এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪

৯ (নয়) ধরণের জমি কিনতে যাবেন না

 ৯ (নয়) ধরণের জমি কিনতে যাবেন না


বর্তমানে জমির দাম অনেক বেশি এবং দিন দিন তা হু হু করে বাড়ছে। অনেকেই স্বপ্ন লালন করেন নিজের একটি জমি হবে। কিন্তু আবাসযোগ্য ভালো জমির পরিমাণ অনেক কম এবং পাওয়াও কঠিন।

এজন্য বিভিন্ন প্রতারক চক্র ” ভালো জমি” বিক্রির লোভ দেখান। সহজ সরল মানুষ একটি ভালো জমির মালিক হবার জন্য দ্রুত টাকা পরিশোধ করে রেজিস্ট্রি করে নেন। কিন্তু দখল করতে গিয়ে দেখেন জমিটি ঝামেলাপূর্ণ। এজন্য জমি কেনার আগে জানা উচিত কোন জমিগুলো একদমই কেনা উচিত নয়।

একটা ভালো জমি যেমন আপনার সারা জীবনের একটা সম্বল হতে পারে। ঠিক তেমনি, ভুল জমি ক্রয় আপনার সারা জীবনের কান্নার কারণ হতে পারে।

আসুন জেনে নেই, কোন্ জমিগুলো ভুলেও কেনা উচিত নয়-


১. খাস জমিঃ

জমি কেনার সময় খোজ নিয়ে দেখবে যেন সেটি খাস জমি না হয়। যে জমিগুলো সরাসরি সরকারের মালিকানাধীন থাকে সেগুলোকে খাস জমি বলা হয়। অনেক সময় অনেক প্রতারক জাল দলিল তৈরি করে “খাস জমি” বিক্রি করা হয়।

আইনে বলা আছে, কোনো জমি যদি সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে ও সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন থাকে সেইগুলোই খাস জমি। সরকার এ জমিগুলো বন্দোবস্ত দিতে পারেন। সাধারণত ভূমিহীন ব্যক্তিরা সরকারীভাবে খাস জমি পায়। এজন্য জমি কিনার পূর্বে ভুমি অফিসে খোঁজ নিয়ে দেখুন যে জমিটি খাস জমি কিনা?


২. অর্পিত সম্পত্তিঃ

অনেক হিন্দু নাগরিক তাদের জমি-জমা পরিত্যাগ করে ভারতে চলে গেছেন এবং সেখানে নাগরিকত্ব লাভ করে বসবাস করেছেন। তাদের অনেকের ভূমি অর্পিত ও অনাবাসী সম্পত্তি (Vested and Non-Resident Property) হিসেবে সরকারের তালিকাভুক্ত হয়েছে এবং এগুলো সরকারের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

এসকল জমি সরকার ছাড়া অন্য কেও ক্রয় বিক্রয় করতে পারে না। এজন্য, যেকোন জমি ক্রয়ের আগে খোঁজ নিন এগুলো সরকারের তালিকাভুক্ত অর্পিত জমি কিনা?


৩. অধিগ্রহণকৃত জমি বা এরূপ সম্ভাবনার জমিঃ

রাষ্ট্র বা সরকার দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড যেমন শিল্প কারখানা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রেলপথ, সড়ক বা সেতুর প্রবেশ পথ বা এ জাতীয় অন্য কিছুর জন্য জনগণের কোন ভূমি যদি দখল করে নেয় তাকে বলে “অধিগ্রহণ”। সরকার দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে যে কারো জমি অধিগ্রহণ করতে পারে।

অনেকেই সরকারের অধিগ্রহণকৃত জমি প্রতারণা করে বিক্রি করে। এজন্য, জমি ক্রয়ের পূর্বে ভূমি অফিসে খোঁজ নিয়ে জেনে নিন জমিটি সরকারের অধিগ্রহণকৃত জমি কিনা বা ভবিষ্যতে অধিগ্রহণ করার সম্ভবনা আছে কিনা?


৪. যাতায়াতের রাস্তা নেই এরূপ জমিঃ

যে জমিটি ক্রয় করবেন সেটির মৌজা ম্যাপ যাচাই করে বা সশরীরে উপস্থিত হয়ে খোঁজ নিন যে জমিটিতে যাতায়াতের রাস্তা আছে কিনা। যে জমিতে যাতায়াতের ব্যবস্থা নেই এমন জমি ভুলেও কিনবেন না?


৪. ইতোমধ্যে অন্যত্র বিক্রয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ কিনাঃ

অনেক বিক্রেতা একই জমি কয়েকজনের কাছে বিক্রি করেন। ফলে, আসল বিক্রেতার কাছ থেকে ক্রয় করার পরও জমির প্রকৃত মালিক হওয়া যায় না।

এজন্য জমি ক্রয় এর পূর্বে খোঁজ নিন বিক্রেতা পূর্বে অন্য কারো কাছে জমিটি বিক্রি করেছে কিনা বা বিক্রির জন্য বায়না চুক্তি করেছে কিনা।

সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে খোঁজ নিন এর পূর্বে জমি হস্তান্তর জনিত কোন দলিল রেজিস্ট্রি হয়েছে কিনা?


৫. বন্ধকীকৃত জমিঃ

অনেক সময় জমি বিভিন্ন ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানে বন্ধক বা মর্টগেজ থাকে। এমন জমি কখনই ক্রয় করবেন না। কারণ বন্ধককৃত জমি ক্রয় – বিক্রয় সম্পূর্ণ বে-আইনী।


৬. কোন আদালতে মামলায় আবদ্ধ জমিঃ

অনেক সময় একই জমির মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা চলে। মামলা চলছে বা মামলা এখন নিষ্পত্তি হয়নি, এমন জমি কেনা উচিত নয়।


৭. বিরোধপূর্ণ জমিঃ

অনেক সময় ওয়ারিশসূত্রে জমির মালিক হলে ঠিকমত ওয়ারিশ সনদ বা বন্টননামা করা হয় না। এসব জমি নিয়ে ওয়ারিশদের মধ্যে বিরোধ চলে।

এসকল বিরোধপূর্ণ জমি কেনা কোনভাবেই উচিৎ নয়।

কৃষি জমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে রেকর্ডীয় মালিকানায় অংশীদারগণ অগ্রক্রয়াধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। সুতরাং অংশীদারদের সম্মতি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে।


৮. দখলহীন জমিঃ

যেকোন জমির মালিকানার জন্য প্রয়োজন দলিল ও দখল। একটি ছাড়া অন্যটি অসম্পূর্ণ। এজন্য যিনি জমি বিক্রি করছেন জমিটি তার দখলে আছে কিনা জেনে নিন।

যদি দখলে না থাকে তবে এমন জমি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন। দখলহীন মালিকদের জমি ক্রয় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এতে জমি দখলের জন্য ঝগড়া, দাঙ্গা ফ্যাসাদ এবং মামলা মোকদ্দমায় জড়িত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।


৯. নাবালকের নামে জমিঃ

জমি যদি নাবালকের নামে থাকে, তবে সে জমি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অভিভাবক ছাড়া বিক্রি করা যায় না। সাধারনত ১৮ বছরের নিচে ব্যক্তিকে নাবালক বলা হয়।

এজন্য, অনেকেই এমন জমি কিনে যা ওয়ারিশসূত্রে কোন নাবালকের অংশ আছে। কিন্তু, নাবালক বড় হয়ে মামলা করলে জমিটি হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। এজন্য, এ ধরনের জমি কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক হোন।


যেকোনো ধরনের আবাসিক বাড়ী, অফিস, মার্কেট ও শোরুম, হসপিটাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর আধুনিক ও যুগোপযোগী রুচিসম্পন্ন ইন্টেরিয়র ডিজাইন সহ বিল্ডিং এর সকল ডিজাইন ও পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে....


ArchVista_DesignConsultant

+88 01614522225

Mail id: archvista.dc.2012@hotmail.com

আজ থেকে ৬ বছর আগের কাহিনী।,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া গল্প

 আজ থেকে ৬ বছর আগের কাহিনী। একজন পুরুষ তার স্ত্রীকে রাত তিনটার সময় বলেছিলো।চলো আজ আমরা একটু স*হ*বাস করি। কিন্তু তার স্ত্রী বললো সে করতে পারবে নাহ। কারন তার কোনো কিছু ভালো লাগছে নাহ। এই কথা বলতেই তার স্বামী তাকে স্ত্রীকে সন্দেহ করতে লাগে। যে তার স্ত্রী অন্য কোনো পুরুষ এর সাথে মে*লা মে*শা করে।

তাই স্ত্রীর সাথে অভিমান করে বাসা ছেড়ে চলে যায়। ৬ মাস কেটে যায় বাসায় কোনো টাকা পয়সা পাঠায় নাহ। স্ত্রীর কোনো খোজ খবর নেয় নাহ এই দিকে একদিন সেই বক্তি শুনতে পায় তার স্ত্রী গ*র্ভবতি। তখন সেই ব্যক্তি আরো রেগে যায়। তখন তা নিয়ে তার স্ত্রীর সাথে অনেক ঝ*গড়া হয়। এক পর্যায়ে সে তার স্ত্রীকে বলে দেয় ম*রে গেলেও সে আর কোনো দিন বাসায় আসবে নাহ। কিন্তু এই টা যে সে বাস্তব গঠাবে তা কোন দিন তার স্ত্রী ভাবে নি।

দেখতে দেখতে ৯ মাস কে*টে যায় কিন্তু সেই ব্যক্তি বাসায় আসে নাহ। তার স্ত্রী অনেক অনুরোধ করে বাসায় আসার জন্য৷ একবার তাকে দেখবে বলে কিন্তু সেই ব্যক্তি আসে নাই। 

এই দিকে সে মহিলার সন্তান প্র*সব এর জন্য পেটে ব্যথা এই সময়  ফোন করে তারে তার স্বামী বললো। প্লিজ একটি বারের মতো বাসায় আসো তোমাকে একটি বার দেখবো।

তার স্বামী বললো আসতে পারবে নাহ। তারপর বাসায় সবাই তাকে অনুরোধ করে বাসায় আসার জন্য কিন্তু সে ব্যক্তি সব কিছুকে মিথ্যা মনে করে আসে নাই। 

সেই মহিলা কান্না করে বলতে লাগলো। আমার তো আমার স্বামীকে দেখার জন্য মনটা অনেক চাইতাছে। জানি নাহ আমি বা*চবো কিনাহ তবে আমি কি এমন দোষ করেছিলাম যে আজ আমার এই কঠিন মুহূর্তে কেনো আমি আজ আমার স্বামীকে কেনো পাসে পাচ্ছি নাহ। 

তবে আমি যদি ম*রে যাই তাহলে তোমরা আমার স্বামীকে বলবা তিনি যেনো আসে আমার এই কপালে একটা চু*মু দেয় আর নিজের হাতে কা*ফন করে।

বাসায় সবাই তাকে সান্তনা দেওয়ার চেষ্টা করে কিন্তু কেউ সান্তনা দিতে পারে নাই তার সাথে বাসার সবাই কান্নায় ভে*ঙ্গে পড়ে। এই দিকে রাত শেষ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সন্তান প্র*সবের ব্যথা বাড়ছে নাহ যথাক্রমে আরও কমতে লাগলো।

এইটা দেখে সবাই ভয় পেয়ে গেলো। তারাতারি তার স্বামীর কাছে ফোন করে তার স্ত্রী অনেক বড় সমস্যায় পড়ছে টাকা পাঠাতে সি*জার করার জন্য। 

কিন্তু সেই বক্তি বলে তার কাছে কোনো টাকা নাই দিতে পারবে নাহ তার স্ত্রী ম*রে গেলে ম*রে যাক। তার কোনো আফসোস নাই।কথা শুনে বাসার সবাই অনেক কষ্ট পায় তারা চিন্তা করে কি করবে এখন এই দিকে রাত গড়িয়ে সকাল

হতে লাগলো এলাকার মানুষ একত্রিত হতে লাগলো। সবাই জিনিসটা নিয়ে গবেষনা করতে লাগে। আর বাসায় সবাই ল*জ্জায় মুখ ঢাকতে লাগে। লাষ্টে একজন ব্যক্তি উঠে দাড়ায় গ্রামের সবার থেকে টাকা তুলে তার চিকিৎসা করাবে। 

এই উদেশ্য নিয়ে টাকা তোলা হয় মহিলাকে হসপিটাল নেওয়া হয়। ডাক্তার বলে  চিকিৎসা করতে পারবে নাহ তবে তার স্বামী যদি এসে বলে তাহলে করবে। 

সেই সময় তার স্বামীকে ফোন করা হয় এলাকার সবাই তাকে অনুরোধ করে আসার জন্য। কিন্তু সে ব্যক্তি মনে করে সবাই তো মিথ্যা কথা বলছে বাসায় যাওয়ার জন্য। তাই সে রাগে ফোন বন্ধ করে ফেললো। 

এই বার এলাকার মানুষ ডাক্তারকে অনেক অনুরোধ করতে লাগলো। শেষে ডাক্তার রাজী হলো। তবে এইবার তার র*ক্ত যোগার করার জন্য সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়লো।

সেই মহিলা কেমন যানি একা হয়ে গেলো। তার পাসে ছিলো একটা মহিলা সেই মহিলাকে সে বলতে লাগলো আপা আমাকে একটু পানি দিবেন আমার খুব পি*পাসা লেগেছে।

মহিলাটি তাকে এক লিটার পানির বোতল দেয়। সে একেবারে সেই পানি খেয়ে ফেললো আরও পানি চাইলো আর খওয়ার জন্য রুটি চাইলো।তাকে রুটি দেওয়া হলো।সে এমন ভাবে খাবার আর পানি খেলো।

যেনো মনে হলো জীবনের শে*ষ খাবার সে একসাথে খেয়েছে। খাবার শেষ করে বললো। আপা একটু এদিকে আসেন আপনাকে কিছু কথা বলি। 

তখন মহিলাটি তার পাসে গিয়ে বসলো। তখন মহিলাটি তার হাত ধরে কেদে ফেললো আর বললো আপা হয়তো আমি আর বা*চবো না।আমার জীবন হয়তো এইখানেই শে*ষ। তবে একটা কথা কি জানেন।

যেইখানে আজ আমার স্বামীর থাকার কথা সেখানে আপনি আছেন তাই আপনাকে আমি বলি। আমার সন্তান আছে তাদের কেউ না দেখলেও আপনি দেখবেন আমার ছোট ছেলে ২ বছর হবে তাকে আপনার পাসে রাখবেন। 

আমাকে কথা দেন তখন সেই মহিলা কাদার জন্য কিছু বলতে পারতেছে নাহ তাও অনেক কষ্টে তার হাতে হাত রেখে বললো এমন কথা বলবা না তোমার কিছু হবে না। 

তখন সে বললো আপা  কাদবো তো আমি আপনি কেনো কাদতেছেন কাদবো তো আমি। কারন আমার বি*দায় ঘন্টা বে*জে গেছে। আর সে বললো। জানেন আপা আমি জীবনে আমার স্বামীকে পাসে চাইছিলাম। 

কিন্তু দেখেন আমার কি ভাগ্য আজ আমার থেকে সে অনেক দূরে। তবে আপু আমি ও অভিমান পারি আর সেই অভিমানে আমিও চলে যাবো তার থেকে অনেক অনেক দূরে বলেই কেমন জানি করা শুরু করলো।

পাসে থাকা মহিলাটি অনেক ভয় পেলো আর ডাক্তারকে বলতে লাগলো।

Collected

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২৯-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৯-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


আগামী বিজয় দিবসের আগে জুলাই গণহত্যার বিচার কাজ শেষ করে বিজয় উদযাপন করা হবে - বললেন আইন উপদেষ্টা - বিডিআর হত্যাকাণ্ডসহ গুম ও খুনের সাথে জড়িতদেরও বিচারের আশ্বাস। 


অগ্নিকাণ্ডের পর সচিবালয়ে নিরাপত্তার স্বার্থে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশাধিকার সীমিত করা হয়েছে - জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং - এটি সাময়িক, দ্রুতই এ বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে - বলেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।


বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের দুর্নীতির তথ্য লোপাটের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হবে না - বললেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।


চাঁদপুরে জাহাজে সাত খুনের ঘটনায় সরকারের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার পর নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার।


প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম শেষ কোরে দ্রুত নির্বাচন দেওয়ার আহ্বান বিএনপি মহাসচিবের।


২০৩৯ সালের মধ্যে বিশ্বের ২১-তম বৃহৎ অর্থনীতিতে পরিণত হবে বাংলাদেশ - লন্ডনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিইবিআর-এর প্রতিবেদনে প্রকাশ।


রাশিয়ার আকাশ সীমায় আজারবাইজানের বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দুঃখ প্রকাশ।    


মেলবোর্নে চতুর্থ ক্রিকেট টেস্টের চতুর্থ দিনে অস্ট্রেলিয়া এখন ভারতের বিপক্ষে  দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করছে।

খালিদ হাসান মিলু  (৬ এপ্রিল, ১৯৬০ – ২৯ মার্চ ২০০৫) 

 খালিদ হাসান মিলু 

(৬ এপ্রিল, ১৯৬০ – ২৯ মার্চ ২০০৫) 

১৯৮০ সালের প্রথমার্ধে তার সঙ্গীত জীবন শুরু হয়। মিলুর প্রকাশিত একক এ্যালবাম সংখ্যা ১২টি এবং মিশ্র ও দ্বৈত এ্যালবাম সংখ্যা প্রায় ১২০টি। তিনি প্রায় ২৫০টি চলচ্চিত্রে কণ্ঠে দিয়েছেন। তিনি সর্বমোট প্রায় ১৫০০-এর মতো গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। ১৯৯৪ সালে 'হৃদয় থেকে হৃদয়' চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি শ্রেষ্ঠ পুরুষ কণ্ঠশিল্পী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

খালিদ হাসান মিলুর জন্ম ৬ এপ্রিল, ১৯৬০ সালে বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলার আদর্শপাড়া গ্রামে।

মিলুর সঙ্গীত জীবন শুরু হয় ১৯৮০ সালের প্রথমার্ধে। ওনার কর্মজীবন শুরু হয় বাবার হারমোনিয়াম দিয়ে। মিলুর প্রকাশিত একক এ্যালবাম সংখ্যা ১২ টি, মিক্সড-ডুয়েট এ্যালবাম সংখ্যা প্রায় ১২০ টি। তিনি প্রায় ২৫০ টি চলচ্চিত্রে কণ্ঠে দিয়েছেন। তিনি সর্বমোট প্রায় ১৫০০ এর মতো গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। ১৯৮০ সালে তার প্রথম এ্যালবাম 'ওগো প্রিয় বান্ধবী' প্রকাশিত হয়। তার প্রকাশিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য এ্যালবাম সমূহ হলোঃ 'আহত হৃদয়', 'শেষ খেয়া', 'নীলা', 'শেষ ভালোবাসা', 'মানুষ', 'অচিন পাখী' ও 'আমি একা বড় একা'। বন্যাট্য সংগীত জীবনে মিলুর গাওয়া কিছু জনপ্রিয় গান হলো : 'প্রতিশোধ নিও অভিশাপ দিও', 'ওগো প্রিয়় বান্ধবী', সেই মেয়েটি আমাকে ভালবাসে কিনা', ‘অনেক সাধনার পরে আমি’, 'আহত হৃদয় ছুটে আসি', 'সজনী আমিতো তোমায় ভুলিনি', ‘কতদিন দেহি না মায়ের মুখ’, ‘নিশিতে যাইয়ো ফুলবনে’, 'নীলা তুমি আবার এসো ফিরে’, ‘যে প্রেম স্বর্গ থেকে এসে’, 'ও ভূবন মাঝি আমায় তুমি', 'হৃদয় থেকে হৃদয়’, তুমি আমার হৃদয়ে যদি থাকো’, ‘পৃথিবীকে ভালোবেসে সুরে সুরে কাছে এসে’, ‘শোনো শোনো ও প্রিয়া প্রিয়া গো’, ‘যে নদী মরু পথে পথটি হারাল’, ‘যতদূরে যাও মনে রেখো’, ‘যদি পারো ভালোবেসে এসো’, 'হাসলে তোমার মুখ হাসেনা', 'কে বলে সালাম নেই', প্রভৃতি। ১৯৮২ সাল থেকে তিনি চলচ্চিত্রের গানে নেপথ্যে কণ্ঠ দেওয়া শুরু করেন এবং প্রায় ২৫০টি চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দেন। ১৯৯৪ সালে 'হৃদয় থেকে হৃদয়' চলচ্চিত্রের "ভালবাসা ভালবাসা মানে না কোন পরাজয়" গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পুরুষ কণ্ঠশিল্পী বিভাগে পুরস্কার লাভ করেন।

তার দুই ছেলের নাম প্রতীক হাসান ও প্রীতম হাসান । দুজনেই সঙ্গীতের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

ওনার স্ত্রী হচ্ছে ফাতেমা হাসান পলাশ। ওনাদের বিয়ে হয়েছিল ১৯৮৬ সালের ৪ঠা মার্চ।

মিলু ২০০৫ সালের ২৯ মার্চ রাত ১২ টা ১০ মিনিটে ঢাকার মনোয়ারা হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। অসুস্থতার কারণে মার্চের ২৩ তারিখে ওনাকে হসপিটালে নেওয়া হয়, এর পূর্বে ২০০১ সালে তিনি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হন। ২০০৪ সালে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ব্যাংককেও নেওয়া হয়। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন লিভার সিরোসিস রোগে ভুগছিলেন। তাকে মিরপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৪

পেঁপে বীজ জার্মিনেট করার প্রক্রিয়াঃ

 #পেঁপে বীজ জার্মিনেট করার প্রক্রিয়াঃ


১. **বীজ শুকানো**

প্রথমে পেঁপে বীজগুলি ২০ মিনিট রোদে শুকিয়ে নিন। এটি বীজের জীবাণু প্রতিরোধে সহায়ক।  


২. **পানি ভিজানো**

 এরপর বীজগুলি ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টা পানি তে ভিজিয়ে রাখুন। প্রতি ১২ ঘণ্টায় পানি পরিবর্তন করতে হবে যাতে বীজগুলো ভালভাবে ভিজে থাকে।  


৩. **হাইড্রোজেন পার অক্সাইড দিয়ে ডিপিং**

  পানি ছেঁকে ম্যানসার বা হাইড্রোজেন পার অক্সাইডে ২ মিনিট বীজগুলিকে ডুবিয়ে রাখুন। এরপর বীজগুলো শুকিয়ে নিন, যাতে পানি না থাকে।  


৪. **জার্মিনেটিং পদ্ধতি**

 একটি কাচের গ্লাসে বীজগুলি রাখুন। তারপর তার উপর একটি পাতার টুকরো বা কাগজ রেখে শুকনো গুরো মাটি দিয়ে গ্লাসটি ভরে রাখুন। এই পদ্ধতিতে বীজগুলি বায়ুরোধী পরিবেশে থাকবে এবং সহজে জার্মিনেট হবে।  


৫. **বীজের পর্যবেক্ষণ**

 বীজগুলি যত দ্রুত জার্মিনেট হবে, সেগুলিকে সময়মত গ্লাস বা ছোট টবে বা পলিতে চারা করার জন্য বপন করে ঢেকে দিন। যেগুলি জার্মিনেট হবে না, সেগুলি আবার সেইমভাবে রেখে দিন, কারণ অনেক বীজ দেরীতে জার্মিনেট হয়।  


৬. **চারা তৈরি হওয়া**

 বীজ থেকে চারা বের হলে, তা রোদে রাখুন। এর ফলে চারা শক্তিশালী হবে।  


৭. **ছত্রাকনাশক এবং স্প্রে**

মাঝে মাঝে ছত্রাকনাশক এবং NPK স্প্রে করলে চারা সতেজ থাকবে এবং দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।  


৮. **অতিরিক্ত যত্ন**

 চারা তৈরির পর, প্রয়োজন হলে কিচেন গার্ডেনিং বা আরও ছোট আকারের টবে চারা পরিবর্ধন করতে পারেন। গাছের সঠিক আকার এবং শাখা প্রশাখা বৃদ্ধির জন্য, নিয়মিত পানি, সূর্যালোক এবং পুষ্টি সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ।  


৯. **পুষ্টি**

 পেঁপে গাছের বৃদ্ধি এবং ফলন বৃদ্ধি করতে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, এবং পটাশিয়াম প্রয়োজন। তাই অনুখাদ্যর ব্যাবহার নিশ্চিত করুণ ।


আরো বিস্তারিত জানতে নিকটস্থ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন 


#followerseveryonehighlights #highlightseveryone #followerseveryone #everyone #highlights #foodlover

এক শক্তিশালী ছোটগল্প,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🎇 এক শক্তিশালী ছোটগল্প


একটি কোম্পানির ইন্টারভিউ চলছিল। বস সামনের টেবিলে বসা মহিলার সিভি দেখে জিজ্ঞাসা করলেন,

“এই চাকরির জন্য আপনি কত বেতন আশা করছেন?”


মহিলা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বললেন,

“অন্তত ৯০,০০০ টাকা।”


বস তার দিকে তাকিয়ে বললেন,

“আপনার কি কোনো খেলার প্রতি আগ্রহ আছে?”


মহিলা উত্তর দিলেন,

“জি হ্যাঁ, আমি দাবা খেলতে খুব ভালোবাসি।”


বস হাসিমুখে বললেন,

“দাবা তো খুব মজার খেলা। বলুন তো, দাবার কোন গুটিটি আপনার সবচেয়ে প্রিয়?”


মহিলা হাসি দিয়ে বললেন,

“ওজির।”


বস বললেন,

“কেন? আমার তো মনে হয় ঘোড়ার চাল সবচেয়ে অনন্য।”


মহিলা গম্ভীরভাবে বললেন,

“হ্যাঁ, ঘোড়ার চাল আকর্ষণীয়, কিন্তু ওজিরের মধ্যে সব গুণ রয়েছে। সে তির্যক চলতে পারে, সরাসরি এগোতে পারে এবং প্রয়োজনে রাজার ঢাল হয়ে যায়।”


বস মুগ্ধ হয়ে আবার জিজ্ঞাসা করলেন,

“তাহলে রাজাকে আপনি কেমন দেখেন?”


মহিলা বললেন,

“দাবার খেলায় আমি রাজাকে সবচেয়ে দুর্বল মনে করি। সে নিজেকে রক্ষা করার জন্য মাত্র একটি পদক্ষেপ নিতে পারে, যখন ওজির তার চারপাশে সবদিক থেকে রক্ষা করে।”


বস তার উত্তরে মুগ্ধ হয়ে আরও জানতে চাইলেন,

“তাহলে আপনি নিজেকে দাবার কোন গুটির সঙ্গে তুলনা করবেন?”


মহিলা নির্দ্বিধায় বললেন,

“রাজা।”


বস কিছুটা অবাক হয়ে বললেন,

“কিন্তু আপনি তো রাজাকে দুর্বল বলেছিলেন। তাহলে নিজেকে কেন রাজা বলছেন?”


মহিলা হালকা হাসি দিয়ে বললেন,

“কারণ আমি একজন রাজা, আর আমার ওজির ছিল আমার স্বামী। তিনি আমাকে সবসময় রক্ষা করতেন। কিন্তু এখন তিনি আর আমাদের মাঝে নেই।”


বস স্তব্ধ হয়ে গেলেন। তিনি ধীরে ধীরে জিজ্ঞাসা করলেন,

“তাহলে আপনি এই চাকরি কেন করতে চান?”


মহিলা চোখের কোণে জল নিয়ে বললেন,

“কারণ আমার ওজির চলে যাওয়ার পর, এখন আমাকে নিজেই ওজির হয়ে আমার সন্তানদের ও পরিবারের দায়িত্ব নিতে হবে।”


ঘরের মধ্যে গভীর নীরবতা নেমে এল। বস হাততালি দিয়ে বললেন,

“আপনি এক সাহসী নারী। শুভকামনা আপনার জন্য।”


এই গল্পটি সমস্ত নারীদের জন্য এক অনুপ্রেরণা।


জীবনের প্রতিকূল সময়ে যদি দৃঢ়তা, শিক্ষা ও আত্মবিশ্বাস থাকে, তবে যেকোনো সমস্যা মোকাবিলা করা সম্ভব। নারীদের ভালো শিক্ষা ও সঠিক মূল্যায়ন দেওয়া খুবই জরুরি, যেন তারা প্রয়োজনে নিজেদের পরিবারকে রক্ষা করার শক্তি অর্জন করতে পারে।


আপনার মতামত কী?

গল্পটি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন।


#highlightseveryone #highlightsシ゚followers #followerseveryone #everyoneシ゚ #viralpost2024 #𝑪𝒐𝒍𝒍𝒆𝒄𝒕𝒆𝒅 #সংগৃহীত

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২৮-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৮-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


ভোটার হওয়ার ন্যূনতম বয়স ১৭ বছর হওয়া উচিত - মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


চাকরি বিধি লংঘনের জন্য আমলাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে - তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার হুঁশিয়ারি।


মিয়ানমার হয়ে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।


দণ্ডিত হলে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের অনেক নেতা নির্বাচনে অংশ নেয়ার অযোগ্য হবেন - মন্তব্য অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানের।


বিএনপি সংস্কারের বিপক্ষে নয় বরং স্বল্পতম সময়ে সংস্কার শেষে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ চায় - বললেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 


আগাম নির্বাচনকে সামনে রেখে পার্লামেন্ট ভেঙ্গে দিলেন জার্মান প্রেসিডেন্ট।


আজ রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হবে বিজয় দিবস রাগবি প্রতিযোগিতা।

১৮৪ বছর পুরানো দোকান ----

 ১৮৪ বছর পুরানো দোকান ----


বন্দর নগরী চট্টগ্রামের বিখ্যাত এই দোকান সম্পর্কে বলা হয়ে থাকে - যাহা নাই এই জগতে তাহা মিলিবে "পীতাম্বর শাহ" এর দোকানে।


আপনি হয়তো এখন বলতে পারেন একটা দোকান কিভাবে ট্যুরিষ্ট স্পট হয়,আমি বলি হয়। একটা দোকান যখন ইতিহাসের অংশ এবং ইতিহাসের ধারক হয় তখন সেটা ট্যুরিষ্ট স্পটই হয় ।


চট্টগ্রাম শহরের যে কোন জায়গা থেকে সিএনজি বা রিক্সায় যোগে যেতে হবে বক্সিরহাট বিটে। তারপর যে কাউকে জিজ্ঞেস করলে দেখিয়ে দিবে "পীতাম্বর শাহ" এর দোকান।


একজন মানুষের এতগুলো নাম মনে রাখা সম্ভব নয় যত গুলো পন্য এই দোকানে পাওয়া যায়। পীতাম্বর শাহ এর দোকান মূলত ভেষজ ওষুধের দোকান। যেখানে নাই বলতে কিছু নেই। এমনকি সামান্য সুঁই-সুতা থেকে অর্জুনেরছাল_অশোক_ত্রিফলা_আমলকি-হরিতকী-

বহেরা_ তিতকুটে চিরতা_সুন্দরবনের মিষ্টি মধু_

শতমূল_বাঘের তেল_বাঘের চামড়া_বাঘের হাড়_বাঘের দুধ_জিনসেং_ওলট কম্বল_উস্তে_একাঙ্গি_লতাকুস্তুরি_

সমুদ্র ফেনা_হরিণের পিত্ত_লোহজারণ_স্বর্ণমাক্ষী_

তামাজারণ_অভ্রুজারণ_মুক্তা_দস্তা_নিমতৈল_পদ্মমধু_বিষমধু_ষষ্ঠীমধু_পুষ্টিগোটা_বকুলগোটা_বিজবন্দ_

বিজকারক_বনজৈন_বহেড়া_মারজান_হযরত পাথর

_মুক্তাদানা_মুক্তাজারণ_তুলসী_বিভিন্ন ধরনের সিন্দুর_চন্দনবীজ_কোরাসিয়া_মুরা মাংসি_অশোক ছাল_অর্জুন_অশ্বগন্ধ_দেশি-বিদেশি অজৈইন_আফিম_

ইত্যাদি। মিলবে দূর্লভ ঔষধি গাছের ছাল বাকল। আরো রয়েছে বিয়ে পূজা_পার্বণ_ঈদ-কোরবানির সরঞ্জামও।


বলা হয় - গুরুজির নির্দেশে ১৮৪ বছর আগে পীতাম্বর শাহ ঢাকা থেকে পায়ে হেঁটে ১৫-২০ দিন পর চট্টগ্রামে পৌঁছেন। চট্টগ্রামে এসে দোকানটি কিনে তিনি ব্যবসা শুরু করেন। পরে তাদের সুনাম ছড়িয়ে পড়ে দেশে-বিদেশে।


সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপার হলো ১৮৪ বছর ধরে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে তারা একই পদ্ধতিতে ব্যবসা করে যাচ্ছেন। বর্তমানে দোকানটি পরিচালনা করেন প্রতিষ্ঠানটির গোড়া পত্তনকারী পীতাম্বর শাহ এর চতুর্থ প্রজন্ম।


লোকে বলে সময় পাল্টেছে,পাল্টেছে সবকিছু। কিন্তু পীতাম্বর শাহ এর দোকানের কোনো কিছুই পাল্টেনি। গুরু পীতাম্বর শাহ যেভাবে ব্যবসা শিখিয়ে গেছেন তাদের বংশধররাও এখনো সেভাবেই ব্যবসা করে যাচ্ছেন।


দিন বদলের ভীড়ে ব্যতিক্রম নগরীর ১৮৪ বছর পুরানো পীতাম্বর শাহ এর দোকান। যেখানে এখনো টিকে আছে হালখাতার ঐতিহ্য। নববর্ষে এখনো এই দোকানে পালন করা হয় হালখাতা উৎসব।


বলা যায় বাঙালী ঐতিহ্যের বিলুপ্ত প্রায় অনুষঙ্গ এই হালখাতার শেষ আশ্রয় বন্দরনগরী চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে অবস্থিত এই পীতাম্বর শাহ এর দোকান।


কথা সত্য,হালখাতা হার মেনেছে আধুনিক সফটওয়্যারের কাছে। কিন্তু যে খাতার সাথে বাঙালী ব্যবসায়ীদের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক,যে খাতা পরিণত হয়েছিলে বাংলা নববর্ষের অবিচ্ছেদ্য সংস্কৃতিতে সেই হালখাতার আবেদন কি ভোলা যায়! আর তাইতো পীতাম্বর শাহ এর দোকান এখনও নিভৃতে লালন করে চলেছে হালখাতার ঐতিহ্য।


🔹🔸 সংগৃহীত

শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৪

চটপটি একটি জনপ্রিয় এবং সুস্বাদু বাংলা স্ট্রিট ফুড। চটপটি বানানোর সাধারণ রেসিপি নিচে দেওয়া হলো:

 চটপটি একটি জনপ্রিয় এবং সুস্বাদু বাংলা স্ট্রিট ফুড। চটপটি বানানোর সাধারণ রেসিপি নিচে দেওয়া হলো:


### উপকরণ:

- ১ কাপ মটর (সিদ্ধ করা)

- ১ কাপ সেদ্ধ আলু (মিহি করে চেঁচানো)

- ১/২ কাপ পেঁয়াজ (কুচানো)

- ১/২ কাপ টমেটো (কুচানো)

- ২-৩ টি সবুজ মরিচ (কুচানো)

- ১/৪ চা চামচ হলুদ গুঁড়া

- ১/২ চা চামচ জিরা গুঁড়া

- ১/২ চা চামচ চাট মসলা

- ১ চা চামচ পেঁয়াজু গুঁড়া (অপশনাল)

- ১/৪ চা চামচ তেজপাতা গুঁড়া

- ১/২ চা চামচ চিনি (ঐচ্ছিক)

- ১ চা চামচ ধনেপাতা (কুচানো)

- ১-২ চা চামচ চাটনি (অলিভ বা মিঠা)

- লেবুর রস (স্বাদ অনুযায়ী)

- গোলমরিচ গুঁড়া (স্বাদ অনুযায়ী)

- ২-৩ টেবিল চামচ তেল

- ১ প্যাকেট পুড়ি (লুচি বা চিপস)


### প্রস্তুত প্রণালী:


1. **মিশ্রণ প্রস্তুত:** একটি বাটিতে সিদ্ধ মটর, সিদ্ধ আলু, কুচানো পেঁয়াজ, টমেটো, সবুজ মরিচ এবং ধনেপাতা মিশিয়ে নিন।


2. **মসলা যোগ করুন:** হলুদ গুঁড়া, জিরা গুঁড়া, চাট মসলা, পেঁয়াজু গুঁড়া (অপশনাল), চিনি এবং তেজপাতা গুঁড়া মিশিয়ে দিন।


3. **চাটনি এবং সস:** চাটনি (মিষ্টি বা ধনে) যোগ করুন এবং একে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। লেবুর রস, গোলমরিচ গুঁড়া দিয়ে স্বাদ ঠিক করুন।


4. **তেল ফ্রাই করা:** একটি ছোট প্যানে তেল গরম করে তাতে কিছু পুড়ি (লুচি বা চিপস) কুচিয়ে দিন, আর সেগুলো মিশ্রণেও যোগ করুন।


5. **পরিবেশন:** চটপটি ভালভাবে মিশিয়ে পরিবেশন করুন।


এখন, সুস্বাদু চটপটি প্রস্তুত! এটি ঠাণ্ডা বা গরম পরিবেশন করা যেতে পারে, এবং আপনি চাইলে এর সাথে এক কাপ ঠান্ডা পানিও নিতে পারেন।

জিভে জল আনা মটন কষা বানানোর প

 ☘️🍁জিভে জল আনা মটন কষা বানানোর পদ্ধতি 🍁☘️


☘️উপকরণ☘️


মটন - ১ কেজি ( কাটা )

পিঁয়াজ - ৩ টি ( বড় সাইজে কুচানো)

আদা - ১ টেবিল চামচ (বাটা)

রসুন - ১ টেবিল চামচ (বাটা)

টমেটো - ২ টি (টুকরো করে কাটা)

কাঁচা লঙ্কা - ৪ টি (বাটা)

টক দই - ১০০ গ্রাম

হলুদ গুঁড়ো - ১ চা চামচ 

কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো - ১ চা চামচ 

লাল লঙ্কা গুঁড়ো - ২ চা চামচ 

ধনে গুঁড়ো - ১ চা চামচ 

জিরে গুঁড়ো - ১ চা চামচ 

গরম মশলা গুঁড়ো - ১/২ চা চামচ 

সর্ষে তেল - ১/২ কাপ

নুন - স্বাদ মতো 

চিনি - ১/২ চা চামচ 

ধনে পাতা - ( সাজানোর জন্য/ঐচ্ছিক)


☘️প্রস্তুত প্রণালী☘️ 


১ . প্রথমে মটন ভালো করে ধুয়ে নিন । 


☘️ মটন ম্যারিনেট : - একটি পাত্রে ধুয়ে রাখা মটন , টক দই, আদা বাটা, রসুন বাটা, কাঁচা লঙ্কা বাটা ,হলুদ গুঁড়ো ,লাল লঙ্কা গুঁড়ো ,কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো ,ধনে গুঁড়ো ও ২ চা চামচ তেল দিয়ে খুব ভালো করে মাখিয়ে ২ ঘন্টা বা সারারাত রেখে দিন ।


 ☘️ মটন রান্না : - 


২ . এবার কড়াইতে তেল গরম করুন । তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভাজুন সোনালী করে ।


৩ . এবার ম্যারিনেট করা মটন ও চিনি দিয়ে ৫ মিনিট কষিয়ে নিন ,মটন সোনালী হলে টমেটো কাটা যোগ করুন । এরপর ২ মিনিট নাড়াচারা করুন ।


৪ .  এরপর প্রয়োজন মতো গরম জল যোগ করুন এবং নুন দিন । ঢাকা দিয়ে মটন রান্না করুন মাঝারি আঁচে যতক্ষণ না পর্যন্ত মটন সেদ্ধ হয়।


৫ . মটন নরম হয়ে এলে গরম মশলা গুঁড়ো দিয়ে ৫ থেকে ১০ মিনিট রান্না করুন ।


৬ . এবার গ্যাস বন্ধ করে ধনে পাতা ছড়িয়ে মিশিয়ে দিন ।


৭ . গরম গরম পরিবেশন করুন রুটি ,ভাত,পরোটার সাথে ।


ভালো লাগলে অবশ্যই ট্রাই করুন 🥰 ।


#rajasreenandiskitchen #viralpost #trandingnow #mutton

ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 📚 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা 🏡📜 ভূমি কেনাবেচা, নামজারী বা খতিয়ান নিয়ে কাজ করার আগে নিচের বিষয়গুলো জানা খুবই জরুর...