এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

শবে-বরায়াতের ফজিলত সম্বন্ধে পবিত্র হাদীস শরীফ বর্ণনাকারী ১০ জন উচ্চ মর্যাদাশীল সাহাবা হচ্ছেন, ছারছিনা দরবারের ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 শবে-বরায়াতের ফজিলত সম্বন্ধে পবিত্র হাদীস শরীফ বর্ণনাকারী ১০ জন উচ্চ মর্যাদাশীল সাহাবা হচ্ছেন,


১/ হযরত আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।

২/ হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।

৩/ হযরত আম্মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা।

৪/ হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।

৫/ হযরত আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।

৬/ হযরত আবু ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।

৭/ হযরত আবু মুসা আশআরী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।

৮/ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।

৯/ হজরত আবু সা'লাবা খুশানী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।

১০/ হযরত উসমান ইবনে আবুল আস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।

এছাড়াও ইমাম সূয়ুতি রহমাতুল্লাহ আলাইহি #দুররে_মানসুর নামক কিতাবে প্রায় ২০ টির মত হাদিস বর্ণনা করেছেন!

এবার আমরা হজরত আবুবকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু হতে বর্ণিত একটি হাদিস দেখে নেই।

عن ابي بكر ن الصديق رضي الله تعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قوموا ليلة النصف من شعبان فانها ليلة مباركة فان الله ينادي فيها هل من مستغفر فاغفره

অর্থাৎ হযরত আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু হতে বর্ণিত, হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, "তোমরা শা'বান মাসের ১৫ ই তারিখের রাতে জাগ্রত থেকে ইবাদতে মগ্ন হও। যেহেতু ওই রাতটি বরকতময় ও ফজিলতপূর্ণ। ওই রাতে আল্লাহ তাআলা ডেকে বলেন: তোমাদের মধ্যে কেউ ক্ষমা প্রার্থী আছে কি? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব। (সুবহানাল্লাহ)

উপরোক্ত হাদিসটি বাংলাদেশের দেওবন্দী আলেমদের মাথার তাজ, হযরত মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহ:) তিনি তার কিতাবে উল্লেখ করেছেন।

(চলতে থাকবে ইনশাআল্লাহ)

অহকার মোহাম্মদ শামসুল হুদা ফাতহি 

৯ ই শা'বান

০৮/০২/২০২৫


এটা কোনো এডিট করা কিংবা ফটোশপড ছবি না। 

 এটা কোনো এডিট করা কিংবা ফটোশপড ছবি না।


ছবিটিতে প্রথম পলকেই যা দেখছেন- তাও সত্যিনা। ছবিটা একটা বিভ্রম। কোনো পাথর এখানে শুণ্যে ভাসছেনা। বরং পাথরের কিছু অংশ পানিতে ডুবে আছে। 

এটাই সত্য যে - আমরা চোখে যা দেখি, তা যেমন সবসময়ই সত্য নয় ।  ঠিক তেমনি আমার হাত দিয়ে যা স্পর্শ করি, সেটাও অনেক সময় বিভ্রম।


আমরা মাথার উপর আকাশ দেখি বলেই  আকাশকে উপরের দিকে এবং পৃথিবীকে নিচে বলে মনে করি।  অথচ সত্যি হলো -  বাস্তবে কোন উপর  বা নিচ নেই। আকাশ পৃথিবীকে চারদিকে ঘিরে রেখেছে। আমরা যাকে  অ্যান্টার্কটিকের হিমশীতলতা বলে মনে করি।  তা আসলে মহাকাশের গভীর শীতলতার তুলনায় উত্তপ্ত এক অগ্নিসাগর।


আমরা আমাদের চোখে সূর্যকে প্রতিদিন পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে দেখি।  অথচ বাস্তব সত্য  সম্পূর্ণ এর বিপরীত।  পৃথিবীই সূর্যের চারপাশে ঘোরে। ঠিক তেমনি- আমরা আকাশে চাঁদকে বৃহত্তম গ্রহ( উপগ্রহ)  হিসেবে দেখি।  অথচ এটি আসলে সবচেয়ে ছোট গ্রহ।


আমরা লোহাকে স্পর্শ করলে অনুভব করি এটি একটি   ইনটেগ্রেটেড সলিড পদার্থ।  অথচ বাস্তবে এটি এক ধরনের ক্ষুদ্র কণার সমষ্টি ছাড়া আর কিছুই নয়। এই কণাগুলো শুধুমাত্র একটা  শূন্যস্থানকে পূর্ণ করে রাখে। আর  প্রতিটি কণার মধ্যে তফাত প্রায় ততটুকু, যতটুকু আকাশের নক্ষত্রের মধ্যে।  বিজ্ঞানীরা   তাই মনে করেন। 


আমরা যা কঠিন এবং একত্রিত মনে করি, তা আসলে কণার মধ্যে বৈদ্যুতিক চুম্বকীয় আকর্ষণ শক্তির ফল। আমরা আসলে লোহার পরিবর্তে এক কণা সমূহের পারষ্পরিক আকর্ষণ শক্তিটাকেই আঙুল দিয়ে অনুভব করি।

রঙের জগৎটা আরো বেশি ইল্যুশন।  গোটা দুনিয়ার রঙের ভুবন- আলোর রিফ্লেকশান।  আলোও নাই, রঙ ও নাই। অন্ধ চোখে তাই কোনো রঙ নাই।  যে চুম্বনকে আমরা ভালোবাসার প্রতীক বলে ভাবি- তা  শারীরিক হরমোনের খেলা।


ইতিহাসতো আরো বেশি জটিল এবং বিভ্রম। ঐতিহাসিক সত্য হলো-  ইতিহাসবিদরা প্রতিটি যুগে যারা ক্ষমতার পাদপ্রদীপের আলোয় থাকেন-  তাদের কলমে সেই শক্তিশালী মানুষদের কথাই লিখেন। সেজন্য আফ্রিকান প্রবাদে বলা হয়- "যতদিন পর্যন্ত  হরিণ লিখতে জানবেনা, ততদিন পর্যন্ত ইতিহাসে শিকারীকেই গৌরবান্বিত করা হবে"।


বৃটিশ বই পুস্তকে লর্ড ক্লাইভ তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হিরো। উমাইয়া যুগে ইয়াজিদের চেয়ে বড় বীর আর নেই। শত দেশকে কলোনি বানিয়ে সম্পদ লুঠে রাণী হলেন মহারাণী ভিক্টোরিয়া। 


আদিবাসী আমেরিকানরা  কলম্বাসকে জলে ভাসা অবস্থায় আবিষ্কার করলো।  সেই কলম্বাসই তাদের মারলো, লুঠ করলো, দাস বানালো এবং আমেরিকা আবিষ্কারক হিসাবে ইতিহাসে নাম লেখালো। ইতিহাস কি অদ্ভূত!! ইতিহাস কি বিভ্রম!!!


সংবাদপত্র যাকে বীরপুরুষ বলে ধারণা দেয়া হয়- হতে পারে সে একজন কাপুরুষ। কোনো প্রেমিক হতে পারে বড় প্রতারক। যে সবচেয়ে দানবীর সেই হতে পারে আত্মীয় স্বজনের সম্পদ লুণ্ঠনকারী। এই লেখার শেষ পর্যায়ে এসে জানলাম- স্নেহময়ী সন্তানই মা হন্তাকারী। হয়তোবা হতে পারে , নেপথ্যে অন্য কেউ। দৃশ্যমান ঘটনার অন্তরালে লুকিয়ে থাকতে পারে অন্য কারো দুরভিসন্ধি। আর যে কোনো  খ্যাতি, মোহ , প্রতিপত্তির অন্তরালে রয়ে যায় - সেই হয়তোবা হতে পারে কোনো অভাগা, কোনো এতিম, কোনো দুঃস্থ, কোনো পীড়িতের  আশা-ভরসার বাতিঘর। 


তাই সত্য বড় কঠিন। সঠিক সত্য জানা আরো বেশি কঠিন। সেজন্য যে কোনো কিছু   বাহ্যিকভাবে বিচার করে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো তাই বড়ই  শিশুসুলভ আচরণ। ব্রেণের অনুরণনে যেটা আছে সেটা অনেকেই মুখের ভাষায় প্রকাশ করেনা। কারণ- মুখের ভাষা আর চিন্তার ভাষা একনা। কোনো অব্যক্ত হৃদয়ে লুকিয়ে থাকা  মর্মস্পর্শী অনুভূতি অনুধাবনের চেয়ে   মহাকাশের  কোনো গভীরে  একটি তারকায় পৌঁছানোও অনেক সহজ।


কে বলতে পারে-  আমি সব সত্যটা বুঝে ফেলেছি?

কে সাহস করে দাবি করতে পারে-  আমি নিজেকে জানি?

এটাই একমাত্র সত্য যে-  আমরা সবকিছুই জানি না।  এমনকি আমাদের কানে যা শুনে এবং চোখে যা দেখে  তাও না।


আমাদের অজ্ঞতার কারণেই-   প্রত্যেক দল তার নিজস্ব মতামত নিয়ে গর্বিত হয়।  এবং মনে করে তার মতামতই  সঠিক। সেই একমাত্র সত্য। আমরা কবে জানব যে-  যা  আমরা জানি, তা আসলে  কিছুই জানি না।


যদি আমরা আমাদের অজ্ঞতা উপলব্ধি করতে পারতাম এবং আমাদের সীমাবদ্ধতা মেনে নিতাম। তবে আমাদের হৃদয়ে দয়া এবং ভালোবাসার দরজা খুলে যেতো। এবং পৃথিবীতে প্রতিটি  মানুষ  তখন সহমর্মিতার সিম্ফনিতে, ভালোবাসার অনুরণনে, সৌহার্দ্যের বন্ধনে এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে পারতো।


সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ০৮-০২-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ০৮-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শেখ হাসিনা ও ফ্যাসিবাদী দলের নেতাদের সম্পত্তিতে হামলা না করতে প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান - উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো চেষ্টা কঠোর হাতে দমনের নির্দেশ।


রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকসহ বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেও জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।


আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে শিগগিরই পদক্ষেপ নেবে সরকার – যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা।


চলতি মাসের মধ্যে প্রস্তুত হবে জুলাই গণহত্যা মামলার একাধিক তদন্ত প্রতিবেদন– গণমাধ্যমকে জানালেন আইসিটির চিফ প্রসিকিউটর।


১৮৩ জন ফিলিস্তিনি বন্দির বিনিময়ে আজ আরও ৩ জন ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্তি দিচ্ছে হামাস।


চিটাগং কিংসকে ৩ উইকেটে পরাজিত করে টানা দ্বিতীয়বার বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের শিরোপা জিতলো ফরচুন বরিশাল।

মৃ'তেরা কিভাবে বুঝতে পারে যে তারা মা'রা গেছে? 

 #*** মৃ'তেরা কিভাবে বুঝতে পারে যে তারা মা'রা গেছে? 

 "ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!!!"

         মৃ'ত ব্যক্তি বুঝতে পারে না যে সে শুরুতেই মা'রা গেছে। মৃ'ত্যু পরবর্তী ----আত্মীয় স্বজনের কান্নাকাটি, গোসল, কাফনের কাপড় পরানো    এমন কি তাকে কব'রস্থ করা পর্যন্ত  নিজেকে সে মনে করে মৃ'ত্যুর স্বপ্ন দেখছে। তার মনে সবসময় স্বপ্ন দেখার ছাপ থাকে। তখন সে চিৎ'কার করে কিন্তু কেউ তার চিৎ'কার শুনতে পায় না।

 পরবর্তীতে, যখন সবাই ছত্র'ভ'ঙ্গ হয়ে যায় এবং মাটির নিচে একা থাকে, আল্লাহ তার আ'ত্মা'কে পুনরুদ্ধার করেন। সে তার চোখ খোলে এবং তার "খারাপ স্বপ্ন" থেকে জেগে ওঠে। প্রথমে তিনি খুশি এবং কৃতজ্ঞ যে তিনি যা দেখেছিলেন তা কেবল একটি দুঃস্বপ্ন ছিল এবং এখন সে তার ঘুম থেকে জেগে উঠেছে। তারপর সে তার শরীরকে স্পর্শ করতে শুরু করে, যা সবেমাত্র একটি কাপড়ে মোড়ানো হয়েছে, অবাক হয়ে প্রশ্ন করে;

"আমার জামা কোথায়, আমার অন্তর্বাস কোথায়?"

তারপর তিনি বলতে থাকেন: " আমি কোথায়, এই জায়গাটি কোথায়, কেনো সর্বত্র ময়লা-কাদার গন্ধ, আমি এখানে কী করছি?    তারপর সে বুঝতে শুরু করে যে সে আন্ডারগ্রাউন্ড, এবং সে যা অনুভব করছে তা স্ব'প্ন নয়! হ্যাঁ, তিনি সত্যিই মা'রা গেছেন।

তিনি যতটা সম্ভব জোরে চিৎকার করেন, ডাকেন: তার আত্মীয়রা যারা তাকে বাঁচাতে পারে:

"রাজ্জাক..!!!"

"আব্দুল্লাহ..!!!"

"খাদিজা....!!!!"

"আয়েশা....!!!!"

কেউ তার উত্তর দেয় না। তখন তার মনে পড়ে যে এই মুহূর্তে আল্লাহই একমাত্র ভরসা। তখন তিনি কাঁদেন এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকেন-------

"ইয়া আল্লাহ! ইয়া আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা কর ইয়া আল্লাহ...!!!

 সে এমন এক অবিশ্বাস্য ভয়ে চিৎকার করে যা সে তার জীবদ্দশায় আগে কখনো অনুভব করেনি।

যদি সে একজন নেক মানুষ হয়,তবে হাস্যোজ্জ্বল মুখের দুইজন ফেরেশতা তাকে সান্ত্বনা দিতে বসবে, তারপর তার সর্বোত্তম সেবা করবে।

 যদি সে খারাপ লোক হয় তবে দুইজন ফেরেশতা তার ভয় বাড়িয়ে দেবে এবং তার কুৎসিত কাজ অনুযায়ী তাকে নির্যাতন শুরু করবে।

হে আল্লাহ, আমাদের গুনাহ ক্ষমা করুন, নেক কাজের তৌফিক এবং ঈমান নিয়ে পরকালে পাড়ি দেওয়া  নসিব দান করুন। আমিন।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৭-০২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৭-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শেখ হাসিনা ও ফ্যাসিবাদী দলের নেতাদের সম্পত্তিতে হামলা না করতে প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান - উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো চেষ্টা কঠোর হাতে দমনের  নির্দেশ।


রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকসহ বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেও জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।


আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে শিগগিরই পদক্ষেপ নেবে সরকার – জানানেল যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা।


চলতি মাসের মধ্যে প্রস্তুত হবে জুলাই গণহত্যা মামলার একাধিক তদন্ত প্রতিবেদন– গণমাধ্যমকে জানালেন আইসিটির চিফ প্রসিকিউটর।


যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও মিত্রদের বিরুদ্ধে তদন্তের প্রেক্ষিতে আইসিসি কর্মকর্তাদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বিচারিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের।


এবং ঢাকায় বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের শিরোপা লড়াইয়ে এখন চিটাগং কিংসের মুখোমুখি ফরচুন বরিশাল ।

শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

 সত্য_ঘটনা,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 # সত্য_ঘটনা 


ঘটনাটি যে স্বামী-স্ত্রীর সাথে ঘটে। গোপনীয়তার স্বার্থে কিছু তথ্য পরিবর্তন করা হলো।


সদ্য বিবাহ করে তারা নতুন বাসায় উঠেন, দুজনেই খুব খুশি কারন দুজনেই তাদের মনের মানুষ কে পেয়েছেন, প্রেমের বিয়ে ছিল, সবুজ আর মিতু তাদের সম্পর্ককে বিয়ে তে রুপ দেন কিন্তু এটা এতটা সহজ ছিল না, কারন মিতুর পরিবার সবুজ কে পছন্দ করতো না। তাই তারা পরিবারের সঙ্গ ত্যাগ করে নিজেরা একাই বিয়ে করে ঢাকায় একটা ছোট্ট বাসায় তাদের নতুন জীবন শুরু করেন। 


মিতু তার পড়াশুনা চালিয়ে যায়, কিন্তু গ্রামের থেকে চলে আসায় তার ভার্সিটি ট্রান্সফারে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়, ফাইনাল সেমিস্টার না হলে মিতু পড়াশোনা ছেড়েই দিতো, এদিকে সবুজ চাকুরি খুজে, এবং একটা কাপড়ের দোকানে সে আপাতত কাজ করতে থাকে, একদিনের ঘটনা , 


মিতু সকল কাজ শেষ করে সবুজের জন্য অপেক্ষা করছিল। রাত তখন ১২-১টার কাছাকাছি, মিতু সিড়ি দিয়ে কারো উঠার শব্দ পেয়ে দৌড়ে দরজার সামনে যায়, এবং উকি দিয়ে দেখে দরজার ওপারে কেউ নেই, মিতু ফিরে আসার সময় কারো হাটার শব্দ অনুভব করলো, এবার মিতু আবার লুকিং গ্লাস দিয়ে দেখে , কাউকে না পেয়ে মিতু একটু ভয় পেয়ে সবুজ কে কল করে, সবুজ বলে সে রাস্তায় আসতেছে, মিতু এবার তার রুমে গিয়ে বসে, একটু পর সবুজ আসে, মিতু সারাটাদিন বাসায় একা থাকে ,গল্প করার মত কেউ নেই, পড়াশোনা কতক্ষন করা যায়, আর যেহেতু সবুজ সেলসম্যানে আছে, তো কথা বলাও এতটা সহজ না,

মিতু সবুজ কে বললো আমার এই বাসায় একা থাকতে ভয় করে, আমিও কি একটা চাকুরি খুজবো? 


সবুজ এক কথায় না করে, সবুজ বলে তোমার ফাইনাল সেমিস্টার চলছে, এটা শেষ করো ভাল মতো , তারপর দেখা যাবে, আর আমি দেখি একটা বুয়া পাই কিনা, আপাতত কয়েকটা দিন কষ্ট করো, সবুজ বুয়ার কথা বলেছেতো সহজেই, কিন্তু আপাতত খরচের চাপ টা সবুজের একটু বেশিই।


সারাদিনের পরিশ্রম শেষে সবুজ মিতু একসাথে ঘুমাতে যায়, মিতু টুকটাক বুঝতে পারে যে সবুজের খরচ উঠাতে একটু কষ্ট হচ্ছে, এরপর মিতু বিনয়ের সাথে বলে, একটা কথা বলতাম, যদি বকা না দাও তো, সবুজ বলে তাহলে থাক বইলো না।


মিতু চট করে বলে ফেললো একলাইনে। “পড়াশোনার বাইরে আমার সময় কা*টে না তুমি থাকো সারাক্ষন কাজে, আমাকে একটা সেলাই মেশিন কিনে দাও আমি সেলাই এর কাজ শিখেছি, আমি সেলাই করতে চাই আমার সময় কাটবে।” এই বলে মিতু চুপ হয়ে গেল, আর সবুজ হা হয়ে তাকিয়ে রইল। সবুজ একটু গম্ভীর গলায় বলে ঘুমাও।


পরদিন সবুজ চাকুরি তে চলে যায় আর সাথে মিতু কে নিয়ে তার ভার্সিটিতে নামিয়ে দেয়, ভার্সিটিতে সবাই তার অপরিচিত। 


এরপর মিতু ক্লাস শেষ করে বাসায় ফিরে, ফেরার পথে মিতু কিছু সবজি ফুটপাত থেকে কিনে নেয়। বাসায় ডুকার পর মিতু অনেকটা ক্লান্ত হয়ে পরে, সে বিছানায় গিয়ে একটু বিশ্রাম নিয়ে তারপর কাজ শুরু করবে এই ভাবতে ভাবতে কখন যে তার চোখ লেগে যায় বুঝে উঠতে পারেনি।


সেদিন মিতুর ফোনে কয়েকটা নাম্বার থেকে কল আসে এর মাঝে একটা মিতুর ছোট ভাইয়ের, ঘুম থেকে উঠে মিতু কল লিস্ট চেক করে সবার আগে ছোট ভাইকে কল ব্যাক করে, ছোট ভাই মিতুর খোজ খবর নেয় এবং সে ঢাকায় আসবে, মিতুর ঠিকানা চায়। 

ছোট ভাই আসবে, সরল মনে মিতু ঠিকানা দিয়ে দেয়, রাতে সবুজ আসলে তাকে সব বলে এবং সবুজ মিতুর খুশি দেখে সবুজের ভাল লাগে, এবং সবুজ মিতুর জন্য সেলাই মেশিন নিয়ে আসে এই দেখে মিতু খুশিতে কেদে দিবে অবস্থা। এক সাথে দুইটা খুশি। 


কিছুদিন পর মিতুর ছোট ভাই মুন্না আসে , দুই ভাইবোন মিলে সেই আড্ডা, আজ মিতু অনেক খুশি বিয়ের পর প্রথম তার পরিবারের কেউ তাকে দেখতে আসলো। 

সবুজ তার শেলক আসবে শুনে বাজার করে , রাতে সবুজ জলদি আসে এবং তারা একসাথে রাতের খাবার শেষ করে, 

রাতে মিতু সবুজ কে বলে মুন্না কালই চলে যাবে বলে, ওর পড়াশোনা আছে, সবুজ বললো ওকে আবার অনেকদিন ছুটি নিয়ে আসতে বইলো।

পরদিন সকাল বেলা সবুজ এবং  মুন্না সকালের নাস্তা করে, সবুজ অফিসে চলে যায়, এবং ভাইবোন কিছুক্ষন গল্প করে তারপর মুন্নাও বিদায় নেয়।


মিতু অনেক কান্না করে, আসলে মিতুরা এক ভাই এক বোন এবং মিতুর মা বাবা, মিতু অনেক আদুরে ছিল। মিতুর মা বাবার মিতুকে ভাল জায়গায় বিয়ে দেওয়ার ইচ্ছে ছিল, যেটা সম্ভব হয়ে উঠেনি। 


ভাইকে বিদায় দিয়ে মনকে শক্ত করে মিতু ঘর গোছানো শুরু করে কারন একটু পরে তারও ক্লাস আছে।

কাজ করতে করতে মিতু যখন বাসন মাজতে নাস্তার টেবিল থেকে সব উঠাবে তখন সে লক্ষ্য করলো মিতুর এবং মুন্নার চায়ের কাপ থাকলেও সবুজের চায়ের কাপটি নেই। মিতু কিছুক্ষন খোজাখুজি করে না পেয়ে সে ব্যাপারটা স্বাভাবিকভাবে নিয়ে চলে গেল, কারন তার ক্লাসও আছে।


সেদিন মিতু আরেকটা জিনিস লক্ষ্য করলো আর তা হচ্ছে মিতু গোশল করে ভার্সিটি যাওয়ার জন্য তারাহুরো করে চুল আছড়াতে যাবে তখন সে লক্ষ্য করে তার চিরুনির মাঝে সব সময় চুল লেগে থাকে যা সচরাচর মিতু অনেক জমলে তারপর এগুলো খুলে ফেলে দেয়। কিন্তু আজ চিরুনি পরিস্কার দেখে বেশ অবাকই হলো।


অতটা না ভেবে সে ভার্সিটি চলে গেল।


সেদিন সন্ধানাগাদ সবুজ বাসায় ফেরে কেননা তাদের দোকানের মেরামত কাজ চলছিল। তাই সবুজ সুযোগ টা মিস দিল না।( - যারা গল্প পরতে ইচ্ছুক তারা , আমার আই*ডিতে ফ*লো  দিন বা রি*কুয়েষ্ট পাঠিয়ে সাথে  থাকুন। ) বাসায় আসার পর মিতু খুব খুশি হয়, এরপর তারা পুরো সময় এক সাথে কা*টায়, মিতুর সেলাই মেশিনের জন্য কিছু জিনিস কেনা প্রয়োজন ছিল , তারা দুজন গিয়ে শপিং করে আসে, খুব ভালই যাচ্ছিল তাদের সংসার জীবন।

এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পর একদিন সবুজ অফিসের জন্য বের হয় এবং মিতু প্রতিদিনের মত কাজ করতে করতে হঠাৎ তার পেট ব্যাথা শুরু হয়, মিতু চিন্তা করলো অসময়ে পেট ব্যাথা করার তো কোন কথা না, পরে মিতু বিশ্রামে চলে যায় । হঠাৎ মিতু অনুভব করে তার শরীর  ভার হয়ে উঠে। একটু পর সে ব্যাথায় চিৎকার দিয়ে কেঁদে উঠে……. তার কিছুক্ষন পরেই হঠাৎ……..সবুজ কল করে, সবুজ কে মিতু বাসায় আসতে বলে, কিনেতু ওপাশ থেকে অচেনা এক লোক বলে উঠলো আপনার এই লোক এ*ক্সিডেন্ট করেছে, আপনি যেখানেই আছেন …… এই হাসপাতালে চলে আসেন…..


চলবে........... 


আদনান_তাওসিফ

পরিবার 

পর্ব :১

৩২ নম্বর বাড়ি ভাংবার উস্কানি শেখ হাসিনা স্বয়ং দিয়েছেন, এই সময়ে তার ভাষণ দেবার সিদ্ধান্তই ছিলো উস্কানীমূলক।  fahad mahmud arifbillal ফেইসবুক থেকে

 ৩২ নম্বর বাড়ি ভাংবার উস্কানি শেখ হাসিনা স্বয়ং দিয়েছেন, এই সময়ে তার ভাষণ দেবার সিদ্ধান্তই ছিলো উস্কানীমূলক। 


হাসিনার মাথায় রয়েছে ফেব্রুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংগে নরেন্দ্র মোদীর সাক্ষাতকার। এবং বাংলাদেশ নিয়ে ইন্দো-মার্কিন-ইজরায়েলি আঞ্চলিক পরিকল্পনা।   ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অলিগার্কি, অর্থাৎ অল্প কিছু বিলিয়নারদের আধিপত্যের প্রতিষ্ঠা। যেমন ইলন মাস্ক, জুকারবার্গ,  বিলগেটস প্রমুখ। এর কুফলও বাংলাদেশ সহ গরীব ও প্রান্তিক দেশগুলোতে পড়বে। হিন্দুত্ববাদের সংগে মার্কিন বর্ণবাদী গোষ্ঠীর মৈত্রীও পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। ট্রাম্পের গাজানীতি ভয়াবহ। ইতিমধ্যে ট্রাম্প বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সংগে ঘোষণা দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র গাজার ‘নিয়ন্ত্রণ নেবে’ এবং এর ওপর তার ‘মালিকানা’ প্রতিষ্ঠা করবে।


এই নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাষণ বুঝতে হবে। নতুন ভূরাজনৈতিক সমীকরণের উপর দাঁড়িয়ে তিনি রাজনীতির যে ছক কষছেন সেদিকে আমাদের পূর্ণ মনোযোগ নিবদ্ধ রাখতে হবে।


ছাত্রজনতার ন্যায়সংগত ক্ষোভের পরিণতি হচ্ছে ৩২ নম্বর ধুলায় মিশিয়ে দেওয়া।এটা শুরু, শেষ নয়। আমরা দেখলাম একে রক্ষা করার কোনো পদক্ষেপ সরকার গ্রহণ করে নাই। সেনাবাহিনী কিছুক্ষণের জন্যে এলেও ফিরে গেছে। জনগণের বিপরীতে সেনাবাহিনীকে দাঁড় না করাবার নীতি সঠিক।


কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে দিল্লি প্রমাণ করার চেষ্টা করবে যে জানমাল রক্ষা  করতে উপদেষ্টা সরকার ব্যর্থ। আন্তর্জাতিক ভাবে ব্যাখ্যা করা হবে যে বাংলাদেশে কার্যত কোনো সরকার নাই। এটাই দিল্লী হাসিনার পক্ষে প্রতিষ্ঠা ও প্রচার করবে।  


দিল্লী দাবি করবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি। ফলে দিল্লী আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় বাংলাদেশে হস্তক্ষেপের পরিকল্পনা করতে পারে।


এই বাস্তবতা এবং সম্ভাব্য ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি অবশ্যই আমাদের মনে রাখতে হবে। যদি আমরা সামনের দিনে আরো গভীর সংকটে পতিত হওয়া থেকে মুক্ত থাকতে চাই তাহলে অবিলম্বে শেখ হাসিনার সংবিধান বাতিল করে পূর্ণ ক্ষমতা সম্পন্ন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করুন, নতুন ভাবে বাংলাদেশ গঠন করার প্রক্রিয়া শুরু করুন। এটা পরিষ্কার ফ্যাসিস্ট সংবিধান  বহাল রাখার শপথ করে আমরা আদতে ফ্যসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম রেখেছি। এটা কিছুতেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। বাড়ি ভাংলাম অথচ শেখ হাসিনার  বানানো ফ্যাসিস্ট  রাষ্ট্রব্যবস্থা পুরাপুরি কায়েম রাখলাম এটা কি হয়!


অতএব পরিবর্তীত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় আমরা যেন কোন গভীর সংকটে না পড়ি সেজন্য এখনই আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। জনগণের ক্ষোভকে আমলে নিতে শিখুন। ছাই দিয়ে আগুন নিভানো যায় না।


এই বিষয়টি আরো বিস্তারিত বুঝবার জন্য মোহাম্মদ রোমেলের পোস্টটি দেখুন।

--------------------------

শেখ হাসিনার ভাষণের বিরোধীতায় ৩২ নাম্বার ভাঙ্গার ফলে বাংলাদেশের জনগণের এই মুহূর্তে কোন লাভ হয়েছে বলে আমার মনে হয় নাই ।


তাইলে ৩২ নাম্বার ভাঙ্গার রাজনীতি কি ? এই রাজনীতিতে কে কি অর্জন করল ? এর পর্যালোচনা দরকার । দেশে-বিদেশে এর প্রভাব কি পড়বে সেইটারও পর্যালোচনা দরকার । 


এই মুহূর্তে জরুরি প্রশ্ন হলো, জনতা এইটা ভাঙ্গতে গেল কেন? উত্তেজিত না হয়ে, কোন পক্ষ না নিয়ে ঠান্ডা মাথায় আমাদের এর কারণ অনুসন্ধান করা জরুরি । আমার মনে কয়েকটা কারণের কথা আসছে । সেইসব শেয়ার করি । 


হাসিনার আজকে ভাষণ এবং তার দলের মাসব্যাপী কর্মসূচিতে জনগণ ভিতু হয়েছে । ভাবছে এর পিছনে ভারতের অসৎ উদ্দেশ্য আছে । ফলে তাদের প্রতিরোধের অংশ আকারে জনতা ৩২ নাম্বারে গেছে ।


হাসিনা এবং তাদের দলের কারো মধ্যেই এখন পর্যন্ত তাদের অতীত খুন-গুম-লুটপাট-বিচারহীনতা নিয়া কোন সরি ফিলিং মানুষ দেখছে না । ফলে মানুষের মনে তাদের বিষয়ে ক্ষোভ কমে নাই । বরং তারা ফিরে আসার নানান হুমকি দিচ্ছে । দোষ অস্বীকার করছে । এইটাও জনতাকে ঐক্যবদ্ধ করেছে ।


৩) হাসিনা তার পুরো শাসন আমলে তার বাপকে সামনে রেখে, দেবতা বানিয়ে তার সমস্ত অপকর্ম করে গেছে । ফলে ইতিহাসের শেখ মুজিবুর আর হাসিনার বানানো ফ্যাসিস্ট আইকন শেখ মুজিবুরের পার্থক্য জনগণের মধ্যে এখন আর নাই । ফলে ৩২ নাম্বারকে জনগণ ফ্যাসিস্ট আস্তানা হিসাবে দেখছে । ফলে এইটা ভাঙ্গতে গেছে ।


৪) ৫ আগস্ট সরকার গঠনের পর এখন পর্যন্ত ফ্যাসিস্টদের বিচার শুরু হয় নাই । বড় বড় নেতাদের অনেকেই পালিয়ে গেছে।‌ দেশে যারা আছে তারাও গ্রেফতার হয় নাই । গ্রেফতার হওয়ার কোন ভরসাও সরকারের তরফ থেকে পাইতেছে না । ফলে মানুষের মধ্যে চরম হতাশা আছে । 


৫) এখন পর্যন্ত তরুণরা যে যে দাবি নিয়ে মাঠে হাজির হয়েছিলেন তার একটাও পুরণ হয় নাই । তারা চুপ্পুকে অপসারণ করতে চেয়েছিলেন। পারেন নাই । নতুন সংবিধান/গঠনতন্ত্রের কথা বলতে ছিলেন। সেটাও হচ্ছে না । তারা 'জুলাই ইশতেহার ঘোষণা' করতে চেয়েছে । সেটাও পারে নাই । ফলে যেন একটা অর্জনহীন সময় চলে যাচ্ছে । 


৬) দেশের কোথায় কোন সিন্ডিকেট ভাঙ্গতে পারে নাই সরকার । ফলে জনগণ ক্ষোব্ধ । আমলাতন্ত্র ঠিকঠাক কাজ করছে না । ফলে জনগণ ক্ষোব্ধ । পুলিশ কাজ করছে না । ফলে জণগণ ক্ষোব্ধ । আইন শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে। ফলে জণগণ ক্ষোব্ধ । এর প্রকাশ ৩২ নাম্বারে দেখছি ।


৭) দেশের অর্থনীতি এখনো গতি পায় নাই । ফলে জণগণ ক্ষোব্ধ । 


৮) জনগণের জন্য এখন পর্যন্ত কোন পরিষ্কার রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক দিশা নাই । ফলে তারা অস্থির দিশেহারা ।


এতো বড় গণঅভ্যুত্থানের পর এতো এতো ফেইলরে খুব স্বাভাবিক ভাবেই আগস্ট বিপ্লবীরা হতাশ । এই হতাশা নিয়ে জণগণ নিশ্চয় ঘরে চুপচাপ বসে থাকবে না । ফলে ফ্যাসিস্টদের বাড়াবাড়ির সুযোগে‌ তারা আবার বের হয়ে আসছে । এবং সেই ক্ষোভ মিটাইতে আজকে তারা ৩২ নাম্বার ভাঙ্গতে গেছে ।


আমি নিশ্চিত সরকার যদি ঠিকঠাক ফাংশন করত এবং ফ্যাসিস্টদের বিচার চলত, তাইলে মানুষ আজকে ৩২ নাম্বারে গিয়ে অনাহুত এই ক্ষোভ প্রকাশ করত না । 


তাদের প্রত্যাশা এবং হতাশাকে যদি আগামী দিনে আমরা যথাযথ পথে পরিচালিত করতে চাই, তাইলে দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নেন ।


সরকার কিভাবে আরো ফাংশনাল করা যায় সেই ব্যবস্থা করেন । ফ্যাসিস্টদের বিচার দ্রুত শুরু করেন । জুলাইয়ে আহতদের দিকে মনোযোগ দিন । সিন্ডিকেট ভাঙ্গার উদ্যোগ নেন । আমলাতন্ত্রকে টাইট দেন । দরকার হয় পুরো উপদেষ্টা পরিষদ নতুন করে সাজান ।


আন্দোলনে যুক্ত সকল পক্ষের বিপ্লবীদের সাথে নিয়মিত ডায়ালগ করেন । তাদের পরামর্শ শুনেন । সঠিক পরামর্শ বাস্তবায়নের চেষ্টা করেন । তাদের নতুন রাজনৈতিক দিশা দেন । নাইলে এই অভূতপূর্ব শক্তির অপচয় এবং অপব্যবহার হবে । হবেই । ঠেকাতে পারবেন না ।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ০৭-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ০৭-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সংশোধন অধ্যাদেশ-২০২৫ এর খসড়ায় উপদেষ্টা পরিষদের নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন।


ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতার ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ, ফ্যাসিবাদের চিহ্ন না রাখার ঘোষণা - স্বৈরাচারের বিচারের দাবিতে উত্তাল সারাদেশ।


পলাতক শেখ হাসিনার উস্কানিমূলক বক্তব্যের কারণে জনগণের গভীর ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ভাংচুর - অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি।


ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার কার্যকলাপের জন্য ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ - জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।


আগামী প্রজন্মের জন্য সুন্দর, বসবাসযোগ্য দেশ বিনির্মাণে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যবস্থা নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি বিএনপির আহ্বান।


বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এ বছর একুশে পদক পাচ্ছেন ১৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও জাতীয় নারী ফুটবল দল।


যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের ঘনিষ্ঠমিত্র ইসরাইলকে লক্ষ্য করে ভিত্তিহীন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এনে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।


মিরপুরে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ফাইনালে আজ ফরচুন বরিশালের মোকাবেলা করবে চিটাগং কিংস।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৬-০২-২০২৫ খ্রি:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৬-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সংশোধন অধ্যাদেশ-২০২৫ এর খসড়ায় উপদেষ্টা পরিষদের নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন।


ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতার ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ, ফ্যাসিবাদের চিহ্ন না রাখার ঘোষণা --- স্বৈরাচারের বিচারের দাবিতে উত্তাল সারাদেশ।


পলাতক শেখ হাসিনার উস্কানিমূলক বক্তব্যের কারণে জনগণের গভীর ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ভাংচুর --- অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি।


ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার কার্যকলাপের জন্য ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ --- জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।


আগামী প্রজন্মের জন্য সুন্দর, বসবাসযোগ্য দেশ বিনির্মাণে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যবস্থা নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি বিএনপির আহ্বান।


বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এ বছর একুশে পদক পাচ্ছেন ১৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও জাতীয় নারী ফুটবল দল।  


গাজাকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এর পুনর্গঠনের পরিকল্পনা পুনর্ব্যক্ত করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


এবং আগামীকাল মিরপুরে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ফাইনালে ফরচুন বরিশালের মোকাবেলা করবে চিটাগং কিংস।

বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ধরুন, অনেকগুলো রসুন ছিলে ফেলেছেন কিংবা সুপার মার্কেট থেকে ছেলা রসুন কিনে এনেছেন। এত রসুন আপনার প্রয়োজন নেই আর। 

 ♦️ ধরুন, অনেকগুলো রসুন ছিলে ফেলেছেন কিংবা সুপার মার্কেট থেকে ছেলা রসুন কিনে এনেছেন। এত রসুন আপনার প্রয়োজন নেই আর। 


✅ তাহলে কী করবেন?  


১) রসুন গুলোতে সামান্য লবণ মিশিয়ে পাটায় বেটে কিংবা ব্লেন্ডারে পানি ছাড়া ব্লেন্ড করে নিন। তারপরে ফ্রিজে ফ্রিজ করে রাখুন। আমি ফ্রিজিং করার সময় আইস ট্রে তে দিই। তারপর জমে গেলে বের করে একটা বক্সে ভরে রাখি। পরবর্তীতে রান্নার সময় খুব সুবিধা হয়।  সামান্য লবণ দিয়ে রাখলে রসুনের স্বাদ গন্ধ এবং রঙ তিনটাই ভালো থাকে।  


২) অতি অবশ্যই রসুনের আচার তৈরি করে নিতে পারেন।  ফ্রিজ ছাড়াই সংরক্ষণ করা যাবে।  


৩) রসুনগুলোকে পাতলা পাতলা করে কেটে ফ্রেশ তেলে বেরেস্তা ভাজার মত করে ভেজে রাখতে পারেন। তৈরি হয়ে গেল রসুনের বেরেস্তা। এটা নুডুলস বা চাওমিন রান্না তে,  ফ্রাইড রাইস রান্নাতে ব্যবহার করা যায়।  ডালে দেয়া যায়, শাকে দেয়া যায়। শুকনো মরিচ পেঁয়াজ আর সরিষার তেল মিশিয়ে ভর্তাও করা যায়।  


৪) চার নম্বর পদ্ধতিটা হচ্ছে গার্লিক অয়েল তৈরি করা। 


একটু বেশি পরিমাণে তেল নেবেন,  এমনভাবে যেন রসুনগুলো তেলের ভেতরে ডুবে থাকে। সরিষার তেল হলে ভালো হয় তবে অন্য যে কোন তেল নিতে পারেন। সানফ্লাওয়ার বা অলিভ অয়েল হলে খুব ভালো। তাতে রসুন গুলো দিয়ে চুলায় বসিয়ে দেবেন।  খুব খুব অল্প আঁচে, মিনিট বিশেকের জন্য। রসুনগুলো সেদ্ধ হয়ে হালকা ভাজা হয়ে যাবে।  হালকা সোনালী রং ধরলে জিনিসটা নামিয়ে ভালোভাবে ঠান্ডা করে বয়াম বা বক্সে ভরে রাখবেন।  তৈরি হয়ে গেল আপনার গার্লিক অয়েল।  এই তেলটা দিয়ে আপনি রান্না করতে পারবেন,  ভর্তা করতে পারবেন৷ ডিম পোচ করা থেকে শুরু করে মাছভাজি,  ভর্তা, নুডুলস রান্না সবকিছুর ভেতরেই দিতে পারবেন।  রসুন গুলি তেল থেকে তুলে পেঁয়াজ মরিচ দিয়ে ভর্তা করতে পারবেন,   মেয়োনিজের ভেতরে দিতে পারবেন,  নুডুলস পাস্তা বিভিন্ন ভর্তার ভেতরে দিতে পারবেন।  এমনকি ভালোভাবে ভর্তা করে মাছ রান্না বা মাংস রান্নাতেও দিতে পারবেন।  এবং এটা তিন থেকে ছয় মাস এভাবেই স্টোর করে রাখা যাবে।  ফ্রিজেও রাখা লাগবে না। 


আর হ্যাঁ,  

আরো একটা পদ্ধতি আছে আর সেটা হচ্ছে রসুনগুলো সিরকায় ভিজিয়ে রাখা।  তবে এই পদ্ধতিতে রসুন রাখলে আমার কাছে খেতে একটুও ভালো লাগেনা।  


টিপস গুলো ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।  তাহলে আমি প্রতিদিন এমন একটা করে টিপস ও রেসিপি দেওয়ার চেষ্টা করব।  🥰


অনলাইন সংগৃহীত তথ্য 

#follower #highlights #everyone #foryou #advice #উপদেশ #tips

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...