এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৫

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৯-০১-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৯-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


জাতীয় নির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন একই সঙ্গে করার পরিকল্পনা করছে অন্তর্বর্তী সরকার - বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


উন্নত চিকিৎসার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এখন লন্ডনে - সাড়ে সাত বছর পর মা-ছেলের সাক্ষাৎ।


স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে নিম্ন আয়ের পরিবারের কাছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি শুরু করলো টিসিবি ৷


বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দিলেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।


শেখ হাসিনার ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর ভারতের পদক্ষেপ ইতিবাচকভাবে নেয়নি বাংলাদেশের জনগণ - মন্তব্য বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর।


ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের সুস্পষ্ট প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।


রাশিয়ার বোমা হামলায় ইউক্রেনের জাপোরিঝঝিয়া নগরীতে ১৩ জনের প্রাণহানি।


আজ সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পরস্পরের মুখোমুখি হবে ফরচুন বরিশাল – রংপুর রাইডার্সের ও ঢাকা ক্যাপিটালস - চিটাগাং কিংসের।


বুধবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৫

আমার স্ত্রীকে যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে, তোমার খাওয়া সবচে মজার চিকেন কোনটা

 আমার স্ত্রীকে যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে, তোমার খাওয়া সবচে মজার চিকেন কোনটা


? সে বলে, খাদিজার আব্বু একদিন বাসায় রান্না করেছিল, সেটা। কথাটা তার পরিবারে এত চাউর যে, বাসায় বেড়াতে এসে শাশুড়ি একদিন বলেই ফেললেন, আজ জামাই রান্না করুক, আমরা দেখব কেন খাদিজার আম্মু সেই চিকেনের এত প্রশংসা করে। 


আমি জানি সেদিনের রান্নাটা হয়েছিল ঘটনাচক্রে। খাদিজা তখনও দুনিয়ায় আসেনি। বউ অসুস্থ ছিল। বাসায় যেহেতু আমি আর সে, কখনো তার জ্বরটর হলে পুরো ঘর এলোমেলো থাকে। খাদিজাকে পেটে নিয়েও সে সবসময় বাসা গুছিয়ে রাখত। নিয়ম করে বেলা বারোটার দিকে রান্না করতে যেত। কিন্তু সেদিন আর পারছিল না। শুয়ে ছিল। 


আমাকে বলল আজ রান্না করা যাচ্ছে না। কিছু অর্ডার দিন। ওদিকে আমি জানি সে হোটেলের রান্না খেতে পারে না। আমার প্লেটে তো মাটি ঢেলে দিলেও চাকদুম চাকদুম গিলে ফেলি। কিন্তু তার পেটে আমার খাদিজা। সে খেতে না পারা মানে, খাদিজা না খেয়ে থাকবে। শুনেছি মায়ের খিদে থাকলে বাচ্চারও খিদে থাকে। মা মন খারাপ করলে মেয়েরও মন বিষণ্ণ হয়। 


ভাবলাম কখনো চুলোয় যাইনি তো কী, আজ চেষ্টা করে দেখি। ফ্রিজ থেকে চিকেন বের করে সিঙ্কে ভিজিয়ে রাখলাম। গোটা গোটা করে পেঁয়াজ কাটলাম। তারপর চিকেন ধুয়ে মশলার ব্যাপারে ধারণা নিতে রুমে ঢুকে দেখি, বউ ততক্ষণে ঘুমিয়ে পড়েছে। ডাকতে গিয়েও শব্দগুলো গিলে ফেললাম। কিছুটা অসহায় লাগল, মনে হলো রান্নাটা যত সহজ ভেবেছিলাম, তারচেয়েও কঠিন হবে। 


ইন্টারনেট ঘেঁটে বুঝলাম সবচে সহজ উপায় হলো, গোশতটা হালকা আঁচে ভেজে তুলে রাখতে হবে। তারপর পেঁয়াজ লালচে হওয়া পর্যন্ত তেলে রেখে একে-একে মশলা কষিয়ে ফেলতে হবে। এবার আলু-মুরগি দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে পরিমাণমতো পানি ঢেলে ঢাকনা ফেলে রাখতে হবে। তাই করলাম। কিছুক্ষণ পরপর গিয়ে দেখে আসলাম। বউ মাখো-মাখো ঝোল খেতে পছন্দ করে, ততটুকু থাকতেই নামিয়ে নিলাম। 


সে ঘুম থেকে উঠে দেখে ভাত আর মুরগির গোশত রেডি। তিন পদ তরকারি দিয়ে যাকে পৌনে-প্লেট ভাত খাওয়ানো যায় না, আজ সে গুনে গুনে তিন প্লেট ভাত খেয়ে উঠল। হাসলো। খুশি হলো। বারবার বলল, রান্নাটা খুব মজা হয়েছে। সে যে এতটা নিষ্পাপ চেহারায় হাসতে পারে, সেদিন নতুন করে বুঝলাম। ভালোবেসে রান্না করলে আমিও যে দুনিয়ার সেরা চিকেন রানতে পারি, সেটাও সেদিন জানলাম। 


তার খুশি দেখে মনে হলো খাদিজাও সেদিন বাবার উপর অনেক সন্তুষ্ট ছিল। সে তো চিকেনের স্বাদ পায়নি, কিন্তু মায়ের আনন্দের ভাগ নিশ্চয়ই পেয়েছে

কাঠের হিসাব কিভাবে করতে হয় এবং চেরাই কাঠ ও গোল কাঠ হিসাবের সহজ পদ্ধতিঃ-

 🔴 কাঠের হিসাব কিভাবে করতে হয় এবং চেরাই কাঠ ও গোল কাঠ হিসাবের সহজ পদ্ধতিঃ-



✅ কাঠের হিসাব:

কাঠের হিসাব করা অনেক সহজ। কাঠ মাপার হিসাবকে অনেকে কঠিন মনে করে। কিন্ত কাঠ মাপার হিসাব একদম সহজ। শুধু কয়েকটি কথা মনে রাখলেই চলবে।

আপনি যদি কাঠের মাপ না জানেন তাহলে কাঠ ব্যবসায়ী আপনাকে ভুলভাল হিসাব দিয়ে আপার থেকে বেশি টাকা নিয়ে নিতে পারে। অনেক কাঠ ব্যবসায়ী এরকমটা করে থাকে। 


ব্যবসায়ীরা এই চিটিং সহজেই করতে পারে, কারণ বেশিরভাগ মানুষ কাঠের হিসাব করতে পারেনা। তাই কাঠ ব্যবসায়ী যত কিউবিক ফিট (কেবি) বলে, মানুষ বিশ্বাস করে তত কিউবিক ফিট (কেবি) টাকা দিয়ে আসে। 


ব্যবসায়ীরা সাধারণ মানুষের এই অজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। আপনি যদি একটু সচেতন হতেন তাহলে আপনার থেকে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিতে পারত না। 


জেনে নিন কীভাবে চেরাই কাঠ ও গোল কাঠের হিসাব করতে হয়। 


✅চেরাই কাঠের মাপ:

চেরাই কাঠ পরিমাপ করা একদম সহজ। আপনি দুইটি সূত্র মুখস্ত রাখতে পারলেই চেরাই কাঠ ও গোল কাঠের হিসাব করতে পারবেন। 


চেরাই কাঠ পরিমাপের জন্য একটি সূত্র এবং গোল কাঠ পরিমাপ করার জন্য একটি সূত্র।


নিম্নের ১ম ছবিটি লক্ষ্য করুন এবং বুঝার চেষ্টা করুন। এখানে দৈর্ঘ্য ১০০ ফিট, প্রস্থ ১৪ ইঞ্চি এবং উচ্চতা বা পুরত্ব ২ ইঞ্চি রয়েছে। এখন সবগুলোকে গুণ করে ১৪৪ দিয়ে ভাগ করলে বের হয়ে যাবে এখানে কত কিউবিক ফুট বা ঘন ফুট কাঠ রয়েছে। এখন আসুন বাস্তবে হিসেব করে দেখি এখানে কতটুকু কাঠ রয়েছে।


(একটি জিনিস সব সময় মনে রাখতে হবে, দৈর্ঘ্য হবে ফুটে এবং প্রস্থ ও উচ্চতা বা পুরত্ব হবে ইঞ্চিতে, না হয় হিসেব মিলবে না।)


সূত্র: (দৈর্ঘ্য  × প্রস্থ × পুরত্ব ) ÷ ১৪৪ 

= কিউবিক ফিট বা কেবি

সূত্রমতে (দৈর্ঘ্য ১০০ ফুট × প্রস্থ ১৪ ইঞ্চি × পুরত্ব ২ ইঞ্চি ) ÷ ১৪৪

= (১০০ × ১৪ × ২) ÷ ১৪৪

= ২৮০০ ÷ ১৪৪


২৮০০ কে ১৪৪ দিয়ে ভাগ করলে হয় ১৯.৪৪ কিউবিক ফিট বা কেবি প্রায়।

অর্থাৎ ১৯.৪৪ কিউবিক ফিট বা কেবি কাঠ রয়েছে এখানে।


✅গোল কাঠের হিসাব:

নিম্নে ২য় ছবিটি লক্ষ্য করুন এবং বুঝার চেষ্টা করুন।

এখানেও একটি জিনিসি মনে রাখতে হবে, দৈর্ঘ্য হবে ফুটে এবং গোল বেড় হবে ইঞ্চিতে।

সূত্র: ( দৈর্ঘ্য × গোলবেড়ি × গোলবেড়ি) ÷ ২৩০৪ = কিউবিক ফিট বা কেবি

সূত্রমতে: (দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট × ২০ ইঞ্চি × ২০ ইঞ্চি) ÷ ২৩০৪

বা ( ৪০ × ২০ × ২০ ) ÷ ২৩০৪

বা  ১৬,০০০ ÷ ২৩০৪

এবার ১৬,০০০ কে ২৩০৪ দিয়ে ভাগ করলে হয় ৬.৯৪ ।

অর্থাৎ ৬.৯৪ কিউবিক ফিট বা কেবি কাঠ আছে


বি:দ্র: গাছ যদি একদিকে মোটা ও অপরদিকে চিকন হয় তাহলে মাঝামাঝি গোলবেড়ির মাপ নিতে হবে বা মোটা অংশে একটি মাপ, মাঝে একটি মাপ এবং চিকন অংশে একটি মাপ নিয়ে গড় করতে হবে।


যেমন: মোটা অংশ ৪০ ইঞ্চি, মাঝে ২০ ইঞ্চি এবং চিকন অংশ ১৪ ইঞ্চি মোট ৭৪ ইঞ্চি। অর্থাৎ ৪০+২০+১৪ = ৭৪ ইঞ্চি। এই ৭৪ ইঞ্চিকে ৩ দিয়ে ভাগ করে গড় বেড় করলে হবে ২৪.৬৭ ইঞ্চি।


Collected image and Info 

#everyone #foryou #followers #viral #virals #Bangladesh #highlight @everyone

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৮-০১-২০২৫ খ্রি:।

 

সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৮-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া - দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা।


প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জামায়াতের আমীরের সাক্ষাৎ - জাতীয় ঐক্য ও নির্বাচনসহ সমসাময়িক বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত।


জুলাই-আগস্টের গণহত্যার বিচারে সংস্কারকৃত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মূল ভবন ও এজলাস কক্ষের উদ্বোধন করে প্রধান বিচারপতি বললেন, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের মধ্য থেকে প্রথম ধাপে একশো জনকে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে চাকরি দেয়া হবে, জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


জুলাই-আগস্ট গণহত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে বাতিল হলো শেখ হাসিনাসহ ৭৫ জনের পাসপোর্ট - গুমের সঙ্গে জড়িত আরো ২২ জনের পাসপোর্ট বাতিল।


দেশের পুঁজিবাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনতে তারল্যসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দিচ্ছে সরকার - বললেন অর্থ উপদেষ্টা।


গ্রিনল্যান্ড এবং পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকি পুনর্ব্যক্ত করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।


সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে রংপুর রাইডার্স এবং ফরচুন বরিশাল নিজ নিজ খেলায় জয়ী।


রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৭-০১-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ রাতে লন্ডন যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া --- বিমান বন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার।


প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জামায়েতের আমীরের সাক্ষাৎ --- জাতীয় ঐক্য ও নির্বাচনসহ সমসাময়িক বিষয়ে আলোচনা।


জুলাই-আগস্টের গণহত্যার বিচারে সংস্কারকৃত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মূল ভবন ও এজলাস কক্ষের উদ্বোধন --- যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে --- বললেন প্রধান বিচারপতি।


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের মধ্য থেকে প্রথম ধাপে একশো জনকে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে চাকুরি দেয়া হবে --- জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


জুলাই-আগস্ট গণহত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে বাতিল হলো শেখ হাসিনাসহ ৭৫ জনের পাসপোর্ট --- গুমের সঙ্গে জড়িত আরো ২২ জনের পাসপোর্ট বাতিল।


দেশের পুঁজিবাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনতে তারল্যসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দিচ্ছে সরকার --- বললেন অর্থ উপদেষ্টা।


চীনের তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ৯৫ জনের প্রাণহানি --- বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালেও ভূমিকম্প অনুভূত।


এবং সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ঢাকা ক্যাপিটালসকে সাত উইকেটে হারালো রংপুর রাইডার্স --- এখন ফরচুন বরিশালের মোকাবেলা করছে সিলেট স্ট্রাইকার্স।

চুল সত্য ঘটনা অবলম্বনে... 

 চুল

সত্য ঘটনা অবলম্বন... 

 Nusrat Haq 

(বিশ্বাস অবিশ্বাস একান্ত আপনার ব্যাপার আমাকে জড়াবেন না।)


চুল গুলো আর পেলো না। আর আমার বর ব্যাপারটা এমনিতেই উড়িয়ে দিলো। 

দিন দিন সমস্যা বাড়ছিলো। জামাই আমাকে ডাক্তার দেখায়। ডাক্তার বলে হরমোন এর সমস্যা৷ 

ওষুধ দিলো আমাকে। 

আর এদিকে ফেনি থেকে মা আসলো৷ 

ঘটনাটা শুরু হওয়ার পর থেকে আমার জামাই এর সাথে আমার কোনো রকম সহবাস হয়নি এমনকি আমার জামাই আমার কাছে ও আসতে পারতো না। 

আমার জামাই কাছে আসলে আমার খারাপ লাগতো অসহ্য হতো। 

খালি মনে হতো তাকে ছেড়ে দিলে আমি ভালো থাকবো। 

মা তখন আমাকে সাথে করে আমাদের  বাড়িতে নিয়ে আসলো আমার জামাই একা ওখানে। 

এখানে আসার পর মা আমাকে হুজুর দেখালো। হুজুর আমাকে দেখে বলে ফেললো আমাকে খারাপ জিনিস এ আছর করছে। 

আম্মা ভয় পেলো। 

তখন হুজুর বললও তাড়াতাড়ি এটার চিকিৎসা করান। 

তখন আম্মা রাজি হলো। 

তখন হুজুর এর সাথে আমাদের চুক্তি হলো ছাড়াই দিবে ৩১ টা রক্ত জবা একটা লাল শাড়ি আর নগদ ১০ হাজার টাকা। 

রাতের দিকে হুজুর আসতে বললও তখন নাকি জ্বীনটাকে চালান দিয়ে আনবে। 

তো রাতে খেয়েদেয়ে আমি গেলাম। 

আম্মা আব্বা সহ৷ 

ওখানে যাওয়ার পর আমার আর কিছু মনে নেই তবে আম্মার কাছ থেকে শুনছি 

জ্বীনটাকে আমার শরীরের উপর ভর করে আনা হয়ছে। 

তখন হুজুর জ্বীনটাকে জিজ্ঞেস করে আমার শরীরে কিভাবে ভর করলো। 

১ম এ জ্বীনটা বলতে চায়নি যখন হুজুর তাকে আঘাত করলো তখন বললও 

ও চলার সময় ওর গায়ে চুল লাগে। 

তখন চুলের গন্ধ আর আমার মুখের গন্ধ পায়। তখন বেলকুনির দিকে আসে গন্ধ টা খুঁজে খুঁজে। 

তারপর বেলকুনির নিচে আমার অনেক চুল পায় আর আমার থুথুর গন্ধ নাকি তার অনেক পছন্দ হয় তাই সে আমার উপর ভর করে। 

তখন  হুজুর বলে ভর করছোস ঠিক আছে কিন্তুু ওর খতি কেন করছোস। 

ওর পরিবারে কেন অশান্তি করছোস।

জ্বীন টা বলে ওর জামাই এর সাথে কথা বললেও আমার সেটা সহ্য হয়না তাই।

 হুজুর তখন বলে ওকে ছেড়ে দে।  

জীন বলে না ছাড়বোনা। 

এরকম তর্ক বির্তক চলতে থাকে জ্বীন আর হুজুরটার মধ্যে রাত ২ টা পযন্ত। 

শেষে জ্বীন টা রাজি হয় একটা ছাগল আর ৫ কেজি মিস্টি তাকে দিলে সে চলে যাবে। 

আমার বাপ তাতে রাজি হয়। 

জ্বীন বললও ঠিক আছে কালকে রাত ১ টায় ৩ রাস্তার মোড়ে দিয়ে আসবেন এগুলো আমি আর জ্বালাবো না। 

এরপর চলে যায় আর আমার হুশ আসে। 


আমি বাড়ি চলে আসি আমাকে হুজুর কিছু পানি পড়া আর তাবিজ দেয়৷ 

পরের দিন রাতে হুজুর সহ আমার বাপ সহ তিন রাস্তার মোড়ে ছাগল আর মিস্টি দিয়ে আসে। 


আলহামদুলিল্লাহ ভালো হলাম। এরপর ৪ দিন এর মত বাপের বাড়ি থাকলাম। তারপর জামাই আসলো নিতে চলে আসলাম। 

 তারপর আলহামদুলিল্লাহ  প্রায় দেড় মাসের মতো ভালো ছিলাম এরপর সমস্যা টা আবার শুরু হয়। 

কিন্তুু অনেক কম। 

২০১৭ শেষ হলো ২০১৮  শুরু হলো। 

আমার জামাই একটু কথা বললেও  আমি তাকে জুতা কিংবা এটা সেটা মেরে দিতাম। 

আমার জীবনটাকে একদম ত্যানা ত্যানা বানিয়ে দিছে। 

আমার মা হুজুরটার সাথে আবার যোগাযোগ করে। 

কিন্তুু হুজুরটা বলছে এবার আর পারবেনা।

কারন জ্বীনটা অনেক খারাপ আর হুজুর এর পরিবারের মানুষের উপর ও খতি করতেছিলো। 

অনেক অনুরোধ করার পর ও হুজুর রাজি হলো না। 

এবার বাবা মা আমাকে নিয়ে অনেক হুজুর এর কাছে যায় কিন্তুু কেউ ছাড়াতে পারে না। 

অনেক টাকা পয়সা খরচ হয়।

এমন অবস্থা হয়েছে আমার জামাইকে দেখলে আমি কাপড়ে চোপড়ে মূএ ত্যাগ করে   দিতাম। 


আমি মাঝে মাঝে বুজতাম কেউ আমার সাথে সহবাস করছে। যখন ঘুমিয়ে থাকতাম। 

কিন্তুু আমার বরের সাথে আমার কোনো রকম শারীরিক সম্পকই হতো না। 

আমার মা থাকতো আমার সাথে। আমার বরকে মা অনেক বার বলছে যে আমাদের বাড়িতে নিয়ে যেতে কিন্তুু আমার বর দেয়নি। 

আমার বর আমাকে এতো ভালোবাসতো যে আমাকে না দেখলে নাকি তার ভালো লাগতো না। 

আমি যখন একা থাকতাম বা ঘুৃমিয়ে থাকতাম তখন জ্বীনটা আমায় বলতো তোর মুখের থুথুর গন্ধ আমার অনেক ভালো লাগে। 

এখন এটা কি স্বপ্ন নাকি বাস্তব এ বলছে যার ব্যাখ্যা আমি দিতে পারবো না। 

আপনাদের একটা অবাক করার বিষয় বলি আমি যদি মুখ থেকে কথাও থুথু ফেলতাম সেই জায়গায় আর থুথু থাকতো না। 

১ম ১ম অবাক হতাম এই মাএ থুথু ফেললাম সেটা গেলো কই। 

পরের জানতে পারলাম জ্বীনটা সেটা খেয়ে ফেলে। 

এমনকি আমি যদি বাথরুম এ ও থুথু ফেলতাম সেটা আর থাকতো না। আমি থুথু ফেলে থুথুর দিকে তাকিয়ে থাকতাম যা চোখের নিমিষেই ব্যনিস হয়ে যেতো। 


দিন দিন আমার অবস্থা এত খারাপ হতে লাগলো বলার মতো না অনেক হুজুর, বৌদ্ধ,মঘা,শ্যামি,জুম্মা, দেখিয়েছি কিন্তুু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। 

অনেক টাকা উড়িয়ে ফেলেছে আমার জামাই প্রায় ২ লাখের উপরে কিন্তুু আমি ভালো হচ্ছিনা। 


দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছিলাম। পিরিয়ড হতো না চুলতো ছিলোই না পুরো টাক।

২০১৯ এর আগষ্ট মাসে আমার জামাই এর বদলি হলো৷   চিটাগাং এর নতুন ব্রিজ। 

ওখানে গেলাম কিন্তুু সমস্যা মোটেও কমলো না। 

আমার আমাদের সাথেই থাকতো আমার মা আর বর মিলে সব কাজ করতো আমি একটা কাজ ও করতাম না। 

এমনকি বিছানাই প্রস্বাব করে দিতাম। জামা কাপড়ে বাথরুম করে দিতাম। 

আমার জামাই সেটা নিজেই পরিস্কার করতো কি বলবো। 

দিন যেতে থাকে। হুজুর রা আমাকে এত এত তেলপড়া তাবিজ পড়া দিতো যে বলার মতো না। হুজুরা সরিষার তেল আমাকে কেজিয়ে কেজিয়ে খাওয়াইছে। 

গায়ের ভিতরে মনে হয় ১০ কেজি ছিলো তাবিজের ওজন। 

বহু কস্টে এবার বান্দরবনের এক পাহাড়ির দেখা পেলাম। 

তখন ২০১৮ র ডিসেম্বর মাস কনকনে ঠান্ডা । 

উনি একদম বৃদ্ধ মহিলা ছিলেন ঠিক মতো কথা ও বলতে পারতেন না। 

তিনি বললেন তিনি পারবেন এই বদ জ্বীনটাকে ছাড়াতে। কিন্তুু ভালো হওয়ার পর উনাকে ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে। 

আমার বর তাতে ও রাজি হলো। 

১ম দফায় ১০ হাজার দিলো। 

এরপর শুরু হলো কাজ টানা ২১ দিন ওই পাহাড়ে থাকতে হবে। 

উনি পাহাড়ের উপরেরই থাকতো। উনাকে জুম্মা বলা হতো। 

ডিসেম্বর এর শীতের দিন খুব কস্ট ছিলো। কনকনে ঠান্ডা সারা রাত পাহাড়ের উপরে চিকিৎসা করতেন। 

জ্বীন টাকে যখন শোয়ার করতেন তিনি বলতেন কখনও ছেড়ে যাবেন না আমাকে। 

 খুব বদজ্বীন ছিলো। 

২১ দিনের দিন তাকে বতলে বন্ধ করা হয়। 

কিন্তুু জ্বীন টা বলেছিলো উনি নাকি আমার বাচ্চা আর স্বামীকে কেড়ে নিবেন। 

আলহামদুলিল্লাহ সুস্থ হলাম। 


জীবনের নতুন সুর্য দয় উদয় হলো। ২০১৯ ডুকলো। 

আলহামদুলিল্লাহ পুরো পুরি ভাবে সুস্থ । ওই মহিলাটা আমাকে বললেন যে কখনও যেন চুল বাহিরে না ফেলি আর থুথু না দি। তাছাড়া অনেক সময় মানুষের চুল দিয়ে বিভিন্ন পাখিরা ঘর বাঁধার সময় খড়খুটোর সাথে দেয়।

আমাদের ইসলামে ও চুল নখ এগুলোকে দাফন করতে বলা হয়েছে। 

কারন হলো অনেক সময় কুফুরি করার সময় এসব চুল নখ জ্বীনের মাধ্যমে খুঁজে নিয়ে গিয়ে ওগুলোতে কুফুরি করে। ধরেন আপনি বিদেশে অথচ আপনার চুল বা নখ দিয়ে কুফুরি করে এটা কিভাবে সম্ভব আপনাদের কাছে মনে হয়। 

কারন এটা জ্বীন দ্বারা করানো হয়।

এজন্য সবসময় বিসমিল্লাহ বলে মাটিতে দাফন করে দিবেন তাহলে আর কারো সাধ্যনেই সেটা নেওয়ার। 


তারপর আমার চুল আস্তে আস্তে গজাতে লাগলো। আমার আগের রুপ লাবন্য আমি ফিরে পেলাম। 

সুখেই দিন যাচ্ছিলো আমার। 

মা ও বাড়িতে চলে গেলো। 

জামাইর সাথে সবসময়ে হাসিখুশিতে আছি। 

জামাই বুকে নেওয়া ছাড়া আমাকে ঘুমায় না। 

কিন্তুু সুখের দিন বেশি দিন রইলো না। 

১৯ মার্চ ২০১৯ সালে বর হাসপাতাল থেকে আসলো। 

তারপর নিজের হাতে বিরায়ানি রান্না করলো। একসাথে খেলাম। 

তারপর দুজনে অনেক সময় ধরে ভালোবাসাতে মগ্ন ছিলাম। সেদিন দুজন দুজনের প্রতি অনুভূতি গুলো অন্যরকম ছিলো যা বলার মতো না।

আমার কাছে মনে হলো সেটাই হয়তো শেষ দিন ছিলো। 

আমি তাকে বলেছি। 

সে হেসে উড়িয়ে দিলো। তারপর আমাদের বাচ্চাকে আর আমাকে বুকে নিয়ে ঘুমিয়ে গেলো। 

রাত ২ টা হবে সে হঠাৎ করে রক্তবমি করতে থাকে। 

আর আমি পাশের কোয়াটার এর মানুষ দের ডাকতে লাগলাম। 

হঠাৎ করে রক্ত বমি আমি ভয় পেয়ে যায়।

পাশের কোয়াটার এর সবাই মিলে হাসপাতালে নিয়ে যায়। 

হাসপাতালে নেওয়ার সময় সে আমার হাত ধরে রাখে। 

বাচ্চা টাকে পাশের বাসার এক ভাবির কাছে রেখে যায়। আমার শশুর শাশুড়ী মা বাবা সবাইকে কল দি। 

হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর তারা সেলাইন দেয়। সেলাইন চলাকালীন  তখন সে বলে বাবুকে দেখে রাখিও৷ 

এই বলে সে হঠাৎ  কেমন যেনো করতো লাগলো। তারপর আমার ভালোবাসা আমার প্রান দুনিয়া ছেড়ে চলে যায়।

আমার ওই সময়ের অবস্থা আপনাদের বুজাতে পারবো না। 

পাগলের মতো তাকে বলছিলাম বাবু উঠো না। তুমি ছাড়া একা কিভাবে থাকো। এই বাবু উঠোনা। 

আমাদের বাবু তোমার জন্য কান্না করতেছে। 

আমাদের পরিবার এর সবাই আসলো৷ 

তার লাশ বাড়িতে নেওয়া হলো তখন আমার সেন্স ছিলোনা। 

তাকে দাফনের একটু সময় আগে আমার সেন্স আসে। 

আর তার বুকের উপর পড়ে কাঁদতে থাকি। 

শুধু বলতে থাকি আমাকে রেখে একা কিভাবে তুমি চলে গেলে আমার আর বাবু কি হবে। 

২০ মার্চ ২০১৯ বিকাল ৫ টায় তার দাফন হয়।

আমার ইচ্ছে করতেছিলো সবকিছুর বিনিময়ে হলেও তাকে ফিরে পেতে। 

আমি পাগল হয়ে যায় শুধু তার ছবি বুকে নিয়ে কাঁদতে থাকি। 

বিছানাই শুয়লে ইচ্ছে হতো তাকে জড়িয়ে ধরি। 

আসলে তাকে ছাড়া অনেক কস্টে আমি বেঁচে আছি। 

এরপর প্রায় স্বপ্ন দেখতাম আমাকে বোতলে ভরার শাস্তি তোকে দিলাম। 

তোর জামাইকে কেড়ে নিলাম। 

এটা কি আমার মনের ভুল নাকি অন্য কিছু আমি জানিনা।

এটাও জানিনা আমার জামাই এর মৃত্যুর পিছনে কি তার হাত আছে কিনা।। 

আল্লাহর উপর সব ছেড়ে দিছি। কিন্তুু সেই জ্বীনটা এখন আর ডিস্টার্ব আমাকে করে না। 

তবে আমার মনে হয় জ্বীনটা হয়তো কোনো খতি করেছে। 

দেড় বছরের মতো হলো তার মৃত্যুর। 

এখনও মরার মতো বেঁচে আছি। তার স্মৃতি আমি আজও ভুলতে পারিনি। 

এখন বাপের বাড়ি আছি মেয়েকে নিয়ে। 

আমার শুধু ইচ্ছে হয় আমার জামাইকে জড়িয়ে ধরতে। তার শরীরের গন্ধ একটা বার পেতে। 

আমি ফিরে পেতে চায়৷ 

এমন কোনো নামাজ নেই আমি তার জন্য কাঁদি না। 

আমি জানি না আমি বেঁচে থাকবো কিনা। আমার ইচ্ছে হয় আমি আমার বাচ্চা টাকে মায়ের কাছে রেখে নিজে আত্মহত্যা করে মরে যায়।তাহলে যদি জামাইকে পেতাম। কিন্তুু আমি জানি আত্মহত্যা মহাপাপ। আমি এখন আর তাকে ছাড়া বাঁচতে পারছিনা। 

দোয়া করবেন আমার জন্য জানি না আমার শেষ পরিনতি কি। 


আমার প্রান প্রিয়ো বোনেরা আমি নুসরাত হক তোমাদের কাছে একটাই অনুরোধ করবো চুল কিংবা নঝ থুথুদিয়ে যেখানে সেখানে ফেলবে না। 

মাটিতে বিসমিল্লাহ বলে দাফন করবে। আমি চায় না আমার এই বোনটার মতো কোনো বোনের এমন অবস্থা হোক। 


অবশ্যই সাবধান হবেন।।


বিশ্বাস অবিশ্বাস আপনার ব্যাপার।


collected

Part 1:https://www.facebook.com/share/p/1A4VQLsNAn/

বরগুনা জেলা দর্শনীয় স্থান সমূহঃ

 বরগুনা জেলা দর্শনীয় স্থান সমূহঃ


১। হরিনঘাটা ইকোপার্ক ( পাথরঘাটা) 

২। টেংরাগিরি ইকোপার্ক  ( তালতলী)

৩। লালদিয়া বন ও সমুদ্র সৈকত ( পাথরঘাটা) 

৪। শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত ( তালতলী)

৫। রাখাইন পল্লী ( তালতলী)

৬। বিবিচিনি শাহী মসজিদ ( বেতাগী)

৭। বিহঙ্গ দ্বীপ ( পাথরঘাটা) 

৮। আশারচর শুটকি পল্লী  ( তালতলী)

৯। নিদ্রা  সৈকত ( তালতলী)

১০। সুরঞ্জনা ইকোপার্ক ( বরগুনা সদর)

১১। ঘোরা পদ্মা ইকোপার্ক ( বরগুনা সদর)

১২। আদুরী সমুদ্র সৈকত ( পাথরঘাটা)

১৩।  মোহনা পযটন কেন্দ্র  ( বরগুনা)

১৪। কৃষি  গ্রাম  সওদাগর পাড়া ( তালতলী)

১৫। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ  ( বামনা) 

১৬। ইলিশ চর, বলেশ্বর নদী ( পাথরঘাটা)

১৭। গোলের গুড়ের গ্রাম ( তালতলী)

১৮। শাপলা ফুলের ঝিল ( পাথরঘাটা) 

১৯। ফাতরা বন ( তালতলী)

পুরুষ হওয়া অত সোজা নয়,,,,,,,,,

 পুরুষ হওয়া অত সোজা নয়


, একটু বড় হওয়ার পর হঠাৎ করেই বুঝে যায় খুব তাড়াতাড়ি বড় হতে হবে, পুরো সংসারের দায়িত্ব নিতে হবে ।


ঘর বানানোর জন্য পুরুষকে ঘর ছেড়ে বাইরে যেতে হয় বছরের পর বছর, মৃত্যুর আগে অব্দি হয়তো কখনো পাকাপাকিভাবে বাড়ি ফেরা হয় না ।


নির্বাক সৈনিকের মত লড়ে যায় বহুরূপীর মতো বিভিন্ন রূপে কখনো দাদা, কখনো ভাই, কখনো বা স্বামী , কখনো বাবা ।


পুরুষকে কখনো কাঁদতে দেখবেন না, কারণ সে জানে কাঁদলে সান্ত্বনা  দেওয়ার মতো কাউকে পাশে পাওয়া যায় না । বিভিন্ন কারণে যদি স্ত্রীর সাথে ঝগড়াও হয়ে যায় সে সে হয়তো চুপ করে থাকে বা এক বেলা না খেয়ে থাকে তবু তার কোন বাপের বাড়ি হয় না যেখানে গিয়ে সে তার অভিমানটা  প্রকাশ করতে পারবে ।


যতই শিক্ষার ডিগ্রী থাকুক পুরুষের সম্মানটা তার উপার্জন এবং মূলধনের উপরে নির্ভর করে ।


পুরুষরা সমাজ, পরিবার ও সম্পর্কের ভিত গড়ে তোলে, অথচ তাদের আবেগ, সংগ্রাম ও স্বাস্থ্যের কথা অনেক সময় উপেক্ষা করা হয়।তাদের ত্যাগ, দায়িত্ব ও ভালোবাসাকে সম্মান জানাই।

মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৫

সাধারন ইট ও সিরামিক ইটঃ 

 সাধারন ইট ও সিরামিক ইটঃ 

=====================

ভালো মানের ইটের উপর বিল্ডিংয়ের স্থায়িত্ব নির্ভর করে। খারাপ ইট হলে নোনা পড়তে পারে, সিমেন্ট খরচ বেশি হবে, তাছাড়া গাঁথুনিও দূর্বল হয়ে যাবে।


কনস্ট্রাকশনে দু ধরনের ইট ব্যবহার হয়।

১. সাধারণ ভাটায় তৈরি ইট বা বাংলা ইট।

২. মেশিনে তৈরি ইট বা সিরামিক ইট।


#সাধারন ইট :

==========

♦প্রথম শ্রেণির ইট এর বৈশিষ্ট্য:

- ভালোভাবে পোড়ানো হয়;

- ইটের রঙ ও মাপ একই থাকে।

ব্যবহার: গাঁথুনির কাজে ব্যবহার করা হয়।


♦দ্বিতীয় শ্রেণির ইট এর বৈশিষ্ট্য:

- অপেক্ষাকৃত কম পোড়া, সাইজে ছোট-বড় হয়।

ব্যবহার: অস্থায়ী দেয়ালে অথবা বাড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা যাবে।


♦ঝামা ইট বা পিকেট ইট এর বৈশিষ্ট্য:

- বেশি পুড়ে আকার-আকৃতি বিকৃত হয়ে যায়।

ব্যবহার:

- খোয়া তৈরিতে ব্যবহার করা হয়;

- ঝামা ইটের মাঝে অনেক সময় কালো ইট চলে আসে, এগুলো ঢালাইতে ব্যবহার করা উচিত নয়।


ইট ব্যবহারের সতর্কীকরণ নির্দেশিকা

============================ 

দীর্ঘস্থায়ী নির্মাণ কাজে সব সময় প্রথম শ্রেণীর ইট ব্যবহার করা উচিৎ। পাকা কাজে অথবা বাড়ির প্রাচীর নির্মাণ কাজে বা অস্থায়ী শেড তৈরির কাজে ২য় ও ৩য় শ্রেণীর ইট ব্যবহার করা যেতে পারে।


ফিল্ড বা সাইটে ইট পরীক্ষা

=====================

নিচের পরীক্ষাগুলোর সাহায্যে নির্মাণ স্থলে ভাল ইট শনাক্ত করা যেতে পারে। যেমন-


♦প্রথমে একটি ইট নিয়ে এর পিঠে বা তলাতে নখ দিয়ে আচড় দিয়ে হবে, যদি আচড় পড়ে তবে তা খারাপ ইট বলে বিবেচিত হবে, আর না পড়লে ভাল ইট।


♦একটি ইট নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করতে হবে যদি ধাতব শব্দের সৃষ্টি হয় তবে ভাল ইট।


♦দুটো ইট হাতে নিয়ে T এর মত একটি অপরটির উপর ধরে ১ মিটার উপর থেকে সমান মাটিতে ফেলতে হবে, ভাল ইট হলে উপরের ইটটি ভাঙ্গবে ন্


বাংলাদেশে পি.ডব্লিউ.ডি সিডিউল অনুযায়ী ইটের সাইজ সাধারণত ৯ ১/২ ইঞ্চি X ৪ ১/২ ইঞ্চি X ২ ৩/৪ ইঞ্চি বা (২৩৮ মিমি X ৭০ মিমি) মাপের বাংলা ইট ব্যবহৃত হয়। আরও অনেক আকৃতির ইট আছে তবে এই আকৃতির ইট সবচেয়ে সুবিধা জনক মর্টারসহ উক্ত সাইজ হয় ১০ ইঞ্চি X ৫ ইঞ্চি X ৩ ইঞ্চি (২৫০ মিমি X ১২৫ মিমি X ৭৫ মিমি)।


♦ সিরামিক ইটঃ 

=============

এটি অতি উন্নতমানের প্রথম শ্রেণীর ইটের অন্তর্ভূক্ত। এই প্রকার ইট মেশিনে তৈরি করা হয় বলে আকার ও আকৃতি সঠিক ভাবে বজায় রাখা সম্ভব হয়। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে গ্যাস অথবা বিদ্যুতের সাহায্যে পোড়ানোর ফলে এর রঙের সাম্যতা সর্বত্র বজায় থাকে। ফেয়ার ফেস ব্রিক ওয়ার্কে অর্থাৎ আস্তর করা হবে না এমন দেয়াল নির্মানে এই ইট ব্যবহার করা হয়। সিরামিক ইটে ৫৫% বালি, ৩০% অ্যালুমিনিয়াম,  আয়রণ অক্সাইড, ৫% ম্যাগনেসিয়া ও ১% জৈব পদার্থ থাকতে পারে।


ব্রিক ওয়ার্ক করা সাধারণত সিরামিক ইট দিয়ে এবং এক্ষেত্রে অভিজ্ঞ রাজমিস্ত্রি দিয়ে কাজ করাতে হয়, (বিশেষ করে সিরামিক দিয়ে যারা আগে কাজ করেছে) না হলে ফেয়ার ফেসের সৌন্দর্য নষ্ট হবার সম্ভবনা থাকে।


♦সিরামিক ইট এর বৈশিষ্ট্য:

- মেশিনে তৈরি;

- সাইজ ঠিক থাকে;

- দেখতে সুন্দর এবং গুণগত মানে উন্নত।

ব্যবহার:

- গাঁথুনিতে ব্যবহার করা যায়;

- এক্সপোজড ব্রিক ওয়ালে সিরামিক ইট ব্যবহার করা হয়;

- সিরামিক ইটে ৩, ১০ বা ১৩ টি ছিদ্র থাকে, এর ভিতর রড দিলে দেয়াল মজবুত হয়


অল্প জায়গায় কম বাজেটের ভিতর চার বেডরুমের একতলা বাড়ির ডিজাইন।

 অল্প জায়গায় কম বাজেটের ভিতর চার বেডরুমের একতলা বাড়ির ডিজাইন।



আল্লাহর রহমতে সততার মাধ্যমে আমরা সাশ্রয়ী খরচে বাংলাদেশের  যেকোনো জায়গায় প্রফোসনাল ফুল প্যাকেজ ডিজাইন বই ও সব মালামাল সহ কন্সট্রাকশন কাজ করে থাকি। জায়গার অবস্থান পরিদর্শন করে  ডিজাইন দিয়ে থাকি ও BNBC code মেনে ডিজাইন করা হয়।


🏛️এক তলা ,ডুপ্লেক্স , ত্রিপ্লেক্স ,ও বিভিন্ন আবাসিক ও কমার্শিয়াল বাড়ি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।


যোগাযোগঃ 01844805950 WhatsApp / imo


 👉Contact us for your dream home design  আমাদের রয়েছে নিজস্ব একদল ডুয়েট অভিজ্ঞ সিনিয়র ও তরুণ আর্কিটেক ইঞ্জিনিয়ার এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ার।

(অনলাইন ও অফলাইন প্লাটফর্ম কম্পানি)


আমাদের সেবা/সার্ভিস সমূহ_ _ _

@ BNBC code মেনে ডিজাইন করা হয়

☞ স্ট্রাকচারাল ডিজাইন  ☞ আর্কিটেক্টচারাল ড্রইং

☞ ইলেকট্রিক্যাল ড্রইং     ☞ প্লাম্বিং ড্রইং

☞ ডিজিটাল সার্ভে          ☞ সয়েল টেস্ট

☞ পাইলিং                      ☞ সাইট সুপারভিশন

☞ পৌরসভা ড্রইং            ☞ এস্টিমেটিং এন্ড কস্টিং ☞ 3D ডিজাইন।              ☞ ইন্টেরিয়র ডিজাইন


 অফিসঃ সাভার আশুলিয়া,মিরপুর-১২,মহাখালী,সিলেট সদর ও নোয়াখালী বেগমগঞ্জ।

চা বানানোর গুরুত্বপূর্ণ টিপসঃ,,,,

 ♦️চা বানানোর গুরুত্বপূর্ণ টিপসঃ♦️

☕ চিনি দিয়ে চা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে কাপে চিনি দিন।কখনই চিনি,চা পাতা,পানি একসঙ্গে ফুটতে দেবেন না।এতে চায়ের গন্ধ নষ্ট হয়।


☕ এলাচ,লবঙ্গ,দারচিনি দেওয়া চা পছন্দ হলে তা ড্রাইরোস্ট করে থেঁতো করে তবেই ব্যবহার করুন।এতে আরও ভাল গন্ধ পাওয়া যায়।


☕ চা পাতা কখনই প্লাস্টিকের কৌটোতে নয়,কাঁচ কিংবা স্টিলের জারে সংরক্ষণ করুন।খেয়াল রাখবেন যাতে সরাসরি রোদ না লাগে কৌটোতে।


☕ রং চা বানানোর ক্ষেত্রে,পানি আর চা পাতা কিন্তু কখনই একসঙ্গে ফোটাবেন না।এতে গ্যাস নষ্ট,সময় নষ্ট সেই সঙ্গে চায়ের কোনও রকম স্বাদও পাওয়া যায় না।যেমনই চা পাতা হোক না কেন আগে পানি ফুটিয়ে গ্যাস বন্ধ করে তবেই চা পাতা দিন।এরপর ২ থেকে ৩ মিনিট ঢাকা দিয়ে রেখে ছেঁকে নিন।


☕ দুধ চা আর লিকার চা বানানোর পদ্ধতি কিন্তু একদম আলাদা।যে চায়ের পাতায় ভাল লিকার হয়,সেই পাতা দিয়ে দুধ চা বানাবেন না।এক্ষেত্রে দানা চা ( CTC Tea) ব্যবহার করুন।ভাল রং পাবেন।


☕ আদা দিয়ে চা করতে চাইলে আদা গ্রেট করে প্রথমে গরম পানির মধ্যে দিন।তাতে দু-একটা তুলসি পাতা,তিন থেকে চারটে লবঙ্গ,গোলমরিচ ফেলে দিতে পারেন।এই পানি ভাল ভাবে ফুটলে তারপরই গ্যাস বন্ধ করে চা পাতা দিন।দুকাপ চা হলে এক চা চামচ চা পাতা দিন।এই অনুপাতে চায়ের পাতা ব্যবহার করবেন।অতিরিক্ত চা পাতা দিলেই চা খেতে ভাল হবে,এই ধারনা একেবারে ভুল।


☕ লেবু চা বা কমলালেবুর চা পছন্দ হলে আগে থেকে খোসা ছাড়িয়ে তা রোদে শুকিয়ে রাখুন।খুব ভাল করে শুকনো হলে সেই খোসা গুঁড়ো করে অল্প পরিমাণ চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে রাখুন।এতে স্বাদ ভাল হয়।


চা লাভারদের জন্য কিছু স্পেশাল চায়ের রেসিপি! আপনাদের অবশ্যই ভালো লাগবে! 


🟩 মশলা চা 


উপকরণঃ 

সবুজ এলাচ- ৫টি

দারুচিনি- ১ টুকরা

চিনি- স্বাদ মতো

গুড়া দুধ- ১ কাপ

গোলমরিচ- ১টি

লবঙ্গ- ৪টি

চা পাতা- ২ চা চামচ

আদা গুঁড়া- ১ চা চামচ

আদা- মিহি করে কাটা কয়েক টুকরা


প্রস্তুত প্রণালিঃ 

এলাচের খোসা ফেলে ভেতরের মসলা বের করে নিন। সব মসলা একসঙ্গে গুঁড়া করে ফেলুন মিহি করে। প্যানে ৪ কাপ পানি গরম করে চা পাতা দিন। চাইলে আধা চা চামচ গ্রিন টি পাতাও দিতে পারেন ব্ল্যাক চায়ের সঙ্গে। গুঁড়া করে রাখা মসলা ও চিনি দিন। দুধ ও আদা গুঁড়া দিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন। নামানোর আগে আদা কুচি দিয়ে মৃদু জ্বালে রেখে দিন কয়েক মিনিট। পরিবেশন করুন গরম গরম।


🟩 কালিজিরা ও গোলমরিচের চা


উপকরণঃ

চা-পাতা ২ চা-চামচ 

কালিজিরা আধা চা-চামচ 

আস্ত গোলমরিচ আধা চা-চামচ 

আদাকুচি এক চামচের কিছু অংশ 

চিনি কিংবা মধু নিজের স্বাদ অনুযায়ী ও পানি আধা লিটার।


প্রস্তুত প্রণালিঃ 

পানি ফুটিয়ে চা, কালিজিরা, আস্ত গোলমরিচ আর আদাকুচি দিন। ৫-৬ মিনিট জ্বাল দিন। এরপর ছেঁকে চিনি কিংবা মধু মিশিয়ে গরম-গরম চা পান করুন। 


🟩 মাল্টা চা 


উপকরণঃ  

পানি ২ কাপ 

এলাচি ১টি 

চা-পাতা ১ চা-চামচ 

মাল্টার রস ২ চা-চামচ

মাল্টা দুই টুকরা ও 

চিনি ২ চা-চামচ


প্রস্তুত প্রণালিঃ

একটি পাত্রে পানি, চিনি আর এলাচি দিয়ে ফুটতে দিন। টগবগ করে ফুটে উঠলে চা-পাতা দিয়ে দিতে হবে। ১ মিনিট জ্বাল দিন। এবার মাল্টার রস দিয়ে দিন। চামচ দিয়ে নেড়ে সঙ্গে সঙ্গেই নামিয়ে ফেলতে হবে। চায়ের কাপে ছেঁকে নিয়ে এক টুকরা (স্লাইস) মাল্টা দিয়ে পরিবেশন করুন। 


🟩 জাফরানি চা 


উপকরনঃ

পানি – ২ কাপ

জাফরান – ৪-৫ টি

অর্গানিক মধু- ১/৪ চা চামচ

চা পাতা – ১ চা চামচ (ঐচ্ছিক)

আদা কুচি – সামান্য

দারচিনি – ১ টুকরো


প্রস্তুত প্রণালিঃ  

পানির সাথে আদা এবং দারচিনি দিয়ে জ্বাল দিন।

কিছু সময় হলে সঙ্গে জাফরান মিশিয়ে জ্বাল দিন।

হয়ে গেলে ছেকে মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন।

এই দারুণ জাফরান চা হজমশক্তিকে উন্নত করে, ত্বকের রঙ ফর্সা করে, ত্বক উজ্জ্বল ও কোমল করে, চুলকে করে তোলে ঝলমলে, ত্বকে বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করে।

প্রতিদিন ১ কাপ খেতে পারবেন।


🟩 বাদশাহী চা


ঊপকরনঃ

পানি ২ কাপ

চা পাতা ১-১.৫ চা চামচ

কিসমিস ১ চামচ

কনডেন্স মিল্ক ২ চামচ

হরলিক্স ১ চামচ

কফি পাউডার ১ চামচ


প্রস্তুত প্রণালিঃ 

প্রথমে পানি বয়েল করে নিতে হবে। এরপর বয়েল করা পানি তে চা পাতা দিয়ে দিতে হবে। কিছু সময় জাল করে নামিয়ে নিতে হবে।


কিসমিস খুব ভালো কোনো কফি মিক্সচারে ব্লেন্ড করে নিতে হবে অথবা শিলা পাটাতে পিষে নিতে হবে। তবে পানি ব্যবহার করা যাবে না এক্ষেত্রে।


তৃতীয়ত একটি মগে কিছুটা জাল করে রাখা লিকার নিয়ে সেখানে কিসমিস এর মিশ্রণ, কনডেন্স মিল্ক, হরলিক্স, কফি পাউডার খুব ভালো করে বিটারের সাহায্যে মিশিয়ে নিতে হবে।


চায়ের ওপর সুন্দর একটি ফোমের লেয়ার তৈরী হবে সুন্দর করে ডেকোরেশন করে নিন। ব্যস তৈরী হয়ে গেল বাদশাহি চা।


cp

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...