এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৫

সেকালের কোলকাতায় সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ চড়ক হত বাগবাজারে

 সেকালের কোলকাতায় সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ চড়ক হত বাগবাজারে। যা ষোলো চড়কির চড়ক নামে খ্যাত ছিল। প্রাণকৃষ্ণ দত্ত ষোলো চড়কির চড়ক নিয়ে লিখে রেখে গিয়েছেন। ষোলো চড়কির ছিল চড়ক রামধন ঘোষের চড়ক। যা শেষবার হয়েছিল ১৮৫৪ বা ১৮৫৫ সালে। বসুবাটীর দক্ষিণ-পূর্ব কোণে চড়কের আসর বসত। ১৬জন লোকের পিঠ ফুঁড়ে ঝুলিয়ে ঘোরানো হত। সে কারণেই নাম ষোলো চড়কি। মাচানের উপরে আবার একজনকে শিব সাজিয়ে বসানো হত।


বড়বাজারেও চড়ক হত। কোনও কোনও কলকাতা গবেষক মনে করেন, বুড়া বা বড়ো শিব থেকেই বড়বাজার নামটির জন্ম। এই বড়বাজারের চড়ক বিডন স্ট্রিটে উঠে এসেছিল। বিডন স্ট্রিটে চড়ক চালু করার নেপথ্য কারিগর ছিলেন সেকালের বিখ্যাত ধনী রামদুলাল দে সরকার। বড়বাজারে চড়ক বন্ধ হওয়ার পর নতুন বাজারের উলটোদিকের বিশাল মাঠে চড়ক শুরু করেছিলেন রামদুলাল। ইংরেজরা সেখানে পালকি স্ট্যান্ড বানানোয়, চড়কের জন্য নতুন জায়গার দরকার পড়ে। তখন রামদুলাল, নিজের জমিতে বিডন স্ট্রিটের মাঠে চড়ক শুরু করেন। ১৭৮০ সাল থেকে ছাতুবাবু বাজারের মাঠে চড়ক আরম্ভ হয়। ছাতুবাবু ও লাটুবাবু, রামদুলালের দুই ছেলে। প্রায় আড়াইশো বছর যাবৎ বহাল তবিয়তে বিডন স্ট্রিটের চড়ক চলছে। বর্তমান নাম অভেদানন্দ রোড হলেও, এখনও সে রাস্তা বিডন স্ট্রিট নামেই অধিক জনপ্রিয়। ভাগ্যের কী নিষ্ঠুর পরিহাস! কলকাতায় চড়ক বন্ধ করার যাবতীয় উদ্যোগের হোতা ছিলেন ছোটলাট সিসিল বিডন, তাঁর নামের রাস্তায় আজও চড়ক চলছে।

পোস্ট ভালো লাগলে শেয়ার করে বন্ধুদের দেখার সুযোগ করে দেবেন 🙏🙏 ধন্যবাদ 🌹🌹

Pappu Roy cyclist 


সংগৃহিত পোস্ট

ছন্দে ছন্দে সালফারের লক্ষন মনে রাখার সহজ কৌশল।

 🏖️সালফার-✴কবিতা-১✴ Sulpher🎋

ছন্দে ছন্দে সালফারের লক্ষন মনে রাখার সহজ কৌশল।


হলুদ বর্নের খনিজ ইহা

সহজে চোখে ধরে।

চর্ম রোগের কথা হলেই

সালফার মনে পড়ে।


সূঁচ ফুটানো, হুঁল ফুটানো

কুটকুটানি ব্যথা,

এসব ক্ষেত্রে চলে আসে 

সালফারেরই কথা।


অপরিষ্কার, অপরিছন্ন, নোংরা স্বভাব বটে

গোসল করতে অনিচ্ছা তার,সকল ক্ষেত্রে ঘটে।

মাথার তালু,হাতের তালু,পায়ের তলায় তাপ,

হঠাৎ করেই ঘুম ভেংগে যায় ,যখন মলের চাপ।


ঠোঁটের কালার রক্তবর্ণ

হাত, পা সরু বটে,

দিনের বেলা ঘুমিয়ে থেকে

রাত নির্ঘুম কাটে।


পুরো শরীর দুর্গন্ধময়,

আহার করে কম

তারপরেও খাই খাই স্বভাব

নেয়না একটু দম।


খিটখিটে,একগুয়ে, ক্রোধে ভরা মন

বিষাদমাখা,অগোছালো কাটে সারাটাক্ষন।

পরের দোষ খুজে বেড়ায়,ভুলোমন স্বভাব,

খুটিনাটিতে বকবকানি,সাহসের বেশ অভাব।


একসাথে অনেক ফোঁড়া কিংবা চর্মরোগ,

হাত বা পায়ে মামড়ি পরা চামড়া উঠা হোক।

এসব যাবে চলে,

সময়মত সালফারের ১টি ডোজ খেলে।


দুধ খাইতে মন চায় তার

খাইলে হয়না সহ্য।

মলত্যাগেও বেগ কমেনা,

কতই ধরে ধৈর্য্য।


চোখের সামনে কালো কালো দাগ

কিংবা কানের চুলকানি।

অশ্ব বলিও দূর হয়ে যায়

সত্য সবাই মানি।


স্বরভঙ্গ, সর্দিকাশি,বঙ্কাইটিস কমন

কাঁশতে কাঁশতে অনেকসময় করে ফেলে বমন।

কানে সদা সাই সাই আওয়াজ,চালাক রোগী অতি।

ছটফটানী থাকে যদি সালফারেতেই গতি।


🎍 উৎসাহ পেলে আরো লিখব 👻 🪡

🍂জটিল এবং কঠিন লক্ষনগুলো সহজে মনে রাখার অন্যতম একটি কৌশল হচ্ছে ছন্দে ছন্দে বা কবিতাগুচ্ছের মাধ্যমে। সে রকমই এক প্রচেষ্টায় এটি লেখাটি📍


🍃 Dr.Md.Forhad Hossain 

D.H.M.S(B.H.😎,DHAKA

Pdt(Hom)

Consultant:Homoeopathic  Medicine 

🍎চেম্বার:জার্মান হোমিও কেয়ার

তক্ষশীলা: হারিয়ে যাওয়া এক শহর ও বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা।

 🌍 তক্ষশীলা: হারিয়ে যাওয়া এক শহর ও বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা।


তক্ষশিলা ছিল বর্তমান পাকিস্তানের ইসলামাবাদ থেকে ৩২ কিমি দূরে অবস্থিত। পৌরাণিক কাহিনী মতে, দশরথের পৌত্র এবং ভরত গান্ধার জয় করে নিজের পুত্র তক্ষের নামানুসারে তক্ষশীলা নগর স্থাপন করেন। মহাভারত মতে, এই স্থান তখন গান্ধারের অন্তর্গত ছিল। অনেকের মতে এ স্থানে তক্ষ নামক এক জাতি বাস করতো। এই জাতির 114 এই স্থানের নাম হয়েছিল তক্ষখণ্ড। কালক্রমে নামটি তক্ষশীলা নামে পরিচিত হয়।


পারস্য সম্রাট কাইরাসের ৩য় উত্তরসূরী সম্রাট ১ম দারায়ুস এবং পরে জারেক্সিস এই অঞ্চলে আধিপত্য বজায় রাখেন। এ সময় এই অঞ্চলের অন্যান্য এলাকার সাথে তক্ষশিলাও পারস্য অধিকারে ছিল।


খ্রি.পূ ৩২৬ অব্দে আলেকজান্ডার সিন্ধু পার হয়ে তক্ষশিলায় প্রবেশ করেন। এ সময় তক্ষশিলার রাজা অম্ভি তার কাছে বশ্যতা স্বীকার করেন। আলেকজান্ডার তক্ষশিলা থেকে আরও পূর্বদিকে অগ্রসর হয়ে ঝিলম নদী পার হয়ে পুরুর রাজ্য আক্রমণ করেছিলেন। ৪০৫ অব্দের দিকে চৈনিক পরিব্রাজক ফা-হিয়েন তক্ষশীলা পরিদর্শন করে এই স্থানকে পবিত্র এলাকা হিসাবে উল্লেখ করেন।


চন্দ্রগুপ্তের গুরু ও অর্থনীতিবিদ কৌটিল্যের পৃষ্ঠপোষকতায় তক্ষশিলায় রাজত্বের পত্তন করেন চন্দ্রগুপ্ত। চন্দ্রগুপ্ত তাঁর পুত্র বিন্দুসারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের পর তক্ষশীলাবাসী রাজশক্তির অত্যাচরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। বিন্দুসার কঠোরভাবে বিদ্রোহ দমন করেন। খ্রি.পূ. ২৭৩ অব্দের দিকে বিন্দুসার পুত্র অশোক রাজত্ব লাভ করলে তক্ষশিলা বৌদ্ধ সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। অশোক পাটালিপুত্র থেকে তক্ষশিলার ভিতরে ১৬০০ কিমি রাস্তা তৈরি করেন।


তক্ষশিলাকে বিশ্বের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের একটি বিবেচনা করা হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণত ছাত্র ভর্তি হতো ১৬ বৎসর বয়সে। ১৮ বছর থেকে শেখানো হতো শিল্পকলা, তীর নিক্ষেপ, শিকার, আইন, চিকিৎসা এবং সমরবিদ্যা। উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রগুলো ছিল বেদ, ভাষা, ব্যাকরণ, দর্শন, চিকিৎসাশাস্ত্র, ধনুর্বিদ্যা, রাজনীতি, যুদ্ধবিদ্যা, জ্যোতিঃশাস্ত্র, হিসাব বিজ্ঞান, গণিত, অর্থনীতি, সঙ্গীত ও হস্তশিল্প।


প্রায় ১০ হাজারের উপর ছাত্র-শিক্ষক ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে। ছাত্রদের কাছ থেকে শিক্ষা এবং থাকা-খাওয়ার জন্য অর্থ নিতো বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু শিক্ষক ও বিশ্বদ্যালয়ের অন্যান্য খরচ আসতো রাজকোষ ও ছাত্রদের কাছ থেকে। দরিদ্র ছাত্ররা তক্ষশীলায় নানা রকম কাজ করে পড়াশুনার খরচ মেটাতো। এখানে নারী শিক্ষার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।


চাণক্য প্রকৃতপক্ষে প্রাচীন তক্ষশীলা বিহারের অর্থনীতি ও রাষ্ট্র বিজ্ঞানের অধ্যক্ষ ছিলেন। এই বিজ্ঞ ও প্রতিভাধর ব্রাহ্মণের জন্ম সেকালের তক্ষশীলার 'চানকা' গ্রামে খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে , যা থেকে তার অপর নাম 'চানক্য এর উদ্ভব । বিষ্ণু গুপ্ত ও কৌটিল্য নামেও পরিচিত ছিলেন তিনি। 


আরেক মহামানব গৌতম বুদ্ধের চিকিৎসক, নাম জীবক কোমার ভচ্চ। বুদ্ধকে কয়েকবার তিনি দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে সারিয়ে তোলেন। চিকিৎসাবিদ্যায় পারদর্শিতা অর্জনের জন্য জীবক সেই সময়ের আয়ুর্বেদ শিক্ষার পীঠস্থান তক্ষশিলায় যান। সেখানে তিনি ছিলেন ৭ বছর। 


বিখ্যাত চিকিৎসক চরক তক্ষশীলার বিস্ময়কর অবদান। যোগসাধনা চর্চার জন্য তাকে চরক মুনিও ডাকে। তিনি বিখ্যাত চিকিৎসা শাস্ত্র “চরক সংহিতা” রচনা করেন। আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় এই বই এনে দিয়েছে বিপ্লব। প্রাচীন ভারতের চিকিৎসা শাস্ত্রে প্রথম প্রামাণ্য গ্রন্থ হিসাবে বিবেচিত হয় “চরক সংহিতা”। 


প্রাচীন যুগের গান্ধার প্রদেশেরৎ তক্ষশিলার অধ্যাপকরা ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। খ্যাতনামা চিকিৎসক আত্রেয় এখানেই চিকিৎসাশাস্ত্রের অধ্যাপনা করতেন। ঐতিহাসিকরা আত্রেয়কে আয়ুর্বেদ চিকিৎসার পথিকৃৎ বলে থাকেন।


প্রখ্যাত সংস্কৃত ব্যাকরণ রচয়িতা পাণিনি। তিনি তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন। পানিনি সম্পর্কে বলতে গেলে বলা যায়, সংস্কৃত ভাষার ব্যাকরণবিদ এই বিদ্যান ।


তক্ষশিলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়ে গেছে সাম্রাজ্যবাদী পারস্য, গ্রীক, রোমান, শক, কুষান, আক্রমণ। এসব আক্রমনে সৃষ্ট অস্থির রাজনৈতিক আগ্রাসনের সর্বশেষটি (৪৫০ খ্রি.) আসে হুনদের পক্ষ থেকে। এরপরই থেমে যায় তক্ষশিলার পথচলা।


সৌজন্যে: ঋষণা  রূপকথা

সুচিত্রা সেনের সকালের নাস্তা🌷

 সুচিত্রা সেনের সকালের নাস্তা🌷


সকালের নরম আলো যখন জানালার পর্দা ছুঁয়ে ঘরে পড়ে, তখন তার দিনটা শুরু হতো এক পরিমিত নাস্তার টেবিল দিয়ে।

চিরকাল রুচিশীল সুচিত্রা সেনের সকালের শুরুটা ছিল স্নিগ্ধ আর পরিপাটি—

 • হালকা লিকার চা, লেবু আর মধু মিশিয়ে

 • দু’টুকরো ব্রাউন টোস্ট, সামান্য মাখন লাগানো

 • মাঝে মাঝে সিদ্ধ ডিম

 • এক ছোট পাত্রে মৌরি বা শুকনো ফল


নাস্তা কখনোই ভারী নয়, বরং ছিল তার স্টাইলের মতোই মৃদু আর মার্জিত।


সুচিত্রা সেন—এক কিংবদন্তী, যাঁর সকালের নাস্তাও ছিল একরকম শিল্প।

চুপচাপ, নিজের সঙ্গে সময় কাটানোর মুহূর্ত।

সবচেয়ে বড় পাতা জাতের উদ্ভিদগুলোর মধ্যে একটি হলো ভেন্না গাছ।

 সবচেয়ে বড় পাতা জাতের উদ্ভিদগুলোর মধ্যে একটি হলো ভেন্না গাছ।


ভেন্না বিনা চাষেই বর্ষাকালে গজায় এবং হেমন্ত ও শীতকালে ফুল ও ফল ধরা শুরু করে।গাছের বয়স দুই থেকে তিন মাস হলে শাখায় শাখায় ফুলের কাঁদি হয়। ভেন্না  তৈল তরকারি রান্না ও পিঠা তৈরিতে ব্যবহার করা যায়। গরম ভাতের সাথে খেলে খাবারে রুচি বাড়ে। এ তেল নিয়মিত ব্যবহারে মাথা ঠাণ্ডা থাকে। শরীরের যেকোনো কালো দাগ বা আগুনে পোড়া দাগ মিলাতে এ তেল বিশেষ কার্যকরী।ডোবা-নালার নোংরা পচা পানিতে নামার আগে এ তেল শরীরে মেখে নিলে শরীর চুলকায় না এবং জোঁক কামড়ায় না। এর কাঁচা বীজ কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা সমাধানে বিশেষ কার্যকর। প্রচণ্ড ঠাণ্ডা লাগলেও তেল গরম করে বুকে মালিশ করলে আরাম পাওয়া যায়।

গল্প: নষ্ট মেয়ে 18+ গল্প।ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 পুরু* ষাঙ্গের প্রথম স্পর্শ! 

-পেয়েছিলাম ১৫ বছর বয়সে। যখনি যৌবনে পা রাখি ঠিক তখনি রাকিব আমাকে এক প্রকার জোর করেই  দ র্ষ*ন  করেছিলো। 


-রাকিব হচ্ছে  আমার মামাতো ভাই,  তো একদিন মায়ের কাছে বায়না ধরলাম মা আমি  মামার বাসায় ঘুরতে যাবো। 


-মা বলেছিলো না আমি  যখন যাবো তোকে সাথে নিয়েই যাবো।  কিন্তু  আমি  হার মানার পাত্রি ছিলাম না।  আমি  এক প্রকার জোর করেই  মামার বাসায় বেড়াতে আসি। 


- আসার সময়  মা শুধু  বলেছিলো যে মেয়ে বাবা মার কথা শুনে না যাই হোক আল্লাহ্  তার ভালো  করেনা।  এই কথাটি শুনে আমি হেসে বলেছিলাম।


- শগুনের দোয়ায় কি মা গরু মারা যায়।  এই কথাটি শোনার পরে মা আর কোন কথাই বলেনি।  তাই আমি  ও কোন প্রকার আর কথা না বাড়িয়ে মামার বাসায় চলে আসি। 


এসেই দেখি মামি বসে আছে। 


-আসসালামু  ওয়ালাইকুম মামি কেমন আছেন?


-ওয়ালাইকুম আসসালাম! আরে পাখি যে।  হঠাৎ  করে কোন খোজ খবর না দিয়েই আসলি যে। 


( ওহ হ‍্যা আমার নাম কিন্তু  পাখি বলতেই ভূলে গিয়েছিলাম ) 


পাখি: মামি মনটা ভিষন  খারাপ  ছিলো। বাসায় কিচ্ছু ভালো  লাগতেছিলো না মাকে বললাম মা মামা মামির বাসায় যাই।  তো মা বললো যে আমি যখন যাবো তখন সাথে নিয়ে যাবো।  আমি  বললাম না আমি  আজকেই যাবো। আর আজকেই আসলাম তাও আবার জোর করে। 


মামি :  হুম এসেছো খুব ভালো  করেছে।  এখানে থাকো দেখবা অটোমেটিক  মন ফ্রেশ হয়ে গেছে। 


পাখি : হুমম।  আচ্ছা  মামি রাকিব ভাইয়া কোথায়  দেখতেছি না যে। 


তো পাখির কথা শুনে ওর মামি রাকিব কে ডাকতেছে। 


মামি : রাকিব এই রাকিব বাহিরে আয় দেখ কে এসেছে।


একটু পরে রাকিব আসে। 


রাকিব : কি হয়েছে মা ডাকতেছো কেনো। 


মামি: পাখি এসেছে ওকে গেস্ট রুমে পাঠিয়ে দিলাম যা দেখা করে আয়। 


রাকিব : ঠিক আছে মা যাচ্ছি। 


এর পরে সোজা রাকিব গেস্ট রুমে চলে আসে। এসেই দেখে যে পাখি পোশাক  চেন্স করতেছে। এটা দেখে রাকিব একটু গালা হাসর দেয়। 


গালা হাসরের শব্দ পেয়ে পাখি চমকে উঠে আর নিজের পোশাক ভালো  করে। 


পাখি : ভাইয়া তুমি  কখন আসলে রুমে। 


রাকিব : এই তো এই মাত্র  আসলাম এসেই দেখি তুই.......?  থাক আর লজ্জা  পেতে হবে না। আমি কিচ্ছু দেখিনাই। 


রাকিবের এমন কথায় পাখি একটু লজ্জা  পেয়ে যায়। 


পাখি : হুমম ঠিক আছে।  তুমি  কেমন আছো। 


রাকিব : হুম ভালো  আছি রে তুই। 


পাখি: হুম ভালো  আছি আমি ও। তুমি  তো অনেক বড় হয়ে গেছো। 


রাকিব : তুই ও অনেক বড় হয়েছিস। আর অনেক সুন্দর  বটে হয়েছিস। 


পাখি :  থাক পাম দিতে হবে না আর। 


রাকিব : পাম না রে সত্যি  বলতেছি। মনে ত হয় 4/5 Bf  বানাইছিস। 


পাখি: আরে তুমি  কি যে বলো না। আমি ত এখনো ছোট্ট  প্রেমেই করিনাই। 


রাকিব : আচ্ছা  থাক পরে কথা হবে। তুই চেন্স কর সব কিছু আমি গেলাম আমার  রুমে। 


এর পরে রাকিব রুমে এসে ভাবতে থাকে পাখির সেই পোশাক চেন্স করার দৃশ্য । উফফ কি যে ভালো  লাগতেছিলো কেনো যে গালা হাসর দিতে গলাম।  আর এই চান্স কি কখনো পাবো।  কেমন করে হয় হোক পাখি কে পটাতেই হবে সেই জি*নিস হয়েছে দেখতে? 


এই ভবতেছে আর পরতেছে।  পরায় যেনো মনেই আসতেছে না পাখিকে দেখার পর থেকে। মাথায় শুধুমাত্র  একটা চিন্তাই  আসতেছে কেমন করে হয় হোক পাখির সাথে শারী*রিক  সম্পর্ক করতেই হবে?


-যেই ভাবা সেই কাজ। 


রাতে যখন সবাই খাওয়া দাওয়া করে  নিজ নিজ রুমে ঘুমিয়ে পরে এই ফাকে রাকিব ঠিক রাত যখন 12 টা বাজে  সোজা পাখির রুমে চলে যায়।   


-কিন্তু  গিয়ে দেখে দরজা লক করা ভিতর থেকে।  আবার নিজের রুমে এসে রাকিব এক্সট্রা যে চাবি থাকে ওই চাবি নিয়ে গিয়ে দরজার লক খুলে ভিতরে ডুকে।  


আবার লক করে দেয় যাতে কেউ বুজতে না পারে ভিতরে কেউ আছে। 


-তো ভিতরে এসে দেখে যে পাখি ঘুমের ঘোড়ে আছে।  এই অবস্থায়  যেনো পাখি কে একটি ঘুমন্ত পরি মনে হচ্ছিলো। 


এই সব দেখে রাকিব আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারে না। সোজা গিয়ে পাখির শরীরের  উপর উঠে পরে ইচ্ছে মতো পাখি কে কিস করতে থাকে গলায়, ঘাড়ে, বিভিন্ন  স্থানে।  যখনি পখির ঠোটে কিস করতে ধরেছে ঠিক তখনি পাখি জেগে উঠে। 


পাখি: এইইইইই  কে আপনি  আর আমার  রুমে কি করতেছেন। ছারুন আমাকে । 


পাখির এমন চিল্লাচিল্লি  শুনে রাকিব হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরে আর বলতে থাকে। 


রাকিব : এই পাখি আমি রাকিব। 


পাখি : তুমি  আমার রুমে এসে কি করতেছো এই সব হ‍্যা  তোমার  লজ্জা  করে না। 


রাকিব : এই বেশি কথা বলিশ না। আমি যা করতেছি করতে দে না হলে। 


পাখি : না হলে কি হ‍্যা।  ছি: ছি : ছি : তোমার  মন মানুষিকতা এতোটাই খারাপ। 


রাকিব : চুপ কর যদা চুপ না করিশ তো। এখানেই মে*রে  ফেলবো  বালিশ চাপা দিয়ে।


পাখি : প্লিজ আমাকে ছেরে দাও।আমি তোমার  বোন হই। 


রাকিব : আবার কথা বলিশ।  আর একটি কথা বললে মে*রে ফেলবো বললাম? 


তো রাকিবের এমন কথায়  পাখিও ভিষন  ভয় পেয়ে যায়। কারন যেই ছেলের সাহস এই রকম সে পারে না এমন কোন কাজ নেই করতে। 


এর পরে পাখি আর একটি কথা ও বলে না চুপ চাপ কান্না  করতে থাকে আর এ দিকে রাকিব পাগলা কুত্তার মতো  পাখির সাথে শারীরিক  মেলা মেশা করতে থাকে। 


প্রায়  ১ ঘন্টা  পরে পাখি কে ছেরে দেয়। নিজের খায়েশ মিটিয়ে। 


রাকিব : এই কথা যদি কেউ জানে তোর খবর খারাপ আছে।  আর যদি ও বলিশ  তোর মান সন্মান সব যাবে আমার কিচ্ছু হবে না। মাথায় রাখিস এই কথা। 


এটা বলেই রাকিব আবার দরজা খুলে নিজের রুমে চলে আসে। 


পাখি যেনো এই সব বিশ্বাস  এই করতে পারতেছিলো না। কারন রাকিব কে অনক ভালো  ছেলে মনে করেছিলো। আর সেই ছেলেই কিনা ছি : ভাবতে লজ্জা  লাগতেছে। 


-পাখি মনে মনে ভেবে রাখে সকাল বেলায় মামি কে সব কিছু বলে দিবো।  এতে আর যাই হোক রাকিবের সাথে বিয়েটা হবে। না হলে এই মুখ কাওকে দেখাইতে পারবো না। 


এটা ভেবে সেই রাতে পাখি কোন রকমে ঘুমিয়ে পরে। 


-ত পরের দিন সকাল এলায় উঠেই পাখি সোজা মামির কাছে যায়। 


মামি : কি রে পাখি এত সকাল সকাল উঠলি যে। 


পাখি : মামি রাকিব ভাইয়া না। 


মামি : রাকিব কি করেছে দুষ্টুমি করেছে। 


পাখি : না মামি কাল রাতে ঘুম যাওয়ার পরে  রাকিব ভাইয়া আমার  রুমে এসে আমার  সাথে.... শারীরিক  মেলা মেশা করেছে। 


এটা শুনার পরে যেনো রাকিবের মা শরীর  এ 140° ভোল্টের  শর্ট খায়। 


মামি : এই কি বলেছিস এই সব মাথায় আছে তর হ‍্যা। আমার  ছেলের নামে মিথ্যা  অপোবাদ দিস লজ্জা  করতেছ না। তর রুম ত লক করা ছিলো রাকিব কেমনে ডুকবে হ‍্যা।   আর একসট্রা চাবি যেটা ওটা আমার  রুমেই আছে। 


পাখি : মামি বিশ্বাস  করো আমার  কথা। 


মামি: ওহ আমি  বুজে গেছি তর সব প্লান,  তুই অন্য  ছেলের সাথে রাত কাটাইছিস!  এখন পেটে বাচ্চা  আসবে কি করবি ভেবে না। পেয়ে আমাদের বাসায় এসেছিস আর আমার  ছেলেকে ফাসাইতে চাচ্ছিস?  এখন বুজলাম তর মা আসতে দেয়নি তবুও কেনো তুই জোর করে এসেছিস। 


পাখি : মামি এ সব কিচ্ছু না রাকিব......? 


মামি : এক দম চুপ তর মা বাবা কে ফোন দিয়ে ডাকতেছি ওয়েট। 


এর পরে রাকিবের মা পাখির মা বাবা কে ফোন দিয়ে সব টা খুলে বলে।  এই কথা শুনার পরে তো ওরাব অবাক হয়ে যায়। 


প্রায় 20 মিনিট পরে পাখির মা এসেই সোজা,,,,,,,,,, 


পরবর্তী  পর্বের জন্যে  অপেক্ষায়  থাকুন ধন্যবাদ ? ভূল তূটি ক্ষমা করবেন। কেমন হয়েছে সবাই কমেন্ট এ জানাবেন  আশা করি ♥


গল্প: নষ্ট মেয়ে

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বই "তিন শূন্যের পৃথিবী" (Three Zeros World) মূলত একটি নতুন অর্থনৈতিক দর্শন তুলে ধরে, যা দারিদ্র্য, বেকারত্ব এবং পরিবেশ দূষণ থেকে মুক্ত একটি সমাজ তৈরির পরিকল্পনা উপস্থাপন করে।

 ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বই "তিন শূন্যের পৃথিবী" (Three Zeros World) মূলত একটি নতুন অর্থনৈতিক দর্শন তুলে ধরে, যা দারিদ্র্য, বেকারত্ব এবং পরিবেশ দূষণ থেকে মুক্ত একটি সমাজ তৈরির পরিকল্পনা উপস্থাপন করে।


মূল বক্তব্য ও ধারণা:


১. শূন্য দারিদ্র্য (Zero Poverty):

ড. ইউনূস বিশ্বাস করেন যে, প্রচলিত পুঁজিবাদী অর্থনীতি দরিদ্রদের সুবিধাবঞ্চিত রাখে। তিনি ক্ষুদ্রঋণ, সামাজিক ব্যবসা এবং স্বনির্ভর কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দারিদ্র্য সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করার পথ দেখিয়েছেন।


২. শূন্য বেকারত্ব (Zero Unemployment):

তিনি প্রচলিত চাকরিনির্ভর মানসিকতা পরিবর্তন করে উদ্যোক্তা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁর মতে, প্রত্যেক মানুষ উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষমতা রাখে এবং সঠিক সহায়তা পেলে তারা আত্মকর্মসংস্থান গড়ে তুলতে পারে।


৩. শূন্য কার্বন নিঃসরণ (Zero Net Carbon Emission):

বিশ্ব উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার জন্য ড. ইউনূস পরিবেশবান্ধব ব্যবসা ও প্রযুক্তির ব্যবহারকে উৎসাহিত করেছেন। তিনি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সবুজ প্রযুক্তি ও টেকসই উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেন।


বইটির মূল শিক্ষা:


✔ সামাজিক ব্যবসার শক্তি: প্রচলিত মুনাফাকেন্দ্রিক ব্যবসার পরিবর্তে সামাজিক কল্যাণকেন্দ্রিক ব্যবসার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

✔ উদ্যোক্তাবৃত্তির গুরুত্ব: চাকরির পেছনে না ছুটে স্বনির্ভর হওয়ার উপায় খুঁজে বের করতে হবে।

✔ টেকসই উন্নয়ন: পরিবেশ সংরক্ষণ ও সামাজিক উন্নয়ন একসঙ্গে করতে হবে।


"তিন শূন্যের পৃথিবী" বইটি মূলত একটি দার্শনিক ও বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে, যেখানে সমাজের মৌলিক সমস্যাগুলোর সমাধানে নতুন অর্থনৈতিক মডেলের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।


📨 অর্ডার করতে ইনবক্সে মেসেজ করুন।


#তিন_শূন্যের_পৃথিবী #মুহাম্মদ_ইউনূস #গ্রন্থনগর

ডাঃ ভিতলকাস ও হোমিওপ্যাথি  প্রথম পর্ব


 ডাঃ ভিতলকাস ও হোমিওপ্যাথি 


প্রথম পর্ব


★ জন্ম --- ১৯৩২ সালের ২৫শে জুলাই, গ্রীসের রাজধানী এথেন্সে, 


★ মাধ্যমিক লেভেলের পড়াশোনা শেষ করে এথেন্সের একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি হন, এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ স্নাতক হন, 


★ দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে ইঞ্জিনিয়ারিং এর চাকরি পেয়ে চলে যান, এবং সেখানে চাকরিতে জয়েন করেন, তখন তার বয়স ২৫ বছর। 


★ ১৯৫৯ সাল, ভিতলকাসের বয়স তখন ২৭ বছর, দক্ষিণ আফ্রিকায় কাটছে তার প্রবাসী জীবন, 


★ একদিন সন্ধ্যায় তিনি তার এক বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে যান। ঐ বন্ধুটি হোমিওপ্যাথির বইপত্র পড়তেন। তার টেবিলে ছিল উইলিয়াম বোরিকের একটি মেটিরিয়া মেডিকা, 


★ যারা পড়াশোনা করতে ভালোবাসে তারা যে কোন বইপত্র পেলেই পাতা উল্টে দেখতে চায়। কি ব্যাপারের বই কৌতূহলবশতঃ দুই চার লাইন পড়তেও চায়। ভিতলকাসও তেমনি বইটি উল্টেপাল্টে দেখতে থাকলেন। 


★ তার ইচ্ছা হলো এই বইটি তিনি কিনে ভালভাবে পড়বেন। বন্ধুটির কাছ থেকে বইটি কেনার প্রাপ্তিস্থান জেনে নিলেন। 


★ পরদিনই তিনি নির্দিষ্ট দোকানে গিয়ে বইটি কেনেন এবং গোড়া থেকেই পড়তে শুরু করেন। 


★ প্রতিটি ঔষধ পড়তে তার খুব মজা লাগছিল, খুব ভালো লাগছিল। নিজের আত্মজীবনীতে তিনি বলেছেন, এমন কি খাওয়ার সময়ও টেবিলে বইটি রেখে তিনি পড়েছিলেন। 


★ দুই দিনের মধ্যে তিনি বোরিকের মেটিরিয়া মেডিকা বইটি পড়ে শেষ করেন।   

   

★ তিনি লিখেছেন --

 " গভীর প্রেমঘটিত ব্যাপারের মতন হোমিওপ্যাথিক ঔষধের উপরে একটা নেশায় যেন আমাকে পেয়ে বসে "। 


★ বইটি পড়ে শেষ করার পরের দিনই তিনি আবার ওই দোকানে যান এবং হোমিওপ্যাথি বিষয়ক আরো গোটা দশেক বই কেনেন।  


★ কাজের ফাঁকে ফাঁকে প্রতিদিন প্রায় ১২ থেকে ১৪ ঘন্টা সময় তিনি ঐসব হোমিওপ্যাথিক বইগুলি পড়তে থাকেন। 


★ হোমিওপ্যাথিকে তিনি এতটা বেশি ভালোবেসে ফেললেন যে মনে করলেন কোন প্রতিষ্ঠানিক হোমিওপ্যাথিক স্কুল বা কলেজে তিনি ভর্তি হয়ে পড়বেন। 


★  ইংল্যান্ডের ডাঃ ক্লার্কের এক ছাত্র ডাঃ নোয়েল পুডেফাটস সেই সময় দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি ছোট হোমিওপ্যাথিক স্কুল খুলে ছিলেন। স্কুলটির নাম ছিল -- নোয়েল পুডেফাটস স্কুল। 


★ ভিতলকাস এখানে ভর্তি হলেন, এবং ১৯৬২ সালে ঐ কলেজের একটি ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট পেলেন। 


★ হোমিওপ্যাথির প্রতি ঐ স্বল্প শিক্ষায় তিনি সন্তুষ্ট হলেন না। তিনি খোঁজ করতে থাকলেন কোথায় আরও ভালোভাবে বিশদে হোমিওপ্যাথিক কোর্স পড়া যায়! 


★ ঐ সময় হোমিওপ্যাথি শিক্ষার পীঠস্থান ছিল কলকাতার " দ্য ক্যালকাটা হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ "।


★  ভিতলকাস চাকরি ছেড়ে কলকাতায় এলেন এবং দ্য ক্যালকাটা হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে ভর্তি হলেন।  হোমিওপ্যাথির উপর তিনি D M S কোর্স করলেন। 


★ এরপর দেশে ফেরার আগে তিনি বোম্বেতে যান এবং বোম্বে হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজেও পুনরায় সেখানকার লাইসেনসিয়েট ডিপ্লোমা শিক্ষালাভ করেন৷ 


★ তিনি গ্রীসে ফিরলেন। তার মনে হয়েছিল হোমিওপ্যাথির উপর যে শিক্ষা তিনি পেয়েছেন তা প্র্যাকটিক্যাল বা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। তাই তিনি নিজে আরও বইপত্র জোগাড় করে হোমিওপ্যাথি বিষয়ে গভীর অধ্যায়নে মনোনিবেশ করেন। ধ্যানমগ্ন ঋষির ন্যায় তিনি দিনরাত হোমিওপ্যাথির উপরে পড়াশোনায় মগ্ন থাকলেন। 


★ তখন গ্রীসে হোমিওপ্যাথির বিশেষ প্রচলন ছিল না। গ্রীসের থেকে ইউরোপের সুইজারল্যান্ডে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার প্রচলন বেশি থাকায় ভিতলকাস সুইজারল্যান্ড যাত্রা করেন। এখানকার গস্টাড নামের একটি শহরে তিনি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা আরম্ভ করেন এবং অচিরেই একজন  ভালো হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসাবে নাম করেন। 


★ ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৭, মাত্র ১ বছর সুইজারল্যান্ডে থাকার পর ভিতলকাস নিজের দেশ গ্রিসে ফেরার মনস্থির করেন। 


★ ১৯৬৭ সালে তিনি রাজধানী এথেন্সেে একটি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করেন এবং আগ্রহী কিছু চিকিৎসককে হোমিওপ্যাথিক শিক্ষাদানও শুরু করেন। 


★ আস্তে আস্তে সেখানকার মানুষজন এবং চিকিৎসক সমাজ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে পরিচিত হয়ে ওঠে। মডার্ন এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় শিক্ষাপ্রাপ্ত হয়েও অনেক চিকিৎসক তার কাছে হোমিওপ্যাথিক প্রশিক্ষণ নিতে আসতে থাকেন। 


★ বহির্বিশ্বের হোমিওপ্যাথদের সাথে যোগাযোগ করে মাত্র দু বছরের মধ্যে ১৯৬৯ সালে তিনি এথেন্সে ২৪তম আন্তর্জাতিক হোমিওপ্যাথিক কংগ্রেস অনুষ্ঠিত করেন। 


★ এই বছরেই তিনি একটি হোমিওপ্যাথিক মেটিরিয়া মেডিকা লিখলেন। বইটির নাম দিলেন ---হোমিওপ্যাথি,  মেডিসিন অফ দ্যা নিউম্যান। 

বইটি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের কাছে  জনপ্রিয়তা ও প্রশংসা লাভ করে। বইটিতে তিনি মাত্র ৫২ টি ঔষধ লিখেছিলেন। 


নিচে বইটির একটি পাতার স্ক্রিনশর্ট দিলাম। 


( লেখাটা কন্টিনিউ হবে )

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ১৪-০৪-২০২৪ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ১৪-০৪-২০২৪ খ্রি:


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


আজ পহেলা বৈশাখ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দের প্রথম দিন - বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে বর্ষবরণ - দেশবাসীকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা।


পহেলা বৈশাখ শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে সারাদেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার।


আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে সম্প্রীতি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধান উপদেষ্টা - পহেলা বৈশাখকে সম্প্রীতির প্রতীক বলে অভিহিত।


পাসপোর্টে ‘ইসরাইল ব্যতীত’ লেখা পুনঃপ্রবর্তন করলো বাংলাদেশ। 


প্লট কেলেঙ্কারি মামলায় শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও টিউলিপ সিদ্দিকসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা।


সারাদেশে একযোগে দুপুর দেড়টায় জুমার নামাজ শুরুর সিদ্ধান্ত।


গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর সর্বশেষ হামলায় নিহত ৩৭ 


লাহোরে আইসিসি নারী বিশ্বকাপ ক্রিকেটের বাছাইপর্বের খেলায় বাংলাদেশের জয় আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে।

কুঁজো বুড়ির কথা উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী 

 কুঁজো বুড়ির কথা

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী 


এক যে ছিল কুঁজো বুড়ি। সে লাঠি ভর দিয়ে কুঁজো হয়ে চলত, আর তার মাথাটা খালি ঠক-ঠক করে নড়ত। বুড়ির দুটো কুকুর ছিল। একটার নাম রঙ্গা, আর একটার নাম ভঙ্গা।


বুড়ি যাবে নাতনীর বাড়ি, তাই কুকুর দুটোকে বললে, 'তোরা যেন বাড়ি থাকিস, কোথাও চলে-টলে যাসনে।'


রঙ্গা-ভঙ্গা বললে, 'আচ্ছা।' তারপর বুড়ি লাঠি ভর দিয়ে, কুঁজো হয়ে যাচ্ছে, আর তার মাথাটা খালি ঠক-ঠক করে নড়ছে। এমনি করে সে খানিক দূর গেল।


তখন এক শিয়াল তাকে দেখতে পেয়ে বললে, 'ঐ রে, সেই কুঁজো বুড়ি যাচ্ছে। বুড়ি, তোকে তো খাব!'


বুড়ি বললে, 'রোস, আমি আগে নাতনীর বাড়ি থেকে মোটা হয়ে আসি, তারপর খাস। এখন খেলে তো শুধু হাড় আর চামড়া খাবি, আমার গায়ে কি আর কিছু আছে?'


শুনে শিয়াল বললে, 'আচ্ছা, তবে মোটা হয়ে আয়, তারপর খাব এখন।' বলে শিয়াল চলে গেল।


তারপর বুড়ি আবার লাঠি ভর দিয়ে কুঁজো হয়ে যাচ্ছে, আর তার মাথাটা ঠক-ঠক করে নড়ছে। এমনি করে আরো খানিক দূর গেল।


তখন এক বাঘ তাকে দেখতে পেয়ে বললে, 'ঐ রে সেই কুঁজো বুড়ি যাচ্ছে। বুড়ি তোকে তো খাব!'


বুড়ি বললে, 'রোস, আমি আগে নাতনীর বাড়ি থেকে মোটা হয়ে আসি, তারপর খাস। এখন খেলে তো শুধু হাড় আর চামড়া খাবি, আমার গায়ে কি আর কিছু আছে?'


শুনে বাঘ বললে, 'আচ্ছা, তবে মোটা হয়ে আয়, তারপর খাব এখন।' বলে বাঘ চলে গেল।


তারপর বুড়ি আবার লাঠি ভর দিয়ে কুঁজো হয়ে যাচ্ছে, আর তার মাথাটা ঠক-ঠক করে নড়ছে। এমনি করে সে আরো খানিক দূর গেল।


তখন এক ভাল্লুক তাকে দেখতে পেয়ে বললে, 'ঐ রে, সেই কুঁজো বুড়ি যাচ্ছে। বুড়ি তোকে তো খাব!'


বুড়ি বললে, 'রোস, আমি আগে নাতনীর বাড়ি থেকে মোটা হয়ে আসি, তারপর খাস। এখন খেলে তো শুধু হাড় আর চামড়া খাবি, আমার গায়ে কি আর কিছু আছে?'


শুনে ভাল্লুক বললে, আচ্ছা, তবে মোটা হয়ে আয়, তারপর খাব এখন।' এই বলে ভাল্লুক চলে গেল। বুড়িও আর খানিক দূর গিয়েই তার নাতনীর বাড়ি পৌঁছল। সেখানে দই আর ক্ষীর খেয়ে-খেয়ে এমনি মোটা হল যে, কী বলব! আর একটু মোটা হলেই সে ফেটে যেত।


তাই সে তার নাতনীকে বললে, 'ওগো নাতনী, আমি তো বাড়ি চললুম। এবারে আর আমি চলতে পারব না। আমাকে গড়িয়ে যেতে হবে। আবার পথে ভাল্লুক, বাঘ আর শিয়াল হাঁ করে বসে আছে। আমাকে দেখতে পেলেই ধরে খাবে। এখন বল দেখি কী করি?'


নাতনী বললে, 'ভয় কী দিদিমা? তোমাকে এই লাউয়ের খোলটার ভিতরে পুরে দেব। তাহলে বাঘ ভাল্লুক বুঝতেও পারবে না, তোমাকে খেতেও পারবে না।'


বলে, সে বুড়িকে একটা লাউয়ের খোলার ভিতর পুরে, তার খাবার জন্যে চিড়ে আর তেঁতুল সঙ্গে দিয়ে, হেঁইয়ো বলে লাউয়ে ধাক্কা দিলে, আর লাউ গাড়ির মতন গড়গড়িয়ে চলল।


লাউ চলেছে আর বুড়ি তার ভিতর থেকে বলছে—

লাউ গড়-গড়, লাউ গড়-গড়, 

খাই চিড়ে আর তেঁতুল, 

বীচি ফেলি টুল্-টুল। 

বুড়ি গেল ঢের দূর!


পথের মাঝখানে সেই ভাল্লুক হাঁ করে বসে আছে, বুড়িকে খাবে বলে। সে বুড়ি-টুড়ি কিছু দেখতে পেলে না, খালি দেখলে একটা লাউ গড়িয়ে যাচ্ছে। লাউটাকে নেড়ে-চেড়ে দেখলে বুড়িও নয়, খাবার জিনিসও নয়। আর তার ভিতর থেকে কে যেন বলছে, 'বুড়ি গেল ঢের দূর!' শুনে সে ভাবলে, বুড়ি চলে গিয়েছে। তখন সে ঘোঁৎ করে তাতে দিলে এক ধাক্কা আর সেটা গাড়ির মতন গড়গড়িয়ে চলল।

লাউ চলছে আর বুড়ি তার ভিতর থেকে বলছে—

লাউ গড়-গড়, লাউ গড়-গড়, 

খাই চিড়ে আর তেঁতুল, 

বীচি ফেলি টুল-টুল।

বুড়ি গেল ঢের দূর!


আবার খানিক দূরে বাঘ বসে আছে বুড়িকে খাবে বলে। সে বুড়িকে দেখতে পেলে না, খালি দেখলে একটা লাউ গড়িয়ে যাচ্ছে। সেটাকে নেড়ে-চেড়ে দেখলে, বুড়িও নয়, খাবার জিনিসও নয়। আর তার ভিতর থেকে কে যেন বলছে, 'বুড়ি গেল ঢের দূর।' শুনে সে ভাবলে বুড়ি চলে গিয়েছে। তখন সে ঘোঁৎ করে তাতে দিলে এক ধাক্কা, আর সেটা গাড়ির মতন গড়গড়িয়ে চলল।

লাউ চলছে আর বুড়ি তার ভিতর থেকে বলছে—


লাউ গড়-গড়, লাউ গড়-গড়, 

খাই চিড়ে আর তেঁতুল, 

বীচি ফেলি টুল্-টুল্।

বুড়ি গেল ঢের দূর!


খানিক দূরে সেই শিয়াল পথের মাঝখানে বসে আছে। সে লাউ দেখে বললে, হুঁ! লাউ কিনা আবার কথা বলে। ওর ভিতরে কী আছে দেখতে হবে।' তখন সে হতভাগা লাথি মেরে লাউটা ভেঙেই বলে কিনা, 'বুড়ি তোকে তো খাব!'


বুড়ি বললে, 'খাবি বইকি! নইলে এসেছি কি করতে? তা, আগে দুটো গান শুনবিনে?' শিয়াল বললে, 'হ্যাঁ, দুটো গান হলে মন্দ হয় না। আমিও একটু-আধটু গাইতে পারি।'


বুড়ি বললে, 'তবে ভালোই হল। চল ঐ ঢিপিটায় উঠে গাইব এখন।' বলে বুড়ি সেই ঢিপির উপরে উঠে সুর ধরে চেঁচিয়ে বললে, 'আয়, আয়, রঙ্গা-ভঙ্গা, তু-উ-উ-উ-উ!'


অমনি বুড়ির দুই কুকুর ছুটে এস, একটা ধরলে শিয়ালের ঘাড় আর একটায় ধরলে তার কোমর। ধরে টান কি টান। শিয়ালের ঘাড় ভেঙে গেল, কোমর ভেঙে গেল, জিভ বেরিয়ে গেল, প্রাণ বেরিয়ে গেল, তবু তারা টানছেই, টানছেই, খালি টানছে।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...