এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ২১ মার্চ, ২০২৫

বোরো  ধানের জমিতে সার প্রয়োগ

 #বোরো  #ধানের জমিতে সার প্রয়োগ

========================

সাধারণভাবে ১৫০ দিনের নিচে স্বল্প মেয়াদি জাত যেমন- ব্রি ধান২৮, ব্রি ধান৪৫, ব্রি ধান৭৪, ব্রি ধান৮১, ব্রি ধান ৮৪, ব্রি ধান৮৬, ব্রি ধান৮৮ ব্রি হাইব্রিড ধান৩, ব্রি হাইব্রিড ধান৫ বা বিনা ধান-১০ এবং বিনা ধান-১৮ এর ক্ষেত্রে------


🌾🌾 বিঘাপ্রতি অর্থাৎ প্রতি ৩৩ শতকে সারের মাত্রা ইউরিয়া ৩৫ কেজি, টিএসপি বা ডিএপি ১২ কেজি, এমওপি ২০ কেজি, জিপসাম বা গন্ধক ১৫ কেজি, দস্তা (মনোহাইড্রেট) ১.৫ কেজি।🌾🌾


 🌾 ১৫০ দিনের বেশি দীর্ঘমেয়াদি জাত যেমন- ব্রি ধান২৯, ব্রি ধান৫০, ব্রি ধান৫৮ বা ব্রি ধান৬৯, ব্রি ধান৮৯ এর ক্ষেত্রে---------


🌾🌾 বিঘাপ্রতি অর্থাৎ প্রতি ৩৩ শতকে সারের মাত্রা ইউরিয়া ৪০ কেজি, টিএসপি বা ডিএপি ১৩ কেজি, এমওপি ২২ কেজি, জিপসাম ১৫ কেজি, দস্তা ১.৫ কেজি। হাওর অঞ্চলের জাতের ক্ষেত্রে প্রতি ৩৩ শতকে সারের মাত্রা ইউরিয়া ২৭ কেজি, টিএসপি বা ডিএপি ১২ কেজি, এমওপি ২২ কেজি, জিপসাম ৮ কেজি, দস্তা ১.৫ কেজি।🌾🌾


 🌾 তবে টিএসপির বদলে ডিএপি সার ব্যবহার করলে বিঘাপ্রতি ৫ কেজি ইউরিয়া সার কম প্রয়োগ করতে হবে।


🌾 টিএসপি বা ডিএপি, এমওপি, জিপসাম ও দস্তা সারের পুরোটাই শেষ চাষের সময় মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। সতর্ক থাকতে হবে দস্তা ও টিএসপি একসাথে না মিশিয়ে পৃথকভাবে প্রয়োগ করতে হবে।


🌾 ইউরিয়া সারকে সমান তিন ভাগে ভাগ করে প্রয়োগ করতে হবে।


 🌾 স্বল্পমেয়াদি জাতের ক্ষেত্রে ১ম কিস্তি চারা রোপণের ১৫-২০ দিন পর, ২য় কিস্তি চারা রোপণের ৩০-৩৫ দিন পর এবং শেষ কিস্তি কাইচথোড় আসার ৫-৭ দিন আগে।


🌾 দীর্ঘমেয়াদি জাতের ক্ষেত্রে ১ম কিস্তি শেষ চাষের সময়, ২য় কিস্তি চারা রোপণের ২০-২৫ দিন পর অর্থাৎ গোছায় কুশি দেখা দিলে এবং শেষ কিস্তি কাইচথোড় আসার ৫-৭ দিন আগে।


🌾 জমিতে পর্যাপ্ত জৈব সার ব্যবহার করতে হবে। জৈব সারের সাথে রাসায়নিক সার সমন্বয় করে ব্যবহার করলে রাসায়নিক সারের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় ও ভালো ফলন হয়। 


🌾  জমিতে বছরে একবার হলেও বিঘাপ্রতি ৭০০ থেকে ৮০০ কেজি জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে।


🌾 আমন মৌসুমে যে জমিতে জৈব সার ব্যবহার করা হবে সে জমিতে বোরো মৌসুমে ইউরিয়া সার নির্ধারিত মাত্রার তিন ভাগের এক ভাগ কম ব্যবহার করতে হবে।


 🌾 টিএসটি ও এমওপি সার অর্ধেক মাত্রায় ব্যবহার করলেও আশানুরূপ ফলন পাওয়া যাবে। এছাড়া ধান কাটার সময় গাছের গোড়া থেকে ১০-১২ ইঞ্চি ওপরে কেটে নাড়া মাটিতে মিশিয়ে দিলে পটাশ সারের পরিমাণ তিন ভাগের এক ভাগ কম লাগে।


🌾 দস্তা বা জিঙ্ক সালফেট সার ফসলচক্রের কোন একটিতে ব্যবহার করলে তা পরবর্তী দুই ফসলের জন্য ব্যবহার না করলেও চলবে। 


🌾 বেলে মাটিতে চার কিস্তিতে ইউরিয়া সার ব্যবহার করাই ভালো। জমিতে ছিপছিপে পানি থাকা অবস্থায় ইউরিয়া সার সমভাবে ছিটানোর পর হাতড়িয়ে বা নিড়ানি দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে পারলে ভালো ফলন আশা করা যায়।


 🌾 ইউরিয়া সারের অপচয়রোধে এবং ইউরিয়া সারের কার্যকারিতা বাড়াতে গুটি ইউরিয়া ব্যবহার করা যেতে পারে। এজন্য এক মৌসুমে প্রতি চারটি গোছার জন্য ২.৭ গ্রাম ওজনের একটি মেগাগুটি প্রয়োগ করলেই যথেষ্ঠ। 


🌾 যদি কোনো কারণে গন্ধক বা দস্তা ব্যবহার করা না হয় তাহলে গাছের গন্ধক বা দস্তার অভাবজনিত লক্ষণ বুঝে সার দিতে হবে।

পারফেক্ট মিষ্টি দই রেসিপি

 পারফেক্ট মিষ্টি দই রেসিপি


মিষ্টি দই তৈরি করা খুব সহজ, তবে নিখুঁত টেক্সচার ও স্বাদ পাওয়ার জন্য কিছু কৌশল মেনে চলতে হয়। 


উপকরণ:


দুধ – ১ লিটার (ফুল ফ্যাট দুধ হলে ভালো হয়)


চিনি – ১৫০-২০০ গ্রাম (স্বাদ অনুযায়ী)


টক দই – ২ টেবিল চামচ (অথবা আগের বানানো মিষ্টি দই)


এলাচ – ২টি (ঐচ্ছিক)


জল/গুঁড়া দুধ – ২ টেবিল চামচ (দইয়ের ঘনত্ব বাড়াতে চাইলে)


প্রস্তুত প্রণালী:


1. দুধ জ্বাল দেওয়া:


দুধ একটি পাত্রে মাঝারি আঁচে বসান।


দুধ ফুটে উঠলে আঁচ কমিয়ে দিয়ে নাড়তে থাকুন, যেন দুধ তলায় না লাগে।


১০-১৫ মিনিট ধরে জ্বাল দিন, যতক্ষণ না দুধ কিছুটা ঘন হয়ে আসে।


2. চিনি ক্যারামেল করা (পারফেক্ট স্বাদের জন্য):


আলাদা একটি পাত্রে ৫০ গ্রাম চিনি দিন এবং কম আঁচে ক্যারামেল করুন।


চিনি গলে গেলে তাতে দুধ ঢেলে দিন এবং ভালোভাবে মিশিয়ে দিন।


বাকি চিনি যোগ করে নাড়তে থাকুন, যতক্ষণ না সব মিশে যায়।


3. দুধ ঠান্ডা করা:


দুধ ঘন হয়ে গেলে সেটিকে ৪০-৪৫°C পর্যন্ত ঠান্ডা হতে দিন (হালকা গরম অনুভূত হবে, বেশি গরম হলে দই ভালো জমবে না)।


4. দই বসানো:


ঠান্ডা হওয়া দুধে টক দই বা আগের বানানো দই মিশিয়ে ভালোভাবে নাড়িয়ে নিন।


মিশ্রণটি একটি মাটির হাঁড়ি বা গ্লাসের বাটিতে ঢেলে দিন।


ঢাকনা দিয়ে ঢেকে গরম জায়গায় ৬-৮ ঘণ্টা (শীতকালে ১০-১২ ঘণ্টা) রেখে দিন।


5. ফ্রিজে রাখা ও পরিবেশন:


দই ভালোভাবে জমে গেলে ফ্রিজে রেখে দিন ২-৩ ঘণ্টা।


ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন!


পরামর্শ:


✔ দই যেন ভালোভাবে জমে, তার জন্য মাটির হাঁড়িতে সেট করলে সবচেয়ে ভালো হয়।

✔ শীতকালে দই দ্রুত বসাতে চুলার পাশে বা ওভেনের ভেতর রাখলে ভালো ফল পাবেন।

✔ ক্যারামেলাইজড চিনির কারণে দইয়ের রং সুন্দর হয় ও স্বাদ বাড়ে।


এইভাবে তৈরি করলে দই একদম বাজারের মতো পারফেক্ট হবে! চেষ্টা করে দেখুন, আর কেমন হলো জানাবেন!

Cp

১ কেজি চাল দিয়ে মুরগির কাচ্চি বিরিয়ানি রেসিপি (৬-৭ জনের জন্য)

 ১ কেজি চাল দিয়ে মুরগির কাচ্চি বিরিয়ানি রেসিপি (৬-৭ জনের জন্য)


এটি কাচ্চি বিরিয়ানির স্টাইলে মুরগি দিয়ে তৈরি হবে, যেখানে মাংস মেরিনেট করে সরাসরি দমে রান্না করা হবে।


---


উপকরণ:


চাল ও মাংস:


বাসমতি/কালোজিরা চাল – ১ কেজি


মুরগি (বড় টুকরা) – ১.৫ কেজি


পেঁয়াজ কুচি – ৩০০ গ্রাম (ভাজা পেঁয়াজ)


টক দই – ২৫০ গ্রাম


আদা বাটা – ৫০ গ্রাম


রসুন বাটা – ৫০ গ্রাম


কাঁচা মরিচ – ৮-১০ টি


লবণ – পরিমাণমতো


মসলা ও অন্যান্য:


হলুদ গুঁড়া – ১ চা চামচ


ধনে গুঁড়া – ১ চা চামচ


জিরা গুঁড়া – ১ চা চামচ


গরম মসলা গুঁড়া – ১ চা চামচ


শুকনা মরিচ গুঁড়া – ১ চা চামচ


তেজপাতা – ২ টি


দারচিনি – ২ টুকরা


লবঙ্গ – ৫-৬ টি


এলাচ – ৫-৬ টি


জয়ফল-জয়ত্রী গুঁড়া – ½ চা চামচ


কেওড়া জল – ২ টেবিল চামচ


গোলাপ জল – ১ টেবিল চামচ


দুধ – ১ কাপ


ঘি – ১০০ গ্রাম


সয়াবিন তেল – ২০০ মি.লি.


ভাত সিদ্ধের জন্য:


পানি – পরিমাণমতো


লবণ – ২ টেবিল চামচ


তেজপাতা – ১ টি


দারচিনি – ১ টুকরা


---


প্রস্তুত প্রণালী:


Step 1: মাংস মেরিনেশন


১. একটি বড় পাত্রে মুরগির মাংস নিয়ে তাতে টক দই, আদা-রসুন বাটা, ধনে-জিরা গুঁড়া, শুকনা মরিচ গুঁড়া, গরম মসলা, লবণ, হলুদ, কেওড়া জল, গোলাপ জল ও সামান্য তেল দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিন।

২. এতে ৫০ গ্রাম ঘি, দুধ ও ভাজা পেঁয়াজ (আধা পরিমাণ) মিশিয়ে নিন।

৩. ১-২ ঘণ্টা ঢেকে রেখে মেরিনেট করুন।


Step 2: চাল রান্না করা


১. ফুটন্ত পানিতে লবণ, তেজপাতা, দারচিনি দিয়ে চাল ৭০% সিদ্ধ করে নিন।

২. চাল ছেঁকে পানি ঝরিয়ে আলাদা করে রাখুন।


Step 3: দমে দেওয়া


১. হাঁড়ির তলায় সামান্য ঘি ও কিছু ভাজা পেঁয়াজ দিন।

২. মেরিনেট করা মুরগি নিচে বিছিয়ে দিন।

৩. এর ওপর আধা সেদ্ধ করা চাল বিছিয়ে দিন।

৪. চালের ওপরে ঘি, কাঁচা মরিচ, কেওড়া জল, গোলাপ জল, বাকি ভাজা পেঁয়াজ ছিটিয়ে দিন।

৫. ঢাকনা বন্ধ করে চারপাশে আটকে দিন (আটা দিয়ে সিল করলে ভালো হয়)।

৬. প্রথমে ১০ মিনিট মাঝারি আঁচে এবং পরে ৩০-৩৫ মিনিট একদম কম আঁচে দমে রাখুন।


বি: দ্র: রেসিপি পছন্দ না হলে নিজের মত করে করবেন


একজন পুরুষ কেমন স্ত্রী অপছন্দ করে?

 ◑ একজন পুরুষ কেমন স্ত্রী অপছন্দ করে?


• অভিযোগকারিণী নারী : যে নারী সমস্যা ও জটিলতা সৃষ্টি করতেই থাকে। যখন স্বামী ঘর থেকে বেরোয়, তখন সে রাগ করে; যখন স্বামী ঘরে ফিরে আসে, তখনও রাগ করে। একটা দিনও তার কারণে ঝগড়া ছাড়া যায় না।


• প্রশ্নকারী নারী : যে নারী সব সময় তার স্বামীর পেছনে লেগে থাকে প্রশ্ন নিয়ে—কী চিন্তা করছেন? কী কাজে ব্যস্ত? আপনি বদলে যাচ্ছেন? কখন আমরা ঘুরতে যাব? এমন নারী সব সময় কিছু না কিছু বলতে থাকবেই আর স্বামীর স্নায়ুতে আঘাত করে করে স্বামীর ধৈর্যের পরীক্ষা নিতে থাকবে। যদিও স্বামী ক্লান্তও হয়ে পড়ে তার কথা শুনতে শুনতে, অথবা কাজে ব্যস্তও থাকে, তবুও সে তার কথা থামাবে না।


• হঠকারী নারী : যে নারী সব সময় তার স্বামীর সামনে হঠকারিতা করতে থাকে। কখনো স্বামীর কথা শুনে না। স্বামীর কোনো কথা-আদেশের অনুসরণ করে না; বরং তার উলটোটা করে। সে তার অভিমতের ওপরই সব সময় দৃঢ় থাকে। খুব কমই তার স্বামীর কথায় তার মন ভেজে।


• উদাসীন নারী : যে নারী নিজের খেয়াল রাখে না, নিজের কাপড়-চোপড়ের খেয়াল রাখে না, বাড়ির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার খেয়াল রাখে না।


• সংশংয়বাদী নারী : যে নারী নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে পারে না। সব সময় মনে করে তার স্বামী অন্য কোনো নারীর পেছনে লেগে আছে বা তাকে ছাড়া অন্য কোনো নারীকে নিয়ে ভাবছে।


এরপর সে তার স্বামীর পেছনে পড়ে যে, তার সন্দেহ ঠিক না ভুল। সে তালাশ করে তার স্বামীর পকেটে, স্বামীর অফিসের কাগজপত্রের ভেতরে বা তার ব্যক্তিগত লাইব্রেরিতে তার সংশয়ের অনুকূলে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় কি না।


• আদবহীন নারী : যে নারী ইসলাম ও শরিয়তের কোনো আদব ও নিয়মের ধার ধারে না, যা ইচ্ছে পরে, যেমন ইচ্ছে তেমন আচরণ করে।


• ধোঁকায় পড়ে থাকা নারী : যে নারী তার আশপাশের লোকদের সামনে অহংকার করে বেড়ায়। অন্যদের সামনে ভাব নেয় যে, তাকে বিয়ে করার মতো কোনো পুরুষ পৃথিবীতে নেই।


• মিথ্যাবাদী নারী : মিথ্যাবাদী নারী হচ্ছে সবচেয়ে বিপজ্জনক নারীদের এক প্রকার।


• দাম্ভিক নারী : যে কেবল নিজের প্রতিই আগ্রহী। যদি স্বামী ঘরে থাকে, তাহলে কেবল তার সাথেই স্বামীকে সময় কাটাতে হবে।


• বাচাল নারী : যে নারী বাচাল, তাকে নিয়ে পুরুষ খুবই ক্লান্ত ও বিরক্ত হয়ে পড়ে।


• ছোট-বড় যেকোনো অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখানো নারী : সব সময় ছোট-বড় যেকোনো কারণে রাগে ফুঁসে ওঠে বা কাঁদতে শুরু করে।


• অতিরিক্ত অভিযোগ শোনা অপছন্দ করে পুরুষ : যে নারী এখন একটা অভিযোগ নিয়ে আসে, একটু পর আরেকটা অভিযোগ নিয়ে আসে স্বামীর মানসিক সমর্থন পাওয়া পর্যন্ত।


• যে নারী পুরুষের সম্মান খর্ব করে সে নারীকে সে অপছন্দ করে। পুরুষের সম্মানে ঘা দেওয়া খুবই সহজ; কিন্তু এ আঘাতের চিকিৎসা করা খুবই কঠিন।


• এমন স্ত্রী যে তার স্বামীর হাল-অবস্থার কোনো কেয়ার করে না। এ নারী স্বামীর কাছে কেবল খারাপ সংবাদ বা পারিবারিক সমস্যা নিয়েই হাজির হয়। ঘরে আসার সাথে সাথে বা ঘুমানোর সময় এসে এসবের ফিরিস্তি খুলে বসে।... তার স্বামী চিন্তিত থাকে, আর সে এক গালে হাসতে থাকে বা স্বামীর নিন্দা করে, তাকে ধমকাতে থাকে।


• বাজারমুখী নারী : যে নারী সব সময় বাজারে গিয়ে কেনাকাটা করতে থাকে আর কখনো সে এটাতে পরিতৃপ্ত হয় না।


• গিবতকারী নারী : যে নারী সব সময় গিবত আর ঝগড়া নিয়ে পড়ে থাকে।


• যে নারী স্বামীর ছাড় দেওয়াকে দুর্বলতা মনে করে : যখন স্ত্রীর গলার আওয়াজ উঁচু হয়, তখন স্বামী চুপ করে সবর করে। কিন্তু এ প্রকারের নারী মনে করে তার স্বামী দুর্বল। এমন সব নারী কোনো স্বামীর পছন্দ নয়।


কোন কোন পয়েন্ট প্রাসঙ্গিক?

জৈব বালাই ব্যবস্থাপনার সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা সমূহ।

 

জৈব বালাই ব্যবস্থাপনার সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা সমূহ।

ফসলের সুরক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বালাইনাশক (pesticide) ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। সাধারণত, এগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়: জৈব বালাইনাশক (biopesticides) এবং রাসায়নিক কীটনাশক (chemical pesticides)। এদের মধ্যে জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

জৈব বালাইনাশকের সংজ্ঞা ও ধরন:

জৈব বালাইনাশক হলো প্রাকৃতিক উৎস থেকে প্রস্তুত কীটনাশক, যা ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, ভাইরাস, উদ্ভিদ নির্যাস এবং অন্যান্য জীবিত বা জৈব উপাদান থেকে তৈরি হয়ে থাকে।

জৈব বালাইনাশকের প্রধান ধরন তিনটি:

১. মাইক্রোবিয়াল বালাইনাশক – ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক বা অন্যান্য জীবাণু থেকে তৈরি।


যেমন: Bacillus thuringiensis (Bt) ব্যাকটেরিয়া, যা শুঁয়োপোকা দমনে ব্যবহৃত হয়।

২. বোটানিকাল বালাইনাশক – উদ্ভিদের নির্যাস থেকে তৈরি।


যেমন: নিম পাতা /তেল, তামাক পাতা, পেঁয়াজ-রসুনের নির্যাস, ছাই, মরিচের গুঁড়ো, পেপারমিন্ট তেল ইত্যাদি।

৩. বায়োকন্ট্রোল এজেন্টস – শত্রু পোকা দমনকারী উপকারী পোকা বা জীবাণু।


যেমন: Trichogramma পরজীবী বোলতা, যা ক্ষতিকর পোকার ডিম ধ্বংস করে।

* এ ছাড়া বিভিন্ন প্রকার ফাঁদ: বালাইনাশক সরাসরি গাছে প্রয়োগ না করে বিভিন্ন প্রকার ফাঁদ স্থাপন করে শত্রু পোকা দমন করা।


যেমন: ফেরমন ফাঁদ, বিষ টোপ, হলুদ আঠা।

* এ ছাড়া ফ্রুট ব্যাগিং করে ফলের মাছি পোকা দমন অত্যান্ত কার্যকারী একটি পদ্ধতি।

জৈব বালাইনাশক ব্যবহারে সুবিধা:

* এটা পরিবেশ বান্ধব: জৈব বালাইনাশক সাধারণত প্রাকৃতিক উৎস থেকে তৈরি হয়, তাই এগুলো পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়।

* জৈব বালাইনাশক মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর জন্য নিরাপদ: জৈব বালাইনাশক রাসায়নিক কীটনাশকের তুলনায় মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর নয়। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে জৈব বালাইনাশকের বিকল্প নেই।

* মাটির উর্বরতা রক্ষা করে: জৈব বালাইনাশক মাটির প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখে এবং উর্বরতা বৃদ্ধি করে।

* উপকারী পোকামাকড়ের ক্ষতি করে না: জৈব বালাইনাশক সাধারণত নির্দিষ্ট কীটপতঙ্গকে লক্ষ্য করে, তাই উপকারী পোকামাকড়ের ক্ষতি করে না।

* দীর্ঘমেয়াদী উপকার: জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের ফলে কীটপতঙ্গের মধ্যে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা কম।

সীমাবদ্ধতা সমূহ:

* ধীর কার্যকারিতা: জৈব বালাইনাশক রাসায়নিক কীটনাশকের তুলনায় ধীরে কাজ করে।

* সংরক্ষণ ও ব্যবহার জটিল: জৈব বালাইনাশক সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা কিছুটা জটিল হতে পারে।

* খরচ বেশি: কিছু জৈব বালাইনাশকের দাম রাসায়নিক কীটনাশকের তুলনায় বেশি হতে পারে।

* কার্যকরিতা কম: কিছু ক্ষেত্রে জৈব বালাইনাশক রাসায়নিক কীটনাশকের মতো কার্যকর নাও হতে পারে।

পরিশেষে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে জৈব বালাইনাশকের বিকল্প নেই। তাই এই দিকে আমাদের মনোযোগী হতে হবে।

সকাল ৭ টার সংবাদ  তারিখ ২১-০৩-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭ টার সংবাদ 

তারিখ ২১-০৩-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


অন্তর্বর্তী সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং কোনো দাবির কারণে ভোট পিছিয়ে দেওয়া হবে না - বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


দ্রুত বিচারের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সংশোধন আইন উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন - বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলায় সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড।


সংস্কার উদ্যোগ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপ শুরু - প্রথম দিনে অংশ নিলো এলডিপি। 


জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কাছে সংস্কার প্রস্তাব জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী - রবিবার মতামত জমা দেবে বিএনপি।


এখন থেকে ঢাকায় নিজস্ব হাইকমিশন থেকে বাংলাদেশিদের ভিসা দেবে অস্ট্রেলিয়া।


আগামী মাসের মাঝামাঝি দেশে ফিরবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।


দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ আটজন বেকসুর খালাস।


গাজায় সর্বশেষ ইসরাইলী হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১০-এ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০৩-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২০-০৩-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দ্রুত বিচারের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সংশোধন আইন উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন --- বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলায় সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড।


সংস্কার উদ্যোগ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপ শুরু --- আজ প্রথম দিনে অংশ নিলো এলডিপি।


জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংস্কার প্রস্তাবে রোববার মতামত জমা দেবে বিএনপি --- আজ জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।


এখন থেকে ঢাকায় নিজস্ব হাইকমিশন থেকে বাংলাদেশিদের ভিসা দেবে অস্ট্রেলিয়া।


আগামী মাসের মাঝামাঝি দেশে ফিরবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।


দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ আটজন বেকসুর খালাস।  


গাজায় আজ ভোর থেকে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৯৫ ফিলিস্তিনি নিহত।


এবং এএফসি এশিয়ান কাপ ফুটবলের বাছাই পর্বে অংশ নিতে ভারতের শিলং পৌঁছেছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল।

মহাকাশে থাকাকালীন দুই নভশ্চর খেতেন পৃথিবীতে রান্না করা বেশ কিছু উচ্চক্য ক্যালরিযুক্ত খাবার "

 " মহাকাশে থাকাকালীন দুই নভশ্চর খেতেন পৃথিবীতে রান্না করা বেশ কিছু উচ্চক্য ক্যালরিযুক্ত খাবার "


🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺


❤️❤️নাসার মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস এবং বুচ উইলমোর সহ মোট চার জনকে নিয়ে ফ্লোরিডা উপকূলে সফলভাবে অবতরণ করেছে ইলন মাস্কের সংস্থা স্পেসএক্সের মহাকাশযান ড্রাগন। বোয়িং স্টারলাইনারে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তাঁদের আট দিনে অভিযান পরিণত হয় নয় মাসের দীর্ঘ অপেক্ষায়।পৃথিবী থেকে ২৫৪ মাইল (৪০৯ কিমি) উপরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস)। প্রায় ২৫ বছর ধরে বিশ্বের নানা দাশের নভোচারীদের আতিথেয়তা দিয়ে আসছে।💜💜


🚀🚀🚀🚀🚀🚀🚀🚀🚀🚀🚀🚀🚀🚀🚀🚀


❤️❤️আমেরিকা এবং রাশিয়া মূলত ছোটখাটো এই মাঠের আকারের এই গবেষণাগারটি পরিচালনা করে। এটি বৈজ্ঞানিক সহযোগিতার একটি মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। বুচ এবং সুনীতা দু'জনেই নৌবাহিনীর পরীক্ষামূলক পাইলট ছিলেন। পরে তাঁরা নাসায় যোগ দেন। ৬২ বছর বয়সী বুচ টেনেসিতে হাই স্কুল এবং কলেজ জীবনে ফুটবল খেলোয়াড় ছিলেন। আর ৫৯ বছর বয়সী সুনীতা ম্যাসাচুসেটসের নিডহ্যামের একজন প্রতিযোগিতামূলক সাঁতারু এবং দৌড়বিদ ছিলেন।💜💜


🛸🛸🛸🛸🛸🛸🛸🛸🛸🛸🛸🛸🛸🛸🛸🛸


❤️❤️মহাকাশে থাকাকালীন বুচ তাঁর ছোট মেয়ের কলেজের বেশিরভাগ সময় মিস করেছেন। অন্যদিকে, সুনীতা মহাকাশ থেকে ইন্টারনেট কলের মাধ্যমে তাঁর স্বামী, মা এবং আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন।মাসের পর মাস মহাকাশে থাকার ফলে নানা শারীরিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় মহাকাশচারীদের। কারণ সেখানে মাধ্যাকর্ষণ বলে কিছুই নেই। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে পেশী এবং হাড়ের ক্ষয়, শরীরে তরলের ঘাটতি যার ফলে কিডনিতে পাথর হতে পারে, দৃষ্টি সমস্যা এবং মাধ্যাকর্ষণে ফিরে আসার পরে ভারসাম্য ফিরে পাওয়া।💜💜 


🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷


❤️❤️এই সব সমস্যার জন্য ভালভাবেই দু'জনকে প্রস্তুত করেছে নাসা। আইএসএস-এ যাওয়ার তিন মাস পর থেকে সেখানকার কমান্ডার ছিলেন সুনীতা। বাড়ি ফেরার আগের দিন পর্যন্ত তিনি সেই দায়িত্বেই ছিলেন।গত বছরের ১৮ নভেম্বর, দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্ট তাঁদের একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, বুচ এবং সুনীতা আইএসএস-এ পিৎজা, রোস্টেড চিকেন এবং চিংড়ির ককটেল খাচ্ছিলেন। প্রতিবেদনে উল্লেখিত বোয়িং স্টারলাইনার মিশনের বিষয়গুলির সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্র জানিয়েছে, ক্রুদের পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ারই শুধু নির্দেশ ছিল। মহাকাশচারীদের প্রাতঃরাশে সিরিয়াল, গুঁড়ো দুধ, পিৎজা, রোস্ট চিকেন, চিংড়ি ককটেল এবং টুনা খাওয়ার সুযোগ ছিল।💜💜 


🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀🥀


❤️❤️নাসার চিকিৎসকরা তাঁদের ক্যালোরি গ্রহণের উপর একটানা নজরদারি করত। ৯ সেপ্টেম্বর নাসা-প্রকাশিত একটি ছবিতে বুচ এবং সুনীতাকে আইএসএস-এ খাবার খেতে দেখা গিয়েছিল। প্রথমে তাজা ফল এবং সবজি পাওয়া যেত। কিন্তু তা তিন মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। সমস্ত মাংস এবং ডিম আগে থেকে পৃথিবীতে রান্না করা। কেবল গরম করার প্রয়োজন হত। স্যুপ, স্টু এবং ক্যাসেরোলের মতো ডিহাইড্রেটেড খাবারগুলিকে আইএসএসের ৫৩০ গ্যালন বিশুদ্ধ জলের ট্যাঙ্কের জল ব্যবহার করে পুনরায় হাইড্রেট করা হত।💜💜


🌀🌀🌀🌀🌀🌀🌀🌀🌀🌀🌀🌀🌀🌀🌀🌀


✴️✴️✴️স্থিরচিত্র সৌজন্যে::-- media.assettype.com


#জ্ঞানওবিজ্ঞান #জ্ঞানওবিজ্ঞানফেসবুকপেজ #fbviral

#fbpost #fbpost2025 #unbelievable #amazing #amazingfacts #unknown #unknownfacts #quiz #quiztime #generalknowledge #SunitaWilliams #buchwillmore #astronaut #highproteinfood #highcaloriefood #gravity #spaceship

বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ, ২০২৫

বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো আলোকে একটি "সুপারসলিড" বস্তুতে রূপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন, 

 বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো আলোকে একটি "সুপারসলিড" বস্তুতে রূপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন, যা একই সঙ্গে কঠিন এবং তরল। এর আগে পরমাণুর মাধ্যমে সুপারসলিড তৈরি করা সম্ভব হলেও, এবারই প্রথমবার আলো ও পদার্থকে সংযুক্ত করে এটি তৈরি করা হয়েছে। গবেষকরা বলছেন, এই নতুন আবিষ্কার পদার্থবিজ্ঞানের জটিল বিষয়গুলো বুঝতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। সুপারসলিড হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কণাগুলো একটি নির্দিষ্ট স্ফটিক গঠন ধরে রাখে, কিন্তু একই সময়ে তরলের মতো প্রবাহিত হতে পারে। এটি সাধারণ বস্তু থেকে আলাদা কারণ এতে আভ্যন্তরীণ ঘর্ষণ (ভিসকোসিটি) থাকে না।


সুপারসলিড তৈরি করতে অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রা প্রয়োজন, সাধারণত শূন্যের কাছাকাছি (-273.15° C)। উচ্চ তাপমাত্রায় কণাগুলো অত্যন্ত বেশি শক্তি পায়, ফলে তারা নিয়মিত ও সুশৃঙ্খলভাবে চলাচল করতে পারে না। কিন্তু যখন তাপমাত্রা একেবারে কমে যায়, তখন কণাগুলো তাদের সর্বনিম্ন শক্তির অবস্থানে চলে যায় এবং কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী আচরণ করতে শুরু করে। বিজ্ঞানীরা আলো ও কোয়ান্টাম কণাকে সংযুক্ত করে "পোলারিটন" নামক কণার মাধ্যমে এই সুপারসলিড তৈরি করেছেন, যা আলো ও পদার্থের মিশ্রণ। এটি পদার্থবিজ্ঞানের গবেষণার জন্য এক যুগান্তকারী আবিষ্কার।


সুপারসলিডের গবেষণা ভবিষ্যতে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, সুপারকন্ডাক্টর, ঘর্ষণহীন লুব্রিক্যান্ট এবং আরও বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তির উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে। এটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণা ও তাদের মিথস্ক্রিয়া বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যা আমাদের মহাবিশ্বের মৌলিক গঠন সম্পর্কে নতুন ধারণা দিতে পারে।

নারিকেল গাছের সার ব্যবস্থাপনা জেনে রাখুন

 নারিকেল গাছের সার ব্যবস্থাপনা জেনে রাখুন

যেকোন বয়সের নারিকেল গাছের জন্যে দুই কিস্তিতে সার প্রয়োগ করতে হবে। প্রথম কিস্তিতে নিচের উল্লেখিত সারের অর্ধেক পরিমাণ বৈশাখ- জৌষ্ঠ মাসে এবং দ্বিতীয় কিস্তিতে বাকি অর্ধেক সার আশ্বীন মাসে গাছের গোড়া থেকে চতুর্দিকে ১ মিটার বাদ দিয়ে ১.০-২.৫ মিটার দূর পর্যন্ত মাটিতে ২০-৩০ সে.মি গভীরে প্রয়োগ করতে হবে। সার দেয়ার পর মাটি কুপিয়ে দিতে হবে।এ সময় মাটিতে রস কম থাকলে অবশ্যই সেচ দিতে হবে। বেশি শুষ্কতা ও বেশি বৃষ্টিপাতের সময় সার প্রয়োগ করা ঠিক হবেনা।


গাছ লাগানোর পর প্রতিবছর নিম্নলিখিত হারে সার প্রয়োগ করতে হবেঃ


১-৪ বছর বয়সী নারিকেল গাছের জন্যে-


ভার্মি কম্পোস্টঃ ১০ কেজি

ইউরিয়াঃ ২০০ গ্রাম

টিএসপিঃ ১০০ গ্রাম

এমওপিঃ ৪০০ গ্রাম

জিপসামঃ ১০০ গ্রাম

জিংক সালফেটঃ ৪০গ্রাম

বোরিক এসিডঃ ১০ গ্রাম


৫-৭ বছর বয়সী নারিকেল গাছের জন্য


ভার্মি কম্পোস্টঃ ১৫ কেজি

ইউরিয়াঃ ৪০০গ্রাম

টিএসপিঃ ২০০গ্রাম

এমওপিঃ ৮০০গ্রাম

জিপসামঃ ২০০গ্রাম

জিংক সালফেটঃ ৬০গ্রাম

বোরিক এসিডঃ ১৫ গ্রাম


৮-১০ বছর বয়সী নারিকেল গাছের জন্যে-


ভার্মি কম্পোস্টঃ ২০ কেজি

ইউরিয়াঃ ৮০০গ্রাম

টিএসপিঃ ৪০০গ্রাম

এমওপিঃ ১৫০০ গ্রাম

জিপসামঃ ২৫০গ্রাম

জিংক সালফেটঃ ৮০গ্রাম

বোরিক এসিডঃ ২০ গ্রাম


১১-১৫ বছর বয়সী নারিকেল গাছের জন্যে-


ভার্মি কম্পোস্টঃ ২৫ কেজি

ইউরিয়াঃ ১০০০গ্রাম

টিএসপিঃ ৫০০ গ্রাম

এমওপিঃ ২০০০গ্রাম

জিপসামঃ ৩৫০গ্রাম

জিংক সালফেটঃ ১০০গ্রাম

বোরিক এসিডঃ ৩০ গ্রাম


১৬-২০ বছর বয়সী নারিকেল গাছের জন্যে-


ভার্মি কম্পোস্টঃ ৩০ কেজি

ইউরিয়াঃ ১২০০গ্রাম

টিএসপিঃ ৬০০গ্রাম

এমওপিঃ ২৫০০গ্রাম

জিপসামঃ ৪০০গ্রাম

জিংক সালফেটঃ ১৫০গ্রাম

বোরিক এসিডঃ ৪০গ্রাম


২০ বা তার ঊর্ধ্ব নারিকেল গাছের জন্যে-


ভার্মি কম্পোস্টঃ ৪০ কেজি

ইউরিয়াঃ ১৫০০গ্রাম

টিএসপিঃ ৭৫০গ্রাম

এমওপিঃ ৩০০০গ্রাম

জিপসামঃ ৫০০গ্রাম

জিংক সালফেটঃ২০০গ্রাম

বোরিক এসিডঃ ৫০ গ্রাম


মনে রাখতে হবেঃ


একটা সুস্থ নারিকেল গাছের পাতা লম্বায় জাতভেদে ২.৫-৩.৫ মিটার হতে পারে। সুস্থ, সবল একটা গাছের পাতার সংখ্যা ৩২-৪০টা।


পাতাগুলো যত উপরমুখী হবে এবং সংখ্যায় তা যত বেশি হবে, গাছ সাধারণত তত বেশি ফুল-ফল দানে সক্ষম হবে।


ভালো যত্ন ও সঠিক ব্যবস্থাপনায় কাণ্ড থেকে প্রতি মাসে একটা করে ঊর্ধ্বমুখী হয়ে পাতা বের হয় এবং সে পাতার গোড়ালি থেকে বয়স্ক গাছে ফুল-ফলের কাঁদি বের হয়।


নারিকেল গাছের ডালা কখনোই কাটা যাবে না। এ পাতা হলুদ হয়ে শুকানোর আগ পর্যন্ত কোনো মতেই কেটে ফেলা যাবে না। এ গাছ ঠিক কলা গাছের মতো ‘রুয়ে কলা না কেটো পাত, তাতেই কাপড় তাতেই ভাত’ খনার বচনটা এ গাছের জন্য একেবারে প্রযোজ্য।


যেহেতু একটা সুস্থ গাছে প্রতি মাসে একটা করে পাতা বের হয় এবং তা প্রায় তিন বছরের মতো বাঁচে সে হিসাব করলে একটা ফলন্ত, সুস্থ, সবল গাছে ৩২-৪০টা পাতা থাকার কথা। গাছে এ সংখ্যা ২৫ টার নিচে থাকলে ধরে নিতে হবে গাছটা খাবার ও যত্নের অভাবে বড় কষ্টে আছে। পাতার সংখ্যা ২০ টার নিচে নেমে গেলে গাছে ফুল ফল ধরা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর্যায়ে চলে যাবে।

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১৪-০৫-২০২৬

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১৪-০৫-২০২৬ আজকের সংবাদ শিরোনাম আগামী বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জানুয়ারিতে, এইচএসসি জুনে --- জানালেন শিক...