এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫

অভিশপ্ত__পরী

 গল্প #অভিশপ্ত__পরী 

পর্ব __০২

#লেখক__মোঃ__নিশাদ 


 অভিশপ্ত পরী গল্প প্রথম পর্ব যাঁরা পড়েননি পড়ে নিবেন। আমার এই ভূতের গল্প লেখক আইডিতে আছে৷ 


এদিকে পরী আমার সাথে সাথে হাঁটতে থাকে। 

পরী আমার সাথে আসায় আমি একটু সাহস ফিরে পাই। আমি সাহস করে পরীকে বলি। 


 আপনাকে একটা কথা বলি৷ আমি বাবার কাছ থেকে শুনেছি, এই কবরস্থানে যে থাকে সে নাকি অনেক ভয়ং*কর। গ্রামের অনেকেই নাকি ওখানে থাকা পরীকে দেখে ভয় পেয়েছে, কেউবা ভয়ে অসুস্থ হয়ে মা*রা গেছে। আপনি আবার সেই পরী নন তো। 


আমার কথায় পরীটা আমার দিকে তাকিয়ে বললো। 

আমাকে দেখে কি সেই পরী বলে মনে হয়। আমি যদি খারাপি হতাম তাহলে কি তোমার সাথে এভাবে কথা বলতাম তোমার ক্ষতি না করে। 


পরীর কথায় আমি বললাম সেটা ঠিক বলছেন, আপনাকে দেখে তো ওরকম মনে হচ্ছেনা। 


আমার কথায় পরী বলে, ঠিক আছে তোমার বাড়ি চলে আসছে, তুমি এখন বাড়িতে যাও। তোমার সাথে অন্য কোন দিন অন্য কোন সময় দেখা ও কথা হবে। 

আমি চলে যাচ্ছি। যাবার আগে একটা কথা বলে যাচ্ছি। আমার কথা তুমি অন্য কাউকে বলোনা কেমন৷ 


এই বলে বাতাসে মিলে গেলেন পরী।ও চলে যাওয়ায় আমি চলে গেলাম বাড়িতে। 

বাড়িতে যাবার পর মা বাবাকে ডাক দিতেই ওরা বেড়িয়ে আসলো। 


মা এসেই বললো। 

বাবা নিশাদ ' তুই আসছিস কত চিন্তা হচ্ছিলো তোর জন্য। তোর আসতে কোন সমস্যা হয়নি তো কোন ভয় টয় পাসনি তো। 


মায়ের কথার জবাবে আমি বললাম৷ না মা ভয় পাইনি তুমি কোন চিন্তা করোনা তো। 

আমার কথায় মা বললেন, চিন্তা করি কি আর সাধে। ঐ কবরস্থানের আশপাশে জায়গাটা ভালোনা। তুই ওদিক দিয়ে আসছিস, দাঁড়া বাবা আমি কাপড় চোপড় দেই গোসল করে ঘুরে ঢুকবি। তাঁর আগে ঘরে ঢুকিসনা। 


মায়ের কথায় আমি কথা বাড়ালাম না। 

আমি গোসল করে ঘরে ঢুকলাম। 

ঘরে যাওয়ার পর মা খাবার দিলেন। 


মা খাবার দেয়ায় আমি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। 

সে রাতে আর কোন সমস্যা হয়নি আমি আর ঐ পরীকে দেখিনি৷ 


পরেরদিন সকালে আমার ঘুম ভেঙে যায় বন্ধু সাজিদের ডাকে। 

সাজিদ ডাকছে, এই নিশাদ এই উঠ 


ওর ডাকে ঘুম ভেঙে যেতে ওকে বললাম, কিরে সাজিদ কেমন আছিস।


আমি ভালো আছি। তুই কেমন আছিস৷ 

-আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। দাঁড়িয়ে আছিস কেনো বস৷


আমার কথায় সাজিদ বসে আমাকে বললেন, সরি রে কাল তুই আসছিস আমি তোকে এগিয়ে আনতে যেতে পারিনি, তোকে তো বলছিলাম খালার বাড়িতে গিয়েছিলাম কালকে, আমারো বাড়িতে ফিরতে অনেক রাত হয়ে গেছিলো৷ নইলে তোকে এগিয়ে নিতে ঠিকি যেতাম। 


 আরে কোন সমস্যা নেই৷ আমার বাড়িতে আসতে কোন সমস্যা হয়নি। 

সাজিদ তুই একটু বস। আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি। 


কথাটা বলে আমি ফ্রেশ হতে গেলাম। 

ফ্রেশ হয়ে ঘরে এসে দেখলাম মা নাস্তা দিয়ে গেছে। 

মা নাস্তা দেয়ায় আমি ও সাজিদ নাস্তা শেষ করে বাহিরে গেলাম। 


বাহিরে যাবার পর সাজিদ বললো, তা নিশাদ তোর কি খবর বল। 

ঢাকা থেকে চলে আসলি আর তো ঢাকা জাবিনা। ভালোও হলো এখন আগের মত দুই বন্ধু আড্ডা দিবো৷ 


ওর কথায় আমি বললাম, কি করবো বল, মা বাবা আমাকে ছাড়া থাকতে পারেনা। মা বাবার কথা চিন্তা করে গ্রামে চলে আসলাম। এখন গ্রামে কিছু একটা করতে হবে৷  আমার কথা বাদদে তোর কি খবর সেটা বল। 


আমার কথায় সাজিদ বললো, আমার আর কি খবর তুই জানিস বর্তমান ইউটিউব চ্যানেল চালাচ্ছি হরর গল্প নিয়ে কাজ করছি৷ আমার ইউটিউব চ্যানেল " kalo rat 24 " ওখানে জ্বীন পরীর গল্প প্রচার করছি৷


কিন্তু এখন প্লান করছি নতুন কিছু নিয়ে আসবো। 

-নতুন কিছু কি করতে চাস, খুলে বলতো। 


আমার কথায় সাজিদ বললেন৷ আমি ভয়ং*কর কিছু প্লেস বা দৃশ্য মানুষদের ভিডিও করে দেখাতে চাই। আর সেই জন্য তোর সাথে কথা বলতে আসলাম। 


কিহহ বলিস এখন দৃশ্য বা জায়গা কোথায় পাবি শুনি। 

আরে আছে আছে অনেক আছে। আমার প্রথম দৃশ্য বা ভিডিও হবে আমাদের গ্রামের ঐ কবরস্থানের অভিশপ্ত পরীকে নিয়ে।।।


কিহহহ, সাজিদ তুই কি বলছিস পা*গল হলি নাকি৷ না না এটা হবেনা ঐ পরী অনেক ভয়ং*কর শুনিসনি। 


আমার কথায় সাজিদ বললেন শুনেছি, শুনেছি বলেই বলছি, আমি যখন ঐ পরীর ভিডিও আমার চ্যানেলে একবার দিতে পারি তাহলেই ভাইরাল। 


ওর কথায় আমি বললাম, সাজিদ ভাইরাল হবার নেশার পা*গল হয়ে গেছিস তুই। দেখ এসব চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেল যা বাড়িতে যা। 


সাজিদ ঠিক বাড়িতে গেলাম৷ তাহলে রাতে দেখা হচ্ছে আমি রাতে এসে তোকে ডেকে নিবো কোথাও যাবিনা।


আবার - সাজিদ বাদদেনা এসব। 

সাজিদ " আজকে রাতে ভিডিও বানাই তারপর বাদ দিবো রাতে রেডি থাকিস। 


কথাটা বলে আমার কোন কথা না শুনে সাজিদ বাড়িতে গেলো।।

ও আসলে কি করতে চাচ্ছে কিছুই বুঝছিনা। 


ও চলে যাবার পর সেই দিনটা শুয়ে বসে পার করলাম। 

সেদিন রাতে কথামত সাজিদ আমার বাড়িতে এসে আমাকে ডাকতে লাগলেন।।


ওর ডাকে আমি ঘরে চুপ করে শুয়ে থেকে মা কে বললাম মা সাজিদ কে বলো আমি বাড়িতে নেই৷ 

আমার কথায় মা কিছু বুঝতে না পেরে চুপ করে রইলেন। 


এদিকে সাজিদ আমাকে ডাকতে ডাকতে ঘরে এসে বললেন, কিরে কখন থেকে ডাকছি চুপ করে আছিস কেনো। 


ওর কথায় মা বললেন৷ আচ্ছা সাজিদ কোথায় যেতে ডাকছো ওকে। 

মায়ের কথায় সাজিদ বললেন একটা দাওয়াত খেতে যাবো৷ কিন্তু ও যেতেই চাচ্ছেনা। 


ওর কথায় মা বললেন, নিশাদ যা৷ ও কখন থেকে ডাকছে।। 

মায়ের কথায় আমি বললাম আরে মা ও দাওয়াত খেতে না অন্য... 


আমার কথা শেষ না হতে সাজিদ বললেন, তুই চুপ করবি নে রেডি হয়ে নে৷। 


আহহহ বুঝছি ও ছাড়বেনা। যাই আজকে যা হবার হবে। 


কথাটা বলে রেডি হয়ে ওর সাথে হাঁটতে লাগলাম। 

হাঁটতে হাঁটতে সাজিদকে বললাম কি করতে হবে বল৷ 


 আমার কথায় ও বললো। আমরা দুজনে কবরস্থান থেকে একটু দূরে গাছের আড়ালে লুকিয়ে লুকিয়ে ক্যামেরা করবো। আমি শুনেছি ঐ অভিশপ্ত পরী ওর রুপ নিয়ে এখানে আশপাশে ঘুরে বেড়ায়। 


ওর কথায় আমি বললাম এতে লাভ কি হবে। জ্বীন পরীরা কি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। 


আরে সেটা গেলেই দেখতে পাবো। চল ওখানে গিয়ে দেখি কি অবস্থা। 


ওর কথায় আমি আর কথা বাড়ালাম না দুজনে চলে গেলাম কবরস্থানে পাশে। 

গ্রামের সবাই এই জায়গাটাকে ভয়ে এড়িয়ে চলে। ভয়ে কেউ এখানে আস্তে চায়না আর আমরা ইচ্ছে করে আসছি এখানে। 


এখানে তো গতরাতে দেখা সেই পরী থাকে। আমিযে সেই পরীর সাথে কথা বলছি সাজিত তো জানেনা। 

সেখানে যাবার পর আমি মনে মনে সেই পরীকে খুঁজতে থাকি৷ 


এদিকে সাজিদ ক্যামেরাটা সেট করে বললো এখন চুপ করে বসে থাক। 

ওর কথায় চুপ করে বসে রইলাম। 

এভাবে প্রায় এক ঘন্টা বসে থাকার পর আমি বললাম। 


কিরে আর কতক্ষন বসে থাকবো। কোথায় এখানে তো কেউ নেই৷ 

আমার কথায় সাজিদ বললেন তাই তো দেখছি। 

বুঝছি এভাবে কাজ হবেনা৷ শোন ফোনটা নে। আমরা এখন দুজন দুই দিকে বের হবো কবরস্থানের চারিদিক ভিডিও করে পরে সবাইকে বলবো এটা একটা ভয়ং*কর প্লেস। 


ওর কথায় আমি বললাম ঠিক আছে দে যা করার তারাতারি কর রাত অনেক হয়ে গেছে।  


কথাটা বলে আমি একদিকে বের হলাম ও একদিকে৷ 

সাজিদের পাগলামীর জন্য এসব করতে হচ্ছে  অনেক ভয় লাগছিলো তখন। 


আমি ভয়ে ভয়ে ভিডিও করছি এমন সময় সাজিদ একটা চিৎ*কার দিলেন। 

ওর চিৎ*কারে আমি দৌড়ে ওর দিকে গিয়ে দেখলাম সাজিদ জ্ঞান হাড়িয়ে পড়ে আছে মাটিতে৷ 


সাজিদ পড়ে আছে দেখে আমি অনেক ভয় পেয়ে যাই আর সাজিদকে বলি, সাজিদ এই সাজিদ কি হইছে তোর৷ 


এমন সময় পিছন থেকে একটা আওয়াজ আসলো। 

ভয় পেওনা ওর কিছু হবেনা৷ 


আওয়াজটা শুনে পিছনে তাকিয়ে দেখি পরী দাঁড়িয়ে আছে। ওকে দেখে আমি দাঁড়িয়ে বললাম। আপনি - আমার বন্ধু সাজিদ কি হইছে ওর। 


আমার কথায় পরী বললো ও আমাকে দেখে ভয় পেয়েছে৷ তুমি ভয় পেওনা ও জ্ঞান হাড়িয়েছে একটু পর জ্ঞান ফিরে আসবে। 


পরীর কথায় আমি বললাম, আসলে ও বুঝতে না পেরে এখানে ভিডিও করতে আসছে ওকে মাফ করে দিন। 


আমার কথায় পরী বললো আমি বুঝতে পারছি। ও প্রথমবার এই ভুল করছে বলে সুধু ভয় দেখিয়েছি পরেরবার যেনো এমন ভুল না করে৷ আমি এখন চলে যাচ্ছি তুমি আমার কথা ওকে বলোনা। এখন ওকে জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করো ওর জ্ঞান ফিরবে। 


কথাটা বলে চলে গেলেন পরী৷ 


তারপর _______4

Next______৬

কোন মন্তব্য নেই:

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...