর শরিয়তের সকল আইন কার্যকর। মহান আল্লাহ এই সীমাটা এইজন্যই নির্ধারণ করেছেন যে, এই বয়স থেকে সে জীবন ও জগতে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন শুরু করবে। 


আমাদের উচিত ছিলো, আমাদের সন্তানদেরকে এই বয়সে উপনীত হওয়ার আগেই তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন ও যোগ্য করে গড়ে তোলা; কিন্তু সেটা না করে একটা দীর্ঘ সময় তাদেরকে স্পুন ফিডিং করে আমরা একটি অকর্মন্য ও অযোগ্য প্রজন্ম গড়ে তুলছি। 


Collected

শুভ জন্মদিন             নকুল কুমার বিশ্বাস,,,,,,, মেসবা ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 চাচায় চা চায় -


অভিনন্দন -


                 শুভ জন্মদিন

            নকুল কুমার বিশ্বাস

----------------------------------------------------

সঙ্গীতাঙ্গনের অতি পরিচিত মুখ নকুল কুমার বিশ্বাস। 


তিনি একাধারে একজন কণ্ঠশিল্পী, যন্ত্রশিল্পী, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক এবং গীতিকার।


জন্ম ২ ডিসেম্বর ১৯৬৫ সালে মাদারীপুর জেলার দত্ত কেন্দুয়া ইউনিয়নের পূর্ব কলাগাছিয়া গ্রামের এক সঙ্গীত পরিবারে। 


পাঁচ ভাই এক বোনের মধ্যে তার অবস্থান পাঁচ। পিতা মাতা  প্রয়াত সুরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস ও শ্রীমতি মঙ্গলী দেবী।


         নকুলের জীবন ট্রাজেডি


নকুলের জীবনে বড় ট্র্যাজেডি জন্মের ছয় বছর পরই মাকে হারানো। ১৯৭৫ সালে মেজভাই হীরালাল বিশ্বাসের হাত ধরে গোপালগঞ্জে আসেন। লক্ষ্য ছিল যাত্রাদল দীপালি অপেরায় শিশুশিল্পী হিসেবে একটা সুযোগ পাওয়া। 


             সুযোগ মিলল তাঁর


শিশু নকুল অডিশন কক্ষে ছোট্ট আঙুলের ডগা দিয়ে হারমোনিয়ামে সুর তুলে মিষ্টি কণ্ঠে শুনিয়ে গেলেন একের পর এক গান। সেদিন নকুলের গান শুনে অবাক বনেছিলেন উপস্থিত সবাই!


      গানের শিক্ষক হিসেবে নকুল


মাদারীপুরের ওস্তাদ রণজিৎ দাইয়ের কাছে হারমোনিয়ামে রাগ সঙ্গীতের তালিম নেন নকুল। মাত্র ছয় মাসেই এটা আয়ত্ত করেন এবং প্রধান হারমোনিয়াম মাস্টার হিসেবে একটি স্কুলে শিক্ষক নির্বাচিত হন।


               কলকাতায় গমন


গুরু আশু মিয়ার কাছে বিখ্যাত সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্করের গল্প শুনতেন। 


মনে মনে ঠিক করলেন রবিশঙ্করের মতো বিখ্যাত হতে হবে। ১৯৮০ সালে স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পকেটে মাত্র ৫০০ টাকা নিয়ে পাড়ি জমান কলকাতায়।


ছোট্ট নকুল কলকাতায় গিয়ে সুভাষ বিশ্বাসের মাধ্যমে প্রখ্যাত সেতারবাদক ওস্তাদ মোস্তাক আলী খানের নাতি শিষ্য শ্রী রণজিৎ বিশ্বাসের কাছে যান। তাঁর কাছে কিছুদিন সেতার শেখেন। সেখান থেকে ২৮০ টাকা দিয়ে কিনে নেন একটি সেতার। এরপর ফিরে আসেন দেশে।


              স্বদেশ প্রত্যাবর্তন


দেশে ফিরেই এলাকার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান, অভিনয়, নৃত্য দিয়ে মানুষের মন জয় করতে থাকেন। 


১৯৮৩ সালে বেতার ও টেলিভিশনের শিল্পী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে চলে আসেন ঢাকায়। আশ্রয় নেন ওস্তাদ আমানউল্লাহ খানের বাড়ির ভাঙা বারান্দায়। তাঁর কাছে কিছুদিন তালিমও নেন।


               বেতারে চাকরি


সে বছরই তিনি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের এক আসরে এককভাবে হারমোনিয়াম বাজানোর সুযোগ পান। 


উপস্থিত সবাই তাঁর পরিবেশনায় মুগ্ধ হন। শুধু তা-ই নয়, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ তাঁকে কেন্দ্রের ফান্ড থেকে এক হাজার টাকা পুরস্কারও দেন।


    এরপর বেতারে চাকরি হয় তাঁর


কিন্তু চাকরিতে তাঁর মন বসল না। ১৯৮৬ সালে তিনি আবারও গ্রামের বাড়িতে চলে যান এসএসসি পরীক্ষা দিতে।


         গীতিকার সুরকার নকুল


ওই সময় এক কবিয়ালের কিছু গান সংগ্রহ করার পরিকল্পনা করেন তিনি। কিন্তু কবিয়াল গান না দিলে অভিমান হয় তাঁর। 


নিজেই লেখা শুরু করেন। সেই থেকে আজ অবধি অন্য কারো লেখা গান করেননি তিনি। এসএসসি পাস করে পরের বছর আবার আসেন ঢাকায়।


              প্রথম অ্যালবাম


প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কনকর্ড এন্টারপ্রাইজের ব্যানারে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম একক অ্যালবাম 'ভাগবত পড়ে ভগবানকে পাইছোনি'।


অ্যালবামটি হিট হয়। একই সঙ্গে গান ও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে থাকেন তিনি। ১৯৯৬ সালে 'ইত্যাদি'তে প্রচারিত হয় তাঁর গাওয়া 'দাদা বিয়া করলাম ক্যান' গানটি। 


এই গানটি তাঁকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা এনে দেয়। এরপর টানা দশ বছর তিনি ইত্যাদিতে জনপ্রিয় শিল্পী হিসেবে জীবনমুখী গান নিয়ে হাজির হয়েছেন।


       কলকাতায় জনপ্রিয় নকুল


এর মধ্যে কলকাতার অডিও বাজারে লাগে নকুলের গানের ঢেউ। কলকাতার অডিও কোম্পানি জেএমডি থেকে ২০০১ সালে প্রকাশিত হয় নকুলের 'নদীয়ান নকুল' এবং ২০০৩ এএসডি অডিও কোম্পানির ব্যানারে প্রকাশিত হয় 'চাকরি নাই বুড়ো বাবার' নামে আরেকটি অ্যালবাম। ভারত-বাংলাদেশ মিলে এভাবে তাঁর প্রায় অর্ধশত অ্যালবাম প্রকাশিত হয়।


                  বিদেশ ভ্রমন


বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গান নিয়ে গেছেন ভারত, হংকং, কাতার, চীন, দুবাই, যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশে। অনেক উপাধিও অর্জন করেছেন।


                 সংসার জীবন


স্ত্রী এবং দুই সন্তান পলক কুমার বিশ্বাস ও মেয়ে প্রত্যাশা বিশ্বাসকে নিয়ে নকুলের সুখের সংসার।


              উল্লেখযোগ্য গান


তাঁর গানের মধ্যে 'চাচায় চা চায়', 'এই আমার পকেটে আছে', 'মানুষটা পাঁচ ফিট', 'হ্যালো হ্যালো মাই ডিয়ার', 'মাগো তুমি যেন না কাঁদো', 'পাঁচতলার ঐ চিলেকোঠায়', 'ভালো হইতে পয়সা লাগে না' ইত্যাদি বেশ জনপ্রিয়।


ফেসবুক পরিবারের পক্ষে তাঁর জন্য রইল শুভ কামনা আজকের এই বিশেষ দিনটিতে।


-- মেসবা খান

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৭-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৭-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


বড় প্রকল্প নেয়ার আগে রাজস্ব কতটা আসবে তা বিবেচনা করা দরকার - বললেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।


চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় চন্দন দাস ও রিপন দাসের রিমান্ড মঞ্জুর।


কোনো দেশের আগ্রাসন সহ্য করা হবে না - হুঁশিয়ারি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির আমির ডাক্তার শফিকুর রহমানের।


বাংলাদেশের সঙ্গে পর্যটন ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বাড়াতে যাত্রী পরিষেবা সম্প্রসারণ করছে সৌদি এয়ারলাইন্স।


এবার জি,আই পণ্যের স্বীকৃতি পেল শেরপুরের ছানার পায়েস।


গাজায় ইসরাইলী হামলায় কমপক্ষে ৫১ জন ফিলিস্তিনি নিহত।


আজ সিলেটে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আয়ারল্যান্ড নারী দলের মুখোমুখি হচ্ছে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৬-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৬-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ধর্মীয় নেতাদের সংলাপ - সংখ্যালঘু ইস্যুতে প্রকৃত তথ্য সংগ্রহে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সহায়তা কামনা। 


উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি ঘোষণার প্রজ্ঞাপন জারি এবং নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশ হাইকমিশন খোলার সিদ্ধান্ত।


শেখ হাসিনার বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।


দেশের সার্বভৌমত্ব কোনো ধরনের হুমকির মধ্যে নেই - বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।


ভারতের গণমাধ্যম ও রাজনীতিবিদদের বাংলাদেশ সম্পর্কে মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ।


আলেপ্পোর পর সিরিয়ার মধ্যাঞ্চলের শহর হামাও দখলে নিলো দেশটির বিদ্রোহীরা। 


দুবাইয়ে অনুর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ক্রিকেটের প্রথম সেমিফাইনালে আজ পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৫-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৫-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


সমগ্র বিশ্বকে জানাতে হবে বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং সম্প্রতি যা কিছু অর্জন তা যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে হয়েছে-বললেন প্রধান উপদেষ্টা ।


বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে সহনশীলতা ও দেশপ্রেমের প্রতীক হিসাবে অভিহিত করলেন ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


আগামী সপ্তাহে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত সচিব পর্যায়ের বৈঠক - সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যবর্তনসহ দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।


ভারতের সাথে বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়গুলোর মধ্যে রাজনীতি আসবে না - বলেছেন অর্থ উপদেষ্টা।


আগামী নির্বাচন বিএনপির জন্য খুবই কঠিন হবে কারণ দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে এবং অনেক অদৃশ্য শক্তি তৎপর রয়েছে - বললেন তারেক রহমান।


সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের চলমান প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।


কঙ্গোতে অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৭৯ জনের প্রাণহানি।


আজ সিলেটে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ড  নারী দল।

একটি মহা মিথ্যা  একটি ডাহা মিথ্যা। জবাব দুই-- দাদাবাড়ী ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 জবাব দুই- 


কে জালেম আর কে মজলুম? আমাদের পিতা আমাদের নয় ভাইয়ের নামে দুই বিগা (৯২ শতক) করে জমি লিখে দিয়েছিলেন জীবিত থাকা কালে। তবে কয়েকজনের নামে আরো কিছু বেশি লিখে দিয়েছেন। তিন জনের নামে বেশি জমি লিখে দেন নাই। যাদের নামে ৯২ শতকের চেয়ে বেশি জমি দিয়েছেন তারা হলেন বড় ভাই মাওলানা: রুহুল আমিন, মেজো ভাই মুফতী নুরুল আমিন, আমি ফজলুল করিম, মাওলানা: আহমদ করিম সিদ্দিক এ ছাড়া সম্ভবত হাঃ মাও: মেসবাহ উদ্দীন অর্থাৎ এই ছয় জনের নামে কিছু জমি বেশি লিখে দিয়েছেন মমতাজুল করিম মেজো ভাই আর মেসবাহের নামে কত শতক বেশি দিয়েছেন তা আমার জানা নেই। হ্যা! আমার আর আহমদ করিমের নামে এক দলিলে ৩৪ শতক জমি ৯২ শতকের চেয়ে বেশি লিখে দিয়েছেন। আর বড় ভাইয়ের নামে সম্ভবত ২৩ শতক জমি বেশি লিখে দিয়েছেন। তবে বড় ভাইয়ের নামে বেশি দেওয়া জমি আব্বা নিজেই বিক্রি করে খুলনায় নয় ভাইয়ের নামে নয় কাঠা জমি ক্রয়ের জন্য মেজো ভাই ও মমতাজুল করিম কে টাকা দেন। আর বড় ভাইকে জমি লিখে দিতে বললে তিনি লিখে দেন। সেই টাকা আব্বা আহমদ করিমের মাধ্যমে খুলনায় পাঠান। তখন বড় ভাই বলেছিলেন আমার নামের জমি বিক্রি করে খুলনায় টাকা দিচ্ছেন কেন? উত্তরে আব্বা বলেছিলেন তোমাদের সবার জন্য খুলনায় জমি ক্রয় করা হচ্ছে সেই জন্য এই টাকা দিচ্ছি। এটা হলো বড় ভাইয়ের কথা যাইহোক, দেখা গেলো খুলনার জমি তারা তিনজনের নামে রেজিস্ট্রি করে নেয় অর্থাৎ মেজো ভাই, মমতাজুল করিম ও আহমদ করিম এই তিন জনের নামে। আর আহমদ করিম ও আমার নামে থাকা বেশি জমি আমরা অনেক আগেই বিক্রি করে দেই এ ছাড়া মেজো ভাই মমতাজুল করিম ও মেসবার নামে থাকা বেশি জমি এখনো তাদের দখলে আছে। এই হলো মূল ঘটনা। তবে আমি বলেছিলাম যাদের নামে জমি বেশি আছে তারা যাদের নামে জমি কম আছে তাদের কে আনুপাতিক হারে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হোক। কিন্তু আমার প্রস্তাব গ্রহণ যোগ্য হয়নি। আমি এখনো বলছি বাড়তি জমির অংশ তারা যদি দেয় তাহলে আমিও দিবো। তারা যদি না দেয় তাহলে আমি একা কেন দিতে যাব? আর বড় ভাইয়ের নামের বাড়তি জমি বিক্রি করে যেহুতু খুলনায় জমি কেনার জন্য টাকা দেওয়া হয়েছিলো। তারও সমাধান হওয়া দরকার। বাড়তি জমির কারণে যদি জালেম হতে হয় তাহলে ছয় জনকেই জালেম বলতে হবে। সেই হিসেবে মেসবাহ উদ্দিনও জালেম হিসাবে অবশ্যই গণ্য হবে


ইতি

ফজলুল করীম

একটি মহা মিথ্যা  একটি ডাহা মিথ্যা। জবাব এক- দাদাবাড়ি ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 একটি মহা মিথ্যা 

একটি ডাহা মিথ্যা। জবাব এক-


মিথ্যাবাদীদের সব কথাই মিথ্যা। তাদের কোনো কথাই সত্য নয়। মিথ্যাবাদীরা শয়তানের বন্ধু, আর আল্লাহ তায়ালার দুশমন। এমন কোন খারাপ কাজ নেই যা মিথ্যাবাদীরা করতে পারে না। পারিবারিক ও সামাজিক যত ফেতনা ফাসাদ মারামারি কাটাকাটি রক্তা রক্তি খুনা খুনি সব মিথ্যাবাদী দের কারনেই হয়ে থাকে। একজন গ্রুপে লিখেছে- আমাদের বড় ভাই মাওলানা রুহুল আমিন সাহেব ও আমি ফজলুল করিমের নামে বাড়ীতে বা গ্রামে কোন জমি নাই। আমরা নাকি পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত সব জমি বিক্রি করে ফেলেছি বিক্রি করে আরো বেশি বিক্রি করে ফেলেছি। এ কথাটি একশো ভাগ মিথ্যা, হাজার ভাগ মিথ্যা, লক্ষ ভাগ মিথ্যা এমন কি কোটি ভাগ মিথ্যা সত্য হলো বাড়ীতে বড় ভাইয়ের এখনো আটশতক জমি আছে আর আমার এখনো সাতান্নো শতক জমি আছে এর পরও কেও যদি বলে আমাদের বাড়ীতে কোন জমি নাই সে কি মিথ্যা বাদী নয়? ফেতনাবাজ নয়? মিথ্যাবাদী ও বেয়াদবরা আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত থাকে। প্রয়োজনে শুরু থেকে লিখবো আবার ইতিহাস 


ইতি, ফজলুল করিম

আয়াতুল কুরসি সুরা বাকারাহ'র ২৫৫ আয়াত

 আল্লাহ্, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বসত্তার ধারক। তাঁহাকে তন্দ্রা অথবা নিদ্রা স্পর্শ করে না। আকাশ ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে সমস্ত তাঁহারই। কে সে, যে তাঁহার অনুমতি ব্যতীত তাঁহার নিকট সুপারিশ করিবে? তাহাদের সম্মুখে ও পশ্চাতে যাহা কিছু আছে তাহা তিনি অবগত। যাহা তিনি ইচ্ছা করেন তদ্ব্যতীত তাঁহার জ্ঞানের কিছুই তাহারা আয়ত্ত করিতে পারে না। তাঁহার ‘কুরসী’ আকাশ ও পৃথিবীময় পরিব্যাপ্ত; ইহাদের রক্ষণাবেক্ষণ তাঁহাকে ক্লান্ত করে না; আর তিনি মহান, শ্রেষ্ঠ।


اللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ الْحَـىُّ الْقَيُّوْمُۚ  لَا تَاْخُذُهٗ سِنَةٌ وَّلَا نَوْمٌ‌ؕ لَهٗ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَمَا فِى الْاَرْضِ‌ؕ مَنْ ذَا الَّذِىْ يَشْفَعُ عِنْدَهٗۤ اِلَّا بِاِذْنِهٖ‌ؕ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ اَيْدِيْهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ‌ۚ وَلَا يُحِيْطُوْنَ بِشَىْءٍ مِّنْ عِلْمِهٖۤ اِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ‌‌ۚ وَلَا يَـــُٔوْدُهٗ حِفْظُهُمَا ‌ۚ وَ هُوَ الْعَلِىُّ الْعَظِيْمُ


সূরা নম্বর: ২ আয়াত নম্বর: ২৫৫

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...