এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১৬-১১-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১৬-১১-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


তিন দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলন শুরু --- জেলা প্রশাসকদের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও বাজার ব্যবস্থা তদারকি জোরদারের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার।


জুলাই আন্দোলনের সময় গণমাধ্যমের ভূমিকার দলিল তৈরির ওপর জোর দিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব। 


দেশ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার তৃতীয় ও শেষ পর্ব। 

 

৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশ পুনর্গঠন করতে চায় বিএনপি --- বললেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

 

দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয় আলোচনার জন্য আগামীকাল ভারতে শুরু হচ্ছে বিজিবি ও বিএসএফ এর চার দিনব্যাপী মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলন। 

 

ইউক্রেন যুদ্ধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষিতে আগামীকাল জরুরি বৈঠকে বসবেন ইউরোপীয় নেতৃবৃন্দ।


এবং লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে জমকালো আয়োজনে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির নবম আসরের পর্দা উঠলো আজ।

বইঃ হিগস বোসন বা গড পার্টিকেল ধরনঃ বিজ্ঞান গ্রন্থ hassan tareque Chowdhury ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বইঃ হিগস বোসন বা গড পার্টিকেল

ধরনঃ বিজ্ঞান গ্রন্থ

লেখকঃ হাসান তারেক চৌধুরী

প্রকাশকঃ ভাষাচিত্র

মূদ্রিত মূল্যঃ ৫৫০ টাকা 

প্রাপ্তিস্থানঃ ভাষাচিত্র, ১৩ নং প্যাভিলিয়ন, অমর একুশে বইমেলা

রকমারিঃ https://www.rokomari.com/book/452527/higs-boson-ba-god-pertical

 

সংক্ষিপ্ত পরিচয়ঃ  

৪ঠা জুলাই ২০১২ তারিখে সুইজারল্যান্ডের ‘ইউরোপিয়ান কাউন্সিল ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ’ বা CERN থেকে আসা এক বিশেষ ঘোষনা সারা বিশ্বে তোলপাড় ফেলে দেয় - বিজ্ঞানীরা ‘হিগস বোসন’ বা ‘গড পার্টিকেল’ আবিষ্কার করেছেন। কণা পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে এ ছিলো এক ঐতিহাসিক ঘটনা। 

হিগস বোসন খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা রীতিমত এক দক্ষযজ্ঞ আয়োজন করেছিলেন। যে যন্ত্রটি ব্যবহার করে হিগস বোসন আবিষ্কার সেটি আজ পর্যন্ত মানুষের তৈরি সবচেয়ে বড় যন্ত্র। শুধু তাই না, এটি বিজ্ঞানের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল আবিষ্কার।  

‘হিগস বোসন বা গড পার্টিকেল’ বইটিতে তুলে ধরা হয়েছে কী এই হিগস বোসন? কেন এটি এতো গুরুত্বপূর্ণ? কেনই-বা একে গড পার্টিকেল নামে ডাকা হয়? এছাড়াও আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারণা এতে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যেমন, কণা তত্ত্ব থেকে কীভাবে তরঙ্গ তত্ত্বের সূচনা হলো, ধাপে ধাপে কীভাবে কণা পদার্থবিজ্ঞানের স্টান্ডার্ড মডেলটি গড়ে ওঠে, কীভাবে এর সাহায্যে হিগস ফিল্ড ও হিগস বোসন সম্পর্কে অনুমান করা হয়েছিল এবং কীভাবে হিগস বোসন আবিষ্কার হলো, তার ধারাবাহিক ইতিহাস। 

লেখকের ‘সময়ঃ বিজ্ঞান ও অনুভবে’, ‘ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জি’ এবং ‘মস্তিষ্কঃ বিজ্ঞান ও রহস্যে’ বইগুলো দেশ-বিদেশের হাজারও পাঠককে টেনে নিয়ে গেছে মহাবিশ্বের নানা রহস্যের গভীরে। নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, লেখকের এই নতুন যাত্রায় সামিল হয়ে আমরা আবারও হারিয়ে যেতে পারবো মহাবিশ্বের আরেকটি গভীর আরেক রহস্যে, অন্তর্চক্ষু দিয়ে অবলোকন করতে পারবো আরেক মহাবিস্ময়। 


পাঠসূচি


হিগস বোসন কী এবং কীভাবে কাজ করে

ঐতিহাসিক আবিস্কারঃ হিগস বোসন 

বস্তুর ভরের জন্য হিগস বোসন ও হিগস ফিল্ড কেন প্রয়োজন?

হিগস বোসন যেভাবে ‘গড পার্টিকেল’ নামে পরিচিতি পায়

হিগস বোসন ও হিগস ফিল্ড আবিষ্কার


কণা থেকে তরঙ্গ 

কণা তত্ত্বের সূচনা 

মৌলিক কণা

কোয়ান্টাম তত্ত্বের সূচনা

কোয়ান্টাম বিপ্লব 

বোরের পরমাণু মডেল 

ফটোইলেকট্রিক ইফেক্ট    

ডি ব্রগলি সমীকরণ – তরঙ্গ তত্ত্বের সূচনা 

পাউলি বর্জন নীতি

হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতি

শ্রোডিঙ্গার তরঙ্গ সমীকরণ


মৌলিক কণার স্ট্যান্ডার্ড মডেল 

ফার্মিয়ন কণা

বোসন কণা ও বল পরিবহণ

হিগস বোসনের ভবিষ্যদ্বাণী  

স্পিন সংখ্যা

স্ট্যান্ডার্ড মডেল ও কোয়ান্টাম ফিল্ড তত্ত্ব


হিগস মেকানিজম ও বস্তুর ভরের রহস্য

কোয়ান্টাম ফিল্ড

হিগস ফিল্ড ও হিগস বোসন

হিগস ফিল্ড যেভাবে কাজ করে


হিগস বোসন ও হিগস ফিল্ড ধারণাটি কীভাবে এলো?

৫ 

প্রকৃতির সংরক্ষণ নীতি ও সিমেট্রি 

গণিতবিদ এমি নোয়েতার 

সিমেট্রি ও এমি নোয়েতারের তত্ত্ব

হারম্যান ওয়েইল ও তার তত্ত্ব


ফিল্ড তত্ত্বের সূচনা  

পল ডিরাকের কোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরি

ডিরাক সমীকরণ

নিউক্লীয় বলের বাহক হিসেবে নতুন কণার ভবিষ্যদ্বাণী 


সবল বলের কোয়ান্টাম ফিল্ড তত্ত্বের সন্ধানে 

হাইজেনবার্গ ও পাউলির প্রাথমিক চেষ্টা 

কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডাইনামিক্স

ইয়াং ও মিলস-এর তত্ত্ব


দুর্বল বলের কোয়ান্টাম ফিল্ড তত্ত্বের সন্ধানে 

মৌলিক কণার নতুন বৈশিষ্ট্য - স্ট্রেঞ্জনেস 

ইলেকট্রো-উইক বল

মৌলিক কণাগুলোর প্রাথমিক শ্রেণিবিন্যাস


কোয়ার্ক তত্ত্বের বিকাশ 

থ্রি কোয়ার্কস ফর মাস্টার মার্ক 

কোয়ার্ক তত্ত্বের পরীক্ষামূলক প্রমাণ  


১০

হিগস ফিল্ড তত্ত্ব 

সুপারকন্ডাক্টর ও কুপার পেয়ার 

স্বতস্ফুর্তভাবে সিমেট্রি ভাঙ্গা ও বস্তুকণার ভর অর্জন  

হিগস মেকানিসজম 


১১

সবল এবং দূর্বল নিউক্লীয় বলের সমাধান 

পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রো-উইক তত্ত্ব

কোয়ান্টাম ক্রোমোডাইনামিক্স ও সবল বলের ফিল্ড তত্ত্ব

অ্যাসিম্পোটিক স্বাধীনতা


এবার খোঁজার পালা- হিগস বোসন ও হিগস ফিল্ড আবিষ্কার

১২

পার্টিকেল অ্যাক্সিলারেটর 

পার্টিকেল অ্যাক্সিলারেটর আসলে কী ধরণের যন্ত্র?

বিভিন্ন ধরণের পার্টিকেল অ্যাক্সিলারেটর

পার্টিকেল কোলাইডারে নতুন কণা আবিষ্কার হয় কীভাবে?


১৩

অনাবিষ্কৃত কণা খোঁজার পালা 

নভেম্বর রেভ্যুলুশন

আপসাইলন কণা আবিষ্কার  

W ও Z বোসন আবিষ্কার 


১৪

শুরু হলো হিগস বোসন আবিষ্কারের প্রতিযোগিতা 

সুপারকন্ডাক্টিং সুপারকোলাইডার (SSC)

লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার (LHC)

সুপারসিমেট্রি 

তৈরি হলো লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার


১৫

আবিষ্কার হলো হিগস বোসন 

হিগস বোসন আবিষ্কারের গুজব ও নতুন উত্তেজনা

ধরা দিলো হিগস বোসন 

এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ - হিগস বোসন আবিষ্কারের ঘোষণা 


১৬

হিগস বোসনের পরে কী?  

নির্ঘন্ট

সহায়ক পাঠ

ফেসবুকে অনেক ফ্রেন্ড ইনবক্সে বলে ঠান্ডা লাগছে মোনাস ১০ খেয়েছে আর কি খাবে?,,,,,,,,,,,Stop irrational use of monteleukast...

 ফেসবুকে অনেক ফ্রেন্ড ইনবক্সে বলে ঠান্ডা লাগছে মোনাস ১০ খেয়েছে আর কি খাবে? জিজ্ঞেস করি মোনাস কেন ? উত্তর আসে ঠান্ডাতে একবার ডাক্তার খেতে দিয়েছেন তারপর থেকে ঠান্ডা লাগলে এটা খায়.. এটা ছাড়া নাকি তার ভালো হয় না। 😑😑


Stop irrational use of monteleukast.... 

মিসেস এক্স বয়স 55 বছর, হাইপারটেনশন ও ডায়াবেটিস এর রোগী। নিয়মিত প্রেসার ও ডায়াবেটিস এর ঔষধ খান। প্রেসার ও ডায়াবেটিস দুটোই কন্ট্রোল এ আছে। রোগীর নিজের কোন সমস্যা নেই, কিন্তু উনার বাসার লোকজন উনাকে নিয়ে আসছেন। উনার মেয়ে জানান- গত 5 মাস থেকে উনার মধ্যে একটা পরিবর্তন লক্ষ্য করছেন, উনি কারো সাথে কথা বলেন না, শুধু কেউ কিছু বললে উত্তর দেন, সব সময় চুপচাপ থাকেন, বাসায় কোন আত্নীয় এমনকি উনার বোন বাসায় আসলেও বসতে বলেন না, খেতে বলেন না ইত্যাদি। 

উনারা ইতিমধ্যে কয়েক জায়গায় কনসালটেশন নিয়েছেন। কিন্তু কোন চেঞ্জ নেই। 


আমি উনাকে জিজ্ঞাসা করলাম কি অসুবিধা, উনার উত্তর কোন সমস্যা নেই। ক্লিনিক্যাল এক্সাম এ সব কিছু নরমাল। তবে উনার ফেস দেখে মনে হয় টিপিক্যাল ডিপ্রেসড ফেস। আমি রুটিন টেস্ট, FBS, 2ABF, থাইরয়েড টেস্ট করতে দিলাম। 


সব রিপোর্ট নরমাল। এবার আমি রোগীর সাথে একা কথা বলতে চাইলাম। রোগীর এক ছেলে ও এক মেয়ে ভার্সিটিতে পড়ে। রোগীর সাথে একান্ত কথা বলায় কোন ধরনের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক কনফ্লিক্ট নেই। 


আমি রোগীর মেয়েকে ডেকে উনার সার্বিক অবস্থা জানালাম- রোগী ডিপ্রেশনে ভুগছেন, কিন্তু ডিপ্রেশনের কোন কারন পাওয়া যাচ্ছে না। আমি বললাম হয়ত উনার মেয়ে বড় হচ্ছে তার বিয়ে নিয়ে উনি চিন্তিত থাকেন, টেনশন করেন ইত্যাদি। 


এবার রোগীর মেয়ে জানাল যে রোগী বিগত 5 বছর ধরে Monteleukast খান, একজন ডাক্তার এটি বন্ধ করে দেন। এরপর একদিন উনি এসি ছেড়ে রেস্ট নিচ্ছিলেন, সেই সময় উনার দম বন্ধ হয়ে আসে। উনি মনে করেন কে monteleukast বন্ধ করার কারনে এমন হয়, উনি আবারও এটি খাওয়া শুরু করেন। এরপর থেকেই তার সমস্যাগুলো শুরু হয়। 


Monteleukast এর জন্য   FDA black box warning দিয়েছে যে এটি ব্যবহারের পর রোগীর suicidal thought, agitation, anxiety, depression, behavioral change হতে পারে। এইজন্য যাদেরকে monteleukast দেয়া হবে তাদেরকে এগুলো মনিটর করতে হবে। কোন ধরনের চেঞ্জ পেলে বন্ধ করে দিতে হবে। 


Take home message: 

1. Use monteleukast only if it is absolutely indicated. Indications are asthma (as preventer), allergic rhinitis, allergic dermatitis. 

2. Monitor the patient for any change of behavior and stop immediately if any. 


ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতাল

রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

মোট নদ-নদীর হিসাব

 1. মোট নদ-নদী- প্রায় ৭০০টি।

2. ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা নদী- ৫৫টি।

3. মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা নদী- ৩টি।

4. বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক নদী- ১টি (পদ্মা) যার ভারতীয় নাম গঙ্গা।

5. মোট আন্তঃসীমান্ত নদী- ৫৮টি।

6. বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়া নদী- ১টি (কুলিখ)।

7. বাংলাদেশে উৎপত্তি ও সমাপ্তি এমন নদী- ২টি (হালদা ও সাঙ্গু)।

8. বাংলাদেশ থেকে ভারতে গিয়ে আবার বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে- আত্রাই।

9. বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে বিভক্তকারী নদী- নাফ (৫৬ কিমি)।

10. বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী নদী- হাড়িয়াভাঙ্গা।

11. হাড়িয়াভাঙ্গার মোহনায় অবস্থিত- দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ (ভারতে নাম পূর্বাশা, এই দ্বীপের মালিকানা নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে।)।

12. প্রধান নদী- পদ্মা।

13. দীর্ঘতম নদী-মেঘনা।

14. দীর্ঘতম নদ- ব্রহ্মপুত্র (একমাত্র নদ)।

15. প্রশস্ততম নদী- যমুনা।

16. সবচেয়ে খরস্রোতা নদী- কর্ণফুলী।

17. বাংলাদেশের একমাত্র আন্তর্জাতিক নদী- পদ্মা।

18. চলন বিলের মধ্য দিয় প্রবাহিত নদী- আত্রাই।

19. জোয়ার-ভাঁটা হয় না- গোমতী নদীতে

20. প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র- হালদা নদী

21. বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে বিভক্তকারী নদী- নাফ

22. বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী নদী- হাড়িয়াভাঙ্গা

23. বাংলাদেশ থেকে ভারতে গিয়ে আবার বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে- আত্রাই

24. বরাক নদী বাংলাদেশে ঢুকেছে- সুরমা হয়ে (পরে মেঘনায় গিয়ে মিশেছে)

25. যমুনার সৃষ্টি হয়- ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পে

২৬. কুমিল্লার দু:খ বলা হয়-গোমতীকে (জোয়ার-ভাটা হয় না)।


#বিভিন্ন নদীর পূর্বনাম

1. যমুনা> জোনাই নদী

1. বুড়িগঙ্গা> দোলাই নদী (দোলাই খাল)

1. ব্রহ্মপুত্র> লৌহিত্য

26. নদী সিকস্তি- নদী ভাঙনে সর্বস্বান্ত

27. নদী পয়স্তি- নদীর চরে যারা চাষাবাদ করে

28. ফারাক্কা বাঁধ- গঙ্গা নদীর উপরে (বাংলাদেশে এসে গঙ্গা ‘পদ্মা’ নাম নিয়েছে)

29. বাকল্যান্ড বাঁধ- বুড়িগঙ্গার তীরে (১৮৬৪ সালে নির্মিত)

30. টিপাইমুখ বাঁধ- বরাক নদীর উপরে (ভারতের মণিপুর রাজ্যে)

31. কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র- কর্ণফুলী নদীর উপর (১৯৬২ সালে নির্মিত)

32. চট্টগ্রাম বন্দর- কর্ণফুলী নদীর তীরে

33. মংলা (খুলনা) বন্দর- পশুর নদীর তীরে

34. মাওয়া ফেরিঘাট- পদ্মার তীরে

35. প্রধান নদীবন্দর- নারায়ণগঞ্জ

36. নদী গবেষণা ইন্সটিটউট- ফরিদপুর

37. নদী উন্নয়ন বোর্ড- ঢাকায়।


#বিভিন্ন নদীর উৎপত্তিস্থল-

1. পদ্মা> হিমালয়ের গঙ্গৌত্রি হিমবাহ

1. ব্রহ্মপুত্র> তিব্বতের মানস সরোবর

1. যমুনা> তিব্বতের মানস সরোবার

1. মেঘনা> আসামের লুসাই পাহাড়

1. কর্ণফুলী> মিজোরামের লুসাই পাহাড়।


#নদী তীরবর্তী শহর:

* ঢাকা = বুড়িগঙ্গা

* চট্টগ্রাম= কর্ণফুলী

*কুমিল্লা= গোমতী ডাকাতিয়া 

*রাজশাহী= পদ্মা

* মহাস্থানগড়= করতোয়া

* বরিশাল= কীর্তনখোলা

*খুলনা= রূপসা

* টঙ্গী=তুরাগ

* চাঁদপুর= মেঘনা

* গাজীপুর= তুরাগ

*সুনামগঞ্জ= সুরমা

* মংলা= পশুর

* ভৈরব=মেঘনা

* রংপুর= তিস্তা

* টাঙ্গাইল= যমুনা

* পঞ্চগড়= করতোয়া

*. কক্সবাজার=নাফ

* নাটোর=আত্রাই

*দৌলতদিয়া= পদ্মা

*কুষ্টিয়া= গড়াই।


#দ্বীপ

1. পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ------ বাংলাদেশ

2. বাংলাদেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপ----- সুন্দরবন

3. বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ-----ভোলা (৩৪০৩ বর্গকিমি)

4. বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা----- ভোলা, (দ্বীপের রাণী)

5. সর্ব দক্ষিণের দ্বীপ-----ছেঁড়া দ্বীপ (না থাকলে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ)

[প্রকৃতপক্ষে, ছেঁড়া দ্বীপ সেন্ট মার্টিন দ্বীপের সর্ব দক্ষিণের অংশ। তবে জোয়ারের সময় এটি সেন্ট মার্টিন দ্বীপ থেকে আলাদা হয়ে যায় ।]

6. একমাত্র সামুদ্রিক প্রবাল দ্বীপ----- সেন্ট মার্টিন দ্বীপ

7. নিঝুম দ্বীপ অবস্থিত----- মেঘনা নদীর মোহনায়

8. নিঝুম দ্বীপের পুরোনো নাম----বাউলার চর

9. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ অবস্থিত- সাতক্ষীরা জেলায় (আয়তন---- ৮ বর্গকিমি)

10. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ অবস্থিত- হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায়

11. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অপর নাম- নিউমুর বা পূর্বাশা দ্বীপ (ভারতে এ নামে পরিচিত)

12. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ নিয়ে বিরোধ----- বাংলাদেশ ও ভারতের

13. ভারতীয় নৌ-বাহিনী জোরপূর্বক দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ দখল করে নেয়------ ১৯৮১ সালে

14. একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ----- মহেশখালি

15.আদিনাথ মন্দির আছে---মহেশখালিতে 

16. মনপুরা দ্বীপ অবস্থিত---ভোলা জেলায়

17. হিরণ পয়েন্ট ও টাইগার পয়েন্ট---- সুন্দরবনে অবস্থিত

18. বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত----কুতুবদিয়া

19. প্রাচীনকালে সামুদ্রিক জাহাজ তৈরির জন্য বিখ্যাত ছিল-----সন্দ্বীপ

20.বৃহত্তম দ্বীপ একমাত্র দ্বীপ জেলা--ভোলা।

22. সর্ব দক্ষিণের দ্বীপ------ছেঁড়া দ্বীপ

23. সামুদ্রিক প্রবাল দ্বীপ পূর্বনাম/ অপর নাম- নারিকেল জিঞ্জিরা------সেন্ট মার্টিন, ৮ কিমি।

24. পাহাড়ি দ্বীপ আদিনাথ মন্দির অবস্থিত-------মহেশখালি

55. বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত----- -কুতুবদিয়া

26. মনপুরা দ্বীপ অবস্থিত-----ভোলা জেলায়।

27. সুন্দরবনে অবস্থিত-----হিরণ পয়েন্ট

28. সুন্দরবনে অবস্থিত----টাইগার পয়েন্ট

29. সূর্য উদয় ও সূর্যাস্ত একসঙ্গে দেখা যায় যে দ্বীপ থেকে------কুয়াকাটা, পটুয়াখালী, ১৮ কিমি।


#বিল

1. সর্ববৃহৎ বিল- চলনবিল

2. চলনবিল- পাবনা ও নাটোরে অবস্থিত

3. চলনবিলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদী- আত্রাই

4. মিঠাপানির মাছের প্রধান উৎস- চলনবিল

5. তামাবিল- সিলেটে

6. বিল ডাকাতিয়া- খুলনায়

7. আড়িয়াল বিল- শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ)


#হাওড়

1. সবচেয়ে বড় হাওড়- টাঙ্গুয়ার হাওড়

2. টাঙ্গুয়ার হাওড়- ‍সুনামগঞ্জে

3. টাঙ্গুয়ার হাওড়- World Heritage (UNESCO ঘোষিত)

4. টাঙ্গুয়ার হাওড়কে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ বলে ঘোষণা করে- ২০০০ সালে

5. হাকালুকি হাওড়- মৌলভীবাজার।


[বিল ও হাওড়ের পার্থক্য মূলত- বিলে সারা বছর পানি থাকে, কিন্তু হাওড়ে সারা বছর পানি থাকে না । শীতকালে হাওড় শুকিয়ে যায়, আবার বর্ষাকালে পানিতে ভরে যায়। বিলের পানির স্তর মাটির স্তরের নিচে থাকে, তাই বিলে সারা বছর পানি থাকে। আর হাওড়ের পানির স্তর থাকে মাটির স্তরের উপরে; মূলত আশেপাশের তুলনায় নিচু হওয়ায় বর্ষাকালে ভরা নদীর পানি হাওড়ে এসে জড়ো হয়। শীতকালে নদীর পানি কমে গেলে হাওড়-ও শুকিয়ে যায় ।]


#ঝরনা

1. শীতল পানির ঝরনা- কক্সবাজারের হিমছড়ি পাহাড়ে।

2. গরম পানির ঝরনা- সীতাকুণ্ডে।


তথ্য সংগৃহীত

ধানের জমিতে যতো কুশি/পাশকাটি হবে ততো ফলন বেশি হয় এটা সত্য। ধান চাষের ভুল ধারনা

 ধানের জমিতে যতো কুশি/পাশকাটি হবে ততো ফলন বেশি হয় এটা সত্য।


কিছু অসাধু সার ও কীটনাশক ডিলারদের কু-পরামর্শে কৃষকদের মাঝে তৈরি হ‌ওয়া ভুল ধারণা গুলো তুলে ধরার পাশাপাশি সঠিক পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এই পোস্টে।


আপনি নিজে সতর্ক হোন এবং আপনার আশেপাশের কৃষকদের সতর্ক করুন।


❌ ভুল ধারনা: 

      যতো বেশি পানি রাখা যাবে ততোই বেশি 

      কুশি/পাশকাটি হবে।

✅ সঠিক উত্তর: 

      চারা রোপণের প্রথম ১২ দিন একটানা পানি 

      রাখতে হবে। ১২-৫৫ দিন পর্যন্ত জমি শুকিয়ে 

      পানি দিবেন। ৫৫ দিন থেকে দানা শক্ত পর্যন্ত 

      একটানা পানি রাখবেন। দানা শক্ত থেকে কর্তন 

      পর্যন্ত জমিতে সেচ দেওয়া যাবে না।


❌ ভুল ধারণা:

      থিয়োভিট দিলে কুশি/পাশকাটি বৃদ্ধি হয়!!

✅ সঠিক উত্তর:

      চারা রোপণের ১২-১৫ দিনে একবার, ২৫-৩০ 

      দিনে একবার এবং ৪৫-৫৫ দিনে একবার 

      ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করলে অধিক 

      পরিমাণে কুশি/পাশকাটি বৃদ্ধি পাবে।


❌ ভুল ধারণা:

      ধানের জমিতে ম্যাগনেসিয়াম এবং বোরণ সার 

      দিলে অধিক ফলন হয়।

✅ সঠিক উত্তর: 

      ধান চাষে ম্যাগনেসিয়াম এবং বোরন সার 

      ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। মাটিতে যে পরিমাণ 

      ম্যাগনেসিয়াম এবং বোরন আছে তা ধানের 

       সর্বোচ্চ উৎপাদনের জন্য যথেষ্ট।


❌ ভুল ধারণা:

      বিএডিসি ডিএপি সারের চেয়ে বাংলা ডিএপি 

       সার অধিক কার্যকরী কারণ বাংলা ডিএপি 

       সারের দাম বেশি।

✅ সঠিক উত্তর:

      সকল ডিএপি সারের কার্যকারিতা এক‌ এবং 

      দামেও এক । সকল ডিলার সরকারের 

      নির্ধারিত দামে বিক্রি করতে হবে।


❌ ভুল ধারণা:

      চিকন ইউরিয়া সার ব্যবহারে জমিতে কুশি বেশি

       উৎপাদন করে এবং জমি অধিক সময় সবুজ 

       থাকে।

✅ সঠিক উত্তর:

      চিকন দানা ইউরিয়া সার দ্রুত সময়ে গলে পানির 

      সাথে মিশে যায় এবং বাতাসে উড়ে যায়। মোটা 

      দানা ইউরিয়া সার গলতে বেশি সময় নেয় ফলে 

      গাছ বেশি সময় ধরে নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে

       পারে, অপচয় কম হয়।


❌ ভুল ধারণা:

      জীপসাম/জীপসার দিলে গাছের পাতা বড় হয়ে 

      যায় চিটা হয়।

✅ সঠিক উত্তর:

     জীপসাম না দিলে কচি পাতা হলুদ হয়ে যায়।

     ধান চাষে সঠিক মাত্রায় জীপসাম সার ব্যবহারে 

     গাছের পাতা সবুজ থাকে এবং গাছের বৃদ্ধি 

     সঠিকভাবে হয়। গাছ সহজে হেলে পরে না।


❌ ভুল ধারণা:

      ১০ সারি পরপর একসারি ফাঁকা রাখা মানে 

      লোঘো রাখলে ফলন কম হয়। মতো বেশি ঘন

      করে রোপন করা হবে ততো বেশি ফলন হবে।

✅ সঠিক উত্তর: 

      লোঘো রাখলে আলো বাতাস চলাচল বেশি হয়। 

      রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হয়।

      ইঁদুরের আক্রমণ কম হয়। সঠিক দূরত্বে চারা 

     রোপণ করলে সবগুলো গাছ সঠিকভাবে আলো 

     বাতাস পাবে এবং সবগুলো গাছেই সমান শীষ

      আসবে।


❌ ভুল ধারণা:

     সকাল বেলা বালাইনাশক স্প্রে করলে কম 

      পানিতে বেশি পরিমাণে বালাইনাশক মিশিয়ে 

      স্প্রে করলেও সমস্যা নেই কারণ ধানের পাতায়

       লেগে থাকা পানির সাথে মিশে মাত্রা ঠিক হয়ে 

       যাবে।

✅ সঠিক উত্তর:

     ধানের পাতা ভেজা অবস্থায় স্প্রে করলে 

     বালাইনাশক পাতায় না লেগে মাটিতে পরে 

     যাবে ফলে কাজ হবে না।


❌ ভুল ধারণা:

      সারের সাথে ছত্রাকনাশক, কীটনাশক এবং 

      পিজিআর মিশিয়ে ছিটালেও কাজ হবে।

✅ সঠিক উত্তর:

      সারের সাথে কীটনাশক, ছত্রাকনাশক মিশানো 

     ঠিক নয়। এতে কীটনাশক এবং ছত্রাকনাশকের

     কার্যকারিতা হ্রাস পায়।

     ধান চাষে পিজিআর স্প্রে করার প্রয়োজন নেই।


সোহেল রানা 

উপসহকারী কৃষি অফিসার 


সময়োচিত কৃষি বিষয়ক পরামর্শ পেতে Shuhal Rana  আইডি অনুসরণ করুন।


#ধান #চাষ #পদ্ধতি #সঠিক #ভুল #AgricultureTips #সতর্কতা #সেচ  #ব্যবস্থাপনা #কৃষক #farmer

গোলাপ গাছের কীটপতঙ্গ ও রোগ শনাক্তকরণ

 গোলাপ গাছের কীটপতঙ্গ ও রোগ শনাক্তকরণ


এখানে গোলাপ গাছের সবচেয়ে সাধারণ কিছু সমস্যা সম্পর্কে ব্যাখ্যা করা হলো। এগুলো চিনতে শিখুন এবং সময়মতো ব্যবস্থা নিন!


কীটপতঙ্গ:


এফিড (Aphids): এই ছোট পোকাগুলো গাছের রস শুষে নেয়, ফলে পাতা বিকৃত হয়ে যায়। দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে পারে, তাই সতর্ক থাকুন!


সাদা মাছি (Whitefly): পাতার হলদে হয়ে যাওয়া এবং মধুরস নির্গত করার কারণে ছত্রাক জন্মায়।


লাল মাকড় (Red Spider Mite): ছোট মাইট, যা পাতায় দাগ ফেলে এবং গাছ দুর্বল করে। গরম ও শুষ্ক পরিবেশে বেশি হয়।


মিলিবাগ (Mealybug): এরা গাছের রস শুষে নেয় এবং মোমের মতো পদার্থ বের করে, যা পাতাকে দুর্বল করে ফেলে।


থ্রিপস (Thrips):গাছের পাতার রঙ ফ্যাকাশে, রূপালি দাগ দেখা দেয় ও কুঁকড়ে যায়।ফুলের

পাপড়িতে কালো দাগ হয়।  ঠিকমতো ফুল ফোটে না, শুকিয়ে ঝরে।

পোকা: ছোট, সরু, হলুদ বা কালো, পাতার নিচে থাকে।

দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে গাছ দুর্বল হয়ে যাবে!


ছত্রাকজনিত রোগ:


বট্রাইটিস (Botrytis): ধূসর রঙের এক ধরনের ছত্রাক, যা ঠান্ডা ও আর্দ্র পরিবেশে পাতা ও ফলের ওপর আক্রমণ করে।


ছত্রাক (Fungi): বেশি আর্দ্রতায় গাছে কালো দাগ সৃষ্টি করে।


ডাউনি মিলডিউ / ওডিয়াম (Mildew/Oidium): ছত্রাকজনিত রোগ, যা পাতার ওপরে সাদা গুড়োর মতো আস্তরণ তৈরি করে এবং আলোর শোষণ বাধাগ্রস্ত করে।


রাস্ট (Rust): এক ধরনের ছত্রাক, যা পাতায় লালচে-কমলা রঙের দাগ ফেলে এবং গাছ দুর্বল করে। দ্রুত ব্যবস্থা নিন!


প্রতিকার:

গাছের কীটপতঙ্গ ও ছত্রাকজনিত রোগের জন্য কীটনাশক ও ছত্রাকনাশকের তালিকা :


১.এফিড(aphids)

কিটনাশক :ইমিডাক্লোপ্রিড,ইমিটাফ, টিডো,সেমপ্রিড।


২.সাদা মাছি(white fly) 

কিটনাশক :অ্যাসেটামিপ্রিড/স্পিনোসাড,লিবসেন,তুন্দ্রা।


৩.লাল মাকড় (Red mites) 

কিটনাশক :অ্যাবামেকটিন/ক্লোরফেনাপাই,ইন্ট্রাপিড।


৪.মিলিবাগ(Mealybug)

কিটনাশক :ডাইমেথোয়েট/ক্লোরপাইরিফস,ডায়মেথিয়ন।


৫.থ্রিপস(Thrips)

কিটনাশক :সেমপ্রিড,ইন্ট্রাপিড।


ছত্রাকজনিত রোগ ও ছত্রাকনাশকের নাম সমূহ :


১.বট্রাইটিস(Botrytis)

ছত্রাকনাশক : ম্যানসার,ম্যানকোজেব।


২.সাধারণ ছত্রাকজনিত সমস্যা(Fungi)

ছত্রাকনাশক:কপার অক্সিক্লোরাইড,কুড়েনক্স,রিডোমিল গোল্ড।


৩.ডাউনি মিলডিউ(Mildew)

ছত্রাকনাশক:সালফার,থিয়োভিট।


৪.রাস্ট(Rust)

ছত্রাকনাশক : প্রোপিকোনাজল+ডাইকোনাফেনাজল,

এক্সট্রা কেয়ার ৩০০ ইসি।


জলসেচ সমস্যা:


অতিরিক্ত বা কম পানি দিলে পাতায় হলদে ভাব আসতে পারে এবং গাছ শুকিয়ে যেতে পারে।


সময়মতো এসব সমস্যা সনাক্ত করে প্রতিকার নিলে গাছ সুস্থ ও সবল থাকবে।

ধানের মাজরা পোকার রাসায়নিক দমন পদ্ধতি

 ধানের মাজরা পোকার রাসায়নিক দমন পদ্ধতি।


মাজরা পোকা দমনে প্রতি বর্গ মিটারে ২-৩টি স্ত্রী মথ বা ডিমের গাঁদা অথবা গাছ মাঝারি কুশি অবস্থায় রোপনের ৪০ দিন পর থেকে) খোড় আসা পর্যন্ত ১০-১৫% মরা ডিগ অথবা ৫% মরা শিষ দেখা গেলে নিম্নেলিখিত গ্রুপের যে কোন একটি কীটনাশক বা অনুমোদিত কীটনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে।


কীটনাশকের গ্রুপ, বাণিজ্যিক নাম ও প্রয়োগ মাত্রা।


* কার্টাপ গ্রুপের:


১. সানটাপ ৫০এসপি ১.৫ কেজি/হেক্টর


২. কেটাপ ৫০এসপি ১.৫ কেজি/হেক্টর


৩. সিকোটাপ ৫০এসপি ১.৫ কেজি/হেক্টর


* ফিপ্রোনিল গ্রুপের:


১. রিজেন্ট ৩ দানাদার ১০.০ কেজি/হেক্টর


২. প্রিন্স ৫০এসপি ০.৫ লিটার/হেক্টর


৩. প্রিন্স ৩ দানাদার ১০.০ কেজি/হেক্টর


* ক্লোরানট্রানিলিপ্রোল + থায়ামেথোক্সাম গ্রুপের:


১. ভিরতাকো ৪০ ডব্লিউজি ৭৫ গ্রাম/হেক্টর


২. ভিরতাকো ৬জিআর ৫ কেজি/হেক্টর


* ফুবেনডিয়ামাইড গ্রুপের:


১. বেল্ট ২৪ডব্লিউজি ২০০ গ্রাম/হেক্টর


* কার্বোসালফান গ্রুপের:


১. মার্শাল ২০ইসি ১.৫ লিটার/হেক্টর


২. পিলারসুফান ২০ইসি ১.৫ লিটার/হেক্টর


* কোরানট্রানিলিপ্রোল গ্রুপের:


১. ফার্টেরা ৪জি ১০ কেজি/হেক্টর


২. কোরাজেন ১৮এসসি ১৫০ মিলি/হেক্টর


* ক্লোরপাইরিফস গ্রুপের:


১. ডার্সবান ২০ইসি ১.০ লিটার/হেক্টর


২. পাইরিফস ২০ইসি ১.০ লিটার/হেক্টর


কীটনাশক ব্যবহারের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে যে, একই গ্রুপের কীটনাশক একই পোকা দমনের জন্য পর্যায়ক্রমে/প্রতি মৌসুমে ব্যবহার না করে বিভিন্ন গ্রুপের কীটনাশক ব্যবহার করলে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়।


ধানের পোকা দমনের জন্য যে সমস্ত গ্রুপের কীটনাশক করা যাবে না-


সাইপারমেথ্রিন


আলফা-সাইপারমেথ্রিন


ল্যামডা-সাইহেলোথ্রিন


ডেলথামেথ্রিন


ফেনভালারেট


কারণ এ সমস্ত গ্রুপের কীটনাশক ব্যবহারে পোকার (Resurgence) ঘটে। এছাড়া যে কোন অনুমোদিত কীটনাশক। যেমন- ক্লোরপাইরিফস এর সহিত উপরে উল্লেখিত যে কোন গ্রুপের মিশ্রন ধানের পোকা দমনের জন্য ব্যবহার করা যাবে না। যেমন- বিউটি, ক্যারাটে, কারফু, সাবসাইড, মিক্সার, ডেয়ার, এটম, কেনভস, সুপারফাস্ট, বর্ডার, দূর্বার, নাইট্রো ও আলটিমা ইত্যাদি।


#farmers #farmer #ধান #ধানের

বরবটি_কিভাবে_আবাদ_চাষাবাদ_করবেন:-

 #বরবটি_কিভাবে_আবাদ_চাষাবাদ_করবেন:


#জলবায়ুঃ

অপেক্ষাকৃত উচ্চ তাপমাত্রায় বরবটি ভালো জন্মে। উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় বরবটি গাছ ভালো জন্মে। 


#মাটিঃ

দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটি বরবটি চাষের জন্য উপযোগী। মাটির পিএইচ ৫.৫ থেকে ৭.৫-এর মধ্যে হলে সেসব মাটিতে বরবটি চাষ করা যায়।


বীজ বপনের সময়ঃ

বরবটির বীজ বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে উপযুক্ত সময়। 

তবে আশ্বিন-কার্তিক মাসেও বীজ বপন করা যায়।


#বরবরি_জাতঃ

নাইস গ্রীন/ বান্টি/ লালতীর -১০৭০/শক্তি / কেগরনাটকি/আলো/ তন্নী/বারি বরবটি-১/সবুজ সংকেত/কেগর নাটকী/ গ্রীন ফিল্ড/ ইউনাইটেড-৫৮/ ইউনাইটেড-৫৭০/ /স্টিকলেস/গ্রীণ-১১২০/বরবটি-৫০৫/আনন্দ/গ্রীণ ঝ্যাং


নতুন কোন ভালো জাত বাদ পরে থাকলে কমেন্টে জানাবেন 


#জমি_তৈরিঃ

জমি পরিষ্কার করে ৪ থেকে ৫টি চাষ ও মই দিয়ে ভালোভাবে জমি তৈরি করতে হবে। সার মিশিয়ে জমি সমান করার পর তা বেড আকারে খন্ড করতে হবে। 


#বেড তৈরিঃ

বেডের আকার হবে ১ মিটার চওড়া ও জমির দৈর্ঘ্য অনুযায়ী লম্বা। প্রতি বেডের মাঝে ৫০ সেন্টিমিটার চওড়া নালা থাকবে। নালার গভীরতা হবে ১৫ থেকে ২০ সেন্টিমিটার। নালার মাটি তুলে দুপাশের বেড উঁচু করে দিতে হবে। প্রতি বেডের মাঝে ৬০ সেন্টিমিটার দূরত্ব রেখে জোড়া সারি দাগ টানতে হবে। 


#বীজ_বপনঃ

 সারিতে ৩০ সেন্টিমিটার পর পর ১টি করে বীজ বুনে দিতে হবে। একই সময় পলিব্যাগে কিছু চারা তৈরি করে রাখলে যেসব জায়গায় বীজ গজাবে না সেসব ফাঁকা জায়গায় পলিব্যাগের চারা রোপণ করে পূরণ করা যাবে। মার্চ থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে সাধারণত বরবটির বীজ বোনা হয়।


#বীজ হারঃ

শতক প্রতি ৪০ গ্রাম বীজের প্রয়োজন।


#রোপণ দূরত্বঃ

বরবটি সারি থেকে সারি ৬০ সেন্টিমিটার দূরত্বে বীজ/চারা ৩০ সেন্টিমিটার দূরে দূরে বীজ বুনতে হয়।


#সার পরিমান

প্রতি শতকে সারের পরিমান:

গোবর ৪০ কেজি

ইউরিয়া ৮০০ গ্রাম 

টিএসপি ৮০০ গ্রাম 

পটাশ ৭৫০ গ্রাম 

জিপসাম ৩০০ গ্রাম

জিংক ৩০ গ্রাম 

বোরন ৩০ গ্রাম 


বিঘা প্রতি ৩৩ শতকে সারের পরিমান:

গোবর ৪০ কেজি

ইউরিয়া ২৫ কেজি

টিএসপি ২৫ কেজি

পটাশ ২২ কেজি

জিপসাম ১০ কেজি

জিংক ১ কেজি

বোরন ১ কেজি


#সার_প্রয়োগ_পদ্ধতিঃ

জমি তৈরির সময় সম্পূর্ণ গোবর সার, টিএসপি, জিপসাম, বোরন, জিংক অক্সাইড এবং ১/৩ ভাগ এমওপি সার বীজ বপনের পূর্বে জমির সাথে ভাল ভাবে মিশিয়ে দিতে হবে । পরবর্তীতে ইউরিয়া এবং এমওপি সার বীজ বপনের ২০ এবং ৪০ দিন পর অর্থাৎ চারার বৃদ্ধি পর্যায়ে, ফুল- ফল ধরার সময় দুই ভাগ করে প্রয়োগ করতে হবে।


#সেচঃ

জমিতে পানির যাতে অভাব না হয় সেজন্য প্রয়োজন অনুসারে শুকনার সময় সেচ দিতে হবে। নালার মধ্যে পানি ঢুকিয়ে সেচ দিলে গাছের শিকড় সে পানি টেনে নিতে পারে। 


#পানি_নিষ্কাশনঃ

বৃষ্টির পানি যাতে আটকে না থাকে সেজন্য নালার আগাছাও পরিষ্কার করে দিতে হবে ।


#আগাছা_পরিষ্কারঃ


জমি সব সময় আগাছা পরিষ্কার রাখতে হবে। বিশেষ করে গাছের গোড়ার আগাছা পরিষ্কার রাখতে হবে।


#বাউনি_দেয়াঃ


চারা বড় হলে মাচা বা বাউনি দিতে হবে। ঠিকমতো বাইতে পারলে বীজ বোনার ৪০-৪৫ দিন পরই ফুল-ফল ধরে। না হলে ফল ধরতে দেরি হয়ে যায়। প্রতি বেডের ঠিক মাঝখানে বা বরবটির দুটির সারির মাঝে বেডের দুপাশে ১.৫ মিটার লম্বা দুটি বাঁশের খুঁটি পুঁতে তার মাথায় শক্ত জিআই তার টেনে বাউনির ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সারিতে প্রতি দুটি বরবটি গাছের মাঝে একটি করে কাঠি বা কঞ্চি পুঁতে সেসব কাঠির মাথা জিআই তারের সাথে ইংরেজী ‘এ’ অক্ষরের মতো বেঁধে তার সাথে গাছ লতিয়ে দেয়া যেতে পারে। বরবটির জন্য বাউনি খুব গুরুত্বপূর্ণ। বরবটির লতা যত বেশি মুক্তভাবে বাইতে পারে তত বেশি ফলন বাড়ে।


#ফসল তোলাঃ

বীজ বোনার ৪০ থেকে ৪৫ দিন পর থেকেই বরবটি তোলা শুরু করা যায়। হাত দিয়ে বোঁটা ছিঁড়ে বরবটি তোলা যায়। তবে ছুরি দিয়ে বোঁটা কেটে তোলা ভালো। এতে গাছের ক্ষতি কম হয়। কচি অবস্থায় ফল তুলতে হবে। যখন দেখা যাবে ফলে বীজ গঠিত হয়েছে কিন্তু বীজ পুষ্ট ও পরিপূর্ণভাবে বড় হয়নি, খোসার রং স্বাভাবিক সবুজ আছে, বরবটির খোসা মসৃণ আছে, বীজ ফুলে যাওয়ায় বরবটি গিঁট গিঁট ও কুঁচকানো হয়নি এরূপ অবস্থায় বরবটি তুলতে হবে।


#ফলনঃ

হেক্টরপ্রতি ১৬ থেকে ১৭ টন।


নতুন কোন ভালো জাত থাকলে কমেন্টে জানাবেন


মোঃ ফরিদুল ইসলাম 

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা

ভোটমারী,কালিগঞ্জ, লালমনিরহাট।

অবাক বিস্ময়: এই নামের নদীগুলো বাংলাদেশে আছে,,,,

 অবাক বিস্ময়: এই নামের নদীগুলো বাংলাদেশে আছে,,,,🤔


চাঁপাইনবাবগঞ্জে আছে ‘পাগলা’ নদী আর কুমিল্লায় আছে ‘পাগলি’। 'সতা’ নদ আছে নেত্রকোনায়, ‘সতি’ আছে লালমনিরহাটে, 'মহিলা' নদী দিনাজপুরে, পুরুষালি’ নদী ফরিদপুরে, ‘মাকুন্দা’ আবার সিলেটে।


সিলেটে আছে ‘ধলা’ নদী আর দিনাজপুরে আছে ‘কালা’ নদী, হবিগঞ্জে আছে ‘শুঁটকি’ নদী, পঞ্চগড়ে আছে ‘পেটকি’, আবার পাবনায় আছে ‘চিকনাই’ নদী। ‘বামনী’ নদী আছে নোয়াখালীতে, ‘ফকিরনি’ আছে নওগাঁয়। 


চুয়াডাংগায় ‘মাথাভাঙ্গা’, নীলফামারীতে ‘চুঙ্গাভাঙ্গা’, হবিগঞ্জে ‘হাওরভাঙ্গা’, সাতক্ষীরায় ‘হাঁড়িয়াভাঙ্গা’, পটুয়াখালীতে ‘খাপড়াভাঙ্গা’, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘নাওভাঙ্গা’, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আছে ‘ছিটিভাঙ্গা’। 


বাগেরহাটে ‘পুঁটিমারা’ লালমনিরহাটে ‘সিঙ্গীমারা’, খুলনায় ‘শোলমারা, খাগড়াছড়ির ‘গুইমারা’, সাতক্ষীরায় ‘সাপমারা’, পঞ্চগড়ে ‘ঘোড়ামারা’, হবিগঞ্জে ‘হাতিমারা', চুয়াডাঙ্গায় ‘ভাইমারা’ ও সুনামগঞ্জে ‘খাসিয়ামারা’ নামে নদী আছে।


ফরিদপুরে আছে ‘কুমার’, চট্টগ্রামে আছে ‘ধোপা’, নওগাঁয় আছে ‘গোয়ালা’, আর সিরাজগঞ্জে আছে ‘গোহালা’। ঢাকী’ আছে খুলনায় আর ‘বংশী’ নদী আছে সাভারে।


'লুলা’ নদী সিলেটে, ‘খোড়া’ নদী নীলফামারী, ‘বোকা’ নদী ছাতক আর ‘খ্যাপা’ নদী সিলেটে। আবার মগরা’ নদী নেত্রকোনা, ‘ফটকি’ নদী মাগুরা, মঘা’ নদী ময়মনসিংহ, ‘ল্যাঙ্গা’ নদী গাইবান্ধা, ‘হাবড়া’ নদী সাতক্ষীরা, এবং ‘হোজা’ নদী রাজশাহী।


লঙ্কা’ নদী বরিশালে, ‘গুড়’ নদী নাটোরে। ‘ক্ষীর’ নদী ময়মনসিংহে, ‘লোনা’ নদী ঠাকুরগাঁওয়ে। ‘নুনছড়া’ আছে সিলেটে, ‘কালিজিরা’ বরিশালে, সুনামগঞ্জে আছে ‘লাউগাঙ’ আর  ‘লাচ্ছি’ নদী আছে ঠাকুরগাঁওয়ে।


পটুয়াখালীতে আছে ‘পায়রা’, খুলনায় আছে ‘ময়ূর’, দিনাজপুরে আছে ‘শুক’ (টিয়া), সিলেটে ‘সারি’ (শালিক), বাগেরহাটে আছে ‘বগী’, সিলেটে ‘কুড়া’, রাজশাহীতে আছে ‘কোয়েল’, রাজবাড়ীতে ‘চন্দনা’, পঞ্চগড়ে আছে ‘ডাহুক’, সুনামগঞ্জে ‘ডাহুকা’, মৌলভীবাজারে আছে ‘মুনিয়া’।


পাবনায় আছে ‘কমলা’, সুনামগঞ্জে ‘খুরমা’, কুমিল্লায় ‘কালাডুমুর’ নদী। সিলেটের জকিগঞ্জে আছে ‘তাল’ ও ‘কুল’ নামে দুই গাং।

 

ফেনীতে আছে ‘মুহুরী’, মৌলভীবাজারে ‘জুড়ী’, রংপুরে আছে ‘কাঠগড়া’ নদী। আর যশোরে আছে ‘টেকা’, বরিশালে ‘পয়সা’, সিরাজগঞ্জে ‘দশসিকা’, জামালগঞ্জে আছে ‘দশানী’ নদী।


বিষখালী নদী ঝালকাঠি/বরগুনায় আর নির্বিষখালী’ নদী মাগুরায়। বালু নদী গাজীপুরে, বালিখাল হবিগঞ্জে, বালুখালী চট্টগ্রামে আর  বালুভরা নওগাঁ,,,,🙂

হার্ট ব্লকেজ, কী? কারণ? সমাধানঃ-

 হার্ট ব্লকেজ, কী? কারণ? সমাধানঃ-


হার্ট এর ওজন প্রায় 300 গ্রাম। 

✅ হার্টের কাজঃ

পুরো শরীরে ব্লাড পাম্প করা। হার্ট ১ মিনিটে প্রায় ৭২ বার পাম্প করে।

হার্ট, প্রতিদিন প্রায় ১ লক্ষ বার পাম্প করে থাকে।

হার্ট একবার পাম্প করলো মানে পুরো বডি তে ব্লাড পৌঁছে গেলো।

✅ হার্ট এর অসুখ কী :-

হার্ট এর অসুখ মানে আর্টারি তে চর্বি জমে যাওয়া, কোলেষ্টেরোল জমে যাওয়া, ফ্যাট জমে  যাওয়া।

এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে ধীরে ধীরে হার্ট এর ব্লাড সাপ্লাই ক্ষমতা কমে যায়।

এটাকেই বলা হয় হার্টের অসুখ।

বর্তমানে হার্টের অসুখ টি বিশ্বের সব চেয়ে বড় অসুখ।

যেদিন হার্টের ব্লাড সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যাবে সেদিন  হার্ট টাও বন্ধ হয়ে যাবে, মানে হার্ট এট্যাক হয়ে যাবে।

হার্ট এর আর্টারি গুলো 3-4 mm মোটা হয়।

✅ হার্ট এ ব্লকেজ হতে কত সময় লাগে?

বছরের পর বছর ধরে ধীরে ধীরে হার্ট ব্লকেজ তৈরী হয়।

মানুষ জন্মের পর পর ই ব্লকেজ তৈরী শুরু হয় না।

18-20 বছর বয়স থেকে এই ব্লকেজ তৈরী হতে শুরু করে।

70%, 80%, 90% ব্লকেজ তৈরী হতে কম করে 30-40 বছর সময় লাগে।

50% ব্লকেজ হয়ে গেলেও মানুষ কোনো কষ্ট অনুভব করে না।

কারণ ব্লাড সাপ্লাই এর জন্য আরও 50% বাকি থাকে।

✅ ব্লাড সাপ্লাই এর জন্য হার্ট এর প্রয়োজন 10%, 20%, 30% জায়গা।

10% প্রয়োজন যখন মানুষ বসে থাকে।

20% প্রয়োজন যখন হাঁটা চলা করে।

30% প্রয়োজন যখন মানুষ দৌড়ায়।

যেদিন মানুষের ব্লকেজ 70% এর বেশি হয়ে যায় সেদিন থেকে মানুষ হার্ট এর সমস্যা অনুভব করতে থাকে। সেদিন থেকে কষ্ট শুরু হয়ে যায়।

✅ যদি দৌড়ালে বুকে ব্যাথা অনুভব হয় তবে বুঝতে হবে ব্লকেজ 70% ক্রস করেছে।

যদি হাঁটতে গিয়ে ব্যাথা হয় তাহলে বুঝতে হবে ব্লকেজ 80%।

যদি সামান্য 10 ধাপ হাঁটলেই ব্যাথা হয় তবে বুঝতে হবে ব্লকেজ 90%।

✅ এখানে বোঝা গেলো হার্ট এর পেশেন্ট 70% ব্লকেজ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সমস্যা সাধারণত বুঝতে পারে না।

✅ হাঁটতে গিয়ে ব্যাথা হলে এই পর্যায়কে বলা হয় "এনজাইনা।"

2%/year ব্লকেজ তৈরী হতে শুরু করে 20 বছর বয়সের পর থেকে।

*** আমার লিখা পড়ে হার্ট এর অসুখ সম্পর্কে বুঝতে সময় লাগলো মাত্র কয়েক মিনিট, কিন্তু আপনি যদি কোন হাসপাতাল কিংবা ক্লিনিক যান তাহলে উনারা আপনাকে এতো বিস্তারিত বোঝাবে না, শুধু বলবে আপনার "করোনারী আর্টারি ডিজিজ "এ আক্রান্ত।

✅ আধুনিক উপায়ে ব্লকেজ পরীক্ষা, যেটা ও সঠিক নয়ঃ

আধুনিক যুগের ক্যার্ডিওলোজিস্ট রা ব্লকেজ এর পার্সেন্টেজ বোঝার জন্য তার ঢুকিয়ে এনজিওগ্রাফিক করেন, যেটাতে রেজাল্ট আসে রাউন্ড ফিগার যেমন 70%, 80%, 90%।

আমাদের মতে যেটা সঠিক নয়। কারণ সঠিক হলে রাউন্ড ফিগার না হয়ে হতো 70.25%, 80.03%, 90.৮১%।

✅ হার্ট এট্যাক মানে কি?

70% ব্লকেজ এর পর ধীরে ধীরে ব্লকেজ বাড়তে থাকে। এই ব্লকেজ এর উপর একটা পর্দা থাকে এবং ব্লকেজ বাড়ার সাথে সাথে পর্দাটির উপরেও চাপ তৈরী হতে থাকে।

এই চাপ বাড়তে বাড়তে একদিন হঠাৎ পর্দাটা ছিঁড়ে যায়।

পর্দা ছিঁড়ার সাথে সাথে পর্দার নিচে থাকা কেমিক্যাল রক্তে গিয়ে মিশে যার ফলে রক্তের ঘনত্ব বেড়ে যায়।

রক্ত জমাট বেঁধে গেলে এটাকে বলা হয় "ক্লট"।

এটি আর্টারির রাস্তা পুরো পুরি ব্লক করে দেয়। ব্লক 100% হয়ে যায়, হার্ট এ রক্ত পৌঁছতে পারে না তখন এটাকেই বলা হয় "হার্ট অ্যাটাক"।

✅ হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচার উপায়ঃ

ব্লকেজ 70%, 80%, 90% হয়ে গেলেও চেষ্টা করতে হবে ব্লকেজকে রুখে দেয়া।

ব্লকেজ না বাড়লে পর্দাটা ছিঁড়বে না, হার্ট অ্যাটাকও হবে না।

আরও ভালো হয় পর্দার নিচে জমে থাকা কিছু চর্বি যদি ধীরে ধীরে বের করে দেয়া যায়। সেজন্য নিয়মিত কমকরে হলেও ৪০ মিনিট হাঁটতে হবে। চর্বি জাতীয় খাদ্য বর্জন করতে হবে, ভাত, রুটি, মিষ্টি জাতীয় খাবার কমিয়ে দিতে হবে।

শরীরে ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

✅ বুকে ব্যাথা অনুভব করলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।


নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...