এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ৪ মে, ২০২৫

প্রায় ৭,০০০ বছর আগে এক ব্যক্তি চিলির আটাকামা মরুভূমির এক কোণে বসে ছিলেন, আর আজও সেই অবস্থাতেই রয়ে গেছেন।

 প্রায় ৭,০০০ বছর আগে এক ব্যক্তি চিলির আটাকামা মরুভূমির এক কোণে বসে ছিলেন, আর আজও সেই অবস্থাতেই রয়ে গেছেন। পৃথিবীর অন্যতম শুষ্ক এলাকা হওয়ায় মরুভূমির আবহাওয়া তার দেহকে প্রাকৃতিকভাবে মমিতে রূপান্তর করেছে। তার চামড়া, চুল, এমনকি পোশাক পর্যন্ত অবিশ্বাস্যভাবে সংরক্ষিত রয়েছে। বিজ্ঞানীদের মতে, এমন স্বাভাবিকভাবে শুকিয়ে যাওয়া মরদেহ থেকেই চিনচোরো জনগোষ্ঠীর মধ্যে কৃত্রিমভাবে মৃতদেহ সংরক্ষণের ধারণা তৈরি হয়।


চিলি ও পেরুর উপকূলীয় গ্রামে বসবাসকারী চিনচোরোরা ছিল দক্ষ মৎস্যজীবী। তারা সম্ভবত ৫,০৫০ খ্রিস্টপূর্বে থেকেই দেহ সংরক্ষণ শুরু করে, যা মিসরের প্রাচীন মমির চেয়েও প্রায় দুই হাজার বছর পুরনো। চিনচোরোদের মমিকরণ প্রক্রিয়া ছিল অত্যন্ত উন্নত। তারা প্রথমে অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলো সরিয়ে ফেলত, তারপর দেহটি মাটির মিশ্রণ দিয়ে গড়ে তুলত, এবং শেষে টেক্সটাইল দিয়ে মুড়িয়ে দিত। প্রাচীন মিশরীয়রা কীভাবে মমি তৈরি করত সেই ব্যাপারে জানতে দেখুন আমাদের একটি ভিডিও। লিংক কমেন্টে।

.

.

#itihasergolpo #itihaser_golpo

অনেকগুলো রসুন ছিলে ফেলেছেন কিংবা সুপার মার্কেট থেকে ছেলা রসুন কিনে এনেছেন। এত রসুন আপনার প্রয়োজন নেই আর। 

 ধরুন, অনেকগুলো রসুন ছিলে ফেলেছেন কিংবা সুপার মার্কেট থেকে ছেলা রসুন কিনে এনেছেন। এত রসুন আপনার প্রয়োজন নেই আর। 


তাহলে কী করবেন?  


১) রসুন গুলোতে সামান্য লবণ মিশিয়ে পাটায় বেটে কিংবা ব্লেন্ডারে পানি ছাড়া ব্লেন্ড করে নিন। তারপরে ফ্রিজে ফ্রিজ করে রাখুন। আমি ফ্রিজিং করার সময় আইস ট্রে তে দিই। তারপর জমে গেলে বের করে একটা বক্সে ভরে রাখি। পরবর্তীতে রান্নার সময় খুব সুবিধা হয়।  সামান্য লবণ দিয়ে রাখলে রসুনের স্বাদ গন্ধ এবং রঙ তিনটাই ভালো থাকে।  


২) অতি অবশ্যই রসুনের আচার তৈরি করে নিতে পারেন।  ফ্রিজ ছাড়াই সংরক্ষণ করা যাবে।  


৩) রসুনগুলোকে পাতলা পাতলা করে কেটে ফ্রেশ তেলে বেরেস্তা ভাজার মত করে ভেজে রাখতে পারেন। তৈরি হয়ে গেল রসুনের বেরেস্তা। এটা নুডুলস বা চাওমিন রান্না তে,  ফ্রাইড রাইস রান্নাতে ব্যবহার করা যায়।  ডালে দেয়া যায়, শাকে দেয়া যায়। শুকনো মরিচ পেঁয়াজ আর সরিষার তেল মিশিয়ে ভর্তাও করা যায়।  


৪) চার নম্বর পদ্ধতিটা হচ্ছে গার্লিক অয়েল তৈরি করা। 


একটু বেশি পরিমাণে তেল নেবেন,  এমনভাবে যেন রসুনগুলো তেলের ভেতরে ডুবে থাকে। সরিষার তেল হলে ভালো হয় তবে অন্য যে কোন তেল নিতে পারেন। সানফ্লাওয়ার বা অলিভ অয়েল হলে খুব ভালো। তাতে রসুন গুলো দিয়ে চুলায় বসিয়ে দেবেন।  খুব খুব অল্প আঁচে, মিনিট বিশেকের জন্য। রসুনগুলো সেদ্ধ হয়ে হালকা ভাজা হয়ে যাবে।  হালকা সোনালী রং ধরলে জিনিসটা নামিয়ে ভালোভাবে ঠান্ডা করে বয়াম বা বক্সে ভরে রাখবেন।  তৈরি হয়ে গেল আপনার গার্লিক অয়েল।  এই তেলটা দিয়ে আপনি রান্না করতে পারবেন,  ভর্তা করতে পারবেন৷ ডিম পোচ করা থেকে শুরু করে মাছভাজি,  ভর্তা, নুডুলস রান্না সবকিছুর ভেতরেই দিতে পারবেন।  রসুন গুলি তেল থেকে তুলে পেঁয়াজ মরিচ দিয়ে ভর্তা করতে পারবেন,   মেয়োনিজের ভেতরে দিতে পারবেন,  নুডুলস পাস্তা বিভিন্ন ভর্তার ভেতরে দিতে পারবেন।  এমনকি ভালোভাবে ভর্তা করে মাছ রান্না বা মাংস রান্নাতেও দিতে পারবেন।  এবং এটা তিন থেকে ছয় মাস এভাবেই স্টোর করে রাখা যাবে।  ফ্রিজেও রাখা লাগবে না। 


আর হ্যাঁ,  

আরো একটা পদ্ধতি আছে আর সেটা হচ্ছে রসুনগুলো সিরকায় ভিজিয়ে রাখা।  তবে এই পদ্ধতিতে রসুন রাখলে আমার কাছে খেতে একটুও ভালো লাগেনা।  


টিপস গুলো ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।  তাহলে আমি প্রতিদিন এমন একটা করে টিপস ও রেসিপি দেওয়ার চেষ্টা করব।  🥰

আজ ১লা মে ২০২৫ ইং  শ্রদ্ধেয় মান্নাদে'র ১০৫ তম জন্মদিনে মনে পড়ছে অনেকেরই কথা। 

( উনি হলেন মঈদুল) শ্রদ্ধেয় উপমহাদেশের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী কলকাতার মান্না দে’র কালজয়ী গান কফি হাউজের ‘নিখিলেশ প্যারিসে মঈদুল ঢাকাতে নেই তারা আজ কোনো খবরে’ অন্যতম চরিত্র ঢাকার মঈদুল গুরুতর অসুস্থ । ২০২২ সালের  ৫ জুলাই মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়ার পর তাকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।


১৯৩৬ সালের ১৩ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগনায় জন্মগ্রহণ করেন কফি হাউজের সেই মঈদুল। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে পড়ার সময়ে বন্ধুত্ব হয় সবার সঙ্গে।১৯৮৩ সালে এই গানটি প্রকাশ হয়। গানটি লেখেন গৌরি প্রসন্ন মজুমদার।

১৯৬৪ সালে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার সময় তিনি ঢাকায় চলে আসেন পরিবার নিয়ে।


কাগজের রিপোর্টার মঈদুল ঢাকায় এসে সাংবাদিকতা করেছেন দৈনিক আজাদ, ইত্তেফাক, দৈনিক বাংলা, ইনকিলাব, সংবাদ, বাংলার বাণী আর দৈনিক পূর্বদেশে।

 @ আজ ১লা মে ২০২৫ ইং  শ্রদ্ধেয় মান্নাদে'র ১০৫ তম জন্মদিনে মনে পড়ছে অনেকেরই কথা। 


মঈদুলের কফি হাউজের সোনালী বিকেল হারিয়ে গেছে অনেক আগেই। এখন মঈদুলের বিকেল কাটছে হাসপাতালে।


সংগৃহীত।

ডিজাইনের আধুনিকতার যুগে নতুন, উদ্ভাবনী এবং দৃশ্যমান আকর্ষণীয় ধারণা তৈরি করার ক্ষমতা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

 ডিজাইনের আধুনিকতার যুগে নতুন, উদ্ভাবনী এবং দৃশ্যমান আকর্ষণীয় ধারণা তৈরি করার ক্ষমতা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি একজন অভিজ্ঞ ডিজাইনার হোন কিংবা নতুন শুরু করুন, ক্রিয়েটিভ ডিজাইন কনসেপ্ট আপনার ডিজাইনে অভাবনীয় পার্থক্য আনতে পারে। এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনাকে ক্রিয়েটিভ ডিজাইনের ধারণা বিকশিত করতে কার্যকরী টিপস সম্পর্কে অবগত করা হবে, যা শুধু মাত্র আপনার দর্শকদের বিমোহিত করবে না বরং SEO এর জন্য ও আপনাকে সাহায্য করবে।


চলুন এইবার বিস্তারিত আলোচনা করা যাক-


ডিজাইন কী?


প্রথমে আমরা ডিজাইন কী, সেই সম্পর্কে আগে জেনে নেই। ডিজাইন এর বাংলা অর্থ নকশা করা বা চিত্রশিল্প।


অর্থাৎ, কোন কিছুর উপর বা কতগুলো বস্তু একত্রে করে সাজানোর কৌশলই মূলত ডিজাইন। আরো সহজভাবে যদি বলি, ধরুন কোন একটি ফাঁকা ঘর আপনাকে সাজাতে বলা হল। আপনি খাট, চেয়ার, টেবিল, ফুলের টব, ফ্যান, লাইট ইত্যাদি দিয়ে ঘরটিকে সাজালেন। আপনার সাজানোর পর ঘরের যে চিত্র দেখতে পাচ্ছেন, মূলত এটি হল ডিজাইন।


তাছাড়া ডিজাইন হচ্ছে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রের বস্তুর উপর পরিকল্পিত অবস্থান। একটি ছবির সমাপ্তিকরণে নির্দেশকের ভূমিকা পালন করে যে নকশা করা হয় তাকেই বলা হয় ডিজাইন। নকশা তৈরির মূল সূত্র সমূহ সঠিক ভাবে ব্যবহার করার মাধ্যমে একটি সঠিক ও স্বচ্ছ নকশার জন্ম হয়। সংক্ষেপে বলা যায় কোনো সৃজনশীল বা ক্রিয়েটিভিটির কর্মের প্রাথমিক কাঠামোই হচ্ছে ডিজাইন।


ডিজাইন করতে যা প্রয়োজন


ডিজাইন করতে ২ ধরনের জিনিস প্রয়োজন হয়।


এলিমেন্টস


ইকুইপমেন্ট।


এলিমেন্টস অফ ডিজাইন


Lines


Shapes


Colors


Textures


Spaces


ইকুইপমেন্ট অফ ডিজাইন


Pencil


Rubber


Ruler etc.


প্রিন্সিপল অফ ডিজাইন


Rhythm


Proportion


Perspective


Emphasis


Movement


Pattern


Balance


Unity


ডিজাইন কনসেপ্ট কি?


ডিজাইন কনসেপ্ট হলো স্কেচ, ফটোগ্রাফ এবং হাতে লিখিত বিবৃতির একটি স্টেটমেন্ট, যা একটি প্রোডাক্ট বা পণ্যের ডিজাইনের পিছনে প্রাথমিক ধারণা রাখে। এই ডিজাইন কনসেপ্ট ডিজাইনার এবং ডেভেলপারদের ক্রিয়েটিভ প্রক্রিয়া জুড়ে নির্দিষ্ট ট্র্যাকে রাখে। তাছাড়া ও তারা নির্দিষ্ট অডিয়েন্সদের মূল্যবান পণ্য প্রদান করে সেটিও নিশ্চিত করে।


ক্রিয়েটিভ ডিজাইন কনসেপ্টের গুরুত্ব


ডিজাইন কি, ডিজাইন কনসেপ্ট কি, সে সম্পর্কে তো অনেক আলোচনা হলো। এইবার এই ডিজাইন কনসেপ্টের গুরুত্ব সম্পর্কে জানা যাক-


ডিজাইনের ক্রিয়েটিভিটি কেবল নান্দনিকতার জন্য নয়, এটি আমাদের সমস্যার সমাধান এবং যোগাযোগের জন্য একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে ও কাজ করে। এই চিত্তশিল্পীর কঠিন প্রতিযোগিতার বাজারে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে অনন্য, চোঁখ ধাঁধানো, আকর্ষণীয় ডিজাইন ধারণার প্রয়োজন হয়, যা দর্শকদের আর্কষনীয় করে তোলে এবং একটি মজবুত ভিত্তি তৈরি করে।


তাহলে চলুন আজকে ক্রিয়েটিভ ডিজাইন কনসেপ্ট ডেভেলপ করার কয়েকটি কার্যকরী টিপস সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক, যাতে আমরা এই সেক্টরে নিজেদের আরো প্রফেশনাল হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।


ক্রিয়েটিভ ডিজাইনের মূল উপাদান


ক্রিয়েটিভ ডিজাইনের মৌলিক উপাদানের মধ্যে আমরা দেখতে পাই যে, টাইপোগ্রাফি, রঙের স্কিমা, লে-আউট এবং চিত্র রয়েছে। এই উপাদানগুলো দ্বারা ডিজাইনারদের দৃশ্যমান আর্কষণীয় এবং কার্যকর কমিউনিকেশন তৈরি করতে সাহায্য করে।


বুদ্ধিমত্তার কৌশল প্রয়োগ


আধুনিক সৃজনশীল বিকাশের যুগে নিজেকে যত বেশি ইউনিক রাখা যায়, ততই ভালো। আর নিজেকে সৃজনশীল হিসেবে গড়ে তুলতে Brainstorming এর বিকল্প কিছু নেই।


ক্রিয়েটিভ ডিজাইন বা নকশা তৈরির জন্য আপনাকে কার্যকরী Brainstorming বা বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিতে হবে। কোন ডিজাইন কনসেপ্ট কতটা ইউনিক হবে তার প্রথম ধাপ আপনার ব্রেইন থেকেই বের করতে হবে। আপনার নিজস্ব স্বাধীন আইডিয়াগুলো খুঁজে বের করুন এবং তা প্রয়োগ করার চেষ্টা অব্যাহত রাখুন।


বিবরণ বুঝুন


ক্রিয়েটিভ প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করার আগে, ডিজাইনের খুঁটিনাটি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকা জরুরি। ক্লায়েন্টের প্রয়োজনীয়তা, টার্গেট করা অডিয়েন্স এবং ডিজাইনের যা যা সমস্যা আছে তা সমাধান করার যোগ্যতা থাকতে হবে। তা না হলে আপনার ডিজাইন আকর্ষণীয় বা কার্যকরী হবে না।


আইডিয়ার জন্য মাইন্ড ম্যাপিং করুন


আপনার মাইন্ড ম্যাপিং এবং কমিউনিকেশন দুটো মিলে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার তৈরি করতে পারেন। এতে আইডিয়াগুলো দৃশ্যমানভাবে উপস্থাপন করতে এবং সম্ভাব্য ডিজাইনের রোডম্যাপ তৈরি করাটা আপনার জন্য সহজ হয়ে যাবে।


গবেষণা করুন


ক্রিয়েটিভ ডিজাইন কনসেপ্টের উন্নতির মূল চাবিকাঠি হলো গবেষণা করা। যে টপিকের জন্য ডিজাইন করবেন, তার ভেতরে সম্পূর্ণভাবে ঢোকার চেষ্টা করুন। Google বা Blog থেকে ও আপনি গবেষণা করতে পারেন। আপনি যত বেশি গবেষণা করবেন আপনার ডিজাইন ততই ক্রিয়েটিভ হবে।


সহযোগিতা গ্রহণ করুন


সত্যি বলতে আপনার ক্রিয়েটিভিটিতা পরিবেশের উপর ও ডিপেন্ড করে। আপনার যারা পার্টনার আছে তাদের সাথে বেশি বেশি আলোচনা করুন। ক্লায়েন্টের কাজ করলে তাদের থেকে ফিডব্যাক চান, তাছাড়া আপনার পার্টনারদের সাথে Brainstorming এ অংশ নিন। সবকিছুর পর দেখবেন ডিজাইন সম্পর্কে আপনার একটা ভালো আইডিয়া চলে আসবে।


স্কেচ এবং পুনরাবৃত্তি করুন


ডিজাইন কনসেপ্ট উন্নতির জন্য, স্কেচ করা হতে পারে আপনার জন্য মূল্যবান মাধ্যম। আপনার কনসেপ্টগুলো লিখে রাখুন, নিয়মিত ডিজিটাল প্লাটফর্মের মাধ্যমে নিজেকে ঝালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করুন। একবার আপনার কনসেপ্ট সম্পর্কে পরিষ্কার আইডিয়া পেয়ে গেলে কাজ করা শুরু করুন। এরপর এটি সাজানো, রং এবং টাইপোগ্রাফির উপর বিশেষ নজর দিন।


ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দিন


একটি সফল ডিজাইন কনসেপ্ট হলো, যা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতার উপর প্রাধান্য দেয়। আপনি যদি ওয়েবসাইট, অ্যাপ বা পণ্যে কাজ করেছেন, তবে ইউজাররা আপনার ডিজাইনের সাথে কীভাবে পরিচিত হবে, সে বিষয় বিবেচনা করা ও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ইউজারদের ফিডব্যাক সংগ্রহ করুন এবং আপনার ডিজাইন কনসেপ্টগুলো সহজ ও ইউজার-ফ্রেন্ডলি যেন হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।


প্রযুক্তির সাথে পরিচিত থাকুন


ডিজাইনের ভূমিকা সময় থেকে সময় প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে পুনরায় আকার পরিবর্তন করে আসছে। আগামীতে কাজ করার জন্য আগের চেয়ে অধিক সুবিধা পেতে, সর্বশেষ ডিজাইন টুল, সফটওয়্যার এবং উদ্ভাবনশীল প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে পরিচিত হউন। এই উন্নয়নশীল টুলের শক্তি ব্যবহার করে, আপনি আপনার নতুন ও সমৃদ্ধ ডিজাইন কনসেপ্টগুলি জীবনে আনতে পারেন যা পূর্বে মিসিং ছিল।


পরিষ্কার বা স্বচ্ছ রাখুন


ডিজাইন কনসেপ্ট উন্নয়নের শেষ পর্যায় হল যেখানে আপনি সত্যিই আপনার কাজ আলোকিত করতে পারেন। আপনার ডিজাইনের প্রত্যেক দিকে সতর্কভাবে মনোযোগ দিন, নিশ্চিত করুন যে এটি পরিষ্কার, সংগঠিত এবং মূল বিবরণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আপনি ছোট ছোট উপাদানগুলির উন্নয়নে বেশি মনোযোগ দিন এবং প্রতিটি পিক্সেল এবং লাইনে পূর্ণতার জন্য চেষ্টা করুন।


ডিজাইন ট্রেন্ডের সাথে আপডেট থাকা


সমসাময়িক এবং উপযুক্ত ধারণা তৈরির জন্য ডিজাইনের ট্রেন্ডের সাথে নিজেকে যুক্ত রাখা অপরিহার্য। নকশাগুলি দ্রুত পুরানো হয়ে যেন না যায় তা নিশ্চিত করার জন্য ভারসাম্য রাখা গুরুত্বপূর্ণ। আর আপনি যখন ডিজাইন ট্রেন্ডের সাথে নিজেকে যুক্ত রাখবেন তখন আপনার পক্ষে নতুন নতুন ডিজাইন তৈরি করা সহজ হবে।


ফন্ট নির্বাচন করা


টাইপোগ্রাফি চাক্ষুষ যোগাযোগে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ব্র্যান্ডের সাথে উপযুক্ত ফন্টগুলি সিলেক্ট করুন এবং পছন্দসই মানসিক প্রতিক্রিয়া জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করুন।


সঠিক রঙের প্যালেট নির্বাচন করা


রং মানুষের আবেগ জাগিয়ে তোলে এবং বার্তা প্রদান করে। অতি সাবধানে একটি রঙের প্যালেট নির্বাচন করুন যা ব্র্যান্ডের পরিপূরক এবং উদ্দেশ্যমূলক বার্তা প্রচার করে।


জনপ্রিয় ডিজাইন টুলের ওভারভিউ


ডিজাইনারদের জন্য অনেক টুল রয়েছে। প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তার উপর ভিত্তি করে অ্যাডোব ক্রিয়েটিভ স্যুট (adobe creative suite), স্কেচ (skech) বা ফিগমার (Figma) মতো সফটওয়্যার ব্যবহার করুন।


কাজের জন্য সঠিক সফটওয়্যার নির্বাচন করা


বিভিন্ন ডিজাইন টুল আপনার নির্দিষ্ট চাহিদা পূরণ করতে পারে। এমন সফটওয়্যার নির্বাচন করুন যা আপনার প্রকল্পের লক্ষ্য এবং আপনার ওয়ার্কফ্লোর সাথে যায়।


ক্রিয়েটিভ ডিজাইন কনসেপ্ট বিকাশ করা একটি গতিশীল প্রক্রিয়া যার মধ্যে মৌলিক বিষয়গুলি বোঝা, প্রবণতা অন্তর্ভুক্ত করা, ব্যবহারকারী-কেন্দ্রিক নকশার উপর ফোকাস করা এবং ধারাবাহিকতা বজায় রাখার মতো কনসেপ্ট জড়িত।


তাছাড়া এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া যা দক্ষতা, জ্ঞান এবং সৃজনশীলতার সমন্বয়ে প্রয়োজন।


এই আর্টিকেলে উল্লিখিত ব্যবহারিক পরামর্শগুলি অনুসরণ করে, আপনি আপনার ডিজাইন কনসেপ্টগুলি উন্নত করতে এবং নিজেকে একজন সত্যিই উদ্ভাবনী এবং অগ্রগতিশীল ডিজাইনার হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন বলে আশা রাখছি।


🏘 অফিস এর ঠিকানা: আলম হাউজ , রেড চিলি’র বিপরীতে ,মফিজ পাগলার মোড়, শেরপুর রোড , বগুড়া।


📱মোবাইল নং: 01970 461335, 01793 018042

ওয়েব সাইট: www.allitbd.com

ইউটিউব: www.youtube.com/allitbd

ফেসবুক পেজ: https://facebook.com/allitbd

ফেসবুক গ্রুপ: https://facebook.com/groups/allitbd

জমি রেজিস্ট্রি খরচ ২০২৪: জেনে নিন জমি রেজিস্ট্রি করতে কত টাকা খরচ হবে।

 জমি রেজিস্ট্রি খরচ ২০২৪: জেনে নিন জমি রেজিস্ট্রি করতে কত টাকা খরচ হবে।


যদি কোনো জমির ঘোষিত মূল্য হয় ৫০ লাখ টাকা, তবে আনুমানিক রেজিস্ট্রেশন খরচ হবে:


স্ট্যাম্প ডিউটি: ৭৫,০০০ টাকা (১.৫%)


রেজিস্ট্রেশন ফি: ৫০,০০০ টাকা (১%)


ভ্যাট: নগর এলাকায় ৭,৫০,০০০ টাকা (১৫%)


এআইটি: নির্ভর করবে জমির প্রকৃতির উপর।


জমি রেজিস্ট্রেশনের আগে কিছু পরামর্শ


জমির প্রকৃত মালিকানা নিশ্চিত করুন।


সকল নথি যাচাই করে নিন।


সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস বা রেজিস্ট্রি অফিস থেকে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করুন।


জমি রেজিস্ট্রেশনের খরচের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়মাবলী অনুযায়ী পরিবর্তন হতে পারে। তাই, জমি কেনার আগে সঠিক তথ্য জেনে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। 


জমি রেজিস্ট্রি খরচ ২০২৪: জেনে নিন জমি রেজিস্ট্রি করতে কত টাকা খরচ হবে


জমি কেনা-বেচার ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। বাংলাদেশে জমি রেজিস্ট্রেশনের খরচ নির্ধারিত হয় জমির মূল্যের উপর ভিত্তি করে এবং এতে বেশ কয়েকটি ফি ও কর অন্তর্ভুক্ত থাকে। ২০২৪ সালের জমি রেজিস্ট্রেশনের আনুমানিক খরচ ও প্রয়োজনীয় তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো:


জমি রেজিস্ট্রেশন খরচের প্রধান উপাদান


১. স্ট্যাম্প ডিউটি:


জমির ঘোষিত মূল্যের ১.৫%।

২. রেজিস্ট্রেশন ফি:


জমির ঘোষিত মূল্যের ১%।

৩. ভ্যাট:


নগর এলাকায় ১৫% এবং গ্রামীণ এলাকায় ৩%।

৪. এডভান্স ইনকাম ট্যাক্স (এআইটি):


জমির ঘোষিত মূল্যের উপর নির্ভর করে, বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে এটি বেশি হতে পারে।


অন্যান্য খরচ


ডকুমেন্টেশন ফি: দলিল তৈরি, দাখিলা, ও অন্যান্য নথিপত্র প্রস্তুতের খরচ।


আইনজীবীর ফি: জমি রেজিস্ট্রেশনের আইনি দিকগুলো নিশ্চিত করতে আইনজীবী নিয়োগের প্রয়োজন হতে পারে।


বিজ্ঞপ্তি ফি: সরকারি বিজ্ঞপ্তি বা সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাইয়ের খরচ।

নিজের পছন্দের কাজ থেকে উপার্জন: কিভাবে আপনার প্যাশনকে কাজে লাগিয়ে সফলতা অর্জন করবেন?

 আপনি কি জানেন, আপনি যখন আপনার প্যাশনের কাজে সময় দিচ্ছেন, তখন তা শুধু আপনার জন্য নয়, বরং আপনার জীবনে নতুন সুযোগ তৈরি করতে সাহায্য করছে? চলুন, জানি কীভাবে আপনি আপনার পছন্দের কাজ থেকে উপার্জন করতে পারেন, এমনকি যখন আপনি ঘুমাচ্ছেন!


✅ নিজের পছন্দের কাজ থেকে উপার্জন: কিভাবে আপনার প্যাশনকে কাজে লাগিয়ে সফলতা অর্জন করবেন?


আজকাল আমরা সবাই জানি যে, বেশি পরিশ্রম এবং সঠিক দিশা আমাদের সফলতার দিকে নিয়ে যেতে পারে। তবে, বাস্তবে আমরা কতটা কঠোর পরিশ্রম করছি, তা যদি সঠিক পথে না যায়, তাহলে সেই পরিশ্রম কখনোই ফলপ্রসূ হবে না। আপনার যদি প্যাশন থাকে এবং আপনি সেটিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে জানেন, তবে আপনি সফলতা অর্জন করতে পারবেন। আপনার পছন্দের কাজের মাধ্যমে আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারেন, এমনকি যখন আপনি ঘুমাচ্ছেন! আমি নাজিম উদ্দিন হৃদম আজ আপনাকে কিছু সহজ পন্থা জানাবো, যেগুলি আপনি অনুসরণ করলে আপনার প্যাশনকে একধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন।


✅ সোশ্যাল মিডিয়া কন্টেন্ট তৈরি করুন

আজকাল সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের জীবনের একটি বড় অংশ হয়ে উঠেছে। আপনি যদি আপনার প্যাশন নিয়ে কাজ করতে চান, তাহলে সোশ্যাল মিডিয়া এক অসাধারণ মাধ্যম হতে পারে। আপনার পছন্দের কাজের উপর, আপনি নিজের অভিজ্ঞতা, শিখা জ্ঞান এবং দক্ষতা সম্পর্কে কন্টেন্ট তৈরি করতে পারেন। ধরুন, আপনি কোনো বিষয় নিয়ে গভীরভাবে পড়াশোনা করছেন—আপনার যদি বই পড়া, আঁকাআঁকি, রান্না করা, খেলাধুলা বা যেকোনো বিষয় নিয়ে আগ্রহ থাকে, তাহলে আপনি সেটির উপর কন্টেন্ট তৈরি করুন।


✅ কীভাবে শুরু করবেন?

১. পছন্দের বিষয় ঠিক করুন:

আপনি যে কাজটি করতে আগ্রহী, তা নিয়ে এক ঘন্টা সময় নিয়ে ভাবুন। কী এমন কাজ যা করতে আপনি ক্লান্ত হবেন না? সেই কাজটি আপনার জন্য হতে পারে।


২. আর্টিকেল, ভিডিও বা পোস্ট তৈরি করুন:

আপনার পছন্দের বিষয়ে যতটা সম্ভব জানুন এবং সেই বিষয় নিয়ে কন্টেন্ট তৈরি করুন। আপনি ভিডিও বানাতে পারেন, ব্লগ লিখতে পারেন বা ছবি দিয়ে পোস্ট তৈরি করতে পারেন। সহজ ভাষায়, যেমন আপনি আপনার বাচ্চাকে শিখান, তেমন করে বর্ণনা করুন।


৩. নিয়মিত কন্টেন্ট আপলোড করুন:

আপনার যা কিছু শিখেছেন, তা নিয়ে নিয়মিত কন্টেন্ট আপলোড করুন। এটি মানসম্মত, তথ্যবহুল এবং আকর্ষণীয় হওয়া উচিত, যাতে দর্শকরা বা পাঠকরা আপনার কাছ থেকে নতুন কিছু শিখতে পারে।


এভাবে আপনার কন্টেন্ট ধীরে ধীরে পরিচিতি লাভ করবে এবং আপনি পাবেন অনেক দর্শক, পাঠক, সাবস্ক্রাইবার। যখন আপনি ঘুমাচ্ছেন বা অন্য কোনো কাজে ব্যস্ত, তখন আপনার কন্টেন্ট মানুষ দেখে শিখছে, শেয়ার করছে এবং আপনার অ্যাকাউন্টে ডলার জমা হচ্ছে। যত বেশি কন্টেন্ট তৈরি করবেন, তত বেশি দর্শক এবং টাকা আপনি পাবেন। কন্টেন্ট ক্রিয়েশনের উপর আমার একটা সম্পুর্ন ইবুক লেখা আছে, যেখানে একজন মানুষ শুরু থেকে সফল হওয়া পর্যন্ত সকল ধাপ গুলো দেখানো আছে, আপনি যদি ইবুকটি নিতে চান তাহলে আমাকে ইনবক্সে জানান।


✅ বই লিখুন: নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন

এখন ভাবুন, বই লেখা কি এত সহজ? অবাক হচ্ছেন তো? তবে, সত্যিই এটা সম্ভব। আপনি যদি আপনার প্যাশন নিয়ে জানেন, তাহলে সেই বিষয়ে একটি বই লেখা কোনো কঠিন কাজ নয়। অভিজ্ঞতা এবং চিন্তাধারা ভাগ করে, আপনি খুব সহজেই একটি বই লিখে ফেলতে পারেন।


কীভাবে শুরু করবেন?

১. লেখার বিষয় ঠিক করুন:

আপনি যে বিষয়ে প্যাশন অনুভব করেন, সেই বিষয়ে লিখুন। সেটা হতে পারে আপনার শখ, অভিজ্ঞতা, বা কোনো টপিক যা আপনি গভীরভাবে জানেন।


২. ধারাবাহিকভাবে লেখা শুরু করুন:

ধারাবাহিকভাবে কিছু অধ্যায় লিখুন এবং সেই লেখা পরে একত্রিত করে বই বানান। ইবুক হিসেবে সেই বই প্রকাশ করুন। আপনি কাগজের বই না লিখলেও হবে, ইবুক আকারে প্রকাশ করা অনেক সহজ।


৩. বই বিক্রি এবং উপার্জন:

বাংলাদেশে বইঘর এবং বইটই নামক জনপ্রিয় ইবুক প্ল্যাটফর্মগুলোতে আপনার বই প্রকাশ করতে পারেন। সেখানে বই বিক্রি হওয়ার পর, আপনি আপনার ড্যাসবোর্ডে দেখতে পাবেন কয়টি বই বিক্রি হয়েছে এবং কত টাকা জমা হয়েছে। বইয়ের দাম যদি ১০০ টাকা হয়, তবে বিক্রির পর আপনি পাবেন ৬০ টাকা।


আপনি যখন আপনার বই লিখে ইবুক আকারে প্রকাশ করবেন, তখন সেটা পুরো পৃথিবীজুড়ে পৌঁছাবে, এবং যত বেশি বই বিক্রি হবে, তত বেশি টাকা আপনার অ্যাকাউন্টে জমা হবে।


✅ এখন আপনি কী করবেন?

আপনি যদি মনে করেন আপনি একটি চাকরি বা একটি চাকরি খুঁজে আপনার উপার্জন শুরু করবেন, তাহলে মনে রাখবেন, আপনি নিজেই উপার্জনের পথ সৃষ্টি করতে পারেন। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করুন, ব্র্যান্ড হয়ে উঠুন, এবং তখনই আপনার উপার্জন শুরু হবে। জীবনকে শুধুমাত্র গড়তে হলে কিছু সময়ের জন্য নিজের কাছে থাকুন, পড়াশোনা করুন, এবং নিজের প্যাশনকে কাজে লাগান।


এটা সহজ নয়, তবে আপনি যদি একবার আপনার প্যাশনের পথে কাজ শুরু করেন, আপনি দেখতে পাবেন, ধীরে ধীরে আপনার কাজ আপনাকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাবে। এমন কাজ করুন যা মানুষের উপকারে আসে, এবং মনে রাখবেন—আপনার উপার্জন তখনই শুরু হবে, যখন আপনার কাজ সত্যিকারের মানুষের প্রয়োজন হয়ে যাবে।


✅ শেষ কথা:


আপনার প্যাশন থেকেই আপনি উপার্জন করতে পারেন, শুধু প্রয়োজন সঠিক দিশার। আর সে দিশা খুঁজে পাওয়ার জন্য আপনাকে কিছু সময় এবং মনোযোগ দিতে হবে। আমি নিজে বই লিখে এবং কন্টেন্ট বানিয়ে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে পয়সা কামাচ্ছি—এবং আপনাকেও পরামর্শ দিচ্ছি, প্যাশনের কাজ শুরু করুন এবং আপনার ভবিষ্যৎ তৈরি করুন!


#collected

আপনার সন্তানকে আপনি বাহিরের কোন খাবার (চকলেট, চিপস, জুস) ইত্যাদি খেতে দেন না

 আপনার সন্তানকে আপনি বাহিরের কোন খাবার (চকলেট, চিপস, জুস) ইত্যাদি খেতে দেন না। কিন্তু হঠাৎ আপনার সন্তানের স্কুলের কোন শিক্ষক বাচ্চাদের CT পরীক্ষার খুশি হয়ে উপহার হিসাবে সবাইকে একটি করে চকলেট উপহার দিতে চাইল। সবাইকে দেয়ার মাঝে আপনার সন্তানকে যখন দিতে আসলো সে কিভাবে শিক্ষককে বুঝাবে "আমি বাহিরের খাবার খাই না।" অর্থাৎ কিভাবে সুন্দরভাবে প্রত্যাখ্যান করবে। 


আপনি তাকে এই সম্পর্কে কিভাবে শেখাবেন? 


১. আগে মন থেকে শিশুকে বোঝান কেন বাইরে খাবার না খাওয়া ভালো:

সন্তানকে আদর ও ভালোবাসা নিয়ে বলুন, 


“আব্বু/আম্মু, আমরা বাইরের খাবার খাই না কারণ অনেক সময় সেগুলোতে এমন কিছু থাকতে পারে যা তোমার শরীরের জন্য ভালো না। তুমি জানো, আমরা সবসময় চাই তুমি সুস্থ থাকো।” 


২. বাহিরের খাবার কিভাবে অস্বাস্থ্যকর উপায়ে তৈরি হয় সেগুলো দেখানো বা বুঝানোর চেষ্টা করুন: 


সন্তানকে বাহিরে খোলা খাবার তৈরি হচ্ছে এমন জায়গায় নিয়ে যান অথবা বর্তমানে ইন্টারনেটে অনেক ভিডিও পাওয়া যায় যেগুলোতে দেখানো হয় কিভাবে অস্বাস্থ্যকর উপায়ে খাবার তৈরি হচ্ছে। সেগুলো বাচ্চাকে দেখানোর চেষ্টা করুন। যেন তারা বুঝতে পারে, কেন বাবা-মা তাদের নিষেধ করছে। 


৩.শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে কীভাবে না বলতে হয় তা শেখান: 


আপনার সন্তানকে এইরকম বলার জন্য অনুশীলন করাতে পারেন:

“স্যার/ম্যাম, জাযাকাল্লাহু খইর । আপনি আমাকে চকলেট দিতে চেয়েছেন বলে আমি খুব খুশি হয়েছি। কিন্তু আমার আব্বু/আম্মু আমাকে বাইরের কিছু খেতে নিষেধ করেছেন, তাই আমি নিতে পারছি না। দয়া করে রাগ করবেন না। আপনার উপহারের জন্য অনেক ধন্যবাদ।" 


৪. বিকল্প সমাধানের কথা বলুন 


যদি শিক্ষক নিতে জোর করেন, তাহলে বাচ্চা বলতে পারে:

"আমি এটা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আব্বু/আম্মু অনুমতি দিলে খাবো। 


পরে আপনি চকলেটটি গ্রহণ করে তার জন্য অন্য কোনো স্বাস্থ্যকর উপহার (যেমন ফল, বাদাম) দিতে পারেন। 


৫. শিক্ষককে আগেই জানানো (যদি সম্ভব হয়) 


স্কুলের শিক্ষক/অভিভাবক দলের সাথে যোগাযোগ করে আগেই জানিয়ে রাখুন যে আপনার সন্তান বাইরের নির্দিষ্ট খাবার খায় না। 


৬. মানসিক প্রস্তুতি দিন 


বাচ্চাকে বুঝিয়ে বলুন:

 "তোমার জন্য ভালো বলে আমরা কিছু নিয়ম করি, কিন্তু অন্যরা হয়তো জানে না। তাই কেউ দিলে রাগ না করে ধন্যবাদ দিয়ে বলবে।" এতে তার মধ্যে হতাশা বা বিভ্রান্তি তৈরি হবে না। 


৭. ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি শেখান 


"না বলার অধিকার তোমার আছে"—এই বার্তা তাকে দিন।  


৮. বাড়িতেই রোল প্লে করে শেখান 


বাচ্চাকে সাথে নিয়ে স্কুলের মতো করে একটি দৃশ্য তৈরি করুন। বাসায় এই পরিস্থিতির অভিনয় করে অভ্যাস করান, যাতে বাচ্চা সহজে এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারে। 


৯. উৎসাহ ও পুরস্কার: 


বাড়িতে ফিরে এলে বাচ্চার আত্মসংযম ও নীতিবোধের জন্য তাকে প্রশংসা করুন ও উৎসাহ দিন। 


সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল বাচ্চাকে শেখানো যে এই প্রত্যাখ্যান করা কোন অপরাধ নয় এবং তার মূল্যবোধ ও পারিবারিক নিয়ম মেনে চলা একটি গর্বের বিষয়। এতে করে বাচ্চা নিজের সিদ্ধান্তে দৃঢ় থাকতে শিখবে এবং সামাজিক চাপ মোকাবেলা করতে সক্ষম হবে।


🍏 আপনারা জানেন দীর্ঘদিন ধরে "শিশু লালন-পালন | শিশু শিক্ষা" গ্রুপে আদর্শ সন্তান প্রতিপালন সম্পর্কে আপনাদের বিভিন্ন টিপস, সেমিনার, ওয়েবিনারের আয়োজন করা হচ্ছে। এছাড়াও সন্তানদের বিভিন্ন তারবিয়াহ মূলক শিশু শিক্ষার আয়োজনও এখানে রয়েছে। 


টেলিগ্রাম প্যারেন্টিং গ্রুপ লিংক: https://t.me/goodparenting1000


হোয়াটসঅ্যাপ প্যারেন্টিং গ্রুপ লিংক: https://whatsapp.com/channel/0029VaHztxAGU3BTlowja32h

জাযাকাল্লাহু খইর।


#প্যারেন্টিং #শিশু #শিশুশিক্ষা #সন্তান #ParentingJourney #parentingtips #parenting #parents #parentinghacks #positiveparenting

ফেরাউনের দা*সী*র ক*ব*র থেকে সুঘ্রান আসার কারন কি

 মিরাজের রাতে আমাদের প্রিয় নবী (সাঃ) যখন হযরত জিব্রাইল (আঃ)-এর সাথে হাঁটছিলেন তখন হৃদয় জুড়ানো সুঘ্রাণ পাচ্ছিলেন। কী মন মাতানো সেই ঘ্রাণ! রাসূল (সাঃ) অবাক হলেন এবং জিব্রাইল (আঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন-  ‘হে জিব্রাইল, আমি নাকে কিসের সুঘ্রাণ অনুভব করছি’?


তখন জিব্রাইল (আঃ) বললেন- ’ইয়া রাসুলুল্লাহ, এই সুঘ্রাণ ফেরাউনের দা*সী*র ক*ব*র থেকে আসছে’। মহানবী (সাঃ) তখন জিব্রাইল (আঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘ফেরাউনের দা*সী*র ক*ব*র থেকে এমন সুঘ্রাণ আসার কারণ কী, হে জিব্রাইল’?


তখন জিব্রাইল (আঃ) বললেন- ’একদিন ফেরাউনের দা*সী ফেরাউন কন্যার চুল আঁচড়ে দিচ্ছিলেন, হঠাৎ তাঁর হাত থেকে চিরুনি পড়ে গেলো। চিরুনিটি তোলার সময় দা*সী আনমনে বলে উঠলেন- ‘বিসমিল্লাহ্‌’  বা আল্লাহর নামে।


তখন ফেরাউন কন্যা জিজ্ঞাস করলো-  ‘এই কথা দ্বারা তুমি আমার পিতাকে বুঝিয়েছো নিশ্চয়’?


দা*সী উত্তর দিলেন-  ‘না, আমি বলেছি আল্লাহ্‌! যিনি আমার প্রভু, তোমার বাবার প্রভু, জান্নাতের প্রভু, সারা জাহানের প্রভু’।


ফেরাউন কন্যা বললো- ‘তুমি যা বলেছো তা কি আমি আমার পিতাকে জানাবো’? নির্ভয়ে দা*সী উত্তর দিলেন-  ‘হ্যাঁ, জানাও’! কথাটি যখন জা*লিম*দের মধ্যে নি*কৃ*ষ্ট  জা*লি*ম ফেরাউনের কানে গেলো, তখন সে দা*সী*কে দরবারে তলব করলো।


দা*সী তার দরবারে গেলেন।  তখন ফেরাউন তার উপদেষ্টাদের সাথে তার দরবারে বসেছিল। তাচ্ছিল্যের সুরে সে দা*সী*কে জিজ্ঞেস করলো-  ‘হে আমার দা*সী, তোমার প্রভু কে’? সাথে সাথে দা*সী*র নির্লিপ্ত উত্তর- ’আল্লাহ্‌, তিনি আমার প্রভু এবং তোমারও প্রভু’! দাসীর এমন উত্তর শুনে ফেরাউন ক্রো*ধ মাখানো অট্টহাসিতে ফে*টে পড়লো এবং বললো- ‘যাও, বাড়ি যাও’। 


পরদিন ফেরাউন সেই দা*সী ও তাঁর সন্তানদের দরবারে হাজির করার জন্য রক্ষীদের পাঠালো।


যখন দা*সী*কে দরবারে হাজির করা হলো তখন তিনি দেখলেন, ফেরাউন একটি বড় কড়াইয়ের পাশে পায়চারী করছে। ইবনে কাতির (রাঃ) এই কড়াইকে বর্ণনা করে বলেছেন- ’এটি এমন বিশাল একটি কড়াই যেখানে অনায়াসেই বিশাল সাইজের একটি গরু ঠাঁই পাবে’।


তিনি আরও বলেছেন- ‘সেই কড়াইতে তেল ঠগ-বগ করে ফুটছিল এবং কড়াইয়ের নিচে দা*উ দা*উ করে আ*গু*ন জ্ব*লছি*ল’। সন্তানসহ হাজির করানোর পর ফেরাউন দাসীকে বললো- ’ওহে দা*সী, এবার বল তোর প্রভু কে’? এবারও দাসী ভয়হীন উত্তর- ‘আল্লাহ্‌, যিনি আমার প্রভু এবং তোমারও  প্রভু’। এ কথা শুনে ফেরাউনের আদেশে রক্ষীরা তার বড় সন্তানকে ফু*ট*ন্ত তেলে নি*ক্ষে*প করলো। 


মা মা চিৎকার করতে করতে দা*সী*র ছেলেটি উত্তপ্ত তেলে নিমিষেই গ*লে গেলো। এই দৃশ্য দেখে জা*লি*ম কা*ফি*রের দল হো হো করে হাসতে লাগলো। প্রথম সন্তানকে মে*রে ফেলার পর ফেরাউন আবারও জিজ্ঞেস করলো- ‘হে আমার দা*সী, তোমার প্রভু কে’? দাসী আবারও বললেন,’আল্লাহ্‌’!


এই কথা বলার সাথে সাথে রক্ষীরা তাঁর অন্য সন্তানকেও ফু*ট*ন্ত তেলে নি*ক্ষে*প করলো। সাথে সাথে সেও সিদ্ধ হয়ে তেলের সাথে মিলিয়ে গেলো। তারপর ফেরাউন আবারও জানতে চাইলো- ‘তোমার প্রভু কে’? চোখের সামনে সদ্য দুই সন্তান হা*রা*নো দা*সী একটুও বিচলিত না হয়ে এবারও উত্তর দিলেন-’আল্লাহ, যিনি আমারও প্রভু, তোরও প্রভু’।


এবার রক্ষীরা দাসীর দু*ধে*র শিশুটিকে তেলে নি*ক্ষে*প করার জন্য ঝুলিয়ে রাখলো, ঠিক তখনই দেখা গেলো আল্লাহ্‌র কুদরত। ছোট্ট শিশুটি বলে উঠলো- ’চিন্তু করো না মা, আমরা জান্নাতে আছি’!


দা*সী এবার আরো জোর গলায় চিৎকার করে বলে উঠলেন, ‘আল্লাহ্‌ ! তিনি আমারও প্রভু, তোরও প্রভু’। এরপর সেই দা*সী*কেও ফু*ট*ন্ত তেলে নি*ক্ষে*প করা হলো। দা*সী*র অটুট ঈমান নিয়ে মহান আল্লাহর দরবারে পৌঁছে যান। আর এমন কঠিন ঈমান নিয়ে জান্নাতে যাওয়ার জন্যেই তাঁকে এমন মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে, সুবহানাল্লাহ…

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর ২০টি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে।

 বজ্রপাত থেকে বাঁচতে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর ২০টি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে।

নির্দেশনাগুলো হলো-

১. বজ্রপাতের ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির ধাতব রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না।

২. প্রতিটি বিল্ডিংয়ে বজ্র নিরোধক দণ্ড স্থাপন নিশ্চিত করুন।

৩. খোলাস্থানে অনেকে একত্রে থাকাকালীন বজ্রপাত শুরু হলে প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরে দূরে সরে যান।

৪. কোনো বাড়িতে যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকে তাহলে সবাই এক কক্ষে না থেকে আলাদা আলাদা কক্ষে যান।

৫. খোলা জায়গায় কোনো বড় গাছের নিচে আশ্রয় নেয়া যাবে না। গাছ থেকে চার মিটার দূরে থাকতে হবে।

৬. ছেঁড়া বৈদ্যুতিক তার থেকে দূরে থাকতে হবে। বৈদ্যুতিক তারের নিচ থেকে নিরাপদ দূতত্বে থাকতে হবে।

৭. ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির প্লাগগুলো লাইন থেকে বিচ্ছিন্ন রাখতে হবে।

৮. বজ্রপাতে আহতদের বৈদ্যুতিক শকে মতো করেই চিকিৎসা দিতে হবে।

৯. এপ্রিল-জুন মাসে বজ্রপাত বেশি হয়। এই সময়ে আকাশে মেঘ দেখা গেলে ঘরে অবস্থান করুন।

১০. যত দ্রুত সম্ভব দালান বা কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।

১১. বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি বা বারান্দায় থাকবেন না এবং ঘরের ভেতরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম থেকে দূরে থাকুন।

১২. ঘন-কালো মেঘ দেখা গেলে অতি জরুরি প্রয়োজনে রাবারের জুতা পরে বাইরে বের হতে পারেন।

১৩. উঁচু গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি, তার, ধাতব খুঁটি ও মোবাইল টাওয়ার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন।

১৪. বজ্রপাতের সময় জরুরি প্রয়োজনে প্লাস্টিক বা কাঠের হাতলযুক্ত ছাতা ব্যবহার করুন।

১৫. বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা, মাঠ বা উঁচু স্থানে থাকবেন না।

১৬. কালো মেঘ দেখা দিলে নদী, পুকুর, ডোবা, জলাশয় থেকে দূরে থাকুন।

১৭. বজ্রপাতের সময় শিশুদের খোলা মাঠে খেলাধুলা থেকে বিরত রাখুন এবং নিজেরাও বিরত থাকুন।

১৮. বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে থাকলে পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে এবং কানে আঙুল দিয়ে মাথা নিচু করে বসে পড়ুন।

১৯. বজ্রপাতের সময় গাড়ির মধ্যে অবস্থান করলে, গাড়ির থাতব অংশের সঙ্গে শরীরের সংযোগ ঘটাবেন না। সম্ভব হলে গাড়িটিকে নিয়ে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।

২০. বজ্রপাতের সময় মাছ ধরা বন্ধ রেখে নৌকার ছাউনির নিচে অবস্থান করুন।


পোষ্টটি শেয়ার করে সকলকে সতর্ক করি এবং নিজে সতর্ক থাকি।

#GWET_OFFICIAL

স্মার্টফোন: আধুনিক যুগের নিঃশব্দ দাসত্ব

 *📱 স্মার্টফোন: আধুনিক যুগের নিঃশব্দ দাসত্ব​*


এক সময় যুদ্ধ মানে ছিল অস্ত্র, রক্তপাত, ও শারীরিক পরাজয়। কিন্তু আজকের দিনে, যুদ্ধের রূপ বদলে গেছে। এখন আর বুলেট বা বোমার প্রয়োজন নেই; একটি স্মার্টফোনই যথেষ্ট আমাদের মনোজগত দখল করতে। এটি এমন এক নিঃশব্দ দাসত্ব, যা আমরা নিজেরাই বেছে নিচ্ছি।আজকের দুনিয়ায় স্মার্টফোন শুধু একটি প্রযুক্তি নয়, এটি হয়ে উঠেছে আধুনিক দাসত্বের অস্ত্র।


একটা সময় ছিল যখন বিজয়ের অর্থ ছিল শারীরিকভাবে দখল করা। এখন সেই দখল চলে গেছে ডিজিটাল দুনিয়ায়। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক—এসব অ্যাপ আমাদের সময় খাচ্ছে, মনোযোগ ছিনিয়ে নিচ্ছে, চিন্তার স্বাধীনতা কেটে ফেলছে। আমরা নিজের অজান্তেই হয়ে যাচ্ছি এক ধরণের মনস্তাত্ত্বিক বন্দি, যার শিকল হলো স্ক্রলিং অভ্যাস।


স্মার্টফোন এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন আমরা যতটা সম্ভব বেশি সময় ব্যয় করি এতে। আমাদের চিন্তাভাবনা, রুচি, অনুভূতি এমনকি বিশ্বাস পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করছে অ্যালগরিদম। আপনি কী পছন্দ করবেন, কী ভাববেন, কোন বিষয়কে ভয় পাবেন—সবকিছুর পেছনে আছে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর সুনির্দিষ্ট প্রভাব। এটা হলো "algorithmic colonization"—যেখানে আপনাকে বাহ্যিকভাবে দাস করা হয়নি, কিন্তু আপনার ভেতরটাই বন্দি করে ফেলা হয়েছে।


স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যকে গভীরভাবে প্রভাবিত করছে। নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্নতা, আগ্রাসী আচরণ, এবং এমনকি হ্যালুসিনেশন পর্যন্ত সৃষ্টি করছে। ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী ১০,৫০০ কিশোর-কিশোরীর উপর পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা কম বয়সে স্মার্টফোন ব্যবহার শুরু করেছে, তাদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বেশি ।


তাছাড়াও, যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলো তাদের কর্মীদের চীনা নির্মিত ইলেকট্রিক গাড়িতে স্মার্টফোন চার্জ না করতে নির্দেশ দিয়েছে, কারণ এতে সাইবার গোয়েন্দাগিরির আশঙ্কা রয়েছে । অর্থাৎ এটির ব্যবহার যুদ্ধক্ষেত্রেও রয়েছে! ​ 


আজ আমরা মনে করি স্মার্টফোন ছাড়া থাকা সম্ভব নয়। অথচ এটা আমাদের সময়, সম্পর্ক, মনোযোগ, এবং চিন্তার জায়গাগুলো ধীরে ধীরে দখল করে নিচ্ছে। একসময় আমরা যেসব কাজ করতাম মানুষ হয়ে, এখন তার অনেকটাই অ্যাপ নির্ভর। আমাদের সুখ-দুঃখের অনুভব এখন নোটিফিকেশন ডিপেন্ডেন্ট।


সবচেয়ে ভয়ের বিষয় হলো, এই বন্দিত্ব আমরা নিজেরাই পছন্দ করছি। দিন শেষে ফোনটাকে গাল দিয়ে বলি, “সময় নষ্ট হয়ে গেল”—কিন্তু পরদিন আবার শুরু করি একই ভুল। এটি কোনো সাধারণ অভ্যাস নয়, এটি হলো নতুন প্রজন্মের মানসিক দাসত্ব, যেটা শারীরিক পরাজয়ের চেয়েও ভয়ংকর।


আমরা যুদ্ধের ভয় করি, কিন্তু নিজের মনোযোগ ও মূল্যবান সময়কে স্মার্টফোনে বিলীন করে দিয়ে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করছি—এটা কি সত্যিকার অর্থে স্বাধীনতা?


📢 সময় এসেছে প্রশ্ন তোলার:

আমরা কি স্মার্টফোন ব্যবহার করছি, নাকি স্মার্টফোন আমাদের ব্যবহার করছে?


📌 মনে রাখুন: আধুনিক যুগের সবচেয়ে ভয়ংকর দাসত্ব হলো এমন এক দাসত্ব যেটিকে দাসত্ব মনে হয় না।


#Investine 

#HalalInvestment 

#InvestineMastery

#ShariahCompliance 

#Mabroom

#TheQuestOf114

#AmeenDigital

#Azeen

#PahariPonno

#BestProperties

#LearnToTeach

#NeverForget 🇵🇸

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...