এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৭-০২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৭-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শেখ হাসিনা ও ফ্যাসিবাদী দলের নেতাদের সম্পত্তিতে হামলা না করতে প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান - উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো চেষ্টা কঠোর হাতে দমনের  নির্দেশ।


রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকসহ বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেও জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।


আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে শিগগিরই পদক্ষেপ নেবে সরকার – জানানেল যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা।


চলতি মাসের মধ্যে প্রস্তুত হবে জুলাই গণহত্যা মামলার একাধিক তদন্ত প্রতিবেদন– গণমাধ্যমকে জানালেন আইসিটির চিফ প্রসিকিউটর।


যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও মিত্রদের বিরুদ্ধে তদন্তের প্রেক্ষিতে আইসিসি কর্মকর্তাদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বিচারিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের।


এবং ঢাকায় বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের শিরোপা লড়াইয়ে এখন চিটাগং কিংসের মুখোমুখি ফরচুন বরিশাল ।

শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

 সত্য_ঘটনা,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 # সত্য_ঘটনা 


ঘটনাটি যে স্বামী-স্ত্রীর সাথে ঘটে। গোপনীয়তার স্বার্থে কিছু তথ্য পরিবর্তন করা হলো।


সদ্য বিবাহ করে তারা নতুন বাসায় উঠেন, দুজনেই খুব খুশি কারন দুজনেই তাদের মনের মানুষ কে পেয়েছেন, প্রেমের বিয়ে ছিল, সবুজ আর মিতু তাদের সম্পর্ককে বিয়ে তে রুপ দেন কিন্তু এটা এতটা সহজ ছিল না, কারন মিতুর পরিবার সবুজ কে পছন্দ করতো না। তাই তারা পরিবারের সঙ্গ ত্যাগ করে নিজেরা একাই বিয়ে করে ঢাকায় একটা ছোট্ট বাসায় তাদের নতুন জীবন শুরু করেন। 


মিতু তার পড়াশুনা চালিয়ে যায়, কিন্তু গ্রামের থেকে চলে আসায় তার ভার্সিটি ট্রান্সফারে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়, ফাইনাল সেমিস্টার না হলে মিতু পড়াশোনা ছেড়েই দিতো, এদিকে সবুজ চাকুরি খুজে, এবং একটা কাপড়ের দোকানে সে আপাতত কাজ করতে থাকে, একদিনের ঘটনা , 


মিতু সকল কাজ শেষ করে সবুজের জন্য অপেক্ষা করছিল। রাত তখন ১২-১টার কাছাকাছি, মিতু সিড়ি দিয়ে কারো উঠার শব্দ পেয়ে দৌড়ে দরজার সামনে যায়, এবং উকি দিয়ে দেখে দরজার ওপারে কেউ নেই, মিতু ফিরে আসার সময় কারো হাটার শব্দ অনুভব করলো, এবার মিতু আবার লুকিং গ্লাস দিয়ে দেখে , কাউকে না পেয়ে মিতু একটু ভয় পেয়ে সবুজ কে কল করে, সবুজ বলে সে রাস্তায় আসতেছে, মিতু এবার তার রুমে গিয়ে বসে, একটু পর সবুজ আসে, মিতু সারাটাদিন বাসায় একা থাকে ,গল্প করার মত কেউ নেই, পড়াশোনা কতক্ষন করা যায়, আর যেহেতু সবুজ সেলসম্যানে আছে, তো কথা বলাও এতটা সহজ না,

মিতু সবুজ কে বললো আমার এই বাসায় একা থাকতে ভয় করে, আমিও কি একটা চাকুরি খুজবো? 


সবুজ এক কথায় না করে, সবুজ বলে তোমার ফাইনাল সেমিস্টার চলছে, এটা শেষ করো ভাল মতো , তারপর দেখা যাবে, আর আমি দেখি একটা বুয়া পাই কিনা, আপাতত কয়েকটা দিন কষ্ট করো, সবুজ বুয়ার কথা বলেছেতো সহজেই, কিন্তু আপাতত খরচের চাপ টা সবুজের একটু বেশিই।


সারাদিনের পরিশ্রম শেষে সবুজ মিতু একসাথে ঘুমাতে যায়, মিতু টুকটাক বুঝতে পারে যে সবুজের খরচ উঠাতে একটু কষ্ট হচ্ছে, এরপর মিতু বিনয়ের সাথে বলে, একটা কথা বলতাম, যদি বকা না দাও তো, সবুজ বলে তাহলে থাক বইলো না।


মিতু চট করে বলে ফেললো একলাইনে। “পড়াশোনার বাইরে আমার সময় কা*টে না তুমি থাকো সারাক্ষন কাজে, আমাকে একটা সেলাই মেশিন কিনে দাও আমি সেলাই এর কাজ শিখেছি, আমি সেলাই করতে চাই আমার সময় কাটবে।” এই বলে মিতু চুপ হয়ে গেল, আর সবুজ হা হয়ে তাকিয়ে রইল। সবুজ একটু গম্ভীর গলায় বলে ঘুমাও।


পরদিন সবুজ চাকুরি তে চলে যায় আর সাথে মিতু কে নিয়ে তার ভার্সিটিতে নামিয়ে দেয়, ভার্সিটিতে সবাই তার অপরিচিত। 


এরপর মিতু ক্লাস শেষ করে বাসায় ফিরে, ফেরার পথে মিতু কিছু সবজি ফুটপাত থেকে কিনে নেয়। বাসায় ডুকার পর মিতু অনেকটা ক্লান্ত হয়ে পরে, সে বিছানায় গিয়ে একটু বিশ্রাম নিয়ে তারপর কাজ শুরু করবে এই ভাবতে ভাবতে কখন যে তার চোখ লেগে যায় বুঝে উঠতে পারেনি।


সেদিন মিতুর ফোনে কয়েকটা নাম্বার থেকে কল আসে এর মাঝে একটা মিতুর ছোট ভাইয়ের, ঘুম থেকে উঠে মিতু কল লিস্ট চেক করে সবার আগে ছোট ভাইকে কল ব্যাক করে, ছোট ভাই মিতুর খোজ খবর নেয় এবং সে ঢাকায় আসবে, মিতুর ঠিকানা চায়। 

ছোট ভাই আসবে, সরল মনে মিতু ঠিকানা দিয়ে দেয়, রাতে সবুজ আসলে তাকে সব বলে এবং সবুজ মিতুর খুশি দেখে সবুজের ভাল লাগে, এবং সবুজ মিতুর জন্য সেলাই মেশিন নিয়ে আসে এই দেখে মিতু খুশিতে কেদে দিবে অবস্থা। এক সাথে দুইটা খুশি। 


কিছুদিন পর মিতুর ছোট ভাই মুন্না আসে , দুই ভাইবোন মিলে সেই আড্ডা, আজ মিতু অনেক খুশি বিয়ের পর প্রথম তার পরিবারের কেউ তাকে দেখতে আসলো। 

সবুজ তার শেলক আসবে শুনে বাজার করে , রাতে সবুজ জলদি আসে এবং তারা একসাথে রাতের খাবার শেষ করে, 

রাতে মিতু সবুজ কে বলে মুন্না কালই চলে যাবে বলে, ওর পড়াশোনা আছে, সবুজ বললো ওকে আবার অনেকদিন ছুটি নিয়ে আসতে বইলো।

পরদিন সকাল বেলা সবুজ এবং  মুন্না সকালের নাস্তা করে, সবুজ অফিসে চলে যায়, এবং ভাইবোন কিছুক্ষন গল্প করে তারপর মুন্নাও বিদায় নেয়।


মিতু অনেক কান্না করে, আসলে মিতুরা এক ভাই এক বোন এবং মিতুর মা বাবা, মিতু অনেক আদুরে ছিল। মিতুর মা বাবার মিতুকে ভাল জায়গায় বিয়ে দেওয়ার ইচ্ছে ছিল, যেটা সম্ভব হয়ে উঠেনি। 


ভাইকে বিদায় দিয়ে মনকে শক্ত করে মিতু ঘর গোছানো শুরু করে কারন একটু পরে তারও ক্লাস আছে।

কাজ করতে করতে মিতু যখন বাসন মাজতে নাস্তার টেবিল থেকে সব উঠাবে তখন সে লক্ষ্য করলো মিতুর এবং মুন্নার চায়ের কাপ থাকলেও সবুজের চায়ের কাপটি নেই। মিতু কিছুক্ষন খোজাখুজি করে না পেয়ে সে ব্যাপারটা স্বাভাবিকভাবে নিয়ে চলে গেল, কারন তার ক্লাসও আছে।


সেদিন মিতু আরেকটা জিনিস লক্ষ্য করলো আর তা হচ্ছে মিতু গোশল করে ভার্সিটি যাওয়ার জন্য তারাহুরো করে চুল আছড়াতে যাবে তখন সে লক্ষ্য করে তার চিরুনির মাঝে সব সময় চুল লেগে থাকে যা সচরাচর মিতু অনেক জমলে তারপর এগুলো খুলে ফেলে দেয়। কিন্তু আজ চিরুনি পরিস্কার দেখে বেশ অবাকই হলো।


অতটা না ভেবে সে ভার্সিটি চলে গেল।


সেদিন সন্ধানাগাদ সবুজ বাসায় ফেরে কেননা তাদের দোকানের মেরামত কাজ চলছিল। তাই সবুজ সুযোগ টা মিস দিল না।( - যারা গল্প পরতে ইচ্ছুক তারা , আমার আই*ডিতে ফ*লো  দিন বা রি*কুয়েষ্ট পাঠিয়ে সাথে  থাকুন। ) বাসায় আসার পর মিতু খুব খুশি হয়, এরপর তারা পুরো সময় এক সাথে কা*টায়, মিতুর সেলাই মেশিনের জন্য কিছু জিনিস কেনা প্রয়োজন ছিল , তারা দুজন গিয়ে শপিং করে আসে, খুব ভালই যাচ্ছিল তাদের সংসার জীবন।

এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পর একদিন সবুজ অফিসের জন্য বের হয় এবং মিতু প্রতিদিনের মত কাজ করতে করতে হঠাৎ তার পেট ব্যাথা শুরু হয়, মিতু চিন্তা করলো অসময়ে পেট ব্যাথা করার তো কোন কথা না, পরে মিতু বিশ্রামে চলে যায় । হঠাৎ মিতু অনুভব করে তার শরীর  ভার হয়ে উঠে। একটু পর সে ব্যাথায় চিৎকার দিয়ে কেঁদে উঠে……. তার কিছুক্ষন পরেই হঠাৎ……..সবুজ কল করে, সবুজ কে মিতু বাসায় আসতে বলে, কিনেতু ওপাশ থেকে অচেনা এক লোক বলে উঠলো আপনার এই লোক এ*ক্সিডেন্ট করেছে, আপনি যেখানেই আছেন …… এই হাসপাতালে চলে আসেন…..


চলবে........... 


আদনান_তাওসিফ

পরিবার 

পর্ব :১

৩২ নম্বর বাড়ি ভাংবার উস্কানি শেখ হাসিনা স্বয়ং দিয়েছেন, এই সময়ে তার ভাষণ দেবার সিদ্ধান্তই ছিলো উস্কানীমূলক।  fahad mahmud arifbillal ফেইসবুক থেকে

 ৩২ নম্বর বাড়ি ভাংবার উস্কানি শেখ হাসিনা স্বয়ং দিয়েছেন, এই সময়ে তার ভাষণ দেবার সিদ্ধান্তই ছিলো উস্কানীমূলক। 


হাসিনার মাথায় রয়েছে ফেব্রুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংগে নরেন্দ্র মোদীর সাক্ষাতকার। এবং বাংলাদেশ নিয়ে ইন্দো-মার্কিন-ইজরায়েলি আঞ্চলিক পরিকল্পনা।   ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অলিগার্কি, অর্থাৎ অল্প কিছু বিলিয়নারদের আধিপত্যের প্রতিষ্ঠা। যেমন ইলন মাস্ক, জুকারবার্গ,  বিলগেটস প্রমুখ। এর কুফলও বাংলাদেশ সহ গরীব ও প্রান্তিক দেশগুলোতে পড়বে। হিন্দুত্ববাদের সংগে মার্কিন বর্ণবাদী গোষ্ঠীর মৈত্রীও পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। ট্রাম্পের গাজানীতি ভয়াবহ। ইতিমধ্যে ট্রাম্প বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সংগে ঘোষণা দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র গাজার ‘নিয়ন্ত্রণ নেবে’ এবং এর ওপর তার ‘মালিকানা’ প্রতিষ্ঠা করবে।


এই নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাষণ বুঝতে হবে। নতুন ভূরাজনৈতিক সমীকরণের উপর দাঁড়িয়ে তিনি রাজনীতির যে ছক কষছেন সেদিকে আমাদের পূর্ণ মনোযোগ নিবদ্ধ রাখতে হবে।


ছাত্রজনতার ন্যায়সংগত ক্ষোভের পরিণতি হচ্ছে ৩২ নম্বর ধুলায় মিশিয়ে দেওয়া।এটা শুরু, শেষ নয়। আমরা দেখলাম একে রক্ষা করার কোনো পদক্ষেপ সরকার গ্রহণ করে নাই। সেনাবাহিনী কিছুক্ষণের জন্যে এলেও ফিরে গেছে। জনগণের বিপরীতে সেনাবাহিনীকে দাঁড় না করাবার নীতি সঠিক।


কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে দিল্লি প্রমাণ করার চেষ্টা করবে যে জানমাল রক্ষা  করতে উপদেষ্টা সরকার ব্যর্থ। আন্তর্জাতিক ভাবে ব্যাখ্যা করা হবে যে বাংলাদেশে কার্যত কোনো সরকার নাই। এটাই দিল্লী হাসিনার পক্ষে প্রতিষ্ঠা ও প্রচার করবে।  


দিল্লী দাবি করবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি। ফলে দিল্লী আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় বাংলাদেশে হস্তক্ষেপের পরিকল্পনা করতে পারে।


এই বাস্তবতা এবং সম্ভাব্য ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি অবশ্যই আমাদের মনে রাখতে হবে। যদি আমরা সামনের দিনে আরো গভীর সংকটে পতিত হওয়া থেকে মুক্ত থাকতে চাই তাহলে অবিলম্বে শেখ হাসিনার সংবিধান বাতিল করে পূর্ণ ক্ষমতা সম্পন্ন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করুন, নতুন ভাবে বাংলাদেশ গঠন করার প্রক্রিয়া শুরু করুন। এটা পরিষ্কার ফ্যাসিস্ট সংবিধান  বহাল রাখার শপথ করে আমরা আদতে ফ্যসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম রেখেছি। এটা কিছুতেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। বাড়ি ভাংলাম অথচ শেখ হাসিনার  বানানো ফ্যাসিস্ট  রাষ্ট্রব্যবস্থা পুরাপুরি কায়েম রাখলাম এটা কি হয়!


অতএব পরিবর্তীত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় আমরা যেন কোন গভীর সংকটে না পড়ি সেজন্য এখনই আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। জনগণের ক্ষোভকে আমলে নিতে শিখুন। ছাই দিয়ে আগুন নিভানো যায় না।


এই বিষয়টি আরো বিস্তারিত বুঝবার জন্য মোহাম্মদ রোমেলের পোস্টটি দেখুন।

--------------------------

শেখ হাসিনার ভাষণের বিরোধীতায় ৩২ নাম্বার ভাঙ্গার ফলে বাংলাদেশের জনগণের এই মুহূর্তে কোন লাভ হয়েছে বলে আমার মনে হয় নাই ।


তাইলে ৩২ নাম্বার ভাঙ্গার রাজনীতি কি ? এই রাজনীতিতে কে কি অর্জন করল ? এর পর্যালোচনা দরকার । দেশে-বিদেশে এর প্রভাব কি পড়বে সেইটারও পর্যালোচনা দরকার । 


এই মুহূর্তে জরুরি প্রশ্ন হলো, জনতা এইটা ভাঙ্গতে গেল কেন? উত্তেজিত না হয়ে, কোন পক্ষ না নিয়ে ঠান্ডা মাথায় আমাদের এর কারণ অনুসন্ধান করা জরুরি । আমার মনে কয়েকটা কারণের কথা আসছে । সেইসব শেয়ার করি । 


হাসিনার আজকে ভাষণ এবং তার দলের মাসব্যাপী কর্মসূচিতে জনগণ ভিতু হয়েছে । ভাবছে এর পিছনে ভারতের অসৎ উদ্দেশ্য আছে । ফলে তাদের প্রতিরোধের অংশ আকারে জনতা ৩২ নাম্বারে গেছে ।


হাসিনা এবং তাদের দলের কারো মধ্যেই এখন পর্যন্ত তাদের অতীত খুন-গুম-লুটপাট-বিচারহীনতা নিয়া কোন সরি ফিলিং মানুষ দেখছে না । ফলে মানুষের মনে তাদের বিষয়ে ক্ষোভ কমে নাই । বরং তারা ফিরে আসার নানান হুমকি দিচ্ছে । দোষ অস্বীকার করছে । এইটাও জনতাকে ঐক্যবদ্ধ করেছে ।


৩) হাসিনা তার পুরো শাসন আমলে তার বাপকে সামনে রেখে, দেবতা বানিয়ে তার সমস্ত অপকর্ম করে গেছে । ফলে ইতিহাসের শেখ মুজিবুর আর হাসিনার বানানো ফ্যাসিস্ট আইকন শেখ মুজিবুরের পার্থক্য জনগণের মধ্যে এখন আর নাই । ফলে ৩২ নাম্বারকে জনগণ ফ্যাসিস্ট আস্তানা হিসাবে দেখছে । ফলে এইটা ভাঙ্গতে গেছে ।


৪) ৫ আগস্ট সরকার গঠনের পর এখন পর্যন্ত ফ্যাসিস্টদের বিচার শুরু হয় নাই । বড় বড় নেতাদের অনেকেই পালিয়ে গেছে।‌ দেশে যারা আছে তারাও গ্রেফতার হয় নাই । গ্রেফতার হওয়ার কোন ভরসাও সরকারের তরফ থেকে পাইতেছে না । ফলে মানুষের মধ্যে চরম হতাশা আছে । 


৫) এখন পর্যন্ত তরুণরা যে যে দাবি নিয়ে মাঠে হাজির হয়েছিলেন তার একটাও পুরণ হয় নাই । তারা চুপ্পুকে অপসারণ করতে চেয়েছিলেন। পারেন নাই । নতুন সংবিধান/গঠনতন্ত্রের কথা বলতে ছিলেন। সেটাও হচ্ছে না । তারা 'জুলাই ইশতেহার ঘোষণা' করতে চেয়েছে । সেটাও পারে নাই । ফলে যেন একটা অর্জনহীন সময় চলে যাচ্ছে । 


৬) দেশের কোথায় কোন সিন্ডিকেট ভাঙ্গতে পারে নাই সরকার । ফলে জনগণ ক্ষোব্ধ । আমলাতন্ত্র ঠিকঠাক কাজ করছে না । ফলে জনগণ ক্ষোব্ধ । পুলিশ কাজ করছে না । ফলে জণগণ ক্ষোব্ধ । আইন শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে। ফলে জণগণ ক্ষোব্ধ । এর প্রকাশ ৩২ নাম্বারে দেখছি ।


৭) দেশের অর্থনীতি এখনো গতি পায় নাই । ফলে জণগণ ক্ষোব্ধ । 


৮) জনগণের জন্য এখন পর্যন্ত কোন পরিষ্কার রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক দিশা নাই । ফলে তারা অস্থির দিশেহারা ।


এতো বড় গণঅভ্যুত্থানের পর এতো এতো ফেইলরে খুব স্বাভাবিক ভাবেই আগস্ট বিপ্লবীরা হতাশ । এই হতাশা নিয়ে জণগণ নিশ্চয় ঘরে চুপচাপ বসে থাকবে না । ফলে ফ্যাসিস্টদের বাড়াবাড়ির সুযোগে‌ তারা আবার বের হয়ে আসছে । এবং সেই ক্ষোভ মিটাইতে আজকে তারা ৩২ নাম্বার ভাঙ্গতে গেছে ।


আমি নিশ্চিত সরকার যদি ঠিকঠাক ফাংশন করত এবং ফ্যাসিস্টদের বিচার চলত, তাইলে মানুষ আজকে ৩২ নাম্বারে গিয়ে অনাহুত এই ক্ষোভ প্রকাশ করত না । 


তাদের প্রত্যাশা এবং হতাশাকে যদি আগামী দিনে আমরা যথাযথ পথে পরিচালিত করতে চাই, তাইলে দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নেন ।


সরকার কিভাবে আরো ফাংশনাল করা যায় সেই ব্যবস্থা করেন । ফ্যাসিস্টদের বিচার দ্রুত শুরু করেন । জুলাইয়ে আহতদের দিকে মনোযোগ দিন । সিন্ডিকেট ভাঙ্গার উদ্যোগ নেন । আমলাতন্ত্রকে টাইট দেন । দরকার হয় পুরো উপদেষ্টা পরিষদ নতুন করে সাজান ।


আন্দোলনে যুক্ত সকল পক্ষের বিপ্লবীদের সাথে নিয়মিত ডায়ালগ করেন । তাদের পরামর্শ শুনেন । সঠিক পরামর্শ বাস্তবায়নের চেষ্টা করেন । তাদের নতুন রাজনৈতিক দিশা দেন । নাইলে এই অভূতপূর্ব শক্তির অপচয় এবং অপব্যবহার হবে । হবেই । ঠেকাতে পারবেন না ।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ০৭-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ০৭-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সংশোধন অধ্যাদেশ-২০২৫ এর খসড়ায় উপদেষ্টা পরিষদের নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন।


ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতার ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ, ফ্যাসিবাদের চিহ্ন না রাখার ঘোষণা - স্বৈরাচারের বিচারের দাবিতে উত্তাল সারাদেশ।


পলাতক শেখ হাসিনার উস্কানিমূলক বক্তব্যের কারণে জনগণের গভীর ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ভাংচুর - অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি।


ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার কার্যকলাপের জন্য ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ - জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।


আগামী প্রজন্মের জন্য সুন্দর, বসবাসযোগ্য দেশ বিনির্মাণে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যবস্থা নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি বিএনপির আহ্বান।


বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এ বছর একুশে পদক পাচ্ছেন ১৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও জাতীয় নারী ফুটবল দল।


যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের ঘনিষ্ঠমিত্র ইসরাইলকে লক্ষ্য করে ভিত্তিহীন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এনে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।


মিরপুরে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ফাইনালে আজ ফরচুন বরিশালের মোকাবেলা করবে চিটাগং কিংস।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৬-০২-২০২৫ খ্রি:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৬-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সংশোধন অধ্যাদেশ-২০২৫ এর খসড়ায় উপদেষ্টা পরিষদের নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন।


ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতার ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ, ফ্যাসিবাদের চিহ্ন না রাখার ঘোষণা --- স্বৈরাচারের বিচারের দাবিতে উত্তাল সারাদেশ।


পলাতক শেখ হাসিনার উস্কানিমূলক বক্তব্যের কারণে জনগণের গভীর ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ভাংচুর --- অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি।


ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার কার্যকলাপের জন্য ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ --- জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।


আগামী প্রজন্মের জন্য সুন্দর, বসবাসযোগ্য দেশ বিনির্মাণে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যবস্থা নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি বিএনপির আহ্বান।


বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এ বছর একুশে পদক পাচ্ছেন ১৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও জাতীয় নারী ফুটবল দল।  


গাজাকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এর পুনর্গঠনের পরিকল্পনা পুনর্ব্যক্ত করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


এবং আগামীকাল মিরপুরে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ফাইনালে ফরচুন বরিশালের মোকাবেলা করবে চিটাগং কিংস।

বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ধরুন, অনেকগুলো রসুন ছিলে ফেলেছেন কিংবা সুপার মার্কেট থেকে ছেলা রসুন কিনে এনেছেন। এত রসুন আপনার প্রয়োজন নেই আর। 

 ♦️ ধরুন, অনেকগুলো রসুন ছিলে ফেলেছেন কিংবা সুপার মার্কেট থেকে ছেলা রসুন কিনে এনেছেন। এত রসুন আপনার প্রয়োজন নেই আর। 


✅ তাহলে কী করবেন?  


১) রসুন গুলোতে সামান্য লবণ মিশিয়ে পাটায় বেটে কিংবা ব্লেন্ডারে পানি ছাড়া ব্লেন্ড করে নিন। তারপরে ফ্রিজে ফ্রিজ করে রাখুন। আমি ফ্রিজিং করার সময় আইস ট্রে তে দিই। তারপর জমে গেলে বের করে একটা বক্সে ভরে রাখি। পরবর্তীতে রান্নার সময় খুব সুবিধা হয়।  সামান্য লবণ দিয়ে রাখলে রসুনের স্বাদ গন্ধ এবং রঙ তিনটাই ভালো থাকে।  


২) অতি অবশ্যই রসুনের আচার তৈরি করে নিতে পারেন।  ফ্রিজ ছাড়াই সংরক্ষণ করা যাবে।  


৩) রসুনগুলোকে পাতলা পাতলা করে কেটে ফ্রেশ তেলে বেরেস্তা ভাজার মত করে ভেজে রাখতে পারেন। তৈরি হয়ে গেল রসুনের বেরেস্তা। এটা নুডুলস বা চাওমিন রান্না তে,  ফ্রাইড রাইস রান্নাতে ব্যবহার করা যায়।  ডালে দেয়া যায়, শাকে দেয়া যায়। শুকনো মরিচ পেঁয়াজ আর সরিষার তেল মিশিয়ে ভর্তাও করা যায়।  


৪) চার নম্বর পদ্ধতিটা হচ্ছে গার্লিক অয়েল তৈরি করা। 


একটু বেশি পরিমাণে তেল নেবেন,  এমনভাবে যেন রসুনগুলো তেলের ভেতরে ডুবে থাকে। সরিষার তেল হলে ভালো হয় তবে অন্য যে কোন তেল নিতে পারেন। সানফ্লাওয়ার বা অলিভ অয়েল হলে খুব ভালো। তাতে রসুন গুলো দিয়ে চুলায় বসিয়ে দেবেন।  খুব খুব অল্প আঁচে, মিনিট বিশেকের জন্য। রসুনগুলো সেদ্ধ হয়ে হালকা ভাজা হয়ে যাবে।  হালকা সোনালী রং ধরলে জিনিসটা নামিয়ে ভালোভাবে ঠান্ডা করে বয়াম বা বক্সে ভরে রাখবেন।  তৈরি হয়ে গেল আপনার গার্লিক অয়েল।  এই তেলটা দিয়ে আপনি রান্না করতে পারবেন,  ভর্তা করতে পারবেন৷ ডিম পোচ করা থেকে শুরু করে মাছভাজি,  ভর্তা, নুডুলস রান্না সবকিছুর ভেতরেই দিতে পারবেন।  রসুন গুলি তেল থেকে তুলে পেঁয়াজ মরিচ দিয়ে ভর্তা করতে পারবেন,   মেয়োনিজের ভেতরে দিতে পারবেন,  নুডুলস পাস্তা বিভিন্ন ভর্তার ভেতরে দিতে পারবেন।  এমনকি ভালোভাবে ভর্তা করে মাছ রান্না বা মাংস রান্নাতেও দিতে পারবেন।  এবং এটা তিন থেকে ছয় মাস এভাবেই স্টোর করে রাখা যাবে।  ফ্রিজেও রাখা লাগবে না। 


আর হ্যাঁ,  

আরো একটা পদ্ধতি আছে আর সেটা হচ্ছে রসুনগুলো সিরকায় ভিজিয়ে রাখা।  তবে এই পদ্ধতিতে রসুন রাখলে আমার কাছে খেতে একটুও ভালো লাগেনা।  


টিপস গুলো ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।  তাহলে আমি প্রতিদিন এমন একটা করে টিপস ও রেসিপি দেওয়ার চেষ্টা করব।  🥰


অনলাইন সংগৃহীত তথ্য 

#follower #highlights #everyone #foryou #advice #উপদেশ #tips

মিথ্যা_অপবাদ। পর্ব' (১)

 'ভাবির বোন অনুকে দুইমাস ধরে প্রাইভেট পরাচ্ছি।

আজ হঠাৎ অনু বলে উঠে।

হাসিব আমি তোমাকে ভালোবাসি বিয়ে করতে চাই।


'ছিইইই...ছিইই অনু এসব কী বলতেছো।

আমি তোমার প্রাইভেটের স‍্যার।


'স‍্যার হয়েছেন তাতে কী?

আমরা কি একে অপরকে ভালোবাসতে পারিনা।


'এটা কখনোই সম্ভব না।


{কথাটি বলা মাত্রই অনু দৌরে গিয়ে দরজাটি লাগিয়ে দিয়ে 

আমার কাছে এসে বলে}


'প্লিজ হাসিব আমাকে একটু ভালোবাসা দাও।

তোমার ভালোবাসা পাওয়ার জন‍্যে এই মন ব‍্যকুল হয়ে আছে।


'বললাম না সম্ভব না।


'দেখো তুমি চাইলে এই মুহূর্তে আমার শরীর ভোগ করতে পারো।

তবুও একটু ভালোবাসা দাও।


{অনুর এরূপ কথায় বেশ রাগান্বিত হয়ে কশে একটি থাপ্পড় দিলাম}


'ঠাসসসসস!ঠাআআআসসসস!

তোমার লজ্জা করেনা তুমি তোমার স‍্যারকে কী বলতেছো।

তোমাকে তো আমি ভদ্র একটি মেয়ে মনে করছিলাম।


'আপনার এতবর সাহস আপনি আমাকে থাপ্পড় মারলেন।

ওয়েট আপনাকে মজা দেখাচ্ছি আমি।


{কথাটি বলেই অনু নিজের শরীরের পোশাক গুলা ছিরতে থাকে এবং 

আমাকে বাচাঁও বাচাঁও বলে চিৎকার করতে থাকে?

ওর এমন চিৎকারের শব্দ সুনে মুহূর্তেই দরজার পাশে লোকজন 

ভর্তি হয়ে যায়}


'দরজার ওপাশ থেকে সবাই বলতেছে অনু কি হয়েছে দরজা খোল।

তখন অনু কান্না সুরে চিৎকার করে বলে।


'বাবা মা আমাকে বাচাঁও হাসিব ভাইয়া আমাকে জোর করে 

ধ*র্ষ*ণ করার চেষ্টা করেছে।


'কথাটি শোনা মাত্রই সবাই মিলে দরজাটি ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে।

ভিতরে প্রবেশ করা মাত্রই সবাই আমাকে গনহারে মারতে থাকে।

কেউ সত্যিটা জানার চেষ্টা করেনা।

এতো করে সবাইকে বলতেছিলাম আপনাদের মেয়েকে আমি স্পর্শ করিনাই ও নিজে থেকেই এসব নাটক করেছে।

কেউ আমার কথা বিশ্বাস করেনি।


'প্রায় ২ঘন্টা গনপিটানি দিয়ে।

অনুর বাবা! আমার বাবা মাকে ফোন দেয়।


'যা শোনা মাত্রই আমার অসুস্থ মা হার্ড এটার্ক করে মারা যায়।

ঠিক সেই মুহূর্তে অনু বলে উঠে?...


মিথ্যা_অপবাদ।

পর্ব' (১)


'সবার সারা পেলে পরবর্তী পর্ব আসবে ইনশাআল্লাহ।

এক বছর সংরক্ষণ সহ হট টমেটো সস তৈরির সহজ রেসিপি 

 🌹এক বছর সংরক্ষণ সহ হট টমেটো সস তৈরির সহজ রেসিপি 

🍂উপকরণ এবং প্রস্তুত প্রণালী 

প্রথমে পাকা লাল টমেটো লাগবে দেড় কেজি পরিমাণ। তারপর টমেটো গুলো চার ভাগ করে ধুয়ে নিতে হবে।

এবার চুলা একটি প্যান বসিয়ে টমেটো গুলো দিয়ে দিতে হবে সাথে দিতে হবে দুই টুকরা আদা, দুই টুকরা রসুনের কুয়া, একটা পেঁয়াজ কাটা, তিন পিস লবঙ্গ, দুই পিছ দারচিনি, ছয়  পিস ঝাল শুকনো মরিচ এবং হাফ কাপ পানি দিয়ে মাঝারি আচেঁ সিদ্ধ করে নিতে হবে। কিছুক্ষণ পর দেখা যাবে টমেটো থেকে অনেকটা পানি উঠেছে। যখন টমেটো গুলো পুরোপুরি সিদ্ধ হয়ে যাবে ওই পর্যায়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে। 


এখন টমেটো ঠান্ডা হয়ে গেলে একটা ব্লেন্ডারে ব্লান্ড করে নিতে হবে। তারপর ব্লেন্ড করার পর একটা স্ট্রেনারে ছেকে নিতে হবে। ফ্রেশ টমেটোর পিউরি রেডি। 


এবার একটি বাটিতে ২ চা চামচ কর্নফ্লাওয়ার এবং ২ টেবিল চামচ ভিনেগার দিয়ে গুলিয়ে নিতে হবে। 

তারপর চুলায় আবারো একটি প্যান বসিয়ে টমেটোর পিউরি দিয়ে দিতে হবে আর সাথে দিতে হবে এক কাপ চিনি  ভিনেগার কর্নফ্লাওয়ার এর মিশ্রণ এবং সামান্য লবন দিয়ে সবকিছু মিশিয়ে নিতে হবে। এবার অনবরত নেড়েচেড়ে ঘন করে নিতে হবে। এ পর্যায়ে কিছুটা তেতুলের কাধ দিয়ে দিতে হবে। তারপর আবারও কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে যখন ঘন হয়ে আসবে তখন চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে এবং পুরোপুরি ঠান্ডা হয়ে গেলে বোতলে ভরে নিতে হবে। এই টমেটো সস এক বছর সংরক্ষণ করা যাবে। 


#টমেটোসস #tometo #easyrecipes #cooking #foryoupageviralシ゚ #tayebadoel

Married life এর অপ্রিয় সত্যি কথা!! ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে এই কথাগুলো সত্যি।

 Married life এর অপ্রিয় সত্যি কথা!!


৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে এই কথাগুলো সত্যি।


এক🎇. বিবাহিত জীবন কখনও খুব মধুর। আবার কখনও হতাশার। কখনও মনে হবে আহ্ কি চমৎকার একটা জীবন পেয়েছি, কখনও মনে হবে ঘানি টানতে জীবন শেষ!! এই দুই ধরনের অনুভূতি ঘুরে ফিরে আসে। ভাববেন না যে বিয়ে করে ভুল করেছেন; দাম্পত্য সম্পর্ক উপভোগ করুন। কষ্টের সময়টা ঠান্ডা মাথায় হ্যান্ডেল করুন।


দুই🎇. আপনি যদি পার্টনারকে প্যারা দেন, সেও আপনাকে প্যারা দিবে। বেশী প্যারায় মনে হবে আপনি ভুল মানুষকে বিয়ে করেছেন। আপনি যে তাকে প্যারা দিচ্ছেন সেটা ভুলে গিয়ে পার্টনারের প্যারা নিয়ে অস্থির হয়ে যাবেন। কখনও ভুল করে ভাবতে পারেন মানুষটা হয়ত gaslighting করছে। তাই ভুলতে ও ক্ষমা করতে শিখুন। সামনে এগিয়ে যান। জীবনে সুখের কিন্তু শেষ নেই!!


তিন🎇. আমরা মনে করি দাম্পত্য জীবনে ভালবাসা হতে হবে সমান সমান। ঠিক আছে। কিন্তু এটা 50/50 না। এটা হবে 100/100। দুই পক্ষ থেকে শতভাগ না হলে কেউই জিতবে না। আপনি যদি একাই 100 দিয়ে বসে থাকেন, আপনি হেরে যাবেন। ভালবাসার অর্ধেক বলে কিছু নেই; পুরাটাই নয়ত কিছুই না। দাম্পত্য জীবনে এই ভালবাসাটাই সমান সমান হয় না। অসমান ভালবাসায় আমরা ঘর বাঁধি, হেরে গিয়ে সাথে থাকি।


চার🎇. ঝগড়ার পরে অন্তরঙ্গতাকে (intimacy) না বলার ঘটনাই বেশী ঘটে। কখনও কখনও ঝগড়ার পরে আরেকটা ঝগড়ার আয়োজন চলে। এভাবে দূরত্ব বাড়ে, অভিমানের জায়গা হয় প্রশ্বস্ত। কোন ভাবে ঝগড়া মিটিয়ে অন্তরঙ্গ হোন। দেখবেন ভালবাসার আরেক অধ্যায় শুরু হয়েছে। আপনি হয়ত নতুন করে আপনার পার্টনারের প্রেমে পড়বেন।


পাঁচ🎇. বিয়ে করার সময় ভাবতেও পারবেন না যে, এই প্রিয় মানুষটির সাথে আপনার ঝগড়া হবে, মন কষাকষি হবে, বাঁধবে স্বার্থের সংঘাত। কিন্তু এটা ঘটবে। সুতরাং ঝগড়ার সময় fair ও logical থাকুন, যেন ঝগড়া মিটিয়ে আবার সম্পর্ক ঠিক করে নিতে পারেন।


ছয়🎇. দুজন এক সাথে দীর্ঘদিন কাটানো বেশ আনন্দ দায়ক। কিন্তু এক সাথে থাকতে থাকতে কখনও কখনও সংসারটা জেলখানার মত মনে হয়। কিছু সময়ের জন্য একা থাকুন, কোথাও ঘুরে আসুন। পরিবারের বাইরে বন্ধুদের সাথে কিছু সময় কাটান। আবার ফিরে আসুন পরিবারের প্রিয় মানুষটার কাছে। দেখবেন সংসারটা আর জেলখানা মনে হচ্ছে না।


সাত🎇. মাঝে মাঝে দেখবেন আপনার মনে হবে, আহা কত ভালবাসি মানুষটাকে!! আবার কখনও মনে হবে দূর, একদম ভাল্লাগে না ওকে। এটাই স্বাভাবিক। সুতরাং কিভাবে ভালবেসে সাথে থেকে যেতে হয় তা শিখুন। সংসারে অনেক প্যারা থাকে, কিছু মেনে নিতেও হয়।


আট🎇. আপনার পার্টনার যতই আপনাকে ভালবাসুক, যতই টেক কেয়ার করুক বা হোক সুন্দরী/হ্যান্ডসাম, অন্য কাউকে আপনার ভাল লাগবে। নতুন কাউকে দেখে ভাল লাগার বিষয়টা এড়িয়ে চলাও কঠিন। দিবা স্বপ্ন দেখেন, ঠিক আছে। কিন্তু নতুন মানুষটার পিছে ছুটবেন না। আপনার পার্টনারের গুরুত্ব বুঝতে চেষ্টা করুন।


নয়🎇. শারীরিক সম্পর্ক আপনার পার্টনারের সাথেই সবচেয়ে বেশী উপভোগ্য হয়। কিন্তু প্রত্যেকবার একই রকম সুখের অনুভূতি হবে না। সময় ও বয়সের সাথে সাথে অনুভূতিতে ভাটাও পড়তে পারে। নতুন কারো সাথে শারীরিক সম্পর্ক উপভোগ্য করে তোলার ভুল চিন্তা থেকে বের হোন। বরং পার্টনারের সাথে সম্পর্ক আনন্দময় করে রাখতে ক্রিয়েটিভ হয়ে নতুন কিছু যোগ করুন।


সবার জন্য শুভ কামনা। জীবনের বাঁকে বাঁকে চ্যালেঞ্জ। সংসার যখন করছেন এই চ্যালেঞ্জ গুলোকেও এক্সসেপ্ট করতে হবে। তবেই দাম্পত্য জীবন সুখের ও শান্তির হবে।


সুন্দর ও সুখী পারিবারিক জীবন আমাদের সবার প্রাপ্য। এটা নিজেকেই তৈরী করে নিতে হয়।


শুভ কামনা।

জীবন সুন্দর যদি মানুষ টা সঠিক হয়।

#BMW #fypシ゚ 

ফলো: Jewel Hossen Rotno 👍🔥

সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ

 সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ


-


১)জন্মের পরই কানে আজান দেয়া।⛔

 

সন্তান দুনিয়াতে আসার পর গোসল দিয়ে পরিষ্কার করে তার ডান কানে আজান দেয়া, তা ছেলে হোক বা মেয়ে হোক। এটি পিতামাতার উপর এজন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। হযরত আবু রাফে রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে হাসান ইবনে আলীর কানে আজান দিতে দেখেছি। 

©(সুনান আবু দাউদ ৫১০৫)


২)সুন্দর নাম রাখা⛔

 

জন্মের পর সন্তানের জন্য সুন্দর নাম নির্বাচন করা পিতামাতার অন্যতম দায়িত্ব ও কর্তব্য। নাম অর্থবহ হওয়া নামের সৌন্দর্য। কেননা রসুল সা. অনেক অসুন্দর নাম পরিবর্তন করে দিয়েছিলেন। 

®(আবু দাউদ ৪৯৫২-৪৯৬১)

 

৩)জন্মের পর আক্বিকা করা⛔

 

সন্তানের আকিকা করা ইসলামি সংস্কৃতির অন্যতম বিষয়। ছেলের পক্ষ থেকে ২টি ছাগল এবং মেয়ের পক্ষ থেকে ১টি ছাগল আল্লাহর নামে জবেহ করা। হাদিসে এসেছে, রসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, সকল নবজাতক তার আক্বিকার সাথে আবদ্ধ। জন্মের সপ্তম দিন তার পক্ষ থেকে জবেহ করা হবে। ঐ দিন তার নাম রাখা হবে। আর তার মাথার চুল কামানো হবে।

© (সুনান আবু দাউদ ২৮৩৮)


৪)চুল মুণ্ডিয়ে তার সমপরিমাণে রৌপ্য সদকা করা⛔


সদকাহ করা, ছেলে হোক বা মেয়ে হোক সপ্তম দিবসে চুল কাটা। চুল পরিমাণ রৌপ্য সদকাহ করা সুন্নাত। হযরত আলী রা. রসুল সা. হাসান রা. এর পক্ষ থেকে ১টি বকরি আকিকা দিয়েছেন, বলেছেন, হে ফাতেমা! তার মাথা মুণ্ডন কর। চুল পরিমাণ রৌপ্য সদকাহ কর। (সুনান আত-তিরমিজি ১৫১৯) এছাড়া রসুলুল্লাহ সা. শিশুদেরকে খেজুর দিয়ে তাহনিক ও বরকতের জন্য দোয়া করতেন। (বুখারি ৩৯০৯, মুসলিম ২১৪৬)

 

৫)সুন্নাতে খৎনা করা⛔


ছেলেদের খাতনা করানো একটি অন্যতম সুন্নাত। হযরত জাবির রা. রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসান ও হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুমার সপ্তম দিবসে আকিকা আর খাতনা করিয়েছেন। (আল-মুজামুল আওসাত ৬৭০৮)


৬)ইসলামের বুনিয়াদি বিষয়ে পাঠদান করা⛔


কুরআন শিক্ষা দেয়া। ছোট বেলা থেকেই সন্তানকে কুরআন শিক্ষা দিতে হবে। কেননা কুরআন শিক্ষা করা ফরয। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন তোমরা তোমাদের সন্তানদের তিনটি বিষয় শিক্ষা দাও। তন্মধ্যে রয়েছে তাদেরকে কুরআন তিলাওয়াত শিক্ষা ও কুরআনের জ্ঞান দাও। (জামিউল কাবির)

 

নামাজ শেখানো। হযরত আমর ইবনে শূয়াইব রা. তার বাবা তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা তোমাদের সন্তানদের নামাজের নির্দেশ দাও সাত বছর বয়সে। আর দশ বছর বয়সে সলাতের জন্য মৃদু প্রহার কর এবং শোয়ার স্থানে ভিন্নতা আনো। (সুনান আবু দাউদ ৪৯৫)


৭)সন্তানকে সক্ষম করে তোলা⛔

 

সন্তানদেরকে এমনভাবে সক্ষম করে গড়ে তোলা, তারা যেন উপার্জন করার মত যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। হযরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে এভাবে বলেছেন তোমাদের সন্তান সন্ততিদেরকে সক্ষম ও স্বাবলম্বী রেখে যাওয়া, তাদেরকে অভাবী ও মানুষের কাছে হাত পাতা অবস্থায় রেখে যাওয়ার চেয়ে উত্তম। (বুখারি১২৯৫)

 

৮)উত্তমভাবে বিয়ে দেয়া⛔


সুন্নাহ পদ্ধতিতে বিবাহ দেয়া ও বিবাহর যাবতীয় কাজ সম্পাদন করা। উপযুক্ত সময়ে বিবাহের ব্যবস্থা করা। হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে এভাবে বর্ণনা করা হয়েছে যে  নিশ্চয়ই পিতার উপর সন্তানের হকের মধ্যে রয়েছে, সন্তান প্রাপ্তবয়স্ক হলে তাকে বিবাহ দেবে। (জামিউল কাবির)

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১৪-০৫-২০২৬

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১৪-০৫-২০২৬ আজকের সংবাদ শিরোনাম আগামী বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জানুয়ারিতে, এইচএসসি জুনে --- জানালেন শিক...