এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫

দর্জি মাস্টারজির শিক্ষা

 দর্জি মাস্টারজির শিক্ষা


গ্রামের এক কোণায় ছিল ছোট্ট দর্জির দোকান। নাম মাস্টারজি। কাপড় কাটতে, জামা সেলাই করতে তার জুড়ি নেই। কিন্তু একটাই সমস্যা ছিল— দামি কাপর দেখলেই লোভে তার চোখমুখ লাল  হয়ে উঠত ।  গ্রামবাসীর কাছ থেকে যত দামি কাপড় পায়, অর্ধেক চুরি করে ফেলতো ।এতে  গ্রামের লোকজন ক্ষুব্ধ হলেও মুখ ফুটে কিছু বলত না।


একদিন মনীষ নামে এক যুবক  এসে হাজির হল মাস্টারজির দোকানে। শহর থেকে আনা নীলাম্বরী কাপড়টা মাস্টারজির দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, “মাস্টারজি, একটা জামা বানিয়ে দেন তো!”


মাস্টারজি মাপ নিলেন, কিন্তু কাপড় দেখে চোখ চকচক করে উঠলো। ভেতরে ভেতরে লোভে কাঁপছেন। মুখে বললেন, “ভাই, এতে তো অর্ধেক জামাও হয় না! কে ঠকিয়েছে তোমায়!”


মনীষ বললেন, “ তা করে সম্ভব । কী বলছেন আপনি? এটা পুরো দাম দিয়ে কিনেছি তো!”


মাস্টারজি মিষ্টি সুরে বললেন, “চিন্তা কইরো না, আমার স্টক থেকে কাপড় জুড়ে দিই। ইউনিক ডিজাইন হবে, আর দামও নেব না বেশি!” মনীষ রাজি হয়ে গেল।


কিছুক্ষণ পরেই মাস্টারজি জামা বানিয়ে দিলেন—নীলাম্বরীর অর্ধেক চুরি, বাকিটা পুরনো কাপড়ের কোলাজ! মনীষ খুশি হয়ে জামা নিয়ে চলে গেল। অথচ মাস্টারজি বাকি কাপড়ে বাচ্চাদের জামা সেলাই করে দোকানে টাঙিয়ে দিলেন। বিক্রিও হয়ে গেল দু’দিনে!


ওদিকে মনীষ বাড়ি ফিরে নতুন জামা পরে বের হলো হাঁটতে। হঠাৎ রাস্তায় কয়েক যুবক হাসতে শুরু করল। একজন ইঙ্গিত করল, “দেখো ভাই, ‘ফ্যাশন’ এসেছে গাঁয়ে!” আরেকজন ঠাট্টা করে বলল, “ফ্যাশন না, বোকা বানানো! নিশ্চয় দর্জির কাজ?”


মনীষের গাল লাল হয়ে উঠল। “কী বলছো?”


“ওই দর্জি তো সবার কাপড় চুরি করে! অর্ধেক লুকিয়ে ফেলে, বাকিটা ঝুলি থেকে জোড়া লাগায়। বাকি কাপড়ে বাচ্চাদের জামা বানিয়ে বিক্রি করে। দেখো না, দু’দিন পরেই কোনো ছেলের গায়ে তোমার জামার ডিজাইন দেখতে পাবে!”


মনীষ আগুন হয়ে গেল! “দর্জিকে কেন কেউ কিছু বলে না?”


“কে শোনে? ও তো চালাকি করে চুরি, জোর করে ছিনতাই না। আমরা তো আর ওর দোকানে যাই না!”


মনীষ দাঁত কড়মড় করে বলল, “একে শিক্ষা দিতে হবে!”


পরদিনই মনীষ ফের দর্জির দোকানে গেল। চোখেমুখে আনন্দের ছাপ নিয়ে বলল , “মাস্টারজি, শহরে সবাই আপনার জামার পাগল! তিনশো জামা চাই—তিন সাইজে। আমি বিক্রি করে দেব। কমিশন আপনি রাখবেন!”


মাস্টারজির মুখে হাসি ফুটল। পুঁজি, সমস্ত সঞ্চয় ঢেলে তিনশো জামা সেলাই শুরু করলেন। রাত জেগে, দিন দিন জেগে। পনেরো দিনে সব শেষ করলেন!


কিন্তু মনীষ আর আসে না। তিনদিন পর দর্জি খুঁজতে বেরোলেন। গ্রামের মোড়ে ধরে ফেললেন মনীষকে। “জামা তৈরি, কই নিবেন?”


মনীষ ঠোঁট উল্টে বলল, “কোন জামা? আমি তো আপনাকে চিনি না!”


মাস্টারজির মাথা ঘুরে গেল। “সর্বনাশ! আমার সব টাকা ডুবে গেল!”


“চুরির টাকা ডুবলে ক্ষতি কী? আপনি তো সবার কাপড় চুরি করেছেন, এবার নিজের টাকাটাও ডুবল!”


মাস্টারজি হাত তোলামাত্রই লোকজন জড়ো হলো। পঞ্চায়েত ডাকা হলো।


পঞ্চায়েতের মুখ্য ব্যক্তি বললেন মাস্টারজিকে, “ আপনার কাছে কি প্রমাণ আছে মনিষ আপনাকে অর্ডার দিয়েছিল । ও তো আগে কোন টাকা দেয়নি ।”


মাস্টারজি কাঁদতে লাগলেন, “মিথ্যা বলিনি, সাহেব!”


“তোমার অসততার অভিযোগ অনেক। মনীষ নির্দোষ। যাও, পঞ্চায়েতের নির্দেশ তিনশো জামা অর্ধেক দামে দিতে হবে।”


মাস্টারজি মাটিতে বসে পড়লেন। চোখে জল, কণ্ঠে অনুনয়, “ক্ষমা করুন সকলে। আর কখনো...!”


গ্রামবাসীরা কিনে নিল জামা। মাস্টারজির দোকানে এখন সত্যিকারের সততা। মনীষের চোখেও একফোঁটা জল—শিক্ষা হয়ে রইল গোটা গ্রামে।


নীতিকথা: লোভ মানুষকে অন্ধ করে দেয়, আর সততা হারালে সমাজের বিশ্বাসও হারায়। ঠকানোর ফন্দি শেষ পর্যন্ত ঠকায় নিজেকেই।


#collected 


#everyonefollowers 


#followersreelsfypシ゚viralシfypシ゚viralシalシ 


#সংগৃহীত 

#niosnews #motivationalstory #inspirational #inspirationalstory #inspiration #motivationalquotes #motivational #motivation

শুক্রবার, ৭ মার্চ, ২০২৫

সুজি তো সবার ঘরেই থাকে। সুজি দিয়ে মজার মজার কয়েকটি পিঠার রেসিপি শেয়ার করছি-

 সুজি তো সবার ঘরেই থাকে। সুজি দিয়ে মজার মজার কয়েকটি পিঠার রেসিপি শেয়ার করছি--📌📌📌


🔸🔸সুজির গোলগুল্লা🔸🔸


✍️উপকরণঃ

▪️সুজি ২ কাপ 

▪️ডিম - ২ টা 

▪️বেকিং পাউডার -আধা চা চামচ

▪️চিনি- আধা কাপ

▪️এলাচ গুড়া ১/২ চা চামচ 

▪️লবণ সামান্য

▪️তেল- ভাজার জন্য 


👉প্রস্তুত প্রণালিঃ

▪️একটি পাত্রে সুজি, ডিম, চিনি, এলাচ গুড়া, বেকিং পাউডার ও লবণ  নিয়ে মিশিয়ে ডো তৈরি করে নিন।১০ মিনিট ঢেকে রেস্টে রাখুন। 


▪️চুলায় প্যান বসিয়ে তেল গরম করে গোল চামচ দিয়ে ডো থেকে সমান পরিমান করে যতটা সম্ভব গোলা শেইপ করে তেলে ছাড়ুন। অল্প আঁচে সময় নিয়ে হালকা সোনালী করে ভেজে নিন। খেয়াল রাখতে হবে, যেন পিঠা বেশি ভাজা না হয়। বেশি ভাজলে গোল্লা শক্ত হয়ে যাবে।

▪️সুজির গোলগোল্লা এভাবেও খাওয়া যায় ,আবার চাইলে চিনির পাতলা সিরায় দিয়েও খাওয়া যায়।


-----//------------//------------//---------


🔸🔸সুজির বিস্কুট পিঠা🔸🔸


✍️উপকরণঃ

▪️সুজি- ১ কাপ

▪️গুঁড়া দুধ- ৪ টেবিল চামচ

▪️চিনি- ১/২ কাপ

▪️লবণ- স্বাদ মত

▪️ঘি- ১ চা চামচ

▪️তেল- ভাজার জন্য


👉প্রস্তুত প্রণালীঃ

▪️একটি পরিষ্কার পাত্রে ডিম, চিনি, লবণ ও ঘি নিয়ে ভালোভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে। এরপর তাতে সুজি ও গুঁড়া দুধ মিশিয়ে ভালোভাবে মেখে নিন। ডিমের গন্ধ দূর করার জন্য ভ্যানিলা এসেন্স বা এলাচের গুঁড়া মেশাতে পারেন। ডো তৈরি করা হয়ে গেলে মিনিট পাঁচেকের জন্য এভাবে রেখে দিন।


▪️তৈরি করা ডো থেকে অল্প করে নিয়ে হাতের তালুতে চেপে চেপে পছন্দমতো শেপ দিয়ে তৈরি করে নিন। এভাবে সবগুলো তৈরি করে নিন। এরপর চুলায় কড়াই বসিয়ে তাতে পরিমাণমতো তেল দিন। তেল গরম হলে তাতে পিঠাগুলো ছেড়ে দিন। আঁচ কমিয়ে সময় নিয়ে ভাজুন। বাদামী রং হয়ে এলে নামিয়ে পরিবেশন করেন। এটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় দুইদিন পর্যন্ত ভালো থাকে।


-------//-----------//----------//----------


🔸🔸সুজির রসভরি🔸🔸


✍️উপকরণঃ

▪️সুজি ২ কাপ 

▪️ডিম - ২টি 

▪️বেকিং পাউডার -আধা চা চামচ, 

▪️চিনি- এক কাপ, 

▪️দুধ- ২ লিটার,

▪️পেস্তা, কাঠবাদাম ও কাজু বাদাম পেস্ট ২ টে চামচ

▪️তেল- ভাজার জন্য 


👉প্রস্তুত প্রণালিঃ


👉সুজির গোল্লার জন্য-

▪️একটি পাত্রে সুজি, ডিম, দুই টেবিল চামচ চিনি, বেকিং পাউডার নিয়ে মিশিয়ে ডো তৈরি করে নিন। 


▪️চুলায় প্যান বসিয়ে তেল গরম করে গোল চামচ দিয়ে ডো থেকে সমান পরিমান করে যতটা সম্ভব গোলা শেইপ করে তেলে ছাড়ুন। হালকা করে ভেজে তুলে ফেলতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, যেন পিঠা বেশি ভাজা না হয়। বেশি ভেজে শক্ত করে ফেললে ভেতরে দুধের সিরা ঢুকবে না।


👉দুধের সিরা তৈরি-

▪️পাতিলে ২ লিটার দুধ জ্বালিয়ে ১ লিটার করে নিন। এবার দুধে এক কাপ চিনি ও বাদাম পেস্ট মিশিয়ে আরো কিছুক্ষণ নাড়ুন।

এবার, তেলে ভেজে রাখা পিঠাগুলো ধীরে ধীরে দুধে দিয়ে দিন এবং ২০ মিনিটের জন্য ঢেকে রাখুন।


▪️২০ মিনিট পর দেখুন পিঠাগুলো ফুলে দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এবার ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন সুস্বাদু দুধে ভেজানো সুজির রসভরি পিঠা।


--------//------//-------//---------//-------


🔸🔸সুজি ও ডিমের ঝাল পিঠা🔸🔸


✍️উপকরণঃ

▪️সুজি- ১ কাপ

▪️ময়দা- আধা কাপ 

▪️ধনিয়ার গুঁড়া- ১ চা চামচ

▪️জিরার গুঁড়া- ১ চা চামচ

▪️হলুদের গুঁড়া- আধা চা চামচের কম

▪️মরিচের গুঁড়া- আধা চা চামচ 

▪️কাঁচামরিচ কুচি- স্বাদ মতো 

▪️পেঁয়াজের মিহি কুচি- ১ টেবিল চামচ

▪️লবণ- স্বাদ মতো

▪️ডিম- ২টি   

▪️তেল- ভাজার জন্য


👉যেভাবে করবেনঃ 

একটি বাটিতে ডিম বাদে বাকি সব উপকরণ মিশিয়ে নিন। অল্প অল্প কুসুম গরম পানি মিশিয়ে ব্যাটার তৈরি করুন। ডিম দিয়ে দিন মিশ্রণে। বিটার দিয়ে পুরো মিশ্রণটি ভালো করে ফেটান। একদম মিহি হবে মিশ্রণ। খুব বেশি ঘন বা পাতলা হবে না। 

একটি গভীর প্যানে তেল গরম করুন। বড় চামচে ব্যাটার নিয়ে গরম তেলে দিয়ে দিন। আশেপাশে থেকে তেল উঠিয়ে পিঠা ওপর দেবেন। এতে ফুলে উঠবে পিঠা। এক পাশ ফুলে উঠলে উল্টে দিন। এভাবে ভেজে তুলুন সব পিঠা। পরিবেশন করুন গরম গরম।


--------//-----------//----------//---------


🔸🔸সুজির পাকন পিঠা🔸🔸


✍️উপকরণঃ

👉ডো তৈরীতে লাগছে –

▪️ দুধ ২ কাপ

▪️লবণ ০.৫ চা চামুচ

▪️সুজি ১ কাপ

▪️ ময়দা ০.৫ কাপ

▪️বেকিং পাউডার ০.৫ চা চামুচ

▪️ডিমের কুসুম ১ টি

▪️মথার সময় ১ টেবিল চামুচ ঘি


👉সিরা তৈরী করতে লাগছে –

▪️ চিনি ২ কাপ

▪️পানি ২ কাপ

▪️ছোটো এলাচ ৩টি

▪️দারুচিনি ২ টুকরো


👉যেভাবে করবেনঃ

সিরার সব উপকরণ চুলায় জ্বাল দিয়ে  নামিয়ে রাখুন।

চুলায় দুধ বসিয়ে দিন ফুটে উঠলে চিনি দিয়ে সুজি দিয়ে আস্তে আস্তে নেড়ে দুধ শুকিয়ে গেলে ময়দা দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে, রুটির গোলার মত হবে।

ঠান্ডা হলে ডিম আর ঘি দিয়ে ভালো করে ময়ান করে ডো বানাতে হবে।  ডো হতে সমপরিমান ডো নিয়ে পিঠা বানিয়ে নিন ইচ্ছে মত শেইপে।পিঠার ছাঁচ বা হাতেও কাঁটাচামচের পছন্দমত নকশা করা যায়।

মাঝারি আঁচে সময় নিয়ে ডুবো তেলে ভাজতে হবে। সিরা হালকা গরম অবস্থায় পিঠাগুলো সিরায় দিতে হবে।

পিঠায় সিরা ঢুকলে পিঠা সিরায় ডুবে যাবে,তখন তুলে ফেলতে হবে।

এবার পরিবেশন করুন মজাদার মিষ্টি সুজির পাকন পিঠা।


রেসিপি ভালো লাগলে শেয়ার করে রাখুন আপনার টাইমলাইনে। নতুন নতুন রেসিপি পেতে আমার পেইজে নিয়মিত লাইক কমেন্ট ও ফলো দিয়ে সাথে থাকুন। ❤️

শিক্ষক দের শাসন এর নীতিমালা।  মাদরাসার ওস্তাদদের জন্য বিশেষত  হিফজ বিভাগের ওস্তাদদের জন্য অত্যন্ত জরুরী,,,,, বাংলাদেশ হিফজ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড

 শিক্ষক দের শাসন এর নীতিমালা। 

মাদরাসার ওস্তাদদের জন্য বিশেষত 

হিফজ বিভাগের ওস্তাদদের জন্য অত্যন্ত জরুরী।


শিশুদেরকে প্রহার করার বৈধতা কতটুকু।


বেত, লাঠি ইত্যাদি দিয়ে শিশুদেরকে প্রহার করা জায়িয নয়। হাত দিয়ে মৃদুভাবে শাসন করা যায়। কিন্তু তা-ও একসাথে তিনবারের বেশী জায়িয নয়।


এ ব্যাপারে হাদীসে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে–


قال علیہ الصلاة والسلام لمرداس المعلم:”إیاک أن تضرب فوق الثلاث؛ فإنک إذا ضربت فوق الثلاث اقتص اللہ منک“ اھ إسماعیل عن أحکام الصغار للأستروشني


হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) হযরত মিরদাস (রা.) কে (যিনি বাচ্চাদের পড়াতেন) উদ্দেশ্য করে বলেন–“খবরদার! বাচ্চাদেরকে তিনের বেশি মারবে না। কেননা, যদি তুমি তিনের বেশি মারো, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত দিন তোমার থেকে তার ক্বিসাস বা বদলা নিবেন।” (হাশিয়া ইবনে আবিদীন-রদ্দুল মুহতার, ১ম খণ্ড, ৩৫১ পৃষ্ঠা/ ই‘লাউস সুনান, ১০ম খণ্ড, ২৫২ পৃষ্ঠা)


তেমনি ফাতওয়ার কিতাবে এরকমই বলা হয়েছে। দেখুন, হাশিয়া-ইবনে আবিদীন-রদ্দুল মুহতারের ইবারত–


قولہ: ” بید“: أي: ولا یجاوز الثلاث، وکذلک المعلم لیس لہ أن یجاوزھا، قال علیہ الصلاة والسلام لمرداس المعلم:”إیاک أن تضرب فوق الثلاث؛ فإنک إذا ضربت فوق الثلاث اقتص اللہ منک“ اھ إسماعیل عن أحکام الصغار للأستروشني، وظاھرہ أنہ لا یضرب بالعصا في غیر الصلاة أیضاً۔ قولہ: ”لا بخشبة“: أي: عصاً، ومقتضی قولہ: ”بید“ أن یراد بالخشبة ما ھو الأعم منھا ومن السوط، أفادہ ط (رد المحتار، أول کتاب الصلاة، ۲:، ط: مکتبة زکریا دیوبند)


“দুররুল মুখতারে বলা হয়েছে–” بید“ (শিষ্টাচারের জন্য মা-বাবা সন্তানদেরকে হাত দ্বারা মামুলীভাবে প্রহার করতে পারেন,) এক্ষেত্রে উল্লেখ্য হলো– সেটা তিনের বেশী হতে পারবে না। তেমনি শিক্ষকের জন্য জায়িয হবে না তিনবারকে অতিক্রম করা। কেননা, রাসূলুল্লাহ (সা.) হযরত মিরদাস (রা.) কে (যিনি বাচ্চাদের পড়াতেন ) উদ্দেশ্য করে বলেন–“খবরদার! বাচ্চাদেরকে তিনের বেশি মারবে না। কেননা, যদি তুমি তিনের বেশি মারো, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত দিন তোমার থেকে তার ক্বিসাস বা বদলা নিবেন।” এ হাদীসটি ইসমাঈল (রহ.) আল্লামা আস্তুরুশনী (রহ.)-এর “আহকামুস সিগার” কিতাব থেকে উদ্ধৃত করেছেন। এ হাদীসের বাহ্যত নির্দেশনা হলো–নামায ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রেও বেত বা লাঠি দ্বারা প্রহার করা যাবে না। এভাবে দুররুল মুখতারে বলা হয়েছে–”لا بخشبة“ (লাঠির দ্বারা নয়।) এখানে লাঠি বলতে ব্যাপক মাধ্যমকে উদ্দেশ্য করা হয়েছে। তাই লাঠি বা দোররা ইত্যাদি যে কোন জিনিস দ্বারা প্রহার করা নিষিদ্ধ হবে। (হাশিয়া ইবনে আবিদীন-রদ্দুল মুহতার, ১ম খণ্ড, ৩৫১ পৃষ্ঠা)


সেই সাথে এ ব্যাপারে দারুল উলূম দেওবন্দের ফাতওয়া রয়েছে। তার লিঙ্ক নিম্নে প্রদত্ত হলো–


https://darulifta-deoband.com/home/ur/others/156983


দেওবন্দের উক্ত ফাতওয়ার অনুবাদ নিম্নে প্রদত্ত হলো--


শিরোনাম : ছাত্রের শরীরের যে অংশে উস্তাযের বেত লাগে, সেই অংশের উপর কি দোযখের আগুন হারাম হয়ে যায়?


প্রশ্ন--১ :

----------


তালিবে ইলমীর যমানায় দেখতাম, আমাদের শিক্ষক মহোদয় ছাত্রদেরকে খুব পেটাতেন। চামড়ার বেল্ট, হিটারের তার ও বেত দ্বারা প্রহার করতেন। আর এ ব্যাপারে বলতেন--শরীরের যেখানে উস্তাযের আঘাত লাগে, সেই স্থানে দোযখের আগুন হারাম হয়ে যায়। এ কথা কতটুকু সঠিক?


২ :-

----


ছাত্রদেরকে এভাবে যবরদস্তি করে পিটিয়ে অথবা জিঞ্জিরে বেঁধে শাস্তি দেয়া (ঐ ইলম শেখানোর জন্য যা ফরজে কিফায়াহ)--এটা কি জায়িয হবে? 


উল্লিখিত প্রশ্ন দু’টির দলীল-প্রমাণ ও বিচার-বিবেচনাভিত্তিক জবাব প্রদান করে বাধিত করে কৃতজ্ঞতার পাশে আবদ্ধ করবেন। এটা বড় ইহসান হবে।


দারুল উলূম দেওবন্দের উত্তর :--

-------------------------------


بسم الله الرحمن الرحيم


কুরআন, হাদীস ও নির্ভরযোগ্য কোনো কিতাবে আমরা এ কথা পাইনি যে, ছাত্রের শরীরের যে অংশে উস্তাযের বেত লাগে, সেই অংশের উপর কি দোযখের আগুন হারাম হয়ে যায়। বরংহযরত নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হযরত মিরদাস (রা.) কে (যিনি বাচ্চাদের পড়াতেন ) উদ্দেশ্য করে বলেন--


 إیاک أن تضرب فوق الثلاث؛ فإنک إذا ضربت فوق الثلاث اقتص اللہ منک


“খবরদার! বাচ্চাদেরকে তিনের বেশি মারবে না। কেননা, যদি তুমি তিনের বেশি মারো, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত দিন তোমার থেকে তার ক্বিসাস বা বদলা নিবেন।” (হাশিয়া ইবনে আবিদীন-রদ্দুল মুহতার, ১ম খণ্ড,  ৩৫১ পৃষ্ঠা/ ই‘লাউস সুনান, ১০ম খণ্ড, ২৫২ পৃষ্ঠা)


ফিকাশাস্ত্রবিদগণ এই হাদীসের আলোকে বলেছেন, শিষ্টাচার শিক্ষা দেয়ার জন্য উস্তাদ হাত দ্বারা হালকা-মোলায়েমভাবে বাচ্চাদেরকে মারতে পারবেন। কিন্তু এক‌ সময়ে তিনবারের বেশি মারবেন না এবং বেত, লাঠি, ডান্ডা, কোড়া ও চামড়ার বেল্ট ইত্যাদি দিয়ে কখনো মারবেন না। শরীয়তে তার অনুমতি নেই। চাই সেটা ফরজে আইনের ইলম হোক বা ফরজে কিফায়াহ পর্যায়ের ইলম হোক। তেমনিভাবে মা-বাবাও শিষ্টাচারিতার জন্য সন্তানদেরকে শুধু হাত দ্বারা হালকা-পাতলা শাসন করতে পারেন। কিন্তু বেত, লাঠি ইত্যাদি দিয়ে মারতে পারবেন না।


সুতরাং মক্তব ও মাদরাসাসমূহের কিছু উস্তায যে ছাত্রদেরকে জিঞ্জিরে বেঁধে নির্দয়ভাবে মারেন, অথবা বেত, লাঠি, চামড়ার বেল্ট ইত্যাদি দিয়ে মারা কিছুতেই জায়িয হবে না। উস্তাযগণের জন্য এত্থেকে বেঁচে থাকা জরুরী। ছাত্রদেরকে শুধুমাত্র স্নেহ ও মহব্বতের মাধ্যমে তা‘লীম দেয়া কর্তব্য। অথবা হালকা-পাতলা-মামুলী প্রহার বা শাসনের উপর ক্ষান্ত করা উচিত।


قولہ: ” بید“: أي: ولا یجاوز الثلاث، وکذلک المعلم لیس لہ أن یجاوزھا، قال علیہ الصلاة والسلام لمرداس المعلم:”إیاک أن تضرب فوق الثلاث؛ فإنک إذا ضربت فوق الثلاث اقتص اللہ منک“ اھ إسماعیل عن أحکام الصغار للأستروشني، وظاھرہ أنہ لا یضرب بالعصا في غیر الصلاة أیضاً۔ قولہ: ”لا بخشبة“: أي: عصاً، ومقتضی قولہ: ”بید“ أن یراد بالخشبة ما ھو الأعم منھا ومن السوط، أفادہ ط (رد المحتار، أول کتاب الصلاة، ۲:، ط: مکتبة زکریا دیوبند)۔ 


واللہ تعالیٰ اعلم


দারুল ইফতা

দারুল উলূম দেওবন্দ।

ফাতওয়া নং : 305-325/N=4/1439

.

বাড়ির হিসাব 

 বাড়ির হিসাব ✅✅✅

একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট

এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট

এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)

= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই

আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪

অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল

= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি

= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল

= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল

= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি

= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)

= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)

= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি

= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব

ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়

এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট

এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান

= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১

= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১

= ১২০+১

= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)

= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান

= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১

= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১

= ৭২+১

= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)

= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট

=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)

= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)

= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি

= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি

= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)

= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি (৫% বাড়তি ধরে )

= ২.০৬৫ টন


🏤বিল্ডিং সংক্রান্ত যে কোন তথ্যের জন্য ০১৬৮১৫৭৯৮১৬ এই মোবাইল নাম্বারে ফোন করুন। 

🏰আমাদের সার্ভিস সমুহঃ

🛖 সি ডি এ,  সিটি কর্পোরেশন,পৌরসভা এর অনুমোদন

🛖 সয়েল টেস্ট (মাটি পরীক্ষা) 

🛖 প্ল্যান

🛖 আর্কিটেকচারাল ডিজাইন

🛖 স্ট্রাকচারাল ডিজাইন

🛖ইলেক্ট্রিক্যাল ডিজাইন

🛖 প্লাম্বীং & পাইপ ফিটিং ডিটেইলস ডিজাইন

🛖 ইস্টিমেট

🛖 3D এনিমেশন

🛖 সুপারভিশন 

🛖 ভ্যালুয়েশন

🛖 কনস্ট্রাকশন 

🛖পাইলিং 

#plan #building #buildingplan #Emarat #Design #প্ল্যান #বিল্ডিং #ডিজাইন #নকশাঘর #ইমারত #ইঞ্জিনিয়ারিং  #আর্কিটেক্ট #ইঞ্জিনিয়ার #কনস্ট্রাকশন 

#সয়েলটেস্ট #পাইলিং #ঘর #বাড়ি #অনুমোদন 

#civilengineering #engineering #construction #civil #architecture #civilengineer #engineer #building #civilconstruction #civilengineers #ConcreteSolutions

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ০৭-০৩-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ০৭-০৩-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


সংস্কারের ওপর নির্ভর করে চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের মার্চের মধ্যে দেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে - বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানালেন প্রধান উপদেষ্টা।


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলির বিশেষ উপদেষ্টা টবি ক্যাডম্যানের জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলা হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে পাঠানোর আহ্বান। 


মব জাস্টিস বন্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির প্রয়োজনের ওপর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার গুরুত্বারোপ।


পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরে নৌযানে বাড়তি ভাড়া আদায় ও অতিরিক্ত যাত্রী বহনের অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা - জানালেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা।


আগামী ১৪ তারিখ থেকে অনলাইনে ঈদ-উল-ফিতরের আগাম টিকেট বিক্রি শুরু করবে রেলওয়ে। 


অর্থ পাচার মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাস পেলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। 


শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার জন্য আগামী সপ্তাহে সৌদি আরবে মিলিত হবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেন।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৬-০৩-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৬-০৩-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


সংস্কারের ওপর নির্ভর করে চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের মার্চের মধ্যে দেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে --- বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জানালেন প্রধান উপদেষ্টা।


ভ্যাটিকান সিটিতে অনুষ্ঠেয় বিশ্ব মানবিক ভ্রাতৃত্ববোধ সংক্রান্ত সম্মেলনে যোগ দিতে অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানালেন ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস।


মব জাস্টিস বন্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির প্রয়োজনের ওপর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার গুরুত্বারোপ।


পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরে নৌযানে বাড়তি ভাড়া আদায় ও অতিরিক্ত যাত্রী বহনের অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা --- জানালেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা।


অর্থ পাচার মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাস পেলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


 জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদসহ ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।


প্রাণঘাতি অস্ত্রের বিস্তার ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে শক্তিশালী  প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়তে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি জাতিসংঘ মহাসচিবের আহ্বান ।


এবং ঢাকা প্রিমিয়ার লীগ ক্রিকেটে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব-আবহানী লিমিটেড ও পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাব নিজ নিজ খেলায় জয়ী।

গরীবেরা হা*গতে যায়, মধ্যবিত্তরা টয়লেটে যায় আর বড়লোকেরা ওয়াশরুমে যায়

 গরীবেরা হা*গতে যায়, মধ্যবিত্তরা টয়লেটে যায় আর বড়লোকেরা ওয়াশরুমে যায়। ইদানিং একটু শিক্ষিত মধ্যবিত্তরা জাতে উঠার জন্য ওয়াশরুমে যায়। আর বড়লোকেরা এটা সহ্য করতে না পেরে এখন রেস্ট রুমে যায়। এই পায়খানা/টয়লেট/ওয়াশরুম/রেস্ট রুম নিয়ে আমার বিস্তর অভিজ্ঞতা আছে। 


আমার লাইফের টাইমলাইন যদি তিনটা ভাগ করি তবে প্রথমভাগ কেটেছে গ্রামে, দ্বিতীয় ভাগ ঢাকায়, তৃতীয় ভাগ দেশের বাইরে। এই তিনভাগে বিভক্ত জীবনে অনেক কিছু দেখার বুঝার অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেই আলোকে আজ আমি লিখবো প্রবন্ধ, 

টয়লেট- এক প্রেম কথা। 


একদম শুরুতে গেলে আমি দেখি গ্রামে আমাদের বাড়ির পশ্চিমদিকে বাঁশঝাড়ের পাশে টিনের বেড়া দেয়া ঢালুর উপরে মাচার মতন করা একটা দুর্বল টয়লেট। যার সামনে চটের বস্তার পর্দা দেয়া। ঢালুতে মাচার উপরে বলতে মাটি থেকে একটা বাঁশের সাঁকো গেছে সেই মাচা পর্যন্ত। মাচাটা আপাত শূন্যে ঝুলে আছে মনে হলেও এটি চারটি বাঁশের খুঁটিতে ভর দিয়ে থাকে। যেটাকে বলে ঝুলন্ত টয়লেট।


যেহেতু টয়লেটে কোন দরজা নেই, সেহেতু কেউ আশেপাশে আসলে বা আসছে মনে হলে টিনের বেড়ায় একটু শব্দ করতে হয় নইলে খুক খুক করে একটু কাশতে হয়। 


মাচার দুই কাঠের মাঝে একটা বড় ফাঁকা। সেখান দিয়েই মূলত প্রাকৃতিক কর্ম সাঁই করে নেমে গিয়ে নিচে পড়তো। আপনি টাইম কাউন্ট করলে দেখা যাবে নির্গত হওয়া এবং নিচ থেকে শব্দ রিটার্ন আসার মধ্যে পাঁচ সেকেন্ডের ব্যবধান আছে। এই পদ্ধতিতে সাধারণত শব্দ তরঙ্গ দিয়ে সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয়। আমি টয়লেটের গভীরতা মাপছি। 


আচ্ছা এই পাঁচ সেকেন্ডের ব্যবধান থেকে আপনারা কি অনুমান করতে পারছেন টয়লেটটির গভীরতা কত ছিলো? আচ্ছা সহজ করে দিচ্ছি, নিচে মাটি থেকে প্রায় বিশ ত্রিশ ফুট উঁচুতে ছিলো টয়লেট। আসলে নিচে মাটি ছিলো না, ছিলো হাজার বছরের এক হলদেটে সমুদ্র। 


ভুল বললাম, হাজার বছর না। প্রতিবছর বন্যায় হলদেটে সমুদ্রটা ধুয়ে মুছে যায়। বন্যার সময়টা সুন্দর। দুই কাঠের ঐ ফাঁকটা দিয়ে নিচে তাকালে দেখা যায় পানির স্রোত। আগে কর্মটি নিচে পড়লে যে শব্দ হতো, তেমন শব্দ হয় না। পানিতে টুপ করে একটা শব্দ হয়, তারপর স্রোতে ভেসে যায়। নিচে মাছেরা অপেক্ষা করে কখন আসবে দ্বিতীয় লট। লট আসা মাত্রই মাছেদের কাড়াকাড়ি শুরু হয়ে যায়। আপনি উপরে বসে দিব্যি এই খেলাটি অবলোকন করতে পারবেন। 


বন্যার সিজনে প্রতিদিন পানি বাড়ে। পানি কাছাকাছি উঠে আসলে স্রোত বাড়ে। লট পড়া মাত্রই স্রোতে ভেসে যায়, মাছেদের খেলা দেখা যায় না। পানি কাছে থাকায় উলটা ভয় লাগে মাছেরা কখন আবার লট আসতে দেরী হলে ফ্যাক্টরিতে হামলা করে বসে। 


পরদিন সকাল বেলায় দেখা যায় টয়লেট ডুবে গেছে পানিতে। সেটা এক দুঃসময়। বাড়ির উঠোনের আশেপাশে অস্থায়ী টয়লেট করা হয়। সেটাও ডুবে গেলে ঘরের পেছনদিকে গিয়ে নীরবে কর্ম সারতে হয়। কেউ কেউ গলা পানিতে নেমেও সেরে ফেলে। তখন কর্মটি নিচে যায় না, টুপ করে ভেসে উঠে। 


আমি তখন ছোট। ঐটা ছিলো বড়দের টয়লেট। আমার সেখানে যাবার অনুমতি ছিলো না। দুই কাঠের ফাঁক দিয়ে পড়ে হলদেটে সমুদ্রে ডুবে যাবার সমূহ সম্ভাবনা ছিলো। আমাকে বাড়ির আশেপাশে কোথাও বসিয়ে দেয়া হতো খোলা আকাশের নীচে। কর্ম শেষ হলে দাদা কোদাল দিয়ে চেঁছে কর্মটুক নিয়ে বাড়ির পাশে ঝোপে ফেলে দিতেন। 


ঝুলন্ত টয়লেটের আমার তেমন অভিজ্ঞতা নাই। যেটুকু অভিজ্ঞতা গ্রামের আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে গিয়ে। আমাদের বাড়িতে আমি ছোট থাকতেই পাকা টয়লেট তৈরী করা হলো। আমাকে খোলা দুনিয়া থেকে জোর করে বদ্ধ ঘরে পাঠানো শুরু হলো। 


গ্রামের মানুষের একটু শুচিবাই ছিলো। এরা ঘরের আশেপাশে টয়লেট রাখতো না। শহরে যে ঘরের ভিতরে টয়লেট এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিস্তর হাসাহাসি চলতো। টয়লেট থাকতো বাড়ির শেষ মাথায় ঝোপঝাড়ের দিকে, যেদিকটায় মানুষের আনাগোনা কম। আমাদের পাকা টয়লেটটিও তেমনি বাড়ির পেছনদিকে করা হয়েছিলো। 


আমরা রাত হবার আগেই চেষ্টা করতাম কর্ম সাধন করিয়া ফেলিতে। গ্রামে বিদ্যুৎ ছিলো না। যেদিন রাত্রে দুদ্ধজাত খাবার পেটে পড়তো আর অমানুষিক চাপ অনুভব হইতো সেদিন যেনো মনে হইতো আর রক্ষে নেই। হ্যারিকেন বা কুপি নিয়ে টয়লেটে যাওয়া ছিলো ভয়ানক এক ব্যাপার। 


টয়লেটে সাদা চুনকাম করা। দেয়ালে মাকড়সার বাসা করা। তার উপরে থাকতো টিকটিকির উপদ্রব। কর্ম সাধন করিবার মাঝপথে শুনিতাম ঠিকঠিকঠিক। বদমায়েশ এর মধ্যে ঠিক বেঠিক পাইলো কোথায়। তার উপরে ছিলো সাপের ভয়। মনে হইতো এই বুঝি কমোডের পাইপের ভেতর থেকে একটা সাপ এসে ছোবল মেরে দিবে আমার বংশের প্রদীপে। 


টয়লেটে যাবার আগেই পড়তো একটা গাবগাছ। গ্রামে কথিত ছিলো গাবগাছে ভূত থাকে। শুনশান নীরব সেই গাব গাছ পার হবার সময় তওবা পড়তে পড়তে যাইতাম। একটা পাতা ঝড়ার আওয়াজ শুনে কলিজা কেঁপে উঠতো। ভয়ে অমানুষিক চাপ উধাও হয়ে যেতো। দেখা গেলো আধাঘন্টা বসে আছি, চাপ আর আসেনা। পরে একপেট কষ্ট নিয়ে উঠে চলে আসলাম। আধাঘন্টা পর সেই গায়েবী চাপ এসে ঠিকই হাজির। 


শহরে আসার পরে ভূতের ভয় ছিলো না। তবে তখনও সাপের ভয় ছিলো মনে। বংশ প্রদীপটি আগলে রাখতাম। পরে বুঝতে পারলাম সাপের ভয় নেই আর। তবে বিপত্তি ঘটতো রাত্রে। টয়লেটের পেছনদিকে ভেন্টিলেশনের জানালা ছিলো। মনে হতো কোন একটা কালো পশমী হাত এসে এক্ষুণি ঘাড়ে সুড়সুড়ি দিবে। কর্ম শেষে দৌড়ে বের হলে মনে হইতো যেন বহু বছর নির্বাসনে থাকিবার পরে আমি সভ্যতায় এসে পৌঁছেছি। 


বড় লোকের এক আজিব টয়লেট ছিলো। যেটাকে হাই কমোড বলে। বিশ্বাস করবেন না প্রথমবার হাইকমোড ওয়ালা টয়লেটে যে আমার কি এক অবস্থা হয়েছিলো। ঢাকার অভিজাত এলাকায় এক বড়লোক আত্মীয়র বাড়ি বেড়াতে গেছি। বয়স তখন নয় কি দশ। সেখানে গিয়ে টয়লেটে ঢুকে আমি তো অবাক। টয়লেট এতো সুন্দর হয় আমার ধারণা ছিলো না এর আগে। 


আমাদের ঢাকা শহরে মধ্যবিত্তের ঘরে গোসলখানা আর টয়লেট একসাথে। গোসলখানার শেষ মাথায় একটু উঁচুতে কমোড। পাশে একটা কল। নতুন বাড়িতে স্টিলের কল, একটু বয়স্ক বাড়িতে স্টিলেরটা নষ্ট হলে প্লাস্টিকেরটা লাগায়। সেটা বছরের পর বছর বদল হয়ে প্লাস্টিকই লাগানো হয়। তার নিচে থাকে সরু নল ওয়ালা বদনা। আর একদম পেছনের দেয়ালে আরামে হেলান দিয়ে থাকে টয়লেট পরিষ্কার করার একটা ব্রাশ। 


বড়লোকের টয়লেটে প্রথমবার গিয়ে দেখি মিষ্টি মিষ্টি ঘ্রাণ। পানি নিতে যেয়ে দেখি কোন বদনা নাই। বড়লোকেরা কি তবে শুটকি ধোয় না?

পড়লাম মহাচিন্তায়। টিস্যু আছে যদিও। কি এক মেহেরবানি ঠিক এমনি সময়ে আমার চোখে পড়লো একটা সরু নলের মতো পাইপ। তার মাথায় একটা কলের মত বসানো। চাপ দিতেই দেখি পানি বের হয়। খুশিতে আমি গদগদ হয়ে গেলাম। 


এবার পড়লাম আরেক মহা মুশকিলে। এই হাই কমোডে আসলে কেমনে কি করে? তার উপরে আবার দুইটা ঢাকনা। একটা উঠাইলে আরেকটা ফ্রেমের মত। আমি চিন্তায় পড়ে গেলান এই ফ্রেমের উপরে বসে নাকি ফ্রেম উঠায় বসে নাকি এখানে বসে না?

কূল কিনারা না পেয়ে আমি উঠে দেশী স্টাইলে উঠে গেলাম কমোডের উপরে। ভেবে দেখুন তো, একটা লোক হাই কমোডে দেশী স্টাইলে উঠে বসে আছে। 


কোন এক পন্ডিত লিখিয়াছিলেন,“ওহে মহাজ্ঞানী,  কর্ম করিয়া ঢালিও পানি।” কর্ম শেষে আমি পানি ঢালিবার উপায় পাই না। এইযে হলদেটে আহাম্মকটি ভাসিতেছে, কেহ যদি আসিয়া তাহাকে দেখিয়া ফেলে এবং হাসিতে হাসিতে সবাইকে বলিয়া দেয় আমার ইজ্জত বলিতে কি কিছু রহিবে?


মাথায় আসলো নিশ্চয়ই কোন ব্যবস্থা আছে। ফ্ল্যাশের বাটন দেখি, কিন্তু চাপতে ভয় লাগে। কিছু একটা হইয়া যায় যদি! বড়লোক আত্মীয় কি আমার ক্ষমা করিবে?

আমি ভয়ে ভয়ে ফ্ল্যাশের হ্যান্ডের চাপি। আস্তে চাপ দেয়ায় ফোঁসফোঁস করে হাওয়া বের হয়। আমি ভয় পাইয়া যাই। পানির কানেকশনের লাইনটা ঘুরাই, কাজ হয় না। এরপরে চোখ বন্ধ করে ফ্ল্যাশে একটু জোড়ে চাপ দিতেই ভুরভুর করে পানি এসে সব নিয়ে গেলো। আমার মুখে সে কী অমলিন হাসি! 


এরপরে কত প্রযুক্তির টয়লেট দেখা হলো জীবনে। প্লেনের টয়লেটগুলা যেমন একটা আজব জিনিস। কাজ শেষে সুইচ চাপলে কয়েকসেকেন্ড পরে ভুস করে বাতাস এসে সব নিয়ে যায়। কোন পানির কারবার নাই। এখন আবার নতুন ফ্ল্যাশ আসছে উন্নত দেশগুলায়। সুইচ চাপতে হয় না। সেন্সর করা, কর্ম শেষে সেন্সরে টাচ করলে অটোমেটিক ফ্ল্যাশ হয়ে যায়। 


আবার এদেশে (ফ্রান্সে) রাস্তায় বুথের মত পাললিক টয়লেটগুলায় সুইচ চাপলে দরজা খুলে। অটোমেটিক আটকায়। কাজ করবেন। সুচ চেপে দরজা খুলে বেড়িয়ে যাবেন। এরপরে দরজা লাগবে। সমস্ত টয়লেটটা পানি ছেড়ে পরিষ্কার হবে অটোমেটিক। কত মানুষ দেখলাম অপেক্ষা না করে একজন বের হবার সাথে সাথেই ঢুকে যায়। টয়লেট পরিষ্কার হবার টাইম দেয় না। বেকুবেরা গোসল করে বের হয়।


প্রযুক্তি এখন আরও এক কাঠি সরেস। গুগলে Toilet near me লিখে সার্চ করলে আশেপাশের লোকেশনে পাবলিক টয়লেট শো করে। আমার শো করে টয়লেটে যেতে কতটুক পথ, কত মিনিট সময় লাগবে। যুগে যুগে পালটে যাচ্ছে মানুষের ধ্যান ধারণা। উন্নতির ছোঁয়া লাগছে শহর বন্দর গ্রাম সবখানে। 


অথচ এখনো আমার একটা শখ আছে। বর্ষাকালে ঝুলন্ত টয়লেটে যাবার শখ। মাছেদের সাথে খেলার শখ। দুর্ভাগ্য আমাদের গ্রামে এখন আর কোন ঝুলন্ত টয়লেট নাই। আশা করি কোন এক বর্ষায় এমন একটা সুযোগ আসবে, স্বপ্ন পূরণ হবে। নইলে আমি হেলানো কোন গাছের ডালে উঠে যাবো। তারপর আমি মাছেদের সাথে খেলবো।  

  

©

গিটার পরিচিতি: তারুণ্যের প্রথম পছন্দের মিউজিক ইন্সট্রুমেন্ট।

 গিটার পরিচিতি: তারুণ্যের প্রথম পছন্দের মিউজিক ইন্সট্রুমেন্ট।



গিটার বহুল পরিচিত ও প্রচলিত একটি বাদ্যযন্ত্র। এটি মূলত ৬ তার বিশিষ্ট। গিটার প্রধানত তিন প্রকার। যেমনঃ স্প্যানিশ গিটার, হাওয়াইয়ান গিটার ও বেইজ গিটার। এছাড়াও স্প্যানিশ গিটারের মধ্যেও প্রকারভেদ রয়েছে যেমন ক্লাসিক্যাল, একিউস্টিক ও ইলেকট্রিক।


মূলত গিটার বলতে স্প্যানিশ গিটারকেই আমরা প্রথমে চিন্তা করি, যাতে ফ্রেট থাকে এবং রিদম অথবা লিডের মাধ্যমে বাজাতে হয়। আধুনিক রক এবং মেটাল গান মূলত গিটারের উপর প্রতিষ্ঠিত।


হাওয়াইয়ান গিটারে স্প্যানিশ গিটারের মতো ফ্রেট থাকে না এবং একে রিদম দিয়ে বাজানো যায় না। এই গিটার বাজাতে হলে কোলের ওপর রেখে একটি স্টিলের তৈরি স্লাইডিং মেটাল বার্ এর মাধ্যমে বাজাতে হয়।


বেস গিটার এক প্রকারের ইলেকট্রিক গিটার যা ৪টি তার বিশিষ্ট। বেস গিটারের তারগুলো অন্যান্য গিটারের তুলনায় অনেক মোটা হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে সঙ্গীতের পটের অন্তরালে একটি গম্ভীর সুরের আবহ দেয়া হয়।


একিউস্টিক গিটারের অংশগুলো হল বডি(Body), সাউন্ড হোল(Sound hole), ফ্রেট বোর্ড(Fret Board), নেক(Neck), ব্রিজ(Bridge), হেডস্টক(Headstock)। এর তারগুলো ধাতুর তৈরি। এ গিটারের শব্দ তৈরি হয় সাউন্ড হোল এর মাধ্যমে। তারের কম্পন বডির ভেতর প্রতিধ্বনিত হয়ে সাউন্ড হোল এর মাধ্যমে প্রকাশ পায়। কিছু একোস্টিক গিটারের বডির অভ্যন্তরে পিক-আপ থাকে, যা দিয়ে এমপ্লিফায়ারের সহায়তায় এর ধ্বনিকে বর্ধিত করা যায়।


ক্লাসিক্যাল গিটার দেখতে অনেকটা একিউস্টিক গিটার এ

র মতই, তবে তারগুলো মূলত নাইলনের তৈরি হয়ে থাকে।


ইলেক্ট্রিক গিটারে সাধারণত সাউন্ড হোল থাকে না। এর সুর তৈরি হয় পিক-আপ(Pickup) এর মাধ্যমে। এটি বাজানোর জন্য এমপ্লিফায়ার(Amplifier) অত্যাবশ্যক। প্রসেসর (Processor) এর মাধ্যমে এর সুরে পরিবর্তন আনা যায়।


#highlights #সঙ্গীত #গিটার #fypシ #trend #ঋষণা

বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০২৫

সব মেয়েদের জানা উচিত

 ❌ ফ্লার্ট করা ছেলেদের থেকে ১০০ হাত দূরে থাকুন। আপনি যতটুকু প্রশংসার যোগ্য তার চেয়ে বেশি প্রশংসা যখন কেউ আপনাকে করে, তার সম্পর্কে সাবধান হয়ে যান। ভালো ছেলেগুলো সাধারণত খুব একটা স্মার্ট হয় না। তারা হয়তো বোরিং হয়, কিন্তু তারা কখনো চিট করে না। অন্যদিকে, ফ্লার্ট করা পুরুষ এ্যাট্রাকটিভ হলেও কথার ফাঁদে মেয়েদের সর্বনাশ করাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। এজন্য চেহারা না, চরিত্রের প্রেমে পড়ুন।


❌ সবসময় নিজের গাট ফিলিংসকে প্রাধান্য দিন। দেখে খারাপ মনে হয় না, কিন্তু মন থেকে কেন জানি লোকটাকে পছন্দ হয় না - এমন হলে সেই ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন।


❌ আপনি কালো, শর্ট, মুখে ব্রণ - এগুলা কিচ্ছু না। সৃষ্টিকর্তা আপনাকে যেভাবে বানিয়েছেন আপনি সেভাবেই সুন্দর। আপনার মেধা আর যোগ্যতা দেখে যেন একটা ছেলে আকৃষ্ট হয়, নিজেকে সেভাবে তৈরি করুন। নিজেকে সুন্দর দেখানোর বাসনা মেয়েদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। রূপচর্চায় কম, যোগ্যতা অর্জনে বেশি সময় দিন।


❌ চোখ বন্ধ করে কাউকে বিশ্বাস করবেন না। (গণহারে ট্রাস্ট এর কথা বলছি, ট্রাস্টওয়ার্দি ম্যান অবশ্যই আছে) বাবার অফিসের কলিগ, মামার পরিচিত, বড় ভাইয়ের বন্ধু, একদম ফ্যামিলি পারসন, মহাপুরুষ টাইপের লোক - এরকম কারো সাথে একা কোথাও থাকবেন না। মনে রাখবেন, মেয়েরা কাছের মানুষদের দ্বারা সে*ক্সুয়ালি অ্যা*বিউজ হয় সবচেয়ে বেশি।


❌ কারো বাসায় যেতে হলে পরিবারকে জানিয়ে যাবেন। যেখানে যাচ্ছেন সেখানকার ঠিকানা, ফোন নাম্বার মা, বাবা, বড় ভাই বা বোনকে দিয়ে যান। এবং অবশ্যই যত দ্রুত সম্ভব বাসায় ফিরে আসুন। পরিবারের সদস্যদের ছাড়া কোথাও রাত কাটাবেন না।


❌ বাবা-মাকে বন্ধু বানান। তাদের কাছে কোনোকিছু গোপন করবেন না বা তাদের অজান্তে কোনো কাজ করবেন না। নিজের সিক্রেট কথাগুলো পরিবারের সদস্য ছাড়া অন্য কারো সাথে শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন। মনের কথা কাউকে বলে হালকা হতে চাইলে শ্রোতা হিসেবে ফ্যামিলি মেম্বারদের বেছে নিন।


❌ কারো সাথে সম্পর্কে জড়ানোর আগে বা কাউকে বিশ্বাস করার আগে ১০০ বার ভাবুন। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন, ১০০ বার।


❌ নিজের আবেগ সব সময় নিয়ন্ত্রণে রাখুন। মেয়েরা আবেগের কারণে ভিকটিম হয়।


❌ সব সময় সৎ পথে থাকবেন। খারাপ পথগুলো সহজ, অনেক বেশি আনন্দ দেয়, কিন্তু তা ক্ষণিকের জন্য। সঠিক পথ আপনাকে দেবে নিরাপত্তা, তা যত কষ্টেরই হোক না কেন।

বাংলাদেশে মাস্টার্স ডিগ্রির একটা বাস্তবতা আছে!

 বাংলাদেশে মাস্টার্স ডিগ্রির একটা বাস্তবতা আছে!

"কেন করছি জানি না, কিন্তু করতেই হবে!" 

আমি বাংলাদেশের প্রচুর স্টুডেন্ট চিনি মাস্টার্স এ পড়ছে কিন্তু কেন পড়ছে, এই সাব্জেক্ট এ মাস্টার্স তার কী কাজে লাগবে এসব নিয়ে তার কোনো আইডিয়া নেই! স্পেশালি পাবলিক ও ন্যাশনাল ভার্সিটির স্টুডেন্ট রা।


আমাদের দেশের বড় একটা অংশের স্টুডেন্ট অনার্স শেষ করে মাস্টার্সে ভর্তি হয় বিনা পরিকল্পনায়! 🤦‍♂️


ক্যারিয়ারের জন্য? না!


জব মার্কেটে ডিমান্ড আছে বলে? না!


নতুন কিছু শেখার ইচ্ছা থেকে? সেটাও না!


📢 তাহলে কেন?

👉 "বাবা-মা বলছে"

👉 "সামাজিক স্ট্যাটাস বাড়বে"

👉 "বন্ধুরা ভর্তি হচ্ছে, তাই আমিও"

👉 "জব নাই, তো আর কী করা!"


অনার্স শেষে মাস্টার্সে ভর্তির আগে ভাবো এই মাস্টার্স তোমার কী কাজে লাগবে!


না লাগলে সেই সময়টা অন্য একটা স্কিলে দাও যদি অলরেডি না থাকে।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...