এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

শিক্ষামূলক পোস্ট ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 "তুমি তোমার মায়ের সাথে যেমন আচরণ করো, জীবনও তোমার সাথে তেমন আচরণ করবে। মা হলেন ভালোবাসা ও জীবনের উৎস।"


একজন মা গঠিত হন নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দিয়ে—একটি ভালোবাসা, যা কেউই তোমাকে দিতে পারবে না। তাই তাকে বিচার কোরো না। কতোবার তুমি মায়ের পাশে বসে তার কথা শুনেছ? তার অতীত নিয়ে কখনো কথা বলেছ? হয়তো তিনি কখনোই তোমাকে বলেননি যে, তোমার আসার আগে তাকে কতটা দুঃসহ জীবন পার করতে হয়েছে।


হয়তো তিনি কখনো শেয়ার করেননি তার বুকের ভেতর জমে থাকা ক্ষতগুলো, সেই দাগগুলো, যা স্মৃতির আঘাতে বারবার নতুন হয়ে ওঠে... কষ্টময় শৈশব ও কৈশোরের অভিজ্ঞতা, সেই কঠিন মুহূর্তগুলো, যখন কেউ তাকে শোনেনি, তাকে অবহেলা করেছে। কঠিন সময়ের ছাপ পড়েছে তার মনে—রূঢ় কথা, দারিদ্র্য, ভয়, অবজ্ঞা ও নির্যাতনের অসংখ্য স্মৃতি।


তার হৃদয়ে হয়তো অজস্র দুঃখ লুকিয়ে আছে, যা তিনি তোমার সঙ্গে কখনোই শেয়ার করেননি—শুধু তোমার কাছে তার জীবনের ভুল দিকগুলো তুলে ধরতে চাননি বলে। ভালোবাসার জন্য তিনি তা বলেননি, বা হয়তো নীরবতাই ছিল তার একমাত্র আশ্রয়, যেন তিনি আর কষ্ট না পান।


তাকে সম্মান করো, ভালোবাসো, কারণ তিনি তোমার জীবনের এক অমূল্য সম্পদ। তাকে ভালো রাখলে, তোমার জীবন আশীর্বাদ, শান্তি, আনন্দ, স্থিতিশীলতা, এবং দীর্ঘায়ুতে পরিপূর্ণ হবে।


এবং মনে রেখো—তুমি তোমার মায়ের সাথে যেমন আচরণ করো, অন্যরাও তোমার সাথে তেমনই আচরণ করবে। চারপাশের মানুষ তোমার কর্ম থেকে শিখবে, তোমার ভালোবাসা দেখবে।


একজন মা শুধু একজনই থাকেন—যদি তাকে এখন মূল্য না দাও, তাহলে একদিন আফসোসের দীর্ঘ রাতগুলো তোমাকে তাড়া করবে।


সেই রাতে তোমাকে ঘুমোতে দেবে না তোমার মা, বরং তোমার নিজেরই অমান্যতা ও অবজ্ঞার স্মৃতিগুলো তোমাকে তাড়া করে ফিরবে, তোমাকে শান্তিতে থাকতে দেবে না...

একটি_তুমিময়_বসন্ত_চাই  আরাধ্যা_আহনাফ_সূচি সূচনা_পর্ব  ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 -‘ অ্যাহ, লাগছে আমার .  . 


হঠাৎ কানে কারো শক্ত হাতের টান অনুভব করলো নৌমিতা। কানের দুল যেন কানের লতি ছিড়ে বেরিয়ে আসবে। ব্যাথা অনুভূত হওয়ায় মৃদু চিৎকার করল। অজান্তেই তার হাতটা চলে গেছে সেই শক্ত হাতের উপর। চেষ্টা করছে কানের উপরে থাকা হাতটা সরাতে। ব্যাথাতুর চোখ দুটো যখন আগ্রহ নিয়ে পেছন ফিরল তখনি অগ্নিমূর্তির  ন্যায় লাল টকটকে ক্ষিপ্র দৃষ্টির পুরুষটাকে দেখে হিম হয়ে গেলো। 


ধরফর করে উঠলো নৌমিতকার বুক। হঠাৎ ব্যাথাতুর ভাব টা চট করে বাতাসে মিলিয়ে গেল। চমকে উঠে ছিটকে সরে দুই কদম দূরত্ব রেখে দাঁড়ালো। চোখ দুটো বড় বড় হয়ে গেছে। গোলাপি বর্ণের চিকন ঠোঁট দুটো কিঞ্চিৎ ফাঁক হয়ে গেল। সে ভেবেছিলো তার বান্ধবী হবে হয়তো! লোকটার দিকে তাকিয়ে কিছু বলতে যাবে তাকে থামিয়ে দিল। ওই শক্ত হাতে কনুই চেপে ধরে টানতে টানতে পার্কের গেইট ক্রস করে গাড়ির দরজা খুলে সামনে দাঁড় করালো । লোকটি গমগমে স্বরে বললো -


—“ জলদি উঠে বস। ”


 চোখ মুখ কুঁচকে ব্যাথা সহ্য করছে নৌমিতা তরফদার নিমু । কিয়ৎক্ষন পর বাঁধন থেকে মুক্ত হলে রাগ দেখিয়ে প্রশ্ন ছুঁড়ে , 


—“ এসব কী কুশান ভাই? পাবলিক প্লেসে এমন বিহেভ করছো কেন?”


চলতি পা দুটো থেমে গেল। উল্টো ঘুরে বড় কদমে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে অপ্রকৃতিস্থ মেজাজে বলল-


—“ পাবলিক প্লেসে সিনক্রিয়েট করে জোঁকার সাজতে চাচ্ছি না। গাড়িতে বোস, কুইক.”

 

ভড়কে গেল নৌমিতা। অস্বাভাবিক মেজাজ দেখে তর্ক করার মতো দুঃসাহস আর দেখালো না নৌমিতা। এদিক সেদিক তাকিয়ে একটা শুকনো ঢোক গিলে বসে পড়ল গাড়িতে। বসার সাথে সাথে কুশান কর্কশ কণ্ঠে বললো -


--“ শাড়ি পড়ে পার্কে কেন এসেছিস? পেট দেখিয়ে ছেলেদের মাথা নষ্ট করার জন্য? এসব করার জন্য অজুহাত দেখিয়ে ঢাকায় এসেছিস। আমারই বাসায় থেকে এসব নোংরামি করবি, আর আমি সেগুলো টলারেট করবো ভাবলি কি করে? স্টুপিড। কালকের মধ্যে গ্রামে পাঠাবো তোকে। যদি নিজের ভালো চাস তো তাহলে আর একটা প্রশ্নও করবি না।”


ঘাবড়ে গেল নৌমিতা। ভয়টা গ্রামে পাঠাবে এই জায়গায় নয়, ভয়টা হচ্ছে অন্য জায়গায় । চুপচাপ বসে রইলো সে। কুশান আর এক সেকেন্ডও দেরি করলো না। রিভার্স গিয়ারে হাত রেখেই স্টার্ট দিল গাড়িটা। 


নৌমিতা এখনো আতঙ্কে রয়েছে।  কখন যে শাড়িটা সরে গেছিলো বুঝতেই পারেনি ও। সে তো পার্কের এক কিনারাই দাঁড়িয়ে ছিল কে আর দেখবে তাকে? ভুল হয়েছে একটা মাস্ক সাথে আনার দরকার ছিল তার। 


বিশ মিনিটের রাস্তা যেন হাওয়ার বেগে দশ মিনিটেই অতিক্রম করে ফেলেছে কুশান। নৌমিতা দুরুদুরু বুকে  গাড়ি থেকে নামলো। মনে মনে আওড়ালো -“ শুকরিয়া শুকরিয়া। গাড়িসহ আমি যে সহিসালামতে বেঁচে ফিরেছি এই অনেক!” 


ভীতু ভীতু মুখাবয়বে চোরা চোখে কুশানের পেছন পেছন যাচ্ছে। লিফটে উঠে পড়লো কুশান। মুখে হাসির ছিটেফোঁটাও নেই। নৌমিতা যেই না পা বাড়াবে অমনি আদেশের সুরে কঠিন গলায় কুশান বলে উঠে -


--“ ওখানেই দাঁড়া। তোর সঙ্গে একই লিফটে ওঠার কোন রুচি নেই আমার।”


নৌমিতা হতবাক, হতবুদ্ধি! পা টা সরিয়ে আনলো। লিফটের দরজা তখনোই বন্ধ হয়ে গেলো। তাকে রেখেই চলে গেছে কুশান। কোমড়ে হাত দিয়ে কলাপাতা রঙের শাড়িটা উঁচু করে ধরে বোকা বোকা গলায় বলে -


--“ তাহলে আমি কি দিয়ে যাবো? সিঁড়ি দিয়ে এই শাড়ি পড়ে আদৌও পাঁচতলায় পৌঁছানো সম্ভব? এই কুশান তরফদার এতো ভাব দেখায় কেমন করে? অসভ্য, ইতর, জাঁদরেল মার্কা লোক । আমার সঙ্গে এক লিফটে যেতে পারবি না তাহলে এক গাড়িতে আসলি কেন? নিয়ে আসারই বা কি দরকার ছিল! ঢং দেখে বাঁচি না যত্তসব। ”


 আট তলা বিশিষ্ট বিল্ডিং এ পাঁচতলার ফ্ল্যাটে থাকে নৌমিতার চাচা হানিফ তরফদার। গ্রাম থেকে  থেকে বেড়াতে এসেছে নৌমিতা তরফদার। চাচা চাকরির সূত্রে এখানে সপরিবারে থাকেন। উপলক্ষ ছাড়া গ্রামে তেমন যাতায়াত নেই তাদের৷ জেদ চেপে দুই তলা অবধি বিনা ঝা'মেলায় উঠতে সক্ষম হলো নৌমিতা। শাড়ি এখনো এলোমেলো হয়ে যায় নি। সেটা দেখে মনে মনে এক রাশ আনন্দ প্রকাশ করলো। 


আনমনে হাঁটার ধরুণ হঠাৎই হুমড়ি খেয়ে পড়লো ফ্লোরে! আকস্মিক শাড়িতে পা আঁটকে পড়ে যাওয়ায় ব্যাথা পেয়েছে ভীষণ। নাক মুখ কুঁচকে শাড়ি সামলিয়ে উঠার চেষ্টা করছে। অমনি দু'তলার এক ভাড়াটিয়া ফিক করে হেঁসে দিল। মুখ তুলে তাকালো নৌমিতা। মেয়েটা সম্ভবত তার বড় হবে। মেয়েটা আবার হাঁসতে হাঁসতে ফ্লোরে গড়াগড়ি খাওয়ার উপক্রম।  রাগে, লজ্জায় দৃষ্টি নিচের দিকে রেখে উঠে দাঁড়ালো নৌমিতা। গ্রাম হলে নিশ্চিত ঝগড়া বাঁধিয়ে কিছু কড়া কথা শুনিয়ে দিত কিন্তু এখানে এমন টা করলে তার চাচার ইমেজ নষ্ট হবে। তাই ঠোঁট ফুলিয়ে দ্রুত লিফটে উঠে পড়ল। চিৎকার করে কেঁদে কেঁদে তার আব্বাজানের কাছে যেতে ইচ্ছে করছে। সব হয়েছে ওই লোকটার জন্য!  তাদের বাসায় এসেছে বলে এতো অপমান! এর জবাব একদিন সে ঠিক দিয়ে দিবে। আজ না জানি এই হরিদাস পালের জন্য আর কি কি ঘটবে তার কপালে!


.

কলিংবেলের ভারিক্কি আওয়াজ সহ্য করতে না পেরে দ্রুত দরজা খুলে দিল কাইফা। দরজার সামনে দাঁড়ানো নৌমিতার ভয়াল দুর্দশা জনিত অবস্থা দেখে হা হয়ে গেল কাইফার মুখ৷ দরজাটা খুলতেই নৌমিতা ঝটপট ঢুকে পড়লো ঘরে। কেঁদে কেটে চোখের কাজল লেপ্টে একাকার! কাইফা চশমাটা ঠেলেঠুলে বিস্ময়ে বললো—


--“ নিমু আপু তোমার এই অবস্থা কি করে হলো? শাড়ি ওমন খোলা খোলা কেন... 


ঠোঁট কামড়ে কান্না চেপে রেখেছে ষোড়শী কিশোরী। যেতে যেতে চোখে পড়ল কুশান রুম থেকে বেরিয়ে তাকেই দেখছে আর মিটিমিটি হাঁসছে। পা দুটো অল্প সময়ের জন্য থামিয়ে কাইফার উদ্দেশ্যে বলল,


--“ রাস্তায় পাগলা কুকুরের দাওয়া খেয়েছি তো তাই এমন হয়েছে।”


কথা শেষে এক দন্ডও দাঁড়ালো না। কারণ দাঁড়ালে হয়তো ওই তীক্ষ্ণ, ধারালো চোখের চাহনীতে ভস্ম হয়ে যেত। ধারালো চোয়াল মুঠো করে দাঁত কটমটিয়ে দাঁড়িয়ে আছে কুশান। চেঁচিয়ে বলে উঠে -


--“ আম্মু .  . খিদে পেয়েছে ভাত দাও। ”


রুমে ঢুকেই দরজা আঁটকে ফ্রেশ হয়ে নিল নৌমিতা । একটা কালো রঙের থ্রিপিস পড়েছে। দরজাটা খোলার সাথে সাথে দুই বাটি নুডুলস নিয়ে হাজির হলো কাইফা। শ্যামবর্ণের মেয়ে কাইফা। এবার ক্লাসে এইট এ পড়ে। চশমাটা খোলে ড্রেসিং টেবিলের উপর রাখলো। নৌমিতার মুখ এখনো গুমোট অন্ধকারে ছেয়ে আছে। কাইফা আঁটসাঁট বেঁধে বিছানায় বসে কৌতুহলপূর্ণ গলায় জিজ্ঞেস করলো -


--“ আপু তোমার বয়ফ্রেন্ড কখন এসেছিলো? কি কি কথা বললে? কেমন দেখতে তোমার . .।”


কথার মাঝখানে দাঁড়ি বসিয়ে দিল নৌমিতা - 


--“ আরে থাম তো তুই। জ্বালাস না। চুপ করে বসে থাক।”


মন খারাপ হয়ে গেল কাইফার। কিন্তু এতোটুকু আন্দাজ করতে পারলো - কোন না কোন গোলমাল নিশ্চিয়ই আছে। তাই আবারো কণ্ঠ খাদে নামিয়ে বলল, 


--“ আপু তোমাদের কি দেখা হয় নি?”


এবার আর মুখ গুমরা করে থাকতে পারলো না নৌমিতা। বোন কে এসে জড়িয়ে ধরে একটু কাঁদলো। কাঁদতে কাঁদতে বলল, 


--“ আমায় এখন কোন প্রশ্ন করিস না। একটু কাঁদতে দে। আমি রাগ কন্ট্রোল করতে পারছি না রে বোন।”


নৌমিতা তার রাগ কে কখনো কন্ট্রোল করতে পারে না। আর সেই রাগের বহিঃপ্রকাশ হয়তো কখনো ভাংচুর করে মিটে নয়তো কেঁদে! কিছুক্ষণ পর শান্ত হয়ে বলল, 


--“ দেখা হয়নি রে বোন। কি করে হবে? সানিয়ার সাথে কথা বলে তাকে বিদায় দিয়ে ওর জন্য অপেক্ষা করছিলাম। ও এখনো আসছে না দেখে কল দিতে যাবো অমনি তোর বিটকেল ভাইটা এসে হাজির।”


এতোটুকু বলে থামল ও । অপমানের কথাটা মনে হতেই বেলুনের মতো চুপসে গেল । ফোনটা হাতে নিল সে। ডাটা কানেক্ট করে অনলাইনে ঢুকতে ঢুকতে কাইফার আবারো প্রশ্ন -


--“ তুমি আমার ভাইকে বিটকেল বলো কেন আপু ?”


একহাতে ফোন ঘাঁটছে, অন্য হাতে নুডুলস'টুকু খালি পেটে চালান করছে নৌমিতা। 


--“ বিটকেল কে বিটকেল বলবো না তো কি কুমার বলবো? ওর একটা কটকটি মার্কা গার্লফ্রেন্ড আছে । তোর ভাই মাঝেমাঝে গ্রুপ ফটো আপলোড দেয় আর সব ছবিতে ওই কটকটি বিদ্যমান। কিরণমালা দেখিস নি? ওই নাটকের কটকটির যে বয়ফ্রেন্ড ছিল বিটকেল, তোর ভাই ওইটাই। ” 


ফিক করে হেঁসে দিল কাইফা। হাসি থামিয়ে আবারো জিজ্ঞেস করল -


--“ ভাইয়া তোমাকে সাথে করে নিয়ে এলো?”


--“ হুম ”


নুডুলসের বাটি থেকে অল্প একটু নুডুলস মুখে দিয়ে বোকাসোকা কণ্ঠে কাইফা আবারো বলল -


--“ ভাইয়ার সাথে গাড়ি দিয়ে এসেছো তাহলে কুকুরের দৌড়ানি কখন খেলে?”


--“ তোর বিটকেল ভাইয়ের সাথে থাকলে কি আমার কোন শান্তি আছে? ও নিজেই তো একটা কু. . . 


--“ কাইফা .  . কইফা .  . এক গ্লাস জুস দিয়ে যা।”


জোড় গলায় চেঁচিয়ে কুশান ডাকলো কাইফাকে। এতো জোড়ে চেচালো যে অন্যান্য ফ্ল্যাটে এই আওয়াজ অনায়সে পৌঁছে গেছে। কাইফা দ্রুত চলে গেল জোস বানাতে। 


বিরক্তিতে ভাঁজ পড়লো কপালে। নৌমিতা অনলাইনে ঢুকে অপেক্ষা করছে কখন তার প্রাণ প্রিয় পুরুষ টি তার মেসেজ সিন করবে। নিশ্চিয়ই অভিমান করেছে ও। দেখা টা হয়েও হলো না। সরি লিখে বিস্তারিত কারণসহ ব্যাখ্যা করে ছোটখাটো একটা অনুচ্ছেদ রচনা সেন্ট করলো। সাথে সাথেই সিন করলো ছেলেটা। তিন মাসের সম্পর্ক তাদের। ছেলেটার আচার-আচরণ, কথাবার্তার শালীনতা মুগ্ধ করে নৌমিতাকে। তাই তো অনলাইনে প্রেম করার মতো সাহস জুগিয়েছে মনে। বাড়ি থেকে বই মেলায় যাওয়ার বাহানা দিয়ে ওর সঙ্গে দেখা করতে এসেছে। বইমেলায় গিয়ে পছন্দের লেখিকাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করাটাও ওর বহু দিনের ইচ্ছে। বলতে গেলে দুটো কারণেই তার এই ব্যস্ত নগরীতে পা রাখা। 


ওপাশ থেকে রিপ্লাই এলো —“ মাস্ক লাগিয়ে আসতে পারতে। আমি এসেছিলাম ঠিকই কিন্তু তখন তোমাকে ওই ছেলেটা হাত ধরে টেনে টেনে নিয়ে আসছিলো। তাই আর সামনের পথ বা'রাইনি। কাজিন সবারই থাকে তাই বলে সবার সামনে হাত ধরে টেনে নিয়ে আসাটা মোটেও স্বাভাবিক ঠেকছে না।”


চোখে জল চলে এলো নৌমিতার। নিশ্চিত ভুল বুঝেছে তাকে। বুঝবে নাই বা কেন? এমন হলে তো ভুল বুঝারই কথা। মনে মনে অসংখ্য কটু শব্দে রাগ ঝারলো কুশানের উপর। তারপর ছয়টা কান্নার ইমোজি সেন্ট করে আবারো ক্ষমা চাইলো। গললো বোধ হয় ছেলেটার মন। 


কয়েক কথা কাটাকাটি হবার পর ছেলেটার তরফ থেকে রিপ্লাই এলো --“ কাল বইমেলায় অন্যধারা প্যাভিলিয়নের সামনে দাঁড়িয়ে থেকো। আমি আসবো নিমাই। তোমাকে দূর থেকে হলেও এক নজর দেখতে আসবো! আজকের মতো অফলাইন হচ্ছি। কাল পরীক্ষা আছে। পড়তে বসবো।  ভালোবাসা নিমাই।”


দুটো লাভ ইমোজি যুক্ত করে চলে গেল। সে ভালোবেসে নৌমিতা কে নিমাই বলে ডাকে। এতোক্ষণে যখন বুকের উপর থেকে বোঝাটা নেমেছে তার। নৌমিতা এবার ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে। আর তার ভালোবাসার মানুষ টি সে পড়ে অনার্স ফাইনাল ইয়ারে।  স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে নৌমিতা। ফাঁকা ঘরেই একা একাই গান গাইতে আরম্ভ করলো। হুশ জ্ঞান যেন সব হারিয়ে ফেলেছে। তার গান গাওয়ার ভেতর হঠাৎ কেউ বলে উঠলো -


--“ মশার কণ্ঠও এর চেয়ে সুরেলা,  মধুর! গলা তো নয় যেন ফাঁটা বাঁশ - আকামের কথা বের হয় ঠাস ঠাস।”


আওয়াজের উৎস খুঁজতে গিয়ে কুশান কে দেখেই সাপের ন্যায় ফুঁসে উঠলো নৌমিতা। আগুন জ্বালিয়ে দিয়ে খুব স্বাভাবিক শান্ত ভঙ্গিতে কানে ব্লুটুথ গুঁজতে গুঁজতে বেরিয়ে গেল কুশান। ভাবটা এমন যে এখানে কিছুই ঘটেনি! ব্লাশ করা চুলগুলো তে আবারো হাত বুলালো। এদিকে ষোড়শীর হৃদয়ে অপমানে দাউ দাউ করে জ্বলছে।


To be continue... 🦋


#একটি_তুমিময়_বসন্ত_চাই 

#আরাধ্যা_আহনাফ_সূচি

#সূচনা_পর্ব 


[ আসসালামু আলাইকুম। নতুন গল্প শুরু করেছি আবারো। এই গল্পটা খুব বেশি বড় হবে না। আশা করি ভালো লাগবে আপনাদের। 🍁]

প্রেমাঙ্গন লেখিকা:#রুবাইয়াত_রাহা  (ছদ্মনাম)  সূচনা পর্ব,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 (১৮+ এলার্ট)


একটানে ব্লাউজের পিছনের ফিতেটা খুল ফেললো এক যুবক।সাদা ধবধবে পেটে হাত দিয়ে চেপে ধরলো পুরুষটি। মেয়েটি কেঁপে উঠলো। বেনারসী শাড়িটি ছুড়ে ফেললো মাটিতে।মেয়েটি শিররনে জড়িয়ে ধরলো সামনে থাকা পুরুষটিকে।দুজন মানব মানবী একে অপরকে ঝাপটে জড়িয়ে আছে। পুরুষটির ঠোঁট মেয়েটির ঠোঁটের মাঝে সে যেন মধুসুধা পান করতে ব্যস্ত। মেয়েটি দম বন্ধ হয়ে আসছে ছাড়াতে চেয়েও পারছে না। শেষে বাঁধ্য হয়ে সেও রেসপন্স করতে শুরু করে।পুরুষটি পর পর শরীর থেকে সমস্ত বস্তু খুলে ফেলে দেয়। আদরের চাদরে মুড়িয়ে দেয় মেয়েটিকে।রাত যত গভীর হচ্ছে ভালোবাসা তত বেশি মধুর হয়


বন্ধ দরজার ভিতরে সদ্য বিবাহিত জুটি। ইরফান শেখ ও তার সদ্য বিবাহিত স্ত্রী ইশারা শেখ। আজ তাদের বিয়ে হয় পারিবারিক ভাবে। ইরফান শেখ হলো এই বিশাল শেখ বাড়ির একমাত্র উওরাধিকারি।বাবা অদিত শেখ মা শাহিদা শেখ আর এ বাড়ির বড় কর্তা মানে ইরফানের দাদু আজান শেখ । তিনি নিজে পছন্দ করে নাতবউ এনেছেন। তার মতে মধ্যবিত্ত পরিবারের একজন সুশীল মেয়ে এই শেখ বাড়ির বউ হওয়ার যোগ্যতা রাখে এজন্য তিনি খোঁজ খবর নিয়ে নাতীর জন্য মেয়ে এনেছেন যদি সে বড় ঘরের মেয়ে কিন্তু তার মধ্যে সুশীলতা আছে। ইরফান অত্যন্ত বাঁধ্য এবং অবাঁধ্য দুটোই তার মধ্যে বিরাজ করে।পজিশন অনুযায়ী সে বাঁধ্য অবাঁধ্যতা প্রকাশ করে।সে যদি বলে কোনো কাজ করবে না তবে তাকে দিয়ে কেউ করাতে পারবে না। ইরফান দাদুর কথা সবসময় মানে বলতে গেলে তার বাবার থেকেও বেশি এজন্য তো না দেখে দাদুর পছন্দের মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে আনলো কোনো কথা ছাড়াই।ইরফানের একটি বাজে অভ্যাস আছে তা হলো বারে গিয়ে মাঝে মধ্যে মেয়ে নিয়ে পার্টি করে নেশা করে বুদ হয়ে থাকে।এলকোহলের নেশার সাথে মেয়ের নেশাও ধরে তাকে এজন্যই তো কত মেয়ের সাথে সম্পর্ক তার ঠিক নেই। বাড়ি ফিরে মাতাল হয়ে এই খবর বাহিরের কেউ জানেনা একমাত্র শেখ বাড়ির কয়েকজনই জানে। এজন্য একপ্রকার বাঁধ্য হয়ে আজান শেখ নাতীর বিয়ে দেন। ঘরে বউ এনে যদি নাতী সেসব নেশা ছেড়ে দেন এই আশায়।  


ভোরের আলো ফুঁটতে চোখ মেললো ইরফান। চোখ মেলে প্রথম নজরে আসে তারই বুকের উপর ঘুমিয়ে থাকা এক পরীর উপর।কি অপরুপ সৌন্দর্য তার কাজল কালো আঁখি,যেন শরতের আকাশে একমুঠো কালো মেঘ।

ইরফানের নেশা ধরলো মেয়েটার চোখে দিকে তাকিয়ে থাকলে অবাঁধ্য মন অন্য কিছু চাইলো।ইরফান আর নিজেকে ধরে রাখতে না পেরে ঘুমন্ত অবস্থায় ইশারাকে পাশে শুয়ে দিয়ে ঠোঁট আঁকড়ে ধরলো। ঠোঁট আঁকড়ে ধরায় ইশারা ধপ করে ঘুম পালিয়ে গেলো বুঝতে পারছে তার সাথে কি হচ্ছে। এমনি শরীরে ব্যথার তার মধ্যে স্বামীর ভালোবাসায় যেমন পাগল হলো তেমনি চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়লো কয়েক ফোঁটা সুখের জল।


সকাল ছয়টা ইশারা বিছানার একপাশে নগ্ন শরীর টাকে চাদর দিয়ে ঢেকে রেখেছে। ইরফান সবে গোসল করে বেরেলো। সাদা ধবধবে শরীরে দর্শমান চুল গুলো ভেজা। দুই হাত দিয়ে ঝাঁকাচ্ছে। ইশারাকে বিছানার কোনে বসে থাকতে দেখে তার সামনে আসে।


__গোসলে যাবে নাকি আমি নিয়ে যাবো?আমি গেলে কিন্তু গোসলের সাথে আরো অনেক কিছু করবো।

ইরফানের চোখে নেশা মুখে দুষ্টু হাঁসি।ইশারা ইরফানের কথার মানে বুঝতে পারলো।ও যেন লজ্জায় কুঁকড়ে গেলো।সদ্য কালকে বিয়ে হওয়া স্বামী এমন এমন কথা বলবে আগে জানা ছিলো না। সে তো বিয়ের আগে মানুষটাকে দেখেওনি বাবার আর্দেশ মতো বিয়ে করেছে। 

সামনে দাঁড়িয়ে থাকা সুদর্শন পুরুষ তার স্বামী হলেও এসব কথা যেন তাকে লজ্জায় ফেলছে।


__মধুর রাত কেঁটে গেলো তবুও লজ্জা শেষ হয়নি?বাহ! আমি তো লজ্জা থাকার মতো কিছু রাখিনি তার পর এতো লজ্জা।


ইশারা বিছানা থেকে নামলো পা বাড়াতেই অনুভব করলো পুরো শরীর ব্যথায় জর্জরিত পা থেলে গেলো।ইরফান ভ্রু কুচকে তাকালো বুঝতে পারলো সমস্যা কি।

ইরফান ইশারার কাছে এগিয়ে এলো। হুট করে ইশারাকে কোলে তুলে নিলো। ইশারার মুখে এবার বুলি ফুঁটলো।


__ক কি করছেন নামান প্লিজ। 


ইরফানের মুখে হাঁসি। 


___ভয় নেই আজকের জন্য সমাপ্ত। তুমি তো বেশি সহ্য করতে পারছো না। শুধু গোসলে যাওয়ার জন্য এগিয়ে দিয়ে আসবো।ইশারা ইরফানের গলা জড়িয়ে আছে ঠোঁট দিয়ে ঠোঁট চেপে আছে। ইরফান নিঃশব্দে হাঁসলো।


__মেয়ে আমি আমার অধিকার বুঝে নিতে জানি। তাই আমার ইচ্ছে হলে লুকিয়ে থেকেও লাভ হবে না। 

ইশারাকে আস্তে ওয়াশরুমের ভিতর নামিয়ে দেয়। 


__গোসল শেষে যেতে না পারলে ডাক দিও আমি নিয়ে যাবো।


__আমি যেতে পারবো। 


ইশারায় উওরে ইরফান কিছু বললো না শুধু তাকিয়ে রইলো মেয়েটার গোলাপি ঠোঁট আর কাজল কালো চোখের পানে।দরজায় কষাঘাতের জন্য ইরফানের নজর সরে যায় ইশারা ওয়াশরুমের দরজা বন্ধ করে দেয়। ইরফান রুমের দরজা খুলে দেয়। দরজা খুলতে দেখা মিলে চাঁদনীর সম্পর্কে যে ইরফানের ভাবী হন ফুফাতো ভাইয়ের বউ।


____কি দেবরজী দরজা খুলছো না কি ব্যপ্যার বউ পেয়ে দিন দুনিয়া ভুলে গেলে।

কথাটা বলে চাঁদনী শাড়ির আঁচলে মুখ লুকিয়ে হাঁসতে থাকে।


__দিন দুনিয়া ভুললে তো আর দরজা খুলতাম না যদিও ইচ্ছে ছিলো না কিন্তু বাচ্চা বউয়ের ব্যপার বুঝোই তো।


তুমি এখানে কি করছো নাতবউ? 


আজান শেখ এর কথায় দুজনে তার পানে চায়।চাঁদনী আমতা আমতা করে উত্তর খুঁজে কিন্তু পায় না। 


__কি হলো উত্তর দেও?


চাঁদনী উত্তর দেওয়ার আগে ইরফান বলে উঠলো,


___দেখতে এসছিলো কি করছি তাই না ভাবিজি? 


চাঁদনী হ্যাঁ মিলালো,


__হ্যাঁ দাদু ডাকতে আসছিলাম মামিমা ডাকতে পাঠিয়েছিলো।


__তুমি এখান থেকে যাও তোমাকে না বলেছি ইরফানের আশে পাশে আসবে না। ওদিকে সাগর আছে ওকে দেখো ওর খাতির যত্ন করো। 


আজান শেখ এর গম্ভীর কন্ঠে চাঁদনী একটু ভয় পায়। তাই সে আড়ালে মুক বাঁকিয়ে চলে গেলো।


আজান শেখ চাঁদনীকে একটু না অনেকটা অপছন্দ করেন তার কারণ অবশ্য আছে।চাঁদনী তার মেয়ে আফিফার বড় ছেলের বউ।উনার দুই ছেলে সাগর আর স্বাধীন।স্বাধীননের বউ দিতি যাকে আজান শেখ অনেক ভালোবাসেন তার কারণ তার আচার আচরণ আর ভালো ব্যবহারের কারণে। দিতি খুব মিষ্টি মেয়ে। আর এক নাতনী আছেন নাম রুবাইয়া তাকে বেশ স্নেহ করেন।আফিফার স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে ছেলে মেয়ে নিয়ে এই বাড়িতে উঠলে আজান শেখ আর যেতে দেয়নি।অকালে জামাই চলে যাওয়া মেয়ে আর নাতী নাতনিদের তিনি দেখে শুনে রেখেছেন। এখন তারা বড় হয়েছে সাগর আর  স্বাধীন কে নিজেদের অফিসে বসিয়ে দিয়েছেন অদিত শেখ এর সাথে অফিসের কাজ করে। আজান শেখ সব পারলেও ইরফান কে কাজে বসাতে পারলেন না। উনার কথা শুনলেও সব কথা শুনেন না। কিছু কথা শুনেন তার মধ্যে বিয়ে করেছে এটাই অনেক সে কথা শুনাতে আজান শেখ অনেক খুশি। ইশারা কে সব বুঝিয়ে দিতে হবে মেয়ে একটু নরম মনের আর অবুঝ বটে কিন্তু আমাকেই তাকে শক্ত করে গড়িয়ে তুলতে হবে। 


ইরফান রুমে নেই। ইশারা গোসল সেরে চুলের পানি মুচছে তখন আগমন ঘটে দিতির। ইশারা শুনেছে তিনি সম্পর্কে জা হন তাই এগিয়ে গেলো হাঁসি মুখ করে রাখলো। দিতি এসে চুলগুলো আঁচড়ে দিলো অনেক লম্বা চুল আঁচড়াতে তার ভীষণ মুসকিল হয় 

বাসায় হলে মা দিতো কিন্তু উনি কিভাবে যেন বুঝে গেলো আর কত সুন্দর না বলতেও আমার কাজ সহজ করে দিলো।এই বাড়ির মানুষ গুলো ভালো ভেবে ইশারার শান্তি অনুভব হলো।দিতি চুল আঁচড়ে দিতে দিতে বললো,

__শোনো মেয়ে আমি তোমার বড় বোনের মতো তাই একটা কথা বলছি আশে পাশে মানুষ তোমার ভালো চাওয়ার নাটক করবে তাই বলে গলে যেও না।মানুষ চিনতে জানো তো?


দিতির কথার আগা মাথা কিছু বুঝলো না সে মাথা নাড়ালো জানে না।


__তবে শিখে নেও আগে থেকে।কিছু মানুষ আপন সেজেও ছুরি চালাতে দ্বিধা করে না। কখনো কখনো আবার আপন মানুষ ও অভিনয় করে। 


দিতি চুল আঁচড়িয়ে দিয়ে ওর হাত ধরে বাহির হয়ে আসছে।

__বাহিরে অনেক মানুষ এসেছে নতুন বউ দেখতে তারা ইরফানের বউ দেখবে বলে অপেক্ষা করছে চলো।


ইশারা দিতির সাথে যাচ্ছে আর ওর একটু আগে বলা কথা গুলো বুঝার চেষ্টা করছে কিন্তু তার ওই সহজ সরল মাথায় ঢুকছে না আসলে আগে কখনো এতো কঠিন কথা শুনেনি। বাবা মা'র ছায়া তলে বড় হয়েছে সে আর এক ছোট বোন আছে তাদের সুখী পরিবার কখনো হিংসা, বিবাদ এসবের মধ্যে জড়ায়নি তাই বুঝেওনা এই আপন পর খেলা কি।


চলবে...............................?


#প্রেমাঙ্গন

লেখিকা:#রুবাইয়াত_রাহা  (ছদ্মনাম) 

সূচনা পর্ব


[এটা আমার লেখা প্রথম গল্প কেমন হয়েছে জানাবেন। আর যাদের এধরণের গল্প পছন্দ না তারা ইগনোর করবেন প্লিজ।

পুরুষ কেন গোপনে কাঁদে? 

 পুরুষ কেন গোপনে কাঁদে? 


একজন প্রজ্ঞাময় বৃদ্ধকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, পুরুষ কি কাঁদে? 

তিনি জবাব দিয়েছিলেন, হ্যা, পুরুষ কাঁদে, অবশ্যই কাঁদে।  

যে প্রশ্ন করেছিল সে অবাক হয়ে বললো, পুরুষও কাঁদে? 

কখন? 

কিভাবে? 

কি এমন কারণ থাকতে পারে, যাতে করে পুরুষ কেঁদে উঠবে? 


বৃদ্ধ বললেন,  


●পুরুষ কাঁদে, যখন তার মায়ের মত আপন মানুষগুলো এই দুনিয়া ছেড়ে চলে যায়, 

●পুরুষ কাঁদে, যখন সে তার বাবা মা দুজনকেই হারায়, 

●পুরুষ কাঁদে, যখন তার সন্তান অসুস্থ হয়ে পড়ে, 

●পুরুষ কাঁদে, যখন সে তার মেয়ের বিয়ে দেয়, 

●পুরুষ কাঁদে, যখন তার অকৃতজ্ঞ একগুঁয়ে সন্তান তাকে সবার সামনে অপমান করে, 

● পুরুষ কাঁদে যখন আপনজন থেকে প্রতারিত হয়,

●পুরুষ কাঁদে, যখন সে বুঝতে পারে সে আসলে ভীষণ অসহায়, জীবন যুদ্ধ তাকে কিভাবে গোলাম বানিয়ে রেখে দিয়েছে, 

●পুরুষ কাঁদে, যখন সে তার ভালবাসার মানুষগুলোর ভরণ পোষণ করতে ব্যর্থ হয়, তাদের সামান্যতম সখগুলোও সে যখন আর মিটাতে পারে না, 

●পুরুষ কাঁদে, যখন সে তার নিজের মা, মাটি আর দেশ থেকে অনেক দূরে, ভালবাসার মানুষগুলোকে একটু ছুঁতেও পারে না, একটু আদরও করতে পারে না, 


●হ্যা, পুরুষ কাঁদে, কিন্তু... সে তখনই কাঁদে যখন সে আঁধারের অতলে... 

যখন ঝুম বৃষ্টি নামে... 

যখন তার পাশে বালিশটা ছাড়া আর কেউই নেই...


■পুরুষের সেই অশ্রু তার চোখের গর্ত থেকে বেরিয়ে আসে না, যা অন্য কেউ দেখে ফেলবে, 

পুরুষের অশ্রু বেরিয়ে আসে তার হৃদয়ের গহীন থেকে, কখনো সেটা একটা দীর্ঘশ্বাস, কখনো বিস্ময়ে হতবাক হয়ে তাকিয়ে থাকা !

পুরুষের অশ্রুতে তার চামড়ায় ভাঁজ পড়ে, চুল দাড়ি পেকে যায়, তার হাত দু'টো কেঁপে কেঁপে ওঠে। 


এতটুকু বলে সেই বৃদ্ধ আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না, নিজেই কেঁদে উঠলেন তিনি, বললেন, 

হ্যা ঠিক এভাবেই পুরুষ মানুষ কেঁদে ওঠে, কাঁদতে থাকে।


অতৃপ্ত এই পৃথিবীতে আজ যত আয়োজন অর্ধেক তার মিথ্যে মায়া বাকি অর্ধেক তার প্রয়োজন !

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ২৫-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ২৫-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


বিডিআর বিদ্রোহে শহীদ সেনা সদস্যদের স্মরণে দেশে আজ প্রথমবারের মতো পালিত হচ্ছে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস।


কাজের গতি বাড়াতে ও দুর্নীতি কমাতে সরকারের প্রতিটি স্তরে ই-ফাইলিং চালুর সিদ্ধান্ত।


দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে সরকার - বললেন আইন উপদেষ্টা - সারাদেশে শুরু হয়েছে যৌথ বাহিনীর টহল। 


আগামী অক্টোবরে তফসিল এবং ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন – বললেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে আগামী শুক্রবার আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক দল।


সকাল নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করে আসন্ন পবিত্র রমজানের নতুন সময়সূচি ঘোষণা।


ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে স্থায়ী শান্তি স্থাপনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রস্তাব পাশ - যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়ার প্রত্যাখান।


রাওয়ালপিন্ডিতে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাংলাদেশকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠলো নিউজিল্যান্ড - আজ দক্ষিণ আফ্রিকার মোকাবেলা করবে অস্ট্রেলিয়া।ল

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৪-০২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৪-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


কাজের গতি বাড়াতে ও দুর্নীতি কমাতে সরকারের প্রতিটি স্তরে ই-ফাইলিং চালুর সিদ্ধান্ত।


দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে সরকার --- বললেন আইন উপদেষ্টা --- সারাদেশে শুরু হচ্ছে যৌথ বাহিনীর টহল।


আগামী অক্টোবরে তফসিল এবং ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন –-- বললেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।


বিডিআর বিদ্রোহে শহীদ সেনা সদস্যদের স্মরণে দেশে আগামীকাল প্রথমবারের মতো পালিত হবে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস।


২০১৮ সালের বিতর্কিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকায় বাতিল হলো ১০৩ পুলিশ কর্মকর্তার পদক।


সকাল নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করে আসন্ন পবিত্র রমজানের নতুন সময়সূচি ঘোষণা।


ইউরোপের ভাগ্যোন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্র উদাসীন --- মন্তব্য নবনির্বাচিত জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মেয়ার্টস-এর।


এবং রাওয়ালপিন্ডিতে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিউজিল্যান্ডকে ২৩৭ রানের জয়ের লক্ষ্য বেঁধে দিলো বাংলাদেশ।

সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আপডেট_জমি_রেজিস্ট্রি_খরচঃ

 #আপডেট_জমি_রেজিস্ট্রি_খরচঃ-

জমি ক্রয়ের জন্য দরদাম ঠিক করার পরই আমাদের মাথায় আসে রেজিস্ট্রি খরচ নিয়ে। যারা জমির রেজিস্ট্রি খরচ নিয়ে চিন্তিত তাদের জন্য আজিকের এই লেখাটি। জেনে নিন জমি রেজিস্ট্রি করতে কত টাকা খরচ হয়ঃ-


একটি জমির দলিল রেজিস্ট্রি করতে কত টাকা লাগে বা মোট কত টাকা খরচ হয় তা আমাদের জানা একান্ত জরূরী। তা নাহলে আমাদের পড়তে হবে দালালদের খপ্পরে। এতে আমদের অনেক টাকা নস্ট হয়ে যাবে। তাই এই লেখাটি আপনি পড়লে নিজে নিজেই বিস্তারিত জানতে বা বের করতে পারবেন জমি রেজিস্ট্রি খরচ।


জমির রেজিস্ট্রি খরচ বা ফি এলাকা ভেদে কমবেশি হয়ে থাকে। আর এই রেজিস্ট্রি খরচ বা ফি দুইভাবে আমরা হিসাব করতে পারি। যথাঃ-

👉ওয়েবসাইট বা মোবাইল এপসের মাধ্যমে।

👉সাধারণভাবে হিসাব করে।

ওয়েবসাইট বা মোবাইল এপসের মাধ্যমে।

সহজে দলিলের রেজিস্ট্রি খরচ বা ফি বের করা যায় এই লিংকে (https://fees.dolil.com/) প্রবেশ করে। এই লিংকে প্রবেশ করার পর আপনাকে নিচের পেইজে নিয়ে যাওয়া হবে। দলিল রেজিঃ ফি ক্যাল্কুলেটর উপরের পেইজের সব আপশনগুলো যথাযথভাবে পূরণ করে ফলাফল বাটনে ক্লিক করলেই আপনি পেয়ে যাবেন নিচের হিসাবের পাইজটি। সেখানে আপনি দেখতে পাবেন কোন ফি কত টাকা। 


ক্যাল্কুলেটর এভাবে আমরা সহজেই নিজে নিজে বের করতে পারবো জমির দলিল রেজিস্ট্রি ফি বা খরচ কত। সাধারণভাবে হিসাব করে।


👉সাধারণভাবে আমরা দলিল রেজিস্ট্রির জন্য স্ট্যাম্প শুল্ক, রেজিস্ট্রি ফিস, অতিরিক্ত কর, উৎস কর, জেলা/পৌরকর ইত্যাদি ফিস হিসাব করে দিয়ে থাকি। সকল দলিলের ফিসের হার সমান নয়, দলিলের প্রকৃতি ও এলাকা অনুসারে তার ফিসের হার নির্ধারিত হয়ে থাকে। নিম্মে খাতওয়ারী বিভিন্ন ফি আলোচনা করা হলোঃ-


👉রেজিস্ট্রেশন ফি- হস্তান্তরিত সম্পত্তির দলিলে লিখিত মোট মূল্যের ১% টাকা।

👉দলিলের মূল্য ২৪,০০০ টাকা বা তার কম হলে নগদ অর্থে এবং ২৪,০০০ টাকার বেশি হলে পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানীয় সোনালী ব্যাংক লিঃ এ, কোড নং ১৪২২২০১ তে জমা করতে হবে (পুরাতন কোড ১৮২৬)।

👉স্টাম্প শুল্ক- হস্তান্তরিত সম্পত্তির দলিলে লিখিত মোট মূল্যের ১.৫% টাকা।

👉দলিলে সর্বোচ্চ ১২০০ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্টাম্প ব্যবহার করা যাবে। স্টাম্প খাতের বাকি অর্থ পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানীয় সোনালী ব্যাংক লিঃ এ কোড নং ১১৬২১০২ তে জমা করতে হবে।

👉স্থানীয় সরকার কর- দলিলে লিখিত মোট মূল্যের ৩% টাকা। স্থানীয় সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের হিসাব নম্বরে পে-অর্ডারের মাধ্যমে জমা করতে হবে।

👉উৎস কর (53H)– ক) জেলা সদরের পৌরসভা ব্যতীত অন্যান্য পৌরসভার ক্ষেত্রে দলিল মূল্যের উপর ২% টাকা। খ) অন্যান্য এলাকার জন্য দলিল মূল্যের উপর ১% টাকা। এলাকা ও অবস্থান ভেদে জমির দলিল খরচ ভিন্ন হয়ে থাকে।

👉নিম্মে একটি উদাহরনের মাধ্যমে সহজেই আমরা বের করতে পারবো একটি দলিল রেজিস্ট্রি ফি কত।

👉যেমন কোন মৌজার ২০ শতাংশ জমির বিক্রিত দলিল মূল্য ৫,০০,০০০/- টাকা । তাহলে আমরা নিম্মোক্ত হিসাবের মাধ্যমে উক্ত জমির দলিল রেজিস্ট্রি খরচ বা ফি বের করতে পারি।

👉রেজিস্ট্রি ফিঃ ৫,০০,০০০/-এর ১%=৫০০০/- টাকা।

👉স্ট্যাম্প শুল্ক ফিঃ ৫,০০,০০০/-এর ১.৫%=৭৫০০/- টাকা।

👉স্থানীয় সরকার ফিঃ ৫০০০০০/- এর ৩%=১৫০০০/- টাকা।

👉উৎস কর ফিঃ ৫০০০০০/- এর ১%=৫০০০/-টাকা(ইউনিয়ন এলাকার জন্য) এবং পৌরসভা এলাকার জন্য ৫০০০০০/- এর ২%=১০০০০/- টাকা।

👉অন্যান্য ফি সমূহ-

হলফনামা- ৩০০/- টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে হলফনামা।

👉ই-ফি- ১০০/- টাকা।

এন.ফি-প্রতি প্রতি পৃষ্ঠায় বাংলা ৩০০ শব্দ বা তাহার অংশ বিশেষ ১৬ টাকা৷ প্রতি পৃষ্ঠায় ইংরেজি ৩০০ শব্দ বা তাহার অংশ বিশেষ ২৪ টাকা।

👉এন.এন. ফি(নকল নবীশগনের পারিশ্রমিক)- প্রতি পৃষ্ঠায় বাংলা ৩০০ শব্দ বা তাহার অংশ বিশেষ এর জন্য ২৪ টাকা ৷ প্রতি পৃষ্ঠায় ইংরেজি ৩০০ শব্দ বা তাহার অংশ বিশেষ ৩৬ টাকা।

👉নোটিশ ফি- সম্পত্তি হস্তান্তরের নোটিশ আবেদন পত্রের জন্য কোর্ট ফি ১০/- টাকা।


(বিঃদ্রঃ- এন ফি এবং ই ফি রেজিস্ট্রিশন ফি এর সাথে পে অর্ডারের মাধ্যমে ১৪২২২০১ নং কোড ব্যবহার করে স্থানীয় সোনালী ব্যাংকে জমা প্রদান করতে হবে ৷ এবং এন,এন ফি রেজিস্ট্রি অফিসে নগদে জমা প্রদান করতে হবে)


তথ্য সংগৃহীত

৭০০ বছর মুসলিমরা শাসন করে হিন্দুদেরকে মায়ের কোলে রেখে লালন করেছিলো। কখনো হিন্দু নিঃচিহ্ন করার কথা কেউ ভাবেনি।    

 ★★★ ৭০০ বছর মুসলিমরা শাসন করে হিন্দুদেরকে মায়ের কোলে রেখে লালন করেছিলো। কখনো হিন্দু নিঃচিহ্ন করার কথা কেউ ভাবেনি।    

★★ ভারত_আসলে_কাদের?? ভারতের ইতিহাস শেষ পর্যন্ত পড়ুন!! ঘৌরি সাম্রাজ্য থেকে নরেন্দ্র মোদী পর্যন্ত ঘোরি কিংডম!!

★★  আমরা গর্বিত আমরা মুসলমান, আমরা মানুষ, আমাদের ধর্ম ইসলাম আর ইসলাম শান্তির,মানবতার ধর্ম। 

1 = 1193 মোহাম্মদ ঘোরি

2 = 1206 কুতুবুদ্দিন আইবেক

3 = 1210 বাকি শাহ

4 = 1211 ইলতুৎমিস

5 = 1236 রকিনউদ্দিন ফিরোজ শাহ

6 = 1236 রাজা সুলতান

7 = 1240 মোজাদ্দিন বাহরাম শাহ

8 = 1242 আল-দীন মাসউদ শাহ

9 = 1246 নাসিরুদ্দিন মাহমুদ

10 = 1266 গিয়াসউদ্দিন বালবিন

11 = 1286 ..........

12 = 1287 মসজিদের কাবাদন

13 = 1290 শামসুদ্দিন কামার্স

মহান সাম্রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকার থেকে -97 বছর প্রায় দূরে।)

  ★★ সাম্রাজ্যের সাম্রাজ্য 

1 = 1290 জালালউদ্দিন ফিরোজ খিলজি

2 = 1292 শিক ধর্ম

4 = 1316 শাহাবুদ্দিন ওমর শাহ

5 = 1316 কুতুবুদ্দীন মোবারক শাহ

6 = 1320 নাসিরুদ্দিন খুসরো শাহ

খলজি সাম্রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকারী -30 বছর প্রায়)

★★ তুঘলক সাম্রাজ্য 

1 = 1320 গিয়াসউদ্দিন তুঘলক (প্রথম)

2 = 1325 মোহাম্মদ ইবনে তুঘলক (দ্বিতীয়)

3 = 1351 ফিরোজ শাহ তুঘলক

4 = 1388 গিয়াসউদ্দিন তুঘলক (দ্বিতীয়)

5 = 1389 আবু বকর শাহ

6 = 1389 মোহাম্মদ তুঘলক (সোম)

7 = 1394 .......... (আমি)

8 = 1394 নাসিরুদ্দিন শাহ (দ্বিতীয়)

9 = 1395 নুসরত শাহ

10 = 1399 নাসিরুদ্দিন মোহাম্মদ শাহ (দ্বিতীয়)

11 = 1413 সরকার

তুঘলক সাম্রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকার -94 বছর প্রায় দূরে।)

★★ সাদ Saeed রাজবংশ *

1 = 1414 খেজুর খান

2 = 1421 মুইজউদ্দিন মোবারক শাহ (দ্বিতীয়)

3 = 1434 মুহাম্মদ শাহ (চতুর্থ)

4 = 1445 আল্লাহ আলম শাহ

সা'দ রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকারী - 37 বছর প্রায়)

★★ লোধি সাম্রাজ্য

1 = 1451 বাহলোল লোধি

2 = 1489 লোধি (দ্বিতীয়)

3 = 1517 আব্রাহাম লোধি

লোধি সাম্রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকারী-75 বছর প্রায়)

★★ মুঘল সাম্রাজ্য

1 = 1526 জহিরউদ্দিন বাবর

2 = 1530 হুমায়ুন

মুঘল সাম্রাজ্যের সমাপ্তি

★★ সুরিয়ান সাম্রাজ্য

1 = 1539 শের শাহ সুরি

2 = 1545 ইসলাম শাহ সুরি

3 = 1552 মাহমুদ শাহ সুরি

4 = 1553 আব্রাহাম সুরি

5 = 1554 পারভেজ শাহ সুরি

6 = 1554 মোবারক খান সুরি

সুররিয়ান সাম্রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকারী -16 বছর প্রায়)

★★ আবার মোগল সাম্রাজ্য

1 = 1555 হুমায়ুন (আবার)

2 = 1556 জালালউদ্দিন আকবর

3 = 1605 জাহাঙ্গীর স্লাম

4 = 1628 শাহ জাহান

5 = 1659 আওরঙ্গজেব

6 = 1707 শাহ আলম (প্রথম)

7 = 1712 বাহাদুর শাহ

8 = 1713 ফার্কুয়ারশিয়ার

9 = 1719 রিফাদ রজত

10 = 1719 ...............

11 = 1719 ...............

12 = 1719 মাহমুদ শাহ

13 = 1748 আহমেদ শাহ

14 = 1754 ...................

15 = 1759 শাহ আলম

16 = 1806 আকবর শাহ

17 = 1837 সাহসী কিং জাফর

মুঘল সাম্রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকারী -১১৫ বছর থেকে দূরে।)

★★ব্রিটিশ রাজ *

1 = 1858 লর্ড কিং

2 = 1862 লর্ড জেমস ব্রুস এলগিন

3 = 1864 লর্ড জে লরেন্স

4 = 1869 লর্ড রিচার্ড মায়ো

5 = 1872 লর্ড নর্থবাক

6 = 1876 লর্ড এডওয়ার্ড ল্যাটিন

7 = 1880 লর্ড জর্জ রিপন

8 = 1884 লর্ড ডাফারিন

9 = 1888 লর্ড হ্যানি লেসডন

10 = 1894 লর্ড ভিক্টর ব্রুস এলগিন

11 = 1899 লর্ড জর্জ করজিয়ান

12 = 1905 লর্ড গিলবার্ট মিন্টো

13 = 1910 লর্ড চার্লস হার্ড্জ

14 = 1916 লর্ড ফ্রেডেরিক থেকে এক্সিকিউয়ারে

15 = 1921 লর্ড রাক্স আজাক রিদিগ

16 = 1926 লর্ড এডওয়ার্ড ইরউইন

17 = 1931 লর্ড ফারম্যান ওয়েলডন

18 = 1936 লর্ড আলেজান্দ্রা লিনলিথগো

19 = 1943 লর্ড অর্কিবল্ড হুইল

20 = 1947 লর্ড মাউন্ট ব্যাটন

ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের সমাপ্তি

★★ ভারত, প্রধানমন্ত্রী

1 = 1947 জওহরলাল নেহেরু

2 = 1964 গোলজারি লাল নন্দ

3 = 1964 লাল বাহাদুর শাস্ত্রী

4 = 1966 গোলজারি লাল নন্দ

5 = 1966 ইন্দিরা গান্ধী

6 = 1977 মোরারজি দেশাই

7 = 1979 চরণ সিং

8 = 1980 ইন্দিরা গান্ধী

9 = 1984 রাজীব গান্ধী

10 = 1989 বিশ্বনাথ রিটার্নস

11 = 1990 চন্দ্রশেখর

12 = 1991 পি.ভি. নরসিমা রাও

13 = 1992 অটল বিহারী বাজপেয়ী

14 = 1996 চাদে গৌড়

15 = 1997 আই.কে. গুজরাল

16 = 1998 অটল বিহারী বাজপেয়ী

17 = 2004 মনমোহন সিং

18 = 2014 নরেন্দ্র মোদী

এক হাজার বছর ধরে মুসলমান রাজত্ব হওয়া সত্ত্বেও হিন্দুরা ভারতে রয়ে গেছে। মুসলিম শাসকরা তাদের সাথে কখনই অন্যায় আচরণ করেনি। এইটাই আমাদের ধর্ম। 

এই পোস্টটি অবশ্যই সবার সাথে শেয়ার করুন। কারণ আজকাল 90% লোকের এ সম্পর্কে কোনও ধারণা নেই - = (ভারতের ইতিহাস) =

সংগৃহীত

ধানের মাজরা পোকার রাসায়নিক দমন পদ্ধতি।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🔰ধানের মাজরা পোকার রাসায়নিক দমন পদ্ধতি।


🔰মাজরা পোকা দমনে প্রতি বর্গ মিটারে ২-৩টি স্ত্রী মথ বা ডিমের গাঁদা অথবা গাছ মাঝারি কুশি অবস্থায় রোপনের ৪০ দিন পর থেকে) থোড় আসা পর্যন্ত ১০-১৫% মরা ডিগ অথবা ৫% মরা শিষ দেখা গেলে নিম্নেলিখিত গ্রুপের যে কোন একটি কীটনাশক বা অনুমোদিত কীটনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে।


🔰কীটনাশকের গ্রুপ, বাণিজ্যিক নাম ও প্রয়োগ মাত্রা।


♦️ কার্টাপ গ্রুপ:


👉 সানটাপ ৫০এসপি ১.৫ কেজি/হেক্টর।


👉 কেটাপ ৫০এসপি ১.৫ কেজি/হেক্টর।


👉 সিকোটাপ ৫০এসপি ১.৫ কেজি/হেক্টর।


♦️ফিপ্রোনিল গ্রুপ:


👉 রিজেন্ট ৩ দানাদার ১০.০ কেজি/হেক্টর।


👉 প্রিন্স ৫০এসপি ০.৫ লিটার/হেক্টর।


👉 প্রিন্স ৩ দানাদার ১০.০ কেজি/হেক্টর।


♦️ ক্লোরানট্রানিলিপ্রোল + থায়ামেথোক্সাম গ্রুপ:


👉 ভিরতাকো ৪০ ডব্লিউজি ৭৫ গ্রাম/হেক্টর।


👉 ভিরতাকো ৬জিআর ৫ কেজি/হেক্টর।


♦️ ফুবেনডিয়ামাইড গ্রুপ:


👉 বেল্ট ২৪ডব্লিউজি ২০০ গ্রাম/হেক্টর।


♦️ কার্বোসালফান গ্রুপ:


👉 মার্শাল ২০ইসি ১.৫ লিটার/হেক্টর।


👉 পিলারসুফান ২০ইসি ১.৫ লিটার/হেক্টর।


♦️কোরানট্রানিলিপ্রোল গ্রুপ:


👉 ফার্টেরা ৪জি ১০ কেজি/হেক্টর।


👉 কোরাজেন ১৮এসসি ১৫০ মিলি/হেক্টর।


♦️ ক্লোরপাইরিফস গ্রুপ:


👉 ডার্সবান ২০ইসি ১.০ লিটার/হেক্টর।


👉 পাইরিফস ২০ইসি ১.০ লিটার/হেক্টর।


♦️♦️কীটনাশক ব্যবহারের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, একই গ্রুপের কীটনাশক একই পোকা দমনের জন্য পর্যায়ক্রমে/প্রতি মৌসুমে ব্যবহার না করে বিভিন্ন গ্রুপের কীটনাশক ব্যবহার করলে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়।


♦️ধানের পোকা দমনের জন্য যে সমস্ত গ্রুপের কীটনাশক করা যাবে না-


👉 সাইপারমেথ্রিন।

👉 আলফা-সাইপারমেথ্রিন।

👉 ল্যামডা-সাইহেলোথ্রিন।

👉 ডেলথামেথ্রিন।

👉 ফেনভালারেট।


➡️কারণ,

এ সমস্ত গ্রুপের কীটনাশক ব্যবহারে পোকারপুনরুত্থান

 (Resurgence) ঘটে। এছাড়া যে কোন অনুমোদিত কীটনাশক। যেমন- ক্লোরপাইরিফস এর সহিত উপরে উল্লেখিত যে কোন গ্রুপের মিশ্রন ধানের পোকা দমনের জন্য ব্যবহার করা যাবে না। যেমন- বিউটি, ক্যারাটে, কারফু, সাবসাইড, মিক্সার, ডেয়ার, এটম, কেনভস, সুপারফাস্ট, বর্ডার, দূর্বার, নাইট্রো ও আলটিমা ইত্যাদি।


 @highlight @highlight

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ২৪-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ২৪-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


বিডিআর হত্যাকাণ্ডের শহিদদের সম্মানে ২৫শে ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস ঘোষণা করলো সরকার।


শীর্ষ মার্কিন ব্যবসায়ী ইলন মাস্ককে বাংলাদেশ সফর এবং দেশে স্টারলিংক স্যাটেলাইট সেবা চালুর আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার।


রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে রোডম্যাপ প্রস্তুত করার জন্য জাতিসংঘের প্রতি দুর্যোগ ও ত্রাণ উপদেষ্টার আহ্বান।


দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সুবিধার্থে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির ওপর জোর দিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা।


পুলিশকে কোনো রাজনৈতিক দলের তল্পিবাহক হয়ে কাজ না করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার।


গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি হুমকির মুখে।


রাওয়ালপিন্ডিতে আজ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে নিউজিল্যান্ড।

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...