এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৩ মার্চ, ২০২৫

পুরুষের যৌনতাকে সম্মান কর।

 পুরুষের যৌনতাকে সম্মান কর।


পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই তুমি দুনিয়ার মুখ দেখতে পেরেছো। পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই তার কাছে তুমি এত স্পেশাল। আকর্ষণ আছে বলেই তুমি এত পাত্তা পাও, প্রায়োরিটি পাও। পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই তুমি রাস্তায় সেজেগুজে বের হও, যাতে পুরুষরা তোমায় দেখে মুগ্ধ হয়। তুমি মুখে অস্বীকার করলেও তোমার অবচেতন মন এটাই চায়। পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই তুমি বিপদে পড়লে বহু পুরুষ এগিয়ে আসে সাহায্যের জন্য।


পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই সারাদিন খেটে তোমার পছন্দের শাড়ি নিয়ে বাড়ি ফেরে। দুলাইনের ছন্দ লিখে অথবা কয়টা সেলফি দিয়ে যে শতশত রিয়্যাক্ট পাও, সে পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই। সাদা চামড়াকে পুঁজি করে স্বল্পবসনা হয়ে যে সেলিব্রেটি বনে যাও, সে পুরুষের যৌন আকর্ষণ আছে বলেই। যৌন আকর্ষণ আছে বলেই সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিমান ও মানবকূলের সেরা শক্তিশালী প্রাণী পুরুষ তোমার দুর্বলতাকে বিদ্রূপ না করে ভালবাসার চাদরে ঢেকে দেয়। যৌন আকর্ষণ আছে বলেই পুরুষ তোমাকে ভালবাসে, সমীহ করে চলে।


পুরুষের যৌন আকর্ষণ না থাকলে সাদা বিড়াল রাস্তা দিয়ে হেঁটে গেলে যেমন কারো ভ্রূক্ষেপ হয় না, তোমার বেলাতেও তেমন ঘটতো। যৌন আকর্ষণ না থাকলে পুরুষ এতোটাই ডমিনেটিং হতো যে নারীজাতি তথা মানবজাতি বিলুপ্ত হয়ে যেতো। যৌন আকর্ষণ না থাকলে প্রতিটি পুরুষ হতো নারীবিদ্বেষী।


সুতরাং, ঢালাওভাবে পুরুষের যৌনতাকে দায়ী না করে নিজেদের ত্রুটিগুলোও শুধরে নিতে শেখো। স্থান-কাল-পরিস্থিতিভেদে যৌনতা নিয়ন্ত্রণের শতভাগ ক্ষমতা পুরুষকে দেওয়া হয়নি।


স্ত্রীর সঙ্গে যে ১২ বিষয় কখনো শেয়ার করবেন না

 স্ত্রীর সঙ্গে যে ১২ বিষয় কখনো শেয়ার করবেন না 🚫

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক গভীর বন্ধুত্বের মতো হলেও কিছু বিষয় আছে, যা সঙ্গীর সঙ্গে শেয়ার করলে তা সম্পর্কের মধ্যে অস্বস্তি বা সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এখানে এমন অন্তত ১২টি বিষয় তুলে ধরা হলো, যা স্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা না করাই ভালো:


১. আত্মীয়দের গোপন সমস্যা: আপনার আত্মীয়দের কোনো গোপন সমস্যা, যা আপনি জানেন। তাদের অনুমতি ছাড়া শেয়ার করা উচিত নয়।


২. আগের সম্পর্কের কথা: আপনার অতীতের প্রেম বা সম্পর্ক নিয়ে অপ্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ার করলে তা বর্তমান সম্পর্কে অবিশ্বাসের জন্ম দিতে পারে।


৩. বন্ধু বা সহকর্মীর ব্যক্তিগত তথ্য: অন্যের ব্যক্তিগত বিষয় আপনার স্ত্রীর সঙ্গে শেয়ার করবেন না। এতে স্ত্রীর সঙ্গে আপনারও সম্পর্কে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।


৪. অফিসের গোপন তথ্য: আপনার কাজের গোপন কৌশল বা তথ্য শেয়ার করলে তা পেশাগতভাবে সমস্যার কারণ হতে পারে।


৫. অপ্রয়োজনীয় সমালোচনা: তার (স্ত্রী) পরিবারের, বন্ধুবান্ধবের বা পছন্দের কোনো বিষয়ের অতিরিক্ত সমালোচনা করবেন না। এতে স্ত্রীর সঙ্গে আপনার সম্পর্কের অবনতি হতে পারে।


৬. আর্থিক সমস্যা বা ঋণের অবস্থা: আপনার আর্থিক সমস্যা বা ঋণ সম্পর্কিত জটিলতা তাকে অযথা মানসিক চাপ দিতে পারে। তবে কোনো বড় আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সঙ্গীকে জানানো গুরুত্বপূর্ণ।


৭. অন্য নারীর প্রশংসা: কোনো নারী সহকর্মী বা বন্ধুর অতিরিক্ত প্রশংসা করলে তা ঈর্ষা বা অবিশ্বাসের জন্ম দিতে পারে।


৮. তার শারীরিক বা মানসিক দুর্বলতা নিয়ে আলোচনা: তার কোনো শারীরিক বা মানসিক সীমাবদ্ধতার কথা সামনে তুলে আনলে তা আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দিতে পারে।


৯. তার পেশাগত দক্ষতার বিষয়: তার ক্যারিয়ার বা পেশাগত দক্ষতা নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করা সম্পর্কের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।


১০. গোপন পরিকল্পনা: আপনার গোপন সঞ্চয় বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, যা তাকে জানানো হলে ভুল–বোঝাবুঝির কারণ হতে পারে।


১১. যৌন জীবন সম্পর্কে: যৌন জীবন নিয়ে অতিরিক্ত বিস্তারিত আলোচনা করা সম্পর্কের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।


১২. অতীতের গোপন ক্ষোভ: কোনো পুরনো ক্ষোভ বা কষ্ট স্ত্রীর কাছে বলা সম্পর্কের মধ্যে উত্তেজনা এবং মানসিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ক্লাসরুমে এবং পরীক্ষার খাতায় ছাত্রছাত্রীদের দেওয়া কিছু অদ্ভুত উত্তর।

 ক্লাসরুমে এবং পরীক্ষার খাতায় ছাত্রছাত্রীদের দেওয়া কিছু অদ্ভুত উত্তর।


১.

বিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্ন এসেছে, পানিতে বাস করে এমন ৫টি প্রাণীর নাম লিখ।


ছাত্র লিখল...ব্যাঙ, ব্যাঙের বাবা, মা, বোন আর দুলাভাই।


২.

ইতিহাস ক্লাসে স্যার সুমিকে দাঁড় করালেন, "বলো তো, আকবর জন্মেছিলেন কবে?"


সুমি: স্যার, এটা তো বইয়ে নেই!


স্যার: কে বলেছে বইয়ে নেই। এই যে আকবরের নামের পাশে লেখা আছে ১৫৪২-১৬০৫।


সুমি: এটা জন্ম-মৃত্যুর তারিখ? আমি তো ভেবেছিলাম ওটা আকবরের ফোন নাম্বার। তাই তো বলি, এত্তবার ট্রাই করলাম, রং নাম্বার বলে কেন!


৩.

যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে।


শিক্ষক: আমি টেবিলটা ছুঁয়েছি, টেবিলটা মাটি ছুঁয়েছে, সুতরাং আমি মাটি ছুঁয়েছি — এভাবে একটা যুক্তি দেখাও তো।


দুজন ছাত্র হাত তুলল।


১ম ছাত্র: যেমন ধরুন স্যার, আপনি মুরগি খেয়েছেন, মুরগি কেঁচো খেয়েছে, সুতরাং আপনি কেঁচো খেয়েছেন।


২য় ছাত্র: আমি আপনাকে ভালবাসি, আপনি আপনার মেয়েকে ভালবাসেন, সুতরাং আমি আপনার মেয়েকে ভালবাসি।


৪.

বিজ্ঞান পরীক্ষার রেজাল্টের খাতা দেওয়ার দিন শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলেন, "ব্যাকটেরিয়ার চিত্র আঁকতে বলা হয়েছিল। তুই সাদা খাতা জমা দিয়েছিস কেন?"


ছাত্র নির্বিকারভাবে জবাব দিল, স্যার, আমি ব্যাকটেরিয়ার চিত্র এঁকেছি। কিন্তু আপনি তো তা খালি চোখে দেখতে পারবেন না!


৫.

ড্রইং পরীক্ষায় বিড়াল আঁকতে দেওয়া হয়েছে। ক্লাস ফাইভের মেয়ে গম্ভীর মুখে বিরাট এক বিড়াল আঁকছে পাতা জুড়ে। নিচে ডানদিকে লিখেছে পি টি ও। টিচার অবাক। জিজ্ঞেস করলেন, "ড্রইং খাতায় পি টি ও কেন?"


ছাত্রী জানাল, "আমার মা বলে দিয়েছেন উত্তর এক পাতায় না ধরলে ওই কথা লিখতে হয়। আমার বিড়াল এত বড় হয়েছে যে সেই অনুপাতে একটি পেল্লায় লেজ দরকার। সেই লেজ এই পাতায় আঁটবে না। তাই আমি ঠিক করেছি পি টি ও লিখে পরের পাতায় মনের সাধ মিটিয়ে লেজখানা আঁকব।


৬.

শিক্ষক: "উত্তম" শব্দের বিপরীত শব্দ বলো।


ছাত্রী: (মুচকি হেসে) সুচিত্রা।


৭.

অন্যমনস্ক এক ছাত্রীকে স্যার জিজ্ঞাসা করলেন, "এই মেয়ে, সর্বনাম পদের দুইটা উদাহরণ দাও তো।"


মেয়েটি হকচকিয়ে দাঁড়িয়ে বলল, "কে? আমি?"


শিক্ষক বললেন, "গুড। হয়েছে, বসো।"


৮.

শিক্ষক: আচ্ছা দুধ থেকে ছানা তৈরির একটি সহজ উপায় বল।


ছাত্র: ভীষন সহজ স্যার। গাভীকে তেঁতুল খাওয়ালেই হবে।


৯.

শিক্ষক: তোমার কাছে দেয়াশলাই বা গ্যাস লাইট নেই। আগুন জ্বালাবে কীভাবে?


ছাত্র: স্যার রবি সিম সামনে রেখে বলবো জ্বলে ওঠো আপন শক্তিতে!


১০.

শিক্ষকঃ বল তো সবচেয়ে হাসিখুশি প্রাণী কোনটি?


ছাত্র: হাতি স্যার!


শিক্ষক: কেন?


ছাত্র: দেখেন না, হাতি খুশিতে সব সময় তার দাঁত বের করে রাখে।


১১.

শিক্ষক: সন্ধি কাকে বলে?


ছাত্র: স্যার, প্রথমটুকু পারি না, শেষেরটুকু পারি।


শিক্ষক: আচ্ছা, শেষেরটুকুই বল।


বল্টু: স্যার, শেষেরটুকু হলো...তাকে সন্ধি বলে।


১২.

শিক্ষক: তুই কি বলবে Dialog নাকি Paragraph?


ছাত্র: Dialog বলব স্যার।


শিক্ষক: ঠিক আছে বল।


ছাত্র: চৌধুরী সাহেব! আমরা গরিব হতে পারি, কিন্তু আমরা মানুষ, আমাদেরও ইজ্জত আছে।


(শিক্ষক রেগে গিয়ে খপ করে ছাত্রের চুলের মুঠি ধরে ফেললেন)


ছাত্র: তোর সাহস তো কম না, বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়াস। জানিস, তোর ওই হাত আমি কেটে ফেলতে পারি?


১৩.

শিক্ষক: যারা একেবারে নির্বোধ এবং গাধা তারা ছাড়া সবাই বসে পড়।


সকলে বসে পড়লেও শুধু সবুজ একা দাঁড়িয়ে আছে।


শিক্ষক: কিরে, ক্লাসে তুই একাই নির্বোধ আর গাধা?


সবুজ: না স্যার, আপনি একা দাঁড়িয়ে আছেন, এটা ভাল দেখাচ্ছে না, তাই...।


#𝑪𝒐𝒍𝒍𝒆𝒄𝒕𝒆𝒅

শিশু হাতের মুঠোয় ✊🏻 ধরে যে খাবারটা খেতে পারে তাই  "ফিংগার ফুড"

 শিশু হাতের মুঠোয় ✊🏻 ধরে যে খাবারটা খেতে পারে তাই  "ফিংগার ফুড"। ৬ মাস থেকেই শিশুরা হাতের কাছে যা পায়  তা নিয়ে মুখে দেওয়ার চেষ্টা করে।

তাই এসময় শিশুর খাবারের প্রতি আগ্রহ বাড়তে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ফিংগার ফুড..


✅ কি দেখে বুঝবেন শিশুকে ফিংগার ফুড দেওয়া যাবেঃ 


🔹শিশু ঘাড়, মাথা শক্ত করে ভালোভাবে বসতে পারে


🔹হাতের মুঠোয় কোনও খাবার শক্ত করে ধরতে পারে


🔹মুখের কাছে কিছু ধরলে হা করে


🔹কেউ কিছু খেতে নিলে বাচ্চা হা করে / ঐ খাবারটা খেতে আগ্রহী হয়


🟢  ফিংগার ফুডের উপকারিতাঃ


🔹শিশু খাবার খেতে আগ্রহী হয়

🔹নিজে নিজে খাবারের অভ্যাস তৈরি হয়

🔹সব ধরনের খাবারে রুচি তৈরি হয়


🟢 যেসব খাবার দিবেনঃ 


💠 ৬-৭ মাস বয়সেঃ

 খাবার এমনভাবে দিবেন যা শিশু সহজে মুঠো করে নিতে পারে। যেমন-


- আলু/ মিষ্টি আলু সেদ্ধ 

- গাজর সেদ্ধ ( চিকন করে কেটে)

- পাকা আম /কলা 

- পাকা পেঁপে 

- ব্রকলি / ফুলকপি সেদ্ধ 


💠 ৮-৯ মাস বয়সেঃ


- ডিম সেদ্ধ (লম্বা পিস করে কেটে দিবেন)

- মুরগীর মাংস নরম করে ( হাড় যেন না থাকে) 

- নরম ভাত মুঠো করে গোল করে 


শিশুর ৬ মাসের পর থেকেই এভাবে চেষ্টা করুন। দেখবেন শিশু নিজে হাতে খাওয়া শিখেছে এবং সব ধরনের খাবার স্বাচ্ছন্দ্যে খাবে ইনশাআল্লাহ..


আরও জানতে, ফলো করুন

Dr. Sohan Chowdhury 


#children #baby #kids #food #parenting #drsohan

বন্ধ্যাত্ব কোনো অভিশাপ নয়, আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় হবে নিরাময়- ইনশাআল্লাহ।

 💧বন্ধ্যাত্ব কোনো অভিশাপ নয়, আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় হবে নিরাময়- ইনশাআল্লাহ।


💧যে সকল বোনেরা বিভিন্ন চিকিৎসা করেও বাচ্চা কনসিভ/ গর্ভধারণ করতে পারছেন না। বার বার মিসক্যারেজ হচ্ছে অথবা স্বামীর এজোস্পার্মিয়া বা শুক্রাণুর সমস্যার জন্য গর্ভধারণ ব্যার্থ হচ্ছে।  আপনারা স্বামী-স্ত্রী দুইজন আমাদের ঔষধ আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার মাধ্যমে শেষ চেষ্টা করুন।  ইনশাআল্লাহ  আল্লাহ চাইলে আমাদের ঔষধের উছিল্লায় আপনার মনের আশা পূরন করতে পারেন। সন্তান দান করার মালিক আল্লাহ।  আমরা বা আমাদের ঔষুধ শুধু মাত্র উছিল্লা।


💧আমাদের এই আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা প্রাচীন কাল থেকে যুগ যুগ ধরে মানুষের কল্যানে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটা কোনো মেডিকেল চিকিৎসার ক্যামিকেল বা ইঞ্জেকশন দিয়ে চিকিৎসা না। এই চিকিৎসা সম্পূর্ন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা যা গাছ পালার লতাপাতা এবং শিকড় দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। তাই আমাদের চিকিৎসা এবং ঔষুধের কোনো সাইড ইফেক্ট নেই৷  আপনি মেডিকেল চিকিৎসা বা যেকোনো ঔষুধের পাশাপাশি এই ঔষুধ সেবন করতে পারবেন কোনো সমস্যা নেই - ইনশাআল্লাহ। 


✅আমাদের ঔষুধ আপনার যে সকল সমস্যা দূর করতে সাহায্য করবেঃ

🔸পিরিয়ড রেগুলার হতে সাহায্য করবে। 

🔸পিরিয়ডের সময় পেট ব্যাথা করলে তা দূর করবে।

🔸অতিরিক্ত ওজন থাকলে, ওজন কামাবে।

🔸মিসক্যারেজ হওয়া থেকে রক্ষা করবে।

🔸ডিম্বাণু ফোঁটাতে সাহায্য করবে।

🔸যাদের ডিম ফোঁটে কিন্তু সাইজে ছোট। সেই ডিম্বাণুকে সঠিক সাইজে ফোঁটতে সহায়তা করবে।

🔸১২তম-১৬মত দিনের মধ্যে ওভূলেশন হতে সাহায্য করবে।

🔸PCOS সমস্যা থাকলে তা দূর করতে সাহায্য করবে।

🔸থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে দূর করতে সাহায্য করবে। 

🔸মনোপজ হওয়া থেকে রক্ষা করবে। 

🔸সঠিক ভাবে ইনপ্ল্যান্টেশন হতে সহায়তা করবে। 

🔸টিউব ব্লক থাকলে তা ওপেন হতে সাহায্য করবে। 

🔸সিস্ট/ চকোলেট সিস্ট থাকলে তা দূর করবে। 

🔸আপনার যদি উপর উল্লেখ্য সমস্যা গুলো থাকে তাহলে সেই সমস্যা গুলো দূর করে ৩ মাসের মধ্যে ইনশাআল্লাহ। আপনারকে গর্ভধারণ করতে সাহায্য করবে।


💧আমাদের এই ঔষুধ আপনার এতো সমস্যা দূর করবে কারন আমাদের ১ ও ২ নং ঔষুধে মোট ১৭টি ১০০% প্রাকৃতিক  আয়ুর্বেদিক উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে। যার কারনে এই ঔষুধ খুবই পাওয়ারফুল গর্ভধারণের ঔষুধ হিসেবে প্রাচীন কাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে। শত বছর আগে যখন কারো সন্তান হতো না। তখন এই ভেষজ উপাদানের ঔষুধ সেবন করে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা করা হতো। 


💧আমাদের এই ঔষুধ সেবন করে এখন পর্যন্ত ১৫০০+ স্বামী-স্ত্রী / দম্পতি তাদের সাংসার সন্তানের জন্ম দিতে সক্ষম হয়েছেন - ইনশাআল্লাহ। যা আমাদের জন্য অবশ্যই গর্বে বিষয়।


💧তাই এতোটুকু বলতে চাই অনেক জায়গায় থেকে অনেক ঔষুধ সেবন করেছেন। আমাদের ঔষুধ সেবন করে শেষ চেষ্টা করুন আল্লাহর রহমতে আপনি সফল হবে- ইনশাআল্লাহ 


✅ আমাদের ১ ও ২ নং ঔষুধ যেসকল উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।


🔴১নং ঔষুধ=(গর্ভধারণের বড়ি/পিল)

🔸পাটের বীজ

🔸কালোজিরা

🔸কাঁচা হলুদ

🔸অর্গানিক রসুন

🔸আরও গোপন মহা ঔষুধ ৩টি গাছের শিকড় দিয়ে তৈরি করা হয়েছে গর্ভধারণের পিল।


🔵 ২নং ঔষুধ=(কনসিভ/ গর্ভধারণের পাউডার) 

🔹ত্রিফলা

🔹কালোজিরা

🔹জুইন

🔹সোনাপাতা

🔹কাঁচা হলুদ 

🔹রসুন

🔹আরও ৪টি গাছের শিকড় সহ মোট ১০টি উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই কনসিভ/গর্ভধারণের পাউডারটি।


💧যাদের স্বামীর শুক্রাণু সমস্যা ও এজোস্পার্মিয়া বা শুক্রাণু জিরো এবং ওয়েলগোস্পার্মিয়া সমস্যা আছে। এই সমস্যা কারনে বর্তমানে অনেক পুরুষ সন্তান জন্ম দিতে অক্ষম হচ্ছে। তাদের জন্য আমাদের ৩ নং ঔষধ=( সিমেন বুস্টার) 


✅এই ৩নং ঔষুধটি যে সকল সমস্যা দূর করতে সাহায্য করবে তা উল্লেখ করা হলোঃ


🔺এজোস্পার্মিয়া/ ওয়েলগোস্পার্মিয়া থেকে মুক্তি পাবে।(এটা বয়স কম বেশির উপর নির্ভর করে )

🔺শুক্রানুর গতি/ মটিলিটি বৃদ্ধি পাবে।

🔺শুক্রানু ঘন হবে।

🔺শুক্রানু আঁঠালো হবে।

🔺বীর্যের শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়াবে।

🔺শুক্রানুকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। 

🔺বীর্যের দূর্গন্ধ দূর করবে। 

🔺যৌন দূর্বলতা দূর করবে। 

🔺সেক্স টাইম বৃদ্ধি করবে। 

🔺উথানজনিত সমস্যা দূর করবে।

🔺সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য শুক্রাণু গুলোকে সাহায্য করবে।


💧আমাদের এই ঔষুধ এতো সমস্যা দূর একটাই কারন সেটা হলো আমার আমাদের ঔষধে ১২টি মহা ঔষুধি গুণসম্পন্ন গাছের বীজ ও শিকড় ব্যবহার করেছি।


✅ ৩নং ঔষুধ=(সিমেন বুস্টার) যে সকল উপদান গুলো দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। 

🔹শিলাজিৎ চূর্ণ।

🔹সাদা লজ্জাবতী গাছের বীজ।

🔹বাশঁ ফুলের বীজ।

🔹সাদা মুসলি।

🔹শংখমনি। 

🔹শোধন করা আলকুশি।

🔹আরও ৬টি মহা ঔষুধি গাছের শিকড় সহ মোট ১২টি উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই সিমেন বুস্টার ঔষুধটি। তাই আমাদের এই ঔষুধ টি এতে পাওয়ারফুল এবং এক ঔষুধেই এতো সমস্যা দূর করতে সক্ষম- ইনশাআল্লাহ।


💧ঔষুধটি অর্ডার করতে অগ্রিম কোনো টাকা দিতে হবে না। 

💧আমাদের পেইজে অথবা WhatsApp এ মেসেজ দিয়ে 

💧আপনার নামঃ

💧ফোন নাম্বার 

💧ঠিকানা লিখে দিন আর ঘরে বসে ঔষুধ হাতে নিন৷ বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় হোম ডেলিভারিতে ঔষুধ পাঠিয়ে থাকি। 


💧১নং ঔষুধ=(গর্ভধারণের পিল/বড়ি) স্ত্রীর ৩ মাসের

💧২নং ঔষুধ =(কনসিভ পউডার) স্ত্রী ৩ মাসের ঔষুধ 

💧৩নং ঔষুধ =(সিমেন বুস্টার) স্বামীর ২ মাসের ঔষুধ


✅আমাদের নিয়ম মেনে সেবন করুন। ৩ মাসের মধ্যে একটা সুখবর পাবেন- ইনশাআল্লাহ 

✅বিঃদ্রঃ ঔষুধের সাথে সেবনের সকল নিয়ম থাকবে। 

না বুঝলে আমাদের মেসেজ বা কল দিবেনঃ 01608-849629

গাছের কান্না,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ⛔গাছ কাটা বাড়ন⛔


সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম মেঘা। সবুজ মাঠ, সরু মেঠোপথ আর মেঘনার শাখা নদীর মৃদু ঢেউ এই গ্রামটিকে সাজিয়ে রেখেছে। এখানকার মানুষের জীবন নির্ভর করে কৃষিকাজ আর নদীর মাছের উপর। তবে গ্রামের এক স্থানে পা ফেলতে আজও মানুষ ভয় পায়। দিনের আলো থাকলে সবাই নির্ভয়ে চলাফেরা করে, কিন্তু সন্ধ্যা নামলেই চারপাশ নিস্তব্ধ হয়ে যায়। আর রাত গভীর হলে ভেসে আসে এক অদ্ভুত কান্নার শব্দ।


গ্রামের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে এক বিশাল প্রাচীন বটগাছ। বটগাছটি যে কত পুরনো, তা কেউ জানে না। কারও কারও মতে, এটি দুই শতাব্দীরও বেশি পুরনো। তার বিশাল শাখাপ্রশাখা আকাশ ছুঁতে চায়, শেকড় মাটির গভীরে প্রবেশ করে যেন ভূগর্ভের রহস্য খুঁজে বেড়ায়। দিনের বেলায় গাছটির নিচে মানুষজন বসে বিশ্রাম নেয়, ছোটরা খেলা করে, কিন্তু রাত হলেই গাছটি যেন তার আসল রূপ ধারণ করে। গ্রামের মানুষ বলে, রাতে গাছের নিচে গেলে আর ফিরে আসা যায় না!


প্রথমে সবাই ভেবেছিল, হয়তো এটি মানুষের কল্পনা। কিন্তু কয়েক বছর ধরে এমন ঘটনা ঘটতে থাকল, যা পুরো গ্রামের রাতের ঘুম কেড়ে নিল। রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে হঠাৎ কান্নার আওয়াজ শোনা যেত—কখনো ফুঁপিয়ে কাঁদার মতো, কখনো করুণ আর্তনাদের মতো। যারা সাহস করে এগিয়ে যেত, তারা আর ফিরে আসত না, কিংবা ফিরে এলেও তাদের চোখের দৃষ্টি শূন্য হয়ে যেত।


একসময় গ্রামের ধনী ব্যক্তি হাজী সাহেব ঘোষণা দিলেন, "এটা নিছকই অলৌকিক গল্প। অযথা ভয় পাওয়ার কিছু নেই! গাছের শেকড় আশেপাশের ফসল নষ্ট করছে, এটা কেটে ফেলতে হবে।"


সকালবেলা পাঁচজন কাঠুরে এল কুড়াল হাতে। কিন্তু প্রথম কোপ দিতেই তারা চমকে উঠল—গাছের গা বেয়ে বেরিয়ে এল গাঢ় লাল রঙের তরল, দেখতে একদম মানুষের রক্তের মতো! কাঠুরেরা আতঙ্কে পিছু হটে গেল। কিন্তু হাজী সাহেব হেসে বললেন, "তোমরা এত ভয় পাচ্ছ কেন? এটা স্রেফ গাছের রস!"


তবে ঘটনাগুলো ধীরে ধীরে অস্বাভাবিক হতে লাগল। কাঠুরেদের একজন রাতে প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত হলো। পরদিন আরেকজনের হাত কেটে গেল, যদিও সে খুব সাবধানে কাজ করছিল। তৃতীয় দিনে তারা যা দেখল, তাতে তাদের শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল—গাছের কাটা অংশ রাতারাতি আবার আগের মতো জোড়া লেগে গেছে! যেন গাছটি নিজেই নিজের ক্ষত সারিয়ে তুলেছে!


সেই রাতেই কাঠুরে আব্দুল করিম একা গাছ কাটতে গেল। কিন্তু সকালে আর তার খোঁজ পাওয়া গেল না! সারাদিন খোঁজার পর বিকেলে তার নিথর দেহ পাওয়া গেল গাছের গোড়ায়। তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না, কিন্তু তার চোখ দুটি বিস্ফারিত, মুখ হা করা, যেন সে মৃত্যুর মুহূর্তে এমন কিছু দেখেছে যা তাকে স্তব্ধ করে দিয়েছে!


গাছের কান্নার আওয়াজ এবার আরও তীব্র হয়ে উঠল।


গ্রামের যুবক রাশেদ সাহস করে বলল, "আমি গিয়ে দেখে আসব!"


সেই রাতেই সে হাতে লণ্ঠন নিয়ে গাছের দিকে এগোল। কয়েকজন দূর থেকে তাকিয়ে ছিল, কিন্তু কেউ সঙ্গে যেতে সাহস পেল না।


রাশেদ গাছের নিচে গিয়ে চিৎকার করে বলল,

"কে আছিস? বের হ!"


কোনো সাড়া নেই।


কিন্তু হঠাৎ ঠান্ডা বাতাসের ঝাপটা এলো, গাছের পাতাগুলো কাঁপতে লাগল, অথচ আশেপাশের কোনো গাছ নড়ছিল না! মাটির নিচে যেন কিছু একটা নড়ছে! এক মুহূর্তের জন্য মনে হলো, কারো হাত বেরিয়ে আসছে গাছের শেকড়ের নিচ থেকে!


পরদিন সকালে রাশেদকে পাওয়া গেল গাছের কাছেই পড়ে থাকতে। তার শরীর ঠান্ডা, ঠোঁট শুকিয়ে গেছে। সে শুধু ফিসফিস করে বলল,

"ওরা... আমাকে নিয়ে যেতে চায়!"


এরপর থেকে সে আর স্বাভাবিক হয়নি। এক সপ্তাহ পর, রাতে ঘুমের মধ্যেই মারা গেল!


গ্রামের প্রবীণ ফকির সাহেব বললেন,

"এই গাছ শুধু গাছ নয়, এটি এক ভয়ংকর ইতিহাস বহন করে। বহু বছর আগে এখানে কিছু ঘটেছিল, যার প্রতিধ্বনি আজও শোনা যায়!"


সেই রাতে কয়েকজন যুবক ও ফকির মিলে গাছের নিচে গেল। ফকির কিছু একটা খুঁজতে থাকলেন। হঠাৎ প্রবল বাতাস বইতে লাগল, গাছের চারপাশে এক অদ্ভুত পরিবেশ সৃষ্টি হলো!


তারা দেখতে পেল, গাছের গায়ে কালো দাগ রয়েছে, যা দূর থেকে দেখতে মানুষের হাতের ছাপের মতো!


ফকির কাঁপা গলায় বললেন,

"এই জায়গায় কিছু একটার অস্তিত্ব রয়ে গেছে। এটি কিছু বলতে চায়! কিন্তু কেউ তা শুনতে প্রস্তুত নয়!"


সেই রাতের পর থেকে গ্রামবাসীরা গাছের নিচে যাওয়া বন্ধ করে দিল।


আজও বটগাছটি দাঁড়িয়ে আছে, তার চারপাশে রহস্যময় বাতাস বইছে।


রাত যত গভীর হয়, বাতাসের গতি ততই থমথমে হয়ে আসে। মেঘা গ্রামের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা সেই প্রাচীন বটগাছ যেন অন্ধকারের গভীরে আরও রহস্যময় হয়ে ওঠে। চারদিক নিস্তব্ধ, শুধু মাঝে মাঝে শিয়ালের কর্কশ ডাক আর ঝিঁঝি পোকার একঘেয়ে শব্দ শোনা যায়। কিন্তু রাত গভীর হলেই, সেই এক ভয়ংকর শব্দ ভেসে আসে—একটা চাপা কান্না, যা শুনলে শরীর অবশ হয়ে আসে।


প্রথমে মনে হয়, যেন কোনো শিশু ফুঁপিয়ে কাঁদছে। সেই কান্না করুণ, যেন কেউ হারিয়ে গেছে, সাহায্য চাইছে। কিন্তু সময় যতই বাড়তে থাকে, সেই কান্নার আওয়াজ বদলে যেতে থাকে। ফিসফিসানি, গভীর শ্বাসের শব্দ, অদ্ভুত গোঙানি—সব মিলিয়ে এমন এক পরিবেশ তৈরি হয়, যা সহজে বর্ণনা করা সম্ভব নয়। অনেকেই কৌতূহলবশত গাছের কাছাকাছি গিয়ে সেই কান্নার উৎস খোঁজার চেষ্টা করেছে, কিন্তু তারা যা দেখেছে, তা আর কাউকে বলতে পারেনি।


একবার গ্রামের রুহুল নামে এক সাহসী যুবক শপথ করেছিল, "আমি নিজে গিয়ে দেখব, এটা আসলে কী!"


সেই রাতেই সে হাতে লণ্ঠন নিয়ে গাছের দিকে এগোল। কয়েকজন দূর থেকে তাকিয়ে ছিল, কিন্তু কেউ সঙ্গে যেতে সাহস পেল না।


গাছের নিচে পৌঁছে রুহুল কান পেতে শুনল—শুধু বাতাসের শব্দ। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর, সে জোরে বলে উঠল,

"কে আছিস? বের হ!"


কোনো সাড়া নেই।


কিন্তু হঠাৎ গাছের ডালপালাগুলো কেঁপে উঠল। আশেপাশের কোনো গাছ নড়ছিল না, কিন্তু সেই বটগাছের পাতা প্রচণ্ড শব্দে দুলছিল। গাছের গোড়া থেকে যেন মাটি ফুঁড়ে কী যেন বেরিয়ে আসছে!


লণ্ঠনের আলোয় রুহুল দেখতে পেল—মাটির নিচ থেকে উঠে আসছে কিছু শুকনো, কালচে আঙুলের মতো শেকড়!


সে দৌড়াতে গিয়েও থমকে গেল—তার পায়ের নিচের মাটি যেন শক্ত হয়ে গেছে, যেন কিছু একটা তাকে ধরে ফেলেছে!


তারপর...


পরদিন সকালে রুহুলকে পাওয়া গেল গাছের গোড়ায় পড়ে থাকতে। তার শরীর ঠান্ডা, ঠোঁট শুকিয়ে গেছে, চোখ দুটো বিস্ফারিত, আর মুখ হা করা। যেন সে মৃত্যুর মুহূর্তে এমন কিছু দেখেছে, যা তাকে স্তব্ধ করে দিয়েছে!


সেই রাত থেকেই কান্নার আওয়াজ আরও বেড়ে গেল।


গ্রামের প্রবীণ ফকির বললেন,

"এই গাছ শুধু গাছ নয়। এটা একটা ইতিহাস বহন করে। বহু বছর আগে এখানে কিছু এমন ঘটেছিল, যার প্রতিধ্বনি আজও শোনা যায়!"


কিন্তু কী সেই ইতিহাস?


এক বৃদ্ধা একদিন ফিসফিস করে বলেছিলেন,

"অনেক, অনেক বছর আগে এই জায়গায় এক পাষণ্ড জমিদার বহু মানুষকে হত্যা করেছিল। তারা মুক্তির প্রার্থনা করেছিল, কিন্তু কেউ তাদের সাহায্য করেনি। সেই আর্তনাদ আজও বাতাসে ভেসে বেড়ায়।"


সত্যি কি তাই? নাকি এই গাছের শেকড়ের নিচে লুকিয়ে আছে আরও ভয়ংকর কিছু?


কেউ জানে না।


কিন্তু সবাই জানে, রাতের গভীরে কেউ যদি একবার গাছের ছায়ায় ঢোকে, তাহলে সে আর আগের মতো থাকে না।


আজও গাছটি দাঁড়িয়ে আছে, তার চারপাশে রহস্যময় বাতাস বইছে। রাতের অন্ধকারে, কেউ কেউ বলে, তারা গাছের নিচে অদৃশ্য কারো ছায়া দেখেছে।


কেউ বলে, তারা শুনেছে নিঃশ্বাসের শব্দ।


আর কেউ কেউ বলে... তারা অনুভব করেছে, গাছের নিচে কেউ বসে তাদের দিকে তাকিয়ে আছে!


কিন্তু সাহস করে এগিয়ে যাওয়ার মতো মানুষ আর কেউ নেই।


কেউ আর জানতেও চায় না, গাছটি কেন কাঁদে।

 ১৫ টি কারণে রোজা ভাঙে না (অথচ অনেকে মনে করে, এসব কারণে রোজা ভেঙে যায়)

 🔺 ১৫ টি কারণে রোজা ভাঙে না (অথচ অনেকে মনে করে, এসব কারণে রোজা ভেঙে যায়)


১) অনিচ্ছাকৃত বমি (মুখ ভরে হলেও) রোজা ভাঙবে না। তেমনি, বমি কণ্ঠনালীতে এসে নিজে নিজে ভেতরে ঢুকে গেলেও রোজা ভাঙবে না। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তির বমি এসে গেছে তার উপর কাজা নেই। আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করেছে, তাকে কাজা আদায় করতে হবে।’’ [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ৭২০; হাদিসটি সহিহ]


২) শরীর থেকে রক্ত বের হলে, শিঙ্গা লাগালে বা কাউকে রক্ত দিলে রোজা ভাঙবে না। 


রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমতাবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন (হিজামা করিয়েছেন), যখন তিনি রোজাদার। [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ১৯৩৯]


আনাস (রা.)-কে জিজ্ঞাসা করা হলো, রোজা অবস্থায় হিজামা তথা শিঙ্গা লাগানোকে কি আপনারা মাকরুহ মনে করতেন? তিনি বলেন, ‘না। তবে এর ফলে দুর্বল হয়ে পড়লে তা মাকরুহ হবে।’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ১৯৪০] 


সুতরাং, রোজা অবস্থায় রক্ত দিতেও কোনো সমস্যা নেই। কারণ দুটোই সেইম। এমনটিই বলেছেন বিশিষ্ট আলিমগণ।


৩) সুরমা, কাজল, সুগন্ধি ইত্যাদির দ্বারা রোজার কোন ক্ষতি হয় না। আনাস ইবনু মালিক (রা.) রোজাদার অবস্থায় সুরমা ব্যবহার করতেন। [ইমাম আবু দাউদের সুনান সূত্রে ফিকহুস সুনানি ওয়াল আসার: ১৩০৫; সনদ হাসান; ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ, হাকিকাতুস সিয়াম, পৃষ্ঠা: ৪০-৪১]


ইমাম যুহরি (রাহ.) বলেন, রোজা অবস্থায় সুরমা লাগানোতে কোনো সমস্যা নেই। [ইমাম ইবনু আবি শাইবাহ, আল-মুসান্নাফ: ৯২৭৫; বর্ণনাটি সহিহ]


তেমনি, শরীর বা মাথায় তেল ব্যবহার করলেও রোজা ভাঙবে না। [ইমাম আবদুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ: ৪/৩১৩]


৪) মশা, মাছি, ধুলাবালি, কীটপতঙ্গ ইত্যাদি অনিচ্ছাকৃতভাবে গলা বা পেটে ঢুকে গেলে রোজা ভাঙবে না। ইবনু আব্বাস (রা.) বলেন, ‘‘কারো গলায় মাছি ঢুকে গেলে রোজা ভাঙবে না।’’ [ইমাম ইবনু আবি শাইবাহ, আল মুসান্নাফ: ৬/৩৪৯; শায়খ ইবনু উসাইমিন, রমযান মাসের ৩০ আসর, পৃষ্ঠা: ১৫৩]


৫) ভুলে কিছু পানাহার করলে রোজা ভাঙবে না। হাদিসে এসেছে, ‘‘যে রোজাদার ভুলে খেয়ে ফেললো বা পান করে ফেললো, সে যেন তার রোজা পূর্ণ করে; কেননা আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ১৯৩৩]


৬) স্বপ্নদোষ হলে রোজা ভাঙে না।

কারণ স্বপ্নদোষ হওয়ার বিষয়টি অনিচ্ছাকৃত। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘আল্লাহ কারও উপর তার সাধ্যের বাইরে কিছু চাপিয়ে দেন না।’’ [সুরা বাকারা, আয়াত: ২৮৬]


৭) রোজা অবস্থায় অজ্ঞান, বেহুঁশ বা অচেতন হলে রোজা ভাঙবে না। তাবিয়ি নাফে’ (রাহ.) বলেন, ‘(সাহাবি) আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা.) একবার নফল রোজা অবস্থায় বেহুঁশ হয়ে যান। কিন্তু এ কারণে তিনি রোজা ভঙ্গ করেননি।’ [ইমাম বাইহাকি, আস-সুনানুল কুবরা: ৪/২৩৫]


৮) ইবনু উমার (রা.) বলেন, ‘‘রোজা অবস্থায় মিসওয়াক—কাঁচা বা পাকা ডাল দিয়ে—করলে রোজার কোনো সমস্যা হবে না।’’ এমনকি ইফতারের পূর্বে মিসওয়াক করলেও অসুবিধা নেই। [ইমাম ইবনু আবি শাইবাহ, আল মুসান্নাফ: ৯১৭৩; বর্ণনাটির সনদ সহিহ]


[রামাদানে দিনের বেলায় টুথপেস্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকা উচিত। কারণ এর কিছু স্বাদ মুখে পাওয়া যায়, ফলে এটি মাকরুহ। তবে, কেউ গিলে না ফেললে রোজা ভাঙবে না]


৯) নাইট্রোগ্লিসারিন-জাতীয় ইনহেলারে রোজা ভাঙবে না, তবে ভেনটোলিন ইনহেলারে রোজা ভেঙে যাবে। কারণ এর কিছু অংশ খাদ্যনালীতে প্রবেশ করে। [মাসিক আল কাউসার সূত্রে ‘রমযান মাসের উপহার’, মাওলানা হাবীবুর রহমান]


১০) নাকে ড্রপ, স্প্রে ব্যবহারের পর তা যদি গলার ভেতরে চলে যায়, তবে রোজা ভেঙে যাবে। অবশ্য গলায় না গেলে বা স্বাদ অনুভূত না হলে রোজা ভাঙবে না। [মাজাল্লাতু মাজমা‘ইল ফিকহিল ইসলামি: ২/৪৫৪; মাসিক আলকাউসার সূত্রে ‘রমযান মাসের উপহার’] 


১১) খাবার ঠিকঠাক আছে কীনা তা বোঝার জন্য ঘ্রাণ নিলে রোজা ভাঙবে না। ইবনু উসাইমিন (রাহ.) বলেন, ‘খাবারের স্বাদ গ্রহণ করলে রোজা ভাঙবে না, যদি গিলে ফেলা না হয়।’ [রমযান মাসের ৩০ আসর, পৃষ্ঠা: ১৫৫]


তবে, বাধ্য না হলে এমনটি করা মাকরুহ। ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ্ (রাহ.) বলেন, ‘প্রয়োজন ছাড়া খাবার চেখে দেখা মাকরুহ; তবে এতে রোজা ভঙ্গ হবে না।’ [ফাতাওয়া কুবরা: ৪/৪৭৪]


১২) রোজা অবস্থায় নখ বা চুল কাটতে কোনো সমস্যা নেই। মেয়েরা হাতে-পায়ে মেহেদী দিলেও রোজার কোনো ক্ষতি হবে না। [শায়খ আহমাদ মুসা জিবরিলের রিসালাহ]


১৩) সহবাস ছাড়া স্ত্রীর সাথে ঘনিষ্ঠ হলে রোজা ভাঙবে না। তবে বীর্যপাত হওয়া যাবে না। 


আয়িশা (রা.) বলেন, ‘রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোজাদার অবস্থায় (স্ত্রীকে) চুমু খেতেন এবং তাদের সাথে (ঘনিষ্ঠ) মেলামেশা করতেন। তবে, নিজ আবেগ-উত্তেজনার উপর তাঁর নিয়ন্ত্রণ ছিলো তোমাদের সবার চেয়ে বেশি।’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ১৯২৭]

সাদ্দাম হোসেনকে ফাঁসি দেওয়ার পর যখন তাঁর মরদেহ বাহিরে রাখা হলো"তখন একদল মানুষ সেখানে এসে এই মানুষটার মৃতদেহের ওপরে থুতু ছিটিয়েছিল।

 সাদ্দাম হোসেনকে ফাঁসি দেওয়ার পর যখন তাঁর মরদেহ বাহিরে রাখা হলো"তখন একদল মানুষ সেখানে এসে এই মানুষটার মৃতদেহের ওপরে থুতু ছিটিয়েছিল।


যারা প্রত্যেকেই ইরাকের নাগরিক'পক্ষান্তরে তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত সেই ১২ জন আমেরিকান সেনা সদস্যের প্রত্যেকেই কেঁদেছিল।  


 ইন্দিরা গান্ধীর পরিণতি হয়েছিল আরও করুণ। 

শত্রুর গুলিতে না, তার মৃত্যু হয়েছিল নিজেরই 

দেহরক্ষীর গুলিতে। 


বঙ্গবন্ধুর পিতা শেখ লুৎফর রহমানের দেহ নামাতে যে  লোকটি কবরে নেমেছিল, বঙ্গবন্ধুর মাতার মৃত্যুতে যে লোকটি মাটিতে শুয়ে কান্নায় গড়াগড়ি করেছিলো, শেখ কামালের বিয়ের উকিল বাপ যে মানুষটি ছিলো, ১৯৭৫ সালের ১৪ই আগস্ট দুপুরে যে লোকটি বাসা থেকে তরকারী রান্না করে নিয়ে গিয়ে বঙ্গবন্ধুকে খাইয়েছিলো তারপরের দিন ১৫ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে সেই লোকই খুন করেছিল যার নাম খন্দকার মোশতাক...


ইতিহাসের পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায়, এক একটা সাম্রাজ্যের পতন হয়েছে তাদের সব চাইতে কাছের মানুষদের হাত ধরে। সৌদি আরবের বাদশা ফয়সাল যখন তার ভাইপোকে আলিঙ্গন করার উদ্দেশ্যে দু হাত বাড়িয়ে দিলেন, প্রতিউত্তরে হঠাৎই পকেট থেকে পিস্তল বের করে পরপর তিনটা গুলি করে বসলেন।   


গোয়েন্দারা আসামী সনাক্ত করার জন্য অনেক গুলো পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকে, তার একটি হল প্রত্যেককেই সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখা। সব চাইতে বেশি সন্দেহ তাকে করা যাকে মনে হবে সব চাইতে কম সন্দেহজনক।


ইতিহাস আমাদের বার বার শিখিয়ে গেছে, মানুষের জীবনের সব চাইতে বড় যে শত্রু তাকে কখনোই চেনা যায় না, সে থাকে সব থেকে কাছের বন্ধুর মত করে। 


আপনি সব চাইতে বেশি প্রতারিত হবেন আপনার কাছের মানুষদের কাছ থেকে। আপনাকে সব চাইতে বেশি কষ্ট দেয়া মানুষের তালিকা করলে সেখানে শত্রু না, আপন মানুষদের নাম দেখতে পাবেন। শত্রু কখনো বিশ্বাস ঘাতক হয় না, বিশ্বাসঘাতকতা করে কেবল আপন মানুষরাই।

এই হলো উনিশটি উটের কাহিনী।

 ✅ রাজস্থানের একটি গ্রামে এক ব্যক্তির কাছে ১৯টি উট ছিলো। একদিন সেই ব্যক্তির মৃত্যু হলো। মৃত্যুর পূর্বে তিনি উইল করে গিয়েছিলেন, তার মৃত্যুর পর সেই উইলটি পড়া হলো। সেই উইলে লেখা ছিলো:- “তার মৃত্যুর পরে তার উনিশটি উটের মধ্যে অর্ধেক তার ছেলেকে, তার একের চতুর্থাংশ তার মেয়েকে, উনিশটি উটের মধ্যে পঞ্চম ভাগ তার চাকরকে দেওয়া হবে!”


আত্মীয়স্বজনরা খুব চিন্তায় পড়ে গেলো যে, এই ভাগ কি করে করা যাবে ?


উনিশটি উটের অর্ধেক অর্থাৎ একটি উটকে দু’ভাগ করতে হবে, তাহলে তো উটই মরে যাবে। আচ্ছা, একটা উট না হয় মারাই গেলো, এরপর আঠারোটি উটের এক চতুর্থাংশ–সাড়ে চার—সাড়ে চার –তারপর ??


সকলেই খুব চিন্তার মধ্যে ছিলো। তখন সকলে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়ে পাশের গ্রাম থেকে এক বুদ্ধিমান ব্যক্তিকে ডাকিয়ে আনলেন।


সেই বুদ্ধিমান ব্যক্তি নিজের উটে চড়ে এসেছিলেন। তিনি সব কথা শুনে নিজের বুদ্ধি প্রয়োগ করলেন এবং বললেন, এই উনিশটি উটের সঙ্গে আমার উট মিলিয়ে ভাগ করে দাও।


সবাই ভাবতে লাগলো — যিনি মারা গেছেন, তিনি এক পাগল যিনি এমন উইল করে চলে গেছেন, এখন এই দ্বিতীয় পাগল এসেছেন, যিনি বলছেন — তার উটটি মিলিয়ে ভাগ করে দিতে। তবুও সবাই চিন্তা করে দেখলো, কোনো উপায় যখন নেই, এনার কথা শুনেই দেখা যাক।


১৯ + ১ = ২০


২০ এর অর্ধেক ১০টি উট ছেলেকে দেওয়া হলো।


২০ এর ১/৪ = ৫টি উট মেয়েকে দেওয়া হলো।


২০ এর ১/৫ = ৪টি উট চাকরকে দেওয়া হলো।


১০ + ৫ + ৪ = ১৯ টি।


যে একটি উট রয়ে গেলো, সেই উটটি বুদ্ধিমান ব্যক্তির ছিলো। সে সেই উটটি নিয়ে নিজের গ্রামে ফিরে গেলো।


এইপ্রকারে একটি উট যোগ করাতে ১৯ টি উটের ভাগ সুখ, শান্তি এবং আনন্দের সঙ্গে হয়ে গেলো।


এমনই আমাদের জীবনেও উনিশটি উট আছে।


৫ টি জ্ঞানেন্দ্রিয় — চোখ, নাক, জিভ, কান, ত্বক।


৫ টি কর্মেন্দ্রিয় — হাত, পা, জিভ, দাঁত, পায়ু।


৫ টি প্রাণ — প্রাণ, অপান, সমান, ব্যান, উদান; 

এবং 


৪ টি অন্তঃকরণ — মন, বুদ্ধি, চিত্ত, অহংকার।


সবমিলিয়ে এই উনিশটি উট।


সারাজীবন মানুষ এই উনিশটি উটের ভাগ করতেই বিভ্রান্ত হয়। যতক্ষণ না তাতে “মানবিকতা” নামক উটটিকে মেলানো হয় ততক্ষণ প্রকৃত সুখ, শান্তি, সন্তুষ্টি আর আনন্দের প্রাপ্তিও যোগ হয় না।


এই হলো উনিশটি উটের কাহিনী।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ০৩-০৩-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ০৩-০৩-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার শাসনামলে সংঘটিত সকল বিচার বহির্ভুত হত্যাকাণ্ড নথিভুক্ত করার ওপর প্রধান উপদেষ্টার গুরুত্বারোপ।


বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও কার্বন বাজারে বিনিয়োগে নরওয়ের আগ্রহ প্রকাশ।


কারও এজেন্ডা বাস্তবায়ন নয়, বরং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট অনুষ্ঠানে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন - বললেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।


তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার শুনানির দিন আগামী ৮ই মে ধার্য করেছে আদালত।


জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বেগম খালেদা জিয়াকে খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন নিয়ে শুনানি আজ।


মুক্তিযোদ্ধা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।


গাজায় মানবিক সাহায্য সরবরাহ পুনরায় চালু করতে ইসরাইলের প্রতি জাতিসংঘ মহাসচিবের আহ্বান।


আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিউজিল্যান্ডকে ৪৪ রানে হারালো ভারত- আগামীকাল প্রথম সেমিফাইনালে খেলবে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...