এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪

প্রয়োজনীয় কিছু টিপস জেনে রাখা ভালো 

 প্রয়োজনীয় কিছু টিপস জেনে রাখা ভালো :- ⤵️

🍂 পেঁয়াজু,আলু কিংবা বেগুনির চপ তৈরির বেসনের মিশ্রন বা গোলায় চালের গুড়া অথবা কর্ণ ফ্লাওয়ার দিলে চপ বা পেঁয়াজু মুচমুচে হয়।

🍂 কাপড়ে তেলের দাগ লাগলে দাগের উপর সাদা চক ঘষে তারপর ধুয়ে ফেলুন।তেলের দাগ চলে যাবে।

🍂 ডিম সেদ্ধ করার সময় পানিতে সামান্য বেকিং সোডা দিয়ে দিন।ডিমের খোসা ছাড়ানো সহজ হবে।

🍂 সবজি কাটার বোর্ড সাদা ভিনেগার দিয়ে মুছে নিন।তারপর পেঁয়াজ কাটুন।চোখে জল আসবে না।

🍂 ফ্রিজের ভিতরে ছোট একটা বাটিতে ভিনেগার রেখে দিন।ফ্রিজের দূর্গন্ধ দূর হবে। 

🍂 কমলার খোসা ও লবঙ্গ একসাথে জ্বাল দিলে রান্না ঘরের দূর্গন্ধ দূর হবে।

🍂 আবহাওয়া পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে ছোলা ও ডালে পোকা হওয়া শুরু করে।তাই এগুলোতে শুকনো হলুদ ও নিমপাতা দিয়ে রাখুন।

🍂 রান্নায় কম তেল ব্যবহার করতে চাইলে ননস্টিক প্যানের বিকল্প নেই।রান্নার সময় তেলের বোতল থেকে সরাসরি খাবারে তেল ঢালবেন না।এভাবে তেল বেশি পড়ে যায়।তাই টেবিল চামুচ দিয়ে তেল মেপে খাবারে দিলে তেলের ব্যবহার কমাতে পারবেন।

🍂 দুধ জ্বাল করার আগে হাড়িতে অল্প একটু পানি দিয়ে তারপর দুধ দিয়ে জ্বাল করে নিন।তাহলে আর হাড়ির নিচে লেগে যাবে না।

🍂 মাংস বা ভর্তা দিয়ে খাওয়ার চিতই পিঠা বানাতে আতপ চালের গুড়ার সাথে অর্ধেক পরিমাণ সেদ্ধ চালের গুড়া মিশিয়ে নিলে পিঠা স্বাদের ও হবে,আবার নরমও থাকবে অনেক সময়।

🍂 পাটিসাপটা পিঠা বানাতে চালের গুড়ার সাথে কিছুটা ময়দা,সুজি ও একটি ডিম দিয়ে বেটার বানান।পিঠা ভেঙে যাবে না,বানাতেও ভালো লাগবে,খেতে ও ভালো লাগবে।

🍂 ফ্রিজের ভিতরের আঁশটে গন্ধ দূর করতে ফ্রিজে এক টুকরো কাঠ কয়লা রেখে দিন। 

🍂 মাছ কেটে ধুয়ে জল ঝড়িয়ে তাতে লেবুর রস,লবন এবং সামান্য হলুদ গুড়ো মাখিয়ে প্যাকেট করে রাখলে মাছে একদম গন্ধ থাকবে না।

🍂 দা-বটিতে মরিচা পড়লে দা-বটি ভিজিয়ে সিরিজ কাগজ দিয়ে ঘষে নিন।একটু সময় নিয়ে ঘষে ধুয়ে নিন।দেখবেন দা বটি নতুনের মতো ঝকঝকে হয়ে গেছে।

🍂 ফ্রিজ থেকে মাছ মাংসের প্যাকেট নামিয়ে লবন জলে ভিজিয়ে রাখলে খুব তাড়াতাড়ি প্যাকেটের মাছ মাংস ছাড়ানো যাবে।

🍂 ডিমের খোসা ভেঙে গুড়ো করে সেই গুড়ো দিয়ে পোড়া হাঁড়ি পাতিল ঘষে নিলে খুব সহজেই হাঁড়ি পাতিলের পোড়া দাগ উঠে যায়। 

🍂 বেসনের বরফি বানানোর সময় এতে সামান্য সুজি মিশিয়ে নিন।এতে বরফি দানাদার ও সুস্বাদু হবে।

🍂 ছোলা ভাটুরে বানানোর সময় ময়দার মধ্যে সামান্য সোডা দিয়ে মাখিয়ে নিলে তা অনেক নরম হবে।

🍂 রান্নাঘরে খুব তেলাপোকার উপদ্রব?রান্না ঘরের সিংকের নিচে এবং কোণা গুলোতে বরিক পাউডার ছড়িয়ে দিন।তেলাপোকা রান্না ঘর ছেড়ে পালাবে।

🍂 পায়েস রান্নার সময় আগে চাল সেদ্ধ করে নিন।তারপর চিনি মেশান।আগে চিনি মিশালে চাল ফুটবে না।

🍂 ছাড়পোকা তাড়াতে মাঝে মধ্যে আসবাবপত্রে কেরোসিন তেলের প্রলেপ দিন।

🍂 সিংগাড়ার সেইপ সুন্দর করতে মোটা করে ডো বানান এবং সিংগাড়ার গায়ে ফোসকা পড়া এড়াতে আঁচ কমিয়ে সিংগাড়া ভাজুন।

🍂 তরকারির ঝোল খুব বেশি পাতলা হয়ে গেলে কিছুটা কর্ণ ফ্লাওয়ার পানিতে মিশিয়ে তরকারিতে দিয়ে দিন।ঝোল ঘন হবে,সাথে স্বাদও বাড়বে।

🍂 পেঁয়াজু,কাটলেট,পাকোড়া সহ এ ধরনের খাবার তৈরিতে ময়দার পরিবর্তে ব্যবহার করুন চালের গুড়া।এতে তেল কম শোষণ হবে।

🍂 নিমপাতা সেদ্ধ বা ভেজানো জল দিয়ে ঘর মুছুন।পোকামাকড়ের উপদ্রপ কমবে।নিমপাতা তোষক বা গদির নিচে রাখুন।পোকামাকড় হবে না।

🍂 কাপড় থেকে চা-কফির দাগ তুলতে পেয়ারা থেতো করে মাখিয়ে কিছুক্ষণ পর সাবান লাগিয়ে ধুয়ে নিন।চায়ের দাগ উঠে যাবে।

🍂 তরকারিতে ঝাল বেশি হয়ে গেলে আটা/ময়দার বল বানিয়ে তরকারিতে দিয়ে অল্প আঁচে কিছু সময় জ্বাল দিন।অল্প সময় জ্বাল দেয়ার পর আটার বলগুলো উঠিয়ে নিন।দেখবেন ঝাল অনেকটাই কমে গেছে 😊


#collected

জীবন আরো গুছিয়ে তুলতে প্রতিদিন যে কাজগুলি করতে পারেন _____

 জীবন আরো গুছিয়ে তুলতে প্রতিদিন যে কাজগুলি করতে পারেন _____


আমরা অনেকে স্বভাবতই পরিপাটি, অনেকে আবার সেরকম গোছালো না। তবে খুব গোছালো না হলেও কিছু অভ্যাস ও রুটিন বানিয়ে দৈনন্দিন জীবনকে অনেকটাই ঝামেলামুক্ত ও পরিপাটি রাখা সম্ভব।


একটু একটু করে এসব পরিবর্তনের সাথে অভ্যস্ত হয়ে গেলে আপনি নিজের জন্য সবচেয়ে ভাল উপায়গুলি আবিষ্কার করতে পারবেন। 


এখানে থাকছে তেমনই  ৮টি কৌশল।

.


🔴 ১.জরুরি জিনিসপত্র এক জায়গায় রাখুন 🔴


চাবি, ওয়ালেট, মোবাইল, হেডফোন ও প্রতিদিন দরকার হয় এমন জিনিসপত্র একসাথে দরজার কাছে কোথাও রাখুন। যাতে বের হওয়ার সময় সহজেই নিতে পারেন ও ঘরে ফিরে সব গুছিয়ে রাখতে পারেন। তাহলে অন্তত দরকারি কোনো কিছু হারিয়ে অফিসে বা কাজে যেতে দেরি হবে না। 


ছোট ছোট অনুষঙ্গ, যেমন চাবি ও ফোন, রাখার জন্য সুন্দর বাক্স বা হোল্ডার কিনতে পারেন। ঘরে ঢোকার পথে এনট্রেন্স টেবিল কিংবা দেয়ালে লাগানো চাবির অর্গানাইজার খুব কাজে দেবে, আর জায়গাও বাঁচাবে। 

.


 🔴 ২.টু-ডু লিস্ট তৈরি করুন 🔴


প্রতিদিন একটি করে টু-ডু লিস্ট বানান, এতে আগের দিনের বাকি থাকা কাজ ও নতুন কাজ লিখে নিন। 


লিস্ট বানানো যদি আপনার দক্ষতার মধ্যে নাও পড়ে, যদি শুধু বড় প্রজেক্টগুলিই লিখে রাখার অভ্যাস থাকে, তাহলেও সেটা প্রতিদিন দেখুন। 


কী কী কাজ শেষ করেছেন, ট্র্যাক করুন। কোনো কাজ যদি অপ্রাসঙ্গিক বা অপ্রয়োজনীয় মনে হয় তাহলে বাদ দিন। এতে করে আপনার ফলপ্রসূতা বাড়বে। অপ্রয়োজনীয় কাজে আটকে থাকবেন না। 


দিনের শুরুতে অথবা শেষে টু-ডু লিস্ট বানান। দিনের মাঝে লিস্ট বানালে সে অনুযায়ী কাজ করা কঠিন হবে, কারণ দিনের অনেকটাই ততক্ষণে শেষ হয়ে যাবে। আর পরের দিনটি কেমন যাবে, কী করলে ভাল হবে, সে সম্পর্কেও স্পষ্ট ধারণা তখন পাওয়া যায় না। 

.


🔴৩.কাগজ ব্যবহার কমান 🔴


প্রয়োজনীয় বিল ও স্টেটমেন্ট অনলাইনে ও ইমেইলে ডেলিভারি নিন। এতে ঘরে অপ্রয়োজনীয় কাগজের পরিমাণ কমবে, ঘর এলোমেলো হবে না। 


বিলের পেমেন্ট এখন আমরা বেশিরভাগ সময় অনলাইনেই করি, তাই বিলও অনলাইনে নেওয়াই ভাল। 


নিয়মিত সেভিংস অ্যাকাউন্টের দিকে নজর রাখুন, আয় ও ব্যয় চেক করুন। এতে করে আগের দিন কোথায় কত টাকা খরচ করেছেন তা জানতে পারবেন। অতিরিক্ত টাকা খরচের প্রবণতা অনেক কমবে এর কারণে। তাছাড়া প্রতিদিন সকালে সেভিংস এর দিকে তাকালে সঞ্চয়ের মনোভাব বাড়বে।


🔴৪. সবসময় একটা নোটপ্যাড সাথে রাখুন 🔴


জীবনকে গোছালো করে তুলতে একটা পকেট সাইজ নোটবুক অত্যন্ত দরকারি ভূমিকা রাখবে আপনার জীবনে। শপিং লিস্ট, ছোটখাটো কাজ, টু-ডু লিস্ট, নানারকম চিন্তাভাবনা লিখে রাখুন এই নোটবুকে, এটা সবসময় নিজের সাথে রাখুন।


ছোট এই নোটবুক সহজে যেকোনো জায়গায় নেওয়া যায়, সুবিধামত ব্যবহার করা যায়। তাছাড়া ডিভাইসের মত চার্জ দেওয়ার ঝামেলাও নেই। আমাদের সরাদিন যখন-তখন কিছু একটা লেখার দরকার হতে পারে, এমন সময়ে এই নোটবুক কাজে আসবে। 


অনেকে নোট করার জন্য মোবাইলে অ্যাপে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন বেশি। কিন্তু মোবাইল অ্যাপের কথা খুব জরুরি বিষয় না হলে আমাদের মনে পড়ে না। অন্যদিকে, নোটপ্যাড যেহেতু ধরা যায় ও ব্যাগ খুললেই চোখে পড়ে, আপনার নিজে থেকেই প্রয়োজনীয় অনেক কিছু লিখে রাখতে মন চাইবে। তাই সম্ভব হলে, পরের বার বের হওয়ার সময় একটি নোটবুক সাথে নিন।

.


🔴৫.ওয়ালেট ডিক্লাটার করুন 🔴


আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী ওয়ালেট। এটি গোছানোর অভ্যাস গড়ে তোলা সবচেয়ে সহজ, সময়ও বেশি লাগে না। যখনই সময় পাবেন, যেমন টিভি দেখা বা যাতায়াতের সময় বসে বসে ওয়ালেটটি গুছিয়ে ফেলতে পারেন। 


প্রথমেই দরকারি রিসিটগুলি যত্ন করে রাখুন। অপ্রয়োজনীয়গুলি ফেলে দিন। তারপর কার্ড গুছিয়ে নিন। বেশি ব্যবহার করা হয় এমন কার্ডগুলি সামনে রাখুন। খুচরা টাকা ও কয়েন বের করে একটি জার বা কন্টেইনারে রাখুন। 

.


🔴৬.মিল প্ল্যান করুন 🔴


পরবর্তী কয়েক দিনের খাবারের পরিকল্পনা আগে থেকে করে রাখাই মিল প্ল্যান। প্রতিদিন অথবা কিছুদিন পরপর মিল প্ল্যান চেক করুন, যাতে প্ল্যানের সাথে মিল রেখে চলতে পারেন। প্রতিদিন চেক করা সবচেয়ে ভাল, এতে করে তা অভ্যাসে পরিণত হবে। দরকার অনুযায়ী যেকোনো সময় এই লিস্ট আপডেট করে নিতে পারবেন। 


প্রতিদিন মিল প্ল্যান করলে কবে কোন খাবার বানাবেন সেটা মাথায় থাকবে, সে অনুযায়ী শপিং লিস্ট বানালে অপ্রয়োজনীয় খরচের হাত থেকেও বেঁচে যাবেন। যেসব জিনিসপত্র কিনে ফেলেছেন, তা লিস্ট থেকে বাদ দিয়ে দিন। সবশেষে, কেনাকাটা ও রান্নাবান্নার জন্য সময় শিডিউল করুন। 

.


🔴৬.আগের রাতে পরদিন পরার কাপড় বের করে রাখুন


পরের দিন অফিসে বা কাজে পরে যাওয়ার জামাকাপড় আগের রাতে তৈরি করে রাখলে অনেকখানি সময় বেঁচে যাবে। সকালে নিজে তৈরি হওয়ার সময় জামাকাপড় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতেও সময় লাগে। তাছাড়া সন্তান থাকলে তাদেরকেও স্কুলের জন্য তৈরি করতে অনেকটা সময় দরকার হয়। 


এ কারণে আগের দিন জামাকাপড় বের করে রাখুন। তাহলে সকালবেলা আলমারি বা ওয়্যারড্রোবের সামনে দাঁড়িয়ে কী পরবেন সেটা ভাবতে হবে না। 

.


🔴৭.রুটিন মেনে চলুন 🔴


টু-ডু লিস্ট তৈরির সময় কখন কাজগুলি করবেন তারও একটি পরিকল্পনা বানান। তাহলে টু-ডু লিস্টের কাজ শেষ করা সহজ হবে। 


যেসব কাজকে ভয় পান, বা করতে অস্বস্তি বোধ হয়, সেগুলিও নির্ধারিত সময়ে হয়ে যাবে। আর প্রতিদিন কোনো একটা কাজ করার ফলে আপনার মনও ভাল থাকবে, কাজে আরো আগ্রহ পাবেন।


🔴৮.প্লেটগ্লাস ধুয়ে রাখুন 🔴


অনেকেই আপনাকে দিনের শুরুতে বিছানা গুছিয়ে রাখতে বলবে। এতে করে আপনার দিনের শুরুটা ইতিবাচক হবে। 


এরকমই আরো একটা কাজ আছে, গোছালো থাকতে এর চর্চা করতে পারেন। এটা করতে হবে আগের রাতে। তা হল প্লেটগ্লাস, হাড়িপাতিল ধুয়ে রাখা। সপ্তাহের প্রতিদিনই যদি রান্নাবান্না করেন, তাহলে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অপরিষ্কার হাড়িপাতিল, প্লেটগ্লাস ধুয়ে নিন। তাহলে এগুলি জমে যাবে না। 


এরকম  ছোট  ছোট  অভ্যাসগুলিই    আপনার  দৈনন্দিন  জীবন  সহজ  করার   পাশাপাশি   বড়  সাফল্যের   দিকে  নিয়ে  যাবে   এবং  অনেক  সমস্যা  ও  সময়ের  অপচয়  থেকে  রেহাই   পাবেন!

সংগৃহীত

২০২৫ হবে তোমার বছর:


 ২০২৫ হবে তোমার বছর:


নতুন বছরের শুরুতে আমরা সবাই কিছুটা অনুপ্রাণিত এবং নতুনভাবে ভাবতে শুরু করি। ২০২৫ আসছে, এবং এটি তোমার বছর হতে চলেছে। তবে সফলতার জন্য শুধুমাত্র বড় লক্ষ্য নির্ধারণ করা যথেষ্ট নয়; তোমার মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখা, আত্মবিশ্বাসী হওয়া, এবং নিজের প্রতি যত্ন নেওয়া প্রথমে গুরুত্বপূর্ণ। আসুন, ২০২৫ কে আরও সুন্দর, প্রগতিশীল এবং আনন্দময় করে তোলার জন্য কিছু কার্যকরী পরিকল্পনা জানি।


১. নিজের প্রতি দয়ালু হওয়া শুরু করো


২০২৫-এ প্রথম কাজটি হবে নিজেকে ভালোবাসা। অনেক সময় আমরা নিজের প্রতি কঠোর হই, নিজেকে অন্যদের সঙ্গে তুলনা করি, বা ভুলে যাই যে আমরা যেভাবে আছি, সেভাবেই মূল্যবান। নিজেকে এক মিনিটের জন্য থামিয়ে ভালোবাসো। ছোট ছোট সাফল্য উদযাপন করো, নিজের জন্য সময় বের করো এবং তোমার অনুভূতিগুলোকে গুরুত্ব দাও। নিজের প্রতি সদয় হওয়া মানে, নিজের মনের এবং শরীরের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা।


২. আত্মবিশ্বাস তৈরি করো—একটি ধাপে ধাপে যাত্রা


আত্মবিশ্বাস একদিনে আসে না, এটি প্রতিদিনের ছোট ছোট পদক্ষেপের মাধ্যমে তৈরি হয়। ২০২৫-এ নিজেকে বিশ্বাস করো—তুমি যেভাবে আছো, তেমনটাই তুমি যথেষ্ট। প্রথমে নিজের শক্তির প্রতি মনোযোগী হও, তারপর ধীরে ধীরে সেই শক্তি কাজে লাগাও। কোনো কাজের জন্য ভয় বা সন্দেহ না করে, চেষ্টা করো। প্রতিটি সফলতা (বড় বা ছোট) তোমার আত্মবিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করবে।


৩. মানসিক স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দাও


সেলফ-কেয়ার শুধুমাত্র শারীরিক নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও জরুরি। ২০২৫-এ, মানসিক চাপ কমানোর জন্য কিছু সময় নিজের জন্য রাখো। প্রতিদিন ৫ মিনিট ধ্যান, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, বা একটি ভালো বই পড়া তোমার মনের শান্তি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে। মানসিক চাপ কমানো এবং নিজের অনুভূতিগুলোর সাথে যুক্ত থাকা—এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি কখনো মনে হয়, তুমি একা, ভেঙে পড়েছো বা কিছুতেই সামলাতে পারছো না—তাহলে সাহায্য চাও। একে অপরকে সমর্থন করার মধ্যে শক্তি রয়েছে।


৪. নতুন কিছু শিখো এবং নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করো


২০২৫ সালে নিজেকে আরও উন্নত করতে চাইলে, নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করো। এটি তোমার আত্মবিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করবে এবং জীবনকে নতুনভাবে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করবে। সেটা হতে পারে নতুন কোনো স্কিল শেখা, পুরনো শখের প্রতি আগ্রহ পুনরুদ্ধার করা, বা কোনো কোর্সের মাধ্যমে নতুন কিছু জানার চেষ্টা করা। নতুন অভিজ্ঞতা এবং শেখা তোমাকে আরও শক্তিশালী এবং সৃজনশীল করে তুলবে।


৫. সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তোলা


তোমার চারপাশে যারা রয়েছেন, তাদের সাথে সুস্থ এবং ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৫-এ, শুধু নিজেকে নয়, অন্যদেরও ভালো রাখতে চেষ্টা করো। এমন বন্ধুত্ব এবং সম্পর্ক বজায় রাখো যা তোমাকে সাপোর্ট করে এবং ভালো থাকার শক্তি দেয়। একে অপরকে সাহস দেয়া, সাফল্য উদযাপন করা, এবং কঠিন সময়ে একে অপরকে সাহায্য করা—এটাই সত্যিকারের সম্পর্ক।


৬. প্রত্যাশা না রাখার মনোভাব গড়ে তোলা


২০২৫ সালে নিজের প্রতি সৎ হওয়া এবং প্রতিদিন যেভাবে তুমি আছো, সেভাবেই নিজেকে গ্রহণ করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তুমিই তোমার নিজের সর্বোত্তম সংস্করণ। মনে রেখো, কোনো সাফল্য বা অর্জন একদিনে আসে না—এটি দীর্ঘ পথ চলার ফল। সুতরাং, নিজেদের জন্য বড় প্রত্যাশা রাখার চেয়ে, নিজের উন্নতি এবং খুশি দেখার দিকে মনোযোগ দাও।

৫ মিনিটের পাঁচটি গল্প আপনার জীবন বদলে দিবে

 ♦ গল্প-১

বাবা গোসলে, মা রান্না ঘরে আর ছেলে টিভি দেখছিল। এমন সময় দরজায় ঘণ্টা বাজল। ছেলে দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলে দেখল, পাশের বাসার করিম সাহেব দাঁড়িয়ে।

ছেলে কিছু বলার আগেই করিম সাহেব বললেন, ‘আমি তোমাকে ৫০০ টাকা দেব, যদি তুমি ১০ বার কান ধরে উঠবস কর।’

বুদ্ধিমান ছেলে অল্প কিছুক্ষণ চিন্তা করেই কান ধরে উঠবস শুরু করল, প্রতিবার উঠবসে ৫০ টাকা বলে কথা।

শেষ হতেই করিম সাহেব ৫০০ টাকার নোট ছেলের হাতে ধরিয়ে দিয়ে চলে গেলেন।

বাবা বাথরুম থেকে বের হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কে ছিল দরজায়?’

‘পাশের বাসার করিম সাহেব’, উত্তর দিল ছেলে।

‘ও’, বললেন বাবা, ‘আমার ৫০০ টাকা কি দিয়ে গেছেন?’

♥ শিক্ষণীয় বিষয়

আপনার ধারদেনার তথ্য শেয়ারহোল্ডারদের থেকে গোপন করবেন না। এতে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে রক্ষা পাবেন।


♦ গল্প-২

সেলসম্যান, অফিস ক্লার্ক ও ম্যানেজার দুপুরে খেতে যাচ্ছিলেন। পথে তাঁরা একটি পুরোনো প্রদীপ পেলেন।

তাঁরা ওটাতে ঘষা দিতেই দৈত্য বের হয়ে এল।

দৈত্য বলল, ‘আমি তোমাদের একটি করে ইচ্ছা পূরণ করব।’

‘আমি আগে! আমি আগে!’ বললেন অফিস ক্লার্ক, ‘আমি বাহামা সমুদ্রপারে যেতে চাই, যেখানে অন্য কোনো ভাবনা থাকবে না, কাজ থাকবে না।’

‘ফুঃ...!!’ তিনি চলে গেলেন।

‘এরপর আমি! এরপর আমি!’ বললেন সেলসম্যান, ‘আমি মায়ামি বিচে যেতে চাই, যেখানে শুধু আরাম করব।’

‘ফুঃ...!!’ তিনিও চলে গেলেন।

‘এখন তোমার পালা’, দৈত্য ম্যানেজারকে বলল।

ম্যানেজার বললেন, ‘আমি ওই দুজনকে আমার অফিসে দেখতে চাই।’


♥ শিক্ষণীয় বিষয়

সব সময় বসকে আগে কথা বলতে দেবেন। তা না হলে নিজের কথার কোন মূল্য থাকবে না।


♦ গল্প-৩

একটি ইগল গাছের ডালে বসে আরাম করছিল।

এমন সময় একটি ছোট খরগোশ ইগলটিকে দেখে জিজ্ঞেস করল, ‘আমিও কি তোমার মতো কিছু না করে এভাবে বসে আরাম করতে পারি?’

ইগল উত্তর দিল, ‘অবশ্যই, কেন পারবে না।’

তারপর খরগোশটি মাটিতে এক জায়গায় বসে আরাম করতে থাকল। হঠাত্ একটি শিয়াল এসে হাজির, আর লাফ দিয়ে খরগোশকে ধরে খেয়ে ফেলল।


♥ শিক্ষণীয় বিষয়

যদি কোনো কাজ না করে বসে বসে আরাম করতে চান, তাহলে আপনাকে অনেক ওপরে থাকতে হবে।


♦ গল্প-৪

একটি মুরগি ও একটি ষাঁড় আলাপ করছিল।

‘আমার খুব শখ ওই গাছের আগায় উঠব, কিন্তু আমার এত শক্তি নেই’, মুরগিটি আফসোস করল।

উত্তরে ষাঁড়টি বলল, ‘আচ্ছা, তুমি আমার গোবর খেয়ে দেখতে পার, এতে অনেক পুষ্টি আছে।’

কথামতো মুরগি পেট পুরে গোবর খেয়ে নিল এবং আসলেই দেখল সে বেশ শক্তি পাচ্ছে। চেষ্টা করে সে গাছের নিচের শাখায় উঠে পড়ল।

দ্বিতীয় দিন আবার খেল, সে তখন এর ওপরের শাখায় উঠে গেল।

অবশেষে চার দিন পর মুরগিটি গাছের আগায় উঠতে সক্ষম হলো।

কিন্তু খামারের মালিক যখন দেখলেন মুরগি গাছের আগায়, সঙ্গে সঙ্গে তিনি গুলি করে তাকে গাছ থেকে নামালেন।


♥ শিক্ষণীয় বিষয়

ফাঁকা বুলি (বুল শিট) হয়তো আপনাকে অনেক ওপরে নিয়ে যেতে পারে, কিন্তু আপনি বেশিক্ষণ ওখানে টিকে থাকতে পারবেন না।


♦ গল্প-৫

একটি পাখি শীতের জন্য দক্ষিণ দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু এত ঠান্ডা ছিল যে পাখিটি শীতে জমে যাচ্ছিল এবং সে একটি বড় মাঠে এসে পড়ল।

যখন সে মাঠে পড়ে ছিল, একটি গরু তার অবস্থা দেখে তাকে গোবর দিয়ে ঢেকে দিল। কিছুক্ষণ পর পাখিটি বেশ উষ্ণ অনুভব করল। যখন গোবরের গরমে সে খুব ঝরঝরে হয়ে উঠল, আনন্দে গান গেয়ে উঠল।

এমন সময় একটি বিড়াল পাশ দিয়ে যাচ্ছিল, পাখির গান শুনে খুঁজতে লাগল কোথা থেকে শব্দ আসে। একটু পরই সে গোবরের কাছে আসে এবং সঙ্গে সঙ্গে গোবর খুঁড়ে পাখিটিকে বের করে তার আহার সারে।


♥ শিক্ষণীয় বিষয়

১. যারা আপনার ওপর কাদা ছোড়ে, তারা সবাই-ই আপনার শত্রু নয়।

২. যারা আপনাকে পঙ্কিলতা থেকে বের করে আনে, তারা সবাই-ই আপনার বন্ধু নয়।

৩. এবং যখন আপনি গভীর পঙ্কিলতায় নিমজ্জিত, তখন মুখ বেশি না খোলাই শ্রেয়।

স্বামী স্ত্রীর বিচ্ছেদ এর যাদুতে তিনটা লক্ষ্মণ বেশি দেখা যায়!

  🖤🍁স্বামী স্ত্রীর বিচ্ছেদ এর যাদুতে তিনটা লক্ষ্মণ বেশি দেখা যায়!


যে ব্যক্তি যাদু করে সে আপনার আশেপাশের আপনার আপনজন,এসব করা হয় হিংসা,লোভ, অহংকার থেকে। আর সে ব্যাক্তি তখন আপনার সাথে অনেক ভালো ব্যবহার করবে, আপনি মনে করবেন তার চেয়ে আর ভালো মানুষ নেই। তার মতো খেয়াল আর কেউ রাখতে পারবে না আপনার।🖤


যে ব্যক্তি যাদু করে সে আপনাকে অনেক কিছু খাওয়ার মাধ্যমে আপনার শরীরের মধ্যে জ্বীন প্রবেশ করায়। যদি খাওয়াতে না পারে তাহলে আপনার শরীর যেভাবে হোক স্পর্শ করবে। যারা যাদু করে তাঁরা প্রথম পর্যায়ে বেশিরভাগ সময় আপনাকে যেকোনো খাবারের সাথে তেল পড়া,পানি পড়া,লেবু পড়া,ডিম পড়া,চিনি পড়া,লবন পড়া মিশিয়ে খাওয়াবে।


দ্বীতিয় পর্যায়ে, আপনার কাপড়ের কিছু অংশ কেটে নিবে, তারপর আপনার বাড়ির চারপাশে একটা যায়গাতে আপনার চুল অথবা নখ পুঁতে রাখবে।অথবা আপনি দেখতে পাবেন আপনার মাথায় কোন এক অংশে চুল নেই কারণ জ্বীনের মাধ্যমে আপনার চুল নিয়ে নিয়েছে।


তৃতীয় পর্যায়ে পুতুলের মধ্যে সুঁই গেঁথে, আপনার বাড়ির মধ্যে অথবা নদীতে ঐ পুতুল ফেলে দিবে। মেয়েদের পিরিয়ডের প্যাড অথবা কাপড় কেটে জ্বীন কে দিয়ে দিবে কারন জ্বীন সাধারণভাবে রক্তের পাগল।🖤


1️⃣ হঠাৎ সুস্থ মানুষ স্বামীর দিক থেকে অথবা স্ত্রী দিক থেকে প্রচুর রাগারাগি,দেখতে না পারা,ঘৃণা করা,স্ত্রীর কথা শুনলে তেলেবেগুনে রাগে টইটুম্বুর হয়ে যায় স্বামী..সেইম স্ত্রীর ক্ষেত্রেও,কথায় কথায় ডিভোর্স চাওয়া। 


2️⃣ সহবাসের প্রতি অনীহা এবং ফিলিংস হারিয়ে ফেলা স্বামীর দিক থেকে/স্ত্রীর দিক থেকে স্বামী। অথচ পূর্বের সুস্থ অবস্থায় সম্পর্ক অনেক সুন্দর ছিল এবং সহবাস এর প্রতি প্রচুর ফিলিংস কাজ করত..কিন্তু আক্রান্ত হওয়ার পরে ধীরে ধীরে ফিলিংস নষ্ট হতে থাকে,(মৃত ব্যক্তি শুয়ে থাকলে যেরকম অনুভব করে সেইম অনেক পেশেন্ট এরকম অনুভব করে) এডাল্ট বয়স হওয়া সত্বেও একে অপরে শরীরে স্পর্শ করলে বিরক্ত হয়ে যাওয়া বা মারামারি-ভাঙচুর পর্যন্ত হয়।এডাল্ট বয়স হওয়া সত্বেও অনেক স্বামী ও স্ত্রী সহবাস এর কাজকে অহেতুক বা প্রয়োজন এর বাহিরে কিরকম যেনো ঘৃণা ঘৃণা অনুভব করে..(অথচ পুরুষ ঘরের বাহিরে ঠিকি আকর্ষন অনুভব করতেছে কিন্তু ঘরে ঢুকে স্ত্রীর কাছে গেলেই সকল ফিলিং নষ্ট হয়ে যায়)। স্ত্রীর দিক থেকেও ফিলিংস কাজ করে না। 


যেকোনো  একটা সমস্যার কারনে  পুরো গল্পটা  এখানে দেয়া জাচ্ছে না তাই কমেন্টে দেয়া ইছে.?

মেটে চচ্চড়ি'- অল্প মশলায় দারুন স্বাদ

 'মেটে চচ্চড়ি'- অল্প মশলায় দারুন স্বাদ


শোনা যায়,সত্যজিৎ রায়ের খুব প্রিয় খাবার ছিল এই মেটে চচ্চড়ি। তিনি নিজে পরীক্ষা মুলকভাবে মেটে চচ্চড়ি রান্না করতেন। প্রতিদিন মাংসের কষা আর কারি মুখে ভালো নাই লাগতে পারে। তাই এবার আপনার রেসিপি হোক অল্প আয়োজনে মেটে চচ্চড়ি। 


  উপকরণ -


* মেটে -২৫০ গ্রাম


* আলু - ২৫০ গ্রাম


* মশলা - গুঁড়ো মশলা - জিরে,লঙ্কা,হলুদ


* অন্যান্য মশলা - শুকনো লঙ্কা,গোটা গরম মসলা


* এ ছাড়া পেয়াঁজ কুচি,আদা কুচি,রসুন কুচি ,তেজ পাতা,জল,ঘি ও তেল


  প্রণালী - 


  প্রথম পর্ব - আলু চৌকো করে কেটে নিন, পেয়াজ রসুন আদা সব ঝিরিঝিরি করে কাটুন। একটু জিরা এবং লঙ্কা গুঁড়ো গরম জল এ ভিজিয়ে রাখুন। আগে আলু ভেজে তুলে রাখুন।


  দ্বিতীয় পর্ব - কুকারে তেল দিয়ে আলু ভেজে তুলে নিয়ে তাতে তেজপাতা,শুকনো লঙ্কা দিয়ে থেতো করে রাখা এলাচ দারচিনি দিয়ে দিন। এবার পেঁয়াজ দিন। বেশ লালচে হলে আদা রসুন লঙ্কা কুচি দিয়ে দিন। দিতে পারেন টম্যাটোও। তারপর জিরে গুঁড়োটা দিন৷ সব একটু নেড়ে মেটে দিয়ে গ্যাস কমিয়ে কষুন।


  তৃতীয় পর্ব - এরপর মেটে দিয়ে কষুন। তেল বেরিয়ে এলে সামান্য জল দিয়ে ফুটিয়ে ঘি গরম মশলা দিয়ে পরিবেশন করুন মেটে চচ্চড়ি।

গরুর মাংসের কালা ভুনা রেসিপি

 🥰গরুর মাংসের কালা ভুনা রেসিপি 🥰


🌹গরুর মাংস- ২ কেজি

আদা বাটা- ১ টেবিল চামচ

রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ

ধনিয়া গুঁড়া- ১ টেবিল চামচ

জিরার গুঁড়া- ১ চা চামচ

সবুজ এলাচ- ৪টি

তারা মৌরি- ১টি

তেজপাতা- ২টি

দারুচিনি গুঁড়া- কোয়ার্টার চা চামচ

পেঁয়াজ বাটা- আধা কাপ

মরিচ গুঁড়া- দেড় টেবিল চামচ

চিনি- ১ টেবিল চামচ

লবণ- স্বাদ মতো

সরিষার তেল- ২ টেবিল চামচ


🌹কালাভুনার বিশেষ মসলা তৈরির উপকরণ

লবঙ্গ- ৭-৮টি

গোলমরিচ- ১০-১২টি

জয়ত্রী- অর্ধেক

রাঁধুনি জিরা- ১ চা চামচ

কালোজিরা- ২ চা চামচ

অন্যান্য উপকরণ

সয়াবিন বা সরিষার তেল- ১ কাপ

শুকনা মরিচ- ৫টি

মিহি পেঁয়াজ কুচি- ২ কাপ


🌹প্রস্তুত প্রণালি

মাংসের মসলা তৈরির সব উপকরণ একসঙ্গে গুঁড়া করে নিন। মাংস ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে হাঁড়িতে নিতে নিন। মাংস মাখার সব উপকরণ ও কালাভুনার মসলা দিয়ে মাংস মেখে আধা কাপ পানি যোগ করুন। হাঁড়ি ঢেকে চুলায় দিয়ে দিন। ৪৫ মিনিটের মতো মিডিয়াম থেকে সামান্য বেশি আঁচে রান্না করুন মাংস। মাঝে মাঝে নেড়ে দেবেন। ৪৫ মিনিট পর চুলার আঁচ কমিয়ে দিয়ে আরও কিছুক্ষণ রান্না করুন। মাংস সেদ্ধ হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে নিন।  

চুলায় প্যান চাপিয়ে তেল দিন শুকনা মরিচ ও পেঁয়াজ কুচি ভাজুন। পেঁয়াজ বাদামি হয়ে গেলে রান্না করে রাখা মাংস দিয়ে দিন। চুলার আঁচ কমিয়ে দেবেন। ৫ মিনিট কষিয়ে নিন মাংস। আধা কাপ পানি দিন। চুলার আঁচ সামান্য বাড়িয়ে অনবরত নাড়তে থাকুন। পানি শুকিয়ে তেল ভেসে উঠলে চুলা বন্ধ করে নামিয়ে নিতে হবে। কালা ভুনা রেডি। এবার গরম গরম পরিবেশন করুন। 

©️

ভালো লাগলে শেয়ার করে রেখে দিবেন আপনার আইডিতে পড়ে কাজে লাগতে পারে ধন্যবাদ 💝

,

,


শিরক করে ফেলছি, অথচ টের পাই না। যেমনঃ

 শিরক করে ফেলছি, অথচ টের পাই না। যেমনঃ


১- "ভাগ্যিস, জোরে ধরছিলাম, তা না হলে পড়েই যেতাম!"

এখানে শির্ক কোথায় হলো? 

আমি পড়ে যাই নি, কারণ দুইটা- আমার ভাগ্য আর আমি বা আমার বুদ্ধি। এখানে আল্লাহর কিছুই রাখি নি। এটা কুফুরীর পর্যায়ে পড়ে যায়। 

এই অবস্থায় যা বলতে হতো-

আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ রক্ষা করেছেন। তা না হলে পড়েই যেতাম। 


২-" ভাই, বিয়ের সব ব্যবস্থা করে রেখেছি, বাকী আল্লাহ ভরসা। "

এটা কেন শির্ক হবে? 

কারণ আমার ব্যবস্থাপনাকে বড় করে আল্লাহকে বাকীটা দিলাম। এখানে নিজের ব্যাবস্থাপনাকে বড় করা হলো। আর আল্লাহর বিষয়টা শেষে রেখে আল্লাহকে ছোট করা হয়েছে। 

এখানে বলা দরকার ছিলো- আল্লাহর ইচ্ছায় ও রহমতে ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু সব কিছুই আল্লাহর ওপর ভরসা / হাওয়ালা করে দিয়েছি। 


৩- "একদম চিন্তা করবেন না, সব কিছু সময় মত ঠিক ঠাক পেয়ে যাবেন।"

এখানে শির্ক কোথায় হলো? 

এখানে ইনশাআল্লাহ না বলায় সব কিছু আমি নিলাম, আল্লাহকে কিছুই দিলাম না। 


৪- "খুব ভালো ডাক্তার। তার এক ডোজ ওষুধ খেয়ে আমি ভালো হয়ে গেছি"

এখানে কোথায় শির্ক হলো? 


এখানে সুস্থতার জন্যে ডাক্তার ও ওষুধের গুণগান করা হলো, তাদেরকে কৃতিত্ব দেওয়াতে এটা শির্ক হয়ে গেল। 

এই অবস্থায় কি বলা দরকার ছিলো? 

মাশাআল্লাহ, উনি খুব ভালো ডাক্তার ছিলেন, আল্লাহ এক ডোজ ওষুধেই আমাকে ভালো করে দিয়েছেন ।‌


৫- "আপনি ছিলেন বলে, তা না হলে আমি শেষ হয়ে যেতাম"

এখানে কিভাবে শির্ক হলো? 


এখানেও আল্লাহর কোন উল্লেখ করা হয়নি। সব কৃতিত্ব আপনাকেই দেয়া হয়েছে। 

এখানে বলা উচিত ছিলোঃ

আল্লাহর রহমতে আপনি ছিলেন বলে, তা না হলে আমি হয়ত শেষ হয়ে যেতাম। 


এভাবে আমাদের অজান্তেই অনেক কিছু বলে ফেলি ও ভাবি যা আমাদেরকে মুশরিক বানিয়ে ফেলে। 

আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক জ্ঞান দান করুন এবং সকল প্রকার শির্ক, নিফাক ও বিদয়াত থেকে হেফাজত করুন। আমিন।(সংগ্রীহিত)।

একজন স্বামী তার স্ত্রীকে কখন পাগলের মত ভালোবাসে জানেন? 

 যার সামনে তুমি পুরোপুরিভাবে বস্ত্রমুক্ত হয়েছ, তার কাছে আবার কিসের ব্যক্তিত্ব?

একজন স্বামী তার স্ত্রীকে কখন পাগলের মত ভালোবাসে জানেন? 

এক বৃদ্ধা মহিলার সাক্ষাৎকার। যিনি তাঁর স্বামীর সাথে সফলতার সাথে কাটিয়ে দিলেন দীর্ঘ পঞ্চাশটি বছর। তাদের জীবন শান্তিতে ভরপুর ছিল। ঝগড়া তো দুরের কথা, দাম্পত্য জীবনে কখনো কথা কাটাকাটি পর্যন্ত হয়নি। 

একজন সাংবাদিক এই বৃদ্ধার কাছে তার পঞ্চাশ বছরের স্থায়ী সফলতার রহস্যের ব্যপারে জানতে চাইলেন।

.

কী ছিল সে রহস্য? মজার মজার খাবার বানানো? দৈহিক সৌন্দর্য? বেশী সন্তান জন্ম দেয়া? নাকি অন্যকিছু?

বৃদ্ধা বললেন, দাম্পত্য জীবনের সুখ শান্তি প্রথমত আল্লাহর ইচ্ছা অতপর স্ত্রীর হাতেই। একজন স্ত্রী চাইলে তার ঘরটাকে জান্নাতের টুকরো বানাতে পারেন আবার চাইলে এটাকে জাহান্নামেও পরিনত করতে পারেন।

.

কীভাবে? অর্থ দিয়ে? তা তো হতে পারে না। কেননা অনেক অর্থশালী মহিলা আছেন, যাদের জীবনে দুঃখ দুর্দশার শেষ নেই, যাদের স্বামী তাদের কাছেই ভিড়তে চান না।

.

সন্তান জন্ম দান? না, তাও নয়। কারণ, অনেক মহিলা আছেন, যাদের অনেক সন্তান আছে, অথচ স্বামী পছন্দ করেননা। এমনকি এ অবস্থায় তালাক দেওয়ার নজিরও কম নয়।

.

ভালো খাবার বানানো? এটাও না, কারণ অনেক মহিলা আছেন, যারা রান্না বান্নায় বেশ দক্ষ, সারা দিন রান্না ঘরে কাজ করে, অথচ স্বামীর দুর্ব্যবহারের সম্মুখীন হন।

.

তার কথায় সাংবাদিক বিস্মিত হয়ে গেলেন। বললেন, তাহলে আসল রহস্যটা কী? 

বৃদ্ধা বললেন, যখনই আমার স্বামী রেগে গিয়ে আমাকে বকাবকি করতেন, আমি অত্যন্ত সম্মান দেখিয়ে নিরবতা অবলম্বন করতাম এবং অনুতপ্ত হয়ে মাথা দুলিয়ে তার প্রতিটি কথায় সায় দিতাম।

সাবধান! বিদ্রুপের দৃষ্টিতে কখনো চুপ হয়ে থেকো না, কেননা পুরুষ মানুষ বিচক্ষণ হয়ে থাকে, এটা সহজেই বুঝতে পারে।

.

সাংবাদিক: ঐ সময় আপনি ঘর থেকে বের হয়ে যান না কেন? 

বৃদ্ধা: সাবধান! সেটা কখনো করবেননা। তখন তিনি মনে করবেন, আপনি তাঁর কথায় বিরক্ত হয়ে পালাতে চাচ্ছেন। আপনার উচিত, চুপ থেকে ওর প্রতিটি কথায় হা সুচক সায় দেওয়া, যতক্ষণ না তিনি শান্ত হন।

অতপর আমি তাকে বলি, আপনার শেষ হয়েছে? এবার আমি যেতে পারি? তারপর আমি চলে যাই, আর আপন কাজে লেগে যাই। কারন চিৎকার করে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, তার বিশ্রাম প্রয়োজন।

.

সাংবাদিক: এরপর কি করেন? এক সপ্তাহ খানেক তার থেকে দূরে থাকেন, এবং কথা বলা বন্ধ রাখেন নিশ্চয়?

বৃদ্ধা: সাবধান! এধরনের বদভ্যাস থেকে দূরে থাকুন। 

যা দুধারী তরবারির চেয়েও মারাত্মক। স্বামী যখন আপনার সাথে আপোষ করতে চান তখন যদি আপনি তার কাছে না যান, তখন তিনি একা থাকতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। কখনো কখনো এ অবস্থা তাকে প্রচন্ড জিদের দিকে ঠেলে দেবে।

.

সাংবাদিক: তাহলে কি করবেন তখন?

বৃদ্ধা: দুই ঘন্টা পর এক গ্লাস দুধ বা এক কাপ গরম চা নিয়ে তার কাছে যাই, আর বলি, নিন, এগুলো খেয়ে নিন, আপনি খুব ক্লান্ত। এসময় তার সাথে অত্যন্ত স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলি। তারপর তিনি বলেন, রাগ করেছো? আমি বলি, না।

তারপর, তার দূর্ব্যবহারে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং স্নেহ ও ভালোবাসার কথা বলেন।

.

সাংবাদিক: আপনি কি তার কথা তখন বিশ্বাস করেন?

বৃদ্ধা: অবশ্যই। কেন নয়? শান্ত থাকা অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস না করে, রাগান্বিত অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস করব?

.

সাংবাদিক: তাহলে আপনার ব্যক্তিত্ব?

বৃদ্ধা: আমার স্বামীর সন্তুষ্টিই আমার ব্যক্তিত্ব। আমাদের স্বচ্ছ সম্পর্কই আমাদের ব্যক্তিত্ব। আর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কোন ব্যক্তিত্ব থাকে না। যার সামনে তুমি পুরোপুরি ভাবে বস্ত্রমুক্ত হয়েছ, তার কাছে আবার কিসের ব্যক্তিত্ব? 

মহান রব আমাদের দুনিয়ার জীবন ও আখেরাতের জীবনে কল্যান দান করুন। আমীন

হাজার বছর ধরে "কে সেলুলয়েডে রুপ দেবেন

 উপন্যাসের লেখক 

'জহির রায়হান' এর স্ত্রী অভিনেত্রী কোহিনূর আক্তার সূচন্দা সিদ্ধান্ত নেন স্বামীর কালজয়ী উপন্যাস

"হাজার বছর ধরে "কে সেলুলয়েডে রুপ দেবেন।


সব ঠিকঠাক,

মন্তুু চরিত্রে সূচন্দার'ই কাজিন অভিনেতা রিয়াজকে

কাস্ট করেন।

রিয়াজ আবার আর্ট ফিল্মে ভাল অভিনয় করে।

টুনি চরিত্রে কোনো চিন্তাভাবনা ছাড়াই শাবনূরকে 

অফার করেন।

কারণ,

টুনি চরিত্রটি যখনই সেলুলয়েডে কল্পনা করা হয় তখন

শাবনূরের বিকল্প কাউকে চিন্তা করা যায়না।

ছটফটে তরুণী থেকে বিধবা বৃদ্ধা। এসব খোলস পাল্টানো অভিনয় শাবনূর ভাল পারবে।


কিন্তু রিয়াজের সাধে ঝামেলা থাকায় শাবনূর কোনো ভাবেই রাজি হয়নি।

পরে শশীকে কাস্ট করা হয়।

উপন্যাসের সাথে মিল রাখতে গিয়ে ও সম্পূর্ণ গ্রামীণ

ছাপ রাখতে পরিচালক সূচন্দা বিদ্যুৎ বিহীন গ্রাম

খুঁজে বের করেন।যা খুব কষ্টসাধ্য ছিল।

উল্লেখিত উপন্যাসের সাথে ঋতু মিল রাখতে গিয়ে ও শিডিউল সমস্যায়,

প্রায় ৩ বছর লেগে যায় ছবিটি বানাতে।

কিন্তু কলাকৌশলীদের পরিশ্রম বৃথা যায়নি।

ছবিটি ছিল জীবন্ত।

এখনো দেখলে সেই নকশিকাঁথার মাঠ কিংবা

গ্রাম বাংলায় ফিরে যায় দর্শক।

"হাজার বছর ধরে" অপেক্ষা করলেও এমন ছবি

আর পাবো কিনা জানিনা!


বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...