এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৩ মার্চ, ২০২৫

কোনো এক গাঁয়ের বধুর কথা ॥

 ॥ কোনো এক গাঁয়ের বধুর কথা ॥


সালটা ১৯৪৫। তখন সদ্য বিবাহিত হেমন্ত ভবানীপুরের বাসার কাছে, ইন্দিরা সিনেমার উল্টো দিকে, ইন্দ্র রায় রোডে সস্ত্রীক বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকেন।


একদিন হঠাৎ সেখানে হাজির এক যুবক। এর আগে দেবব্রত বিশ্বাসের বাড়িতে ঐ যুবকের সাথে হেমন্ত বাবুর আলাপ হয়েছিল, তবে তেমন কিছু নয়! যুবক তখন আপিটিএর সঙ্গে যুক্ত। নতুন সুর করে। আর সেই তৈরি করা সুর আইপিটিএ-র ফাংশান স্কোয়াডেই এখানে ওখানে গেয়ে বেড়ায়। গ্রামোফোন কোম্পানিতে তখনও সুযোগ পায়নি।


যাইহোক সেদিন হেমন্ত বাবুকে ঐ যুবক বেশ কয়েকটা গান শোনালেন। প্রগ্রেসিভ গান, স্কোয়াড এর জন্য উপযুক্ত। কিন্তু সোলো রেকর্ড করার মতো নয়।


গান শুনে হেমন্ত বাবু বেশ প্রসংশাও করলেন, কিন্তু বললেন- "এসব গান তো আর রেকর্ড করা যাবে না, অন্য গান থাকে তো দাও।


সেই মুহূর্তে ঐ যুবকের অন্য কোন গান মনে পড়ছিল না। শেষে হেমন্ত বাবুর থেকে বিদায় নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন, হেমন্ত বাবুও এগিয়ে দেওয়ার জন্য সিঁড়ি দিয়ে নামছেন, হঠাৎই ঐ যুবকের একটা আধখানা অসমাপ্ত গানের কথা মনে পড়ল।


সঙ্গে সঙ্গে সে হেমন্ত বাবুকে বলল— “হেমন্তদা, একটা অন্য ধরনের গানেরও সুর করেছি। আমারই লেখা। অবশ্য এখনও পুরোটা লেখা হয় নি। তা যেটুকু হয়েছে শোনাব?”

দুজনেই আবার ফিরে এলেন। ঐ আধখানা গান শুনে হেমন্ত বাবু বললেন- “রেকর্ড করার পক্ষে এটাই ঠিক গান! কিন্তু আরো বড় করতে হবে। কাহিনী-সংগীত যখন, রেকর্ডের দু’পিঠের মতো কথা বাড়াও। তাহলে খুব ভাল হবে। তুমি এটা তাড়াতাড়ি শেষ করে নিয়ে এসো।”

সেই রাতেই ঐ যুবক ঐ গানটা শেষ করে, বাকি অংশটা সুর করে কয়েকদিনের মধ্যেই হেমন্ত বাবুর হাতে তুলে দিলেন।


ওইসময় হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের বাজার দারুন। যে গানই করছেন, হটকেক! তবে এহেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সুপারিশ সত্ত্বেও গ্রামোফোন কোম্পানি রেকর্ড করতে চায়নি সেই গান। তাদের বক্তব্য — এ সব পাঁচালি কে শুনবে? কে কিনবে?

অবশেষে গণনাট্য সঙ্ঘের রাজ্য কমিটির সদস্য তথা কোম্পানির রেকর্ডিং-ইন-চার্জ ক্ষিতীশ বসু মধ্যস্থতা করেন।


ইতিমধ্যেই কমিউনিস্ট পার্টি নিষিদ্ধ ঘোষণা হয়েছে। ঐ যুবকের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি হয়েছে রাজনীতি করার ফলে। সুতরাং খানাতল্লাশি এড়াতে তিনি আত্মগোপন করলেন।


এদিকে সুরকারের অবর্তমানেই হেমন্ত বাবু গানটা রেকর্ড করলেন। যুবক সুরকারের ছকে দেওয়া যন্ত্রানুসঙ্গেই গানটি রেকর্ড করেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায় নিজেই।


কিছু দিনের মধ্যেই এইচএমভি-র শারদ অর্ঘ্যে ঠাঁই হয় সেই কালজয়ী গানের। তার পর যা হয়েছিল তা তো ইতিহাস! রেকর্ডটির দু'পিঠ জুড়ে গানটা রিলিজ করল। 


এদিকে ঐ যুবক সুরকার-গীতিকার তখনও আত্মগোপন করেই আছেন। এ গান তিনি শুনেছিলেন ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’ থেকে। সন্দেশখালিতে পার্টির গোপন ডেরায় বসে। এই সাফল্যে তিনি উল্লসিত হলেও তাঁর কমরেডরা হননি। গণনাট্য সঙ্ঘের যে সব সর্বভারতীয় সম্মেলনকে ‘আমার সংগীতের বিশ্ববিদ্যালয়’ বলতেন সলিল, সেই গণনাট্য সঙ্ঘের আসরে এ গান নিষিদ্ধ হয়েছিল।


তবে এই গানের মাধ্যমেই দিকে দিকে তার নাম ছড়িয়ে পড়ল। বাংলা গানের জগতে এক নতুন দিক নির্দেশ হল ঐ গানের মাধ্যমেই। সৃষ্টি হল এক নতুন জুটির।


সেদিনের ঐ যুবকের নাম সলিল চৌধুরী। আর সলিল চৌধুরী ও হেমন্ত মুখোপাধ্যায় জুটি বাংলা গানের এক নবজাগরণ। আর এই জুটির সূচনাবিন্দুতে আছে প্রায় ছ’মিনিট দৈর্ঘ্যের এই গান—


“কোনো এক গাঁয়ের বধূর কথা তোমায় শোনাই শোনো,

রূপকথা নয় সে নয়।

জীবনের মধুমাসের কুসুম-ছিঁড়ে-গাঁথা মালা

শিশির-ভেজা কাহিনি শোনাই শোনো।”


সত্যি বলতে কি, একটা গানের মধ্যে যুগলক্ষ্মণ ফুটে ওঠার পাশাপাশি কী ভাবে যুগযন্ত্রণাও ফেটে বেরোতে পারে, ‘গাঁয়ের বধূ’ শোনার আগে বাঙালি জানত না। ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে বাংলা জুড়ে যে দুর্ভিক্ষ হয়, যাকে ‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ বলা হত আগে, যাকে ‘চার্চিলস সিক্রেট ওয়র’ বলার চল হয়েছে এখন, তাতে অন্তত ৫০ লক্ষ বাঙালির মৃত্যু হয়। ওই দুর্ভিক্ষ কী ভাবে বাংলার কৃষি অর্থনীতির ভিত চুরমার করে দিয়েছিল, তার ‘ব্যথার পাহাড়’ বয়ে এ গান তৈরি করেছিলেন সলিল চৌধুরী।


শিল্পবাণিজ্যের পরিভাষায় ‘গেম চেঞ্জার’ বলে একটা কথা আছে। নাগরিক বাঙালির শ্রবণবিশ্বে ‘গাঁয়ের বধূ’ গানটা তাই।

____________________________

©️ কিছু কথা ॥ কিছু সুর 

কৃতজ্ঞতা: আনন্দবাজার পত্রিকা ও সারেগামা (HMV)

কন্ঠ শিল্পী "আগুন

 কন্ঠ শিল্পী "আগুন"

---------------------------------------------------

তার পুরো নাম খান আসিফুর রহমান। ডাক নাম আগুন। একজন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ও অভিনেতা। 


তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে তার বড় পরিচয় তিনি বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ, চিত্রপরিচালক ও অভিনেতা খান আতাউর রহমানের ছেলে।


আশির দশক থেকে বর্তমান পর্যন্ত দেশের সঙ্গীতাঙ্গনে যে ক’জন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী রয়েছেন আগুন তাদের মধ্যে অন্যতম।


সঙ্গীত, চলচ্চিত্র, নাটক, উপস্থাপনাসহ সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার অবাধ পদচারণা।


এ পর্যন্ত তিনি প্রায় ৪ হাজারেরও বেশি গান করেছেন এবং অভিনয় করেছেন বেশকিছু চলচ্চিত্র ও নাটকে। 


ছোটবেলা থেকেই 'সাডেন' নামের একটি ব্যান্ডদলের হয়ে গান বাজনার ভুবনে পা রাখেন তিনি। 


তবে ১৯৯৩ সালে 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত' ছবির গানের মধ্য দিয়ে তার জয়ধ্বনি সর্বত্র বেজে ওঠে। 


১৯৯৭ সালে তার বাবা খান আতা পরিচালিত 'এখনও অনেক রাত' চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় তার অভিষেক ঘটে। যদিও চলচ্চিত্রের পর্দায় তাকে খুব বেশি দেখা যায়নি। 


সর্বশেষ তিনি হুমায়ুন আহমেদের 'ঘেঁটুপুত্র কমলা' ছবিতে চিত্রশিল্পীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।


আগুনের দুই ছেলে মিছিল ও মশাল। বড় ছেলের বয়স ১৮ বছর আর ছোট ছেলের বয়স ৮। বাবার মতো দুই ছেলেও গান ভীষণ পছন্দ করে।


আগুনের মা প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী নিলুফার ইয়াসমিন। 


৯ ফেব্রুয়ারি দেশের নন্দিত কন্ঠশিল্পী আগুনের জন্মদিন ছিলো। তার জন্য রইল শুভ কামনা।

ডিপ্রেশন থেকে বের হবেন কিভাবে? 

 ডিপ্রেশন থেকে বের হবেন কিভাবে? 


রাতের পর রাত ঘুম আসে না? ভোরের আলোও কেমন যেন বিষন্ন মনে হয়?


মনে হয়, কেউ বুঝতে পারছে না আপনাকে? সব কিছুতে একরকম উদাসীনতা? জীবনটা কি কেমন যেন পাথরের মতো ভারী লাগছে?


ডিপ্রেশন এমন এক অদৃশ্য শত্রু, যা ধীরে ধীরে আপনার ভেতরটা ফাঁপা করে দিচ্ছে। আপনি হয়তো নিজেও বুঝতে পারছেন না, কবে থেকে এই অন্ধকারের মধ্যে আটকে গেছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এখান থেকে বের হবেন কীভাবে?


ডিপ্রেশন: একটা নিঃশব্দ ধ্বংসযজ্ঞ


ডিপ্রেশনে ঠিক কেমন লাগে জানেন?


একটা কালো মেঘের নিচে বসবাস করার মতো। আপনার চারপাশে সবকিছু স্বাভাবিক থাকলেও আপনি কিছুই অনুভব করতে পারেন না। সকাল-বিকেল পার হয়ে যায়, কিন্তু সময়ের সঙ্গে আপনিও যেন কোথাও আটকে আছেন। একসময় ভালো লাগত যে গান, এখন সেটাও বিরক্তিকর। কোনো কাজেই উৎসাহ আসে না। 


মনে হয়, এই যন্ত্রণার শেষ নেই।


আর আশেপাশের মানুষজন? কেউ বলবে, “এতো ভাবেন কেন?” কেউ বলবে, “সবারই সমস্যা আছে, এ নিয়ে এত চিন্তা করার কী আছে?” কেউ হয়তো বলবে, “বই পড়েন, ঘুরতে যান, ভালো হয়ে যাবেন!”


কিন্তু আপনি জানেন, ব্যাপারটা এতো সহজ না।


তাহলে বের হওয়ার পথ কী?


ডিপ্রেশন থেকে বের হওয়ার কোনো ম্যাজিক নেই। কিন্তু কিছু উপায় আছে, যা আপনাকে ধাপে ধাপে এই অবস্থা থেকে বের করে আনতে পারে।


১. ডিপ্রেশনকে স্বীকার করুন


নিজেকে বোঝান—“হ্যাঁ, আমি ডিপ্রেশনে ভুগছি। এটা আমার দোষ না, এটা একটা মানসিক অবস্থা। আমি এই অবস্থার ভিতর দিয়ে যাচ্ছি, কিন্তু আমি এখানে চিরদিন আটকে থাকবো না।”


ডিপ্রেশন লুকিয়ে রাখলে সেটা আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে। এটাকে মেনে নেওয়া মানে আপনি প্রথম ধাপে এগিয়ে গেলেন।


২. একটা রুটিন তৈরি করুন


ডিপ্রেশন আপনার জীবন এলোমেলো করে দেয়। তাই সচেতনভাবে নিজের জন্য একটা রুটিন ঠিক করুন। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানো, খাওয়া, হালকা ব্যায়াম করা—এসব নিয়ম মেনে চললে মন ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হবে। চাইলে আমার ৬ মাসের লাইফ চেঞ্জিং রুটিনটাও কিনতে পারেন। 


৩. ছোট ছোট লক্ষ্য ঠিক করুন


বড় কিছু করতে হবে না। আজ শুধু বিছানা গুছিয়ে রাখবেন। কাল হয়তো একটু হাঁটবেন। এভাবেই ধাপে ধাপে জীবনকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করুন।


৪. শরীরকে সুস্থ রাখুন


ডিপ্রেশন শরীরকেও দুর্বল করে তোলে। প্রতিদিন অন্তত দশ মিনিট রোদে বসুন, হালকা ব্যায়াম করুন, পুষ্টিকর খাবার খান। শরীর ভালো থাকলে মনও ধীরে ধীরে ভালো হবে।


৫. ঘুমাতে হবে, যেভাবেই হোক


ডিপ্রেশন থাকলে ঘুম আসে না, আর ঘুম না হলে ডিপ্রেশন আরও বেড়ে যায়। একে বন্ধ করতে হবে। মোবাইল, টিভি—সব দূরে রাখুন, প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস করুন।


৬. আনন্দ খুঁজুন (যদি সম্ভব হয়)


এই মুহূর্তে কিছুই ভালো লাগবে না। তবুও চেষ্টা করুন এমন কিছু করার, যা একসময় আপনার আনন্দের কারণ ছিল। হয়তো পুরনো গান শোনা, একটা বই পড়া, বা স্রেফ জানালার বাইরে তাকিয়ে কিছুক্ষণ বসে থাকা।


৭. কারও সঙ্গে কথা বলুন


ডিপ্রেশন আপনাকে একা করে দেয়। কিন্তু আপনি একা না। কাছের বন্ধু বা পরিবারের কাউকে বলুন—“আমি ভালো নেই। একটু শুনবে? একটু বুঝবে আমার সিচুয়েশন?”


কথা বললেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে না, কিন্তু অন্তত বোঝা কিছুটা হালকা লাগবে।


৮. পেশাদার সাহায্য নিন (যদি দরকার হয়)


অনেক সময় ডিপ্রেশন এমন পর্যায়ে যায়, যেখানে একা সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। সেক্ষেত্রে কাউন্সেলিং বা থেরাপির সাহায্য নিন। এটা কোনো দুর্বলতা নয়, বরং নিজের প্রতি যত্ন নেওয়ার অংশ।


এই অন্ধকার চিরদিন থাকবে না। 


আজ হয়তো মনে হচ্ছে, এই যন্ত্রণা কোনোদিন কমবে না—কিন্তু বিশ্বাস করুন, ধীরে ধীরে সব বদলে যাবে।


একদিন ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে দেখবেন, বাতাসটা আগের চেয়ে একটু হালকা লাগছে। সূর্যের আলো গায়ে পড়লে মনে হবে, এই উষ্ণতাটুকু যেন বহুদিন পর সত্যি করে অনুভব করতে পারছেন। 


ধীরে ধীরে বুকের চাপা ভারটাও কমবে, আবার প্রাণ খুলে শ্বাস নিতে পারবেন।


এই অন্ধকার রাতও কাটবে, ঠিক যেমন প্রতিটি রাতের শেষে সূর্য ওঠে। 


হয়তো একদিনেই সব বদলে যাবে না, কিন্তু প্রতিটি নতুন সকাল আপনাকে একটু একটু করে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।


তাই, আজ শুধু নিজেকে বলুন—“আরেকটা দিন পার করলেই হলো।”


একসময় দেখবেন, সেই “আরেকটা দিন” একে একে জুড়তে জুড়তে এক নতুন জীবনের দিকেই নিয়ে গেছে আপনাকে।


যেখানে অন্ধকার নেই, আছে আলো আর বেঁচে থাকার তৃপ্তি।।🙂

Self Confidence

সাত পাকে বাঁধা'র শুটিংয়ে তীব্র আবেগে ফড়ফড় করে ছিঁড়ে দিয়েছিলেন সৌমিত্রের পাঞ্জাবি,তারপর ডিরেক্টরকে বললেন আজ স্বামীর সঙ্গে রাগারাগি হয়েছে,এই ভাবে ছিঁড়ে দিয়েছি ওর পাঞ্জাবিটা!

 'সাত পাকে বাঁধা'র শুটিংয়ে তীব্র আবেগে ফড়ফড় করে ছিঁড়ে দিয়েছিলেন সৌমিত্রের পাঞ্জাবি,তারপর ডিরেক্টরকে বললেন আজ স্বামীর সঙ্গে রাগারাগি হয়েছে,এই ভাবে ছিঁড়ে দিয়েছি ওর পাঞ্জাবিটা!

মিথ নাকি নিছক গপ্প! সত্য, মিথ্যা যাই হোক বাংলা সিনেমায় সুচিত্রা সেন গ্ল্যামারের শেষ কথা,কখনও চিলতে আর প্রাণখোলা হাসির ঝলকে তিনি ঝড় তুলেছেন দর্শক মনে৷ প্রাচ্যের গ্রেটা গার্বো তাঁকে বলা হতো,বোধহয় তিনি যেমন খ্যাতির শিখরে থাকতে থাকতে প্রচারের সার্চলাইট থেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন নিজেকে,শত অনুরোধে আর ফেরেন নি রুপোলি পর্দায়৷


৫২/৪/১ বালিগঞ্জ সার্কুলার রোড হয়ে গিয়েছিল রূপকথার স্বপ্নপুরী৷ কিন্তু ঠিক কেন তিনি গিয়েছিলেন অন্তরালে! আসলে কী খ্যাতি,সৌন্দর্য,কিংবদন্তি হয়েও তিনি চেয়েছিলেন সাধারণ হয়ে থাকতে!আর সেই কারণে কী স্বেচ্ছা নির্বাসন!

১৯৪৭সালে দিবানাথ-সুচিত্রা সেনের বিয়ে,৫৩সালে ছবির জগতে আসেন,৩৫বছরের কেরিয়ারে মোট ছবি ৬০,বাংলা ৫৩,হিন্দি সাতটি৷ তরুনকুমারের স্মৃতিকথা থেকে শুরু করে সর্বত্র প্রকাশিত একের পর এক ছবি যখন হিট করছে তখন সুচিত্রা সেন পারিশ্রমিক বাড়ানোর কথা তুলেছিলেন,এমন কি উত্তমকুমারের মাথায় নাকি তিনি ঢুকিয়ে দেন!


পাঁচের দশকে সুচিত্রার 'বোল্ড'আই মেকআপ বিখ্যাত চোখদুটি কে করে তুলেছিল মোহময়ী,ওই চোখের চাওনিতে কেঁপে যেত আসমুদ্রহিমাচল৷ এই প্রসঙ্গে মনে পড়ছে মাধুরী দীক্ষিতের কথা,তাঁর রূপ,অভিনয়েও কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী কেঁপেছে। তিনি বলছেন তাঁর মা ছিলেন সুচিত্রা সেনের অন্ধ ভক্ত৷ কলকাতায় এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে এসে কাউকে না জানিয়ে তিনি চলে গিয়েছিলেন সুচিত্রার নতুন ছবি দেখতে৷

মাধুরী নিজে বলেছেন কলকাতার চিত্র সাংবাদিকরা নাকি তাঁর সঙ্গে সুচিত্রা সেনের মুখের মিল খুঁজে পেতেন, সুচিত্রা সেনের একটি ছবি তিনি হলে গিয়ে দেখেছেন সেটি 'আঁধি'৷টিভিতে দেখেছেন 'বোম্বাই কা বাবু'৷মাধুরীর কথায় সাদা-কালো ছবি,কি অসাধারণ সুন্দরী,তিনি যদি ওই রূপের কণামাত্র পেতেন!


মাধুরী বিনয়ী এভাবে বলেছেন,কিন্তু তিনিও শ্রদ্ধার আসনে রেখেছেন সুচিত্রা সেন কে, বলেছেন কতজন পারে গনগনে সূর্যের তাপে নিজেকে আড়াল করতে?অর্থের গরিমা যেখানে বিশাল ব্যবধানে হেরে গিয়েছে সুচিত্রা সেনের ব্যক্তিত্বের কাছে৷

একটা প্রশ্ন কিন্তু ওঠে, আসলে কি মহানায়িকা শুধুমাত্র পর্দায় রোম্যান্টিক নায়িকা হিসেবে ভালবাসার স্বার্থক রূপায়ন করেছেন?বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর অবদান কী শুধুমাত্র উত্তম-সুচিত্রা জুটি!কিন্তু তথ্য বলছে উত্তমকুমার ছাড়া তাঁর অভিনয় করা ছবিতে সুচিত্রা সেনের অভিনয়ের বিচ্ছুরণ দর্শক,চিত্র সমালোচকরা দেখেছেন,মোহিত হয়েছেন,প্রশংসা করেছেন৷'সাত পাকে বাঁধা',অথবা 'দীপ জ্বেলে যাই',দুটো ছবি সেকথা বলে৷বসন্ত চৌধুরী ছিলেন 'দীপ জ্বেলে যাই'ছবিতে সুচিত্রা সেনের বিপরীতে,আক্ষরিক অর্থে রোম্যান্টিক প্রেমের ছবি নয়,কিন্তু ছবির শেষ দিকে সুচিত্রা সেন পাগল হয়ে ডাক্তারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন 'বিশ্বাস করুন আমি অভিনয় করিনি.আমি অভিনয় করতে পারি না'৷তবে এটুকু বলতে পারি তিনটি ছবি তিনি করি,করি করেও করে উঠতে পারেন নি, যদি তিনি সত্যজিৎ রায়ের 'দেবী চৌধুরাণী', 'ঘরে-বাইরে', বা পূর্ণেন্দু পত্রীর 'চতুরঙ্গে'অভিনয় করতেন,বলা যায় তাঁর অভিনয় দক্ষতা,ক্ষমতা নিয়ে পর্যালোচনা হত একটু আলাদা মাত্রায়,অন্যভাবে৷ আজ সুচিত্রা সেনের প্রয়াণ দিবসে মহানায়িকাকে আমারা স্মরণ করি।

সংগৃহীত

ধর্ষক রা সাতজন ছিলো বাবা....। আর ওদের মধ্যে একজন কে আমি বিয়ে করতে চাই।।।

 ধর্ষক রা সাতজন ছিলো বাবা....। আর ওদের মধ্যে একজন কে আমি বিয়ে করতে চাই।।।


ওয়াট....??


হ্যা বাবা ঠিকই বলছি আমি।। ওই ছেলেকে বিয়ে আমার করতেই হবে।।।


পুরো পরিবারের লোকজন থ সেজে গেলো আমার কথায়।।। জানি অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে এখন আমায়।।। কিন্তু আজকে কোনো কিছুরই তোয়াক্কা করবো না আমি।।। কাউকে এ বিষয়ে কোনো কইফিয়তও দিতে প্রস্তুত না আমি।।। আর এ কথাটি জোরেই বলে ফেললাম সবার সামনে। তারপর মজলিস থেকে ওঠে আমার ঘরে চলে গেলাম।।


(বিঃ দ্রঃ “ রম্য কাহিনী/ গল্প" গল্পের সবগুলো পর্ব একসাথে পেতে এখানে ক্লিক করুন)আজকে নিজের মধ্যে একটা প্রশস্তি অনুভব করছি।। সবার সামনে এ রকমভাবে কথা বলতে পেরে খুব ভালো ফিল করছি আমি।। এই প্রথম আমার পরিবারের সামনে এমন উচু গলায় কথা বললাম।। আর এ নিয়ে আমার ভেতর কোনো অনুতপ্ততা কাজ করছে না।।। বরং মনে হচ্ছে আরো আঘাত দিয়ে কথাগুলো বলা উচিত ছিলো।।।


সম্ভ্রান্ত এক বড় পরিবারে জন্ম আমার।। বলতে গেলে সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মেছি আমি।। কখনও কোনো ব্যাপারে আমার চাওয়া, না পাওয়া ওয়ে ওঠেনি।। আর পরিবারের আদর সেতো আর বলে বোঝাবার মতো নয়।।


আমার সবচেয়ে প্রিয় ব্যক্তিত্ব আমার বাবা।। উনার রাজকীয় চলাফেরা, সবার সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া সবই তার রাজকীয় চলাফেরার প্রতীক বহন করে।। এতসবকিছুর মাঝেও তিনি তার মেয়েকে সময় দিতেও এতটুকু ভুল করে না। আর আমার চাওয়াকে তো নিমিষেই মিটিয়ে দিতো বাবা।। তাইতো আমার কাছে বাবার জনপ্রিয়তা সবার তুঙ্গে।।


কিন্তু এত প্রভাবশালীতার মাঝেও আমার সাথে এ রকম এক ভয়াবহ ঘটনা ঘটবে, তা কেউ কখনও স্বপ্নেও ভাবেনি।। এমনকি কারো সাথে ব্যক্তি গত শত্রু তাও ছিলো না আমার বা আমার পরিবারের।


যদিও ব্যাপারটা আমার পরিবারের বাইরে কেউ জানে না।। কিন্তু জানতেই বা কতদিন??


আর এই চিন্তা নিয়েই আমার পরিবারের এত মাথাব্যথা।। তাইতো আমাকে ফিরে পেতেই সবার এমন ঘোট পাকিয়ে প্রশ্নউত্তর পর্ব চললো বেশ কিছুক্ষণ।


কিন্তু আমার কঠিন থেকে কঠিনতম কথার ব্যাড়াজালে সবাই যে হতবাক, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।।


এই তিনদিন আমার পরিবার আমাকে হন্নে হয়ে খুজেছে।। কিন্তু কোনো খোজ মিলাতে পারেনি।।


তাইতো আমার কাছ থেকে বারবার জানার চেষ্টা করছে আমি ওদের কাউকে চিনতে পেরেছি কিনা??


আমি জানি না ওদের পেলে কি করবে আমার


পরিবার?? তবে আমি নিশ্চিত এতবড় ঘটনা, এমনিতেই


আমার পরিবার ছেড়ে কথা বলবে না কাউকে খুজে পেলে।। এরমধ্যে আমার বলা কথাটা তাদেরকে আরো


পুড়িয়ে মারছে।। একে একে সবারই একটাই প্রশ্ন, আমি কেনো এরকম ঘটনার পর বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে


চাচ্ছি?? রংধনুর রং !


তখনো ঘরের দরজা বন্ধ করেই বসে আছি।


বারবার বাড়ির লোকের জ্বালাতন আর ভালো লাগছে না।।


তাই তো চিৎকার করে মাকে বললাম প্লিজ আমাকে একা থাকতে দাও মা।। তারপর অবশ্য আর কেউ আসে নি।। আমি জানালার পাশে বসে আছি।। সূর্যের প্রখর তাপ প্রায় নিঃশেষ হয়ে এসেছে।। আকাশে লাল নীলিমার রেখা ফুটে ওঠেছে।। জানালাটা আরেকটু খুলে দিলাম।। চোখের কোনে লেপ্টে থাকা জলবিন্দু ওরনা দিয়ে হালকা মুছে নিলাম।। উদাস মনে আকাশের পরিবর্তনের দৃশ্যটা উপভোগ করছিলাম ভাংগা হৃদয়ে এতটুকু আশা জাগানোর নেশায়।।ওরা সাতজন ছিলো।। ভার্সিটির ক্লাস শেষ করে নির্জনে বাড়ি ফিরছিলাম শহরের রাস্তা বেয়ে।


আমার পছন্দের ব্রীজের ওপর আসতেই একটা কার আমাকে নিস্তব্ধ ভাবে তুলে নিলো।। তারপর আমার স্মৃতির পাতা জ্ঞান শূন্য হয়ে আসছিলো।। যখন সজ্ঞানে ফিরে এলাম, তখন নিজেকে অচেনা রুমে আবিষ্কার করলাম।। খুব ভয় লাগছিলো আমার।। ভয়ে চিৎকার করে ওঠলাম, কিন্তু ফিরতি প্রতিধ্বনি আরো ভয়ানক ভাবে ধরা দিলো আমার কানে।। মনে হলো এ স্থান জনশূন্যতার আধারে ভরে আছে।।


আমি গুটিশুটি মেরে ঘরের এক কোনে নিজেকে লুকিয়ে রাখলাম।। কিছুক্ষন পর দরজা খোলার আওয়াজে আরো ভীত সন্তপ্ত হয়ে পড়লাম।।


কয়েকজন যুবক ব্যাপক আগ্রহ নিয়ে রুমে প্রবেশ করলো।।


আর অদ্ভুত চাহনি নিয়ে আমার দিকে

তাকিয়ে ছিলো। যেনো ক্ষুধার্ত হায়েনার সামনে একখন্ড মাংসপিণ্ড।।


আমি ভয়ে নিজেকে আরো জড়িয়ে নিলাম।। আর বললাম


কে আপনারা প্লিজ আমাকে ছেড়ে দিন।।। আমার কথায় তারা রাজ্য জয়ের হাসি দিয়ে লুটিয়ে


পড়তে লাগলো।।


হঠাৎ ই কারো পায়ের আওয়াজে থমকে দাড়ালো ওরা।। একদম নিশ্চুপ ভঙ্গিতে দাড়িয়ে গেলো।।। আমিও কিছুটা বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে থাকলাম।।।। !


বেশ সুদর্শন এক লম্বা পুরুষ, মাথার ঝাকরা চুলগুলো ঠিক করতে করতে রুমে প্রবেশ করলো।। ওকে দেখে সবাই সরে দাড়ালো এবং সালাম দিলো।। বুঝলাম ইনি এদের

পালের গোদা।। রুমে ঢুকে বেশ কিছুক্ষন আমার দিকে তাকিয়ে ছিলো।। তারপর উষ্ণ হাসি দিয়ে চুল ঠিক করতে করতে আমার সামনে এসে বসলো।। আমি চরম ভীত সন্তপ্ত হয়ে পড়লাম।। আমার থুথনিতে হাত দিয়ে চোখটা তুলে ধরে বললো


বাহ্ খুব সুন্দর হয়েছে তো তুমি ...!! ঘৃনা, রাগ, ভয় তিনটাই চরম আকার ধারন করলো আমার মনে।।। খুব শান্ত ভীত হয়ে


একবার শুধু বললাম কে আপনি?? আর আমাকে এভাবে ধরে এনেছেন কেনো?? প্লিজ ছেড়ে দিন।।


কিছু না বলে ছেলেটি উঠে দাড়ালো।। পেছন ফিরে ওদের জিজ্ঞেস করলো,, খেতে দিয়েছিস ওকে।।।


ওদের মধ্যে একজন বলে ওঠলো – দেমাগ দেখিয়ে খায়নি বড় ভাই।।।কথাটি শুনে হাসি দিয়ে আবার আমার কাছে এসে গালে আলতো করে ছুয়ে বললো


রাগ দেখাতে নেই।। খেয়ে নাও।। আমি তখন ক্রোধে আরেকবার বলে ওঠলাম


আমায় ছেড়ে দে বলছি, আমার বাবা জানতে পারলে তোদের একজনকেও বাচিয়ে রাখবে না।।।


ছেলেটি দাড়াতে যাচ্ছিল, কিন্তু আমার কথা শুনে রাগে তার চোখগুলো নিমিষেই লাল হয়ে গেলো।


আমার দিকে ভয়ানক রাগি চোখে তাকিয়ে খাবারের প্লেটটা ছুড়ে মারলো আর বললো


-কি বললি আরেকবার বল?? তোর বাবার এত দম .....?? এই


একে এখুনি বুঝিয়ে দেয় ওকে কেনো এখানে আনা হয়েছে।।। ওর বাবার কলিজার মতো মেয়ের এমন হাল


করবি যেনো কোথাও মুখ দেখাতে না পারে

বলেই চলে যাচ্ছিলো!!


তারপর....


wait for next part........

Follow.. Najrul Islam Akash

নায়ক সালমান শাহ্‌ ও নায়িকা মৌসুমী একই সিনেমা দিয়ে একই সালে আসেন। 

 নায়ক সালমান শাহ্‌ ও নায়িকা মৌসুমী একই সিনেমা দিয়ে একই সালে আসেন। সে অনুযায়ী ১৯৯৬ সাল ছিল দুইজনের ক্যারিয়ারেরই ৪র্থ বছর। এ বছর সালমান শাহ্‌ এর মোট ৯ টি সিনেমা মুক্তি পায়। অন্যদিকে নায়িকা মৌসুমীর মুক্তি পায় ১১ টি সিনেমা। মৌসুমীর মুক্তি পাওয়া সেই ১১ সিনেমা ছিল-  ১.রাক্ষস ২.শয়তান মানুষ ৩.ফাঁসির আসামী ৪.ঘাত প্রতিঘাত ৫.পাপের শাস্তি ৬.সুখের স্বর্গ ৭.স্বজন ৮. হারানোর প্রেম ৯.বাঘিনী কন্যা ১০. আত্মত্যাগ ১১.গরিবের রানি।

এই ১১ সিনেমার মধ্যে অর্ধেকের বেশি মানে ৬ টাতেই নায়িকা মৌসুমী ছিল গুরুত্বহীন বা কোনোটাতে দ্বিতীয় নায়িকা। আবার কোনোটাতে দ্বিতীয় নায়িকারও যে গুরুত্ব বা উপস্থিতি থাকে সেটাও ছিল না। পাশাপাশি উক্ত সিনেমাগুলোর গান দিয়েও আলোর ছিটেফোঁটা পায়নি। এদিকে বাকি যে ৫টা ছিল সেসবেও ২/৩ টা ছাড়া বাকিগুলোতে সে গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। তবে হ্যাঁ, এ পাঁচটাতে সেই প্রধান নায়িকা ছিল।


আসলে প্রথম সিনেমার সাফল্য এবং প্রেসদের একতরফা সুপ্রচার পাবার পরেও যদি ক্যারিয়ারের ৪র্থ বছরেই সিনেমাতে তার চরিত্রের এ অবস্থা হয় তখন তাকে কি বলা যায়? অথচ এ সব সিনেমা ছিল তার বিয়ের আগে সাইন করা। মানে বিয়ের আগেই তার সিনেমা বাছাই ও চরিত্রের গুরুত্ব এমনটি ছিল। তবুও কারণে-অকারণে প্রেসরা মৌসুমীকে নির্লজ্জের মত সুপ্রচার দিয়ে গেছিল। যার বিন্দুমাত্র কারন ছিল না। হ্যাঁ, এ সময়টাতে মৌসুমীর বেশ ভাল জনপ্রিয়তা ছিল, শুধু এটার জন্যই সেসময়ের ম্যাগাজিনগুলো তাদের নির্লজ্জতা চালিয়ে গিয়েছিল। অথচ সিনেমাতে সে সময়েও তার উপস্থিতি বেশিরভাগ মূল্যহীন ছিল। যা অতীত সময়ে আর কোনো তারকার ক্ষেত্রে ঘটেনি। এমন ক্রেজ পাওয়া তারকার ক্ষেত্রে তো অবশ্যই না।


অন্যদিকে একই বছরে আসা সালমান শাহ্‌ এর মুক্তি পাওয়া ৯ সিনেমা ছবিতেই সংযুক্ত করা আছে। সিনেমাগুলোর দিকে চোখ দিলেই বুঝা যাচ্ছে সালমান তার ক্যারিয়ারের কাজের ব্যাপারে কতটা সচেতন ছিল। তার মুক্তি পাওয়া এই ৯ সিনেমার সবগুলোতেই সালমান ছিল প্রধান হিরো। অথচ তখন তারকাবহুল সিনেমার যুগ চলছিলো। যদিও সালমান অভিনীত এই ৯ সিনেমার মধ্যেও কিছু তারকাবহুল সিনেমা ছিল। কিন্তু তারপরেও সেসব সিনেমাতে নায়ক চরিত্রে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রটা ওই সালমানেরই ছিল।

পাশাপাশি প্রায় সবগুলো সিনেমার নামও খুব সুন্দর ছিল। বাণিজ্যিক চটকদার নাম বলতে শুধু, সত্যের মৃত্যু নেই আর মায়ের অধিকারই যা। বাকি সবগুলোই সহজ,সরল এবং প্রাঞ্জল ছিল। চটুল কোনো বাণিজ্যিক নাম ছিল না।

চরিত্রের বিচারে বা গুরুত্বে তোমাকে চাই,স্বপ্নের পৃথিবী,বিচার হবে,জীবন সংসার, প্রিয়জন,চাওয়া থেকে পাওয়াতে সে গল্পের নায়িকার নায়ক। যার সবগুলোতেই সালমান ছিল উজ্জ্বল। একমাত্র চাওয়া থেকে পাওয়া,প্রিয়জন সিনেমার গল্পই সাদামাটা ছিল। তবে উক্ত সিনেমাদ্বয় সাদামাটা হলেও স্মার্ট উপস্থাপনের জন্য বিশেষ ছিল। 

বাকি সিনেমাগুলোর মধ্যে মায়ের অধিকারে তো সালমানই সব। আর সত্যের মৃত্যু নেই এর গল্পতে সত্য মিথ্যার খেলা তো  তারা মা-ছেলেই খেলেছে। আসলে নায়িকা শাবানার সাথে সালমানের এটা তৃতীয় কাজ। এর আগে তার সাথে কন্যা দান ও স্নেহ করে। সেখানেও তাদের মা-ছেলের স্নেহ পাওয়া না পাওয়া নিয়ে গল্প আগায়। আর কন্যাদানেও কন্যা দেয়া-নেয়া করে তারা দুইজন (যদিও এখানে আলমগীর ও লীমাও সমান গুরুত্বপূর্ণ ছিল)।

যাইহোক, সবশেষে রইল এই ঘর এই সংসার। সেখানেও সালমানের গুরুত্ব ও অভিনয় চমৎকার ছিল। উক্ত সিনেমাতে তমালিকা অত্যন্ত ভাল করার পরেও সালমান শাহ্‌ গুরুত্ব ও অভিনয়ে কোনটাতেই ম্লান হবার সুযোগ রাখেনি।


এই ছিল একই সাথে আসা দুই নায়ক-নায়িকার ১৯৯৬ সালের ব্যবচ্ছেদ। উক্ত বছরেও এতো সুন্দর ক্যারিয়ার সালমান পার করার পরেও প্রেসদের এতোটুকু সুপ্রচার সে পায়নি। বরং বিভিন্ন নিউজে এ বছর তাকে নায়িকা নির্ভর বানিয়ে দিয়ে বিভিন্ন লেখা প্রচার করা হয়। অন্যদিকে নায়িকা মৌসুমী এতো বাজে ও গুরুত্বহীন বিভিন্ন সিনেমা নিয়ে বছর পার করার পরেও একের পর এক সুপ্রচার পেয়ে গেছে। কিন্তু তাদের এ সুপ্রচার দর্শক সমাজে কখনোই মৌসুমীর জন্য সুফলতা বয়ে আনেনি।

আর আনবেই কিভাবে?

ক্যারিয়ারের ৪র্থ বছরেই যদি কোনো তারকার সিনেমার অবস্থা এই হয় তাহলে কিভাবে দর্শক তাকে গ্রহণ করবে বা প্রিয়তে রাখবে? যার জন্যই এ বছর থেকে মৌসুমী যে পিছিয়ে পড়ে আর কখনো কোনো দিন আগাতে পারেনি বা এগিয়ে আসেনি। হ্যাঁ, এমন গুরুত্বহীন অসংখ্য সিনেমার কল্যাণে নায়িকাদের লিস্টে জায়গা পেয়েছে বা লেখকরা দিয়ে গেছে। কিন্তু শীর্ষ নায়িকা বা সবার প্রথম পছন্দ আর সে হতে পারেনি।


যেদিন রোজ হাশরে করতে বিচার তুমি হবে কাজী,,,,,কাজী নজরুল ইসলাম🌷 দেদেহ পরিশুদ্ধ

 যেদিন রোজ হাশরে করতে বিচার

তুমি হবে কাজী

সেদিন তোমার দিদার আমি

পাব কি আল্লাহজী?

যেদিন রোজ হাশরে...


সেদিন নাকি তোমার ভীষণ কাহার রূপ দেখে

পীর পয়গাম্বর কাঁদবে ভয়ে "ইয়া নাফসি" ডেকে

সেই সুদিনের আশায় আমি নাচি এখন থেকে

আমি তোমায় দেখে হাজার বার

দোজখ যেতে রাজী

আল্লাহ, তোমায় দেখে হাজার বার

দোজখ যেতে রাজী

যেদিন রোজ হাশরে,,,,


যে রূপে হোক বারেক যদি দেখে তোমায় কেহ

দোজখ কি আর ছুঁতে পারে পবিত্র তার দেহ?

সে হোক না কেন হাজার পাপী

হোক না বে-নামাজী

যেদিন রোজ হাশরে,,,,


ইয়া আল্লাহ, তোমার দয়া কত

তাই দেখাবে বলে

রোজ হাশরে দেখা দেবে

বিচার করার ছলে

প্রেমিক বিনে কে বুঝিবে

তোমার এ কারসাজি

যেদিন রোজ হাশরে করতে বিচার

তুমি হবে কাজী

সেদিন তোমার দিদার আমি

পাব কি আল্লাহজী?

যেদিন রোজ হাশরে করতে বিচার

তুমি হবে কাজী


🌷কাজী নজরুল ইসলাম🌷

দেদেহ পরিশুদ্ধ

শিল্পী নাহিদ নিয়াজী,,,,,

 শিল্পী নাহিদ নিয়াজী

---------------------------------------------------

নাম তাঁর নাহিদ মুসলে উদ্দিন। তবে তিনি নাহিদ নিয়াজী নামেই সমধিক পরিচিত।


তিনি পাকিস্তানের বিশিষ্ট কবি সাজ্জাদ সারোয়ার নিয়াজীর মেয়ে আর বাংলাদেশি সঙ্গীতজ্ঞ, সুরকার, গীতিকার মুসলে উদ্দিনের স্ত্রী।


জন্মেছিলেন ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৪১ সালে লাহোরে। 


এদেশের ছায়াছবিতে বাংলায় তাঁর কিছু গাওয়া গান নিয়ে এই আসরে আমার সামান্য কিছু লেখার প্রয়াস। 


'আকাশের ঐ মিটিমিটি তারার সাথে কইবো কথা' মুসলে উদ্দিনের লেখা ও সুর করা এই গানটি ষাটের দশকে তাঁকে রাতারাতি তারকাখ্যাতি এনে দেয়।


জনাব মুসলে উদ্দিনের লেখা ও সুর করা সেই সময়ের আরেক সুপার ডুপার আধুনিক মৌলিক হিট গান 'ওগো সোনার মেয়ে যাও গো শুনে' তাঁরা দ্বৈতকণ্ঠে গেয়েছিলেন সেই ষাটের দশকের শুরুতে।


নাহিদ নিয়াজীর আরেকটি মাস্টারপিস হলো 'নতুন নামে ডাকো আমায়।' 


এই গানটির কথা লিখেছেন– আহমেদ জামান চৌধুরী ও সুর করেছেন– আলী হোসেন সাহেব। ছবির নাম 'নতুন নামে ডাকো।'


সরকার কবিরউদ্দিন, সুচন্দা, আনিস, বেবী জামান ও অন্যান্য কলাকুশলী অভিনীত ১০ মার্চ ১৯৬৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবির পরিচালক ছিলেন মমতাজ আলী।


সিকান্দর আবু জাফরের লেখা ও আলতাফ মাহমুদের সুর করা 'আপন দুলাল' ছবিতে তাঁর শ্রুতিমধুর গান 'সখা হে তোমার সাথে আজ আমার নতুন খেলা'।


এছাড়াও তিনি নেপথ্য কন্ঠদান করেছেন ইন্ধন, শীতবসন্ত, নয়া জিন্দেগী, তানসেন প্রভৃতি চলচ্চিত্রে। আধুনিক গানও গেয়েছেন নাহিদ নিয়াজী।


কিছুদিন আগে এক টেলিভিশন স্বাক্ষাতকারে তিনি প্রয়াত স্বামী মুসলে উদ্দিন ও বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলতে বলতে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।


জনাব মুসলে উদ্দিন বাংলার বধু নাহিদ নিয়াজীকে নিয়ে অনেক আগেই ইংল্যান্ডে স্থায়ী হয়েছিলেন।


৭১'র মুক্তিযুদ্ধের আগে পাকিস্তান সরকারের সর্বোচ্চ সন্মানে ভূষিত জনাব মুসলে উদ্দিন ২০০৩ সালে মারা যান।


নাহিদ নিয়াজী বর্তমানে সন্তানদের নিয়ে বার্মিংহামেই আছেন।


তাঁর জন্য রইল শুভ কামনা।

অসাধারণ একজন বাবার অসাধারণ চিন্তা ধারার গল্প! """

 অসাধারণ একজন বাবার অসাধারণ চিন্তা ধারার গল্প!

"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""

এক কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার সঙ্গে আজ আলাপ হলো। ভদ্রলোক অটোচালক। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেয়ে পাস করেছিলেন। কিন্তু সংসারের চাপে আর পড়াশোনা করা সম্ভব হয়নি। ভদ্রলোকের গায়ের রং বেশ কালো। লম্বা চেহারা, মাথায় সাদার থেকে কালো চুলের আধিক্য বেশি। সস্তার জামা-প্যান্ট পরেছিলেন, কিন্তু বেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। 

গল্প করতে করতেই জানতে পারলাম, ভদ্রলোকের এক মেয়ে। মেয়ে বি এড কমপ্লিট করে চাকরির পরীক্ষায় বসছে। 

ভদ্রলোক হেসে বললেন, আমার মা যখন আমার বিয়ে দিয়েছিলেন তখন ফর্সা বউ এনেছিলেন। তার কারণ নাতি-নাতনি যাই হোক সে যেন ফর্সা হয়। কিন্তু আমার মায়ের সে ইচ্ছেতে জল ঢেলে দিয়ে আমার কন্যা আমার গায়ের রং পেলো। আমিও আদর করে তার নাম দিলাম কৃষ্ণকলি। 

মেয়ে আমার সব কাজে পারদর্শী। লেখাপড়াতেও খুব ভালো। 

ভদ্রলোক বললেন, মেয়ের বিয়ের জন্য পাত্র খুঁজছি। গায়ের রং কালো বলে তেমন মনের মত পাত্র পাচ্ছিও না। 

আমার মনে হলো, এই হোলো আমাদের সমস্যা। চামড়ার মেলানিনের পরিমাণের হেরফেরে সমস্ত গুন চাপা পড়ে গিয়ে সে হয়ে যাবে কম দামি। সহানুভূতির গলায় বললাম, চিন্তা করবেন না। আপনার মেয়ের এত গুন, ওর খুব ভালো বিয়ে হবে। দুমিনিট কথা বলার পরে অবশ্য বুঝলাম, উনি কারোর সহানুভূতি চান না। 

ভদ্রলোক একটু হেসে বললেন, আসলে ওর একটা খুব ভালো সম্বন্ধ এসেছিল। বিয়ে ফাইনাল হয়ে গিয়েছিল। পাত্র সরকারি চাকরি করে। দেখতে শুনতে ভালো, ভালো ফ্যামিলি ওদের। 

কিন্তু আমিই ভেঙে দিলাম বিয়েটা। 

আমি অপ্রস্তুত হয়ে বললাম, মানে কেন ভেঙে দিলেন? অনেক পণ চেয়েছিল নাকি?

ভদ্রলোক ঘাড় নেড়ে বললেন, না। এক পয়সাও নিতো না। 

আমি বিস্মিত হয়ে বললাম, তাহলে?

ভদ্রলোক আমাকে চূড়ান্ত চমকে দিয়ে বললেন, আমার মেয়ে প্রতি মুহূর্তে অপমানিত হচ্ছিলো তাই।

আমি কিছুই না বুঝে বললাম, বুঝতে পারছি না দাদা। 

ভদ্রলোক আক্ষেপের গলায় বললেন, আত্মীয়- স্বজন দিনরাত আমার কলিকে বলছিলো, তুই খুব ভাগ্যবতী, তুই খুব লাকি যে তোর অমন ফর্সা, সুদর্শন ছেলের সঙ্গে বিয়ে হচ্ছে। 

ছেলের বাড়ির দিকের আত্মীয়রাও নাকি বলেছে, তুমি খুব লাকি কৃষ্ণকলি , নাহলে তোমার এমন গায়ের রঙে অমন ছেলে পাওয়া দুষ্কর। 

মেয়ে সেদিন প্রায় কাঁদো কাঁদো হয়ে আমার কাছে এসে বললো, বাবা আমি এতটা ভাগ্যবতী হতে চাইনি। ছেলেও নাকি মেয়েকে ফোন করে বলেছে, কেমন লাগছে তোমার আমার সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়ে? নিজেকে নিশ্চয়ই খুব লাকি মনে হচ্ছে!

এসব কথা শুনেই আমি ভেবে দেখলাম, আমার মেয়ে তার কপালের ভার নিজেই বইতে পারবে। এতটা ভাগ্যবতী হতে হবে না তাকে লোকের দয়ায়। 

তাই বাড়ির সকলের অমতে গিয়েই আমি বিয়েটা ভেঙে দিলাম। যাদের মনে হবে, বিয়ে করে আমার মেয়েকে ভাগ্য ফিরিয়ে দিচ্ছে না, তাদের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দেব। ভাগ্যবতী শব্দের ভার বহন করার দরকার নেই কলির। 

যদি চাকরি পায় ভালো, নাহলে আরেকটা অটো কিনে দেব, ও চালাবে। নিজের ভাগ্য নিজে তৈরি করবে। কারোর দয়া লাগবে না ওর। 

আমি অভিভূত হয়ে দেখছিলাম ভদ্রলোককে। বললাম, তো বিয়েটা ভেঙে দেবার পরে আপনার মেয়ের কি বক্তব্য?

ভদ্রলোক বললেন, মেয়ে আমার কানে কানে বলেছে, আমার বাবা বেস্ট। ভদ্রলোক বললেন, আরে ওর গায়ের রং আমার মতন, ভাবনাও আমার মতনই হবে না! লোকে আমাকে বলছে.. কন্যাদায়গ্রস্ত বাবার নাকি এত তেজ ভালো নয়! আমি বলেছি, কন্যা আমার কাছে দায় নয়, আমার অহংকার।

অকারণে লোকের করুণার পাত্রী হতে যাবে কেন? কি নেই ওর? সব আছে ওর। আমি ওকে সবটুকু দিয়ে মানুষ করেছি। কোনো অবহেলা পায়নি ও কোনোদিন। 

আমি বললাম, বিশেষ করে ওর এমন বাবা আছে। 

সত্যি বলতে কি ওই অদেখা কৃষ্ণকলির আদরে ভাগ বসাতে খুব ইচ্ছে করছিল। 

কৃষ্ণকলিরা এভাবেই মাথা উঁচু করে দাঁড়াক। কারোর দয়ায় সৌভাগ্যবতী না হয়ে, নিজের চেষ্টায় নিজের পরিচয় গড়ে নিক।

সংগৃহীত পোস্ট।❤️❤️❤️❤️❤️❤️

ও আমার বন্ধু গো চিরসাথী পথ চলা,তোমার ই জন্য গড়েছি  আমি মঞ্জিল ভালোবাসা'......

 'ও আমার বন্ধু গো চিরসাথী পথ চলা,তোমার ই জন্য গড়েছি  আমি মঞ্জিল ভালোবাসা'......

 ১৯৯৩ সালের সাড়া জাগানো 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত' সিনেমায় অভিনয় করে আপামর দর্শকদের বিমোহিত করেছিলেন নবাগত সালমান শাহ ও মৌসুমী। এই ছবিতেই কন্ঠ সম্রাজ্ঞী রুনা লায়লার সাথে প্লেব্যাকে অভিষেক ঘটে এক তরুণ গায়কের, প্রথম প্লেব্যাকেই বাজিমাৎ। বাংলা সিনেমার গানের জগতে প্রবেশ করলো তারুণ্য যুগ, পরবর্তীতে বেশ কয়েক বছর ধরে প্লেব্যাকে সমধুর কন্ঠে দর্শকদের মুগ্ধ করা এই গায়ক হচ্ছেন আমাদের সবার সুপরিচিত কন্ঠশিল্পী 'আগুন'।


'আমার স্বপ্নগুলো কেন এমন মনে হয়, মনটা কেন বারবার ভেঙ্গে যায়', প্রয়াত  আইয়ুব বাচ্চুর সুরে নিজের লিখা ও কন্ঠে 'কত দু:খে আছি' এলব্যামের এই গানটি গেয়ে নিজের প্রতিভার আরেকবার জানান দিয়েছিলেন তিনি। আধুনিক গানের ইতিহাসে এই গানটি এক ভিন্নমাত্রা যোগ করেছিল।


একাত্তরের মা জননী কিংবা 'পৃথিবীতে সুখ বলে যদি কিছু থেকে থাকে', সিনেমার এই গান গুলো  জায়গা করে নিয়েছে কালজয়ী গানের তালিকায়। প্রথম সিনেমার দারুন সাফল্যের পরেই সালমান শাহর সাথে বেশ জনপ্রিয় জুটি তৈরি হয়। অন্তরে অন্তরে, তুমি আমার, বিক্ষোভ, সুজন সখি, জীবন সংসার সহ সালমানের প্রায় সব ছবিতেই তিনি বেশ কয়েকটি গান করেন।


'মাথায় পড়েছি সাদা ক্যাপ, হাতে আছে অজানা এক রঙিন ম্যাপ', হুমায়ূন আহমেদের 'দুই দুয়ারী' সিনেমার এক অবিস্মরণীয় গান এটি। আগুন জাতীয় পুরস্কার এই গান দিয়েই পেতে পারতেন কিন্তু পান নি। রিয়াজের লিপেই হৃদয়ের আয়না সিনেমার  'কেন আঁখি ছলছল' গানটাও বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। 'মোর প্রিয়া হবে রানী দেবো খোঁপায় তারার ফুল' এর মত ক্ল্যাসিক নজরুল গীতি নিজের কন্ঠের মাধুর্যতায় আপন করে নিয়েছেন। এছাড়া পাগল মন সিনেমার গানগুলো দর্শকমহলে বেশ সাড়া পায়। 


'ও আমার জন্মভূমি' এখনো অনেক রাত সিনেমার এই গানের জন্য বাচসাস পুরস্কার লাভ করেন। এই সিনেমাতেই তিনি প্রথম অভিনয় করেন। পরবর্তীতে ঘেটুপুত্র কমলা, ৭১ এর মা জননী, অমি ও আইসক্রিমওয়ালা ছবিতে অভিনয় করেন। এছাড়া জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক 'রঙের মানুষ' সহ অনেক নাটকেই অভিনয় করেছেন। 


'পুত কইরা দিমু আমি পুত কইরা দিমু' ডিপজলের লিপে এরকম গান গেয়ে সমালোচিতও হয়েছেন। পরপর বেশ কয়েকটা এইরকম গানে কন্ঠ দিয়ে এক সময় গ্রহণযোগ্যতা কমে যেতে থাকে, আর নিজেও অনিয়মিত হয়ে পড়েন প্লেব্যাক থেকে।


বিখ্যাত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব খান আতাউর রহমান ও কন্ঠশিল্পী নীলুফার ইয়াসমিন দম্পতির একমাত্র ছেলে তিনি, কিংবদন্তি গায়িকা সাবিনা ইয়াসমিন সম্পর্কে আপন খালা হন, আর রুমানা ইসলাম বোন হন। ছোটবেলা থেকেই সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে পরিচিত ছিলেন। আশির দশকের শেষে 'স্যাডেন' ব্যান্ডে যুক্ত হন, বছর পাঁচেক পর আবার ছেড়েও দেন। এখন পর্যন্ত ১৩টি এলব্যাম বেরিয়েছে, রবীন্দ্র সঙ্গীত ও গেয়েছেন। বাংলা সিনেমার গানের জগত থেকে ছিটকে পড়া এই গায়ক নিয়ে অনেকেরই আছে আক্ষেপ, আফসোস। 


ছবিতে নব্বই দশকে একটা কনসার্টে গান শোনাচ্ছেন আগুন।


কার্টেসী: হৃদয় সাহা/ বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র


#bdcs #agun #musician #banglahitsong #1990s #itihaserkhojegiridhar #giridhardey #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...