এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫

পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপকারী হার্বস ও সাপ্লিমেন্ট: ( ১ম পর্ব  ) 

 পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপকারী হার্বস ও সাপ্লিমেন্ট: ( ১ম পর্ব  ) 

পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপকারী হার্বস ও সাপ্লিমেন্ট: ( ১ম পর্ব  ) 


📌 হার্বস (ভেষজ উপাদান):


🌿 আদা ➡ প্রতিদিন ১-২ কাপ আদা চা পান করলে ব্যথা কমে এবং বমিভাব দূর হয়।

🌿 তুলসী পাতা ➡ তুলসী চা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে, বিশেষ করে যদি দিনে ২-৩ বার খাওয়া হয়। কিছু তুলসী পাতা পানিতে ফুটিয়ে খাওয়া যাবে।

🌿 দারুচিনি ➡ ১/২ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো ১ কাপ কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে পান করলে ব্যথা ও ব্লোটিং কমে।

🌿 পুদিনা চা ➡ এটি মাংসপেশীর টান কমিয়ে পিরিয়ড ব্যথা কমায়। কিছু পুদিনা পাতা পানিতে ফুটিয়ে পান করা যায়।

🌿 মেথি ➡ ১ চা চামচ মেথি গুঁড়ো ১ কাপ কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে পান করলে দ্রুত ব্যথা কমে। এটি তিতা। তাই এটির সাথে লেবুর রস মেশাতে পারেন। একবার।

🌿 হলুদ ➡ ১ চা চামচ কাঁচা হলুদ গুঁড়ো এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে গুলিয়ে খেতে পারেন খালিপেটে। এক বা দু বেলা।

( এগুলো নিয়মিত খেতে পারবেন বহুদিন  ) 


📌 সাপ্লিমেন্ট :


💊 ম্যাগনেসিয়াম ➡ প্রতিদিন ২০০-৩০০ mg ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্ট নিলে জরায়ুর সংকোচন কমে ও ব্যথা কম হয়।

💊 ভিটামিন বি৬ ➡ এটি হরমোন ব্যালান্স করে এবং PMS উপসর্গ কমায় নো মা ন

💊 ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ➡ মাছের তেল বা ফ্ল্যাক্সসিড / চিয়া সিড থেকে পাওয়া যায়, যা ব্যথা ও প্রদাহ কমায়।

💊 ক্যালসিয়াম ➡ দৈনিক কিছুদিন ক্যালসিয়াম গ্রহণ করলে পিরিয়ডের ব্যথা ও ক্র্যাম্প কম হয়।

💊 ভিটামিন ডি ➡ ভিটামিন ডি এর অভাব পিরিয়ডের ব্যথা বাড়াতে পারে। তাই, পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি গ্রহণ করা উচিত।


📌 পিরিয়ডের সময় কী খাবেন ও কী খাবেন না?


✅ কী খাবেন?


🥦 সবুজ শাকসবজি – পালং শাক, ব্রোকলি, লাউ, শসা ইত্যাদি আয়রন ও ম্যাগনেসিয়ামে সমৃদ্ধ।

🍌 কলা – এটি প্রাকৃতিক পটাশিয়াম সরবরাহ করে, যা পিরিয়ড ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। 

🍉 তরমুজ ও পেঁপে – শরীর হাইড্রেটেড রাখে এবং হরমোন ব্যালান্স করে। 

🐟 ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ মাছ – সারডিন, সালমন, টুনা ইত্যাদি প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। 

🌰 বাদাম ও চিয়া সিড – ম্যাগনেসিয়াম ও ওমেগা-৩ এর ভালো উৎস। 

🍵 ভেষজ চা  – আদা চা, তুলসী চা, দারুচিনি চা ব্যথা কমাতে দারুণ কার্যকর। 

🥑 অ্যাভোকাডো ও জলপাই তেল – এতে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে, যা ব্যথা কমায়।


🚫 কী খাবেন না?


❌ ক্যাফেইন (চা, কফি, কোলা) – এগুলো রক্তনালী সংকুচিত করে ব্যথা বাড়াতে পারে। 

❌ অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার – ব্লোটিং বাড়িয়ে তোলে। 

❌ প্রসেসড ফুড ও ফাস্ট ফুড – এতে ট্রান্স ফ্যাট থাকে, যা ইনফ্লামেশন বাড়িয়ে তোলে। 

❌ চিনি ও মিষ্টিজাতীয় খাবার – হরমোন ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। 

❌ দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার – কিছু মেয়েদের জন্য ব্যথা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

পিরিয়ড রেগুলার করার জন্য কিছু প্রাকৃতিক TIPS:

 পিরিয়ড রেগুলার করার জন্য কিছু প্রাকৃতিক TIPS:



1. দারুচিনি: দারুচিনি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং পিরিয়ড সাইকেল নিয়মিত করতে সাহায্য করে।  

2. আদা: আদা পিরিয়ডের ব্যথা কমায় এবং হরমোনাল ব্যালেন্স ঠিক রাখে।  

3. অ্যালোভেরা: অ্যালোভেরা জুস হরমোনাল ভারসাম্য রক্ষা করে পিরিয়ড নিয়মিত করে।  

4. মেথি: মেথি বীজ পিরিয়ড সাইকেল নিয়মিত করতে সাহায্য করে।  

5. পুদিনা পাতা: পুদিনা পাতার চা পিরিয়ডের ব্যথা কমায় এবং সাইকেল নিয়মিত করে।  

6. কাঁচা হলুদ: হলুদ প্রদাহ কমায় এবং হরমোনাল ভারসাম্য বজায় রাখে।  

7. তিল বীজ: তিল বীজ পিরিয়ডের সময় রক্ত প্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করে।  

8. পেঁপে: কাঁচা পেঁপে পিরিয়ড নিয়মিত করতে এবং হরমোনাল সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।  

9. যষ্টিমধু: যষ্টিমধু হরমোনাল ভারসাম্য বজায় রাখে এবং পিরিয়ড নিয়মিত করে।  

10. অ্যাপল সাইডার ভিনেগার: এটি ইনসুলিন লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে পিরিয়ড সাইকেল নিয়মিত করতে সাহায্য করে। নিয়ম মেনে খেতে হয়।     নো মা ন


খাওয়ার নিয়ম:


১. হাফ চা চামচ দারচিনি গুঁড়ো এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে গুলিয়ে খাবেন আহারের ৩০ মিনিট আগে। এক বা দু বেলা।

২. আদা: দু ইঞি আদা চিবিয়ে খাবেন পানি সহ সকালে খালিপেটে বা আহারের পর। 

৩. এলোভেরা জুস খাবেন সকালে খালিপেটে ২-৩ চা চামচ

৪. এক চা চামচ মেথি বীজ / গুঁড়ো এক গ্লাস পানিতে ৭-৮ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে পানিটা ছেঁকে নিয়ে পান করবেন। একবেলা।

৫. কয়েকটা পুদিনা পাতা অল্প পানিতে ফুটিয়ে চা এর মত করে পান করতে পারেন খালিপেটে।

৬. এক চা চামচ খাঁটি কাঁচা হলুদ গুঁড়ো এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে গুলিয়ে খাবেন আহারের এক ঘন্টা আগে। এটির সাথে চেষ্টা করবেন হাফ চা চামচ গোলমরিচের গুঁড়া মিশাতে।

৭. দিনে ১-২ চা চামচ তিল বীজ খেতে পারেন যেকোন সময়

৮. কাঁচা পেঁপে খাবেন অল্প দু তিন স্লাইস। খালিপেটে।

৯. যষ্টিমধু: হাফ চা চামচ যষ্টিমধু গুঁড়ো অল্প পানিতে গুলিয়ে খাবেন খালিপেটে।  দু বার।

১০. এক চা চামচ আপেল সিডার ভিনেগার এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে গুলিয়ে খাবেন আহারের ১০ মিনিট আগে। দু বেলা করে।


সঠিক লাইফস্টাইলের কোন বিকল্প নেই 💪


এই পোস্টটি যদি আপনার কাজে লাগে, তাহলে শেয়ার করে অন্যকেও জানার সুযোগ দিন। 🌸

৫ ও ৫ কেজি মুরগির মাংস দিয়ে বিরিয়ানি রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ নিচে দেওয়া হলো—

 ৫ ও ৫ কেজি মুরগির মাংস দিয়ে বিরিয়ানি রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ নিচে দেওয়া হলো—


★★★এটাই বিরিয়ানির লাস্ট পোস্ট ★★★


উপকরণ:


প্রধান উপকরণ:


পোলাও চাল – ৫ কেজি


মুরগির মাংস – ৫ কেজি


তেল-ঘি ও দুগ্ধজাত পণ্য:


সয়াবিন তেল – ২.৮ – ৩ লিটার মুরগি ভাজা সহ


ঘি – ২৫০ গ্রাম


টক দই – ২০০ গ্রাম


তরল দুধ – ১/২ লিটার / গুড়ো দুধ ২০০ গ্রাম


আলুবোখারা ৫০ গ্রাম


কিসমিস ৫০ গ্রাম


মসলা:


পেঁয়াজ – ১.৫ কেজি (বেরেস্তা ৩০০ গ্রাম ও রান্নার জন্য ১ কেজি .২০০ গ্রাম)


রসুন বাটা – ১৫০ গ্রাম


আদা বাটা – ১৫০  গ্রাম


কাঁচা মরিচ –  ১২-১৫ টি


বাদাম বাটা – চিনা বাদাম ১৫০ গ্রাম, কাজু বাদাম ৫০ গ্রাম


পোস্ত দানা বাটা – ২৫ গ্রাম


টমেটো – টমেটো সস ২০০ এম এল


গরম মসলা (এলাচ৭-৮ টি, দারুচিনি ৬-৭ টি, লবঙ্গ  ৭-৮ টি, জয়ত্রি বাটা ১/৪ চা চা, জৈফল ১/২ টা বাটা) 


মরিচ গুঁড়ো ১ চা চা


ধনে গুঁড়া – ৪০ গ্রাম


জিরা গুঁড়া /বাটা – ৮০ গ্রাম


গোলমরিচ গুঁড়া –  ১/২ চা চা


অন্যান্য:


আলু – ৩ কেজি (ঐচ্ছিক) ভেজে দিতে হবে।


লবণ – ১৫০ গ্রাম /পরিমান মত (যে যেমন খাবেন)


গরম পানি – ৭.৫ কেজি


ক্যাওড়া জল - ১/৪ চা চা (ঐচ্ছিক) 


গোলাপ জল - ১ চা চা ( ঐচ্ছিক) 


রান্না:


কড়াইতে তেল দিয়ে মুরগির মাংস ভেজে নিন বাদামী করে, ভাজার পর যে তেল থাকবে তাতে পেয়াজ কুচি বাদামী করে ভাজুন তাতে গরম মসলা, বাদাম, আদারসুন জিরে, ধনিয়া মরিচ গুঁড়ো, জিরে বাটা ধনিয়া গুড়ো, পোস্ত দানা, গোল মরিচ গুঁড়ো, টক দই এবং লবন দিয়ে মাংসের জন্য মসলা কষিয়ে নিন। কষানো মসলায় টমেটো সস এবং টক দই দিয়ে দিন ৫ মিনিট রান্না করে তাতে ভেজে রাখা মুরগির মাংস এবং ১০০ এম এল পানি নিয়ে রান্না করুন আরো ১০ মিনিট। মাংসের ঝোল কমে আসলে তাতে ধুয়ে রাখা চাল দিয়ে সামান্য ভেজে নিন। এবার চালের জন্য পরিমান মত পানি দিয়ে দিন। পানি গরম হয়ে আসলে তাতে দুধ দিয়ে দিন। নাড়তে থাকুন আর খেয়ল রাখুন যেনো নিচে লেগে না যায়। এবার ঘি এবং আলুবোখারা কিসমিস দিয়ে দিন। এভাবে পানি ৯০% শুকিয়ে আসলে ক্যাওড়া জল এবং গোলাপ জল দিয়ে নামিয়ে কয়লার দমে দিতে হবে ৩০ মিনিটের জন্য। ৩০ মিনিট পর চাল গুলো উলটে পালটে দিতে হবে। হয়ে গেলে উপরে পেয়াজ বেরেস্তা দিয়ে পরিবেশন করুন।

মেরীর প্রতিজ্ঞা  ( ১ম পর্ব )  লেখকঃ হৃদয় চৌধুরী।

 ১৮+ এলার্ট


ধীরে ধীরে শরীরের সমস্ত কা প *ড় খু* লে ন গ্ন দে হে সুলতানকে শ-য্যা য় ডাকলো মেরী। বুকে সদ্য বাবা হারানোর শোক আর প্রতিশোধের আগুন মেরীকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে আরও মজবুত করে গড়ে তুলছে প্রতিক্ষণ। 


জানালার পাশে দাড়ানো সুলতান তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে বললো,– কোথায় বাবার হ * ত্যা, *র প্রতিশোধ নেবে তা না করে বা'বার হ'ত্যা'কারী'র সাথে সো হা-গ রাত করতে প্রস্তুত হয়ে আছো, তোমার আর কি-ই বা করার আছে, কারণ তুমি নারীজাতি। ভো গ্য প' ণ্যের মতোই নিজেকে মেলে ধরেছো একজন পুরুষের সামনে, এটা ছাড়া আর কিইবা করার আছে তোমাদের!


মেরী বললো,– পুরুষের সামনে বলতে আপনি আমার স্বামী, আমার যা-কিছু আপনারই, আপনার সামনে নিজেকে মেলে ধরা পাপ অথবা অন্যায় কিছু নয় রাজপুত্র সুলতান। 


সুলতান জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে বললো,– কোথায় গেল তোমার বাবার অহঙ্কার আর গৌরব রাজকুমারী মেরী? তোমার বাবার রাজ্যে আমাকে তোমার বাবা যে অপমান করেছিল তার প্রতিশোধ স্বরূপ নিজের হাতে তোমার বা'বা'কে হ'' ত্যা করলাম, তার মেয়েকে বিয়ে করলাম। তোমার বাবা আমাকে বলেছিল জা' লিম ব' র্বর, অথচ দ্যাখো এই জা লিম ব র্বর তার একমাত্র মেয়ের স্বামী। আশেপাশের শত রাজ্যে রাজকুমারী মেরীর রূপের প্রশংসা, বুদ্ধিমত্তার তারিফ, মির্জানগর রাজ্যের রাজকন্যা সুন্দরী মেরী আজ আমার বিছা *নায় ন *গ্ন দেহে, হা- হা হা, কোথায় তোমার বাবার গর্ব, কোথায় দম্ভ, কোথায় অহঙ্কার! 


নরম গলায় মেরী বললো,– রাত অনেক হয়েছে এবার শুতে আসুন। 


আবারও সুলতান হো হো করে হেসে বললো,– ভেবনা তোমায় স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেছি মেরী, এটা সেই অপমানের বদলা যেটা তুমি করেছিলে আমায়। আজ সারারাত তোমার শ রী র ভো'' গ করে সকালে নগ্ন শরীরে মির্জানগর রাজ্যে ছু ড়ে ফেলে আসবো তাদের সুন্দরী রাজকন্যাকে, সবাই দেখবে আর ভাববে সুলতাননগর রাজ্যের রাজপুত্র কতটা ভ য় ঙ্কর, তার সাথে পাঙ্গা নিলে পরিনাম কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে। 


মেরীর বাবার রাজ্য মির্জানগর এবং সুলতানের রাজ্য সুলতান নগর পাশাপাশি। সুলতান অ ত্যা চারী এবং জু লু ম. কারী হিসেবেই পরিচিত আশেপাশের রাজ্যে। 


পাশাপাশি রাজ্য হওয়ায় সুলতান তার দলবল এবং পোষা চারটি হিং স্র বা ঘ নিয়ে প্রায়ই হা *মলা চালাতো মেরীর বাবার রাজ্যে, এতে যেমন প্রাণনাশ হতো তেমনই ক্ষয়ক্ষতি। 


মেরীর বাবা শান্তশিষ্ট রাজা হিসেবেই পরিচিত, যেমন দয়ালু তেমনই উদার মনের মানুষ বলে তার প্রসংশা লোকমুখে। আর এই কারনেই সুলতান ও সুলতানের বাবার খুব হিং সা হতো। তারা সবসময় চাইতো মেরীর বাবার এই সম্মান যেকোনো উপায়ে ধ্বং স করতে। 


হঠাৎ করে সুলতান মেরীর বাবার রাজ্য থেকে কুমারী মেয়েদের তুলে এনে ধ* র্ষ"" ণ, এবং ধ"" র্ষ"" ণ শেষে অ"" র্ধ মৃ ত অথবা মৃ"" ত অবস্থায় ফেলে আসতে শুরু করে। আর সুলতান এবং সুলতানের লোকজন আশেপাশের রাজ্যে বলতে থাকে যে রাজা নিজের প্রজাদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ, সে রাজ সিংহাসনের অযোগ্য, তার রাজ্য ত্যাগ করে চলে যাওয়া উচিৎ। 


হিং স্র চারটি বা ঘ এবং ভয়ংকর দ স্যু নিয়ে হানা দিয়ে মেরীর বাবার রাজ্যে মেয়ে দের তু লে নিয়ে আসা, লু *টপা ট এবং নৃ শং সতা যখন চরম পর্যায়ে তখন আর মেরীর বাবা শান্ত থাকলেন না। তিনি সাফসাফ জানিয়ে দিলেন পরেরবার যদি সুলতান তার রাজ্যে প্রবেশ করে তবে সেদিন হবে সুলতানের জীবনের শেষ দিন, সুলতানের দে **হ থেকে মা **থা আলাদা করে চার রা স্তার মো ড়ে ঝু** লি য়ে রেখে বুঝিয়ে দেয়া হবে অপরাধী সে রাজপুত্র হোক আর যে-ই হোক, মির্জানগর রাজ্যের রাজা কাউকে ছাড় দেবেনা।


এই কথা শোনার পরে সুলতান আরও শতগুণ ক্ষেপে গিয়ে পরিকল্পনা করলো মেরীর বাবার রাজ্যে সোজা রাজপ্রাসাদে হা **ম লা করার। 


যেমন ভাবা তেমন কাজ–


গভীর রাতে অসংখ্য দস্যু এবং চারটি হিং স্র বা ঘ নিয়ে মির্জানগর রাজ্যে উপস্থিত সুলতান। মেরীর বাবার রাজপ্রাসাদের বিশাল বাউন্ডারির মেইন গেটের কাছে এসে র ক্ষী দের দিকে বা *ঘ লে লি য়ে দিলো সুলতান। হঠাৎ আbক্র মনে অনেক র ক্ষীর প্রা. ণ গেল। 


এবার সুলতান দলবল নিয়ে মেইন গেট দিয়ে ঢুকে রাজপ্রাসাদের সামনে এসে উপস্থিত। রাজ প্রাসাদে ঢোকার সিং হদুয়ার বন্ধ করে দিলো দ্বাররক্ষকরা। সুলতান তাদের দিকেও বা. ঘ লে  লি য়ে দিলো। 


নিজের কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল মেরী, বাইরের চিৎকার চেচামেচি এবং গোলযোগের শব্দে ঘুম ভেঙে গেল মেরীর। লাফিয়ে উঠে বসে আসন্ন বিপদ আঁচ করতে পেরে দৌড়ে ছাদে এসে সবকিছু দেখে মেরীর আর কিছু বুঝতে বাকী নেই। 


মেরী তার বাবার একমাত্র সন্তান বলেই মেরীকে তার বাবা চিন দেশে পাঠিয়েছিল কুংফু রপ্ত করতে, পাশাপাশি মেরী ধনুক বিদ্যায়ও যোগ্যতা অর্জন করে। অন্তত যেন বিপদকালে নিজেকে রক্ষা করতে পারে মেরী, এটা ভেবেই মেরীর বাবা মেরীকে চিন দেশে পাঠিয়েছিল। 


মেরী দৌড়ে নিচে এসে তী **র ধনুক নিয়ে আবার ছাঁদে ফিরে এসে ধ**নু;কে তীর রেখে গুন টেনে পরাপর চারটা তীর ছুড়লো চা *রটা বা**ঘকে লক্ষ্য করে, একটা তী রও লক্ষ্যচুত হলোনা, চারটা তীর চারটা বা ঘে*র গায়ে আ ঘা;ত করামাত্রই বা: ঘগুলো ভয়ঙ্কর হুংকার দিয়ে শূন্যে লাফিয়ে উঠে আবার মাটিতে পড়ে ছ ট ফ ট করে মা **রা গেল। 


সুলতান ও তার লোকজন ভীষণ অবাক! মেরীর গায়ে ভীষণ জোর নাকি এই তীরের আলাদা কোনো বৈশিষ্ট্য আছে! 


পাঁচ নাম্বার তী;র;টা ধ নু কে রেখে গুন টেনে সুলতানের দি কে তাক করে মেরী বললো,– অত্যাচারী সুলতান, চা ইলে এই পাঁচ নাম্বার তী রটা তো মার ব **ক্ষ ভেদ করে প্রা**ণ কে প;র*পা রে পাঠাতে পারে এই মুহুর্তে, কিন্তু সেটা করলে আমাদের আর তোমার মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকবে না। তবে তুমি তোমার কৃতকর্মের জন্য শাস্তি অবশ্যই পাবে। 


মেরীর বাবার লোকজন এসে সুলতান ও তার লোকজন বন্দী করে ফেললো। তার পরদিন সুলতান সহ তার লোকজনের মা থা ন্যা **ড়া করে খা লি পায়ে মির্জানগর রাজ্য থেকে বিদায় করা হলো।


মেরীর বাবা হু মকি দিলেন,– এবারের মতো প্রা ণ ভি. ক্ষা দেয়া হলো, পরেরবার আর সেই সুযোগও থাকবে না। 


প্রতিশোধের নেশায় পাগলপ্রায় সুলতান, এই অপমানের বদলা নিতেই হবে, ধ্বং স করতে হবে মি র্জানগর রা জ্যের রা *জা ও রাজ্য, তবেই সুলতানের শান্তি হবে। 


মেরীর যে তী রে বা ঘ গুলো মূহুর্তে ছটফট করে মা **রা গেছিলো সেগুলো স্বাভাবিক তীর হলেও তীরের ড গায় মা খা ছিল পৃথিবীর মারা ত্মক প্রা. ণ ঘাতী বি ষের একটি। 


চিনে কুংফু এবং ধনুক বিদ্যা রপ্ত করার পরে মেরী গিয়েছিল আফ্রিকা সফরে। সেখানে একজন শতবর্ষী বয়স্ক আফ্রিকানের সাথে পরিচয় হয় মেরীর। মেরী রাজকন্যা জেনে সেই বয়স্ক লোক মেরীকে দিয়েছিল এই বি** ষ। বলেছিল ঘোর বিপদে এই বি *ষ নাকি মেরীর কাজে লাগবে, হলোও তাই। ডে থ স্কর পিয়ন নামে একধরনের মা *র ত্মক বি* ছা এবং মারাত্মক বি ষধ *র সা**পের বি **ষ মিশিয়ে তৈরি এই বি *ষ মূহুর্তের মধ্যে যে কারো প্রা** ণ নিয়ে নিতে পারে। 


সেই বি ষ তীরের ড গায় মেখে তীর ছুড়েছিল বলেই বা ঘগু লোক মুহূ র্তে ম রে **ছিল। 


যা-ই হোক–


সুলতান রাজ্যের নামকরা বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে গোপন বৈঠকে বসলেন, ষড়যন্ত্রের জাল বিছানোর পরিকল্পনা শুরু হলো, কীভাবে মির্জানগর রাজ্যের রাজাকে উচিৎ জবাব দেয়া যায়, শুধু তাই নয়, রাজাকে হ**  ত্যা সহ রাজকন্যা মেরীকেও উচিৎ শিক্ষা দেবার পরিকল্পনা। 


বেশ কিছুদিন সবকিছু শান্ত। সুলতান ধীরে ধীরে অগ্রসর হচ্ছে তার প্ল্যান মোতাবেক। যেহেতু সুলতানের রাজ্যের পাশের রাজ্য মেরীর বাবার, সেহেতু হা** মলা করা নিয়ে অতটা চিন্তিত নয় সুলতান। সুলতানের প্ল্যানের সর্বপ্রথম টোপটা গেলাতে হবে মেরীর বাবার মন্ত্রীকে। মারাত্মক ভয়ংকর এক চাল চালতে চলেছে সুলতান, সেটা থেকে বাঁ **চা মেরীর বা বার পক্ষে অসম্ভব প্রায় ভেবেই আনন্দে সুলতানের মুখে পৈ* শা চিক হাসি। 


পরবর্তী পর্বে আমরা জানবো কীভাবে মেরীর বাবাকে হ** ত্যা করা হলো, সুলতান মেরীর বাবার হ** ত্যাকারী জেনেও মেরী কেন সুলতানকে বিয়ে করলো। সুলতানের মতো মেরীরও কি কোনো প্ল্যান আছে বাবার হ **ত্যাকা** রীকে সায়েস্তা করার! যদি তাই হয় তবে মেরী কি পারবে উদ্দেশ্য হাসিল করতে? নাকি সুলতানের হাতে বাবা*র ম তো ই প্রা ণ যাবে মেরীর? 


চলবে...


গল্পঃ মেরীর প্রতিজ্ঞা 

( ১ম পর্ব ) 

লেখকঃ হৃদয় চৌধুরী।

আছিয়ার মৃত্যুর সত্য ঘটনা  উদঘাটনঃ (পর্ব নং ০৩) 

 গোয়েন্দা কাহিনি 

আছিয়ার মৃত্যুর সত্য ঘটনা  উদঘাটনঃ (পর্ব নং ০৩) 


আমি সবটা জানি। সেদিন রাত্রে কি ঘটেছিল। শুধু সে রাত্রে নয়। প্রতি রাত্রে কি ঘটেছে তোমার শশুর বাড়িতে। সেসব কথা আমি বলবো নাকি তুমি নিজেই বলবে?


এবার আফিয়া বসে পরে। অপরাজিতার পায়ে ধরে। আপা কিছু বলেন না। আমার ছোট বোনের জীবনতো শেষ হয়েছে। আমার জীবন নষ্ট হতে দিয়েন না। 

উৎসুক জনতা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে। হঠাৎ কি কথোপকথন হয়েছে যে, আফিয়া পল্টি খাইয়া গেল? 


তাঁরদিকটা একবার দেখে নিল অপরাজিতা। তাঁরপর আফিয়ার দুই কাঁধে হাত রেখে উঠিয়ে নেয়।

 তাঁরপর বলে, দুর পাগলী। তোমার কিছুই হবে না। 

ধর্ষকরা তো ধরা পরেছে। 

তাছাড়া যারা অপরাধ করেছে তাদের দোষ, তুমি অকারণে ভয় পাচ্ছো কেন?  আমি, আমরা সবাই, পুরো দেশবাসি তোমার পাশে আছি, তোমার সাথে থাকবো। ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছড়বো না। 

এবার ওড়না দিয়ে মুখ লুকিয়ে রাখে আফিয়া। 

অপরাজিতা আফিয়ার মুখ থেকে ওড়না সরিয়ে দিয়ে বলে, তুমি চাও না আছিয়া সঠিক বিচার পাক? অপরাধীরা শাস্তি পাক? 

জী আপা চাই। 

তাহলে মুখ খোল। সত্যি কথা বলে দাও। সবাই জানুক সত্য ঘটনা। 

আফিয়া এবার ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে থাকে। সাংবাদিকরা তারঁ দিকে তাকিয়ে আছে?। 

আফিয়া আবার দুহাত দিয়ে মুখ ঢাকে। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠে। 

অপরাজিতা বলে, কাঁদো। কেঁদে কেঁদে হাল্কা হও।নিজের মাধ্যে সাহস ফিরে আনো। শক্ত হয়ে দাঁড়াও। মুষ্টিবদ্ধ হাত উপরে উঠাও। চিৎকার করে বলো, আমি মানুষ। আমারও আছে ভালোভাবে বাঁচার অধিকার। 

আফিয়া ওড়নার আঁচলে মুখ মুছে নেয়।তাঁরপর ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে শক্ত হয়ে দাঁড়ায়। 

সাংবাদিক ভাইদের বলে, শোনেন আমার ও আমার ছোট বোনের সাথে কি ঘটেছিল সেই রাত্রে। 


আফিয়া নির্ভয়ে বলে, আমি আফিয়া। বাবা মায়ের প্রথম কন্যা সন্তান। অভাবের সংসার আমাদের। তাই পড়া শোনা করা হয়নি।একটি ভালো সমন্ধ আসায় অল্প বয়সে মা বাবা আমাকে বিয়ে  দেয়। আমি প্রথমে বিয়ে করতে রাজি হইনি। সবাই আমাকে বোঝায়, অভাবের সংসারে একজন খাওয়ার  মানুষ কমলে ছোট ভাই বোনেরা ভালো খেতে পারবে। তাই আমি রাজি হয়েছি। 

বিয়ের প্রথম দিন থেকেই আমার শশুরের কুনজর বুঝতে পারছি। রাত্রে বিছানায় স্বামী ব্যাবহারের পর আমাকে পোশাক পরতে না দিয়ে রুমের বাহিরে যায়। তারপর অন্ধকারে আমার শরীরের উপর কারো উপস্থিতি বুঝতে পারছি। এটাও খেয়াল করি এখন যে আছে সে আমার স্বামী না। অন্য পুরুষ। কিন্তু কে তা বুঝতে পারছি না। আমার ছোট শরীর। স্বামীকে সহ্য করাই অসম্ভব। তাঁরপর আরেক জন। আমি ব্যাথায় কুকরে উঠি। চিৎকার করার চেষ্টা করি। কিন্তু আমার মুখ চেপে ধরে। ফিসফিস করে আমাকে চুপ করতে বলে।  মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমি এবার কন্ঠ চিনতে পারি। এ কন্ঠ আমার শশুরের কন্ঠ। 

তাঁরপর সে ছেড়ে চলে গেলে  আবার আরেক জন আসে। একেও চিনতে পারি। সে হচ্ছে আমার দেবর। এরপর আমার স্বামী ভিতরে আসে। তাঁকে বিষয়টি জানালে, সে রেগে যায়। বলে সে ছাড়া ঘরে আর কেউ আসেনি। 

পরের দিন শাশুড়ীকে জানালে বলে, আমি স্বপ্ন দেখেছি। 

এভাবে প্রতি রাত্রেই আমার স্বামী, শশুর ও দেবর আমাকে ধর্ষণ করে। 

আমি স্বামীকে বললে মারধর করে। আর শাশুড়ীকে বললে বলে ভুতের আছর আছে। ভুত প্রতি রাত্রে আসে আমার কাছে। 

তাঁরপর বাড়িতে আসলে মাকে জানাই বিষয়টি। মা  বিষয়টি  বিশ্বাস করেনি। ভেবেছে মেয়ের বয়স কম তাই স্বামীর কাছে যেতে ভয় পায়। তাই স্বান্তনা দেয়। সময় হলে সব ঠিক হবে। 

আছিয়ার বড় বোন শশুর বাড়িতে যেতে চাচ্ছে না দেখে ছোট বোন আছিয়াকে সাথে পাঠায়। 

সে আবার বলে, আছিয়াকে আমার  শাশুড়ী সাথে রাখতে চায়। কিন্তু আমি দেইনি। 

আছিয়া পাশে থাকা অবস্থায় ওই ঘটনার আগেন রাত্রে  একইভাবে আমার স্বামী দরজা খুলে বাথরুমে যায়। তাঁরপর আমার শশুর ঘরে আসে। স্বামীকে দেখাতে হবে এটা ভুত না, তাঁর বাপ। এটা ভেবেই আমি আছিয়াকে পা দিয়ে ধাক্কা দেই। কয়েকবার ধাক্কা দেওয়ার পর আছিয়া জেগে যায়। প্রথমে বুঝতে না পারলেও পরে বুঝতে পারে। সে বিছানা থেকে নেমে গিয়ে রুমের লাইট জালিয়ে দেয়। তখুনি আমার শশুরকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখতে পায়। আছিয়া সাথে সাথে বলে, তালোই আপনি এঘরে কেন?  আর এ অবস্থায় কেন? 

তখন শশুর ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। আমার স্বামী ঘরে আসে। তখন আমাদের মাঝে ঝগড়া হয়। আমার স্বামী আমাকে মারধর করে। 

আমাকে মারে আর নিষেধ করে, একথা যেন কাউকে না বলি। কিন্তু আছিয়া বলে সে আব্বা মার কাছে সব বলে দিবে। এদিকে  মারামারির শব্দ শুনতে পেয়ে লোকজন চলে আসে। তখন আছিয়াকে এক ঘরে আটকে রাখে হাত পা ও মুখ বেঁধে রেখে। কাউকে বুঝতে দেয়না আছিয়াার কথা। 

আর আমার কথা বলে ভুতে ধরেছে তাই স্বামীকে সন্দেহ করে। লোকজনও তাই বিশ্বাস করে। ততক্ষণে সকাল হয়েছে। 


এদিকে আফিয়ার শশুর বুঝতে পারে, যে আছিয়া বাড়িতে ফিরে সব বলে দিবে। আছিয়াকে বলতে দেওয়া যাবে।  তাই তাকে আটকে রাখে। রাত্রের অপেক্ষা  করে। 


সন্ধ্যার পর লোকজন ঘুমিয়ে পরলে, গভীর রাত্রে আছিয়াকে ধর্ষণ করতে যায়।

আছিয়াকে কতটা নির্মমভাবে ধ*র্ষণ করা হযেছিল আজকে সেটার বর্ণনা দিয়েছে ডাক্তাররা। চিকিৎসারত ডাক্তার বলেছে - আছিয়া যেহেতু বাচ্চা মেয়ে তাই তার পোপনাঙ্গের ডেপথ খুবই ছোট। 


সেজন্যে ধ*র্ষককরা কিছুটা ধারালো ব্লেড/ কাঠি দিয়ে গোপনাঙ্গে ছিদ্র করার চেষ্টা করেছিল। সে ছিদ্রটা ছিল আনুমানিক ৫ সে.মি. গভীর। 


তারপর গোপনাঙ্গের একদম ভিতরের দিকে অনেকগুলো স্ক্রেচ করা হয় এবং সেটা করা হয় একদম সূক্ষ্মভাবে, অনেকটা সময় নিয়ে।


একাজ করার সময় তার নাক-মুখ চেপে ধরা হয়েছিল যাতে কোনরকম চিৎকার করতে না পারে। তারপর মানুষ চলে আসার আওয়াজ পেয়ে আরেকজন গলা চেপে ধরেছিল মেরে ফেলার জন্যে। 


আর এজন্যেই অক্সিজেনের অভাবে অজ্ঞান হয়ে পড়ে মেয়েটা। মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল তখন।


এ নির্মম বর্ণনা দিতে গিয়ে বারবার কণ্ঠস্বর কাঁপছিল ডাক্তারের। তিনি বলছিলেন - 'এরকম কন্ডিশনে ভিক্টিম স্পটেই মারা যায়। এ মেয়েটা যে এখনও বেঁচে তাতেই অবাক হচ্ছি আমি।'


তাহলে এবার বুঝুন কতটা অমানবিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল বাচ্চা মেয়েটাকে। একে একে শশুর, স্বামী ও দেবর তিনজনেই পালাক্রমে ধর্ষণ করে আছিয়াকে। আর পর জিজ্ঞেস করে কাউকে বলবি?  আছিয়া ক্ষীণ কন্ঠে বলে, আপনারা খারাপ। আমি বলবোই। 

এবার সিদ্ধান্ত নেয় আছিয়াকে মেরে ফেলার। আছিয়া প্রাণপনে চিৎকার করে আর বলে আপনারা খারাপ। 

আছিয়ার চিৎকার বন্ধ করার জন্য গলা চেপে ধরে । আছিয়া অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারনে আর ব্যাথায় জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। ওরা ভেবেছে আছিয়া মরে গেছে। 

এবার তারা আফিয়ার নিকট আসে। প্রতি রাত্রের মতো তিনজনই আফিয়া ধর্ষণ করে। এবার তারা বলে তুই একথা কাউকে বললে তোরও অবস্থা তোর বোনের মতো হবে। আফিয়া সাক্ষাৎ মৃত্যু দেখে ভয়ে কাঁপছে। আর লজ্জায় তাঁর ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ হওয়ার ভয়ে সে উল্টো পাল্টা কথা বলেছে। এব্যাপারে তাঁকে ইন্ধন দিচ্ছে তাঁর ও আছিয়ার দাদী। 


সত্য ঘটনা হচ্ছে এই, শুধু আছিয়া ধর্ষনের স্বীকার হয়নি তাঁর চাইতেও ভয়ংকর রকমের নির্যাতনের স্বীকার  হয়েছে আছিয়ার বড় বোন। আছিয়া মরে হয়তো বেঁচে গেছে কিন্তু আছিয়ার বড় বোন বেঁচেও মরার মতো বেঁচে আছে।

সংগৃহীত

Hp8আপনি একজন "সেপিওসে'ক্সুয়াল" কিনা তা মিলিয়ে নিন.! 

 Hp8আপনি একজন "সেপিওসে'ক্সুয়াল" কিনা তা মিলিয়ে নিন.! 


মনোজগতের একটি অন্যতম [} ছারখার হয়ে যাচ্ছে তখন সেপিওরা বুদ্ধিমত্তার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে। কি শুনতেø অদ্ভুত লাগছে? না বিষয়টা ন্যাচারাল। চলুন বিশ্লেষণ যাওয়া যাক।


বুদ্ধিমত্তার প্রেম আবার কি! 

সুন্দর চেহারা, বাড়ি-গাড়ি আর প্রচুর টাকাপয়সাওয়ালা ছেলেটা/মেয়েটা আপনার পিছে ঘুরঘুর করছে বা বাকিরা এদের প্রেমে মগ্ন হয়ে যাচ্ছে কিন্তু আপনার মোটেও সেটার প্রতি ইন্টারেস্ট নেই। আপনি এমন এক ছেলে/মেয়েকে ফলো করছেন বা পছন্দ করছেন যে বেশ ইন্টেলিজেন্ট তাহলে ধরে নিতে পারেন যে আপনি একজন স্যাপিও, যার অর্থ বুদ্ধিমত্তার প্রেমে পড়া মানুষ আপনি, শুধু কি তাই? না শুধু এতটুকু নয় বরং প্রচণ্ড বুদ্ধিমত্তার মানুষটিকে আপনি শারীরিকভাবেও পেতে চান যেমনটা সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে হয়।

ক্লাসের ফাস্ট বয়/গার্ল দেখতে অসুন্দর, হে'বলামার্কা হলেও তার উপরে ক্রাস খাওয়া কিংবা এমন একজন বুদ্ধিমান মানুষের সাথে আপনার চলাফেরা যার বুদ্ধি, বিশ্লেষণ আপনাকে প্রবলভাবে অবাক ও আকর্ষণ করে, মনে হয় ইস কি ব্রিলিয়ান্ট! যদি প্রেম করতে পারতাম! যদি বিয়ে করতে পারতাম! তাহলে সন্দেহ নেই যে আপনি একজন সেপিও। 


এখন আপনি বলেন, যে শারীরিক সম্পর্কের চেয়ে বুদ্ধিমত্তার টান বেশি অনুভব করে সেকি যেন তেন মানুষ? নাহ, এরাই জ্ঞানী গুণিদের কদর দেয়া মানুষ, এরাই দার্সনিকের প্রেমে পড়া মানুষ, এরাই যুক্তি ও ব্যাখ্যা দিয়ে বোঝানো শান্ত মানুষ। বলে রাখি যে, সেপিওরা শান্ত ও ভদ্র স্বভাবের হয়, কারণ যারা বুদ্ধি ও জ্ঞানের কদর করে, তারা যুক্তি ও ব্যাখ্যা পছন্দ করে, এজন্য তারা বুঝে সহজে।


সেপিওদের পটানো কিন্তু মোটেই সহজ নয় কারণ এরা আপনার সৌন্দর্যে পটে না, সৌন্দর্য পছন্দ করে কিন্তু বুদ্ধিমত্তাকে গুরুত্ব দেয় সবার উপরে। এরা দ্রুত কাউকে বন্ধু বানায় না, আর নিজ বৃত্তে খুব কম সংখ্যক মানুষের সাথে এরা মিশে। আপনি হয়তো ভাববেন অহংকারী কিন্তু তা নয়, তার মনের এই জগতে সে বাঁধা। আর এই বাঁধা অতিক্রম করতে পারে ইন্টেলিজেন্টরা।


একবার কোনো সেপিও যদি আপনাকে বন্ধু বানায়, কিংবা আপনার প্রেমে পড়ে তবে সন্দেহ নেই যে সেটা বেশ সিরিয়াস ও শক্ত আয়নিক বন্ড টাইপের। কারণ তারা প্রেমে পড়ার আগে আপনাকে বন্ধু বানাবে. আপনাকে সে নিজের ব্যাপারে অনায়াসে বলবে, আপনাকে প্রচণ্ড মাত্রায় বিশ্বাস করবে। যার সুযোগ হয়তো ইন্টিলিজেন্টরা নেয় যদি খারাপ উদ্দেশ্য থাকে। মোট কথা ইন্টিলেজেন্টরা সেপিওদের অনায়াসে কাবু করতে পারে, যেমনটা সৌন্দর্য দিয়ে কাবু করা যায়।


তো যাই হোক শেষ পর্যন্ত পড়ে যারা বুঝতে পেরেছেন যে আপনিও একজন সেপিও। তাহলে আপনাকে অভিনন্দন, আপনি অন্যদের তুলনায় বেশি মানবিক মানুষ, আপনার গুরুত্ব ও প্রায়োরিটির জন্য পৃথিবিতে জ্ঞানের চর্চা আরো বাড়বে। আর আমার পক্ষ থেকে আপনার একটি সাজেশন হবে, যে কারো উপর প্রভাবিত বা বাধ্য হয়ে প্রেম/বিয়ে করবেন না। আপনি সেপিও হিসেবে এমন মানুষকে বেছে নিন যে নিত্যনতুন আপনাকে তার বুদ্ধি ও জ্ঞান দিয়ে অবাক করবে, কারণ এটা আপনাকে সবচেয়ে বেশি আনন্দ ও তৃপ্তি দিবে।


আর ইন্টেলিজেন্ট মানুষগুলোর উদ্দেশ্যে বলি এই সেপিওদের সুযোগ নিয়ে বো'কা বানাবেন না বা কারো জীবন নষ্ট করবেন না। কারণ তারা খুব সুন্দর মনের অধিকারী। 🌸💖


সাইন্টিস্ট মাহফুজ 🌸

এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেছিলেন স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং

 এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেছিলেন স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং। ফ্লেমিং স্যার বলেছিলেন, "এই এন্টিবায়োটিকের কারণে আজ কোটি কোটি লোক বেঁচে যাবে। অনেক বছর পর এগুলো আর কাজ করবেনা। তুচ্ছ কারণে কোটি কোটি লোক মারা যাবে আবার।''

:

এন্টিবায়োটিক খাওয়ার কিছু নিয়ম আছে। একটা নির্দিষ্ট ডোজে, একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত এন্টিবায়োটিক খেতে হয়। না খেলে যেটা হতে পারে সেটাকে বলা হয় "এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স''। 

:

ধরি, আমার দেহে এক লক্ষ ব্যাকটেরিয়া আছে। এগুলোকে মারার জন্য আমার ১০টা এম্পিসিলিন খাওয়া দরকার। এম্পিসিলিন এক প্রকার এন্টিবায়োটিক। খেলাম আমি ৭ টা। ব্যাকটেরিয়া মরলো ৭০ হাজার এবং আমি সুস্থ হয়ে গেলাম। ৩০ হাজার ব্যাকটেরিয়া কিন্তু রয়েই গেলো। এগুলো শরীরে ঘাপটি মেরে বসে জটিল এক কান্ড করলো নিজেরা নিজেরা।

:

তারা ভাবলো, যেহেতু এম্পিসিলিন দিয়ে আমাদের ৭০ হাজার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। অতএব আমাদেরকে এম্পিসিলিন প্রুফ জ্যাকেট পরতে হবে এবার। প্ল্যান করে থেমে থাকেনা এরা, বরং সত্যি সত্যি জ্যাকেট তৈরি করে ফেলে এই ব্যাকটেরিয়া গুলো। এরা বাচ্চা-কাচ্চাও পয়দা করে একই সময়ে। বাচ্চাদেরকেও সেই জ্যাকেট পরিয়ে দেয়।

এর ফলে যেটা হয়, পরের বার এম্পিসিলিন নামক এন্টিবায়োটিকটা আর কাজ করেনা।

:

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, জ্যাকেট পরা ব্যাকটেরিয়া গুলো কেবল ঐ ব্যাক্তির শরীরেই বসে থাকেনা। তিনি হাঁচি দেন, কাশি দেন, ব্যাকটেরিয়া গুলো ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। এক সময় পুরো এলাকায়ই আর ঐ এন্টিবায়োটিক কাজ করেনা। যারা খুব নিয়ম করে ওষুধ খান তারাও বিপদে পড়ে যান সবার সাথে।

:

আমরা খুব ভয়ংকর একটা সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি দ্রুত। ব্যাকটেরিয়া আর তাদের বিভিন্ন 'জ্যাকেট'এর তুলনায় এন্টিবায়োটিকের সংখ্যা খুব বেশি না। অনেক এন্টিবায়োটিক এখন আর কাজ করেনা, বাকিগুলোর ক্ষমতাও কমে আসছে। আমাদের বড় বড় হসপিটাল থাকবে, সেখানে এফসিপিএস, এমডি, পিএইচডি করা ডাক্তাররা থাকবেন কিন্তু কারোরই কিছু করার থাকবেনা। সামান্য সর্দীতেই রোগী মরে সাফ হয়ে যাবে।

:

উন্নত বিশ্বের চিকিৎসা ব্যবস্থা আলাদা। তারা নিয়ম মেনে ডাক্তারের পরামর্শ মতো ওষুধ খায়। বিপদে আছি আমরা। 'মেডিসিনের বাইবেল' নামে পরিচিত ডেভিডসের বইয়েও আমাদের এই উপমহাদেশের উল্লেখ আছে আলাদা করে। অনেক ট্রিটমেন্টে বলা হয়েছে,

"This organism is registrant against this Drugs in Indian subcontinent''

:

টিভি পত্রিকায় নানান বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা হয়। বাথরুম করে হাত ধুতে হবে, কাশি হলে ডাক্তার দেখাতে হবে, নিরাপদ পানি খেতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু এন্টিবায়োটিক নিয়ে কোনো কিছু আজও চোখে পড়েনি। অথচ এটা অন্যগুলোর চেয়েও জরুরী। এন্টিবায়োটিক কাজ না করলে এত সচেতনতা দিয়েও আর লাভ হবেনা।

আগুন নিয়ে খেলছে ফার্মেসিওয়ালারা

--------------------------------------------------

রোগী ফার্মেসীতে গিয়ে একটু জ্বরের কথা বললেই ফার্মেসীতে বসে থাকা সেই লোকটি দিয়ে দিচ্ছে Ezithromycin or,cefixime or cefuroxime or levofloxacin নামক কিছু নামকরা দামী এন্টিবায়োটিক, কিন্তুু কতো দিন খেতে হবে সেটা না জানিয়ে সুন্দর করে বলে দেয় এই ওষধটি ১ ডোজ খাবেন সব রোগ ভালো হয়ে যাবে আর এই ভাবেই আস্তে আস্তে Resistance হচ্ছে সব এন্টিবায়োটিক।  


চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে এখনই ব্যাপারটা নিয়ে ভাবা উচিত। সবাইকে এন্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। না হলে আমাদের ভবিষ্যত অন্ধকার।


জাহেদ আহমেদ এর লেখা

গরুর খামার তৈরির সংক্ষিপ্ত বিবরণ

 গরুর খামার তৈরির সংক্ষিপ্ত বিবরণ

গরুর খামার তৈরির সময় সঠিক নকশা অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

ঘরের মাপ ও বিন্যাস:

একটি গরুর জন্য ৭-৮ ফুট জায়গা প্রয়োজন।

সামনে খাবারের জন্য ২.৫ ফুট ও পেছনে ড্রেনের জন্য ০.৫ ফুট রাখা হয়।

এক সারির জন্য ১০ ফুট ও দুই সারির জন্য ২০ ফুট চওড়া ঘর প্রয়োজন।

মাঝখানে ৪ ফুট প্রশস্ত রাস্তা রেখে মোট চওড়া হবে ২৪ ফুট।

এক সারিতে ৫টি গরু রাখার জন্য লম্বা ২৪ ফুট হতে হবে।

গরুর ঘর তৈরির নিয়ম:

খাদ্য ও পানি সরবরাহের জন্য ৫ ফুট প্রশস্ত রাস্তা।

পর্যাপ্ত ড্রেন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা।

খসখসে মেঝে যাতে পিছলে না যায়, এবং হালকা ঢালু রাখা প্রয়োজন।

বাতাস চলাচলের জন্য নিচের দিকে ১.৫ ফুট দেয়াল এবং ওপরে জিআই তারের বেষ্টনী।

প্রতিদিন পরিষ্কার করা ও এন্টিসেপটিক স্প্রে করা আবশ্যক।

গরুর ঘরের ধরন:

✅ হেড টু হেড: গরুগুলো পরস্পরের মুখোমুখি থাকে, গোবর বাইরে পড়ে।

✅ টেল টু টেল: গরুগুলো বিপরীতমুখী থাকে, আলো-বাতাস বেশি পায়, গোবর সহজে পরিষ্কার করা যায়।

সুবিধা ও অসুবিধা:

টেল টু টেল পদ্ধতিতে আলো-বাতাস প্রবাহ ভালো হয়, গোবর পরিষ্কার করা সহজ এবং রোগ সংক্রমণ কম হয়।

হেড টু হেড পদ্ধতিতে খাবার দেওয়া সহজ হয়, তবে পরিষ্কার করা কঠিন এবং রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা বেশি।

ঘরের মেঝে ও চাল:

মেঝে: ইটের সলিং বা ঢালাই করা, সামান্য ঢালু রাখা যাতে ময়লা সহজে বের হয়।

চাল: ঢালাই (কম গরম হয়), টিন (সস্তা কিন্তু গরম বেশি), প্লাস্টিকের চাল (আলো প্রবেশ করে, গরম কম)।

খাবার ও পানির ব্যবস্থা:

খাবারের পাত্র খুব বেশি উঁচু না করে ফ্লোরের কাছাকাছি রাখা ভালো।

পানির জন্য আলাদা পাত্র বা পাইপলাইন করা যেতে পারে।

ড্রেনের মাপ:

প্রস্রাব ও গোবর নিষ্কাশনের জন্য ০.৫ - ১.৫ ফুট চওড়া ও ১ - ২.৫ ফুট গভীর ড্রেন প্রয়োজন।

সঠিক পরিকল্পনা ও নির্মাণ অনুসরণ করলে গরুর জন্য আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব হবে, যা উৎপাদনশীলতা বাড়াবে। 🚜🐄v

সোরিয়াসিস ত্বকের এক ধরনের দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনিত অসংক্রামক রোগ।

 সোরিয়াসিস


সোরিয়াসিস ত্বকের এক ধরনের দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনিত অসংক্রামক রোগ। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য শরীরের বিভিন্ন স্থানে চামড়ায় বিশেষত কপালে ও মাথা, পিঠ, হাত, পায়ের তালু, নাক, স্তনের নিচে লাল রঙের উঁচু প্লাকের মতো চুলকানি সৃষ্টি হয় এবং এটা রুপালি আঁশ দিয়ে ঢাকা থাকে। এ রোগে আক্রান্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যার শতকরা দুই ভাগ। বাংলাদেশের বিভিন্ন গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী এ রোগে প্রকোপের হার শতকরা ১.৮ থেকে দুই ভাগ। তিন ধরনের সোরিয়াসিস খুব বেশি দেখা যায়। প্লেক সোরিয়াসিস, গাটা সোরিয়াসিস, পাসচুলার সোরিয়াসিস। সোরিয়াসিসের প্রকৃত কারণ অজানা তবে কিছু বিষয় এ রোগের প্রকাশ ও লক্ষণ ত্বরান্বিত করতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-জেনেটিক বা বংশগত। যদি বাবা-মার কোনো একজনের সোরিয়াসিস থাকে তাহলে বাচ্চাদের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা ৫০ ভাগ। যদি ইতোমধ্যে পরিবারের কোনো বাচ্চার এ রোগ হয়ে থাকে তাহলে এর হার আরো বেশি হবে। যদি মনোজাইগোটিক যমজ হয় তাহলে এ রোগে আক্রান্তের সম্ভাবনা শতকরা ৮০ ভাগ।


আঘাত প্রাপ্তি : যখন এ লাল রুপালি আঁশযুক্ত লেসিওন বের হয় তখন ওই স্থানে কোনো আঘাত বা চুলকালে এ রোগের বিস্তৃতি ঘটে।

ইনফেকশন বা প্রদাহ : বিশেষত বিটা হেমোলাইটিকাস স্ট্রেপটোকক্কাল প্রদাহের কারণে এর প্রকোপ বাড়তে পারে।

সূর্যরশ্মি : সূর্যরশ্মি বিশেষত আলট্রাভায়োলেট রশ্মি সোরিয়াসিসের প্রকোপ বাড়িয়ে দেয়।

মানসিক অস্থিরতা : বিশেষ দুশ্চিন্তা এর বিস্তৃতি ঘটায়।


ওষুধ : যেমন অ্যান্টিম্যালেরিয়াল, বিটা ব-কারস, লিথিয়াম এ রোগের প্রকোপ বাড়িয়ে দেয়।

জননের কারণ : প্রধানত দুই কারণে এ রোগ হয়। একটি হলো চামড়ার কোষ বা কেরটিনোসাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি বা প্রলিফারেশন এবং এর সঙ্গে অস্বাভাবিক মাইটেসিস দ্বিতীয়টা হলো বেশি প্রদাহের কারণে ইনফ্লামেটরি সেল যেমন নিউট্রোফিল, টি-লিমফোসাইট এবং প্রদাহ সৃষ্টিকারী কোষের কারণে এটা তৈরি হয়।


লক্ষণসমূহ : ৬০ ভাগ রোগীর কপালে এ লালপ্লাক যা রুপালি আঁশ দিয়ে ঢাকা থাকে প্রকাশ পায়। কী কারণে কপালে বেশি হয় এটা স্পষ্ট নয়।


নখ : নখ, নিচের নখের বিছানা থেকে আলাদা হওয়া এবং ছোট্ট ছোট্ট গর্ত বা লিটিং তৈরি হয়।

তালু : হাত ও পায়ের তালুতে শুধু লালচে প্লাফ কোনো কোনো সময় এটা দেখা যায় না।

ফ্লেক্সার সারফেস : যেমন স্তন ও বগলের নিচে লালচে প্লাক তৈরি হয় এটা রুপালি আঁশ দিয়ে ঢাকা থাকতেও পারে, নাও পারে।


রোগনির্ণয় : বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে ক্লিনিক্যাল ও ফিজিক্যাল পরীক্ষা করার পর নির্দেশমতো নিচের টেস্টগুলো করতে হবে।

থ্রোট সোয়ারব বিটা হেমোলইটিক্সস শনাক্তকরণের জন্য। বায়োপসি-চামড়ার বায়োপিস সর্বোত্তম এবং রোগনির্ণয় টেস্ট।


চিকিৎসা : রোগীকে আশ্বস্ত করা, সান্ত্বনা দেয়া সঠিক ওষুধ সেবন এ রোগের জন্য খুবই জরুরি। মদ্যপান কামনা বা বাদ দেয়া। যেসব কারণে সোরিয়াসিসের প্রকাপ বাড়ে সেগুলো থেকে দূরে থাকে।


ওষুধ : স্থানীয়ভাবে লাগানোর জন্য ক্রিম যেমন অ্যামেলিয়েন্ট কটিকোস্টরয়েড, ভিটামিন ডি প্রতিরোধক, হাল্কাটার চিকিৎসকের পরামর্শমতো আল্টাডায়েনেট থেরাপি যেমন ইউপিএ পিইউডিএ সিস্টেমিক এজেন্ট যেমন সাইক্লোস্পেরিন মেথোট্রেকজেট, ওরাল রেটিনসেভস।

সোমবার, ১৭ মার্চ, ২০২৫

বাপ্পারাজ অভিনীত সকল ছবির লিস্ট দেওয়া হলো। 

 ৯০ দশকের অন্যতম জনপ্রিয়, চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ এর - জন্মদিন উপলক্ষে। বাপ্পারাজ অভিনীত সকল ছবির লিস্ট দেওয়া হলো। 


১- চাপা ডাঙার বউ

২- প্রফেসর

৩- প্রেমের সমাধি

৪- আমার অন্তরে তুমি

৫- বুক ভরা ভালবাসা

৬- প্রেম শক্তি

৭- ঢাকা ৮৬

৮- স্বাক্ষর

৯- রাজা মিস্ত্রি

১০- জিনের বাদশা

১১- স্বাধীন

১২- দংশন

১৩- আজকের হাঙামা

১৪- শান্তি অশান্তি

১৫- প্রেম গীত

১৬- জনম দুঃখী

১৭- ডাকাত

১৮- আইনের হাত

১৯- জজ ব্যারিস্টার

২০- হত্যা

২১- বিদ্রোহী বধূ

২২- বনের রাজা টারজান

২৩- রাগ অনুরাগ

২৪- চাকরানী

২৫- আন্দোলন

২৬- বাংলার কমান্ডো

২৭- হুলিয়া

২৮- নির্মম

২৯- গরিবের ওস্তাদ

৩০- তপাস্য

৩১- আখেরি মোকাবেলা

৩২- গরিবের সংসার

৩৩- বাঘিনী কন্যা

৩৪- মা যখন বিচারক

৩৫- হারানো প্রেম

৩৬- বিদ্রোহী প্রেমিক

৩৭- আজকের সন্ত্রাসী

৩৮- ভুলনা আমায়

৩৯- ২০ বছর পর

৪০- বেঈমানের শাস্তি

৪১- চিরশত্রু

৪২- বাবা কেন চাকর

৪৩- কথা দাও

৪৪- কত যে আপন

৪৫- দুরন্ত প্রেমিক

৪৬- পাগলীর প্রেম

৪৭- বিপদ সংকেত

৪৮- ত্যাজ্যপুত্র

৪৯- প্রতিশ্রুতি

৫০- অচল পয়সা

৫১- মিথ্যার মৃত্যু

৫২- নিস্পাপ বধূ

৫৩- পারলে ঠেকাও

৫৪- দুর্দান্ত দাপট

৫৫- গরিবরাও মানুষ

৫৬- এক‌টি সংসারের গল্প

৫৭- বিশ্ব হারামী

৫৮- সন্তান যখন শত্রু

৫৯- সৎ ভাই

৬০- তুমি যে আমার

৬১- তেজী সন্তান

৬২- বাবা কেন আসামী

৬৩- বিদ্রোহী আসামী

৬৪- প্রেমের নাম বেদনা

৬৫- জবাব চাই

৬৬- ঘরে ঘরে যুদ্ধ

৬৭- মরন নিয়ে খেলা

৬৮- ইবলিশ

৬৯- ভালোবাসা কারে কয়

৭০- ভয়ংকর বদমাশ

৭১- জীবন সিমান্তে

৭২- ভালবাসার যুদ্ধ

৭৩- মনের সাথে যুদ্ধ

৭৪- কোটি টাকার ফকির

৭৫- সবাই তো ভালবাসা চায়

৭৬- ও সাথী রে

৭৭- হৃদয় থেকে পাওয়া

৭৮- আমার স্বপ্ন

৭৯- মা আমার চোখের মনি

৮০- মোস্ট ওয়েলকাম

৮১- কার্তুজ

৮২- মিস কল

৮৩- তুখোড়

৮৪- পোড়ামন ২

৮৫- ফ্লাশব্যাক ৭১

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...