এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৫

আমি 'চ' উচ্চারণ করতে পারতাম না।

 আমি 'চ' উচ্চারণ করতে পারতাম না।

বাবা লালচোখে তাকিয়ে বলতেন─ "ওটা 'ত' নয় ব্যাটা! ওটা 'চ'।"

বাবা আমাকে বর্ণমালা চিনিয়েছিলেন।


শৈশবে, বিছানা ভেজানোর পর ফুঁপিয়ে কাঁদতাম আমি সারারাত জেগে।

মা আমাকে বকতেন না, তবুও।

বাবাকে ভয় পেতাম আমি।


ভূগোল ক্লাসে পণ্ডিত স্যার প্রশ্ন করেছিলেন─ "দুনিয়ার উচ্চতম পর্বত কোনটা বল দিকিনি?"

আমি হাত তুলেছিলাম, নির্দ্বিধায় বলেছিলাম─ "আমার বাবা।"

আমার বাবার চেয়ে বিশালতর কাউকে আমি স্বীকার করিনি।


সিগারেট ফুঁকতে পারিনি কোনোদিন, বাবার ভয়ে।

বন্ধুর কাঁধে হাত রেখে বলতে পারিনি─ "দোস্তো রে, ওপাড়ার নাঈমা আমাকে ঘুমোতে দেয় না!"

বাবার ভয়ে।

গুনগুনিয়ে রবীন্দ্রনাথ গাইতে গিয়েও গাইতে পারিনি কখনো,

বারবার মনে হতো এই বুঝি বেসুরকে তিরস্কার করছেন বাবা!


অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটারে আমার নামের নিচে লিখা ছিল─

পিতা─ আলী আহমেদ ইঞ্জিনিয়ার;

এর নিচে কী লিখা ছিল পড়ে দেখার সাহস ছিল না আমার,

পড়ে দিয়েছিলেন বাবাই।


মায়ের জন্য শাড়ি কিনতে গিয়ে, ইচ্ছে করতো ঘিয়ে পাঞ্জাবিটা কিনি আমার বাবাটার জন্য,

কিনতে পারিনি কোনোদিন─

বাবাকে আমি ভয় পেতাম।


আমার জামার সুতোগুলোয় আমার বাবার ঘাম মাখা,

আমার উচ্চারিত বর্ণমালায় আমার বাবার লালচোখ,

আমার ভেঙে যাওয়া ঘুমের পিঠে আমার বাবার শাসন,

আমার কিনতে না-পারা ঘিয়ে পাঞ্জাবিটায় আমার একফোঁটা অশ্রু।

আমার বুকের ভিতরে জগতের বিশালতম পর্বতটার উচ্চতম শিখর আমার বাবার সটান মাথাটি।


এখন আমি রোজ বসে থাকি আমার বাবার পাশে,

বাবা হুইলচেয়ারে বসে তাকিয়ে থাকেন দিগন্তের দিকে।

বাবা আজ কুঁকড়ে থাকেন হুইলচেয়ারের কোমরের কাছে।

বাবাকে এখন আমি কোলে করে উঠোনে নিই, আকাশ দেখাই, শোনাই তাঁর প্রিয় রবীন্দ্রনাথ─

"অলকে কুসুম না দিয়ো, শুধু শিথিল কবরী বাঁধিয়ো।"...

আমার বাবার গায়ে ঘিয়ে পাঞ্জাবি।


বাবা, আমার উচ্চারিত প্রত্যেকটি শব্দের প্রথম বর্ণটি 'ব';

বাবা, আপনি তো জানেন না, মানুষের উচ্চারিত প্রতিটি শব্দের প্রথম বর্ণটি─ 'ব'।


Salah Uddin Ahmed Jewel 

#উচ্চতম_পর্বত, ০১.০৪.২০২০

কি ভয়াবহ কালচার গড়লাম আমরা চট্টলাবাসী

 কি ভয়াবহ কালচার গড়লাম আমরা চট্টলাবাসী!! 💔


পরিচয় না দিয়েই আমার জীবনের ঘটনা শেয়ার করছি। আমি একজন সরকারী ব্যাংকার। সিনিয়র অফিসার হিসাবে আছি আজ ৩.৫ বছর হলো। মধ্যবিত্ত ফ্যামিলি থেকে টিউসান কোচিং পড়িয়ে ২০২১ এ চাকরীতে জয়েন করি। খুব একটা সচ্ছ্বল কখনোই ছিলাম না কিন্তু কখনো ঋণগ্রস্তও ছিলাম না।


২০২৩ বিয়ে হলো। চেয়েছিলাম মন্দিরে বিয়ে করবো। কিন্তু সমাজের বাস্তবতা সেটা করতে দেয় নি। আমার নিজের পছন্দের বিয়ে ছিলো। দুই পরিবারের কেউই মন্দিরে বিয়ের পক্ষপাতী না, কারণ আমি বংশের সবার ছোটো আর সে সবার বড়। আমার বাবার শেষ কথা বিয়েতে সব আত্মীয় আর পরিচিতদের খাওয়াতেই হবে না হলে সে বিয়েতে যাবে না, তাঁর একটা সম্মান আছে না!!?


বিয়ে বৌভাত ফটোশ্যুট সব-ই করতে হলো। দুই পরিবারের মিলিয়ে ২৪ লাখ চলে গেলো। আমার নিজের গেলো ১১ আর তার বাবার গেলো ১৩ লাখ। 


একজন সরকারী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসারের কতোই বা বেতন। যারা এই লাইনে আছে তারাই জানেন। তো এই খরচ কোথা থেকে আসলো? ঋণ আর ক্রেডিট কার্ড থেকে।  বিয়ের পরে তো আরো খরচ শুরু৷ এই নিমন্ত্রণ ঐ নিমন্ত্রণ।  আর চট্টগ্রামের মানুষের তো আর অল্পতে মন ভরে না। কোথাও হাতে করে কম নিলেই হলো মেয়ের আত্মীয়ের বাসায় কম নিলে ছেলে নাথা (কিপটা) আর ছেলের আত্মীয়ের বাসায় নিলে বউ এর কথায় উঠাবসা শুরু এই কথা শুনে যেতে হয়।


বিয়েতে ফটোশুটেই গেলো ১ লাখ এর কাছাকাছি।  যদিও প্রিউইডিং কালার ফেস্ট করতে পারলাম না। কিন্তু বাগদত্তার কান্নাকাটিতে করতেই হলো। তার যুক্তি বিয়ে তো করবো একবার। সে যাই হোক বিয়েতে আবার দুই পক্ষ মিলে ৭০০+ অতিথি আর বৌভাতেও ঐরকম ৬০০+ অতিথি সৎকার করা হলো। 


এইসব কথা কেনো বলছি!!? 


এইবার কর্মের ফল নিয়ে বলি কেমন?


প্রথমে সংক্ষেপে আমার শ্বশুড় বাবার টা বলি। উনি কিছু টাকা জমিয়েছিলেন আর বাকি টাকা ধার। বর্তমানে সেই সেই ধারের টাকা শোধ দিতে দিতে তার ব্যবসার অবস্থা খারাপ। মূলধন শেষ কোনোরকমে দোকান নিয়ে আছে। বেশি আর বললাম না।


আমার কথায় আসার যাক। ৫ লাখ ঋণ আর ৩ লাখের ক্রেডিট কার্ড দিয়ে বিয়ে তো করে নিলাম। হাতে তো বেতনের বাইরে আর টাকা আসে না। নতুন বিয়ে দুইটা টিউসান করতাম বিয়ের পর সেই টিউসান গুলোও চলে গেলো। এই সময়ে যা হয় বৃদ্ধ বাবা মায়ের ঔষুধ নিজেদের খরচ সংসার খরচ করে আর কুলিয়ে উঠা সম্ভব হচ্ছে না। ক্রেডিট কার্ড একটা শোধ করতে আরেকটা নিতে লাগলাম। সেটা শোধ করতে আরেকটা এভাবে ক্রেডিট বার্নিং বাড়তে লাগলো। বাবা অসুস্থ হলো। অনেক টাকা দরকার বাবাকে বাঁচানোর জন্য। অনেক ট্রাই করলাম তাও বাবাটা থাকলো না চলে গেলো। 


শেষ কৃত্য শ্রাদ্ধ কর্ম করতে আরো ঋণ হলো। ব্যাংক ঋণ আরো বাড়লো। মানুষের থেকে ধার নিয়ে ঋণ আরো বাড়লো। 


বউ এখন অসুস্থ সামনে আরো খরচ।


অফিসের বাইরে ১টা টিউসান করি । সেটাও চলে যাবে এস এস সি দিচ্ছে। দুইটা কোচিং এ শুক্রশনিবার ক্লাস নি। ঋণের বোঝা কমে না। মাঝে মাঝে টিউসান না থাকলে ১০ কিমি দূরের অফিস থেকে হেঁটে আসি। আর ভাবি একটা সময় ছিলো যখন আমি টিউসান করাতাম আর কোচিং এ ক্লাস নিতাম তখন এখনের চেয়ে অনেকগুণ বেশি আয় করতাম নিজের ইচ্ছেমতো খেতাম, কিনতাম, চলতাম কিন্তু তখন কেউ সম্মান দিতো না বেকার বলতো। এখন সম্মান দেয় কথার মূল্য দেয় কিন্তু পকেট খালি, মাঝে মাঝে এমন দিন যায় সকালে দুইটা রুটি দুপুরে বাসা থেকে আনা ভাত সবজি আর রাতে দুইটা ভাত খেয়ে আমার দিন কেটে যায়। একটা সিংগারা কিনে খাওয়ার ইচ্ছে হলেও মা আর বৌ এর মুখের কথা ভেসে উঠে চোখে তাই আর কিনি না।


বৌ চাকরীর ট্রাই করেছিলো, ঢাকায় গিয়ে এক্সাম দেয় কিন্তু চাকরী হয় নি। বাসায় ২-৩ জন এসে পড়ে। পরিবর্তিত পরিস্থিতে সনাতনীদের আগের মতো চাকরী জুটবে নাকি সেই নিশ্চয়তা এখন আর নেই। আমি জানি আমার মতো এই অবস্থা অনেকেরই। আমি কোনো সাহায্যের জন্য এই পোস্ট করি নি। আমি শুধু চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চেয়েছি বর্তমান সনাতনী সমাজের কঙ্কালসার অস্তিত্বকে। পকেটে টাকা না থাকলেও শুধু সামাজিক ভাবে হেয় না হওয়া ভয়ে আর আত্ম অহংকারকে সঙ্গী করে চলা এই আমরাই আমাদের আর্থিকভাবে শেষ করে দিচ্ছি।


আমিই মূলত সব থেকে বেশি দোষী, নিজের জিদ নিয়ে অটল হয়ে থাকলে সামাজিক অনুষ্ঠানের নামে এতো খরচ হতো না। 


ধনী সনাতনীরা ফটোশ্যুট প্রি ওয়েডিং পোস্ট ওয়েডিং করে তখন মধ্যবিত্তদেরও লোভ জাগে এগুলো করার। আর লোভে তো কী হয় আমরা তো জানি। ফল তো আমি পেয়ে যাচ্ছি। আমি জানি আমি উঠে দাঁড়াবো হয়তো ৫ বছর লাগবে বা আরো বেশি, কিন্তু এই সময়ে যে কষ্ট পাচ্ছি তা আমার আমাদের কর্মের-ই ফল। 


এই পোস্টের মূল উদ্দেশ্য তখনই সিদ্ধ হবে তখন-ই যখন বিয়ের নামে অযাচিত খরচ থেকে কোনো সনাতনী নিজেকে বাঁচাতে পারবে। 


আমাদের জন্য আশীর্বাদ করবেন যাতে আমি অতি শীঘ্র ঘুরে দাঁড়াতে পারি।


© শাস্ত্রপৃষ্ঠ গ্রুপ থেকে নেওয়া একজন দাদার পোস্ট

নিজের পায়ে কুড়াল মারা ২টি আর্থিক স্বিদ্ধান্ত ||

 ||@|| নিজের পায়ে কুড়াল মারা ২টি আর্থিক স্বিদ্ধান্ত ||@||


সম্পূর্ণ নিজের অভিজ্ঞতা থেকে মানুষের কিছু ভুল শেয়ার করছি। অনেকেই নিজের জীবনের সাথে রিলেট করতে পারবেন। 


বিশেষ করে যারা নিয়মিত গ্রামের বাড়িতে যাতায়াত করেন, তারা ভালো ভাবে বুঝতে পারবেন।


বিদেশি লেখকদের বই বা ভিডিওতে এসব জিনিস পাবেন না। 😊 


A. ভুল স্বিদ্ধান্ত ১: পারিবারিক জমিতে বাড়ি করা


জমিটা বাবার/ মায়ের/ দাদার নামে। কিন্তু কোটি টাকা খরচ করে বাড়ি করলেন আপনি।


কোন লাভ নাই। জমির মত বাড়িটাও ভাগ হবে। 

কারণ জমির দলিল থাকে, বিল্ডিং এর কোন দলিল নাই। 

বাড়ি করার খরচ যে আপনি দিছেন, তার কোন ডকুমেন্ট নাই। বেশি ক্যাঁচাল করলে বলবে, "যা তোর বাড়ি তুই ইট খুলে নিয়ে যা"।


- জরুরী প্রয়োজনে টাকার দরকার হলে, বাড়ি বেঁচতে পারবেন না।

- কপাল খারাপ হলে, ভাই-বোনেরা সবাই এক হয়ে আপনাকে বাড়ি থেকে বের করেও দিতে পারে। 


--> ভুল স্বিদ্ধান্তের কারণ:


হাতের পাঁচ আঙ্গুল যেমন সমান হয়না, তেমনি সব ভাই-বোনের আর্থিক অবস্থাও সমান হয়না। যার টাকা বেশি, তার উপর প্রেশার আসে।


অনেক সময় সমাজে নিজেদের অবস্থান দেখানোর জন্য মানুষ প্রয়োজন না থাকলেও বাড়ি বানায়।


অনেক সময় বাবা-মা (বিশেষ করে মা) স্বচ্ছল সন্তানের উপর প্রেশার ক্রিয়েট করেন যাতে সে নিজের টাকা খরচ করে পারিবারিক জমিতে বাড়ি বানায় এবং সেই বাড়িতে সব সন্তান একসাথে থাকতে করতে পারে।


--> সমাধান কি?


যাদের আনলিমিটেড টাকা আছে, তাদের সমাধানের দরকার নাই। বাড়ি করেন। কিছু মানুষের উপকার হোক।


যাদের লিমিটেড টাকা, তারা জমিটা নিজের নামে করে নিয়ে বাড়ি বানানোর চিন্তা করতে পারেন। 


(যদিও আমি ব্যক্তিগত ভাবে বাড়ি করার পেছনে মোটা অংকের টাকা বিনিয়োগ করার পক্ষপাতি না। কারণ বিনিয়োগের অনুপাতে রিটার্ন খুব কম পাওয়া যায়। গ্রামের বাড়িতে হলে তো কোন রিটার্নই পাওয়া যায়না) 


পারিবারিক জমিতে বাড়ি যদি করতেই হয়, তবে সবার কাছ থেকে সমান টাকা নিয়ে বাড়ি করেন। এতে যদি টিনশেড বাড়ি করতে হয়, তাই করেন। 


B. ভুল স্বিদ্ধান্ত ২: ভাইবোন বা ঘনিষ্ঠ আত্নীয়কে বিপুল পরিমাণ টাকা ধার দেওয়া


আবার সেই আগের কথা। হাতের পাঁচ আঙ্গুল সমান হয়না। 

যার টাকা বেশি থাকে, তার কাছে প্রত্যাশাও বেশি থাকে। 


বিভিন্ন কারণে মানুষ ভাই-বোন বা ঘনিষ্ঠ আত্নীয়-স্বজনকে বিশাল অংকের টাকা ধার দিয়ে থাকে।


- ব্যবসার মূলধন যোগান দেয়া

- বিদেশ যাওয়ার খরচ

- সরকারি চাকরির জন্য ঘুষ


বিপুল পরিমাণ টাকা ধার দিয়ে, আশা থাকে একসময় টাকা ফেরত দিবে। 

ফেরত যদি না-ও দেয়, অন্তত: কৃতজ্ঞ থাকবে। 


কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় টাকাও ফেরত দেয়না এবং কৃতজ্ঞতাও স্বীকার করেনা। উল্টো শত্রুতা করে। 


--> সমাধান কি?


যা দিবেন, ফি সাবিলিল্লাহ দিয়ে দেন। এমন অংকের টাকা দিবেন যাতে খুব বেশি গায়ে না লাগে।

 

দেয়ার সময়ই বলে দিতে পারেন, "দিতে পারলে দিবি, না দিতে পারলে নাই"।


মনেও শান্তি থাকবে, সম্পর্কও ঠিক থাকবে। 😎


Source: Internet

বন্ধ্যাত্ব কোন অভিশাপ নয়

 ♥বন্ধ্যাত্ব কোন অভিশাপ নয়

♥সঠিক চিকিৎসায় বন্ধ্যাত্ব রোগ ভাল হয়৷

♥অপ্রয়োজনীয় সিজার কে বর্জন করুন৷

♥নিরাপদ নরমাল ডেলিভারিকে উৎসাহিত করুন 

♥ইনফার্টিলিটি ও IUI এ উচ্চতর প্রশিক্ষন প্রাপ্ত৷

এমবিবিএস,বিসিএস(স্বাস্থ্য) এমএস (গাইনী&অবস্)ডিএমইউ

চেম্বারঃ

এলিট কেয়ার হাসপাতাল

ইনফার্টিলিটি সেন্টার

সদর হাসপাতাল সংলগ্ন

রথখোলা,জয়দেবপুর,গাজীপুর৷

শনি থেকে বুধবার(বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা)

শুক্রবার (সকাল ১০টা-১টা এবং বিকেল ৫টা-৯টা)

সিরিয়াল নাম্বার:01710646621

খালি পেটে লবঙ্গ খাওয়া কি উপকারী?

 খালি পেটে লবঙ্গ খাওয়া কি উপকারী?

•••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••

লবঙ্গ একটি সুপরিচিত মসলা, যা খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি ওষুধ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ।


লবঙ্গের পুষ্টিগুণ


লবঙ্গ ছোট হলেও এতে রয়েছে অসংখ্য উপকারী পুষ্টি উপাদান। যেমন-

ভিটামিন সি – রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

ভিটামিন কে – রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে

ফাইবার – হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করে

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (ইউজেনল) – দেহ থেকে টক্সিন বের করে

ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম – হাড়ের গঠন মজবুত রাখে

অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান – শরীরের প্রদাহ কমায়


খালি পেটে লবঙ্গ খাওয়া কি উপকারী?


অনেকেই সকালে খালি পেটে লবঙ্গ খাওয়ার পরামর্শ দেন। পুষ্টিবিদ আঞ্জুমান আরা শিমুল জানান, খালি পেটে লবঙ্গ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে এটি পরিমিত মাত্রায় খাওয়াই ভালো। এটি হজমশক্তি বাড়ানো, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, ওজন কমানোসহ অনেক উপকার করতে পারে। তবে অতিরিক্ত গ্রহণ করলে গ্যাস্ট্রিক, রক্তপাত বা লিভারের সমস্যা হতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিয়মিত লবঙ্গ খেলে সর্বোচ্চ উপকার পাওয়া যাবে।


খালি পেটে লবঙ্গ খাওয়ার উপকারিতা


১. হজমশক্তি বাড়ায়


লবঙ্গ হজমের জন্য খুবই উপকারী। এতে থাকা এনজাইম হজম প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে, গ্যাস, বদহজম এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। খালি পেটে লবঙ্গ খেলে পেট ফাঁপা বা অম্বলের সমস্যা কমে।


২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়


লবঙ্গের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি ঠান্ডা-কাশি, সংক্রমণ এবং বিভিন্ন ভাইরাসজনিত রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।


৩. ওজন কমাতে সাহায্য করে


খালি পেটে লবঙ্গ খেলে বিপাক হার (মেটাবলিজম) বাড়ে। ফলে ক্যালরি দ্রুত পুড়ে যায় এবং ওজন কমতে সাহায্য করে। এটি চর্বি কমানোর পাশাপাশি ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করতেও সহায়ক।


৪. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে


লবঙ্গ রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এটি ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়িয়ে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করতে পারে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।


৫. দাঁত ও মুখের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে


লবঙ্গের শক্তিশালী জীবাণুনাশক উপাদান মুখের দুর্গন্ধ দূর করে এবং দাঁতের ব্যথা কমায়। এতে থাকা ইউজেনল নামক যৌগ দাঁতের ব্যথা উপশম করে এবং দাঁতের সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। লবঙ্গ মুখের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে ওরাল হাইজিন ভালো রাখে।


৬. শরীরের প্রদাহ কমায়


লবঙ্গ অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানে সমৃদ্ধ, যা শরীরের বিভিন্ন প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এটি গাঁটের ব্যথা এবং বাত রোগের উপশমেও কার্যকর।


৭. লিভার পরিষ্কার রাখে


লবঙ্গ লিভারের জন্য উপকারী। এটি লিভারে টক্সিন জমতে দেয় না এবং লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। যারা নিয়মিত ফাস্টফুড খান, তাদের জন্য খালি পেটে লবঙ্গ খাওয়া উপকারী হতে পারে।


৮. শরীরে শক্তি জোগায়


খালি পেটে লবঙ্গ খেলে শরীরে শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ে। এটি শরীরকে চাঙা রাখে এবং অলসতা দূর করে।


অতিরিক্ত লবঙ্গ খাওয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া


যদিও লবঙ্গের অনেক উপকারিতা আছে, তবে অতিরিক্ত খেলে কিছু ক্ষতি হতে পারে। যেমন:


অতিরিক্ত অ্যাসিডিটি বা অম্বল হতে পারে


লবঙ্গ শক্তিশালী হওয়ায় এটি অতিরিক্ত খেলে পাকস্থলীতে গ্যাস, অম্বল বা বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা হতে পারে।


রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়তে পারে


লবঙ্গ রক্ত পাতলা করার কাজ করে। তাই যারা ব্লাড থিনার ওষুধ (যেমন অ্যাসপিরিন) গ্রহণ করেন, তাদের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।


অ্যালার্জি বা ত্বকের সমস্যা হতে পারে


কিছু মানুষের ক্ষেত্রে লবঙ্গ খেলে অ্যালার্জি হতে পারে, যেমন ত্বকে র‍্যাশ, চুলকানি বা লালচে দাগ দেখা দিতে পারে।


লবঙ্গ খাওয়ার নিয়ম


প্রতিদিন ২-৩টি লবঙ্গ খাওয়া নিরাপদ। অতিরিক্ত খেলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

খালি পেটে ১-২টি লবঙ্গ চিবিয়ে খান এবং কিছুক্ষণ পর হালকা গরম পানি পান করুন।

গরম পানিতে লবঙ্গ ভিজিয়ে রেখে সেই পানি পান করতে পারেন। মধু ও লবঙ্গ একসঙ্গে খেলে ঠান্ডা-কাশির সমস্যা দূর হয়।

টুনটুনি আর নাপিতের কথা উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী 

 টুনটুনি আর নাপিতের কথা

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী 


টুনটুনি গিয়েছিল বেগুন পাতায় বসে নাচতে। নাচতে-নাচতে খেল বেগুন কাঁটার খোঁচা। তাই থেকে তার হল মস্ত বড় ফোড়া। ও মা, কী হবে? এত বড় ফোড়া কী করে সারবে?


টুনটুনি একে জিগগেস করে, তাকে জিগগেস করে। সবাই বললে, ওটা নাপিত দিয়ে কাটিয়ে ফেল।'


তাই টুনটুনি নাপিতের কাছে গিয়ে বললে, 'নাপিতদাদা, নাপিতদাদা, আমার ফোড়াটা কেটে দাও না।'


নাপিত তার কথা শুনে ঘাড় বেঁকিয়ে নাক সিটকিয়ে বললে, 'ঈস! আমি রাজাকে কামাই, আমি তোর ফোড়া কাটতে গেলুম আর কি!'


টুনটুনি বললে, 'আচ্ছা দেখতে পাবে এখন, ফোড়া কাটতে যাও কি না।' বলে সে রাজার কাছে গিয়ে নালিশ করলে, 'রাজামশাই, আপনার নাপিত কেন আমার ফোড়া কেটে দিচ্ছে না? ওকে সাজা দিতে হবে।'


শুনে রাজামশাই হো-হো করে হাসলেন, বিছানায় গড়াগড়ি দিলেন, নাপিতকে কিছু বললেন না। তাতে, টুনটুনির ভারি রাগ হল। সে ইঁদুরের কাছে গিয়ে বললে, 'ইঁদুরভাই, ইঁদুরভাই, বাড়ি আছ?'


ইঁদুর বললে, 'কে ভাই? টুনিভাই। এস ভাই। বস ভাই! খাট পেতে দি, ভাত বেড়ে দি খাবে ভাই?'


টুনটুনি বললে, 'তবে ভাত খাই, যদি এক কাজ কর।'


ইঁদুর বললে, 'রাজামশাই যখন ঘুমিয়ে থাকবেন, তখন গিয়ে তাঁর ভুঁড়িটা কেটে ফুটো করে দিতে হবে।'


তা শুনে ইঁদুর জিভ কেটে কানে হাত দিয়ে বললে, 'ওরে বাপরে! আমি তা পারব না।'


তাতে টুনটুনি রাগ করে বিড়ালের কাছে গিয়ে বললে, 'বিড়ালভাই, বিড়ালভাই, বাড়ি আছ?'


বিড়াল বললে, 'কে ভাই? টুনিভাই? এস ভাই! বস ভাই! খাট পেতে দি, ভাত বেড়ে দি, খাবে ভাই?'


টুনটুনি বললে, 'তবে ভাত খাই, যদি ইঁদুর মার।'


বিড়াল বললে, 'এখন আমি ইঁদুর-টিদুর মারতে যেতে পারব না, আমার বড্ড ঘুম পেয়েছে।'


শুনে টুনটুনি রাগের ভরে লাঠির কাছে গিয়ে বললে, 'লাঠি ভাই, লাঠি ভাই, বাড়ি আছ?'


লাঠি বললে, 'কে ভাই? টুনিভাই? এস ভাই! বস ভাই! খাট পেতে দি, ভাত বেড়ে দি, খাবে ভাই?'


টুনটুনি বললে, 'তবে ভাত খাই, যদি বিড়ালকে ঠেঙাও।'


লাঠি বললে, 'বিড়াল আমার কী করেছে যে আমি তাকে ঠেঙাতে যাব? আমি তা পারব না।'


তখন টুনটুনি আগুনের কাছে গিয়ে বললে, 'আগুনভাই, আগুনভাই, বাড়ি আছ?'


আগুন বললে, 'কে ভাই? টুনিভাই? এস ভাই! বস ভাই! খাট পেতে দি, ভাত বেড়ে দি, খাবে ভাই?'


টুনটুনি বললে, 'তবে ভাত খাই, যদি তুমি লাঠি পোড়াও।'


আগুন বললে, 'আজ ঢের জিনিস পুড়িয়েছি, আজ আর কিছু পোড়াতে পারব না।'


তাতে টুনটুনি তাকে খুব করে বকে, সাগরের কাছে গিয়ে বললে, 'সাগরভাই, সাগরভাই, বাড়ি আছ?'


সাগর বললে, 'কে ভাই? টুনিভাই? এস ভাই! বস ভাই! খাট পেতে দি, ভাত বেড়ে দি, খাবে ভাই?'


টুনটুনি বললে, 'তবে ভাত খাই, যদি তুমি আগুন নিভাও।'


সাগর বললে, 'আমি তা পারব না।'


তখন টুনটুনি হাতির কাছে গিয়ে বললে, 'হাতিভাই, হাতিভাই, বাড়ি আছ?'


হাতি বললে, 'কে ভাই? টুনিভাই? এস ভাই! বস ভাই! খাট পেতে দি, ভাত বেড়ে দি, খাবে ভাই?'


টুনটুনি বললে, 'তবে ভাত খাই, যদি সাগরের জল সব খেয়ে ফেল।'

হাতি বললে, 'অত জল খেতে পারব না, আমার পেট ফেটে যাবে।'


কেউ তার কথা শুনল না দেখে টুনটুনি শেষে মশার কাছে গেল। মশা দূর থেকে তাকে দেখেই বললে, 'কে ভাই? টুনিভাই? এস ভাই! বস ভাই! খাট পেতে দি, ভাত বেড়ে দি, খাবে ভাই?'


টুনটুনি বললে, 'তবে ভাত খাই, যদি হাতিকে কামড়াও।'


মশা বললে, 'সে আবার একটা কথা! এখুনি যাচ্ছি! দেখব হাতি বেটার কত শক্ত চামড়া!' বলে, সে সকল দেশের সকল মশাকে ডেকে বললে, 'তোরা আয় তো রে ভাই, দেখি হাতি বেটার কত শক্ত চামড়া।' অমনি পিন্-পিন্ পিন্-পিন্ করে যত রাজ্যের মশা, বাপ-বেটা ভাই-বন্ধু মিলে হাতিকে কামড়াতে চলল। মশায় আকাশ ছেয়ে গেল, সূর্য ঢেকে গেল। তাদের পাখার হাওয়ায় ঝড় বইতে লাগল। পিন্-পিন্ পিন-পিন্ ভয়ানক শব্দ শুনে সকলের প্রাণ কেঁপে উঠল। তখন—


হাতি বলে, সাগর শুষি। 

সাগর বলে, আগুন নেবাই! 

আগুন বলে, লাঠি পোড়াই!

 লাঠি বলে, বিড়াল ঠেঙাই! 

বিড়াল বলে, ইঁদুর মারি। 

ইঁদুর বলে, রাজার ভুঁড়ি কাটি! 

রাজা বলে, নাপতে বেটার মাথা কাটি!


নাপিত হাত জোড় করে তোমার ফোড়া কাটি।' কাঁপতে-কাঁপতে বললে, 'রক্ষে কর, টুনিদাদা! এস তোমার ফোঁড়া কাটি। তারপর টুনটুনির ফোড়া সেরে গেল, আর সে ভারি খুশি হয়ে আবার গিয়ে নাচতে আর গাইতে লাগল— টুনটুনা টুন টুন টুন! ধেই ধেই!

একদিন ইনকাম ট্যাক্স অফিসার এক বৃদ্ধ করদাতাকে ডেকে পাঠালেন।

 একদিন ইনকাম ট্যাক্স অফিসার এক বৃদ্ধ করদাতাকে ডেকে পাঠালেন।

বৃদ্ধ যথাসময়ে এসে হাজির হলেন – সঙ্গে ছিলেন তাঁর আইনজীবীও।


অফিসার জিজ্ঞেস করলেন – "আপনি তো অবসরপ্রাপ্ত, অথচ শোনা যায় আপনি খুব বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন। এই টাকার উৎস কী?"


বৃদ্ধ করদাতা শান্তভাবে উত্তর দিলেন – "আমি শর্ত জিতে এই টাকা পাই।"


অফিসার অবিশ্বাসী হয়ে বললেন – "শর্ত জিতে? আমাদের বিশ্বাস হচ্ছে না।"


বৃদ্ধ হেসে বললেন – "আপনি চাইলে প্রমাণ করে দেখাতে পারি।"


অফিসার বললেন – "চলুন দেখি তাহলে।"


বৃদ্ধ করদাতা বললেন – "আপনার সঙ্গে ১০০০ টাকার বাজি ধরব। আমি দাবি করছি, আমি আমার একটি চোখ নিজে দাঁত দিয়ে কামড়ে দিতে পারি।"


অফিসার চমকে উঠলেন – "এটা তো অসম্ভব! বাজি রইল।"


বৃদ্ধ করদাতা এক ঝটকায় তাঁর কৃত্রিম চোখ বের করে দাঁত দিয়ে কামড়ে দিলেন।

অফিসার হতবাক! আর উপায় না দেখে তাঁকে ১০০০ টাকা দিয়ে দিলেন।


বৃদ্ধ বললেন – "এবার ২০০০ টাকার বাজি ধরব, আমি আমার দ্বিতীয় চোখটাও কামড়ে দিতে পারি।"


অফিসার ভাবলেন – "প্রথম চোখটা তো কৃত্রিম ছিল, কিন্তু দ্বিতীয়টা তো নিশ্চয়ই আসল। ও তাহলে কীভাবে কামড়াবে!"

এই ভেবে তিনি বাজিতে রাজি হলেন।


বৃদ্ধ এবার নিজের মুখ থেকে তাঁর কৃত্রিম দাঁত খুলে নিয়ে দ্বিতীয় চোখে ছুঁইয়ে দেখালেন – আবার জিতে গেলেন!


অফিসার মাথা নাড়লেন আর ২০০০ টাকা দিলেন।


তখন বৃদ্ধ করদাতা বললেন – "আচ্ছা এবার একটা শেষ বাজি – ১০,০০০ টাকার। আমি এই ডেস্কের সামনে দাঁড়িয়ে, ও কোণের ডাস্টবিনে থুতু ফেলব, একটা ফোঁটাও আপনার টেবিলে পড়বে না।"


এমন সময় বৃদ্ধের আইনজীবী চিৎকার করে উঠলেন – "না! না! এই বাজি লাগাবেন না!"


কিন্তু অফিসার তখন আগের হারের টাকা তুলতে মরিয়া, বললেন – "এই তো সুযোগ! বাজি রইল।"


তিনি ভাবলেন – ১৫ ফুট দূরের ডাস্টবিনে এই বুড়ো কোনদিনও সোজাসুজি থুতু ফেলতে পারবে না! সহজেই জিতে যাবেন!


বৃদ্ধ মুখ নিচু করে শুরু করলেন, থুতু ফেললেন... কিন্তু টেবিল ভরে গেল থুতুতে!

ডাস্টবিনে একটাও পড়ল না!


অফিসার খুশিতে লাফিয়ে উঠলেন – "এইবার আমি জিতেছি!" 😂


কিন্তু অবাক হয়ে দেখলেন বৃদ্ধের আইনজীবী মাথা নিচু করে কাঁদছেন।


অফিসার জিজ্ঞেস করলেন – "কী হলো মশাই, আপনি তো এতো চিন্তিত কেন?"


আইনজীবী বললেন – "এই শয়তান সকালে আমার সাথে ৫০,০০০ টাকার বাজি ধরেছিল, যে সে ইনকাম ট্যাক্স অফিসারের টেবিলে থুতু ফেলবে...

আর অফিসার রাগ তো করবেনই না, উল্টে খুশিও হবেন!" 😭😂


এইভাবে এক বৃদ্ধ তার বুদ্ধি, মজা আর একটু ছলচাতুরীর মাধ্যমে একেবারে ইনকাম ট্যাক্স অফিসারকে মাত করে দিলেন, আর সেইসঙ্গে পাঠককে দিলেন এক দারুণ হাস্যরসের অভিজ্ঞতা! 😄


 #niosnews #motivationalstories #InspirationalStory #motivationalsotry #motivationalwords #motivationalpost #inspiration #inspirationalquotes #motivation #inspirational #motivationalquotes #motivationalstory

আপনারা যারা লেখালেখির চিন্তা করছেন, গল্প, কবিতা, সাহিত্য, ফিচার বা কলাম লিখতে আগ্রহী, তাদের জন্য দৈনিক পত্রিকাগুলোর সম্পাদকীয় পাতা, সাহিত্যপাতা কিংবা সংশ্লিষ্ট পাতার ইমেইল অ্যাড্রেস দিলাম

 আপনারা যারা লেখালেখির চিন্তা করছেন, গল্প, কবিতা, সাহিত্য, ফিচার বা কলাম লিখতে আগ্রহী, তাদের জন্য দৈনিক পত্রিকাগুলোর সম্পাদকীয় পাতা, সাহিত্যপাতা কিংবা সংশ্লিষ্ট পাতার ইমেইল অ্যাড্রেস দিলাম। পত্রিকায় ছাপা হলে বলা যেতে পারে আপনার লেখা মানসম্মত। তখন লেখালেখি নিয়ে আপনি ক্যারিয়ার গড়ার পথে এগোতে পারেন, যদিও এটা খুব কঠিন পথ। তবে বর্তমানে নিজেই মিডিয়া হয়ে নিজের লেখা পাঠকের সামনে তুলে ধরা যায়। তা থেকে নিজে উপার্জন করা যায়। তবে লেখার মান যাচাইয়ের জন্য পত্রিকার বিভাগীয় সম্পাদকের ফিল্টারটা কাজে দিতে পারে৷ 

পত্রিকার যে পাতার জন্য লিখবেন, আগে সেই পাতা ভালো করে পড়ে নিবেন, রিসার্চ করে নিবেন কোন ক্যাটাগরির লেখা সেখানে ছাপা হয়। আর একই লেখা সব পত্রিকায় পাঠাবেন না। ছাপা না হলে বা ইমেইল কনফারমেশন না আসলে কমপক্ষে তিনমাস অপেক্ষা করবেন, তারপর অন্য কোথাও পাঠাবেন। তার মধ্যে আপনি লিখতে থাকবেন। প্রতিদিন লিখবেন।

___________________ 

নিবন্ধ/কলামের জন্য ব্যবহার করুন:


দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ: pdsangbadeditorial@gmail.com


দৈনিক ইত্তেফাক: columnittefaq@gmail.com


দৈনিক ভোরের কাগজ: bkeditorial@yahoo.com


দৈনিক সমকাল: 

samakal.editorial@gmail.com


দৈনিক যুগান্তর: editorial.jugantor@gmail.com


দৈনিক কালেরকণ্ঠ: editorial@kalerkantho.com


দৈনিক বণিকবার্তা: editorial@bonikbarta.com


দৈনিক ইনকিলাব: inqilab.info@gmail.com


দৈনিক যায়যায়দিন: ss_opinion@yahoo.com


দৈনিক সংবাদ: editorial.sangbad@gmail.com


দৈনিক নয়াদিগন্ত: editorialdiganta@gmail.com


দৈনিক প্রথম আলো: editorial@prothomalo.com


দৈনিক জনকণ্ঠ: janakanthaeditorial@gmail.com


দৈনিক আমাদের সময়: amadershomoyeditorial@gmail.com


দৈনিক সংগ্রাম: dsangram@gmail.com


দৈনিক জনতা: viewjanata@yahoo.com


দৈনিক আজকালের খবর: editorialajkalerkhobor@gmail.com


দৈনিক বাংলাদেশের খবর: bk2018editorial@gmail.com


দৈনিক খোলাকাগজ: kholakagojed2@gmail.com


দৈনিক বর্তমান: wo.bartoman@gmail.com


দৈনিক মানবকণ্ঠ: editorial.manobkantha@gmail.com


দৈনিক সময়ের আলো: editorial@shomoyeralo.com


দৈনিক পূর্বকোণ: editorial@dainikpurbokone.net


দৈনিক সুপ্রভাত: news@suprobhat.com


দৈনিক দিনকাল: dinkalnews@gmail.com


দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ: editorial.alokitobangladesh@gmail.com


দৈনিক দেশরূপান্তর: editorial@deshrupantor.com


দৈনিক দেশের কথা: dainikdesherkantha@gmail.com


দৈনিক দেশের কণ্ঠ: desherkanthaeditorial@gmail.com


দৈনিক অধিকার: inbox.odhikar@gmail.com


দৈনিক দেশকাল: editorial@deshkalbd.com


দৈনিক বাংলাদেশ বুলেটিন: thebdbulletin@gmail.com


দৈনিক শেয়ার বীজ: editorial.sharebiz@gmail.com


দৈনিক বাংলা: editordainikbangla@gmail.com


দৈনিক সকালের সময়: dailysokalersomoy@gmail.com


দৈনিক আমার বার্তা: editorialamarbarta@gmail.com


দৈনিক স্বাধীন বাংলা: dailyswadhinbangla@gmail.com


দৈনিক আজাদী: azadieditorial@gmail.com


দৈনিক করতোয়া: 

dkaratoa@yahoo.com


দৈনিক ডেল্টাটাইমস: deltatimes24@gmail.com


দৈনিক বাংলাদেশের আলো: bangladesheralo2018@gmail.com


দৈনিক প্রথম সূর্যোদয়: prothomsurjadoy@gmail.com


দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশ: biznessbangladesh@gmail.com


দৈনিক জবাবদিহি: dailyjobabdihi@gmail.com


দৈনিক লাখোকণ্ঠ: dailylakhokontho@gmail.com


দৈনিক এশিয়া বাণী:

dailyasiabani2012@gmail.com


স্বদেশ প্রতিদিন: swadeshnewsbd24@gmail.com


দৈনিক জনবাণী: dailyjanobani2018@gmail.com, dailyjanobanibd@gmail.com


দৈনিক পরিবর্তন সংবাদ: dailyporibortonsangbad@gmail.com, poribortonsangbad@gmail.com


দৈনিক আমার সংবাদ: dailyamarsangbad@gmail.com


দৈনিক সরেজমিন:  news.sorejomin@gmail.com


ইংরেজি পত্রিকা

The Daily Star: dsliteditor@gmail.com


The Daily Sun: suneditorial@gmail.com

 

The Daily ObserverBD: editorial@dailyobserverbd.com 


The Daily Asian Age: editorial.dailyasianage@gmail.com 


The Bangladesh Today: editorial@thebangladeshtoday.com 


The Bangladesh Post: editorial@bangladeshpost.net 


The Business Standard: oped.tbs@gmail.com


The New Nation: n_editor@bangla.net


The Financial Express: fexpress68@gmail.com


The Independent: editorial@theindependentbd.com


The Muslim Times: muslimtimes19@gmail.com


The Perspective: perspectivedesk@gmail.com (Monthly)

চিঠি পাঠানোর জন্য ব্যবহার করুন:


দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ: pdsangbadeditorial@gmail.com


দৈনিক ইত্তেফাক: letters.ittefaq@gmail.com


দৈনিক ভোরের কাগজ: bkeditorial@yahoo.com


দৈনিক সমকাল: samakal.editorial@gmail.com


দৈনিক যুগান্তর: editorial.jugantor@gmail.com


দৈনিক কালেরকণ্ঠ: editorial@kalerkantho.com


দৈনিক ইনকিলাব: inqilab.info@gmail.com


দৈনিক যায়যায়দিন: ss_opinion@yahoo.com


দৈনিক সংবাদ: editorial.sangbad@gmail.com


দৈনিক নয়াদিগন্ত: editorialdiganta@gmail.com


দৈনিক প্রথম আলো: editorial@prothomalo.com


দৈনিক সংগ্রাম: dsangram@gmail.com


দৈনিক জনতা: viewjanata@yahoo.com


দৈনিক আজকালের খবর: editorialajkalerkhobor@gmail.com


দৈনিক বাংলাদেশের খবর: bk2018editorial@gmail.com


দৈনিক খোলাকাগজ: kholakagojed2@gmail.com


দৈনিক মানবকণ্ঠ: editorial.manobkantha@gmail.com


দৈনিক সময়ের আলো: editorial@shomoyeralo.com


দৈনিক পূর্বকোণ: editorial@dainikpurbokone.net


দৈনিক সুপ্রভাত: news@suprobhat.com


দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ: editorial.alokitobangladesh@gmail.com


দৈনিক বাংলাদেশ বুলেটিন: thebdbulletin@gmail.com

bdbulletinnd@gmail.com


দৈনিক শেয়ার বীজ: editorial.sharebiz@gmail.com


দৈনিক বাংলা: editordainikbangla@gmail.com


দৈনিক স্বাধীন বাংলা: dailyswadhinbangla@gmail.com


দৈনিক আজাদী: azadieditorial@gmail.com


ইংরেজি পত্রিকা:

The Daily Star: letters@thedailystar.net


The Daily Sun: suneditorial@gmail.com


The Daily Observer: editorial@dailyobserverbd.com 


The Daily Asian Age: editorial.dailyasianage@gmail.com 


The Bangadesh Today: editorial@thebangladeshtoday.com 


The New Nation: editor@bangla.net


The Bangladesh Post: editorial@bangladeshpost.net  


The Business Standard: oped.tbs@gmail.com


The Financial Express: fexpress68@gmail.com


The Independent: editorial@theindependentbd.com


The Muslim Times: muslimtimes19@gmail.com

ইসলামিক পাতায় লেখা পাঠানোর ঠিকানা: 


islam.jugantor@gmail.com

যুগান্তর (শুক্রবার)


dharmochinta63@gmail.com

ইত্তেফাক (শুক্রবার)


islameralo@shomoyeralo.com

সময়ের আলো (প্রতিদিন)


ndislamicjibon@gmail.com

নয়া দিগন্ত (প্রতিদিন)


abislamosomaj@gmail.com

আলোকিত বাংলাদেশ (প্রতিদিন)


islamijibonpata@gmail.com

ইনকিলাব (শুক্রবার)


amarsangbadfeature@gmail.com

আমার সংবাদ (প্রতিদিন)


islamojibonmk@gmail.com

মানবকণ্ঠ (রবিবার)


dailyjobabdihi@gmail.com

জবাবদিহি


mahfuuz51@gmail.com

বাংলাদেশ খবর (শুক্রবার)


features@deshrupantor.com

দেশ রূপান্তর (প্রতিদিন)

ক্যাম্পাস পাতায় লেখা পাঠানোর জন্য ব্যবহার করুন:


দৈনিক যায়যায়দিন: (শনিবার) Campus@jjdbd.com 


দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ: (রবিবার)  pdscampus@gmail.com  


দৈনিক খোলাকাগজ: (বৃহস্পতিবার) agarojon.kk@gmail.com kholakagojcampus@gmail.com 


দৈনিক জনকণ্ঠ: (রবিবার) campusjanakantha@gmail.com  


আমাদের সময়: (শনিবার) campusshomoy2003@gmail.com  


দৈনিক ইত্তেফাক: (সোমবার) campus.ittefaq@gmail.com Ittefaq.youth@gmail.com

শুধুমাত্র ছড়া ও ছোটদের লেখা পাঠানোর জন্য ব্যবহার করুন:

দৈনিক নয়াদিগন্ত (আগডুম বাগডুম) শুক্রবার

augdumbugdum@gmail.com 


দৈনিক জনকণ্ঠ (ঝিলিমিলি) শনিবার 

jilimilijanakantha@yahoo.com 


প্রতিদিনের সংবাদ (খেয়াল খুশি) শনিবার 

khealkhusibd@gmail.com 


দৈনিক করতোয়া (সবুজ আসর) শনিবার 

sabujasor@gmail.com 


আলোকিত বাংলাদেশ (আলোকিত শিশু) শনিবার 

alokitoshishu2016@gmail.com 


আলোকিত বাংলাদেশ (কলরব) শনিবার 

abkolorob@gmail.com 


ভোরের কাগজ (পাঠক ফোরাম) সোমবার

pathokforum_bk@yahoo.com 


দৈনিক বিজয়ের কন্ঠ (শিশু কন্ঠ- সিলেট) শনিবার 

shishukantho.bk@gmail.com 


সংবাদ খেলাঘর (পাক্ষিক পাতা) রবিবার

sangbadkhelaghar@gmail.com 


দৈনিক সংগ্রাম (নীল সবুজের হাট) শুক্রবার

nilsobujerhaat@dailysangram.com 

shahitto@dailysangram.com 


দৈনিক সমকাল (ঘাসফড়িং) শুক্রবার

ghashforing007@gmail.com 


দৈনিক সমকাল (সুহৃদ সমাবেশ) মঙ্গলবার

suhridsamabesh1@gmail.com 


কালেরকণ্ঠ (ঘোড়ার ডিম ফান ম্যাগাজিন, রম্য ছড়া) মঙ্গলবার

ghorardim@kalerkantho.com 


প্রথম আলো (অধুনা, মনের বাক্স) বুধবার

adhuna@prothom-alo.info 


দৈনিক ভোরের কাগজ (ইষ্টিকুটুম) বুধবার 

istikutum_bkagoj@yahoo.com 


দৈনিক যায়যায়দিন (হাট্টিমাটিমটিম) রবিবার

hattimatimtim@jjdbd.com 


দৈনিক যুগান্তর (স্বজন সমাবেশ) বুধবার 

shojonshomabesh@gmail.com 

শিশুতোষ:

দৈনিক আমাদের সময় (ঘটাংঘট) বৃহস্পতিবার

ghatangghat@gmail.com 


নয়াদিগন্ত (থেরাপি) বৃহস্পতিবার

therapi2016@gmail.com 


দৈনিক প্রথম আলো (গোল্লাছুট) শুক্রবার

gollachut@prothom-alo.info


দৈনিক কালেরকণ্ঠ (টুনটুনটিনটিন) শুক্রবার

tuntuntintin@kalerkantho.com 


দৈনিক ইত্তেফাক (কচিকাঁচার আসর) শুক্রবার

kochikacharaashor@gmail.com 


দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন (ডাংগুলি) শুক্রবার

danguli71@gmail.com (বড়দের) 

dangulibdp@gmail.com (শিশুতোষ)

বড়দের লেখা এবং সাহিত্য পাতার জন্য: 

শনিবার:

আলোকিত বাংলাদেশ - কবিতা  alokitoshamoiki@gmail.com  gazimunsuraziz@gmail.com 


বাংলাদেশের খবর - সাহিত্য  anyorekha@gmail.com  


দৈনিক সংবাদ -  sangbadsamoeky@gmail.com  


আলোকিত প্রতিদিন- শনিবার  dailyaloktoprotidin@gmail.com  


দৈনিক বিজয়ের কন্ঠ-সিলেট  shishukantho.bk@gmail.com  


ভোরের কাগজ-পাঠক ফোরাম  pathokforum_bk@yahoo.com  


দৈনিক রূপসী বাংলা  rupashibangla42@gmail.com  


দৈনিক বিজয়ের কন্ঠ- সিলেট  shishukantho.bk@gmail.com


দৈনিক শুভ প্রতিদিন  sahittay.shubo@gmail.com  khaleduddin@gmail.com  


দৈনিক যুগান্তর (রঙ্গ)  jugantorrongo@gmail.com    

রবিবার:

প্রথম আলো-বন্ধুসভা  bondhushava@prothom-alo.info  


দৈনিক জালালাবাদ-সাহিত্য পাতা  jalalabadshahitta@gmail.com  


দৈনিক বিবৃতি-সাহিত্যপাতা  alamgirkabir83@gmail.com 


দৈনিক ইত্তেফাক (ঠাট্টা- ফান ম্যাগাজিন ও রম্য ছড়া) 

ittefaq.thatta@gmail.com  


দৈনিক যুগান্তর (বিচ্ছু- ফান ম্যাগাজিন রম্য ছড়া) 

bicchoo@jugantor.com  

মঙ্গলবার: 

সুহৃদ সমাবেশ, সমকাল- মঙ্গলবার  suhridsamabesh1@gmail.com


যায়যায় দিন-কবিতা মঙ্গলবার  friendsforum@jjdbd.com  


দৈনিক আজাদী  kholahawa2015@gmail.com  


দৈনিক পূর্বকোণ-কলরোল  news@dainikpurbokone.net 


কালেরকণ্ঠ (ঘোড়ার ডিম ফান ম্যাগাজিন, রম্য ছড়া) 

ghorardim@kalerkantho.com 

 

প্রথম আলো (অধুনা, মনের বাক্স)  adhuna@prothom-alo.info

সাহিত্য সাময়িকী | শুক্রবার: 


দৈনিক আমাদের সময়- অদ্বৈত মারুত  aadwaytomarout@gmail.com  likhalekhi@gmail.com  rienzunnu@gmail.com 


দৈনিক যুগান্তর- কবিতা  mehedidrama@gmail.com  


বাংলাদেশ প্রতিদিন -  কবিতা  bdpratidin@gmail.com


দৈনিক প্রথম আলো-কবিতা  shilpasahitya@prothom-alo.info  


দৈনিক জনকন্ঠ -  milushams67@gmail.com 


দৈনিক সমকাল -  কবিতা  mahbubaziz01@gmail.com  


সমকাল - শুক্রবার কবিতা  kalerkheya@yahoo.com  


দৈনিক ইত্তেফাক -  কবিতা  ittefaqsamayiki16@gmail.com  faruqbdbd13@gmail.com  


যায়যায়দিন-  কবিতা  

ss_opinion@yahoo.com  salamsaleh@ymail.com 


কালের কন্ঠ-গল্প- 

shilalipi@kalerkantho.com 

info@kalerkantho.com

doshdik@kalerkantho.com 

masudhasanbd@hotmail.com 


নয়াদিগন্ত-শুক্রবার  digantasahitto@gmail.com  


দৈনিক ভোরের কাগজ-  bkagojliterary@gmail.com  zahidsohag@yahoo.com 


দৈনিক মানবকন্ঠ-কবিতা  shahitto@manobkantha.com

রম্য লেখা পাঠানোর জন্য ব্যবহার করুন:

ইত্তেফাক: ittefaq.thatta@gmail.com (রবিবার)


যুগান্তর: bicchoojugantor@gmail.com (রবিবার)


নয়াদিগন্ত: therapi2016@gmail.com (বৃহস্পতিবার)

শিক্ষা বিষয়ক লেখা পাঠানোর জন্য ব্যবহার করুন:

যায়যায়দিন: sikkhajagat@jjbd.com

ফিচারের জন্য

দৈনিক বাংলা: feature.dainikbangla@gmail.com ‌


সমকাল: 

shoily.samakal@gmail.com 

শৈল পাতা (বুধবার) ‌


নতুন একমাত্রা 

natunekmatra@gmail.com (প্রতিমাসে)


কিশোর কণ্ঠ 

kishorkantha@yahoo.com (প্রতিমাসে) 


নব ভাবনা  

nobovabna@gmail.com (প্রতিমাসে) 

__________________ 

সংকলনে: বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের সদস্যবৃন্দ


সংগৃহিত

স্টারলিংকের সেবা পেতে খরচ কত পড়বে?

 স্টারলিংকের সেবা পেতে খরচ কত পড়বে?

বাংলাদেশের বর্তমান ইন্টারনেট সেবা সাবমেরিন কেবলনির্ভর। অর্থাৎ সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে তারের মাধ্যমে ব্যান্ডউইডথ এনে মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর ও ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডাররা (আইএসপি) মানুষকে ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে। স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা দেয় স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে। যা পুরো বিশ্বকেই উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা দিতে পারে।

বাংলাদেশে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো স্টারলিংক এর সেবা। রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা এই সেবা ব্যবহার করতে পারছেন। সেখান থেকে স্টারলিংকের ইন্টারনেট ব্যবহার করে সম্মেলনের কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। গেল ২৯ মার্চ বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ স্টারলিংকের বিনিয়োগ নিবন্ধন দেয়।

এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করতে পারে। অবশ্য সেই সময়ের আগেই চালু হলো স্টারলিংক।

গত ১৩ ফেব্রুয়ারি বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্কের সঙ্গে ভিডিও কলে স্টারলিংক প্রসঙ্গে আলোচনা করেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউনূস। এতে স্টারলিংকের পরিসেবা চালুর কার্যক্রম আরো গতিশীল হয়।


এরপর গত মাসেও ঢাকায় বেশ কয়েকবার পরীক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাংলাদেশে তাদের পরীক্ষামূলক যাত্রার মাধ্যমে এক নতুন যুগের সূচনা হলো। কারণ স্পেসএক্স এর অঙ্গপ্রতিষ্ঠান স্টারলিংক এরই মধ্যে বিশ্বের বহু দেশে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা দিয়ে যাচ্ছে। সে অনুযায়ী এটি চালু হলে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতেও উচ্চগতির ইন্টারনেট সহজলভ্য হবে এবং কমবে শহর ও গ্রামের মধ্যে ডিজিটাল বৈষম্য।

স্টারলিংকের ওয়েবসাইটে বলা আছে, বাসাবাড়িতে তাদের সেবা নিতে কিছু সরঞ্জাম কিনতে হবে।


সেখানে থাকে একটি রিসিভার বা অ্যানটেনা, কিকস্ট্যান্ড, রাউটার, তার ও বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা বা পাওয়ার সাপ্লাই। এটাকে স্টারলিংক কিট বলা হয়, যার মূল্য ৩৪৯ থেকে ৫৯৯ ডলার পর্যন্ত (৪৩ থেকে ৭৪ হাজার টাকা)।

আবাসিক গ্রাহকদের জন্য স্টারলিংকের মাসিক সর্বনিম্ন ফি ১২০ ডলার (প্রায় ১৫ হাজার টাকা)। তবে করপোরেট গ্রাহকদের জন্য স্টারলিংক কিটের দাম ও মাসিক ফি দ্বিগুণের বেশি। তবে দেশ ভেদে দামে ভিন্নতা রয়েছে।


সুত্র: কালের কন্ঠ

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ১৩-০৪-২০২৪ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ১৩-০৪-২০২৪ খ্রি:


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে ঢাকায় লাখো মানুষের অংশগ্রহণে ;মার্চ ফর গাজা; কর্মসূচি অনুষ্ঠিত - গাজায় যুদ্ধ বন্ধে ঘোষণাপত্র পাঠ - ইসরাইলের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করতে মুসলিম বিশ্বের নেতাদের প্রতি আহ্বান।


আগামী ডিসেম্বর থেকে জুন মাসের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্য নিয়ে সংস্কার কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার তাগিদ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা।


বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের জন্য তুরস্কের বিনিয়োগকারীদের প্রতি তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার আহ্বান।


নববর্ষের শোভাযাত্রা উপলক্ষে বানানো ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা - রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা হবে - বললেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা।


নতুন বছরকে বরণ ও পুরনো বছরকে বিদায় জানাতে পাহাড়ে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর তিন-দিনব্যাপী বৈসাবি উৎসব শুরু।


আজ চৈত্র সংক্রান্তি – আবহমান বাংলার চিরায়ত ঐতিহ্যকে ধারণ করে নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে দিনটি।


চীনসহ অন্যান্য দেশের ওপর নতুন করে আরোপিত শুল্ক থেকে স্মার্টফোন, কম্পিউটার ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্প প্রশাসনের।


লাহোরে আইসিসি নারী বিশ্বকাপ ক্রিকেটের বাছাই পর্বে আজ বাংলাদেশ মোকাবেলা করবে আয়ার‌ল্যান্ডের।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...