এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ৩ মে, ২০২৫

বৈশ্বিক আধুনিকতায় বহু বিবাহ ও বহুগামিতার  দ্বন্দ্ব!

 বৈশ্বিক আধুনিকতায় বহু বিবাহ ও বহুগামিতার  দ্বন্দ্ব!


বহু বিবাহ বলতে একাধিক বিবাহকে বোঝায়। বর্তমান আধুনিক যুগে একাধিক বিবাহ করার নজির খুবই কম। কেবল স্ত্রীর অসুস্থতা এবং স্ত্রী সন্তান ধারণে অক্ষম হলে পুরুষেরা একাধিক বিবাহ করে। এর বাহিরে একাধিক বিবাহের প্রচলন নাই বললেই চলে। শুধু তাই নয়! একাধিক বিবাহকে সমাজে খারাপ চোখে দেখা হয়। সমাজ মনে করে চরিত্রগত সমস্যার কারণেই মানুষ একাধিক বিবাহ করে। আসলেই কি তাই?


বিবাহ হচ্ছে দুইটা সম্পর্কের মাঝে সামাজিক চুক্তি। যার মাধ্যমে দুইটা সম্পর্কের বৈধতা দেওয়া হয়। 

অথচ, বিবাহ বহির্ভূত অবৈধ সম্পর্ককে তেমন খারাপ নজরে দেখা হয়না যতটা একাধিক বিবাহকে(বৈধ) দেখা হয়।

বিবাহ বহির্ভূতভাবে একাধিক নারীর কাছে যাওয়া-আসা যেটাকে বহুগামী বলা হয়। বিবাহ বহির্ভূত অবৈধ সম্পর্ককে বৈশ্বিক আধুনিকতার দোহায় দিয়ে আধুনিকায়ন করা হয়েছে। যার দরুন অবৈধ সম্পর্ক, পরকীয়া ও বহুগামিতা সহজলভ্য হয়ে গেছে। অন্যদিকে নারী-পুরুষের বয়স, বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় আইন ও কিছু মনস্তাত্ত্বিক নীতিকথা দিয়ে বিবাহকে কঠিন করা হয়েছে। এটা ধোঁকাবাজি বৈকি! 

পশ্চিমা থেকে  কিছু ধার করা বস্তাপঁচা দর্শন এদেশে বাস্তবায়ন করতে আমাদের সাথে ঢের ধোঁকাবাজি করা হয়েছে। যার বিষবাষ্প সমাজ ও রাষ্ট্রের অলিতে-গলিতে ছড়িয়ে পড়েছে। অবৈধ প্রেম, পরকীয়া ও বহুগামিতা আড়ম্বরপূর্ণ ভাবেই চলছে। অথচ যথা সময়ে বিবাহ ও বহুবিবাহ নামক বৈধ সম্পর্ককে  ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলা হয়েছে। 

বহু বিবাহের কিছু সুফল বলা যেতে পারে।


*যে সকল পুরুষের যৌনশক্তি অতিরিক্ত, এক স্ত্রীতে তাদের চাহিদা নিবারণ হয়না, এমন পুরুষদের জন্য একাধিক বিবাহ জরুরী। যাতে করে অতিরিক্ত চাহিদা নিবারণের জন্য তার বৈধ রাস্তা সুগম হয়। তা না হলে তিনি অতিরিক্ত চাহিদা নিবারণের জন্য অবৈধ সম্পর্ক, পরকীয়া বা বহুগামিতায় লিপ্ত হয়ে যেতে পারেন। যেটা সমাজের জন্য হুমকি স্বরুপ। পুরুষেরা সাধারণ বৈচিত্র্যময় স্বাদ আস্বাদন করতে চায়। তবে তারা যদি সেটা বৈধ পন্থায় না পান তাহলে, অবৈধ পন্থায় স্বাদ আস্বাদন করতে চাইবে এটাই স্বাভাবিক।


*পুরুষের কামবাসনা জোয়ারভাটার মতো। যখন-তখন কামবাসনা জেগে উঠতে পারে। এমতাবস্থায়, যদি তার স্ত্রী অসুস্থ বা গর্ভবতী অথবা বাড়িতে না থাকে, তাহলে তিনি জৈবিক চাহিদা নিবারণের জন্য নৈতিক পন্থা খুঁজে পাবেন না। এমন পরিস্থিতিতে সে অনৈতিক পন্থা খুঁজতে পারে। যেটা তার জন্য কোনোভাবেই সমীচীন নয়।

এমন পরিস্থিতিতে একাধিক স্ত্রী থাকলে তার অনৈতিক পরিমন্ডলে পা বাড়ানোর কোনো সুযোগ থাকেনা। কেননা, তার জরুরত একাধিক স্ত্রীর মাধ্যমে পুরা করতে পারছে।


*আমাদের দেশে পুরুষের থেকে নারীর সংখ্যা ঢের বেশি। একটা জরিপে দেখা গেছে যে, প্রায় ১ কোটি ত্রিশ লক্ষ নারী স্বামীহীন জীবনযাপন করছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই অসহায়। অনেকে দারিদ্রতা ঘোচানোর জন্য বাধ্য হয়ে গার্মেন্টস বা মিল কলকারখানায় কাজ করছে। যেখানে তারা অহরহ যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। যার কারণে, নারী মূল্যবোধের অবক্ষয় হচ্ছে দিনদিন।

 যে সকল নারীরা অসহায়, সমাজের সামর্থবান পুরুষেরা যদি তাদেরকে একাধিক বিবাহের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ করে, তাহলে এদেশে নারী অসহায়ত্ব কমে আসবে এবং নারী মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটবেনা।

এতে করে অসহায় এবং স্বামী পরিত্যক্তা নারীদের যথাযথ মূল্যায়ন হবে বলে মনে করি।


তবে, এদেশের মানুষের মানব মননে একাধিক বিবাহের প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করে দেওয়া হয়েছে। এবং নারীদেরকে "নারী জাগরণের" নামে যথাস্থান থেকে রাস্তায় নামিয়ে আনা হয়েছে। এবং তাদেরকে ভোগের পণ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। অফিসের কলিগ, অফিসের বস সহ এমনকি অফিসের পিয়ন পর্যন্ত একই নারী ব্যবহার করছে। পাশের বাসার আঙ্কেল,  পাশের বাসার দেবর-ভাসূর সবাই একই নারী ব্যবহার করছে।  এতে কোনো সমস্যাই নেই! 

অথচ,  বৈধ পন্থায় একাধিক বিবাহ করলে তার চরিত্রের সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। 

 নারীবাদি নামক কিছু ভুঁইফোঁড় মাথামোটা নারী, এদেশে পশ্চিমের এজেন্ডা ও পশ্চিমা আদর্শ বাস্তবায়ন করতে "নারী প্রগতি" নামক কিছু স্লোগান উত্থাপন করে এদেশের নারীসমাজকে চিরতরে পঙ্গু করে দেওয়ার বাহানায় নিমজ্জিত হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে এদেশের নারী সমাজ নিজেদের ইতিহাস-ঐতিহ্য ভুলে গিয়ে পশ্চিমা আদর্শ চর্চায় নিজেদেরকে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে নিবেদন করছে।


বৈশ্বিক আধুনিকতার পেছনে বিশাল এক পাপী সম্রাজ্য বাস করে। আধুনিক বিশ্বে তথ্য-প্রযুক্তির ভূমিকা অপরিসীম থাকলেও এর অন্তরালে রয়েছে চরিত্র অবক্ষয়ের গুরুত্বপূর্ণ রসদ। প্রযুক্তির আদলে গড়ে ওঠা এই পাপী সম্রাজ্যে অশ্লীলতা, বেহায়াপনা, পরকীয়া ও অবৈধ সম্পর্কের মতো নোংরা কাজ সহজলভ্য হয়ে গেছে।

যার কারণে, বিবাহের প্রতি যুবক-যুবতীদের অনীহা তৈরি হয়ে গেছে। কেননা, জৈবিক চাহিদা যদি সহজ ভাবেই পূরণ করা যায় তাহলে, অর্থদণ্ড দিয়ে কে-ইবা বিয়ে করতে চায়!


তার মানে হলো; বিবাহ কঠিন! এবং অশ্লীলতা সহজ!

পশ্চিমা বিশ্বে বিবাহ রীতি ভিন্ন। সহজে কেউ বিবাহে জড়ায় না! তবে একসঙ্গে

থাকে। যার যখন মনে চাচ্ছে যারতার সাথেই শারীরিক সম্পর্ক করছে। যাকে আমরা বহুগামিতা বলি। 

পশ্চিমা আদর্শ লালনকারী বহুগামী  সুশীলদের কাছে প্রশ্ন;

আচ্ছা, একাধিক নারীর সাথে অবৈধভাবে যৌনমিলন করতে পারলে বৈধভাবে একাধিক বিবাহ করলে সমস্যা কী?

আমাদের দেশে বাল্য বিবাহ নিষিদ্ধের আইন আছে! অথচ যারা বাল্যকালে ঝোপঝাড়ে গিয়ে নিজেদের সতীত্ব হারায় এবং বাল্যকালে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে, তাদের ব্যাপারে কোনো আইন নাই। আজিব!


তাহলে কি মূল সমস্যা বিবাহেই?

দুঃখিত! মূল সমস্যা হল আমাদের মাথায়! 

পশ্চিম থেকে আমদানি করা কিছু অযাচিত চিন্তাভাবনা আমাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। যার কারনে, আমাদের চিন্তাগত পরিবর্তন ঘটেছে, ফলশ্রুতিতে আমরা সবকিছুতে পশ্চিম কেদ্রিক চিন্তাভাবনা করি।


বহুগামিতা বা অবৈধভাবে একাধিক নারী-পুরুষের যাথে যৌন মিলন করার কিছু কুফল উল্লেখ করা যেতে পারে।


*প্রথমত বহুগামী পুরুষ-নারী কেউই যৌনমিলনের  আসল স্বাদ গ্রহন করতে পারেনা। কারণ, অবৈধ মিলনের মধ্যে আবেগ-ভালোবাসা থাকেনা। এজন্য অবৈধ মিলনের মাধ্যমে চরম যৌন অনুভূতি অনুভাব করা সম্ভব না। পক্ষান্তরে, বিবাহের মাধ্যমে বৈধ আবেগ-অনুভূতি তৈরি হয়, যা যৌন মিলনের সময় অনুভূতির চরম শিখরে পৌঁছে দিতে পারে।

 অবৈধ মাধ্যমে কখনোই বৈধতার স্বাদ আশা করা যায়না। 


*বহুগামী নারী-পুরুষের বহুগামিতার কারণে, বিভিন্ন ধরণের রোগের জন্ম নেয়। এর মধ্যে অন্যতম রোগ  হলো "এইডস"। যা নারী এবং পুরুষের জীবনে কালোমেঘ হয়ে নেমে আসে। এই রোগ এমনই মারাত্মক! যে,  আস্তে আস্তে মানুষকে ভেতর থেকে শেষ করে ফেলে। অত:পর চিরতরে ধংস করে দেয়। 


*সুন্দর একটা সমাজ বিনির্মাণ করতে হলে, নৈতিক ও চরিত্রবান একটা জাতি দরকার। নৈতিক ও চরিত্রবান জাতি ছাড়া একটা সুস্থ ও সুন্দর সমাজ আশা করা যায়না!

যারা পরকীয়া, অবৈধ সম্পর্ক  ও বহুগামিতায় লিপ্ত, তাদের নৈতিকতা ও চরিত্রের অবক্ষয় ঘটে। যার কুপ্রভাব জাতি, সমাজ ও রাষ্ট্রকে ভোগ করতে হয়। এই অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত হওয়া জাতি, সমাজের জন্য ব্যাপক হুমকিস্বরূপ! 

এজন্য, সুস্থ, সুন্দর ও নৈতিকতা সমৃদ্ধ সমাজ গড়তে হলে যথা সময়ে বিবাহ বা একাধিক বিবাহের বিকল্প নেই।

অবৈধভাবে একাধিক পরকীয়া, একাধিক প্রেম, একাধিক নারী গমন করতে পারলে বৈধ ভাবে একাধিক বিবাহ করাটা দোষের কী?

যারা এটাকে দোষনীয় চোখে দেখে তারা মূলত নারীদেরকে রাস্তায় নামিয়ে বিনামূল্যে ভোগ করতে চায়! 


আধুনিক বাস্তবতা: বর্তমান সময়কালটা আধুনিক সময়কাল। বিশ্ব আজ প্রযুক্তির চরম শিখরে পৌঁছে গেছে। আধুনিক প্রযুক্তি মানুষকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করলেও নীতি-নৈতিকতার উন্নতি সাধন করতে পারেনি।  যার পুঁজি হচ্ছে অশ্লীলতা এবং  বেহায়াপনা, সে কিভাবে নীতি-নৈতিকতার উন্নতিসাধন করবে?

বর্তমান প্রজন্ম আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ছাড়া চলতেই পারেনা। তথ্য-প্রযুক্তিতে খুবই আসক্তি, বিশেষ করে ইন্টারনেট এবং সোশ্যালমিডিয়াতে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্বকে এগিয়ে নিয়ে গেলেও বর্তমান জেনারেশনের নৈতিক মূল্যবোধকে ধংস করে দিয়েছে।

আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির মারফতে, অবৈধ সম্পর্ক, পরকীয়া, পর্ণগ্রাফি মহামারী আকারে পদার্পণ করেছে। পরকীয়া নামক নোংরা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কত সাজানো-গোছানো সংসার ধংস হয়েছে তার কোনো ইয়াত্তা নেই।

তরুণ-তরুণীদের অযাচিত পর্ণগ্রাফিতে আসক্তি, অল্প বয়সেই তাদের যৌবন ধংস করে দিচ্ছে।

এতে করে তারা পরবর্তী বৈবাহিক জীবন নিয়ে বিড়ম্বনায় ভুগছে। 

যেখানে বিবাহ পূতপবিত্র সম্পর্ক।


মোদ্দকথা হলো; কোনোভাবেই অবৈধ পথে না হেটে সামর্থবান পুরুষদের যথা সময়ে এক বা একাধিক বিবাহ করে পূতপবিত্র সুখময় দাম্পত্যজীবন লাভ করা উচিত। 


#Admin_post 

মুহাম্মাদ আবু রায়হান গিফারী

প্রাচীন ভারতের গর্ব, সিন্ধু সভ্যতা, শুধু তার শিল্প, স্থাপত্য ও লিপির জন্যই নয়, বরং তার অসাধারণ নগর পরিকল্পনা এবং উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থার জন্য আজও বিস্ময়ের উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত।

 প্রাচীন ভারতের গর্ব, সিন্ধু সভ্যতা, শুধু তার শিল্প, স্থাপত্য ও লিপির জন্যই নয়, বরং তার অসাধারণ নগর পরিকল্পনা এবং উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থার জন্য আজও বিস্ময়ের উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত। প্রায় ৫,০০০ বছর আগে (খ্রিস্টপূর্ব ২,৬০০ – ১,৯০০) গড়ে উঠেছিল এই সভ্যতা, যা মূলত হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো নামক দুই প্রধান নগরকে ঘিরে বিস্তার লাভ করে। এই শহরগুলোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল এর সুপরিকল্পিত সড়ক ব্যবস্থা ও উন্নত নিকাশী অবকাঠামো।


✅ সিন্ধু সভ্যতার ড্রেনেজ ব্যবস্থা

A. প্রতিটি ঘরের সাথেই ছিল পৃথক শৌচাগার ও স্নানঘর, যা একটি নির্দিষ্ট পাইপের মাধ্যমে মূল নিকাশী লাইনের সাথে যুক্ত ছিল।

B. রাস্তাগুলোর পাশে ছিল ঢাকনা দেওয়া ড্রেন, যা নিয়মিত পরিষ্কারের উপযোগী ছিল – একেবারে আধুনিক নগর পরিকল্পনার আদলে।

C. ড্রেনগুলি এতটাই দক্ষতার সাথে ঢালু করে তৈরি করা হয়েছিল যে, বৃষ্টির জল বা গৃহস্থালির অপচয় দ্রুত প্রবাহিত হয়ে যেত।

D. প্রতিটি ড্রেন ব্যবস্থার মধ্যে ছিল স্যান্ড ট্র্যাপ এবং পরিষ্কার করার জন্য চেম্বার, যা আজকের দিনের সিভিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের সাথে তুলনীয়।


✅ আধুনিক শহর ও নিকাশী ব্যবস্থার দুরবস্থা

i. বর্তমানে বহু শহরে অপরিকল্পিত ও অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা জলোচ্ছ্বাস, বন্যা ও পানিবাহিত রোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ii. নগরায়ণের চাপে এবং দখলদারির কারণে প্রাকৃতিক নিকাশী পথগুলো হারিয়ে যাচ্ছে বা বন্ধ হয়ে গেছে।

iii. বৃষ্টির সময় শহরের রাস্তাঘাটে জল জমে যাতায়াতে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, যা নাগরিক জীবনে এক বিশাল সমস্যা।

iv. নির্মাণ কাজের সময় পরিকল্পনার অভাব এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ঘাটতি আধুনিক ড্রেন ব্যবস্থাকে অকার্যকর করে তুলেছে।


✅ উপসংহার

যেখানে প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতার মানুষ প্রকৃতি ও মানবচাহিদার মধ্যে এক সুসমন্বিত ভারসাম্য রেখে পরিকল্পিত শহর গড়ে তুলেছিল, আজকের আধুনিক প্রযুক্তির যুগেও সেই দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গির অভাব স্পষ্ট। এই প্রাচীন নগর সভ্যতা আমাদের শেখায়, উন্নয়ন তখনই টেকসই হয় যখন তা প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে পরিকল্পিত হয়। তাই ভবিষ্যতের শহর গঠনের জন্য আমাদের উচিৎ প্রাচীন জ্ঞান ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানো।


#IndusValleyCivilization #UrbanPlanning #AncientDrainageSystem #Harappa #MohenjoDaro #SustainableCities #DrainageProblems #SmartCityIndia #HistoryOfIndia #Archaeology #AncientWisdom #ModernChallenges #CivilEngineering #UrbanIndia

মুলিয়া বিলের আশ্চর্য পাখি: ক্রেস্টেড বুন্টিং

 🐦 মুলিয়া বিলের আশ্চর্য পাখি: ক্রেস্টেড বুন্টিং!

📸 "এক মুহূর্তের অপেক্ষা, আর ক্যামেরার লেন্সে ধরা পড়ল প্রকৃতির এক নিখুঁত সৃষ্টি!"


২০১৪ সালে নড়াইল সদরের মুলিয়া বিল থেকে আমার নিজস্ব ক্যামেরায় তোলা এই দুর্লভ পাখিটির নাম ক্রেস্টেড বুন্টিং (Melophus lathami)। মাথার ওপর মুকুটের মতো ঝুঁটি আর শরীরের কালচে-বাদামি পালক একে করে তুলেছে প্রকৃতির রাজপুত্রের মতো।


এরা সাধারণত পাহাড়ি বা উপ-হিমালয় অঞ্চলে দেখা গেলেও জলাভূমির আশেপাশে মাঝে মাঝে বিচরণ করে। পাখি ও প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এটি এক দুর্লভ সৌভাগ্য।


📷 ক্যামেরা: Canon 750D

📍 লোকেশন: মুলিয়া বিল, নড়াইল সদর

🗓️ বছর: ২০১৪


🔍 প্রকৃতি আমাদের চারপাশে কত বৈচিত্র্যপূর্ণ – শুধু একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন!


🐦 “পাখির ডানায় ভর করে ছড়িয়ে পড়ে প্রকৃতির রং।”

#CrestedBunting #BirdsofBangladesh #NarailNature #BirdPhotography #মুলিয়াবিল #নড়াইল #পাখিপ্রেম

বরাবর মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশ!  বিষয়ঃ 'নারী সংস্কার কমিশন',,,, মুফতি মাহমুদউল্লাহ আল কাফি ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বরাবর

মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশ! 

বিষয়ঃ 'নারী সংস্কার কমিশন' 


স্যার, ভিন্ন ঘরনার মানুষ আপনার কাছে বিভিন্ন দাবী পেশ করবে এটাই স্বাভাবিক,তবে দাবী গুলি পূরন করার আগে আপনাকে মনে রাখা উচিত এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ Islam Dhorme বিশ্বাসী, তাই Muslimder মনে কোন বিষয়ে আঘাত করা মানে এদেশের বেশিরভাগ জনগোষ্ঠী কে আঘাত করা। 


সম্প্রতিকালে Islam সম্পর্কে অজ্ঞ কিছু নারী আপনার কাছে 'নারী সংস্কার কমিশন' নামে ৩১৮ পৃষ্ঠাব্যাপি একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। 


একজন উচ্চ শিক্ষিত মানুষ হিসেবে উক্ত বিষয়ে ধর্ম উপদেষ্টা সাহেব এবং বাইতুল মোকাররমের খতীব সাহেবের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন বলে আমরা আশাবাদী। 


তারপরও একজন Muslim হিসেবে সংক্ষেপে কয়েকটি সাংঘর্ষিক বিষয় আপনার কাছে পেশ করছি। 


এক. 

'সম্পত্তিতে সমান উত্তরাধিকার'

উক্ত প্রতিবেদনের একাদশতম অধ্যায়ের ১১.৩.১ এর 'ক' অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে 'সম্পত্তিতে নারী পুরুষের সমান অধিকার' যা সরাসরি কুরআনের বিধানের সাথে সাংঘর্ষিক। 


        یُوۡصِیۡکُمُ اللّٰہُ فِیۡۤ اَوۡلَادِکُمۡ  لِلذَّکَرِ مِثۡلُ حَظِّ الۡاُنۡثَیَیۡنِ    

আল্লাহ তোমাদের সন্তান-সন্ততি সম্পর্কে তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, পুরুষের অংশ দুই নারীর সমান।  

আন নিসা - ১১


দুই. 

'বহু বিবাহ রোধ' 'বহু বিবাহ প্রথা বিলুপ্ত'

পঞ্চম অধ্যায়ের ৩.২.৩ এর 'খ' অনুচ্ছেদ এবং তৃতীয় অধ্যায়ের ৩.২.৩.১.১ এর 'গ' অনুচ্ছেদে উক্ত দাবী গুলি করা হয়েছে। 

এটি সুরা নিসার ৩নং আয়াতের সাথে সাংঘর্ষিক। 


          فَانۡکِحُوۡا مَا طَابَ لَکُمۡ مِّنَ النِّسَآءِ مَثۡنٰی وَثُلٰثَ وَرُبٰعَ

নারীদের মধ্যে যাকে তোমাদের পছন্দ হয় বিবাহ কর  দুই-দুইজন, তিন-তিনজন অথবা চার-চারজনকে। 

আন নিসা - ৩


নোট. 

একটি বিষয় এখানে পরিষ্কার হওয়া দরকার যে শর্ত সাপেক্ষে ইসলাম পুরুষের জন্য একসঙ্গে একাধিক স্ত্রী রাখার বৈধতা দিয়েছে, এ বিষয়ে আলাদা লেখা প্রয়োজন। 


গোটা বিশ্বের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নারীদের সংখ্যা পুরুষদের সংখ্যার চেয়ে বেশি। যদি প্রত্যেক পুরুষ শুধু একজন নারীকে বিয়ে করে, তাহলে তার অর্থ এই দাঁড়াবে যে কিছু নারীকে স্বামী ছাড়াই থাকতে হবে, যা তার ওপর এবং সমাজের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করবে। এটি তার জীবনকে সংকীর্ণ করার পাশাপাশি তাকে বিপথগামিতার দিকে পরিচালিত করতে পারে। এবং এর মাধ্যমে সমাজে অনাচারের পথ প্রশস্ত হতে পারে।

এ ছাড়া বহু কল্যাণ রয়েছে, প্রয়োজনে বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করার অনুরোধ রইল। 


তিন. 

'শরীর আমার, সিদ্ধান্ত আমার'

এটি দশম অধ্যায়ে রয়েছে। এই অংশটিও কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক। 


                                 اَلَا لَہُ الۡخَلۡقُ وَالۡاَمۡرُ     

স্মরণ রেখ, সৃষ্টি ও আদেশ দান তাঁরই কাজ। 

আল আ'রাফ - ৫৪


চার. 

নারীদের অসুস্থ হওয়া কুসংস্কার, কুপ্রথা, ইত্যাদি বলা। (দশম অধ্যায়ঃ ১০.২ অনুচ্ছেদ) 

এটির দ্বারা উদ্দেশ্য হলো সুরা বাকারার ২২২ নং আয়াত কে চ্যালেঞ্জ করা। 


  وَیَسۡـَٔلُوۡنَکَ عَنِ الۡمَحِیۡضِ ؕ قُلۡ ہُوَ اَذًی ۙ فَاعۡتَزِلُوا النِّسَآءَ فِی الۡمَحِیۡضِ ۙ وَلَا تَقۡرَبُوۡہُنَّ حَتّٰی یَطۡہُرۡنَ ۚ فَاِذَا تَطَہَّرۡنَ فَاۡتُوۡہُنَّ مِنۡ حَیۡثُ اَمَرَکُمُ اللّٰہُ ؕ اِنَّ اللّٰہَ یُحِبُّ التَّوَّابِیۡنَ وَیُحِبُّ الۡمُتَطَہِّرِیۡنَ 

     

লোকে আপনার কাছে হায়য সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। আপনি বলে দিন, তা অশুচি। সুতরাং হায়যের সময় স্ত্রীদের থেকে পৃথক থেক এবং যতক্ষণ পর্যন্ত তারা পবিত্র না হয়, ততক্ষণ তাদের কাছে যেয়ো না (অর্থাৎ সহবাস করো না)। হাঁ যখন তারা পবিত্র হয়ে যাবে, তখন তাদের কাছে সেই পন্থায় যাবে, যেভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সেই সকল লোককে ভালোবাসেন, যারা তাঁর দিকে বেশি বেশি রুজু করে এবং ভালোবাসেন তাদেরকে, যারা বেশি বেশি পাক-পবিত্র থাকে।

আল বাকারা - ২২২


পাচ. 

"ট্রান্সজেন্ডার"

চতুর্থ অধ্যায়ের ৪.১ অনুচ্ছেদে 'জেন্ডার' বলে পরোক্ষভাবে ট্রান্সজেন্ডারের বিষয়ে বলা হয়েছে, যা কুরআন ও সুন্নাহের সাথে সাংঘর্ষিক, এগুলো ইবলিসের পলিসি,   


                  وَلَاٰمُرَنَّہُمۡ فَلَیُغَیِّرُنَّ خَلۡقَ اللّٰہِ

তাদেরকে আদেশ করব, ফলে তারা আল্লাহর সৃষ্টিকে বিকৃত করবে। 

আন নিসা - ১১৯


لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمُتَشَبِّهِينَ مِنَ الرِّجَالِ بِالنِّسَاءِ، وَالْمُتَشَبِّهَاتِ مِنَ النِّسَاءِ بِالرِّجَالِ‏

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ সব পুরুষকে লা’নত করেছেন যারা নারীর বেশ ধরে এবং ঐসব নারীকে যারা পুরুষের বেশ ধরে।

বুখারী- ৫৮৮৫


ছয়. 

'বিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ ইত্যাদি ক্ষেত্রে নারী পুরুষের সমান অধিকার'(ষষ্ঠ অধ্যায়ঃ ৬.৩.১ এর 'ক' অনুচ্ছেদ) 


 اَلرِّجَالُ قَوّٰمُوۡنَ عَلَی النِّسَآءِ بِمَا فَضَّلَ اللّٰہُ بَعۡضَہُمۡ عَلٰی بَعۡضٍ وَّبِمَاۤ اَنۡفَقُوۡا مِنۡ اَمۡوَالِہِمۡ        

পুরুষ নারীদের অভিভাবক, যেহেতু আল্লাহ তাদের একের উপর অন্যকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন এবং যেহেতু পুরুষগণ নিজেদের অর্থ-সম্পদ ব্যয় করে। 

আন নিসা - ৩৪


নোট:-

কোন নারী পুরুষ কর্তৃক নির্যাতনের স্বীকার হলে সেখানে ও ইসলামের বিধান রয়েছে, সে বিষয়ে আলেমদের থেকে পরামর্শ নিলেই চলবে। 


সাত. 

'দত্তক শিশুকে গর্ভজাত শিশুর ন্যায় বিধান করা'

(তৃতীয় অধ্যায়ঃ ৩.২.২.১.৪ এর 'খ' অনুচ্ছেদ) 

এটিও একটি জোরপূর্বক প্রস্তাবনা, কুরআন এ বিষয়ে স্পট বার্তা দিয়েছে, 


وَمَا جَعَلَ اَدۡعِیَآءَکُمۡ اَبۡنَآءَکُمۡ ؕ ذٰلِکُمۡ قَوۡلُکُمۡ بِاَفۡوَاہِکُمۡ ؕ وَاللّٰہُ یَقُوۡلُ الۡحَقَّ وَہُوَ یَہۡدِی السَّبِیۡلَ        

আর তোমাদের মুখের ডাকা পুত্রদেরকে তোমাদের প্রকৃত পুত্র সাব্যস্ত করেননি। এটা তো তোমাদের মুখের কথামাত্র। আল্লাহ সত্য কথাই বলেন এবং তিনিই সঠিক পথ প্রদর্শন করেন।

আল আহ্‌যাব - ৪


আট. 

'শ্রম আইনে যৌনকর্মীদের শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান' (দ্বাদশ অধ্যায়ঃ ১২.৩.১১ এর 'জ' অনুচ্ছেদ) 

এটা ইলাহী গজব ডেকে আনার প্রস্তাবনা, এই জাতীয় সিদ্ধান্ত গ্ৰহন করলে কিছুদিন পর ধর্ষকরাও শ্রম অধিকার চেয়ে বসবে। 


 اَلزَّانِیَۃُ وَالزَّانِیۡ فَاجۡلِدُوۡا کُلَّ وَاحِدٍ مِّنۡہُمَا مِائَۃَ جَلۡدَۃٍ ۪ وَّلَا تَاۡخُذۡکُمۡ بِہِمَا رَاۡفَۃٌ فِیۡ دِیۡنِ اللّٰہِ اِنۡ کُنۡتُمۡ تُؤۡمِنُوۡنَ بِاللّٰہِ وَالۡیَوۡمِ الۡاٰخِرِ ۚ وَلۡیَشۡہَدۡ عَذَابَہُمَا طَآئِفَۃٌ مِّنَ الۡمُؤۡمِنِیۡنَ 

      

ব্যভিচারিণী ও ব্যভিচারী তাদের প্রত্যেককে একশত চাবুক মারবে। তোমরা যদি আল্লাহ ও পরকালে ঈমান রাখ, তবে আল্লাহর দীনের ব্যাপারে তাদের প্রতি করুণাবোধ যেন তোমাদেরকে প্রভাবিত না করে। আর মুমিনদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে।

আন নূর - ২


নয়. 

'কোন ধর্মীয় বিধান অনুসরণ করে সংবিধান শুরু করা উচিৎ নয়'

এটা ধর্মনিরপেক্ষতার নামে Islam কে হেয় করার চেষ্টা মাত্র। 


                               اِنَّ الدِّیۡنَ عِنۡدَ اللّٰہِ الۡاِسۡلَامُ  

নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট (গ্রহণযোগ্য) দীন কেবল ইসলামই। 

আলে ইমরান - ১৯


 وَمَنۡ یَّبۡتَغِ غَیۡرَ الۡاِسۡلَامِ دِیۡنًا فَلَنۡ یُّقۡبَلَ مِنۡہُ ۚ وَہُوَ فِی الۡاٰخِرَۃِ مِنَ الۡخٰسِرِیۡنَ        

যে ব্যক্তিই ইসলাম ছাড়া অন্য কোনও দীন অবলম্বন করতে চাবে, তার থেকে সে দীন কবুল করা হবে না এবং আখিরাতে সে মহা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

আলে ইমরান - ৮৫


অতএব

জনাবের নিকট আকুল আবেদন এই যে, কিছু অসাধু মানুষের কুরুচিপূর্ণ চাহিদার কাছে এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের বিশ্বাস কে আঘাত করে তাদেরকে কষ্ট দিবেন না। 


জীবনের শেষ বেলায় এসে একজন গর্বিত Muslim হিসেবে সারা পৃথিবীকে ভালো কিছু উপহার দিয়ে সবার কাছে স্মরনীয় হয়ে থাকার এটাই আপনার সুবর্ণ সুযোগ। 


নিবেদক

একজন বাঙালি Muslim 

আরিফ বিন হাবিব

ইলিয়াস কান্চন-ই একমাত্র সুপারস্টার =  শাবানা ববিতা থেকে শুরু করে মুনমুন পর্যন্ত শেষ করেছেন=

 ইলিয়াস কান্চন-ই একমাত্র সুপারস্টার = 

শাবানা ববিতা থেকে শুরু করে মুনমুন পর্যন্ত শেষ করেছেন=

ইলিয়াস কান্চনের যারা নায়িকা ছিলেন = 

১. শাবানা 

২. ববিতা 

৩. রোজিনা 

৪. সুচরিতা 

৫. অন্জু 

৬. চম্পা 

৭.  দিতি 

৮. মৌসুমী 

৯. পপি 

১০. মুনমুন 

এই সব নায়িকাদের সাথে তার একটি জুটি তৈরী হয়েছিল,তাছাড়াও বহু নায়িকাদের সাথে অনেক ছবিতে অভিনয় করেছেন। 

আজ ইলিয়াস কান্চন অভিনীত সব ছবির নাম উল্লেখ করলাম= 

১. বসুন্ধরা - ১৯৭৭ সাল - ববিতা 

২. ডুমুরের ফুল - ১৯৭৮ সাল - ববিতা 

৩. সুন্দরী - ১৯৭৯ সাল - ববিতা 

৪. শেষ উত্তর - ১৯৮০ সাল - শাবানা 

৫. ভালো মানুষ - ১৯৮১ 

৬. সাক্ষি - ১৯৮১ 

৭. কলমী লতা - ১৯৮১ 

৮. রাজা সাহেব - ১৯৮২ 

৯. রেশমী চুড়ি - ১৯৮২ 

১০. বড় বাড়ীর মেয়ে - ১৯৮২ 

১১. নালিশ - ১৯৮২ 

১২. চাঁদ সুরুজ - ১৯৮২ 

১৩. কাজল লতা - ১৯৮২ 

১৪. মোহনা - ১৯৮২ 

১৫. সিকেন্দার - ১৯৮৩ 

১৬. আখি মিলন - ১৯৮৩ 

১৭. অন্ধ বধু - ১৯৮৩ 

১৮. বংশধর - ১৯৮৪ 

১৯. অভিযান - ১৯৮৪ 

২০. বউ কথা কও - ১৯৮৪ 

২১. ষড়যন্ত্র - ১৯৮৪ 

২২. শাহী কানুন - ১৯৮৪ 

২৩. জিপসী সর্দার - ১৯৮৪ 

২৪. নসীব - ১৯৮৪ 

২৫. রাধাকৃষ্ণ - ১৯৮৫ 

২৬. প্রেম কাহিনী - ১৯৮৫ 

২৭. মোজাহিদ - ১৯৮৫ 

২৮. পরিস্হান - ১৯৮৫ 

২৯. সমসের - ১৯৮৫ 

৩০. তিন কন্যা - ১৯৮৫ 

৩১. অহিংসা - ১৯৮৫ 

৩২. ইনসাফ - ১৯৮৬ 

৩৩. তালুকদার - ১৯৮৬ 

৩৪. বাল্য শিক্ষা - ১৯৮৬ 

৩৫. বিষ কন্যার প্রেম - ১৯৮৬ 

৩৬. তওবা - ১৯৮৬ 

৩৭. দাগী - ১৯৮৬ 

৩৮. ডাকু মনসুর - ১৯৮৬ 

৩৯. ভাইবন্ধু - ১৯৮৬ 

৪০. পরিনীতা - ১৯৮৬ 

৪১. নবাব - ১৯৮৬ 

৪২. প্রতিরোধ - ১৯৮৭ 

৪৩. আওয়াজ - ১৯৮৭ 

৪৪. স্বর্গ নরক - ১৯৮৭ 

৪৫. হাসি - ১৯৮৭ 

৪৬. মর্যাদা - ১৯৮৭ 

৪৭. সহযাত্রী - ১৯৮৭ 

৪৮. শাহী খান্দান - ১৯৮৭ 

৪৯. দায়ী কে - ১৯৮৭ 

৫০. নির্যাতন - ১৯৮৭ 

৫১. আদিল - ১৯৮৮ 

৫২. নীতিবান - ১৯৮৮ 

৫৩. হুশিয়ার - ১৯৮৮ 

৫৪. ভেজাচোখ - ১৯৮৮ 

৫৫. স্বর্পরানী - ১৯৮৮ 

৫৬. দবর দোস্ত - ১৯৮৮ 

৫৭. আশ্রয় - ১৯৮৮ 

৫৮. সুখের সন্ধানে - ১৯৮৮ 

৫৯. সালমা - ১৯৮৮ 

৬০. বউ শাশুড়ী - ১৯৮৮ 

৬১. জেল হাজত - ১৯৮৯ 

৬২. জীবন বাজী - ১৯৮৯ 

৬৩. বিধাতা - ১৯৮৯ 

৬৪. স্বীকার - ১৯৮৯ 

৬৫. গৌরব - ১৯৮৯ 

৬৬. অপরাধী - ১৯৮৯ 

৬৭. নিষপত্তি - ১৯৮৯ 

৬৮. দূর্নাম - ১৯৮৯ 

৬৯. আইন আদালত -১৯৮৯ 

৭০. বেদের মেয়ে জোসনা - ১৯৮৯ - সর্বাধিক ব্যাবসা সফল 

৭১. পিতা - 

৭২. ছেলেকার 

৭৩. খুনি 

৭৪. সহ ধর্মিনী 

৭৫ শর্ত 

৭৬. বোনের মতো বোন 

৭৭. প্রতারক 

৭৮. কসম 

৭৯. প্রেম প্রতিজ্ঞা - ১৯৯০ 

৮০. ঘর ভাঙ্গা সংসার 

৮১. কৈফিয়ত 

৮২. ঘর আমার ঘর 

৮৩. শংখ মালা 

৮৪. স্বধীন 

৮৫. আদেশ 

৮৬. আপন পর 

৮৭. কুসুম কলি 

৮৮. রতন মালা 

৮৯. বিশ্বাস অবিশ্বাস 

৯০. অকৃতজ্ঞ - ১৯৯১

৯১. বাদশা ভাই 

৯২. রঙিন মালকা বানু 

৯৩. শশুরবাড়ী 

৯৪. সন্মান 

৯৫. রাজার মেয়ে বেদেনী 

৯৬. আয়না বিবির পালা 

৯৭. ন্যায় যুদ্ধ 

৯৮. লটারী 

৯৯. স্ত্রীর পাওনা 

১০০. দিলরুবা 

১০১. বাপ বেটা ৪২০ 

১০২. দয়ামায়া 

১০৩. মা মাটি দেশ - ১৯৯২ 

১০৪. দায়িত্ব 

১০৫. রঙিলা 

১০৬. পরমা সুন্দরী 

১০৭. প্রেম লড়াই 

১০৮. মাটির কসম 

১০৯. ঘরের সুখ 

১১০. বন্ধন 

১১১. চাকর 

১১২. মায়ের ইজ্জত 

১১৩. প্রেম যমুনা 

১১৪. রক্তের বদলা 

১১৫. বেপরোয়া 

১১৬. প্রেমের প্রতিদান 

১১৭. জন্মদাতা 

১১৮. বেনাম বাদশা 

১১৯. গাড়ীয়াল ভাই 

১২০. বিক্রোম - ১৯৯৩ 

১২১. আত্ন বিশ্বাস 

১২২. প্রেম সোহাগী 

১২৩. রুপের রানী গানের রানী 

১২৪. অচিন দেশের রাজকুমার 

১২৫. আবদার 

১২৬. ভয়ংকর সাত দিন 

১২৭. জনি ওস্তাদ 

১২৮. খুনি আসামী 

১২৯. ত্যাগ 

১৩০. মহৎ 

১৩১. অন্তর জ্বালা 

১৩২. শেষ উপহার 

১৩৩. নয়া লায়লা নয়া মজনু 

১৩৪. স্বার্থপর 

১৩৫. মহাগ্যান্জাম - ১৯৯৪ 

১৩৬. সিপাহী 

১৩৭. চাঁদ কুমারী চাষার ছেলে 

১৩৮. দুঃখিনী বধু শয়তান যাদুকর 

১৩৯. আতংক 

১৪০. হত্যা 

১৪১. সোহরাব রুস্তম 

১৪২. সৎ মানুষ 

১৪৩. অপরাজিত নায়ক 

১৪৪. গোলাপী এখন ঢাকায় 

১৪৫. রুপ নগরের রাজকন্যা 

১৪৬. আজকের বাদশা 

১৪৭. চরম আঘাত 

১৪৮. অবলম্বন 

১৪৯. আসামী গ্রেফতার 

১৫০. হাতকড়া 

১৫১. কমান্ডার 

১৫২. অগ্নি স্বাক্ষর  

১৫৩.দয়াবান 

১৫৪. পাষান 

১৫৫. ভাংচুর 

১৫৬. কুংফু কন্যা 

১৫৭. প্রতিশোধের আগুন 

১৫৮. আদরের সন্তান 

১৫৯. শেষ রক্ষা 

১৬০. দূর্নিতীবাজ 

১৬১. লালু সর্দার 

১৬২. কাল পুরুষ 

১৬৩. মহাযুদ্ধ 

১৬৪. নয়া তুফান 

১৬৫. স্বজন - ১৯৯৬ 

১৬৬. বাঁশিওয়ালা 

১৬৭. বিদ্রোহী কন্যা 

১৬৮. অজানা শক্রু 

১৬৯. আত্নত্যাগ 

১৭০. বদ সুরত 

১৭১. স্নেহের প্রতিদান 

১৭২৷ কালু গুন্ডা 

১৭৩. দূর্জয় 

১৭৪. গোলাগুলি - ১৯৯৭  

১৭৫. শাস্তির বদলে শাস্তি 

১৭৬. গুন্ডা পুলিশ 

১৭৭. বডিগার্ড 

১৭৮. দরদীসন্তান 

১৭৯. আম্মা 

১৮০. মহানবন্ধু 

১৮১. বাঁচার লড়াই 

১৮২. অন্ধ ভালোবাসা 

১৮৩. ফাঁসি 

১৮৪. আত্নপ্রকাশ 

১৮৫. বেঈমান 

১৮৬. সুখের ঘরে দুঃখের আগুন 

১৮৭. মোনাফেক 

১৮৮. সুন্দরী মিস বাংলাদেশ 

১৮৯.  ক্ষমা নেই 

১৯০. মৃত্যুর মুখে - ১৯৯৮ 

১৯১. অচল পয়সা 

১৯২. আমার দেশ আমার প্রেম 

১৯৩. বিদ্রোহী সন্তান 

১৯৪. বাঘা আকবর 

১৯৫. রক্তের অধিকার 

১৯৬. ভাই 

১৯৭. গুপ্ত ঘাতক 

১৯৮. আমি এক অমানুষ 

১৯৯. দুই রংবাজ 

২০০. মেয়ের অধিকার 

২০১. বদলা নেবো 

২০২. রাজার ভাই বাদশা - ১৯৯৯ 

২০৩. মৃত্যু কত ভয়ংকর 

২০৪. স্পর্ধা 

২০৫. বারাম বাদশা 

২০৬. মুন্না মাস্তান 

২০৭. ভন্ড প্রেমিক 

২০৮. জবর দখল 

২০৯. শক্রু ধ্বংস 

২১০. মনের মিলন 

২১১. শিবা গুন্ডা 

২১২. বাবার বাবা 

২১৩. ভাই কেন আসামী 

২১৪. জিদ্দী সন্তান - ২০০০ 

২১৫. বিদ্রোহী আসামী 

২১৬. মনে রেখো পৃথিবী 

২১৭. পেশাদার খুনী 

২১৮. ভয়ংকর নারী 

২১৯. চেয়ারম্যান - ২০০১ 

২২০. ইজ্জতের লড়াই 

২২১. ভালোবাসার শক্রু - ২০০২ 

২২২. টাইরেক্ট এ্যাকশন 

২২৩. ওরা সাহসী - ২০০৩ 

২২১. শাস্তি - ২০০৪ 

২২৩. হাজী শরিয়তুল্লাহ - ২০০৫ 

২২৪. বিদ্রোহী পদ্না - ২০০৬ 

২২৫. নিরন্তর 

২২৬. রাঙা বাইদানী 

২২৭. আমি বাঁচতে চাই - ২০০৭ 

২২৮. ও আমার ছেলে 

২২৯. পদ্না আমার জীবন - ২০০৮ 

২৩০. বাবা আমার বাবা 

২৩১. মায়ের স্বপ্ন 

২৩২. কে আসামী - ২০০৯ 

২৩৩. সেই তুফান - ২০১০ 

২৩৪. নিঝুম অরন্যে 

২৩৫. যেখানে তুমি সেখানে আমি 

২৩৬. বন্ধু তুমি আমার - ২০১১ 

২৩৭. আই লাভ ইউ - ২০১২ 

২৩৮. চারুলতা - 

২৩৯. জটিল প্রেম - ২০১৩ 

২৪০. এপার ওপার - ২০১৫ 

২৪১. স্বর্গ থেকে নরক 

২৪২. হঠাৎ দেখা - ২০১৭ 

২৪৩. বিজলী - ২০১৮ 

২৪৪. ফিরে দেখা - ২০২৩ 

২৪৫. অচেনা - ছবিটি ছাড়া গিয়েছিল 

আরো কিছু ছবির নাম জানা থাকলে আপনারা কমেন্ট এ নাম উল্লেখ করে জানাবেন - 

বিঃদ্রঃ আমার আম্মা বলতো - আমাকে না কি দেখতে ঠিক ইলিয়াস কান্চন এর মতো লাগতো - যখন আমি কলেজে পড়তাম। 

                     রবিউল ইসলাম রাজ 

                       চলচ্চিত্র পরিচালক 

                         01948-329383

একজন মানুষ চমক হাসান  ভাইয়ের পোস্টে কমেন্ট করলেন-

 একজন মানুষ চমক হাসান  ভাইয়ের পোস্টে কমেন্ট করলেন-

"পদার্থবিজ্ঞান ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ পরে এখন আপনি বাচ্চাদের গান লিখেন। আপনার স্নাতক এর পড়া বিষয়ে কোনো কার্যক্রম করতে দেখলাম না। দেশের রাজস্বের টাকায় ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে এখন ছং ফং করেন, আর এটা গর্ব করে প্রচার করেন।আপনার উচিত ছিল নাট্যকলা আর্টে পড়া, রিক্সা আর ট্রাকের পেছনে পেইন্টিং করতেন।"

চমক হাসান ভাই সুন্দর করে তার জবাব দিলেন।যে জবাবটি দিলেন তাতে আমার মন ছুঁয়ে গেলে।সত্যিই মানুষ যতো আলোকিত হয়,ততোই বুঝি বিনয়ী হতে থাকে?এক জীবনে চমক হাসান ভাইয়ার কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।

চলুন তার উত্তরটা শুনে আসি!তার উত্তরটা এজন্য শুনে আসি,পোস্টটা এজন্য করছি-কারণ এতেও সম্ভবত সমাজের এক শ্রেণীর মানুষের বোধের সামান্যতম হলেও পরিবতর্ন হবে।নতুন করে ভাবতে শিখবে।কি লিখলেন তিনি? 

-

-

-

"ধন্যবাদ, আপনার মন্তব্যের জন্য। পেশাগতভাবে আমি এখনও একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। গান বা অঙ্ক করি বা না করি সপ্তাহে অন্তত চল্লিশ ঘণ্টা ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর পেছনে আমাকে দিতেই হয়। এই মুহূর্তে যে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছি, সেটা সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পেতে পারেন IEEE বাংলাদেশ শাখার আয়োজিত সেমিনারে-।হ্যাঁ, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভিডিও বানানোর ইচ্ছে আছে।  'ফুরিয়ার সিরিজ' নিয়ে একটা ভিডিও সিরিজ এপ্রিলে শুরু করবো আশা রাখি।


আপনার বক্তব্যের নোংরা ইঙ্গিতগুলো যদি বাদও দিই, যৌক্তিকভাবেও কতগুলো সিরিয়াস সমস্যা আছে। 

১. আপনি ধরে নিচ্ছেন যে, মানুষ যে বিষয়ে পড়ালেখা করেছে তার সেটা নিয়েই কাজ করতে হবে। জ্বি না- এমন কোনো বাধ্যবাধকতা কোথাও নাই। মানুষের নিজের পছন্দসই কাজ করার স্বাধীনতা আছে। যে যেভাবে ভালো থাকে, থাকতে দিন। রোয়ান এটকিনসন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে সেটা ছেড়ে দিয়ে মিস্টার বিন বানালে, অনুপম রায় ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে সেটা ছেড়ে দিয়ে গান লিখলে, এঙ্গেলা মার্কেল কেমিস্ট্রিতে পিএইচডি করার পর সেটা ছেড়ে দিয়ে দেশের চ্যান্সেলর হলে, কিংবা হুমায়ূন আহমেদ কেমিস্ট্রির অধ্যাপনা ছেড়ে দিয়ে মুভি বানালে কোনো ক্ষতি হয় না। বরং পৃথিবী সমৃদ্ধই হয়।


২.  দেশের রাজস্ব খাত নিয়েও আপনাকে ভাবতে হবে না। দেশের বাইরে থাকার পরেও দুইভাবে রাজস্ব খাতে ভূমিকা রাখতে পারি। প্রথমত, এখান থেকে রেমিটেন্স পাঠাই।  দ্বিতীয়ত, দেশে বই প্রকাশ করি, যা থেকে প্রকাশক এবং আমার পরিবার উপকৃত হয়। আর বিক্রীত বইয়ের মূল্য সংযোজন কর সরাসরি দেশের রাজস্বে যুক্ত হয়। 


৩.  ফেসবুক দেখে মানুষের জীবনাচরণ বিচার করছেন, যেটা খুবই অগভীর চিন্তার বহিঃপ্রকাশ। আমার জীবনযাত্রার খুবই ক্ষুদ্র একটা অংশ ফেসবুকে প্রকাশ পায়। ততটুকু, যতটুকু আমাকে আমার অনুরাগী, শুভানিধ্যায়ীদের সঙ্গে যুক্ত রাখবে, যতটুকু তাদের আনন্দ দেবে কিংবা কিছু শেখাবে।  MRI RF Pocket Electric Field analysis নিয়ে আলোচনা করার জন্য আমার টীম আছে, কনফারেন্স আছে- সেটা ফেসবুকে আমি করি না। অতএব আপনি ফেসবুক দেখে সিদ্ধান্ত নিলেন যে আমি ইলেক্ট্রক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে কিছু করি না। না, এটা ভুল চিন্তা।  


৪.  আপনার শেষ লাইন থেকে বোঝা যায় যে, আর্ট, রিকশা পেইন্টিং, নাট্যকলা এগুলোকে আপনি পদার্থবিজ্ঞান বা ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে নীচু পর্যায়ের কাজ চিন্তা করছেন। হাস্যকর ভাবনা। কবিতা, গান, আর্ট এসব ব্যাপার বিজ্ঞান বা প্রকৌশল থেকে কোনোভাবেই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। আরও পড়ালেখা করা এবং জানার পরামর্শ রইলো। 

ভালো থাকবেন।"


আপনিও ভালোবাসায় ভালো থাকবেন চমক ভাইয়া।ভালোবাসায় বেঁচে থাকবেন আমাদেরকে গণিতকে এতো ভালোবাসতে শেখানোর জন্য,গানের জন্য লিখার জন্য,মাটির মানুষ হয়ে আমাদের সাথে মিশে যাবার জন্য।♥


(ওমেগা টিউটরস থেকে খুঁজে নিতে পারেন এমবিবিএস ১ম-৫ম বর্ষ, এইচএসসি, এসএসসি শিক্ষার্থীদের জন্য হোম টিউটর )

ভাইরালের যুগে শিক্ষক হয়ে আছি মহাবিপদে।

 ভাইরালের যুগে শিক্ষক হয়ে আছি মহাবিপদে।

শিক্ষকতা করার কারণে ছাত্রদেরকে কন্ট্রোল করার জন্য মাঝে মাঝে কিছু শব্দ একটু বেশি বলতে হয়।

যেমন ধরেন:—


🛎️ ছাত্ররা বেশি এলোমেলো করলে কিংবা ক্লাসে বসতে দেরি করলে বলতে হয়, "বসেন বসেন"

দুইবার "বসেন বসেন" বললেই তাহেরীর কথা মনে পড়ে যায়। ছাত্ররাও থাকিয়ে মুচকি হাসি দেয়! 🙂


🛎️ ক্লাসে কিছু বয়স্ক ছাত্র থাকে, এদেরকে আমি মাঝে মধ্যে "মুরুব্বী" বলে ডাক দেই। কিন্তু এখন মুরুব্বী বলতে গেলেই ব্যাকগ্রাউন্ড সাউন্ড বাজে, "মুরুব্বী মুরুব্বী উহু উহু উহু"


🛎️ বছরের শুরুতে নতুন অনেক ছাত্র গ্রাম থেকে আসার কারণে না বুঝে অনেক ভুল করে বসে, যদি ডাক দিয়ে বলি— এটা করলে কেন? ডান বাম থেকে আওয়াজ শোনা যায় "নতুন নতুন" বুজ্জেনা বুজ্জেনা।


🛎️ অনেক সময় ক্লাসে বসে ছাত্ররা দুষ্টামি করে, তাই মাঝে মধ্যে তাদেরকে ধমক দেয়ার জন্য বলতে হয়, "ওই কীরে..."কিন্তু এখন বলতে গেলে নিঃশব্দ ব্যাকগ্রাউন্ড সাউন্ড কানে বেজে ওঠে," ওই কীরে ! ওই কীরে! মধু মধু, আগুন আগুন, রসমালাই রসমালাই !

(কপি)

ইসলাম ধর্মমত অনুযায়ী, ইবলিশ শয়তানদের নেতা। 

 ইসলাম ধর্মমত অনুযায়ী, ইবলিশ শয়তানদের নেতা। এই শব্দের অর্থ চরম হতাশ।কুরআন অনুসারে, যখন ইবলিস আদমকে সেজদা করার আদেশ অমান্য করেছিল তখন তাকে জান্নাতের বাহিরে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। ইসলামি ধর্মতত্ত্বে ইবলিসকে এমন বৈশিষ্ট্য এবং কর্মের উদাহরণ হিসাবে বিবেচনা করা হয় যাকে আল্লাহ জাহান্নামে শাস্তি দিবেন। ইবলিসের উৎপত্তি ও প্রকৃতি সম্পর্কে দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। কুরআনের ব্যাখ্যা (তাফসির) এবং নবীদের গল্প (কিসাস আল-আম্বিয়া) ইবলিসের মূল কাহিনীকে আরও বিশদভাবে বর্ণনা করে।

ইবলিশ হলো আকৃতি বিহীন আগুন। তবে তার যেকোন রুপ ধারন করার ক্ষমতা আছে। এবং যে কোন মানুষের চিন্তা শক্তি ও নফসের উপরে বর করার ক্ষমতা আছে।


ইসলাম ধর্মে ইবলিসকে দুষ্ট জিন বলা হয়েছে। পবিত্র কুরআন এ উল্লেখ করা হয়েছে, যে যখন আল্লাহ আদম (আলাইহিস সালাম) কে সৃষ্টি করলেন এবং তিনি সকল ফেরেশতাদের বললেন আদমকে সিজদাহ্ করতে, তখন সকল ফেরেশতা সিজদাহ্ করলো। অথচ ইবলিস (শয়তান) সিজদাহ্ করলো না। ফলে সে অবিশ্বাসীদের অন্তর্ভুক্ত হলো এবং আল্লাহ তাকে অভিশপ্ত করলেন।


কুরআনে বর্ণিত ইবলিশ শয়তানের কাহিনী- 


সুরা আল আরাফ (১১—৩৭):


আমি তো তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, অতঃপর তোমাদের আকৃতি দিয়েছি, অতঃপর ফেরেশতাদের নির্দেশ দিলাম আদমকে সাজদাহ করার জন্য। তখন ইবলিস ছাড়া সবাই সিজদা করল। সে সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হল না।

তিনি বললেন, “আমি যখন তোমাকে আদেশ দিলাম তখন কি তোমাকে নিবৃত্ত করল যে, তুমি সিজদা করলে না?” সে বলল, “আমি তার চেয়ে শ্ৰেষ্ঠ; আপনি আমাকে আগুন দিয়ে সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে কাদামাটি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন।”

তিনি বললেন, “তাহলে তুমি এখান থেকে নেমে যাও, এখানে থেকে অহংকার করবে, এটা হতে পারে না। সুতরাং তুমি বের হয়ে যাও, নিশ্চয় তুমি অধমদের অন্তর্ভুক্ত।”

সে বলল, “আমাকে সেদিন পর্যন্ত অবকাশ দিন ,যেদিন তারা পুনরুত্থিত হবে।”

তিনি বললেন, “নিশ্চয় তুমি অবকাশপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত।”

সে বলল, “আপনি যে আমাকে পথভ্রষ্ট করলেন, সে কারণে অবশ্যই অবশ্যই আমি আপনার সরল পথে মানুষের জন্য বসে থাকব।”

তারপর অবশ্যই আমি তাদের কাছে আসব তাদের সামনে থেকে ও তাদের পিছন থেকে, “তাদের ডানদিক থেকে ও তাদের বাম দিক থেকে এবং আপনি তাদের অধিকাংশকে কৃতজ্ঞ পাবেন না।”

তিনি বললেন, “এখান থেকে বের হয়ে যাও ধিকৃত,বিতাড়িত অবস্থায়। মানুষের মধ্যে যারাই তোমার অনুসরণ করবে, অবশ্যই অবশ্যই  আমি তোমাদের সবাইকে দিয়ে জাহান্নাম পূর্ণ করব।”

“আর হে আদম! আপনি ও আপনার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস করুন, অতঃপর যেথা হতে ইচ্ছা খান, কিন্তু এ গাছের ধারে –কাছেও যাবেন না, তাহলে আপনারা যালেমদের অন্তর্ভুক্ত হবেন।”

তারপর তাদের লজ্জাস্থান, যা তাদের কাছে গোপন রাখা হয়েছিল তা তাদের কাছে প্রকাশ  করার জন্য শয়তান তাদেরকে কুমন্ত্রণা দিল এবং বলল, “পাছে তোমরা উভয় ফেরেশতা হয়ে যাও কিংবা তোমরা স্থায়ীদের অন্তর্ভুক্ত হও, এ জন্যেই তোমাদের রব এ গাছ থেকে তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন।”

আর সে তাদের উভয়ের কাছে শপথ করে বলল , “নিশ্চয় আমি তোমাদের শুভাকাংখীদের একজন।'

অতঃপর সে তাদেরকে প্রবঞ্চনার দ্বারা অধঃপতিত করল। এরপর যখন তারা সে গাছের ফল খেল, তখন তাদের লজ্জাস্থান তাদের কাছে প্রকাশ হয়ে পড়ল এবং তারা জান্নাতের পাতা দিয়ে  নিজেদেরকে আবৃত করতে লাগল। তখন তাদের রব তাদেরকে ডেকে বললেন, “আমি কি তোমাদেরকে এ গাছ থেকে নিষেধ করিনি এবং আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, নিশ্চয় শয়তান তোমাদের উভয়ের প্রকাশ্য শত্রু ?”

তারা বলল, “হে আমাদের রব আমরা নিজেদের প্রতি যুলুম করছি। আর যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং দয়া না করেন, তবে অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব।“

তিনি বললেন, “তোমরা নেমে যাও, তোমরা একে অন্যের শক্র এবং যমীনে কিছুদিনের জন্য তোমাদের বসবাস ও জীবিকা রইল।”

তিনি বললেন, “সেখানেই তোমারা যাপন করবে এবং সেখানেই তোমরা মারা যাবে। আর সেখান থেকেই তোমাদেরকে বের করা হবে।”

আর স্মরণ করুন, যখন আমরা ফেরেশতাদের বললাম, আমাকে সিজদা করো, তখন ইবলিশ ছাড়া সকলেই সিজদা করলো ; সে অস্বীকার করলো ও অহংকার করলো। আর সে কাফেরদের অন্তর্ভুক্ত হলো।

আর আমারা বললাম, “হে আদম ! আপনি ও আপনার স্ত্রী  জান্নাতে বসবাস করুন এবং যেখান থেকে স্বাচ্ছন্দ্যে আহার করুন, কিন্তু এই গাছটির কাছে যাবেন না ; তাহলে আপনারা হবেন যালিমদের অন্তর্ভুক্ত।”

অতঃপর শয়তান সেখান থেকে তাদের পদস্থলন ঘটালো এবং তারা যেখানে ছিলো সেখান থেকে তাদের কে বের করলো। আর আমরা বললাম, ‘তোমরা একে অন্যের শত্রু রুপে নেমে যাও; এবং কিছু দিনের জন্য তোমাদের  ও জীবিকা রইল জমিনে।”

তারপর আদম তার রবের কাছ থেকে কিছু বাণী পেলেন। অতঃপর আল্লাহ্‌ তার তাওবা কবুল করলেন।নিশ্চয় তিনিই তাওবা কবুলকারী,পরম দয়ালু।


তথ্য সংগৃহীত ইন্টারনেট থেকে।

শুক্রবার, ২ মে, ২০২৫

ইসলামিক স্টোরি:  দাজ্জালের পিতা-মাতার ত্রিশ বছর পর্যন্ত দাম্পত্য জীবন কাটবে কিন্তু তাদের কোন সন্তান হবে না।

 ইসলামিক স্টোরি:

 দাজ্জালের পিতা-মাতার ত্রিশ বছর পর্যন্ত দাম্পত্য জীবন কাটবে কিন্তু তাদের কোন সন্তান হবে না। এরপর তাদের একটি ছেলে সন্তান হবে যার দাঁতগুলো হবে বড় বড়, দেহ হবে অস্বাভাবিক দীর্ঘকায় এবং হালকা গড়নের। তার নাসিকা মোরগের মত দীর্ঘ ও চিকন প্রকৃতির হবে।


দাজ্জাল কোথায় আছে এ নিয়ে মহিলা সাহাবি ফাতিমা বিনতে ক্বায়েস (রা.)বর্ণনা করেন, রাসূল (সা.) মসজিদে নামাজ শেষে মিম্বারে উঠে বললেন, ‘তামিম আদ-দারি ছিল একজন খ্রিস্টান। সে আমার কাছে আগমন করে ইসলাম গ্রহণ করেছে। সে একটি ঘটনা বর্ণনা করেছে, যা তোমাদের কাছে আমার বলা দাজ্জালের ঘটনার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। 


তামিম আদ-দারি বলেছে, কিছু লোককে সঙ্গে নিয়ে আমি একবার সমুদ্রভ্রমণে বের হই। একসময় ঝড়ের কবলে পড়ে দিকভ্রান্ত হয়ে যাই। এক মাস পর্যন্ত সমুদ্রের ঢেউ আমাদের নিয়ে খেলা করতে থাকে। 


পরিশেষে, ঢেউ পশ্চিম দিকের একটি দ্বীপে আমাদেরকে নিয়ে পৌঁছায়। তারপর আমরা ছোট ছোট নৌকায় চড়ে দ্বীপের অভ্যন্তরে প্রবেশ করি। সেখানে এক বিশেষ প্রাণীর সন্ধান পাই। প্রাণীটি স্থূল ও ঘনচুলবিশিষ্ট। কথোপকথনে সে জানাল, সে জাসসাসাহ অর্থাৎ সংবাদ সংগ্রহকারী গোয়েন্দা। বলল, তোমরা ওই ঘরের দিকে যাও সেখানে একজন তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। 


সেখানে আমরা দীর্ঘকায় এক মানবকে শিকলে বাঁধা অবস্থায় দেখতে পেলাম। এমন ভয়ংকর মানুষ আমরা ইতিপূর্বে আর কখনও দেখিনি। তার হাত দু’টিকে ঘাড়ের সঙ্গে একত্রিত করে হাঁটু এবং গোড়ালির মধ্যবর্তী স্থানে লোহার শিকল দ্বারা বেঁধে রাখা হয়েছে। 


সে শুরুতে আমাদের পরিচয় জানতে চায়। আমরা পরিচয় দিলে সে বলে, আমাকে তোমরা ‘বাইসান’ সম্পর্কে সংবাদ দাও। সেখানের খেজুর গাছগুলো কি এখনও ফল দেয়? আমরা জানাই, হ্যাঁ। সে বলে সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন গাছগুলোতে কোন ফল ধরবে না। 


এরপর সে বলল, আমাকে তাবরিয়া উপসাগর সম্পর্কে সংবাদ দাও। সেখানে কি এখনও পানি আছে? বললাম, প্রচুর পানি আছে। সে বলল, অচিরেই সেখানকার পানি শেষ হয়ে যাবে। সে আবার বলল, আমাকে যুগার কূপ সম্পর্কে সংবাদ দাও, সেখানে কি এখনও পানি আছে? বললাম, প্রচুর পানি রয়েছে। লোকেরা সে পানি দিয়ে চাষাবাদ করছে। আমাকে উম্মিদের নবি সম্পর্কে জানাও- সে প্রশ্ন করলে আমরা বলি, 


তিনি মক্কায় আগমন করে বর্তমানে মদিনায় হিজরত করেছেন। আরবরা কি তার সাথে যুদ্ধ করেছে? তার প্রশ্নের জবাবে আমরা বলি, হ্যাঁ। পার্শ্ববর্তী আরবদের উপর তিনি জয়লাভ করেছেন। ফলে তারা তাঁর আনুগত্য স্বীকার করে নিয়েছে। সে বলল, তার আনুগত্য করাই তাদের জন্য ভালো।


এরপর সে বলল, এখন আমার কথা শোনো- আমি হলাম দাজ্জাল। অচিরেই আমাকে বের হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। আমি বের হয়ে চল্লিশ দিনের ভেতরে পৃথিবীর সব দেশ ভ্রমণ করব। তবে মক্কা-মদিনায় প্রবেশ করা আমার জন্য নিষিদ্ধ থাকবে। 


এরপর রাসূল (সা.) হাতের লাঠি দিয়ে আঘাত করতে করতে বললেন, এটাই মদীনা, এটাই মদীনা, এটাই মদীনা।


অতঃপর রাসূল (সাঃ) সাহাবিদের লক্ষ্য করে বললেন, ‘তামিম আদ-দারির বর্ণনাটি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। তার বর্ণনা আমার বর্ণনার অনুরূপ হয়েছে। 


বিশেষ করে মক্কা ও মদিনা সম্পর্কে। শুনে রাখো! সে আছে সিরিয়ার সাগরে (ভূমধ্যসাগরে) অথবা ইয়েমেন সাগরে। না! বরং সে আছে পূর্ব দিকে, সে আছে পূর্ব দিকে, সে আছে পূর্ব দিকে। এই বলে তিনি পূর্ব দিকে ইঙ্গিত করে দেখালেন।’


[ মুসলিম ]


দাজ্জালের ফিতনায় পড়ে দুর্বল ঈমানের মুমীন তাদের ঈমান হারাবে। ঠিক সে সময় দামেস্ক শহরের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত এক মসজিদের সাদা মিনারের উপর ঈসা (আঃ) আকাশ থেকে অবতরণ করবেন। 


মুসলমানগণ তার পার্শ্বে একত্রিত হবে। তাদেরকে সাথে নিয়ে তিনি দাজ্জালের দিকে রওনা দিবেন। ফিলিস্তিনের লুদ্দ শহরের গেইটে দাজ্জালকে পাকড়াও 

করবেন। অতঃপর ঈসা (আঃ) তাকে একটি আঘাত করবেন, যাতে তার মৃত্যু হবে। আর মুসলমানদের হাতে ইহুদীরদল পরাজিত হবে, মুসলিমদের বিজয় হবে।


#islamic #islamicquotes #islamicpost #islam #photopost #দাজ্জাল #photochallenge

স্বামী হিসেবে আমার এখন কি করা উচিৎ? সব স্বামীরা পড়বেন একবার লেখাটা। ,,,,,,,নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক( Inbox থেকে)

 স্বামী হিসেবে আমার এখন কি করা উচিৎ? সব স্বামীরা পড়বেন একবার লেখাটা।  

-৪ বছরের রিলেশনের পর বিয়ে হয়েছিল আমাদের। দুই বছর যেতে না যেতেই আমাদের ডিভোর্সের ব্যাপারে কথা চলছে। 


ডিভোর্সের কারণ তার ছেলে বেস্ট ফ্রেন্ড। বিয়ের আগে থেকে ওর বেস্ট ফ্রেন্ডকে আমি পজিটিভই নিতাম। বিয়ের পর একবছর পর্যন্তও পজিটিভ ছিল আমার কাছে। সবাই বলেনা যে ছেলে মেয়ে কখনো বেস্ট ফ্রেন্ড হতে পারেনা। যেটা হয় সেটা লুচ্চামি। আমি এটা আগে বিশ্বাস করতামনা। কিন্তু এখন… 

ওর আমি অনেক কেয়ার নিতাম, সম্মান করতাম, জীবনের থেকেও ভালোবাসতাম। সেজন্যই সে আমারে বিয়ে করেছে। 


আমি চাকুরী করি একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে আর সে চাকুরী করে নার্সিং জবে একটা হাসপাতালে (সিক্রেট রাখলাম নাম)। তার বেস্ট ফ্রেন্ডকে নিয়ে আমি জেলাস হতামই মাঝে মাঝে। যখন দেখতাম ওরে নিয়ে সে পোস্ট দিতো, আমার কাছে প্রসংশা করতো। আমি একদিন সরাসরি বলছিলাম তোমার বেস্টফ্রেন্ড এর সাথে মেলামেশা আমার পছন্দ না। এসব নিয়ে ঝগড়া করে আমার সাথে যোগাযোগ ছিলোনা একমাস প্রায়। সে এমনভাবে তার ফ্রেন্ডকে নিয়ে বলতো যেন সে ফেরেশতা। ঝগড়ার পর অনেক রিকুয়েস্টের পর সব ঠিক হয়। মাঝে মাঝে তার বেস্ট ফ্রেন্ডের সাথে বাইকে ঘুরতে যেত এসব অবশ্য শেয়ারও করতো ডে পোস্টে। আমি ভাবছি যা করুক করুক। বিয়ের পর ঠিক করে নেবো। ওর বেস্ট ফ্রেন্ড আবার ওর কলেজ ফ্রেন্ড ছিলো। এখন জবও করে একসাথে। 


বিয়ের আগে একবার সে নার্সিং পরীক্ষার জন্য ঢাকায় গিয়েছিল। আমি বললাম কার সাথে যাচ্ছো। বলছিল তার বান্ধবীদের সাথে। তারপর অনেকদিনপর দেখতে পারি তার ফ্রেন্ডের একটি পিক ওর মেসেঞ্জারে। যেখানে সে ছেলের কাধে মাথা রেখে শুয়ে আছে ট্রেনে, কেবিনে কোলে শুয়ে আছে। এসব দেখে আমার পায়ের নিচে মাটি ছিলোনা বুঝতেছিলাম। তর্ক করছিলো মাথা কাধে রেখে, কোলে রেখে গেছে তো কি হইছে। আমাকে লজিক দেখাইলো ঘুম চলে আসায় এমনটা হতেই পারে পারে ব্লা ব্লা। তো আমি বললমাম তাহলে ঔসময় আমাকে মিথ্যা বলছিলা কেন বান্ধবীর সাথে যাচ্ছো। পরে সে স্বীকার করলো আর মাফ চাইলো আর এমন হবেনা। অনেক ভুল করছে ব্লা ব্লা। তারপর অনেক কিছুর পর বিয়ে হলো আমাদের। এখানে একটা ভালো লাগার ব্যাপার আছে। ওর ইচ্ছে ছিল খুব কম টাকায় কাবিন করে বিয়ে করবে। 


আমাদের দুজনের পরিবারই স্বাবলম্বী। কেউ থেকে কেউ কম না। তার কথাতেই এক লাখ টাকার নগদ কাবিনে আমাদের বিয়ে হলো। ওর ভালো দিকগুলোর শেষ নাই। একটাই সমস্যা ওর বেস্ট ফ্রেন্ড নিয়ে। ওর ফ্রেন্ডদের সাথে চলাফেরা আমার পছন্দ হয়না। সেজন্য আমাকে টক্সিক বলে, বলে আমি নাকি আপডেটেড না। 😅

জীবনে আমি ওর কোন কিছুর অভাব রাখিনি। অনেক ভালোবাসতাম। সে আমার খুব সখের, খুব প্রিয় মানুষ। তাই সবকিছু সহ্য করে মেনে নিয়ে চলতাম। ওর সাথে থাকলেই দুনিয়ার সব ভুলে যেতাম। কোনকিছু আর মনেই থাকতোনা। কিন্তু ১৫ দিনের মধ্যে দুটো ঘটনার কারণে আজ আমরা আলাদা হওয়ার পথে। ডিভোর্সের কথাবার্তা চলতেছে। ঘটনা দুটোই ওর বেস্ট ফ্রেন্ড নিয়ে। ওর ফ্রেন্ড ওরে কি গিফ্ট করছে জানেন? একটি ঘরি, ফেমিনিন ওয়াশ, পিংক লেডি সিক্রেট সোপ, ব্রা, প্যা*ডস। মানে ব্যাপারটা কেমন লাগবে একমাত্র আমার মত ছেলেরা বুঝবে। শুধু কল্পনা করুন আপনার বউকে তার ফ্রেন্ড এসব গিফট করেছে আর আপনি কি করতেন তখন। এসব নিয়ে অনেক ঝগড়া হইছে। সে বলে এসব দেওয়ায় কি এমন হইলো। এই কথা বলায় আমি হাত দিয়ে আ*য়না ভে* ঙে ফেলি। তারপর সে ঠান্ডা হলো আর সিদ্ধান্ত নিলো এগুলো ফেরত দিয়ে দিবে। বেশদিন হয়ে গেলো ফেরত দেয়নি। পরে আমি সব ফেলে দিছি। তাকে বুঝিয়ে বলছি ওর ফ্রেন্ডের সাথে যেন কোন যোগাযোগ না রাখে। অনেক বুঝিয়েছি। বলছে আর রাখবেনা। আমি বলছিলাম যদি দেখি তাহলে খবর আছে। সে সাথে সাথে চেইত্যা বলে কি খবর করবা? তালাক দিবা? সে বলে, ১০ লাখ কাবিন ডিজার্ব করি আর মাত্র ১ লাখে বিয়ে বসছি দেইখা তুমি স্বস্তা মনে করো আমাকে। আমি অবাক হয়ে গেলাম। কই থেকে কি বলে। শুধু একটাই বলছি আমাকে হারাবা সারাজীবনের জন্য আমার অবাধ্য হইলে। সে ও চুপ হয়ে যায়। চলতে লাগলো সুন্দরভাবেই। তার কয়েকদিন পর ওর বান্ধবীর বিয়েতে যায় সে। সেখানে আমি যাই বিয়ের দিন । সে একদিন আগে গেছে। ওর বান্ধবীর ভাইয়ের সাথে পরিচয়ে ফেবুতে যুক্ত হওয়া হয় আমার। বিয়েতে ওর ফ্রেন্ডরে দেখছিলাম। আমার বউকে দেখছি তাকে এড়িয়ে চলতে। 


বিয়ে থেকে আসার বেশ কয়েকদিন পরে বউয়ের বান্ধবীর ভাইয়ের আইডিতে গায়ে হলুদের একটা ভিডিও পাই। ভিডিওতে দেখতে পাই আমার বউকে পেছন থেকে পেটে টাইট করে জড়িয়ে ধরে শুন্যে রেখে গ*লায় আর মুখে হলুদ লাগাচ্ছে তার বেস্ট ফ্রেন্ড। অনেক ধৈর্য্য ধরে চুপ থেকে বাসায় যেয়ে ওর ফোন নেই জোর করে। বলে কি হইছে। বলছি চুপ করে দেখো। তারপর ওর ফ্রেন্ডরে ওর আইডি থেকে এই ভিডিওর লিং*ক দিয়ে বলি দোস্ত অনেক মজা হইছে ঐদিন তাইনা। সে বলে, দিনটা ভুলার মত না। তোর জামাই তো তোরে ঠিকমত খা**তে পারেনা। সাথে লজ্জার ইমোজি দিছে। ভিডিও কল দিছি আর আমাকে দেখেই কে*টে দিছে। 


এরপর থেকে যে ঝামেলা হইছে সেটা আর থামেনাই। ডিভোর্সের কথা বলছি আমি। আমারে ঔ ১ লাখ টাকার কথা শুনায়। রাগে বলছি আরো ৪ লাখ ম্যানেজ করে দিয়ে দিবোনে তোমারে। তাহলে ৫ লাখ কাবিন হবে। সেই থেকে মাফ চেয়েই যাচ্ছে। কিন্তু আমি এখন পাথর হয়ে গেছি এসবের জন্য। আর পারতেছিনা। কি সিদ্ধান্ত নিবো বুঝতেও পারছিনা। এক মাস হলো আলাদা হয়ে গেছি। ডিভোর্স দিবো দুই পরিবারই জানে। তারা আলোচনায় বসতে চাইছে অনেকবার। আমি বসিনাই। আমি এখন সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছি। কি করবো বুঝতে পারছিনা।


- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক( Inbox থেকে)

ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ,,,মুস্তাকীম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ ~ কোয়ান্টাম জগতের সবচেয়ে বিস্ময়কর ধার...