এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

নেহারি রেসিপি,,,,,

 * নেহারি রেসিপি


চাইলে ঘরেই নিহারি রাঁধতে পারেন, তাও আবার খুব সহজেই। চালের আটার রুটি, পরোটা অথবা পরোটা সাথে গরম গরম নেহারি খুবই সুস্বাদু। ৮৮৮ নিহারি রান্নার রেসিপি- জেনে নিন সঠিক ও সহজ উপায়ে


উপকরণ


১. গরু / খাসির পা ২কেজি


২. মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ


৩. হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ


৪. ধনিয়ার গুঁড়া ১ টেবিল চামচ


৫. জিরা বাটা/জিরার গুঁড়া ১ টেবিল চামচ


৬. পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ


৭. লবণ স্বাদমতো


৮. আদা বাটা ১ টেবিল চামচ


৯. রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ


১০. তেজপাতা ৩/৪টি


১১. দারুচিনি ২/৩ টুকরো


১২. লবঙ্গ ৫/৬টি


১৩. এলাচ ৫/৬টি


১৪. গেলামরিচ আধা চা চামচ


১৫. পানি ২ লিটার


১৬. তেল আধা কাপ


১৭. শুকনো লাল মরিচ ৩/৪টি


১৮. পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ


১৯. রসুন কুচি ২ টেবিল চামচ


২০. ভাজা জিরার গুঁড়া ১চা চামচ ও


২১. গরম মসলার গুঁড়া ১ চা চামচ


পদ্ধতি


প্রেসার কুকারে গরু / খাসির সঙ্গে ২-১৫ নং পর্যন্ত সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে ২ লিটারের মতো পানি দিলেই হয়ে যাবে।


অন্য পাত্রে রান্না করলে পানির পরিমাণ আরেকটু বেশি লাগবে। সেটা দেখে বুঝেই পানির পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে।


ভালোভাবে মসলা মিশিয়ে ঢাকনা  দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে রান্না করতে হবে প্রায় ঘণ্টাখানেক। এরপর ঢাকনা খুলে যদি দেখেন নেহারি সেদ্ধ হয়ে গেছে তখনই বাগার দিতে হবে।


এজন্য চুলায় একটি প্যান বসিয়ে তেল গরম করে তেল আধা কাপ গরম করে নিন। এবার এতে ১৭-১৯ নং পর্যন্ত উপকরণ দিয়ে ভেজে নিন।


নাড়তে নাড়তে যখন পেঁয়াজ-রসুন বাদামিরঙ হয়ে আসবে তখনই দিয়ে দিন জিরা। এরপর এই বাগার ঢেলে দিন নেহারির মধ্যে।


সাথে দিতে হবে ভাজা জিরার গুঁড়া ও গরম মসলার গুঁড়া। ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে চুলার জ্বাল বন্ধ করে ঢেকে রাখুন ১০-১৫মিনিট। ব্যাস পরিবেশনের জন্য তৈরি হয়ে।।।


রেসিপি যেন না হারিয়ে যায় তাই তাড়াতাড়ি আপনার টাইমলাইনে শেয়ার করে রেখে দিন। যেনো প্রয়োজনে খুঁজে পান। এমন ভিন্ন স্বাদের মজাদার সব রেসিপি পেতে আমাদের রান্নাঘর পেজে অবশ্যই লাইক কমেন্ট শেয়ার দিয়ে পাশেই থাকুন। ধন্যবাদ

টবের নাগা মরিচ/বোম্বাই মরিচ চাষ পদ্ধতি।

 টবের নাগা মরিচ/বোম্বাই মরিচ চাষ পদ্ধতি।


বোম্বাই মরিচ মূলত প্রচণ্ড ঝালের কারণে সর্বাধিক পরিচিত। সবার প্রিয়ও বলা চলে। একটু চেষ্টা করলেই ফলাতে পারবেন বোম্বাই মরিচ। বাসার ছাদে, বারান্দায়, ভবনের চারপাশে টবে বোম্বাই মরিচের ফলন ভালো হয়। তাই আজ থেকেই চেষ্টা করে দেখুন। চাষের নিয়ম-কানুন জেনে নিন এখনই-


বীজ বা চারা: 


যেকোনো বাজারে বীজ কিনতে পাওয়া যায়। তবে নতুনদের জন্য চারা কেনাই ভালো। নার্সারি, হর্টিকালচার সেন্টার বা গ্রামের হাট-বাজার থেকেও বোম্বাই মরিচের চারা কেনা যায়। তবে জাত ও চারার মান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। এছাড়া বীজ থেকেও চারা উৎপাদন করে রোপণ করা যায়।


চাষের নিয়ম: 


প্রতিটি চারা টবে লাগানোর আগে মাটি প্রস্তুত করে নিতে হবে। প্রতিটি ১০ ইঞ্চি টবের জন্য ১/৩ গোবর (২ ভাগ মাটি, ১ ভাগ গোবর), ২ চিমটি টিএসপি, ১ চিমটি ইউরিয়া, ১ চিমটি পটাশ সার, অল্প পরিমাণ সরিষার খৈল দিয়ে ৪-৫ দিন মাটি রোদে শুকাতে হবে। তারপর এ মাটিতে চারা লাগাতে হবে। চারা যদি সবল না হয় তাহলে দিনে ২-৩ বার ইউরিয়া মিশ্রিত পানি স্প্রে করলে চারা সবল হয়ে যাবে।


সপ্তাহে ১ দিন মাটি খুঁচিয়ে আলগা করে দিতে হবে। আগাছা দেখা দিলে সরিয়ে দিতে হবে। চারা লাগানোর ২০-২৫ দিনের মধ্যেই গাছে ফুল আসবে। আর সেই ফুল থেকে আস্তে আস্তে ধরতে শুরু করবে আপনাদের প্রিয় বোম্বাই/নাগা মরিচ। মরিচ যত বেশি দিন গাছে থাকবে তত ঝাল হবে।


খুব নিচের শাখাগুলো কেটে/ভেঙে ফেলতে হবে। এমনটি না করলে গাছের জোর কমে যাবে, মরিচের আকার হবে ছোট। গাছ কড়া রোদে রাখতে হবে, ছায়ায় থাকলে মরিচ ধরবে না। ১টা মরিচ গাছ অনেক দিন ফল দেবে। আর ১টা গাছে যে পরিমাণ মরিচ ধরে তা খেয়েই শেষ করা কঠিন।


পোকা দমন: 


মরিচ গাছে পোকা আক্রমণ করতে পারে। তবে ২-৪ টা গাছ হলে পোকা-মাকড় হাতেই মেরে দমন করা যায়। গাছ বেশি হলে কীটনাশক ব্যবহার করা যায়। তবে শাক-সবজিতে কীটনাশক ব্যবহার না করাই ভালো।


ফলন: 


মরিচ যত বেশি দিন গাছে থাকবে; তত বেশি ঝাল হবে। নিচের শাখাগুলো কেটে ফেলতে হবে। না হলে মরিচের আকার হবে ছোট। গাছ কড়া রোদে রাখতে হবে, ছায়ায় থাকলে মরিচ ধরবে না। ১টি গাছ অনেক দিন ফল দেবে।

ছাদকৃষির জন্য ১২ টি পরামর্শ

 🪴🌿🍆🌽🌶️ছাদকৃষির জন্য ১২ টি পরামর্শ🍆🌽🌶️🥕🍉

"ছাদ বাগানীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। টবে, ড্রামে গাছ লাগানো হয়। কেউ ফল, কেউবা সবজির গাছ লাগান। কেউ সফল হন। কেউ সফল হন না। ছোট ছোট কিছু ভুল বাগানীরা করে থাকেন। সে কারণে যত্ন নিলেও ফল আসে না। এখানে ছাদ বাগানীদের জন্য কিছু টিপস দেয়া হলো, যা মানলে সফলতা পাওয়া সহজ হতে পারে।


প্রথমেই মনে রাখতে হবে, টবে বা ড্রামে গাছ লাগালে তাকে খাবার দিতে হবে। প্রকৃতিতে বিদ্যমান গাছের মতো সে খাবার সংগ্রহ করতে পারে না। রোগ-বালাই হলো কিনা সেটাও বুঝে ব্যবস্থা নিতে হবে। ধৈর্য্য ধারণ করতে হবে।


১. মাটির সাথে অবশ্যই কিছু কোকোপিট মেশাবেন। গাছের গোড়া স্যাতস্যাতে হতে দিবেন না। স্যাতস্যাতে হলে অসংখ্য রোগ হবে। মাটি ভেজা থাকবে তবে স্যাতস্যাতে না। কেকোপিট মেশালে পানি কম দিলেও হবে। কোকোপিট (নারকেলের ছোবলার গুড়া) পানি ধরে রাখে। অতি বৃষ্টি হলে গোড়ায় পানি জমতে দেয় না। হালকা হওয়ায় ছাদে ওজনের চাপ পড়ে না। এছাড়া কোকোপিটে কিছু পুষ্টি উপাদান আছে। যা গাছের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। কোকোপিটে চারা দ্রুত গজায়, বড় হয়। মাটির চেয়ে কোকোপিটে চারা ভালো হয়।


২. গাছের জন্য বিরিয়ানি হলো সরিষার খৈল-পচা পানি। মাটির হাড়িতে খৈল পচাতে হবে। কমপক্ষে ৫ দিন। ৭ দিন কিংবা বা ১৫ দিন হলে উত্তম। অল্প পানিতে পচিয়ে তার সাথে আরো পানি মিশিয়ে দিতে হবে। এটি গাছের জন্য অত্যন্ত উপকারী। একটু গন্ধ হয়, তাই অল্প একটু গুড় দিতে পারেন। ছাদে হাড়িতে পচালে বাসায় গন্ধ আসবে না। বৃষ্টির সময় খৈল-পচা পানি দেবেন না। পুকুরের নিচে থাকা পাক কাদা গাছের জন্য খুব উপকারী।


৩. আমরা জানি, মাটিতে অসংখ্য ক্ষতিকর ছত্রাক থাকে। যা গাছকে মেরে ফেলার জন্য যথেস্ট। তাই মাটি রেডি করার সময় কিছুটা বায়োডামা সলিট দিবেন। এটি উপকারী ছত্রাক। মাটিতে ক্ষতিকারক উপাদানগুলো মেরে ফেলে। আবার জৈব সারের কাজও করে। গাছের জন্য মাটি হবে ঝুরঝুরে, হালকা।


৪. যাই লাগান না কেন, ভালো জাতের বীজ কিনা নিশ্চিত হয়ে নেবেন। ভালো বীজে ভালো ফসল হবে। নতুবা যতই যত্ন নেন না কেন, সব পরিশ্রম বেলাশেষে জলে যাবে। বীজ থেকে নিজে চারা করা উত্তম। কারণ বাজার থেকে যে চারা কিনবেন সেটার জাত ভালো হবে সে নিশ্চয়তা কোথায়? ছত্রাকনাশক দিয়ে বীজ শোধন করে নেয়া উত্তম। পদ্ধতি হলো- ছত্রাকনাশক দেয়া পানিতে কিছুটা সময় বীজ ভিজিয়ে রাখতে হবে। ম্যানসার, মেটারিল দুটি ছত্রাকনাশক।


৫. গাছ বেশি তো ফলন বেশি- এটি ভুল ধারণা। অল্প জায়গায় বেশি গাছ লাগানো যাবে না। গাছ পাতলা করে লাগাতে হবে। বেশি লাগালে গাছ প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাবে না। একটি ফলের ক্রেটে মাত্র দুটি গাছ। একটি টবে একটি গাছ। ক্রেট বা টবে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখতে হবে।


৬. ছাদে মাচা দেয়া সমস্যা। কারণ ঘুঁটি থাকে না। এ জন্য ফলের ক্রেটের চারপাশে লাঠি বেঁধে সহজে মাচা দেয়া যায়। লতাপাতা জাতীয় গাছ লাগানোর পাত্র একটু গভীর হলে উত্তম। গাছের জন্য সবচেয়ে বেশি ভালো জৈব সার হলো পাতা-পচা সার, তারপর ভার্মি কম্পোস্ট, তারপর গোবর সার। পাতা-পচা সার সহজলভ্য নয়। দাম বেশি। কিন্তু ভার্মি কম্পোস্ট সহজলভ্য। মাটির সঙ্গে মিনিমাম ৪০% জৈব সার দেয়া উত্তম।


৭. নিম কীটনাশককে ক্ষতিকারক পোকা-মাকড় খুব অপছন্দ করে। এটি দিলে তারা বিরক্ত বোধ করে। গাছে বাসা বাঁধতে পারে না। প্রতি সাত দিনে একবার সব গাছের পাতায় নিম কীটনাশক স্প্রে করতে হবে। মাসে একবার ইপসম সল্ট স্প্রে করে দেয়া উত্তম। একইভাবে মাসে একবার পানির সঙ্গে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড মিশিয়ে স্প্রে করা ভালো।


৮. ডাটা, পুইশাক, লালশাক, ধনেপাতা এসব লাগাতে পারেন। মাত্র ২৫ দিনে খেতে পারবেন। লালশাক লাগালে নেট দিয়ে ঘিরে দেবেন। শাকপাতা লাগালে দ্রুত আউটপুট পাবেন। যা আপনাকে প্রেরণা দেবে। পুইশাক গাছের পাতায় দাগ হলে পাতা কেটে দিন। অথবা ছত্রাকনাশক স্প্রে করেন। অথবা গাছ উঠিয়ে আবার লাগান। ইউরিয়া সার দিলে পুইশাক দ্রুত বাড়বে। শশা গাছের বৃদ্বির জন্য ডিএপি সার দিলে ভালো হবে। শশা গাছে ছাড়া ছাড়া ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হয়। খুব রোদ, গাছের গোড়ায় মালচিং করে দিয়ে উত্তম ফল মিলবে। মালচিং হলো গাছের গোড়ায় বিশেষ পলিথিন কিংবা শুকনো পাতা, খড় দিয়ে ঢেকে দেয়া।


৯. ফুল আসার পরে প্রানোফিক্স অথবা মিরাকুরান গাছের পাতায় শেষ বিকালে স্প্রে করবেন। বাসায় দুইটি গ্রুপের ছত্রাকনাশক রাখা ভালো। যেমন- ম্যানসার, মেটারিল। ১৫ দিনে একবার স্প্রে করবেন।  এগরোমিন্ড গোল্ড অনুখাদ্য বা অন্য কোনো অনুখাদ্য বাসায় রাখতে হবে। মাসে কমপক্ষে একবার স্প্রে করবেন। অতিরিক্ত গরম, বৃষ্টি, খাদ্যের অভাব, গাছ রোগাক্রান্ত, আবহাওয়া দ্রুত আপডাউন করা ইত্যাদি কারণে ফুল ঝরে পড়তে পারে। আবার পরাগায়ন না হলে ঝরে পড়তে পারে। এ জন্য হাতের মাধ্যমে পরাগায়ন করতে হবে। পুরুষ ফুলের পরাগদণ্ড নারী ফুলে গর্ভে ঘষে দিতে হবে।


১০. ছাদ বাগানে গাছ মারা যাওয়ার অন্যতম কারণ পানি বেশি বা কম দেয়া। যতটুকু লাগে ঠিক ততটুকু পানি দিতে হবে। কোন গাছের কি চাহিদা, রোগ একটু স্টাডি করলে সহজে সফল হতে পারবেন।


১১. গাছের পাতার নিচে খেয়াল করবেন। বেগুন গাছের পোকা মারার জন্য সেক্স ফোরেমান ফাঁদ লাগাবেন। ডগা ছিদ্র বা ফল ছিদ্র হলে সাইপারমেত্রিন গ্রুপের কীটনাশক দিতে হবে। একটি বেগুন গাছ অনেক দিন ফল দেয়। ঢেড়স গাছ বেশি রোদ পড়ে এমন জায়গায় লাগাবেন। বেগুন, ঢেড়স, লালশাক, পুইশাক, ধনেপাতা, ডাটা শাক- এসব গাছের খুব যত্ন করতে হয় না।


১২. রসুন আর লবঙ্গ বেটে সেই পানি গাছে স্প্রে করলে পোকা কম আসবে। মরিচ গাছে নেপথলিন বেঁধে দিন, পোকা কম আসবে। পাতা কোকড়ালে ভার্মিটেক কিংবা এবোম কীটনাশক দিন। কোকড়ানো পাতা ফেলে দিন। মরিচ গাছে দশ দিন পর পর ডায়মেথট গ্রুপের (যেমন টাফগর) কীটনাশক দিলে উপকার হবে। সবকিছু করছেন, তারপরও কাজ হচ্ছে না। এক্ষেত্রে গাছের জায়গা বদল করেন, উঠিয়ে অন্যত্র লাগান।"


শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিলাম ধন্যবাদ।

দক্ষতা আপনার, সহযোগিতা আস-সুন্নাহ’র—এই স্লোগানকে সামনে রেখে নতুন বছরে শুরু হচ্ছে আমাদের ভিন্নধর্মী কার্যক্রম ‘দক্ষতাভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি প্রকল্প-২০২৫’। 

 ‘দক্ষতা আপনার, সহযোগিতা আস-সুন্নাহ’র—এই স্লোগানকে সামনে রেখে নতুন বছরে শুরু হচ্ছে আমাদের ভিন্নধর্মী কার্যক্রম ‘দক্ষতাভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি প্রকল্প-২০২৫’। 


আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নবীন উদ্যোক্তা তৈরি এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।


কারিগরি জ্ঞান ও বাস্তব অভিজ্ঞতা-সম্পন্নদের এই প্রকল্পের আওতায় বিশেষ আর্থিক সহায়তা করা হবে, যেন তিনি আত্মনির্ভরতার পাশাপাশি আরো কয়েকটি পরিবারের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেন।


আবেদন প্রক্রিয়া: 


নিচের লিংকে আবেদন ফরম পাওয়া যাবে। সম্ভাব্য উদ্যোক্তা ফরমটি প্রিন্ট করে যথাযথভাবে পূরণ করবেন। কুরিয়ারের মাধ্যমে অথবা সরাসরি অফিসে এসে আবেদন ফরম জমা দিতে পারবেন। আবেদন ফরমের সঙ্গে পাঠাতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, দক্ষতার সার্টিফিকেট (যদি থাকে), দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। 


ঠিকানা: মানবসেবা, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন, প্লট সি-৭০, রোড-৩, ব্লক-সি, আফতাবনগর, ঢাকা। ফোন : ০১৯৫৮২৭৭৬০৩ 


আবেদন ফরম লিংক :  https://shorturl.at/7iEdm




১৬টি প্রশ্নের উত্তর দিলাম আশাবাদী নবীনদের কাজে লাগবে: ইন্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১৬টি প্রশ্নের উত্তর দিলাম আশাবাদী নবীনদের কাজে লাগবে:

১💕প্রশ্নঃ রাত্রে সাইটে মালামাল আসলে সকালে সাইটে প্রবেশ করে ইঞ্জিনিয়ারের কি করা উচিৎ? 

উত্তরঃ মালামাল আসলে তার গুনগত মান ঠিক আছে কি না চালানের সাথে মিল করে দেখা, প্রতিদিন কি পরিমান মালামাল আসে এবং কি পরিমান ব্যবহার করা হচ্ছে সাইট মেজারমেন্ট বইতে তুলে রাখতে হবে, মালামাল কম আসে কিনা সে দিকে নজর রাখতে হবে, কোন সমস্যা থাকলে অফিসে জানাতে হবে।


২💕প্রশ্নঃ সাইটে বালি আসলে কিভাবে রিসিভ করা হয়? 

উত্তরঃ ট্রাক সাইটে আসার পর ট্রাকের উপরে উঠে দেখতে হবে মাল সমান আছে কিনা, সমান না থাকলে সমান করতে হবে তারপর ট্রাকের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ মাপতে হবে আর 10 মিমি রড দিয়ে উচ্চতা মাপতে হবে। লােকাল গাড়ীর মাপ সাধারনত = 14'-6"X7'6"X1'-10" = 199.01 ঘনফুট।


৩💕প্রশ্নঃ সাইটে সিমেন্ট আসলে কিভাবে রিসিভ করা হয়?

উত্তরঃ সাইটে সিমেন্ট আসলে গাড়ীতে কত ব্যাগ সিমেন্ট আছে সেটা আগে জানতে হবে। আর সাইটে 12 টা করে ইস্টাক দিয়ে দুইটা ইস্ট্রাক মিলে তার উপর এক বস্তা দিলে মােট 25 (12+12+1) এই ভাবে সিমেন্ট রিসিভ করতে হয়। 


৪💕প্রশ্নঃ সাইটে রড আসলে কিভাবে রিসিপ করা হয়? 

উত্তরঃ রড বান্ডিল হিসাবে আসে তাই বান্ডিল হিসাবে বুঝে নেওয়া হয়। তাছাড়া মােট রডের দৈর্ঘ্য বা rft বের করে কেজিতে হিসাব করা হয়। 


৫💕প্রশ্নঃ সাইডে ইট কিভাবে রিসিভ করবেন? 

উত্তরঃ ইট গাড়ীতে গুনে নেওয়া ভাল, না হলে সাইটে ইস্টাক দিয়ে বুঝে নেওয়া যায়। গাড়ীতে উঠে এক সারিতে কয়টা আর কয়টা সারি আছে গুনে ইট বুঝে নিতে হয়। যেমন দৈর্ঘ্য বরাবর এক সারিতে 50 টা প্রস্থ বরাবর এক সারিতে 10 টা আর উচ্চতা বরাবর এক সারিতে আছে 6টা তাহলে মােট = 50X10X6 = 3000 পিচ। 


৬💕প্রশ্নঃ সাইটে কাঠ আসলে কিভাবে রিসিভ করবেন? 

উত্তরঃ সাটারিং কাঠ সাইটে আসলে প্রথমে সাইজ অনুযায়ী সাজাতে হয়। তারপর গুনে হিসাব করতে হয়। যেমন (5' - 0" X 0' - 5" X 0' - 1.25" X 200) - 144 = 43.40 ঘনফুট (6' - 0" X 0' - 6" X 0' - 1.25" X 250) - 144 = 78.13 ঘনফুট (6' - 0" X 0' - 3" X 0' - 2" X 300) - 144 = 75.00 ঘনফুট মােট 196.52 ঘনফুট 


৭💕প্রশ্নঃ সাইটে স্যানিটারী মালামাল আসলে কিভাবে রিসিভ করবেন? 

উত্তরঃ 8" 6" 4" 2" ইউপিভিসি পাইপ 20' লম্বা হয় আমরা পিচ হিসাবে বুঝিয়া নেই এবং 2" 1.5" 1.25" 1" 3/4" 1/2" জি.আই. পাইপ 10' লম্বা হয় আমরা পিচ হিসাবে বুঝিয়া নেই। অন্যান্য মালামাল পিচ হিসাবে আসলে ভাল ভাবে গুনে ডায়া অনুয়ায়ী বুঝিয়া রাখতে হবে।


 ৮💕প্রশ্নঃ সাইটে ইলেকট্রিক মালামাল আসলে কিভাবে রিসিভ করবেন? 

উত্তরঃ তার কয়েল হিসাবে আর.এম, আর.ই অনুযায়ী গুনে আলাদা ভাবে বুঝে নিতে হয়। 1.25" 1" 3/4" 1/2" পিভিসি পাইপ 10' লম্বা হয়। সকেট, বেন, ফ্যান হুক, সার্কুলার বক্স পিচ হিসাবে বুঝে নিতে হয়। 


৯💕প্রশ্নঃ সাইটে রং আসলে কিভাবে রিসিভ করবেন?

উত্তরঃ রং ড্যাম হিসাবে, চক পাউডার বস্তা হিসাবে, ইস্পিট গ্যালন হিসাবে, গালা কেজি হিসাবে কাগজ পিচ হিসাবে বুঝিয়ে নিতে হয়। 


১০💕প্রশ্নঃ সাইটে টাইলস আসলে কিভাবে রিসিভ করবেন? 

উত্তরঃ টাইলস বর্গফুট হিসাবে বা পিচ হিসাবে কোড নম্বর মিলিয়ে বুঝে রাখতে হবে। 


১১💕প্রশ্নঃ সাইটে গ্রীল আসলে কিভাবে রিসিভ করা হয়?

উত্তরঃ সাইজ সহ পিচ হিসেবে বুঝে নিতে হয়।


১২💕প্রশ্নঃ সাইটে চৌকাঠ, পাল্লা আসলে কিভাবে রিসিভ করা হয়? 

উত্তরঃ চোকাঠ, পাল্লা সাইজ অনুযায়ী পিচ হিসাবে বুঝে নিতে হয়। 


১৩💕প্রশ্নঃ সাইটে থাই আসলে কিভাবে রিসিভ করবেন? 

উত্তরঃ থাই বর্গফুট হিসাবে বুঝে নিতে হবে। 


১৪💕প্রশ্নঃ সাইটে হার্ডওয়ার মালামাল কিভাবে রিসিভ করা হয়?

উত্তরঃ হার্ডওয়ার তালা, হ্যান্ডেল, ছিটকানী, কজা বা হিন্স ইত্যাদি গুনে বুঝে নিতে হয়। এছাড়া আরও অনেক পদের মালামাল সাইটে রিসিপ করতে হয়। 


১৫💕প্রশ্নঃ এক পিচ রডের দৈর্ঘ্য কয়ফুট থাকে? 

উত্তরঃ 39'-6"। 


১৬💕প্রশ্নঃ তােমার সাইটে গাড়ি পাথর এসেছে, কিভাবে পরিমাপ করবে? 

উত্তরঃ দৈঘ্য x প্রস্থ x উচ্চতা গুণ করলে cft বের করতে হবে। যেমন: ধরুন 14.5'x7.5'X1.83' = 199 cft (দৈর্ঘ্য, 14'-6" প্রস্থ 7'- 6" এবং উচ্চতা 1'10") 


 #কন্সট্রাকশন_টিপস #বাংলা_ইঞ্জিনিয়ারিং #রডের_হিসাব #সিভিল_ইঞ্জিনিয়ার_বাংলাদেশ #বিল্ডিং_কন্সট্রাকশন #কলাম_ডিজাইন #ইঞ্জিনিয়ারিং_টিপস #সিভিলইঞ্জিনিয়ারিং

কাগজের কলম

 কাগজের কলম

কলমের quality অনেক ভালো। এতে ৮৫ ভাগ কম প্লাস্টিক ব্যাবহৃত হয়েছে। তাছাড়া কলমের পিছনে গাছের বীজ দেওয়া আছে যা কলমের কালি শেষ হলে উল্টা করে মাটিতে বা টবে পুঁতে রাখলে এখান থেকে গাছ জন্মাবে। 


কাগজের কলমের বৈশিষ্ট্য 


** এটি কাগজের তৈরি তাই ওজনে হালকা।

** হাতের লেখা সুন্দর করে ।

** হাতের অতিরিক্ত ঘাম শোষন করে।

** প্রতিটা কলমেই ফুল,ফল, সবজির বীজ দেওয়া আছে যা কলমের কালি শেষ হলে মাটিতে বা টবে পুঁতে রাখলে এখান থেকে গাছ হবে।


**এই কলমটি ছোট বাচ্চাদের বা আপনার প্রিয় মানুষকে উপহার দিতে পারেন আনকমন হিসেবে।

**একটি কলম আপনার প্রিয়জন বা কাস্টমারকে গিফট করলে আপনার কম্পানির বা ব্রান্ডের ভ্যালু বৃদ্ধি পায়।


**নিজের নাম,প্রতিষ্ঠানের নাম, স্কুল , কলেজ,মাদ্রাসা ,কোচিং সেন্টারের নাম, ঔষধ কোম্পানীর নাম, এনজিও সহ সকল সামাজিক প্রচারনা প্রোমোট করতে অর্ডার করুন ।

            ***   ০১৬৩২-৭০৫৭৩০  *** 


লোকেশন : বরিশাল। 


বিঃদ্রঃ সারা দেশে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে হোম ডেলিভারী করা হয়।

চাপটি রেসিপি: 

 🔸🔸চাপটি রেসিপি: 

শীতের সকাল এ হাঁসের মাংস আর চাপটি খেতে কার না ভালো লাগে। আসুন জেনে নিই সহজ নিয়মে কিভাবে চাপটি বানানো যায়:


✅উপকরনঃ


১ কাপ চালের গুড়ো


১/২ কাপ ডাল বাটা


১ চা চামচ লবণ


৪টা কাচা মরিচ কুচি


দুটি পেয়াজ কুচি


১ টা টমেটো কুচি


ধনে পাতা


✅রান্নার নির্দেশঃ

1

উপরিউক্ত সব উপকরণ, পরিমাণ মত জল দিয়ে একসাথে মিশিয়ে নিতে হবে।


2

প্যান গরম হলে, এতে সামান্য তেল ব্রাশ করে ডুবো হাতা দিয়ে মিশ্রণ টা ঢেলে দিতে হবে


3

প্যান টা ঘুরিয়ে দিতে হবে, যাতে মিশ্রণ টা চারদিকে ছড়িয়ে যায়।


4

কিছু ক্ষন ঢেকে রাখতে হবে


5

ঢাকনা তুলে এক পিঠ হয়ে গেলে আরেক পিঠ দিতে হবে


6

দুই পিঠ হয়ে গেলে নামিয়ে নিতে হবে


🔸🔸হাঁসের মাংস ভুনা রেসিপি: 


শীতকালে চাপটি দিয়ে হাঁস ভুনার তুলনা হয় না। আসুন জেনে নিই কিভাবে রান্না করবো।


✅উপকরণঃ


হাঁসের মাংস ১ কেজি

পেঁয়াজকুচি ১ টেবিল চামচ

পেঁয়াজবাটা ১ টেবিল চামচ

মরিচের গুঁড়া ১ টেবিল চামচ

হলুদের গুঁড়া ১ চা–চামচ

আদাবাটা ১ টেবিল চামচ

রসুনবাটা ১ টেবিল চামচ

ধনেগুঁড়া ১ চা–চামচ

জিরাবাটা ১ চা–চামচ

গরমমসলার গুঁড়া; জায়ফল গুঁড়া, জয়ত্রী গুঁড়া, মৌরি গুঁড়া ১ চা–চামচ করে

এলাচ, দারুচিনি, তেজপাতা, লং, গোলমরিচ ২টি করে

কাজুবাদামবাটা এক টেবিল চামচ

কাঠবাদামবাটা ১ টেবিল চামচ

নারকেল দুধ ১ কাপ

কাঁচা মরিচ কয়েকটি

লবণ স্বাদমতো

তেল পরিমাণমতো।


✅প্রণালিঃ


তেল গরম করে তেজপাতা, এলাচ, দারুচিনি, লং, গোলমরিচ ফোড়নে পেঁয়াজকুচি নেড়ে ভেজে নিন। এবার পেঁয়াজবাটা দিয়ে নেড়ে দিন। মরিচ, হলুদের গুঁড়া দিয়ে নেড়ে বাকি সব মসলা দিয়ে দিন। একটু পানিতে কষিয়ে নিন। এর মধ্যে পরিষ্কার করে পানি ঝরিয়ে নেওয়া হাঁসের মাংস দিয়ে নাড়ুন। কষিয়ে পানি দিয়ে ঢেকে দিন। নারকেল দুধ দিয়ে নেড়ে কাজুবাদাম ও কাঠবাদামবাটা দিন। কাঁচা মরিচ ছড়িয়ে কষিয়ে নিন। গা মাখা মাখা হয়ে এলে এলাচ, দারুচিনি, জায়ফল, জয়ত্রী, মৌরি গুঁড়া ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।


রেসিপি ভালো লাগলে শেয়ার করে রাখুন আপনার টাইমলাইনে। 

নতুন নতুন রেসিপি পেতে আমার পেইজে নিয়মিত লাইক কমেন্ট ও ফলো দিয়ে পাশে থাকুন। ❤️

 


#followerseveryonehighlights #highlightseveryonefollowers #reelsviral #reelsvideo #fypシ゚ #reelsvideoシ #highlightseveryone #rahmaniyakitchen #viralreelsシ #viralpost2024 #viralreelsfacebook #প্রয়োজনীয়টিপস #রেসিপি

গড়াই নদীর নামকরণ এই নদীর নামে চলাচল করে কুষ্টিয়া-খুলনার  বিখ্যাত সেমি লোকাল অপারেটর গড়াই পরিবহন

 গড়াই নদীটি কুষ্টিয়া জেলার হাটশহরিপুর ইউনিয়নে প্রবহমান পদ্মা নদী হতে উৎপত্তি লাভ করে মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার নাকোল ইউনিয়ন পর্যন্ত প্রবাহিত হয়ে মধুমতি নদীতে পতিত হয়েছে।


[১] একসময় গড়াই নদী দিয়ে গঙ্গার প্রধান ধারা প্রবাহিত হতো, যদিও হুগলি-ভাগীরথী ছিল গঙ্গার আদি ধারা। কুষ্টিয়া জেলার উত্তরে হার্ডিঞ্জ সেতুর ১৯ কিলোমিটার ভাটিতে তালবাড়িয়া নামক স্থানে গড়াই নদী পদ্মা থেকে উৎপন্ন হয়েছে। নদীটি কুষ্টিয়া জেলার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে গণেশপুর নামক স্থানে ঝিনাইদহ জেলায় প্রবেশ করেছে। অতঃপর ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া সীমানা বরাবর প্রবাহিত হয়ে চাদর নামক গ্রাম দিয়ে রাজবাড়ী জেলায় প্রবেশ করেছে। এরপর ঝিনাইদহ-রাজবাড়ী জেলা, মাগুরা জেলা-রাজবাড়ী জেলা এবং মাগুরা জেলা-ফরিদপুর জেলার সীমানা বরাবর প্রবাহিত হয়ে মধুমতি নদী নামে নড়াইল ও বাগেরহাট জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।[৩]


গড়াই নদী-মধুমতী নদীর গতিপথ আঁকাবাঁকা ও দীর্ঘ। গড়াই নামে ৮৯ কিমি, মধুমতী নামে ১৩৭ কিমি এবং বলেশ্বর নামে ১৪৬ কিমি। 

গড়াইয়ের বহু শাখা-প্রশাখা রয়েছে- কুমার নদী, কালীগঙ্গা, ডাকুয়া, বুড়ি গড়াই, বুড়িশাল ইত্যাদি গড়াইয়ের শাখা। তাছাড়া নবগঙ্গা নদী, চিত্রা, কপোতাক্ষ, সাতক্ষীরার যমুনা, গোলঘেসিয়া, এলেংখালী, আঠারোবাঁকি প্রভৃতি নদী এর সংস্পর্শে এসেছে। 

 নদীটির মোহনা থেকে উজানে কামারখালী পর্যন্ত অংশ জোয়ার-ভাটা দ্বারা প্রভাবিত হয়।[৩] 

পদ্মার সাথে সংযুক্ত হওয়ায় নৌপথে পণ্য আদান প্রদানে বিশেষ সহযোগী হিসাবে কাজ করে। নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে অনেক জনপদ। নদীতে প্রচুর পরিমাণ মত্‍স রয়েছে যা এ অঞ্চলের মানুষ আহরণের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। মধুমতি নদী তীরবর্তী অঞ্চল খুব উর্বর। তাই ফসল উত্‍পাদনের জন্য অনুকূল।


এবং


এই নদীর নামে চলাচল করে কুষ্টিয়া-খুলনার  বিখ্যাত সেমি লোকাল অপারেটর গড়াই পরিবহন।

২০২৪ শেষ হয়ে যাচ্ছে, ২০২৫ চলে আসতেছে! বাট আমরা অনেকেই আগের কোনো একটা বছরেই আটকে আছি, 

 ২০২৪ শেষ হয়ে যাচ্ছে, ২০২৫ চলে আসতেছে! বাট আমরা অনেকেই আগের কোনো একটা বছরেই আটকে আছি, আমার কেনো জানি মনে হয় আমি ২০২০ এই আটকে আছি, বাট ২০২০ গেলো যে সেটারও ৪ বছর হতে লাগলো। তবে যাই হউক নতুন বছরে সবারই টার্গেট থাকে ভালো কিছু করার, অন্ততঃ আগের বছরের চাইতে আরো ভালোভাবে সবকিছু করার ইচ্ছা থাকে। 


কিন্তু সমস্যা হলো এমন ইচ্ছা কিন্তু ২০২৩ এর শেষের দিকেও ছিলো, ২৪ এর জন্যেও আমরা প্ল্যান করেছিলাম। বাট অধিকাংশ প্ল্যানই হয়তো আমাদের মনমতো হয়নি, অথবা একদমই কিছু হয়নি। আপনি এরকম হলে হতাশ হবেন না, এবার ২০২৫ এর প্ল্যানিং একটু ডিফারেন্ট হবে। কারণ ২০২৩ আর ২০২৪ এর মধ্যে একটা ডিফারেন্স আছে, যেটা হলো এখন আমাদের এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট অনেক অ্যাক্সেসেবল হয়ে গেছে। 


যদিও ২০২৩ এর শেষের দিকেও এগুলো ছিলো বাট তখন আমরা এতো সিরিয়াসলি নেই নাই, অথবা জিনিসগুলো এতোটা ম্যাচিউরডও ছিলো না।  আমি আগে একটা পোস্টে এআই বা স্পেসেফিকভাবে বললে চ্যাটজিপিটি আমাদের খুবই ভালো একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করতে পারে সেটা নিয়ে পোস্ট করেছিলাম (পোস্ট না দেখলে কমেন্টে দেওয়া লিঙ্ক থেকে দেখে নিবেন)। আজকেও আমি চ্যাটিজিপিট ইউজ করে কিভাবে আপনার ২০২৫ সালটা প্ল্যান করতে পারেন সেটা সম্পর্কে জানানোর চেষ্টা করবো। 


আমাদের লাইফে সবারই কোনো না কোনো টার্গেট থাকে, আবার অনেক দায়িত্বও থাকে। মাঝেমধ্যে এই দায়িত্ব পূরণ করতে গিয়ে নিজের অনেক টার্গেট অ্যাচিভ করা সম্ভব হয় না। আমাদের অনেকের সেইম হয়েছে এই ২০২৪ সালেও। তবে ২০২৫ এ যাতে আমাদের সেইম সমস্যা না হয় তাই আপনি আপনার কি কি টার্গেট আছে, আপনি কি কি করতে চাচ্ছেন সেগুলো সব চ্যাটিজিপিটিতে এক্সপ্লেইন করে বলতে পারেন। সেইসাথে এই টার্গেটগুলো আপনি কতটুকু অ্যাচিভ করতে পেরেছেন বা আদৌ কিছু করতে পেরেছেন কিনা সেটা বলবেন। তারপর টার্গেট ঠিকঠাকমতো এচিভ না হলে কি কারণে হয়নি সেটা বিস্তারিত বলবেন। 


ধরেন আপনার ফুল টাইম জব আছে, জবের পাশাপাশি আপনি নতুন কিছু লার্নিং এ সময় দিতে চান, নিজের পার্সোনাল প্রোজেক্ট করতে চান, রেগুলার এক্সারসাইজ করতে চান, ব্লগ লিখতে চান, খেলাধুলা করতে চান। আপনার কিছু কাজ মাস্ট করতেই হবে, এগুলোকে স্কিপ করা যাবে না। আবার পাশাপাশি সময় বের করে আপনি আপনার অন্যান্য আরো কিছু কাজও আপনার লাইফে ফিট করাতে চাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে আপনি যেটা করতে পারেন সেটা হচ্ছে আপনার এই প্ল্যানগুলোকে আপনার মতো করে সর্বোচ্চ বেস্ট উপায়ে চ্যাটিজিপিটি থেকে অপ্টিমাইজ করে নিতে পারেন। 


যেসব কাজ আপনার মাস্ট করতে হবে সেগুলোর কথা জানাতে পারেন, সেগুলোতে কতটুকু সময় আর কখন সময় খরচ করতে হয় সেগুলো জানাতে পারেন। তারপর সেসব কাজ কন্সিডারেশনে নিয়ে আপনার অন্যান্য বাকি কাজগুলোর জন্য প্ল্যান তৈরি করে দিতে বলতে পারেন। কোন কাজটা কিভাবে করলে, কখন করলে, আগেরবার কেনো হয়নি সেটা বললে আপনার মতো করে সম্পুর্ন পার্সোনালাইজড, আপনার উইকনেস এবং স্ট্রেংদথ কন্সিডারেশনে নিয়ে বিস্তারিত প্ল্যান পাবেন। যদি চান তাহলে দিন অনুযায়ী আপনাকে বিস্তারিত রুটিন পর্যন্ত করে দিতে পারবে চ্যাটজিপিটি।


তাহলে আর দেরী কেনো, আজকেই নেমে পড়ুন আপনার লাইফের জন্য সম্পূর্ণ পার্সোনালাইজড প্ল্যানিং রেডি করতে! আর হ্যা প্ল্যান রেডি করে জানুয়ারির ১ তারিখের জন্য বসে থাকবেন না, এখনি প্ল্যানগুলো অ্যাপ্লাই করে দেখার চেষ্টা করবেন কোনটা কাজ করছে আর কোনটা করছে না। নতুন বছর শুরু হওয়ার আগেই প্ল্যানমতো কাজ করে প্রয়োজনীয় অ্যাডজাস্টমেন্ট করে নতুন বছর শুরু হওয়ার আগেই আপনার জন্য বেস্ট এবং আপনার জন্য অপ্টিমাইজড প্ল্যান রেডি করে ফেলুন!

বাংলাদেশের চিড়িয়াখানা। এটি সকলের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় তথ্যবহুল একটি নিবন্ধগ্রন্থ। 

 বাংলাদেশের চিড়িয়াখানা। এটি সকলের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় তথ্যবহুল একটি নিবন্ধগ্রন্থ। ভ্রমণ, বিনোদন বা গবেষণার জন্য বইটি খুবই সহায়ক হবে বলে মনে করি। চিড়িয়াখানা কী? এর উৎপত্তি ও ইতিহাস, বাংলাদেশের বিভিন্ন চিড়িয়াখানার অবস্থান, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কিত নানান গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সন্নিবেশ রয়েছে বইটিতে। দর্শকদের মনোরঞ্জন বা গবেষণার জন্য আবদ্ধ চিড়িয়াখানাগুলোর পাশাপাশি নানান জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থল হিসাবে বাংলাদেশে রয়েছে অনেকগুলো সাফারিপার্ক, অভয়ারণ্য ও জাতীয় উদ্যান। সঙ্গত কারণেই লেখক উক্ত বইটিতে সেগুলোকেও সংযুক্ত করার চেষ্টা করেছেন অত্যন্ত নিখুঁতভাবে। চিড়িয়াখানার অবকাঠামো, প্রাণিসংখ্যা বা অন্যান্য তথ্যগুলোর সংযোজন-বিয়োজন, পরিবর্তন বা পরিবর্ধন একটি চলমান প্রক্রিয়া। তাই সবগুলো পরিসংখ্যান সবসময় নাও মিলতে পারে। তবে শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত প্রত্যেকটি মানুষ বইটি পড়ে মুগ্ধ হবে বলে মনে করি। 

.

বিষয় : ফিচারগ্রন্থ

বই : বাংলাদেশের চিড়িয়াখানা

লেখক : হালিম নজরুল

প্রকাশক : প্রতিভা প্রকাশ

মুদ্রিত মূল্য : ২২৫/-

.

বইটি অর্ডার করতে পারেন আমাদের ইনবক্সে অথবা রকমারী, বাতিঘর, পিবিএস, বইফেরী, ধী, ওয়াফিলাইফ, প্রথমা, বই বাজার, বিডি বুকস, ই-বইঘর, পাঠক পয়েন্ট, বইয়ের দুনিয়া, বইসদাই, বই প্রহর-সহ যে কোনো অনলাইন শপে।

.

শো-রুম : প্রতিভা প্রকাশ, রুম নং ১৪ (২য় তলা)

সেঞ্চুরি আর্কেড শপিং সেন্টার

১২০ আউটার সার্কুলার রোড, সিদ্ধেশ্বরী, ঢাকা-১২১৭

0258316638, 01912-601494, 01710-320861 (হোয়াটসঅ্যাপ)

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...