এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫

অভিশপ্ত__পরী

 গল্প #অভিশপ্ত__পরী 

পর্ব __০২

#লেখক__মোঃ__নিশাদ 


 অভিশপ্ত পরী গল্প প্রথম পর্ব যাঁরা পড়েননি পড়ে নিবেন। আমার এই ভূতের গল্প লেখক আইডিতে আছে৷ 


এদিকে পরী আমার সাথে সাথে হাঁটতে থাকে। 

পরী আমার সাথে আসায় আমি একটু সাহস ফিরে পাই। আমি সাহস করে পরীকে বলি। 


 আপনাকে একটা কথা বলি৷ আমি বাবার কাছ থেকে শুনেছি, এই কবরস্থানে যে থাকে সে নাকি অনেক ভয়ং*কর। গ্রামের অনেকেই নাকি ওখানে থাকা পরীকে দেখে ভয় পেয়েছে, কেউবা ভয়ে অসুস্থ হয়ে মা*রা গেছে। আপনি আবার সেই পরী নন তো। 


আমার কথায় পরীটা আমার দিকে তাকিয়ে বললো। 

আমাকে দেখে কি সেই পরী বলে মনে হয়। আমি যদি খারাপি হতাম তাহলে কি তোমার সাথে এভাবে কথা বলতাম তোমার ক্ষতি না করে। 


পরীর কথায় আমি বললাম সেটা ঠিক বলছেন, আপনাকে দেখে তো ওরকম মনে হচ্ছেনা। 


আমার কথায় পরী বলে, ঠিক আছে তোমার বাড়ি চলে আসছে, তুমি এখন বাড়িতে যাও। তোমার সাথে অন্য কোন দিন অন্য কোন সময় দেখা ও কথা হবে। 

আমি চলে যাচ্ছি। যাবার আগে একটা কথা বলে যাচ্ছি। আমার কথা তুমি অন্য কাউকে বলোনা কেমন৷ 


এই বলে বাতাসে মিলে গেলেন পরী।ও চলে যাওয়ায় আমি চলে গেলাম বাড়িতে। 

বাড়িতে যাবার পর মা বাবাকে ডাক দিতেই ওরা বেড়িয়ে আসলো। 


মা এসেই বললো। 

বাবা নিশাদ ' তুই আসছিস কত চিন্তা হচ্ছিলো তোর জন্য। তোর আসতে কোন সমস্যা হয়নি তো কোন ভয় টয় পাসনি তো। 


মায়ের কথার জবাবে আমি বললাম৷ না মা ভয় পাইনি তুমি কোন চিন্তা করোনা তো। 

আমার কথায় মা বললেন, চিন্তা করি কি আর সাধে। ঐ কবরস্থানের আশপাশে জায়গাটা ভালোনা। তুই ওদিক দিয়ে আসছিস, দাঁড়া বাবা আমি কাপড় চোপড় দেই গোসল করে ঘুরে ঢুকবি। তাঁর আগে ঘরে ঢুকিসনা। 


মায়ের কথায় আমি কথা বাড়ালাম না। 

আমি গোসল করে ঘরে ঢুকলাম। 

ঘরে যাওয়ার পর মা খাবার দিলেন। 


মা খাবার দেয়ায় আমি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। 

সে রাতে আর কোন সমস্যা হয়নি আমি আর ঐ পরীকে দেখিনি৷ 


পরেরদিন সকালে আমার ঘুম ভেঙে যায় বন্ধু সাজিদের ডাকে। 

সাজিদ ডাকছে, এই নিশাদ এই উঠ 


ওর ডাকে ঘুম ভেঙে যেতে ওকে বললাম, কিরে সাজিদ কেমন আছিস।


আমি ভালো আছি। তুই কেমন আছিস৷ 

-আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। দাঁড়িয়ে আছিস কেনো বস৷


আমার কথায় সাজিদ বসে আমাকে বললেন, সরি রে কাল তুই আসছিস আমি তোকে এগিয়ে আনতে যেতে পারিনি, তোকে তো বলছিলাম খালার বাড়িতে গিয়েছিলাম কালকে, আমারো বাড়িতে ফিরতে অনেক রাত হয়ে গেছিলো৷ নইলে তোকে এগিয়ে নিতে ঠিকি যেতাম। 


 আরে কোন সমস্যা নেই৷ আমার বাড়িতে আসতে কোন সমস্যা হয়নি। 

সাজিদ তুই একটু বস। আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি। 


কথাটা বলে আমি ফ্রেশ হতে গেলাম। 

ফ্রেশ হয়ে ঘরে এসে দেখলাম মা নাস্তা দিয়ে গেছে। 

মা নাস্তা দেয়ায় আমি ও সাজিদ নাস্তা শেষ করে বাহিরে গেলাম। 


বাহিরে যাবার পর সাজিদ বললো, তা নিশাদ তোর কি খবর বল। 

ঢাকা থেকে চলে আসলি আর তো ঢাকা জাবিনা। ভালোও হলো এখন আগের মত দুই বন্ধু আড্ডা দিবো৷ 


ওর কথায় আমি বললাম, কি করবো বল, মা বাবা আমাকে ছাড়া থাকতে পারেনা। মা বাবার কথা চিন্তা করে গ্রামে চলে আসলাম। এখন গ্রামে কিছু একটা করতে হবে৷  আমার কথা বাদদে তোর কি খবর সেটা বল। 


আমার কথায় সাজিদ বললো, আমার আর কি খবর তুই জানিস বর্তমান ইউটিউব চ্যানেল চালাচ্ছি হরর গল্প নিয়ে কাজ করছি৷ আমার ইউটিউব চ্যানেল " kalo rat 24 " ওখানে জ্বীন পরীর গল্প প্রচার করছি৷


কিন্তু এখন প্লান করছি নতুন কিছু নিয়ে আসবো। 

-নতুন কিছু কি করতে চাস, খুলে বলতো। 


আমার কথায় সাজিদ বললেন৷ আমি ভয়ং*কর কিছু প্লেস বা দৃশ্য মানুষদের ভিডিও করে দেখাতে চাই। আর সেই জন্য তোর সাথে কথা বলতে আসলাম। 


কিহহ বলিস এখন দৃশ্য বা জায়গা কোথায় পাবি শুনি। 

আরে আছে আছে অনেক আছে। আমার প্রথম দৃশ্য বা ভিডিও হবে আমাদের গ্রামের ঐ কবরস্থানের অভিশপ্ত পরীকে নিয়ে।।।


কিহহহ, সাজিদ তুই কি বলছিস পা*গল হলি নাকি৷ না না এটা হবেনা ঐ পরী অনেক ভয়ং*কর শুনিসনি। 


আমার কথায় সাজিদ বললেন শুনেছি, শুনেছি বলেই বলছি, আমি যখন ঐ পরীর ভিডিও আমার চ্যানেলে একবার দিতে পারি তাহলেই ভাইরাল। 


ওর কথায় আমি বললাম, সাজিদ ভাইরাল হবার নেশার পা*গল হয়ে গেছিস তুই। দেখ এসব চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেল যা বাড়িতে যা। 


সাজিদ ঠিক বাড়িতে গেলাম৷ তাহলে রাতে দেখা হচ্ছে আমি রাতে এসে তোকে ডেকে নিবো কোথাও যাবিনা।


আবার - সাজিদ বাদদেনা এসব। 

সাজিদ " আজকে রাতে ভিডিও বানাই তারপর বাদ দিবো রাতে রেডি থাকিস। 


কথাটা বলে আমার কোন কথা না শুনে সাজিদ বাড়িতে গেলো।।

ও আসলে কি করতে চাচ্ছে কিছুই বুঝছিনা। 


ও চলে যাবার পর সেই দিনটা শুয়ে বসে পার করলাম। 

সেদিন রাতে কথামত সাজিদ আমার বাড়িতে এসে আমাকে ডাকতে লাগলেন।।


ওর ডাকে আমি ঘরে চুপ করে শুয়ে থেকে মা কে বললাম মা সাজিদ কে বলো আমি বাড়িতে নেই৷ 

আমার কথায় মা কিছু বুঝতে না পেরে চুপ করে রইলেন। 


এদিকে সাজিদ আমাকে ডাকতে ডাকতে ঘরে এসে বললেন, কিরে কখন থেকে ডাকছি চুপ করে আছিস কেনো। 


ওর কথায় মা বললেন৷ আচ্ছা সাজিদ কোথায় যেতে ডাকছো ওকে। 

মায়ের কথায় সাজিদ বললেন একটা দাওয়াত খেতে যাবো৷ কিন্তু ও যেতেই চাচ্ছেনা। 


ওর কথায় মা বললেন, নিশাদ যা৷ ও কখন থেকে ডাকছে।। 

মায়ের কথায় আমি বললাম আরে মা ও দাওয়াত খেতে না অন্য... 


আমার কথা শেষ না হতে সাজিদ বললেন, তুই চুপ করবি নে রেডি হয়ে নে৷। 


আহহহ বুঝছি ও ছাড়বেনা। যাই আজকে যা হবার হবে। 


কথাটা বলে রেডি হয়ে ওর সাথে হাঁটতে লাগলাম। 

হাঁটতে হাঁটতে সাজিদকে বললাম কি করতে হবে বল৷ 


 আমার কথায় ও বললো। আমরা দুজনে কবরস্থান থেকে একটু দূরে গাছের আড়ালে লুকিয়ে লুকিয়ে ক্যামেরা করবো। আমি শুনেছি ঐ অভিশপ্ত পরী ওর রুপ নিয়ে এখানে আশপাশে ঘুরে বেড়ায়। 


ওর কথায় আমি বললাম এতে লাভ কি হবে। জ্বীন পরীরা কি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। 


আরে সেটা গেলেই দেখতে পাবো। চল ওখানে গিয়ে দেখি কি অবস্থা। 


ওর কথায় আমি আর কথা বাড়ালাম না দুজনে চলে গেলাম কবরস্থানে পাশে। 

গ্রামের সবাই এই জায়গাটাকে ভয়ে এড়িয়ে চলে। ভয়ে কেউ এখানে আস্তে চায়না আর আমরা ইচ্ছে করে আসছি এখানে। 


এখানে তো গতরাতে দেখা সেই পরী থাকে। আমিযে সেই পরীর সাথে কথা বলছি সাজিত তো জানেনা। 

সেখানে যাবার পর আমি মনে মনে সেই পরীকে খুঁজতে থাকি৷ 


এদিকে সাজিদ ক্যামেরাটা সেট করে বললো এখন চুপ করে বসে থাক। 

ওর কথায় চুপ করে বসে রইলাম। 

এভাবে প্রায় এক ঘন্টা বসে থাকার পর আমি বললাম। 


কিরে আর কতক্ষন বসে থাকবো। কোথায় এখানে তো কেউ নেই৷ 

আমার কথায় সাজিদ বললেন তাই তো দেখছি। 

বুঝছি এভাবে কাজ হবেনা৷ শোন ফোনটা নে। আমরা এখন দুজন দুই দিকে বের হবো কবরস্থানের চারিদিক ভিডিও করে পরে সবাইকে বলবো এটা একটা ভয়ং*কর প্লেস। 


ওর কথায় আমি বললাম ঠিক আছে দে যা করার তারাতারি কর রাত অনেক হয়ে গেছে।  


কথাটা বলে আমি একদিকে বের হলাম ও একদিকে৷ 

সাজিদের পাগলামীর জন্য এসব করতে হচ্ছে  অনেক ভয় লাগছিলো তখন। 


আমি ভয়ে ভয়ে ভিডিও করছি এমন সময় সাজিদ একটা চিৎ*কার দিলেন। 

ওর চিৎ*কারে আমি দৌড়ে ওর দিকে গিয়ে দেখলাম সাজিদ জ্ঞান হাড়িয়ে পড়ে আছে মাটিতে৷ 


সাজিদ পড়ে আছে দেখে আমি অনেক ভয় পেয়ে যাই আর সাজিদকে বলি, সাজিদ এই সাজিদ কি হইছে তোর৷ 


এমন সময় পিছন থেকে একটা আওয়াজ আসলো। 

ভয় পেওনা ওর কিছু হবেনা৷ 


আওয়াজটা শুনে পিছনে তাকিয়ে দেখি পরী দাঁড়িয়ে আছে। ওকে দেখে আমি দাঁড়িয়ে বললাম। আপনি - আমার বন্ধু সাজিদ কি হইছে ওর। 


আমার কথায় পরী বললো ও আমাকে দেখে ভয় পেয়েছে৷ তুমি ভয় পেওনা ও জ্ঞান হাড়িয়েছে একটু পর জ্ঞান ফিরে আসবে। 


পরীর কথায় আমি বললাম, আসলে ও বুঝতে না পেরে এখানে ভিডিও করতে আসছে ওকে মাফ করে দিন। 


আমার কথায় পরী বললো আমি বুঝতে পারছি। ও প্রথমবার এই ভুল করছে বলে সুধু ভয় দেখিয়েছি পরেরবার যেনো এমন ভুল না করে৷ আমি এখন চলে যাচ্ছি তুমি আমার কথা ওকে বলোনা। এখন ওকে জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করো ওর জ্ঞান ফিরবে। 


কথাটা বলে চলে গেলেন পরী৷ 


তারপর _______4

Next______৬

১৯৫৭ সালে, চার্লি চ্যাপলিন - সিনেমার চিরন্তন নীরব কমেডির মাস্টার - তার স্ত্রী ওনা ও'নিল এবং তাদের এগারো সন্তানের মধ্যে ছয়জনের সাথে পারিবারিক শান্তির এক বিরল মুহূর্তের মধ্যে বন্দী হন।

 ১৯৫৭ সালে, চার্লি চ্যাপলিন - সিনেমার চিরন্তন নীরব কমেডির মাস্টার - তার স্ত্রী ওনা ও'নিল এবং তাদের এগারো সন্তানের মধ্যে ছয়জনের সাথে পারিবারিক শান্তির এক বিরল মুহূর্তের মধ্যে বন্দী হন। ছবিটি এমন একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত জগতের একটি কোমল আভাস দেয় যা তার আইকনিক বোলার হ্যাট, বেত এবং গোঁফের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। পর্দায় তার চরিত্রের চেয়েও বেশি সাধারণ পোশাক পরে, চ্যাপলিনকে সুইজারল্যান্ডে তাদের বাড়ির সবুজ বাগানে পরিবার দ্বারা বেষ্টিত স্বাচ্ছন্দ্য এবং গর্বিত দেখা যায়। ওনা, মার্জিত এবং শান্ত, কাছাকাছি দাঁড়িয়ে আছেন - তার উপস্থিতি সর্বদা স্থির, পরিবারের জন্য একটি শান্ত নোঙ্গর। ছোট থেকে কিশোর বয়স পর্যন্ত তাদের সন্তানরা, সহজ হাসি এবং কৌতুকপূর্ণ অভিব্যক্তি নিয়ে তাদের চারপাশে জড়ো হয়েছিল, নির্দোষতা এবং ঐতিহ্যের একটি সুন্দর মিশ্রণ।


১৯৫৭ সালের মধ্যে, চ্যাপলিন তার জীবন এবং কর্মজীবনের শেষ বছরগুলিতে, রেড স্কেরের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসনে বাধ্য হয়ে সুইজারল্যান্ডের কর্সিয়ার-সুর-ভেভেতে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করেছিলেন। বিশ্ব তাকে লিটল ট্রাম্প হিসেবে জানত, বাড়িতে তিনি ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ পিতা এবং স্বামী।  নাট্যকার ইউজিন ও'নিলের মেয়ে ওনা তার থেকে ৩৬ বছরের ছোট ছিলেন, তবুও তাদের ভালোবাসা ছিল গভীর এবং স্থায়ী। সৃজনশীলতা এবং ইতিহাসে পরিপূর্ণ পরিবারে বেড়ে ওঠা এই দুই সন্তানেরা শিল্পকলায় উৎসাহিত হয়েছিল, এবং অনেকেই অবশেষে তাদের বাবার অনুসরণ করে অভিনয় এবং চলচ্চিত্র নির্মাণে প্রবেশ করেছিল। সুইস গ্রামাঞ্চলে তাদের আদর্শ জীবন ছিল চ্যাপলিনের নাম ঘিরে একসময় যে রাজনৈতিক ঝড় বয়ে গিয়েছিল তার সম্পূর্ণ বিপরীত।


এই পারিবারিক প্রতিকৃতি জনসাধারণের নজরদারি এবং সিনেমার প্রতিভা দ্বারা সংজ্ঞায়িত জীবনের একটি শান্তিপূর্ণ কোডা হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে। এটি একজন ভিন্ন চার্লি চ্যাপলিনকে প্রকাশ করে - একজন সাংস্কৃতিক আইকন হিসেবে নয়, বরং একজন বাবা, একজন স্বামী এবং একজন পুরুষ হিসেবে যারা একটি সুন্দর জীবনের ফল উপভোগ করছেন। ছবিটি কেবল একটি ছবি নয়, বরং একটি অনুগ্রহের মুহূর্ত: এটি মনে করিয়ে দেয় যে কিংবদন্তিরাও শেষ পর্যন্ত মানুষ, মঞ্চ বা পর্দা থেকে নয়, বরং উষ্ণ, খোলা আকাশের নীচে তাদের নিজস্ব সন্তানদের সান্নিধ্য থেকে হাসিতে আনন্দ খুঁজে পান। 


In 1957, Charlie Chaplin—cinema’s timeless master of silent comedy—was captured in a rare moment of domestic calm with his wife Oona O’Neill and six of their eleven children. The photograph offers a tender glimpse into the private world of a man best known for his iconic bowler hat, cane, and mustache. Dressed more casually than his on-screen persona, Chaplin appears relaxed and proud, surrounded by family in the lush garden of their home in Switzerland. Oona, graceful and serene, stands close by—her presence always steady, a quiet anchor for the family. Their children, ranging in age from toddlers to teens, cluster around them with easy smiles and playful expressions, a beautiful mix of innocence and legacy.

By 1957, Chaplin was in the later years of his life and career, having been forced into exile from the United States during the Red Scare and settling permanently in Corsier-sur-Vevey, Switzerland. While the world knew him as the Little Tramp, at home he was a devoted father and husband. Oona, the daughter of playwright Eugene O’Neill, was 36 years his junior, yet theirs was a profound and enduring love. The children, growing up in a household full of creativity and history, were encouraged in the arts, with several eventually following their father into acting and filmmaking. Their idyllic life in the Swiss countryside was a stark contrast to the political storms that had once swirled around Chaplin’s name.

This family portrait stands as a peaceful coda to a life defined by public scrutiny and cinematic brilliance. It reveals a different Charlie Chaplin—not as a cultural icon, but as a father, a husband, and a man enjoying the fruits of a life well-lived. The image is not just a photograph, but a moment of grace: a reminder that even legends, in the end, are human too, finding joy in laughter not from a stage or screen, but from the company of their own children beneath a warm, open sky. See less#lifestyle #comedy #comedia

নিজের ভয়েসেই বানান অডিওবুক, ভয়েসওভার বা ভিডিও ন্যারেশন—এই ৫টি ফ্রি AI ভয়েস টুল দিয়ে!

 নিজের ভয়েসেই বানান অডিওবুক, ভয়েসওভার বা ভিডিও ন্যারেশন—এই ৫টি ফ্রি AI ভয়েস টুল দিয়ে!

🎙️___________

আপনি কি ইউটিউব ভিডিও বানান? অডিওবুক তৈরি করতে চান? কিংবা নিজের ভয়েসে ভিডিও ন্যারেশন করতে চান কিন্তু ভয়েস ভালো নয় বা রেকর্ডিং সেটআপ নেই? চিন্তা নেই! AI ভয়েস টুল দিয়ে আপনি নিজেই বানিয়ে ফেলতে পারেন প্রফেশনাল কোয়ালিটির ভয়েসওভার—আপনার স্ক্রিপ্ট থেকে!


১) ElevenLabs.io – মানুষের মতোই স্বাভাবিক ও এক্সপ্রেশনভরা ভয়েস তৈরি করে। বাংলা ও ইংরেজি দুটোই সাপোর্ট করে।


২) TTSMaker.com – কোনো সফটওয়্যার ছাড়াই অনলাইনে টেক্সট-টু-স্পিচ সাপোর্ট। বিভিন্ন ভয়েস অপশন।


৩) Murf.ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার, বিজ্ঞাপন, ভিডিও বা প্রেজেন্টেশনের জন্য অসাধারণ টুল।


৪) Play.ht – AI ভয়েস দিয়ে খুব দ্রুত অডিওবুক বা আর্টিকেল কনভার্ট করা যায়। রেঞ্জ ও গুণগত মান দুর্দান্ত।


৫) VoiceMaker.in – সহজ ইন্টারফেস, বহু ভয়েস অপশন এবং ইমোশন অ্যাড করার সুবিধা।


এইসব টুল দিয়ে আপনি ইউটিউব ভিডিও, প্রমোশনাল ভয়েসওভার, শিক্ষা কনটেন্ট বা নিজের অডিওবুক নিজেই বানাতে পারবেন কোনো রেকর্ডিং সেটআপ ছাড়া!


#AIভয়েসটুল #FreeVoiceoverTool #BanglaVoiceAI #TextToSpeechBangla #YouTubeNarration #VoiceGeneratorBD #DigitalMarketingBangla #VoiceToolsFree #বাংলায়ভয়েসওভার #TechTipsBangla #batayontv #বাতায়নটিভি

গল্প - অদ্ভুত যুবক,,,, ভুতের বাড়ি ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #গল্প - অদ্ভুত যুবক


#লেখক - Mohammad ovi 


তখন আমরা ময়মনসিংহের ত্রিশালে থাকি। আমি তখনখুব ছোট। যেইদিনের ঘটনাসেদিন আমার আম্মু রান্না ঘরে মাছ ভাঁজছিলেন। এমন সময় খাকি প্যান্ট আর গেঞ্জিপড়া এক যুবক আসলো আমাদের কোয়ার্টারের বারান্দায়। আব্বু বাসায় ছিলেন।তিনি ভাবলেন হয়তো সাহায্য চাওয়ার জন্য এসেছে, কারন যুবকটি কোনো কথা বলছিল না। তখন আব্বু একটি ২ টাকার নোট বের করে ছেলেটিকে দিতে চাইলেন। কিন্তু সে তা নিলো না। তখন আব্বু আম্মুকে উদ্দেশ্য করে বললেন, “ছেলেটা তো টাকা নিচ্ছে না।” তখন আম্মু বললেন ৫ টাকা দেয়ার জন্য। তখন আব্বু ৫ টাকা বের করে বারান্দায় এলেন ছেলেটিকে দেয়ার জন্য। আম্মুও বেরিয়ে এলেন এই অদ্ভুত যুবকটিকে দেখার জন্য। কিন্তু এবারো সেই যুবক টাকা গ্রহন করলো না। বরং ইশারায় আব্বুকে বললেন টাকাটা তিনি যেনোআম্মুর হাতে দেন। আব্বুআম্মুর হাতে টাকাটা দিলেন। ছেলেটি এবার ইশারায় আম্মুকে বললেন তার টাকা ধরা হাতটি মুঠো করার জন্য। এই পর্যন্ত ছেলেটি একটি কথাও বলেনি। আম্মু কৌতূহল বশত হাতটি মুঠো করলেন। এবার সে দুই হাত মুঠো করে একটার পিছনে আরেকটি ঘসে দিল এবং আম্মুকে তাই করতে বলল। আম্মু মন্ত্রমুগ্ধের মত তাই করলেন। এবার ছেলেটি আম্মুকে ইশারা করলো যাতে আম্মু নিজের হাতের গন্ধ শুঁকেন। আম্মু হাত নাকের কাছে নিয়ে খুব আশ্চর্য হয়েগেলেন। উনার হাত দিয়ে আগর বাতির গন্ধ বের হচ্ছিল। কিন্তু তিনি একটু আগে যখন রান্না ঘর থেকে বের হন তখনো তার হাতে হলুদের গন্ধ ছিল। গন্ধ শোঁকার সাথে সাথে লোকটি চলে গেলো। আম্মু তাকে দাঁড়াতে বললেন। কিন্তু সে দাঁড়ালো না।আম্মু তড়িঘড়ি করে গেটের বাইরে গেলেন কিন্তু আসে পাশে কোথাও সেই লোকটিকে দেখতে পেলেন না। আমাদের কোয়ার্টারের সামনে বিশাল খোলা মাঠ ছিল। তাই কেউ যদি খুব দ্রুত হেঁটেও চলে যায় তবুও তাকে দেখা যাবে সে যত দূরেই থাকুক। এমন সময় এক রিকশাওয়ালা আম্মুর সামনে এসে থামল এবং তাকে ঐ লোকটির কথা জিজ্ঞেস করলো। আম্মু রিকশাওয়ালাকে পাল্টা প্রশ্ন করলেন যে সে ঐ লোকটিকে চেনে কিনা। রিকশাওয়ালা জানালো যে লোকটি তার রিকশাতে করেইএসেছিলো। টাকা চাইতে, কিছু ময়লা কাগজ একত্রেকরে ফুঁ দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল। এরপর তাকে দাঁড়াতে বলে এইদিকে আসে। রিকশাওয়ালা তাই টাকার জন্য লোকটিকে খুঁজে বেড়াচ্ছে।


(সমাপ্ত)

জীবন_চক্র,,,,,, palash bro ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 একজন পুরুষকে প্রতিদিন অসংখ্য 'অনিশ্চিত অবস্থা'র মোকাবিলা করতে হয়। দিনে অসংখ্য সিদ্ধান্ত নিতে হয়। মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।


বাসা থেকে বের হবার পর রিক্সার অপেক্ষা। না পেলে হাঁটতে হয়। রিক্সা পেলে ভাড়া নিয়ে কিছুক্ষণ ক্যাঁচাল করা লাগে। বাসে গেলে সিট পাবো নাকি পাবো না এই নিয়ে শঙ্কা। ভাড়া নিয়ে হেল্পারের সাথে তর্কাতর্কি। অনেক যাত্রী উঠানোর জন্য একটু পরপর ব্রেক করলে চিল্লাতে হয়।


অফিসে গেলে একটার পর একটা কাজ। কোনো কাজ কাউকে বুঝিয়ে দিতে হয়, কোনো কাজ নিজে করতে হয়। কাজ ঠিকমতো না হলে ফেরত পাঠাতে হয়, নিজের কাজ ভালো না হলে ঝাড়ি খেতে হয়।


যারা ব্যবসায়ী, তাদের তো প্রতিনিয়ত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। ঐ জিনিসের দাম বাড়বে? আগে থেকে কিনে রাখতে হবে? কাস্টমার বাকিতে চাচ্ছে, দিয়ে দেবো? ১৭২২ টাকা হয়েছে, ১৭০০ টাকা দিতে চাচ্ছে? কী বলবো? ডিলার আসছে, টাকা দিতে হবে। ক্যাশে তো এতো টাকা নেই।


চাকরি, ব্যবসা শেষে বাজারে যেতে হয়। মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে গেছে। মাছের বাজারেও বেহাল দশা। কী মাছ নেবো? বড়ো মাছ নাকি পুঁটি মাছ? আজ না কিনে কাল সকালে কিনলে হবে না?


একজন পুরুষ ঘর থেকে দরজার বাইরে পা দেবার সাথে সাথে প্রতিমুহূর্তে তাকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এইটা করবো নাকি ঐটা? এখন করবো নাকি পরে? প্রতিদিন অসংখ্য অনিশ্চিত ঘটনা থাকে।


রিক্সা পেতেও পারি, না-ও পারি

পাওনা টাকা ফেরত পেতেও পারি, না-ও পারি

মাছ কিনতে গেলে পছন্দ হতেও পারে, না-ও পারে

রাস্তায় একজনের সাথে ধাক্কা লাগছে, তার সাথে ঝগড়া করতেও পারি, না-ও পারি

একজন পুরুষ হিশেবে চিন্তা করুন, প্রতিনিয়ত আপনার ব্রেইনকে কতো শতো কমান্ড দিতে হচ্ছে। আপনি ঠান্ডা মস্তিষ্কের লোক। কিন্তু, আরেকজন এসে এমন কথা বললো, মেজাজটাই খারাপ করে দিলো।


একজন পুরুষকে অনেক বেশি এক্সটার্নাল ফ্যাক্টর ডিল করতে হয়। সে জানে না আজকে বসের মন ভালো নাকি খারাপ, রিক্সাওয়ালা/বাসের কন্ডাক্টার তার মেজাজ খারাপ করবে নাকি না।


দিনে ১০-১২ ঘণ্টা বাইরের এতোগুলো মানুষের সাথে কথাবার্তা বলে, এতোকিছু সামলে যখন সে ঘরে ফিরে, তখন কী আশা করে?


ঘরে গিয়ে অন্তত কিছুক্ষণ শান্তি পাবো। এইসময় অনিশ্চয়তা নেই।


বেশিরভাগ নারী এই জায়গায় পুরুষকে বুঝতে ভুল করে।

একজন পুরুষ পরিশ্রান্ত শরীর নিয়ে যখন বাসায় ফিরে, সে প্রত্যাশা করে তাকে কেউ স্বাগত জানাক।


এক গ্লাস শরবত, এক গ্লাস পানি সে নিজেই খেতে পারবে। কিন্তু, কেউ যদি তাকে এগিয়ে দেয়?


স্বামী বাসায় আসার পর কেন জানি নারীরা সংসারের কাজ নিয়ে অনেক ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তারা তখন তরকারি কাটা শুরু করে, রান্না বসায়, বাসাটা আরেকবার ঝাড়ু দেয়৷ বাজার ব্যাগ হাতে নিয়ে লিস্টের সাথে মিলিয়ে দেখে কী বাদ পড়েছে।


সারাদিন কাজ শেষে বাসায় ফেরা স্বামীকে প্রথম ১৫ মিনিট সময় দেয়া আমি মনে করি একজন স্ত্রীর ঐ সময়ের অন্যতম দায়িত্ব।


আপনি সারাদিন বাসায় অনেক কাজ করছেন। এটা অবশ্যই স্বীকার করতে হয়। কিন্তু, স্বামী ঘরে ঢুকার পর দৌড় দিয়ে রান্নাঘরে যাওয়াটা এই সময় ঠিক না।


পানি দেয়া, বলার আগেই লুঙ্গি/ট্রাউজার, টি-শার্ট দেয়া, কিছু খেয়ে আসছে নাকি খাবে জিজ্ঞেস করা, গোসল করতে চাইলে পানি গরম লাগবে কিনা (যাদের লাগে) জিজ্ঞেস করা -এগুলো একজন স্ত্রী যদি ঠিকমতো করতে পারে, পুরুষ এই ওয়েলকামেই সন্তুষ্ট।


তার মেজাজটা ঠান্ডা হলো। বাসাকে শান্তির জায়গা মনে হলো।


সারাদিন বাইরে কাজ করা একজন পুরুষ বাসায় আসার পর তাকে অন্তত ১ ঘণ্টা নিজের মতো থাকতে দিন। ময়লা ফেলতে হবে, বাজার লিস্টের দুই আইটেম বাদ পড়েছে, আগামীকাল বাসা ভাড়া দিতে হবে এগুলো ঐ ১ ঘণ্টা মনে করিয়ে দেবার কোনো দরকার নেই।


একজন নারী ঐ ১ ঘণ্টায় জানে না সারাদিন তার স্বামীর ওপর কী পরিমাণ ধকল গেছে, তার মুড কেমন আছে। আস্তে আস্তে স্বামী এগুলো বলবে আজ এই এই হয়েছে।


স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে আমি কখনোই প্রতিযোগিতামূলক সম্পর্ক মনে করি না। একজন কতো কাজ করলো, আরেকজন কম করলো এগুলো বিবেচ্য না। বরং একজন আরেকজনকে কীভাবে সম্মান করবে, কীভাবে তাকে মূল্যায়ন করবে এটা গুরুত্বপূর্ণ।

একজন গৃহিণী স্ত্রীকে যেমন সম্মান দিতে হবে, তার কাজকে মূল্যায়ন করতে হবে, তেমনি নারীকেও অবশ্যই স্বামীর কাজের মূল্যায়ন দিতে হবে।

লেখাগুলো বাস্তব বাদি, কেউ মনে কষ্ট নিবেন না প্লিজ।


ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন,

সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণে রাখুন।

#জীবন_চক্র

আমার ক্লাসফ্রেন্ড রাশেদ,,,,,,, GOLAM MASTAFA ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 হঠাৎ আমার এক ভালো বন্ধুর কথা মনে হলো।

তাই দাদুভাইয়ের দাদীকে নিয়ে তার শহরের বাসায়

মিষ্টি কিনে নিয়ে উপস্থিত হলাম। বাসার কাছে যেয়ে

তাকে কল দিলাম। আগে তার বাসায় যাইনি। এই ই

প্রথম। রাশেদ হাইস্কুল পার করার আগেই বাংলাদেশ 

বিমান বাহিনীতে চলে যায়। তারপর কত বছর পার

হলো তাকে এবং তার পরিবারের সাথে দেখতেই

খুলনা আমার বাসা থেকে ৮০ কিলোমিটার পথ পাড়ি

দিয়ে তার বাসায় প্রবেশ করলাম। রাশেদ, তার স্ত্রী,

তার ছেলেমেয়ের আদরে সত্যিই অভিভূত হলাম।


রাশেদ যখন ঢাকায় জব করে। আমি একদিন তার

কর্মস্তলে যাই।  ১৯৮৬ সাল। আমি তখন রাজশাহী 

 বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স পড়ি। আমি গেলে রাশেদ

কত যে খুশি হয়েছিলো তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

আমাকে আদরে আপ্যায়নে কমতি রাখে নাই। আমি

আসার সময় রাশেদ আমার হাতে ১০০ টাকা 

দিয়ছিলো।বলে রাখা ভালো তখন এই ২২০০০/ টাকার 

স্কেল ছিলো ৭৫০ টাকা। আর তখন আমার মাস্টার্সের 

ফর্ম ফিল আপ করতে লেগেছিলো ১২৫ টাকা । তাহলে একজন সাধারন সৈনিকের বেতন কত ছিলো একটু 

ভেবে দেখবেন। তার মানে তার বেতনের ৩ ভাগের ১

 ভাগ আমাকে সম্মানী দিয়েছিলো।  আমি টাকা নিতে

না চাইলে সে জোর করে আমার পকেটে দিয়ে দেয়।

সে কথা আজিও মনে করে আমি তার ভালোবাসার 

শ্রদ্ধা জানাই। 


রাশেদ খুব ভালো ছেলে।  নম্রতা ভদ্রতার 

এক অনন্য দৃষ্টান্ত রাশেদ। ছোটকাল থেকে সে ও

অভাবের সাথে যুদ্ধ করেছে। এখন সে ছেলেমেয়ে

বিয়ে দিয়ে শহরে বসবাস করছে। পরিবারে তেমন 

অভাব আর নেই। বেশ ভালো আছে। আসলে সৎ

থাকলে এবং সৎভাবে আয় করলে তার অভাব 

থাকলেও অনেক সুখে থাকতে পারে। 


আমি দেখেছি যারা সৎভাবে আয় করে এবং ব্যয়

করে তাদের আয় কম হলেও তারা চিরসুখী থাকে।

শরীর ভালো থাকে।  ছেলেমেয়ে ও ভালো থাকে।

আল্লাহর রহমত তাদের উপর বর্ষিত হয়। আর অসৎ

পথে উপার্জনের টাকা স্থায়ী থাকে না। এই জীবনে

বহু প্রমান আমার সামনেই দেখেছি।


অসৎ পথের আয়ের পরিবারের কথা জানলে 

সেই পরিবারের কথা সরাসরি না বলে শুধু বর্তমান 

অবস্থা জানাতে পারেন। মানুষ যদি একটুও এতে

ভালো হয়।তাহলে আমার আপনার দেশের লাভ।


রাশেদ ফ্লাটবাড়ি করে নাই। এখনো এই টিনের

চালের এবং টিনের বেড়ার ঘরে সুখে আছে শান্তিতে

আছে। আসুন আমরা অল্পে খুশী হই।

পুনরায় ঝিনাইদহ শহরের উপর দিয়ে রেল লাইন চালু করা হোক এটা এখন সবার প্রানের দাবিতে পরিনত হয়েছে…

 ঝিনাইদহ শহরের উপর দিয়ে রেলপথ ছিল। এখানে রেলের সম্পদ যেহেতু আছে, ঝিনাইদহবাসির রেলপথের দাবী থাকাটাই স্বাভাবিক।


ঝিনাইদহ শহরে রেল পথ কিভাবে বন্ধ করে দেওয়া :

ঝিনাইদহ শহরে অতীতে রেলপথ ছিল এবং সেই রেল পথ কিভাবে বন্ধ করে দেওয়া হলো।

হয়ত এ ইতিহাস আপনারা অনেকেই জানেন না।

ভারত উপমহাদেশে প্রথম রেলপথ চালুর পর ১৮৮৪ সালে খুলনা ও যশোরের সাথে কলকাতার রেলপথ সংযুক্ত হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ১৯১৪ সালে যশোর হতে ঝিনাইদহ পর্যন্ত ৪৫ কি.মি দীর্ঘ ব্রডগেজ রেললাইন নির্মিত হয়।

ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় ঝিনাইদের বর্তমান কেন্দ্রীয় কবরস্থানের উত্তর পাশে ঝিনাইদহ রেল স্টেশন ছিল। পূর্বে এখানে মেথরপট্টি ছিল। বর্তমানে তদস্থলে গড়ে উঠেছে নতুন পৌর মার্কেট।

সেই রেল স্টেশনের কোনো চিহৃ এখন আর নেই। তখন প্রতিদিন ৪ বার করে রেল আসা-যাওয়া করত ঝিনাইদহ থেকে যশোরে। Jessore, Jhenidah ইংরেজি শব্দের প্রথম অক্ষর 'J ' দিয়ে, সেজন্য এ রেলপথের নাম দেওয়া হয়েছিল জে.জে. রেল লাইন।

যশোর-ঝিনাইদহ (৪৫ কিমি.) রাস্তার মধ্যে প্রসন্ননগর, কালীগঞ্জ, বারোবাজার ও চুড়ামনকাঠিতে রেলস্টেশন ছিল।

মি. হ্যারল্ড জি ম্যাকলিউড সাহেবের তত্বাবধানে এ সময় চিনি শিল্প গড়ে উঠে কোঁটচাদপুরে। এতে কোঁটচাদপুর পর্যন্ত ৮ মাইল দীর্ঘ রেল লাইন সম্প্রসারিত করা হয়।

ঝিনাইদহ হতে যশোর পর্যন্ত রেলগাড়ির ভাড়া ছিল প্রতিমাইল ১ পয়সা করে।

ঝিনাইদহ-যশোর, ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ-মাগুরা রোড দিয়ে বাস চলাচল শুরু হয় ১৯৩৫/৩৬ সালের দিকে। তুলসীরাম নামে একজন মাড়োয়ারি ও কালীগঞ্জের কয়েকজন মিলে একটি বাস সিন্ডিকেট কোম্পানি গঠন করেন এবং যশোর-ঝিনাইদহ বাস লাইন চালু করেন কাঁচা রাস্তা দিয়ে। এই বাস লাইন ছিল রেলপথের একদম পাশে।

রেলের সাথে প্রতিযোগীতা করে রেলের চেয়ে মাইল প্রতি বাস ভাড়া কম নিতে শুরু করে বাস মালিকরা।

অতিরিক্ত সুযোগ হিসাবে, বাসে চড়লে নাস্তা দেয়া হতো যাত্রীদের এবং কখনো কখনো দেয়া হত উপহার সামগ্রী। মানুষ যশোর যাওয়ার জন্য রেলগাড়িতে না উঠে বাসে উঠতে শুরু করে অধিক পরিমানে। ফলে রেল কোম্পানি পরিবহন প্রতিযোগীতায় পিছিয়ে পড়তে থাকে। এ সময়ে ঝিনাইদহের পাল কোম্পানি ও যশোরের কুরি কোম্পানি বেশ কতকগুলো বাস ক্রয় করে রাস্তায় নামিয়ে দেয় যাত্রী পরিবহনের জন্য। ফলে রেল উঠে যেতে বাধ্য হয়।

রেল লাইন উঠে যাওয়া আর একটি কারণ হচ্ছে, বাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রেল কখনো বাসের আগে যেতে পারত না গন্তব্যস্থলে। রেলগাড়ি বাসের থেকে ধীর গতিতে চলতো। পথিমধ্যে হাত উঁচু করলে রেলও দাঁড়াত, বাসও দাঁড়াত যাত্রী উঠানোর জন্য। রেলের থেকে বাসের গতি বেশি থাকায় স্বল্প সময়ে যাত্রীরা গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে পারতো, তাছাড়া বাস ভাড়াও ছিল রেলের ভাড়া অপেক্ষা কম। এভাবে যশোর-ঝিনাইদহ রেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

১৯৩৬ সালে যশোর-ঝিনাইদহ সড়ক পাকা করার সময় রেললাইন উঠিয়ে ফেলা হয়। ২০২২ সাল হিসাবে আজ থেকে ১০৯ বছর আগে ঝিনাইদহ শহরের উপর দিয়ে রেলপথ ছিল। এখানে রেলের সম্পদ যেহেতু আছে, ঝিনাইদহবাসির রেলপথের দাবী থাকাটাই স্বাভাবিক। শুধু দাবীই নয়, এটা ঝিনাইদহবাসির অধিকার।


* পুনরায় ঝিনাইদহ শহরের উপর দিয়ে রেল লাইন চালু করা হোক এটা এখন সবার প্রানের দাবিতে পরিনত হয়েছে…?


তথ্য সূত্রে : ইন্টারনেট।

কেশবপুরের রক্তাক্ত শিমুলতলা,,, bhoutik duneya ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 **কেশবপুরের রক্তাক্ত শিমুলতলা**


আজ থেকে প্রায় বিশ বছর আগে, কেশবপুর নামে এক গ্রামে রাত নামলেই মৃত্যুর কালো ছায়া নেমে আসত। সন্ধ্যার পর থেকে গ্রামের পথঘাট নিস্তব্ধ হয়ে যেত। দরজা-জানালা বন্ধ করে লোকজন ঘরে আটকে থাকত। কারণ, রাতের অন্ধকারে এক অজানা ভয়ঙ্কর শক্তি প্রাণ নিয়ে ছিনিমিনি খেলত। প্রতি রাতে দুই-তিনটে অপমৃত্যুর ঘটনা ঘটত, আর সেগুলো এতই ভয়াবহ ছিল যে গ্রামের মানুষের হৃৎপিণ্ড কেঁপে উঠত।


কারও ঘাড় মটকে দেওয়া হতো, কারও বুক ফুঁড়ে হৃৎপিণ্ড ছিঁড়ে ফেলা হতো। কোনো লাশের চোখ উপড়ে ফেলা হতো, কারও চোখই থাকত না—যেন কেউ গুঁড়িয়ে নিয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে আতঙ্কজনক ছিল, লাশগুলো সব একই জায়গায় পাওয়া যেত—গ্রামের প্রাচীন শিমুল গাছের তলায়, যার বিশাল ছায়া দিনের বেলাতেও মানুষের মনে অস্বস্তি জাগাত। শিমুলতলার মাটি যেন রক্তে ভেজা, আর গাছের ডালে অদ্ভুত একটা ঠান্ডা হাওয়া বইত, যা শিরদাঁড়া কাঁপিয়ে দিত।


গ্রামের মানুষ ভয়ে কথা বলত ফিসফিস করে। কেউ বলত, এটা কোনো শয়তানের কাজ। কেউ বলত, শিমুল গাছের তলায় পোঁতা আছে অভিশপ্ত কোনো আত্মা। কিন্তু কেউই সত্যিটা জানার সাহস করেনি। প্রতি রাতে মৃত্যুর এই খেলা চলতেই থাকল। গ্রামের বুড়োরা বলত, “শিমুলতলায় যাস না, ওখানে মানুষের রূপে অমানুষ ঘোরে।”


এই আতঙ্কের মাঝে গ্রামের পাঁচ যুবক—রহিম, কাশেম, সেলিম, আজিজ আর ফরিদ—ঠিক করল, তারা এই রহস্যের জাল ছিঁড়বে। তাদের বুক ভরা যৌবনের জোয়ার আর মনে অদম্য কৌতূহল। তারা জানত, মুরুব্বীরা এই পরিকল্পনায় রাজি হবেন না। তাই গোপনে, এক পূর্ণিমার রাতে, তারা শিমুল গাছের মগডালে আশ্রয় নিল। হাতে লাঠি, মুখে দুঃসাহস, আর মনে এক অজানা ভয়। তারা ঠিক করল, রাতভর পাহারা দেবে, দেখবে কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে।


চাঁদের আলোয় শিমুল গাছের ছায়া মাটিতে দানবের মতো লম্বা হয়ে পড়েছিল। গ্রাম নিঝুম, কেবল ঝিঁঝিঁর ডাক আর দূরের কুকুরের কান্না ভেসে আসছিল। পাঁচ যুবক গাছের ডালে বসে অপেক্ষা করছিল, চোখে ঘুম নেই, কান খাড়া। মাঝে মাঝে হাওয়ায় শিমুল গাছের পাতা নড়ে উঠত, আর তাদের বুক ধড়ফড় করত।


রাত গভীর হলো। হঠাৎ, দূর থেকে একটা অদ্ভুত শব্দ ভেসে এলো—যেন কেউ পা টেনে টেনে হাঁটছে। শব্দটা ক্রমশ কাছে এলো। পাঁচ জোড়া চোখ শিমুলতলার দিকে স্থির। তখনই তারা দেখল—একটা কালো, বিশাল আকৃতি। প্রায় বারো ফুট লম্বা, শরীরে কালো লোমের জঙ্গল। মুখটা হায়েনার মতো, দাঁতগুলো চাঁদের আলোয় ঝকঝক করছে। হাতে তার একটি লাশ, রক্তে ভেজা, মুখ ফ্যাকাশে।


দানবটা শিমুলতলায় এসে লাশটা মাটিতে ফেলল। তারপর সে লাশের ঘাড়ে মুখ গুঁজে দিল। দাঁতগুলো মাংস ছিঁড়ে রক্ত চুষতে শুরু করল। রক্তের গন্ধে শিমুলতলা ভারী হয়ে উঠল। পাঁচ যুবকের শ্বাস আটকে গেল। ভয়ে তাদের হাত-পা ঠান্ডা। সেলিমের হাত থেকে লাঠি পড়ে গেল, আর সেই শব্দে দানবটা মুখ তুলল। তার চোখ দুটো লাল, জ্বলন্ত কয়লার মতো। সে এক পলক গাছের দিকে তাকাল, আর তারপর—চোখের পলকে উধাও!


ফরিদ ভয়ে চিৎকার করে উঠল। তার চিৎকারে গ্রামের কুকুরগুলো ডেকে উঠল। পাঁচ জন তড়িঘড়ি গাছ থেকে নেমে দৌড়ে বাড়ির দিকে ছুটল। তাদের মুখ ফ্যাকাশে, শরীর কাঁপছে। পরদিন সকালে তারা গ্রামের মানুষকে সব খুলে বলল। কিন্তু কেউ বিশ্বাস করল না। কেউ বলল, “ওরা পাগল হয়ে গেছে।” কেউ বলল, “শিমুলতলার ভূত ওদের মাথা খেয়েছে।”


কিন্তু এর সাত দিনের মাথায় ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটতে শুরু করল। রহিম এক রাতে পুকুরে ডুবে মারা গেল, অথচ সে সাঁতার জানত। কাশেমের বুকে অদ্ভুত কালো দাগ দেখা গেল, আর তিন দিনের মাথায় সে কালাজ্বরে মারা গেল। সেলিম এক রাতে বাড়ি ফেরার পথে গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে মাথা ফেটে মরল। আজিজের শরীরে রক্ত শুকিয়ে গেল, যেন কেউ তার প্রাণ চুষে নিয়েছে। আর ফরিদ? সে এক রাতে উঠোনে দাঁড়িয়ে চিৎকার করতে করতে মারা গেল, তার চোখ দুটো খোলা, যেন কিছু দেখে ভয়ে পাথর হয়ে গেছে।


গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল। লোকজন বলতে লাগল, “শিমুলতলার দানব ওদের শাপ দিয়েছে।” এই সময় গ্রামে এলেন এক হুজুর, যিনি অলৌকিক শক্তির জন্য বিখ্যাত ছিলেন। তিনি শিমুল গাছের তলায় দাঁড়িয়ে কিছু মন্ত্র পড়লেন। তারপর গ্রামের চার কোণায় আটটি তাবিজ আর শিমুল গাছের গোড়ায় একটি কবচ পুঁতলেন। পুঁততে পুঁততে তিনি বললেন, “এই অশুভ শক্তি এখন বন্দী। কিন্তু শিমুল গাছের ছায়ায় কেউ যেন না যায়।”


সেই থেকে কেশবপুরে আর কোনো অপমৃত্যু ঘটেনি। শিমুল গাছটা এখনো দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু তার তলায় কেউ যায় না। গ্রামের বুড়োরা বলে, রাতের বেলা শিমুলতলায় এখনো অদ্ভুত শব্দ শোনা যায়—যেন কেউ রক্তের জন্য হাহাকার করছে। আর পূর্ণিমার রাতে, শিমুল গাছের ছায়ায় একটা কালো আকৃতি নাকি এখনো ঘোরে, তার লাল চোখ জ্বলে ওঠে, আর মুখে থাকে রক্তের দাগ।


কেশবপুরেররহস্য

শিমুলতলারদানব

ভৌতিকগল্প

গ্রামবাংলারআতঙ্ক

রক্তাক্তশিমুলগাছ

থ্রিলারগল্প

ভয়েররাত

অলৌকিকঘটনা

বাংলারভূতেরগল্প

সাসপেন্সওআতঙ্ক

পূর্ণিমাররহস্য

কালোছায়ারখুনি

গ্রামেরগোপনরহস্য

শিমুলতলারশাপ

ভয়ঙ্করঅভিজ্ঞতা

শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৫

গার্মেন্টস কোয়ালিটি কন্ট্রোল ইন্টারভিউ প্রস্তুতি গাইড

 গার্মেন্টস কোয়ালিটি কন্ট্রোল ইন্টারভিউ প্রস্তুতি গাইড

(প্রশ্ন-উত্তর সহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য)


বর্তমানে গার্মেন্টস শিল্পে একটি দক্ষ ও পেশাদার কোয়ালিটি কন্ট্রোলার হিসেবে চাকরি পেতে হলে শুধু অভিজ্ঞতা নয়, তাত্ত্বিক জ্ঞানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর তুলে ধরা হলো যা কোয়ালিটি কন্ট্রোল/ইন্সপেকশন বিভাগের ইন্টারভিউতে প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয়।


---


মূল শব্দ ও সংজ্ঞা:


QI (Quality Inspector): গুণগত মান যাচাইকারী ব্যক্তি।


AQL (Acceptable Quality Level): গ্রহণযোগ্য গুণগত মানের মাত্রা।


DTM (Dye To Match): রঙের সাথে মিলিয়ে রঙ প্রয়োগ।


HPS (High Point Shoulder): গার্মেন্টস মাপের রেফারেন্স পয়েন্ট।


SPI (Stitch Per Inch): প্রতি ইঞ্চিতে সেলাইয়ের সংখ্যা।


CB (Centre Back): পেছনের কেন্দ্রীয় সেলাই লাইন।


LPS (Low Point Shoulder): কাঁধের নিম্ন বিন্দু।


GTM (Garments Total Management): গার্মেন্টস ব্যবস্থাপনার পূর্ণাঙ্গ পদ্ধতি।


---


ডিফেক্ট ও কোয়ালিটি বিষয়ক প্রশ্ন:


ডিফেক্ট এর ধরন: Major, Minor, Critical।


Fabric Defects: Hole, Slub, Run, Contamination ইত্যাদি।


Iron Defects: Crease Mark, Shining Mark ইত্যাদি।


Shade: একই ফেব্রিকে রঙের পার্থক্য।


Blue Card: টেকনিক্যাল সমস্যা নির্দেশ করে।


Black Card: মেশিন সংক্রান্ত সমস্যা নির্দেশ করে।


---


জরুরি পরিমাপ সম্পর্কিত তথ্য:


1 ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার।


1 মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার / ৩৯.৩৭ ইঞ্চি।


Measuring Tape Composition: 150 সেমি, 60 ইঞ্চি, 5 ফুট।


---


কার্যক্রম ভিত্তিক শব্দ:


Mockup: কাজের নমুনা বুঝতে ব্যবহৃত নমুনা।


Trim Card: উপাদানের অ্যাপ্রুভাল কার্ড।


Marker: কাটিং নির্দেশনার জন্য ব্যবহৃত প্যাটার্ন।


Fusing: কাপড়ে স্টিফনেস দেওয়ার প্রসেস।


---


বিশেষ শব্দের পূর্ণরূপ:


GSM: Gram per Square Meter


PPM: Pre-Production Meeting


RFT: Right First Time


DHU: Defects per Hundred Units


KPI: Key Performance Indicator


SRM: Supplier Relationship Management


QMS: Quality Management System


RQS: Requirement for Quality System


SPI: Stitch Per Inch


---


সেলাই ও থ্রেড সম্পর্কিত তথ্য:


Stitch প্রকার: Chain Stitch, Lock Stitch।


Thread প্রকার: Cotton, Polyester, Silicon, Nylon।


Contrast: ফেব্রিক ও সুতার রঙের ভিন্নতা।


Seam Allowance: সেলাইয়ের জন্য বাড়তি কাপড়।


---


এই তথ্যসমূহ গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির কোয়ালিটি বিভাগে সফলভাবে চাকরি পেতে সাহায্য করবে।

আপনার সহকর্মী বা আগ্রহীদের সাথে পোস্টটি শেয়ার করুন, যাতে সবার উপকার হয়।

বউয়ের প্রকারভেদ:

 এর আগে দিয়েছিলাম স্বামীর প্রকারভেদ। অনেকেই বলেছিলেন, বউয়েরটা কোথায়? তাই এবারে খুঁজে বের করেছি বউয়ের প্রকারভেদ:


১. লক্ষ্মী বউ: আবহমান বাংলার চিরায়ত আদর্শ ব‌উ আমাদের লক্ষ্মী বউ। এই বউ সুকুমার রায়ের ছড়ার সাপের মতোই: “করে নাকো ফোঁস ফাঁস, মারে নাকো ঢুঁশ ঢাঁশ, নেই কোনো উৎপাত, খায় শুধু দুধ ভাত!” লক্ষ্মী বউ অল্পতেই খুশি। জামাইয়ের কাছ থেকে তার কোনো বাড়তি ডিমান্ড নেই। সারাদিন বাসার টুকটাক কাজ করবে, ড্রয়িংরুম বেডরুম বারবার গোছাবে, গেস্ট আসলে হাসিমুখে তাদের আপ্যায়ন করবে, কাজের লোককে দিয়ে না করিয়ে অনেক কাজ নিজেই করে ফেলবে, রান্নাঘরে তার দক্ষতার ছাপ রাখবে এবং পরিশেষে স্বামীকে ব্যাপক ভালোবাসবে। লক্ষ্মী বউ দুর্লভ প্রজাতির, এদের দেখা আজকাল শুধু পুরনো বাংলা ছবি বা নাটকেই পাওয়া যায়। 


২. রাগী বা মেজাজী বউ: খ্যাঁচখ্যাঁচ, খিটপিট, কটমট শব্দগুলো এই বউয়ের জন্যই তৈরি হয়েছিল। সকালে উঠেই কাজের মহিলার সাথে খ্যাঁচখ্যাঁচ, এরপর বাচ্চাকে নিয়ে স্কুলে যেতে যেতে রিকশাওয়ালার সাথে এক প্রস্থ, স্কুল থেকে ফিরে আসার সময় হালকা বাজার সদাই করতে গিয়ে দোকানদারকেও একচোট। বাসায় ঢুকে বাচ্চাদের পড়াতে বসে তাদের ওপর দিয়েও সিডর বওয়াবেন রাগী বউ। দিনের শেষ ডোজটা বরাদ্দ জামাইয়ের জন্য, বাসায় ঢোকামাত্রই:


“কারেন্টের বিল দেয়া হয় না কয় মাস হুঁশ আছে?”


“সারাদিনতো বাসায় থাক না, আমার ওপর দিয়ে কি যায় বোঝো?”


“তোমার মা! উফফ্! অসহ্য একটা মহিলা!!”


“তাহলে আগে বলে দিলেই পারতে! ১৪ বছর সংসার করতে গেলে কেন?”


"তোমার ১৪ গুষ্টির ভাগ্য, আমার মতো বউ পেয়েছ!"


এদের স্বামীদের বউয়ের গঞ্জনা শুনতে শুনতে তাকে কিছু বলার ক্ষমতা কমতে কমতে একটা সময় চলেই যায়। খুবই অসহায় এদের জীবন।


৩. হস্তিনী বউ: হস্তিনী বউয়ের হাতি হয়ে ওঠার পেছনে তার স্বাস্থ্যের কোনো সম্পর্ক নেই। এই বউ ঘরে রাখা অনেকটা হাতি পালার মতো। মাসের শুরুতেই সে জামাইয়ের মানিব্যাগটিতে অধিকার স্থাপন করে তা অধিগ্রহণ করবে। খরচের ব্যাপারে সে হিসেবের ধার ধারবে না। মাসের মধ্যে ১৪ বার শপিংয়ে গিয়ে তার ক্ষান্তি নেই। হাতি যেমন গ্রামে হানা দিয়ে বনের ভেতরে শস্য নিয়ে যায়, তেমনি হস্তিনী বউ স্বামীর সংসারের টাকা সুন্দরভাবে বাবার সংসারে মানি লন্ডারিং করে দেবে।  


৪. সুন্দরী বউ: এই বউ সুন্দরী এবং এটাই তার সমস্যা। সুন্দরী বউ যদি বিনয়ী হয় তবেও সমস্যা, আর দেমাগী হলে তো কথাই নেই। সুন্দরী বউয়ের রূপের দেমাগ থাকলে পুরো শ্বশুরবাড়ি, বিশেষত ননদ ও জাকুলের সাথে ঠান্ডা যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। আর যদি রূপ নিয়ে কোন গর্ব না-ও থাকে, তবুও অকারণে অনেক কথাই শুনতে হয়। পান থেকে চুন খসলেই রূপের কথা তুলে খোঁটা দেয়া হয়:


“হুঁ, সুন্দর বউ ঘরে নিয়ে আসছে। তাকে তো আবার কিছু বলা যাবে না!"


“বউ সুন্দর হলেই হয় না শুধু, সাথে সংসারের কাজকামও কিছু করতে হয়।"


“সারাজীবন কি রূপচর্চা করেই কাটবে?”


“রূপ ধুয়ে কি জল খাবে?” (স্বামীর উদ্দেশ্যে শ্বশুরবাড়ির লোকজন) 


৫. চিরযৌবনা বউ: তার বয়স হয়েছে, কিন্তু সৌন্দর্য্যে লেশমাত্র ছাপ পড়েনি। অন্যান্য মহিলারা যেখানে ফুলেফেঁপে উঠছেন, চামড়ায় ভাঁজ পড়ছে, সেখানে চিরযৌবনা বউ দিন দিন শুকাচ্ছেন, আরও সুন্দর হচ্ছেন! জামাইকে নিয়ে কোনো পার্টিতে গেলে লোকে তাদের দেখে বাবা মেয়ে ভাবছে – এমন ঘটনাও ঘটতে দেখা যায়। চিরযৌবনা বউয়ের পরকীয়ার ব্যাপারে জামাইরা সাধু সাবধান!


৬. সন্দেহবাজ বউ: এই বউ শুধু জামাইকে সন্দেহ করে। সে কোথায় যায়, কি করে, কি খায়, কাদের সাথে ওঠাবসা করে সব খবর তার চাই। ৫ মিনিটের জন্য ফোন বিজি পেলেই তার কড়া জিজ্ঞাসা, “কার সাথে কথা বলছিলে?” ফোন দিয়ে সর্বদা স্বামীর খোঁজ খবর নিতে ভালোবাসেন। শার্টের কলারে চুল আর লিপস্টিকের দাগ খোঁজা তার রোজকার অভ্যাস। নিষ্পাপ স্বামীদের এমন বউরা প্রতিবাদী করে তোলেন। স্বামীরা ভাবেন – কিছু না করেই যখন এত কিছু শুনছি, তার চেয়ে ভালো কিছু করে তবে শুনি।  


৭. বৌ-মা: এই বউ 'বউ' কম, মা বেশি। সব সময় স্বামীর ওপর একটা গার্জিয়ানগিরি ফলানোর চেষ্ট‍া সে করবে। সারাক্ষণ এটা খাবে না, ওটা ধরবে না, বেশি বুঝো না তো – এসব বলবে এবং স্বামীকে সার্বক্ষণিক শাসনের ভেতরে রাখবে।  


৮. নিঃসঙ্গ বউ: এই বউয়ের স্বামী বিয়ে করে তাকে গ্রামের বাড়ি রেখে গেছে বা দেশের বাইরে গেছেন। নিঃসঙ্গ বউয়ের জীবন খুব কষ্টের। স্বামী কবে ফিরবেন – দিন গোনা যেন শেষ হয় না তার! দিনের মধ্যে অসংখ্যবার ক্যালেন্ডার দেখে! জামাইয়ের সাথে কথা বলতে যোগাযোগের কোনো মাধ্যমই বাদ দেন না। অনেক ক্ষেত্রে এমন বউরা প্রতারণার শিকার হন, যখন জামাই শহরে ও বিদেশে আরেকটি বিয়ে করে। অনেকে আবার স্বামীর অপেক্ষা সহ্য করতে না পেরে নিজেই পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে যান।


৯. আত্মকেন্দ্রিক বউ: নিজেকে নিয়েই পুরোটা সময় ব্যস্ত থাকেন আত্মকেন্দ্রিক বউ। বাসার রান্নাবান্নার পুরো দায়িত্বটা কাজের মেয়েকে বুঝিয়ে দিয়েছেন, আর ছেলেমেয়ের পড়াশোনা কোচিং সেন্টারকে। অবসর সময়টা কাজে লাগান টিভিতে সিরিয়াল দেখে আর রূপচর্চা করে। যৌথ পরিবারের ক্ষেত্রে বাড়ির অন্য বউদের মতো সংসারের কোনো কাজে কর্মে তার কোনো অংশগ্রহণ থাকে না। এর জন্য যে লোকে তাকে খারাপ ভাবছে তাতেও তার কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এমন বউরা খুব বেশিমাত্রায় বহির্মুখী হন।  


১০. হাই স্ট্যাটাস বউ: এই বউ জামাইকে পদে পদে ও হাড়ে হাড়ে বুঝিয়ে দেবে সে কোন ফ্যামিলির মেয়ে, সেখানে কি কি হতো, যা তার (স্বামীর) সংসারে হয় না। এই বউ সব সময় জামাইকে বলবে, বাটার ছাড়া কোনো দিন সে সকালে নাস্তা করে নাই, বিয়ের পর সে (স্বামী) যে চাকরিটা পেয়েছেন সেটাও তার বাবার কল্যাণে, ঘরের আসবাবপত্র সবই তার বাপের বাড়ি থেকে আসা ইত্যাদি ইত্যাদি।


১১. হতাশাগ্রস্থ বউ: এই বউয়ের আফসোস আর দুঃখের সীমা নেই। স্বামীর সংসারে এসে সে কিছুই পায়নি। কত শখ ছিলো বিয়ের পর সুইজারল্যান্ড যাবে, প্রতি মাসে একট নতুন শাড়ি হবে, নিজের একটা ফ্ল্যাট হবে, ছেলেমেয়েরা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়বে, আরো কত কি! উঠতে বসতে স্বামী বেচারাকে সেইসব হতাশামাখা বাণী শুনতে হয়। 


১২. হিংসুটে বউ: হিংসুটে বউয়ের সবকিছুতেই হিংসে, সবার সাথেই হিংসে। এই বউকে তার জামাই আর্থিক বা মানসিকভাবে কোনকালেও সুখী করতে পারবে না। আর বউয়ের নজর শুধু কার বউ ৭০ হাজার টাকা দিয়ে শাড়ি কিনলো, জা ননদরা কে কি করল! সারাদিন শুধু এইসব নিয়েই আলোচনা আর ফিসফাস। 


১৩. প্যাঁচালো বউ: এই বউ সংসারে অশান্তি বয়ে আনেন – তার কথাবার্তা, আচার আচরণ, কূটচাল আর কুটনামির স্বভাব দিয়ে। স্বামীর কানে শ্বাশুড়ির নামে বদনাম করেন আর শ্বাশুড়ির সামনে ছেলের। ‘এর কথা ওকে’ আর ‘ওর কথা একে’ বলে বেড়ানো তার স্বভাব। কথা ছড়ানোর সময় দু চার পরত রং মাখাতেও ছাড়েন না প্যাঁচালো বউ।


১৪. পানসে বউ: কোনো কিছুর প্রতিই এই বউয়ের বিশেষ কোন আগ্রহ দেখা যায় না। স্বামী অনেক শখ করে তার জন্য কিছু একটা করলে বা উপহার দিলেও “হ্যাঁ, সুন্দর” ব্যাস এটুকু বলেই শেষ। এই সামগ্রিক আগ্রহের ‍অভাবে শুধু স্বামী নয়, সন্তানদের সাথেও পানসে বউয়ের একটা দূরত্ব সৃষ্টি হয়। তাকে কেউ ঘাঁটায় না, সেও কাউকে ঘাঁটায় না। 


১৫. বাপের বাড়ি প্রিয় বউ: বছরের মধ্যে ১০ মাসই এই বউ বাপের বাড়ি থাকেন! কদাচিৎ শ্বশুড়বাড়িতে গিয়ে তাদের কুশলাদি জেনে আসেন। বউয়ের কারণে জামাইকেও অনেকটা সময় শ্বশুরবাড়িতে কাটাতে হয়। সাধারণত নিজের মা বাবার পরামর্শেই তিনি এমনটা করেন।


১৬. ঘরজামাইয়ের বউ: ঘরজামাই যেমন দুর্বলচিত্তের, তার স্ত্রী ঠিক ততোটাই শক্ত ও কড়া মানসিকতার। ঘরের বাজার সদাই থেকে শুরু করে বাচ্চাকে স্কুলে আনা নেওয়া সবই তিনি ঘরজামাইকে দিয়ে করান। আর মুহূর্তে মুহূর্তে মনে করিয়ে দিতে ভোলেন না – এই বাড়িটা কার বাবার!  


১৭. সেলিব্রিটির বউ: সেলিব্রিটিদের বউ দু ধরনের হন। যদি বউ নিজেও সেলিব্রিটি হন, তবে স্বামীর সার্বক্ষণিক নারীসঙ্গ তাকে তেমন একটা প্রভাবিত করে না। কারণ তিনি নিজেও পুরুষসঙ্গে আসক্ত হয়ে পড়েন। কিন্তু বউ যদি সাধারণ হন, তবে এগুলো সহ্য করা খুব কষ্টের হয়ে যায়। স্বামীর বেপরোয়া জীবন নিয়ে কিছু বলার ক্ষমতা কমতে কমতে একটা সময় চলেই যায়।


১৮. কর্মজীবী বউ: কর্মসূত্রে অনেকটা সময়ই বাসার বাইরে থাকতে হয় কর্মজীবী বউকে। আর তাই বাচ্চার দেখভাল সহ সাংসারিক নানা কাজে খুব কমই সময় দিতে পারেন। অধিকাংশ পরিবারেই বিষয়টিকে অত্যন্ত নেগেটিভভাবে নেয়া হয়। স্বামীর সমস্যা না থাকলেও সমস্যা থাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে। সেই চাপে অনেক সময় কর্মজীবী বউদের চাকরী ছেড়ে সংসারমুখী হতে হয়। আর শক্ত মানসিকতার অনেকে দীর্ঘদিন লড়াই চালিয়ে হয় জয়ী হন, নতুবা শেষ পন্থা হিসেবে সেপারেশনে চলে যান। 


১৯. তিড়িং বিড়িং বউ: এই বউ সবকিছুতেই খুব উৎফুল্ল গোছের। বিয়ের পরে সমাজ যে ধরনের গাম্ভীর্য আশা করে তার অনেক কিছুই এর মধ্যে অনুপস্থিত। সাধারণত কমবয়সী মেয়েরা বউ হয়ে ঘরে এসে তাদের বয়সী কোনো দেবর/ননদ পেলে এমনটা হয়ে থাকে। সাংসারিক রীতি রেওয়াজ বজায় রেখেই চলে বন্ধুসুলভ সম্পর্ক। এমন বউরা বেশ খোলা মন এবং বিস্তৃত চিন্তার অধিকারী হয়ে থাকেন।  


২০. ভাবী বউ: এই বউ প্রচলিত ‘ভাবী কালচার’ এর মধ্যে বসবাস করেন। বাচ্চার স্কুল বা কোচিং হোক, ‍পাশের বাসার গৃহিণী হোক কিংবা হোক না কোনো বিয়ের অনুষ্ঠান – ভাবী কালচার চলছে চলবে! কোন ভাবীর জামাই কত হাজার টাকার শাড়ি কিনে দিল, কোন ভাবীর বাচ্চা কয়টা কোচিং করে, কোন সিরিয়ালে কোন নায়ক নায়িকা হাত ধরে কি বলেছে, কার শ্বাশুড়ির আচরণে কি সমস্যা, কার বুয়া কার হাত ধরে ভেগেছে – আলোচনার কি আর শেষ আছে? 


২১. কাঁঠালের আঠা/এঁটেল বউ: স্বামী তাকে নির্যাতন করে, মারধর করে, শারীরিক/মানসিক হেন কোনো যন্ত্রণা নেই যা শ্বশুরবাড়ির লোকজন দেয়নি – তবু সন্তানের জন্য বা লোকলজ্জার ভয়ে সংসার ধরে রেখেছেন বা রাখছেন এই বউ। অত্যাচার সইতে না পেরে শতবার বাপের বাড়ি গিয়েছেন, আবার ফিরেছেন। লক্ষ্মী বউয়ের মতই ইনিও এক অর্থে আবহমান বাংলার চিরাচরিত বউ।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...