এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৫

কুং ফুর পাঁচটি প্রথাগত পশুর ধরনকে উপস্থাপন করে, যার প্রতিটি একটি আলাদা যুদ্ধকৌশল ও দার্শনিক চিন্তার সঙ্গে সম্পর্কিত

 কুং ফুর পাঁচটি প্রথাগত পশুর ধরনকে উপস্থাপন করে, যার প্রতিটি একটি আলাদা যুদ্ধকৌশল ও দার্শনিক চিন্তার সঙ্গে সম্পর্কিত। এই শৈলীগুলো মূলত দক্ষিণ শাওলিন মার্শাল আর্ট থেকে এসেছে, বিশেষ করে ‘ফাইভ অ্যানিমেলস স্টাইল’ (পাঁচ পশুর শৈলী) থেকে। নিচে প্রতিটির বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হলো:


১. ড্রাগন স্টাইল (উপরে বামে)

প্রাণী: ড্রাগন (ড্রাগন)

কেন্দ্রবিন্দু: আত্মিক শক্তি, তরল গতিবিধি, অভ্যন্তরীণ শক্তি (চি)

প্রযুক্তি: কঠিন ও নরম গতির সংমিশ্রণ, বৃত্তাকার গতি ও শক্তি নিয়ন্ত্রণের উপর জোর। ড্রাগন স্টাইলে শরীর মোচড়ানোর গতি, শক্তিশালী ভঙ্গি এবং নিঃশ্বাসের নিয়ন্ত্রণ ব্যবহৃত হয়।

প্রতীক: প্রজ্ঞা, অন্তর্নিহিত শক্তি এবং অভিযোজন ক্ষমতা।


২. স্নেক স্টাইল (উপরে ডানে)

প্রাণী: সাপ

কেন্দ্রবিন্দু: গতি, নিখুঁততা ও নমনীয়তা

প্রযুক্তি: চাপ পয়েন্টে দ্রুত, কুণ্ডল strike দেয়। আঙ্গুলগুলোকে বিষদাঁতের মতো ব্যবহার করা হয়, আর চলাফেরা হয় মসৃণ ও অপ্রত্যাশিত।

প্রতীক: নিখুঁততা, তরল গতি এবং অভ্যন্তরীণ শক্তি।


৩. ক্রেন স্টাইল (মাঝখানে)

প্রাণী: সারস (ক্রেন)

কেন্দ্রবিন্দু: ভারসাম্য, দৃষ্টতা ও সৌন্দর্য

প্রযুক্তি: প্রতিরক্ষামূলক পদচারণা, এক পায়ে দাঁড়ানো ভঙ্গি এবং আঙ্গুল দিয়ে ঠোকর দেওয়ার কৌশল। চলাফেরা হয় হালকা ও চটপটে।

প্রতীক: শান্তি, নিয়ন্ত্রণ এবং নিখুঁততা।


৪. প্যান্থার স্টাইল (নিচে বামে)

প্রাণী: প্যান্থার (বা ফাইভ অ্যানিমেলসে লেপার্ড)

কেন্দ্রবিন্দু: গতি, আক্রমণাত্মকতা ও শক্তি

প্রযুক্তি: দ্রুত, শক্তিশালী আঘাত – নখের মতো আঙ্গুল দিয়ে। প্যান্থার brute force নয়, বরং গতিকে কাজে লাগিয়ে দুর্বল স্থানগুলোতে আঘাত করে।

প্রতীক: বিস্ফোরকতা, গোপনতা ও নিখুঁততা।


৫. টাইগার স্টাইল (নিচে ডানে)

প্রাণী: বাঘ

কেন্দ্রবিন্দু: শক্তি, দৃঢ়তা ও আধিপত্য

প্রযুক্তি: শক্তিশালী, সরাসরি আঘাত এবং নখ দিয়ে খোঁচানোর কৌশল। টাইগার স্টাইলে শারীরিক শক্তি, নিচু ভঙ্গি এবং জোরালো আক্রমণ গুরুত্ব পায়।

প্রতীক: হিংস্রতা, সাহস ও brute force।

 ১ বিঘা ২০ কাঠা জমিতে শাহী পেঁপে চাষ!

 ১ বিঘা ২০ কাঠা জমিতে শাহী পেঁপে চাষ!

🚜 অল্প খরচে বছরে আয় ১-২ লক্ষ টাকা!

✅ ফেসবুকে রেখে দিন, দরকারের সময় কাজে লাগবে!


---


১. জমি প্রস্তুতি (চারা রোপণের ১৫ দিন আগে)

✔️ দোআঁশ মাটি, পানি নিষ্কাশন ভালো

✔️ ৩-৪ বার চাষ করে মাটি ঝুরঝুরে করুন

✔️ প্রতি শতকে ১০ কেজি গোবর + ১ কেজি টিএসপি


---


২. চারা রোপণ (৪০০ গাছ)

✔️ দূরত্ব: সারি ২ মিটার, গাছ ১.৫ মিটার

✔️ গর্ত: ৫০x৫০x৫০ সেমি

✔️ প্রতি গর্তে ১০ কেজি গোবর + ২০০ গ্রাম টিএসপি

✔️ জাত: শাহী পেঁপে (সবজির জন্য পারফেক্ট)


---


৩. সেচ ও যত্ন

💧 প্রথম সপ্তাহ: প্রতিদিন হালকা পানি

💧 গ্রীষ্মে: সপ্তাহে ২-৩ বার

💧 বর্ষায়: নালা কেটে জলাবদ্ধতা দূর করুন


---


৪. সার প্রয়োগ

🌿 ১৫ দিন পর: ইউরিয়া ৫০ গ্রাম + এমওপি ৫০ গ্রাম

🌿 ৪৫ দিন পর: ইউরিয়া ১০০ গ্রাম + টিএসপি + এমওপি

🌿 ফল ধরার পর: প্রতি মাসে পটাশ ১৫০ গ্রাম


---


৫. রোগ-পোকা দমন

🐛 এফিড/মাইট: ইমিডাক্লোপ্রিড ২০% SL – ১ মিলি/৩ লিটার

🐛 ফল মাছি: সাইপারমেথ্রিন ১০% EC – ২ মিলি/১ লিটার

🐛 পাউডারি মিলডিউ: হেক্সাকোনাজোল ৫% SC – ২ মিলি/১ লিটার


---


লাভের হিসাব (প্রায়):

✅ ৪০০ গাছ × ২৫ কেজি = ১০,০০০ কেজি

✅ বিক্রি: ১০ টাকা/কেজি = ১,০০,০০০ টাকা

✅ খরচ: ৩০-৪০ হাজার টাকা

✅ নিট লাভ: ৬০,০০০+ টাকা/বছরে!


---


আপনার এলাকায়ও এমন চাষ শুরু করতে পারেন!

যদি পোস্টটা ভালো লাগে, শেয়ার করুন বা রেখে দিন। অন্যরাও উপকার পাবে!

#পেঁপে_চাষ #শাহী_পেঁপে #কৃষি_উদ্যোগ #কৃষকের_গর্ব

নবিজী (সাঃ) চিকিৎসা পদ্ধতি

 হোমিওপ্যাথি,এলোপ্যাথি, আয়ুর্বেদীসহ অসংখ্য চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে আমরা অবগত থাকলেও অত্যন্ত দুঃখ ও আফসোসের সাথে বলতে হয় মুসলমান হয়ে নবিজী (ﷺ) এর চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে আমরা বেখবর।এর বেশ কিছু কারণও অবশ্যই রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হল আরবী জানা না থাকা।যার ফলে আরবীতে লিখিত নবিজী (️ﷺ) এর চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে লিখিত বইগুলো থেকে মণিমুক্তা আহরণ করা আমাদের জন্য একপ্রকার অসম্ভব বলা চলে।

অথচ আমাদের ছিল ইবনে সিনার মত চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা।যাঁদের বই আজকের আধুনিক যুগেও ইউরোপের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ানো হয়।ইউরোপের হাজারো খারাপ দিক থাকলেও তাদের অল্প ভাল দিকের মধ্যে অন্যতম হল তারা গুণীর কদর করতে জানে।মুসলিমরা তাদের ঘরের গুণীর কদর না করলেও ইউরোপ ঠিকই করেছে।যাহোক নবিজী (️ﷺ) চিকিৎসা পদ্ধতির প্রতি আমাদের আস্হা ও বিশ্বাস কোনকালেই কম ছিল না।এজন্যই এদেশের মানুষ এখনও হুজুরদের কাছে ঝাঁড়ফুক নেয়ার জন্য ধরণা দেয়।

তবে এটা অত্যন্ত খুশির বিষয় যে, ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম আল জাওযিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহ কতৃক নবীজি (ﷺ) এর চিকিৎসা পদ্ধতি ও সালাফগণের চিকিৎসা সম্পর্কে রচিত "আত-তিব্বুন নববী" বইটি অনুবাদ হয়ে বাংলাভাষাভাষীদের নিকট হাজির হয়েছে।বর্তমানে রোগশোক যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং মানুষ চিকিৎসা করতে গিয়ে অর্থ-সম্পদ হারিয়ে দিশেহারা হয়ে যাচ্ছে এমন সময়ে এই বইটির গুরুত্ব যে কতখানি তা আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না।এখানে মোটেও বর্তমান চিকিৎসাবিজ্ঞানের উপকারীতা ও কার্যকারিতাকে খাঁটো করে দেখানো হয়নি।তাছাড়া প্রায় হাজার বছর আগে রচিত একটি বইয়ে বর্তমানের সকল রোগশোকের সমাধান পেয়ে যাওয়া কিংবা এই বই পড়েই যেকারো ডাক্তার বনে যাওয়া অবাস্তব কল্পনা ছাড়া কিছুই নয়।তবে আর যাইহোক নবিজী (ﷺ)️ এর চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কিত জ্ঞান ও একে কাজে লাগিয়ে নিজের শারীরিক ও আত্নিক উন্নতি ঘটাতে বইটি অত্যন্ত সহায়ক হবে তা বলাই বাহুল্য।তাই প্রতিটা মুসলিমেরই উচিত আজই বইটা সংগ্রহ করে নেয়া।ো

রোদে শুকানো উচ্ছে। (Sun dried bitter gourd)

 রোদে শুকানো উচ্ছে। (Sun dried bitter gourd)


রোদে শুকনো উচ্ছে, যার অর্থ "সূর্য-শুকনো তেতো করলা", একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার যা তেতো করলাকে পাতলা করে কেটে রোদে শুকিয়ে তৈরি করা হয়। এটি বিশেষ করে দক্ষিণ ভারতে বেশ জনপ্রিয়। রোদে শুকনো উচ্ছে ব্যবহারের ঐতিহ্য ঠিক কতদিনের পুরোনো, তা নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন। তবে, এটি নিঃসন্দেহে একটি প্রাচীন পদ্ধতি যা খাদ্য সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে উদ্ভাবিত হয়েছিল। 


ঐতিহাসিকভাবে, যখন রেফ্রিজারেশন বা অন্য আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণ পদ্ধতির প্রচলন ছিল না, তখন মানুষ বিভিন্ন উপায়ে খাদ্যকে দীর্ঘস্থায়ী করার চেষ্টা করত। রোদে শুকানো তেমনই একটি পদ্ধতি। উচ্ছে একটি গ্রীষ্মকালীন সবজি এবং এটি বেশিদিন সতেজ রাখা কঠিন। তাই, সম্ভবত সেই সময় থেকেই উচ্ছেকে রোদে শুকিয়ে সারা বছর ব্যবহারের উপযোগী করে তোলার প্রথা চালু হয়েছে। এইভাবে আমার দিদাকে দেখেছি উচ্ছে কেটে রোদে শুখিয়ে রেখে দিতে। যখন উচ্ছে বাজারে পাওয়া যেতো না তখন এই সবজি দিয়ে নানা তরকারি দিদা বানাতেন। 


তবে বাংলার লোককথায় বা পুরোনো রান্নার বইয়ে এর সরাসরি উল্লেখ হয়ত নাও থাকতে পারে, তবে প্রত্যন্ত গ্রামীণ জীবনে এবং ঐতিহ্যবাহী রান্নায় রোদে শুকনো উচ্ছে একটি পরিচিত উপকরণ। অনেক পুরোনো পরিবারে এখনও এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। এটা বলা যায় যে রোদে শুকনো উচ্ছে ব্যবহারের ঐতিহ্য বাংলা এবং ভারতীয় উপমহাদেশে বহু পুরোনো এবং খাদ্য সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। যা সম্ভবত বহু শতাব্দী ধরে চলে আসা একটি রান্নার প্রথা। 


কিকরে রোদে শুকনো উচ্ছে তৈরির করতে হয় তার পদ্ধতি এখানে দেয়া হলো। বাজার থেকে কেনা  তাজা, কচি উচ্ছে বেছে নিন। ভালো করে ধুয়ে দুই প্রান্ত কেটে ফেলুন। এরপর পাতলা গোল করে অথবা লম্বা ফালি করে কেটে নিন। বীজ এবং ভেতরের স্পঞ্জি অংশ ফেলে দেওয়া ভালো। নুন মাখানো ঐচ্ছিক ব্যাপার, যা কাটা উচ্ছেতে সামান্য নুন মাখিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এতে উচ্ছে থেকে অতিরিক্ত জল বেরিয়ে যাবে এবং তেতো ভাব কিছুটা কমবে। এরপর হাত দিয়ে চেপে অতিরিক্ত জল ফেলে দিন। একটি টিশু কাগজে রেখে জল শুখিয়ে নিন। এবার পরিষ্কার কাপড় বা পলিথিনের শিটের উপর উচ্ছেগুলো ছড়িয়ে দিন। সরাসরি সূর্যের আলোয় ২-৩ দিন ধরে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন। মাঝে মাঝে উল্টে দিন যাতে সব দিক সমানভাবে শুকায়। ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে এগুলো কুঁচকে ছোট হয়ে যাবে এবং মচমচে হবে। সংরক্ষণ জন্য শুকনো উচ্ছে ঠান্ডা করে এয়ারটাইট পাত্রে ভরে রাখুন। এভাবে অনেকদিন পর্যন্ত তা সংরক্ষণ করা যায়।


রোদে শুকনো উচ্ছে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করা হয়। শুকনো উচ্ছে তেলে ভেজে মুচমুচে করে ভাতের সাথে পরিবেশন করা হয়। এটি একটি জনপ্রিয় সাইড ডিশ বা স্ন্যাকস। কিছু তরকারিতে শুকনো উচ্ছে ব্যবহার করা হয়, যা তরকারির স্বাদ বাড়িয়ে তোলে। মনে রাখা প্রয়োজন শুকনো উচ্ছে খাওয়ার আগে তা জলে নিয়ে তারপরে ব্যবহার করা। এই শুকনো উচ্ছে দিয়ে ডাল , উচ্ছে ভাজি, এছাড়াও উচ্ছের নানা বঙ্গ রান্নায় ব্যবহৃত হয়। কিউব, রিং আকারে ডিহাইড্রেটেড করলা বিভিন্ন তরকারি তৈরিতে যেমন ব্যবহার হয় তেমনি বাদামি করলা ‘করলা চা’ তৈরিতে এর ব্যবহার দেখা যায়। 


তেতো করলার অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। রোদে শুকানো হলেও এর কিছু পুষ্টিগুণ বজায় থাকে। এটি হজমক্ষমতা বাড়াতে, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। তবে, অতিরিক্ত তেতো ভাব কমাতে এবং সংরক্ষণ করার জন্যই মূলত একে রোদে শুকানো হয়। তাছাড়া আমরা যারা ম্যাগি বা সেই জাতীয় খাবার খাই তাদের এই শুকনো সবজির ব্যাপারটা ভালোই জানা আছে। এই উচ্ছে ছাড়াও আরো অনেক নানা ধরনের সবজি যেমন আলু, গাজর, ঢ্যাঁড়স, পাতাকপি এবং কাঁচ কলার মতো সবজি শুখিয়ে প্যাকেটজাত করে বাজারে বিক্রি হয়। সবজি ডিহাইড্রেটেড করার মূল উদ্দেশ্যই হল শেলফ লাইফ বাড়ানো। 


👇

By Chef Moonu

👇

#chefmoonuskitchen  #moonuandco  #travellermoonu  #thefoodietraveller  #kolkatablogger  #kolkatafood  #chefmoonu  #kolkata  #foodlovers  #foodblogger  #CulinaryJourney #bengalifood #foodculture #WestBengal @top fans

জাফর স্যার-----৩০ বছর ধরে পরেন একটা শার্ট, ওপরের বোতাম তার ছেঁড়া। কেউ একজন জিজ্ঞাসা করতে বলেছিলেন, "নষ্ট না হলে আমি কি করব,ফেলে তো দিতে পারি না !"

 জাফর স্যার-----৩০ বছর ধরে পরেন একটা শার্ট, ওপরের বোতাম তার ছেঁড়া। কেউ একজন জিজ্ঞাসা করতে বলেছিলেন, "নষ্ট না হলে আমি কি করব,ফেলে তো দিতে পারি না !"


অথচ বাবা তার রাউজানের জমিদার। লন্ডনে পড়তে গিয়ে তার যে গাড়ি ছিল, দেশ থেকে  বড়ো কেউ গেলে সে গাড়িই ধার দেয়া হতো তাদের। তিনি যে দর্জির কাছে কাপড় সেলাই করতেন, সে দর্জি ছিলেন ব্রিটিশ রাজপুত্র প্রিন্স চার্লসের ব্যক্তিগত দর্জি৷ দেশে ফিরে দেশের মানুষের জীবদ্দশা দেখে সেই বিলাসী জীবন ত্যাগের প্রতিজ্ঞা করেছিলেন জাফরুল্লাহ, আমৃত্যু তাই পালন করেছেন। 


লন্ডনের প্রকাশ্য রাস্তায় নিজেদের পাসপোর্টে আগুন ধরিয়ে দিলো কয়েকজন বন্ধু। এরা সবাই এবারের এফআরসিএস পরীক্ষার্থী৷ পরীক্ষা আর দেয়া হলো না, রাষ্ট্রহীন নাগরিক হিসেবে লন্ডন থেকে ফেরত পাঠানো হলো ভারতে৷ দেশের মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন দিয়ে পাকিস্তানের পাসপোর্ট পোড়ানো সে বন্ধুদের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন ডা.জাফরুল্লাহ চৌধুরী। 


ভারতে এসে আগরতলা ক্যাম্পের একপাশে চট-বেড়া দিয়ে গড়ে তুললেন ৪৮০ শয্যার ফিল্ড হাসপাতাল। দিনরাত এক করে হাজার হাজার মানুষের জীবন বাঁচানোর কাজ চলল তাতে। যুদ্ধ শেষ হলে এ হাসপাতালই হয়ে উঠল গরিবের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র৷  আজ ৫০ বছর পরেও, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নর্মাল ডেলিভারি বা ডায়ালাইসিস খরচ ২৫০০ টাকা৷ করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর ভদ্রলোকের জন্য ভিআইপি কেবিনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল, আনা হচ্ছিল দামী ওষুধ৷ দুটোকেই 'না' করে জাফরুল্লাহ বললেন, ' নিজের হাসপাতালের ওপর নিজে ভরসা না রাখলে মানুষ কি করে রাখবে? যে ওষুধ গরীবে কিনে খেতে পারবে না, সে ওষুধ আমি নেব না।'


১৯৮২ সালে জাতীয় ওষুধ নীতির নেতৃত্ব দিয়েছেন জাফরুল্লাহ। স্বপ্নবাজ এ লোকটির হাত ধরেই ৯০ শতাংশ ওষুধ আজ দেশেই তৈরি হয়। বিনামূল্যে বিলি হয় গণস্বাস্থ্যের ওষুধ। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রই আবিষ্কার করেছিল বাংলাদেশের করোনা টিকা বঙ্গভ্যাক্স, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেয়েছিল যে টিকা, পায়নি কেবল বাংলাদেশে। 


গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে চাকরির কয়েকটা বাঁধাধরা নিয়ম তিনি করেছিলেন। কর্মরতদের ধূমপান নিষিদ্ধ । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ড. ওয়াজেদ মিঞার চাকরির ব্যাপারে ১৯৯৬ সালে নেত্রী নিজেই ফোন করেন জাফরুল্লাহকে। তিনি  শেখ হাসিনাকে তখনই সাফ জানিয়েছিলেন, ' ধূমপান ছাড়তে না পারলে চাকরি হবে না। ' বাধ্য হয়ে একমাসেই ধূমপান ছাড়েন ডা. ওয়াজেদ। 


দোর্দণ্ড প্রতাপে যখন ক্ষমতায় এসেছেন জিয়াউর রহমান, জাফরুল্লাহকে মেজর জিয়া হাতে একটা ফাঁকা চেক ধরিয়ে আদেশ দিলেন, মন্ত্রী হও৷ সেদিন গরিবের ডাক্তার ৪ পৃষ্ঠার চিঠি লিখে জবাব দিয়েছিলেন, একজনও স্বাধীনতাবিরোধী থাকলে সে মন্ত্রীসভায় তিনি যাবেন না৷  


৮-১৮'র তরুণরা যখন নির্লিপ্ত, তখন ৮০ বছর বয়সেও হুইল চেয়ারে রাজপথ দাপিয়ে বেড়িয়েছেন এই মানুষটি৷ দাঁড়িয়েছেন বিচারের কাঠগড়ায়,পেয়েছেন অর্থদন্ডও। 


নিজ প্রতিষ্ঠান গণস্বাস্থ্যের সম্পদ আছে কয়েক হাজার কোটি টাকার।পেয়েছেন ম্যাগসেসে পদকের মতো অসংখ্য আন্তর্জাতিক সম্মাননা। অথচ সমস্ত জীবন দেশের জন্য উৎসর্গ করে কপর্দকহীন হয়ে চলে গেলেন একগুঁয়ে মানুষটি। একেকটা হাসপাতাল যখন হয়ে উঠছে মানুষ মারার কল, তখন গরিব যাতে কম খরচে ক্যানসার চিকিৎসা পায়, ওষুধ পায়,  তার বন্দোবস্ত করে গণস্বাস্থ্য হাসপাতাল গড়েছেন মানুষটি।  


জীবন-মরণের মাঝখানে দাঁড়িয়ে শেষবার জাফরুল্লাহ বলেছিলেন, কিছু হলে দেশেই হোক, বিদেশে চিকিৎসা তিনি কিছুতেই নেবেন না।


সারাজীবনের মতো একবারই এই মৃত্যু সাজ,

এতদিন প্রাণ ছিলো, অমরত্ব শুরু হলো আজ.. 


এই জেদ, এই উদ্যম,এই দেশপ্রেমকে কুর্নিশ। আপনি জিতে গেছেন ১৬ কোটি হৃদয়৷ অভিবাদন, মহামানব জাফরুল্লাহ চৌধুরী!#everyonefollowers

কাস্ট ইন সিটু পাইল VS প্রি কাস্ট পাইলঃো

 কাস্ট ইন সিটু পাইল VS প্রি কাস্ট পাইলঃ


🏗️কাস্ট ইন সিটু পাইলঃ

এটি নির্মাণ স্থলে সরাসরি ড্রিলিং বা বোরিং করে কংক্রিট ঢেলে তৈরি করা হয়।

✔️প্রক্রিয়াঃ

স্থানে মাটি খনন বা বোরিং করা হয়।

স্টিল রিইনফোর্সমেন্ট স্থাপন করা হয়।

পরে কংক্রিট ঢেলে পাইল তৈরি করা হয়।

✔️উপযুক্ততাঃ 

নরম মাটি বা যেখানে মাটির গভীর স্তর খুব শক্ত নয়।

লোড বহনের ক্ষমতা বেশি প্রয়োজন।

✔️সুবিধাঃ

সাইটে কাজের পরিবেশ অনুযায়ী সহজে সামঞ্জস্য করা যায়।

বড় আকারের পাইল তৈরি সম্ভব।

পরিবহন সমস্যার ঝুঁকি নেই।

✔️অসুবিধা:

সময় বেশি লাগে।

কাজের মান সরাসরি সাইটের কাজের দক্ষতার ওপর নির্ভরশীল।

স্থানীয় আবহাওয়ার প্রভাব পড়তে পারে।


🏗️প্রি-কাস্ট পাইলঃ

এটি ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা হয় এবং পরে সাইটে নিয়ে এসে মাটিতে স্থাপন করা হয়।

✔️প্রক্রিয়াঃ

কারখানায় কংক্রিট পাইল তৈরি করা হয়।

সাইটে পরিবহন করা হয়।

হ্যামারিং বা ভাইব্রেশন দিয়ে মাটিতে ঢোকানো হয়।

✔️উপযুক্ততাঃ

শক্ত মাটির স্তরে যেখানে পাইল ঢোকানো সম্ভব।

দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে হবে এমন ক্ষেত্রে।

✔️সুবিধাঃ

উচ্চমানের কংক্রিট ও নির্ভুল ডিজাইন নিশ্চিত করা যায়।

সাইটে কাজের সময় কম লাগে।

পুনর্ব্যবহারযোগ্য হতে পারে।

✔️অসুবিধাঃ

পরিবহনে অতিরিক্ত খরচ।

বড় আকারের পাইল স্থানান্তর কঠিন।

শক্ত পাইল ঢোকাতে ভাঙার ঝুঁকি থাকে।


#naeemcivilnote #construction #engineering #pile৫

ইরাকের বিখ্যাত আলেম মালেক বিন দিনার একবার এক বিশাল মাহফিলে বক্তব্য দিতে দাড়াতেই এক শ্রোতা বলে উঠলেন, আপনার বক্তব্য শুরু করার আগে একটা প্রশ্নের উত্তর দিন। মালেক বিন দিনার প্রশ্ন করার অনুমতি দিলেন।

 ইরাকের বিখ্যাত আলেম মালেক বিন দিনার একবার এক বিশাল মাহফিলে বক্তব্য দিতে দাড়াতেই এক শ্রোতা বলে উঠলেন, আপনার বক্তব্য শুরু করার আগে একটা প্রশ্নের উত্তর দিন। মালেক বিন দিনার প্রশ্ন করার অনুমতি দিলেন। বয়স্ক শ্রোতা বললেন, আজ থেকে দশ বছর আগে আপনাকে মাতাল অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেছি, আপনি সে অবস্থা থেকে কিভাবে ফিরে এলেন? এবং ওয়াজ করার জন্য এখানে এলেন?


মালেক বিন দিনার কিছুক্ষণ মাথা নিচু করে রইলেন। তারপর বললেন- ঠিক বলেছেন, আমিই সেই ব্যক্তি। শুনুন তাহলে আমার কাহিনী: এক কদরের রাতে মদের দোকান বন্ধ ছিল দোকানীকে অনেক অনুরোধ করে এক বোতল মদ কিনলাম বাসায় গিয়ে খাবো এই শর্তে। বাসায় ঢুকেই দেখি আমার স্ত্রী নামাজ পড়ছে। আমি আমার ঘরে চলে গেলাম এবং বোতলটা টেবিলে রাখলাম।


আমার তিন বছরের শিশু মেয়েটা দৌড়ে এলো, টেবিলের সাথে ধাক্কা খেয়ে মদের বোতল মাটিতে পরে ভেঙ্গে গেল। অবুঝ মেয়েটি খিলখিল করে হাসতে লাগল। ভাঙ্গা বোতল ফেলে দিয়ে আমি ঘুমিয়ে গেলাম। সে রাতে আর মদ খাওয়া হলোনা আমার। পরের বছর আবার লাইলাতুল কদর এলো। আমি আবার মদ নিয়ে বাড়ি ফিরে এলাম। বোতলটা টেবিলে রাখলাম। হঠাৎ বোতলটার দিকে তাকাতেই কান্নায় বুক ফেটে গেল। তিন মাস হলো আমার শিশু কন্যাটি মারা গেল। বোতলটা বাইরে ফেলে দিয়ে ঘুমিয়ে পরলাম। স্বপ্নে দেখছি এক বিরাট সাপ আমায় তাড়া করছে। এতো বড় সাপ আমি জীবনেও দেখিনি। আমি ভয়ে দৌড়াচ্ছি। এমন সময় এক দুর্বল বৃদ্ধকে দেখলাম। বৃদ্ধ আমাকে বলল, আমি খুব দূর্বল এবং ক্ষুধার্ত। এই সাপের সাথে আমি পারবনা। তুমি এই পাহাড়ের ডানে উঠে যাও। পাহাড়ে গিয়ে দেখি দাউদাউ আগুন জ্বলছে। আর পিছনে এগিয়ে আসছে সেই সাপ। বৃদ্ধের কথা মতো ডানে ছুটলাম। দেখলাম সুন্দর একটা বাগান। বাচ্চারা খেলছে। গেইটে দারোয়ান।


দারোয়ান বলল: বাচ্চারা দেখতো এই লোকটিকে? একে সাপটা খেয়ে ফেলবে নয়তো আগুনে ফেলে দিবে। দারোয়ানের কথায় বাচ্চারা ছুটে এলো। তার মাঝে আমার মেয়েটাও আছে। মেয়েটা আমার ডান হাত জড়িয়ে ধরে বাম হাতে থাপ্পর দিয়ে সাপটিকে দূরে ফেলে দিলো। অমনেই সাপ চলে গেল। আমি অবাক হয়ে বললাম: মা তুমি এতো ছোট! আর এতো বড় সাপ তোমায় ভয় পায়?

মেয়ে বলল: আমি জান্নাতি মেয়ে। জাহান্নামের সাপ আমায় ভয় পায়। বাবা! ঐ সাপকে তুমি চিনতে পেরেছো?

আমি বললাম: না মা। আমার মেয়ে বলল: বাবা! এতো তোমার নফস। নফসকে তুমি এতো বেশি খাবার দিয়েছ যে সে আজ এতো বড় এতো শক্তিশালী হয়েছে, সে তোমাকে আজ জাহান্নাম পর্যন্ত তাড়িয়ে নিয়ে এসেছে।


মেয়েকে বললাম: পথে এক দূর্বল বৃদ্ধ আমাকে এখানে আসার পথ বলে দিয়েছে সে কে?

মেয়ে বলল: তাকেও চিননি? সে তোমার রুহ। তাকে তো কোনদিনও খেতে দাওনি তুমি। সে না খেয়ে এতোই দূর্বল হয়ে পরেছে যে, কোন রকম বেচে আছে।


আমার ঘুম ভেঙ্গে গেল। সেই দিন থেকে আমি আমার রুহকে খাদ্য দিয়ে যাচ্ছি আর নফসের খাদ্য একেবারেই বন্ধ করে দিয়েছি। চোখ বন্ধ করলেই সেই ভয়াল রুপটি দেখতে পাই আর দেখি রুহকে। আহা! কতো দূর্বল হাটতে পারেনা। ঝরঝর করে কেঁদে ফেললেন মালিক বিন দীনার।


তাই আসুন, নিজের নফসকে হেফাজত করি। নয়তো চিরস্থায়ী হবে জাহান্নাম। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুঝার এবং সেই অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুক। আমীন।

FAR/ Floor Area Ratio কিভাবে বের করবেন

 FAR/ Floor Area Ratio কিভাবে বের করবেন? এখনি হিসাবটা শিখে নিতে পারেন। আমরা যারা ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়াশোনা করি তাদের জানা খুব দরকার।


ধরুন, আপনার ৫ কাঠা জমি রয়েছে। ভেবে রেখেছেন ৮-১০ তলা উঁচু বাড়ি বানাবেন। টাকা- পয়সা নিয়েও ঝামেলা নেই। কিন্তু আপনি জানেন কি?

আপনি চাইলেও ৫ কাঠা জমিতে ১০ তলা বানাতে পারবেন না রাজউকের নিয়মানুযায়ী। কারন একটা ভবন বানানোর সময় বিল্ডিং এর চারপাশে কিছু জায়গা ছেড়ে দিয়ে তারপর ডিজাইন করতে হয়। সেটাকে সেটব্যাক বলে । আমরা শুধুমাত্র FAR নিয়ে আলোচনা করবো আজকে।


FAR জানার সুবিধাঃ

১. FAR জানলে যেকোনো ভালো অফিসে চাকরির গ্যারান্টি অনেকখানি বেড়ে যায়।

২. বাড়ি কত তলা করতে পারবেন সেটা নিজেই হিসাব করতে পারবেন অংক করে।

FAR এর হিসাব করবেন যেভাবেঃ

মনে করি,

ভূমি- ৫ কাঠা,

রোড- ২০ ফুট,

FAR- ৩.৫ ( ইঞ্জিনিয়ারিং বইগুলোতে শুধুমাত্র FAR লিখে কত কাঠার জন্য কত FAR সেটা উল্লেখ থাকে কিন্তু হিসাব থাকে না।

যেহেতু, ভালো চাকরি করতে চাইলে FAR জানতেই হবে।


Maximum Build Area (M.B.A)= Land x Far

= 5 katha x 3.5 (far 3.5)

= 5x(720)x3.5 ( 1 katha=720square ft)

= 3600×3.5

=12600 sqft

Maximum Ground Coverage(M.G.C)- 62.5%

(এটাও লেখা থাকে বইতে কিন্তু যারা পারে না তারা এইসব লেখাকে অনর্থক ভেবে বসে থাকে।)

= 5 katha x 62.5%

= (5x 720) x 62.5%

= 2250 sqft.

Number of Floor (N.O.F)= MBA / MGC

= 12600 / 2250

= 5.6 Floor

Total Floor = Ground floor + 5.6 floor

= 1+ 5.6 floor

= 6.6 floor ( ৬ তলা বাড়ি এবং চিলেকোঠা)।


#naeemcivilnote #FAR #engineering #construction #BD

কিয়ামতের ছোট আলামত** # **পর্বঃ ৫৩**

 # **কিয়ামতের ছোট আলামত**

# **পর্বঃ ৫৩**

# **কিয়ামত নিকটে জানার কারণে ইবাদত মানুষের কাছে অতি প্রিয় হবেঃ**

# আবূ হুরাইরা (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, আল্লাহ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যাঁর হাতে আমার জীবন আছে সেই সত্তার কসম! অবশ্যই এমন এক দিন আসবে, যেদিন তোমাদের মধ্যে ঈসা ইবনে মারয়্যাম একজন ন্যায়পরায়ণ শাসকরূপে অবতরণ করবেন, ক্রুশ ভেঙ্গে চুরমার করবেন, শূকর নিধন করবেন, জিযিয়া কর বাতিল করবেন, মাল-সম্পদ এত বেশী হবে যে, (দান বা সাদকা) গ্রহণ করার মত লোক থাকবে না। সেই সময় একটি সিজদাহ্ দুনিয়া এবং তার মধ্যে যা কিছু রয়েছে তার থেকেও উত্তম হবে। (অর্থাৎ, কিয়ামত নিকটে জানার কারণে ইবাদত মানুষের কাছে অতি প্রিয় হবে।) এ হাদীস বর্ণনার পর আবু হুরাইরাহ (রাঃ) বললেন, তোমরা ইচ্ছা করলে, ক্বুরআন কারীমের এ আয়াত পাঠ করতে পার, অর্থাৎ, আহলে কিতাবদের মধ্যে প্রত্যেকে নিজ মৃত্যুর পূর্বে অবশ্যই তাঁর প্রতি ঈমান আনবে। (সহীহ বুখারীঃ কিতাবুল আম্বিয়া, ৩৪৪৮; [হাদীস সম্ভার](https://www.hadithbd.com/hadith/chapter/?book=27)ঃ ৩৮৪৬; সূরাঃ নিসা, আয়াতঃ ১৫৯)

#  **সংকলকঃ মোঃ আব্দুল গফুর**

কিয়ামতের ছোট আলামত** # **পর্বঃ ৫৬**

 # **কিয়ামতের ছোট আলামত**

# **পর্বঃ ৫৬**

# **কুরআন সুন্নাহ’র গভীর জ্ঞানী ওলামা হবে কম, আর ইলমে অপরিপক্ক বক্তা হবে বেশিঃ**

# আবু হুরায়রাহ রা. থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেনঃ ‘নিশ্চই তোমরা (আজ এমন এক) জামানায় রয়েছো, (তোমাদেরকে আল্লাহ’র তরফ থেকে) যে হুকুম দেয়া হয়েছে, (তা থেকে) তোমাদের যে কেউ এক-দশমাংশ ছেড়ে দিবে, সে (আখেরাতে) ধ্বংস হয়ে যাবে। এরপর (এমন এক) জামানা আসবে, (যে জামানায় তোমাদের মুসলমানদের অবস্থা এত নাজুক হবে যে, তোমাদেরকে আল্লাহ’র তরফ থেকে) যে হুকুম দেয়া হয়েছে, তোমাদের যে ব্যাক্তি (তার) এক-দশমাংশর উপর আমল করবে, সে নাজাত পাবে’। [সুনানে তিরমিযীঃ ৩/৫৩০ হাদিস ২২৬৭; আল-মু’জামুস সাগীর, ত্বাবরাণীঃ ১১৫৬; আল-কামেল, ইবনু আদীঃ ৭/১৮; ফাইযুল কাদীর, মুনাভীঃ ২/৬৯০ হাদিস ২৫৪২; কানজুল উম্মালঃ ১৪/২৫৪ হাদিস ৩৮৬২৬]


# আবু যর রা. থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেনঃ ‘তোমরা (আজ এমন এক) জামানায় রয়েছো, (যখন তোমাদের মাঝে কুরআন সুন্নাহ’র গভীর জ্ঞানী) ওলামা রয়েছে অনেক, আর বক্তা রয়েছে কম। (এমতাবস্থায় তোমাদের মধ্যে) যে ব্যাক্তি তাতে জেনেশুনে (তার উপরে আদিষ্ট হুকুমের) এক-দশমাংশ ছেড়ে দিবে, সে কুপ্রবৃত্তিগ্রস্থ হয়ে যাবে’, অথবা বলেছেনঃ ‘সে ধ্বংস হয়ে যাবে’। অচিরেই (এমন এক) জামানা আসবে, (যখন কুরআন সুন্নাহ’র গভীর জ্ঞানী) ওলামা হবে কম, আর (ইলমে অপরিপক্ক) বক্তা হবে বেশি। (সে জামানায় অবস্থা এত সোচনীয় হবে যে,) যে (মুমিন) ব্যাক্তি জানা জিনিসের এক-দশমাংশ আকড়িয়ে ধরবে, সে নাজাত পাবে’। [মুসনাদে আহমদঃ ৫/১৫৫; কানজুল উম্মালঃ ১৪/২৫৫ হাদিস ৩৮৬২৯]


# শেষ জামানায় পৃথিবী জুড়ে কা*ফে*র ও মু*না*ফে*ক শাসকরা তাদের অনুসারীদেরকে সহ প্রবল হয়ে উঠবে এবং তারা সমাজে মুমিনদেরকে একেবারে কোণঠাসা করে দিবে, শরীয়তের অত্যাবশ্যক অনেক কিছুই জোর করে মানতে দিবে না বা মানতে বাঁধার সৃষ্টি করবে, বিভিন্ন ভাবে হেনস্ত করবে, অন্যায় অবিচার করবে, জুলুম অত্যাচার চালাবে, এমনকি বিভিন্ন অযুহাতে হত্যাও করে ফেলবে। এমতাবস্থায় কোনো মুনিনের জন্য যদি এক-দশমাংশেষ বেশি শরীয়ত মানা দূঃসাধ্য হয়ে যায়, তাহলে সে ততটুকু মেনেই আল্লাহ কাছে ইস্তেগফার করতে থাকবে। উদাহরণ স্বরূপ, আজ চী*নে লক্ষাধিক মুসলমানকে বন্দি-শিবিরে আটক করে রাখা হয়েছে এবং তাদেরকে জোর করে দ্বীন-ইসলাম ত্যাগ করানোর জন্য মানসিক ও শারীরীক অত্যাচার চালানো হচ্ছে, কেউ রোযা রাখতে চাইলে তাকে পুলিশ ধরে জোর করে রোযা ভাঙ্গাচ্ছে। বিভিন্ন দেশে মুসলীম নারী মাথা কাপড়ে ঢেকে বাড়ি থেকে বেড় হলে পু*লি*শ ধরে নিয়ে যাচ্ছে, জোর করে মাথার স্কার্প খোলানো হচ্ছে, স্কার্প পরিহিত অবস্থায় বিচারক তার সাথে কথা পর্যন্ত বলছে না, আইন করে ছেলে মেয়ে একসাথে সাতার ও গোসল করানো হচ্ছে ইত্যাদি। আমর বিল মা’রুফ ও নাহি আনিল মুনকার পালন-তো আরো দূরের কথা; এটা করতে গেলেইতো ‘সন্ত্রাসী’ লেভেল লাগিয়ে জীবনের বোরোটা বাজিয়ে দেয়া হচ্ছে। উপরোক্ত হাদিসটি বোঝার ক্ষেত্রে এসব পরিস্থিতি সামনে রাখতে হবে। পাইকারী হারে সকল মুমিনের জন্য এই হাদিসের মর্মার্থ প্রযোজ্য হবে না। স্থান কাল পাত্র ভেদে প্রযোজ্য হবে।

# **সংকলকঃ মোঃ আব্দুল গফুর**

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...