এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৫ মে, ২০২৫

গ্রীষ্মকালেও টমেটোর টনটন ফলন!

 🍅☀️ গ্রীষ্মকালেও টমেটোর টনটন ফলন!

জানুন গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষের আধুনিক ও লাভজনক পদ্ধতি! 💰🌱


শীতকালীন ফসল টমেটো এখন চাষ হচ্ছে গরমেও!

সঠিক জাত, পরিচর্যা আর পরিকল্পনায় ১ শতকে হতে পারে ৩৫০ কেজি পর্যন্ত ফলন! 😲

চলুন জেনে নেই সফল গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষের পরিপূর্ণ গাইডলাইন 👇


🌤️ জলবায়ু উপযোগিতা:

✅ গড় তাপমাত্রা: ২০°–২৫°C

✅ রাতে তাপমাত্রা ২৩°C এর নিচে হলে ফলন ভাল হয়

🚫 বেশি গরম বা বাতাসের আর্দ্রতা = ফুল ঝরা + রোগ বৃদ্ধি


🌱 মাটি ও জমি প্রস্তুতি:

🔹 আলো বাতাস চলাচলযোগ্য দোআঁশ বা এটেল দোআঁশ

🔹 পানি না জমা জমি

🔹 চাষ করে মাটি ঝুরঝুরে করুন

🔹 বিঘাপ্রতি কার্বোফুরান ৩ কেজি প্রয়োগ


🧬 উপযুক্ত জাত:

BARItomato-৫, ৬, ১১, ১৪

BARI Hybrid Tomato-৪, ৮, ১০

Mintoo Hybrid ✅


📅 বীজ বপনের সময়: এপ্রিল – জুন (বৈশাখ – আষাঢ়)


🌱 বীজতলা ও চারা ব্যবস্থাপনা:

📌 প্রতি শতকে ১ গ্রাম বীজ

📌 চারা গজানোর ১০-১২ দিন পর ২য় বীজতলায় হার্ডেনিং

📌 অতিরিক্ত বৃষ্টি বা রোদে পলি শেড ব্যবহার করুন (৪.৫ মাইক্রন দেশি পলি)


🛠️ বেড তৈরির নিয়ম:

১ মি. চওড়া ও ১৫-২০ সে.মি. উঁচু বেড

দুই বেডের মাঝে ৩০ সে.মি. নালা


🌾 সার ব্যবস্থাপনা (প্রতি শতকে):

🔸 গোবর: ৪০ কেজি

🔸 ইউরিয়া: ১২০০ গ্রাম

🔸 টিএসপি: ৮০০ গ্রাম

🔸 পটাশ: ৭৫০ গ্রাম

🔸 জিপসাম: ২২০ গ্রাম

🔸 জিংক: ২০ গ্রাম

🔸 বোরন: ২৫ গ্রাম


📌 জমি তৈরির সময় গোবর + টিএসপি + জিপসাম + জিংক + বোরন + ১/৩ পটাশ

📌 চারা রোপনের ১৫, ২৫, ৪০ দিনে আলাদা করে ইউরিয়া ও পটাশ প্রয়োগ


🧪 হরমোন প্রয়োগ (ফুল ঝরা রোধে):

⏰ সকাল ৯টা–১১টার মধ্যে

📌 ৪সিপিএ জাতীয় হরমোন (ভেজিমেক্স/প্রোটোজিম/বলবান/এস্টার)

💧 প্রতি লিটার পানিতে ২ মি.লি. হারে স্প্রে


🧑‍🌾 বিশেষ পরিচর্যা:

✔️ ১ম ফুলের নিচের সব কুশি ছেঁটে ফেলুন

✔️ গাছকে বাঁশ বা খুঁটি দিয়ে ঠেকনা দিন


🍅 ফলন সম্ভাবনা:

📌 ২০০–৩৫০ কেজি/শতক

📌 ৫০–৯০ টন/হেক্টর জাত ভেদে


🏡 টিপস:

স্থায়ীভাবে বিনিয়োগকারী উদ্যোক্তারা পলি হাউজ করে চাষ করুন

➡️ সারা বছর চাষযোগ্য উচ্চ মূল্যের ফসল: ক্যাপসিকাম, তরমুজ, রকমেলন, লেটুস ইত্যাদি


🟢 ফলন বাড়াতে জেনে বুঝে চাষ করুন

💬 শেয়ার করুন যেন অন্যরাও লাভবান হয়


#টমেটোচাষ #গ্রীষ্মকালীনটমেটো #সবজিচাষ #AgroTips #SmartFarmer #TomatoFarming #HighYield #GreenBusiness #পলি_হাউজ #অর্গানিকচাষ #BangladeshAgriculture

স্বামী-স্ত্রী কখনো দীর্ঘদিন দূরে থাকবেন না। .

 স্বামী-স্ত্রী কখনো দীর্ঘদিন দূরে থাকবেন না।

.

বিয়ের পর দয়া করে স্বামী-স্ত্রী বেশিদিন দূরে থাকবেন না। বিস্বাস করুন ভালো থাকার জন্য অনেক বেশি টাকার দরকার একদম-ই নেই। দরকার আপনার ভালোবাসার।

.

জীবন থেকে যে একটা সেকেন্ড চলে যায় সেটা আমরা আর কখনো ফিরে পাই না। আর আপনি বছরের পর বছর স্ত্রী, সন্তান রেখে বহুদূরে পরে আছেন!

.

এই কি জীবন? কোথায় সুখ? কোথায় আপনার স্ত্রীর জন্য ভালোবাসা? কোথায় সন্তানের জন্য স্নেহ?

.

হ্যাঁ, টাকা-পয়সা জীবনে অনেক দরকার কিন্তু; ভেবে দেখেন তো সারাদিনে ৩০০ টাকা রোজগার করা মানুষটা যখন দিনশেষে বাসায় ফিরে তার সামনে পানি দেওয়ার জন্য একজন মানুষ আছে, সে রাতে তার স্ত্রী, সন্তানদের পাশে ঘুমাতে পারে, তার অসুস্থতায় তার স্ত্রী তাকে সেবা করে, তার সন্তান দূর থেকে তাকে দেখে দৌড়ে এসে কোলে ওঠে।

.

কোনো নারীর জীবন থেকে এমন সময় কেঁড়ে নিবেন না যে সময়টায় সে শুধু আপনাকে কাছে চায়।

.

বাইরে গেলে যখন তার চোখে পরে পাঞ্জাবি পরা কোনো এক ছেলে তার প্রিয়তমার হাত ধরে রাস্তা পার করে দিচ্ছে, তখন আপনার স্ত্রীর ভেতর থেকে দীর্ঘস্বাস বের হওয়া ছাড়া আর কিছু-ই করার থাকে না।

..

আপনি সারাদিন মাথার ঘাম পায়ে ফেলে টাকা রোজগার করে বউকে দামী শাড়ি আর গহনা-ই পরিয়ে গেলেন। কিন্তু যে সময়গুলো আপনারা হারিয়েছেন সেটা আর আসবে না কোনোদিন। উত্তপ্ত প্রেম টাকার তলায় চাপা দিয়ে দিলেন।

.

আপনার সন্তান যখন রাস্তায় দেখে কোনো বাবা তার ছেলেকে রঙিন বেলুন কিনে দিচ্ছে, তখন সে আপনাকে খোঁজে।

.

 সন্তান যখন দেখে তার বয়সী বাচ্চা তার বাবার হাত ধরে মাদ্রাসাই যাচ্ছে তখন সে আপনাকে খুব মিস করে। 

সন্তানের জন্য মাসে এতো হাজার টাকা না পাঠিয়ে হাত ধরে মাদ্রাসাই দিয়ে আসুন।

.

 সে আপনার আদর্শে বড় হবে। তখন সে আপনার কাছে ৫ টাকার প্রয়োজনে ১০ টাকা চাইবে না। বরং ১০ টাকার কাজ টা ৫ টাকায় মিটমাট করার চেষ্টা করবে।

.

কাজের চাপে আপনি সারাদিনে বউকে মনে করার তেমন সময়ও পান না অনেক সময়। এদিকে দুপুরের নাওয়া-খাওয়া শেষ করার পর আপনার স্ত্রীর অলস বিকালে আর সন্ধ্যা নেমে আসতে চায় না। 

জানালা দিয়ে সে বাইরে তাকিয়ে দূরের ঐ নীল আকাশে রং বেরঙের কত কী দেখে। দেখে না শুধু আপনাকে।

.

মাঝরাতে ঘুম ভাঙার পর বাম পাশে আপনাকে না পেয়ে বুকে আকাশ সমান বোঝা নিয়ে আপনার স্ত্রী ঘুমিয়ে যায়। এভাবেই আপনার বয়স ৫০ পেড়িয়ে যাবে, স্ত্রীর চোখ ধূসর হয়ে আসবে।

.

হলো না আপনাদের কদম হাতে বৃষ্টিতে ভেজা।

আর হলো না আঁকাবাকা রাস্তায় পা মিলিয়ে সামনে হাটা। হলো না সন্তান বুকে নিয়ে ঘুমানো।

হলো টাকার পাহাড়, বিষের পাহাড়, বিষাদের পাহাড়। যার চাপায় পিষে যাবে কতগুলো রঙিন স্বপ্ন, পিষে যাবে স্ত্রীর প্রেম, খসে যাবে আপনার যৌবন।

হাওড়া ব্রিজ, বর্তমানে "রবীন্দ্র সেতু" নামে পরিচিত, ভারতের অন্যতম ঐতিহাসিক ও প্রকৌশলগত কৃতিত্বের নিদর্শন। 

 হাওড়া ব্রিজ, বর্তমানে "রবীন্দ্র সেতু" নামে পরিচিত, ভারতের অন্যতম ঐতিহাসিক ও প্রকৌশলগত কৃতিত্বের নিদর্শন। এটি হুগলি নদীর উপর অবস্থিত একটি ক্যান্টিলিভার সেতু, যা পশ্চিমবঙ্গের দুই গুরুত্বপূর্ণ শহর—কলকাতা ও হাওড়াকে সংযুক্ত করে। ১৯৪৫ সালে নির্মিত এই ব্রিজটি শুধু যোগাযোগের পথ নয়, বরং ভারতের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হয়।


✅ ১৯৪৫ সালের হাওড়া ব্রিজ

i. হাওড়া ব্রিজের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৩৬ সালে এবং শেষ হয় ১৯৪২ সালে। তবে জনসাধারণের জন্য এটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয় ১৯৪৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি।

ii. এটি একটি ক্যান্টিলিভার টাইপের সেতু, যেখানে মূল সাপোর্ট ছাড়াই মাঝ বরাবর বিশাল আকৃতির স্প্যান টিকে আছে। সে সময় এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ক্যান্টিলিভার ব্রিজ ছিল।

iii. সম্পূর্ণ সেতুটি প্রায় ২৬,৫০০ টন উচ্চমানের ইস্পাত দিয়ে তৈরি, যার মধ্যে ২৩,০০০ টন ইস্পাত সরবরাহ করেছিল ভারতের তৎকালীন টাটা স্টিল কোম্পানি।

iv. ব্রিজ তৈরির সময় কোনো নাট-বল্টু ব্যবহার করা হয়নি, বরং পুরো সেতুটি রিভেটিং প্রযুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়।


✅ ২০২৫ সালের হাওড়া ব্রিজ

i. প্রতিদিন প্রায় ১ লক্ষের বেশি যানবাহন এবং ৫ লক্ষের বেশি পথচারী এই সেতু ব্যবহার করেন, যা একে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সেতু হিসেবে তুলে ধরে।

ii. দীর্ঘদিনের ভার বহনের ফলে সেতুটির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ অপরিহার্য, এবং আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ব্রিজটির স্থায়িত্ব রক্ষায় কাজ করছে কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট।

iii. ২০২৫ সালে সেতুটিকে আধুনিক LED আলো ও আলোকসজ্জা দিয়ে সৌন্দর্যায়িত করা হয়েছে, যার ফলে এটি রাতের কলকাতায় এক অনন্য দৃশ্যপট তৈরি করে।

iv. হাওড়া ব্রিজ শুধু একটি যাতায়াত মাধ্যম নয়, বরং কলকাতার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আধুনিকতার এক অবিচ্ছেদ্য প্রতীক।


✅ উপসংহার

হাওড়া ব্রিজ কেবল ইস্পাতের একটি স্থাপনা নয়, এটি একটি জাতির প্রকৌশল দক্ষতা, ঐতিহ্য ও গর্বের প্রতিচ্ছবি। সময়ের সাথে সাথে এর রূপ বদলালেও এর গুরুত্ব ও গৌরব আজও অক্ষুণ্ণ রয়েছে।


#HowrahBridge #RabindraSetu #KolkataHeritage #IndianEngineering #HooghlyRiverBridge #HistoricalStructure #WestBengalLandmark #IncredibleIndia

মজার দেশ – যোগীন্দ্রনাথ সরকার

 মজার দেশ

– যোগীন্দ্রনাথ সরকার

এক যে আছে মজার দেশ,

সব রকমে ভালো,

রাত্তিরেতে বেজায় রোদ,

দিনে চাঁদের আলো।

আকাশ সেথা সবুজবরণ

গাছের পাতা নীল;

ডাঙ্গায় চরে রুই কাতলা

জলের মাঝে চিল!

সেই দেশেতে বেড়াল পালায়,

নেংটি-ইঁদুর দেখে;

ছেলেরা খায় ‘ক্যাস্টর-অয়েল’-

রসগোল্লা রেখে!

মণ্ডা-মিঠাই তেতো সেথা,

ওষুধ লাগে ভালো;

অন্ধকারটা সাদা দেখায়,

সাদা জিনিস কালো!

ছেলেরা সব খেলা ফেলে

বই নে বসে পড়ে;

মুখে লাগাম দিয়ে ঘোড়া

লোকের পিঠে চড়ে !

ঘুড়ির হাতে বাঁশের লাটাই,

উড়তে থাকে ছেলে;

বড়শি দিয়ে মানুষ গাঁথে,

মাছেরা ছিপ ফেলে !

জিলিপি সে তেড়ে এসে,

কামড় দিতে চায়;

কচুরি আর রসগোল্লা

ছেলে ধরে খায়!

পায়ে ছাতি দিয়ে লোকে

হাতে হেঁটে চলে!

ডাঙ্গায় ভাসে নৌকা-জাহাজ,

গাড়ি ছোটে জলে!

মজার দেশের মজার কথা

বলবো কত আর;

চোখ খুললে যায় না দেখা

মুদলে পরিষ্কার।

বিশ্বে বিদ্যুৎ উৎপাদন, ইস্পাত শিল্প এবং ভারী কারখানাভিত্তিক অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি হলো কয়লা। 

 বিশ্বে বিদ্যুৎ উৎপাদন, ইস্পাত শিল্প এবং ভারী কারখানাভিত্তিক অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি হলো কয়লা। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই প্রাকৃতিক সম্পদ মানুষকে শক্তির জোগান দিয়ে আসছে। শিল্প বিপ্লব থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত কয়লা এখনও বিশ্বের একাধিক দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। এদের মধ্যে চীন ও ভারত সবচেয়ে বেশি কয়লা উৎপাদন করে, যা বৈশ্বিক শক্তি ভারসাম্যে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানকে তুলে ধরে।


✅ চীন – বিশ্বের শীর্ষ কয়লা উৎপাদক

চীন শুধু বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশই নয়, বরং শক্তির চাহিদার দিক থেকেও এটি বিশ্বে শীর্ষে। এই বিশাল চাহিদা মেটাতে কয়লা চীনের মূল জ্বালানি উৎস হিসেবে কাজ করে।


i. চীন প্রতি বছর প্রায় ৪ বিলিয়ন টনের কাছাকাছি কয়লা উৎপাদন করে, যা বিশ্বব্যাপী উৎপাদিত কয়লার একাধিকাংশের প্রতিনিধিত্ব করে।

ii. দেশটির প্রধান কয়লা খনিগুলি শানসি, শানডং, ইনার মঙ্গোলিয়া, হেনান এবং সিচুয়ান প্রদেশে অবস্থিত।

iii. চীনের বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ৬০% এখনও কয়লার ওপর নির্ভরশীল, যা শিল্পকারখানা এবং গৃহস্থালির বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

iv. দেশটি বিশ্বে সবচেয়ে বেশি কয়লা ব্যবহারকারী রাষ্ট্র এবং শিল্পোন্নয়নের ফলে এই চাহিদা অনেকটা স্থিতিশীল রয়ে গেছে।

v. যদিও চীন নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে ধীরে ধীরে এগোচ্ছে, তবে বৈশ্বিক চাহিদা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার কারণে কয়লা উৎপাদন ও ব্যবহার এখনো ব্যাপক হারে চলমান।


✅ ভারত – বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কয়লা উৎপাদক

ভারতের অর্থনীতি ও শিল্পোন্নয়নের পেছনে জ্বালানি খাত একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে, আর এই খাতে কয়লার অবদান অত্যন্ত বিশাল। বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে শুরু করে ইস্পাত ও সিমেন্ট শিল্প পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি খাতেই কয়লার প্রয়োগ দেখা যায়।


i. ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কয়লা উৎপাদক দেশ, যেখানে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কয়লা উৎপাদনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৯০০ মিলিয়ন টন।

ii. ভারতের কয়লা খনি প্রধানত ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, ছত্তিশগড়, পশ্চিমবঙ্গ, মধ্যপ্রদেশ, তেলঙ্গানা ও মহারাষ্ট্র রাজ্যে বিস্তৃত।

iii. ঝাড়খণ্ড রাজ্যে ভারতের সর্বাধিক কয়লা মজুদ রয়েছে; ধানবাদ, বোকারো ও গিরিডি এলাকার খনিগুলি এখানে অত্যন্ত বিখ্যাত।

iv. দামোদর নদী অববাহিকায় অবস্থিত গন্ডোয়ানা কয়লা ক্ষেত্র (যেমন রানিগঞ্জ, ঝাড়িয়া, কোয়েল ও বাকরো অঞ্চল) ভারতের কয়লা শিল্পের প্রধান কেন্দ্র।

v. পশ্চিমবঙ্গের রানিগঞ্জ খনি ১৭৭৪ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্তৃক আবিষ্কৃত হয় এবং এটি ভারতের প্রথম কয়লা খনি হিসেবে ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।


✅ উপসংহার

বিশ্বের কয়লা উৎপাদনে চীন ও ভারতের ভূমিকা শুধু নিজ নিজ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নয়, বরং বৈশ্বিক শিল্প খাতেও ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। দু’টি দেশই ধীরে ধীরে নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে অগ্রসর হলেও বর্তমান সময়েও কয়লা তাদের জ্বালানি কাঠামোর একটি অপরিহার্য অংশ। ভবিষ্যতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির মাধ্যমে এই নির্ভরতা কমিয়ে জ্বালানির টেকসই ব্যবস্থাপনার দিকে এগোনোই হবে একমাত্র পথ।


#CoalProduction #China #India #CoalMining #NaturalResources #EnergySecurity #PowerGeneration #Jharkhand #Raniganj #GlobalEnergy #MiningIndustry #CleanEnergyTransition

গল্প অভিশপ্ত পরী পর্ব __১২ #লেখক__মোঃ__নিশাদ 

 গল্প অভিশপ্ত পরী

পর্ব __১২

#লেখক__মোঃ__নিশাদ 


কিহহ তোর সাথে আমার বিয়ে। 


আমার কথায় অভি*শপ্ত পরী বললেন হ্যাঁ তোকে বিয়ে করবো। তুই ম*রতে চাস না আমাকে বিয়ে করলে তুই ম*রবি কিন্তু সেটা ধীরে ধীরে। 


পরীর কথায় আমি কিছু বুঝতে না পেরে বললাম৷ 

মানে, কি বলিস আমি কিছু বুঝতে পারছিনা। 


আমার কথায় পরী বললেন৷ শোন আমাকে তোরা অভি*শপ্ত পরী হিসেবে চিনিস জানিস৷ আমার বয়স অনেক বছর। আমি অনেক সাধণা করে একটা বিষয় জানতে পেরেছি, বলতে পারিস কালোজাদু তন্ত্র মন্ত্র নিয়ে এটা করা। 


তুই যদি আমাকে বিয়ে করিস৷ তোর আর আমাদের যদি বিয়ে হয়। বিয়ের পর তুই ইচ্ছেকৃতভাবে আমাকে সাতটা রাত তোর শরীলের র*ক্ত আমার শরীলে ফেললে আমি আবার যুবতী হয়ে যাবো৷ আমি তখন বেঁচে থাকবো আরো অনেক বছর৷ 


আমার এই তন্ত্র মন্ত্র জোর করে হবেনা৷ তুই যদি ইচ্ছে করে আমাকে বিয়ে করিস আর সাতটা রাতে তোর শরীলের র*ক্ত আমার শরীলে ফেলিস তাহলে কাজ হবে। তুই রোজ রোজ আমার শরীলে র*ক্ত ফেলার সাতদিন পর তুই মা*রা যাবি আর আমি ফিরে পাবো আমার রূপ ও যৌবন। 


-পরীর কথায় আমি বললাম না আমি কখনও এটা করবোনা। তোর এই ইচ্ছে কখনও পূরণ হবেনা। 


তখন পরী আমার দিকে তাকিয়ে বললেন। আমাকে যদি ইচ্ছেকৃতভাবে বিয়ে করিস এতে তোর গ্রামের যাঁরা বেঁচে আছে সবাইকে সুস্থ করবো। তুই কি চাসনা তোর গ্রামে যাঁরা এখনো বেঁচে আছে সবাই বেঁচে যাক। 


হ্যাঁ আমি চাই সবাই সুস্থ হোক বেঁচে যাক। 


পরী " তাহলে আমার কথায় রাজি হয়ে যা। আমাকে বিয়ে কর। ভেবে দেখ নিজে বেঁচে থাকবি নাকি নিজের মৃ*ত্যু দিয়ে গ্রামের সবাইকে বাঁচাবি। মনে রাখিস গ্রামের সবার সাথে তোর মা বাবা ও বেঁচে যাবে।


পরীর এমন কথায় কি বলবো বুঝতে পারছিনা চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলাম। 

তখন পরী বললো কিহ এত চিন্তা করছো। তোমার হাতে একটাই অপশন হয় নিজে বেঁচে থাকো, নইলে নিজের জিবন দিয়ে গ্রামের সবাইকে বাঁচাও। তোমাকে আজকের রাতটা ভাবার সময় দিলাম। ভেবে আমাকে জানাবে  আমি আবার তোমার কাছে কালকে আসবো। আর হ্যাঁ এই পানি টুকু নাও তোমার মা বাবা বা অন্য কেউ অনেক বেশি অসুস্থ থাকলে এটা খাওয়াই দিবে দেখবে ওনি একটু সাভাবিক ও সুস্থ হবে। এইটুকু পানি দিলাম তোমাকে বিশ্বাস করানোর জন্য এটা নাও আর বাড়িতে চলে যাও। 


পরীর কথায় চিন্তায় চিন্তায় বাড়িতে চলে গেলাম। 

বাড়িতে যাবার পর মা অনেক কষ্টে আমার রুমে এসে বললেন। 

-বাবা নিশাদ তোর বাবা ও আমার শরীলটা ভালোনা যানিনা কখন কি হয়ে যায়। আমাদের দুজনের কিছু একটা হলে তোর কি হবে। কথাটা বলে মা কান্না করতে লাগলেন। 


মায়ের কান্না দেখে আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারলাম না আমিও কান্না করতে থাকি। 


কিহ করবো। মা বাবা অসুস্থ আমি ভেঙে পড়লে ওরা আরে দূর্বল হয়ে পড়বে। এই ভেবে আমি কান্না থামিয়ে মা কে ওনার ঘরে রেখে আসলাম আর বললাম চিন্তা করোনা মা আল্লাহর রহমতে কিছুই হবেনা। দেখে নিও একটা না একটা ব্যাবস্তা হবে। 


এই বলে আমি ঘরে চলে গেলাম। ঘরে গিয়ে শুয়ে শুয়ে ভাবতে লাগলাম কি করবো কি করলে ঠিক হবে। আমিকি পরীর কথায় রাজি হবো নাকি হবোনা।


চোখে ঘুম আসছেনা এসব ভাবছি আর মন খারাপ করে শুয়ে আছি। 

সময়টা তখন মধ্যে রাত, মায়ের চিৎ*কার শুনে দৌড়ে ওনার রুমে গিয়ে দেখি মা বাবার শরীল অনেক খারাপ ওরা ওদের শরীল এক প্রকার ছেড়ে দিছে। এই দেখে আমি অভি*শপ্ত পরীর দেয়া ঐ পানিটুকু একটু মাকে ও একটু বাবাকে খাওয়াই দিলাম। 


মা বাবাকে ঐ পানিটুকু খাওয়ানোর একটু পর আল্লাহর রহমতে মা বাবা একটু সাভাবিক হলেন। আর বাবা আমাকে অবাক করে দিয়ে কথা বলে উঠলেন বাবা বললেন। 


বাবা নিশাদ আমাদের কি খাওয়াইলি। পানিটা খেয়ে কেন জানিনা ভালো লাগছে, শরীলটা আগের থেকে একটু ভালো মনে হচ্ছে। 


বাবার কথায় আমি একটু স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে বললাম। তোমরা চিন্তা করোনা বাবা আল্লাহর রহমতে তোমরা সহ গ্রামে সবাই সুস্থ হবা। এখন ঘুমাও। 


কথাটা বলে আমি ঘরে গিয়ে আমার জিবনের শেষ ডিসিশনটা নিয়ে নিলাম। আমি ভাবলাম পরীর দেয়া একটুকু পানি খেয়ে মা বাবা সুস্থ হলে গ্রামের সবাই সুস্থ হবে। আমি এই অভি*শাপ নিয়ে আসছি আমি শেষ করবো। আমি পরীর কথায় রাজি হবো। আমি ওকে বিয়ে করবো। নিজের জিবন দিয়ে আমি গ্রামের সবাইকে সুস্থ করবো ইনশাআল্লাহ। 


এসব ভাবতে ভাবতে রাতটা কেটে গেলো। 

পরেরদিন গ্রামে আরো দুই তিনজন মা*রা যাওয়ায়। গ্রামের কয়েকজন লাঠি হাতে আমার বাড়িতে এসে আমাকে ডাকতে লাগলো। 


ওঁদের ডাকে আমি বাহিরে যাওয়ায় ওরা বললো। আজকেও গ্রামের দুই তিনজন মা*রা গেছে। এসব তোমার কারণে হইছে, আমরা হয়তো মা*রা যাবো। আমরা মা*রা যাবার আগে তোমাকে মে*রে তারপর ম*রবো। তোমার জন্য গ্রামের আজ এই অবস্থা। 


ওঁদের কথায় আমি বললাম মানলাম আমি ভুল করছি। এখন আমাকে মা*রলে কি সবাই বেঁচে যাবেন না বাঁচবেন না। আমি সবার জন্য অভি*শাপ নিয়ে আসছি আমি সবার জন্য মঙ্গল নিয়ে আসবো। আমাকে আজকে আজকে রাতটা সময় দিন। আমি যদি আজ রাতে সবাইকে সুস্থ করার কোন ব্যাবস্তা করতে না পারি তাহলে কাল আমাকে যা ইচ্ছে করিয়েন৷


আমার কথায় সবাই বললো ঠিক তো। যদি কালকের মধ্যে কোন ব্যাবস্হা না হয় তাহলে কাল তোমাকে ছাড়বোনা৷ এই বলে সবাই চলে গেলো। 


সবাই যাবার পর আমি ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়লাম।। 

আমি শুয়ে শুয়ে অভি*শপ্ত পরীর জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। আমি জানি আজ হয়তো আমার  বাড়িতে থাকা শেষদিন। 


আমার অনেক খারাপ লাগছিলো৷ 

অনেক কষ্টে সেই দিনটা পার করলাম। 

দিন পেড়িয়ে রাত আসলো। 

রাত দশটা এগারোটা বাজার সময় আমি মা বাবার ঘরে আরেকবার গিয়ে ওঁদের বললাম। 


মা বাবা আমাকে যদি আজকের পর খুঁজে না পাও তাহলে আর খুঁজনা সুধু আমার জন্য দোয়া করো। কথাটা বলে বাহিরে গেলাম। 


আমার কথায় মা বাবা কিছু বুঝতে না পেরে পিছন থেকে আমাকে ডেকে বলতে লাগলেন, কি বলিস কিছু তো বুঝলাম না এই নিশাদ এত রাতে কোথায় যাস। 


মা বাবার কথায় আমি কোন কথা না বলে সেখান থেকে বাহিরে চলে আসলাম। 

বাহিরে সেই মাঠের কাছে যেতে দেখলাম অভি*শপ্ত পরী দাঁড়িয়ে আছে। 


আমি ওখানে যেতে ও কিছু বলতে যাবে তখনি আমি বললাম। ✋ কিছু বলতে হবেনা, আমি আপনার কথায় রাজি৷ আগে ঐ পানি আমাকে দিন আমি গ্রামের সবাইকে খাওয়াই সুস্থ করি তারপর। 


আমার কথায় পরী বললেন না না তা হবেনা তুমি আমাকে এতটা বোকা ভেবেছো। আগে আমাকে বিয়ে করবা তারপর পানি দিবো। 


আর যদি না দেন তখন কি হবে৷ 

আমার কথায় পরী বললো দিবো৷ না দিলে তখন তুমি ইচ্ছেকৃতভাবে তোমার শরীলের র*ক্ত আমাকে দিওনা। 


পরীর কথায় আমি কিছুক্ষন চুপ থেকে চিন্তা করলাম গ্রামের সবাইকে বাঁচাতে আমাকে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে৷ 


পরীর কথায় আমি বললাম ঠিক আছে আমি রাজি৷ আমি বাড়ি থেকে চলে আসছি৷ আপনি বিয়ের ব্যাবস্তা করুন৷ 


আমার কথায় পরী বললেন ঠিক আছে তাই হবে। 

এই বলে পরী আমাকে স্পর্শ করতে আমার কিছু মনে নেই৷ 


আমার যখন হুস ফেরে তখন আমি অন্য রকম একটা জায়গায় নিজেকে দেখতে পারি। আমি দেখি পরী আমার পাশে বসে ও সেখানে বেশ কয়েকটা জ্বীন। আমার হুস ফেরায় পরী বললো আমাদের নিয়মমত তোমার আমার এখন বিয়ে হবে। তুমিকি রাজি সবাইকে বলো তুমি রাজি৷ 


পরীকে আমার পাশে দেখে জানিনা কেনো তখন পরীর রানি মায়ামনির কথা অনেক মনে পড়ছিলো। গ্রামের সবাই এমন অবস্থার মাঝে ও মাঝে মধ্যে মায়ামনির কথা ভাবতাম কিন্তু কখনও কাউকে বুঝতে দেইনি৷ আজ কেনো জানিনা মায়ামনির কথা অনেক মনে পড়ছে। আমি মায়ামনির কথা ভাবছি তখন অভি*শপ্ত পরী আমাকে বললো এই কি ভাবছো সবাইকে বলো তুমি বিয়েতে রাজি আমাদের বিয়ে হবে তো৷  


পরীর কথায় আমি বললাম হ্যাঁ আমি বিয়েতে রাজি৷ আপনারা বিয়ে শুরু করুন৷ 

আমার কথায় জ্বীনেরা বিয়ের কাজ শুরু করবে আমাদের বিয়ে হবে এমন সময় সবাইকে অবাক করে দিয়ে সেখানে আসলেন পরীর রানী মায়ামনি। 😮


পরীর রানী মায়ামনি তার সৈন্যদের নিয়ে আসায় অভি*শপ্ত পরী দাঁড়িয়ে বললেন। 

এই কে তুই, এখানে তোর কি, দেখছিসনা এখানে একটা বিয়ে হচ্ছে চলে যা এখান থেকে। 


অভি*শপ্ত পরীর কথায় মায়ামনি আমার দিকে তাকিয়ে দেখলেন আমি কান্না করছি। 

তখন মায়ামনি বললেন, জোর করে একটা মানুষকে বিপদে ফেলে তাঁর দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে তাঁকে বিয়ে করা অন্যায়। 


আমি এই বিয়ে হতে দিবো না। 


Next_____

 গল্প অভিশপ্ত পরী প " ১১ #লেখক__মোঃ__নিশাদ 

 গল্প অভিশপ্ত পরী

প " ১১

#লেখক__মোঃ__নিশাদ 


 এই বলে ওনি ওনার হাতটা আমার কপালে রাখতেই আমি ঘুমিয়ে যাই। 


আমার যখন ঘুম ভেঙে যায় তখন আমি নিজেকে আমাদের গ্রামে দেখতে পাই। আমাকে হয়তো ঘুমের মাঝে পরী এসে রেখে গেছে। 


রাত তখন আটটা নয়টা। আমি পরীর কথামত সোজা হুজুরের বাড়িতে চলে যাই। 


আমি সেখানে যাবার পর হুজুর অবাক হয়ে বলে। নিশাদ আসছো, তুমিকি ঐ পানি নিয়ে আসছো নাকি আনতে পারোনি৷ 


ওনার কথায় আমি খুশি মনে বলি পেরেছি। আমি ঐ পানি নিয়ে আসছি। 


এই বলে হুজুরকে পানি দেয়ায় ওনি খুশি হয়ে বললেন। আল্লাহর অশেষ রহমত, চলো চলো এখনি চলো এখনি তোমাদের গ্রামে যাবো আর এই পানিটা সবাইকে খাওয়াই দিবো। আর দেরি করা ঠিক হবেনা। 


কথাটা বলে সেই রাতের বেলা ওনি আমার সাথে আমাদের গ্রামের দিকে আসতে লাগলেন। 

আমরা আমাদের গ্রামে আসার সময় হঠাৎ আমাদের সামনে একটা কালো অবয়ব এসে দাঁড়ায়। 


সেই অবয়বটাকে দেখে হুজুর বলেন নিশাদ দাঁড়াও। এখানেই দাঁড়াও আর ভয় পাবেনা। 


কথাটা বলে হুজুর চোখ বন্ধ করে কি জানি বললেন আর সামনে থাকা অবয়বটাকে উদ্দেশ্য করে বললেন। কে তুই আমাদের পথে দাঁড়ালি কেনো সরে যা সামন থেকে। 


কথাটা বলে হুজুর একমুঠো মাটি নিয়ে সেখানে কি কি জানি পড়ে ঐ অবয়বটার দিকে ছুঁড়ে মা*রতেই সেই অবয়বটা বাতাসে মিলে গেলেন। 


ও চলে যাবার পর আমি ও হুজুর আবারো বাড়ির দিকে যেতে লাগলাম। 

আমরা আরেকটু সামনে এগোতেই হঠাৎ করে আমাদের সামনে এসে দাঁড়ালো অভি*শপ্ত পরী। 

ও সামনে আসায় হুজুর বললেন।। 


পরী সামন থেকে চলে যা। একবার কিন্তু আমার হাত থেকে বেঁচে ফিরছিলি এখন বাঁচতে পারবিনা। 

হুজুরের কথায় পরী বললো। 


 হুজুর " তোর কি মনে হয় আমি এত সহজে তোকে যেতে দিবো। তোকে এত সহজে গ্রামের মানুষকে সুস্থ করতে দিবো। তুই এই পানিটা কোনভাবে নিয়ে যেতে পারবিনা৷ 


 পরীর কথায় হুজুর তাঁর সাথে থাকা জ্বীনদের সরণ করলেন। 

হুজুরের সরণে তার সাথে থাকা দুজন জ্বীন আসায়। হুজুর বললো। 


শেষবারের মত বলছি সামন থেকে সরে যা নইলে আজকেই হবে তোর শেষ দিন। 

হুজুরের কথায় অভি*শপ্ত পরী বললেন কার শেষ দিন হয় সেটা দেখাই যাক। 


কথাটা বলে সেই পরী হুজুরের হাতে থাকা পানিটার দিকে ছুঁটে আসায় হুজুরের সাথে থাকা জ্বীনেরা পরীকে ধরে ফেলে। 

আবারো শুরু হয় দুই দলের মাঝে যুদ্ধ। 


যুদ্ধর এক পর্যায়ে হঠাৎ সেখানে এসে উপস্থিত হন বিশাল একটা জ্বীন। 

সেই জ্বীনের সাথে আরো কয়েকটা জ্বীন। 


সেই জ্বীন এসে কোন কথা না বলে হুজুরের সাথে থাকা দুজন জ্বীনকে আঘাত করতে থাকে আর মহূর্তে হুজুরের সাথে থাকা জ্বীন আহত হয়ে বেহুশ হয়ে পড়ে যায়। 


এদিকে এই দৃশ্য দেখে তো আমি ভয়ে শেষ৷ হুজুর ও অবাক হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন কি হলো এটা৷ এরা কোন জ্বীন। 


অবস্থা খারাপ দেখে হুজুর ভাবলেন পরীর রাজ্য থেকে নিয়ে আসা পানি এঁদের শরীলে ছিটিয়ে দিলে এরা পালিয়ে যাবে৷ 


এই ভেবে হুজুর পানির বোতলের মুখ খুলতে যাবে তখনি এক সেকেন্ড সেই জ্বীন এসে হুজুরকে আঘাত করে মাটিতে ফেলে দিলেন। 


জ্বীনের আঘাতে হুজুর বেহুশ হয়ে পড়লেন মাটিতে। 

তখন হুজুরের হাতে থাকা পানিটা নিয়ে চলে গেলেন সেই জ্বীন ও অভি*শপ্ত পরী। 😢


এটা কি হলো। আমার এত কষ্ট করে নিয়ে আসা পানিটা পরী নিয়ে গেলো। 

পরী ও তাঁর সাথে থাকা জ্বীনেরা চলে যাবার পর। 


আমি দৌড়ে কাছাকাছি থাকা একটা বাড়িতে গিয়ে চিৎ*কার করতে থাকি। 

আমার চিৎ*কারে ঐ বাড়ির লোকেরা উঠায় আমি ওদের সব ঘটনা খুলে বলি৷ সব শুনে ওরা আমার সাথে হুজুরের কাছে আসে আর হুজুরকে ধরাধরি করে সেই বাড়িতে নিয়ে আসা হয়৷ 


হুজুরকে সেই বাড়িতে নিয়ে আসার পর ওনার হুশ ফেরানো হয়। 

ওনার হুশ ফেরায় ওনি আমাকে বলে নিশাদ পানি। 


ওনার কথায় আমি মন খারাপ করে মাথা নিচু করায় ওনি বুঝতে পারে পানিটা পরী নিয়ে গেছে। 


পরী পানিটা নিয়ে যাওয়ায় হুজুর বললেন। 

নিশাদ, আমি এখন বাড়িতে চলে যাই আমার শরীলটা ভালো লাগছেনা। তুমি কাল আমার সাথে দেখা করো। 


ওনার কথায় আমি বললাম, হুজুর আপনার শরীলতো খারাপ একা একা কিভাবে জাবেন। আমি আপনাকে এগিয়ে দেই। আপনাকে যদি পরী আবারো আক্র*মণ করে। 


আমার কথায় ওনি বললেন। না পরী পানিটা পেয়ে গেছে আমার মনে হয়না ও আর আমার কাছে আসবে। আমি একাই যেতে পারবো তুমিও বাড়িতে চলে যাও। 


কথাটা বলে হুজুর বাড়িতে যাওয়ায় আমিও মন খারাপ করে বাড়িতে চলে যাই৷ 


আমি দুদিন পরীর রাজ্যে ছিলাম। বাড়িতে গিয়ে যানতে পারি এই দুদিনে গ্রামের আরো দু তিনজন মা*রা গেছে। 


বাড়িতে গিয়ে বিছানায় শুয়ে শুয়ে ভাবতে থাকি এখন গ্রামের সবার কি হবে। পানিটা যে নিয়ে গেলো। 


এসব ভাবতে ভাবতে রাতটা কাটিয়ে দিলাম। 

পরেরদিন সকালে গ্রামে কান্নার রোল পড়ে গেলো। কারণ সেদিন অসুস্থ  হয়ে মা*রা গেছে বেশ কয়েকজন। 


সবার মত সেদিন মা*রা গেছে আমার বন্ধু সাজিদ। 🥺

সাজিদ মা*রা গেছে শুনে এক দৌড়ে সাজিদের বাড়িতে গিয়ে ওর লা*শ দেখে কান্না করতে লাগলাম। 


এ যেনো মৃ*ত্যুর খেলা। গ্রামে অনেক কয়জন একসাথে মা*রা যাওয়ায় কেউ কারো কান্না দেখছেনা। 


যারা রোগে আ*ক্রান্ত তাঁরা তো ভয়ে শেষ। নিজের চোখের সামনে নিজের পরিবারের লোক মা*রা যাচ্ছে অথচ কেউ কিছু করতে পারছেনা। 


সাজিদ আমার অনেক ভালো বন্ধু ছিলো। ওর এমন মৃ*ত্যুতে আমি অনেক ভেঙে পড়ি। 

সেদিন সাজিদ ও গ্রামের সবার জানাযা শেষে আমি হুজুরের কাছে চলে যাই। 


আমি হুজুরের বাড়িতে যাবার পর দেখি ঈমাম সাহেব ও ওখানে। 

ওরা আমাকে দেখে বলে নিশাদ তুমি আসছো বসো। বসো এখানে। 


ওনাদের কথায় আমি বসে হুজুরকে বলি। হুজুর এখন কি খবর। এখন কি হবে। আজকে গ্রামের অনেকেই মা*রা গেছে। আপনি কি কোন উপায় পেলেন। 


আমার কথায় হুজুর মাথা নিচু করে বললেন। 

না আর কোন উপায় নেই৷ আমার আর কিছুই করার নেই৷ 

সেই পানি দিয়ে গ্রামের সবাইকে সুস্থ করতে চাইলাম কিন্তু তা আর হলোনা৷ সেই অভি*শপ্ত পরী ও ওর মালিক জ্বীনকে দিয়ে সেটা ছিনিয়ে নিয়ে গেলো৷ 


এদিকে আমার সাথে থাকা জ্বীনেরাও অনেক অসুস্থ। আমাকে ক্ষমা করো নিশাদ আমি আর কিছুই করতে পারবোনা৷ 


হুজুরের কথায় ঈমাম সাহেব বললেন। নিশাদ আমি নিজেই এই রোগে আক্রা*ন্ত হয়ে পড়ছি জানিনা কি হবে। তুমি এখন বাড়িতে যাও ও যদি কোন উপায় পায় তো তোমাকে জানাবে। 


ঈমাম সাহেবের কথায় আমি হুজুর ও ওনাকে সালাম জানিয়ে মন খারাপ করে সেখান থেকে গ্রামে ফিরে আসলাম। 


যতটুকু আশা ছিলো, সেটাও শেষ হয়ে গেলো। এখন মনে হয় গ্রামের সবার মত আমার মা বাবার মৃ*ত্যু আমাকে দেখতে হবে। 


অনেক মন খারাপ নিয়ে বাড়িতে চলে গেলাম।। 

বাড়িতে মা বাবা অসুস্থ।  ওঁদের এমন অবস্থা দেখে খুব খারাপ লাগে কষ্ট হয়। তাই সেদিন রাতে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে একটু দূরে একটা ফাঁকা মাঠে গিয়ে বসে একমনে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকি। 


এমন সময় সেই অভি*শপ্ত পরী আসে আমার কাছে। 

ও এসে আমার পিছনে দাঁড়াতেই আমি ওর দিকে ছুটে গিয়ে বলি কেন আসছো আমার কাছে আমাকে মে*রে ফেলতে। ফেলো আমাকে এখনি মে*রে ফেলো আমি আর সবার এমন কষ্ট দেখতে পাচ্ছিনা।


হয় আমাকে মেরে ফেলো নইলে নইলে আমার মাঝে ও সেই রোগ, ছড়িয়ে দাও। 


আমার কথায় পরী আমাকে বললেন। তোর ম*রার এত সখ। জানিস আমি এখানে কেনো আসছি। 


কেনো আসছিস, আমাকে মে*রে ফেলতে মা*র আমাকে। 


তখন পরী বললো না৷ আমি তোর কাছে একটা প্রস্তাব নিয়ে আসছি। এটা ঠিক প্রস্তাব না। বলতে পারিস এটাই হবে। আমি তোকে বিয়ে করবো। তোর আর আমার বিয়ে হবে। 😲


কিহহ তোর সাথে আমার বিয়ে। 


তারপর ______

Next______


পরের পর্বে জানতে পারবেন এই অভিশপ্ত পরী আমাকে বিয়ে করার কারণ৷ গল্প এখনো সামনে অনেক বাকি পড়তে থাকুন৷

চালাক মানুষ চেনার উপায়।

 চালাক মানুষ চেনার উপায়।

## **চালাক মানুষ চেনার ৭টি স্পষ্ট উপায় (বিশ্লেষণসহ)**

**অবশ্যই শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইলো**

---


**১. তারা বেশি কথা না বলে পর্যবেক্ষণ করে**  

চালাক মানুষ প্রথমেই নিজেকে প্রমাণ করতে চায় না।  

তারা চুপচাপ সবকিছু দেখে, পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এবং যখন সময় আসে, তখনই বলে— তাও সংক্ষেপে।  

> _“যে কম বলে, সে বেশি বোঝে। যে বেশি বোঝে, সে কম ভুল করে।”_


---


**২. আবেগে ভাসে না, আবেগ বোঝে**  

চালাক মানুষ রাগ, অভিমান বা ভালোবাসায় গা ভাসিয়ে দেয় না।  

তারা আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে, অন্যের আবেগ পড়ে বুঝতে পারে কোন কথা কখন বলা উচিত আর কখন নয়।  

> _“তারা জানে, আবেগ দিয়ে সম্পর্ক টেকে না— বোঝাপড়া লাগে।”_


---


**৩. তারা কখনও নিজেকে সবার সামনে বড় দেখাতে চায় না**  

চালাক মানুষ চুপচাপ নিজেকে তৈরি করে।  

তারা নিজের শক্তি গোপন রাখে, কারণ তারা জানে—  

**"যারা নিজের শক্তি দেখায়, তারা ভয় পায় হারানোর।"**  

আর চালাকরা হারার ভয় পোষে না— জেতার কৌশল খোঁজে।


---


**৪. তারা পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজেকে বদলাতে জানে**  

চালাক মানুষ জেদি নয়, নমনীয়।  

আজ যদি কঠোর হতে হয়, হয়— আর কাল যদি নরম হতে হয়, সেখানেও পিছু হটে না।  

> _“চালাকরা জানে, টিকে থাকার জন্য জয় নয়, বদলই আসল চাবিকাঠি।”_


---


**৫. তারা সকলের বন্ধু হলেও, খুব কমজনকে বিশ্বাস করে**  

স্মার্ট মানুষের মুখে হাসি সবার জন্য থাকে,  

কিন্তু মন খুলে কথা বলে শুধু গুটিকয়েকের সঙ্গে।  

তারা জানে—  

**"বিশ্বাস ভুল জায়গায় রাখলে, আঘাত নিশ্চিত।"**


---


**৬. ভুল করলে শেখে, কিন্তু বারবার সেই ভুল করে না**  

চালাক মানুষ ব্যর্থতা থেকে পালায় না— বরং সে ব্যর্থতা থেকেই তার শিক্ষা তুলে নেয়।  

> _“একবার ভুল করা স্বাভাবিক, কিন্তু একই ভুল বারবার করা বোকার কাজ।”_


---


**৭. তারা কখন কাকে কী বলতে হয়, সেটা খুব ভালো বোঝে**  

তারা অপ্রয়োজনে নিজের মনের কথা উজাড় করে না।  

কারণ তারা জানে,  

**"সব কথা সবাইকে বলার নয়— আর সব কান সত্য শোনার যোগ্য নয়।"**


---


### **শেষ কথা:**  

চালাক মানে শুধু ডিগ্রি বা বই পড়া নয়।  

চালাক সেই, যে মানুষ, সময় ও অনুভূতিকে বুঝে  

**নিজেকে সেভাবে গড়ে তোলে— জেতার জন্য নয়, টিকে থাকার জন্য।**


---


**এই লেখাটা যদি ভালো লাগে, পোস্ট করে দাও নিজের টাইমলাইনে।  

কারণ আজকের দিনে চালাক না হলে, ভালো থাকাও একটা চ্যালেঞ্জ।**


---**অবশ্যই একটা ভালো বা খারাপ কমেন্ট করবেন, এটা আপনাদের থেকে আমার আবদার ,ধন্যবাদ আমাদের সাথেই থাকব

 গল্প:- বিয়েটা যদি এভাবে হত__?

 গল্প:- বিয়েটা যদি এভাবে হত__?


এক.

ছোট চাচ্চুর বয়স বাইশ বা তেইশ হবে। আগামীকাল ছোট চাচ্চুর বিয়ে। অথচ আমাদের ঘর দেখে বুঝার কোনো উপায় নেই, এই ঘরের কোনো ছেলের বিয়ে হচ্ছে। আমি যা দ্বীন পালন করি, সব ইন্সপায়ার ছোট চাচ্চু থেকে। আত্মীয়স্বজন কেউ আসে নি। এমনকি ফুফু, আপুরাও না। অবশ্য তাদের দাওয়াত দেওয়াও হয় নি। এখন রাত দশটা বাজে। ছোট চাচ্চুর কিছু বন্ধু এসেছে। সবাই ছাদের উপর আছে। আমাকে নাস্তা পরিবেশনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ছোট চাচ্চুর বন্ধুরা নাশিদ গাচ্ছে। কী সুন্দর বোকাল! এগারোটার দিকে তারা চলে গেল। পরে সবাই ঘুমিয়ে গেলাম। আমার জীবনে এই প্রথম দেখলাম, বিয়ের রাতে আত্মীয়স্বজনদের ঘুমাতে। আমিও তো কখনোই বিয়ের রাতে ঘুমাই নি। সারারাত হাই ভলিউমে আইটেম সং বাজত। ঘুমানোর চিন্তা করাও কঠিন ছিল। 


দুই.

মেয়ের বাড়ি থেকে কিছুই দেওয়া হয় নি। কিছুই না বলতে, কিছুই না। ছোট চাচ্চু কাপড়ের ব্যবসা করেন। নিজের টাকা দিয়ে যা কিছু সংগ্রহ করা যায়, করেছেন। আমাদের জয়েন ফ্যামেলি। পর্দা করতে অসুবিধে হতে পারে বলে, ছোট চাচ্চু একটা বাসায় থাকবেন। বাড়ি থেকে বিশ টাকা বাড়া ওখানে যেতে। আমি দুদিন আগে একবার ওখানে গিয়েছিলাম। অল্প কিছু জিনিস সংগ্রহ করেছেন। দুটি সাধারণ রুম, রান্নাঘর আর একটি বাথরুম। 


তিন.

আমরা সবমিলিয়ে এগারো জন যাচ্ছি কনের বাড়িতে। এগারো জনও হয়তো যাওয়া হত না, কনের বাবার জোরাজুরিতে যাওয়া হচ্ছে। মেয়ের বাড়ি দেখে আরও অবাক হলাম। আজ বিয়ে, অথচ কোনো হৈ-হুল্লোড় নেই, কোনো আয়োজন নেই। দুইদিন ধরে আমি শুধু অবাক হয়েই চলছি। মোহর পঞ্চাশ হাজার টাকা। আমি প্রথমে ভাবছি, ভুল শোনেছি। পরে শোনি, পঞ্চম হাজারই। নগদ। পঞ্চাশ হাজার শোনে, প্রথমে দুয়েকজন কথা তুললেও ছোট চাচ্চুর কথা শুনে সবাই নীরব হয়ে গেছে। ছোট চাচ্চু এরকম বলেছেন, 'আমি বিয়ে তালাক দেয়ার জন্য করছি না। আল্লাহ না করুন, যদি কখনো তালাকের প্রয়োজন হয়, তাহলে কি টাকার অভাবে আমি ছেড়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকব। আমি আজীবনের জন্য আপনাদের মেয়ে নিতে এসেছি, ক্রয় করতে না।' আমি খেয়াল করলাম, মেয়ের বাবার চোখে পানি চলে এসেছে। তিনি তো ছেলে যত দিবে, তাতেই সন্তুষ্ট ছিলেন। মসজিদে কবুল পড়ানো হল। পরে খেজুর ছিটিয়ে দেওয়া হল। আমরা সবাই চলে এলাম বাড়িতে। ছোট চাচ্চু আর চাচি আলাদা গাড়ি দিয়ে আসলেন।


চার.

একটা নীরব বিপ্লব ঘটে গেছে আমাদের গ্রামে। ছোট চাচ্চুর বিয়ের পর গ্রামে অনেক ছেলে এভাবে বিয়ে করছে।  একেবারে সাধারণভাবে। আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললাম, ইসলামে বিয়েটা অনেক সহজ। আমরাই বিয়েকে কঠিন করে ফেলেছি। ফলে জিনা বাড়ছে। কারও ক্ষুধা লাগলে তাকে যদি হালাল খাবার দেওয়া না হয়, তাহলে সে হারামের দিকে অগ্রসর হবে—এটাই স্বাভাবিক।


_সংগৃহীত

একটি শিক্ষামূলক পোস্ট :ধৈর্য্য সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। (Collected)

 একটি শিক্ষামূলক পোস্ট ::

১. কাউকে একসঙ্গে তিনবারের বেশি ফোন কল করবেন না। যেহেতু আপনার কল রিসিভ হচ্ছে না তার মানে ব্যক্তিটি আপনার ফোন কলের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোন কাজে ব্যস্ত আছে।

১০/১৫ মিনিট পর আবার চেষ্টা করতে পারেন। 


২. কারো কাছ থেকে টাকা ধার/ঋণ করলে সেটা অবশ্যই ফেরত দিন। যদি ঋণদাতার মনে নাও থাকে তারপরও তাকে সময়মতো ফেরত দিন বা তাকে এমন ভাবে তা পুষিয়ে দিবেন যাতে তার মনে প্রশান্তি আসে। তার সাথে নমনীয় আচরন করুন।


৩. এখনো বিয়ে করোনি কেন কিংবা তুমি নতুন বাড়ি কিনছো না কেন? কাউকে এই ধরনের প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা থেকে বিরত থাকুন। 


৪. যদি কোন বন্ধু বা সহকর্মীর সঙ্গে রাইড শেয়ার করেন সেক্ষেত্রে আপনার বন্ধু বা সহকর্মী আজকে বিল পরিশোধ করলে কালকে আপনি বিল পরিশোধ করুন।


৫. অন্যের মতামতকে সম্মান জানাতে শিখুন। কারো কথার মাঝখানে কথা বলবেন না। তার কথা শেষ হলে তারপর আপনি কথা বলা শুরু করুন।


৬. কারো সঙ্গে আপনি মজা করতেছেন কিন্তু সে যদি সেটা উপভোগ না করে তাহলে আপনার অবশ্যই থামা উচিত এবং কখনো এরকম আর করবেন না।


৭. কেউ যদি কোনো ছবি দেখানোর জন্য তার ফোন আপনার হাতে দেয় তাহলে নির্দিষ্ট ছবিটি দেখুন গ্যালারির এপাশ-ওপাশ করবেন না।


৮. কারো সঙ্গে কথা বলার সময় স্মার্ট ফোন টিপাটিপি করবেন না।


৯. যতক্ষণ পর্যন্ত কোন বিষয় আপনার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি নিজের চরকায় তেল দিতে থাকুন।


১০. কারো ব্যক্তিগত ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করবেন না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনার কাছে উপদেশ চাওয়া হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত উপদেশ দিতে যাবেন না। নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে যাবেন না।


১১. সবাইকে সম্মান দিতে শিখুন হোক সে রিক্সাওয়ালা কিংবা আপনার অফিসের বস।


১২. কারো বেতন - চাকরি - ব্যবসা এসব নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করবেন না।


১৩. কেউ পাসওয়ার্ড দেওয়ার সময় ভদ্রতার সাথে চোখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে ফেলুন।


১৪. কেউ ন্যূনতম সাহায্য করলে তাকে ধন্যবাদ দিতে শিখুন।


১৫. কারো কাছ থেকে কোনো কিছুতে উপকৃত হলে তার যথাযথ মূল্যায়ন করুন।


১৬. বন্ধুত্বের উপর সবসময় বড় আবদারের  আশা করে থাকবেন না।


১৭. সবসময় কোনো কিছু ফ্রি - তে পাওয়ার আশায় থাকবেন না।


১৮. কারো দোষ জানা থাকলে তা গোপন রাখুন। অপপ্রচার  করবেন না। 


১৯. কারো কোনো কিছু নিয়ে হিংসা করবেন না। নিজে চেষ্টা করুন। হয়তো আপনিও পারবেন। 


২০. ছোট-বড় সবার সাথে মাধুর্য্যপূর্ণ আচরন করুন। আপনার সাথে কারো মতের মিল না থাকলে তর্ক না করে তার সঙ্গ এড়িয়ে চলুন। 


২১. বন্ধুত্বের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হলে তার দোষ রটনা করবেন না।


২২. কাউকে খোঁটা দিবেন না।


২৩. কোনো বিষয়ে কম জানা থাকলে তা নিয়ে অন্যের  সাথে তর্ক করবেন না।


২৪. ছোট-বড় কাউকে লজ্জা দিয়ে কথা বলবেন না। অন্য ধর্মাবলীদের তুচ্ছ করে কথা বলবেন না।


 ২৫. যে আপনার উপদেশ মানে না তাকে উপদেশ দিতে  যাবেন না অর্থাৎ উলু বনে মুক্তা ছড়াবেন না।


ধৈর্য্য সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। (Collected)

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...