এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৫

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন পরীক্ষার প্রশ্ন এনালাইসিস এবং সাজেশন zakari's ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন পরীক্ষার প্রশ্ন এনালাইসিস এবং সাজেশন


মোট ৮০ মার্কের পরীক্ষা হয়। 

বাংল-২০

ইংরেজি-২০

সাধারণ জ্ঞান-২০

গনিত ও মানসিক দক্ষতা-২০


পরীক্ষাটি হবে লিখিত পদ্ধতিতে। ১০-২০ গ্রেডের নন-ক্যাডার পরীক্ষার মতই হবে প্রশ্ন প্যাটার্ন। সময় যেহেতু ২ ঘন্টা দিয়েছে ৮০ নম্বরের জন্য সেহেতু খুব ইলাবোরেট প্রশ্ন হবে না।


বাংলা সাজেশন:

প্রশ্ন গুলো সব এম সি কিউএর মতই হবে শুধু অপশন থাকবে না এই আর কি।


✳️ বাংলায় সন্ধি বিচ্ছেদ আসবে।

- [ ] কারক বিভক্তি নির্ণয় 

- [ ] বাক্য রূপান্তর আসতে পারে। জটিল থেকে সরল বা যৌগিক এই টাইপ।

- [ ] বানান শুদ্ধি আসবে অথবা বাক্য শুদ্ধি( বিসিএস এর মত)

- [ ] ভাব সম্প্রসারণ একটা দিতে পারে অথবা অনুচ্ছেদ ও দিতে পারে।

- [ ] এক কথায় প্রকাশ আসতে পারে

- [ ] এছাড়াও সমাস, বিপরীত শব্দ এগুলো দিতে পারে কিন্তু উপরে যেগুলো বললাম সেগুলোই দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি।


ইংরেজি সাজেশন :


ইংরেজিতেও একটি ছোট প্যারাগ্রাফ অথবা ফোকাস রাইটিং দিবে একটুকু সিওর থাকেন।

ইম্পর্ট্যান্ট টপিক গুলো পরে দিচ্ছি।


- [ ] Voice change খুব গুরুত্বপূর্ণ। 

- [ ] Transformation of sentence দিতে পারে একাধিক। একটা sentence  দিয়ে বলবে simple, complex , affirmative , negative য়ে পরিবর্তন করুন।

- [ ] Preposition দিবে fill in the gaps টাইপ।

- [ ] Idioms বাংলা অর্থ ও বাক্য রচনা দিতে পারে অথবা ফিল ইন দ্যা গ্যাপস দিবে।

- [ ] Synonym antonym 

- [ ] Translation অবশ্যই দিবে। এক্ষেত্রে passage translation অথবা sentence translation দিতে পারে।

- [ ] Narration ও Correction দিতে পারে। Narranation দিয়ে direct to indirect change টাইপ দিবে হয়তো।

- [ ] subject verb agreement অথবা Right form of verb দিয়ে fill in the gap আসতে পারে।


ম্যাথ সাজেশন: 


- [ ] Algebra থেকে একটা প্রশ্ন থাকার চান্স অনেক বেশি।

- [ ] Interest, 

✳️profit loss, 

✅percentage , 

✅time and work, 

এই চ্যাপ্টার গুলো না দেখে পরীক্ষায় বসা যাবে না।


জিকে সাজেশন : 

এটা নিয়ে বলার তেমন কিছু নাই। ১০-৪৫ বিসিএস এর প্রিভিয়াস প্রশ্ন গুলো অবশ্যই দেখবেন। 


অবশ্যই সব প্রশ্ন গুলো লিখে আসবেন। মাথায় রাখিবেন রিটেন টা ঠিক মত দিতে পারলেই ভাইবা দিয়ে চাকরি। সো সিরিয়াসলি রিটেন দেন। English Paragraph বা বাংলা অনুচ্ছেদ এর জন্য লেখার জায়গা দিয়ে দেওয়া হবে সুতরাং আগেই ভেবে নিবেন কি কি লিখবেন। 


শুভকামনা রইলো

IFtear Shawon

অফিসার, জনতা ব্যাংক পিএলসি।

৪৪ তম বিসএস ভাইবা প্রার্থী

৪৫ ও ৪৬ লিখিত প্রার্থী

তিক্ত ইতিহাস  ফেরদৌস আহমেদ,,,,, md Fardos ahmed

 আমি আর কবিতা লিখবো না।

আমি এখন ইতিহাস লিখব, একটা যুগের ইতিহাস ,একটা জাতির ইতিহাস।


ইতিহাসের প্রথম পাতায় আমি কিছুই না লিখে ,সেখানে এক জোড়া জুতো এনে রেখে দেব।


সেই জুতো ,

যে গুলো মানুষ চুরি হয়ে যাওয়া  ভয়ে উপাসনা করার সময় উপাসনালয়ের ভিতরে নিয়ে রাখতে হয়।

পরবর্তী প্রজন্ম এগুলো দেখেই বুঝতে পারবে আমাদের চরিত্র কেমন ছিল।


আমি গ্রামের বাজারে গিয়ে দশজন গিরস্তের কাছ থেকে দশ ফোঁটা দুধ কিনে এনে রেখে দেব এখানে।

আমি জানি ,রহস্য উদঘাটনের জন্য মানুষ এগুলোকে রান্না করা শুরু করবে।

অনেকক্ষণ রান্না করার পরও যখন এখান থেকে মালাই হবে না, দই মাখন  হবে না, মানুষ তখন বুঝতে পারবে আমাদের বেচাকেনার মান কেমন ছিল, ব্যবসায়ীক নৈতিকতা কেমন ছিল।


বর্তমান সময়ের সবচেয়ে সুন্দর ও চাকচিক্যময় কিছু উপাসনালয়কে আমি রেখে দেব এর ভিতর।

ইতিহাস পাঠকরা যখন দেখবে উপাসনালয় গুলো সোনা রুপা মোড়ানো, আর উপাসনালয়ের সামনে বসে থাকা ভিক্ষুকদের কারো মুখে খাবার নেই ,কারো গায়ে  পোশাক নেই।

পাটকরা তখন আমাদের ধর্মীয় জ্ঞান এবং গোড়ামী দুটো সম্বন্ধেই পরিষ্কার ধারণা লাভ করতে পারবে।


আমি টাটকা নতুন কয়েকটা ১০০ টাকার নোট এনে ইতিহাস বইয়ের পাতার সাথে গেঁথে রেখে দেব।

এটা দেখে পাঠকরা প্রথমে কিছু বুঝতে পারবে না, ভালো করে উল্টিয়ে পাল্টিয়ে দেখার পর তারা লক্ষ্য করবে যে ,প্রতিটি টাকার এক কোনে পোড়া। তখন তারা বুঝতে পারবে এগুলো দিয়ে যুবকরা নেশা করত।


আমি হাসপাতাল থেকে ইচ্ছে করে ফেলে দেওয়া কিছু ভ্রুন, খাল, বিল, জঙ্গল থেকে ফেলে দেওয়া নবজাতকের কিছু রক্ত মাংস হাড় এনে রেখে দেব এখানে।

বইয়ের পাতা খুলতেই ওরা কান্না শুরু করে দেবে, ওরা চিৎকার করে বলবে আমরা নির্দোষ ছিলাম , আমাদেরকে অন্যায় ভাবে হত্যা করেছিল ওরা।

ওদের কথা শুনে জ্ঞানী মূর্খ সবাই আমাদের বর্বরতা সম্বন্ধে অনুমান করতে পারবে।


বন্দিসহ আস্ত একটা জেলখানা এনে আমি রেখে দেবো এর ভিতর।

মানুষেরা যখন দেখবে এর ভিতর কোন অপরাধী নেই,আছে শুধু রাজনীতির প্রতিহিংসার শিকার এবং ক্ষমতাসীনদের চক্রান্তে স্বীকার কিছু নিরপরাধ মানুষ।

তখন বুঝতে পারবে আমাদের রাজনৈতিক অবস্থা এবং বিচার ব্যবস্থা কেমন ছিল।


কোন এক সুন্দরী বধুর সুন্দর হাতে লেখা একটা প্রেমের চিঠি এনে রেখে দেবো এখানে।

চিঠির ভাষায় মানুষ আবেগ আপ্লুত হয়ে যাবে, তবে চিঠির ঠিকানা দেখার পর সবাই হতভম্ব হয়ে যাবে।

মানুষ যখন দেখবে এ চিঠি বধু তার স্বামীকে লিখেনি ,লিখেছে তার গোপন প্রেমিককে, তখন তারা আমাদের পারিবারিক অবস্থার কথা ভালোভাবে বুঝতে পারবে।


একজন পিতা আরেকজন পুত্রকে এনে রেখে দেবো এখানে আমি।

মানুষ যখন দেখবে বৃদ্ধ পিতা বৃদ্ধাশ্রমে পড়ে কাঁদছে, কিন্তু তার সম্পদশালী ছেলে তার কোন খোঁজ খবর নিচ্ছে না, তখন তারা আমাদের স্নেহপরায়ণতা ও দায়িত্বশীলতা সম্বন্ধে জানতে পারবে।


আমি বিশ্বকাপসহ বড় বড় কিছু প্রতিযোগিতার পুরস্কারের ট্রফি থেকে কিছু সোনা রুপা এনে রেখে দেবো এখানে।

ইতিহাস পাঠকরা যখন দেখবে দুনিয়া জুড়ে অসংখ্য মানুষ খাদ্য পানীয় এবং চিকিৎসার অভাবে ভুগছে, কিন্তু মানুষেরা এদিকে দৃষ্টিপাত না করে সবাই প্রতিযোগিতার ট্রফি নিয়ে কাড়াকাড়ি করছে, পাঠকরা তখন আমাদের বুদ্ধি বিবেকের জীর্ণতা ও রুগ্নতা সম্বন্ধে ধারণা করতে পারবে।


শিক্ষাগুরুর যৌন নিপীড়নের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করা কোন এক কিশোরীর ফাঁসির দড়িটা এনে রেখে দেবো আমি। সাথে তার লেখা চিরকুটটিও থাকবে।

ইতিহাস পাঠকরা চিরকুটটি পড়ে যা বোঝার তাই বুঝবে।


রাস্তার ধারে পড়ে থাকা মা হয়ে যাওয়া পাগলিটাকেও আনবো আমি।

ইতিহাস পাঠক পাগলীর পেটে থাকা বাচ্চার বাবার সন্ধান না পেয়ে, বুঝতে পারবে সে যুগে নারীর ইজ্জত কতটা নিরাপদ ছিল।


সর্বশেষ পাতায় আমি আমার কলমটা রেখে দেবো।

মানুষেরা কলমটি হাতে নেওয়ার পর যখন এটার মধ্য থেকে কালি না পড়ে চোখের পানি পড়বে ,রক্ত পড়বে,তখন তারা বুঝতে পারবে সে যুগে সত্য কথা বলার কলম এবং কবি কোনটাই নিরাপদ ছিল না।


তিক্ত ইতিহাস 

ফেরদৌস আহমেদ

গল্প - পানির উপরে লাশ,,,,ভুতের বাড়ি ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #গল্প - পানির উপরে লাশ


#লেখক - Mohammad ovi 


আমাদের গ্রামের বাড়ি নড়াইলে। বাস থেকে নেমে ১৫ মিনিট মেঠো পথ দিয়ে হেঁটে যেতে হয়। আমি প্রতি ১৫ দিনে একবার করে যেতাম বাড়িতে। এখন দেশের বাইরে থাকি তাই যাওয়া হয় না। আপনাদের সাথে যেদিনের কথা শেয়ার করবো তখন আমি ইন্টারে পড়তাম। ঢাকা কলেজে। কলেজ হটাত একদিন বিকালের দিকে বন্ধ দিলো কিছু রাজনৈতিক কারণে। ভাবলাম বাসায় চলে যাবো। মাকে ফোন করে জানালাম। কিন্তু সেদিন বাসায় রাতে আমাকে আনতে যাবার মতো কেউ ছিল না। তাই মা বললেন আসিস না। আমি তবু জিদ করে গেলাম।বাস থেকে নেমে হাঁটা ধরলাম বাড়ির দিকে। রাস্তা পরিষ্কার। তখন শীতের শুরু। তাই মানুষজন একদমই নেই। রাস্তায় কিছুদূর যাবার পর একটা ডোবা পড়ে। তার পাশেই এক বিশাল তাল গাছ। এখানে নাকি অনেকেই খারাপ জিনিস দেখেছে। যদিও আমার সাথে কখনো এমন কিছু ঘটে নি। এবার অনেকদিন পরে বাসায় যাচ্ছি, তাই আনন্দিত ছিলাম।ঠিক ডোবার পাশে আসার সাথে সাথে হটাত পানিতে কি যেন ঝাঁপিয়ে পড়ার আওয়াজ পেলাম। আকাশে চাঁদ ছিল। মোটামুটি ভালোই দেখা যাচ্ছিলো। সেই আলোয় দেখলাম পানিতে একটা মানব দেহ ভাসছে। সাদা কাপড় পড়া। মানে কিভাবে বুঝাব বুঝতেছি না। আসলে সেটা এক মেয়ের দেহ। শরীরে শাড়ি পড়া, কিন্তু পুরো শরীর ঢাকা না। মনে হলো কেউ মেরে হয়তো ফেলে দিয়েছে। সারা শরীরে ভয়ের একটা স্রোত বয়ে গেলো। আগেই বলেছি আমার ভুতের ভয় নেই, তবে এসব ব্যাপার এড়িয়ে চলি আমি। চারপাশে তাকিয়ে দেখলাম কেউ আছে কিনা। যেহেতু আমি এই মাত্র পানিতে এটা ফেলার আওয়াজ শুনেছি তাহলে অবশ্যই যে ফেলেছে সে আছে আশেপাশে। ডোবার পুরোটা দেখা যায় রাস্তা থেকে। অবাক হয়ে দেখলাম আশেপাশে কেউ নেই। কি করবো ভাবতেছি, এমন সময় হটাত দেখলাম সেই দেহটা টুপ করে পানিতে ডুবে গেলো। কেউ যেন নিচ থেকে টেনে নিয়ে গেলো। দেহটা ডুবল খাড়া হয়ে। যারা কুঁচ দিয়ে মাছ শিকার করেছেন তারা বুঝবেন আমি কি বুঝাতে চাচ্ছি। কুঁচ মারার পর তা যেমন সোজা পানিতে ডুবে যায় তেমন। দেহটা ভাসতে ভাসতে হটাত পানির উপর প্রায় দাঁড়িয়ে পড়লো। এরপর আস্তে আস্তে ডুবে গেলো।আমার মাথা ঘুরাচ্ছিল। আল্লাহর নাম নিয়ে চিৎকার করতে করতে এক দৌড়ে বাসার দিকে যেতে লাগলাম। জানি না সেদিন কিভাবে বাসায় পৌঁছে ছিলাম। আধুনিক ছেলে হয়ে এমন অদ্ভুত ব্যাপার বিশ্বাস করার কিছু নেই। কিন্তু এরপরেও আমার সাথে খুব ভয়ানক কিছু ব্যাপার ঘটে। যাতে আমি বিশ্বাস করতে বাধ্য হই যে এরা আছে। অবশ্যই আছে।


(সমাপ্ত)

গার্মেন্টসে চাকুরি পাওয়া আগের মত সহজ নেই। এখানে অনেক কিছু বিবেচনা করে চাকুরিতে নিয়োগ দেয়া হয়। 

 গার্মেন্টসে চাকুরি পাওয়া আগের মত সহজ নেই। এখানে অনেক কিছু বিবেচনা করে চাকুরিতে নিয়োগ দেয়া হয়। 


কোয়ালিটি কন্ট্রোলার সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন এবং উত্তরঃ- 


প্রশ্ন-১. কোয়ালিটি ইন্সপেক্টর(QI) কি? 

উত্তর : কোয়ালিটি শব্দের অর্থ গুণ বা মান এবং ইন্সপেক্টর শব্দের অর্থ পরিদর্শক অর্থাৎ কোয়ালিটি ইনস্পেক্টর(QI) অর্থ হল মান পরিদর্শক। 


প্রশ্ন-২. গার্মেন্টস (Garments) অর্থ কি ? 

উত্তর : গার্মেন্টস অর্থ হল পোশাক। 


প্রশ্ন-৩. AQL এর পূর্ণরূপ কি? 

উত্তর : AQL এর পূর্ণরূপ হল Acceptable Quality Lebel অর্থাৎ গুণগত মানের গ্রহণযোগ্য অবস্থা। 


প্রশ্ন-৪. DTM এর Full Meaning কি? 

উত্তর : DTM এর Full Meaning হল– Dying to Match অর্থাৎ রঙের সাথে মিল থাকা। 


প্রশ্ন-.৫ HPS এর Full Meaning কি?

উত্তর : High Point Shoulder. 


প্রশ্ন-৬. এসপিআই (SPI) কি?

উত্তর : এসপিআই (SPI) হল Stitch Per Inchi (এক ইঞ্চিতে কয়টি সেলাই)। 


প্রশ্ন-৭. CB এর Full Meaning কি?

উত্তর : Centre Back 


প্রশ্ন-৮. GTM(জিটিএম) এর Full Meaning কি?

উত্তর : GTM(জিটিএম) এর Full Meaning হচ্ছে Garments Total Management (গার্মেন্টস মোট ব্যবস্থাপনা)। 


প্রশ্ন-৯. LPS এর Full Meaning কি?

উত্তর : LPS এর Full Meaning হল Low Point shoulder. 


প্রশ্ন-১০. ডিফেক্ট বা অল্টার কত প্রকার?

উত্তর : ডিফেক্ট বা অল্টার তিন প্রকার। যথাঃ (১). Major Problem (২). Minor Problem (৩). Critical Problem 


গার্মেন্টস কোয়ালিটি ইন্টারভিউ প্রশ্ন । গার্মেন্টস কোয়ালিটি বিভাগে চাকরি নিতে গেলে ইন্টারভিউতে যেইসব প্রশ্ন করা হয়ে থাকে নিছে আরও কিছু প্রশ্ন দেওয়া হল। 


প্রশ্ন-১১. ব্রকেন স্টিচ কি?

উত্তর : দুইটি বন্ধনী জোড়া দেওয়াই হচ্ছে সেলাই । আর এই সেলাই এর কোন একটি স্টিচ কেটে গেলে তাকে বলা হয় ব্রকেন স্টিচ। 


প্রশ্ন-১২. স্কিপ স্টিচ(skip stich) কি?

উত্তর : সেলাইকৃত নিচের সুতা যদি উপর এর সুতাকে না ধরতে পারে এক্ষেত্রে তাকে বলা হয় স্কিপ স্টিচ(skip stich)। 


প্রশ্ন-১৩. প্লিট কি?

উত্তর : সেলাইকৃত বস্তুতে সেলাই এর সময় কুঁচি পড়লে তাকে বলা হয় প্লিট। 


প্রশ্ন-১৪. ওপেন স্টিচ(open stich) কি?

উত্তর : সেলাই এর সময় কিছু জায়গায় সেলাই এরিয়ে গেলে বা সেলাই না হলে তাকে বলা হয় ওপেন স্টিচ(open stich)। 


প্রশ্ন-১৫. একটি ইঞ্চি টেপে কত(সেঃমিঃ) cm থাকে?

উত্তর : একটি ইঞ্চি টেপে ১৫০(সেঃমিঃ) cm থাকে। 


প্রশ্ন-১৬. একটি ইঞ্চি টেপে কত ইঞ্চি(inch) থাকে?

উত্তর : একটি ইঞ্চি টেপে 60 ইঞ্চি(inch) থাকে। 


প্রশ্ন-১৭. একটি ইঞ্চি টেপে কত ফুট(fit) থাকে?

উত্তর : একটি ইঞ্চি টেপে ৫ ফুট(fit) থাকে। 


প্রশ্ন-১৮. ১০ mm(মিঃমিঃ) সমান কত cm?

উত্তর : ১০ mm(মিঃমিঃ) সমান 1 cm. 


প্রশ্ন-১৯. এক ইঞ্চি সমান কত cm?

উত্তর : এক ইঞ্চি = ২.৫৪ cm(সেমিঃ).


প্রশ্ন--২০. ১ মিটার সমান কত cm? 

উত্তর : ১ মিটার সমান ১০০ cm. 


প্রশ্ন-২১. ১ মিটার সমান কত ইঞ্চি? 

উত্তর : ১ মিটার সমান 39.37 ইঞ্চি।


১.ডিফেক্ট কত প্রকার?

উত্তর =তিন প্রকার 1 মেজর. মাইনর. ক্রিটিক্যাল.


২ ফেব্রিকdefect কি কি?

উত্তর.. fabric fault.fabric hole.fabric slap. fabric Run. colour contamination.


৩ iron defect কি ?

উত্তর =যে ডিফেক্ট আয়রন এর মাধ্যমে হয় তাকে আইরন ডিফেক্ট বলে যেমন crease mark shining mark.


4. Iron ক্ষেত্রে কত সংকেত তাপমাত্রা কত ডিগ্রী বুঝায় ?

উত্তর = 110 ডিগ্রী তাপমাত্রা বুঝায় ১৫০ ডিগ্রি তাপমাত্রা বুঝায়.

210 ডিগ্রি তাপমাত্রা বুঝায়..


৫. lay কি?

উত্তর lay হল কাপড়ের প্রতিস্থাপন


৬.shade কাকে বলে?

উত্তর =একই কাপড়ের মধ্যে রংয়ের পরিবর্তন হলে তাকে shade বলে


7.cutt mark কাকে বলে?

উত্তর. cutt mark হল সেলাইয়ের আগে. সেলাইয়ের জন্য cutting থেকে যে mark

দেওয়া হয় তাকে cutt mark বলে.


8.লাইনে blue ও black card বলতে কি বুঝ?

উত্তর = লাইনে blue card হল technical problem.black card হল mechine problem.


9. Zipper কয়টি অংশ?

উত্তর= জিপারের পাঁচটি অংশ

১. zipper tape

2.zipper teeth

3.Runner

4.puller

5.stopper


10.A.Q.L ফুল মিনিং কি?

উত্তর =acceptable quality level.


11.নিডেল কত প্রকার ও কি কি? এবং কোন নিডেল কোন কাজে ব্যবহার করা হয়?

উত্তর =মেডেল তিন প্রকার

১.sharp neddle

2. Ball point neddle.

3. Universal neddle.

Sharp neddle lock stc.ball point neddle chain looper.এবং universal

neddle ভয় কাজে ব্যবহার করা হয়


১২. ওয়াস কত প্রকার ও কিকি?

উত্তর = Wash 5 প্রকার 1.Normal wash. 2.Enzyme wash.3.silicon wash 4.stone wash. 5.garment wash.


১৩.marker কত প্রকার ও কি কি?

উত্তর= marker 5 প্রকার

১.group marker

2.solid Makkar

3.lay way marker

4. all garments one way marker

5. salty Marka.


14. Fusing কত প্রকার ও কি কি?

উত্তর = ফিউজিং দুই প্রকার

১. cotton fusing

2. paper fusing


14. মেশিনে গেজ ব্যবহার করা হয় কেন?

উত্তর =সুইং অ্যালাউন্স ঠিক রাখার জন্য মেশিনে গেজ ব্যবহার করা হয়।


১৫.মোকআপ কি? কেন ব্যবহার করা হয়?

উত্তর = mock up কাজের নমুনা এবং কাজের নমুনা বোঝার জন্য mock up ব্যবহার করা হয়।


১৬.trim card কি?trim card কেনো ব্যবহার করা হয় ?

উত্তর স্টার শুরু করার জন্য যেসব পণ্য বা উপাদান ব্যবহার করা হয় সেসব উপাদানের approval card হল trim card


16. process ও part পার্থক্য কি?

উত্তর.

যা সেলাই করা হয় তা হল process ও যাকে সেলাই করা হয় তা হল part.ও


17. 1 ইঞ্চিতে কত সেঃ মিঃ?

উত্তর 1 ইঞ্চিতে ২.৫৪ সেন্টিমিটার


১৮.1 ইঞ্চিতে কত সুতা?

উত্তর.১ ইঞ্চিতে৮ সুতা.


১৯. measurement tape কি?

উত্তর=measurement tape হল পরিমাপ করার ফিতা।


২০. measurement tape কি কি আছে?

উত্তর =measurement tape ১৫০০ মিলিমিটার 150 সেন্টিমিটার 60 ইঞ্চি 480 সুতা 1.66 গজ 5 ফুট


২১. কিছু শব্দের ফুলমিনিংসঃ-


SP= shoulder point


Hps=high point shoulder


DN=double needle


BND=back neck drop


FND=Front neck drop


GSM= Gram square meter


UPC=unic price code


PPM=pre production meeting


SPI=stitch per inchi


22.Contrastকাকে বলে?

উত্তর=ফেব্রিক কালার থেকে সুতার কালার ভিন্ন হলে তাকে contrast বলে.


23. সীম অ্যালাউন্স কি?

উত্তর গার্মেন্টসের বর্ধিত অংশকে সীম অ্যালাউন্স বলে।


24.stitch কত প্রকার কি কি?

উত্তর দুই প্রকার:

1. চেইন স্টিচ

2.লক স্টিচ


25. thread কত প্রকার ও কি কি?

উত্তর= thread 4 প্রকার

1.Cotton thread

2.polyester thread

3.silicon thread

4.lylon thread


26. H&M VIP =Order Red VIP Blue VIP .

27. KPI= key performance indicator

28. SRM =Supplier Relationship Manegement.

29. QS=H&M Quality system

30. SPI = Stitch Per Inchi.

31. DHU= Defect Hundred Unit

32. RN= Registration Number

33. CA= Identification number

34. RQS =Requirment for quality system

35. RFT= Right fist time.

36. QMS= Quality manegement system

বই : পর্দা গাইডলাইন  লেখক : মাওলানা তানজীল আরেফীন আদনান  উমেদ প্রকাশ থেকে প্রকাশিত

 📍বারান্দায় কাপড় শুকোতে দেয়া আমাদের মা-বোনদের নিত্যদিনের অভ্যাস। বিশেষত শহুরে ফ্ল্যাটে বারান্দা ছাড়া উপায়ও নেই যেন। তবে এ ক্ষেত্রে অনেকেই মস্তবড় ভুলটি করে বসেন। শহরের ঘিঞ্জি এলাকায় তারা বারান্দায় কাপড় শুকোতে দিয়ে রাখেন, এমনকি পরিধেয় বিশেষ পোশাকটিও তারা বারান্দায় উন্মুক্তভাবে রোদে দেন। এতে কিছু সমস্যা হতে পারে।

.

যেমন আশেপাশের ফ্ল্যাট থেকে এসব কাপড়ের দিকে লোলুপ দৃষ্টি দেয়া হয়। এরপর এটা সীমা ছাড়িয়ে ইভটিজিংয়ে পরিণত হয়। ইভটিজিং না হলেও দুশ্চরিত্র ব্যক্তিরা এসব কাপড় দেখেই অনেক মাপজোখ করে ফেলে। এরপর থেকে অসৎ উদ্দেশ্যে বারবার উঁকিঝুঁকি মারতে থাকে।

.

এ জন্য উত্তম হলো, বারান্দায় বড় কাপড় দিয়ে পর্দা লাগিয়ে দেয়া। কমপক্ষে গাঢ় কালারের নেট-জাতীয় পর্দা হলেও লাগিয়ে নেয়া যেতে পারে। এরপর বারান্দায় কাপড় শুকানো। অথবা বারান্দায় দুই স্তর করে রশি লাগানো। সামনের দিকে পুরুষদের কাপড় দিয়ে ভেতরের দিকে মহিলাদের কাপড় শুকাতে দেয়া। এতে করে বাইরে থেকে শুধু পুরুষদের কাপড়গুলোই দেখা যাবে।

.

কাপড় শুকানোর পর রশিতে তা ফেলে না রাখা। অনেকেই একদিন গোসল করে কাপড় শুকাতে দেয়ার পর পরদিন গোসলের সময় রশি থেকে কাপড় আনতে যান। আবার কেউ কেউ ছাদেও সারারাত ধরে কাপড় ফেলে রাখেন। এতেও বদজিনের আছর পড়ার সমূহ আশঙ্কা থাকে।

.

এ ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কাপড় পরার সময় সব সময় বিসমিল্লাহ বলে পরা। পোশাক-আশাক খোলা ও পরিধানের সময় দুআ পড়া। এবং নিরাপত্তার দুআসমূহের ওপর আমল করা।


বই : পর্দা গাইডলাইন 

লেখক : মাওলানা তানজীল আরেফীন আদনান 

উমেদ প্রকাশ থেকে প্রকাশিত


ফেরার দরজা বন্ধ,,,,,,, ভুতের গল্প ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ⛔ ফেরার দরজা বন্ধ ⛔

(✍️বছর: ২০০২ | লোকেশন: সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার একটি দূরবর্তী গ্রাম — খরিয়াডাঙা✍️)


আমি, রাকিব, তখন মাত্র ঢাকা কলেজে ভর্তি হয়েছি। বড় শহরে প্রথমবার আসা, নতুন পরিবেশ, নতুন বন্ধু — সবকিছুই যেন এক নতুন পৃথিবী। তবে আমার মধ্যে এক অদ্ভুত অভ্যাস ছিল — পুরোনো বাড়ি, পরিত্যক্ত জায়গা কিংবা গ্রাম্য রহস্যে পা না বাড়িয়ে থাকতে পারতাম না। এটা ছোটবেলা থেকেই।


সেবার শীতের ছুটিতে বন্ধু ফয়সাল তার গ্রামের বাড়ি নিয়ে যেতে বলল। সে বলল,

"রাকিব, আমাদের গ্রামে একটা পুরনো বাড়ি আছে — কেউ যায় না। ১৯৮৫ সালে একটা পুরো পরিবার একরাতে নিখোঁজ হয়েছিল। কেউ বুঝতেই পারেনি কী ঘটেছিল। তারপর থেকে ওই বাড়িতে কে যেন রাতে হাঁটে, দরজা খোলে, অথচ সেখানে কেউ থাকে না। গ্রামের লোকজন বলে ওটা নাকি 'ফেরার দরজা বন্ধ' বাড়ি… যেই ঢোকে, আর ফেরে না।"


আমার আগ্রহ জেগে উঠল।

"চল! একবার দেখে আসি!"


গ্রামে পৌঁছে আমি সত্যিই অবাক। শান্ত, নিস্তব্ধ এক জায়গা। অথচ একটা অদৃশ্য চাপ যেন মাথার ওপর চেপে বসে আছে। সেই বাড়িটা গ্রামের এক কোণায় — কাঁটা ঝোপে ঢাকা, লোহার ফটক অর্ধেকটা খোলা, জানালাগুলো সব ভাঙা। আমরা চারজন — আমি, ফয়সাল, রাজু, আর মনির — ঠিক করলাম রাতে ওই বাড়িতে ঢুকব।


আমরা বাড়ির ভেতর ঢুকলাম। বাতাস থমথমে, দেয়ালের ফাটল দিয়ে ঘূর্ণি বাতাস ঢুকছে। হঠাৎ ফয়সাল বলল,

"দ্যাখো, পেছনের দরজাটা খোলা ছিল না তো!"

আমরা দেখলাম, পেছনের দরজা খোলা, অথচ আমরা এসেছিলাম সামনের ফটক দিয়ে। কে খুলল?


আমরা মোবাইলের টর্চ জ্বালিয়ে ঘুরতে লাগলাম। বাড়ির ভেতরে পুরনো খাট, চৌকি, আয়না — সবকিছুই যেন সময়ের ফ্রেমে আটকে আছে। হঠাৎ একটা দরজা পেলাম — খুব পুরনো কাঠের তৈরি, কিন্তু স্পষ্টভাবে তাজা রক্তের ছিটে লেগে আছে! দরজার ওপরে লেখা:

“ফেরার দরজা বন্ধ”

তার নিচে লাল কালিতে আঁকা কিছু লেখা — অদ্ভুত ভাষায়, যেন আরবি, উর্দু আর সংস্কৃতের মিশ্রণ।


রাজু দরজাটা ছুঁইল। সাথে সাথে একটা ঠান্ডা শ্বাস যেন ঘাড় বেয়ে শরীরে ঢুকে গেল।


আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম, এবার বেরিয়ে যাব। কিন্তু বাইরে গিয়ে দেখি — মনির নেই! সে একসাথেই ছিল!

ডাকাডাকি করে, আলো জ্বালিয়ে খুঁজলাম। কোথাও নেই। আবার ভেতরে ফিরলাম — দরজাটা এবার বন্ধ। “ফেরার দরজা”। তবে এবার নিচে লেখা আছে:

“একজন গেছে, আর তিনজন বাকি”


আমার বুক কেঁপে উঠল। আমরা জোরে দরজা ধাক্কালাম — কিছুতেই খুলছে না। জানালায় তাকিয়ে দেখি, বাইরে আর আলো নেই। মোবাইলে নেটওয়ার্ক নেই। একটা আওয়াজ কানে এল — ঘরজুড়ে কেউ যেন ফিসফিস করে নাম নিচ্ছে,

“রাকিব… ফয়সাল… রাজু…”


রাজু আচমকা মাটিতে বসে পড়ল। ফিসফিস করে বলছে,

"আমার আম্মু এখানে… ও বলছে আমি ছোট ছিলাম যখন… আমায় রেখে গিয়েছিল এই দরজার পেছনে… আমায় ওরা ডাকে রোজ…"


তার চোখ কোটরের বাইরে, শরীর কাঁপছে। সে দাঁড়াল, এবং সেই রক্তমাখা দরজার দিকে এগিয়ে যেতে লাগল। আমরা বাধা দিলাম। কিন্তু সে চিৎকার করে বলল,

"ওরা বলেছে, দরজাটা খুললে আম্মুর মুখ আবার দেখতে পারব!"


একটানে দরজা খুলে ভিতরে ঢুকে গেল — ঘন অন্ধকার, ঝড়ের মতো বাতাস বেরিয়ে এলো। আমরা দেখতে পেলাম না ভেতরে কী ছিল, কিন্তু রাজুর চিৎকার —

"এই না, এই তো আমার আম্মু… না না!! এটা কেউ না!! ছেড়ে দাও!!"

— তারপর এক মুহূর্তে চুপ।


দরজা আবার বন্ধ। এবার লেখাঃ

“আর দুজন বাকি”


আমি ও ফয়সাল কোনোমতে দরজার উল্টোদিকে পালালাম। তখন ফয়সাল জানাল,

"আমার নানা এক সময় তান্ত্রিক ছিল… এই বাড়িটা তারা বানিয়েছিল এক নিষিদ্ধ সাধনার জন্য। এক সত্তা, যাকে 'মারফত' বলা হত, তার সাথে যোগাযোগ করত। ওই সত্তার নিয়ম — যে একবার তার ডাকে সাড়া দেয়, তার ফেরার দরজা চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।"


আমি বললাম,

"তাহলে তুই আমাদের এনে মরতে দিলি?"


সে ফুঁপিয়ে উঠল,

"ওরা আমার বাবাকে নিয়ে গেছে… আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, তিনজনকে এনে দিলেই বাবাকে ফেরত পাবে। আমি ভাবিনি ওরা সত্যি আসবে!"


আমি চিৎকার করে উঠলাম,

"তুই আমাদের বিক্রি করছিস!"


আমি দৌড়ে পালাতে চাইলাম, কিন্তু দরজাগুলো যেন হারিয়ে গেল। প্রতিটা রুম শুধু ঘুরে ফিরে একই রুমে এসে থামে। ফয়সাল পেছনে পড়ে গেল। তখন দরজার গায়ে আবার লেখা:

“একজন বাকি”


শেষে আমি একটা কুলুঙ্গির মধ্যে লুকালাম। কান পেতে শুনতে পাচ্ছি — খুব ধীরে ধীরে আমার নাম বলা হচ্ছে…

"রা…কি…ব…"

একটা শীতল আঙুল ঘাড়ে ছুঁয়ে দিল।


"ভাই, আমি তো ওই বাড়ির পাশে থাকি। কাল রাত ১০টার পর তিনটা ছেলে ঢুকছিলাম দেখি। সকালে দেখলাম একটাই ছেলে পড়ে আছে বাড়ির উঠানে — চোখ মুখ হাঁ করে আছে, কথা বলতে পারছে না, শুধু তাকিয়ে আছে। আর মুখ দিয়ে খালি একটা কথাই বারবার বলছে…

‘দরজা… ফেরার… বন্ধ…’"


আমি এখন মানসিক হাসপাতালে আছি। ডাক্তার বলে এই ট্রমা কেটে যাবে। কিন্তু ওরা জানে না, আমি ঘুমাতে পারি না, কারণ ঘুমালেই সেই দরজা দেখি —

‘ফেরার দরজা’


রাকিব যদি মানসিক হাসপাতালে থাকে, তাহলে সে কীভাবে এত বিস্তারিতভাবে পুরো ঘটনা লিখল?


এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে রাকিবের চিকিৎসকের হাতে লেখা একটি চিঠিতে, যা অনেকদিন পর তার মেডিকেল ফাইল থেকে উদ্ধার করা হয়:


চিঠির একাংশ (ডাঃ সায়েমা হক, মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ, সাতক্ষীরা জেলা হাসপাতাল):


> রোগীর নাম: রাকিব হোসেন

ভর্তি: ২০০২ সালের ১৭ জানুয়ারি

বয়স: ২২


রাকিব যখন প্রথম হাসপাতালে আসে, সে সম্পূর্ণ নিশ্চুপ ছিল। তার চোখে ছিল গভীর আতঙ্ক, যেন কোন কিছুকে প্রতিনিয়ত দেখছে যা অন্যেরা দেখতে পায় না। সে কেবল ফিসফিস করে বলত:


“ফেরার দরজা বন্ধ… ফয়সাল, রাজু, মনির…”


তীব্র ট্রমার কারণে আমরা তাকে হাই-ডোজ সেডেটিভে রাখি। তবে অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে—চিকিৎসার দ্বিতীয় সপ্তাহে সে একরাতে হঠাৎ জেগে উঠে, হাসপাতালের পুরনো টাইপরাইটার নিয়ে প্রায় ২০ পাতার একটি কাহিনী টাইপ করে। পরদিন সকালে সে আবার নিশ্চুপ হয়ে যায়, এবং সেই অবস্থা আজ অবধি চলমান।


অবাক করার বিষয়: আমরা বহুবার পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়েছি — রাকিব টাইপ করা সেই গল্পের কোথাও ভুল বানান, অসংলগ্নতা বা ঘাটতি রাখেনি।


অথচ সে তখনও ওষুধের প্রভাবে বাস্তব চিন্তাশক্তি হারিয়ে ফেলেছিল।


প্রশ্ন রয়ে যায়—এই গল্প কে লিখল? রাকিব, নাকি কেউ তার ভিতর দিয়ে লিখিয়ে নিলো?


তার কক্ষে একদিন আমার সহকারী একটি শব্দ শুনেছে—“শেষজনও আসছে…”


আমরা সেই টাইপ করা পাতাগুলো সিল করে রেখেছি। কারণ আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস—এই কাহিনির মধ্যে এমন কিছু আছে, যা আমাদের জগৎ নয়।


বিশেষ দ্রষ্টব্য:-  গল্পে ভুল ত্রুটি হতেই পারে অবশ্যই আপনি আপনার মতামত জানাবেন গল্পটি কেমন হয়েছে...

আদৌও কি সম্ভব?? 

 আদৌও কি সম্ভব?? 



আমার মনে হয় নিজেদের ধারনার বাইরে নির্মাণশৈলী দেখেই এমন মন্তব্য করতেন তখনকার লোকজন!! 


মুঘল সাম্রাজ্যের সময়ে আমাদের দেশে মসজিদ নির্মাণের কাজ করতেন বিদেশি বিভূঁইয়ে মিস্ত্রিরা।


উনারা বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসতেন এবং নিজেদের সুনিপুণ নির্মাণকাজ করে লোকজনকে তাক লাগিয়ে দিতেন!!


আর সাধারণত একটা সময় নির্জন জায়গায় মসজিদের নির্মাণ কাজ হতো। লোকচক্ষুর আড়ালে পুরো নির্মাণকাজ শেষ করে আয়োজন করে উদ্বোধন হতো তখন লোকজন ভাবতো "আরে এখানে হুট করে মসজিদ তৈরি হয়ে গেল কি করে??হয়তো জ্বীনের সহায়তা নিয়েই বানানো হয়েছে! 


আবার এমনও হতে পারে মসজিদ নির্মাণ এর মতন মহৎ কাজটা যিনি নির্মাণ করাতেন উনিই চাইতেন না তার নির্মানের কথা কেউ জানুক।কারন এসব কাজ গোপনে করলে আল্লাহ খুশি হন!!


আবার একটা সময় অসাধারণ কাজ দেখা মাত্রই লোকজন সেটায় জ্বীনের সহায়তা নেয়া হয়েছে অথবা জ্বীন নির্মান করেছে বলেই ধরে নিতেন!!


মাটির ঘরে ঝুপড়ি ঘরে থাকা লোকজনের তখনকার দিনে মসজিদের মতন বিশাল স্থাপনা দেখে এমন মন্তব্য করা একদম অস্বাভাবিক নয়!!


এইসব আমার ধারনা মাত্র।


জ্বীনের মসজিদ নির্মাণ করার কথা বোধহয় বিভিন্ন ধর্মীয় গ্রন্থেই রয়েছে।বিশেষ করে আল কুরআনে মাসজিদুল আকসা নির্মাণকারী হিসেবে জ্বীন অন্যতম ছিলো বলেই আয়াত আছে!!


আচ্ছা মসজিদ নির্মাণ নিয়ে একটি অদ্ভুত অসাধারণ একটি ঘটনা বলে শেষ করছি!!


পুরো গ্রামে উনারে একনামে চিনেন সবাই।আশেপাশে দশগ্রামে একমাত্র হাজি সাহেব উনি


হজ্ব থেকে ফেরার বহু বছর পরে উনি নিজ গ্রামে একটি মসজিদ নির্মাণ করার উদ্যোগ নিলেন


সবকিছু গুছিয়ে একদিন নির্মাণ কাজও শুরু করে দিলেন!


সেদিন রাত্রেই উনি স্বপ্ন দেখলেন কালো কাপড়ে আবৃত একজন লোক হাতে লাঠি নিয়ে উনায় শিয়রের কাছে দাড়িয়ে উনি দেখা মাত্র লাফিয়ে উঠলেন!!


কালো কাপড় আবৃত লোকটা এবার তাকে বললো " মতলব মিয়া তোমার তো সময় শেষ হয়ে গিয়েছিল কিন্তু আল্লাহ পাক তোমার হায়াত বৃদ্ধি করলেন কারন তুমি আল্লাহর ঘর নির্মাণ এ আগ্রহী হয়েছো!


ঘুম ভেঙে গেল এই শীতেও ঘামে ভিজে গেছেন!


বুঝতে পারলেন এটা নিতান্ত স্বপ্ন।দ্বিধায় পড়ে গেলেন এটা শয়তান দেখালো কি না?


শয়তান মালাকুল মউত এর রুপে স্বপ্নে আসতে পারে কি না কাল ইমাম সাহেব এর কাছে জানতে হবে।স্বপ্নের ব্যখাও জানতে হবে...


পরের দিন হাজি সাহেব গোসলের সময় পরম বিস্মিত হয়ে খেয়াল করলেন তার বুকে একদম গোলাকার একটি কালো দাগ!!


গোসল না করেই দ্রুত স্বপ্নের তাবির করার জন্য বেড়িয়ে পড়লেন


ঈমাম সাহেব হাজি সাহেব এরচে বেশি অবাক হলেন ঘটনা শুনে এবং বললেন হতেই পারে স্বপ্নে তাকে আল্লাহ পাক উনার বিধানজারীই করেছেন!


স্বপ্ন সত্য!!


হাজি সাহেব বেরিয়ে গেলেন। সেদিন থেকেই শুরু করলেন তার মসজিদ তৈরীর মহা পরিকল্পনা!! 


এ বছরেই নির্মিত হওয়ার কথা থাকলেও হাজি সাহেব সেটা দীর্ঘ করার জন্য যা লাগে তাই করা শুরু করলেন


একবার ফাউন্ডেশন দিলেন দু তলার! 


এরপর সেটা বাতিল করে আবার জায়গা বদল করলেন আবার নির্মান শুরু করলেন।


একবার ঝকঝকে ফ্লোর তৈরি করলেন এরপর মোজাইক এরপর টাইলস! 


এই জানালার ডিজাইন পছন্দ হয়নি আবার নতুন ডিজাইন এর জানালা লাগালেন


মোটকথা মসজিদের নির্মাণ কাজ চলতেই থাকে সেই ব্যবস্থা নিলেন গোপনে!


মসজিদের নির্মাণ শেষ পর্যন্ত তিনি আটকে রাখলেন যেন বেশিদিন লাগে উনি বেশিদিন বাঁচবেন বলে!


কিন্তু অদ্ভুত কান্ড হলো মসজিদের শুরুই হলো হাজি সাহেব এর জানাযার মাধ্যমে! 


ঠিক একবছর পরেই উনি ইন্তেকাল করেছেন!


আল্লাহর সাথে কৌশলে পারলেন না!!


(উক্ত ঘটনাটি হুমায়ূন আহমেদ এর উপন্যাস থেকে নেয়া)


ছবিটা প্রতীকী মাত্র

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ২৫-০৪-২০২৫ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ২৫-০৪-২০২৫ খ্রি:


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


তরুণদের বড় স্বপ্ন দেখার ও নিজেদের জীবনে ‘তিন-শূন্য’ তত্ত্ব কাজে লাগানোর আহ্বান জানালেন প্রধান উপদেষ্টা।


কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের সাক্ষাৎ - বাংলাদেশের পুনর্গঠনে সব ধরণের সহায়তার আশ্বাস।


দেশে ফিরলে বিমানবন্দরে ভিআইপি মর্যাদা দেওয়া হবে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের - কাতারে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সঙ্গে বৈঠকে বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করছে বাংলাদেশ - অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে আজ রোম যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা।


কর্মসংস্থান, বাণিজ্য বৃদ্ধি ও সামাজিক সুরক্ষা আধুনিকায়নে ৮৫ কোটি ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক - ওয়াশিংটনে দুটি চুক্তি স্বাক্ষর।


সবার মত নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় সনদ তৈরি করা হবে, যার মধ্য দিয়ে নির্মিত হবে আগামীর বাংলাদেশের পথরেখা - বললেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি।


কাশ্মিরে পর্যটকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে ভারতীয়দের ভিসা বাতিল করলো পাকিস্তান।


আজ জাকার্তায় এশিয়ান হকি ফেডারেশন টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ওমানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

বেলুন,,,, ভুতের গল্প ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ⛔বেলুন⛔

(✍️ বাস্তবমুখী এই গল্পটি পাঠিয়েছেন: পারভেজ আল মুমিন ✍️)


সকালটা অন্যসব দিনের মতোই ছিল—নির্লিপ্ত, স্বাভাবিক। স্নিগ্ধা স্কুলে যাওয়ার আগে শেষবারের মতো ঘুম জড়ানো চোখে বেলুন চাইলো।

“ওই বেলুনওয়ালা আবার এসেছে মা!”

তার ছোট্ট আঙুলে ইশারা করা লাল বেলুনটি ছিল চোখ-মুখ আঁকা, অদ্ভুত এক হাসি লেগে থাকা মুখ। মা একটু বিরক্ত হয়েছিলেন, কারণ এই নিয়ে তৃতীয়বার একই বেলুন কিনতে চাইলো স্নিগ্ধা।

“এই বেলুনটা শেষবার কিনবো, তারপর আর না,” বলেই মা শেষ পর্যন্ত বেলুনটা কিনে দিলেন।

স্নিগ্ধা সেই বেলুনটা নিয়ে এতটাই খুশি হয়েছিল যে, তার মুখে তখনো যেন ছোট ছোট রঙিন হাসি ফুটছিল।


কিন্তু বিকেল হতেই সব উল্টে গেল। স্নিগ্ধা হঠাৎ নিথর হয়ে পড়েছিল। তার চোখ খোলা, অথচ তাতে প্রাণ নেই। মুখে এক ধরনের ফ্যাকাসে শান্তি, কিন্তু তা ছিল ভয়ংকর।

ডাক্তাররা বলেছিল “হঠাৎ শ্বাস বন্ধ হয়ে গেছে। কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট।”

তবে কি আট বছরের ছোট্ট মেয়েটার এমন হতে পারে?


মা শুধু স্নিগ্ধার জামাটা আঁকড়ে ধরেছিল। সেই জামা যার বোতাম সে প্রতিদিন সকালে নিজ হাতে লাগিয়ে দিত। জামাটার গন্ধে এখনো যেন স্নিগ্ধার শরীরের গরম শ্বাস মিশে আছে।

বাবা কিছু বলতে পারছিল না, ঠোঁট শক্ত করে শুধু পাথরের মতো দাঁড়িয়ে ছিল। তার চোখে জল ছিল না, কিন্তু ভেতরের ছাইচাপা আগুনটা যেন নিঃশব্দে পুড়ছিল।


স্নিগ্ধার মুখে তখনো ছিল সেই বেলুনের প্রতিচ্ছবি। বেলুনটা বিছানার এক পাশে চুপসে পড়ে ছিল। কেউ খেয়াল করেনি—এই চুপসে যাওয়া হাওয়াটাই যেন স্নিগ্ধার নিঃশেষ হওয়া প্রাণ।


কয়েকদিন পর, এক সন্ধ্যায় স্নিগ্ধার বাবা বারান্দায় বসে থাকতে থাকতে নিচে চোখ পড়তেই দেখলেন—একজন বেলুনওয়ালা ডাস্টবিন থেকে কি যেন তুললো।

তার কাঁধে ছিল রঙিন বেলুনে ভরা এক বান্ডিল। হঠাৎ কেন জানি স্নিগ্ধার বাবার বুকটা ধক করে উঠলো।

এই বেলুনওয়ালাকেই সেদিন স্কুলের গেটের সামনে দেখেছিলেন! এই লোকটাই তো… এই লোকটাই স্নিগ্ধাকে চোখ-মুখ আঁকা বেলুন বিক্রি করেছিল!


এদিকে স্নিগ্ধার মা বারান্দায় এসে প্রতিবেশীর বাচ্চাকে সেই একই রকম বেলুন নিয়ে খেলতে দেখলো। এক অজানা আতঙ্ক তার শরীর ভেদ করে গেল। বুকের ভেতরে যেন কিছু একটা ফুস করে উঠলো।

স্নিগ্ধার শেষ কথাগুলো আবার মনে পড়লো—

“মা, ওনার বেলুনটা না অন্যরকম… ওই বেলুনগুলো রেখে দিলে ভালো লাগে, যেন বেলুনটা আমাকে গল্প বলে।”

কিন্তু এখন তো স্নিগ্ধা নেই। এখন শুধু ওই বেলুনটা রয়ে গেছে, আর কিছু দুঃস্বপ্নের মতো স্মৃতি।


কিন্তু গল্পটা এখানেই শেষ নয়। বরং, এখান থেকে শুরু হয় এক ভয়ানক অধ্যায়।


বেলুনওয়ালার পরিবার বলতে কেউ নেই। সে একা থাকে পুরনো এক ভাঙা বাড়িতে শহরের প্রান্তে।

রাত ঘনিয়ে এলে সে সেই বাড়িতে ফিরে যায়। বেলুনের লাঠিগুলো এক কোণে রেখে সে ধীরে ধীরে আলমারির দরজা খোলে।

আলমারির ভেতরে নেই কোনো জামা-কাপড়, নেই কোনো তোরজোড়—

আছে শুধু এক গোপন সিঁড়ি, যা নেমে যায় ভূগর্ভস্থ এক ঘরে।


সেখানে একটি পুরোনো, পাথরের তৈরি মূর্তি, যার মুখ কুয়াশার মতো অস্পষ্ট, কিন্তু নিচের দিকের অংশে মানুষের মতো হাত তৈরি হয়ে উঠছে ধীরে ধীরে।

বেলুনওয়ালা সেই মূর্তির সামনে বসে পড়ে, কাঁপা গলায় ডাকে,

“মা… মা… আজকেও একটা গেলো, মা… আরেকটা বাচ্চা… আরেকটা নিঃশ্বাস…।”

তারপর পকেট থেকে বের করে এক চুপসানো বেলুন, যেটা এক মৃত শিশুর খেলনার অংশ ছিল।


সে বেলুনটি মূর্তির পায়ের কাছে রাখতেই অদ্ভুতভাবে বেলুনটি নিজে নিজেই ফুলে ওঠে। মূর্তির আঙুলের একটি অংশ যেন এবার আরও একটু মানুষের আঙুলের মতো হয়ে ওঠে।

একটা চাপা গোঙানির মতো শব্দ হয়, যেন মূর্তিটি সন্তুষ্ট।


বেলুনওয়ালার কাজ এখানেই শেষ নয়।


সে জানে না কাকে সে “মা” বলে ডাকে। সে জানে না—এই পাথরের মূর্তি আসলে এক অপদেবী, যাকে কোনো কালো গ্রন্থে “বায়নাকী” নামে ডাকা হয়।

এই দেবী হাওয়া দিয়ে জন্ম নেয়, শিশুদের নিঃশ্বাস দিয়ে রূপান্তরিত হয়।

প্রতি দশটি শিশুর নিঃশ্বাসে তার একটি আঙুল মানব রূপ পায়, প্রতি একশ শিশুর প্রাণে তার মুখ সৃষ্টি হয়।


এই শহরে, এই দেশজুড়ে, প্রতিদিন কত শিশু হঠাৎ শ্বাস বন্ধ হয়ে মারা যায়—কেউ জানে না কেন।

হাসপাতাল, রিপোর্ট, ডাক্তারের ফাইল—সবই বলে “হৃদরোগ,” “শ্বাসকষ্ট,” “সাধারণ মৃত্যু।”


কিন্তু কেউ জানে না, এক বেলুনওয়ালা প্রতিদিন সেই মৃত শিশুদের নিঃশ্বাস ভরে বেলুন বিক্রি করে যাচ্ছে।

বাচ্চারা সেই বেলুন নিয়ে খেলে, হাসে, শুয়ে পড়ে বিছানায়, আর ঘুমিয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে—


বেলুন চুপসে যায়।

আর বাচ্চারা নিঃশব্দে চলে যায়।


পিছনে থেকে যায় শুধু একটা চুপসে যাওয়া বেলুন, আর এক ঘরের স্তব্ধতা।


বেলুনওয়ালা আবারও তৈরি। আগামীকাল আরও স্কুল, আরও খেলার মাঠ, আরও বাচ্চা।

আরও নিঃশ্বাস জমাতে হবে,

আরও শিশুদের হাওয়া নিতে হবে,

আরও বেলুন বিক্রি করতে হবে—

যতদিন না তার "মা" সম্পূর্ণ মানুষ হয়ে এই পৃথিবীতে পা রাখে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য... ভুতের গল্প ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বিশেষ দ্রষ্টব্য...


আমরা সব গল্প শেয়ার করি না। আমাদের কাছে পাঠানো অসংখ্য গল্পের মধ্য থেকে যে গল্পগুলো সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যায়, ভাবনায় নাড়া দেয়—সেই গল্পগুলোই আমরা বেছে নিই এবং প্রকাশ করি। ✨✍️


এখন পর্যন্ত আপনাদের পাঠানো প্রায় ৩০০ থেকে ৩৫০-এর মতো মূল্যবান গল্প আমাদের সংগ্রহে রয়েছে। প্রতিটি গল্প আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু প্রতিটি গল্পকে সময় নিয়ে পড়া, বিশ্লেষণ করা এবং পুনরায় পর্যালোচনা করাটা সময়সাপেক্ষ বিষয়। ⏳


তাই, আপনাদের কাছে আমাদের বিনীত অনুরোধ—

যে গল্পগুলো আপনি আমাদের পাঠাবেন, তা যেন একান্তই আমাদের জন্য মৌলিক ও এক্সক্লুসিভ হয়।

অর্থাৎ, সে গল্প অন্য কোথাও আগে প্রকাশিত, শেয়ারকৃত বা গ্রুপে পোস্ট করা যেন না হয়। ❌📤


আমরা যদি দেখি গল্পটি সত্যিই অনন্য, পাঠযোগ্য এবং মানসম্পন্ন, তাহলে আপনার নাম ও প্রাসঙ্গিক পরিচয় উল্লেখ করে তা আমাদের মাধ্যমে প্রকাশিত হবে—সসম্মানে, সৃষ্টিশীলতাকে উৎসাহ জানিয়ে। 🖋️📚


অনেক সময় অনেক লেখকের পক্ষ থেকে আমাদের অনুরোধ আসে—তাদের গল্প যেন কোনোভাবেই এডিট বা পরিবর্তন না করা হয়।

আমরা সেই চাওয়া’র প্রতি শ্রদ্ধা রেখে, নিরুপায়ভাবে লেখকের ভাষা ও প্রকাশ ঠিক রেখেই গল্পটি প্রকাশ করি। ✍️


ফলে, গল্পে যদি কোথাও বানান বা ভাষাগত কিছু ত্রুটি থেকে যায়, তাহলে পাঠক হিসেবে আপনারা তা অবশ্যই সৌজন্যমূলক ও ক্ষমাশীল দৃষ্টিতে দেখবেন—

কারণ, গল্পটির মূল ভাব ও লেখকের আত্মা যেন অটুট থাকে, সেটাই আমাদের অগ্রাধিকার।


আমাদের বিশ্বাস, প্রতিটি গল্পের পেছনে থাকে একটি হৃদয়। আর সেই হৃদয়ের স্পর্শ আমাদের নাড়া দেয় তখনই, যখন তা হয় একান্তই আপনার নিজস্ব।


ধন্যবাদ আপনাদের মূল্যবান সৃজনশীলতার জন্য। আমরা অপেক্ষায় আছি সেই অনন্য গল্পের, যা হৃদয় ছুঁয়ে যাবে।


শুভকামনা রইল লেখনীতে—চলুক গল্পের জাদু...

✍️❤️✨

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...