এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৪

বিয়ে করতেছেন একটু ভাবুন,,,,,,,,

 বিয়ে করতেছেন একটু ভাবুন🙂


আপনার বয়স যখন ৩০ বছর,তখন আপনি ১৪/১৫ বছরের একটা মেয়েকে বিয়ে করছেন।বয়সের তফাত টা একবার চিন্তা করলেন না।একটু চিন্তা করে দেখুন...


আপনি ২০ বছর পর যখন ৩০ থেকে ৫০ বছরে যাবেন তখন আপনার s*xual ability কতটা থাকবে?


At that time

আর তখন আপনার বউ ১৪ থেকে ৩৪ বছরে যাবে তখন তার s*xual ability কতটা হবে??


একবার ও ভেবে দেখছেন না,,,


আপনার যখন যৌবন ফুরায় যাবে তখন আপনার বউ যৌবনের সাগরে ভাসবে।


বিয়ে করেন। কিন্তু বয়সের এতটা Difference কেনো।।


শুধুমাত্র বয়সের এতটা Difference 

এর জন্য আজ সমাজে পরকীয়া বেড়ে যাচ্ছে।


বিয়ের ক্ষেত্রে বয়সের এত পার্থক্য সংসার জীবনের উপরও প্রভাব ফেলে।


আপনার ৩০ বছরের জ্ঞান আর তার ১৪ বছরের জ্ঞান কখনই সমান হবে না।


যদি সুখের বিয়ে করতে চান অবশ্যই নিজের সমান কাওকে বিয়ে করুন। or ৪-৫ বছরের পার্থক্য করুন,,এর বেশি না।।


আর একটা বিষয় আপনার বউ আপনার চেয়ে বয়সে বড় হলে কোনো সমস্যা নেই।পরকীয়ায় জড়াবে না।।


এমন মন মানসিকতা কেন আজ আপনাদের,


আপনি অনার্স মাস্টার্স শেষ করে Job পেয়ে বিয়ের জন্য খুজবেন ক্লাস ৯/১০ এর মেয়ে।।


যে সব মেয়েরা অনার্স মাস্টার্স পড়ছে বা শেষ করেছে তাদের কে বিয়ে করুন সুখে থাকবেন। ইনশাআল্লাহ 


বিয়ের ক্ষেত্র এই বয়সের Difference টা ত্যাগ করা উচিত এবং same age বিয়ে করার চেষ্টা করা উচিত।।


সমবয়সী কাউকে বিয়ে করুন।বন্ধুর জায়গাটাও পূরণ হবে🖤 #by_akber

কবিয়াল বিজয়কৃষ্ণ সরকার একজন কবিয়াল, কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার, সুরকার ও চারণ কবি। জন্ম ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯০৩ সালে নড়াইলের ডুমদী গ্রামে। তাঁর প্রকৃত নাম বিজয় কৃষ্ণ অধিকারী

 এই পৃথিবী যেমন আছে তেমনই ঠিক রবে: মরমী সাধক 

         কবিয়াল বিজয় সরকার

কবিয়াল বিজয়কৃষ্ণ সরকার একজন কবিয়াল, কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার, সুরকার ও চারণ কবি।


জন্ম ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯০৩ সালে নড়াইলের ডুমদী গ্রামে। তাঁর প্রকৃত নাম বিজয় কৃষ্ণ অধিকারী। 


কবি তাঁর ভক্ত ও স্থানীয়দের কাছে ‘পাগল বিজয়’ হিসেবে সমধিক পরিচিত।


তাঁর বহু জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে এ পৃথিবী যেমন আছে, তেমনই ঠিক রবে/সুন্দর এই পৃথিবী ছেড়ে একদিন চলে যেতে হবে, পোষা পাখি উড়ে যাবে সজনী একদিন ভাবি নাই মনে, তুমি জানো না রে প্রিয়/তুমি মোর জীবনের সাধনা,  আষাঢ়ের কোন ভেজা পথে প্রভৃতি অন্যতম।


তাঁর পিতার নাম নবকৃষ্ণ বৈরাগী ও মাতার নাম হিমালয়া কুমারী। পিতামহ গোপালচন্দ্র বৈরাগী। 


তিনি স্থানীয় টাবরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে নেপাল বিশ্বাস নামক একজন শিক্ষকের কাছে যাত্রাগানের উপযোগি নাচ, গান ও অভিনয় শেখেন। 


প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার জন্য তিনি বেশ কয়েকটি স্কুল পাল্টান। প্রায় সবখানেই তিনি এমন এক বা একাধিক শিক্ষক পান, যাদের কাছে তিনি গান শেখার সুযোগ পেয়েছিলেন। অল্প বয়সে পিতামাতা হারানোয় তাঁর লেখাপড়া বেশিদূর এগোয়নি। দশম শ্রেণি পর্যন্ত তিনি লেখাপড়া করেন।


তিনি স্থানীয় স্কুলে কিছুদিন শিক্ষকতার কাজ করেন। কিছুদিন করেন নায়েবের কাজ। পাশাপাশি নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের লোক ও আধুনিক গান চর্চা করতেন। 


১৯২৫ সালে তিনি গোপালগঞ্জের কবিয়াল মনোহর সরকারের কাছে কবিগান শেখেন। কিছুদিন পর তিনি রাজেন্দ্রনাথ সরকারের সংস্পর্শে আসেন এবং তার কাছেও কবিগানের তালিম নেন।


১৯২৯ সালে বিজয় সরকার নিজের একটি গানের দল করেন এবং কবিয়াল হিসেবে পরিচিতি এবং জনপ্রিয়তা লাভ করেন। তিনি গানের কথা এবং সুর করতেন। 


ভাটিয়ালী সুরের উপর ভিত্তি করে তাঁর ধুয়া গানের জন্য তিনি বিপুল জনপ্রিয়তা পান। 


তিনি রবীন্দ্রনাথ, কাজী নজরুল ইসলাম, কবি জসিমউদ্দিন, আব্বাসউদ্দিন আহমদ প্রমুখের সান্নিধ্যে এসেছিলেন।


বিজয় সরকার প্রায় ৪০০ সখি সংবাদ এবং ধুয়া গান রচনা করেন। এর মধ্যে কিছু কাজ বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকাশিত হয়। 


তিনি বাংলা একাডেমি, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, এবং বেতার টেলিভিশনেও কবিগান পরিবেশন করেন। 


বাংলাদেশ ও ভারতে তিনি আনুমানিক ৪০০০ আসরে কবি গান পারিবেশন করেন। এছাড়া তিনি রামায়ণ গানও পরিবেশন করতেন।


বিজয় সরকারের পারিবারিক উপাধি ছিল বৈরাগী। তিনি নিজে বৈরাগী উপাধি ত্যাগ করে অধিকারী উপাধি গ্রহণ করেন। কবিয়াল হিসেবে খ্যাতি অর্জন করার পর তিনি অবশ্য বিজয় সরকার নামে পরিচিত হয়ে পড়েন।


২০১৩ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে মরণোত্তর একুশে পদক প্রদান করে।


২ ডিসেম্বর ১৯৮৫ সালে আবহমান বাংলার প্রতিভাধর এই চারণ কবি লোকান্তরিত হন।

স্বনামধন্যা অভিনেত্রী ও গায়িকা বাসবী নন্দীর আজ ৮৬-তম জন্মদিনে স্মরণ করি। 

 স্বনামধন্যা অভিনেত্রী ও গায়িকা বাসবী নন্দীর আজ ৮৬-তম জন্মদিনে স্মরণ করি। 


বাসবী নন্দী (৫ ডিসেম্বর ১৯৩৯ - ২৩ জুলাই ২০১৮) একজন বাঙ্গালি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। বনপলাশীর পদাবলী চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি ১৯৭৪ সালে বেঙ্গল ফিল্ম জার্নালিস্ট’স অ্যাসোসিয়েশন থেকে শ্রেষ্ঠ সহ-অভিনেত্রীর পুরস্কার পুরস্কার পান।


বাসবী নন্দীর জন্ম ১৯৩৯ সালে। তার বাবা বি.এল. নন্দী ঢাকায় একজন সুপরিচিত ডাক্তার ছিলেন। নন্দী কলকাতার ইউনাইটেড মিশনারি গার্লস হাই স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে আশুতোষ কলেজ থেকে আইএ পাস করেন।


ছোটবেলা থেকেই গান ও ধ্রুপদী নৃত্যে তার আগ্রহ ছিল। সতীনাথ মুখোপাধ্যায় আর উৎপলা সেনের কাছে তিনি বাংলা গানের তালিম নেন। তিনি ছিলেন গোবিন্দন কুট্টির ছাত্রী। তিনি আধুনিক বাংলা গান এবং রবীন্দ্র সঙ্গীতের উপর নিজের সঙ্গীত রেকর্ড প্রকাশ করেছিলেন। এছাড়া তিনি কয়েকটি চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে গান করেন।


১৯৫৮ সালে ‘যমালয়ে জীবন্ত মানুষ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তার অভিষেক ঘটে। উত্তম কুমারের নায়িকা হিসেবেও বেশ কিছু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।


কলকাতার সব কটি মঞ্চেই অভিনয় করেন বাসবী নন্দী। স্টার থিয়েটারে ‘কারাগার’ (১৯৬২), রঙমহলে ‘সেইম-সাইড’ (১৯৬৮/৬৯), বিজন থিয়েটারে ‘শ্রীমতী ভয়ঙ্করী’ (১৯৮০) তার উল্লেখযোগ্য নাটক।


অভিনীত চলচ্চিত্র সমুহ


যমালয়ে জীবন্ত মানুষ (১৯৫৮)

মৃতের মর্ত্যে আগমন

অভয়া ও শ্রীকান্ত

দো দিলোঁ কি দস্তান (হিন্দি)

বাঘিনী

নবরাগ

কায়াহীনের কাহিনী

বনপলাশীর পদাবলী (১৯৭৩)

সেই চোখ

রাতের কুহেলি

শত্রুপক্ষ

গজমুক্তা

আমি সে ও সখা

মৃত্যু সম্পাদনা

তিনি ২৩ জুলাই ২০১৮ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।


(তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া)

ড্যাশিং হিরো ও অভিনেতা শশী কাপুরের আজ সপ্তম প্রয়াণবার্ষিকীতে স্মরণ করি। 

 ড্যাশিং হিরো ও অভিনেতা শশী কাপুরের আজ সপ্তম প্রয়াণবার্ষিকীতে স্মরণ করি। 


 ‘কহে দু তুমে… ইয়া চুপ রহু…দিল মে মেরে আজ কেয়া হ্যাঁয়…’  -- ঘাড় পর্যন্ত ঢেউ খেলানো চুল আর গজ দাঁতের কেরামতিতে মোহিত হয়েছিল ষাটের দশক। কাপুর পরিবারের আভিজাত্যকে ছাপিয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন কেবল অভিনেতা। তার চেয়েও বেশি রক্তমাংসের সেই মানুষ, যিনি আজীবন তপস্যা করে গিয়েছেন অভিনয়ের খাতিরে। 


 পৃথ্বীরাজ কাপুরের তৃতীয় সন্তান ছিলেন তিনি। পর্দার নাম শশী কাপুর। তবে আসল নাম তাঁর বলবীর রাজ কাপুর। আর এই কলকাতাতেই জন্ম তাঁর ১৯৩৮ সালের ১৮ মার্চ ৷ মুম্বইয়ের ডন বস্কো হাইস্কুলে পড়াশুনা করেছেন ৷ ১৬৮ টি ছবিতে অভিনয় করেছেন ৷ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন ২০১১ সালে 'পদ্মভূষণ' এবং ২০১৫ সালে দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার ৷


     বাড়িতেই ছিল কেবল অভিনয়, অভিনয় আর অভিনয়। তাই ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের জগতে প্রবেশ। প্রথমে থিয়েটার, পরে সিনেমায় আগমন। সংগ্রাম ছবিতে দাদা রাজ কাপুরের ছোটবেলার চরিত্রে অভিনয় করে বেশ নাম কামিয়েছিলেন। ১৯৬১ সালে ‘ধর্মপুত্র’ ছবিতে ফের তাঁর প্রত্যাবর্তন হয় নায়ক হিসেবে।


  সিনেমার নায়ক হলেও শশীর আসল ভালবাসা ছিল থিয়েটার। এই থিয়েটারের সূত্রেই তাঁর জেনিফার কেন্ডলের সঙ্গে আলাপ। নাটকই দুই অভিনেতাকে কাছাকাছি নিয়ে আসে। শশী-জেনিফারের তিন সন্তান রয়েছে কুণাল কাপুর, করণ কাপুর, সঞ্জনা কাপুর। রবিবার কোনও কাজ করতেন না শশী। বাড়িতে সাড়ে সাতটায় ব্রেকফাস্ট ছিল মাস্ট। সকলকে সেই সময় হাজির থাকতে হত ৷ তাই বলে ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ ছিল না শশীর। তাঁদের সঙ্গে দারুণভাবে মিশে যেতেন তিনি। পৃথ্বীরাজ কাপুরের সঙ্গে নাকি তাঁর সম্পর্ক খুব একটা সহজ ছিল না। তাই নিজের সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুর মতো মেশার চেষ্টা করতেন ৷


   বাংলায় যেমন ফেলুদা মানেই সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তেমনই হিন্দিতে ফেলুদা মানে সন্দীপ রায়ের কাছে ছিলেন শশী কাপুর। তাঁকে নিয়েই গড়েছিলেন ‘কিসসা কাঠমান্ডু কা’। ১৯৮৬ সালে ডিডি ন্যাশনালে প্রদর্শিত হয়েছিল এই টেলিভিশন সিরিজ। সত্যজিৎ রায় শশীর অন্যতম পছন্দের পরিচালক।


অভিনেতারা বিপদে পড়লেও সাহায্য করতে সকলের আগে এগিয়ে আসতেন শশী। শাবানা আজমি একবার জানিয়েছিলেন সে কথা। কোনও সিনেমার জন্য বিদেশে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। সেখানে অর্থসংকটের মধ্যে পড়েন। শশী তাঁর পুরো খরচ বহন করেছিলেন।


  ছবি পরিচালনাও করেছেন শশী। বেশ কড়া ধাতের পরিচালক ছিলেন তিনি। এ কথা স্বীকার করেছে স্বয়ং অমিতাভ বচ্চন। অজুবা ছবির শুটিং চলাকালীন নাকি পরিচালক শশী সেটে ছড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়াতেন। ভুল হলেই নিস্তার ছিল না। তবে সেটে কারও অসুবিধা হলে সবার আগে তা মেটাতে ছুটতেন তিনিই।


  অপর্ণা সেনের সঙ্গে খুব ভাল সম্পর্ক ছিল তাঁর। সিনেমার সূত্রেই দু’জনের আলাপ হয়। ‘৩৬ চৌরঙ্গি লেন’-এর জন্য যখন হন্যে হয়ে প্রযোজক খুঁজছেন অপর্ণা, তখন ত্রাতা হন শশীই। চিত্রনাট্য পড়েই ছবি প্রযোজনা করতে রাজি হয়ে যান তিনি। ছবিতে অভিনয় করেছেন তাঁর স্ত্রী জেনিফারও।


  আটানব্বইয়ের পর সিনেমার জগতকে বিদায় জানান। কিন্তু অভিনয় প্যাশন শেষ দিন পর্যন্ত এতটুকু কমেনি। অভিনয় ছিল তাঁর ধ্যান-জ্ঞান-প্রাণ। প্রাণের এই স্পন্দন ভবিষ্যতের জন্য রেখেই ২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বর স্মৃতির সরণিতে চিরতরে আশ্রয় নিলেন শশী।

পাছে লোকে কিছু বলে – কামিনী রায় কবি কামিনী রায়ের ৯১-তম প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

 করিতে পারি না কাজ

সদা ভয় সদা লাজ

সংশয়ে সংকল্প সদা টলে –

পাছে লোকে কিছু বলে।

আড়ালে আড়ালে থাকি

নীরবে আপনা ঢাকি,

সম্মুখে চরণ নাহি চলে

পাছে লোকে কিছু বলে।

হৃদয়ে বুদবুদ মত

উঠে চিন্তা শুভ্র কত,

মিশে যায় হৃদয়ের তলে,

পাছে লোকে কিছু বলে।

কাঁদে প্রাণ যবে আঁখি

সযতনে শুকায়ে রাখি;-

নিরমল নয়নের জলে,

পাছে লোকে কিছু বলে।

একটি স্নেহের কথা

প্রশমিতে পারে ব্যথা –

চলে যাই উপেক্ষার ছলে,

পাছে লোকে কিছু বলে।

মহৎ উদ্দেশ্য যবে,

এক সাথে মিলে সবে,

পারি না মিলিতে সেই দলে,

পাছে লোকে কিছু বলে।

বিধাতা দেছেন প্রাণ

থাকি সদা ম্রিয়মাণ;

শক্তি মরে ভীতির কবলে,

পাছে লোকে কিছু বলে।


✍️পাছে লোকে কিছু বলে – কামিনী রায়


কবি কামিনী রায়ের ৯১-তম প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি।


কামিনী রায় (জন্মঃ অক্টোবর ১২, ১৮৬৪ - মৃত্যুঃ সেপ্টেম্বর ২৭,১৯৩৩) ছিলেন একজন বাঙালি কবি, সমাজকর্মী এবং নারীবাদী লেখিকা। কামিনী রায়ের জন্ম বর্তমান বাংলাদেশে বরিশালের বাকেরগঞ্জের বাসন্ডা গ্রামে। বাবা ছিলেন সেসময়ের বিখ্যাত লেখক ও ব্রাহ্মসমাজের সদস্য চণ্ডীচরণ সেন। পিতামহ নিমচাঁদ সেন ছিলেন ভাবুক ও ধার্মিক প্রকৃতির লোক। কামিনীর শিশু বয়স থেকেই তার পিতামহ তাকে বিভিন্ন শ্লোক আবৃত্তি করে শোনাতেন। 

তিনি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের প্রথম মহিলা স্নাতক ডিগ্রীধারী ব্যক্তিত্ব। তাঁর পিতা চন্ডীচরণ সেন একজন বিচারক ও ঐতিহাসিক লেখক ছিলেন।স্নাতক ডিগ্রী অর্জনের পর ১৮৮৬ সালেই তিনি বেথুন কলেজের স্কুল বিভাগে শিক্ষয়িত্রীর পদে নিযুক্ত হন ও পরবর্তীকালে তিনি ঐ কলেজে অধ্যাপনাও করেন।যে যুগে মেয়েদের শিক্ষাও বিরল ঘটনা ছিল, সেই সময়ে কামিনী রায় নারীবাদে বিশ্বাসী ছিলেন। তাঁর অনেক প্রবন্ধেও এর প্রতিফলন ঘটেছে।

মাত্র ৮ বছর বয়স থেকে তিনি কবিতা লিখতেন। পনের বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্য গ্রন্থ আলো ও ছায়া প্রকাশিত হয় ১৮৮৯ খ্রীস্টাব্দে। তার লেখা উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে -আলো ও ছায়া (১৮৮৯), নির্মাল্য (১৮৯১),দীপ ও বহধূপ (১৯২৯),জীবন পথে (১৯৩০) প্রভৃতি।অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত 'মহাশ্বেতা' ও 'পুণ্ডরীক' তাঁর দু'টি প্রসিদ্ধ দীর্ঘ কবিতা।এছাড়াও, ১৯০৫ সালে তিনি শিশুদের জন্য ‘গুঞ্জন’ নামের কবিতা সংগ্রহ ও প্রবন্ধ গ্রন্থ বালিকা শিক্ষার আদর্শ রচনা করেন। কামিনী রায় ১৯২৩ খ্রীস্টাব্দে তিনি বরিশাল সফরের সময় কবি সুফিয়া কামালকে লেখালেখিতে মনোনিবেশ করতে বলেন। তিনি ১৯৩০ খ্রীস্টাব্দে বঙ্গীয় লিটারারি কনফারেন্সের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৩২-৩৩ খ্রীস্টাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদেরও সহ-সভাপতি ছিলেন কামিনী রায়।


সংগৃহীত✍️

#goodnight

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ - ০৮-১২-২০২৪

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ - ০৮-১২-২০২৪


আজকের সংবাদ শিরোনাম


দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ ---- ইসলামপন্থীদের নিয়ন্ত্রণে রাজধানী দামেস্ক।

        

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার রোধে ফেসবুকের মূল কোম্পানি মেটার প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার। 

        

আগামীকাল ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করবেন ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতগণ।

        

কোনো বিদেশীকে বাংলাদেশে অবৈধভাবে থাকতে দেওয়া হবে না --- হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার।

      

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য অচলাবস্থা নিরসনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার আশাবাদ।

 

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে বিএনপির অঙ্গসংগঠনগুলোর স্মারকলিপি প্রদান ও পদযাত্রা কর্মসূচি পালন। 

      

এবং দুবাইয়ে ভারতকে ৫৯ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ক্রিকেটের শিরোপা জিতে নিলো বাংলাদেশ।

আসুন একটু হেসে নিই,,,,,,,

 আসুন একটু হেসে নিই ।  😁😁😁😁


বাসে গাদাগাদি ভিড়। এক ভদ্রলোক একটি দামী স্যুটকেস নিয়ে উঠলেন। অধ্যাপক টাইপ চেহারা।


প্রশ্ন করলেন-"আচ্ছা, পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের কারণ কী?"


সকলেই চুপ করে শুনতে থাকলেন তার কথা। কেউ কোনও কথা বলছেন না দেখে তিনি আবার শুরু করলেন -


"পলাশীর প্রান্তরে সেদিন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সৈন্য ছিল অনেক। লর্ড ক্লাইভের সৈন্য অল্পসংখ্যক থাকা সত্ত্বেও নবাব পরাজিত হয়েছিলেন। আপনারা বলবেন যে জগৎ শেঠ, মীর জাফরদের গাদ্দারির কারণে নবাব পরাজিত হয়েছিলেন। কিন্তু এই ইতিহাস সবটাই সত্য নয়। সত্য ইতিহাস জানতে হবে।"


একজন কৌতূহলী যাত্রী জানতে চাইলেন -- "তবে সত্য ইতিহাসটা কী?"


"সত্য ইতিহাস আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই। ক্লাইভ দূরবীন দিয়ে নবাবের সৈন্যদের গতিবিধি লক্ষ্য করলেন। পলাশীর আম বাগান তখন শূন্য। মীর জাফর তার আয়ত্ত্বাধীন সৈন্য নিয়ে কেটে পড়েছে। ক্লাইভ তো অবাক। নবাবের সৈন্যরা তবে গেল কোথায়? নিশ্চয়ই কোনও চাল চেলেছে।


হঠাৎ নজর পড়ল আমগাছের দিকে। একটি ডাল নড়ে উঠল। ক্লাইভ এবার দেখল যে, নবাবের সৈন্যরা আম গাছের ডালে ডালে বসে আছে। নিচ দিয়ে যেতে গেলেই তারা গেরিলা আক্রমণ করবে বলে প্রস্তুত।


ক্লাইভ কাছাকাছি না গিয়ে দূর থেকে কামান আর বন্দুক তাক করল। ফলন্ত গাছ থেকে আমের সাথে সাথে টুপটুপ করে ঝরে পড়তে লাগল নবাবের সৈন্য। আহ্!"


ভদ্রলোকের বলার ভঙ্গিতে যাদু ছিল। সকলেই মন দিয়ে শুনছিলেন তার কথা। তিনি আবার বলে উঠলেন-


"নবাবের সৈন্যরা সকলেই ইংরেজদের হাতে মারা পড়লেন। কিন্তু আমার প্রশ্ন আপনাদের কাছে। আম গাছের ডাল সেদিন নড়ে উঠল কেন? কী ছিল ষড়যন্ত্র?"


যাত্রীদের সকলের মনে প্রশ্ন জেগে উঠল। তাই তো, আম গাছের ডাল নড়ে উঠল কেন? গাছের ডাল না নড়লে তো ক্লাইভের নজরে আসত না সৈন্যদের অবস্থান!


ভদ্রলোক বললেন, "কেন নড়ে উঠেছিল গাছের ডাল? কে বলতে পারবেন?"


যথারীতি সকলেই চুপ করে থাকলেন। ভাবগতিক এমন যে, "আমরা জানি না, আপনিই বরং বলে দিন।"


তিনি তখন স্যুটকেস খুললেন। একটি জিনিস বের করে সকলকে দেখিয়ে বললেন -


"ডাল নড়ে ওঠার কারণ ছিল- চুলকানি, দাউদ, চর্মরোগ। বড় মারাত্মক এই রোগ, বুঝলেন? নবাবের এক সৈন্যের ছিল চুলকানি। এই চুলকানির জন্যই সেদিন ডাল নড়ে উঠেছিল। ডাল না নড়লে ক্লাইভ নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত।


*** আর তাই আমি এনেছি চুলকানির মলম। দাম মাত্র ত্রিশ টাকা!!

☺️😃😃

Collected

জীবনানন্দ দাশ, যিনি জন্মেছিলেন এক উচ্চবংশে, কিন্তু পুরো জীবন কাটিয়ে দিলেন হতদরিদ্রতার আঁধারে

 ❣💕 জীবনানন্দ দাশ, যিনি জন্মেছিলেন এক উচ্চবংশে, কিন্তু পুরো জীবন কাটিয়ে দিলেন হতদরিদ্রতার আঁধারে। বিয়ে করলেন লাবণ্যকে, যে হয়তো ঘরমুখো ছিল, কিন্তু স্বপ্ন ছিল তার আকাশছোঁয়া। চাকরিবিহীন জীবন আর স্ত্রীর সাথে বন্ধনহীন সম্পর্কের মাঝেও  জীবনানন্দ খুঁজে বেড়ালেন এমন একজন, যে তার মনের গভীরে পৌঁছাতে পারবে, অন্ধকারে আলো ছড়িয়ে দিবে। এই হাহাকার আর আকাঙ্ক্ষা নিয়ে লিখলেন বনলতা সেন। 

আর রবীন্দ্রনাথ ? চারদিকে তার গুণগান, নোবেল পুরস্কারের জয়জয়কার। কিন্তু মানুষ তখন তাকে বুঝলো না, প্রশান্তির বদলে দিলো অপমান—এতো বেদনার ভেতর দিয়ে তিনি সৃষ্টি করেছিলেন হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া কবিতা । একই সময়ে কেন আমাদের কবি মেসে ছারপোকার কামড় সহ্য করে, ক্ষুধার তাড়নায় চড়ুই পাখির ফেলে যাওয়া বিস্কুট খাওয়ার ইচ্ছা নিয়ে গল্প লিখে গেলো ?

নিজের সফলতা দেখে যেতে না পারলেও মায়ের কথা জীবনানন্দ রেখেছেন—কুসুমকুমারী দাশ, যিনি বড় হওয়ার মানে বুঝিয়েছিলেন কাজের মাধ্যমে, কথায় নয়। মনের মধ্যে বিষন্নতা আর সংসারের টানাটানির পরেও বাংলার মাটি আর হৃদয়ের সঙ্গে তার প্রেম ছিল অফুরন্ত। কখনো সুদর্শন, আবার কখনো লক্ষ্মীপেঁচা হয়ে এই বাংলায় ফিরে আসতে চেয়েছিলেন তিনি। অবিশ্বাস্যভাবে, পৃথিবীতে ট্রাম দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া একমাত্র মানুষ জীবনানন্দই। এখন তিনি স্বেচ্ছায় প্রাণ দিলেন নাকি আসলেই দুর্ঘটনার শিকার ? আজ ঠিক সেই প্রহেলিকার দিন। তার নামের মধ্যে লুকিয়ে আছে জীবন আর আনন্দ, কিন্তু সারা জীবন কী পেলেন তিনি—দুঃখ ছাড়া ?

There is a movie called 'Grave Of The Fireflies.' There is a dialogue there " Why do fireflies have to die so soon?"

এর উত্তর কিন্তু কেও জানে না কিন্তু আমাদেরই এক বাঙালি ৭০ বছর আগে এর উত্তর দিয়ে গেছে। তিনি আমাদের বিষন্নতার কবি--

 ''পৃথিবীর পুরনো পথের রেখা হয়ে যায় ক্ষয়,

 প্রেম ধীরে মুছে যায়, নক্ষত্রেরও একদিন 

 মরে যেতে হয়" (দুজন - বনলতা সেন)। ❣️💕💞            সংগৃহীত

কেন পড়বেন বই? বই পড়ে কী লাভ, বিজ্ঞান কী বলে?

 কেন পড়বেন বই?

বই পড়ে কী লাভ, বিজ্ঞান কী বলে?

বই পড়ে কী লাভ—এ প্রশ্ন করলে যিনি বই পড়তে  অভ্যস্ত নন, তিনিও আপনার দিকে বিস্মিত দৃষ্টিতে তাকাবেন। আসলে বই পড়ার  ইতিবাচক দিক এতটাই প্রতিষ্ঠিত একটা ব্যাপার, এটা নিয়ে দ্বিমত করার মানুষ  পাওয়া কঠিন।

বই পড়লে জ্ঞান বাড়ে, মান বাড়ে—এটা সত্যি। কিন্তু বই পড়ার উপকারিতা সম্পর্কে বিজ্ঞান কী বলে? সেটা নিয়ে আমরা কি ভেবেছি?

বই পড়ার সবচেয়ে বড় উপকারিতা হলো নিজের তথ্যভাণ্ডার সম্মৃদ্ধ করা।

স্কুলের পাঠবইগুলো যেমন আমাদের বিজ্ঞান, ইতিহাস বা অঙ্ক শেখায়, ঠিক  তেমনি গল্পের বই আমাদের কল্পনাশক্তি বাড়ায়। বিজ্ঞান, সাহিত্য,  সমাজবিজ্ঞানসহ বিচিত্র সব বই পড়লে নতুন তথ্য জানার পাশাপাশি আমাদের  দৃষ্টিভঙ্গি আরও বিস্তৃত হয়। কানাডার ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী তাঁর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞাতার  প্রেক্ষীতে বলেন, ‘যারা বেশি বেশি গল্প-উপন্যাস পড়েন, অন্যদের  মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা বোঝা তাঁদের পক্ষে সহজ। এই ব্যাপারটা আমাদের সামাজিক  দক্ষতায় উন্নতি ঘটায়।

বই মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখে। এটাকে মস্তিষ্কের এক ধরনের ব্যায়াম বলা  যায়।  তাই নিয়মিত বই পড়লে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে, চিন্তা করার ক্ষমতা  উন্নত হয় এবং স্মৃতিশক্তি শাণিত হয়ে ওঠে। ফলে অনেক বেশি মনোযোগী ও  বিশ্লেষণী দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে বই।

বই মানসিক চাপ কমাতে বড় ভূমিকা রাখে। মজার গল্প বা রোমাঞ্চকর উপন্যাস  পড়ার সময় মানুষ  সেই গল্পের মধ্যে ডুবে যায়। এটা বাস্তব জীবনের চাপ থেকে  মুক্তি দেয়, মনকে প্রশান্ত করে। সুতরাং মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বই পড়া  খুবই উপকারি একটা অভ্যাস।

কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও মনোবিজ্ঞানী কিথ ওকলে সাহিত্য এবং মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করেছেন।

তাঁর গবেষণা বলছে, উপন্যাস বা গল্পের বই পড়া মানুষের সহানুভূতিশীলতা এবং  সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে এবং বাস্তব জীবনে সম্পর্কগুলোকে আরও  সুসংহত করতে সহায়ক হয়।’

বই পড়লে বাড়ে কল্পনাশক্তিও। পাঠক গল্পের চরিত্রগুলোকে কল্পনা করতে  শেখে, গল্পের দৃশ্যগুলো মনে মনে তৈরি করে ফেলে। এই কল্পনাশক্তেই পারে সেই  পাঠকের ভেতর সৃজনশীলতা গড়ে তুলতে সহায়ক হয়।

বই পড়লে নতুন নতুন শব্দের সাথে পরিচিত হয় পাঠক। এতে ভাষাগত দক্ষতা  বাড়ে। বিশেষ করে যখন অন্য ভাষার বই পড় হয়, তখন সেই ভাষার নিয়ম-কানুনও  আমাদের জানা সহজ হয়।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব সাসেক্সের গবেষক এমিলি শ্যুট দেখিয়েছেন,  মাত্র ৬ মিনিট বই পড়লে মানসিক চাপ ৬৮ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব। তিনি  বলেন, ‘বই পড়া শুধু মনের প্রশান্তিই দেয় না, এটি আমাদের শারীরিক চাপও  কমিয়ে দেয় এবং মস্তিষ্ককে শিথিল রাখে।’

একটি বই শেষ করতে ধৈর্য ও মনোযোগের প্রয়োজন হয়। বই পড়ার অভ্যাস ধীরে ধীরে মানুষের মনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

বই পড়া ব্যাপরটা নিজের সঙ্গে নিজের সময় কাটানোর সুযোগ করে দেয়। অনেক  সময় মানুষ একা একটুখানি সময় কাটাতে চায়। কিন্তু একাকীত্ব আবার একঘেয়েমি ও  মানসিকভাবে হমাশগ্রস্ত করে তুলতে পারে। কিন্তু বই পড়লে তেমনটা হয় না কখনো।  তাই একাকী মুহূর্তগুলোতে বই ভালো সঙ্গীর ভূমিকা নেয়।

বই পড়ার অভ্যাস জ্ঞান ও বুদ্ধিকে যেমন শাণিত করতে সাহায্য করে, তেমনি  ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার প্রেরণাও বই থেকে পাওয়া যায়। তাই প্রতিদিন একটু  হলেও বই পড়ার চেষ্টা করা উচিত।

সূত্র: সায়েন্টিফিক অ্যামেরিকান মাইন্ড!

ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করার অনুরোধ রইলো!

ধন্যবাদ! ❤️


ধানের বীজ ১০০% অংকুরিত করার নিয়ম সমূহ :-

 ধানের বীজ ১০০% অংকুরিত করার নিয়ম সমূহ :-


প্রাক-অঙ্কুরিতকরণ - ১২-২৪ ঘন্টা বা বীজের শেষে ছোট অঙ্কুর দেখা না যাওয়া পর্যন্ত বীজগুলিকে পানিতে ডুবিয়ে রাখুন । ঠান্ডা আবহাওয়ায়, বীজ ১২-৪৮ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। ব্যাগের চারপাশে বাতাস চলাচল করতে পারে এমন ছায়াময় জায়গায় ২-২৪ ঘন্টার জন্য বীজটি ব্যাগে করে শুকিয়ে নিন।


ধান বৃদ্ধির জন্য সর্বোত্তম তাপমাত্রা ২৫-৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং পর্যাপ্ত রোদ প্রয়োজন এতে রোপণের পর ধানের গুণমান ভাল হয়।


সুস্থ ও সবল চারা পাওয়ার জন্য বীজ নির্বাচন এবং অঙ্কুরোদগম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

★ এখানে ধানের বীজের অঙ্কুরোদগমের জন্য কিছু টিপস রয়েছে:


★ ধানের বীজ ক্রয় আনার পর বীজ প্যাকেট হতে বের করে ৩-৫ দিনের জন্য ঘরের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন,

অথবা:- ১-২ দিনের জন্য সূর্যের আলোতে শুকিয়ে নিন |

অথবা:- ১-৪ ঘন্টা শুকিয়ে নিলে বীজের সুপ্ততা ভাঙবে এতে দ্রত অংকুরিত হবে।


• বীজ ধানের অপূর্ণ শষ্য / চিটা দানা অপসারণ করতে উইনোনিং বা পানিতে ভিজিয়ে পুষ্ট দানা বাছাই করে পরবর্তীতে বীজ শোধন করে ভিজিয়ে দিন |


• শক্ত খোসার কারণে অঙ্কুরোদগম বাড়ানোর জন্য ধানের বীজকে কয়েকদিন পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। বীজ ভিজানোর সময়কাল বাইরের বায়ুর তাপমাত্রা দ্বারা প্রভাবিত হয়। ১৪-২০°C এর মধ্যে বীজ ভিজিয়ে রাখতে ৪-৫দিন সময় লাগে; উচ্চ তাপমাত্রায়, যেমন ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে ভেজানো সম্পূর্ণ করতে মাত্র ১-২ দিন সময় লাগে। বীজ যতটা সম্ভব প্রবাহিত পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পর্যাপ্ত পানির উৎস না থাকলে দিনে ২-৩ বার পানি পরিবর্তন করতে হবে।


• বীজ ভিজিয়ে রাখার পর সেগুলো বের করে চটের বস্তা / নরম কাপড় এছাড়াও চটের বস্তা দিয়ে তার উপরে কচুর পাতা / কলার পাতা দিয়ে ধানের বীজগুলো মুড়িয়ে দিতে হবে তাহলে দ্রুত অংকুরিত হবে এছাড়াও ১৫-২০ সেন্টিমিটার চারা তৈরি হলে বীজতলায় বীজ বপন করতে পারেন |


মন্তব্য: বিশেষ করে শক্ত খোসা বা শক্তিশালী সুপ্ততা সহ কিছু ধানের বীজের জন্য, অঙ্কুরোদগম হার বাড়ানোর জন্য বীজ ভেজানোর সময় অ্যাসিটিক অ্যাসিড যোগ করা যেতে পারে। বীজ ভিজানোর জন্য ২০-গুণ মিশ্রিত গৃহস্থালী ফলের ভিনেগার বা চালের ভিনেগার যোগ করা সাহায্য করতে পারে।


★ ধানের বীজ শোধন করার নিয়ম:-

★ কারবেনডাজিম জাতীয় ছত্রাকনাশক দিয়েও বীজ শোধন করা যায়। 

৩গ্রাম ছত্রাকনাশক ১লিটার পানিতে মিশিয়ে সেখানে ১কেজি ধান দিয়ে কিছুক্ষন নাড়াচাড়া করে কয়েকঘন্টা রেখে দিলেই বীজ শোধন হয়ে যাবে |


প্রচারে:- কৃষি জানালা


#agriculture #নাঈম_এগ্রো_সীডস #ব্রিধান_১০৮ #rice #কৃষি #বোরোধানচাষ #বোরোধানচাষ

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...