এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪

বন্দে আলী মিয়া (১৫ ডিসেম্বর ১৯০৬ - ১৭ জুন ১৯৭৯)

 বন্দে আলী মিয়া

(১৫ ডিসেম্বর ১৯০৬ - ১৭ জুন ১৯৭৯)


"আমাদের ছোটো গাঁয়ে ছোটো ছোটো ঘর

থাকি সেথা সবে মিলে নাহি কেহ পর।

পাড়ার সকল ছেলে মোরা ভাই ভাই

একসাথে খেলি আর পাঠশালে তাই।

হিংসা ও মারামারি কভু নাহি করি

পিতামাতা গুরুজনে সদা মোরা ডরি।"


'আমাদের গ্রাম' কবিতার প্রথম কয়েক লাইন। এই কবিতাটি আমরা অনেকেই ছোটোবেলায় পড়েছি। কবিতাটির রচয়িতা কবি বন্দে আলী মিয়া। এই কবিকে আমরা প্রায় ভুলেই গেছি।  বন্দে আলী পাবনা জেলার রাধানগর গ্রামে ১৯০৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম মুন্সী উমেদ আলী। তিনি ছিলেন পাবনা জজকোর্টের একজন কর্মচারী। বন্দে আলী ছিলেন একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, শিশু সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও চিত্রকর। 


পাবনার মজুমদার একাডেমী থেকে ১৯২৩ সালে তিনি ম্যাট্রিক পাস করেন। তারপর তিনি কলকাতায় গিয়ে ভর্তি হলেন কলকাতা আর্ট একাডেমীতে। সেখান থেকে প্রথম বিভাগে তিনি উত্তীর্ণ হন। ১৯২৫ সালে  'ইসলাম দর্শন' পত্রিকায় শুরু করলেন সাংবাদিকতা। ১৯২৯ থেকে ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত তিনি কলকাতা কর্পোরেশন স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন। 


দেশ ভাগে তিনি খুবই দুঃখ পেয়েছিলেন। তাঁর অনেক লেখার মধ্যেই তাঁর এই বেদনা প্রকাশ পেয়েছে। তিনি দেশ ভাগের আগেই ১৯৪৬ সালে তিনি প্রথমে ঢাকা বেতার কেন্দ্রে এবং পরে রাজশাহী বেতার কেন্দ্রে চাকরি করেন। সেখানে তিনি ছিলেন 'গল্পদাদু'।  তিনি কলকাতার অনেক রেকর্ড কোম্পানির হয়ে পালাগান ও নাটিকা রেকর্ড করেন যেগুলো খুবই জনপ্রিয় হয়েছিল। 


'বসন্ত জাগ্রত দ্বারে' (১৯৩১) তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৯৩২ সালে তাঁর 'ময়নামতীর চর' কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়।  এরপর‌ই রবীন্দ্রনাথ লিখলেন, 'বাংলা সাহিত্যে তুমি আপন বিশেষ স্থানটি অধিকার করতে পেরেছ বলে আমি মনে করি।' তাঁর প্রায় সব কবিতাই ছিল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত। 


১৯৫৭ সালে তিনি প্রাইড অব পারফরম্যান্স পুরস্কার পান। ১৯৬২ সালে তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার পান ও ১৯৬৫ সালে তিনি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭৮ সালে রাজশাহীর উত্তরা সাহিত্য মজলিস পুরস্কার পান। তাঁকে মরণোত্তর একুশে পুরস্কার‌ও দেওয়া হয়েছিল। তা সত্বেও এ কথা বলাই যায় তাঁর প্রতিভার যথার্থ মূল্যায়ন আমরা করতে পারিনি। 


১৯৭৯ সালের ১৭ জুন রাজশাহীতে তাঁর মৃত্যু হয়। 


ছবি ও তথ্য: উইকিপিডিয়া এবং প্রথম আলো পত্রিকার সৌজন্যে।

বন্দী-শিবির থেকে"              কবি শামসুর রাহমান

 "বন্দী-শিবির থেকে"

             কবি শামসুর রাহমান


 ঈর্ষাতুর নই, তবু আমি

তোমাদের আজ বড়ো ঈর্ষা করি | তোমরা সুন্দর

জামা পরো, পার্কের বেঞ্চিতে বসে আলাপ জমাও,

কখনো সেজন্য নয়।   ভালো খাওদাও

ফুর্তি করো সবান্ধব, সেজন্যেও নয় । 


বন্ধুরা তোমরা যারা কবি,

স্বাধীন দেশের কবি, তাদের সৌভাগ্যে

আমি বড়ো ঈর্ষান্বিত আজ। 

যখন যা খুশি

মনের মতন শব্দ কী সহজে করো ব্যবহার

তোমরা সবাই। 

যখন যে-শব্দ চাও, এসে গেলে সাজাও পয়ারে,

কখনো অমিত্রাক্ষরে, ক্ষিপ্র মাত্রাবৃত্তে কখনো-বা  

সেসব কবিতাবলী যেন রাজহাঁস,

দৃপ্ত ভঙ্গিমায় মানুষের

অত্যন্ত নিকটে যায়, কুড়ায় আদর

অথচ এ দেশে আমি আজ দমবন্ধ

এ বন্দী-শিবিরে

মাথা খুঁড়ে মড়লেও পারি না করতে উচ্চারণ

মনের মতন শব্দ কোনো। 

মনের মতন সব কবিতা লেখার

অধিকার ওরা

করেছে হরণ। 

প্রকাশ্য রাস্তায় যদি তারস্বরে চাঁদ ফুল পাখি

এমন কি ‘নারী’ ইত্যাকার শব্দাবলী

করি উচ্চারণ, কেউ করবে না বারণ কখনো । 

কিন্তু কিছু শব্দকে করেছে

বেআইনী ওরা

ভয়ানক বিস্ফোরক ভেবে

স্বাধীনতা নামক শব্দটি

ভরাট গলায় দীপ্ত উচ্চারণ ক’রে বারবার

তৃপ্তি পেতে চাই ; শহরের আনাচে কানাচে

প্রতিটি রাস্তায়

অলিতে গলিতে

রঙিন সাইনবোর্ডে, প্রত্যেক বাড়িতে

স্বাধীনতা নামক শব্দটি

লিখে দিতে চাই

বিশাল অক্ষরে

স্বাধীনতা শব্দ এত প্রিয় যে আমার

কখনো জানি নি আগে ; উঁচিয়ে বন্দুক

স্বাধীনতা, বাংলা দেশ—- এই মতো শব্দ থেকে ওরা

আমাকে বিচ্ছিন্ন ক’রে রাখছে সর্বদা । 


অথচ জানে না ওরা কেউ

গাছের পাতায়, ফুটপাতে

পাখির পালকে কিংবা নারীর দু-চোখে

পথের ধুলোয়,

বস্তির দুরন্ত ছেলেটার

হাতের মুঠোয়

সর্বদাই দেখি জ্বলে স্বাধীনতা নামক শব্দটি। 

========================

             "আসাদের শার্ট"

              শামসুর রাহমান


গুচ্ছ গুচ্ছ রক্তকরবীর মতো কিংবা সূর্যাস্তের

জ্বলন্ত মেঘের মতো আসাদের শার্ট

উড়ছে হাওয়ায় নীলিমায় ।


বোন তার ভায়ের অম্লান শার্টে দিয়েছে লাগিয়ে

নক্ষত্রের মতো কিছু বোতাম কখনো

হৃদয়ের সোনালী তন্তুর সূক্ষতায়

বর্ষীয়সী জননী সে-শার্ট

উঠোনের রৌদ্রে দিয়েছেন মেলে কতদিন স্নেহের বিন্যাসে ।


ডালীম গাছের মৃদু ছায়া আর রোদ্দুর- শেভিত

মায়ের উঠোন ছেড়ে এখন সে-শার্ট

শহরের প্রধান সড়কে

কারখানার চিমনি-চূড়োয়

গমগমে এভেন্যুর আনাচে কানাচে

উড়ছে, উড়ছে অবিরাম

আমাদের হৃদয়ের রৌদ্র-ঝলসিত প্রতিধ্বনিময় মাঠে,

চৈতন্যের প্রতিটি মোর্চায় ।


আমাদের দুর্বলতা, ভীরুতা কলুষ আর লজ্জা

সমস্ত দিয়েছে ঢেকে একখন্ড বস্ত্র মানবিক ;

আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা ।

==========================

          "অভিশাপ দিচ্ছি"

             শামসুর রাহমান


না আমি আসিনি ওল্ড টেস্টামেন্টের প্রাচীন পাতা ফুঁড়ে,

দুর্বাশাও নই, তবু আজ এখানে দাঁড়িয়ে এই রক্ত গোধূলিতে অভিশাপ দিচ্ছি।

আমাদের বুকের ভেতর যারা ভয়ানক কৃষ্ণপক্ষ দিয়েছিলো সেঁটে

মগজের কোষে কোষে যারা পুঁতেছিল

আমাদেরই আপন জনেরই লাশ দগ্ধ, রক্তাপ্লুত

যারা গণহত্যা করেছে শহরে গ্রামে টিলায় নদীতে ক্ষেত ও খামারে

আমি অভিশাপ দিচ্ছি নেকড়ের চেয়েও অধিক পশু সেই সব পশুদের।


ফায়ারিং স্কোয়াডে ওদের সারিবদ্ধ দাঁড় করিয়ে নিমেষে ঝাঁ ঝাঁ বুলেটের বৃষ্টি

ঝরালেই সব চুকে বুকে যাবে তা আমি মানি না।

হত্যাকে উৎসব ভেবে যারা পার্কে মাঠে ক্যাম্পাসে বাজারে

বিষাক্ত গ্যাসের মতো মৃত্যুর বীভৎস গন্ধ দিয়েছে ছড়িয়ে,

আমি তো তাদের জন্য অমন সহজ মৃত্যু করি না কামনা।

আমাকে করেছে বাধ্য যারা

আমার জনক জননীর রক্তে পা ডুবিয়ে দ্রুত সিঁড়ি ভেঙ্গে যেতে

ভাসতে নদীতে আর বনেবাদাড়ে শয্যা পেতে নিতে,

অভিশাপ দিচ্ছি, আমি সেইসব দজ্জালদের।

অভিশাপ দিচ্ছি ওরা চিরদিন বিশীর্ণ গলায়

নিয়ত বেড়াক বয়ে গলিত নাছোড় মৃতদেহ,


অভিশাপ দিচ্ছি প্রত্যহ দিনের শেষে ওরা

হাঁটু মুড়ে এক টুকরো শুকনো রুটি চাইবে ব্যাকুল

কিন্তু রুটি প্রসারিত থাবা থেকে রইবে দশ হাত দূরে সর্বদাই।


অভিশাপ দিচ্ছি ওদের তৃষ্ণায় পানপাত্র প্রতিবার

কানায় কানায় রক্তে উঠবে ভরে, যে রক্ত বাংলায়

বইয়ে দিয়েছে ওরা হিংস্র জোয়ারের মত।

অভিশাপ দিচ্ছি আকণ্ঠ বিষ্ঠায় ডুবে ওরা অধীর চাইবে ত্রাণ

অথচ ওদের দিকে কেউ দেবে না কখনো ছুঁড়ে একখন্ড দড়ি।


অভিশাপ দিচ্ছি স্নেহের কাঙ্গাল হয়ে ওরা

ঘুরবে ক্ষ্যাপার মতো এ পাড়া ওপাড়া,

নিজেরি সন্তান প্রখর ফিরিয়ে নেবে মুখ, পারবে না চিনতে কখনো;

অভিশাপ দিচ্ছি এতোটুকু আশ্রয়ের জন্য, বিশ্রামের কাছে আত্মসমর্পণের জন্যে দ্বারে দ্বারে ঘুরবে ওরা। প্রেতায়িত সেই সব মুখের উপর

দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে পৃথিবীর প্রতিটি কপাট,

অভিশাপ দিচ্ছি…

অভিশাপ দিচ্ছি,….

অভিশাপ দিচ্ছি….

========================

পিরোজপুরের মাদ্রাসাছাত্রী আমিনাকে কবি রবীন্দ্রনাথের আশীর্বাদ চিঠিতে।

 পিরোজপুরের মাদ্রাসাছাত্রী আমিনাকে কবি রবীন্দ্রনাথের আশীর্বাদ চিঠিতে। যেই চিঠিতে বোঝা যায় সেই সময় রবীন্দ্রনাথের জনপ্রিয়তা সকল প্রকার বাঙালীর কাছে কত বেশি ছিলো।  সময়টা ১৯৪০ এর দিকে। 


শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতীর রবীন্দ্রভবন মহাফেজখানায় রবীন্দ্রনাথের কয়েক হাজার চিঠির সচিবকৃত অবিকল নকল সংরক্ষিত আছে। কবির হাতে লেখা মূল চিঠি প্রাপকের কাছে ডাকে পাঠানোর আগে তাঁর সচিব চিঠির অনুলিপি করে রাখতেন। তাঁকে লেখা ভক্ত–অনুরাগী ও অন্যদের মূল চিঠি কবি সযত্নে রক্ষা করতেন।


এমনই একটি চিঠি রবীন্দ্রভবনের নথিতে পাওয়া যায় দুই দশক আগে। চিঠিটি জনৈক কিশোরী আমিনা মোজাহারের লেখা। তারিখ ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৩৪৭ বঙ্গাব্দ। তৎকালের অবিভক্ত বাকেরগঞ্জ জেলার পিরোজপুর মহাকুমার স্বরূপকাঠি থানার আকলম গ্রাম থেকে পাঠানো কয়েক লাইনের সম্বোধনহীন ছোট চিঠি। নিচে লেখিকার ঠিকানা: চতুর্থ শ্রেণি, আকলম আহমদিয়া জুনিয়র মাদ্রাসা, স্বরূপকাঠি, বাকেরগঞ্জ।


কাজী আমিনা মোজাহার কাজী মোজহার উদ্দীন আহমদ ও হাকিমুন্নেছার কন্যা। স্বরূপকাঠির আকলম আহমদিয়া জুনিয়র মাদ্রাসার ওই তালেবে এলেম ভবিষ্যতে বরিশাল সৈয়দানুন্নেসা স্কুল থেকে প্রবেশিকা (১৯৪৭), ঢাকার ইডেন কলেজ থেকে আইএ (১৯৪৯), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় অনার্স এবং এমএ (১৯৫৮) পাস করেন। হলি ক্রস কলেজ ও ময়মনসিংহ মুমিনুন্নেসা কলেজে শিক্ষকতার পর পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা দিয়ে পূর্ব পাকিস্তান এডুকেশন সার্ভিসে যোগ দিয়ে চট্টগ্রাম কলেজ, তিতুমীর কলেজ ও ঢাকা কলেজে অধ্যাপনা করেন। তিনি সওগাতসহ অন্যান্য সাময়িকপত্রে রচনা প্রকাশ করেন এবং ভাষা ও বিরচন নামে পাঠ্যবই লেখেন। পরিণত বয়সে আমিনা চারণ করেছেন তাঁর রবীন্দ্রস্মৃতি। পাঠ্যবইয়ে আর চয়নিকায় কবির কবিতার সঙ্গে প্রথম পরিচয় তাঁর। প্রবেশিকা পাঠ্য বাংলা সংকলনে ‘শা–জাহান’ কবিতার আবৃত্তি শুনেছিলেন। পাঠ্যবইয়ে শামসুন্নাহার মাহমুদ ও আনোয়ারা [বাহার] চৌধুরীর লেখা রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে প্রবন্ধ পড়েছেন। 


তাঁর নিজের কথায়:

‘আমি রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে একটা মধুর আত্মীয়তা অনুভব করতে লাগলাম। আর এই স্পর্ধাটুকুই তাঁকে চিঠি লিখতে উদ্বুদ্ধ করলো আমাকে।...একদিন অতি সঙ্গোপনে বাড়ির সবাইকে লুকিয়ে একখানা চিঠি লিখে ফেললাম।’


এক গরমের দুপুরে পোস্টমাস্টার আমিনার বাবাকে ডেকে পাঠালেন। মোজহার উদ্দীন রবীন্দ্রনাথের প্রতীক [মনোগ্রাম] আঁকা চিঠিটি মেয়েকে দিলেন।

চিঠি পাওয়ার পর বালিকার প্রতিক্রিয়া:

‘আমি পড়তে পারলাম না। আমার সমস্ত হৃদয়মন বারবার শিহরিত হতে লাগল। আমি বিছানায় শুয়ে কাঁদলাম। বাবাও জোহরের নামাজ পড়ে জায়নামাজে বসে মোনাজাত করতে করতে কাঁদলেন।’ (উদ্ধৃত, কাজী সাইফুদ্দীন ওমর, ‘স্বরূপকাঠির প্রত্যন্ত পল্লীগ্রামে রবীন্দ্রনাথের চিঠি’)।


আমিনার যে সম্বোধনহীন চিঠির আশীর্বাদী উত্তর দিয়েছিলেন কবি, সেই চিঠির পাঠ:

আকলম

১৩ই জ্যৈষ্ঠ

আপনি আমাকে চিনেন না। কিন্তু আমি আপনাকে চিনি। বাংলা বইয়ের মধ্যে আপনাকে দেখেছিও। আপনি আমাদের ছোট ছেলেমেয়েদের খুব ভালবাসেন। আবার আমরা চিঠি লিখলে উত্তরও নাকি দেন। তাই আমি চিঠি লেখছি (ক.) উত্তর দিবেন কিন্তু। আচ্ছা আপনাকে কি বলে ডাকব?

কুমারী আমিনা মোজাহার

চতুর্থ শ্রেণী

আকলম আহমদিয়া জুনিয়র মাদ্রাসা

পো. স্বরূপকাঠি, বাকেরগঞ্জ।


কবির ছোট আশীর্বাদী চিঠির বয়ান:

GOURIPUR LODGE

KALIMPONG

কল্যাণীয়াসু

তোমার চিঠিখানি পেয়ে খুশি হলুম। আমার আশীর্বাদ গ্রহণ কর। ইতি ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৩৪৭

শুভার্থী

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


সূএ: প্রথম আলো, ভূইয়া ইকবাল


ছবিতে সেই আমিনা মোজাফফর যাকে রবীন্দ্রনাথ পত্র পাঠান।


সৌজন্যে: বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র

শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪

২০টি দেশের সর্বকালের ২০টি সেরা সিনেমা,,,,,,

 ২০টি দেশের সর্বকালের ২০টি সেরা সিনেমা


1. United States: The Godfather (1972)

    =শক্তিশালী গল্পে পারিবারিক সম্পর্ক আর   অপরাধের রাজনীতি।


2. India: Pather Panchali (1955)

    =গ্রামবাংলার জীবন আর সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি।


3. Japan: Seven Samurai (1954)

    = সাহসিকতার গল্পে জাপানি সংস্কৃতির উদাহরণ।


4. France: Amélie (2001)

    =এক মেয়ের সুন্দর ও মজার জীবনের গল্প।


5. Italy: La Dolce Vita (1960)

    =জীবনের মিষ্টি আর তিক্ততার ফ্যাশনেবল গল্প।


6. United Kingdom: Lawrence of Arabia (1962)

    =মরুভূমির এক বিস্ময়কর ইতিহাস।


7. Germany: Metropolis (1927)

    =ভবিষ্যতের শহর আর মানুষের সংগ্রাম।


8. Russia: Battleship Potemkin (1925)

    = বিপ্লবের শক্তি আর মানুষের একতার প্রতীক।


9. China: Raise the Red Lantern (1991)

    =একটি প্রাসাদে মহিলাদের জীবনের শ্বাসরুদ্ধকর গল্প।


10. South Korea: Parasite (2019)

    =ধনী-গরিবের জীবনকে এক অদ্ভুত মোড়ে দেখানো হয় এখানে।


11. Brazil: City of God (2002)

    =অপরাধে ভরা এক শহরের জীবনের বাস্তব চিত্র।


12. Mexico: Pan's Labyrinth (2006)

    =বাস্তব আর কল্পনার মিশেলে এক অনন্য গল্প।


13. Iran: A Separation (2011)

    =সম্পর্ক আর নৈতিকতার কঠিন প্রশ্ন।


14. Sweden: The Seventh Seal (1957)

    =জীবন আর মৃত্যুর গভীর এক দার্শনিক প্রশ্ন।


15. Australia: Mad Max: Fury Road (2015)

    =গতির সাথে জীবনের যুদ্ধ।


16. Spain: The Spirit of the Beehive (1973)

    =একটি শিশুর দৃষ্টিতে যুদ্ধের প্রভাব।


17. Turkey: Once Upon a Time in Anatolia (2011)

    =রহস্যময় এক গল্প, যা ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয় অদ্ভুত এক সত্য।


18. Denmark: The Hunt (2012)

    =মিথ্যার জালে আটকা পড়া মানুষের গল্প।


19. Poland: Ida (2013)

    =নিজের পরিচয় খোঁজার গল্প।


20. Argentina: The Secret in Their Eyes (2009)

    =প্রেম আর প্রতিশোধের সুন্দর এক মিশ্রণ।


আপনি কয়টা দেখেছেন?

একটা বয়স পেরিয়ে মানুষ বুঝে যায়...

 একটা বয়স পেরিয়ে মানুষ বুঝে যায়...

কারও সাথে অকারণ তর্কে যাওয়াটা বোকামি। কেউ যদি বলে "পৃথিবী গোল নয় লম্বা", তাতেই সায় দিয়ে হেসে চলে আসাটা বরং বেশি দরকারি। একটা বয়সের পর আপনি বুঝে যাবেন,কেউ কারও ভাবনা-চিন্তা বা মতামত আসলে বদলায় না, অন্তত তর্ক করে আপনি তা বদলাতে পারবেন না। তাই চুপ করে হাসিমুখে নিজের কাজ করে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। একটা বয়সের পেরিয়ে আপনি বুঝে যাবেন, বাইরের লোক তো ছেড়েই দিলাম, আপনার খুব কাছের মানুষজনও আসলে আপনার মনের মতো হবে না। আপনি যেমন করে তাদের ভালোবাসা চান, তারা তেমন করে আপনাকে কখনোই ভালোবাসবে না, আপনাকে তেমন করে গুরুত্ব দেবে না। আসলে সব মানুষই নিজের ইচ্ছে, বিবেচনা, ভাবনা ও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলে, আর এটাই বাস্তব। প্রত্যেকটা মানুষের বিচার, বিবেক আর বিবেচনাবোধ আলাদা— এটাই কঠিন সত্যি। আপনার মতামত, আপনার চিন্তা- ভাবনা, আপনার জীবনবোধ, আপনার অনুভব একান্তই আপনার নিজস্ব, আর কারো তা নিয়ে ভাববার বা বোঝবার দায় নেই। একথা যত সহজে বুঝবেন, তত আঘাত কম পাবেন। একটা বয়সের পর মানুষ বুঝে যায়, মানুষের কাছে বেশি ভালো হওয়ার চেষ্টা করে,কারো প্রতি বেশি আপনতা দেখিয়ে, বেশি কর্তব্য করে বা কাউকে বেশি ভালোবেসে সবসময় নিজেকে কারো কাছের মানুষ, কারো নিজের মানুষ,কারো ভরসার মানুষ তৈরি করা যায় না। মানুষ আপনাকে ঠিক ততটুকুই ভালোবাসবে, ততটুকুই গুরুত্ব দেবে, ততটুকুই সম্মান বা অগ্রাধিকার দেবে— যতটা তার নিজের জীবনে আপনার প্রয়োজন,গুরুত্ব বা স্বার্থ থাকবে। তার বেশি একচুলও নয়। তাই একটা বয়সের পর আপনি বুঝবেন—কারো জন্য কোনো কিছুই বেশি করে বা আগ বাড়িয়ে বেশি ভালোমানুষি দেখিয়ে আসলে কোনো লাভ হয় না। তাই তখন আপনি ঠিক যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু করতে শিখে যাবেন। একটা বয়সের পর আর কারো উপর কিছু চাপিয়ে দিতে ইচ্ছে করবে না,নিজেকেও সবরকম চাপমুক্ত,ভারমুক্ত রাখতে ইচ্ছে করবে। কারো কাছে কোনোকিছু আশা করে কোনো লাভ হয় না— একটা বয়স তা ভালোভাবেই বুঝিয়ে দিয়ে যায়। তখন নিজের হাতে,নিজের ক্ষমতার মধ্যে যেটুকু আছে শুধু সেটুকু করে মানুষকে ভালো থাকার চেষ্টা করে যেতে হয় অবিরাম,আর বাকিটা ঈশ্বরের উপর ছেড়ে দিতে হয়। একটা বয়সের পর কে আপনার সম্পর্কে কী ভাবলো,আপনাকে নিয়ে কী মন্তব্য করল,আপনাকে কে কী বলল না বলল —কিছুই আর তেমন যায় আসে না। একটা বয়সের পর আপনি বুঝে যাবেন প্রত্যেকটা মানুষ তার নিজের জীবনের গন্ডী,নিজের মনোভাব,নিজের স্বভাব,দৃষ্টিভঙ্গি বা শিক্ষা অনুযায়ী চিন্তা-ভাবনা করে। কারো চিন্তা-ভাবনা আপনাকে নয়,বরং সেই লোকটিকে চেনায়। তাই একটা বয়সের পর আপনি নিজে এবং যাদের আপনার ব্যক্তিগত জীবনে গুরুত্ব আছে তারা ছাড়া পৃথিবীর আর কেউ আপনাকে নিয়ে কী ভাবছে তা অর্থহীন হয়ে যায়। একটা বয়সের পর মানুষ আর সকলের সঙ্গে একটা বিরাট দূরত্ব তৈরি করে নেয়। এমনকি অনেক লোকজনের মধ্যে থাকলেও আসলে তাদের সকলের আর তার নিজের মধ্যে এমন এক বিরাট বড় খাদ,বিরাট এক শূন্যতা তৈরি হয়ে যায় যা আর পার করা যায় না। চারপাশের মানুষের প্রতি গভীর নিরাশা আর বহুকালের জমা ক্ষোভ, অভিমান এই বিরাট দুর্ভেদ্য গহ্বর টা তৈরি করে। একটা বয়সের পর মানুষ বুঝে যায়— পৃথিবীর কারো কাছে তার আর চাওয়া- পাওয়ার কিছু বাকি নেই। একটা সময় পর রাগ, ক্ষোভ, বিরক্তি, অভিমানও হারিয়ে যায়। একটা বয়স ধীরে ধীরে মানুষকে নির্বিকার তৈরি করে,শান্ত হতে শেখায়, নিরুত্তাপ হতে শেখায়। কারো সাথে দেখা করার তাগিদ,কথা বলার তেমন উৎসাহ আর থাকে না। তখন তার একমাত্র প্রিয় বন্ধু,তার একমাত্র কাছের মানুষ সে নিজে। সে নিজেকে ভালোবাসতে শেখে,নিজেকে সময় দিতে শেখে,নিজের গভীরে ডুব দিতে শেখে। অন্য কোনোকিছুই আর তাকে তেমন আনন্দ দেয়না তখন,উৎসাহ দেয় না। কিছুই আর যেন তেমন টানে না তাকে। তখন শুধু নিজের মতো করে ভালো থাকতে পারা,নিজের সঙ্গে একান্তে সময় কাটানো আর মনের অপরিসীম শান্তি ছাড়া তার বোধহয় আর চাওয়ার কিছুই থাকে না।

নাস্তা কিংবা রান্না—টমেটো সস ছাড়া কি জমে? ঘরে বানান নিরাপদ, মজাদার, আর পুষ্টিকর টমেটো সস একদম সহজে...

 🌿নাস্তা কিংবা রান্না—টমেটো সস ছাড়া কি জমে? ঘরে বানান নিরাপদ, মজাদার, আর পুষ্টিকর টমেটো সস একদম সহজে...


📜 টমেটো সস রেসিপি


📝 উপকরণ:


● টমেটো – ৫০০ গ্রাম


● পেঁয়াজ কুচি – ১টি মাঝারি (ঐচ্ছিক)


● রসুন বাটা – ১ চা চামচ


● সাদা ভিনেগার – ২ টেবিল চামচ


● চিনি – ২ টেবিল চামচ


● লবণ – ১ চা চামচ


● গোলমরিচ গুঁড়ো – ১/২ চা চামচ


● দারচিনি – ১ টুকরো


● এলাচ – ২টি


● লবঙ্গ – ২টি


● পানি – ১/৪ কাপ


👩‍🍳 প্রস্তুত প্রণালী:


ধাপ ১: টমেটো প্রস্তুত করুন:


● টমেটো ধুয়ে টুকরো করে নিন।


ধাপ ২: টমেটো সিদ্ধ করুন:


● একটি পাত্রে টমেটো, দারচিনি, এলাচ, লবঙ্গ এবং পানি দিন।


● ঢেকে মাঝারি আঁচে টমেটো নরম হওয়া পর্যন্ত সিদ্ধ করুন।


ধাপ ৩: পিউরি তৈরি করুন:


● সিদ্ধ টমেটো ঠান্ডা করে মসলা আলাদা করে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।


ধাপ ৪: সস রান্না করুন:


● একটি প্যান গরম করে তাতে রসুন বাটা ও পেঁয়াজ কুচি ভেজে নিন।


● টমেটোর পিউরি যোগ করুন এবং লবণ, চিনি, গোলমরিচ গুঁড়ো দিন।


● সস ঘন হওয়া পর্যন্ত নাড়াচাড়া করুন।


ধাপ ৫: ভিনেগার যোগ করুন:


● রান্না শেষে ভিনেগার যোগ করে আর ২ মিনিট নাড়ুন।


ধাপ ৬: সংরক্ষণ করুন:


● ঠান্ডা হলে পরিষ্কার বোতলে ভরে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন।


📌 টিপস:


● টমেটো নির্বাচন: রসালো এবং পাকা টমেটো ব্যবহার করুন যাতে সস বেশি মজাদার হয়।


● ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ: সস ঘন করতে চাইলে অল্প সময় বেশি জ্বাল দিন।


● স্বাদ বাড়াতে: মিষ্টি পছন্দ হলে চিনির পরিমাণ বাড়াতে পারেন।


● সংরক্ষণ: সস ১-২ সপ্তাহ ফ্রিজে ভালো থাকে।


এই টমেটো সস রেসিপি ঘরোয়া খাবারের স্বাদ বাড়াবে এবং স্ন্যাকস বা ভাজাপোড়ার সাথে দারুণ জমবে।

© পোস্ট 

- ছবি গুগল থেকে নেওয়া

 #viralreels  #reelsvideo  #mehedirussell  #followers  #viralshorts  #tips  #love  #reelsfypシ  #রেসিপি  #প্রয়োজনীয়_কিছু_টিপস  #সস 

 #টমেটো #টমেটো

চুলায় এবংওভেনে পাউন্ড কেক রেসিপি/ ভেনিলা কেক

 🔺চুলায় এবংওভেনে পাউন্ড কেক রেসিপি/ ভেনিলা কেক


খুব সহজে দোকানের মত নরম এবং সুস্বাদু পাউন্ড কেক কিভাবে বানাবেন?  তাও আবার বাটার এর ঝামেলা ছাড়া। আসুন জেনে নিই। রেসিপিটি হুবহু ফলো করলে আপনার কেকও হবে পারফেক্ট। 


🔺যা যা লাগবে:

 

২/৩ কাপ ময়দা

২ টে চামচ কর্নফ্লাওয়ার

১ চা চামচ বেকিং পাওডার

১ টে চামচ গুড়া দুধ

২ টা ডিম

২/৪ কাপ চিনি

৩-৪ ফুটা ভ্যানিলা এসেন্স

সামান্য লবণ

১/২ কাপ তেল

সামান্য বাদাম কুচি


🔺রান্নার নির্দেশ

1

প্রথমে ময়দা গুড়া দুধ কর্নফ্লাওয়ার বেকিং পাওডার একটা চালুনি দিয়ে চেলে নিব,


2

দ্যান একটা বড় বাটিতে ২ টা ডিম ফেটে নিব সাথে চিনি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিব, বা বিট করে নিব,


3

দ্যান তাতে তেল আর লবণ দিয়ে আবার ও বিট করব,


4

দ্যান চেলে রাখা শুকনো উপকরন অর্ধেক ডিমের মিশ্রন এ দিয়ে আবার ও বিট করব,দ্যান বাকি গুলো দিয়ে আবার ভালো করে বিট করে নিব,


5

এবার ৬ ইঞ্চি সাইজের একটা কেকের মোল্ড এ তেল ব্রাশ করে একটা কাগজ বিচিয়ে দিব,দ্যান ব্যাটার ডেলে দিব,একটা কাটি দিয়ে নেড়ে দিয়ে বাবল গুলো শরিয়ে নিব,দ্যান হাতের আঙ্গুল পানি দিয়ে ভিজিয়ে মাঝবরাবর একটা দাগ দিয়ে দিব,আর বাদাম কুচি ছিটিয়ে দিব,


6

দ্যান প্রি হিট ইলেক্টিক ওভেনে 160 ডিগ্রি সেঃ

৪০/৪৫ মিনিট এ কেক বেক করে নিব।ব্যাস হয়ে যাবে পাউন্ড কেক,


7

চুলায় বানানোর জন্য একটি বড় পাত্র আগে ৫ মিনিট চুলায় দিয়ে প্রিহিট করে নিতে হবে। এর ভিতরে একটি স্টেন্ড বসিয়ে তার উপর কেক এর মোল্ড বসিয়ে ঢাকনা দিয়ে বেক করতে হবে ৪৫/৫০? মিনিট।


রেসিপি ভালো লাগলে শেয়ার করে রাখুন আপনার টাইমলাইনে। ইউনিক ও নতুন নতুন রেসিপি পেতে আমার পেইজে নিয়মিত লাইক কমেন্ট ও ফলো দিয়ে পাশে থাকুন। ❤️


PC

#poundcake #vanillacake #vanillacakerecipe #cakerecipes #cake #viral #HomeCooked #goodfood #highlightseveryonefollowers #highlightseveryone #highlightsシ゚ #Bangladesh #goodfood #waziskitchen

গুঁড়ো দুধের রসগোল্লা বানানোর পদ্ধতি

 🌿 গুঁড়ো দুধের রসগোল্লা বানানোর পদ্ধতি:❤️


🍁☘️ উপকরণ:

২০০ গ্রাম গুঁড়ো দুধ

১/২ কাপ লেবুর রস বা ভিনেগার

১ কাপ চিনি

৪ কাপ জল

১/২ চা চামচ এলাচ গুঁড়া


🍁☘️ প্রণালী:

🌿 1. একটি পাত্রে গুঁড়ো দুধ ও জল মিশিয়ে গরম করুন। দুধ ফুটে উঠলে তাতে লেবুর রস যোগ করুন। হালকা নেড়ে ছানা বানিয়ে ফেলুন।


🌿 2. একটি পরিষ্কার কাপড়ে ছানা ছেঁকে নিন এবং ঠান্ডা জলে ধুয়ে নিন যাতে লেবুর টক স্বাদ চলে যায়। কিছুক্ষণ ঝুলিয়ে রাখুন।


🌿 3. ছেঁকা ছানা গুলো একটি পাত্রে নিন এবং ভালো করে মসৃণ মণ্ড তৈরি করুন। 


🌿 4. মণ্ড থেকে ছোট ছোট গোল আকারের বল তৈরি করুন।


🌿 5. একটি পাত্রে ২ কাপ জল ও ১ কাপ চিনি গরম করুন। এলাচ গুঁড়ো ছড়িয়ে মিশিয়ে দিন। চিনির সিরা তৈরি হলে এতে গোল্লা গুলি ফেলে দিন।


🌿 6. মাঝারি আঁচে গোল্লাগুলিকে ১৫-২০ মিনিট সিদ্ধ হতে দিন। তারা সাইজে বড় হবে।


🌿 7. রসগোল্লাগুলি ঠান্ডা হলে পরিবেশন করুন।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২০-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২০-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতেও ডি-এইট সহযোগিতা এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ - কায়রোতে ডি-এইট শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণে বললেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।


গাজায় ইসরাইলি বর্বরতা বন্ধে সম্মিলিত পদক্ষেপের আহ্বান জানালেন ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়কে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি – সংবাদ সম্মেলনে বললেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ১৫ বছরের স্বৈরশাসনের পতন হওয়ায় দ্য ইকোনমিস্টের বর্ষসেরা দেশের স্বীকৃতি পেলো বাংলাদেশ।


এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান ও তার পরিবারের সদস্যদের ১২৫টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ  করার নির্দেশ আদালতের।


চালকদের অসচেতনতায় নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে না শব্দদূষণ – চলতি মাসেই শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা আইনে রূপান্তর।


ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা সংলাপে বসতে প্রস্তুত রাশিয়া - বললেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।


ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা সংলাপে বসতে প্রস্তুত রাশিয়া - বললেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।


কিংসটাউনে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে এখন ব্যাট করছে বাংলাদেশ।

গল্পে গল্পে ইলেকট্রিক্যাল টাইমার নিয়ে আড্ডা:-

 গল্পে গল্পে ইলেকট্রিক্যাল টাইমার নিয়ে আড্ডা:-


টাইমার এর নাম আমরা সবাই শুনেছি এবং এটি নিয়ে কাজ করার সৌভাগ্যও অনেকের হয়েছে। তবে একটু ভিন্ন ফ্লেভারে আজ জেনে নিব টাইমার মহাশয়ের গল্প।


নাম শুনেই আন্দাজ করা যাচ্ছে এই ডিভাইসটির সাথে সময়ের খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তার আগে আপনাদের একটা ছোট গল্প শুনাব। কামাল বাবু খুব অলস প্রকৃতির মানুষ। যখন সন্ধ্যা হয় অন্ধকারেই শুয়ে থাকবেন কিন্তু কষ্ট করে লাইটের সুইচটা দিবেন না।


আবার যখন সকাল হবে কষ্ট করে লাইটের সুইচটা অফ করতে পর্যন্ত জড়তা অনুভব করেন। কি আলসে লোকরে বাবা!!!! কাকাবাবুর ছেলে আবার ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। সে অটোমেশন সিস্টেমের সাহায্যে একটি নির্দিষ্ট সময়ে লাইট অন এবং অফ হওয়ার বন্দোবস্ত করে দিল। এ কাজে সে ব্যবহার করল টাইমার।


টাইমার হলো একধরনের টাইম সুইচিং ডিভাইস যা বৈদ্যুতিক সার্কিট, ইলেকট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসকে টাইম সেটিং এর মাধ্যমে (অন/অফ) নিয়ন্ত্রন করে থাকে। যেমনটি কামাল কাকার ছেলে করেছিল। সে টাইমার দিয়ে বাতিটির বৈদ্যুতিক সার্কিটকে রিলের সাহায্যে একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর নিয়ন্ত্রণ করেছিল।


এটি কয় পিনের হয়?


টাইমার বিভিন্ন পিনের হয়ে থাকে যেমন ৫ পিন, ৮ পিন, ১১ পিন এবং ১৪ পিন ইত্যাদি। এটা বিভিন্ন ভোল্টেজেরও হয়ে থাকে যেমন AC/DC 12V, AC/DC 24V, AC/DC 48V, AC/DC 110V এবং AC 220V ইত্যাদি। কয়েল ভোল্টেজের জন্যে অন্য পিন গুলি থাকবে NO এবং NC হিসাবে।


এখানে NO= Normally Open, NC= Normally Closed বুঝানো হয়েছে।


অর্থাৎ মূল সংজ্ঞা ভূলে গেলেও গল্পটি মনে থাকলেও আপনি সহজেই বিষয়বস্তুটিকে ব্যাখা করতে সক্ষম হবেন। আমার ই-বুক এর আসল ট্রিক্স কিন্তু এটাই।


অনেক সদ্য পাস করা ডিপ্লোমা/বিএসসি নবীন ভাইয়েরা চিন্তিত থাকেন ভাইবা নিয়ে। ব্যাসিক ত ভূলে গেছি! আবার অনেক সিনিয়র ভাই প্রফেশনাল কাজে মনে হয়, "ইশ! যদি আবার থিওরিটা জাবর কাটা যেত?!''


আপনাদের জন্য আমার ১০টি স্পেশাল ই-বুকঃ


ই-বুক ১ঃ ইলেকট্রিক্যাল যখন এ বি সি এর মত সহজ


ই-বুক ২ঃ সাবস্টেশন এবং সুইচগিয়ারের ময়নাতদন্ত


ই-বুক ৩ঃ ইন্ডাস্ট্রিয়াল জটিল টপিকের সরল আলোচনা


ই-বুক ৪ঃ পাওয়ার সিস্টেম নিয়ে আড্ডা


ই-বুক ৫ঃ চা এর আড্ডায় পি এল সি


ই-বুক ৬ঃ ট্রান্সফরমার মহাশয়ের খুটিনাটি


ই-বুক ৭ঃ DC circuit নিয়ে মজার বই


ই-বুক ৮ঃ ইলেকট্রনিক্স এত মধুর কেন?


ই-বুক ৯ঃ Mr Generator এর খুটিনাটি


ই-বুক ১০ঃ Telecommunication এর ম্যাজিক 


শুভেচ্ছামূল্যের বিনিময়ে ১০টি ইবুক পেতে ইনবক্সে নক দিয়ে ইমেইল আইডি শেয়ার করুন অথবা What's app +8801741994646

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...