এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪

চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ কোন ফাঁকে ফেলুদা, প্রফেসর শঙ্কুর অদ্বিতীয় স্রষ্টা হয়ে দাঁড়ালেন। নানা সাক্ষাৎকারে প্রাণ খুলে নিজের জীবনের অনেক কথা বলেছেন তার এক ঝলক ।

 পছন্দ করতেন অড়হর ডাল,সোনা মুগের ডাল। একসময় খুব মাংস খেতেন। মুরগি বেশ ভাল লাগত পরে গা সওয়া হয়ে গেল। মাছ বলতে পছন্দ শুধু ভাল ভেটকি আর রুই। সব্জি খেতে তেমন ইচ্ছে হত না অবশ্য কড়াইশুটি হলে আলাদা কথা। চায়ের সঙ্গে ওসব কেক - ফেক নয় হয় লঙ্কা মুড়ি না হলে চিঁড়ে ভাজা। সারাদিনে চার - পাঁচ কাপ চা লাগবে। ধোঁকার খুব বড় ভক্ত, কিন্তু খ্যাতির বিড়ম্বনায় জন্মদিনে ভক্তদের এড়াতে গৃহত্যাগ করে অজ্ঞাতবাস করতে হয়। তাই আক্ষেপ হোটেলে কে ধোঁকা নিয়ে যাবে! সত্যজিৎ রায়ের 'পথের পাঁচালী'র বিশ্বজয় মস্ত বড় ঘটনা। রবীন্দ্র পরবর্তী বাঙালির ইতিহাসে সে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। তারপর গঙ্গা দিয়ে কত জল বয়ে গেছে। জীবিতকালে নিজে হয়ে উঠেছিলেন কিংবদন্তি। চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ কোন ফাঁকে ফেলুদা, প্রফেসর শঙ্কুর অদ্বিতীয় স্রষ্টা হয়ে দাঁড়ালেন। নানা সাক্ষাৎকারে প্রাণ খুলে নিজের জীবনের অনেক কথা বলেছেন তার এক ঝলক ।

 


** লোকের মুখে এটা তো শুনি একমাত্র লোক আপনি যিনি ফোন এলে নিজে ধরেন,কেউ দেখা করতে এলে নিজেই এগিয়ে দরজা খুলে দেন।


উত্তর - না,সেটা করি। এবং এ ব্যাপারটায় পরিবর্তন ঘটানোর কোনও কারণ খুঁজে পাই নি। তাহলে আমাকে হঠাৎ উপলব্ধি করতে হয় যে আমি একটা কেউ কেটা হয়ে গেছি। কাজেই এবার থেকে আমি টেলিফোন ধরব না। কিন্তু এরকম উপলব্ধির জন্য চেষ্টা করার তো মানে হয় না।


** খ্যাতি এবং ব্যক্তি পুজোয় কেমন বোধ করেন?

উত্তর - একদিন প্রেসিডেন্সি কলেজের গায়ে বই কিনতে গিয়েছিলাম। ভিড় হয়ে গিয়েছিল। অসুবিধে আছে।


** ঋত্বিকের কাজ কেমন লাগে আপনার?

উত্তর - খুবই ভাল। ওঁর শরীর ভাল থাকত না। তাতেই যা করে গিয়েছেন - কি অসাধারণ। শরীর ভাল থাকলে আরও কত ভাল করতেন।


 ** মনের কথা বলতে রিলাক্স করতে কাকে খোঁজেন? বন্ধু নেই?

উত্তর - ছিল। ডেভিড ম্যাকাচিয়ন। মারা গেছেন। ২/৪ জন বন্ধু আছেন। তবে বেশিরভাগ আমার চেয়ে তরুণ বয়সী। নাম আর করলাম না। একবার প্রেসিডেন্সি কলেজের সহপাঠীরা একত্র হয়েছিলাম। সস্ত্রীক। স্ত্রীরা সবাই এক জায়গায় বসে। আমরা পুরুষেরা ছাত্রজীবনের কথা বলেই চলেছি। সে এক কাণ্ড। কলেজের সহপাঠীরা বুড়িয়ে গিয়েছেন।


** হ্যাঁ,আজ আমার শেষ প্রশ্ন,আজ পর্যন্ত পরপর অনেক ছবি করলেন, এখন যদি প্রশ্ন করা হয়, আপনার মতে কোনটা আপনার এক নম্বর ছবি, শ্রেষ্ঠ ছবি?

 উত্তর - বাবা, ও বাবা সে আমি বলতে পারব না। সে কি কথা? তবে প্রথম ছবি হয়ত চারুলতাই হবে।


** প্রথম বড় লেখা কি? গদ্যে?

উত্তর - বড় লেখা তো আমার বাদশাহী আংটি, ফেলুদার উপন্যাস। বা ব্যোমযাত্রীর ডায়েরি। প্রফেসার শঙ্কুর উপন্যাস।


** ফেলুদাকে আপনি কিভাবে পেলেন? এটা খুব ছেলেমানুষী প্রশ্ন নয়। যখন আপনি ফিল্মে ডুবে আছেন,ছবি করছেন,ছবি আঁকছেন, সেই সময় ফেলুদা কোথা থেকে এলেন?

উত্তর - ফেলুদাকে পেলাম মানে, ডিটেকটিভ গল্প আমি চিরকালই পড়ে আসছি। ছাত্রাবস্থায় আমি প্রচুর ডিটেকটিভ গল্প পড়েছি। শার্লক হোমস তো আছেই,তা ছাড়াও অন্য অনেক ডিটেকটিভ উপন্যাস,গল্প সব বিলিতি।


'উদয়ের পথে' সাফল্যের পরে জ্যোতির্ময় রায় তাঁর পরবর্তী ছবিতে সত্যজিৎ রায় কে আর্ট - ডিরেক্টর হতে বলেছিলেন। পরে শুভো ঠাকুর তাঁর আর্ট ডিরেক্টর হলেন। ওঁর সহকারী হয়ে এলেন বংশী চন্দ্রগুপ্ত, যিনি পরে সত্যজিৎ রায়ের আমৃত্যু ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও বন্ধু ছিলেন। সত্যজিৎ রায় তখন কলকাতায় মা জননী সুপ্রভা দেবীর এক চেনা ভদ্রলোক তাঁর নাম ললিত মিত্র,মানিকবাবুর কমার্শিয়াল আর্টে আগ্ৰহ শুনে বললেন তা হলে সোজা রাসময় রোডে দিলীপ গুপ্তের বাড়িতে যাও। সে এক অভিজ্ঞতা। বাড়িতে ছিল পেল্লাই সাইজের এক অ্যালসেশিয়ান কুকুর। ডি কে কথা বলতে এলেন। হঠাৎ আবিষ্কার করলেন তিনি সুকুমার রায়ের ছেলে। চোখ গুলো চকচকে হল, বললেন বিজ্ঞাপনের নমুনা সহ দেখা করতে। সত্যজিৎ রায় একটা পারফিউমের বিজ্ঞাপন তৈরি করলেন উনি মানিক বাবু কে নিয়ে গেলেন ডি জে কিমার কোম্পানির ম্যানেজার মিস্টার ব্রুসের কাছে। তিনি বললেন " তুমি যা মাইনে পাবে ইট উইল ব্রেক ইওর হার্ট , রাজি আছো তো?

বেতন ৬৫ টাকা ১৫ টাকা ডি এ। ' পথের পাঁচালী'র পরে যখন ওই চাকরি ছাড়েন তখন মাইনে দু'হাজার টাকা।


** বাংলা খবরের কাগজ পড়েন?

উত্তর - বিশেষ নয়।

** টিভিতে খেলা দেখেন?

উত্তর - খেলা দেখি। টেনিস দেখি, ফুটবল, টেবিল টেনিস। ও বিষয়ে আমার উৎসাহ আছে।

** আপনি যে লিখতে পারতেন, কোনও শিক্ষক আপনাকে উৎসাহ দেন নি?

উত্তর -- হ্যাঁ, ইংরিজি আমি ভাল লিখতাম সে কথা আমার ইংরিজির দু- তিনজন প্রফেসর বলেছেন। সোমনাথ মৈত্র,তারাপদ মুখার্জি, সুবোধ সেনগুপ্ত এঁরা সবাই বলেছেন। সুবোধ সেনগুপ্ত তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছেন এইরকম যে " সত্যজিৎ ছেলেটা খুব ভাল লিখত, বেশ লেখার অভ্যাস ছিল। তা পরে শুনলাম সে নাকি film করছে। আমি মাথা চাপড়ালাম। তখন কি আর জানি Film করে সে এত নাম করবে "?


পুস্তক ঋণ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার, সত্যজিৎ রায় সাক্ষাৎকার সমগ্ৰ , সম্পাদক সন্দীপ রায়, সহযোগী সম্পাদক সোমনাথ রায়

যদ্যপি আমার গুরু' বইটি পড়ার পর থেকে অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক স্যারের সম্পর্কে আরো জানার চেষ্টা করছি। তাঁর সম্পর্কে কিছু তথ্য:

 'যদ্যপি আমার গুরু' বইটি পড়ার পর থেকে অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক স্যারের সম্পর্কে আরো জানার চেষ্টা করছি। তাঁর সম্পর্কে কিছু তথ্য:


চিরকুমার, সদালাপী, নির্মোহ এ মানুষটির জীবনযাপনও ছিলো খুবই সাধাসিধে। খুব বই পড়তেন, জ্ঞানতৃষ্ণার্তরা তাঁর কাছে এলে তিনি খুবই উজ্জ্বীবিত বোধ করতেন। কয়েকটি প্রবন্ধ ও লিখিত ভাষন ব্যতীত তাঁর কোনও প্রকাশিত লেখাই নেই! তবে অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাকের সান্নিধ্যে যাঁরাই এসেছেন তারা প্রত্যেকেই অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক সম্পর্কে বলেছেন: “শিক্ষকের শিক্ষক।”


তাঁর সম্পর্কে প্রাজ্ঞ লেখক আহমদ ছফা "যদ্যপি আমার গুরু" নামে তথ্যপূর্ণ একটি বই প্রকাশ করেন। 

"যদ্যপি আমার গুরু" বইতে আহমদ ছফা আর একটি মজার ব্যাপার উল্লেখ করেন। আহমদ ছফা তার পিএইচডির সুপারভাইজর হিসেবে অধ্যাপক রাজ্জাককে বেছে নেন। তিনি অধ্যাপক রাজ্জাকের কাছে যখনই কোন বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য যেতেন, রাজ্জাক স্যার ছফাকে একটা না একটা বই ধরিয়ে দিতেন। একের পর এক বই পড়তে পড়তে ১৪ বছর কেটে যায়, কিন্তু ছফার পিএইচডিও আর শেষ হয় না। 


জ্ঞানতাপস সরদার ফজলুল করিম ও অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ ওনার জ্ঞানের সান্নিধ্য পেয়েছিলেন, তথ্যপূর্ণ সাক্ষাৎকার ও নিয়েছিলেন। 


তিনি ছিলেন অনেকটা সক্রেটিসের মত। হাঁটতে , চলতে জ্ঞান বিলিয়ে বেড়াতেন। নিজে কিছু লিখেননি, শিষ্যরা তাঁর হয়ে লিখেছেন। ১৯৭৫ সালে তৎকালীন সরকার আবদুর রাজ্জাককে জাতীয় অধ্যাপক পদে অধিষ্ঠিত করে।


আমার ভালোলাগা তাঁর কিছু উক্তি নিম্নরূপ:


" যখন কোনো নতুন জায়গায় যাইবেন,দুইটা বিষয় পয়লা জানার চেষ্টা করবেন।ওই জায়গার মানুষ কী খায়।আর পড়ালেখা কী করে।কাঁচা বাজারে যাইবেন,কী খায় এইড়া দেখনের লাইগ্যা।আর বইয়ের দোকানে যাইবেন পড়াশোনা কী করে হেইডা জাননের লাইগ্যা।"


"বইয়ের দোকান পরখ করলেই বেবাক সমাজটা কোনদিকে যাইতাছে,হেইডা টের পাওন যায়।"


"একটা জাতির রাজনীতি হচ্ছে, সমাজের মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণীর অবস্থান ও ক্ষমতা নির্ধারণের সংগ্রাম।"


"আপনে যখন মনে করলেন,কোনো বই পইড়্যা ফেলাইলেন,নিজেরে জিগাইবেন যে -বইটা পড়ছেন,নিজের ভাষায় বইটা আবার লিখতে পারবেন কিনা।আপনের ভাষার জোর লেখকের মতো শক্তিশালী না অইতে পারে,আপনের শব্দভাণ্ডার সামান্য অইতে পারে,তথাপি যদি মনে মনে আসল জিনিসটা রিপ্রোডিউস না করবার পারেন,ধইর‍্যা নিবেন,আপনের পড়া অয়নাই।"


"প্রগতিশীল রাজনীতি হচ্ছে সেই রাজনীতি, যা ক্ষমতার ভিতকে বিস্তারিত হতে (অর্থাৎ গণমানুষের মধ্যে যেতে) সাহায্য করে।"


"বাংলা ভাষাটা বাঁচাইয়া রাখছে চাষাভুষা, মুটেমজুর। এরা কথা কয় দেইখ্যাই ত কবি কবিতা লিখতে পারে। সংস্কৃত কিংবা ল্যাটিন ভাষায় কেউ কথা কয় না, হের লাইগ্যা অখন সংস্কৃত কিংবা ল্যাটিন ভাষায় সাহিত্য লেখা অয় না মাতৃভাষা ছাড়া কোনো জাতি বা কারো উন্নতি করা সম্ভব নয়।"


"শিক্ষা একটি যান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়। শুধু তত্ত্ব-উপাত্ত দিয়ে শিক্ষার্থীর মনের ভার বাড়ানোকে শিক্ষা বলা যায় না। শিক্ষার কাজ হচ্ছে এমন এক প্রক্রিয়ার সূচনা করা যার মাধ্যমে প্রত্যেক মানুষের মনে যে চোখ আছে তাকে জ্ঞানের অনির্বাণ আলোর দিকে ফেরানো যায়।"


#অধ্যাপক #আবদুর #রাজ্জাক 


#alakcb

রাজার বিয়ে বিএমআর প্লাবন

 রাজার বিয়ে

বিএমআর প্লাবন


সাত বিয়ের পর আবারও বিয়ে

করতে চেয়েছে রাজা

সারিবদ্ধ হয়ে নারীদের দল

শুরু করেছে সাজা।


এক নারীতে মন টেকে না

দুদিনের বেশি হায়

মাসে মাসে রাজা মশাই

বিবাহ করেন তাই।


হোক না তার বয়স বেশি

হোক না সে লম্পট

শালীনতা দিয়ে হবেটা কি

রাজার তো আছে কাড়িকাড়ি টাকার দাপট।


ধন রত্নে থাকবে মোড়া

জীবন হবে আরামের

বুড়ো রাজা দুদিন করলে ভোগ

কি ক্ষতি রানীর আয়েশের!


লক্ষি ছেলে ভদ্র ছেলে

লাগবে না গো বাপু আজ

টাকা না থাকলে ভদ্রতা কি

দিতে পারবে মাথার তাজ?


টাকার জোরে বুড়ো রাজা

পায় সুন্দরী যুবতী রমনী

তরুণ যুবকের দুঃখে আজ

কাঁদে শুধুই ধরণী।


এক মাস পর রাজা যখন

আবার খোজে নতুন রাণী

তখন তোমার চোখ খোলে নারী

পুরুষ চরীত্রহীন, এমন হয় তোমার বাণী।


আয়েশের লোভে পরলে

 যে তাজ নিজ ইচ্ছায়

আজ তবে কেন দোষী হলো পুরুষ

পা তো তুমি জেনে বুঝে মচকেছ কাদায়।


যে চোখে তোমার স্বপ্ন

শুধুই ধনরত্নের

আজ রাজার ঘরে আয়েশ করো

খোভ কেন আজ যত্নের?

মিডিয়া ব্যক্তিত্ব শৈলকুপার কৃতি সন্তান সামিয়া জামান। 

 মিডিয়া ব্যক্তিত্ব শৈলকুপার কৃতি সন্তান সামিয়া জামান। সামিয়া জামান, সংবাদ পাঠিকা হিসেবে এদেশের মানুষের কাছে যার ব্যাপক পরিচিতি। পাশাপাশি তিনি একজন অনুষ্ঠান উপস্থাপিকা ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। তবে তার আসল পরিচয় তিনি একজন চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এই গুণী মানুষটি পৈত্রিক সূত্রে শৈলকুপার কৃতি সন্তান। ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার ধাওড়া গ্রাম তার পৈত্রিক বাড়ী। পিতার চাকরি সূত্রে ১৯৬৬ সালের ১৭ অক্টোবর ইংল্যান্ডের বার্মিংহামে তাঁর জন্ম। পিতা অধ্যাপক মোঃ মসিউজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষক, বিসিএসআইআর এর সাবেক চেয়ারম্যান এবং হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য। মাতা নাজিয়া বেগম একজন গৃহিণী। 


শিক্ষাজীবন:

শিক্ষাজীবন শুরু হয়  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরী স্কুলে। তিনি এখান থেকে এসএসসি পাশ করেন। ইন্টারমিডিয়ের পাশ করেন ঢাকার বদরুন্নেসা সরকারী মহিলা কলেজ হতে। অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন ইংল্যান্ডের School of Oriental and African Studies (SOAS) বিশ্ববিদ্যালয় হতে। জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় তিনি প্রথম বিভাগ অর্জন করে কৃতিত্বের সাক্ষর রাখেন।


পেশাগত জীবন:

 ইংল্যান্ডের বিবিসি (British Broadcasting Corporation) টেলিভিশনের ফ্লিম এডিটর পদে যোগদানের মধ্য দিয়ে চাকরি জীবন শুরু করেন। এরপর তিনি বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস রেডিওতে বাংলা বিভাগের প্রযোজক হিসেবে নিয়োগ পান। ১৯৯৯ সালে তিনি দেশে ফিরে পূর্ব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দেশের জনপ্রিয় চ্যানেল একুশে টেলিভিশনের নিউজ প্রডিউসার এন্ড ব্রডকাস্টার হিসেবে যোগদান করেন এবং পরবর্তীতে সংবাদ উপস্থাপিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ২০০১ সালের নভেম্বর পর্যন্ত সেখানে চাকরি করেন। ২০০১ সালে ছুটি নিয়ে তিনি কেনিয়া যান। পরবর্তিতে তিনি দেশে ফিরে তিনি এনটিভিতে  যোগদান করেন। ২০১২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৭১ টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বরত।


চলচ্চিত্র প্রযোজনা:

ছোট বেলা থেকেই সিনেমার পেছনে ছুটেছেন সামিয়া জামান। ৮০ এর দশকে শর্ট ফ্লিম আন্দোলনের সাথে যুক্ত হন তিনি। ১৯৮৪ সালে এর উপর বিভিন্ন কোর্স করেন। এরপর থেকেই চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রতি আকৃষ্ট হন। ইংল্যান্ডে সরকারী চাকরির পাশাপাশি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্লিম এর উপর পড়াশোনা করেন। 


ছাত্রীজীবনেই তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণের সাথে যুক্ত হন। ১৯৮৬ সালে চলচ্চিত্র পরিচালক মোর্সেদুল ইসলামের সাথে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান তিনি। দীর্ঘ ২০ বছর পর ২০০৬ সালে সামিয়া জামান পরিচালিত ও এনটিভি প্রযোজিত প্রথম চলচ্চিত্র 'রানী কুঠির বাকী ইতিহাস' মুক্তি পায়। এটি একটি মনোস্তাত্ত্বিক ছবি ছিল। ফেরদৌস ও পপির মত মূল ধারার নায়ক নায়িকাকে নিয়ে কাজ করেছেন তিনি। গানগুলিও ছিল অত্যন্ত জনপ্রিয়। সবকিছুর সমন্বয়ে ব্যাপক দর্শক জনপ্রিয়তা অর্জন করে ছবিটি, সেই সাথে সামিয়া জামানও দেশের মানুষের কাছে চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে নতুনভাবে পরিচিতি পান।  


তিনি গড়ে তোলেন নিজেস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ভার্সা মিডিয়া। এর মাধ্যমে নতুন একটি চলচ্চিত্র ‘আকাশ কত দূরে’ নির্মাণ করেন। ছবিটি মূলত বাচ্চাদের নিয়ে। এখানে ৩০/৪০টি শিশু অভিনয় করেছে। ২০০৯ সালে ছবিটি সরকারী অনুদান পেয়েছে। 


টিভি অনুষ্ঠান প্রযোজনা ও উপস্থাপনা:

নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ভার্ষা মিডিয়া হতে এ পর্যন্ত ২৫/৩০টি নাটক তৈরী করেছেন যা বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছে। এছাড়াও এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বেশকিছু টক শো প্রযোজনা ও উস্থাপনা করেন সামিয়া জামান। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে চ্যানেল আই এ 'চলতি হাওয়া', একুশে টিভিতে '২১এর সময়', আরটিভিতে 'একটেল প্রতিদিন', বাংলা ভিশনে 'রোড টু ডেমক্রেসি' ইত্যাদি। ভার্সা মিডিয়াতে নাটক ও টক শো এর পাশাপাশি বিভিন্ন ডকুমেন্টরীও তৈরী করেছেন তিনি।  এ সকল কাজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ২০১২ সালে ৭১ টিভিতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পান তিনি। 


সম্মাননা:

১৯৭৯ সালে জাতীয় শিশু বিতর্ক প্রতিযোগিতায় জিয়াউর রহমান এর হাত থেকে পদক পেয়েছেন সামিয়া জামান। এটি তার জীবনের অন্যতম একটি স্মরণীয় ঘটনা। শৈলকুপার কৃতি এই মানুষটিকে শৈলকুপা পরিক্রমার পক্ষ থেকে নিরন্তর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। কৃতজ্ঞতা: যশোর ইনফো।

মধু আহরণকারী মৌমাছির কথা তো আমরা সকলেই জানি, কিন্তু মধু আহরণকারী পিঁপড়ার কথা আমরা খুব কম মানুষই জানি.!

 👁️👁️

মধু আহরণকারী মৌমাছির কথা তো আমরা সকলেই জানি, কিন্তু মধু আহরণকারী পিঁপড়ার কথা আমরা খুব কম মানুষই জানি.!


 Camponotus inflatus যা Honeypot ants নামে পরিচিত, অস্ট্রেলিয়ার মরুভূমিতে বসবাস করে.। বিভিন্ন প্রজাতির পিঁপড়াদের মধ্যে বসবাসকারী Honeypot বা মধুপাত্র পিঁপড়া হলো বিশেষ কর্মী যারা খাদ্যের অভাব হলে তাদের নিজ উপনিবেশের জন্য জীবন্ত খাদ্য সঞ্চয়স্থান হিসেবে কাজ করে.। পিঁপড়া কর্মীদের একটি দল বিভিন্ন গাছপালা, ফুল হতে নেকটার সংগ্রহ করে এবং মধু পিঁপড়াদের খাওয়াতে থাকে। ততক্ষণ পর্যন্ত খাওয়াতে থাকে যতক্ষণ না পর্যন্ত মধু পিঁপড়াদের পেট ফুলে উঠে ফেঁটে যাওয়ার উপক্রম হয়.। মধুপাত্র পিঁপড়াদের পেট ফুলে উঠে ছোট আঙুরের আকার ধারণ করে এবং এর পেটের ভিতরে 'অ্যাম্বার' নামক তরল ছড়িয়ে পড়ে.। মধুপাত্র পিঁপড়াদের পেটে সঞ্চিত যেকোনো খাদ্য মধুতে পরিণত হয়ে থাকে.। মধুপাত্র পিঁপড়ার পেট বড়সড় হয়ে যাওয়ায় তারা নড়াচড়া করতে অক্ষম হয়ে পড়ে, তাই তারা তাদের আবাসস্থলের ছাদ থেকে ঝুলে থাকে.।


পিঁপড়াদের উপনিবেশ কোনো প্রতিকূল পরিবেশে খাদ্য সংকটের সম্মুখীন হলে মধুপাত্র পিঁপড়াদের কাছ হতে মধু সংগ্রহ করে থাকে.। মধু পিঁপড়াগুলো এতটাই মূল্যবান যে অন্যান্য পিঁপড়া উপনিবেশগুলোও মাঝে মাঝে তাদের আক্রমণ করে এবং চুরি করে নিয়ে আসে.। 


মৌমাছি এবং মধুপাত্র পিঁপড়ার মধু বাহ্যিক দৃষ্টিতে এক মনে হলেও এদের মধ্যে পার্থক্য আছে.। মধুপাত্র পিঁপড়ার মধুর ঘনত্ব মৌমাছির মধুর চেয়ে কম.। এছাড়া আমরা যেরকম মিষ্টি মধু খেয়ে অভ্যস্ত মধুপাত্র পিঁপড়ার মধু সেরকম মিষ্টি নয়.। এমনকি এই মধুতে হালকা টক স্বাদ পাওয়া যায়.। 


এই দুই ধরনের মধুর মধ্যে আরেকটি উল্লেখযোগ্য পার্থক্য হল যে, পিঁপড়ার মধুতে ফ্রুক্টোজের তুলনায় গ্লুকোজ বেশি পরিমাণে উপস্থিত থাকে, যেখানে মৌমাছির মধুর ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ বিপরীত.। তবে উভয় ধরনের মধুতেই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি.। 


Honeypot ants এর মধু কিন্তু বিভিন্ন দেশের মানুষও খেয়ে থাকে.।

চার্লি চ্যাপলিন -------- পৃথিবীর সেরা সফল মানুষের ব্যর্থতার গল্প -------

 চার্লি চ্যাপলিন --------

পৃথিবীর সেরা সফল মানুষের ব্যর্থতার গল্প -------

১৮৮৯ সালে জন্ম নেয়া বিশ্ব বিখ্যাত অভিনেতা ও পরিচালক চার্লি চ্যাপলিনকে তো সবাই চেনে।  সিনেমার শুরুর সময় থেকে আজ পর্যন্ত সব সিনেমা পাগল তাঁকে ভালোবাসে ও শ্রদ্ধা করে। পৃথিবীর সফলতম অভিনেতা ও পরিচালকদের একজন তিনি।  কমেডির রাজা বলা হয় তাঁকে। এসব কথাও সবাই জানে। তাহলে চলুন আজ জেনে নেয়া যাক এমন কিছু কথা যা সবাই জানে না।


চ্যাপলিনের বাবা ছিলেন একজন পাঁড় মাতাল।  কোনও কাজ করতেন না,দিন-রাত মদ খেয়ে পড়ে থাকতেন। চ্যাপলিনের ২ বছর বয়সে তাঁর বাবা বাড়ি ছেড়ে চলে যান। মা নামেমাত্র একটি কাজ করতেন যাতে সংসারের খরচ কোনওভাবেই মিটতো না।


৭ বছর বয়সে চার্লি "ওয়ার্কহাউজ" এ যেতে বাধ্য হন।  সেই সময়ে বৃটেনে গরিবদের জন্য একটি ব্যবস্থা চালু ছিল,যেখানে পরিশ্রমের বিনিময়ে খাবার ও শোয়ার জায়গা দেয়া হত।


কিছুদিন পর আবার চার্লি সেখান থেকে ফিরে আসেন এবং আবার তাঁর ৯ বছর বয়সে তাঁর মা পাগল হয়ে যান,এবং তাকে মানসিক হাসপাতালে যেতে হয়।  মায়ের মানসিক হাসপাতালে যাওয়ার কারণে চ্যাপলিনকে আবারও ওয়ার্কহাউজে ফিরে যেতে হয়।  কিছুদিন পর তাঁর বাবা লিভার নষ্ট হয়ে মারা যান।


এরপর তাঁর মায়ের পাগলামি এতই বেড়ে যায় যে তাকে সব সময়ের জন্য পাগলা গারদে বন্দী করে রাখার প্রয়োজন পড়ে। চ্যাপলিন ও তাঁর ভাই সিডনি একদম পথে বসে পড়েন। দিনের পর দিন না খেয়ে রাস্তায় ঘুরে কাটান।


এভাবে চলতে চলতেই এক সময়ে তিনি মঞ্চে কাজ নেন। বিভিন্ন মঞ্চ নাটকে অভিনয় করতে করতে নিজের কমেডি প্রতিভাকে শক্তিশালী করেন। পরে হলিউডে পাড়ি জমিয়ে সর্বকালের সেরা নির্বাক অভিনেতা হয়ে ওঠেন।।


শেষ কথা -------

প্রতিটি মানুষের জীবনেই ব্যর্থতা আসে। কোনও বড় স্বপ্নই একবারে পূরণ হয় না। এটা জীবনেরই একটা অংশ। পৃথিবীতে অসাধারণ সাফল্য সেইসব মানুষই অর্জন করতে পারেন,যাঁরা বার বার ব্যর্থ হয়েও চেষ্টা করে যান।


একবার ব্যর্থ হলে সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে তাঁরা আবার শুরু করেন। তারপর আবার ভুল করেন,

আবার শিক্ষা নিয়ে কাজ শুরু করেন। এভাবে শত শত বা হাজার হাজার বার ব্যর্থ হতে হতে একটা সময়ে গিয়ে তাঁরা সফল হন। বদলে দেন পৃথিবীর ইতিহাস।


আজ সফল মানুষের ব্যর্থতার গল্প বলার উদ্দেশ্য হল আপনাকে ব্যর্থতার পর উঠে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা দেয়া। সবার মধ্যেই শুধু প্রয়োজন ব্যর্থতা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে আবার চেষ্টা করার মানসিকতা। 


-------- সংগৃহীত

সত্যজিৎ রায় নিজের শোওয়ার ঘরের সামনের বারান্দায় বসিয়ে তাঁর ছবি তুললেন। পরে সেই ছবি ' সিনে অ্যাডভ্যান্স' পত্রিকায় বড় করে বের হল।

 সত্যজিৎ রায় নিজের শোওয়ার ঘরের সামনের বারান্দায় বসিয়ে তাঁর ছবি তুললেন। পরে সেই ছবি ' সিনে অ্যাডভ্যান্স' পত্রিকায় বড় করে বের হল।

অপুর সংসারে ' অপর্ণা কে হবেন! কেউ বোধহয় রিঙ্কুর কথা বলেছিলেন! মানিকবাবুদের সাথে তাঁর বাবা- মায়ের আগেই পরিচয় আছে। টিঙ্কু ' কাবুলিওয়ালা ' ছবিতে অভিনয় করেছেন। নিশ্চয়ই এই মেয়ের ক্ষেত্রে ইরা- গীতিন্দ্রনাথ আপত্তি করবেন না!' কাবুলিওয়ালা'র টিঙ্কুর বড় বোন রিঙ্কুকে নিয়ে মানিকবাবুর বাড়িতে এসেছেন গীতীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও তাঁর সহধর্মিণী। ওদিকে বিজয়া রায় গ্ৰামের মেয়ে ' অপর্ণা' চরিত্রের জন্য বেছে নেওয়া কন্যাটিকে দেখে একটু হলেও হতাশ। কিশোরী ফ্রক পরা ফুটফুটে মেয়ে, ঘাড় পর্যন্ত ঘন কোঁকড়ানো চুলের রাশি, সবথেকে বড় চেহারার মধ্যে শহুরে ছাপ। এহেন কন্যা কিভাবে ' অপর্ণা ' হবে!


 মানিক বাবু বিজয়া রায় কে বললেন -ওকে বেডরুমে নিয়ে যাও। খুব টেনে চুলটা বেঁধে ঘাড়ের উপর একটা খোঁপা করে দেবে। বাংলা ফ্যাশনে শাড়ি পরিয়ে কপালে একটা সিঁদুরের টিপ দিয়ে ঘোমটা টেনে ওকে সাজিয়ে নিয়ে এসো। সবটাই সত্যজিৎ রায়ের নির্দেশ মত হল ,শুধু বাড়তি হিসেবে বিজয়া রায় তাঁর আইব্রাউ পেনসিল দিয়ে চোখের তলায় একটু কাজলের মত লাগিয়ে দিলেন। পোশাক পরিবর্তনের পর শহরের রিঙ্কু গাঁয়ের অপরূপা অপর্ণা । অপূর্ব দুটো চোখ, ঠোঁটের কোণে একটু মিষ্টি হাসি, সঙ্গে হাসলে দুগালে টোল পড়ে।

বিজয়া রায় নিজেও অভিভূত কিন্তু মৌন। জায়ার দিকে তাকিয়ে মানিকবাবু মৌন থেকে যেন জোরেই বললেন - কেমন বলেছিলাম না ,মিলে গেল।

সেদিন সব চুড়ান্ত হল, সত্যজিৎ ,রিঙ্কুর মতামত নিলেন, শুধু একবার বললেন কী তোমার নিজের কোন ও আপত্তি নেই তো? আমরা কোনওরকম জোর করব না।

 'অপুর সংসার  'দেবী', ' আরাধনা ', ' অমর প্রেম', ' নায়ক ', সহ অনেক সফল ছবিতে তাঁর অবিস্মরণীয় উপস্থিতি। চোদ্দ বছর বয়স থেকেই শর্মিলা ছায়াছবির নায়িকা। যদিও পিতৃদেব গীতীন্দ্রনাথ চাননি মেয়ে পাকাপাকি ভাবে অভিনয় জগত বেছে নিন,শর্মিলাও চেয়েছিলেন লেখাপড়া করবেন। সেই লক্ষ্যে ভর্তি হয়েছিলেন লোরেটো কলেজে ইতিহাসে অনার্স নিয়ে। নৃত্যশিল্পী অথবা চিত্রশিল্পী হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। গগনেন্দ্রনাথের প্রপৌত্রী ছবি আঁকার স্বপ্ন স্বাভাবিক,নাচ শিখেছেন একেবারেই ছোট থেকে। 


শর্মিলার ছোট বোন ঐন্দ্রিলা ( টিঙ্কু) পাঁচ বছর বয়সে তপন সিংহের 'কাবুলিওয়ালা' ছায়াছবিতে অভিনয় করে সবার হৃদয় জিতে নিয়েছিলেন। কয়েকবছর পরে যখন সত্যজিৎ রায় 'অপুর সংসারের ' জন্য নতুন মুখ খুঁজছেন বাড়ির সবাই শর্মিলা কে খ্যাপায় সে কি আবেদন করবে। অবশ্য এর আগে সত্যজিৎ রায় নিজেই ফোন করেছিলেন শর্মিলার পিতার কাছে। আক্ষরিক অর্থেই অভিনেত্রী হওয়ার সব গুণ শর্মিলার মধ্যে ছিল। কথা বলা দুটো অসাধারণ চোখ,সরল নিস্পাপ চাওনি,গালের দুটো টোল,মনের ভাব ফুটিয়ে তোলার দূর্লভ ক্ষমতা সবই শর্মিলাকে নায়িকা হিসেবে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছিল। অপুর সংসার কিংবা দেবীর সাথে কাশ্মীর কি কলি অথবা অ্যান ইভনিং ইন প্যারিস দুই ধরনের ছবিতেই শর্মিলা নিজেকে অপরিহার্য হিসেবে প্রমাণ করেছেন। অনেকেই বলেন শর্মিলাদের তিন বোন মায়ের ধারা বহন করেছেন। তাদের 'মা' ইরা কলেজে খুব সুন্দর অভিনয় করতেন। ইরা ১৯৪৩ সালে ইংরেজি সাহিত্যে এম এ করেন। গীতীন্দ্রনাথের সাথে প্রেম,পরিণয় এমন একটা সময়ে। রবীন্দ্রনাথ অত্যন্ত স্নেহ করতেন ইরাকে । তবে ইরার প্রতিভা সেভাবে ফুটে ওঠার সুযোগ না পেলেও তিন মেয়ে পেয়েছেন সেই ধারা। শৈশবেই টিঙ্কু ঠাকুর তপন সিংহের আবিষ্কার, কৈশোর পেরোবার আগে শর্মিলা সত্যজিৎ রায়ের আবিষ্কার। ইরার ছোট মেয়ে রোমিলা হতে পারতেন অপর্ণা সেনের আবিষ্কার, কেননা তাঁর ইচ্ছা ছিল '৩৬, চৌরঙ্গী লেন' এ জেনিফারের ছাত্রীর ভূমিকায় রোমিলা কে নেবেন, কিন্তু মডেলিং জগতে পা রাখলেও অভিনয় রোমিলাকে টানেনি।


আর রোমিলার দিদি শর্মিলা বিয়ে করেছেন পতৌদির নবাবকে,গৃহজীবন ও কর্মজীবনে চমৎকার ভারসাম্য রক্ষা করেছেন,যেমন তাঁর উজ্জ্বল উপস্থিতি ' ছায়াসূর্য', ' অরণ্যের দিনরাত্রি ', ' নির্জন সৈকতে ', মত ছবিতে।

ঐন্দ্রিলা বা টিঙ্কু ঠাকুর আর অভিনয়ে ফেরেন নি। কিন্তু তাঁর দিদি রিঙ্কু আজও অভিনয়ের ব্যপ্তিতে অনন্য।  ' আরাধনা 'র 'মা' 'নায়কের' সাংবাদিক, মৌসমের নায়িকার সঙ্গে অমর প্রেমে'র নায়িকা।  সব চরিত্রগুলো  শর্মিলা ঠাকুর অসাধারণ অভিনয় দক্ষতায় বিশ্বসযোগ্য করতে পেরেছেন। ঐন্দ্রিলা অসাধারণ অভিনয় করে শিশুশিল্পী হিসেবে তিনি স্মরণীয় হয়ে আছেন,পরে খেলার জগতে তাঁকে মাঝে মাঝে পাওয়া গিয়েছে,ব্রিজ খেলায় অসমান্য দক্ষতা দেখিয়েছেন। তাস খেলার উপর লিখেছেন, অকালে না চলে গেলে হয়ত আরও লিখতেন। অবশ্য তাঁর দিদি শর্মিলা আজও অভিনয়ের ব্যপ্তিতে অনন্য। যিনি ' আরাধনা 'র 'মা' 'নায়কের' সাংবাদিক, মৌসমের নায়িকার সঙ্গে অমর প্রেমে'র নায়িকা । সব চরিত্রগুলো অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর বিশ্বাসযোগ্য করতে পেরেছেন।১৯৬৭ সালে শক্তি সামন্তের ‘অ্যান ইভিনিং ইন প্যারিস’ সিনেমায় শর্মিলার সাহসী ছবি  রীতিমত আলোড়ন ফেলে দেয় সারা দেশে। র়ক্ষণশীল মানসিকতার অনেকেই সাহসী সে ছবি দেখে সমালোচনা করেছেন , কিন্তু  লাস্য ভঙ্গিমায় শর্মিলার অভিনয় বিপুলভাবে প্রশংসিত হয়। সেই বছরেই ‘ফিল্মফেয়ার ম্যাগাজিনে’র প্রচ্ছদেও এই বেশে তাঁকে দেখা যায়।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেম কাহিনী ..........

 সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেম কাহিনী ...........✍️


 পরিণত বয়সে সুনীল যাকে ভালবেসে ছিলেন তিনি ছিলেন একজন ফরাসী তরুণী। নাম মার্গারিট ম্যাথিউ । সাতাশ বছরের এই তরুণীর সঙ্গে সুনীলের সাক্ষাৎ হয়েছিল আমেরিকায়। সুনীল তথন মধ্য-পশ্চিম আমেরিকার আয়ওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্য বিভাগের ‘ক্রিয়েটিভ রাইটিং প্রোগ্রাম’-এ অংশ নিতে এক বছরের জন্য সেখানে গিয়েছিলেন। মার্গারিট ছিলেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই ফরাসী বিভাগের শিক্ষিকা। সুনীল আয়ওয়া যাওয়ার দু’বছর আগে থেকেই তিনি সেখানে শিক্ষকতা করছিলেন। -


মার্গারিটের আগ্রহ ছিল ভারতীয় পুরাণ ও সংস্কৃতিতে। অন্যদিকে সুনীলের গভীর অনুরাগ ছিল ফরাসী ভাষা ও সাহিত্যে। দু’জনে ছিলেন দু’জনার পরিপূরক। সুতরাং খুব দ্রুত তাদের মধ্যে অন্তরঙ্গতা হয়ে গিয়েছিল। ঘণ্টার পর ঘণ্টা, কথনো বা সারাদিন দু’জন একই ঘরে গল্প করেছেন, ড্রিঙ্ক করেছেন, খাবার ভাগাভাগি করে খেয়েছেন, এমন কী মাসিক খরচও শেয়ার করেছেন। দু’জন এতটাই অন্তরঙ্গ হয়ে উঠেছিলেন যে, কেউ কাউকে ছাড়া দীর্ঘ সময় থাকতে পারতেন না - 


সুনীল তার ‘ছবির দেশে, কবিতার দেশে’ শীর্ষক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থে তাদের সম্পর্ক ও ঘটনা প্রবাহের যে বর্ণনা দিয়েছেন, এতে এটুকু পরিষ্কার যে তাদের সম্পর্কটা শুধু বন্ধুত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। দু’জন দু’জনকে গভীরভাবে শুধু ভালই বাসেননি, প্রেমেও পড়েছিলেন। মার্গারিট তার ধর্মীয় সংস্কারের কারণে এবং সুনীল তার বাস্তব পরিস্থিতি ও দেশে ফেরার টানে প্রকাশ্যে এ প্রেমের কথা একে-অপরের কাছে স্বীকার করেননি। অবশ্য শেষের দিকে মার্গারিট অনেকখানি দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন, ভালবাসা ও ধর্মীয় বিশ্বাসের টানাপোড়নে ভেঙ্গে পড়েছিলেন। অন্যদিকে সুনীল নিজেকে সামলে নিতে পারলেও মার্গারিটের জন্য তার হাহাকারের কথা বহুবার স্বীকার করেছেন তার লেখায়। 


মার্গারিটের সঙ্গে সুনীলের বন্ধুত্বের সূত্রপাতটা ছিল বেশ মজার। একদিন সুনীল তার ‘ক্রিয়েটিভ রাইটিং প্রোগ্রাম’-এ অংশগ্রহণকারী বন্ধুদের নিমন্ত্রণ   করেছিলেন বাসায়। ওই দলে মার্গারিটও এসেছিলেন তার এক বান্ধবীর সঙ্গে। যাওয়ার সময় মার্গারিট তার একটি বই ফেলে রেখে যান সুনীলের বাসায়। পরের দিন বইটা নিতে যাওয়ার সময় মার্গারিট বলেন, তিনি শকুন্তলা উপাখ্যানটা বুঝতে চান। সুনীল যদি তাকে এটা বুঝিয়ে দেন, তাহলে তিনিও তাকে অনেক ফরাসী কবিতা পড়ে শোনাবেন। এ প্রস্তাবে সুনীল খুশী হয়েছিলেন। কিন্তু এরপর মার্গারিটের আর দেখা নেই। সুনীলও তাকে মনে মনে খুঁজছিলেন, কিন্তু লজ্জায় কাউকে সে কথা বলতে পারছিলেন না। পরে একদিন লাইব্রেরীতে দেখা হলে সুনীল তাকে বললেন, ‘কী ব্যাপার শকুন্তলার উপাখ্যান শুনতে তুমি আর এলে না?’ জবাবে মার্গারিট বলেন, ‘তুমি তো আমাকে ডাকোনি।…আমি নিজে থেকে তোমার বাড়িতে দু’বার গেছি। তারপরও কি আবার সেধে সেধে যাব ?’ মূলতঃ এ ঘটনার পর থেকেই দু’জনের বন্ধুতের শুরু। পরবর্তীকালে দু’জনের সম্পর্কটা যখন গাঢ় হয়, তখন মার্গারিট একদিন কথায় কথায় বলেন, বইটা তিনি সুনীলের বাসায় ইচ্ছে করেই ফেলে রেখে গিয়েছিলেন। যাতে তার সঙ্গে আরেকবার দেখা হয়। জবাবে সুনীলও বলেন, লাইব্রেরীতে মার্গারিটের সঙ্গে তার হঠাৎ দেখা হয়নি। তার দেখা পাওয়ার জন্য তিনিও কয়েকদিন ধরে লাইব্রেরীতে যাওয়া-আসা করছিলেন। সুনীল লিখেছেন, পুরনো এ ঘটনাটা নিয়ে পরে তারা দু’জনেই বেশ হাসাহাসি করেছেন। 


মার্গারিট ছিলেন গোঁড়া ক্যাথলিক পরিবারের মেয়ে। তার দুই বোন ছিল নান্ (সন্ন্যাসিনী)।  সুনীল লিখেছেন, মার্গারিটের বাড়িতে যাওয়ার কথা শুনে মার্গারিট তার হাত চেপে ধরে কাতর গলায় বলেছিল, “সুনীল, প্লীজ, তুমি আমাকে বিয়ে করতে চেও না।… তুমি চাইলে আমি না বলতে পারব না। কিন্তু আমার মা-বাবা এমন কষ্ট পাবেন, আমার অসুস্থ মা এমন আঘাত সহ্য করতে পারবেন না। না, না, তা আমি পারব না।


এর দুই-তিন বছর পর স্বাতীর প্রেমে বাঁধা পড়েন সুনীল। তবে স্বাতীকে সুনীল মার্গারিটের সব কথাই খুলে বলেছিলেন এবং একই সঙ্গে মার্গারিটকেও জানিয়েছিলেন স্বাতীর কথা। মার্গারিট মেনে নিয়েছিলেন সবকিছু। স্বাতীও মার্গারিটকে চিঠি লিখেছিলেন। মার্গারিট শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন সুনীল-স্বাতীর বিয়েতে।


সুনীলের বিয়ের কয়েক বছর পর মার্গারিটের জীবনে ঘটে এক দুঃখজনক ঘটনা। শ্বেতাঙ্গ মার্গারিটকে একদিন রাস্তা থেকে একটি মাইক্রোতে করে তুলে নিয়ে যায় কয়েকজন কৃষ্ণাঙ্গ দুর্বৃত্ত। তারপর তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। 


সুনীল লিখেছেন, “মার্গারিটের কাছ থেকে আমি অনেক দূরে সরে এসেছি। আমার বয়স বেড়েছে, কিন্তু তার বয়স একটুও বাড়েনি।… মার্গারিট বেঁচে থাকলে এতদিনে  তার সঙ্গে আমার কী রকম সম্পর্ক হতো, তা জানি না। তবে ফরাসী দেশের মাটিতে পা দিলেই আমি যেন শুনতে পাই তার যৌবনময় কণ্ঠস্বর। তার উচ্ছসিত হাসির শব্দ, তার চোখ দিয়েই এখনো অনেক কিছু দেখি। ...

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~ সংগৃহীত.....

আপনার জীবনকে পাল্টে দিতে পারে শেক্সপিয়ারের এমন কিছু উক্তি সমূহ :

 আপনার জীবনকে পাল্টে দিতে পারে শেক্সপিয়ারের এমন কিছু উক্তি সমূহ :


 📍যা তুমি দেখাও, তার চেয়ে বেশি তোমার থাকা উচিত। যা তুমি জান, তার তুলনায় কম কথা বলা উচিত।!


 📍সততার কাছে দুর্নীতি কোন দিন জয়ী হতে পারে না।


 📍দুটো জিনিস খুবই কষ্টদায়ক। একটি হচ্ছে, যখন তোমার ভালোবাসার মানুষ তোমাকে ভালোবাসে কিন্তু তা তোমাকে বলে না। আর অপরটি হচ্ছে, যখন তোমার ভালোবাসার মানুষ তোমাকে ভালোবাসে না এবং সেটা তোমাকে সরাসরি বলে দেয়।


📍বিপদের সময়ে যে হাত বাড়িয়ে দেয় সেই সত্যিকারের বন্ধু।


 📍দু:খ কখনও একা আসে না, যখন আসে তখন তার দলবল নিয়ে-ই আসে।


📍আমি সবসময় নিজেক সুখী ভাবি, কারণ আমি কখনো কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করি না, কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করাটা সবসময় এই দুঃখের কারণ হয়ে দাড়ায়।


📍অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায়, ভালবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়।


📍কাউকে সারা জীবন কাছে পেতে চাও। তাহলে প্রেম দিয়ে নয় বন্ধুত্ব দিয়ে আগলে রেখো। কারন, প্রেম একদিন হারিয়ে যাবে কিন্তু বন্ধুত্ব কোনদিন হারায় না।


📍যে তার ভালবাসা প্রকাশ করতে পারে না, সে ভালোবাসতেই জানে না।


 📍আনন্দ ও কাজ সময়কে সংক্ষিপ্ত করে।


 📍সাফল্যের ৩টি শর্তঃ - অন্যের থেকে বেশী জানুন! - অন্যের থেকে বেশী কাজ করুন! - অন্যের থেকে কম আশা করুন!


 📍তোমার একটু অভিমানের জন্য যদি কারো চোঁখে জল আসে, তবে মনে রেখো, তার চেয়ে বেশি কেউ তোমাকে ভালোবাসে না।


📍তোমার বন্ধু যখন বিপদে থাকবে, তখন সে না ডাকলেও তাকে সাহায্য কর। কিন্তু, যখন সে খুশিতে থাকবে, তখন সে না ডাকলে যেওনা।


📍শেক্সপিয়ার কে একজন জিজ্ঞেস করলো "তুমি বিয়ে করেছ তোমার চেয়ে বেশি বয়সের একটি মেয়েকে। তোমার লজ্জা করেনা।" শেক্সপিয়ার তাকে একটি ক্যালেন্ডার এনে দেখালেন আর বললেন "আপনি বলতে পারবেন সপ্তাহের সাতটি দিনের মধ্যে কোনটা যুবক আর কোনটা বৃদ্ধ?" আসলে ভালবাসার কোন বয়স হয়না আপনি যে কাউকেই ভালবাসতে পারেন।


📍প্রয়োজন খারাপ কেও ভাল করে তোলে।


📍মহত্ত্বের প্রতীক হচ্ছে ক্ষমাশীলতা।


 📍জীবন-জীবন মানেই অনিশ্চিত ভ্রমণ।


 📍আমি নষ্ট করেছি সময়, এখন সময় নষ্ট করছে আমায়।


 📍ভীরুরা তাদের প্রকৃত মৃত্যুর আগেই বহুবার মরে, কিন্তু সাহসীরা জীবনে মাত্র একবারই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করে থাকে|

👉ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট এবং শেয়ার দিয়ে রাখুন।

#সংগৃহীত

গায়রত কী?

 গায়রত কী?


সাহাবীরা তাদের স্ত্রী'র নাম পর্যন্ত পরপুরুষকে বলতো না।

এটাই গায়রত।

একজন গায়রতহীন পুরুষ বড়ই ভ*য়ং*কর।

এখনকার সময়ের পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূর, তারা তাদের স্ত্রীর বে*পর্দা ছবি ফেসবুকে আপলোড দেয়!!

আল্লাহুম্মাগফিরলী..!


ঘটনা ১

একদিন এক ব্যাক্তি আলি ইবনু আবি তালিব (রা) কে জিজ্ঞাসা করলেন তার স্ত্রী কেমন আছে?

তিনি উত্তর দিলেন:

" যদি তোমার র;ক্ত হালাল হতো,তাহলে আমি ত*র*বা*রি দিয়ে তোমার মা*থা কে*টে ফেলতাম।"

[ ইবনে কাসীর,আল- বিদায়া ওয়ান- নিহায়া]


ঘটনা ২ 

মক্কার এক মু*শ*রি*ক তার উটকে জ*বে;হ 

করে দিচ্ছিলো। তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো আপনি উট টি জ*বে*হ কেন করলেন?

 আপনার টাকার প্রয়োজন হলেত বিক্রি করে দিতে পারতেন।

তখন লোকটি বললো, 

এই উটের উপর আমার মহিলারা  বসতো, বিক্রি করে দিলে এই উটের উপর অন্যপুরুষ বসবে এটা আমার সহ্য হবে না, 

তাই এই উটই আমি রাখবো না।

একজন মু*শ*রি;ক হওয়া সত্বেও তার কত গায়রত!!!

আর আমাদের ভাই- বোনদের কি দশা??

আস্তাগফিরুল্লাহ্ 


গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দা*ই*য়ুজ। রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না।


وَ مَا الۡحَیٰوۃُ  الدُّنۡیَاۤ   اِلَّا مَتَاعُ  الۡغُرُوۡرِ ﴿۲۰﴾

আর দুনিয়ার জীবনটা তো ধো*কার সামগ্রী ছাড়া আর কিছুই নয়।

 (সুরা হাদীদ-২০)


এবং সেদিন জা*হা*ন্না*ম*কে আনা হবে!

সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে? 

(সূরা ফাজর,আয়াত-২০)

স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বন্ধুদের সাথে হাসি তামাসা আড্ডায় ব্যস্ত থাকে!!

বউয়ের চুল দেখা যাবে তাতে কষ্ট পাবে তো দূর, বিয়ের সময় বন্ধুকে নিজের বউকে দেখিয়ে পরে আবার শোনে, মেয়েটা কেমন রে!!

বন্ধুদের চোখের খো*রা*ক বানিয়ে তারপর সে বিয়ে করে!

আর এটাই নাকি এখনকার ভদ্র সমাজের ট্রেন্ড! 


আল্লাহুম্মাগফিরলী

আর এখনকার পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূরের কথা,,,

অনেকে গায়রত কি সেটাও জানেনা 

হায় আফসোস!


এই উম্মাহর কোনো নারী গায়রতহীন পুরুষকে আপন করে নিছে এমন নজির নাই। 

হায় আফসোস! 

 

এই উম্মার পুরুষরা আজ জানেই না 

গায়রত কী? 

মহিলারা আজ বোঝে না গায়রতের মর্ম। 

বরং তারা গায়রতহীন চাকচিক্যময় নিবেদিত পুরুষদেরই খুঁজে ফেরে হর হামেশা

গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দা*ই*য়ু*জ রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না।

ইয়া রব বুঝার তৌফিক দান করুন সকল মুসলিম ভাই বোনকে।

আল্লাহুম্মা আমীন..!🤲

©

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...