এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫

হয় যদি বদনাম হোক আরো  আমি তো এখন আর নই কারো -  স্মরণ-            চির সবুজ অভিনেতা                 জাফর ইকবাল

 হয় যদি বদনাম হোক আরো 

আমি তো এখন আর নই কারো -


 স্মরণ-


           চির সবুজ অভিনেতা 

               জাফর ইকবাল

----------------------------------------------------

অভিনেতা জাফর ইকবাল ১৯৭০ সালে কবরীর নায়ক হয়ে চিত্র সম্পাদক ও পরিচালক বশীর হোসেনের 'আপনপর' ছায়াছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পদার্পন করেন।


ছিলেন আশির দশকের বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় অভিনেতা। তিনি একাধারে একজন সঙ্গীতশিল্পী, অভিনেতা ও মুক্তিযোদ্ধা।


জন্ম ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৫০ সালে ঢাকায়। বড় ভাই আনোয়ার পারভেজ বিখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক ও ছোট বোন শাহনাজ রহমতুল্লাহ সঙ্গীতশিল্পী।


জাফর ইকবাল ১৯৬৬ সালে প্রথম একটি ব্যান্ড দল গড়ে তোলেন। তাঁর কণ্ঠে 'হয় যদি বদনাম হোক আরো' গানটি একসময় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।


জাফর ইকবাল বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে দেশের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে সরাসরি অংশগ্রহন করেন।


সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে তিনি চলচ্চিত্রে নিয়মিত অভিনয় শুরু করেন। তিনি আবদুস সামাদের চিত্রগ্রহন ও পরিচালনায় ‘সূর্যগ্রহন’ ও এর সিকুয়াল ‘সূর্যসংগ্রাম’ চলচ্চিত্রে ববিতার বিপরীতে অভিনয় করেন।


১৯৭৫ সালে ‘মাস্তান’ চলচ্চিত্রে নায়কের ভূমিকায় অভিনয় তাঁকে সে প্রজন্মের প্রতিনিধিত্বকারী নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা দেয়।


স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের রাগী, রোমান্টিক, জীবন-যন্ত্রণায় পীড়িত কিংবা হতাশা থেকে বিপথগামী তরুণের চরিত্রে তিনি ছিলেন পরিচালকদের অন্যতম পছন্দ।


সামাজিক প্রেমকাহিনী ‘মাস্তানে’র নায়ক জাফর ইকবাল রোমান্টিক নায়ক হিসেবে জনপ্রিয়তা পান। ‘নয়নের আলো’ চলচ্চিত্রে এক গ্রামীন তরুণের চরিত্রেও দর্শক তাঁকে গ্রহণ করে।


জাফর ইকবাল একশোরও কম চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন যার বেশিরভাগই ছিল ব্যবসা সফল। 


১৯৮৯ সালে জাফর ইকবাল অভিনীত ত্রিভূজ প্রেমের ছবি ‘অবুঝ হৃদয়’ দারুণ ব্যবসা সফল হয়। এ ছবিতে চম্পা ও ববিতার বিপরীতে তাঁর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করে।


ববিতার সঙ্গে তাঁর জুটি ছিল দর্শক নন্দিত। এই জুটির বাস্তব জীবনে প্রেম চলেছে বলেও গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। তাঁদের সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ায় হতাশ হয়েই জাফর ইকবাল অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে জোর গুঞ্জন উঠেছিল।


ববিতার বিপরীতে আনুমানিক পনেরটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি।


জাফর ইকবাল অভিনীত এক মুঠো ভাত, ভাই বন্ধু, অবদান, সাধারণ মেয়ে, একই অঙ্গে এত রূপ, ফকির মজনুশাহ, দিনের পর দিন, বেদ্বীন, অংশীদার, মেঘবিজলী বাদল, সাত রাজার ধন, আশীর্বাদ, অপমান, নয়নের আলো, গৃহলক্ষ্মী, ওগো বিদেশিনী, প্রতিরোধ, সিআইডি, মর্যাদা, সন্ধি প্রভৃতি চলচ্চিত্র সুপারহিট হয়। 


সোনিয়া-জাফর ইকবাল দম্পতির দুই সন্তান।


পারিবারিক অশান্তির কারনে জাফর ইকবাল মানসিক ভাবে অনেকটাই ভেঙ্গে পড়েন। 


অতিরিক্ত সুরাপান ও অনিয়ম জীবন যাপনের ফলে ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। ফলে নষ্ট হয়ে যায় তাঁর হার্ট এবং কিডনি। 


১৯৯২ সালের ৮ জানুয়ারি মাত্র ৪১ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।


-- মেসবা খান

ঐতিহাসিক শমসের গাজীর সুরঙ্গ: যার এক মাথা বাংলাদেশে অপর মাথা ত্রিপুরার আগরতলায়!

 ঐতিহাসিক শমসের গাজীর সুরঙ্গ:

যার এক মাথা বাংলাদেশে অপর মাথা ত্রিপুরার আগরতলায়!



ঐতিহাসিক শমসের গাজীর সুরঙ্গ। এটি পুরোনো ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ধরে ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলা সদরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে গেলে চম্পকনগর। এখান থেকে অটোরিকশায় এক কিলোমিটার পাড়ি দিলেই জগন্নাথ সোনাপুর গ্রাম। গ্রামের বড় এক দিঘির পাড়ে ছোট একটা ঢিবি। এর গায়ে মাটি কেটে বানানো একটা সুড়ঙ্গের মুখ। উঁকি দিলে অপর প্রান্ত দেখা যায় না।


ছাগলনাইয়ার চম্পকনগরের শমসের গাজীর সুড়ঙ্গ দেশের তালিকাভুক্ত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। ভাটির বাঘ নামে পরিচিত শমসের গাজী একসময় এ এলাকা শাসন করতেন। এখানে তিনি তৈরি করেছিলেন সুবিশাল কেল্লা, সুড়ঙ্গ আর দিঘি। প্রায় ১৫ একর জায়গায় আজও ছড়িয়ে আছে সেসব নিদর্শন। ১৮ শতকের মাঝামাঝি সময়ে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় কৃষক ও প্রজাদরদি এক বিপ্লবী শাসক। বৃহত্তর নোয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও ত্রিপুরা রাজ্যের কিছু অংশ ছিল তার শাসনাধীন।


১৭১২ সালে বর্তমান ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলায় নিজকুঞ্জরা গ্রামে তার জন্ম। পিতা পীর মোহাম্মদ তখনকার ওমরাবাদ পরগনার একটি কাছারিতে খাজনা আদায় করতেন। তার মায়ের নাম ছিল কৈয়ারা বেগম। ছোটকালেই তির-ধনুক, তলোয়ার চালানোসহ সমরবিদ্যায় পারদর্শী হন। এরপর দিকে দিকে খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে শমসের গাজীর।


এই সুড়ঙ্গ নির্মাণ সম্পর্কে স্থানীয় গ্রামের বাসিন্দাদের বরাতে জানা যায়- আক্রমণকারী শত্রুপক্ষের যোদ্ধাদের ঠেকাতে সুড়ঙ্গের নির্মাণ। আবার কেউ বলেন, বাড়ির নারীদের গোসলের জন্য পুকুরে যাওয়ার পথ ছিল এটি। সুড়ঙ্গটি নির্মাণের সময় এর দৈর্ঘ্য ৪০-৪৫ মিটার ছিল বলে দাবি করেন অনেকে। সেই সময় এটির একটি মুখ ছিল চম্পকনগর গ্রামে, অন্য প্রান্তে ছিল ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার আমলি ঘাট। তবে মাঝখানের অনেক স্থানে ধসে যাওয়ায় এখন আর ভারতের সঙ্গে সুড়ঙ্গটির সংযোগ নেই। শুধু এ সুড়ঙ্গ নয়, শমসের গাজীর খনন করা বিশাল খুইল্লার দিঘি আর কেল্লার ভিটা রয়ে গেছে আজও।


সবাই পড়ার অনুরোধ রইল ❤️ অনেক কিছু শিখতে পারবেন আশা করি আপনাদের ভালো হবে। 

 🚫সবাই পড়ার অনুরোধ রইল ❤️

অনেক কিছু শিখতে পারবেন আশা করি আপনাদের ভালো হবে।


💯👍


হিংসুক মানুষের আবিষ্কৃত শ্রেষ্ঠ যন্ত্রের নাম ষড়যন্ত্র। আপনি উঠতে চাইলে পেছনে টেনে ধরবে, বড় কিছু করলে সমালোচনা করবে, আপনি স্বপ্ন দেখলে তারা আপনাকে হতাশ করবে। এতসব কিছুর মাঝেও আপনাকে বেঁচে থাকতে হবে, টিকে থাকতে হবে, স্বপ্ন পূরণ করতে হবে ; কারণ মানুষ অন্যের হাঁটুর জোরে হাঁটেনা, সে নিজের পায়ে ভর করেই দৌঁড়ায়।

আপনাকে টেনে উপরে তোলার জন্য কারো ঠেকা পড়েনি। আপনি কঠোরভাবে চেষ্টা না করলে, কার এত দায় পড়েছে আপনার জন্য সাহায্যের ডালা সাজিয়ে বসে থাকার? পৃথিবীটা অনেক নিষ্টুর। এখানে সবাই স্বার্থপর। আপনার বেঁচে থাকার কারণ আপনাকেই সৃষ্টি করতে হবে। কেউ আপনাকে সাকসেস হওয়ার আগ পর্যন্ত পাত্তা দিবেনা। অনেকেই আপনাকে কথা দিয়েও কথা রাখবেনা। এমনকি অনেকেই আপনাকে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষায় রাখবে, কারণ সাকসেস হওয়ার আগ পর্যন্ত সবাই ধরেই নিবে আপনি একটা অপদার্থ, এভাবে ১০ ঘন্টা দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করলেও আপনার সমস্যা কিসের!


পৃথিবীতে মানুষ রেজাল্ট দেখতে চায়। আপনি কত ঘন্টা পড়ে, কত রাত জেগে প্রিপারেশন নিয়েছেন সেটা কাউকে ভাবাবে না, বরং আল্টিমেটলি চাকরিটা আপনি পেয়েছেন কিনা সবাই সেটাই দেখতে চায়। শচীন কয়টা ছক্কা মারার চেষ্টা করেছে, তাতে কার কি আসে; বরং কয়টা ছক্কা তিনি মেরে টিমকে চ্যাম্পিয়ন করেছেন সবাই সেটাই দেখতে চায়বে। মেসির পায়ে কত মিনিট বল ছিলো, কয়টা বল তিনি গোলপোস্টে থ্রো করেছেন এসব দেখতে চায় না অডিয়েন্স। আল্টিমেটলি দিনশেষে অডিয়েন্স এটাই দেখতে চায় মেসির টিম আর্জেন্টিনা জিতেছে কিনা। লাইফটা রেজাল্টের উপর দাঁড়িয়ে থাকে।


বিধাতা আপনাকে একটা খোলা মাঠ দিলো। এখন সেই মাঠে যদি আপনি অল্প খনন করেন, তবে আপনি একটা গর্ত করতে পারবেন। আরেকটু বেশি খনন করলে একটা পুকুর হবে। আরো বেশি খনন করলে বিশাল দিঘী হয়ে যাবে। আপনি যা খুশি করতে পারবেন। বিধাতা আপনাকে শক্তি দিয়েছে, মাঠ দিয়েছে; কিন্তু সেই শক্তি দিয়ে মাঠকে পুকুর বানাবেন নাকি দিঘী বানাবেন সেটা নির্ভর করছে আপনার সিদ্ধান্তের উপর।✅💯❤️


#সংগ্ৰহীত

এই মানুষটি কোনো ভিক্ষুক বা ভবঘুরে নন।। তিনি লিও টলস্টয়—বিশ্বসাহিত্যের এক মহান নাম।

 এই মানুষটি কোনো ভিক্ষুক বা ভবঘুরে নন।।


তিনি লিও টলস্টয়—বিশ্বসাহিত্যের এক মহান নাম।


রাশিয়ার এই মহান ঔপন্যাসিক এবং দার্শনিকের লেখা উপন্যাস *"War and Peace"* এবং *"Anna Karenina"* আজও সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কীর্তিগুলোর অন্যতম বলে বিবেচিত। বাস্তববাদী সাহিত্যের একজন অগ্রগণ্য পথিকৃৎ হিসেবে তার অবদান অপরিসীম।


তবে শুধু সাহিত্যিক প্রতিভার জন্যই নয়, টলস্টয় স্মরণীয় তার জীবনের দর্শন এবং মানবতার প্রতি অগাধ ভালোবাসার জন্য। ধনসম্পদ, আরাম-আয়েশের জীবন, সবকিছু তিনি ত্যাগ করেছিলেন। তার বিশ্বাস ছিল, গৃহহীনদের জন্য আশ্রয় এবং ক্ষুধার্তদের জন্য খাবার নিশ্চিত করাই মানবতার প্রকৃত সেবা। তার জীবন ছিল এক জীবন্ত উদাহরণ যে, প্রকৃত সুখ খুঁজে পাওয়া যায় ত্যাগের মধ্য দিয়ে।


লিও টলস্টয় ১৮২৮ সালের ৯ই সেপ্টেম্বর রাশিয়ার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। কিন্তু বিলাসী জীবন তাকে কখনো টানেনি। বরং জীবনের গভীর অর্থ খুঁজে পাওয়ার তাগিদে তিনি আত্মনিবেদন করেছিলেন সাহিত্য, দর্শন, এবং মানুষের কল্যাণে। ১৯১০ সালের ২০শে নভেম্বর তিনি পরলোকগমন করেন। কিন্তু তার রচনা এবং আদর্শ আজও মানুষের মননে অমর হয়ে আছে।


টলস্টয়ের লেখা শুধু কাহিনি নয়; তার রচনাগুলোতে নৈতিকতা, ন্যায়বোধ, এবং মানবিকতার গভীর প্রশ্ন উঠে এসেছে। মানুষ কিভাবে নিজের জীবনের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে বৃহত্তর কল্যাণে আত্মনিয়োগ করতে পারে, তার প্রতিফলন দেখা যায় তার রচনায়।


✅তার কিছু বিখ্যাত উক্তি আজও আমাদের প্রেরণা জোগায়:  

-“তোমার ধর্ম সম্পর্কে আমাকে কিছু বলার দরকার নেই; তোমার কাজের মধ্যে তা আমি দেখতে চাই।”

- “যদি তুমি নিজের কষ্ট অনুভব করো, তবে তুমি জীবিত। কিন্তু যদি তুমি অন্যের কষ্ট অনুভব করো, তবে তুমি প্রকৃত মানুষ।”


টলস্টয়ের প্রভাব শুধুমাত্র সাহিত্য জগতে সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং দার্শনিক। তার অহিংস প্রতিরোধের দর্শন এবং সরল জীবনের আদর্শ মহাত্মা গান্ধী ও মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের মতো নেতাদের গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। গান্ধী নিজেই একাধিকবার বলেছেন, টলস্টয়ের আদর্শ তার জীবনে এক বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।


টলস্টয়ের জীবন ও কাজ আমাদের শেখায় যে মানবতার জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করা কতটা মহৎ। তিনি দেখিয়েছেন, জীবনের প্রকৃত সার্থকতা পাওয়া যায় অন্যের জন্য কিছু করার মাধ্যমে। টলস্টয় শুধু একজন সাহিত্যিক নন; তিনি মানবতার একজন পথপ্রদর্শক।

বিখ্যাত আইরিশ চিন্তাবিদ ও সাহিত্যিক জর্জ বার্নার্ড শ বলেছিলেন, আমি ডিনামাইট তৈরির জন্য আলফ্রেড নোবেলকে ক্ষমা করতে পারি, কিন্তু নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তনকারীকে ক্ষমা করতে পারি না, কারণ একমাত্র মানুষরূপী শয়তানই এমন পুরস্কার প্রবর্তন করতে পারে। সূত্র : ইন্টারনেট।

 নোবেল প্রাইজ শয়তানের সৃষ্টি! ফন্ট 

============================

 : বিখ্যাত আইরিশ চিন্তাবিদ ও সাহিত্যিক জর্জ বার্নার্ড শ বলেছিলেন, আমি ডিনামাইট তৈরির জন্য আলফ্রেড নোবেলকে ক্ষমা করতে পারি, কিন্তু নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তনকারীকে ক্ষমা করতে পারি না, কারণ একমাত্র মানুষরূপী শয়তানই এমন পুরস্কার প্রবর্তন করতে পারে। সূত্র : ইন্টারনেট।


 

আজ থেকে ৮৭ বছর আগে ১৯২৬ সালের এই দিনে নোবেল পুরস্কারের অর্থ গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তিনি এসব কথা বলেছিলেন।

 

সুইডিশ রসায়ন বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল ডিনামাইট আবিষ্কারের পর 'মৃত্যুর সওদাগর' হিসেবে নিন্দিত হওয়ায় নোবেল পুরস্কার প্রথা চালু করেছিলেন। কিন্তু এই প্রথা চালু হওয়ার পর বেশি দিন না যেতেই পুরস্কারটিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে থাকে পাশ্চাত্য। কেবল তাই নয় এই পুরস্কারকে ব্যবহার করা হয় পাশ্চাত্যের আধিপত্যকামী, বিভেদকামী, শোষণকামী ও হত্যাযজ্ঞের নীতি জোরদারের হাতিয়ার হিসেবে।

 

তাই স্পষ্টভাষী সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ জর্জ বার্নার্ড শ (১৮৫৬-১৯৫০) এই পুরস্কারের তীব্র সমালোচনা করতে বাধ্য হয়েছিলেন।

 

পবিত্র ধর্ম ইসলাম ও বিশ্বনবী (সা.) সম্পর্কে নিজের গভীর শ্রদ্ধাবোধের জন্যও খ্যাতি অর্জন করেছেন এই সুনাম-ধন্য মনীষী। তিনি বলেছেন, আগামী একশ’ বছরের মধ্যে যদি কোনো ধর্ম ব্রিটেন, এমনকি গোটা ইউরোপের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারে, তা হলে সেটা হবে ইসলাম।

 

শ আরো বলেছেন, আমি মুহাম্মাদ (সা.) এর ধর্মকে সব সময়ই গভীর শ্রদ্ধার চোখে দেখি, কারণ এর রয়েছে বিস্ময়কর গতিশীলতা বা শক্তি। আমার দৃষ্টিতে এটা হচ্ছে একমাত্র ধর্ম যার রয়েছে অস্তিত্বের জগতের পরিবর্তশীলতার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেয়ার বা খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা, আর এ কারণে ইসলাম প্রত্যেক যুগেই মানুষকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করতে সক্ষম।

 

তিনি বলেন, আমি মুহাম্মাদকে (সা.) কে অধ্যয়ন করেছি, তিনি ছিলেন একজন বিস্ময়কর মানুষ এবং আমার মতে খ্রিস্ট বা ঈসা (আ.) এর বিরোধী হওয়ার ধারে কাছেও তিনি ছিলেন না, মুহাম্মাদ (সা.) কে অবশ্যই মানবতার ত্রাণকর্তা বলা উচিত।

 

জর্জ বার্নার্ড বলেন, আমি মুহাম্মাদ (সা.) এর ধর্ম সম্পর্কে এ ভবিষ্যদ্বাণী করছি যে, এই ধর্ম আগামী দিনের ইউরোপে গৃহীত হবে এবং এই ধর্মকে সাদরে বরণ করে নেয়া এখনই শুরু হয়েছে।


বাংলাদেশের প্রথম মহিলা দাবাড়ু রানী হামিদ  রাণী হামিদ (জন্ম:২৩ ফেব্রুয়ারি,১৯৪৪) একজন বাংলাদেশী দাবাড়ু। তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা আন্তর্জাতিক দাবা মাস্টার

 বাংলাদেশের প্রথম মহিলা দাবাড়ু রানী হামিদ 


রাণী হামিদ (জন্ম:২৩ ফেব্রুয়ারি,১৯৪৪) একজন বাংলাদেশী দাবাড়ু। তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা আন্তর্জাতিক দাবা মাস্টার


। রাণী হামিদের পুরো নাম সৈয়দা জসিমুন্নেসা খাতুন ডাক নাম রাণী। বিয়ের পর তিনি স্বামীর নাম যুক্ত করে রাণী হামিদ হন। ক্রীড়াজগতে তিনি রাণী হামিদ নামেই পরিচিত। ১৯৮৫ সালে তিনি ফিদে আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান। তিনি ৩ বার ব্রিটিশ মহিলা দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন। । রাণী হামিদের সন্তান কায়সার হামিদ ১৯৮০-এর দশকে বাংলাদেশের ক্রীড়া জগতের খ্যাতনামা ফুটবল খেলোয়াড় ছিলেন। 

তার আরও একটি বড় পরিচয় 

তিনি আমাদের কিংবদন্তি ফুটবলার কায়সার হামিদের মাতা।

বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৫

দ্যা পাওয়ার অফ "সূরাহ মূলক্",,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 "দ্যা পাওয়ার অফ "সূরাহ মূলক্"


"মনে করুন,আপনি দুনিয়া থেকে চলে গেছেন। আপনার জা'নাজার নামাজ শেষ।আপনাকে ক' বরে রাখা হলো। আপনি অপেক্ষা করতেছেন মু'নকার নাকির ফেরেশতার জন্য। কিন্তু,তাঁরা আসছে না কেন! অথচ, জান্নাতের সুঘ্রাণ পাওয়া শুরু করেছেন আপনি। 

একটু পরেই—

ক' বরের সাথে জান্নাতের একটি সু'ড়ঙ্গপথ তৈরি হয়ে গেলো। আপনি ভাবলেন,!!

'এ কেমন কথা! প্রশ্ন-উত্তর কই?

তখন আপনার মনে পড়ল- 'প্রতি রাতে সূরা মূলক পাঠ করলে কবরে প্রশ্ন উত্তরের ঝামেলা নাই। কবর আজাবেরও কোনো চান্স নাই।'

অতঃপর, রেশমী চাদরের নরম বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে আপনি বললেন 'আলহামদুলিল্লাহ'। ❤️


[] তিরমিজি -২৮৯০ এর সহীহ অংশ থেকে।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৯-০১-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৯-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


জাতীয় নির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন একই সঙ্গে করার পরিকল্পনা করছে অন্তর্বর্তী সরকার - বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


উন্নত চিকিৎসার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এখন লন্ডনে - সাড়ে সাত বছর পর মা-ছেলের সাক্ষাৎ।


স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে নিম্ন আয়ের পরিবারের কাছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি শুরু করলো টিসিবি ৷


বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দিলেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।


শেখ হাসিনার ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর ভারতের পদক্ষেপ ইতিবাচকভাবে নেয়নি বাংলাদেশের জনগণ - মন্তব্য বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর।


ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের সুস্পষ্ট প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।


রাশিয়ার বোমা হামলায় ইউক্রেনের জাপোরিঝঝিয়া নগরীতে ১৩ জনের প্রাণহানি।


আজ সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পরস্পরের মুখোমুখি হবে ফরচুন বরিশাল – রংপুর রাইডার্সের ও ঢাকা ক্যাপিটালস - চিটাগাং কিংসের।


বুধবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৫

আমার স্ত্রীকে যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে, তোমার খাওয়া সবচে মজার চিকেন কোনটা

 আমার স্ত্রীকে যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে, তোমার খাওয়া সবচে মজার চিকেন কোনটা


? সে বলে, খাদিজার আব্বু একদিন বাসায় রান্না করেছিল, সেটা। কথাটা তার পরিবারে এত চাউর যে, বাসায় বেড়াতে এসে শাশুড়ি একদিন বলেই ফেললেন, আজ জামাই রান্না করুক, আমরা দেখব কেন খাদিজার আম্মু সেই চিকেনের এত প্রশংসা করে। 


আমি জানি সেদিনের রান্নাটা হয়েছিল ঘটনাচক্রে। খাদিজা তখনও দুনিয়ায় আসেনি। বউ অসুস্থ ছিল। বাসায় যেহেতু আমি আর সে, কখনো তার জ্বরটর হলে পুরো ঘর এলোমেলো থাকে। খাদিজাকে পেটে নিয়েও সে সবসময় বাসা গুছিয়ে রাখত। নিয়ম করে বেলা বারোটার দিকে রান্না করতে যেত। কিন্তু সেদিন আর পারছিল না। শুয়ে ছিল। 


আমাকে বলল আজ রান্না করা যাচ্ছে না। কিছু অর্ডার দিন। ওদিকে আমি জানি সে হোটেলের রান্না খেতে পারে না। আমার প্লেটে তো মাটি ঢেলে দিলেও চাকদুম চাকদুম গিলে ফেলি। কিন্তু তার পেটে আমার খাদিজা। সে খেতে না পারা মানে, খাদিজা না খেয়ে থাকবে। শুনেছি মায়ের খিদে থাকলে বাচ্চারও খিদে থাকে। মা মন খারাপ করলে মেয়েরও মন বিষণ্ণ হয়। 


ভাবলাম কখনো চুলোয় যাইনি তো কী, আজ চেষ্টা করে দেখি। ফ্রিজ থেকে চিকেন বের করে সিঙ্কে ভিজিয়ে রাখলাম। গোটা গোটা করে পেঁয়াজ কাটলাম। তারপর চিকেন ধুয়ে মশলার ব্যাপারে ধারণা নিতে রুমে ঢুকে দেখি, বউ ততক্ষণে ঘুমিয়ে পড়েছে। ডাকতে গিয়েও শব্দগুলো গিলে ফেললাম। কিছুটা অসহায় লাগল, মনে হলো রান্নাটা যত সহজ ভেবেছিলাম, তারচেয়েও কঠিন হবে। 


ইন্টারনেট ঘেঁটে বুঝলাম সবচে সহজ উপায় হলো, গোশতটা হালকা আঁচে ভেজে তুলে রাখতে হবে। তারপর পেঁয়াজ লালচে হওয়া পর্যন্ত তেলে রেখে একে-একে মশলা কষিয়ে ফেলতে হবে। এবার আলু-মুরগি দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে পরিমাণমতো পানি ঢেলে ঢাকনা ফেলে রাখতে হবে। তাই করলাম। কিছুক্ষণ পরপর গিয়ে দেখে আসলাম। বউ মাখো-মাখো ঝোল খেতে পছন্দ করে, ততটুকু থাকতেই নামিয়ে নিলাম। 


সে ঘুম থেকে উঠে দেখে ভাত আর মুরগির গোশত রেডি। তিন পদ তরকারি দিয়ে যাকে পৌনে-প্লেট ভাত খাওয়ানো যায় না, আজ সে গুনে গুনে তিন প্লেট ভাত খেয়ে উঠল। হাসলো। খুশি হলো। বারবার বলল, রান্নাটা খুব মজা হয়েছে। সে যে এতটা নিষ্পাপ চেহারায় হাসতে পারে, সেদিন নতুন করে বুঝলাম। ভালোবেসে রান্না করলে আমিও যে দুনিয়ার সেরা চিকেন রানতে পারি, সেটাও সেদিন জানলাম। 


তার খুশি দেখে মনে হলো খাদিজাও সেদিন বাবার উপর অনেক সন্তুষ্ট ছিল। সে তো চিকেনের স্বাদ পায়নি, কিন্তু মায়ের আনন্দের ভাগ নিশ্চয়ই পেয়েছে

কাঠের হিসাব কিভাবে করতে হয় এবং চেরাই কাঠ ও গোল কাঠ হিসাবের সহজ পদ্ধতিঃ-

 🔴 কাঠের হিসাব কিভাবে করতে হয় এবং চেরাই কাঠ ও গোল কাঠ হিসাবের সহজ পদ্ধতিঃ-



✅ কাঠের হিসাব:

কাঠের হিসাব করা অনেক সহজ। কাঠ মাপার হিসাবকে অনেকে কঠিন মনে করে। কিন্ত কাঠ মাপার হিসাব একদম সহজ। শুধু কয়েকটি কথা মনে রাখলেই চলবে।

আপনি যদি কাঠের মাপ না জানেন তাহলে কাঠ ব্যবসায়ী আপনাকে ভুলভাল হিসাব দিয়ে আপার থেকে বেশি টাকা নিয়ে নিতে পারে। অনেক কাঠ ব্যবসায়ী এরকমটা করে থাকে। 


ব্যবসায়ীরা এই চিটিং সহজেই করতে পারে, কারণ বেশিরভাগ মানুষ কাঠের হিসাব করতে পারেনা। তাই কাঠ ব্যবসায়ী যত কিউবিক ফিট (কেবি) বলে, মানুষ বিশ্বাস করে তত কিউবিক ফিট (কেবি) টাকা দিয়ে আসে। 


ব্যবসায়ীরা সাধারণ মানুষের এই অজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। আপনি যদি একটু সচেতন হতেন তাহলে আপনার থেকে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিতে পারত না। 


জেনে নিন কীভাবে চেরাই কাঠ ও গোল কাঠের হিসাব করতে হয়। 


✅চেরাই কাঠের মাপ:

চেরাই কাঠ পরিমাপ করা একদম সহজ। আপনি দুইটি সূত্র মুখস্ত রাখতে পারলেই চেরাই কাঠ ও গোল কাঠের হিসাব করতে পারবেন। 


চেরাই কাঠ পরিমাপের জন্য একটি সূত্র এবং গোল কাঠ পরিমাপ করার জন্য একটি সূত্র।


নিম্নের ১ম ছবিটি লক্ষ্য করুন এবং বুঝার চেষ্টা করুন। এখানে দৈর্ঘ্য ১০০ ফিট, প্রস্থ ১৪ ইঞ্চি এবং উচ্চতা বা পুরত্ব ২ ইঞ্চি রয়েছে। এখন সবগুলোকে গুণ করে ১৪৪ দিয়ে ভাগ করলে বের হয়ে যাবে এখানে কত কিউবিক ফুট বা ঘন ফুট কাঠ রয়েছে। এখন আসুন বাস্তবে হিসেব করে দেখি এখানে কতটুকু কাঠ রয়েছে।


(একটি জিনিস সব সময় মনে রাখতে হবে, দৈর্ঘ্য হবে ফুটে এবং প্রস্থ ও উচ্চতা বা পুরত্ব হবে ইঞ্চিতে, না হয় হিসেব মিলবে না।)


সূত্র: (দৈর্ঘ্য  × প্রস্থ × পুরত্ব ) ÷ ১৪৪ 

= কিউবিক ফিট বা কেবি

সূত্রমতে (দৈর্ঘ্য ১০০ ফুট × প্রস্থ ১৪ ইঞ্চি × পুরত্ব ২ ইঞ্চি ) ÷ ১৪৪

= (১০০ × ১৪ × ২) ÷ ১৪৪

= ২৮০০ ÷ ১৪৪


২৮০০ কে ১৪৪ দিয়ে ভাগ করলে হয় ১৯.৪৪ কিউবিক ফিট বা কেবি প্রায়।

অর্থাৎ ১৯.৪৪ কিউবিক ফিট বা কেবি কাঠ রয়েছে এখানে।


✅গোল কাঠের হিসাব:

নিম্নে ২য় ছবিটি লক্ষ্য করুন এবং বুঝার চেষ্টা করুন।

এখানেও একটি জিনিসি মনে রাখতে হবে, দৈর্ঘ্য হবে ফুটে এবং গোল বেড় হবে ইঞ্চিতে।

সূত্র: ( দৈর্ঘ্য × গোলবেড়ি × গোলবেড়ি) ÷ ২৩০৪ = কিউবিক ফিট বা কেবি

সূত্রমতে: (দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট × ২০ ইঞ্চি × ২০ ইঞ্চি) ÷ ২৩০৪

বা ( ৪০ × ২০ × ২০ ) ÷ ২৩০৪

বা  ১৬,০০০ ÷ ২৩০৪

এবার ১৬,০০০ কে ২৩০৪ দিয়ে ভাগ করলে হয় ৬.৯৪ ।

অর্থাৎ ৬.৯৪ কিউবিক ফিট বা কেবি কাঠ আছে


বি:দ্র: গাছ যদি একদিকে মোটা ও অপরদিকে চিকন হয় তাহলে মাঝামাঝি গোলবেড়ির মাপ নিতে হবে বা মোটা অংশে একটি মাপ, মাঝে একটি মাপ এবং চিকন অংশে একটি মাপ নিয়ে গড় করতে হবে।


যেমন: মোটা অংশ ৪০ ইঞ্চি, মাঝে ২০ ইঞ্চি এবং চিকন অংশ ১৪ ইঞ্চি মোট ৭৪ ইঞ্চি। অর্থাৎ ৪০+২০+১৪ = ৭৪ ইঞ্চি। এই ৭৪ ইঞ্চিকে ৩ দিয়ে ভাগ করে গড় বেড় করলে হবে ২৪.৬৭ ইঞ্চি।


Collected image and Info 

#everyone #foryou #followers #viral #virals #Bangladesh #highlight @everyone

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...