এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

গল্পে গল্পে Parts of speec, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌸গল্পে গল্পে Parts of speech🌸


Noun আর তার ভাইয়েরা মোট ৮ জন । তাদের বাড়ির নাম হল Sentence ভিলা । সমাজের মানুষ তাদের Parts of speech বলে ডাকে । এক বাড়িতেই (Sentence) তারা ৮ ভাই থাকে । তবে তাদের কাজকর্ম এক না ।


১ম ভাইয়ের নাম হল Noun । তার কাজ হল সব কিছুর নাম বলা । বাড়িতে যা যা দরকার শাকসবজি, গোশত, মাছ সবকিছুর নাম বলা ।


২য় ভাইয়ের নাম হল Pronoun । Noun বাড়িতে না থাকলে সে noun এর কাজ করে দেয় । Noun এর অনুপস্থিতিতে Noun এর সব কাজ Pronoun ই করে ।


৩য় ভাইয়ের নাম হল Adjective । Noun ও Pronoun এর পিছনে গোয়েন্দাগিরি করা । তাদের দোষ-গুণ লিখে রাখাই হল Adjective এর কাজ ।


৪র্থ ভাইয়ের নাম হল Verb । তার কাজ হল সবার কাজ বলে দেওয়া । খাওয়া-দাওয়া, ঘুম, গোসল সব কাজ বলে দেওয়া ।


৫ম ভাইয়ের নাম হলো Adverb । তার কাজ হল ৩য় ও ৪র্থ ভাই (Verb, Adjective) এর নজরদারি করা । তাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা । মাঝেমধ্যে সে নিজের অবস্থাও পর্যবেক্ষণ করে ।


৬ষ্ঠ ভাইয়ের নাম হল Preposition । ভাইদের মাঝে সম্পর্কের বন্ধন তৈরি করাই তার কাজ ।

(Noun ➕ Verb➕Pronoun, Noun➕ Noun)


৭ম ভাইয়ের নাম হল Conjunction । তার কাজ Preposition এর কাজের চেয়ে বড় । সে এক বাড়ির সাথে অন্য বাড়ির আত্মীয়তার সম্পর্ক সৃষ্টি করে এবং তারা সবাই মিলে সেই বাড়িতে দাওয়াত খায় ।

(Sentence ➕ Sentence)


৮ম ভাইয়ের কাজটা খুবই দারুণ ! তার নাম Interjection । সে আনন্দে-দুঃখে সব সময় সবার পাশে থাকে । সবার আবেগ প্রকাশ করাই তার একমাত্র কাজ।

গল্প_১৪ই_ফেব্রুয়ারি, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 --১৪ ফেব্রুয়ারিতে তোমার শরীর চাই আমার কান্তা। 


--সম্পর্কের '৩' মাস হলো তাতেই এই কথা বলছো। কেমন Boyfriend তুমি হ‍্যা।


--আমি রোমান্টিক বয়ফ্রেন্ড তোমার বুঝছো। 


কান্তা: প্লিজজ হাসিব বিয়ের পরে যা ইচ্ছে তাই করিও।  সবে মাত্র আমাদের সম্পর্ক শুরু হলো। 


হাসিব : জানতাম এই কথাই বলবা। 


কান্তা : এমন করেনা সোনা আমার। আমি তো শুধুমাত্র তোমারি।


হাসিব : তাহলে আমি যা চাইতেছি দিয়ে দাও। 


কান্তা : আচ্ছা আমি ভেবে দেখি। 


হাসিব : ভেবে দেখা দেখির সময় নেই। আমি চাইতেছি তোমার দিতেই হবে। 


কান্তা : আমার সঙ্গে এই সব করার পরে যদি সম্পর্ক না রাখো তখন কি হবে। 


হাসিব : এইইই বিশ্বাস আমার প্রতি তোমার। 


কান্তা : বিশ্বাস না কররে কি ভালোবাসতাম বলো। 


হাসিব : তাহলে ১৪ই ফেব্রুয়ারিতে চলোনা জান ডেটে যাই প্লিজজজ প্লিজজজ। 


" boyfriend এর এমন রিকুয়েস্টে শেষ পযর্ন্ত কান্তা রাজি হয় ডেটে যাওয়ার জন্যে?


কান্তা : ঠিক আছে আমি রাজি। কিন্তু আমাদের বিয়েটা কবে হবে শুনি। 


হাসিব : সময় হোক বিয়ে করবো। 


কান্তা : আচ্ছা জান। 


হাসিব : রেডি থাকিও কিন্তু ১৪ তারিখে। 


কান্তা : হুমম।


--এর পরে সেই ১৪ তারিখে কান্তা তার নিজের শরীর টা  boyfriend হাসিবের হাতে তুলে দেয়। যা হাসিব পাগলের মতো ভোগ করতে থাকে? 


হাসিব : উফফফ জান তুমি সেই একটা জিনিস। 


কুন্তা : যাহহ দুষ্টু একটা। আমার লজ্জা করে। 


হাসিব : ওরে আমার লজ্জাবতি girlfriend?


কান্তা : হুম। 


"এর পর ১৪ ফেব্রুয়ারি হাসিব ও কান্তা দুজনেই বেশ রোমান্স করে ঘুরে বেড়ায়। 


"এর ঠিক ৪মাস পরে কান্তা হঠাৎ করেই একদিন মাথা ঘুড়ে পরে যায়। আর সঙ্গে সঙ্গে তাকে ডাক্তার দেখানো হলে ডাক্তার বলে।


ডাক্তার : আপনাদের মেয়ে গর্ভবতী। 


--কিন্তু ডাক্তার আমাদের মেয়ের তো এখন পযর্ন্ত বিয়েই হয়নি তাহলে গর্ভবতী কিভাবে হয়। 


ডাক্তার : সেটা আপনাদের মেয়েকেই জিঙ্গেস করুন? 


"এই কথা শুনে কান্তার বাবা কান্তাকে জিঙ্গেস করে"


--এই সব কি কান্তা। ডাক্তার যা বলতেছে সব কি সত্যিই নাকি মিথ্যা। 


কান্তা : বাবা সব সত্যি। আমি একটি ছেলেকে ভালোবাসি আর ওর সঙ্গেই আমি...? 


কথাটি শেষ হতে না হতেই কান্তার গালে ঠাসসস ঠাসস করে থাপ্পড় পরে যায়। 


--ঠাসসস! ঠাসস! এই জন্যে তোকে পরাশুনা করাচ্ছি। এখন সমাজে মুখ দেখাবো কিভাবে আমি।


"কথাটি বলেই কান্তাকে রুমের ভিতরে বন্ধ করে বাহিরে চলে আসে। আর এই ফাকে কান্তা boyfriend কে ফোন দেয়। 


কান্তা : হ‍্যালো......হাসিব আমি প্রেগনেন্ট তোমার বাচ্ছা আমার পেটে। কিছু  একটা করো। 


হাসিব : কিইই বলো এই সব। রুম ডেটের পর তুমি ওষুধ খাওনাই। 


কান্তা : নাহ। 


হাসিব : ভালো খুব ভালো। 


কান্তা : চলো আমরা পালিয়ে যাই। 


হাসিব : আমার পক্ষে সম্ভব না। এছারা আমার পরাশুনা এখনো শেষ হয়নি। 


কান্তা : তাহলে আমার কি হবে এখন। 


হাসিব : আমি জানিনা। 


কান্তা : জানোনা মানে। তোমার সন্তান আমার পেটে এখন বলতেছো জানো না। 


হাসিব : আমি তোমাকে পেটে সন্তান নিতে বলছি নাকি। ফোন রাখো আমাকে ডিস্টাপ করবে না।   


কান্তা : প্লিজজজ এমন করিওনা। তুমি এমন করলে আমার মৃত্যু ছারা পথ থাকবেনা। 


হাসিব : যা ইচ্ছে হয় করো। 


--এই বলে হাসিব ফোনটি কেটে দিয়ে বন্ধ করে রাখে। এই দিকে কান্তা ফোন দিতে দিতে পাগল হয়ে যায় কিন্তু হাসিবের ফোনে আর কল ডুকেনা। 


"শেষ মেশ কোন উপায় না পেয়ে কান্তা গলায় ওরনা টাঙ্গিয়ে  আত্মহত্যা করে। 


এই কান্তার মতো পাগলামি কখনোই করবেন না।  সমস্যা হয়েছে পরিবারের কাছে সব খুলে বলুন অবশ্যই সমাধান বের হবে।


এই হলো ১৪ ফেব্রুয়ারিতে ভালোবাসা বিনিময়ে একটি অসুন্দর সুন্দর দৃশ্য। 


#গল্প_১৪ই_ফেব্রুয়ারি


মন ছুয়ে যাওয়া গল্প পেতে এখনি নীল লেখায় চাপ দিয়ে আমার আইডি ফলো করে রাখুন : বগুড়া ট্রিওয়াল্ড নার্সারি  👈

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ১৩-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ১৩-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


জুলাই-আগষ্টের গণ-অভ্যুত্থান দমনে ব্যাপক মানবাধিকার লংঘনের প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ মানবাধিকার দপ্তর - ন্যায় বিচারের আহ্বান।


জাতিসংঘের প্রতিবেদনকে স্বাগত জানিয়ে নিরাপত্তা ও মর্যাদার সাথে সবার বসবাসের জন্য আইনের শাসন বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত প্রধান উপদেষ্টার।


আওয়ামী লীগ দেশে আইয়ামে জাহেলিয়াত প্রতিষ্ঠা করেছিল – আয়নাঘরের তিনটি স্পট পরিদর্শন করে মন্তব্য করলেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।


"World Governments Summit 2025"- এ যোগ দিতে দুবাই রয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।


যতদিন ডেভিল থাকবে, দেশব্যাপী ততদিন চলবে 'অপারেশন ডেভিল হান্ট' - বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। 


“বেতার ও জলবায়ু পরিবর্তন” প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব বেতার দিবস–বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ বেতার। 


ইউক্রেন যুদ্ধ সমাপ্তির ব্যাপারে আলোচনা শুরু করতে সম্মত রুশ প্রেসিডেন্ট - বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। 


করাচিতে ত্রিদেশীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ফাইনালে স্বাগতিক পাকিস্তান।


রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১২-০২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১২-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


নৃশংস উপায়ে এবং গণহত্যার মাধ্যমে জুলাই-আগষ্টের গণ-অভ্যুত্থান দমনের প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ মানবাধিকার দপ্তর --- গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় ন্যায় বিচারের আহ্বান।


জাতিসংঘের প্রতিবেদনকে স্বাগত জানিয়ে নিরাপত্তা ও মর্যাদার সাথে সবার বসবাসের জন্য আইনের শাসন বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা।


আওয়ামী লীগ দেশে প্রাচীন আরবের আইয়ামে জাহেলিয়াত প্রতিষ্ঠা করেছিল –-- আয়নাঘরের তিনটি স্পট পরিদর্শন করে মন্তব্য করলেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।


"World Governments Summit 2025"- এ যোগ দিতে দুবাই যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ।


যতদিন ডেভিল থাকবে, দেশব্যাপী ততদিন চলবে 'অপারেশন ডেভিল হান্ট' --- বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


“বেতার ও জলবায়ু পরিবর্তন” প্রতিপাদ্য নিয়ে আগামীকাল  পালিত হবে বিশ্ব বেতার দিবস –-- বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ বেতার।


মার্কিন প্রশাসনের সমালোচনা করায় USAID-এর ইন্সপেক্টর জেনারেল পল মার্টিনকে বরখাস্ত করলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


এবং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ক্রিকেটে অংশ নিতে আজ রাতে দুবাই যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় দল।

বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

সেন্ট ভ্যালেন্টাইন বা সান ভালেন্তিনো,,,,,, উপমা ফেইসবুক থেকে নেওয়া  

 সেন্ট ভ্যালেন্টাইন বা সান ভালেন্তিনো 

ইতিহাস: প্রেম, পুরাণ, পৌত্তলিক রীতি ও সংস্কারের মিশেল


প্রাচীন রোমের লুপারকালিয়া: রক্ত, উর্বরতা ও উৎসবের আগুন


কালের অতল গহ্বরে, যখন রোম ছিল দেবতা ও রাজাদের নগরী, তখনই জন্ম নিয়েছিল এক অদ্ভুত উৎসব— লুপারকালিয়া। প্রতি বছর ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি, রোমান তরুণেরা ছুটে বেরোত নগরের পথে, হাতে থাকত বলিদান দেওয়া ছাগলের চামড়া। সেই চামড়া দিয়ে তারা ছুঁয়ে দিত নারীদের, বিশ্বাস করত— এ ছোঁয়া নারীর গর্ভকে করবে উর্বর, মাতৃত্ব দেবে আশীর্বাদের ছোঁয়া।


লাল রঙে রাঙানো ছিল এই উৎসবের প্রতীক।

লাল মানে রক্ত— প্রাণের প্রতিশ্রুতি, উর্বরতার অগ্নিশিখা, বন্য উন্মাদনার রং। দেবতা লুপারকাস বা ফাউনাস, যিনি ছিলেন প্রকৃতির রক্ষক, তিনিই ছিলেন এই উৎসবের কেন্দ্রে। বলিদানের ছাগল ও কুকুরের রক্ত দিয়ে আঁকা হতো তরুণদের কপাল, আর নগরী বয়ে যেত বাঁধভাঙা উল্লাসে।


কিন্তু এই উৎসবের পেছনে ছিল এক সুপ্ত ছন্দ, যা কালের স্রোতে এক নতুন রূপ নিতে যাচ্ছিল।


ভ্যালেন্টাইনের শহীদত্ব: প্রেমের জন্য প্রাণদান


রোম যখন শাসিত হচ্ছিল সম্রাট ক্লডিয়াস II-এর কঠোর শাসনে, তখন প্রেমের মন্দিরে জমছিল কালো মেঘ। তিনি ঘোষণা দিলেন— যুবকেরা যদি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়, তবে তারা যুদ্ধে দুর্বল হয়ে পড়বে। তাই ভালোবাসার শপথ, মিলনের প্রতিশ্রুতি সবই হয়ে গেল নিষিদ্ধ।


কিন্তু এক ব্যক্তি এ আদেশ মানতে নারাজ। তিনি ছিলেন ভ্যালেন্টাইন, এক খ্রিস্টান পুরোহিত। প্রেমের শপথের সামনে শাসকের নিষেধাজ্ঞা তাঁর কাছে ছিল তুচ্ছ। তিনি গোপনে বিবাহ দিতেন প্রেমিকযুগলকে, প্রেমের পবিত্র বন্ধনে বাঁধতেন তাদের।


কিন্তু সত্য চিরকাল গোপন থাকে না। ভ্যালেন্টাইন বন্দি হলেন, শাস্তি হলো মৃত্যু।

২৬৯ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি, ভালোবাসার সেই যাজক রক্ত দিয়ে লিখলেন প্রেমের শেষ কবিতা।


একটি কিংবদন্তি বলে, মৃত্যুর আগে তিনি তাঁর প্রিয়াকে লিখেছিলেন এক চিঠি, যার শেষে ছিল— "তোমার ভ্যালেন্টাইন"।


পৌরাণিক উৎসব থেকে খ্রিস্টীয় পবিত্রতায়


কিন্তু ভালোবাসার শপথ কি কখনো হারিয়ে যায়?


সময় এগিয়ে এলো ৪৯৬ খ্রিস্টাব্দ।

পোপ গেলাসিয়াস I ঘোষণা দিলেন— "লুপারকালিয়া পাপাচার, অনৈতিক। একে বিলুপ্ত করতে হবে!"

তিনি স্থাপন করলেন ১৪ ফেব্রুয়ারিকে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন দিবস হিসেবে, যেন ভালোবাসার নামে উৎসর্গিত হয় এই দিন, কিন্তু উন্মত্ততার নামে নয়।


তবে কি রোমানদের রক্তাক্ত উৎসব মুছে গেল?

না, মুছে গেল না, বরং রূপ নিল প্রেমের এক নতুন কাব্যে।


মধ্যযুগ ও প্রেমের কবিতা


সময় গড়ালো, ইতিহাস লিখল নতুন অধ্যায়।

১৪শ শতকের কবি জিওফ্রে চসার তাঁর কাব্যে বললেন—

"১৪ ফেব্রুয়ারি, এই দিনে পাখিরা জোড়া বাঁধে, হৃদয়ে প্রেম জাগে।"

এভাবেই সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের নাম হয়ে গেল প্রেমের কবিতার প্রতিচ্ছবি।


শুভেচ্ছা বিনিময়ের রীতি শুরু হলো, ভালোবাসার মানুষকে লেখা হলো প্রথম "ভ্যালেন্টাইন কার্ড"।


বাণিজ্যের ছোঁয়া: প্রেম কি শুধুই ভালোবাসা?


প্রেম কি শুধুই হৃদয়ের বিষয়, নাকি এতে বাণিজ্যের গন্ধ লেগেছে?


১৮শ-১৯শ শতকে, হাতে লেখা ভালোবাসার চিঠির জায়গা নিল ছাপানো কার্ড।

২০শ শতকে, ভালোবাসার প্রতীক হয়ে উঠল চকোলেট, গোলাপ, হীরার আংটি।

"হলমার্ক" কোম্পানি শুরু করল বাণিজ্যের নতুন খেলা— "ভালোবাসা প্রকাশ করতে চাইলে উপহার দাও!"


এখন?

ভ্যালেন্টাইনস ডে মানে বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি গোলাপ বিক্রি, চকোলেটের পাহাড়, দামি উপহার আর বিলাসবহুল রেস্তোরাঁয় রাতের খাবার।


সংস্কারের রাজনীতি: কেন খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করল পৌরাণিক উৎসব?


খ্রিস্টধর্ম কি কেবল ভালোবাসার জন্যই এই দিনকে গ্রহণ করেছিল?


না, এর পেছনে ছিল  রাজনৈতিক চাল খাটিয়ে মানুষকে বোকা বানিয়ে অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য সাধন। রোমান সাম্রাজ্য ছিল বহু সংস্কৃতির মিশ্রণ, যেখানে বহু দেবতা, বহু উৎসব। যদি এই উৎসবগুলো নিষিদ্ধ করা হতো, তবে বিদ্রোহ বাঁধতে পারত।

তাই খ্রিস্টধর্ম এক চতুর পন্থা নিল— পুরোনো উৎসবগুলোর রূপ বদলে তাদের খ্রিস্টীয় রঙে রাঙিয়ে দিল।


ঠিক যেমন—

সাতুরনালিয়া থেকে হলো ক্রিসমাস,

সামহেইন থেকে হলো হ্যালোইন,

লুপারকালিয়া থেকে হলো ভ্যালেন্টাইনস ডে।


শেষ কথা: প্রেম, ইতিহাস ও পরিবর্তনের কাব্য


ভ্যালেন্টাইনস ডে কি কেবল প্রেমের? নাকি এর মাঝে মিশে আছে ইতিহাস, ধর্ম, রাজনীতি ও বাণিজ্যের সূক্ষ্ম খেলা?


প্রেম কি শুধুই হৃদয়ের, নাকি এটি এক বহুমাত্রিক রঙিন ছায়া, যেখানে একদিকে ভ্যালেন্টাইনের আত্মত্যাগ, অন্যদিকে বাণিজ্যের হাতছানি?


যাই হোক, যুগে যুগে ভালোবাসা নতুন রূপ নেয়, নতুন ভাষায় কবিতা লেখে।।


ভালোবাসা দিবসের ইতিহাসে প্রাচীন রোমের লুপারকালিয়া উৎসব থেকে শুরু করে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের আত্মত্যাগ, সবই মিশে আছে।


লুপারকালিয়া ছিল রোমের এক প্রাচীন উর্বরতা উৎসব, যা ১৫ ফেব্রুয়ারি পালিত হতো। এই উৎসবে পুরোহিতরা পশু বলি দিয়ে তাদের চামড়া দিয়ে নারীদের স্পর্শ করতেন, যা উর্বরতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হতো। লাল রঙ, যা রক্ত ও উর্বরতার প্রতীক, এই উৎসবে বিশেষ গুরুত্ব পেত। 


তবে খ্রিস্টধর্মের প্রসারের সাথে সাথে এই পৌত্তলিক রীতির পরিবর্তন ঘটে। ২৬৯ খ্রিস্টাব্দে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন নামের এক খ্রিস্টান পাদ্রী রোম সম্রাট ক্লডিয়াসের আদেশ অমান্য করে গোপনে বিবাহ সম্পন্ন করতেন। ফলস্বরূপ, তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি। তার এই আত্মত্যাগের স্মরণে পোপ জেলাসিয়াস ৪৯৬ খ্রিস্টাব্দে ১৪ ফেব্রুয়ারিকে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। 


মধ্যযুগে কবি জিওফ্রে চসারের লেখায় ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রেমের দিন হিসেবে উল্লেখ পাওয়া যায়, যা এই দিবসকে প্রেমের সাথে আরও গভীরভাবে যুক্ত করে। পরবর্তীতে, ১৯শ শতাব্দীতে বাণিজ্যিকীকরণের ফলে কার্ড, ফুল, চকলেট ইত্যাদি উপহার দেওয়ার প্রচলন শুরু হয়, যা আজকের ভ্যালেন্টাইনস ডে উদযাপনের রূপ নিয়েছে। 


এস. এ. সবুজ

#viralpost2025シ2025 #itihaserkhojegiridhar #viralpost2025シ #viralreelsシ #videoviralシ #viralreelsfb #viralvideoシ #viralreelsfacebook #trendingreels #viralchallenge #trendingpost #trendingnow #trendingreelsvideo #14thfebruary

রিজিক,,,,

 #রিজিক: এক লোক কূপে পড়ে গেলো। বিকট আওয়াজে চিৎকার করতে লাগলো: -বাঁচাও! বাঁচাও! গ্রামের লোকেরা আর্তচিৎকার শুনে উদ্ধার করতে দৌড়ে এলো। একটা রশি নামানো হলো। লোকটা রশি বেয়ে উঠে এলো। সে হাঁপাচ্ছিলো। বুকটা হাপরের মতো ওঠানামা করছিলো। ভীষণ ক্লান্ত আর অবসন্ন দেখাচ্ছিলো তাকে। একজনের কাছে তাজা দুধ ছিলো। সে একগ্লাস দুধ খেতে দিলো। লোকটা ঢকঢক করের দুধটুকু খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুললো। লোকেরা জানতে চাইলো, -তুমি কূপে পড়ে গেলে কিভাবে? আমার মেষগুলোকে পানি পান করাতে এসেছিলাম। বালতিটা কূপে ফেলে উপরের দিকে টানছিলাম। তখন আমি এভাবে কূপের কিনারায় দাঁড়িয়েছিলাম । লোকটা কিভাবে কূপের কিনারায় দাঁড়িয়েছিলো সেটা হুবহু দেখাতে গিয়ে, আবার কূপে পড়ে গেলো। এবার পড়ে আর বাঁচলো না। বেকায়দায় পড়ে বেমক্কা ঘাড় মটকে মারা গেলো। গ্রামের লোকজনের আফসোসের সীমা রইলো না। গাঁয়ের ইমাম সাহেব পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি বললেন, -লোকটা কূপ থেকে উঠে এসেছিলো মূলতঃ রিজিকের টানে। রিজিকের এক গ্লাস দুধ তার পাওনা রয়ে গিয়েছিলো। রিজিক সুনির্ধারিত🥰 আলহামদুলিল্লাহ

শোকর আদায় ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সেদিন বুয়া এসে ঘর পরিষ্কার  করার সময় বিছানায় কাঁথা দেখে খুব অবাক হয়ে বললো, "আপা, এই গরমে আপনে কাঁথা গায়েত দেন!!"


তারপর নিজেই আবার স্বগতোক্তি করলো, " আপনারার তো এসি আছে, এর লাইগ্যা শীত করে। আমরার বাড়িত টিনের চাল, এমুন গরম পরে.." 


তার চেহারায় প্রচণ্ড গরমের বিদ্ধস্ততা প্রকট ভাবে বিদ্যমান। 


হঠাৎ করে কেন যেন আমার অসম্ভব লজ্জা বোধ হল, বুয়ার দিকে চোখ তুলে তাকিয়ে কোন সদুত্তর  দিতে পারলাম না।  প্রয়োজন হলে এসি ছাড়তে পারি, গরমের রাতেও শীতের আমেজ পাই, আল্লাহ এর কত বড় রহমত এটা!! 


কোন দিন আই পি এস ফেইল করলে, গরমে যেরকম ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা করে আস্ফালন করি, শীতাতপের শীতল হাওয়াতে কি সেই পরিমান কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি!?


নাকি এই বিলাসীতাকে 'অবশ্য পাওনা" হিসেবে ভেবে নিয়েছি?


এখনো মনে পড়ে, যেদিন ঘরে প্রথম আই পি এস লাগানো হয়েছিল, প্রথম বার কারেন্ট যাবার পরেও আমাদের ঘর আলোকিত রয়ে গিয়েছিল। প্রতিবেশীদের অন্ধকার ঘরের মাঝে, নিজ ঘরের আলোয় আম্মু খুব সংকোচ বোধ করছিলেন। এই নতুন পাওয়া সুবিধায় আনন্দিত হবার বদলে বহুদিন দেখেছি মায়ের লজ্জিত, সংকুচিত মুখাবয়ব।  


আশে পাশের সবাইকে ফেলে একা একা আরাম করার সেই লজ্জা থেকে স্বাভাবিক হতে অনেক দিন লেগেছিল। 


আমরা প্রতিনিয়ত কত অজস্র নিয়ামতে যে ডুবে থাকি, তার সঠিক হিসাব নিজেরাও দিতে পারবো না। কি পেলাম না সেই ফিরিস্তি যত সহজে দিতে পারি, কত কিছু না চাইতেই পেয়ে গিয়েছি তা নিয়ে কিন্তু তত সহজে ভাবতে চাই না। 


আর নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করাও হয় না। যেমন কল খুললে পানি আসে। এই আপাতদৃষ্টিতে তুচ্ছ বিষয়টি কি বিশাল আশির্বাদ তা কি জানেন? পৃথিবীর অনেক দেশে পানি যেন সোনার মত মূল্যবান। 


বেশ ক'বছর আগে একবার উটের পিঠে চেপে থর মরুভূমিতে যাচ্ছিলাম, আমার উটের মালিক ছিল তের/ চোদ্দ বছরের এক বালক। তার রোদে পোড়া তামাটে চেহারা আজও ভুলি নি। 


শুষ্ক রুক্ষ মরুভূমিতে তাদের বসবাস। তাদের মত মরুভূমির  আরো অনেক গ্রামের বাসিন্দারাই, প্রতিদিনের ব্যবহার্য পানি নিয়ে আসে কয়েক মাইল দূরের নদী থেকে। সকাল হলেই গ্রামের মেয়েরা মাথার উপর অদ্ভুত উপায়ে একাধিক কলসি নিয়ে মাইলের পর মাইল হেঁটে পানি আনতে যায়।


সেদিনের পর থেকে অনেক দিন কলের পানি খুললে আমি কিছুক্ষণের জন্যে হলেও মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতাম। এই সহজলভ্য পানি যে এত মূল্যবান তা এর আগে অনুভব করি নি।


শুধু কলের পানি নয়, ফ্রিজ খুললে খাবার পাওয়া যে একটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয় তা আপনি কখনোই বুঝবেন না, যদি না কখনো খাবারের কষ্ট করে থাকেন। অথবা খাবারের কষ্টে মানুষ কত ত্যাগ, তিতিক্ষা করতে পারে তা না দেখে থাকেন। 


বেশিদূর যেতে হবে না, এরকম মানুষ আশে পাশেই পাবেন। আমার শশুরবাড়িতে নতুন বুয়া রেখেছে কিছুদিন হল। মহিলাটির বার/তের বছরের একটি ছেলে আছে, স্বামী মারা গেছেন। বাচ্চাকে খাওয়াতে পারছেন না দেখে, বুকের ধনকে রেখে এসে অন্যের বাড়িতে কাজ করছেন। 


মা তাকে ফেলে চলে এসেছে, এই অভিমানে বাচ্চাটি দিনের পর দিন মায়ের সাথে কথা বলছে না। এই মায়ের সামনে দিয়ে যখন আমি বাচ্চা কোলে নিয়ে বলতে থাকি, "আমার বাচ্চা খায় না",  সারাদিন পারলে ইউটিউব ঘেঁটে,  রান্না ঘরে গিয়ে বাবুর জন্য এটা সেটা রান্না করি, তখন নিজের আদিখ্যেতায় নিজেই বিরক্ত হই।


এক জন তার কলিজার টুকরার মুখে দুটো ভাত তুলে দেবার জন্য, ঘর বাড়ি ছেড়ে আমাদের ঘর সাজাতে এসেছে... যে খাবার আমার ছেলে হয়তো একবার মুখে তুলে, দ্বিতীয়বার মুখ বাঁকিয়ে ফেলে দেবে, সেই অর্থহীন খাদ্য রান্নার জন্য পেঁয়াজ কুটছে, পুরো ব্যাপারটিই কেমন যেনো হৃদয় বিদারক লাগে।


হায়রে, সন্তানের জন্য খাবার কেনার সামর্থ্যও যে কত বড় প্রাপ্তি, তা কি আমরা জানি? 


মাথার ওপর ছাদ, ভালবাসার মানুষের সান্নিধ্য, এমনকি নিজের সংসারের জন্য খাটতে খাটতে হাঁপিয়ে ওঠার জন্যেও আলহামদুলিল্লাহ বলা উচিত।


নিজের সংসারের জন্যই তো পরিশ্রম করতে হচ্ছে। পরের বাড়িতে যেয়ে তো কাজ করতে হচ্ছে না। তাছাড়া কত মেয়ে একটা সংসার, সন্তান পাবার জন্য দিনের পর দিন দুয়া করে যাচ্ছে, তার খবর কি আমরা রাখি! 


আমাদের অনেকে এই বুড়ো বয়সেও মা বাবার আদর পাচ্ছি। মাঝে মাঝে তাদের কাছে গিয়ে বিশ্রাম নিতে পারছি। কতজনের তো তাও নেই। কিংবা থাকলেও, তাদের কাছে যাওয়া সম্ভব নয়।


আসলে না পাওয়ার হিসেব করতে গেলে, তালিকা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হতে থাকবে। তার চেয়ে কি কি পেয়েছি, তার হিসেব করলে কেমন হয়? সারাজীবিনেও হিসেব শেষ করতে পারবেন না। 


সচেতন বা অবচেতন ভাবে কত নিয়ামতে আমরা আকন্ঠ ডুবে আছি তা আমরা নিজেরাও জানি না। 


জীবন নিয়ে কৃতজ্ঞ হলে, লাভ বই ক্ষতি নেই। 


দুনিয়ার পেছনে, নিরন্তর চাহিদার পেছনে ছুটতে ছুটতে, জীবনে যা আছে তা উপভোগ করার আগেই ওপারে পাড়ি জমায় অনেকে। 


তাই মাঝে মাঝে গন্তব্যহীন ইঁদুর দৌড় থেকে একটু থমকে দাঁড়ালে কেমন হয়? 


নাহলে জানবো কি করে, আমার রব আমাকে কত কিছু দিয়েছেন? 


আমরা উনার কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করব?


লেখা: Hasneen Chowdhruy

ধরুন আপনার আলসার হয়েছে,,,,,,

   ধরুন আপনার আলসার হয়েছে 

তাহলে আপনার খাদ্যাভ্যাসটা কিরকম হবে? 

শাক  কখনোই খেতে পারবেন না অন্তত যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার ভিতরে ঘা টা শুকাচ্ছে 

এটলিস্ট ৩ বছর 

মরিচ ভর্তা 

গরুর মাংস 

বিরিয়ানি 

ঘি তে রান্না করা তরকারি 

বাদাম বাটা দিয়ে রান্না করা তরকারি 

বড় চিংড়ি মাছ 

মেয়োনিজ 

চিজ 

দুধ 

দুধে তৈরি খাবার সব বন্ধ থাকবে 

ডিফ ফ্রাই করা খাবার আপনার জন্য হারাম।

তাহলে কি কি খেতে পারবেন? 


সবজি সিদ্ধ লবণ কম দিয়ে।

দই চিড়া 

একটু ফেনা ভাত করে আলু ভর্তা কোন মরিচ ব্যবহার করতে পারবেন না যেমন শকনা মরিচ এই টাইপসের কোন কিছু না।

হ্যাঁ এক টুকরা কাঁচা মরিচ দিতে পারেন গোটা 

কাঁচা সরিষার তেল দেয়া যাবে না। 


সাবুদানা খেজুর দিয়ে রান্না করে খেতে পারবেন দুধ ছাড়া। 

দই ডেইলি দুই কাপ মত খেতে পারবেন।

এছাড়া ভুট্টা সিদ্ধ খেতে পারবেন 

ব্রকলি খেতে পারবেন ফুলকপি খেতে পারবেন পাতাকপিতে আবার পেট ব্যথা করবে।

মোট কথা আপনার খাবার খুব লিমিটেড হয়ে যাবে একটু লবণ কম দিয়ে 

এভাবে করে আপনার ভিতরে সুস্থতাটা আনতে হবে।

দুই তিন বছর পরে আপনি আবারও গরুর মাংস শাক খেতে পারবেন।

নিজেকে কন্ট্রোল করা শিখতে হবে।

ব্যথা উঠলে ব্যথার ওষুধ খাব এই ক্ষেত্রে দেখা যায় যে রোগীর ব্যথা এত বেশি হয় একদম কলিজায় লাগে।

আগে খেয়ে ফেলি পরেরটা পরে দেখব এই ভাবে পারবেন না 

গরুর মাংস না খেলে মানুষ মারা যায় না।

হ্যাঁ কচি ভেড়ার মাংস আপনি বিয়ে মেরিনেট করে রান্না করে খেতে পারবেন।


শিং মাছের ঝোল পাতলা করে মাছের ঝোল মাগুর মাছের ঝোল এগুলাই চলবে 

আপনার রান্না করা মাঝেও ধনেপাতা ইউজ করতে পারবেন না। 

শুটকিও আপনার জন্য হারাম। 

মুরগি একদম পাতলা করে বাচ্চা মুরগি বেশি করে সিদ্ধ করে যাতে মাংস খুলে খুলে আসে আপনি চুমুক দিয়ে দিয়ে খেতে পারেন পাতলা জাও ভাত দিয়ে।

আপনার জন্য সুখবর হচ্ছে আপনি আবার প্যাকেটজাত ও সিরিয়াল গুলো খেতে পারবেন। 

তবে আবার একই সাথে দুঃসংবাদ হচ্ছে এগুলোর সাথে দুধ মিশিয়ে খেতে পারবেন না। 

আপনাকে হালকা গরম পানিতে এগুলো নরম করে চুমুক দিয়ে খেয়ে ফেলতে হবে।

জীবন একটাই।সব সময় অসুস্থ  চলার থেকে জীবনটাকে উপভোগ করা শিখুন।

যেসব আত্মীয়-স্বজন আপনাকে জোর করে গরুর মাংস খাওয়ায় তাদেরকেও জীবন থেকে বাদ দিয়ে দিন।

গরুর মাংস যেদিকে থাকবে আপনি সেদিকে হাঁটবেনও না।

হালিম খাওয়া যাবেনা মসুরের ডাল খাওয়া যাবেনা। 

মুগ ডাল খেতে পারবেন।

মাসকালাই ডাল খেতে পারবেন না।

বার্লি খেতে পারবেন।

জীবনের চটকদার মজাদার ভুনা মসলাদার গরুর মাংস খেতে খেতে জীবনটাকে ফিকে করে ফেলেন 

আরেকদল আছে গরম গরম চা চুলার থেকে নামাই মাত্র খেয়ে ফেলে।

এটাও আলসারের আরেকটা বড় কারণ।চা একটু মিডিয়াম ঠান্ডা করে খান। দুধ চা তো একেবারেই না।


আপনি ভালো থাকলেই আমরা ভালো থাকি।

নিচের টলটলে পানি দেখে মনে হচ্ছে না এর চেয়ে না খেয়ে থাকা অনেক ভালো।

আমার একটুও মনে হয় না আমি কখনো আলসারের রোগী ছিলাম না বাবার গ্যাস্ট্রাইটিস এর কোন সমস্যা নাই 

কিন্তু আমি তেল মসলাদার খাবার অনেকাংশে এড়িয়ে চলি 

এবং আমি গ্যাসের ওষুধ খেয়ে দাওয়াতে যাই না।

আমি দুধ চা খাই না

আমার ফিটনেসে আমার এই লোভ সংবরণ করা দুটি চোখ অনেকাংশেই যোদ্ধার মত কাজ করে।

ভালো থাকুন।

লবণ কম খেতে বলেছি কেন জানেন?

যেকোনো ধরনের ইনফ্লামেশন বা বডিতে কোন রক্তক্ষরণ হতে থাকলে বা কোন ঘা থাকলে সেটা শুকাতে 

লবণ বাধা দেয়। লবন শরীরে অতিরিক্ত পানি ধরে রাখে।

তাই একটু লবণ কমিয়ে রাখলে আপনার তেমন কিছু যাবে আসবে না বেঁচে থাকার জন্য সুস্থ হয়ে যান।

হসপিটালের বেডে কাটানো দিনগুলোতে আপনার কাছে মনে হবে যে সুস্থতা আল্লাহর কাছে পাওয়ার সবচেয়ে বড় নেয়ামত। তখন মনে হবে যে লবণ ছাড়া কেন আমাকে মনে হয় একটু সিদ্ধ করে দিলেই আমি সে খাবারটা খেতে পারব।

তাই পরে আফসোস না করে শুরু থেকেই নিজেকে সংবরণ করুন।

বাবায় কইছে, আমারে বাল্যশিক্ষা বই কিন্না দিবে’-

 “বাবায় কইছে, আমারে বাল্যশিক্ষা বই কিন্না দিবে’-


 ঐতিহাসিক সেই গানের কথা আজ অনেকেই হয়ত ভুলে গেছেন। এখন অধিকাংশ বাবা বাল্যকালেই তার সন্তানের হাতে বইয়ের পরিবর্তে তুলে দিচ্ছেন মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য ডিভাইস। তাই হারিয়ে গেছে বাল্যশিক্ষা ও আদর্শলিপি বইয়ের প্রচলন। ফলে বর্তমান প্রজন্ম শিশুকালের একসময়ে বহু পরিচিত বইয়ের নাম আজ ভুলে গেছে। 


আমার বা আমাদের শৈশবে বর্নমালায় হাতেখড়ি এই বাল্যশিক্ষায়।ছোট্র এই বইটির কয়েকটি পৃষ্টাতেই গড়েছিলো শিক্ষা জীবনের বুনিয়াদ।আমাদের শেকর ঐ বাল্যশিক্ষাতে হলে আমরা সেই শৈশবের শিক্ষাটুকুও ধারন করতে পারিনি।একটা বাল্যশিক্ষার শিক্ষাটুকু একটা মানুষকে সারাজীবন আলোকিত রাখতে পারে।হিতোপদেশ গুলো আজো মনে পড়ে, কিন্ত বাস্তব জীবনে প্রতিফলন প্রতিপালন করা সম্ভব হয়নি।যদি হতো তবে আজকের সমাজের নৈতিক অবক্ষয় এভাবে দেখতে হতোনা।


আমরা আমাদের নৈতিক অবক্ষয় ঠেকাতে আবারো ফিরতে চাই রামসুন্দর বসাক প্রনীত সেই বাল্যশিক্ষায়।যে বাল্যশিক্ষায় মিশে আছে মানব জীবনের অমিয় শিক্ষা।

১৮৭৭ সালে প্রথম প্রকাশ হয়ে যে আলো জ্বলে উঠেছিলো প্রায় দেড়শত বছর পরও সে আলো এতটুকু ম্লান হয়নি।


বইটির প্রতিটি পৃষ্ঠা প্রতিটি বাক্য বা অক্ষরে মিশে আছে বাবা মায়ের স্মৃতি। কুপি বাতির আলোতে চট বিছিয়ে বাবা আঙ্গুলে ধরে ধরে অ আ শেখানো,পাশে বসে মায়ের হাত পাখার বাতাস, সব মনে পড়ে।বিছানায় শুয়েও মা পড়াতেন অ-অসৎ সঙ্গ ত্যাগ করো।

নৈতিকতার মূল ভীত রচিত হয়েছিলো।


নিকলী পরিক্রমা

অচেনা (প্রথম পর্ব) রুচিরা ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মাস ছয়েক ধরে লক্ষ্য করছি,বড় ভাইয়া যেদিন রাতে বাড়ি ফিরে সেদিন ভাবি লিপস্টিক , কাজল ,পাউডার দিয়ে সেজেগুজে টেবিলে খাবার সাজিয়ে, ভাইয়ার জন্য অপেক্ষা করে । ভাইয়ার জন্য সেজেছে বলে ভাবীর মুখে একরাশ লজ্জা ঘিরে থাকে ।লজ্জায় ভাবি তার মাথার ঘোমটা  কারনে অকারণে বারবার টানতে থাকে,, ঘোমটার টানে ভাবির  চুল অনেক বেশি এলোমেলো হয়ে যায় ।ভাবিকে খুব অচেনা দেখায়  তখন।


ব্যাপারটা এমন নয় যে  ,বড় ভাইয়া ছয়মাস কিংবা এক বছর পর পর বাড়ি আসে ।বড় ভাইয়া প্রতি সপ্তাহে একদিন বাড়ি আসে ।তাছাড়া ভাইয়া যে খুব দূরে থাকে তাও না, যে বাড়িটাতে এখন আমরা থাকি সেটা নারায়ণগঞ্জে...এটা ছাড়াও আমাদের আরো বাড়ি আছে এই শহরেই।ভাইয়া আগে এখানে থেকেই সব ব্যবসা করত ।এখন ভাইয়ার  ব্যবসা অনেক অনেক বড় হয়েছে,, সেজন্যই  ঢাকায় থাকতে হয় । নিজের ব্যবসার সবকিছুই ভাইয়া নিজে দেখাশোনা করে। আমাকে বা ছোট ভাইয়াকে ব্যবসা থেকে বেশ দূরেই রাখে। ব্যবসা দেখাশোনার সুবিধার্থে ঢাকায় একটা বাড়িও কিনেছে ইতিমধ্যে থাকার জন্য।বিদেশেও যাচ্ছে আজকাল দেখছি।


 যাই হোক,  বড় ভাবীর প্রসঙ্গে আসি।সকাল থেকে ভাইয়া আর বাড়ির বাকি সবার জন্য রান্না করে করে ভাবী ক্লান্ত হয়ে যায়। ভাইয়া আর বাকি সবাইকে এক না করার কারণ হলো এই বাড়িতে দুই রকমের রান্না হয়। বাড়ির সব সদস্যদের জন্য একরকম আর ভাইয়ার জন্য আরেকরকম।বাসায় সবাই যত‌ই ভাবীকে বলে, কাজের লোক  তো আছে কয়েকটা...তারাও তো রান্না করতে পারে .... কিন্তু ভাবি খুব বেশ একটা রাগ আর লজ্জা মিশিয়ে বলতে থাকে,,, "জানোই তো তোমাদের ভাই আমার রান্না ছাড়া খেতেই পারে না... আর বাবার কতো বয়স হয়েছে, তার কি এখন কাজের লোকের রান্না মুখে রুচে? বাচ্চারাও তো আমার হাতের রান্না খেতে চায়,, এখন কি করা? কষ্ট করে করি "… মনে হবে যেন রান্নার জন্য ভাবীর খুব কষ্ট হয় ...কিন্তু সত্যি এটাই যে ভাবি নিজের খুশিতেই এইসব রান্নাবান্না করে। 

শুধু তাই নয়,,আমার এই মহান ভাবী  প্রতিদিন ভাইয়ার জন্য নারায়ণগঞ্জ থেকে রান্না করে ঢাকায় পাঠান।ড্রাইভারকে দিয়ে দুপুর বারোটার আগে  ভাইয়ার জন্য সব রান্না করে পাঠানো হয়। 

এর পেছনে  ভাবীর একনিষ্ঠ ভালোবাসা ছাড়া আরও একটা কারণ আছে। সেটা হল কয়েক বছর আগে ভাইয়ার হঠাৎ করে খুব শরীর খারাপ হয় ।বড় ভাইয়ার বয়স পঞ্চান্ন, অসুখ বিসুখে ভোগার মোক্ষম বয়স এটা। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জানা যায় হার্টে ব্লক আছে । শুনে ভাবি একেবারে অস্থির হয়ে পড়ে। আল্লাহর রহমতে বড় ভাইয়া ভাবীর চার মেয়ে। একজনের‌ও বিয়ে হয়নি, বড় মেয়ে প্রাইভেট মেডিকেলে পড়ছে,, এরপরের জন এইচএসসি দিবে আর তারপর দুটো জমজ মেয়ে ক্লাস এইটে পড়ে।এই অবস্থায় ভাইয়ার ভালো মন্দ কিছু হলে মেয়েদের নিয়ে ভাবী কোথায় যাবে? অনেক ডাক্তার, ওষুধ চলার পর শেষ পর্যন্ত ,,ভাবী ভাইয়ের জন্য কিটো ডায়েট নামে এক ডায়েট শুরু করেছে ।সেই রান্নার যোগান করতে করতে ভাবির দিন পার হয়ে যায় ।  


 তবে বলা  যায়  ...ভাইয়া এখন আগের চেয়ে অনেক সুস্থ ।বেশ ফিট লাগে ভাইয়াকে আজকাল ।কিছুদিন আগেই থাইল্যান্ডে গিয়ে সমস্ত চেক আপ করে এসেছে। সব রিপোর্ট ভালো,  আর রিপোর্ট ভালো এসেছে শুনে মহা আনন্দে ভাবী এই ডায়েট আরো কড়া ভাবে চালু রেখেছে।


আমার ভাবী শুধু যে আগ্রহ নিয়ে রান্না করে তাই না,,, বাড়ির সমস্ত সাংসারিক কাজে ভাবী ভীষণ দক্ষ। এই বাড়িতে ভাবী আসার কিছুদিন পর আমার জন্ম হয়। সন্তান জন্মের জন্য আম্মার বয়সটা উপযুক্ত ছিল না। আমার জন্মের চারদিন পর আম্মা মারা যান। কয়েকদিনের এই ছোট্ট আমাকে নিয়ে সবার দুশ্চিন্তার সীমা ছিল না। আত্মীয়-স্বজন সবাই আব্বাকে আবার বিয়ে করার জন্য নানাভাবে চাপ দিয়েছিল। কিন্তু আব্বার অগাধ আস্থা ছিল বড় ভাবীর উপর। ভাবী 

কে ডেকে নিয়ে আব্বা বলেছিল," রুকু মা,তুই আমার একমাত্র ভরসা মা ..আমার ছোট্ট জাহাঙ্গীরকে তুই দেখবি তো?"

আম্মা শখ করে মোগল সম্রাটদের নামে আমাদের তিন ভাইয়ের নাম রেখেছিলেন। আলমগীর,আকবর আর আমি জাহাঙ্গীর।আর ভাবীর নাম রোকেয়া, আদর করে আব্বা রুকু ডাকেন।

  আব্বার কথায়  সেই যে ভাবী আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরেছিল,, এরপর আর কখনো আমাকে মায়ের অভাব বুঝতে দেননি। আমি একটু বড় হওয়ার আগ পর্যন্ত ভাবী নিজের সন্তান নেওয়ার কথা চিন্তা করেননি। আমাকে কোলে পিঠে করে বড় করেছেন ঠিক আমার মায়ের মতো করে।বড় ভাইয়া কোন এক অজানা কারণে আমাকে পছন্দ করেননা, খুব একটা কথাও বলেন না....হয়তো আমাকে আম্মার মৃত্যুর জন্য দায়ী করেন।আর ছোট ভাইয়া ঝগড়া করে ব্যবসা বুঝে নিয়ে আলাদা হয়ে গেছেন বহু আগে।তাই নিজের সংসারের পাশাপাশি বৃদ্ধ শশুর আর মা হারা দেবরকে ভাবীই আগলে রাখেন। এজন্যই ভাবীর জন্য আমার অগাধ মায়া ,,ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা।সব করতে পারি আমি, এই মানুষটার জন্য।


আজ‌ও বড় ভাইয়া বাড়ি আসবে বলে সেজেগুজে অপেক্ষা করছিল ভাবী। সংসারের বাকি সব কাজ যতটা দক্ষতার সাথে করে, নিজের সাজের বিষয়ে ততটাই কাঁচা আমার ভাবী। নিজের প্রতি সবসময় বড্ড উদাসীন।তা না হলে লিপস্টিক সবসময় ভাবীর দাঁতে লেগে যায়, কাজলটাও ঠিক ঠাক দিতে পারে না। পাউডার কেমন ভেসে ভেসে থাকে।আর চুলের কথাতো বলেছি...বারবার ঘোমটার টানে চুলটা একদম অগোছালো হয়ে যায়। মিষ্টি মুখের ভাবীকে বড় অচেনা লাগে। একবার দুবার নয়, যতবার সাজে এমন‌ই হয়।


আমার খুব ইচ্ছা করে বলতে যে "ভাবী তুমি সাজটা ধূয়ে ফেলো" কিন্তু  ভাবী হয়তো কষ্ট পাবে ,আরো বেশি লজ্জা পাবে... এই ভেবে আর  বলিনা ।


কলিং বেলের শব্দে ভাবী দৌড়ে দরজা খুলে দিল।


বড় ভাইয়ার সাথে একটা মেয়ে, দেখতে বেশ সুন্দরী, চেহারার মধ্যে  কেমন একটা তাচ্ছিল্যের ভাব।


বড় ভাইয়া মেয়েটাকে হাত ধরে ভিতরে এনে বসিয়ে দিলো।


ভাইয়ার সাথে মেহমান দেখে ভাবী আরো ব্যস্ত হয়ে গেলো।


___মেহমান নিয়ে আসবেন, আগে ফোন করে একটু জানাবেন না ? এখন তো ঘরের রান্না দিয়েই মেহমান খাওয়াতে হবে। আপনার কবে একটু বুদ্ধি হবে, বলেন তো?

__ভাবী লিপস্টিক লাগানো দাঁত বের করে হেসে হেসে ভাইয়াকে অভিযোগ করছে।

__ভাইয়া কিছু না বলে আব্বার ঘরে ঢুকে গেল, আর এরপর যা শুনলাম তাতে আমি কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেললাম।

বড় ভাইয়ার হাবভাব আর মেয়েটার সাথে ভাইয়ার আচরণ দেখে আমার প্রথমেই একটু খটকা লাগছিল কিন্তু আমি কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না যে নিজের বড় মেয়ের কাছাকাছি বয়সী কোন মেয়েকে এই বয়সে বিয়ে করে বাড়িতে এনে তুলতে পারে।


বড় ভাইয়ার ভাষ্যমতে,ভাবীর উপর তার কোন অভিযোগ নেই, তবে চার চারজন মেয়ের বাবা হয়ে ভাইয়া থাকতে চায় না। এতো বড় ব্যবসা ভাইয়ার, ছেলে না হলে এই সম্পদ ভাইদের কাছে যাবে।এতো কষ্টের সম্পদ রক্ষা করার জন্যই ভাইয়া বিয়ে করেছেন। তার নতুন ব‌উটি এখন সন্তান সম্ভবা এবং ডাক্তার বলেছে ছেলে সন্তান আছে ভাইয়ার নতুন ব‌উএর গর্ভে। এখন তার সেবা যত্ন দরকার।তাই বাড়িতে নিয়ে এসেছেন যেন বড় ভাবী ঠিক মতো যত্ন করে খাওয়াতে পারে। 

বাড়ির সব মানুষ আচমকা এই ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে গেল। জানিনা কি এক অদৃশ্য মাধ্যমে আধা ঘন্টার মধ্যে গোটা পাড়ায় খবরটা জানাজানি হয়ে গেলো। আমাদের সাজানো সুখের বাড়িটা মরা বাড়ির মতো হাহাকার করতে শুরু করলো।

____সারাজীবন এই সংসারে দাসীর মত খেটে ভাবীর কপালে এই জুটলো শেষমেশ !এই আহাজারি সব পাড়া প্রতিবেশীর মুখে।


পাড়া প্রতিবেশীর কাছে ভাবীর যথেষ্ট সুনাম। তাদের তোপের মুখে ভাইয়ার সুন্দরী, সন্তান সম্ভবা নতুন ব‌উ অসুস্থ বোধ করছিল, তাই ভাইয়া কোলে করে নতুন ব‌উ কে নিয়ে বেডরুমে দরজা বন্ধ করে দিয়েছে। অথচ  হার্টের সমস্যা আছে বলে, পাঁচ কেজির ব্যাগ উঠাতেও দেয় না ভাবী, ভাইয়া কে।

এইসব দেখে...

এই বৃদ্ধ বয়সে, শিশুর মতো কাঁদছেন আব্বা, তার চার নাতনি কে জড়িয়ে ধরে।

বাড়ির কাজের লোকগুলো পর্যন্ত বিলাপ করছে...

শুধু একজন এবাড়িতে কাঁদছে না, বড় ভাবী...


 ভাবীর মুখের দিকে তাকিয়ে ভীষণ ভয় হলো আমার।এক টেবিল ভর্তি খাবার সামনে নিয়ে বসে আছে। ভাবীর মুখে কেমন একটা অদ্ভুত হাসি যেন,, চোখদুটো বড্ড স্হির , অশ্রুহীন।

কারো এরকম চেহারা , আমি কখনো দেখিনি আগে...


চলবে.....


(প্রিয় পাঠক,পরের পর্বেই শেষ করবো)


অচেনা (প্রথম পর্ব)

রুচিরা

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:১২-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:১২-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: রাজনৈতিক পরিচয় নয় অপরাধীদের অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করতে পুলিশ বাহিনীকে নির্দে...