এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪

বড় বড় সেতু বাঁকা হয় কেনো? 

 বড় বড় সেতু বাঁকা হয় কেনো? 

=================== 

বড় বড় সেতু বাঁকা হওয়ার কারণ মূলত প্রকৌশলগত নকশা এবং কার্যকারিতা সংক্রান্ত। এটি সেতুর স্থায়িত্ব, ভারবহন ক্ষমতা এবং নির্মাণের সুবিধার জন্য করা হয়। নিচে এর কয়েকটি কারণ ব্যাখ্যা করা হলো:


১. ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা এড়ানো

সরাসরি সেতু নির্মাণ সবসময় সম্ভব হয় না, বিশেষ করে নদী, পাহাড় বা শহরের মধ্যে যেখানে সরাসরি রাস্তা বা স্থানীয় কাঠামোর জন্য বাধা থাকে। বাঁকা নকশা এই ধরনের জায়গাগুলোর সাথে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে।


২. প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধ

বাঁকা সেতু ভূমিকম্প বা তীব্র বাতাসের সময় আরও স্থিতিশীল থাকে। বাঁকা নকশা সেতুর বিভিন্ন অংশে চাপ সমানভাবে বিতরণ করতে সাহায্য করে, ফলে এটি শক্তিশালী হয়।


৩. চাপ ও ভারসাম্য বণ্টন

বাঁকা সেতুর মাধ্যমে গাড়ির ওজন বা অন্য চাপ সমানভাবে সেতুর উপর ছড়িয়ে পড়ে। এটি সেতুর বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত চাপ পড়া থেকে রক্ষা করে এবং সেতুর আয়ুষ্কাল বাড়ায়।


৪. স্থাপত্য নান্দনিকতা

বাঁকা সেতু দেখতে সুন্দর এবং আধুনিক নকশার উদাহরণ হতে পারে। শহর বা এলাকার নান্দনিক চাহিদা মেটানোর জন্য অনেক সময় সেতুকে বাঁকা করে ডিজাইন করা হয়।


৫. যান চলাচলের সুবিধা

বাঁকা সেতু কখনো কখনো পথের দিক পরিবর্তনের জন্য তৈরি করা হয়। এটি যানবাহনের চলাচলকে সহজ এবং নিরাপদ করে তোলে।


উদাহরণ:

পদ্মা সেতু এবং সিডনি হারবার ব্রিজের মতো বড় সেতুগুলোতেও এই ধরনের বাঁকা নকশা দেখা যায়।

পৃথিবীর অনেক জায়গায় নদী, সমুদ্র এবং পার্বত্য এলাকায় বাঁকা সেতু দেখা যায় এর কার্যকারিতার কারণে।

#bridge #naeemcivilnote #constructionindustry #structures #engineering #Bangladesh

চিকেন রেশমি কাবাব রেসিপি

 চিকেন রেশমি কাবাব রেসিপি

🌿উপকরণ:

চিকেন- ৫০০ গ্রাম(হাড় ছাড়া বুকের মাংস)।

লেবুর রস- ১ টে চামুচ।

টকদই- ১/৩ কাপ।

আদা বাটা- ১ টে চামুচ। 

রসুন বাটা- ১ টে চামুচ।

কাঠবাদাম  পেস্ট- ২ টে চামুচ। 

সয়া সস ১ টে চামুচ। 

চিলি সস ১ টে চামুচ। 

গোলমরিচ গুঁড়া- ১/২ চা চামুচ।

গরম মশলা গুঁড়া-১/২ চা চামুচ।

শুকনো মরিচ গুঁড়া-  ১/২ চা চামুচ। 

ফ্রেশ ক্রিম- ২৫০ গ্রাম।

চিনি-১/২ চা চামুচ।

ধনেপাতা

তেল- পরিমাণ মত (ভাজার জন্য)।

বাটার -১ চা চামুচ। 

লবণ- স্বাদমতো।

শাসলিকের কাঠি 

🌿প্রস্তুত প্রণালীঃ

শাসলিকের কাঠিগুলো পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে ১০/১৫মিনিট।এতে ভাজার সময় কাঠিগুলো পুড়ে যাবে না।


মুরগির বুকের হাড় ছাড়া মাংস মাঝারি সাইজের কিউব আকারে টুকরা করে কেটে ধুয়ে পানিঝরিয়ে নিতে হবে।

একটি বড়ো বাটিতে চিকেনের সাথে - টকদই, বাদাম পেস্ট, সস, আদা-রসুন বাটা, ক্রিম, লেবুর রস, লবণ, ধনেপাতা অন্যান্য গুঁড়া মসলা এবং লবণ মিশিয়ে মাখিয়ে ২/৩ ঘন্টার জন্য মেরিনেট করে রেখে দিতে হবে।  

ভেজানো কাঠিতে চিকেনের টুকরা গেঁথে নিতে হবে। এরপর ছড়ানো প্যানে একদম অল্প তেল গরম করে গেথে নেয়া চিকেনের কাঠিগুলো কয়েকটা৩/৪ টা করে  দিয়ে দিতে হবে ।মাঝারি আঁচে কিছু সময় পর পর কাবাবগুলো উল্টিয়ে দিয়ে ভেজে নিতে হবে।

গোল্ডেন ব্রাউন/সোনালী কালার হয়ে এলে নামিয়ে সামান্য বাটার ব্রাশ করে নিতে হবে তাহলেই তৈরি হয়ে যাবে- চিকেন রেশমি কাবাব।

সয়াবিন তেল(Soyabean Oil

 "সয়াবিন তেল(Soyabean Oil)"

সয়াবিন তেল হল উদ্ভিজ্জ তেল, যা সয়াবিনের বীজ থেকে পাওয়া যায়। এটি সর্বাধিক ব্যবহৃত রান্নার তেলগুলির মধ্যে একটি এবং দ্বিতীয় সর্বাধিক ব্যবহৃত উদ্ভিজ্জ তেল। শুকানোর তেল হিসাবে, প্রক্রিয়াকৃত সয়াবিন তেলকে ছাপানোর কালি ( সয়া কালি ) এবং তেল রঙের জন্য ভিত্তি হিসাবেও ব্যবহার করা হয়।


ইম্পোর্টেড সয়াবিন তেল, সেরা গুনগত মানসম্পন্ন এই প্রডাক্ট পাচ্ছেন আপনার হাতের নাগালে থাকা কোম্পানি "Tulip Commodities" এ। 


আমরা এরকম  পণ্য বিশ্বের উল্লেখযোগ্য দেশগুলো থেকে সরাসরি Import করে থাকি। 


অফলাইনে ডিলার পয়েন্টে, এবং অনলাইনে কাস্টমার পর্যায়ে আমরা এই পণ্যগুলো সরবরাহ করছি।


অর্ডার করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। 


 ☎️📞📱    01829-427716 


🏢আমাদের ঠিকানা: মাইপাড়া বাজার, পুঠিয়া, রাজশাহী । 


♻️সর্বোচ্চ মানের Imported-Essential Product 

পেতে 

    "Tulip ~ Commodities" এর সাথেই থাকুন,

 ধন্যবাদ।

ক্লাস সেভেন নাকি ক্লাস এইটের পাঠ্য বইতে আবুল মনসুর আহমদের একটি রম্য ট্রেজেডিক গল্প ছিল " আদু ভাই " নামে । এই আদু বছর পর বছর ফেল করে একই ক্লাসে পড়ে থাকত,,,,,,,,বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ক্লাস সেভেন নাকি ক্লাস এইটের পাঠ্য বইতে আবুল মনসুর আহমদের একটি রম্য ট্রেজেডিক গল্প ছিল " আদু ভাই " নামে । এই আদু বছর পর বছর ফেল করে একই ক্লাসে পড়ে থাকত । আদু ভাইয়ের সাথের বন্ধুরা পাশ টাশ করে একই স্কুলে টিচার হিসেবে এসেছে । কিন্তু আদু ভাই ক্লাস সেভেন থেকে ক্লাস এইটে পাশ করা হয়ে উঠে না । শেষে তার বিয়ে হয় , ছেলের সাথে ক্লাস সেভেনের পরীক্ষা দেয় এবং পাশ করে কিন্তু এই পাশ আদু ভাই দেখে যেতে পারেনি । তার কবরে মার্বেল পাথরে লিখা ছিল " টেবলেটে লেখা রয়েছে:

Here sleeps Adu Mia who was promoted

from Class VII to Class VIII. "


ছেলে বলল: বাবার শেষ ইচ্ছামতই ও ব্যবস্থা করা হয়েছে । এখানে বাস্তব এক আদু ভাইয়ের গল্প যা আমি ১৯৭৯ সালের ইত্তেফাকের মাধ্যমে জেনেছিলাম তখন । এই "বাস্তবের আদু ভাই" ছিলেন দাউদকান্দির। নাম আব্দুল মান্নান। তিনি পাকিস্তান আমলে (১৯৬০) সালে ম্যাট্রিক পরীক্ষা দেন, তখনো এস এস সি নাম চালু হয়নি । সেই ১৯৬০ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ১৬ এস এস সি দেন কিন্তু পাশ করতে পারেন নি । ১৯৭৬ এবং ১৯৭৭ সালে তিনি ক্লান্ত ছিলেন বলে পরীক্ষা দিতে পারেন নি । পরে তিনি ১৯৭৮ এবং ১৯৭৯ সালের পরীক্ষা দেন । দাউদকান্দির মজিদপুর বিদ্যালয়ের গৌরি পুর কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা দেন । এবার তিনি পাশ করেন তৃতীয় বিভাগে । তার বর্তমান বয়স ( ১৯৭৯ সালে ) চল্লিশ বছর । এস এস সি পাশ করেন নি বলে বিয়ে থাও করতে পারেন নি । ---- এই খবর ছিল ৯ আগাস্ট ১৯৭৯ সালের ইত্তেফাকে । তখন আমাদের বন্ধুদের মাঝে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল এই ঘটনা!


ছবি: দৈনিক ইত্তেফাক , ১৯৭৯ সাল ।

সৌজন্যে: বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র (বিনয়)


#Adu_Bhai #truestory #Bangladesh #BDCS #giridhardey #itihaserkhojegiridhar #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর





আমরা অনেকেই জানি না বিষয়গুলো আবার অনেকেই দুএকটা জানি এখানে অনেকগুলো কারন লিখা আছে ব্যাখ্যা সহ আমরা জেনেই বিষয়গুলো এবং জানাটা অনেক দরকার,,,, ইয়াসিন আরাফাত ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমরা অনেকেই জানি না বিষয়গুলো আবার অনেকেই দুএকটা জানি এখানে অনেকগুলো কারন লিখা আছে ব্যাখ্যা সহ আমরা জেনেই বিষয়গুলো এবং জানাটা অনেক দরকার 


দারুল উলূম দেওবন্দ ও হক্বানী উলামায়ে কেরামের মতে, যে সমস্ত কারণে মাওলানা সাদ সাহেব বিতর্কিত এবং তাকে মানা যাবে না।


কারণগুলি নিম্নরূপঃ


১. ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রাখা হারাম। কারো পকেটে ক্যামেরা বিশিষ্ট মোবাইল রেখে নামায পড়লে তার নামায শুদ্ধ হবে না।


২. যেই উলামায়ে কেরাম ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রাখেন, তাঁরা উলামায়ে ছূ। বারবার কসম করে বলেন, তাঁরা হলেন উলামায়ে ছূ। এমন আলেমরা হল গাধা।


৩. মোবাইলে কুরআন শরীফ পড়া এবং শোনা, প্রস্রাবের পাত্র থেকে দুধ পান করার মতো। পেসাবদানী ছে পানি পিনা হাঁয়'।


৪. কুরআন শরীফ শিখিয়ে যাঁরা বেতন গ্রহণ করেন, তাঁদের বেতন বেস্যার উপার্জনের চেয়ে খারাপ। যেই ইমাম এবং শিক্ষকরা বেতন গ্রহণ করেন, তাদের আগে বেস্যারা জান্নাতে প্রবেশ করবেন।


৫. মাদরাসা গুলোতে যাকাত না দেয়া হোক। মাদরাসায় যাকাত দিলে যাকাত আদায় হবে না। সারা আলমের মাদরাসা গুলো যাকাত নিয়ে হারাম কাজ করতেছে।


৬. রাসূল স. এর বাই'আতের পর কেবল তিন জনের বাই'আত পূর্ণতা পেয়েছে, আর সবার বাই'আত অপূর্ণ। তিনজন হলেন, (ক) শাহ ইসমাঈল শহীদ রহ. (খ) মাও. মুহা. ইলিয়াছ রহ. (গ) মাও. মুহা. ইউসূফ রহ.।


৭. মাও. সা'আদ বিভিন্ন ইজতিমায় একাধিকবার সুন্নাতকে তিন প্রকার বলে বয়ানে বলে থাকেন, ইবাদাতের সুন্নাত, দাওয়াতের সুন্নাত এবং আচার-আচরণের সুন্নাত।


৮. দাওয়াতের পথ নবীর পথ, তাছাউফের পথ নবীর পথ নয়।


৯. আযান হল-তাশকীল, নামায হল-তারগীব আর নামাযের পরে আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়া হল-তারতীব।


১০. রাসূল স. দাওয়াত ইলাল্লাহ'র কারণে ইশারের নামায দেরীতে পড়ছেন। অর্থাৎ নামাযের চেয়ে দাওয়াতের গুরুত্ব বেশি।


১১. হযরত ইউসূফ আ. 'উযকুরনী ইনদা রাব্বিক' বলে গাইরুল্লাহ'র দিকে নযর দেয়ার কারণে অতিরিক্ত সাত বছর জেলখানায় থাকতে হয়েছে।


১২. হযরত মুসা আ. দাওয়াত ছেড়ে দিয়ে কিতাব আনতে চলে গেছেন। দাওয়াত ছেড়ে চলে যাওয়ার কারণে পাঁচলক্ষ সাতত্তর হাজার লোক মুরতাদ হয়েগেছেন।


১৩. হযরত যাকারিয়া আ. আল্লাহকে বাদ দিয়ে গাছের কাছে আশ্রয় চাইলেন ফলে শাস্তি ভোগ করতে হল।


১৪. হযরত মূসা আ. থেকে এক বড় ভুল হয়েগেছে (এই ইবারতাটা হুবাহু মওদুদী সাহবের ইবারত)। এবং তিনি অপরাধ করে বসছেন। এই জন্য তিনি ক্বওমকে ছেড়ে আল্লাহর সান্বিধ্য লাভের জন্য নির্জনতা গ্রহণ করলেন।


১৫. আমাদের কাজের (তাবলিগী) সাথে লেগে থাকা এবং মাওলানা ইলিয়াছ ও মাওলানা ইউসূফ সাহেবের কিতাব পড়বে, অন্য কোন কিতাব পড়বে না।


১৬. হযরত মূসা আ. কর্তৃক হযরত হারুন আ. কে নিজের স্থলাভিষিক্ত বানানো উচিত হয় নি।


১৭. সকাল সকাল কুরআন শরীফ তেলাওয়াত করা এবং নফল নামায পড়ার একটা অর্থ বুঝে আসে কিন্তু আল্লাহ আল্লাহ জিকির কী অর্জন হয়? কিছুই হয় না।


১৮. এ-তাবলীগী কাজ, এছাড়া দীনের যত কাজ আছে-দীনি ইলম শিখানো, দীনি ইলম শিখা, আত্মশুদ্ধি, কিতাবাদি রচনা করা; কোনটাই নবুওয়াতী কাজ না।


১৯. মাদরাসার শিক্ষকগণ মাদরাসায় খিদমাত করার কারণে দুনিয়াবী ধ্যান্দায় জড়িয়ে পড়ছে, এই জন্য তাদের দীনের মেহনতে সময় দেয়া দরকার।


২০. কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা’আলা বান্দাকে জিজ্ঞাস করবেন, তা’লীমে বসছিলে কি না, গাস্ত করছিলে কি না?


২১. প্রত্যেক সাহাবী অপর সাহাবীর ‍বিরুদ্ধাচরণ করছেন।


২২. হিদায়েতের সম্পর্ক যদি আল্লাহর হাতে হতো, তাহলে নবী পাঠাতেন না।


২৩. আপনাদের কাছে সবচাইতে বড় গোনাহ চুরি-যেনা, এর চাইতে বড় গোনাহ হল, খুরুজ না হওয়া। তাই হযরত কা’ব ইবনে মালেকের সাথে পঞ্চাশ দিন পর্যন্ত কথা-বার্তা বন্ধ রাখা হয়।


২৪. কুরআন শরীফ বুঝে-শুনে তেলাওয়াত করা ওয়াজিব। না বোঝে তেলাওয়াত করলে ওয়াজিব তরকের গোনাহ হবে। ইত্যাদি ইত্যাদি।


সুত্র...... সা'দ সাহেবের আসল রূপ


-------------------------------------------

শতবছর আগে দ্বীন ও ইসলামের দাওয়াতি কাজকে তরান্বিত করতে মাওলানা ইলিয়াস (রাহ.) দিল্লির নিজামুদ্দিন মসজিদ থেকে তাবলিগের কাজ শুরু করেন। 

মাওলানা ইলিয়াস (রাহ.)-এর ছেলে মাওলানা ইউসুফ(রাহ.), তাহার ছেলে মাওলানা হারুন (রাহ.), তারই ছেলে হলেন বিতর্কিত মাওলানা সাদ কান্ধলভী।


দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজের বর্তমান মুরব্বী সাদ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় কুরআন, হাদিস, ইসলাম, নবি-রাসুল ও নবুয়ত এবং মাসআলা-মাসায়েল নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন।


তিনি তার এ সব আপত্তিকর মন্তব্যের জন্য দেওবন্দসহ বিশ্ব আলেমদের কাছে বিতর্কিত হয়েছেন। তাঁর বিতর্কিত মন্তব্যগুলো ‘সা’আদ সাহেবের আসল রূপ’ নামে একটি ছোট্ট বই আকারে প্রকাশ করেছেন জামিয়া মাদানিয়া বারিধারার মুহাদ্দিস, তাবলিগ জামাতের শীর্ষ মুরব্বী এবং দ্বন্দ্ব নিরসনে ভারত সফরকারী ৫ সদস্যের অন্যতম মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক।


তাঁর লিখিত ‘মাওলানা সাদ সাহেবের আপত্তিকর’ কুরআন-হাদিস বিরোধী বক্তব্যগুলো তুলে ধরা হলো-


> ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকা

>> ভোটের সময় চিহ্ন হিসাবে (আঙুলে) যে রং লাগানো হয়, তার কারণে নামাজ হয় না। তাই ভোট না দেয়া উচিত।


> কুরআন শরীফের ভুল ব্যাখ্যা

>> বিভিন্ন আয়াতে তিনি বলেন, মুফাসসিরিন এই আয়াতের কোনো এক তাফসির করেছেন, ওলামা কোনো এক তাফসির করে থাকেন, কিন্তু আমি এই তাফসির করে থাকি। এটা শুনো। এটাই সঠিক তাফসির!


> ইসলাম ও ওলামাদের বিরোধীতা

>> ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রাখা হারাম এবং পকেটে ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রেখে নামাজ হয় না। যে আলেমগণ ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রাখাকে ‘জায়েজ’ বলেন, তারা ‘ওলামায়ে ছু’। বার বার কসম খেয়ে তিনি বলেন, তারা হলো ‘ওলামায়ে ছু’। এমন আলেমরা হলো গাধা! গাধা! গাধা!


> জাহেলি ফতোয়া

>> মোবাইলে কুরআন শরীফ পড়া এবং শোনা; প্রস্রাবের পাত্র থেকে দুধ পান করার মতো! (নাউজুবিল্লাহ)


> মাদরাসা মসজিদের বেতন বেশ্যার উপার্জনের চেয়ে খারাপ

>> কুরআন শরিফ শিখিয়ে বেতন গ্রহণ করেন, তাদের বেতন বেশ্যার উপার্জনের চেয়েও খারাপ। যে ইমাম এবং শিক্ষক বেতন গ্রহণ করেন, বেশ্যারা তাদের আগে জান্নাতে যাবে!


> কাওমি মাদরাসা বন্ধ করার অপচেষ্টা

>> মাদরাসাগুলোতে জাকাত না দেয়া হোক। মাদরাসায় জাকাত দিলে জাকাত আদায় হবে না।


> আওলিয়াদের সঙ্গে শত্রুতা

>> রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পর কেবল তিনজ লোকের ‘বাইআত’ পূর্ণতা পেয়েছে। আর বাকি সবার বাইআত অপূর্ণ। সেই ৩ জন হলেন- শাহ ইসমাঈল শহীদ, মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস এবং মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফ।


> সুন্নাত সম্পর্কে জাহেলি মন্তব্য

>> মাওলানা সাদ সাহেব আযমগড়ের ইজতেমায় এবং অন্যান্য ইজতেমায় একাধিকবার সুন্নাতকে ‘৩ প্রকার’ বলে বর্ণনা করেছেন- ইবাদতের সুন্নাত, দাওয়াতের সুন্নাত এবং আচার-অভ্যাসের সুন্নাত।


> নবিওয়ালা কাজের বিরোধীতা

>> ‘দাওয়াতের পথ’ হলো নবির পথ, ‘তাসাউফের পথ’ নবির পথ না।


> ভ্রান্ত আকিদা

>> আজান হলো ‘তাশকিল’ (প্ল্যান-পরিকল্পনা)। নামাজ হলো ‘তারগীব’ (পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উদ্বুদ্ধকরণ)। আর নামাজের পর আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়া হলো ‘তারতীব’ (পরিকল্পনার মূল বাস্তবায়ন)।


>> রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাওয়াত ইলাল্লাহর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইশার নামাজকে পর্যন্ত বিলম্ব করে পড়েছেন। অর্থাৎ নামাজের চেয়ে দাওয়াতের গুরুত্ব বেশি।


>> হজরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম ‘তোমার প্রভুর কাছে আমার কথা বল’ বলে গাইরুল্লাহর দিকে দৃষ্টি দেয়ার কারণে তাকে অতিরিক্ত ৭ বছর জেলখানায় থাকতে হয়েছে।


>> হজরত জাকারিয়া আলাইহিস সালাম আল্লাহকে ছেড়ে গাছের কাছে আশ্রয় চাইলেন। ফলে শাস্তি ভোগ করতে হলো।


>> মুজিজার সম্পর্ক কেবল দাওয়াতের সঙ্গে। নবুয়াতের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।


>> হজরত মুসা আলাইহিস সালাম থেকে বড় এক ভুল হয়ে গেছে এবং তিনি এক অপরাধ করে ফেলেছেন- জামাআত এবং কাওমকে ছেড়ে তিনি আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের জন্য ‘নির্জনতা’ অবলম্বন করেছেন।


>> হজরত মুসা আলাইহিস সালাম কর্তৃক হজরত হারুন আলাইহিস সালামকে নিজের স্থলাভিষিক্ত বানানোও অনুচিৎ কাজ হয়েছে।


>> হেদায়েতের সম্পর্ক যদি আল্লাহর হাতে হতো; তাহলে তিনি নবি পাঠাতেন না।


>> কুরআন শরীফ বুঝে-শুনে তেলাওয়াত করা ওয়াজিব। তরজমা না জেনে তেলাওয়াত করলে তরকে ওয়াজিবের গোনাহ হবে।


>> আপনাদের কাছে সবচাইতে বড় গোনাহ- চুরি, যিনা। ঠিকই এটা বড় গোনাহ; তবে তার চাইতে বড় গোনাহ হলো খুরুজ না হওয়া। তাই হজরত কা’ব ইবনে মালেকের সঙ্গে ৫০ দিন পর্যন্ত কথাবার্তা বন্ধ রাখা হয়।


>> জিকিরের অর্থ আল্লাহ আল্লাহ বা অন্যান্য তাসবিহ পড়া নয়; জিকিরের আসল অর্থ আল্লাহর আলোচনা করা।


> আল্লাহ তাআলার হুকুমের সমালোচনা

>> হজরত মুসা আলাইহিস সালাম দাওয়াত ছেড়ে দিয়ে (আল্লাহর হুকুমে) কিতাব আনতে চলে গেছেন। দাওয়াত ছেড়ে (কিতাব আনতে) চলে যাওয়ার কারণে ৫ লাখ ৭৭ হাজার লোক মুরতাদ হয়ে গেল।


> তাবলিগের নতুন ধারা

>> আমাদের কাজের সঙ্গে লেগে থাকা সাথীরাই কেবল মাওলানা ইলিয়াস এবং মাওলানা ইউসুফ সাহেবের মালফুজাতই পড়বে। এগুলো ছাড়া (ফাজায়েলে আমল ও ফাজায়েলে সাদাকাতসহ) অন্য কিতাবাদি পড়বে না।


> জিকিরের অস্বীকার

>> সকাল-সকাল কুরআন তেলাওয়াত করা এবং নফল নামাজ পড়ার তো একটা অর্থ বুঝে আসে। কিন্তু আল্লাহ আল্লাহ বলে জিকির করে কী অর্জন হয়? কিছুই অর্জন হয় না!


>> এই এক তাবলিগই নবুয়তের কাজ। এ ছাড়া দ্বীনের যত কাজ আছে- দ্বীনি ইলম শিখানো, দ্বীনি ইলম শেখা, আত্মশুদ্ধি, কিতাবাদি রচনা করা কোনোটাই নবুয়তের কাজ না।


>> মাদরাসার উস্তাদরা বেতন নেয়ার কারণে দুনিয়াবি ধান্দায় জড়িয়ে আছে। এ কারণে দ্বীনের খেদমতের জন্যও তাদের কিছু সময় দেয়া উচিৎ।


> আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা অপবাদ

>> কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা বান্দাকে জিজ্ঞাসা করবেন, তা’লিমে বসেছিলে কি না? গাশ্‌ত করেছিলে কি না?


> সাহাবায়ে কেরামের ওপর মিথ্যা অপবাদ

>> প্রত্যেক সাহাবী অপর সাহাবীর বিরুদ্ধাচরণই করেছেন।


উল্লেখিত কুরআন-হাদিস বহির্ভূত আলোচনার জন্য ওলামায়ে দেওবন্দসহ বিশ্ব মুসলিমের অন্যতম আলেমগণ তাঁকে ক্ষমা চাওয়া এবং তাওবার আহ্বান জানান।


এসব গোমরাহী কথা-বার্তার অডিও রেকর্ড দারুল উলুম দেওবন্দে সংরক্ষিত আছে।


সুতরাং, এ  কারণে উনাকে মানা হারাম।

সংসারের টুকিটাকি কিছু  টিপস জেনে নিন-

  সংসারের টুকিটাকি কিছু  টিপস জেনে নিন-


১। সাদা মোজা ধোয়ার জন্য গুড়া সাবানের সঙ্গে ১ চা চামচ সাদা সিরকা মিশিয়ে নিন। এতে মোজা যেমন সাদা হবে তেমনি মোলায়েম থাকবে।


২। ওয়াশিং মেশিনে কাপড় ধোয়ার সময় ওয়াশিং পাউডারের সঙ্গে ১ চামচ বরিক পাউডার মিশিয়ে দিন। এতে ধোয়ার পর কাপড় সব একসঙ্গে জট পাকাবে না।


৩। সাদা কাপড় থেকে হালকা কোন দাগ তোলার জন্য কাপড় ধোয়ার পর ২টি পাতি লেবুর রস আধা বালতি পানিতে মিশিয়ে ভিজা কাপড় ডুবিয়ে দিন। ১০ মিনিট পর তুলে না নিংড়ে মেলে দিন।


৪। বলপেনের দাগ কাপড় থেকে তুলতে চাইলে কাচা মরিচের রস ঘষে ঘষে দাগের ওপর লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। তারপর গুঁড়া সাবান দিয়ে কাপড় ধুয়ে নিন। দাগ চলে যাবে।


৫। তেল চিটচিটে তাক বা কাঠের র‍্যাক পরিষ্কার করা জন্য ১ কাপ পানিতে ১ চা চামচ সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মসলিনের কাপড় দিয়ে ঘষে ঘষে মুছে নিন। তাকগুলো চমৎকার হয়ে উঠবে।


৬। ওয়াশ বেসিন বা সিল্ক বেসিন পরিষ্কার করার জন্য খানিকটা ফ্ল্যাট সোডা যেমন কোক-পেপসি ইত্যাদি ঢেলে দিন। ৫ মিনিট পর মুছুন। দেখুন কেমন নতুনের মত চকচকে হয়ে উঠেছে।


৭। হাঁড়ি-পাতিল থেকে পোড়া ও কালো দাগ তোলার জন্য সিরিষ কাগজে গুঁড়া সাবান লাগিয়ে ঘষুন। তারপর ধুয়ে নিন। পোড়া দাগ চলে যাবে।


৮। পুরোনো হাঁড়ি থেকে তেল কালির দাগ তোলার জন্য চা পাতা বা কফি দিয়ে ঘষুন। দেখবেন দাগ চলে যাবে।


৯। মশা, মাছি ও পিপড়ার উপদ্রব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ঘর মোছার পানিতে সামান্য ডিজেল মিশিয়ে নিন। উপদ্রব বন্ধ হয়ে যাবে।


১০। ঘরের মেঝে বা যেকোন মোজাইক পরিষ্কার করার জন্য পানিতে কেরোসিন মিশিয়ে নিন ও এই পানি দিয়ে ঘর মুছে নিন। এতে মেঝে চকচক করবে।


১১। রান্নাঘরের কেবিনেট বা কাউন্টার যদি মার্বেল পাথরের হয় তাহলে পরিষ্কার করার জন্য খাবার সোডা পানিতে গুলে রাতে লাগিয়ে রাখুন। সকালে পানিতে সাদা সিরকা মিশিয়ে কাপড় দিয়ে মুছে নিন। সব দাগ চলে যাবে।


১২। রান্নাঘর থেকে পোড়া বা যেকোন গন্ধ দূর করতে চাইলে একটি পাত্রে কিছুটা সিরকা চুলায় চাপান। শুকান অবধি জ্বাল করুন।


১৩। বারান্দা বা জানালার গ্রিল পরিষ্কার করার জন্য প্রথমে শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে নিন। তারপর আধা কাপ কেরোসিন তেলের সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ তুলোয় দিয়ে লাগিয়ে নিন। এতে গ্রিলে ময়লা বা জং লাগবে না।


১৪। বাসনকোসনে কোন কিছুর কষ লাগলে টক দই বা দুধের সর দিয়ে ঘষে ধুয়ে নিলে দাগ দূর হয়ে যাবে।


১৫। চিনেমাটির পাত্রে দাগ পড়লে লবণ পানি দিয়ে সহজেই পরিষ্কার করা যায়।


১৬। নারকেল ভাংগার পূর্বে কিছু সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখলে নারকেলটি সমান দু'ভাগে ভেঙে যাবে।


১৭। সেদ্ধ ডিমের খোসা তাড়াতাড়ি এবং ভাল ভাবে ছাড়াতে চাইলে ফ্রিজের ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।


১৮। পাটালী গুড় শক্ত রাখতে চাইলে গুড়টি মুড়ির মাঝে রাখুন।


১৯। আদা টাটকা রাখার জন্য বালির মাঝে রেখে দিন।


২০। ঘি-এ সামান্য লবণ মিশিয়ে রাখলে অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকবে।


২১। বিস্কুট টাটকা এবং মচমচে রাখার জন্য কৌটার মাঝে এক চামুচ চিনি অথবা ব্লটিং পেপার রেখে দিন।


২২। অপরিপক্ক লেবু থেকে রস পাওয়ার জন্য ১৫মিনিট গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।


২৩। রান্না তাড়াতাড়ি করার জন্য মসলার সাথে ক'ফোটা লেবুর রস মিসিয়ে দিন, দেখবেন সবজি তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।


২৪। সবজির রঙ ঠিক রাখতে ঢাকনা দিয়ে জ্বাল না দেয়াই ভালো। আর কিছু সবজি আছে যেগুলো সামান্য সেদ্ধ করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেও রান্নার পরও রঙ ঠিক থাকে।


২৫। কড়াইতে গরম তেলে কিছু ভাজার সময়, যা দেবেন তার সঙ্গে সামান্য লবন দিল। তাহলে আর তেল ছিটবেনা।


২৬। খেজুরের গুড় দিয়ে পায়েস করতে গিয়ে অনেক সময় দুধটা ফেটে যায়। দুধ ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে একটু ঠান্ডা করে তারপর গুড় মেশাবেন। ভালো করে নেড়ে আবার কিছুটা ফুটিয়ে নেবেন, দুধ ফাটবে না।


২৭। চিনেবাদাম ও কাজুবাদাম তেলে ভেজে পরে রান্নায় ব্যবহার করুন। খাবারের স্বাদ বাড়বে।


২৮। সেমাই বা মিষ্টিজাতীয় খাবারে অনেকে বাদাম ব্যবহার করেন। বাদামে যদি তেল মেখে পরে তাওয়ায় ভাজেন তাহলে তেল কম লাগবে। নয়তো শুকনো ভাজতে গেলে তেল বেশি লাগবে।


২৯। ওল, কচু অথবা কচুশাক রান্না করলে তাতে কিছুটা তেঁতুলের রস বা লেবুর রস দিয়ে দিন। তাহলে খাওয়ার সময় গলা চুলকানোর ভয় থাকবে না।


৩০। কেক বানাতে যদি ডিমের পরিমাণ কম হয়, তার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন কর্নফ্লাওয়ার।


৩১। অনেক সময়ই তাড়াতাড়ি স্যুপ রান্না করতে গিয়ে তা পাতলা হয়ে যায়। তখন দুটো আলু সেদ্ধ করে স্যুপে মিশিয়ে ফোটালে স্যুপ ঘন হবে।


৩২। আলু ও ডিম একসঙ্গে সেদ্ধ করুন। দুটো দুই কাজে ব্যবহার করলেও সেদ্ধ তাড়াতাড়ি হবে।

পেস্তা বাদাম "

 "পেস্তা বাদাম "

পেস্তাবাদাম, যা সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ, স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদের জন্য আদর্শ স্ন্যাকস। ফালাক ফুডের পেস্তাবাদাম শতভাগ প্রাকৃতিক এবং উচ্চ মানসম্পন্ন। এটি প্রোটিন, ফাইবার, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উৎস, যা শরীরের সুস্থতা ও শক্তি বজায় রাখতে সহায়ক।


পেস্তাবাদামের পুষ্টিগুণ:

প্রোটিন, ফাইবার এবং ভিটামিন বি৬ সমৃদ্ধ।

হার্ট ও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

কোলেস্টেরল ও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

আমরা আপনাদের জন্য পেস্তাবাদাম সরাসরি নিয়ে এসেছি বাইরের দেশ থেকে ইম্পোট করে।ভেজাল মুক্ত, দাগহিন পেস্তাবাদাম পেয়ে যাবেন এখন আমাদের টিউলিপ এ। 


অর্ডার করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। 


 ☎️📞📱     01829-427716 


🏢আমাদের ঠিকানা: মাইপাড়া বাজার, পুঠিয়া, রাজশাহী । 


♻️সর্বোচ্চ মানের Imported-Essential Product 

পেতে 

    "Tulip ~ Commodities" এর সাথেই থাকুন,

 ধন্যবাদ।

মুগডাল"

 "মুগডাল"

সাধারণটি বাজারে দুই প্রকার মুগ ডাল পাওয়া যায়, একটা খোসা ছাড়া হলুদ রঙের আর একটি খোসা সমেত সবুজ রঙের। এই ডাল খুব সহজে হজম হয়ে যায়, যারা নিজেদের ওজন নিয়ে খুবই সতর্ক, তাদের জন্য এই ডাল অবশ্যই কাজ করে। এই ডাল প্রোটিন, প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড, ফাইবার ও ভিটামিন বি১ -এ ভরপুর।


মুগ ডালের উপকারিতা:

– ওজন কমাতে সাহায্য করে।

– গর্ভবতী মহিলাদের জন্য মুগডাল খুবই উপকারী।

– শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত কোলেস্টেরল কম করতে সাহায্য করে মুগ ডাল।


ইম্পোর্টেড মুগ ডাল সেরা গুনগত মানসম্পন্ন এই প্রডাক্ট পাচ্ছেন আপনার হাতের নাগালে থাকা কোম্পানি "Tulip Commodities" এ। 


আমরা এরকম  পণ্য বিশ্বের উল্লেখযোগ্য দেশগুলো থেকে সরাসরি Import করে থাকি। 


অর্ডার করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। 


 ☎️📞📱    01829-427716  


🏢আমাদের ঠিকানা: মাইপাড়া বাজার, পুঠিয়া, রাজশাহী । 


♻️সর্বোচ্চ মানের Imported-Essential Product 

পেতে 

    "Tulip ~ Commodities" এর সাথেই থাকুন,

 ধন্যবাদ।

আইনস্টাইনের প্রেমের চিঠি আকবার হোসেন প্রকাশ : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪, 

 আইনস্টাইনের প্রেমের চিঠি

আকবার হোসেন

প্রকাশ : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪, 

বিজ্ঞানের কিংবদন্তি আলবার্ট আইনস্টাইনের প্রেমের চিঠি নিলামে উঠেছে। মহান এ বিজ্ঞানীর প্রেমিক-মনের অনেক কিছু উন্মুক্ত হয়েছে ইতিমধ্যে। লিখেছেন আকবার হোসেন


আলবার্ট আইনস্টাইন (১৮৭৯-১৯৫৫) বিজ্ঞানের এক মহাতারকা। নিজের জীবদ্দশায় তিনি বেশ কয়েকটি যুগান্তকারী গবেষণা প্রকাশ করেন। এর মধ্যে ‘আপেক্ষিক তত্ত্ব’ তাকে বিখ্যাত করে তুলেছিল। যার ঠিক ১২ বছর পর আইনস্টাইন পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। কিন্তু এসব অর্জন করার শক্তি, অনুপ্রেরণা ও সময় তিনি কোথায় পেলেন? ডয়চে ভেলের এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে বিজ্ঞান, প্রেম এবং কফি তৈরি এই তিন আইনস্টাইনের জীবনের মূল রসায়ন। বিজ্ঞানের ইতিহাসবিদ এবং জেনার ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর জিওএনথ্রোপোলজির অধ্যাপক ইয়ুর্গেন রেন ২০০৫ সালে ‘আমি রবিবারে ঠোঁটে তোমাকে চুমু দেব’ বইয়ে আইনস্টাইন এবং তার প্রথম স্ত্রী মিলেভা মেরিকোর মধ্যে ১৮৯৭ এবং ১৯০৩ সালে প্রেমের চিঠির একটি সংগ্রহ প্রকাশ করেন। চিঠির এই সংগ্রহ ১৯৮৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত ‘আলবার্ট আইনস্টাইনের সংগৃহীত কাগজপত্র’ বইয়ের একটি অংশ। যা রেন ১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ পর্যন্ত সহ-সম্পাদনা করেছিলেন। তিনি বলেন, চিঠিগুলো তখন কেবল  আবিষ্কৃত হয়েছে, আমার কাজ ছিল সেগুলো পড়া, সেগুলোর ওপর মন্তব্য করা এবং সেগুলোকে ঐতিহাসিকভাবে শ্রেণিবদ্ধ করা। তিনি ডয়চে ভেলেকে বলেন, এটি ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। কারণ এসব চিঠি কেবল প্রেমের সাক্ষ্য ছিল না বরং আইনস্টাইনের সবচেয়ে সৃজনশীল পর্যায়ের বৈজ্ঞানিক উপাদানও ছিল, যা তিনি তার বান্ধবী এবং পরবর্তী স্ত্রীর সঙ্গে নিবিড়ভাবে আলোচনা করেন।


বিজ্ঞান এবং প্রেম


চিঠিগুলো শুধু তরুণ আলবার্ট আইনস্টাইনের আবেগময় জগতের একটি অন্তর্দৃষ্টিকে উপস্থাপন করে না। ঘটনাচক্রে সেগুলো তার বৈজ্ঞানিক তত্ত্বগুলোর বিকাশেরও সাক্ষ্য দেয়। আইনস্টাইন এবং এক তরুণ সার্বিয়ান নারী মিলেভা মেরিক ১৮৯৬  সালে জুরিখের পলিটেকনিকামে দেখা করেন। তখন মেরিকোর বয়স ছিল ২০ এবং আইনস্টাইনের বয়স ১৭। মিউনিখের গ্রামার স্কুল থেকে ড্রপ আউট করার পর আইনস্টাইন সুইজারল্যান্ডে তার এ-লেভেল সম্পন্ন করেছিলেন। আর মেরিকো  ভোজভোডিনা থেকে আসেন। যা তখন অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্যের অংশ। জাগরেবের একটি ছেলেদের ব্যাকরণ স্কুলে পড়াশোনা করেছেন এরপর জুরিখে পদার্থবিদ্যা অধ্যয়ন করেন। তিনি ছিলেন পদার্থে অধ্যয়নরত তার সময়ের একমাত্র নারী এবং প্রথম সার্বিয়ান। আইনস্টাইন সম্ভবত সেই সময়ের জীবনকে উপভোগ করেছিলেন। সেই সময়ে তিনি জার্মান দার্শনিক আর্থার শোপেনহাওয়ার-এর লেখা গোগ্রাসে গিলছিলেন এবং বুর্জোয়াবিরোধী মনোভাব পোষণ শুরু করেন। মেরিকো এবং অ্যালবার্টের মধ্যে একটি বিশেষ ধরনের ভালোবাসা তৈরি হয় এবং যা বাড়তে থাকে। রেন বলন, আইনস্টাইন নিজের বৈজ্ঞানিক জীবনের সঙ্গে নিজের প্রেমের জীবনকে একত্র করতে সক্ষম হয়েছিলেন। রেন বলেন, তারা আক্ষরিক অর্থে সবকিছু সম্পর্কে কথা বলতে পারতেন! মিলেভা স্পষ্টতই গাণিতিক বিষয়ে অ্যালবার্টের সমতুল্য ছিলেন। যে কারণে বিশেষজ্ঞরা এখনো আপেক্ষিকতা তত্ত্বের বিকাশে মিলেভার অবদান সম্পর্কে অনুমান করে থাকেন। আইনস্টাইন তার মিলেভাকে ১৯০১ সালের দিকে লিখেছিলেন, ‘প্রিয় ডক্সারল, আমি তোমাকে ভালোবাসি। আমার প্রিয় কুমারী... শেষবার যখন আমাকে তোমার প্রিয় ছোট্ট মানুষটিকে আমার কাছে রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, প্রকৃতি যেমন দিয়েছিল, চুম্বন করেছিল তখন কত সুন্দর ছিল। আমি এটার জন্য সবচেয়ে আন্তরিক, আপনি প্রিয় আত্মা! যাই হোক ‘ডক্সারল’ দক্ষিণ জার্মান উপভাষায় পুতুল।


চিঠিপত্রের হিসাবে ছয় বছর আলবার্ট এবং মিলেভার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মিলেভা অল্প বয়সে প্রেমে পড়েন। ১৯০১ সালে গর্ভবতী হন এবং একটি সন্তানের জন্ম দেন। ১৯০৩ সালে তাদের বিয়ে হয়। সংসার জীবনে তারা তিনটি সন্তানের জন্ম দেন। তাদের সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯১৮ পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। এরপর আইনস্টাইন চিঠিতে লেখেন, আপনি আমার সঙ্গে সমস্ত ব্যক্তিগত সম্পর্ক ত্যাগ করুন। আইনস্টাইন ১৯১৪ সালে ওই চিঠিতে স্পষ্ট করে বলেন, আমার কাছ থেকে কোনো স্নেহ আশা করার অধিকার আপনার নেই বা আমাকে কোনোভাবেই তিরস্কার করবেন না। তাদের বিচ্ছেদের নিষ্পত্তিতে আইনস্টাইন বলেন, যদি নোবেল পুরস্কার পান তাহলে সেখান থেকে অর্থের ভাগ দেবেন মেরিকোকে।


চুলের ব্রাশ


ডয়চে ভেলে তাদের প্রতিবেদনে আরও জানাচ্ছে, গুরুতর অসুস্থতা নিয়ে আইনস্টাইনকে তার বার্লিনে বসবাসরত বছরগুলোতে জর্জরিত করেছিল। জুরিখ এবং প্রাগে থাকার পর তিনি ১৯১৪ থেকে শুরু করে স্প্রিতে বসবাস করেন। ১৯৩৩ সালে নাৎসি জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। বার্লিনে থাকাকালে তার কাজিন একজন অভিনেত্রী এবং আবৃত্তিকার এলসা লোভেন্থাল  অসুস্থ আইনস্টাইনের যতœ নেন। তাদের সম্পর্ক অনেক গভীরে চলে যায়। মিলেভার সঙ্গে বিচ্ছেদের অল্প সময় পর আলবার্ট তাকে বিয়ে করেন। তবে তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল ঝগড়ার। উদাহরণস্বরূপ, এলসা আইনস্টাইনের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে সমালোচনা করতেন। তিনি তাকে একটি চুলের ব্রাশ উপহার দেন। এবং লিখে ছিলেন, যদি আমি আপনার জন্য খুব অপ্রীতিকর হয়ে থাকি, তাহলে এমন একজন বন্ধুকে খুঁজে বের করুন যিনি নারীর রুচির সঙ্গে যান। কিন্তু আমি আমার স্বাধীনতা রক্ষা করব। তবে এসব আচরণ নারীর ওপর তার প্রভাবকে হ্রাস করে বলে মনে হয় না। বরং উল্টো ঘটনা ঘটে। তিনি যেখানে যেতেন, নারীরা তাকে ঘিরে ধরত।  বক্তৃতা দিতে অনেক ঘন ঘন সফরে বের হলে আইনস্টাইন প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়তেন। এমনকি এটাও শোনা যায় যে বার্লিনে তার একজন উপপতœী ছিল। যেমনটি আইনস্টাইনের জীবনীকার আরমিন হারম্যান লিখেছেন, এলসার সঙ্গে তার বিয়ের বিষয়ে। আইনস্টাইনের প্রেমপত্রের মুখবন্ধে হারমান উল্লেখ করেন, বিয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চাপ ছিল আইনস্টাইনের দিক থেকে। আইনস্টাইন নারীসুলভ সবকিছুর প্রতি প্রবলভাবে আকৃষ্ট ছিলেন।


শৈশবের ভালোবাসা


পরে আরও জানা যায় যে আইনস্টাইনের প্রথম বান্ধবী ছিলেন ম্যারি উইনটেলার। যার সঙ্গে সম্পর্ক যৌবনের প্রথম দীক্ষা নেওয়ার চেয়ে বেশি কিছু ছিল। আইনস্টাইন করুণভাবে লিখেছিলেন সেই চিঠিতে, যখন আমি আপনার চিঠি পড়ি, তখন মনে হয়েছিল যে আমার কবর খোঁড়া হচ্ছে।  আমি যে সামান্য সুখ রেখেছিলাম তা ধ্বংস হয়ে গেছে, যা অবশিষ্ট রয়েছে তা কর্তব্যের নির্জন জীবন। আইনস্টাইন তার প্রথম স্ত্রী মিলেভা, দ্বিতীয় স্ত্রী ও চাচাতো বোন এলসা বা তার অনেক উপপতœীর কাউকে এমন নাটকীয় এসব বাক্য সম্বোধন করেননি। আর ওই চিঠি তিনি লিখেছিলেন তার শৈশবের প্রিয়তমা ম্যারিকে। আইনস্টাইন তার হাই স্কুল ডিপ্লোমা অর্জনের সময় কিশোর বয়সে যার সঙ্গে এক বছর প্রেম করেন। তবে এ প্রেম  স্বল্পস্থায়ী ছিল এবং শিগগিরই তার প্রিয়জন হিসেবে মেরিকোর আবির্ভাব ঘটে। মিষ্টি কিন্তু ছটফটে স্বভাবের মারির সঙ্গে আইনস্টাইনের বুদ্ধিমত্তার মস্ত ফারাক ছিল। জুরিখে এসে আইনস্টাইন চিঠি লেখালেখি বন্ধ করার প্রস্তাব দিয়ে প্রেমে বিচ্ছেদ ঘটান। যদিও জানা যায়, শুরুর দিকে জুরিখে এসে প্রথম কিছু দিন নিজের জামাকাপড় মারিকে ডাকে পাঠাতের আইনস্টাইন। সেসব ধুয়ে আবার ডাকে ফেরত পাঠাতেন মারি। এর প্রত্যুত্তরে ধন্যবাদও দিতেন না আইনস্টাইন। যার কারণে আক্ষেপ করে মারি লেখেন, ‘চোখে শুধু খুঁজে মরি তোমার হাতে লেখা দু-একটি বাক্য। কিন্তু পাওয়ার মধ্যে পাই তোমার হাতে লেখা ওই ঠিকানাটুকু।’


প্রথম চিঠি


প্রেমিকা মারির বোন আনা তখন আইনস্টাইনকে বর্ণনা করেছেন এ ভাবে, ‘ওর দারুণ রসবোধ ছিল। আর সময়-সময় আলবার্ট প্রাণভরে হাসত।’ সেই সময়ে আরেক নারীর বর্ণনায় আইনস্টাইন ছিলেন এমন, ‘মেয়েদের মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো পুরুষালি চেহারা ছিল ওর। ঢেউ খেলানো কালো চুল, অভিব্যক্তিপূর্ণ চোখ ও চাহনি, চওড়া কপাল আর খোশমেজাজি স্বভাব। ওর মুখের নিচের অংশ কোনো ইন্দ্রিয়াসক্ত পুরুষের, যার জীবনের প্রতি টানের অভাব নেই।’ মারি নতুন বছরে আলবার্টের মাকে শুভেচ্ছা কার্ড পাঠালে তিনি উষ্ণতার সঙ্গে জবাব দিলেন, ‘তোমার ছোট্ট চিঠি, স্নেহের মারি, আমাকে ভীষণ আনন্দ দিয়েছে।’ সেই বছরের বসন্তে বাড়ি ফিরে আলবার্ট মারিকে তার প্রথম প্রেমপত্র লেখেন। ‘প্রিয়তমা, অনেক অনেক ধন্যবাদ তোমার ছোট্ট মিষ্টি চিঠির জন্য, যা আমাকে অশেষ আনন্দ দিয়েছে। ওই টুকরো কাগজ বুকে ধরে কী যে একটা অনুভূতি হলো! কারণ ওই পাতায় দুটি প্রিয় চোখ তোমার দৃষ্টি ফেলেছে আর ওর ওপর তোমার নরম হাত দুটি চলাফেরা করেছে। এত দিনে টের পাচ্ছি, ছোট্ট দেবদূতি আমার, মন কেমন করা আর মিলনাকাক্সক্ষা কী বস্তু! তবে বিরহ যত না বেদনা আনে তার চেয়ে ঢের বেশি সুখ আনে প্রেম...। মা তোমাকে না চিনেই ভালোবেসে ফেলেছেন। শুধু তোমার দুটো মিষ্টি চিঠি তিনি পড়েছেন। মা খুব হাসাহাসি করেন আমাকে নিয়ে, কারণ আমি আর আগের মতো অন্য মেয়েদের প্রতি আকৃষ্ট হই না। আমার কাছে সারা জগতের থেকেও তোমার মূল্য অনেক বেশি এখন।


নিলাম


আইনস্টানের প্রেমের এসব চিঠি ২০১৮ সালে প্রকাশিত হওয়ার আগে দীর্ঘদিন ধরে সুইজারল্যান্ডের বার্নিশেস হিস্টোরিচেস মিউজিয়ামে রাখা হয়েছিল। শতাব্দীর বিশেষ প্রতিভা আলবার্ট আইনস্টাইনকে দেখা গেছে প্রেমকে মহিমান্বিত করতে। তিনি লিখেছেন, ‘কী অসীম সুখের অনুভূতি’, ‘আমরা একসাথে এক আত্মা’। অথবা তিনি লিখেছেন, ‘ভালোবাসা আমাদের মহান এবং ধনী করে এবং কোনো দেবতা আমাদের থেকে তা কেড়ে নিতে পারে না।’ আইনস্টাইনের প্রেমের চিঠিগুলো পদার্থবিদ বিজ্ঞান, বন্ধুত্ব এবং নারীকে ভালোবাসার এক অনন্য দলিল। তিনি কেবল সর্বজনীনভাবে প্রশংসিত প্রতিভা ছিলেন না। তার জীবনে অনেক জটিল প্রেমের গল্পও ছিল। তার প্রথম স্ত্রী মিলেভার চিঠিপত্রসহ  ‘আইনস্টাইন লাভ লেটারস’ গত বুধবার লন্ডনের ক্রিস্টি’স-এ নিলাম করা হয়। যার দর উঠেছে ৫৬২,০০০ ডলার।


সোর্স দেশ রুপান্তর

ব্রিক ইনফরমেশন

 ব্রিক ইনফরমেশন🧱

=============

কন্সট্রাকশান সাইটে কাজ করার ক্ষেত্রে এসব গুরত্বপূর্ণ তথ্য খুবই কাজে দেয়। এছাড়াও বিভিন্ন চাকুরীর পরীক্ষা/ভাইভা এর জন্যেও গুরুত্বপূর্ণ। 


🧱প্রথম শ্রেনী ইটের ওজন কত ?

উওরঃ ৮.২৫ পাউন্ড বা ৪.১২ সের আথবা ৩.৭১ কেজি 


🧱প্রথম শ্রেনী একটি ইট কতটুকু পানি শোষণ করতে পারে ?

উওরঃ নিজের ওজনের ১/৫ থেকে ১/৬ অংশ পরিমাণ পানি শোষণ করতে পারে ?


🧱কাজের পৃর্বে ইট কত ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হয় ?

উওরঃ ১২ ঘন্টা ( ২৪ ঘণ্টা হলে ভালো হয়।) ।


🧱১০০০ টি ইট তৈরি করতে কি পরিমাণ কাঁদা মাটির দরকার হয় ?

উওরঃ প্রায় ১০০ ঘনফুট বা cft ।


🧱ব্রিক ওয়াল গাঁথুনিতে কি পরিমাণ পানি লাগে ?

উওরঃ ১০ ইঞ্চির ক্ষেত্রে প্রতি ঘনফুটের জন্য ১২ লিটার পানি দরকার এবং ৫ ইঞ্চির ক্ষেত্রে প্রতি বর্গফুটের জন্য ৪ লিটার পানি দরকার ।


🧱প্রথম শ্রেনী ইটের ফিল্ড টেস্ট কিভাবে করা যায়?

উওর: প্রথম শ্রেনী ইটের ফিল্ড টেস্টর নাম T টেস্ট অথৎ ২টি ইটকে T আকারে করে ৫/৬ ফিট উপর থেকে ফেললে ভাঙেবে না।


🧱ইট পোড়ানো হয় কেন ?

উওরঃ ইট পোড়ানোর ফলে ইহা শক্ত হয়, সহজে ভাঙ্গেনা এবং পানিতে গলেনা ও লালচে রঙ সৃষ্টি করে 


🧱১০০ ফুট এইজিং এর জন্য কত গুলো ইট লাগবে ?

উত্তরঃ ২৫০ হতে ২৭০ টি ।


🧱১০০ ফুট সলিং এর জন্য কত গুলো ইট প্রয়োজন ?

উওরঃ ৩০০ থেকে ৩৩৬ টি ইট ।


🧱১০০ বর্গফুট হেরিং বোন বন্ডের জন্য কত গুলো ইট লাগবে ?

উওরঃ ৫০০ হতে ৫৫০ টি ইট লাগবে ।


🧱১০০ sft ৫ ইঞ্চি ওয়ালের জন্য কত গুলো ইট লাগবে ?

উওরঃ ৪৮০ থেকে ৫০০ টি ইট লাগবে


🧱১০০ cft ১০ ইঞ্চি ওয়ালের জন্য কত গুলো ইট লাগবে ?

উওরঃ ১০৮০ টি ইট লাগবে ।


🧱১০০ cft খোয়া তৈরিতে কত গুলো ইট লাগবে ?

উওরঃ ১০৫০ টি ইট লাগবে ।


#naeemcivilnote #brick #engineering #construction #BD #100k #100mileschallenge

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:০৮-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:০৮-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: হাওর অঞ্চলে ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে নির্দে...