এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪

ধীরেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী দরজা খুলে হাসিমুখে বললেন- কেমন আছ বাবা? (তিনি ধরেই নিলেন সামনে দাঁড়িয়ে থাকা যুবকটি তাঁর ছাত্র) কলিমউল্লাহ বলল- স্যার ভালো আছি

 ধীরেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী দরজা খুলে হাসিমুখে বললেন- কেমন আছ বাবা?

(তিনি ধরেই নিলেন সামনে দাঁড়িয়ে থাকা যুবকটি তাঁর ছাত্র)

কলিমউল্লাহ বলল- স্যার ভালো আছি। আপনি কী আমাকে চিনতে পেরেছেন, স্যার?

(তিনি তাকে চিনতে পারেন নি। চিনতে পারার কথাও না)

তারপরও হাসিমুখে বললেন- চিনতে পারব না কেন?চিনেছি।

(মিথ্যা বলার কারণ হলো তিনি অতীত অভিজ্ঞতায় দেখেছেন, যতবার কোনো ছাত্রকে দেখে তিনি না চেনার কথা বলেছেন, ততবারই তারা ভয়ঙ্কর মনে কষ্ট পেয়েছে। এক ছাত্র তো কেঁদেই ফেলেছিল)

.

ধীরেন্দ্রনাথ রায় বললেন- বাবা, তোমার নামটা যেন কী?

- কলিমউল্লাহ।

- হ্যাঁ, তাই তো। কলিমউল্লাহ। এখন পরিষ্কার মনে পড়েছে। তুমি কি খাওয়াদাওয়া করেছ?

- জ্বি না, স্যার।

- এসো আমার সঙ্গে চারটা ভাত খাও। আয়োজন খুব সামান্য। ভাত, ডিম ভর্তা। ঘরে আরো ডিম আছে। তোমাকে ডিম ভেজে দেব। ঘরে এক কৌটা ভালো গাওয়া ঘি ছিল, কৌটাটা খুঁজে পাচ্ছি না..

.

কলিমউল্লাহ বলল- এখন খেতে পারব না। আপনার কাছে আমি একটা অতি জরুরি কাজে এসেছি।

- জরুরি কাজটা কী?

- মিলিটারির এক কর্নেল আপনার সাথে কথা বলতে চান।

ধীরেন্দ্রনাথ রায় বিস্মিত হয়ে বললেন- আমার সাথে মিলিটারির কী কথা?

- আমি জানি না। তবে স্যার আপনার ভয়ের কিছু নেই। আমি সঙ্গে আছি।

.

ধীরেন্দ্রনাথ রায় বললেন- তুমি আমার কোন ব্যাচের ছাত্র বলো তো?

- কথা বলে সময় নষ্ট করতে পারব না। মিটিংটা শেষ করে আসি, তারপর গল্প করব।

- দুইটা মিনিট অপেক্ষা করো, ভাতটা খেয়ে নিই। আমি খুব ক্ষুধার্ত। সকালে নাশতা করিনি।

- ভাত খাবার জন্যে অপেক্ষা করার সময় নাই স্যার।

- তাহলে দাঁড়াও, পাঞ্জাবিটা গায়ে দিয়ে আসি। আমার সঙ্গে কি কথা বুঝলাম না। সে আমার ছাত্র না তো? করাচি ইউনাভার্সিটিতে আমি দু'বছর মাষ্টারি করেছি। প্রফেসর সালাম সাহেব সেখানে আমার কলিগ ছিলেন।


কলিমউল্লাহ বলল- আপনার ছাত্র হবার সম্ভাবনা আছে। কর্নেল সাহেব যেভাবে বললেন "স্যারকে একটু নিয়ে আসো"... তাতে মনে হচ্ছে উনি আপনার ছাত্র।

.

ধীরেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী গাড়িতে উঠে দেখলেন.. গাড়ি ভর্তি মানুষ । তারা সবাই চিন্তায় অস্থির। ধীরেন্দ্রনাথ রায় তাদের দিকে তাকিয়ে আন্তরিক ভঙ্গিতে হাসলেন। ভুলে তিনি চশমা ফেলে এসেছেন বলে তাদের কাউকে চিনতে পারলেন না। চোখে চশমা থাকলে এদের অনেককেই তিনি চিনতেন। বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানরা সেই গাড়িতে বসেছিলেন। তাঁদের নিয়ে যাওয়া হবে বধ্যভূমিতে....


(জোছনা ও জননীর গল্প : হুমায়ূন আহমেদ)

BMW সম্পর্কে দশটি অজানা তথ্য

 #BMW সম্পর্কে দশটি অজানা তথ্য


১. প্রতিষ্ঠা এবং ইতিহাস: বিএমডব্লিউ, বায়ারিশে মোটরেন ওয়ার্ক এজি, ১৯১৬ সালে মিউনিখ, জার্মানিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, প্রথমে বিমানের ইঞ্জিন উৎপাদন করে। কোম্পানী 1920 এর দশকে মোটর সাইকেল উৎপাদনে রূপান্তরিত হয় এবং অবশেষে 1930 এর দশকে অটোমোবাইলে পরিণত হয়।


২। আইকনিক লোগো: বিএমডব্লিউ লোগো, যাকে প্রায়শই "রাউন্ডেল" বলা হয়, একটি কালো আংটি নিয়ে গঠিত যা নীল এবং সাদা চার চতুর্থাংশ দিয়ে ছেদ করে। এটি বিমানের কোম্পানির উত্সকে প্রতিনিধিত্ব করে, নীল এবং সাদা একটি স্পষ্ট নীল আকাশের বিরুদ্ধে একটি ঘূর্ণন প্রপেলার প্রতীক।


৩। প্রযুক্তিতে উদ্ভাবন: বিএমডব্লিউ অটোমোটিভ প্রযুক্তিতে উদ্ভাবনের জন্য বিখ্যাত। এটি ২০১৩ সালে বিশ্বের প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়ি, বিএমডব্লিউ আই৩ চালু করে, এবং উন্নত ড্রাইভিং সহায়তা সিস্টেম (এডিএএস) এবং হাইব্রিড পাওয়ারট্রেন উন্নয়নে একজন নেতা হয়েছে।


৪. কর্মক্ষমতা এবং মোটরস্পোর্ট হেরিটেজ: মোটরস্পোর্টে বিএমডব্লিউ এর একটি শক্তিশালী ঐতিহ্য আছে, বিশেষ করে ভ্রমণের গাড়ি এবং ফর্মুলা 1 রেসিং এ। ব্র্যান্ড এর এম বিভাগ তাদের নিয়মিত মডেলগুলির উচ্চ-পারফরম্যান্স সংস্করণ তৈরি করে, যা তাদের নির্ভুলতা ইঞ্জিনিয়ারিং এবং উত্তেজনাপূর্ণ ড্রাইভিং গতিশীলতার জন্য পরিচিত।


৫। বিশ্বব্যাপী উপস্থিতি: বিএমডব্লিউ একটি বিশ্বব্যাপী অটোমোটিভ কোম্পানি


৬. বিলাসিতা এবং নকশা: বিএমডব্লিউ বিলাসিতা এবং স্বতন্ত্র নকশার সমার্থক, কারুশিল্প যা আধুনিক প্রযুক্তি এবং আরামের সাথে কমনীয়তা মিশ্রিত করে।


৭. টেকসই অনুশীলন: বিএমডব্লিউ স্থায়িত্বের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তার যানবাহনের মধ্যে পরিবেশ বান্ধব উপকরণ এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত করে, পাশাপাশি বিএমডব্লিউ আই৪ এবং আইএক্স এর মত মডেলের সঙ্গে বৈদ্যুতিক যানবাহন প্রযুক্তির অগ্রগতি।


৮. গ্লোবাল ম্যানুফ্যাকচারিং: বিএমডব্লিউ বিশ্বব্যাপী অসংখ্য প্রোডাকশন সুবিধা পরিচালনা করে, যার মধ্যে আছে জার্মানি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং অন্যান্য দেশ আছে, যাতে একটি বিশ্বব্যাপী পৌঁছানোর এবং স্থানীয় উত্পাদনের নিশ্চিত হয়।


৯। ব্র্যান্ড পোর্টফোলিও: এর বিখ্যাত বিএমডব্লিউ ব্র্যান্ড ছাড়াও, কোম্পানী মিনি এবং রোলস-রয়েস এর মালিক, বিভিন্ন ধরণের অটোমোটিভ স্বাদ এবং বিলাসবহুল সেগমেন্টস সরবরাহ করে।


১০। সাংস্কৃতিক প্রভাব: বিএমডব্লিউ এর গাড়িগুলি প্রায় সাংস্কৃতিক আইকন হয়ে ওঠে, যা বৈশিষ্টযুক্ত।

পরম শ্রদ্ধায় তাকে স্মরন করে তারই কিছু কবিতা আমি দিলাম এখানে।

 পরম শ্রদ্ধায় তাকে স্মরন করে তারই কিছু কবিতা আমি দিলাম এখানে।

কতখানি বিরহ বেদনার সাগরে ভেসে ভেসে তিনি  কবিতাকে ভালোবেসে হেলেনকে ভুলতে চেয়েছেন?

হেলাল হাফিজ।


"অবেলার খেলা"।


প্লিজ..


অবেলায় তরঙ্গ তুলিয়া 

রঙ্গে ভঙ্গ দিওনা।

ওগো,বাঁচিবনা

মরিয়া যাইবো আমি মরনের আগে"॥


(২)

আজন্ম মানুষ আমাকে পোড়াতে পোড়াতে 

কবি করে তুলেছে।

মানুষের কাছে এও তো এর ধরনের ঋন!

এমনই কপাল আমার 

অপরিশোধ্য এই ঋন বেড়েই চলেছে।।


(৩)

যুক্তি যখন আবেগের কাছে অকাতরে

পর্যুদস্ত হতে থাকে

কবি কিংবা মানুষের কাছে

সেইটা বোধকরি সব চেয়ে বেশী

সংকোচ আর সংকোটের সময়।


আছি।

হয়তো তোমাকে হারিয়ে দিয়েছি

নয়তো গিয়েছি হেরে

থাকনা ধ্রুপদী অস্পস্টতা

কে কাকে গেলাম ছেড়ে


হয়ত এখন

আমি নিয়ন্ত্রহীন 

নাজুক পরিস্থিতির মুখোমুখি

নইলে তোমাকে এতদিন তোমাকে

একটা চিঠিও লিখতে না পারার

কস্ট কি আমারও কম?

মনে হয় মরনের পাখা গজিয়েছে।।।


উনার চলে যাবার তীব্র যাতনা পাঠকের হৃদয় চুরমার করে দিয়েছে।

আসলে প্রেম আর দ্রোহ মিলিয়ে মিশিয়ে তার রচনার যে অনন্ত অসীমের বর্হিপ্রকাশ ছিলো তা পাঠকের কাছে পৌঁছে দিয়ে চিরতরে উনি শান্তির কোলে চলে গেলেন।

উনার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা রইল,ওপারে উনি ভালো থাকবেন।।।

বাংলাদেশের সংগীত জগতের তিন স্বর্ণগায়িকার কন্ঠে পাঁচটি করে দেশের গান: 

 বাংলাদেশের সংগীত জগতের তিন স্বর্ণগায়িকার কন্ঠে পাঁচটি করে দেশের গান: 


★শাহনাজ রহমতউল্লাহ 


১. জয় বাংলা, বাংলার জয় 

কথা: গাজী মাজহারুল আনোয়ার 

সুর: আনোয়ার পারভেজ 

সহশিল্পী: আব্দুল জব্বার 


২. এক নদী রক্ত পেরিয়ে 

কথা,সুর: খান আতাউর রহমান 


৩. একতারা তুই দেশের কথা 

কথা: গাজী মাজহারুল আনোয়ার 

সুর: দেবু ভট্টাচার্য 


৪. একবার যেতে দে না ছোট্ট সোনার গাঁয় 

কথা: গাজী মাজহারুল আনোয়ার 

সুর: আনোয়ার পারভেজ 


৫. প্রথম বাংলাদেশ, আমার শেষ বাংলাদেশ 

কথা: মনিরুজ্জামান মনির 

সুর: আলাউদ্দিন আলী 


★ সাবিনা ইয়াসমিন 


১.একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার 

কথা: নঈম গহর 

সুর: অজিত রায় 


২. জন্ম আমার ধন্য হলো 

কথা: নঈম গহর 

সুর: আজাদ রহমান 


৩.সব কটা জানালা খুলে দাও না 

কথা: নজরুল ইসলাম বাবু 

সুর: আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল 


৪. সেই রেললাইনে ধারে মেঠো পথ

কথা: মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান 

সুর: আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল 


৫. সুন্দর সুবর্ণ তারুণ্য 

কথা,সুর: আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল 


★রুনা লায়লা 

১. প্রতিদিন তোমায় দেখি সূর্যরাগে 

কথা: মো: মনিরুজ্জামান 

সুর: দেবু ভট্টাচার্য 


২. আমার অনেক ঋণ আছে 

কথা: শামসুর রাহমান 

সুর: খন্দকার নুরুল আলম 


৩. নদীর মাঝি বলে এসো নবীন 

কথা: আবু হেনা মোস্তফা কামাল 

সুর: খন্দকার নুরুল আলম 


৪. বাংলাদেশের স্বাধীনতা লক্ষ প্রাণের দান 

কথা: মো: মনিরুজ্জামান 

সুর: দেবু ভট্টাচার্য 


৫. স্বাধীনতা এক গোলাপ ফোটানো দিন 

কথা: মো: মনিরুজ্জামান 

সুর: দেবু ভট্টাচার্য

মুগডাল উৎপাদন কৌশল,,,, কৃষি বাতায়ন

 

পুষ্টি মূল্য
মুগ ডালে প্রচুর পরিমানে খাদ্য শক্তি ও প্রোটিন আছে।

ব্যবহার
ডাল হিসেবে প্রধানত খাওয়া হয়।

উপযুক্ত জমি ও মাটি
বেলে দো-আঁশ ও পলি দো-আঁশ মাটি, মাঝারি উঁচু এবং সুনিষ্কাশিত জমি মুগ আবাদের জন্য উপযোগী।

 

জাত পরিচিতি

বারি মুগ-২ (কান্তি)
বারি মুগের কান্তি জাত দিবস নিরপেক্ষ হওয়ায় খরিফ-১, খরিফ-২ এবং রবি মৌসুমের শেষ দিকেও চাষ করা যায়। রান্নার সময়কাল ১৫-১৮ মিনিট। আমিষের পরিমাণ ২০-২৪%। জীবনকাল ৬০-৬৫ দিন। ফলন হেক্টরপ্রতি ০.৯-১.১ টন। জাতটি সারকোস্পোরা দাগ ও হলদে মোজাইক রোগ সহনশীল।
বারি মুগ-৩ (প্রগতি)
বীজ মসৃণ ও রং বাদামি সবুজ। রান্না হওয়ার সময়কাল ১৪-১৭ মিনিট। দিবস নিরপেক্ষ হওয়ায় খরিফ-১, খরিফ-২ এবং রবি মৌসুমে বিলম্বে আবাদ করা যায়। আমিষের পরিমাণ ১৯-২১%। জীবনকাল ৬০-৬৫ দিন। ফলন হেক্টরপ্রতি ১.০-১.১ টন। জাতটি সারকোস্পোরা দাগ ও হলদে মোজাইক ভাইরাস রোগ সহনশীল।
বারি মুগ-৪ (রুপসা)
বীজ মসৃণ ও রং সবুজ। এ জাত দিবস নিরপেক্ষ হওয়ায় খরিফ-১, খরিফ-২ এবং রবি মৌসুমে বিলম্বে বপন করা যায়। জাতটি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। ডাল রান্নার সময়কাল ১৫-২০ মিনিট। আমিষের পরিমাণ ২১-২৪%। জীবনকাল ৬০-৬৫ দিন। ফলন হেক্টরপ্রতি ১.২-১.৪ টন। জাতটি সারকোস্পোরা দাগ ও হলদে মোজাইক ভাইরাস রোগ সহনশীল।
বারি মুগ-৫ (তাইওয়ানী)
গাছের পাতা, ফল ও বীজ আকারে বেশ বড়। বীজের রং গাঢ় সবুজ। হাজার বীজের ওজন ৪০-৪২ গ্রাম। জাতটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো যে ফল এক সাথে পাকে। ডাল রান্নার সময়কাল ১৭-২০ মিনিট। আমিষের পরিমাণ ২০-২২%। জাতটির জীবনকাল ৬০-৬৫ দিন। ফলন হেক্টরপ্রতি ১.২-১.৫টন। জাতটি সারকোস্পোরা দাগ ও হলদে মোজাইক ভাইরাস রোগ সহনশীল।
বারি মুগ-৬ (রুপসা)
একই সময়ে প্রায় সব শুটি পরিপক্ক হয়। পাতা ও বীজের রং গাঢ় সবুজ এবং পাতা চওড়া। ফুল আসার পরে দৈহিক বৃদ্ধি কম। দানার আকার বড়। প্রতি ১০০ বীজের ওজন ৫.১-৫.২ গ্রাম। গম কাটার পর এপ্রিলের ১ম সপ্তাহ পর্যন্ত বপন করা যায়। এ ছাড়া খরিফ-২ ও রবি মৌসুমের শেষেও বপন করা যায়। হলুদ মোজাইক ভাইরাস এবং পাতার দাগ রোগ সহনশীল। জীবনকাল ৫৫-৫৮ দিন। হেক্টরপ্রতি ফলন ১৫০০ কেজি।
এছাড়াও বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট থেকে উদ্ভাবিত মুগের জাতগুলো হলো:
বিনামুগ-১ (সোনামুগ): বীজ হলদে রঙের এবং অমসৃন। দানার আকার মাঝারি। হেক্টর প্রতি গড় ফলন ০.৯ টন।
বিনামুগ-২: বীজের রঙ ঘোলাটে সবুজ। বারিমুগ-২ (কান্তি) এর বীজ থেকে বড় আকারের বীজ। হেক্টর প্রতি গড় ফলন ১.৪ টন।
বিনামুগ-৩: বীজ সবুজ রঙের এবং অমসৃন। দানার আকার মাঝারি। হেক্টর প্রতি গড় ফলন ১.৪ টন।
বিনামুগ-৪: বীজ সবুজ রঙের এবং অমসৃন। দানার আকার মাঝারি। হেক্টর প্রতি গড় ফলন ১.১ টন।
বিনামুগ-৫: বীজের রঙ উজ্জ্বল সবুজ। বারিমুগ-২ (কান্তি) এর বীজ থেকে বড় আকারের বীজ। হেক্টর প্রতি গড় ফলন ১.৫ টন।
বিনামুগ-৬; বীজের রঙ উজ্জ্বল সবুজ। বারিমুগ-২ (কান্তি) এর বীজ থেকে বড় আকারের বীজ। হেক্টর প্রতি গড় ফলন ১.৫ টন।
বিনামুগ-৭: বীজের রঙ সবুজ। বারিমুগ-২ (কান্তি) এর বীজ থেকে বড় আকারের বীজ। হেক্টর প্রতি গড় ফলন ১.৮ টন।

বীজ বপন
ছিটিয়ে এবং সারি উভয় পদ্ধতিতেই বপন করা যায়। সারিতে বপনের ক্ষেত্রে সারি থেকে সারির দূরত্ব ৩০ সেমি রাখতে হবে।
বারি মুগ-২, বারি মুগ-৩ ও বারি মুগ-৪ এর জন্য হেক্টরপ্রতি ২৫-৩০ কেজি। বারি মুগ-৫ এর জন্য ৪০-৪৫ কেজি বীজের প্রয়োজন। ছিটিয়ে বপনের ক্ষেত্রে বীজের পরিমাণ সামান্য বেশি দিতে হবে।
এলাকাভেদে মুগের বপন সময়ের তারতম্য দেখা যায়। খরিফ-১ মৌসুমে ফাল্গুন মাসের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত (ফেব্রুয়ারির শেষ ভাগ হতে মার্চের মধ্য ভাগ)। খরিফ-২ মৌসুমে শ্রাবণ-ভাদ্র মাস (আগস্টের প্রথম হতে সেপ্টেম্বরের শেষ ভাগ)। রবি মৌসুমে বরিশাল এলাকার জন্য বপনের উত্তম সময় পৌষ-মাঘ মাস (জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্য ভাগ)।

সার ব্যবস্থাপনা
অনুর্বর জমিতে হেক্টরপ্রতি নিম্নরূপ সার ব্যবহার করতে হবে।
সারের নাম            সারের পরিমাণ কেজি/হেক্টর
ইউরিয়া                 ৪০-৫০
টিএসপি                 ৮০-৮৫
এমওপি                 ৩০-৩৫
অণুজীব সার           ৪-৫
শেষ চাষের সময় সমুদয় সার প্রয়োগ করতে হবে। অপ্রচলিত এলাকায় আবাদের জন্য সুনির্দিষ্ট অণুজীব সার প্রয়োগ করা যেতে পারে। তবে প্রতি কেজি বীজের জন্য ৮০ গ্রাম অণুজীব সার প্রয়োগ করা যেতে পারে। সাধারণতঃ অণুজীব সার ব্যবহার করলে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করতে হয় না।

সেচ ও আগাছা ব্যবস্থাপনা
বপনের ২৫-৩০ দিনের মধ্যে একবার আগাছা দমন করা প্রয়োজন। অতিবৃষ্টির ফলে যাতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে না পারে সেজন্য অতিরিক্ত পানি বের হওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। এছাড়া খরিফ-১ মৌসুমে বৃষ্টি না হলে সঠিক সময়ে বপনের জন্য বপনের আগে বা পরে একটি সেচ প্রয়োজন। সেচ দিলে চারা গজানোর পর মালচিং করে দিতে হবে।

 

রোগ ব্যবস্থাপনা
রোগের নাম: মুগের পাতার দাগ রোগ
ক্ষতির নমুনা: পাতায় ছোট ছোট লালচে বাদামি বর্ণের গোলাকৃতি হতে ডিম্বাকৃতির দাগ পড়ে। আক্রান্ত পাতার উপর ছিদ্র হয়ে যায়। আক্রমণের মাত্রা বেশি হলে সম্পূর্ণ পাতা ঝলসে যায়। পরিত্যক্ত ফসলের অংশ, বায়ু ও বৃষ্টির মাধ্যমে এ রোগ বিস্তার লাভ করে।
অনুকুল পরিবেশ: বেশি আর্দ্রতা (৮০%) এবং উচ্চ তাপে (২৮ ডিগ্রী সে.) এ রোগ দ্রুত বিস্তার লাভ করে।
ব্যবস্থাপনা: বাভিস্টিন (০.২%) নামক ছত্রাকনাশক ১২-১৫ দিন পরপর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে। রোগ প্রতিরোধী জাত ব্যবহার (বারি মুগ-২, ৩, ৪ এবং ৫) করতে হবে।

রোগের নাম: মুগের পাউডারি মিলডিউ
ক্ষতির নমুনা: এ রোগে পাতায় পাউডারের মত আবরণ পড়ে। সাধারণত: শুষ্ক মৌসুমে এ রোগের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। বীজ, পরিত্যক্ত গাছের অংশ ও বায়ুর মাধ্যমে এ রোগ বিস্তার লাভ করে।
ব্যবস্থাপনা: বিকল্প পোষক ও গাছের পরিত্যক্ত অংশ পুড়ে ফেলতে হবে। টিল্ট-২৫০ বা থিওভিট (০.২%) ১০-১২ দিন পরপর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।

রোগের নাম: মুগের হলদে মোজাইক ভাইরাস রোগ
ক্ষতির নমুনা: মোজাইক ভাইরাস দ্বারা এ রোগ হয়ে থাকে। আক্রান্ত পাতার উপর হলদে সবুজ দাগ পড়ে। সাধারণত: কচি পাতা প্রথমে আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত বীজ ও বায়ুর মাধ্যমে এ রোগ বিস্তার লাভ করে। সাদা মাছি নামক পোকা এ রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে।
অনুকুল পরিবেশ: বিকল্প পোষক ও সাদা মাছির আধিক্য এ রোগ দ্রুত বিস্তারে সহায়ক।
ব্যবস্থাপনা: রোগ মুক্ত বীজ ব্যবহার করতে হবে। সাদা মাছি দমনের জন্য অনুমোদিত কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে। আক্রান্ত গাছ তুলে পুড়ে ফেলতে হবে।

 

গুদামজাত ডালের পোকা ব্যবস্থাপনা:
ভূমিকা: পূর্ণবয়স্ক পোকা ও কীড়া উভয়ই গুদামজাত ডালের ক্ষতি করে থাকে।
ক্ষতির নমুনা: এ পোকা ডালের খোসা ছিদ্র করে ভিতরে ঢুকে শাঁস খেতে থাকে। ফলে দানা হাল্কা হয়ে যায়। এর ফলে বীজের অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায় এবং খাওয়ার অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে।
ব্যবস্থাপনা: গুদামজাত করার আগে দানা ভালভাবে পরিষ্কার করতে হয়। ডালের দানা শুকিয়ে পানির পরিমান ১২% এর নিচে আনতে হবে। বীজের জন্য টন প্রতি ৩০০ গ্রাম ম্যালাথিয়ন বা সেভিন ১০% গুড়া মিশিয়ে পোকার আক্রমণ প্রতিরোদ করা যায়। ফসটক্সিন ট্যাবলেট ২টি বড়ি প্রতি ১০০ কেজি গুদামজাত ডালে ব্যবহার করতে হয়। এ বড়ি আবদ্ধ পরিবেশে ব্যবহার করতে হয়।

ফসল তোলা:
মধ্য-কার্তিক থেকে শেষ ভাগ (অক্টোবর শেষ থেকে নভেম্বর প্রথম)।

নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং এক নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নাগরিক,

 নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং এক নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নাগরিক,

তিনি ৯৫ বছর বয়সে ৫ ডিসেম্বর ২০১৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন। অ্যাপার্টহাইড নামে পরিচিত দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই-এর কারণে ২৭ বছর জেল খেটেছেন। তিনি ১৯৯০ সালে কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন,এর চার বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন এবং মাত্র একটি মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন,যা আফ্রিকার রাজনীতিতে বিরল এক ঘটনা।


আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অত্যন্ত প্রিয় এই নেতা বক্তা হিসেবে ছিলেন দারুন। তার অন্যতম এক বিখ্যাত উক্তি ১৯৬৪ সালে রিভোনিয়া ষড়যন্ত্র মামলার শুনানি চলাকালে প্রদান করা বক্তৃতা থেকে গ্রহণ করা হয়,

যেটিতে তিনি বলেন:-


👉 আমি সাদাদের আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি এবং আমি কালোদের আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করছি। আমি আদর্শিক গণতন্ত্র এবং মুক্ত সমাজের প্রশংসা করি,যেখানে সকল ব্যক্তি শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করবে এবং সমান সুযোগ লাভ করবে। এটি হচ্ছে একটি আদর্শিক অবস্থান, যার মধ্যে দিয়ে বাঁচা দরকার এবং আমি তা অর্জনের আশা করি,কিন্তু এটি এমন এক আদর্শ,যদি প্রয়োজন পড়ে,তার জন্য আমি জীবন দিতেও প্রস্তুত।।


রিভোনিয়া মামলায় প্রদান করা বক্তৃতা ছাড়াও,সারা জীবন তিনি অনেক স্মরণীয় এবং জ্ঞানগর্ভ উক্তি করেছেন।


   ------- সংগৃহীত

বাড়ি কোথায়? -ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

 বাড়ি কোথায়?

-ব্রাহ্মণবাড়িয়া।


গ্রাম তাই না ?

ভাবনাটা যাদের এমন তাদের বলছি,

ভাই/বোন একটু আস্তে____


বেশি দূরে না ,ঢাকা থেকে মাত্র ১০৫ কি.মি. দূরত্ব। ট্রেনে দুই ঘন্টা আর বাসে দুই ঘন্টা ৩০ মিনিট। একটু এসে দেখে যান আমাদের সাজানো গোছানো পরিপাটি শহরটাকে,বাংলাদেশের "সাংস্কৃতিক রাজধানী" ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে ।


ব্রাহ্মণবাড়িয়া ___

চিনতে কষ্ট হচ্ছে ? আপনি কি বাংলাদেশেই থাকেন ?

আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় একটি স্থল বন্দর, একটি নৌ-বন্দর এবং একটি রেল-জংশন আছে। বাংলাদেশের আর কোন জেলায় আছে এই তিনটা এক সাথে ?


বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ কি জানেন ?

প্রাকৃতিক গ্যাস।

"তিতাস গ্যাস" এর নাম শুনেছেন নিশ্চয়ই? ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ গ্যাস সরবরাহ করে। সেইটা আমার জেলায় উৎপাদিত গ্যাস । 

আচ্ছা ঢাকা তো বাংলাদেশের রাজধানী তাই না ? পুরো ঢাকার গ্যাস সহ সারা দেশের এক-তৃতীয়াংশ গ্যাস সরবরাহ করা হয় আমার জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া খেকে । কিছু বুঝলেন?

আরো আছে   

দেশের বৃহত্তম বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র আমার জেলাতেই। দেশের ইউরিয়া সারের বৃহত্তম শিল্প কারখানা আমার জেলাতেই । ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম পুতুল নাচের প্রচলন করে আমার জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া।


আমাদের গুনীজনদের কথা একটু শুনুন।

উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন হযরত মাওলানা তাজুল ইসলাম ফখরে বাঙ্গাল(রহ), কলকাতা ইউনিভারসিটির সাবেক প্রফেসর- কুদওয়াতুছ ছালেকীন, জুবদাতুল আরেফিন, কুতুবুল ইরশাদ আলহাজ শাহছুফী হযরত মাওলানা, প্রফেসর, আবদুল খালেক (রহঃ) , সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ- উপমহাদেশর প্রখ্যাত সংগীত ব্যক্তিত্ব , আলী আকবর খান- বিশ্ববিখ্যাত শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী, ১৯৭১ এর ১ আগস্ট নিউইর্য়কের ম্যাডিসন স্কয়ারে অনুষ্ঠিত কনসার্ট ফর বাংলাদেশ এর অন্যতম আয়োজক মনমোহন দত্ত , মলয়া সংগীতের জনক, সুরকার শেখ সাদী খান-বাংলাদেশের সঙ্গীতের জাদুকর বলে অভিহিত করা হয় যাকে, সৈয়দ আব্দুল হাদী-পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয়ী সঙ্গীত শিল্পী, ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত -পাকিস্তানের গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি উত্থাপনকারী, অলি আহাদ - ভাষা সৈনিক, শেখ আবু হামেদ ভাষা সৈনিক, ব্যারিস্টার আবদুর রসুল, প্রথম বাঙালী মুসলমান ব্যারিস্টার- আব্দুস সাত্তার খান, নাসার মহাকাশ গবেষক, ৪০টিরও বেশি সংকর ধাতু উদ্ভাবন করেছেন। (এই সংকর ধাতুগুলো ইঞ্জিনকে আরো


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

গরুর উন্নত জাত ও পরিচিতি 

 গরুর উন্নত জাত ও পরিচিতি 


শাহীওয়াল জাতঃ

শাহীওয়াল এই উপমহাদেশের দুধাল গাভী রূপে সুপরিচিত। শাহীওয়াল গাভী দুধ উৎ‌পাদনের জন্য একটি উৎ‌কৃষ্ট জাত।

শাহীওয়াল গাভী সাধারনত পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে দেখা য়ায়।


শাহীওয়াল গরুর কিছু বৈশিষ্ঠ্যঃ

* শাহীওয়াল জাতের গরু ধীর ও শান্ত প্রকৃতির।

* শাহীওয়াল জাতের গরু আকারে বেশ লম্বা এবং মোটাসোটা ভারী দেহ।

* সাধারণত এ জাতের গরুর দেহের রং ফ্যাকাসে লাল বা হালকা হলুদ। তবে কখোনো গাঢ় লাল বা লালের মধ্যে সাদা ও কালো ছাপযুক্ত হয়।

* মাথা প্রশস্ত, পা ছোট, শিং ছোট কিন্তু মোটা।

* গলকম্বল বৃহদাকার যা ঝুলে থাকে।

* শাহীওয়াল জাতের গরুর ত্বক পাতলা ও শিথিল।

* গাভীর ওলান বেশ বড়, চওড়া, নরম, মেদহীন এবং ঝুলন্ত। বাটগুলো লম্বা মোটা ও সমান আকৃতি বিশিষ্ট। দুগ্ধ শিরা বেশ স্পষ্ট যা দূর থেকেও বোঝা যায়।

* লেজ বেশ লম্বা, প্রায় মাটি ছুয়ে যায়। লেজের আগায় দর্শনীয় এক গোছা কালো লোম থাকে।

* বলদ ও ষাঁড় ধীর ও অলস।

* শাহীওয়াল গাভী দৈনিক ১০-১৫ লিটার দুধ দেয় ।

* বাৎসরিক দুধ উৎপাদন ২,১৫০-৪,০০০ লিটার। চর্বির পরিমান ৪.৫%।

* শাহীওয়াল গাভীর ওজন ৩৪০ কেজি এবং ষাড়ের ওজন ৫২২ কেজি হয়।

* জন্মকালে বাছুরের ওজন ২২-২৮ কেজি


জার্সিঃ

জার্সি জাতের উৎপত্তি ইংলিশ চ্যানেলের জার্সি নামক ব্রিটিশ দ্বীপ থেকে। এই জাতটি এখন বিশ্বের প্রায় সব দেশেই পাওয়া যায়। সবচেয়ে বেশী পরিমানে পাওয়া যায় ইংল্যান্ড ও আমেরিকায় ।


জার্সি জাতের গরুর বৈশিষ্ঠঃ

* বিদেশী দুধাল গাভীর মধ্যে জার্সির আকার সবচেয়ে ক্ষুদ্রাকার।

* এ জাতের গাভী আচরণে শান্ত প্রকৃতির হয়।

* র্জাসি গাভীর রং সাধারনত লালচে বাদামী এবং বিভিন্ন রং এর হয়ে থাকে।

* এ জাতের গাভীর দেহ লম্বা,পা খাট, ভারী নিতম্ব ও চূড়া হতে কোমড় পর্যন্ত পিঠ একদম সোজা থাকে পিঠে কুজ থাকে না ।

* মুখবন্ধনী কালো ও চকচকে হয় ৷ মাথা ও ঘাড় বেশ মানানসই, শরীর মেদহীন।

* জিহবা ও লেজ কালো।

* শিং পাতলা এবং সামনের দিকে সামান্য বাঁকানো থাকে

* র্জাসি গাভীর সাধারনত হলিস্টিনের চেয়ে ছোট এবং ওজন কম হয়।

* জার্সি গাভী অপেক্ষাকৃত অল্প সময়ে বয়প্রাপ্ত হয় এবং অনেক বয়স পর্যন্ত দুধ প্রদানে সক্ষম।

* এ জাতের গাভী দৈনিক ১৫-২০ লিটার দুধ দেয় ।

* বাৎসরিক দুগ্ধ উৎপাদন ২,৭৫০ – ৪,০০০ লিটার

* এ জাতের গাভীর দুধে ফ্যাট/ননির (৬%) পরিমান বেশি থাকে।

* র্জাসি গাভীর সাধারনত ৩৬০-৫৪০ কেজি হয়ে থাকে।

#খামার বাড়ী


সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১৫-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১৫-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


চার দিনের সরকারি সফরে ঢাকায় এসেছেন পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট হোসে রামোস হোর্তা - বিমানবন্দরে লাল গালিচা সংবর্ধনা।


যথাযথ মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করলো জাতি-শহিদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা।


তরুণদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া রাষ্ট্র গঠনের দ্বিতীয় সুযোগ নোভাবেই নষ্ট না করার আহ্বান আইন উপদেষ্টার।


গুমের ঘটনায় শেখ হাসিনার সম্পৃক্ততা পেয়েছে তদন্ত কমিশন - র‌্যাব বিলুপ্ত করার সুপারিশ - প্রধান উপদেষ্টার কাছে কমিশনের প্রতিবেদন পেশ। 


কারো স্বাধীনতায় এক বিন্দুও হস্তক্ষেপ করবে না অন্তর্বর্তী সরকার - বললেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব। 


ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ ভালো সম্পর্ক চায় দুই পক্ষের স্বার্থের ভিত্তিতে - মন্তব্য পররাষ্ট্র উপদেষ্টার।


সিরিয়ার শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে আটটি আরব দেশের শীর্ষ  কূটনীতিকদের ঐকমত্য।


তৃতীয় ম্যাচে তিন উইকেটে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজ দুই-একে জিতে নিলো আফগানিস্তান।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেম কাহিনী __

 সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেম কাহিনী __


 পরিণত বয়সে সুনীল যাকে ভালবেসে ছিলেন তিনি ছিলেন একজন ফরাসী তরুণী। নাম মার্গারিট ম্যাথিউ । সাতাশ বছরের এই তরুণীর সঙ্গে সুনীলের সাক্ষাৎ হয়েছিল আমেরিকায়। সুনীল তথন মধ্য-পশ্চিম আমেরিকার আয়ওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্য বিভাগের ‘ক্রিয়েটিভ রাইটিং প্রোগ্রাম’-এ অংশ নিতে এক বছরের জন্য সেখানে গিয়েছিলেন। মার্গারিট ছিলেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই ফরাসী বিভাগের শিক্ষিকা। সুনীল আয়ওয়া যাওয়ার দু’বছর আগে থেকেই তিনি সেখানে শিক্ষকতা করছিলেন। -


মার্গারিটের আগ্রহ ছিল ভারতীয় পুরাণ ও সংস্কৃতিতে। অন্যদিকে সুনীলের গভীর অনুরাগ ছিল ফরাসী ভাষা ও সাহিত্যে। দু’জনে ছিলেন দু’জনার পরিপূরক। সুতরাং খুব দ্রুত তাদের মধ্যে অন্তরঙ্গতা হয়ে গিয়েছিল। ঘণ্টার পর ঘণ্টা, কথনো বা সারাদিন দু’জন একই ঘরে গল্প করেছেন, ড্রিঙ্ক করেছেন, খাবার ভাগাভাগি করে খেয়েছেন, এমন কী মাসিক খরচও শেয়ার করেছেন। দু’জন এতটাই অন্তরঙ্গ হয়ে উঠেছিলেন যে, কেউ কাউকে ছাড়া দীর্ঘ সময় থাকতে পারতেন না - 


সুনীল তার ‘ছবির দেশে, কবিতার দেশে’ শীর্ষক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থে তাদের সম্পর্ক ও ঘটনা প্রবাহের যে বর্ণনা দিয়েছেন, এতে এটুকু পরিষ্কার যে তাদের সম্পর্কটা শুধু বন্ধুত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। দু’জন দু’জনকে গভীরভাবে শুধু ভালই বাসেননি, প্রেমেও পড়েছিলেন। মার্গারিট তার ধর্মীয় সংস্কারের কারণে এবং সুনীল তার বাস্তব পরিস্থিতি ও দেশে ফেরার টানে প্রকাশ্যে এ প্রেমের কথা একে-অপরের কাছে স্বীকার করেননি। অবশ্য শেষের দিকে মার্গারিট অনেকখানি দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন, ভালবাসা ও ধর্মীয় বিশ্বাসের টানাপোড়নে ভেঙ্গে পড়েছিলেন। অন্যদিকে সুনীল নিজেকে সামলে নিতে পারলেও মার্গারিটের জন্য তার হাহাকারের কথা বহুবার স্বীকার করেছেন তার লেখায়। 


মার্গারিটের সঙ্গে সুনীলের বন্ধুত্বের সূত্রপাতটা ছিল বেশ মজার। একদিন সুনীল তার ‘ক্রিয়েটিভ রাইটিং প্রোগ্রাম’-এ অংশগ্রহণকারী বন্ধুদের নিমন্ত্রণ   করেছিলেন বাসায়। ওই দলে মার্গারিটও এসেছিলেন তার এক বান্ধবীর সঙ্গে। যাওয়ার সময় মার্গারিট তার একটি বই ফেলে রেখে যান সুনীলের বাসায়। পরের দিন বইটা নিতে যাওয়ার সময় মার্গারিট বলেন, তিনি শকুন্তলা উপাখ্যানটা বুঝতে চান। সুনীল যদি তাকে এটা বুঝিয়ে দেন, তাহলে তিনিও তাকে অনেক ফরাসী কবিতা পড়ে শোনাবেন। এ প্রস্তাবে সুনীল খুশী হয়েছিলেন। কিন্তু এরপর মার্গারিটের আর দেখা নেই। সুনীলও তাকে মনে মনে খুঁজছিলেন, কিন্তু লজ্জায় কাউকে সে কথা বলতে পারছিলেন না। পরে একদিন লাইব্রেরীতে দেখা হলে সুনীল তাকে বললেন, ‘কী ব্যাপার শকুন্তলার উপাখ্যান শুনতে তুমি আর এলে না?’ জবাবে মার্গারিট বলেন, ‘তুমি তো আমাকে ডাকোনি।…আমি নিজে থেকে তোমার বাড়িতে দু’বার গেছি। তারপরও কি আবার সেধে সেধে যাব ?’ মূলতঃ এ ঘটনার পর থেকেই দু’জনের বন্ধুতের শুরু। পরবর্তীকালে দু’জনের সম্পর্কটা যখন গাঢ় হয়, তখন মার্গারিট একদিন কথায় কথায় বলেন, বইটা তিনি সুনীলের বাসায় ইচ্ছে করেই ফেলে রেখে গিয়েছিলেন। যাতে তার সঙ্গে আরেকবার দেখা হয়। জবাবে সুনীলও বলেন, লাইব্রেরীতে মার্গারিটের সঙ্গে তার হঠাৎ দেখা হয়নি। তার দেখা পাওয়ার জন্য তিনিও কয়েকদিন ধরে লাইব্রেরীতে যাওয়া-আসা করছিলেন। সুনীল লিখেছেন, পুরনো এ ঘটনাটা নিয়ে পরে তারা দু’জনেই বেশ হাসাহাসি করেছেন। 


মার্গারিট ছিলেন গোঁড়া ক্যাথলিক পরিবারের মেয়ে। তার দুই বোন ছিল নান্ (সন্ন্যাসিনী)।  সুনীল লিখেছেন, মার্গারিটের বাড়িতে যাওয়ার কথা শুনে মার্গারিট তার হাত চেপে ধরে কাতর গলায় বলেছিল, “সুনীল, প্লীজ, তুমি আমাকে বিয়ে করতে চেও না।… তুমি চাইলে আমি না বলতে পারব না। কিন্তু আমার মা-বাবা এমন কষ্ট পাবেন, আমার অসুস্থ মা এমন আঘাত সহ্য করতে পারবেন না। না, না, তা আমি পারব না।


এর দুই-তিন বছর পর স্বাতীর প্রেমে বাঁধা পড়েন সুনীল। তবে স্বাতীকে সুনীল মার্গারিটের সব কথাই খুলে বলেছিলেন এবং একই সঙ্গে মার্গারিটকেও জানিয়েছিলেন স্বাতীর কথা। মার্গারিট মেনে নিয়েছিলেন সবকিছু। স্বাতীও মার্গারিটকে চিঠি লিখেছিলেন। মার্গারিট শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন সুনীল-স্বাতীর বিয়েতে।


সুনীলের বিয়ের কয়েক বছর পর মার্গারিটের জীবনে ঘটে এক দুঃখজনক ঘটনা। শ্বেতাঙ্গ মার্গারিটকে একদিন রাস্তা থেকে একটি মাইক্রোতে করে তুলে নিয়ে যায় কয়েকজন কৃষ্ণাঙ্গ দুর্বৃত্ত। তারপর তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। 


সুনীল লিখেছেন, “মার্গারিটের কাছ থেকে আমি অনেক দূরে সরে এসেছি। আমার বয়স বেড়েছে, কিন্তু তার বয়স একটুও বাড়েনি।… মার্গারিট বেঁচে থাকলে এতদিনে  তার সঙ্গে আমার কী রকম সম্পর্ক হতো, তা জানি না। তবে ফরাসী দেশের মাটিতে পা দিলেই আমি যেন শুনতে পাই তার যৌবনময় কণ্ঠস্বর। তার উচ্ছসিত হাসির শব্দ, তার চোখ দিয়েই এখনো অনেক কিছু দেখি।


   [ সংগৃহীত ]


সান্ধ্যকালীন শুভেচ্ছা 🌹

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...