এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ডিউটি সম্পর্কিত মনিরুল ইসলাম স্যারের ম্যাসেজ ২৩/০২/২০২৫

 স্যার,

সম্প্রতি রেনডম মোবাইল ট্র্যাকিং বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে, আমাদের কিছু কর্মকর্তা/কর্মচারী কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ব্যতীত কর্মস্থল ত্যাগ করে ঘন ধন নিজ বাড়িতে যাচ্ছেন বা ব্যক্তিগত কাজে সময় ব্যয় করছেন, এছাড়াও অন্যকে দিয়ে স্টার্ট ওয়ার্ক এবং এন্ড ওয়ার্ক প্রদান করছেন, যা কোম্পানির নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।


এছাড়া, কিছু কর্মকর্তা নিয়মিতভাবে বুধবার/বৃহস্পতিবার নির্দিষ্ট রুটে কাজ শেষ করে বাড়ি চলে যান এবং শনিবার দেরিতে একই রুট ব্যবহার করে কর্মস্থলে ফেরত আসেন এতে করে মুলবান কর্ম ঘন্টার অপচয় সহ অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বেশি বেশি ভিজিট করছেন। আবার অনেকেই মৌখিকভাবে ছুটি নিয়ে HRM পোর্টালে আবেদন করছেন না, যা কোম্পানির শৃঙ্খলা পরিপন্থী এবং গর্হিত কাজ।


এ ধরনের অনিয়মের কারণে সম্প্রতি কয়েকজন TSM ও DSM কে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ব্যতীত কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারী নিজ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না। 


এ নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ এবং উক্ত কাজে জড়িত সকলকে সংশোধনের জন্য অনুরোধ করা হলো।


ধন্যবাদান্তে,

মোতাসিম রেজা

(এজিএম-এসএ)

বৃদ্ধ বয়সে ভালো থাকার ২০ উপায় :

 বৃদ্ধ বয়সে ভালো থাকার ২০ উপায় :


১. সন্তানদের জীবনে বেশি জড়িয়ে পড়বেন না।


২. নাতি নাতনিদের লেখাপড়ার বিষয়ে বেশি নাক গলাবেন না।


৩. পুত্রবধূ ও জামাইকে ভালোবাসুন, ওরা আপনার ছেলেমেয়েদের পছন্দের মানুষ।


৪. সন্তানদের বৈবাহিক ব্যাপারে বেশি মতামত দেবেন না।


৫. ঘ্যানঘ্যানে স্বভাব বর্জন করুন।


৬. একাধিক সন্তান থাকলে নিরপেক্ষতা বজায় রাখুন। পক্ষপাতিত্ব বা দলাদলি করবেন না।


৭. আমাদের সময়ে এটা হতো ওটা হতো সারাদিন এসব কথা বলবেন না। ওগুলো অতীত, আপনার ইতিহাস যা নিয়ে কেউ ইন্টারেস্টেড নয়।


৮. রাজনীতি নিয়ে বেশি মাতামাতি করবেন না। আপনি কিছুই পাল্টাতে পারবেন না।


৯. নিজের নিয়ে অসুস্থতা যতটা সম্ভব কম কথা বলুন।


১০. উপার্জন থাকলে প্রতি মাসে সঞ্চয় করুন।


১১. নিজের ভবিষ্যৎ চিকিৎসার জন্য আলাদা সেভিংস রাখুন।


১২. নিজের শেষকৃত্যের জন্য সুব্যবস্থা করে রাখুন।


১৩. ভবিষ্যতের জন্য নির্দিষ্ট পরিকল্পনা রাখুন। বুড়ো হয়েছেন বলে আপনার সবকিছু শেষ হয়ে যায়নি।


১৪. আনন্দের জন্য সিনেমা দেখুন বা গান শুনুন।


১৫. কোনো সংবাদেই বিচলিত বা উত্তেজিত হবেন না। জীবনকে নির্মোহ এবং নির্লিপ্তভাবে গ্রহণ করুন।


১৬. কিছু না করে চুপ করে বসে থাকবেন না। কর্মচঞ্চল থাকার চেষ্টা করুন। বাগানের কাজ করুন, পারলে রান্না করুন, ব্যায়াম করুন বা হাঁটতে যান।


১৭. ব্যাক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। শরীরের যত্ন নিন। সাজগোজও চালু রাখুন।


১৮. বয়সকে সাদরে গ্রহণ করুন। প্রতিদিন আনন্দ নিয়ে বাঁচুন।


১৯. নিজেকে কারো দয়ার পাত্র বানাবেন না।


২০. বেড়াতে যাওয়া, বাইরে খাওয়া বা অন্য কোনো আনন্দের সুযোগ নষ্ট করবেন না। হাতে আর সময় নাও থাকতে পারে।

সেই আদি আমল থেকে কচ্ছপ আর খরগোশের গল্প আমরা সবাই জানি

 সেই আদি আমল থেকে কচ্ছপ আর খরগোশের গল্প আমরা সবাই জানি। কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা ১ম অধ্যায়টাই বেশি শুনেছি। কিন্তু এই গল্পের আরো ৩ টি অধ্যায় আছে। যা হয়তো আমরা কেউ শুনেছি, কেউ শুনিনি।


১ম অধ্যায়ঃ এই অধ্যায়ে খরগোশ ঘুমিয়ে যায়, আর কচ্ছপ জিতে যায়। প্রথমবার হেরে যাওয়ার পর খরগোশ বিশ্লেষণ করে দেখল তার পরাজয়ের মূল কারণ 'অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস।' তার মানে অতি আত্মবিশ্বাস যে কারো জন্যই ক্ষতিকর। আর কচ্ছপ বুঝল, লেগে থাকলে সাফল্য আসবেই!

২য় অধ্যায়ঃ হেরে যাওয়ার পর এবার খরগোশ আবারো কচ্ছপকে দৌড় প্রতিযোগিতায় চ্যালেঞ্জ করল আর কচ্ছপও রাজী হল। এবার খরগোশ না ঘুমিয়ে দৌড় শেষ করল এবং জয়ী হল। খরগোশ বুঝল, মন দিয়ে নিজের সামর্থের পুরোটা দিয়ে কাজ করলে দ্রুত সফল হওয়া যায়। আর কচ্ছপ বুঝল, ধীর স্থিরভাবে চলা ভালো, তবে কাজে উপযুক্ত গতি না থাকলে প্রতিযোগীতামূলক পরিবেশে জয়ী হওয়া অসম্ভব!


৩য় অধ্যায়ঃ কচ্ছপ এবার খরগোশকে আরেকবার দৌড় প্রতিযোগিতার আমন্ত্রন জানালো। খরগোশও নির্দ্বিধায় রাজী হয়ে গেল। তখন কচ্ছপ বলল, "একই রাস্তায় আমরা ২ বার দৌড়েছি, এবার অন্য রাস্তায় হোক।" খরগোশও রাজী। অতএব নতুন রাস্তায় দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হল। যথারীতি খরগোশ জোরে দৌড় শুরু করে দিল। কচ্ছপও তার পিছন পিছন আসতে শুরু করল। কচ্ছপ যখন খরগোশ এর কাছে পৌঁছাল, দেখল খরগোশ দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু দৌড়ের শেষ সীমানায় যেতে পারেনি। কারন দৌড়ের শেষ সীমানার আগে একটি খাল আছে। কচ্ছপ খরগোশ এর দিকে একবার তাকালো, তারপর তার সামনে দিয়ে পানিতে নেমে খাল পার হয়ে দৌড়ের শেষ সীমানায় পৌছে প্রতিযোগিতা জিতে গেল। খরগোশ বুঝল, শুধু নিজের শক্তির উপর নির্ভর করলেই হবে না, পরিস্থিতি আর বাস্তবতা অনুধাবন করাও ভীষণ প্রয়োজনীয়! আর কচ্ছপ বুঝল, প্রথমে প্রতিযোগীর দূর্বলতা খুজে বের করতে হবে, তারপর সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।


গল্প কিন্তু এখানেই শেষ নয়


চতুর্থ অধ্যায়ঃ এবার খরগোশ কচ্ছপকে আরেকটি দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য আহবান জানালো এই একই রাস্তায়। কচ্ছপ ও রাজী। কিন্তু এবার তারা ঠিক করল, প্রতিযোগী হিসেবে নয়, বরং এবারের দৌড়টা তারা দৌড়াবে সহযোগী হিসেবে!

শুরু হল প্রতিযোগিতা। খরগোশ কচ্ছপকে পিঠে তুলে দৌড়ে খালের সামনে গিয়ে থামলো। এবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠ থেকে নেমে খরগোশকে নিজের পিঠে নিয়ে খাল পার হল। তারপর আবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠে উঠে বাকী দৌড় শেষ করল আর এবার তার দু'জনই একসাথে জয়ী হল।


আমরা শিখলাম, ব্যক্তিগত দক্ষতা থাকা খুবই ভালো। কিন্তু দলবদ্ধ হয়ে একে অপরের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারলেই আসে সত্যিকারের সাফল্য যেখানে সবাই বিজয়ীর হাসি হাসতে পারে।


#foryouシ #BMW #viralpost2025シ

স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অসাধারণ কিছু টিপস জেনে নিনঃ মোহা হানিফ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ✅ স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অসাধারণ কিছু টিপস জেনে নিনঃ

১। চুলকানি জাতীয় চর্মরোগে নিমপাতা ও কাঁচা হলুদ বেটে গোসলের আধা ঘন্টা পূর্বে লাগালে ভাল হবে।


২। রক্ত আমাশয়ে ডুমুর গাছের শিকড়ের রস দিনে দু'বার খান।


৩। দাঁতের গোড়ায় ব্যথা হলে আক্রান্ত স্থানে সামান্য হলুদ লাগিয়ে দিন।


৪। দাঁতের মাড়িতে ক্ষত হলে বা দাঁত থেকে রক্ত পড়লে জামের বিচি গুড়ো করে দাঁত মাজলে উপকার পাবেন।


৫। ফোঁড়া হলে তা অনেক সময় না পেকে শক্ত দলার মত হয়ে যায়। কলমি শাকের কচি ডগা ও শিকড় একসঙ্গে বেটে ফোঁড়ার ওপর প্রলেপ দিয়ে দীর্ঘক্ষণ রেখে দিন। এতে ফোঁড়া পেকে যাবে।


৬। মচকে গিয়ে ব্যথা পেলে চালতা গাছের পাতা ও মূলের ছাল সমপরিমাণ একসঙ্গে বেটে হালকা গরম করে ব্যথার জায়গায় লাগালে উপকার পাওয়া যায়।


৭। ঠোঁটের দু'পাশে এবং মুখের ভেতরে অনেক সময় ঘায়ের মত হয়। গাব ফলের রসের সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে কয়েকদিন মুখ ধুলে ঘা সেরে যায়।


৮। ডালসহ পুদিনা পাতা ৭/৮ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি ছেঁকে খেলে পেট ফাঁপা ভাল হয়।


৯। অনেকের গায়ে ঘামের দুর্গন্ধ হয়। বেল পাতার রস পানির সঙ্গে মিশিয়ে গা মুছলে তা কমে।


১০। মাথা ব্যথা হলে কালোজিরা একটা পুটলির মধ্যে বেঁধে শুকতে থাকুন; ব্যথা সেরে যাবে।


১১। কাশি হলে দুই টুকরো দারুচিনি, একটি এলাচি, ২টি তেজপাতা, ২টি লবঙ্গ ও সামান্য চিনি পানিতে ফুটিয়ে ছেঁকে নিন; হালকা গরম অবস্থায় এই পানি খেলে কাশি ভাল হবে।


১২। দাঁতের ব্যথায় পেয়ারা পাতা চিবালে ব্যথা উপশম হয়।


১৩। দই খুব ভাল এন্টাসিড হিসেবে কাজ করে৷ এসিডিটির সমস্যা শুরু হওয়া মাত্র তা কয়েক চামচ খেয়ে নিন।


১৪। গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে অর্ধেকটা লেবু নিয়ে রস চুষে খেয়ে ফেলুন; কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে।


১৫। ছুরি/দা/বটিতে হাত কেটে গেলে এক টুকরা সাদা কাগজ কাটা জায়গায় লাগান। রক্ত বন্ধ হবে।


১৬। শ্বাসকষ্ট কমাতে বাসক গাছের পাতা ও ছাল একসঙ্গে সেদ্ধ করে বেটে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন।


১৭। জিভে বা মুখে সাদা ঘা হলে পানির সঙ্গে কর্পূর গুলে দিনে ২ বার মুখ ধুয়ে নিন।


১৮। ঘুম ভাল হওয়ার জন্য ডালিমের রসের সঙ্গে ঘৃতকুমারীর শাঁস মিশিয়ে খেতে পারেন।


পোস্টটি আপনাদের উপকারে এলে লাইক ও শেয়ার করুন৷ 


নিয়মিত হেলথ টিপস পেতে আমাদের পেইজে লাইক দিন৷


কালেক্টেড ফ্রম হেল্থ টিপস + মেডিসিন পেইজ

প্রয়োজনীয় টিপস্ HEALTH বার্তা ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 প্রয়োজনীয় টিপস্


১: সিমের বীচির খোসা সহজেই ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য ডিপ ফ্রীজের ১ দিন রেখে দিন

১দিন পর ফ্রীজ থেকে নামিয়ে আলত হাতে ধরলেই খোসা খোলে আসবে


২:ডিম সিদ্ধ করার সময় সামান্য লবন ছিটিয়ে দিবেন

এতে সহজেই ডিমের খোসা ছাড়ানো যাবে


৩: নুডলস /পাস্তা সিদ্ধ করার সময় পানিতে সামান্য তেল দিলে নুডলস /পাস্তা ঝরঝরে হয়


৪:চায়ের কাপের দাগ তুলতে লবন দিয়ে ঘষে নিন দাগ চলে যাবে


৫:ঘরে টক দই না থাকলে গুড়া দুধের সাথে পানি ও লেবুর রস মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিলে দেখা যাবে দুধ ফেটে যাবে

এটা রান্নায় ব্যবহার করা যাবে


৬:আলুর সাথে পেয়াজ রাখলে আলু পঁচে যায়


৭:আলুর সাথে রসুন রেখে দিলে আলু বেশিদিন ভালোথাকে


৮:মাছ কাটার পর হাতে লেবু ঘষে নিলে হাতে মাছের আশটে গন্ধ আসেনা


৯: মশার কয়েলের পরিবর্তে ঘরে ধুপকাটি /আগরবাতি  জ্বালিয়ে রাখলে বাড়ীতে মশামাছি উপদ্রব কমে যাবে


১০:ফ্রীজে দীর্ঘদিন মাছ রাখলে মাছ খেতে ভালোলাগেনা তবে এই মাছের সাথে কয়েকটি লেবু পাতা দিয়ে রান্না করলে মাছ খেতে সুস্বাদু হয়


বি:দ্র: তবে লেবু পাতা মাছ চুলা থেকে নামানোর ১মিনিট আগে দিতে হবে

লেবু পাতা দিয়ে বেশিক্ষণ রান্না করলে তিতা হয়ে যাবে

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ২৩-০২-২০২৫ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ২৩-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


আসন্ন রমজান ও গ্রীষ্ম মৌসুমে দেশে কোনো লোডশেডিং হবে না - বললেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা।


বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দেশ থেকে পাচার হয়েছে ২৮ লাখ কোটি টাকা - জানালেন বাণিজ্য উপদেষ্টা।


মৎস্য চাষে ক্ষতিকর ঔষধের ব্যবহার ও কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরা বন্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবে সরকার - বলেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।


জরুরি সংস্কার শেষে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দ্রুত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে অন্তর্বর্তী সরকার - আশাবাদ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের।


জার্মানির পার্লামেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আজ।


লাহোরে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ইংল্যান্ডকে পাঁচ উইকেটে হারালো অস্ট্রেলিয়া - দুবাইয়ে আজ পাকিস্তানের মোকাবেলা করবে ভারত।


রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২২-০২-২০২৫ খ্রি:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২২-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আসন্ন রমজান ও গ্রীষ্ম মৌসুমে দেশে কোনো লোডশেডিং হবে না --- বললেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খণিজ সম্পদ উপদেষ্টা।


বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দেশ থেকে পাচার হয়েছে ২৮ লাখ কোটি টাকা --- জানালেন বাণিজ্য উপদেষ্টা।


মৎস্য চাষে ক্ষতিকর ঔষধের ব্যবহার ও কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরা বন্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবে সরকার --- বলেছেন মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ উপদেষ্টা।


জরুরি সংস্কার শেষে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দ্রুত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে অন্তর্বর্তী সরকার --- আশাবাদ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের।


জার্মানির পার্লামেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ আগামীকাল।


এবং লাহোরে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩৫২ রানের জয়ের লক্ষ্যে এখন ব্যাট করছে অস্ট্রেলিয়া।


শিশির রায় এর পোষ্ট থেকে নেওয়া,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 যে ভাষায় আমের নাম হিমসাগর আর গ্রামের নাম বীরসিংহ, ফুলের নাম অপরাজিতা আর দুলের নাম ঝুমকো, পাখির নাম বউকথাকও আর ফাঁকির নাম দেশভাগ, মিষ্টির নাম বালুসাই আর বৃষ্টির নাম ইলশেগুঁড়ি, মাছের নাম রূপচাঁদা আর গাছের নাম শিশু, কবির নাম জীবনানন্দ আর ছবির নাম সাড়ে চুয়াত্তর, কাজীর নাম নজরুল আর পাজির নাম পাঝাড়া, ঋতুর নাম হেমন্ত আর থিতুর নাম বিবাহিত, মাসের নাম শ্রাবণ আর ঘাসের নাম দূর্বা, গানের নাম ভাটিয়ালী আর ধানের নাম বিন্নি, খেলার নাম গোল্লাছুট আর ঠেলার নাম বাবাজী, সুরের নাম রামপ্রসাদি আর গুড়ের নাম নলেন, রেলের নাম কাঞ্চনকন্যা আর তেলের নাম জবাকুসুম, দাদার নাম ফেলু আর ধাঁধার নাম শুভঙ্করী, হাসির নাম খিলখিল আর বাঁশির নাম মোহন, ঝড়ের নাম কালবৈশাখী আর ঘরের নাম 'ভালো বাসা', যুদ্ধের নাম মুক্তি আর বুদ্ধের নাম অমিতাভ, প্রেমের নাম দেবদাস আর ট্রেমের নাম পরকীয়া, নদীর নাম কীর্ত্তনখোলা আর যদির নাম দিবাস্বপ্ন, রোগের নাম সন্ন্যাস আর যোগের নাম মণিকাঞ্চন, সাপের নাম শঙ্খচূড় আর বাপের নাম আপনি বাঁচলে...🖤


তাকে ভালো না বেসে পারি ?


✍শিশির রায় এর পোষ্ট থেকে নেওয়া।

জেনে নিন বাংলাদেশের ৬৪ জেলার বিখ্যাত খাবারের নামঃ

 ✅ জেনে নিন বাংলাদেশের ৬৪ জেলার বিখ্যাত খাবারের নামঃ

১। পিরোজপুর - পেয়ারা, ডাব, আমড়া

২। কক্সবাজার - মিষ্টিপান

৩। কিশোরগঞ্জ - বালিশ মিষ্টি, নকশি পিঠা

৪। কুমিল্লা - রসমালাই

৫। কুষ্টিয়া - তিলের খাজা, কুলফি আইসক্রিম

৬। কুড়িগ্রাম- (জানা নেই)

৭। খাগড়াছড়ি - হলুদ

৮। খুলনা - সন্দেশ, নারিকেল, গলদা চিংড়ি

৯। গাইবান্ধা - রসমঞ্জরী

১০। গাজীপুর - কাঁঠাল, পেয়ারা

১১। গোপালগঞ্জ- ( জানা নাই)

১২। চট্রগ্রাম - মেজবান, শুটকি

১৩। চাঁদপুর - ইলিশ

১৪। চাঁপাইনবাবগঞ্জ - আম, শিবগঞ্জে'র চমচম, কলাইয়ের রুটি

১৫। চুয়াডাঙ্গা - পান, ভুট্টা

১৬। জয়পুরহাট- কঁচুর লতি

১৭। জামালপুর - ছানার পোলাও, ছানার পায়েস

১৮। ঝালকাঠী - লবন, আটা

১৯। ঝিনাইদাহ - হরি ও ম্যানেজারের ধান

২০। টাঙ্গাইল - চমচম, মধুপুরের আনারস।

২১। ঠাকুরগাঁও - সূর্য্যপুরী আম

২২। দিনাজপুর - লিচু, পাপড়, চিড়া, শীদল, কাটারিভোগ চাল

২৩। ঢাকা - বাকরখানি, হাজীর/নান্নার বিরিয়ানী

২৪। নওগাঁ - প্যারা সন্দেশ, চাল

২৫। নরসিংদী - সাগর কলা

২৬। নড়াইল - পেড়ো সন্দেশ, খেজুরের রস ও গুড়

২৭। নাটোর - কাঁচাগোল্লা

২৮। নেত্রকোনা - বালিশ মিষ্টি, 

২৯। নারায়ণগঞ্জ-( জানা নাই)

৩০। নীলফামারী - ডোমারের সন্দেশ, 

৩১। নোয়াখালী - নারকেল নাড়ু়, ম্যাড়া পিঠা

৩২। পঞ্চগড়- মিষ্টি আলু বাদাম ।

৩৩। পটুয়াখালী -( জানা নাই)

৩৪। পাবনা - প্যারডাইসের প্যারা সন্দেশ, ঘি

৩৫। ফরিদপুর - খেজুরের রস এবংগুড় *

৩৬। ফেনী - মহিশের দুধের ঘি, খন্ডলের মিষ্টি

৩৭। বগুড়া - দই, কটকটি

৩৮। বরগুনা-(মহিষের দই)

৩৯। বরিশাল - আমড়া, পেয়ারা, ইলিশ।

৪০। বাগেরহাট - চিংড়ি, সুপারি

৪১। বান্দরবন - হিল জুস

৪২। ব্রাহ্মণবাড়িয়া - তালের বড়া, ছানামুখী, রসমালাই

৪৩। ভোলা - মহিষের দুধের দই, নারিকেল

৪৪। ময়মনসিংহ - মুক্তা গাছার মন্ডা, আমৃতি

৪৫। মাগুরা - রসমালাই

৪৬। মাদারীপুর - খেজুর গুড়, রসগোল্লা

৪৭। মানিকগঞ্জ - খেজুর গুড়

৪৮। মুন্সীগঞ্জ - ভাগ্যকুলের মিষ্টি, বিবিখানা পিঠা

৪৯। মেহেরপুর - মিষ্টি সাবিত্রি, রসকদম্ব

৫০। মৌলভীবাজার - ম্যানেজার স্টোরের চমচম, কমলা, চা পাতা। 

৫১। যশোর - খেজুরের রস ও গুড়৷

৫২।  শেরপুর - ছানার পায়েশ/ছানার পোলাও

৫৩। নড়াইল - ঘোল।

৫৪। রাজবাড়ী - চমচম।

৫৫। সিরাজগঞ্জ - দই, বেলকুচির রসগোল্লা।


কারো জেলার বিশেষ খাবারের নাম বাদ পড়লে জানাতে পারেন সংযোজন করা হবে।

ট্রান্সফ্যাট, হৃদযন্ত্রের এক নিরব ঘাতক ছড়িয়ে পড়ছে ঘরে ঘরে। 

 ট্রান্সফ্যাট, হৃদযন্ত্রের এক নিরব ঘাতক ছড়িয়ে পড়ছে ঘরে ঘরে। 

সাধারণত প্রক্রিয়াজাতকৃত খাবার যেমন কেক, পেস্ট্রি, বিস্কুট, তেলে ভাজা খাবার সহ অনেক খাবারেই এর দেখা মিলে। কিন্তু সম্প্রতি প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহার্য সয়াবিন তেলেও দেখা মিলেছে এই ক্ষতিকর ট্রান্সফ্যাটের। এই নিয়ে বিস্তারিত জানার আগে ট্রান্সফ্যাট কী তা জেনে নেওয়া দরকার। 


ট্রান্সফ্যাট মূলত ক্ষতিকর চর্বির একটি রূপ যা রক্তের ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে বাড়িয়ে দেয় খারাপ কোলেস্টেরল। আর রক্তে এই খারাপ কোলেস্টেরল বাড়তে থাকলে তা ধীরে ধীরে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। অর্থাৎ, প্রতিদিনের খাবারে ট্রান্সফ্যাটের উপস্থিতি দীর্ঘকালীন শারীরিক সমস্যার অন্যতম কারণ। 


এবার আসা যাক সয়াবিন তেল নিয়ে সম্প্রতি করা গবেষণার ফলাফলে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইন্সটিটিউট এবং ব্র‍্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জেমস পি গ্র‍্যান্ট পাবলিক হেলথ স্কুলের ১৩ জন গবেষক মিলে ২০২১ সালে দেশের নানান স্থানে প্রাপ্ত বিভিন্ন ব্র‍্যান্ডের এবং নন-ব্র‍্যান্ডের সয়াবিন তেলের মোট ১৫২১টি নমুনা সংগ্রহ করে গবেষণা কার্য শুরু করে। সেই গবেষণার ফলাফলে উঠে আসে ৬৭% নমুনায় মাত্রাতিরিক্ত ট্রান্সফ্যাট উপস্থিত। অর্থাৎ, প্রতিদিনের রান্নার অপরিহার্য উপাদান সয়াবিন তেলের মাধ্যমে দেশের প্রায় সকলেই গ্রহণ করছেন হৃদযন্ত্রের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি উপাদান। 

সুস্থ থাকতে এই শঙ্কাজনক পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য এবার চাই বিকল্প ব্যবস্থা। কিন্তু এতো এতো সয়াবিন তেলের নমুনায় যদি ট্রান্সফ্যাটের উপস্থিতি থাকে তবে এর বিকল্প কী হবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা স্বাভাবিক। সয়াবিন তেলের বিকল্প হিসেবে আমাদের সামনেই রয়েছে বেশ কিছু উপাদান, শুধু চাই একটু সচেতনতা। 


রান্নার তেল হিসেবে সরিষার তেল হতে পারে এক চমৎকার বিকল্প। ঘানিতে ভাঙানো এক পেষণের সরিষার তেল রান্নার জন্য বহুকাল আগে থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর পাশাপাশি খাঁটি ঘি বা এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েলও ব্যবহার করা যায়। তবে ব্যবহারের আগে অবশ্যই নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন এইসব উপাদানের প্রক্রিয়াজাতকরণ সঠিকভাবে হচ্ছে কি না। কেননা সয়াবিন তেলের উপর করা গবেষণা নিয়ে গবেষকগন জানিয়েছেন যে ভোজ্যতেল পরিশোধনের সময় ব্যবহৃত উচ্চতাপের কারণেই এতে ট্রান্সফ্যাট বৃদ্ধি পায়। তাই কোল্ড প্রেসড তেল বা কাঠের ঘানিতে ভাঙানো তেল তুলনামূলক নিরাপদ।

#highlights2025 #highlightseveryone #rrbgroupd2025 #highlightseveryonefollowers2025 #railgroupd #rrbntpc #UpperPrimary #BMW #highlights #collected 

#highlightsシ゚

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...