এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫

জমি ক্রয়ের পর ক্রেতা-মালিকের করণীয় : *******

 জমি ক্রয়ের পর ক্রেতা-মালিকের করণীয় :

******************************************

একজন ক্রেতা হিসেবে আপনি যে জমি ক্রয় করুন না কেন, ঐ জমি ক্রয় করার পর মালিকানা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য নিম্মুক্ত কাজগুলো করতে হবে।

১) জমি রেজিস্ট্রি করার পর ওই জমি পরিমাপপূর্বক সীমানা নির্ধারণ করে পূর্বের মালিকের কাছ থেকে দখল বুঝে নিতে হবে।

২) জমিতে দখল প্রতিষ্ঠার জন্য বাস্তব ব্যবহার তথা চাষাবাদ/ঘরবাড়ি নির্মাণ ইত্যাদি করতে হবে।

৩) সংশ্লিষ্ট সাবরেজিস্ট্রার অফিস থেকে মূল দলিল সংগ্রহ করতে হবে। মূল দলিল উত্তোলনে বেশি সময়ের প্রয়োজন হলে সার্টিফায়েড কপি (মূল দলিলের হুবহু নকল) তুলে নিতে পারেন।

৪) সার্টিফায়েড কপি (নকল) প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে ওই ক্রয়কৃত জমি আপনার নিজ নামে নামজারি জমা ভাগের জন্য আবেদন করতে ভুলে যাবেন না।

৫) সহকারী কমিশনার (ভূমি) নামজারি খতিয়ান অনুমোদন দেয়ার পর নামজারি খতিয়ান, ডিসিআর-এর কপি ও ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করে দাখিলার কপি আপনি নিজে সংগ্রহপূর্বক সংরক্ষণ করুন।

৬) মনে রাখবেন, আপনি কষ্টার্জিত অর্থে জমি ক্রয়ের পর ওই জমি আপনার দখলে নিতে ব্যর্থ হলে এবং আপনার নিজ নামে নামজারি (মিউটেশন) করতে বিলম্ব করলে অসাধু ও চতুর জমি বিক্রেতা ঐ জমি আবার অন্যত্র বিক্রয়ের প্রচেষ্টা চালাতে পারে। তাই জমি ক্রয়ের পরপরই ক্রয়কৃত জমির দখল বুঝে নিন এবং নামজারি করুন।


মোঃ কবির হুসাইন, ডিজিটাল সার্ভে প্রশিক্ষক।

মোবাইল 01962604596 What'sApp

ঠিকানাঃ বাড়ি ১৬, রোড ৫, ব্লক-সি, বনশ্রী, ঢাকা ১২১৯

I V F যখন কোনো দম্পতি সন্তান ধারণে সমস্যায় পড়েন, তাঁদের জন্য রয়েছে আইভিএফ পদ্ধতি।

 যখন কোনো দম্পতি সন্তান ধারণে সমস্যায় পড়েন, তাঁদের জন্য রয়েছে আইভিএফ পদ্ধতি।


ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন। এ পদ্ধতিতে বাবা-মায়ের ডিম্বানু ও শুক্রাণু সংগ্রহ করে তা ল্যাবে একত্র করা হয়। এতে যে ভ্রুণটি তৈরি হয়, তা মায়ের জরায়ুতে স্থাপন করা হয়।


আইভিএফ খুব লম্বা প্রক্রিয়া। শুরু থেকে শেষ— মোট ২৩টি ধাপ। খুবই দক্ষ ও প্রশিক্ষিত বিশেষজ্ঞরাই পরিচালনা করেন পুরো প্রক্রিয়াটি। কিন্তু সম্প্রতি মেক্সিকোর 'হোপ আইভিএফ মেক্সিকো' ফার্টিলিটি সেন্টারে আইভিএফের পুরো ২৩টি ধাপ সম্পন্ন করা হয়েছে রোবটিক সিস্টেমের দ্বারা। যার মধ্যে কিছু ধাপ নিয়ন্ত্রণ করেছে এআই।


সুস্থ শুক্রাণু বাছাই, শুক্রাণুকে শান্ত করে তা ডিম্বানুতে প্রবেশ করানো— এ কাজগুলো নিখুঁতভাবে করেছে এআই। সে ভ্রুণ মায়ের জরায়ুতে স্থাপন করে নন-এআই রোবটিক সিস্টেম। জন্ম হয় এক সুস্থ পুত্র সন্তানের।


এটি নিউইয়র্কের 'কনসিভেবল লাইফ সায়েন্সেস' এর একটি সফল গবেষণার অংশ। যার নেপথ্যে ছিলেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের একটা ইন্টারন্যাশনাল স্পেশালিস্ট টিম।


ম্যানুয়াল পদ্ধতির তুলনায় কিছুটা বেশি সময় লাগে এই পদ্ধতিতে। তবে অধিক নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী এই পদ্ধতি। ব্যাখ্যা: বিজ্ঞানপ্রিয়।


Join: বিজ্ঞান কলঙ্ক - Science Stigma 

.

.

.

Follow: বিজ্ঞান কলঙ্ক - Science Stigma

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ১৭-০৪-২০২৪ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ১৭-০৪-২০২৪ খ্রি:


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিন প্রকাশিত ২০২৫ সালে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় রয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠক - ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন চেয়েছেন  দলটির মহাসচিব।


আইন উপদেষ্টা বলেছেন, এবছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের জুনের মধ্যে হবে জাতীয় নির্বাচন।


সফররত দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে  বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির মতবিনিময় - আসন্ন নির্বাচন, সংস্কার ও যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ নিয়ে আলোচনা।


জুলাই মাসের মধ্যেই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে - জানালেন নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম।


১৫ বছর পর আজ ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলাদেশ-পাকিস্তান পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক।


যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে বলে জানিয়েছে হামাস।


লাহোরে আইসিসি নারী বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে বাংলাদেশ নারীদল ওয়েস্ট ইন্ডিজের মোকাবেলায় মাঠে নামছে আজ।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ১৬-০৪-২০২৪ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ১৬-০৪-২০২৪ খ্রি:


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পর দেশের কোনো খাত যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে লক্ষ্যে সকল সর্তকতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার।


চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আজ বৈঠকে বসছে বিএনপি।


আউটসোর্সিং কর্মীদের জন্য নববর্ষের উপহার হিসেবে ‘আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় সেবা গ্রহণ নীতিমালা-২০২৫’ প্রণয়ন করেছে সরকার।


‘জাতীয় সনদ’ রাষ্ট্রীয় সংস্কারে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করবে - জানালেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি।


আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে চালের দাম নাগালের মধ্যে আসবে - আশাবাদ বাণিজ্য উপদেষ্টার।


প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে মামলায় শেখ হাসিনা ও তার ছেলেসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি।


গাজায় যুদ্ধবিরতির শর্ত হিসেবে হামাসকে নিরস্ত্র করার ইসরাইলি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে দলটি।


লাহোরে আইসিসি নারী বিশ্বকাপ ক্রিকেটের বাছাইপর্বে স্কটল্যান্ডকে ৩৪ রানে হারালো বাংলাদেশ।

১০ টা ফেইসবুক গল্প


 গল্প ১: নিজের মুক্তি


রুবিনা প্রতিদিন মনে মনে তাকে অভিশাপ দিত, যে একদিন তার জীবনের সব ভরসা ভেঙে দিয়েছিল। কিন্তু বছরখানেক পর, যখন নিজেই মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ল, বুঝতে পারল—এই ক্রোধ আসলে নিজেরই ক্ষতি করছে। একদিন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে সে বলল, “আমি তোকে ক্ষমা করলাম, কারণ আমি নিজেকে ভালোবাসি।” সেদিনই সে সত্যিকারের মুক্তি পেল।


---


গল্প ২: সিদ্ধান্তের শুরু


রফিকের ছোট ভাই তার ব্যবসার সব টাকা আত্মসাৎ করেছিল। কেউ বলল, “ক্ষমা কর, মন শান্ত হবে।” রফিক বলল, “আমার মন তো এখনও জ্বলছে।” কিন্তু একদিন বসে সে ভাবল—“আমি কি সারাজীবন এই ক্ষোভ নিয়ে বাঁচব?” ঠিক তখনই সে নিজেকে বলল, “তুমি এখনও প্রস্তুত নও, কিন্তু আজ একটা সিদ্ধান্ত নাও।” সেদিন থেকে তার অন্তর ধীরে ধীরে নরম হতে শুরু করল।


---


গল্প ৩: দূরত্বের মাঝেও শান্তি


সালমা তার বান্ধবী রুবিকে ভালোবেসেই আপন করেছিল। কিন্তু রুবি তার গোপন কথা ফাঁস করে দিয়েছিল একদিন। সালমা দুঃখে পুড়লেও তার ভেতরের রাগকে একদিন ক্ষমায় রূপ দিল। তবে সম্পর্কটা আর আগের মতো হয়নি। সালমা জানত—ক্ষমা মানেই সম্পর্ক জোড়া লাগানো নয়, বরং নিজের শান্তির জন্য দূরত্বও জরুরি।


---


গল্প ৪: তিক্ততার বিষ


তৌফিকের বাবা চলে গিয়েছিলেন ছোটবেলায়। মা একা বড় করেছেন, কিন্তু তৌফিক সবসময় বাবার প্রতি রাগ পুষে রেখেছিল। সেই রাগ তার প্রতিটি সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে লাগল। একদিন সে উপলব্ধি করল—এই অপূর্ণতা আর অভিযোগ তার বর্তমানকে পুড়িয়ে দিচ্ছে। সেদিন সে নিজের ভেতরের সেই “অভিমানী ছেলেটিকে” ক্ষমা করে দিল।


---


গল্প ৫: দুর্বল নয়, মানবিক


রুবাইয়া নিজের স্বামীর প্রতি কখনোই পুরোপুরি ক্ষমা করতে পারছিল না। চারপাশের সবাই বলত, “তুমি তো এত শিক্ষিতা, এত শক্ত মেয়ে!” সে ভাবত, “তবে কেন আমার পক্ষে ক্ষমা করা এত কঠিন?” পরে সে বুঝেছিল, ক্ষমা করতে না পারা দুর্বলতা নয়, বরং এটি একটি গভীর যাত্রার শুরু।


---


গল্প ৬: সীমানার দেয়াল


মাহিরা তার ভাইকে ভালোবাসত, কিন্তু সে বারবার ঠকিয়েছে। একদিন সে বলল, “আমি তোকে ক্ষমা করলাম, কিন্তু এবার আর আমার ঘরের চাবি তোকে দেব না।” ক্ষমার সাথে সে একটাও গুরুত্বপূর্ণ জিনিস শিখল—“না” বলা মানেই সম্পর্ক শেষ করা নয়, বরং নিজেকে সম্মান করা।


---


গল্প ৭: ন্যায়বিচার না পেলেও এগিয়ে যাওয়া


ইমরান অফিসে অন্যায়ের শিকার হয়েছিল। যারা তার বিরুদ্ধে মিথ্যা বলেছিল, তাদের কোনো শাস্তিও হয়নি। কিন্তু একদিন সে বলল, “আমি প্রতিশোধ নেব না। এই পেছনে তাকিয়ে থাকলে আমি নিজেই পেছনে পড়ে যাব।” সে নিজেকে ক্ষমা করল, অন্যদের নয়—কারণ ন্যায় না পেলেও তার জীবনে শান্তি দরকার।


---


গল্প ৮: প্রতিদিন একটুখানি


জাহানারা তার মেয়ের ভুলকে ক্ষমা করতে চেয়েও পারছিল না। সে ঠিক করল, প্রতিদিন মেয়ের ছবি দেখে একবার বলবে, “আমি তোমাকে ক্ষমা করতে চাই।” প্রথম দিন কিছু অনুভব হয়নি। দ্বিতীয় দিন, চোখ ভিজে গিয়েছিল। তৃতীয় দিন, বুকে একটু প্রশান্তি নেমেছিল। সে বুঝেছিল—ক্ষমা একবারে হয় না, প্রতিদিন একটু একটু করে হয়।


---


গল্প ৯: নির্জনতায় ভরসা


রেহেনা অনেক চেষ্টা করেও শান্তি পাচ্ছিল না। একদিন সে মসজিদের নির্জন কোণে বসে শুধু বলল, “হে আল্লাহ, আমি আর পারছি না। তুমি পারো?” সেই ক্ষণেই যেন তার ভেতরের কান্না থেমে গিয়ে এক ধরণের অবর্ণনীয় প্রশান্তি নেমে এলো। সে বুঝল—যেখানে শক্তি শেষ, সেখানেই বিশ্বাস শুরু হয়।


---


গল্প ১০: ক্ষত নয়, স্মৃতি


জিয়াউল এখনও ভুলতে পারেনি ছোটবেলার নির্যাতন। কিন্তু একদিন একটা অনুষ্ঠানে সে বলল, “আমি সেই মানুষদের ক্ষমা করেছি, কিন্তু ভুলিনি। কারণ আমার ক্ষত আমাকে মানুষ করেছে। এখন আর সেটা রক্ত দেয় না, বরং শক্তি জোগায়।” সেই দিন তার ভেতরের কষ্ট মুছে না গেলেও, তার জীবনের নিয়ন্ত্রণে আর ছিল না।

আদর্শ ফার্মেসী

নারিকেল গাছের পরিচর্যা ও সার ব্যবস্থাপনা

 নারিকেল গাছের পরিচর্যা ও সার ব্যবস্থাপনা🌴


একটি সুস্থ ও ফলদায়ী নারিকেল গাছের জন্য সঠিক পরিচর্যা এবং নিয়মিত সার প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো বয়সের নারিকেল গাছে বছরে দুই কিস্তিতে সার প্রয়োগ করতে হয়।


✅ প্রথম কিস্তি: বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে (অর্ধেক সার)

✅ দ্বিতীয় কিস্তি: আশ্বিন মাসে (বাকি অর্ধেক সার)


🔷🔷সার প্রয়োগের পদ্ধতি:

গাছের গোড়া থেকে ১ মিটার দূরে এবং ১-২.৫ মিটার পরিধির মধ্যে ২০-৩০ সেমি গভীরে সার প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োগের পর মাটি কুপিয়ে দিতে হবে এবং প্রয়োজন হলে সেচ দিতে হবে।


🔷🔷বয়স অনুযায়ী সার প্রয়োগের হার


🔻 ১-৪ বছর:

পঁচা গোবর/ভার্মি কম্পোস্ট: ১০ কেজি

ইউরিয়া: ২০০ গ্রাম

টিএসপি: ১০০ গ্রাম

এমওপি: ৪০০ গ্রাম

জিপসাম: ১০০ গ্রাম

জিংক সালফেট: ৪০ গ্রাম

বোরিক এসিড: ১০ গ্রাম


🔻৫-৭ বছর:

পঁচা গোবর/ভার্মি কম্পোস্ট: ১৫ কেজি

ইউরিয়া: ৪০০ গ্রাম

টিএসপি: ২০০ গ্রাম

এমওপি: ৮০০ গ্রাম

জিপসাম: ২০০ গ্রাম

জিংক সালফেট: ৬০ গ্রাম

বোরিক এসিড: ১৫ গ্রাম


🔻 ৮-১০ বছর:

পঁচা গোবর/ভার্মি কম্পোস্ট: ২০ কেজি

ইউরিয়া: ৮০০ গ্রাম

টিএসপি: ৪০০ গ্রাম

এমওপি: ১৫০০ গ্রাম

জিপসাম: ২৫০ গ্রাম

জিংক সালফেট: ৮০ গ্রাম

বোরিক এসিড: ২০ গ্রাম


 🔻১১-১৫ বছর:

পঁচা গোবর/ভার্মি কম্পোস্ট: ২৫ কেজি

ইউরিয়া: ১০০০ গ্রাম

টিএসপি: ৫০০ গ্রাম

এমওপি: ২০০০ গ্রাম

জিপসাম: ৩৫০ গ্রাম

জিংক সালফেট: ১০০ গ্রাম

বোরিক এসিড: ৩০ গ্রাম


🔻 ১৬-২০ বছর:

পঁচা গোবর/ভার্মি কম্পোস্ট: ৩০ কেজি

ইউরিয়া: ১২০০ গ্রাম

টিএসপি: ৬০০ গ্রাম

এমওপি: ২৫০০ গ্রাম

জিপসাম: ৪০০ গ্রাম

জিংক সালফেট: ১৫০ গ্রাম

বোরিক এসিড: ৪০ গ্রাম


🔻২০ বছর বা তার ঊর্ধ্ব:

পঁচা গোবর/ভার্মি কম্পোস্ট: ৪০ কেজি

ইউরিয়া: ১৫০০ গ্রাম

টিএসপি: ৭৫০ গ্রাম

এমওপি: ৩০০০ গ্রাম

জিপসাম: ৫০০ গ্রাম

জিংক সালফেট: ২০০ গ্রাম

বোরিক এসিড: ৫০ গ্রাম


🔎 গাছের সুস্থতার লক্ষণ


✅ একটি সুস্থ নারিকেল গাছে ৩২-৪০টি পাতা থাকবে।

✅ প্রতি মাসে নতুন একটি পাতা বের হয়, যা প্রায় ৩ বছর পর্যন্ত টিকে থাকে।

✅ পাতা ২৫টির নিচে নামলে বুঝতে হবে গাছটি পুষ্টির অভাবে দুর্বল।

✅ পাতার সংখ্যা ২০টির নিচে নেমে গেলে গাছে ফুল-ফল আসা বন্ধ হয়ে যাবে।


💠💠 সঠিক যত্ন ও পরিচর্যায় নারিকেল গাছ দেবে উন্নত ফলন ও দীর্ঘস্থায়ী উৎপাদন।


@highlight The natural beauty

প্রশান্ত মহাসাগরের উপর অবস্থিত রহস্যময় দ্বীপ নানমাদল

 " প্রশান্ত মহাসাগরের উপর অবস্থিত রহস্যময় দ্বীপ নানমাদল, এখানে অবস্থিত প্রাচীন পাথরের কিছু নিদর্শন যা দ্বীপটিকে রহস্যময় করে তুলেছে। "


🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺


❤️❤️নান মাদল বিশ্বের বহু প্রাচীন এক শহর। তবে এই প্রাচীন শহরটি অন্য সব প্রাচীন শহরগুলোর চেয়ে কিছুটা আলাদা। প্রশান্ত মহাসাগরের একটি প্রবাল প্রাচীরের উপর দিব্যি ভেসে আছে শহরটি। তাই শহরটি ‘প্যাসিফিকের ভেনিস’ বা ‘ভেনিস অব মাইক্রোনেশিয়া’ হিসেবেও বেশ পরিচিত। প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম প্রান্তে হাজারেরও বেশি দ্বীপ জড়ো হয়ে তৈরি হয়েছে বিশাল আকারের এক দ্বীপপুঞ্জ, যার নাম মাইক্রোশিয়া। সেই মাইক্রোশিয়া দ্বীপপুঞ্জের পনপেই নামের দ্বীপটির পূর্ব দিকে নিজের অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে এক রহস্যময় দ্বীপ ‘নান মাদল’।💚💚


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠


❤️❤️নান মাদল নামের অর্থ মাঝখানের জায়গা। এই জায়গাটির চারদিকে এত খাল পরস্পরের সাথে যুক্ত রয়েছে যেন মনে হয় একটি খাল আরেকটির সাথে কাটাকুটি খেলেছে। সেজন্যই দ্বীপটির নাম নান মাদল রাখা হয়েছে বলে অনেক গবেষকই মনে করেন। দ্বীপগুলোর দৈর্ঘ্য এক মাইল এবং প্রস্থে আধ মাইলের মতো। লেগুনের মধ্যে অবস্থিত নান মাদলকে ঘিরে রয়েছে প্রায় একশোর মতো ছোট-বড় দ্বীপ। আবার এসব দ্বীপের বেশ কয়েকটি খালের মাধ্যমে পরস্পরের সাথে যুক্ত।💚💚


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠


❤️❤️তবে পুরো শহরটা কিন্তু চীনের প্রাচীর বা মিশরের পিরামিডের চেয়েও কয়েকগুন বড়। শহরটির চারদিকে রয়েছে দেড় কিলোমিটার লম্বা ও আধ কিলোমিটার চওড়া পাথরের প্রাচীর। এই পাথরগুলোই শহরটিকে রহস্যময় করে তুলেছে। নান মাদল শহরের একেকটি পাথরের ওজন পঞ্চাশ টনের কাছাকাছি, যেখানে পিরামিডের একটি পাথরের ওজন তিন টনের মতো। শহরে পাথরের তৈরি বেশ কয়েকটি নান্দনিক শিল্পকর্ম এখনও পর্যটকদের অভিভূত করে। এই বিস্ময়কর পাথরগুলো কীভাবে তৈরি হয়েছে, তা আজও রহস্যে ঘেরা।💚💚 


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠


❤️❤️দ্বীপটির চতুর্দিক সমুদ্রবেষ্টিত। তাই সমুদ্রের মধ্যে ওরকম পাথরগাঁথা শহর বেশ অভাবনীয় এবং অকল্পনীয়ও বটে।দ্বীপটির কাছাকাছি কোনো ধরনের খনিও নেই, যার থেকে ধারণা করা যেতে পারে যে, পাথরগুলো খনি থেকে এসেছে। তাই কেউ কেউ বলছেন, এই বিস্ময়কর পাথরগুলো হয়তো জলে ভেসে আসতে পারে। কিন্তু এত বড় আর ভারী পাথরগুলো জলে কীভাবে ভেসে আসতে পারে, তা-ও বিশ্বসযোগ্য নয়। স্থানীয় লোকজন ভাবেন, কোনো অলৌকিক শক্তি বা কালো জাদুর প্রভাবে কেউ পাথরগুলোকে এখানে নিয়ে এসেছে, আর তা না হলে মানুষের কোনো পূর্বসূরিরই কাজ এটি।💚💚


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠


❤️❤️পাথরের তৈরি এক বিশালকার স্তম্ভ দ্বীপটিকে করে তুলেছে আরও রহস্যময়। দেখতে মনে হবে যেন কোনো দৈত্য শহরটিকে পাহারা দিচ্ছে। এই পাথরের স্তম্ভটি দ্বীপের ১৬ মিটার উচ্চতায় স্থাপন করা হয়েছে। হাজার হাজার শ্রমিকের শত শত বছরের নিরলস চেষ্টায় এই অসাধারণ নির্মাণ কাজ পরিচালিত হয়েছে বলে পুরাতত্ত্ববিদগণ ধারণা করেন।নান মাদল বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত এক নগরী। শহরটির ধ্বংসস্তুপ পরীক্ষা দেখা যায়, তা প্রায় ৯০০ বছরের পুরনো। ধ্বংসপ্রাপ্ত শহরটিকে ঘিরে রয়েছে অসংখ্য মন্দিরের ভগ্নস্তুপ, প্রাচীন সমাধি এবং স্নানঘর, যেখানে জল সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখা ছিল।💚💚


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠


❤️❤️এখানকার পাথরের তৈরি বিভিন্ন স্থাপনার সাথে মায়া ও অ্যাজটেকদের তৈরি উপাসনা কেন্দ্রের মিল খুঁজে পাওয়া যায়। উপাসনা কেন্দ্রটি দ্বীপ থেকে বেশ উঁচুতে নির্মাণ করা হয়েছে, যা বেশ অবাক করার মতো। এই উপাসনালয়ের মাঝের উঁচু পাথরের বেদি থেকে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করা হতো বলে ধারণা করা হয়। তখনকার নান মাদলের অধিবাসীরা ভালো ফসলের জন্য দেবতা ননিশন শাহপোর নিকট তাদের অপার ভক্তি ও সম্মান জানাতেন।💚💚


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠


❤️❤️নান মাদলের উপাসনা কেন্দ্র এবং রাজাদের নিবাসস্থল উনিশ শতকের দিকে পরিত্যক্ত হয় বলে অনুমান করা হয়। শহরটি পঞ্চদশ শতকের দিকে ঐশ্বর্যহীন হতে থাকে এবং উনিশ শতকের দিকে পুরোপুরি পরিত্যক্ত হয়। ১৯৮৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরকার নান মাদলকে জাতীয় ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে ঘোষণা করে। আর ইউনেস্কো নান মাদলকে বিশ্ব ঐতিহ্যের এক অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছে। ঐতিহাসিক নান মাদল দেখতে তাই পর্যটকদের আগমন সারা বছরই লেগে  থাকে।💚💚


💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠💠


✴️✴️✴️স্থিরচিত্র সৌজন্যে::-- wikimedia.org 


#জ্ঞানওবিজ্ঞান #জ্ঞানওবিজ্ঞানফেসবুকপেজ #fbviral

#fbpost #fbpost2025 #unbelievable #amazing #amazingfacts #unknown #unknownfacts #quiz #quiztime #generalknowledge #Island #PacificOcean #Nanmadal #rock #IslandofRock #USA #UNESCOWorldHeritage

খাতা ছাড়াও নোট হবে 'গুগল কিপ' এ

 খাতা ছাড়াও নোট হবে 'গুগল কিপ' এ 🌐


মোবাইল জীবনের নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। এর যথাযথ ব্যবহার শিক্ষার্থীদের নানাভাবে উপকৃত করতে পারে। পড়াশোনার সহায়ক প্রয়োজনীয় মোবাইল অ্যাপস নিয়ে লিখেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন।


মিলবে গণিত সমাধান


গণিত সমাধানের জন্য ‘ফটোম্যাথ’ অ্যাপস দারুণ কার্যকরী। গণিতের কোনো একটি অঙ্ক বুঝতে সমস্যা হচ্ছে? সঙ্গে সঙ্গে সেটির ছবি তুলে এই অ্যাপসে দিলেই অঙ্কটির সমাধান করে দেবে। শুধু সমাধান নয়, ধাপে ধাপে আপনাকে বুঝিয়ে দেবে, অঙ্কটি কীভাবে সমাধান করা হয়েছে। এই অ্যাপ একজন টিউটরের ভূমিকা পালন করে থাকে। প্লে-স্টোর থেকে এই অ্যাপ ফ্রি ইনস্টল করতে পারবেন।


ইংরেজি শেখা সহজ


আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে ইংরেজি শিখতেই হয়। মোবাইলের অ্যাপস ব্যবহার করে সেটি আরও সহজ। ইংরেজি বলতে, লিখতে এবং পড়ে বোঝার জন্য শব্দের অর্থ জানতে হয়। অনেক সময় কঠিন কঠিন শব্দ থাকে; ফলে ইংরেজিকে অনেকে ভয় পায়। কিন্তু ‘ইংলিশ বাংলা ডিকশনারি’ অ্যাপ ব্যবহারে মুহূর্তের মধ্যে শব্দের অর্থ জানা যায়। এ ছাড়া ‘অক্সফোর্ড ডিকশনারি অব ইংলিশ’, ‘ডিকশনারি-মেরিয়াম ওয়েবস্টার’—এই দুটি অ্যাপের মাধ্যমে ইংরেজি শব্দের অর্থসহ সঠিক উচ্চারণ পাওয়া যায়। নতুন নতুন শব্দ শেখা যায় এবং শেখা শব্দগুলোর ওপর পরীক্ষাও দেওয়া যায়। এ ছাড়া হ্যালো ইংলিশ অ্যাপস দ্বারা ধাপে ধাপে ইংরেজি শেখা যায়।


ডকুমেন্টস থাকবে মোবাইলে


অনেক সময় শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন হয় বিভিন্ন নোট ও গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস ফটোকপি করার। সে ক্ষেত্রে ‘ক্যাম স্ক্যানার’ অ্যাপ ব্যবহার করে মোবাইল দিয়ে সহজে স্ক্যান করা যায়। এ ক্ষেত্রে আপনার মোবাইলটি হয়ে উঠতে পারে একটা পোর্টেবল স্ক্যানার মেশিন! এটিতে পিডিএফ, ইমেজ প্রভৃতি আকারে সেভ করে রাখা যায়। পরে কম্পিউটারের প্রিন্টার দিয়ে প্রিন্ট করেও নেওয়া যায়। তাই কোনো ডকুমেন্ট বা নোট হারানোর ভয় নেই। ক্যাম স্ক্যানারের মতো আরও বেশ কিছু স্ক্যান করার অ্যাপস আছে। গুগল প্লে-স্টোরে সার্চ দিলেই পাওয়া যাবে। সেখান থেকে যেটি পছন্দ হয়, সেটি ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি শুধু শিক্ষার্থী নয়, একজন চাকরিজীবী বা সাধারণ মানুষও এই অ্যাপ ব্যবহার করে বিভিন্ন ডকুমেন্ট সেভ করে রাখতে পারেন।


খাতা ছাড়াও নোট হবে


শিক্ষার্থীরা সাধারণত খাতায় নোট করে থাকেন। কিন্তু খাতা ছাড়াও মোবাইল ফোনের অ্যাপস ব্যবহার করে নোট করা যায়। ‘গুগল কিপ’ অ্যাপস নোট করার জন্য ব্যবহার করা যায়। এ অ্যাপের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, নোট হারানোর ভ&য় নেই। গুগলের সঙ্গেই এটি লিংকড হয়ে যায়। অ্যাপস ডিলিট হয়ে গেলেও আপনার গুগল অ্যাকাউন্টে নোট থেকে যাবে। এই অ্যাপ ব্যবহার করে আপনি ইমেজ নোট, ভয়েস নোট, ড্রয়িং নোট, অ্যালার্ট সিস্টেম, লিস্ট এবং সুন্দর ডিজাইন করতে পারবেন। এই অ্যাপসের সুবিধার শেষ নেই। আপনি যদি অফলাইনে থাকা অবস্থায় কিছু নোট করেন, পরবর্তী সময়ে আপনি অনলাইনে গেলে সেটি অটো গুগল ক্লাউডে সেভ হয়ে থাকবে। নানান রকম সুবিধার কারণে এই অ্যাপ বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয়। পড়াশোনাকে সহজ করতে এ রকম বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে সুবিধা নিতেই পারেন।

.

তথ্যসূত্র: আজকের পত্রিকা, ১৫/০৭/২০২৪ খ্রি.

তোমার ঘরে বসত করে কয়জনা,,,,শান্তনু কুমার পাল টুটুল স্যার রংপুর সরকারি সিটি কলেজ।

 ‘’ তোমার ঘরে বসত করে কয়জনা “


ছবিটি একটু ভালো করে দেখুন তো! আমি এই তাজহাট জমিদার বাড়িতে গেলে সবকিছু খুঁটিয়ে দেখার পাশাপাশি এই উত্তরাধিকার ফলকটির কাছে গিয়ে থমকে দাঁড়াই। দীর্ঘনিশ্বাসও বেরিয়ে আসে। 


এই ফলকের কেউ আর জীবিত নাই। সবাই ছবি হয়ে গেছেন! একটা সময় কত দাপটের সাথে ছিলেন সবাই। তাদের কত শখ, সাধের এই ইমারতে এখন হাজারো অচেনা মানুষের পদচারণা! 


আরেকটা ব্যাপার খেয়াল করুন। চার পাঁচ প্রজন্ম বাদেই এই বিশাল জমিদারির মালিক হয়ে গেলো অন্য রক্তের একজন (মামা)। আর তারপর!?  তারপর পালিত পুত্র ও তাঁর বংশধরেরা! এখন সেখানে আমাদের মতো সাধারণ দর্শনার্থী ঘুরে বেড়ায় যত্রতত্র! 


কি বিচিত্র এই পৃথিবীতে বাস করছি আমরা !  এতো কিছু দেখেও আমরা কিছু কিছু শিখি? না, শিখি নাই। সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলছি তারপরও! কেন?  কি জন্য?  কার জন্য? 


এসব কিন্তু প্রকৃতির নিয়ম। হাজার চেষ্টাতেও তা কেউ খন্ডাতে পারবে না।


কারমাইকেল কলেজের শত বিঘা জমি যাঁরা দান করেছিলেন, তাঁদের উত্তরসূরীদের কাছে এখন বসতভিটা আর সামান্য কিছু জমি ছাড়া অবশিষ্ট কিছু নেই। 


রংপুরের পালপাড়ার অর্ধেকের বেশি অংশ জুড়ে ছিল আমার দাদুর জমি। কুকরুলে ছিল শত দোন ( ১ দোন = ২৪ শতক)  আবাদি জমি। এখন শুধুমাত্র বসত ভিটা ছাড়া কিচ্ছুটি নেই।


‘’ তোমার ঘরে বসত করে কয়জনা’’ মত আমি পালপাড়ায় গেলে অবাক বিস্ময়ে অট্টালিকাগুলোর দিকে চেয়ে থাকি! যে বিস্তীর্ণ জমিগুলো ছিলো আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি, দৌড়ঝাপ করে যেখানে কেটেছে আমাদের শৈশব , সেখানে এখন একদম অচেনা, অজানা শত মানুষের বসতি! 


আমরা শুধু বর্তমান দেখি। অতীত থেকে শিক্ষা নিই না। ভবিষ্যতকে নিরাপদ করার আকাঙ্খায় সৎ-অসৎ কিংবা বৈধ-অবৈধ উপায়ে সম্পদ, বাড়িঘরের পাহাড় গড়তে চাই। আমরা এভাবে বেঁচেও শান্তি পাচ্ছি না, মরেও শান্তি পাবো না। আপনার গড়ে তোলা শত কোটি টাকার অট্টালিকায় বাস করবে আপনার অচেনা কেউ!


©শান্তনু কুমার পাল টুটুল স্যার

রংপুর সরকারি সিটি কলেজ।

চিরায়ত বাংলার নৌকা শিল্প: কত বিচিত্র ধরনের নৌকা ছিল আমাদের!

 ✅ চিরায়ত বাংলার নৌকা শিল্প: কত বিচিত্র ধরনের নৌকা ছিল আমাদের!



বাংলাদেশে নৌকা একটি প্রাচীন বাহন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশে নৌকা এখনও স্থানীয় যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম। টণ্য পরিবহনের জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ। গঠনশৈলী ও পরিবহনের ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের নৌকার প্রচলন ছিল, কিছু কিছু এখনও রয়েছে। এগুলো নিয়ে আজকের আয়োজন-


ডিঙ্গি: 

আকারে ছোট এ নৌকা বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পরিচিত। এটি নদী পারাপার বা অল্প পরিমাণ পণ্য পরিবহনে কাজে লাগে। আকারে ছোট বলে এটি চালাতে একজন মাঝিই যথেষ্ট। মাঝে মাঝে এতে পালও লাগানো হয়। নদী তীর বা হাওর-বাওরের প্রায় সকল মানুষ এই নৌকাটি ব্যবহার করেন।


কোষা: 

চরাঞ্চলে বা বিলে বর্ষায় কোষা দেখা যায়। অন্যান্য নৌকার মতো এর গলুইয়ের কাঠ বড় থাকে না। অঞ্চল বিশেষে এর আকার কমবেশি হয়। কোষা পারিবারিক নৌকা হিসেবে হাটবাজারসহ স্বল্প দূরত্বে চলাচলের কাজে লাগে। একটি আদর্শ কোষা নৌকায় ৮জন যাত্রী বহন করা যায়। এতে ছই থাকে না। এটি বৈঠা দিয়ে চালানো হয়, তবে অগভীর জলে লগি ব্যবহার করে চালানো যায়। ভারি ও বেশি ওজন বহনের উপযোগী কোষাকে বলা হয় ‘ঘাসী নৌকা’।


ডোঙা: 

তালগাছের কাণ্ড কুঁদে বানানো ডোঙা বেশ টেকসই। এতে খুব বেশি মানুষ বা মালামাল নেওয়া যায় না। পার্শ্বদেশ বা বিস্তার এতই কম যে, এতে পাশাপাশি দু’জন বসা কষ্টসাধ্য। একটু বেসামাল হলে,ডোঙ্গা উল্টে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। ডোঙায় দাঁড়লে যাতে তলা ফেঁসে না যায়, সেজন্য এর তলদেশ বেশ মোটা রাখা হয়। তাল গাছের কাণ্ড সহজে পচে না বলে ডোঙা কয়েক বছর ব্যবহার করা যায়।


সাম্পান: 

সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ে ভেসে বেড়ায় সাম্পান। চট্টগ্রাম ও কুতুবদিয়া এলাকায় সাম্পান নৌকা বেশি দেখা যায়। এ নৌকাগুলির সামনের দিকটা উঁচু আর বাঁকানো, পেছনটা থাকে সোজা। প্রয়োজনে এর সঙ্গে পাল থাকে আবার কখনও থাকে না। একমাঝি চালিত এই নৌকাটি মালামাল পরিবহনের জন্য ব্যবহার হয়। এক সময় বড় আকারের সাম্পানও দেখা গেলেও এখন তা বিলুপ্ত। সাতজন মাঝি থাকতো আর থাকতো ৩কোণা আকারের ৩টি করে পাল।


বজরা: 

আগের দিনে ধনী লোকেরা শখ করে নৌকা ভ্রমণে যেতেন। তাদের কাছে বেশ জনপ্রিয় ছিল ‘বজরা’। বজরাতে তারা এক রকম ঘরবাড়ি বানিয়ে নিতেন। ফলে এতে খাবার দাবারসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধাই থাকতো। কোনটিতে আবার পালও থাকতো। এতে থাকতো চারজন করে মাঝি। বজরা মূলত সিরাজগঞ্জ ও পাবনা অঞ্চলে দেখা যেত।


গয়না: 

গয়না আকৃতিতে মাঝারি। এটি কিশোরগঞ্জ অঞ্চলে বেশি দেখা যেত। মূলত যাত্রী পারাপারের কাজেই এদের ব্যবহার করা হতো। একসঙ্গে প্রায় ২৫-৩০ জন যাত্রী বহন করার ক্ষমতা ছিল এই নৌকার। রাজশাহী অঞ্চলে এর থেকেও বড় আকারের গয়না নৌকা পাওয়া যেতো। এরা আকারে যেমন বড় তেমনি এই নৌকায় বেশি সংখ্যক যাত্রীও উঠতে পারতো। বর্তমানে এই নৌকাও বিলুপ্তির পথে।


বাইচের নৌকা: 

বাইচের নৌকা লম্বায় দেড়শ থেকে দুইশ ফুট পর্যন্ত হয়। প্রতিযোগিতার সময় এতে পঁচিশ থেকে একশ জন পর্যন্ত মাঝি থাকে। আগে নবাব বাদশাহরা বাইচের আয়োজন করতেন। এইসব বাইচের নৌকার আবার সুন্দর সুন্দর নাম দেওয়া হতো, যেমন- পঙ্খীরাজ, ঝড়ের পাখি, দ্বীপরাজ, সোনার তরী ইত্যাদি। কিশোরগঞ্জ, পাবনা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চলে এসব নৌকা ছিল।


বাচারি নৌকা​: 

বাচারি নামের নৌকাটিও বাণিজ্যিক নৌকা ছিল। ৪০ টন ওজনের ভার বহনে সক্ষম বাছারি গত কয়েক দশক আগেই বিলুপ্তির পাতায় চলে গেছে।


বাতনাই: 

এর অপর নাম ‘পদি’। এটি মালবাহী বজরার একটি সংস্করণ। খুলনা অঞ্চলে মালামাল পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই বজরাগুলো অনেক বড় হয়। বর্তমানে এই বজরা আর দেখা যায় না। যান্ত্রিক নৌকার ব্যবহারের কারণে এ নৌকার ব্যবহার অনেক কমে গেছে। এ নৌকার বড় খরচ ছিল এর লোকবল। এটা এতটাই ভারি হতো যে এটি চালাতে ১৭-১৮ জন মাঝি লাগতো।


ময়ূরপঙ্খী: 

রাজা বাদশাহদের শৌখিন নৌকার নাম হলো ‘ময়ূরপঙ্খী’। এর সামনের দিকটা দেখতে ময়ূরের মতো বলে এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘ময়ূরপঙ্খী’। এই নৌকা চালাতে প্রয়োজন হয় চারজন মাঝির। নৌকায় থাকতো দুটো করে পাল।


বালার: 

কুষ্টিয়া অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য প্রাচীনকাল থেকে এখনও নৌকা ব্যবহার হয়ে আসছে। সেখানে বিখ্যাত নৌকার নাম হলো ‘বালার’। এ নৌকাগুলি আকারে অনেক বড় হয় এবং প্রায় ১২-৫৬ টন মালামাল বহন করতে পারে। আর বৈঠা বায় ১০-১২ জন মাঝি। এ ধরনের নৌকায় পাল থাকে দুটো।


পানসী: 

নৌকায় চড়ে দূরে কোথাও যাওয়ার একমাত্র ও অন্যতম মাধ্যম ছিল পালতোলা পানসি। পানসীতে চড়ে মাঝি মাল্লার ভাটিয়ালি, মুর্শিদী আর মারফতি গান গেয়ে মন কেড়ে নিতো যাত্রীদের। বরিশাল অঞ্চলে এটি প্রচুর দেখা যেতো। কালের বিবর্তনে পানসি নৌকা প্রায় হারিয়ে গেছে।


পাতাম: 

এক ধরনের যুগল নৌকা। দুটি নৌকাকে পাশাপাশি রেখে ‘পাতাম’ নামক লোহার কাঠাটা দিয়ে যুক্ত করে এ যুগল নৌকা তৈরি করা হয়। একে অনেক সময় জোড়া নাও বলে। এ নৌকা মূলত মালামাল পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এতে মাঝি ছাড়া ৪জন দাঁড়টানা লোক থাকে। এতে একটি পাল খাটানোর ব্যবস্থা থাকে। এক সময় এই নৌকা সিলেট ও কিশোরগঞ্জ অঞ্চলে দেখা যেতো। এখন বিলুপ্তপ্রায়।


ছুঁইওয়ালা বা একমালাই: 

পালতোলা পানসির মতো ছুঁইওয়ালা একমালাই ছিলো দূরপাল্লার নৌকা। বরিশালের দুশুমি গ্রাম ও আশপাশের এলাকাসহ উজিরপুর উপজেলার জল্লা ইউনিয়নের শতাধিক পরিবারের সদস্যরা ছুঁইওয়ালা নৌকার মাঝি হিসেবে বাপদাদার পেশাকে এখনো আঁকড়ে ধরে রেখেছে।


মলার নৌকা: 

পাবনা অঞ্চলে একসময় তৈরি হতো মলার নৌকা। এটাও মূলত মালামাল পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হতো। ১২ থেকে ৫৬ টন ওজনের ভার বহনে সক্ষম এ নৌকায় পাল থাকে দু’টি, দাঁড় ছয়টি। এ ধরনের নৌকাও এখন বিলুপ্তির পথে।


বালার নৌকা: 

কুষ্টিয়া অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নৌকা ছিল বালার। এ অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য প্রাচীনকাল থেকে এ নৌকা ব্যবহৃত হয়ে আসছে। নৌকাগুলো আকারে বড় হয়, যা দৈর্ঘ্যে ১২-১৮ মিটার হয়ে থাকে। বৈঠা বায় ১০-১২ জন মাঝি। এ নৌকায় পাল থাকে দুটো।


ইলশা নৌকা: 

ইলিশ মাছ আহরণে জেলেরা এই নৌকা ব্যবহার করে থাকে বলে এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। এসব নৌকাও পাল লাগানো থাকে।


সওদাগরী নৌকা: 

ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য সওদাগরগণ এই নৌকা ব্যবহার করে দেশ দেশান্তরে ঘুরে বেড়াতেন। এসব নৌকায় বহু জন বহন করার ক্ষমতা ছিল। এতেও পাল লাগানো হতো। যা এখন বিলুপ্ত।


তথ্যসূত্র:

১. বাংলাপিডিয়া

২. বাংলাদেশের নৌকা, এম এ তাহের

৩. বার্জ ফর বাংলাদেশ, ইভ মার

৪. নৌকার সাতকাহন: বাংলাদেশের

 নৌকার যতো মজার নাম।

 

#ইতিহাস #নৌকা #trend #highlights #friends #followers #trending #virals #fbreels #reelsfb #foryou


 (সংগৃহীত তথ্য)

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...