এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫

যশোরে আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল স্থাপন – সময়ের দাবি কেন?

 🎯 যশোরে আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল স্থাপন – সময়ের দাবি কেন?


🔹 ১. আদর্শ ভৌগোলিক অবস্থান ও যাতায়াত সুবিধা

 যশোর, খুলনা বিভাগের "Gateway to the Southwest" — এখান থেকে প্রায় সব জেলায় রেল, সড়ক ও বিমানে সহজে যাওয়া যায়।

 📍 ঢাকা-যশোর মহাসড়ক

 🚄 যশোর-খুলনা রেললাইন

 ✈️ যশোর বিমানবন্দর

 ➡️ সব মিলিয়ে এটি এক চমৎকার যোগাযোগ কেন্দ্র।


🔹 ২. আশপাশের জেলাগুলোতে স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি

 যশোর, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, মাগুরা, নড়াইল, কুষ্টিয়া—এতগুলো জেলায় আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল নেই।

 ⚠️ জটিল রোগীদের ঢাকায় পাঠানো ছাড়া উপায় থাকে না।

 ⏱️ অনেকেই সময়মতো চিকিৎসা পান না।


🔹 ৩. অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা

 যশোরকে ধরা হয় দেশের তৃতীয় বাণিজ্যিক রাজধানী।

 🏢 ব্যাংক, শিক্ষা, ব্যবসা, পরিবহন—সবই রয়েছে।

 🏥 একটি আন্তর্জাতিক হাসপাতাল হলে বাড়বে:

 ✔️ উন্নত চিকিৎসা

 ✔️ স্বাস্থ্য পর্যটন

 ✔️ স্থানীয় অর্থনীতি


🔹 ৪. উপকারভোগী ২-৩ কোটি মানুষ!

 এই হাসপাতাল উপকারে আসবে—

 📍 যশোর

 📍 খুলনা

 📍 সাতক্ষীরা

 📍 ঝিনাইদহ

 📍 কুষ্টিয়া

 📍 চুয়াডাঙ্গা

 📍 মেহেরপুর

 📍 নড়াইল

 📍 মাগুরা

➡️ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশাল জনগোষ্ঠী আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা পাবে।


🧐 কেন যশোর এগিয়ে, আর অন্যরা পিছিয়ে?

🔸 খুলনা:

 ✔️ কিছু হাসপাতাল আছে

 ✖️ জায়গা কম, জমির দাম বেশি

 ✖️ যশোরের মতো মধ্যবর্তী নয়

🔸 কুষ্টিয়া:

 ✔️ শিক্ষা ও সংস্কৃতির শহর

 ✖️ সীমান্তবর্তী হওয়ায় অনেক জেলার জন্য দূরবর্তী

🔸 সাতক্ষীরা/বাগেরহাট:

 ✖️ দুর্যোগপ্রবণ, দুর্গম

 ✖️ জনসংখ্যা কেন্দ্র কম


✅ তাহলে কেন যশোরই উপযুক্ত?

📍 মধ্যবর্তী অবস্থান

 📍 সড়ক, রেল ও বিমান সুবিধা

 📍 অর্থনৈতিক কাঠামো শক্তিশালী

 📍 এখনও আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতালের অভাব


 👉 দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য যশোরই সবচেয়ে কৌশলগত ও কার্যকর স্থান।


Collected 👍

বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ ট্রাফিক জ্যাম,,,, এক অবিশ্বাস্য বাস্তবতা

 বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ ট্রাফিক জ্যাম,,,, এক অবিশ্বাস্য বাস্তবতা🤔


বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ এবং কষ্টকর ট্রাফিক জ্যামটি ঘটেছিল চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে, ২০১০ সালের ১৪ আগস্ট। এই যানজটটি বেইজিং-তিব্বত এক্সপ্রেসওয়ে (চায়না ন্যাশনাল হাইওয়ে ১১০)-তে শুরু হয় এবং প্রায় ১০০ কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত ছিল। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, এই জ্যাম ১২ দিন স্থায়ী ছিল, যা গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান করে নিয়েছে।


এ যানজটের মূল কারণ ছিল একসঙ্গে একাধিক সড়কে সংস্কার কাজ শুরু করা এবং হাইওয়েতে অতিরিক্ত ভারী ট্রাকের চলাচল।

বিশেষ করে কয়লা বহনকারী ট্রাকগুলো বেইজিংয়ের দিকে যাত্রা করছিল, যার কারণে সড়কে প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়। একই সময়ে সড়ক সংস্কারের জন্য মহাসড়কের ধারণক্ষমতা ৫০ শতাংশ কমে যায়।


এই যানজটের ফলে অনেক চালক দিনে গড়ে মাত্র ১ কিমি অগ্রসর হতে পেরেছিলেন। কেউ কেউ ৫ দিন পর্যন্ত গাড়ির ভেতরে আটকে ছিলেন। অনেক যানবাহন ২-৩ দিন একই জায়গায় স্থির ছিল।


স্থানীয় বাসিন্দারা এই সুযোগে খাবার ও পানি চড়া দামে বিক্রি করতে শুরু করে। এক বোতল পানির দাম উঠে গিয়েছিল প্রায় ১৫ ইউয়ান (তৎকালীন ২ মার্কিন ডলার) পর্যন্ত।


এই দীর্ঘ যানজটে ঘটে যাওয়া কিছু অমানবিক ও করুণ ঘটনা ছিলো,,,,


৩০টি শিশু জন্মগ্রহণ করে গাড়ির মধ্যেই।

১৮ জন মানুষ মারা যান, অধিকাংশই অসুস্থতা ও খাদ্যাভাবে।

২৫০টির বেশি ছিনতাই এবং ৯টি খুনের ঘটনা ঘটে।

গাড়িতে আটকে থাকা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে মানসিক অবসাদ, অসহায়ত্ব ও আতঙ্ক।


শেষ পর্যন্ত,,,,

যানজটটি ২৬ আগস্ট ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে, এবং সেই সঙ্গে বিশ্বের অন্যতম স্মরণীয় ঘটনা হিসেবে ইতিহাসে স্থান পায়। এই ভয়াবহ ট্রাফিক জ্যাম চীনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং পরিকল্পনার দুর্বলতাগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।


Nusrat Chowdhury

প্রাণ বাঁচাতে ক্লিওপেট্রার আর  ভারতে পালিয়ে যাওয়া হলো না 

 প্রাণ বাঁচাতে ক্লিওপেট্রার আর  ভারতে পালিয়ে যাওয়া হলো না ।🔺


মিশরীয় রানী ক্লিওপেট্রা এবং মার্ক অ্যান্টনির একটি বিষাদময় গল্প বলি...মার্ক অ্যান্টনি এবং ক্লিওপেট্রার গল্পটি বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রেমের গল্প। কিন্তু খুব কমই জানেন যে মার্ক অ্যান্টনি ৩১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে অ্যাক্টিয়ামের যুদ্ধে হেরে গেলে, ক্লিওপেট্রা তার ধন সম্পদ নিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। দুঃখজনক হলেও এটি সত্য যে প্রাণ রক্ষা ও সম্পদ রক্ষার জন্যে  ক্লিওপেট্রার ভারত উপমহাদেশ আসা সম্ভব হয় নি l কারণ  যাত্রার আগেই বন্দরে রাখা তার জাহাজগুলি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

মার্ক অ্যান্টনি এবং ক্লিওপেট্রার ভারতে পালিয়ে আসার এই গল্পটি অমূলক নয় l কারণ আমরা সকলেই জানি যে সেই সময়ে ভারত ছিল রোমান সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যবসায়িক অংশীদার। ৭৭ খ্রিস্টাব্দে ইন্দো-রোমান বাণিজ্যের সম্পর্কে রোমান ইতিহাসবিদ প্লিনি দ্য এল্ডার ভারতকে 'বিশ্বের সোনার পাখি' বলে অভিহিত করেছিলেন।

খ্রিস্টপূর্ব, ৩য় শতাব্দী থেকে খ্রিস্টপূর্ব  ১ম  শতাব্দীর  মধ্যে সাতবাহন সাম্রাজ্য দাক্ষিণাত্যের বিশাল অংশ নিয়ন্ত্রণ করতো l  সাতবাহন সাম্রাজ্য ছিল রোমের প্রধান ব্যবসায়িক অংশীদার। সেই সময় বিপুল সংখ্যক গ্রিকো-রোমান জনগোষ্ঠী ভারতে বসতি স্থাপন করেছিল l  তাদের প্রভাব এখনও তেলেঙ্গানার নাগার্জুনকোন্ডার মতো দূরবর্তী স্থানে দেখা যায়। এদেরকে সেই সময় যবন বলা হত l আশ্চর্যের বিষয় নয় কি?

Rabab Ahmed

Stay Curious SiS


 Refarence - https://www.peepultree.world/livehistoryindia/story/people/satavahanas-yavanas-and-the-cotton-road

শিশুটির হাতে মোবাইল , মোবাইলের স্ক্রিনে রীলস। অন্তহীন অর্থহীন শালীন অশালীন ভেদাভেদজ্ঞানহীন রীলস।  (✍️ কলমে: আনন্দিতা চৌধুরী ) 

 শিশুটির হাতে মোবাইল , মোবাইলের স্ক্রিনে রীলস। অন্তহীন অর্থহীন শালীন অশালীন ভেদাভেদজ্ঞানহীন রীলস। 

(✍️ কলমে: আনন্দিতা চৌধুরী ) 


শিশুটি দেখে যাচ্ছে টানা, নড়া নেই চড়া নেই, মাথা খাটানো নেই, আগে শিশুরা কার্টুন শো দেখতো মিনিট কুড়ির...অতক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখার ব্যাপারও নেই। দুয়েক মিনিটের রীল...চলছে পর পর পরের পর। শিশুটি কাউকে বিরক্ত করে না ...চেঁচামেচি করে না...ঘরদোর নোংরা করে না। ভালো ব্যবস্থা...তাই না? বেশ সুবিধার ।


 আর তার মনের ভিতর...তার অপরিণত নিষ্পাপ ...কাদার তালের মত যে কোনো ছাঁচে পড়ে তার রূপ ধারণ করার মতো নরম মনটার ভিতর...কি ঢুকছে পর পর পরের পর? একটু কোন সুস্থ চিন্তা... একটু কোন শোভন বিনোদন? কি মনে হয়?


 দয়া করে আপনার পরিবারের খুদে সদস্যটির হাত থেকে মোবাইলটি নিয়ে একটি বই ধরান। হ্যাঁ...মানছি... এখনই পড়তে পারেনা হয়তো ...পড়ে দিতে হবে। আপনি ব্যস্ত...সত্যিই ব্যস্ত...সেটাও জানি। আচ্ছা...নাহয় ছবিই দেখুক খানিক...যখন সময় হবে পড়ে দেবেন 'খন। ছিঁড়ে ফেলবে...নষ্ট করবে? এদিকে যে মনের সুকুমার কোমল বৃত্তি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে...তার কি হবে !


আচ্ছা বেশ...বই না হয় নাই দিলেন। সাদা কাগজ আর রং পেন্সিল দিন...হিজিবিজি কাটুক। ঘর নোংরা হবে? বিশ্বাস করুন...ওর মনে যে নোংরা ঢুকছে তার থেকে বেশী হবে না। আর নাহলে ব্লকস দিন...কাঠের বা প্লাস্টিকের। মডেলিং ক্লে। তাও না পেলে সাবেক খেলনাবাটি, গাড়ি , পুতুল। কিছু তো করুক হাত দিয়ে...মাথা দিয়ে...মন দিয়ে। অন্যের বানানো কিছু উদ্ভট কিম্ভুত কার্যকলাপের রেকর্ডিং দেখে মগজধোলাই না হয়ে নিজের মনে খামখেয়ালিপনাই করুক না হয়। 


আপনার শিশুকে আপনি কি ভাবে বড়ো করবেন সে বিষয়ে আমি সামাজিক মাধ্যমে উটকো লোক গায়ে পড়ে জ্ঞান দিচ্ছি...,আপনার বিরক্তির উদ্রেক হতে পারে...মানছি। আসলে..,.চার বছরের কন্যা আয়নার সামনে নানা অঙ্গভঙ্গি সহকারে বলছে..".মা আমাকে চেক্সি লাগছে"...আর মা বাবা গদ গদ হয়ে বলছেন... "দেখেছো কি সব বলে .. কোথায় যে শেখে কে জানে" ...সদ্য দেখা এই দৃশ্য আমাকে খুব ভয় পাইয়ে দিয়েছে...জানেন। 


এখনও সাবধান না হলে খুব বড়ো ক্ষতি হয় যাবে ওদের,,,, আমাদের,,,,🤔

ওয়াল্টর ফ্লেমিং এর জন্ম হয় ১৮৪৩ সালের ২১ শে এপ্রিল, জার্মানির মেকলেনবার্গ এ।মৃত্যু হয় ১৯০৫ সালের ৪ আগস্ট।

 ক্রোমোজোম আবিস্কার ও মাইটোসিস গবেষণার পথিকৃৎ বিজ্ঞানী ওয়াল্টর ফ্লেমিং

তিনি গ্রেগর জোহান মেন্ডেলের প্রায় সমসাময়িক বিজ্ঞানী ছিলেন । কিন্তু মেন্ডেলের বংশগতি সঙ্ক্রান্ত গবেষণা সম্বন্ধে কিছুই জানতেন না।কারণ ২০ বছরের বেশি সময় ধরে মেন্ডেলের গবেষণার কথা কারো জানা ছিল না। কিন্তু তিনি নিজের মতো করে বংশগত বৈশিষ্ট্য কীভাবে এক প্রজন্ম থেকে পরবর্তী প্রজন্মে সঞ্চারিত হয় তা নিয়ে গবেষণা করেন।

আবার কোষের কোষ বিভাজন ও ক্রোমোজোম নিয়ে গবেষণার তিনি অন্যতম পথিকৃৎ। তিনি ওয়াল্টর ফ্লেমিং (Walther Flemming ,1843-1905)।

ফ্লেমিং  প্রথম ব্যক্তি যিনি কোষবিদ্যার (cytology)  গবেষণার করতে গিয়ে কোষ বিভাজন ও ক্রোমোজোম নিয়ে গবেষণায়  জীবনের বেশি সময় ব্যয় করেছিলেন । যদিও ১৮৪২ সালের প্রথম দিকে কার্ল নাগেলি (Carl Nageli) কোষ বিভাজন সম্বন্ধে ধারণা দিয়েছিলেন , যিনি ভেবেছিলেন কোষ বিভাজন একটি অস্বাভাবিক ঘটনা। তবে ফ্লেমিংই প্রথম মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় ক্রোমোজোমের গতিপ্রকৃতির বিস্তারিত বিবরণ দেন।

১৮৭৯ সালে অ্যানিলিন ডাই (aniline dyes,  coal tar এর বাইপ্রোডাক্ট )  নামক বিশেষ রঞ্জক ব্যবহার করে ফ্লেমিং স্যালাম্যান্ডার এর ভ্রূণ কোষের নিউক্লিয়াসের  মধ্যে  বিশেষ এক ধরনের সুতোর ন্যায় গঠন (threadlike material) পর্যবেক্ষণ করেন । বেসোফিলীয় ডাইকে যা তীব্রভাবে শোষণ করতে সমর্থ হয়। তিনি তার নাম দেন ক্রোমাটিন (chromatin) ।

দেহকোষ বিভাজনের (somatic cell division)  সময় কোষের নিউক্লিয়াসে তিনি কিছু তুলনামূলক মোটা কয়েকটি সুতোর মতো গঠন পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি  মনে  করেন, কোষের নিউক্লিয়াসে থাকা ওই সুতোর মতো  গঠনগুলোর সাথে তাঁর আবিস্কৃত  ক্রোমাটিনের কোনো না কোনো সম্পর্ক রয়েছে। পরবর্তীতে শারীরতত্ত্ববিদ ভিলহেল্ম ফন ওয়ালদেয়ার হার্টজ ( Wilhelm von Waldeyer-Hartz 1841–1923) । সেগু‌লোর নাম দেন ক্রোমোজোম  ( রঞ্জিত। বস্তু )।

ফ্লেমিং ১৮৮২ সালে আবিষ্কার করেন   ক্রোমোজোম (যদিও ক্রোমোজোম নাম দেন ওয়ালদেয়ার)। এই ক্রোমোজোম  বংশগত বৈশিষ্ট্যের ধারক বাহক। তিনি দেহকোষ বিভাজনের সময় কোষের নিউক্লিয়াসের মধ্যে ক্রোমোজোম কেমন আচরণ করে তা প্রথম পর্যবেক্ষণ করেন। ফ্লেমিং দেহ কোষ বিভাজন কীভাবে হয় তা নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা  করেছিলেন।

দেহকোষের এই বিভাজন পদ্ধতিকে তিনি মাইটোসিস (mitosis)  নাম দেন।

এছাড়াও তিনি অপত্য কোষে ক্রোমোজোমের বণ্টন প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করেন।  তবে অপত্য ক্রোমাটিড (chromatid) সমভাগে দ্বিবিভাজিত হওয়ার প্রক্রিয়া ফ্লেমিং পর্যবেক্ষণ করেননি। সামুদ্রিক সালামান্ডার মাছের কোষের ভ্রূণে ফ্লেমিং মাইটোসিস প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন।

১৮৮২ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর  সাড়া জাগানো বই জেলসাবস্টাঞ্জ কার্ন উন্ড জেলথেইলাং (Zell-substanz, Kern und Zelltheilung )।এই গ্রন্থে কোষের গঠন, কোষের নিউক্লিয়াস ও কোষ বিভাজন সম্বন্ধে বিস্তারিত লেখেন।

কোষ নিয়ে তাঁর গবেষণার  ভিত্তিতে তিনি বলেন, ভারচুর ওমনিস সেলুলা ই সেলুলা মানে কোষ হতেই কোষের উৎপত্তি ঘটে।আর বলেন  নিউক্লিয়াস থেকেই নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হয় ("ওমনিস নিউক্লিয়াস ই নিউক্লিও")।

মানবতার মুখ ফ্লেমিং

ওয়াল্টর ফ্লেমিং তাঁর জীবনে মানবিক মূল্যবোধকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি প্রতি সপ্তাহে গৃহহীন দরিদ্র মানুষজনকে খাওয়াতেন। তিনি যা উপার্জন করতেন, তার কুড়ি শতাংশ  অর্থ গরিব গৃহহীন মানুষকে দান করে দিতেন। দারিদ্র্যের কারণে যেসব শিশু বিদ্যালয়ে যেতে পারত না, তিনি তাদের গণিত ও বিজ্ঞান পড়াতেন।

বংশগতিবিদ্যার উপর গ্রেগর জোহান মেন্ডেল যে কাজ করেছিলেন, ফ্লেমিং সে সম্পর্কে অবহিত ছিলেন না। তাই ফ্লেমিং তার নিজস্ব পর্যবেক্ষণ ও জিনগত উত্তরাধিকারের মধ্যে কোনো সম্পর্ক স্থাপন করতে পারেননি। দুই দশক পরে যখন মেন্ডেলের সূত্র পুনরাবিষ্কৃত হয় , তখন ওয়াল্টার ফ্লেমিংয়ের মাইটোসিস তত্ত্বের তাৎপর্যও সবাই অনুধাবন করতে সক্ষম হয়।

সায়েন্স চ্যানেল ফ্লেমিংয়ের মাইটোসিস তত্ত্ব ও ক্রোমোজোম আবিস্কারের ঘটনাকে বিজ্ঞানের সেরা একশ আবিষ্কারের একটি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।আর তাঁর এই আবিস্কার  জীববিজ্ঞানের দশটি গুরুত্বপূর্ণ আবিস্কারের একটি বলে অভিহিত করে।

ওয়াল্টর ফ্লেমিং এর জন্ম হয় ১৮৪৩ সালের ২১ শে এপ্রিল, জার্মানির মেকলেনবার্গ এ।মৃত্যু হয় ১৯০৫ সালের ৪ আগস্ট।ো

আজ ২১ এপ্রিল এই মহান বিজ্ঞানীর জন্মদিনে  তাঁকে অসীম  শ্রদ্ধা জানাই 🙏।

লেখা -পঞ্চানন মণ্ডল ।। বিজ্ঞানকথা ।। ২১০৪২০২৩

#আবিষ্কারেরকথা  #বিজ্ঞানীরজন্মদিনেশ্রদ্ধাঞ্জলি

২০০৮ সালের এপ্রিল মাসের ১৬ তারিখ আমার কোল আলো করে জন্ম নিলো আমার প্রথম কন্যা সন্তান। আমার বড় ভাই জনি ভাগ্নির নাম রাখলো রোদেলা।,,, nazmun munia nanci গায়িকা ন্যান্সির ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ২০০৮ সালের এপ্রিল মাসের ১৬ তারিখ আমার কোল আলো করে জন্ম নিলো আমার প্রথম কন্যা সন্তান। আমার বড় ভাই জনি ভাগ্নির নাম রাখলো রোদেলা।

নিজের নামের মতোই ঝলমলে আমার বড় মেয়েটা। যেখানেই যায় সেখানেই সব আলোকিত হয়ে যায়। সন্তান কন্যা কিংবা পুত্র তাতে কিছুই আসে যায়না, রোদেলা তার বড় উদাহরণ। 


১৬ বছর ৮ মাস বয়সী রোদেলার অনেক গুন। সে মায়ের সবচেয়ে কাছের বন্ধু, দেশীয় রান্না ভালো করার পাশাপাশি কিছু ভিনদেশী নাস্তাও ভালো বানায়; শুধু ভাত জাতীয় কিছু রাঁধলে সেটা ভর্তা হয়ে যায়, বোনদের আগলে রাখে, খুবই পরিপাটি, শান্ত লক্ষী মেয়ে, কখনোই তর্ক করেনা, খানিকটা জেদি কিন্ত সেটার যুক্তিযুক্ত কারণ থাকে, রোদেলার বিছানা এবং আলমারি কখনোই অগোছালো থাকেনা, প্রচুর বই পড়ে ( স্কুলের বই অবশ্যই গুরুত্ব কম পায় ), নিজ উদ্যোগে যুগের থেকে খানিকটা পিছিয়ে থাকা মাকে আধুনিক করে গড়ে তোলার শিক্ষক, মোটামুটি ভালো নাচে, পিয়ানো আর গিটার নিজ আগ্রহে শিখছে এবং শেখা চলমান, ছবি আঁকে, যে কোনো ভাষার গান শোনার প্রতি অসীম আগ্রহ, রূপচর্চা ও সাজগোজে পারদর্শী, ওর স্নান ঘরে ঢুকলে মন ভালো হয়ে যায় ( নানা আকারের সুগন্ধি মোমবাতি, ক্যাকটাস, স্নানঘরের জন্য বরাদ্দ ছোট্ট অডিও স্পিকারে ভেসে আসা সুর, ঝকঝকে মেঝে, প্রয়োজনীয় সকল প্রসাধনী থরে থরে সাজানো, হোটেলের মত পরিষ্কার সাদা তোয়ালে ভাজ করে রাখা - মন ফুরফুরে হতে বাধ্য ), ছোট মামার সাথে অকারণ ঝগড়া করে, আত্মবিশ্বাসী ও ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন।

মার্জিয়া বুশরা রোদেলা - ও লেভেল শেষ করে এ লেভেল এ ভর্তি হলো। স্বপ্ন দেখে বড় হয়ে সাইকোলজিস্ট হবে। পাশাপাশি গান, নাচ, মডেলিং এবং অভিনয় চালিয়ে যেতে চায়! 


রোদেলার ‘ রাজকুমার ’ শিরোনামে নতুন একটি গান মুক্তি পেয়েছে। আমি আশা করবো, সবাই আমাকে যেভাবে ভালোবেসে আগলে রেখেছেন ঠিক সেভাবেই রোদেলার প্রতিও ভালোবাসা দেখাবেন। রোদেলার নতুন গান কেমন লাগলো সেটা মন্তব্যের ঘরে জানাবেন। Rodela ওর নতুন কাজের আপডেট পেতে তার ফেসবুক ভেরিফাইড পেজ ফলো করতে পারেন।

সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা ❤️

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ২১-০৪-২০২৪ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ২১-০৪-২০২৪ খ্রি:


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের জন্য প্রধান উপদেষ্টা ঢাকা থেকে দোহায় যাচ্ছেন আজ।


পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার - চীনের রাষ্ট্রদূতকে বললেন অধ্যাপক ডক্টর মুহম্মদ ইউনূস।


চট্টগ্রামে ব্যবসায়িক কার্যক্রম উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রায় ১৩ হাজার পাঁচশো কোটি টাকা ব্যয়ে বে-টার্মিনাল মেরিন অবকাঠামো প্রকল্প একনেকে অনুমোদন।


জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে আরো বেশি বাংলাদেশি নারী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার।


জাতীয় ঐক্য কমিশনের সাথে বিএনপির বৈঠক - রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধির পক্ষে মত।


গত তিনটি নির্বাচনে অনিয়মের সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি এনসিপির।


গাজায় ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলের হামলায় নিহত ৩১ ফিলিস্তিনি। 


জাকার্তায় এশিয়ান হকি ফেডারেশন কাপে ইন্দোনেশিয়াকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় পেল বাংলাদেশ।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০৪-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২০-০৪-২০২৫ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


চট্টগ্রামে ব্যবসায়িক কার্যক্রম উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রায় ১৩ হাজার পাঁচশো কোটি টাকা ব্যয়ে বে-টার্মিনাল মেরিন অবকাঠামো প্রকল্প একনেকে অনুমোদন।


জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে আরো বেশি বাংলাদেশি নারী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার।


আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের জন্য অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস আগামীকাল দোহার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন।


চট্টগ্রাম ও চীনের ইউনান প্রদেশের মধ্যে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ ও চীনের।


জাতীয় ঐক্য কমিশনের সাথে বিএনপির বৈঠক - রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধির পক্ষে মত।


গত তিনটি নির্বাচনে অনিয়মের সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি এনসিপির।


একে অপরের বিরুদ্ধে ৩০ ঘন্টার ইস্টার যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের অভিযোগ রাশিয়া ও ইউক্রেনের।


আজ সিলেটে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম দিনের খেলা শেষে জিম্বাবুয়ে ১২৪ রানে পিছিয়ে।

PCOS ও অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যায় হোমিওপ্যাথিক সমাধান!

 ㊗️ PCOS ও অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যায় হোমিওপ্যাথিক সমাধান!


আপনি কি অনিয়মিত মাসিক, অতিরিক্ত সাদাস্রাব, বা মাসিকের সময় তীব্র ব্যথায় ভুগছেন? পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS) আজকাল অনেক মহিলার জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। তবে চিন্তার কিছু নেই!


Medicure Homeo Clinic নিয়ে এসেছে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও নিরাপদ হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন, যা আপনার শরীরকে স্বাভাবিক হরমোন ব্যালান্স বজায় রাখতে সহায়তা করে।


বিশেষ উপকারিতা:


✅ অনিয়মিত মাসিক নিয়মিত করতে সাহায্য করে

✅ PCOS-জনিত সমস্যার জন্য কার্যকরী

✅ পিরিয়ডের সময় ব্যথা কমায়

✅ হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করে

✅ অতিরিক্ত সাদা স্রাব দূর করতে সহায়ক


আমাদের নির্ভরযোগ্য হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন:


✔ Pulsatila 1M

✔ Pulsatila 200

✔ Ashwagandha Q - 100ml


(দুই মাসের ফুল কোর্স) 


🩸 সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ও জার্মান ফার্মাকোপিয়া অনুযায়ী প্রস্তুত


আপনার স্বাস্থ্য আমাদের অগ্রাধিকার! এখনই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন এবং একটি সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপন করুন।


📞 যোগাযোগ করুন: 01968-985371


স্বাস্থ্যই সম্পদ, নিজেকে ভালোবাসুন!

বারী সিদ্দিকী: এক বাঁশির যাত্রী, এক সুরের সাধক

 বারী সিদ্দিকী: এক বাঁশির যাত্রী, এক সুরের সাধক

(একটি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবন্ধ | A Tribute Feature by Labu Flutes)


নির্জন কোনো নদীর ধারে বসে কেউ যদি চোখ বন্ধ করে শুনে, হঠাৎ কোথা থেকে যেন এক বাঁশির করুণ ধ্বনি ভেসে আসে—তাহলে ধরে নেওয়া যায়, সে সুরের উৎস বারী সিদ্দিকীর আত্মা থেকে নিঃসৃত। তাঁর বাঁশির আওয়াজ ছিল কেবল সঙ্গীত নয়, ছিল ধ্যান, সাধনা, কান্না আর প্রেমের গভীর ভাষ্য।

@

১৯৫৪ সালের ১৫ নভেম্বর নেত্রকোণার এক সংগীতপ্রবণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন বারী সিদ্দিকী। তাঁর পিতা মোসলেহ উদ্দিন ছিলেন এক সংস্কৃতিমনস্ক ব্যক্তি, যিনি নিজেই সংগীত চর্চা করতেন। ছোটবেলায় বাড়ির উঠানে বাউলদের আসর বসত, বয়সের সঙ্গে সঙ্গে সেসব লোকজ সুর গেঁথে যেতে থাকে তাঁর হৃদয়ে। ছয়-সাত বছর বয়স থেকেই বাঁশির প্রতি দুর্নিবার টান অনুভব করতেন তিনি—মনে হতো, এই যন্ত্রের মধ্যেই যেন তার আত্মার আত্মীয় বাস করে।


তবে বারী সিদ্দিকী কেবল স্বভাবগত প্রতিভাই ছিলেন না—তিনি পরিশ্রমী, নিবেদিতপ্রাণ এবং শুদ্ধ সংগীতের এক অস্থির খোঁজাখুঁজির যাত্রী। ১৯৮১ সালে শুরু করেন গুরুপরম্পরায় প্রাতিষ্ঠানিক সংগীতশিক্ষা। তাঁর ভাগ্যবান শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন পণ্ডিত ভিষ্মদেব চট্টোপাধ্যায় (কলকাতা), যিনি তাঁকে হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীতের মাধুর্য, রাগভিত্তিক সুরের গঠন এবং অলঙ্কারিকতা শেখান। তাঁর আরও এক গুরু ছিলেন উস্তাদ আমিনুর রহমান, যিনি লোকগান ও শাস্ত্রীয় সংগীতের এক ভিন্ন মিশ্রণে বারী সিদ্দিকীকে দীক্ষা দেন।


বারী সিদ্দিকীর সংগীত জীবনের সবচেয়ে হৃদয়স্পর্শী অধ্যায়গুলোর একটি ছিল তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক উস্তাদ লাবু মিয়া–এর সঙ্গে, যিনি Labu Flutes-এর প্রতিষ্ঠাতা। লাবু মিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত বাঁশিশিল্পী ও বাঁশি নির্মাতা। দুজনেই ছিলেন সুরের সাধক, দুই ভিন্ন পথে হাঁটলেও গন্তব্য ছিল এক—সত্যিকারের সুরের সন্ধান।


উস্তাদ লাবু মিয়া বারী সিদ্দিকীর জন্য বহু বিশেষ বাঁশি নির্মাণ করেছিলেন—প্রতিটি বাঁশি ছিল হাতে বানানো, তাঁর নিখুঁত বাজানোর কৌশল অনুযায়ী। কখনো ছিল মিহির ঘরানার স্টাইল, কখনো লোকগানের ঝোঁক—এই প্রতিটি বাঁশিই লাবু মিয়ার নির্মাণশৈলীতে ছিল স্বতন্ত্র। 


বারী সিদ্দিকীর সংগীতজীবন যেন এক বহতা নদীর মতো—লোকসংগীত, বাউল, শাস্ত্রীয় ও আধুনিক সকল ধারায় ছিল তাঁর অবাধ বিচরণ। তাঁর কণ্ঠ ছিল বাঁশির মতোই—কখনো করুণ, কখনো দার্শনিক, কখনো প্রেমময়। "শুয়োরে ভাই", "আমার গায়ে যত দুঃখ সয়", "মানুষ ধরলে সোনার মানুষ" "সাদা পাতায় কালো দাগ", শুয়া চান পাখি, পূবালি বাতাসে –এমন অসংখ্য গান তিনি উপহার দিয়েছেন, যেগুলো আজও বাংলার সুরের ভাণ্ডারে অমূল্য সম্পদ।


একজন বাঁশিশিল্পী হিসেবে তাঁর সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হলো—তিনি বাঁশিকে জনপ্রিয় করলেন সেই শ্রোতামহলের কাছে, যারা আগে কেবল গায়ক-কেন্দ্রিক সংগীতকেই প্রাধান্য দিত। তাঁর হাত ধরে বাঁশি হয়ে উঠল জনতার সংগীতযন্ত্র।


বারী সিদ্দিকীর সংগীতচর্চা কখনো নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি অনেক শিষ্যকে দীক্ষা দিয়েছেন, সংগীত বুঝতে শিখিয়েছেন।


২০১৭ সালের ২৪ নভেম্বর রাতে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই মহান শিল্পী। তিনি শেষ দিন পর্যন্ত সংগীতচর্চায় ব্যস্ত ছিলেন, এমনকি মৃত্যুর কিছুদিন আগেও এক বন্ধুকে বলেছিলেন,

“সুরটাই তো আমার জীবনের কথা—আমি মরবো, কিন্তু আমার বাঁশি থাকবে, গাইবে।”


🌟 নির্বাসিত দেহ, অনন্ত সুর

আজ বারী সিদ্দিকী নেই, কিন্তু তাঁর বাঁশির সুর, তাঁর গানের শব্দ, তাঁর চোখ বন্ধ করে বাজানোর যে নিবেদন—তা রয়ে গেছে বাংলার প্রতিটি হৃদয়ে। তাঁর আত্মা আজও ভেসে বেড়ায় Labu Flutes-এর কোনো এক বাঁশির শরীরে।


📯 Labu Flutes এই মহান সুরসাধককে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করে।


“বারী সিদ্দিকী ছিলেন আমাদের সময়ের আত্মার বাঁশি।”


এই লেখা Labu Flutes-এর পক্ষ থেকে রচিত। 🎶

যদি আপনার ভালো লেগে থাকে, তবে দয়া করে কমেন্ট করতে ভুলবেন না, আর বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দিন


#BariSiddiqui #LabuFlutesFeature #BanglaSurerGorbo #FluteLegacy #Mihargarana #UstadLabuMiah #BanglaMusicHistory

ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 📚 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর সহজ ব্যাখ্যা 🏡📜 ভূমি কেনাবেচা, নামজারী বা খতিয়ান নিয়ে কাজ করার আগে নিচের বিষয়গুলো জানা খুবই জরুর...